পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

পরীক্ষাBJS & BARতারিখ৩১ অক্টোবর, ২০২৩সময়50 minutes৯৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষা-২০১২
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

BJS & BAR · ৩১ অক্টোবর, ২০২৩ · ১০০ প্রশ্ন

.
তামাদি মেয়াদের পরে দেওয়ানি মামলা দায়ের করার ফল হচ্ছে-
  1. আরজি নাকচ
  2. আরজি ফেরৎ
  3. মামলা খারিজ
  4. কোর্ট ফি বাতিল
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত মোকদ্দমার ফলাফল: ৩ ধারার মূল বিধান হলো তামাদির মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত দেওয়ানি মোকদ্দমা খারিজ হবে।
♦ অর্থাৎ, প্রথম তফসিলে বর্ণিত নির্ধারিত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার পর মোকদ্দমা, আপিল, দরখাস্ত দায়ের করলে বিবাদীপক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন না করলেও মোকদ্দমা খারিজ হবে।
.
কোন মামলার ক্ষেত্রে তামাদি মওকুফ হবে না?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. স্বত্ব ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব ঘোষণা
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনে ক্ষেত্র বিশেষে সময় বৃদ্ধিকরণ শিরোনামে ৫ ধারায় ৫টি ক্ষেত্রের কথা বলা হয়েছে। শুধু এ ৫ ক্ষেত্রেই এ ধারার বিধান প্রয়োগযোগ্য। ৫ ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো ক্ষেত্রেই এ ধারা প্রয়োগ হবে না।  ৫ ধারার মূল বিধান হচ্ছে- যথেষ্ট কারণ প্রমাণ  সাপেক্ষে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারলে আদালত নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতায় ৫ ক্ষেত্রে বিলম্ব মওকুফ করতে পারে।
♦৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য হয়
১. আপিল [ Appeal ]
২. আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত [Leave to Appeal]
৩. রিভিউ [Review]
৪. রিভিশন [ Revision ]
৫. অন্য যেকোনো দরখাস্তে;
♦৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য হয় না: যেমন-স্বত্ব ঘোষণা, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অধিকার ঘোষণা (সম্পত্তিতে)।
♦অর্থাৎ ধারা ৫ অনুযায়ী ৫ টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। এটিকে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে। ৫ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। যথেষ্ট কারণ থাকা সত্ত্বেও আদালত বিলম্ব মওকুফের আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। তাই কোন পক্ষ অধিকার হিসেবে ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফ করে সময় বৃদ্ধির আবেদন করতে পারবে না।
.
মামলা দায়েরের জন্য একজন নাবালক নির্ধারিত তামাদি অতিরিক্ত সময় পায় কত দিন?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ২১ বছর বয়স পর্যন্ত
  4. সাবালকত্ব অর্জন পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রমঃ ৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
♦ তামাদি আইনের ৮ ধারামতে আইনগত অক্ষমতা শেষ হওয়ার পর তিন (৩) বছর অতিবাহিত হলে তামাদি মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ আইনগত অক্ষমতা শেষ হওয়ার তিন বছর পর মামলা করলে উক্ত মামলা খারিজ হবে।
♦ মামলা দায়েরের জন্য একজন নাবালক নির্ধারিত তামাদি অতিরিক্ত সময় পায় তিন (৩) বছর।
.
জমির স্বত্ব ঘোষণা ছাড়াই শুধু দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়েরে তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে।
♦আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে। ৯ ধারামতে যিনি স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, তিনিই মামলা করতে পারেন। কেননা এই ধরনের মামলায় শুধু বাদীর দখল এবং বেদখল প্রমাণ করতে হয় এবং ৯ ধারার অধীনে দখল উদ্ধারের মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন অবান্তর।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য উক্ত সম্পত্তিতে দখল এবং বিগত ৬ মাসের মধ্যে বেদখল হওয়া প্রমাণ করতে হবে, তবে স্বত্ব প্রমাণ করার কোন প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য যে, ৮ ধারায় দখল প্রমাণের প্রয়োজন নেই তবে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
.
কোন কারণে ব্যয়িত সময়কালে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদের সাথে যোগ হবে?
  1. আইনজীবী নিয়োগ
  2. হাজতবাস
  3. অসুস্থতা
  4. রায়ের নকল সংগ্রহ
সঠিক উত্তর:
রায়ের নকল সংগ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের নকল সংগ্রহ
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১২ ধারায় বলা আছে তামাদির মেয়াদ হিসাব করার সময় কোন কোন সময় বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে।
♦তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা-
১) মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন।
২) রায় ঘোষণার দিন ।
৩) রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়।
৪) রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।
.
কোন প্রতিকারটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় পড়ে না?
  1. চুক্তি বাস্তবায়নে
  2. নিষেধাজ্ঞা
  3. স্বত্ব ঘোষণা
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
যদিও ৫ এর ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।
.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে জমির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য কোন বিষয়গুলি প্রমাণ করতে হবে?
  1. স্বত্ব ও দখল
  2. সীমানা
  3. দখল ও বেদখল
  4. স্বত্ব
সঠিক উত্তর:
দখল ও বেদখল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল ও বেদখল
ব্যাখ্যা
♦আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে। ৯ ধারামতে যিনি স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, তিনিই মামলা করতে পারেন। কেননা এই ধরনের মামলায় শুধু বাদীর দখল এবং বেদখল প্রমাণ করতে হয় এবং ৯ ধারার অধীনে দখল উদ্ধারের মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন অবান্তর।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য উক্ত সম্পত্তিতে দখল এবং বিগত ৬ মাসের মধ্যে বেদখল হওয়া প্রমাণ করতে হবে, তবে স্বত্ব প্রমাণ করার কোন প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য যে, ৮ ধারায় দখল প্রমাণের প্রয়োজন নেই তবে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
♦তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে।
.
কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে কোন ব্যক্তির অবস্থান অস্বীকৃত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার প্রতিকার পাওয়া সম্ভব?
  1. ৯ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৩২ ধারা
  4. ৪২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦আইনসংগত পরিচয়, পদ, অবস্থান বা সম্পত্তিতে স্বত্ত্বের অধিকা অন্য কেউ অস্বীকার করলে ৪২ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়। ঠিক এ কারণেই ৪২ ধারা ঘোষণামূলক মোকদ্দমার ধারা নামে পরিচিত। 
♦ঘোষণামূলক মোকদ্দমা। 'কোনো ব্যক্তির আইনগত পদ/পরিচিতি [Legal Characterj বা সম্পত্তিতে স্বত্ত্বের অধিকার Right to Property) প্রার্থনা করে যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তাকেই ঘোষণামূলক মোকদ্দমা (Declaratory Suit] বলে”। 
♦ ঘোষণামূলক ডিক্রি: ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে যে ডিক্রি দেয় তাকেই ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree ] বলে।
বিষয়বস্তু/কারণ: ২টি; ১, আইনগত পরিচয় নির্ধারণ করা। ২. সম্পত্তিতে অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
♦ মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
♦মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী রিট দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়।  
♦আনুষাঙ্গিক প্রতিকার মূল মোকদ্দমার সাথে চাইতে হয়, চাইলে পাবে, না চাইলে পাবে না। মনে রাখবেন, আনুষাঙ্গিক প্রতিকার দাবি করার থাকলে তা দাবি করা বাদীর জন্য বাধ্যতামূলক।   ঘোষণামূলক ডিক্রি বলবৎ করার জন্য জারি মামলা করার প্রয়োজন নেই। ঘোষণামূলক ডিক্রি অবমাননার জন্য অবমাননার মামলা করার দরকার নেই ।
.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কত প্রকার নিষেধাজ্ঞার উল্লেখ আছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act,1877 -এ নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রধানত তিন প্রকারের হতে পারে, যেমন-
১. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা [Temporary Injunction] -[ধারা ৫৩],
২. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা [Perpetual Injunction] -[ধারা ৫৩],
৩. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা [Mandatory Injunction] [ধারা ৫৫];  বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞাকে আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞাও বলা হয়ে থাকে।
১০.
কোন চুক্তিটি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয়?
