উত্তর
ব্যাখ্যা
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- কানের অলংকার,
- বলয়াকৃতি অলংকার।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন
• RAM (Random Access Memory) হলো কম্পিউটারের প্রধান বা প্রাথমিক মেমোরি।
• মেমোরি বা স্মৃতি ইউনিট:
- কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারে যে সমস্ত উপাত্ত বা নির্দেশাবলী ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে দেওয়া হয়, তা কম্পিউটারের স্মৃতি ইউনিটে জমা হয়।
- কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান এবং সহায়ক স্মৃতি ইউনিট বিদ্যমান।
- প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরিতে প্রোগ্রাম, নির্দেশনা এবং ফলাফল নির্বাহের সময় অস্থায়ী ফলাফল সংরক্ষিত থাকে।
- সহায়ক মেমোরি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- র্যাম হলো প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরি।
- এসএসডি, ফ্লপি ডিস্ক, ইউএসবি ড্রাইভ হলো সেকেন্ডারি স্টোরেজ।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
• সিপিইউ এর গতি সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে মাপা হয়।
- এটি নির্দেশ করে যে সিপিইউ প্রতি সেকেন্ডে কতবার ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে।
- এক গিগাহার্টজ মানে হচ্ছে এক বিলিয়ন সাইকেল প্রতি সেকেন্ডে।
- সিপিইউ-এর গতি যত বেশি হয়, এটি তত দ্রুত কমান্ড সম্পাদন করতে সক্ষম হয়। এটি কম্পিউটারের কর্মক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।
অন্যদিকে,
- Gigabytes মেমোরি বা স্টোরেজ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়,
- কিলোবাইট হলো ডেটা স্টোরেজের একটি একক (1 KB = 1024 বাইট),
- ওয়াট (W) হল শক্তি বা পাওয়ার পরিমাপের একক।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• 'Global Village' ধারণাটি মার্শাল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) নামের একজন কানাডিয়ান গণমাধ্যম তত্ত্ববিদ ১৯৬০-এর দশকে উত্থাপিত করেছিলেন।
- তিনি বলেছিলেন যে আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির ফলে পৃথিবী একটি ছোট গ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হচ্ছে। অর্থাৎ, টেলিভিশন, রেডিও, ইন্টারনেট ও অন্যান্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ দূরবর্তী স্থানে বসেও দ্রুত এবং সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে, যা সময় ও দূরত্বের বাধা কমিয়ে দেয়।
• Global Village:
- মার্শাল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) ইংরেজি সাহিত্যে কানাডীয় অধ্যাপক ও দার্শনিক ছিলেন। তাকে 'বিশ্বগ্রাম' ধারণার জনক বা প্রবর্তক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।
- তার বিখ্যাত বই "The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic Man" (প্রকাশিত ১৯৬২) এই বইতেই প্রথম 'Global Village' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে "Understanding Media" গ্রন্থে বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করেন।
- তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি মানুষকে এমনভাবে সংযুক্ত করছে, যেন পুরো পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। এই পরিবর্তন সমাজের চিন্তাভাবনা, আচরণ, ও সংস্কৃতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে।
- এখানে ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি বলতে ইন্টারনেটসহ অন্যান্য ডিজিটাল যোগাযোগ প্রযুক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
• বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ:
- হার্ডওয়্যার,
- সফটওয়্যার,
- ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি,
- ডেটা,
- মানুষের জ্ঞান বা সক্ষমতা।
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা মেমোরি ইউনিটের কাজ।
• কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)
• নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
• সিস্টেম রিস্টোর প্রোগ্রাম, কম্পিউটারের আগের অবস্থা বা প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়।
• সিস্টেম রিস্টোর:
- System Restore হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম।
- এর মাধ্যমে কম্পিউটারের পূর্বের স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।