  1. জমি বিক্রয়ের চুক্তি
  2. রাস্তা নির্বাচনের চুক্তি
  3. সিনেমার অভিনয়ের চুক্তি
  4. পরিবহন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
সিনেমার অভিনয়ের চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনেমার অভিনয়ের চুক্তি
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act,1877 Section 21- Contracts not Specifically Enforceable - যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়' শিরোনামে ২১ ধারায় বর্ণিত আছে যে, আদালতের মাধ্যমে চুক্তি বলবৎ করা যায় না- ৮টি ক্ষেত্রে। তার মধ্যে ১টি হলো ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল চুক্তি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয় । কারণ, সিনেমায় অভিনয়ের চুক্তি যা ব্যক্তিগত যোগ্যতার অন্তর্গত।

♦২১ ধারা অনুযায়ী- ৮ ক্ষেত্রে চুক্তি কার্যকর/বলবৎ করা যায় না:
১). যে চুক্তি সম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়।
২). যে চুক্তি সুক্ষ্ম ও জটিল শর্ত দ্বারা গঠিত বা ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল [যেমন: গল্প-উপন্যাস রচনা, অভিনয়, ব্যক্তিগত সেবা দেওয়া, বিবাহ করা সংক্রান্ত চুক্তি।]। 
৩). যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগতভাবে নির্ণয় করতে পারে না।
৪). যে চুক্তি তার প্রকৃতির (Nature) কারণেই বাতিলযোগ্য [Revocable বা যে চুক্তি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যহারযোগ্য]।
৫). জিম্মাদার/ট্রাস্টি কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৬). কোম্পানির পক্ষে বা কর্মকর্তা কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৭). যে চুক্তি পালনে শুরু করার তারিখ হতে ৩ বছরের বেশি সময় লাগে। 
৮) যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগেই বিষয়বস্তু বিলুপ্ত হয়েছে। মনে রাখুন, চুক্তিতে Arbitration Clause থাকলে চুক্তি কার্যকর করা যাবে না।
১১.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল একটি-
  1. সাংবিধানিক সংস্থা
  2. সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
  3. নির্বাচিত সংস্থা
  4. সমবায় সমিতি
সঠিক উত্তর:
সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ ৩ : বিবিসি অর্ডারঃ ৩(২) অনুচ্ছেদে স্পষ্ট বলা আছে যে, The Bar Council shall be a Body Corporate অর্থাৎ বার কাউন্সিল হবে আইনসৃষ্ট সংস্থা। আবার, বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইট বলা আছে- The Bangladesh Bar Council is a Statutory Autonomus Body [সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা] of the Government.' বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে আরও উল্লেখ আছে যে- Bangladesh Bar council is a licensing and Regulatory Body [নিয়ন্ত্রক সংস্থা] constituted under the Bangladesh Legal Practianers and Bar Council Order, 1972. এছাড়া আমরা জানি যে, আইনসভা তথা সংসদ কর্তৃক আইন সৃষ্ট/ প্রণীত হয়, এরূপ প্রণীত আইনকে সংবিধিবদ্ধ আইন বা বিধিবদ্ধ আইন বলা হয়। বার কাউন্সিল যেহেতু বিধিবদ্ধ আইন দ্বারা গঠিত, সেহেতু এটি একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা; যা স্বাধীন।
১২.
কোন কাজটি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আওতাভুক্ত নয়?
  1. সনদ প্রদান
  2. পেশাগত অসদাচরণ
  3. আইন শিক্ষার উন্নয়ন
  4. আইনগত সহায়তা
সঠিক উত্তর:
আইনগত সহায়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত সহায়তা
ব্যাখ্যা
♦ অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া।
২. এরূপ তালিকা প্রস্তুত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা।
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া।
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা।
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা।
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা।
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা।
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা।
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
♦ অর্থাৎ আইগত সহায়তা দেয়া বার কাউন্সিলের কাজ নয়।
১৩.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১৫ জন
  2. ১৪ জন
  3. ১৬ জন
  4. ১৩ জন
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ-৫ অনুযায়ী- ১৫ জন সদস্য নিয়ে বার কাউন্সিল গঠিত হবে যাদের মধ্যে পদাধীকার বলে এটর্নি জেনারেল সদস্য হবেন। বাকি ১৪ জন হবেন সমগ্র বাংলাদেশের আইনজীবিদের মাধ্যমে নির্বাচিত। এদের মধ্যে ৭ জন নির্বাচিত হবেন সাধারণ আইনজীবিদের মাধ্যমে এবং ৭ জন নির্বাচিত হবেন অঞ্চলভিত্তিক আইনজীবি সমিতির আইনজীবিগণের মাধ্যমে।
১৪.
একজন এ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিস্কার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় কার নিকট?
  1. আপিল বিভাগ
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আইন মন্ত্ৰী
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ অনুচ্ছেদ-৩৬: অনুচ্ছেদ ৩৪ এর অধীন কোন আদেশ দেয়া হলে উক্ত আদেশের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
♦ অর্থাৎ একজন এ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিস্কার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়  ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে।
১৫.
এ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য একজন প্রার্থীর ন্যূনতম বয়স কত হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972, Article 27 অনুযায়ী আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতাঃ
♦ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলী পূরণ করতে হবেঃ
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যরিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
১৬.
ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে একজন এ্যাডভোকেট কোন সনদ প্রার্থীকে শিক্ষানবীশ Pupil হিসাবে গ্রহণ করতে পারেন?
  1. ৫ বছর
  2. ৮ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
♦বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হবার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে। কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না। অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা এফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারীর নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
♦কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরনের জন্য দায়ী হবেন। শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন । হাইকোর্ট বিভাগে প্রাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে। এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারী কলেজে হবে।
♦বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
১৭.
পুলিশের নিকট আসামীর স্বীকারোক্তি কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসাবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে
  2. নিরপেক্ষ সাক্ষীর উপস্থিতিতে
  3. স্বীকারোক্তিমতে আলামত উদ্ধার
  4. স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলক হলে
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তিমতে আলামত উদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তিমতে আলামত উদ্ধার
ব্যাখ্যা
♦অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।
♦সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা মতে আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারেঃ পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদ্ঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।
১৮.
কোন ব্যক্তির মৃত্যুকালীন ঘোষণা Dying declaration তার কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য?
  1. মৃত্যুর কারণ
  2. সম্পত্তি দান
  3. পরিচয়
  4. বিবাহ
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর কারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর কারণ
ব্যাখ্যা
♦ Evidence Act  এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা [Dying Declaration); কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পূর্বে তার  মৃত্যুর কারণ,  মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা যে সকল ঘটনার ফলে মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কিত লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা/বিবৃতি প্রদান করে, তাকেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলে। 
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয়ক্ষেত্রেই
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
১৯.
কোনটি মূল দালিলীক সাক্ষ্য Primary evidence ?
  1. ফটোস্ট্যাট কপি
  2. দৈনিক পত্রিকা
  3. কোন বাস্তব ফটোগ্রাফ
  4. সত্যায়িত কপি
সঠিক উত্তর:
দৈনিক পত্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈনিক পত্রিকা
ব্যাখ্যা
♦১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬২ শুরু হয়েছে প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞায়নের মাধ্যমে। ‘Primary Evidence means the document itself produced for the inspection of the court.
 ♦ প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বোঝায়, এমন মূল দলিল; যা পরিদর্শনের [inspection) জন্য আদালতের নিকট উপস্থাপন করা হয়েছে।" একবাক্যে বললে: স্বয়ং মূল দলিলই হচ্ছে প্রাথমিক সাক্ষ্য। অর্থাৎ 'মূল দলিল আদালতের নিকট উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে। ৬২ ধারার ব্যতিক্রম ৬৫ ধারা অর্থাৎ- ৭ ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারাও দলিল প্রমাণ করা যায়।
২০.
কোন দলিলটি পাবলিক দলিল Public document?
  1. প্রকাশিত কবিতা
  2. প্রকাশিত পত্র
  3. মামলার আরজি
  4. উইল
সঠিক উত্তর:
মামলার আরজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার আরজি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং ২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।
♦ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে ।
♦বাংলাদেশ সরকারের হেফাজতে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের নথিপত্র যেমন- রেজিস্ট্রি দলিলের বিবরণ, আদালতের রায়, ডিক্রি, আদেশ, মামলার আরজির জবাব, খতিয়ান, Crpc ১৬৪ ধারার confessional statement সবই সরকারী দলিল বা Public Document.
♦ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
২১.
ফৌজদারি মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমানের দায়িত্ব কার?
  1. অভিযোগকারীর
  2. রাষ্ট্রের
  3. উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর
  4. ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির
সঠিক উত্তর:
উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর
ব্যাখ্যা
♦ সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব।
♦সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
♦কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত। তবে এর ব্যতিক্রম আছে, যেমন- যে বিষয় বিরূদ্ধ পক্ষের ভাল জানা আছে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই ।
♦অর্থাৎ ফৌজদারি মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমানের দায়িত্ব উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর।
♦সাক্ষ্য আইন, ধারা ১০৩ অনুসারে B চুরির কথা C এর নিকট স্বীকার করেছে। স্বীকারোক্তির বিষয়টি যেহেতু A দাবী করেছে সেহেতু স্বীকারোক্তির বিষয়টি A অবগত। সুতরাং স্বীকারোক্তি প্রমাণের ভার A এর উপর বর্তাবে।
২২.
মালিকের অনুমতি নিয়ে ‘ক’ একটি বাড়ীতে অবস্থানকালে বাড়ীর মালিকানা দাবি করে। এক্ষেত্রে আইনগত বাধাকে কি বলে?