- এটি সফটওয়্যার, ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংসে সমস্যা হলে আগের অবস্থায় রিস্টোর করে।
- এটি সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা, বা ম্যালওয়্যার আক্রমণের কারণে সিস্টেম বাধাগ্রস্থ হলে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যক্তিগত ফাইল (যেমন: ছবি, ডকুমেন্ট) এটি প্রভাবিত করে না।
উল্লেখ্য,
- ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার : হার্ড ডিস্কের ডেটা গুছিয়ে গতি বৃদ্ধি করে।
- টাস্ক ম্যানেজার : চলমান প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নিরীক্ষণ করে।
- ফাইল ব্যাকআপ : গুরুত্বপূর্ণ ডেটার কপি তৈরি করে ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়া।
উৎস: মাইক্রোসফট অফিসিয়াল সাপোর্ট ওয়েবসাইট।
• 9 সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Hard Disk হলো সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা CPU-এর বাইরের অংশ।
• CPU (Central Processing Unit):
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেনস্টর্ম হিসেবে কাজ করে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর উপর নির্ভরশীল।
• সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit),
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit),
৩। রেজিস্টার বা মেমোরি ইউনিট।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি - ১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি (base) ৮। এটি ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহার করে, যেমন: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- প্রতিটি অঙ্কের মান নির্ধারণ করা হয় তার অবস্থান (position) অনুযায়ী এবং ৮-এর ঘাত (power) ব্যবহার করে।
- এই পদ্ধতিটি সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে তখন যখন বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে হয়, কারণ তিনটি বাইনারি বিট = একটি অক্টাল সংখ্যা।
- উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি সংখ্যা 101010 কে অক্টালে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় 52।
এখানে,
(157)8
= (1 × 82) + (5 × 81) + (7 × 80)
= (1 × 64) + (5 × 8) + (7 × 1)
= 64 + 40 + 7
= (111)10
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• ASCII কোডের ০ থেকে ৩১ পর্যন্ত রেঞ্জটি নিয়ন্ত্রণ ক্যারেক্টারদের জন্য সংরক্ষিত।
- এই ক্যারেক্টারগুলো সাধারণভাবে দৃশ্যমান নয় এবং তারা কম্পিউটার বা প্রিন্টার ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন কার্সর নিয়ন্ত্রণ, নতুন লাইন, ট্যাব ইত্যাদি।
- অন্যদিকে, ৩২ থেকে ৪৭ পর্যন্ত রেঞ্জটি বিশেষ চিহ্ন বা সিম্বল গুলোকে প্রতিনিধিত্ব করে, যেমন স্পেস, ডট, কমা, সেমিকোলন ইত্যাদি।
- ৪৮ থেকে ৫৭ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট বা সংখ্যা ক্যারেক্টারকে নির্দেশ করে।
- শেষ রেঞ্জ ৬৫ থেকে ৯০ পর্যন্ত বড় হাতের ইংরেজি অক্ষর (A থেকে Z) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তাই, ০-৩১ রেঞ্জটি মূলত নিয়ন্ত্রণ ক্যারেক্টারদের জন্য সংরক্ষিত।
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- পূর্ণরূপ: ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange |
- আবিষ্কার: ASCII কোডটি ১৯৬৩ সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI) কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।
• বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি ৭ বিটের কোড, যা দ্বারা ১২৮টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং কিছু বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এই কোডটি ASCII-৭ কোড নামে পরিচিত।
• ASCII-৮ কোড:
- ASCII-৭ কোডের সর্ববামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-৮ কোড তৈরি হয়।
- ASCII-৮ কোড মাধ্যমে ২৫৬টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং অন্যান্য বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এভাবে কোডের বিভিন্ন সংস্করণ ও তাদের বৈশিষ্ট্য গুলি স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়েছে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• আউটপুট বাস কোনো সিস্টেম বাসের ধরন নয়।
• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
• সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা -
১. ডেটা বাস,
২. অ্যাড্রেস বাস এবং
৩. কন্ট্রোল বাস।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• রেজিস্টার হলো প্রসেসরের অভ্যন্তরে স্থাপিত উচ্চ-গতির, অস্থায়ী মেমোরি ইউনিট, যা CPU-এর ইনস্ট্রাকশন ও ডেটা সাময়িকভাবে ধারণ করে
• Register:
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসর এর ভিতর অনেক গতিসম্পন্ন বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- সব ডেটা প্রসেস হওয়ার পূর্বে রেজিস্টারে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়।
- রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- n বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফুপ থাকে এবং n নিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- রেজিস্টার প্রথম মেমোরি ডিভাইস হিসেবে CPU-এর অভ্যন্তরে থাকে এবং প্রসেসিং-এর সময় অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চিত রাখে।
• গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং
২. শিফট রেজিস্টার।
• রেজিস্টার-এর ব্যবহার:
- ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।
- অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
- ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তব বা ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরি করা হয়।
- এটি আসলে বাস্তব নয়, কিন্তু বিজ্ঞানের কল্পনা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে তৈরি একটি কৃত্রিম বাস্তবতা।
- এটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি এবং সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির সাহায্যে এমন একটি কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্যি এবং বাস্তব বলে মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরির মাধ্যমে এমন কঠিন কাজও সম্পন্ন করা সম্ভব, যা বাস্তবে করা খুব কঠিন হতো।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD),
- ডেটা গ্লাভস
- বিশেষ বডি স্যুট।
- এই সরঞ্জামগুলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা দেয়।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগ:
- চিকিৎসাক্ষেত্রে,
- ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়,
- ফ্লাইট সিমুলেশনে,
- খেলাধূলা ও বিনোদন ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি অর্থাৎ এ সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি বা বেজ ২।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি হলো সরলতম গণনা পদ্ধতি।
- বাইনারি পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি মাত্র অংক ব্যবহৃত হয়।
- এ জন্য এই পদ্ধতিকে দ্বিমিতিক সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- প্রদত্ত সংখ্যা গুলোর মধ্যে 100, 101, 111 এই তিনটি বাইনারি সংখ্যা।
অন্যদিকে,
- 112 বাইনারি সংখ্যা নয় কারণ বাইনারি সংখ্যা মূলত ২ টি সংখ্যা (0, 1) নিয়ে গঠিত হয়ট
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• USB বাসের মাধ্যমে ডেটা সিরিয়াল পদ্ধতিতে চলাচল করে।
• USB বাস:
- USB-এর পূর্ণ অর্থ হলো Universal Serial Bus.
- ১৯৯৮ সাল থেকে ইন্টেল মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারগুলোতে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হচ্ছে।
- এই বাস দিয়ে সিরিয়াল পদ্ধতিতে ডেটা চলাচল করে।
- USB বাস অন্যান্য বাসের তুলনায় কম গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে কিন্তু এটি প্রচলিত সিরিয়াল বাসের তুলনায় অনেকটা উন্নত।
• এ ধরনের বাসের সুবিধাগুলো নিম্নরূপ:
১। বাসের মধ্য দিয়ে একই গতিতে ডেটা চলাচল করে। ফলে যেসব ডিভাইসের মধ্যে একই গতিতে ডেটা চলাচলের প্রয়োজন হয় সেসব ক্ষেত্রে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হয়।
২। এ ধরনের বাসে একসাথে অনেকগুলো যন্ত্রের সংযোগ প্রদান করা যায়।
৩। USB বাস পেরিফেরাল যন্ত্রগুলো হতে সিপিইউতে দ্রুতগতিতে ডেটা আদান-প্রদানে সহায়তা করে ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
প্রশ্ন: ১১০১০ বাইনারি সংখ্যাটির দশমিক মান কত?
সমাধান:
এখানে,
(১১০১০)২
= (১ × ২৪) + (১ × ২৩) + (০ × ২২) + (১ × ২১) + (০ × ২০)
= ১৬ + ৮ + ০ + ২ + ০
= ২৬
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।