  1. স্বীকৃতি (Admission)
  2. স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel)
  3. দাবী ত্যাগ (Waiver)
  4. মৌন সম্মতি ।
সঠিক উত্তর:
স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel)
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের  ১১৬ ধারার বিধান ভাড়াটিয়া ও দখলে থাকার অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধ (Estoppel of tenant; and of licensee of person in possession) : কোন স্থাবর সম্পত্তির ভাড়াটিয়া অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তিকে ভাড়াটিয়া সম্পর্ক বিদ্যমান থাকা অবস্থায় ভাড়ার শুরুতে তার বাড়িওয়ালার ঐ স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করতে অনুমতি দেওয়া হবে না; কোন স্থাবর সম্পত্তির দখলদারের অনুমতি নিয়ে যে ব্যক্তি ঐ সম্পত্তিতে এসেছে সেই ব্যক্তিকে যখন এরূপ অনুমতি প্রদান করা হয়েছে তখনকার ঐরূপ ব্যক্তির ঐরূপ দখল অস্বীকার করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
♦ এই  আইনগত বাধাকে স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel) বলে।
২৩.
একপক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমানের দরকার হবে না, যদি তা হয়-
  1. অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
  2. ঐতিহাসিক সত্য
  3. প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ
  4. সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই ।
♦ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
♦ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
২৪.
আদালতে মামলার একটি পক্ষ নিজের সাক্ষীকে কোন বিষয়ে ইঙ্গিতপূর্ব প্রশ্ন (Leading question) করতে পার?
  1. যে কোন বিষয়ে
  2. স্বীকৃত বিষয়ে
  3. তর্কিত বিষয়ে
  4. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত বিষয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত বিষয়ে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
♦ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়। ♦ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) : বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।

♦ যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
২৫.
কোন পক্ষ নিজ স্বাক্ষীকে একবার পরীক্ষার পর কোন কারণে পুনঃ পরীক্ষা (Re-examination) করতে পারে?
  1. পূর্বের বক্তব্যে ভূল শোধরানো
  2. পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ
  3. কোন কিছু মিথ্যা প্রমান
  4. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ
ব্যাখ্যা
♦ পুনঃজবানবন্দীর সংজ্ঞা (Re-Examination)- জেরার পরে জবানবন্দী গ্রহণকারী পক্ষ পুনরায় যখন জবানবন্দী নেন তখন তাকে পুনঃজবানবন্দী বলে। অর্থাৎ জেরার পর আহবানকারী পক্ষ আবার নিজের সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করলে তাকে বলা হয় পুনঃজবানবন্দি বা Re-Examination.
♦পুনঃজবানবন্দীর মূল উদ্দেশ্য হবে জেরার উল্লেখিত সাক্ষ্যের ব্যাখ্যা। অর্থাৎ জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করে, পুনঃজবানবন্দীতে সেগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে।
♦আদালত অনুমতি দিলে পুনঃজবানবন্দিতে নতুন বিষয়ে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করা যায়।
♦পুনঃ জবানবন্দীর সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে নতুন কোন বিষয়ের অবতারণা করে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করা হলে, বিরুদ্ধ পক্ষ অধিকতর জেরা বা Further cross-examination করতে পারে।
♦সুতরাং আমরা বলতে পারি, কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করলে তাকে বলা হয় জবানবন্দী, বিরুদ্ধ পক্ষ সাক্ষ্য গ্রহন করলে বলা হয় জেরা; অন্যদিকে নিজের সাক্ষীর পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণ করাকে পুনঃজবানবন্দী বলে।
♦জবানবন্দী ও জেরা অবশ্যই প্রাসঙ্গিক বিষয় সংশ্লিষ্ট হবে, তবে জেরা শুধু জবানবন্দীতে সাক্ষীর প্রদত্ত সাক্ষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে তা নয়। অর্থাৎ সাক্ষী তার জবানবন্দিতে যে সকল ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছে, সেই সকল বিষয় ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ে জেরা করা যাবে।
♦অর্থাৎ আহবানকারী পক্ষ নিজ স্বাক্ষীকে একবার পরীক্ষার পর পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ করতে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করতে পারে।
২৬.
কোন স্বাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে-
  1. তার ব্যক্তিত্বের ধরার পরীক্ষা
  2. ভিন্ন দাবী প্রতিষ্ঠা করা
  3. তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
  4. তার মর্যাদা পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
ব্যাখ্যা
♦জেরার সংজ্ঞা (Cross- Examination)- আহবানকারী পক্ষের সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ সাক্ষ্য গ্রহন করলে তাকে বলা হয় জেরা। অন্যভাবে বলা যায়, কোন সাক্ষী যে পক্ষের সাক্ষ্য দিতে আদালতে আসে, সে পক্ষের জিজ্ঞাসাবাদের পর বিপরীত পক্ষ যে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাই জেরা বা Cross- Examination হিসেবে পরিচিত।
সাক্ষ্য আইনের ১৩৯, ১৪০, ১৪৩, ১৪৫, ১৪৬ ও ১৪৭ ধারায় জেরার বিধান রয়েছে।
সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে নিম্নলিখিত উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়। যথা-
i) আসামীর সত্যবাদিতা, পরিচয় ও মর্যাদা উদ্ঘাটন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা;
ii) বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যকে নস্যাৎ বা দুর্বল করা;
iii) সাক্ষীর মুখ দিয়ে জেরাকারীর পক্ষে কথা বের করা; এবং
iv) সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা খন্ডন করার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বিশ্বাসের অযোগ্য করে তোলার উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়।
v) তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দ্যেশ্যে।
২৭.
দোবারা দোষ (Res judicata) বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিধান আছে-
  1. ৯ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ১১ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১ তে রেস জুডিকাটার (res judicata) বিধান আছে।  দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন বিষয়ে একবার আদালত সিদ্ধান্ত দিলে ঐ বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পুনরায় মামলা করা যায় না । 
♦ একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে।
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ তে  Principle of Res judicata আছে।  একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে ।
♦ অর্থাৎ Principle of Res judicata হল আইন ও ঘটনার সম্মিলিত একটি বিষয়।
২৮.
এক জেলার আদালতে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলা অন্য জেলার আদালতে স্থানান্তর করতে পারে কোন কর্তৃপক্ষ?
  1. সংশ্লিষ্ট জেলা জজ
  2. সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালত
  3. সুপ্রীম কোর্টের রেজিষ্টার
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী মামলা বা আপিল স্থানান্তর ও প্রত্যাহার- যে কোন সময় হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ আদালত অধঃস্তন আদালতের কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অপর কোন কার্যক্রম স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করতে পারেন। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২, ২৩ ও ২৪ ধারা এবং The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমা ও আপিল স্থানান্তরের বিধান রয়েছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ও ২৪ ধারা অনুযায়ী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র বিবাদী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যখন কোন মোকদ্দমা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়েরযোগ্য বা বিচারযোগ্য। কিন্তু ২৪ ধারার আওতায় মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা আদালত স্বতঃ প্রবৃত্ত হয়ে নিজে (own motion) কোন মামলা বা আপিল স্থানান্তর করতে পারে।
♦সুতরাং বিবাদী হলে ২২ ধারা, অন্যদিকে মামলার যে কোন পক্ষ অথবা আদালত নিজে হলে ২৪ ধারা প্রযোজ্য হবে।
♦এক জেলার আদালতে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলা অন্য জেলার আদালতে স্থানান্তর করতে পারে হাইকোর্ট বিভাগ, আর  জেলা জজ আদালত শুধু তার অধঃস্তন আদালতের কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অপর কোন কার্যক্রম স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করতে পারেন।
♦কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত হয়ে থাকলে যে পর্যায়ে তা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই পর্যায় হতে বিচার শুরু করতে পারেন।
♦স্বল্প এখতিয়ার আদালত হতে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত মোকদ্দমার বিচারকারী আদালতকে উক্ত মোকদ্দমার ব্যাপারে স্বল্প এখতিয়ার আদালত বলে গণ্য করতে হবে।
২৯.
রিভিশন মামলায় একটি ডিক্রি হাইকোর্ট বিভাগে বহাল হলে তা জারির জন্য কোন আদালতে দরখাস্ত করতে হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপিল আদালত
  3. জেলা আদালত
  4. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
♦জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।
ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।
♦ আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।
♦ ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে।
৩০.
নিম্নোক্ত কোন রায়ের বিরুদ্ধে আপিল চলবে না?
  1. দোতরফা ডিক্রি
  2. কতরফা ডিক্রি
  3. পক্ষগণের সম্মতিভিত্তিক ডিক্রি
  4. আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের সম্মতিভিত্তিক ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের সম্মতিভিত্তিক ডিক্রি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তার হতে কোন আপীল চলবে না।
♦ অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না।
♦আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিসন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না।
♦ দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
৩১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানে আপিলযোগ্য আদেশগুলির তালিকা আছে?
  1. ৯৬ ধারা
  2. আদেশ ৪৩ বিধি ১
  3. ১০৬ ধারা
  4. আদেশ ৪১ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে আপিলযোগ্য আদেশগুলির তালিকা আছে। সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না তবে আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে মোট ২৫ টি আদেশ উল্লেখ আছে যেগুলার বিরুদ্ধে আপীল চলে।
৩২.
একটি দেওয়ানি মামলার অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন হবে কোন আদালতে?
  1. জেলা জজ
  2. আপিল বিভাগ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. স্পেশাল জজ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
♦১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
♦দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে।
♦অর্থাৎ ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
♦অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করতে হবে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩৩.
একটি দেওয়ানি আদালত প্রদত্ত রায়ের বিষয়ে রিভিউ মামলা দায়ের করা যায় কোন আদালতে ?
  1. একই আদালত
  2. সমপর্যায়ের অন্য আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আপিল আদালত
সঠিক উত্তর:
একই আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই আদালত
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১১৪ ধারায় বলা হয়েছে “….may apply for a review of judgment  to the court which passed the decree or order”. অর্থাৎ যে আদালত রায় বা আদেশ দিয়েছে রিভিউ-এর আবেদন সেই আদালতেই করতে হবে।
♦ অর্থাৎ আদালতের কোন রায়কে একই আদালতে পুনঃবিবেচনার আবেদন কে রিভিউ বলে।
♦ দেওয়ানি মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের করতে হবে রায়ের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে। (তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৭৩)
৩৪.
দেওয়ানি আদালতের সিদ্ধান্তের বিষয়ে রিভিশন মামলা দায়েরের প্রধান কারণ কি?
  1. আইনগত ভুল
  2. সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল
  3. ঘটনাগত ভুল
  4. আইনগত ভুল ও ন্যায়বিচারের বিঘ্ন ঘটা
সঠিক উত্তর:
আইনগত ভুল ও ন্যায়বিচারের বিঘ্ন ঘটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত ভুল ও ন্যায়বিচারের বিঘ্ন ঘটা
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী বিধান হলো রিভিশন । রিভিশন বলতে বুঝায় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা। রিভিশন করতে হয় উচ্চ আদালতে।
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী কেবলমাত্র ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ যে কোন পক্ষ রিভিশন দায়ের করতে পারে। সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে। রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না । আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয়।
♦ ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে। 
১) জেলা জজ ও ২)হাইকোর্ট বিভাগ
৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত হচ্ছে একটি-
  1. আদেশ
  2. প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
  3. ডিক্রি
  4. চুড়ান্তসিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) মোতাবেক- আরজি ত্রুটিযুক্ত হলে আদালত আরজি খারিজ বা আরজি নাকচ  করেন এবং আরজি খারিজ একটি ডিক্রি। উল্লেখ্য আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আদেশ। আদেশ অন্তবর্তীকালীন বা চূড়ান্ত হতে পারে। ডিক্রী প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে।
♦ আরজি নাকচের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলঃ ধারা ২(২) অনুযায়ী আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যানের আদেশ একটি ডিক্রি তাই এর বিরুদ্ধে ধারা ৯৬(১) অনুযায়ী আপীল করা যায়। আপীল না করলে ধারা ১১৪/Order XLVII অনুযায়ি রিভিউ করা যায় এবং আদেশ ৭ বিধি ১৩ এর অধীন পুনরায় একই কারণে নতুন আরজি দাখিল করা যায়।
৩৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৫১ ধারা আদালতের ক্ষমতাকে বলা হয়-
  1. বিশেষ ক্ষমতা
  2. সাধারণ ক্ষমতা
  3. সহজাত ক্ষমতা
  4. আপিল ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
সহজাত ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহজাত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
♦ ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
♦ ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।
♦ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ‘প্লিডিংস' অর্থ কি?
  1. এফিডেভিট
  2. আরজি বা জবাব
  3. অভিযোগ
  4. যুক্তিতর্ক
সঠিক উত্তর:
আরজি বা জবাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি বা জবাব
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৬, বিধি ১-এ বলা হয়েছে “Pleading” shall mean Plaint or written statement.
♦ অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ‘প্লিডিংস' অর্থ হল আরজি বা জবাব।
৩৮.
এ্যাডভোকেটের মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলার আরজিতে কার দস্তখত প্রয়োজন হবে?
  1. এ্যাডভোকেট
  2. বাদীর প্রতিনিধি
  3. বাদী
  4. এ্যাডভোকেট ও বাদী/তার প্রতিনিধি
সঠিক উত্তর:
এ্যাডভোকেট ও বাদী/তার প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ্যাডভোকেট ও বাদী/তার প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং অর্ডারের ১৪ নং বিধিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক প্লিডিংস (আরজি এবং জবাব) সংশ্লিষ্ট পক্ষ কর্তৃক এবং তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে। অর্থাৎ আরজি স্বাক্ষরিত (দস্তখত) হবে বাদী বা বাদীর সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি এবং বাদীর উকিল দ্বারা। আবার লিখিত জবাব স্বাক্ষরিত হবে বিবাদী বা বিবাদীর পক্ষে তার প্রতিনিধি কর্তৃক এবং বিবাদীর উকিল কর্তৃক।
৩৯.
অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলার জবাবের সত্যাখ্যান Verification অংশে কার দস্তখত থাকবে?
  1. এ্যাডভোকেট
  2. এ্যাডভোকেটের মোহরির
  3. যে কোন ব্যক্তি
  4. জবাব বিষয়ে ওয়াকেফহাল ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
জবাব বিষয়ে ওয়াকেফহাল ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবাব বিষয়ে ওয়াকেফহাল ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৫ নং বিধিতে প্লিডিংস সত্যাখ্যানের (Verification of pleadings) বিধান রয়েছে। ১৫ নং বিধিমতে প্রত্যেক Pleadigns-এর শেষে সংশ্লিষ্ট পক্ষ অর্থাৎ আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী সত্যপাঠে স্বাক্ষর করবে, যাকে প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন (Verification of pleadigns) বলে। অর্থাৎ আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখান বা সত্যতা প্রতিপাদন করবে।
♦ আদেশ ৬, বিধি ১৫ তে এই বিষয়ে বলা আছে। …every pleading shall be verified at the foot by the party or one of the parties….”
♦ আরজির সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি তাতে একেবারে শেষে স্বাক্ষর দিবেন এবং স্বাক্ষরে তারিখ ও স্থান উল্লেখ করবেন ।
৪০.
আরজি সংশোধন করা যাবে -
  1. ইস্যু গঠনের আগে
  2. চূড়ান্ত শুনানীর আগে
  3. যে কোন পর্যায়ে
  4. যুক্তিতর্কের পূর্বে
সঠিক উত্তর:
যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।
♦প্লিডিংস সংশোধনের সময়- ৬ নং আদেশের ১৮ নং বিধিমতে আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অথবা সময় নির্ধারণ করে না দিলে আদালতের প্লিডিংস সংশোধনীর আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হলে এবং আদালত সময় বর্ধিত না করলে প্লিডিংস সংশোধন করা যাবে না।
৪১.
নিম্নবর্ণিত কোন বিষয়টি নির্ধারনের জন্য আরজিতে দেওয়ানি মামলার মূল্যায়ন দেখানো হয়?
  1. আদালতের এখতিয়ার
  2. প্রসেস ফি
  3. সম্পদের সীমা
  4. প্রদেয় আয়কর
সঠিক উত্তর:
আদালতের এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
♦ আরজিতে কোন কোন বিষয় উল্লেখ করতে হবে তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং অর্ডারের ১ নং বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে। দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার নির্ধারন করার জন্য আরজিতে দেওয়ানী মামলার মূল্যমান দেখানো হয়। যেমন, যদি আরজিতে উল্লেখ করা হয়, মোকদ্দমার মূল্যমান ৫লক্ষ টাকা, তাহলে  সহকারী জজের নিকট মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
৪২.
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে কি হবে?
  1. আরজি ফেরৎ
  2. আরজি নাকচ
  3. মামলার খারিজ
  4. মামলা চলবে
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ অনুযায়ী- আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে আদালত আরিজ নাকচ করবেন। ভুল আদালতে আরজি পেশ করলে আদালত আরজি ফেরত দেয়। আরজি খারিজ ও মামলা খারিজ একই বিষয় নয়। উল্লেখ্য যে, আরজি খারিজ বা নাকচ হলেও নির্দিষ্ট ত্রুটি সংশোধন করে পুনরায় আরজি পেশ করা যায়। শুনানীর দিন পক্ষগণের অনুপস্থিতির কারণে বা সমন জারি না হওয়ার কারণে মামলা খারিজ হতে পারে।
♦ আরজিতে প্রার্থিত প্রতিকারের মূল্যমান কম করা হলে বা প্রয়োজনের তুলনায় কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হলে, আদালত উক্ত ক্ষেত্রে সরাসরি আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ দিবে না বরং প্রার্থিত প্রতিকারের মূল্যমান সংশোধন করতে এবং আরজি প্রয়োজনীয় কার্টিজ পেপারে উপস্থাপন করার জন্য ২১ দিন সময় দিবে। যদি উক্ত ২১ দিনের মধ্যে বাদী এমন আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত আরজি প্রত্যাখ্যান করবে। অন্যদিকে আরজির সাথে প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সমন ও আরজির কপি না দিলে', প্রয়োজনীয় সমন ও আরজির কপি সরবরাহ করার জন্য আদালত বাদীকে ২১ দিন সময় দিবে। বাদী ব্যর্থ হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখ্যান করবে। কিন্তু আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে, আদালত আরজি সংশোধনের সুযোগ না দিয়ে সরাসরি আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
৪৩.
বিরোধীয় জমি দুটি জেলায় অবস্থিত হলে তৎসম্পর্কে কোন জেলার আদালতে মামলা করতে হবে ?
  1. যে জেলায় বাদী বাস করে
  2. যে জেলায় বিবাদী বাস করে
  3. তৃতীয় জেলায়
  4. দুটি জেলার যে কোনটিতে
সঠিক উত্তর:
দুটি জেলার যে কোনটিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি জেলার যে কোনটিতে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পপত্তি সম্পর্কিত মামলাঃ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত বা উহাতে অনিষ্টের কারণে আনীত মামলার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে উক্ত সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ার অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যেতেপারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, মামলার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবীটিই এরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারেন।
৪৪.
দেওয়ানি মামলার আরজিতে উত্থাপিত দাবী সমর্থনকারী দলিলাদি বাদীর দখলে না থাকলে সেগুলির বিষয়ে তার করণীয় কি?
  1. দলিলের নকল দাখিল
  2. দলিলের তালিকা দাখিল
  3. দলিলের তালিকাসহ দখলকারের নাম দাখিল
  4. কিছু করণীয় নাই
সঠিক উত্তর:
দলিলের তালিকাসহ দখলকারের নাম দাখিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের তালিকাসহ দখলকারের নাম দাখিল
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১৪ নং বিধি অনুযায়ী বাদী যেসব দলিলের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করে, তা তাকে দাখিল করতে হবে। বাদী তার দাবীর সমর্থনে প্রমাণ হিসেবে অন্য কোন দলিলের উপর নির্ভর করলে (তা তার হস্তগত বা আওতাধীনে থাকুক বা না থাকুক), সে ক্ষেত্রে উক্ত দলিলসমূহের একটি তালিকা প্রস্তুত করবে এবং উক্ত দলিল কার দখলে বা হস্তগত তা উল্লেখ করে আরজির সাথে যুক্ত করবে।
৪৫.
দেওয়ানি মামলার আরজিতে উত্থাপিত বক্তব্য বিবাদীর জবাবে নির্দিষ্টভাবে অস্বিকার না করা হলে তার ফল হবে-
  1. উক্ত বক্তব্য স্বীকৃত বলে গণ্য
  2. তদবিষয়ে পাল্টা সাক্ষ্য দেয়া যাবে
  3. তা অস্বীকৃত বলে গণ্য
  4. তা প্রমাণিত বলে গণ্য
সঠিক উত্তর:
উক্ত বক্তব্য স্বীকৃত বলে গণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত বক্তব্য স্বীকৃত বলে গণ্য
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৩ নং বিধিতে বলা হয়েছে বিবাদীকে আরজির প্রত্যেক বিষয়সমূহকে (ক্ষতিপূরণ ছাড়া) সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করতে হবে। আবার ৫ নং বিধিতে বলা হয়েছে আরজিতে বিবৃত অভিযোগসমূহ বিবাদী তার লিখিত জবাবে সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার না করলে, তা বিবাদী স্বীকার করেছে বলে গন্য হবে।
৪৬.
কোনটি রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয় ?
  1. জমি
  2. কোম্পানীর শেয়ার
  3. ব্যাংকের টাকা
  4. জমির ফসল
সঠিক উত্তর:
জমির ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির ফসল
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ নং আদেশের এর ১২ বিধিতে বলা হয়েছে, আদালত কৃষি পণ্য আটকের আদেশ দিতে পারে না যদি উক্ত কৃষি পণ্য কৃষকের দখলে থাকে।
৪৭.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গের ফল কি হতে পারে ?
  1. ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
  2. জরিমানা
  3. দেওয়ানি কারাগারে ৬ মাস আটকাবস্থা
  4. কোনটিই না
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাগারে ৬ মাস আটকাবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাগারে ৬ মাস আটকাবস্থা
ব্যাখ্যা
♦অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করা যায় এবং নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করলে, আদালত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারে এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের দেওয়ানী কারাবাসে আটকের আদেশ দিতে পারে অথবা উভয়
৪৮.
ভুল আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়েরের ফল কি?
  1. মামলা খারিজ
  2. আরজি ফেরৎ
  3. আরজি নাকচ
  4. সঠিক আদালতে মামলা স্থানান্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরৎ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫ তে বলা হয়েছে এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। আদেশ ৭ রুল-১০ অনুসারে ভুল আদালতে দায়ের করার কারণে মোকদ্দমা ফেরত দিতে হবে।
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি- ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত: (১) মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা উচিত, ঐ আদালতে  আরজি পেশ করার জন্য সেটা ফেরত প্রদান করা যাবে।
♦(২) আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতিঃ আরজি ফেরত দেয়ার সময় বিচারক এর উপর দাখিলের ও ফেরত দেয়ার তারিখ,দাখিলকারী পক্ষের নাম, এবং তা ফেরত দেয়ার কারণসম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করবেন।
♦এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে। 
৪৯.
সহকারী জজ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি ?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিট মামলা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ হল একটি আপিলযোগ্য আদেশ তাই এর বিরদ্ধে আপিল করতে পারবে।
আদেশ ৩৯ এর বিধি-১, বিধি-২, বিধি-৪, বিধি-১০ অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং অন্তবর্তীকালীন যে কোন আদেশ এর বিরদ্ধে আপিল করতে পারবে।
৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় দেওয়ানি মামলা বিষয়ে দেওয়ানি আদালতগুলিকে সাধারণ এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. ২ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ১১ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারায় বলা হয়েছে, বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকার দেওয়ানী মামলার বিচার করবে। যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা। এখানে দেওয়ানী আদালতের সাধারণ এখতিয়ার বলতে দেওয়ানী আদালতসমূহের দেওয়ানী মামলার বিচার করার এখতিয়ার কে বোঝানো হয়েছে।
৫১.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তু আদালত সঠিক মনে করবে, যদি দলিলটি
  1. রেজিষ্ট্রিকৃত হয়
  2. সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
  3. গণ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট হয়
  4. স্ট্যাম্পযুক্ত হয়
সঠিক উত্তর:
সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।
৫২.
কোন সাক্ষ্য সাধারনত গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. দেখার ভিত্তিতে প্রদত্ত সাক্ষ্য
  2. অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য
  3. অবস্থাগত সাক্ষ্য
  4. গৌণ সাক্ষ
সঠিক উত্তর:
অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী কোন জনশ্ৰুত সাক্ষ্য আদালত গ্রহণ করবে না। একজনের শোনা, দেখা বা অভিমত প্রসঙ্গে আদালতে এসে অন্য আরেকজন সাক্ষ্য দিতে পারেন না।
♦ অর্থাৎ অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য-সাক্ষ্য সাধারনত গ্রহণযোগ্য নয়।
৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ১৮৭১
  2. ১৮৭৭
  3. ১৮৭০
  4. ১৮৮৭
সঠিক উত্তর:
১৮৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭৭
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয় ১৮৭৭ সালে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ একটি তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন যাকে ইংরেজিতে বলে substantive law. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১লা মে কার্যকর হয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে মোট ধারা ৫৭টি। এটি এমন একটি আইন যা বিশেষভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত বিষয়ে বিবেচনার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
৫৪.
দন্ডবিধি (Penal Code) প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ১৮৯৮
  2. ১৮৬০
  3. ১৮৭০
  4. ১৮৮০
সঠিক উত্তর:
১৮৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬০
ব্যাখ্যা
♦ প্রথম আইন কমিশন গঠিত হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন লর্ড থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে। ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয় যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে ‘Indian Penal Code’ নামে কার্যকর হয়।
♦ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ আইনটি বাংলাদেশে ফৌজদারী অপরাধ সংক্রান্তীয় দণ্ড দান করার জন্য প্রধান আইন।
৫৫.
দন্ডবিধি কোন ধরনের আইন?
  1. Substantive Law
  2. সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষাকারী আইন
  3. সংস্কারমূলক আইন
  4. পদ্ধতি বিষয়ক আইন
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা
♦ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন।
♦ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি। Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
৫৬.
দন্ডবিধির কোন ধারার অভিন্ন ইচ্ছা (Common intention) জনিত দায় সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ১০৯
  2. ১৪১
  3. ১৪৯
  4. ৩৪
সঠিক উত্তর:
৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় (Common Intention) এর বিধান রয়েছে;
(i)  সাবধান অভিপ্রায় প্রমাণের ক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে
(ii)  তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা থাকবে উক্ত অপরাধ সংঘটিত করতে।
(iii) অপরাধটি সফল করার জন্য তারা অপরাধে অংশগ্রহণ করবে।
৫৭.
দন্ডবিধি অনুসারে কত বছরের কম বয়স্ক শিশুর কর্মকান্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে না?
  1. ৭ বছর
  2. ৮ বছর
  3. ৯ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৯ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ বছর
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারামতে ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ সম্পন্ন (immature understanding) শিশুর কাজ অপরাধ নয় ।
♦ তবে পরিপক্কতা অর্জন করলে অর্থাৎ কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে উক্ত ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক শিশুর কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।
♦ দন্ডবিধির ৮২ ধারা অনুযায়ী ৯ বছরের কম বয়স্ক কোন শিশুর কার্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হয় না। এবং ৮৩ ধারা অনুযায়ী ৯ বছরের বেশী কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিনত বোধ সম্পন্ন শিশুর কোন কার্যই অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
♦ অর্থাৎ দন্ডবিধি অনুসারে ৯ বছরের কম বয়স্ক শিশুর কর্মকান্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে না।
৫৮.
নিম্নবর্ণিত অতিব্যক্তিরগুলির মধ্যে কোনটি দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত আছে এবং তা mens rea কে নির্দেশ করে?
  1. Guilty mind
  2. Criminal mind
  3. Good faith
  4. Dishonestly
সঠিক উত্তর:
Guilty mind
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Guilty mind
ব্যাখ্যা
♦ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]
♦ “Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন' (guilty mind)। অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
৫৯.
দন্ডবিধি অনুযায়ী আত্মরক্ষামূলক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো যায় কোন ক্ষেত্রে?
  1. মানহানি
  2. রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ
  3. আঘাত
  4. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
সঠিক উত্তর:
রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধি অনুযায়ী আত্মরক্ষামূলক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো যায় রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ করার ক্ষেত্রে 
♦ দন্ডবিধির ১০৩ ধারামতে সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য ৪টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) দস্যুতা (Robbery)
ii) রাত্রি বেলায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House-breaking by night);
iii) বাসগৃহে বা কোন সম্পত্তি রাখার স্থানে অগ্নি সংযোগ (Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, used as a human dwelling); এবং
iv) গুরুতর আঘাত বা মৃত্যুর আশংকাযুক্ত চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহে প্রবেশ (Theft, mischief or house - trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension of death or grievous hurt)।
উপরের ৪টি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ক্ষেত্র যেমন- সাধারণ চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহে প্রবেশের ক্ষেত্রে আত্মরক্ষা অধিকার প্রয়োগকালে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগকারী নরহত্যা ব্যতীত অন্য যে কোন ক্ষতি করতে পারে । [ধারা-১০৪]
৬০.
দন্ডবিধি অনুযায়ী বেআইনী সমাবেশ (Unlawful Assembly) গঠনের জন্য কমপক্ষে কতজন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনী সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।
♦ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনী সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
৬১.
কমপক্ষে কত জন ব্যক্তির অংশগ্রহণে দন্ডবিধি অনুযায়ী ডাকাতি সংঘটিত হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
♦ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
♦ ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
৬২.
‘ক’ এর প্ররোচনায় সরকারি কর্মচারী ‘খ’ তার জিম্মায় থাকা সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেছে। ‘ক’ এর কি শান্তি হতে পারে?
  1. কোন শাস্তি হবে না
  2. ‘খ’ এর সমান শাস্তি
  3. ‘খ’ এর অর্ধেক শাস্তি
  4. ‘খ’ এর দ্বিগুণ শাস্তি
সঠিক উত্তর:
‘খ’ এর সমান শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘খ’ এর সমান শাস্তি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ধারা ১০৯ অনুযায়ী ভিন্ন কোন শাস্তির বিধান উল্লেখ না থাকলে প্ররোচনাকারী এবং অপরাধকারী সমান শাস্তি পাবে। 
৬৩.
দন্ডবিধি অনুসারে কোনটি গুরুতর আঘাত?
  1. পায়ে রক্তাক্ত জখম
  2. হাতে জখম
  3. পিঠে স্থায়ী ক্ষত
  4. দাত ভেঙ্গে ফেলা
সঠিক উত্তর:
দাত ভেঙ্গে ফেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাত ভেঙ্গে ফেলা
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ধারা ৩২০-এ ৮ ধরণের অপরাধের তালিকা দেওয়া হয়েছে যেগুলো মারাত্মক বা grivious hurt হিসেবে গণ্য হবে।
♦পেনাল কোডের ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে। যথাঃ
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।
৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা দেয়ার আদেশ দিতে পারেন-
  1. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
  2. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৮, ১০৯ এবং ১১০ ধারার অধীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন ব্যক্তি যেমন অভ্যাসগত দস্যু বা ভবঘুরে ব্যক্তিকে সদাচরনের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
৬৫.
কোন ক্ষেত্রে চুরির অপরাধ সম্ভব নয়?
  1. নগদ টাকা
  2. আসবাবপত্র
  3. জমি
  4. অলংকার
সঠিক উত্তর:
জমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
 (iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।
৬৬.
প্রতারণা (Cheating) এর সংজ্ঞা দন্ডবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ৪২০ ধারা
  2. ৪১৬ ধারা
  3. ৪১৫ ধারা
  4. ৪০৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৫ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪১৫ ধারায় প্রতারণার বিধান রয়েছে। প্রতারণা বলতে ফাঁকি দিয়ে বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা কাউকে এমনভাবে প্রভাবিত করা যে, প্রতারিত ব্যক্তি যেন প্রতারণাকারীর ইচ্ছামাফিক কোন কাজ করে যা প্রতারিত ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি করে (damage or harm to that person in body,mind,reputation or property) অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা না করতে বা সম্পত্তি অর্পনে বাধ্য করে।
♦ যে ব্যক্তি প্রতারণা করেন তাকে প্রতারণাকারী বলে, অন্যদিকে যে ব্যক্তি প্রতারণার শিকার হন তাকে প্রতারিত বলে।
♦ ৪১৫ ধারা অনুযায়ী অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা (A dishonest concealment of facts) ছলনা (deception) বলে গণ্য হবে।
৬৭.
দোকান থেকে ঘড়ি চুরির জন্য সর্বোচ্চ কোন মেয়াদের কারাদন্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
♦ এই প্রশ্নটিতে অপশনগুলো সঠিক দেওয়া হয়নি। অপশনে ৭ বৎসর দেওয়া উচিত ছিল। ৩৮ ধারা অনুযায়ী দোকান হতে ঘড়ি চুরির জন্য সর্বোচ্চ শান্তি ৭ বৎসর হওয়া উচিত। কারণ সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে দোকান ব্যবহার করা হয়। কারণ বসত বাড়ি, তাঁবু বা জাহাজ যা বসবাসের জন্য বা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয়, সেখান হতে চুরি করার শান্তি ৩৮০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে এবং এই ক্ষেত্রে অর্থদণ্ডসহ যেকোনো বর্ণনার কারাবাস যা ৭ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে। কিন্তু প্রশ্নের অপশনে ৭ বৎসর নেই। সাধারণত ৩৭৯ ধারা অনুযায়ী চুরির শান্তি ৩ বৎসর। তাই ৩ বৎসর উত্তর করা হলো।
৬৮.
দন্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হবে না?
  1. ৩০২ ধারা
  2. ৩০৩ ধারা
  3. ৩০৪ ধারা
  4. ৩৯৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের জন্য, ৩০৩ ধারায় যাবজ্জীবন দণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত খুনের জন্য এবং ৩৯৬ ধারায় ডাকাতির সময় খুনের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।
♦ কিন্তু ৩০৪ ধারায় খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড । অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হবে না।
৬৯.
‘ক' থানায় অভিযোগ করে যে, তার ভাই ‘খ’ একটি সাদা কাগজে তাদের পিতার সই নকল করেছে। দন্ডবিধি অনুসারে এটা কোন অপরাধ?
  1. জালিয়াতি
  2. অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. প্রতারণা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যে ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির বা জনগনের ক্ষতি বা অনিষ্টসাধন কিংবা প্রতারনা করার অভিপ্রায়ে কোন মিথ্যা দলিলের অংশ বিশেষ প্রস্তুত করে সে ব্যক্তি জালিয়াত করেছে বলে গণ্য হবে।
♦দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।
♦কোন ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে। নিজের নামে স্বাক্ষর করলেই জালিয়াতি হবে বিষয়টা এমন নয়। বরং নিজের নাম স্বাক্ষর জালিয়াতি হতে পারে যদি স্বাক্ষরটা দ্বারা কোন মিথ্যা দলিল তৈরী করা হয়, কোন অধিকার দাবী করতে, কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি করতে বা প্রতারণা করতে ইত্যাদি।
♦পেনাল কোড-এর  ৪৬৫ ধারায় জালিয়াতির শাস্তি বর্ণিত আছে যা সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৭০.
দন্ডবিধি অনুসারে Kidnapping কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার। যথা: (i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ (ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।
৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কিত বিধান কোন সনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
  1. ১৮৯৮ সনে
  2. ১৯৯৯ সনে
  3. ২০০৭ সনে
  4. ২০০৮ সনে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সনে
ব্যাখ্যা
 ♦ মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে ২০০৭ সালের ১ম নভেম্বর বিচার বিভাগকে নিবাহী বিভাগ হতে পৃথক করা হলে ম্যাজিস্ট্রেটদের ২ ভাগে ভাগ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ২০০৯ সালে ফৌজদারী কার্যবিধিকে সংশোধন করে ম্যাজিস্ট্রেটদের ২ ভাগে যথা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটে ভাগ করা হয়। তবে এটাকে retrospective effect দিয়ে ২০০৭ সালের ১ম নভেম্বর হতে কার্যকর করা হয়। তাই বলা হয়, ২০০৭ সাল হতে ফৌজদারী কার্যবিধিতে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কিত বিধান যুক্ত করা হয় ।
৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটগণকে প্রধানতঃ কত প্রকারে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ৪ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালতসমূহ ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি” (The Code of Criminal Procedure, 1898) এর বিধান দ্বারা গঠিত। ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।
♦ ৬ ধারামতে বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালতসমূহকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
i) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (Court of Magistrates); এবং
ii) দায়রা আদালত (Court of Sessions).
৭৩.
একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারেন?
  1. ৫০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ১০,০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারায় বলা হয়েছে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকার জরিমানা অর্থদন্ড দিতে পারে।
৭৪.
যুগ্ম দায়রা জজ ৭ বছরের কারাদন্ড আরোপ করলে উক্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে আপিল করতে হবে?
  1. দায়রা জজ
  2. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. স্পেশাল জজ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮ ধারায় বলা হয়েছে যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের কম মেয়াদে কারাদণ্ড ছিলে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করতে হবে। অন্য দিকে যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ড দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হবে। যেহেতু যুগ্ম দায়রা জজ ৭ বছরের ( অর্থাৎ ৫ বছরের অধিক) কারাদন্ড আরোপ করছে, তাই উক্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল দায়ের করতে হবে।
৭৫.
১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হবে কোন আদালতে ?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট
  2. দায়রা জজ
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল দায়ের করতে হবে।
৭৬.
কোনটি পদ্ধতি বিষয়ক আইন নয়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি
  2. সাক্ষ্য আইন
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার
  4. তামাদি আইন
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার
ব্যাখ্যা
♦ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি। Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
♦ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন।
৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারার মামলা নিম্নোক্ত কোন আদালতের আদি এখতিয়ারভুক্ত?
  1. মুখ্য মহানগর হাকিম
  2. দায়রা জজ
  3. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট
  4. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭ ধারায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডিত হবার ক্ষেত্র ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে যেমন ভবঘুরেকে শান্তিরক্ষার মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
৭৮.
আপিল বিভাগে মাসদার হোসেন মামলার রায় ঘোষিত হয় কোন সনে?
  1. ১৯৯৯
  2. ২০০০
  3. ২০০১
  4. ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯
ব্যাখ্যা
♦ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের উদ্দেশ্যে জনাব মাজদার হোসেনসহ কতিপয় বিচার বিভাগীয় অফিসার ১৯৯৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নং- ২৪২৪ /৯৫ দায়ের করেছিলেন। বিষয়টির উপর ১৩ জুন ১৯৯৬ সাল থেকে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ শুনানির পর হাইকোর্ট বিভাগ ৭ মে ১৯৯৭ সালে রায় প্রদান করেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার আপীল করে (দেওয়ানী আপীল নং- ৭৯/ ১৯৯৯) এবং আপীল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের উক্ত রায় নিরীক্ষণ করে ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৯ তারিখে রায় প্রদান করে ( ৫২ ডি এল আর, ৮২ )
৭৯.
নিম্নোক্ত কোন পরিস্থিতি থেকে শান্তি ভঙ্গের আশংকা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে?
  1. গণ উৎপাত
  2. শ্রমিক অসন্তোষ
  3. জমির দখলজনিত বিরোধ
  4. পরীক্ষা কেন্দ্রে অসদুপায়
সঠিক উত্তর:
জমির দখলজনিত বিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির দখলজনিত বিরোধ
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা (Dispute concerning land, etc. is likely to cause breach of peace)- স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে (dispute likely to cause a breach of the peace exists concerning any land or water of the boundaries thereof) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়। 
১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
 ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে (within two months next before the date of such order under section 145) কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ সাধারনতঃ সর্বোচ্চ কত দিন বলবৎ থাকে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বৎসর
  3. ২ মাস
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শান্তিভঙ্গ রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারেন। এই ধারার শিরোনামে এই ক্ষমতা কে power to issue order হিসেবে লেখা হয়েছে।
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৪৪ অনুযায়ী- অন্য রকম নির্দেশ না থাকলে এই আদেশ ২ মাসের অধিক বলবৎ থাকে না, তবে দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা থাকলে এবং মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি হুমকি দেখা দিলে এর ব্যত্যয় হতে পারে- সরকার চাইলে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সময় বাড়াতে পারেন।
♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আগু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  
♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
♦১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌
♦১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
♦ ১৪৪ ধারার আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যাবে।
৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিধানবলে পুলিশ গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়া কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারে?
  1. ১৫৪ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ১৬০ ধারা
  4. ১৬৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।
♦ পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)
২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )
৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)
৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
৮২.
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দের আগে কত ঘন্টা পর্যন্ত পুলিশের হেফাযতে রাখা যায়?
  1. ৪৮ ঘন্টা
  2. ৭২ ঘন্টা
  3. ২৪ ঘন্টা
  4. ৩০ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
ব্যাখ্যা
♦বিনা গ্রেফতারী  পরোয়ানা (Arrest Without Warrant)আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারামতে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যাওয়ার সময় বাদ দিয়ে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না।
♦তদন্তকার্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন করা না গেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অগ্রবর্তী বা প্রেরণ করতে হবে।
৮৩.
FIR এর পূর্ণাঙ্গ শব্দরুপ কোনটি?
  1. Final Investigation Report
  2. Final Inquest Report
  3. First Inspection Report
  4. First Information Report
সঠিক উত্তর:
First Information Report
উত্তর
সঠিক উত্তর:
First Information Report
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এজাহারের (FIR) বিধান রয়েছে। এছাড়া পুলিশ প্রবিধানের (PRB) ২৪৩ বিধিতে FIR বর্ণিত রয়েছে। FIR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে First Information Report। আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা ১৫৪ ধারানুযায়ী বি.পি. ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয় যা FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামে পরিচিত।
♦অর্থাৎ আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভবে কিংবা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা নির্ধারিত বইতে লিপিবদ্ধ করাকে এজাহার বা  FIR বলে।
♦প্রাথমিক তথ্য বিবরনী কোন মূল সাক্ষ্য না। অর্থাৎ শুধুমাত্র প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর উপর ভিত্তি করে কোন দণ্ড দেওয়া যাবে না।
৮৪.
পুলিশী তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া না গেলে দাখিলকৃত রিপোর্টের প্রচলিত নাম-
  1. রিলিজ রিপোর্ট
  2. চার্জ শীট
  3. ফাইনাল রিপোর্ট
  4. ডিসচার্জ রিপোর্ট
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারায় অনুযায় ফাইনাল রিপোর্ট (Final Report): পুলিশ বা তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগের সত্যতা খুঁজে না পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে (Discharge) অব্যাহতি করার সুপারিশ করে যে রিপোর্ট দেয়া হয় তা-ই হলো ফাইনাল রিপোর্ট চূড়ান্ত প্রতিবেদন। চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা ফাইনাল রিপোর্ট জমা দিলে ম্যাজিস্ট্রেট এটাকে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে। গ্রহণ করলে আসামিকে অব্যাহতি দিতে পারে অথবা প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় তদন্ত বা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে।
৮৫.
নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযোগকারীর জবানবন্দী ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রেকর্ড করেন?
  1. ১৯০ ধারা
  2. ২০০ ধারা
  3. ২০১ ধারা
  4. ২০২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২০০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ নালিশী দরখাস্ত অর্থ হলো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন অপরাধের অভিযোগ সংক্রান্ত কোন দরখাস্ত। কোন ব্যক্তি ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারার অধীন কোন অপরাধের অভিযোগ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে পারে। এই ২০০ ধারার অধীন নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দী রেকর্ড করেন।
৮৬.
নালিশী মামলায় সমন ইস্যুর পর অভিযোগকারী নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির না থাকলে আদালত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. ওয়ারেন্ট জারি
  2. মামলা খারিজ
  3. আসামী খালাস
  4. আসামী ডিসচার্জ
সঠিক উত্তর:
আসামী খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামী খালাস
ব্যাখ্যা
♦ ফরিয়াদী অনুপস্থিত থাকলে তার ফলাফল কি হবে, তা ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় বলা হয়েছে। শুনানির জন্য নির্ধারিত দিনে ফরিয়াদী / অভিযোগকারী অনুপস্থিত থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস ( Acquittal) দিতে পারে।
৮৭.
ফৌজদারি মামলায় আসামি কোন পর্যায়ে ডিসচার্জের আবেদন করতে পারে?
  1. অপরাধ আমলে নেয়ার তারিখে
  2. চার্জ গঠনের সময়
  3. চার্জ গঠনের পরে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪২ ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক চার্জ গঠনের সময় আসামী ডিসচার্জের জন্য আবেদন করতে পারে।
৮৮.
ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব কার?
  1. বাদীর
  2. সরকারি উকিলের
  3. কোর্টের
  4. পুলিশের
সঠিক উত্তর:
কোর্টের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোর্টের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুযায়ী যদি ম্যাজিস্ট্রেট মামলা সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করে মনে করে যে আসামী অপরাধ করেছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করবে । অর্থাৎ ফৌজদারী মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব ম্যাজিস্ট্রেটের বা আদালতের।
৮৯.
ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে অপরাধ সংক্রান্ত কোন তথ্যটি উল্লেখের প্রয়োজন নাই ?
  1. সময়
  2. স্থান
  3. আইন
  4. শাস্তি
সঠিক উত্তর:
শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ২২১ এবং ২২২ অনুযায়ী অভিযোগে (চার্জে) অপরাধের বিবরণ, অপরাধের নাম, যে আইনের অধীন অপরাধ করেছে, অপরাধের স্থান, সময় ও ব্যক্তি সম্পর্কে উল্লেখ করতে হবে। কিন্তু শাস্তি কি তা উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই।
৯০.
জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির জামিন প্রাপ্তির সুযোগটি -
  1. মৌলিক অধিকার
  2. সাংবিধানিক অধিকার
  3. নাগরিক অধিকার
  4. আইনগত অধিকার
সঠিক উত্তর:
আইনগত অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত অধিকার
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪৯৬ ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধে কাউকে আটক করা হলে কিংবা বিনা ওয়ারেন্টে কাউকে আটক করা হলে জামিন দেওয়া হবে (Shall be released on bail)। এখানে Shall শব্দটি ব্যবহার করায় এই ধারার অধীন জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার হিসেবে গণ্য।
♦অর্থাৎ জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির জামিন প্রাপ্তির সুবিধা হল আইনগত অধিকার।
৯১.
অজামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারাবলে আসামির কোন অবস্থাটি বিবেচনায় আদালত জামিন দিতে পারে?
  1. আর্থিক অভাব
  2. শিক্ষাগত যোগ্যতা
  3. নিকটাত্মীয়ের অসুস্থতা
  4. শারীরিক অক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
শারীরিক অক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শারীরিক অক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারায় জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান রয়েছে। জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান সমূহ নিম্নরূপ-
♦ জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামী ১৬ বৎসরের নিম্ন বয়স্ক বা স্ত্রীলোক বা পীড়িত বা অক্ষম হলে অথবা আদালত উপযুক্ত মনে করলে জামিন দিতে পারেন (May be released on bail)। এক্ষেত্রে জামিন দেওয়া আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)।
♦অভিযুক্ত আসামি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে দোষী হতে পারে বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারন থাকলে, আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করবেনা।
♦ অর্থাৎ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে জামিনে মুক্তি পেতে পারে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি i) ১৬ বছরের কম (any person under the age of sixteen years), ii) স্ত্রীলোক (any woman) অথবা, iii) অসুস্থ বা অক্ষম (any sick or infirm person ) হয়
৯২.
দায়রা জজ নিম্নোক্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. ম্যাজিষ্ট্রেটের দন্ডাদেশ
  2. ম্যাজিষ্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশ
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজের আদেশ
  4. অপর্যাপ্ত দন্ডের আদেশ
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিষ্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিষ্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৭ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে এবং ৪১৭ক ধারা অনুযায়ী অপর্যাপ্ত দক্ষের আদেশের বিরুদ্ধে এবং ৪১৭ ধারা অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশ এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না। কিন্তু যেহেতু এটা মামলার একটি কার্য পদ্ধতি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট সঠিক কার্য পদ্ধতি মেনে আসামীকে ডিসচার্জ দিয়েছে কিনা তা নির্ধারন করার জন্য দায়রা জজ ম্যাজিস্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশের ক্ষেত্রে রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৯৩.
বাংলাদেশের বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠাকারী আইন একটি
  1. President's Order
  2. Ordinance
  3. Act
  4. Rules
সঠিক উত্তর:
President's Order
উত্তর
সঠিক উত্তর:
President's Order
ব্যাখ্যা
♦Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 (President's Order No. 46 of 1972 ) এর অধীন গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
৯৪.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠনের জন্য গ্রুপ ভিত্তিতে নির্বাচনযোগ্য সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১৫
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মোট সদস্য ১৫ জন। সদস্যরা হলেন বাংলাদেশের এ্যাটর্নি জেনারেল, ৭ জন নির্বাচিত এ্যাডভোকেট এবং আঞ্চলিক বার এসোসিয়েশন থেকে নির্বাচিত ৭ জন এ্যাডভোকেট।
♦ সুতরাং বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠনের জন্য গ্রুপ ভিত্তিতে নির্বাচনযোগ্য সদস্য সংখ্যা ৭ জন।
৯৫.
একটি জেলায় এক জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত থেকে অন্য জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারেন
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট
  3. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট
  4. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারার বিধান অনুযায়ী ফৌজদারি মামলা এক জেলার দায়রা আদালত থেকে অন্য জেলার দায়রা আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য সরাসরি হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। একই জেলার মধ্যে একই দায়রা জজ আদালতের এক ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য ফৌজদারি আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে দায়রা জজ আদালতে আবেদন করতে হবে, উক্ত দায়রা জজ আদালত আবেদন নাকচ করলে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে।
♦ অর্থাৎ একটি জেলায় এক জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত থেকে অন্য জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারেন- চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
৯৬.
১৫ বছরের একটি ছেলের সম্মতিতে তার পড়াশোনার জন্য তাকে ‘ক’ বিদেশে নিয়ে যায়। দন্ডবিধি অনুসারে ‘কত কোন অপরাধ করেছে?
  1. অপহরন
  2. শিশু পাচার
  3. বেআইনী আটক
  4. মানব পাচার
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি ভুল। দণ্ডবিধি অনুযায়ী এটা কোন অপরাধ না। কারণ ৩৬০ ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তি যে সম্মতি দেওয়ার যোগ্য সে যদি সম্মতি প্রদান করে এবং তাকে যদি সম্মতি অনুযায়ী বাংলাদেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়, তাহলে সেটা কোন অপরাধ যাবেনা। এটা অপরাধ হতো যদি ছেলের বয়স ১৪ বৎসরের নিচে হতো বা ছেলেটিকে তার সম্মতি ছাড়া বিদেশে নিয়ে গেলে।
৯৭.
এ্যাডভোকেট সনদের জন্য আবেদনকারীর Pupilage Diary তে অন্যুন কয়টি দেওয়ানি মামলার নোট থাকতে হবে-
  1. ১০টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
♦বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হবার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে। কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না। অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা এফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারীর নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
♦কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরনের জন্য দায়ী হবেন। শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন । হাইকোর্ট বিভাগে প্রাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে। এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারী কলেজে হবে।
♦বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা দেয়ার আদেশ দিতে পারেন-
  1. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
  2. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৮, ১০৯ এবং ১১০ ধারার অধীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন ব্যক্তি যেমন অভ্যাসগত দস্যু বা ভবঘুরে ব্যক্তিকে সদাচরনের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
৯৯.
দায়রা আদালতে কয়টি স্তরের বিচারক থাকতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৬ ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে ৩ (তিন) স্তরের বিচারক থাকতে পারে। যথা: দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ, যুগ্ম দায়রা জজ।
১০০.
দায়রা জজ প্রদত্ত মৃত্যুদন্ডাদেশ কার্যকর করার পূর্বে অনুমোদন প্রয়োজন হয়-
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. হাইকোর্ট বিভাগের
  3. আপিল বিভাগ
  4. প্রধানমন্ত্রীর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির বিধান মতে দায়রা আদালত যখন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, তখন মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন করার জন্য মামলার কার্যক্রম ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট পেশ করবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন দিলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে।