পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৩৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৪০
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪০ প্রশ্ন

.
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘একটি কালো মেয়ের কথা’ উপন্যাসের কালো মেয়েটির নাম কী?
  1. জরিনা
  2. সেলিনা
  3. আমেনা
  4. নাজমা
ব্যাখ্যা
একটি কালো মেয়ের কথা:
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লিখিত উপন্যাস ‘একটি কালো মেয়ের কথা’ রচনা করেছিলেন শ্রেষ্ঠ কথাশিল্পী তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।
উপন্যাসের পট উন্মোচিত হয়েছে নাজমা নামের একটি কালো মেয়েকে নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম কালে 'স্পাই' হিসেবে ধরা পড়া ডেভিড আর্মস্ট্রং-এর ভারতীয় পুলিশ-অফিসারের সামনে জবানবন্দি উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে।
• এই নাজমাই পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর তাঁবেদার এক পাঞ্জাবির বলাৎকারের শিকার হয়। নির্যাতিতা ও সন্তানহারা কালো মেয়ে নাজমা ১৯৭১-এর বাংলাদেশের প্রতিরূপক হয়ে উঠেছে উপন্যাসে। 

জবানবন্দিতে ডেভিড বলেছে:
'এরই মধ্যে এই দেশটাকে এমন করে ভালবেসে ফেললাম যে এই আমার সব থেকে ভালো দেশ, এর থেকে ভালো দেশ আর নেই। আর এই দেশই আমার দেশ।'

-------------------------------- 
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়: 
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৮-১৯৭১) একজন কথাসাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ। ১৮৯৮ সালের ২৩ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে এক জমিদারবংশে তাঁর জন্ম।
• তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়। এছাড়া কালিকলম, বঙ্গশ্রী,  শনিবারের চিঠি,  প্রবাসী, পরিচয় প্রভৃতি প্রথম শ্রেণির পত্র-পত্রিকায় তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়। 
• প্রথম জীবনে কিছু কবিতা লিখলেও কথাসাহিত্যিক হিসেবেই তারাশঙ্করের প্রধান খ্যাতি। বীরভূম-বর্ধমান অঞ্চলের মাটি ও মানুষ, বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের জীবনচিত্র, স্বাধীনতা আন্দোলন, যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, অর্থনৈতিক বৈষম্য, ব্যক্তির মহিমা ও বিদ্রোহ, সামন্ততন্ত্র-ধনতন্ত্রের দ্বন্দ্বে ধনতন্ত্রের বিজয় ইত্যাদি তাঁর উপন্যাসের বিষয়বস্তু।

তারাশঙ্কর প্রায় দুইশত গ্রন্থ রচনা করেন সেগুলির মধ্যে:
- চৈতালী ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- গণদেবতা,
- পঞ্চগ্রাম,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- আরোগ্য নিকেতন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘একটি কালো মেয়ের কথা’ উপন্যাসগ্রন্থ।
.
'সুকবি বল্লভ' কার উপাধি ছিলো?
  1. গোবিন্দদাস
  2. নারায়ণ দেব
  3. দ্বিজমাধব
  4. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
নারায়ণ দেব:
- মনসামঙ্গলের অন্যতম শ্রেষ্ঠকবি নারায়ণ দেব কিশোরগঞ্জ জেলার বোরগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ড. আশুতোষ ভট্টাচার্যের মতে, নারায়ণ দেব পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষভাগে আবির্ভূত হয়েছিলেন।  
- কবি নারায়ণ দেবের উপাধি ছিল 'সুকবি বল্লভ'। 
- তাঁর কাব্যের নাম 'পদ্মাপুরাণ'।
- কাব্যটি তিন খণ্ডে বিভক্ত।
- প্রথম খণ্ড কবির আত্মপরিচয় ও দেববন্দনা, দ্বিতীয় খণ্ডে পৌরাণিক কাহিনি এবং তৃতীয় খণ্ডে চাঁদ সদাগরের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি ছিল - কবিকঙ্কন।
- কবি গোবিন্দদাসের উপাধি ছিলো - কবিরাজ।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার প্রথম ‘স্বভাব কবি’ বলা হয় দ্বিজমাধবকে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
"মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়।" - কে লিখেছেন?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. হেলাল হাফিজ
ব্যাখ্যা
• "মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
 - এটি একটি রবীন্দ্রসঙ্গীত এর অংশবিশেষ। এই কালজয়ী গানটির রচয়িতা হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

সঙ্কোচের বিহ্বলতা- এর অংশবিশেষ, 

সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান।
সঙ্কটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়।
দুর্বলেরে রক্ষা করো, দুর্জনেরে হানো,
নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।
মুক্ত করো ভয়, নিজের 'পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।
ধর্ম যবে শঙ্খরবে করিবে আহ্বান
নীরব হয়ে নম্র হয়ে পণ করিয়ো প্রাণ।
মুক্ত করো ভয়, দুরূহ কাজে নিজেরি দিয়ো কঠিন পরিচয়॥

উৎস: রবীন্দ্রসঙ্গীত সংকলন।
.
‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ কোন ধরণের রচনা?
  1. প্রবন্ধ
  2. কবিতা
  3. উপন্যাস
  4. পত্রিকা
ব্যাখ্যা
• ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ কবিতা: 
- প্রখ্যাত কবি হেলাল হাফিজ তাঁর অনন্য সৃষ্টি ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ কবিতা মাধ্যমে যুগান্তকারী ভাবনা ও প্রতিবাদী চেতনার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন।
- হেলাল হাফিজের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'যে জলে আগুন জ্বলে' প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৬ সালে।
- তারো ১৭ বছর আগে তার কবিতা 'নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়' ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করে।

নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়- কবিতা,
- হেলাল হাফিজ (যে জলে আগুন জ্বলে)

এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
মিছিলের সব হাত
কন্ঠ
পা এক নয়।

সেখানে সংসারী থাকে, সংসার বিরাগী থাকে,
কেউ আসে রাজপথে সাজাতে সংসার।

----------------------- 
• হেলাল হাফিজ:
- ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায়ই তিনি দৈনিক পূর্বদেশে সার্বক্ষণিক সাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন।
- 'যে জলে আগুন জ্বলে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা- হেলাল হাফিজ। 

• তাঁর কাব্যগ্রন্থসমূহ-
- যে জলে আগুন জ্বলে (১৯৮৬)।
- কবিতা ৭১ (বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায়, একুশে বইমেলা ২০১২)।
- বেদনাকে বলেছি কেঁদোনা (২০১৯)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও ড. সৌমিত্র শেখর।
.
জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদিত পত্রিকা -
  1. দিগদর্শন
  2. সমাচার দর্পণ
  3. ফ্রেন্ড অব ইন্ডিয়া
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• জন ক্লার্ক মার্শম্যান:
- ১৭৯৪ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ডের ব্রিস্টলে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন মিশনারি, ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক।

• তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা:
- দিগদর্শন, 
- সমাচার দর্পণ, 
- ফ্রেন্ড অব ইন্ডিয়া, 
- গভর্নমেন্ট গেজেট।

• জন ক্লার্ক মার্শম্যান রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- ভারতবর্ষের ইতিহাস,
- পুরাবৃত্তের সংক্ষিপ্ত বিবরণ,
- জ্যোতিষ গোলাধ্যায়,
- সদ্গুণ ও বীর্জের ইতিহাস ঈশপস ফেলস,
- ক্ষেত্রবাগান বিবরণ,
- Murray's Grammar,
- Outline of the History of Bengal,
- The History of India,
- How Wars Arrive in India.

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২. বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলা ভাষায় ‘গুলে বকাওলী’ গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ করেন কে?
  1. ফকির গরীবুল্লাহ
  2. মুহম্মদ মুকিম
  3. নওয়াজিশ খান
  4. দৌলত উজির বাহরাম খান
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) মুহম্মদ মুকিম ও গ) নওয়াজিশ খান
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 
--------------

• ‘গুলে বকাওলী' কাব্য:

- ইজ্জতুল্লা নামক এক বাঙালি লেখক রচিত পারসি গ্রন্থ।
- ১৭২২ থেকে ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে রচিত এই গ্রন্থটির বঙ্গানুবাদ করেন 'কবি নওয়াজিশ খান'।
- এছাড়া অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি মহম্মদ মুকিম তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম দেন ‘গুলে বকাওলী'।
- এই গ্রন্থে তিনি তাঁর সমসাময়িক মুসলিম কবিদের নাম উল্লেখ করে মুসলিম বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ নিয়ে আলোকপাত করেন। 
- তারপরও নওয়াজিস খান খন্দকার বিরচিত ‘গুলে বকাওলী'র রচনাকাল নিয়ে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেন।
- তবে কাব্যটি যে সতের শতকের রচনা এ ব্যাপারে পণ্ডিতেরা মত দিয়েছেন।
- চট্টগ্রামের জমিদার বংশীয় বৈদ্যনাথ রায়ের আদেশে কবি এই কাব্য লেখেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বাল্যবিধবা কুন্দনন্দিনী কোন উপন্যাসের প্রধান চরিত্র?
  1. বিষবৃক্ষ
  2. কৃষ্ণকান্তের উইল
  3. যোগাযোগ
  4. চরিত্রহীন
ব্যাখ্যা
• 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাস:
- 'বিষবৃক্ষ' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
- এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। 
- চরিত্র: কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ।
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে। 
- এতে বিধবা বিবাহ,পুরুষের একাধিক বিবাহ,নারীর আত্মসম্মান ও অধিকারবোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- বাল্যবিধবা কুন্দনন্দিনী এ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র।

• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস এবং চরিত্র সমূহ:
- কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের চরিত্র: রোহিনী, গোবিন্দলাল, ভ্রমর। 
- দুর্গেশনন্দিনী - চরিত্র- আয়েশা, তিলোত্তমা। 
- কপালকুণ্ডলা - চরিত্র- কপালকুণ্ডলা, নবকুমার, কাপালিক। 
- মৃণালিনী - চরিত্র- হেমচন্দ্র, মৃনালিনী, পশুপতি, মনোরমা।
- বিষবৃক্ষ - চরিত্র- কুন্দনন্দিনী,নগেন্দ্রনাথ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নুরুল মোমেন রচিত নাটক কোনটি?
  1. আলোছায়া
  2. নেমেসিস
  3. নয়া খান্দান
  4. আইনের অন্তরালে
ব্যাখ্যা
• 'নেমেসিস' নাটক:
- 'নেমেসিস' নুরুল মোমেন রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক।
- ১৯৩৯ - ৪৩ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নুরুল মোমেন ১৯৪৪ সালে নাটকটি লেখেন এবং ‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়।
- গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায় ১৯৪৮ সালে।
- নাটকটি স্কুল মাস্টার সুরজিত নন্দী নামের এক চরিত্র বিশিষ্ট নাটক।
- এ নাটকে সমকালীন দুর্ভিক্ষ, মজুতদারদের পিশাচবৃত্তি ও নিরন্নদের হাহাকারের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
- 'নেমেসিস' নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম- সুরজিত নন্দী।

------------------------
• নুরুল মোমেন:
- নুরুল মোমেন এর জন্ম ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় ১৯০৬ সালে।
- তাঁর 'নেমেসিস' নাটকটি প্রথম শনিবারের চিঠি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 'নেমেসিস' নাটকটি পঞ্চাশ-দশকের মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত।

• নুরুল মোমেন এর বিখ্যাত নাটক:
- যদি এমন হতো,
- নয়া খান্দান,
- আলোছায়া,
- আইনের অন্তরালে,
- শতকরা আশি,
- রূপলেখা,
- যেমন ইচ্ছা তেমন।

• তাঁর রচিত রম্যগ্রন্থগুলো হলো:
- বহুরূপা,
- নরসুন্দর,
- হিংটিং ছট।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
.
বিষ্ণু দে রচিত অনুবাদ সাহিত্য কোনটি?
  1. চোরাবালি
  2. রুচি ও প্রগতি
  3. এলিয়টের কবিতা
  4. উর্বশী ও আর্টেমিস
ব্যাখ্যা
• বিষ্ণু দে:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা অবিনাশচন্দ্র দে ছিলেন অ্যাটর্নি।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’।

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- সেই অন্ধকার চাই,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

• অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
১০.
নিচের কোনটি মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক?
  1. নবান্ন
  2. মানুষ
  3. নরকে লাল গোলাপ
  4. মেবার পতন
ব্যাখ্যা
• 'মানুষ' নাটক:
- 'মানুষ' (১৯৪৭) এক দৃশ্য বিশিষ্ট মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক।
- ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে নাটকটি রচিত।
- মানুষ নাটকের চরিত্রাবলি: ফরিদ, জুলেখা, বাবা, মা, ডাক্তার ।

কাহিনি সংক্ষেপ:
এক হিন্দু তরুণ ডাক্তার আত্মরক্ষার জন্য এক মুসলিম বাড়িতে প্রবেশ করে। সে বাড়িতে একজন অসুস্থ, অন্য একজন দাঙ্গায় মারা গেছে। ডাক্তার রোগীকে চিকিৎসা দেয়। এ সময় হিন্দু ডাক্তারের খোঁজে মুসলিম দাঙ্গাকারীরা ঘরে প্রবেশ করে। তখন গৃহকর্ত্রী মশারির নিচে অসুস্থ সন্তানের পাশে ডাক্তারকে আড়াল করে তার জীবন রক্ষা করে। এভাবেই মানুষ বা মানবতা বড় হয়ে দেখা দেয়।

অন্যদিকে,
• 'নবান্ন' নাটক:
- ‘নবান্ন’ হলো বিজন ভট্টাচার্যের লেখা একটি বাংলা নাটক।
- নাটকটি পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় কৃষক জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি অবলম্বনে রচিত।

• 'নরকে লাল গোলাপ' আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক।

• ‘মেবার পতন’ দ্বিজেন্দ্রলালা রায় রচিত ঐতিহাসিক নাটক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’ গল্পটির লেখক কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ্ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।
- মিসেস মেরি ওয়ালীউল্লাহ্‘র প্রথম উপন্যাস 'লালসালু' ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন।
- পরবর্তীতে এটি Tree Without Roots নামে ইংরেজিতেও অনুদিত হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু।

উল্লেখ্য,
• ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’ নামে বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১২.
"গাছের স্থায়িত্বের জন্য ___________ প্রয়োজন, আর তার সতেজতার জন্য ___________ গুরুত্বপূর্ণ।"
  1. শিকড়, শীকড়
  2. শিখর, শেখড়
  3. শিকড়, শীকর
  4. শিখর, শেখর
ব্যাখ্যা
• "গাছের স্থায়িত্বের জন্য শিকড় প্রয়োজন, আর তার সতেজতার জন্য শীকর গুরুত্বপূর্ণ।"

• 'শিকড়' শব্দের অর্থ - গাছের মূল।

• শীকর (বিশেষ্য)- 
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ: 
- বাতাসে ভাসমান জলকনা।
- জলবিন্দু। 

অন্যদিকে, 
'শিখর' শব্দের অর্থ = শীর্ষ। 
'শেখর' শব্দের অর্থ = মাথার অলংকার। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি, ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
'পর্বতের মূষিক প্রসব' - এই প্রবাদ প্রবচনের মাধ্যমে কী বোঝানো হয়?
  1. কঠিন কাজ সম্পন্ন করা।
  2. বিশাল প্রত্যাশার পর তুচ্ছ ফল পাওয়া।
  3. একটি ইঁদুর পর্বত জয় করে।
  4. সুখী পারিবারিক মুহূর্ত।
ব্যাখ্যা
• 'পর্বতের মূষিক প্রসব' একটি প্রবাদ প্রবচন।
যার অর্থ হলো — অনেক প্রত্যাশার পর ক্ষুদ্র বা তুচ্ছ ফল লাভ।

এখানে,
'মূষিক' শব্দের অর্থ হলো — ইঁদুর বা তুচ্ছ জিনিস।

প্রবচনের ভাবার্থ: বিশাল কিছু ঘটবে বা তৈরি হবে বলে আশা করা হলেও শেষে খুবই নগণ্য বা তুচ্ছ কিছু পাওয়া যায়।

উদাহরণস্বরূপ:
"অনেক বিজ্ঞাপনের পর সিনেমাটি মুক্তি পেল, কিন্তু শেষমেশ পর্বতের মূষিক প্রসব।"

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
'নদীমাতৃক' এর সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. নোদিমাত্‌তৃক্‌
  2. নোদিমাতৃক্‌
  3. নদীমাত্‌তৃক্‌
  4. নোদিমাত্‌রিক্‌
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
'নদীমাতৃক' এর সঠিক উচ্চারণ — 'নোদিমাতৃক্‌'।

• 'নদীমাতৃক' এর অর্থ:
- (যে দেশকে) নদী মাতার মতো লালন করে এমন।

• আরো কিছু সঠিক উচ্চারণ: 
- 'সৌজন্য' এর সঠিক উচ্চারণ- 'শোউজোন্‌নো'।
- 'কাকলি' এর সঠিক উচ্চারণ- (কাকোলি),
- 'প্রণতি' এর সঠিক উচ্চারণ-(প্রোনোতি),
- 'অবগতি' এর সঠিক উচ্চারণ- (অবোগোতি) ইত্যাদি।   

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।  
১৫.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. রীতিনিতি
  2. রিতীনিতী
  3. রীতিনীতি
  4. রীতিনীতী
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'রীতিনীতি' - শুদ্ধ বানান।

• 'রীতিনীতি' শব্দের অর্থ:
- আচার-আচরণ, প্রথা, রেওয়াজ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৬.
"মিঠাই প্রস্তুত ও বিক্রয় যার পেশা" এর এক কথায় কী বলে?
  1. গোয়ালা
  2. ময়রা
  3. দইয়াল
  4. বাওয়ালি
ব্যাখ্যা
• "মিঠাই প্রস্তুত ও বিক্রয় যার পেশা" এর এক কথায় প্রকাশ: 'ময়রা'।

অন্যদিকে,
• গোয়ালা - দুধ ব্যবসায়ী, 
• বাওয়ালি - যে ব্যক্তি সুন্দরবনের কাঠ মধু মোম প্রভৃতি সংগ্রহ করে জীবিকানির্বাহ করে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
• ‘অন্য গতি নেই যার’ - অগত্যা।
• ‘যে অন্য দিকে মন দেয় না’ - অনন্যমনা।
• ‘যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে’ - প্রত্যুৎপন্নমতি।
• ‘যার কোন কিছু থেকেই ভয় নেই’ - অকুতোভয়।
• 'যার আকার কুৎসিত' - কদাকার।
• ‘যা পূর্বে শোনা যায় নি এমন’ - অশ্রুতপূর্ব।
• ‘যা কখনো নষ্ট হয় না এমন’ - অবিনশ্বর।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭.
"বাড়ি গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।" - এ বাক্যে 'গিয়ে' কোন ধরনের ক্রিয়াপদ?
  1. প্রযোজক
  2. দ্বিকর্মক
  3. অসমাপিকা
  4. সমাপিকা
ব্যাখ্যা
• অসমাপিকা ক্রিয়া:
- যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- আমি বাড়ি গিয়ে .......
- বাড়ি গিয়ে ......
- সে বই নিয়ে ...

• এখানে,
'গিয়ে', 'নিয়ে' ক্রিয়ার দ্বারা কথা শেষ হয় নি। বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ রয়েছে। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য আরও ক্রিয়া চাই।

• "বাড়ি গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।" - 
এখানে, গিয়ে নিজে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করছে না, বরং অন্য ক্রিয়ার সাহায্যে বাক্যের অর্থ প্রকাশ করছে।

যেমন:
- আমি বাড়ি গিয়ে খাব।
- সে বই নিয়ে পড়তে বসেছে।
• সুতরাং, 'গিয়ে', 'নিয়ে' হচ্ছে অসমাপিকা ক্রিয়া। আর 'খাব', 'বসেছে' এগুলো সমাপিকা ক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি,বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৮.
'√কাঁদ + অন' কোন প্রত্যয়ের অন্তর্ভুক্ত?
  1. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
  2. বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
  3. সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
  4. সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
• √কাঁদ + অন - বাংলা কৃৎ প্রত্যয়।

• কৃৎ প্রত্যয়:
ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎপ্রত্যয় বলে।
- কৃৎপ্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলে।

বাংলা কৃৎ প্রত্যয় (অন্):
ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠনে 'অন' প্রত্যয়ের ব্যবহার হয়।
যেমন:-
√ কাঁদ্ + অন = কাঁদন, 
√ নাচ্ + অন = নাচন, 
√ বাঁধ + অন = বাঁধন, 
√ চল্ + অন = চলন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা , ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।
১৯.
'পঙ্কিল' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. সৌম্য
  2. নির্বার
  3. নির্মল
  4. স্থির
ব্যাখ্যা
• 'পঙ্কিল' শব্দের বিপরীত শব্দ - নির্মল।

উল্লেখ্য,
• 'পঙ্কিল' শব্দের অর্থ - পঙ্কময়; কর্মাক্ত; কাদাপূর্ণ।
• 'নির্মল' অর্থ - স্বচ্ছ;  ময়লাহীন; অমলিন।

অন্যদিকে,
- 'সৌম্য' এর বিপরীত শব্দ- 'করাল'।
- 'দুর্বার' শব্দের বিপরীত শব্দ - 'নির্বার'।
- 'স্থির' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো- 'গতিশীল'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
'Faction' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. ভাজক
  2. উপনালা
  3. উপদল
  4. কণা
ব্যাখ্যা
• 'Faction' শব্দের বাংলা পরিভাষা: উপদল।

অন্যদিকে,
• 'Divisor' শব্দের বাংলা পরিভাষা- ভাজক।
• 'Diversion cut' শব্দের বাংলা পরিভাষা- উপনালা।
• 'Particle' শব্দের বাংলা পরিভাষা- কণা।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
২১.
সাহিত্যে অলঙ্কার প্রধানত কত প্রকার?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. ছয় প্রকার
ব্যাখ্যা
• অলঙ্কার:
কাব্যকে সৌন্দর্যমণ্ডিতও সহৃদয়হৃদয়সংবেদ্য করার জন্য কবি যেসব কৌশল অবলম্বন করেন, তাকে অলঙ্কার বলে।
সাহিত্যে অলঙ্কার প্রধানত দুই প্রকার।
 যথা:
১. শব্দালঙ্কার এবং
২. অর্থালঙ্কার।

শব্দালংকার:
শব্দের ধ্বনিরূপকে আশ্রয় করে যে অলংকারের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় শব্দালংকার। শব্দালংকারের নানা শ্রেণিবিভাগ রয়েছে। তন্মধ্যে প্রধান বিভাগগুলো হলো: অনুপ্রাস, যমক, শ্লেষ ও বক্রোক্তি।

অর্থালঙ্কার:
- যে অলঙ্কার একান্তভাবে শব্দের অর্থের উপর নির্ভর করে; অর্থ-প্রকাশক শব্দ বা শব্দাবলিকে পরিবর্তিত করে সেখানে সমার্থক অন্য শব্দ বসিয়ে দিলেও যে অলঙ্কার অক্ষুণ্ণ থাকে তাকে অর্থালঙ্কার বলে।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২২.
'তপোবন' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ -
  1. তপ + বন
  2. তপো + বন
  3. তপ্‌ + বন
  4. তপঃ + বন
ব্যাখ্যা
• 'তপোবন' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ - তপঃ + বন।
এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ- 
 
কয়েকটি বিসর্গ সন্ধি-

• সন্ধির নিয়ম:
- অ-কারের পরস্থিত স্‌-জাত বিসর্গের পর ঘোষ অল্পপ্রাণ ও ঘোষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, নাসিক্য ধ্বনি কিংবা অন্তঃস্থ য, অন্তঃস্থ ব, র, ল, হ থাকলে অ-কার ও স্‌-জাত বিসর্গ স্থলে ও-কার হয়।
যথা - 
তিরঃ + ধান = তিরোধান,
মনঃ + রম = মনোরম,
মনঃ + যোগ = মনোযোগ,
মনঃ + তাপ = মনস্তাপ
মনঃ + হর = মনোহর ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং  ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৩.
'মহাত্মা' কোন ধরনের সমাস?
  1. তৎপুরুষ
  2. বহুব্রীহি
  3. কর্মধারয়
  4. অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যা
• 'মহাত্মা' হলো — বহুব্রীহি সমাস।

• বহুব্রীহি সমাস: 
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোন পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যথা- বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি।

• বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ ব্যাসবাক্যরূপে ব্যবহৃত হয়।
যথা :
আয়তলোচন যার = আয়তলোচনা (স্ত্রী), মহান আত্মা যার = মহাত্মা, স্বচ্ছ সলিল যার = স্বচ্ছসলিলা, নীল বসন যার = নীলবসনা, স্থির প্রতিজ্ঞা যার = স্থিরপ্রতিজ্ঞ, ধীর বুদ্ধি যার = ধীরবুদ্ধি। 

• ‘সহ' কিংবা ‘সহিত' শব্দের সঙ্গে অন্য পদের বহুব্রীহি সমাস হলে ‘সহ' ও 'সহিত' এর স্থলে ‘স’ হয়।
যেমন :
বান্ধবসহ বর্তমান = সবান্ধব, সহ উদর যার = সহোদর > সোদর। এরূপ – সজল, সফল, সদৰ্প, ইত্যাদি।

• বহুব্রীহি সমাসে পরপদে মাতৃ, পত্নী, পুত্র, ত্রী ইত্যাদি শব্দ থাকলে এ শব্দগুলোর সঙ্গে ‘ক’ যুক্ত হয়।
যেমন :
নদী মাতা (মাতৃ) যার = নদীমাতৃক, বি (বিগত) হয়েছে পত্নী যার = বিপত্নীক। এরূপ -সত্রীক, অপুত্রক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি(২০১৯সংস্করণ)।
২৪.
Choose the correct spelling.
  1. Exageration
  2. Exeggeration
  3. Exaggeration
  4. Exaggaretion
ব্যাখ্যা
• Exaggeration (noun)
English Meaning: the fact of making something seem larger, more important, better, or worse than it really is.
Bangla Meaning: অতিরঞ্জন; অতিকথন।

Example:
- Sal estimates over 60 people were there but I think that's a slight exaggeration.
- It would be no exaggeration to say that her work has saved lives.

Source: Cambridge Dictionary.
২৫.
People say that laughter is the best medicine. (Passive)
  1. It is said by people that laughter is the best medicine.
  2. It is said so that laughter is the best medicine.
  3. It is said laughter that is the best medicine.
  4. It is said that laughter is the best medicine.
ব্যাখ্যা
• Compound Sentence এবং Complex Sentence-এর ক্ষেত্রে Active voice-এর উভয় clause-কে একই voice-এ রূপান্তর করতে হয়।
- Active Voice People say দিয়ে শুরু হলে passive voice It is said দিয়ে শুরু করা হয়।

• Active voice এ people + stative verb (know, think, understand, know, find, say, etc) + that + clause থাকলে, passive করার নিয়ম হচ্ছে - 
- It is /was (tense অনুযায়ী) + said + that + বাকি clause (যা আছে তাই) টি।

যেমন:
• Active: People say that teamwork makes the dream work.
• Passive: It is said that teamwork makes the dream work.

• Active: People say that failure is a stepping stone to success. 
• Passive: It is said that failure is a stepping stone to success.

সুতরাং, নিয়মানুযায়ী, 
Active: People say that laughter is the best medicine.
Passive: It is said that laughter is the best medicine.
২৬.
___________ you, I would be completely alone in the world.
  1. But for
  2. But that
  3. But then
  4. But off
ব্যাখ্যা
• But for someone/something: 
English meaning: without someone or something.
Bangla meaning: ছাড়া, নইলে।

Example:
These banks would have failed but for large-scale government intervention.

Complete sentence: But for you, I would be completely alone in the world.
Bangla: তোমাকে ছাড়া, আমি পৃথিবীতে পুরোপুরি একা হয়ে যেতাম।

Other options,
- but that (এমন) না হলে: He would have joined the party but that he was suddenly taken ill.
- but then অন্যদিকে: He is not a paragon of virtue, but then he is also the most companionable person I have ever met.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
২৭.
Eventually they happened ________ a road leading across the desert.
  1. by
  2. to
  3. along
  4. on
ব্যাখ্যা
• Happen on/upon something/someone:
English meaning: to find or meet something or someone by chance.
Bangla meaning: হঠাৎ বা দৈবক্রমে পাওয়া।

Complete sentence: Eventually they happened on a road leading across the desert.
Bangla: অবশেষে তারা দৈবক্রমে মরুভূমির মধ্য দিয়ে যাওয়া একটি রাস্তা খুঁজে পেল।

Other options,
• Happen along/by (somewhere): 
English meaning: to go to a place by chance or without planning to.
Example: I'd have drowned if he hadn't happened along and pulled me out of the river.

• happen to someone/something:
Meaning: If something happens to someone or something, it has an effect on him, her, or it.
Bangla meaning: ঘটা; সংঘটিত হওয়া।
Example: What happened to your jacket? There's a big rip in the sleeve.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
২৮.
I ___________ get a taxi than wait for the bus.
  1. would rather
  2. prefer
  3. had better
  4. should
ব্যাখ্যা
• Would rather (idiom)
English Meaning: used to indicate what one wants or prefers to do, have, etc.
Bangla Meaning: বরং; বরঞ্চ।

→ Would rather দিয়ে দুটি কাজের মধ্যে দ্বিতীয়টির চেয়ে প্রথমটি শ্রেয়, এ রকম বোঝায়।
→ Would rather এর পরে Verb এর Present form হয়।
→ Structure: Sub + would rather + verb এর present form + than + verb/noun.

Complete Sentence: I would rather get a taxi than wait for the bus.
Bangla; আমি বাসের জন্য অপেক্ষা করার চেয়ে একটি ট্যাক্সি নেওয়াই বেশি পছন্দ করব।

Example Sentence:
1. I would rather fail than compromise my principles.
2. She would rather walk alone than follow the wrong crowd.
3. He would rather be honest than deceive others.
4. We would rather face challenges than take the easy way out.

Other options,

খ) prefer: অধিকতর পছন্দ করা; শ্রেয় মনে করা।
• Prefer to অর্থ হচ্ছে অধিক পছন্দ করা। 
- দুইটি জিনিস জিনিসের মধ্যে আপেক্ষিক ভাবে একটি জিনিস বেশি পছন্দ করা বুঝাতে Prefer এর পর সর্বদা ই to বসবে। 
- এখানে prefer সরাসরি খালি স্থানে বসলে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হবে না।

গ) had better:
- Had better এর ক্ষেত্রে:
- Had better অর্থ তবুও/ বরং ভালো।
- এটি এখানে সঠিক নয়।

ঘ) should: 
- "should" মানে উচিত বা পরামর্শ দেওয়া, যা এই বাক্যের জন্য সঠিক নয়।

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৯.
He was excited that they had completed the project early. Here the underlined part is -
  1. Noun clause
  2. Adverb clause
  3. Adjective clause
  4. Adjective phrase
ব্যাখ্যা
• He was excited that they had completed the project early. Here the underlined part is a - noun clause.
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে preposition উহ্য থাকে, তাই preposition এর object হিসেবে এরা noun clause হয়।
- He was excited (about) that they had completed the project early.
- (Preposition "about" উহ্য আছে: He was excited (about) that they had completed the project early.)
- সেই হিসেবে এটি noun clause.
 
• Note: একে মনে হতে পারে, adjective কে মডিফাই করছে বলে তাই এটি Adverbial clause, কিন্তু এটি মূলত noun clause.
 
• A noun clause is a group of words that band together and act like a noun.
- Nouns clauses are used when a single word isn't enough.
- They're always dependent clauses.
 
• একটি বাক্যের চারটি স্থানে Noun clause বসতে পারে-
1. subject হিসাবে,
2. transitive verb এর object হিসেবে,
3. Linking verb এরপরে complement হিসাবে,
4. Preposition এর Object হিসেবে।
৩০.
She ____ the assignment before the class _____.
  1. had finished, had started
  2. finished, started
  3. had finished, started
  4. finished, start
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নটি করা হয়েছে Before যুক্ত বাক্যের গঠন এর উপর ভিত্তি করে। 

• Before যুক্ত বাক্যের গঠন:
- Past perfect + before + Past indefinite.
- 'Before' conjunction যুক্ত sentence এ before এর পুর্বে past perfect tense হয় এবং before এর পরে past indefinite হবে।

• Sentence Correction: She had finished the assignment before the class started.
Bangla meaning: সে ক্লাস শুরু হওয়ার আগেই অ্যাসাইনমেন্টটি শেষ করে ফেলেছিল।

- বাক্যটিতে before এর পূর্বে past perfect tense ও পরে past indefinite হওয়াতে সঠিক হয়েছে।

তাই নিয়মানুযায়ী অন্য অপশনগুলো ভুল।
৩১.
If she finishes her work early, she ____________ us for dinner.
  1. joined
  2. joins
  3. would join
  4. will join
ব্যাখ্যা
• বাক্যটি একটি 1st Conditionals sentence এর উদাহরণ।
- একটি Conditional sentence এ দুটি অংশ থাকে।
- 1. Condition বা শর্ত,
- 2. Consequence বা ফলাফল। 

• 1st Conditional = If + Present + Future.
- তাই নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হচ্ছে - If she finishes her work early, she will join us for dinner.
Bangla: যদি সে তার কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করে, সে আমাদের সঙ্গে রাতের খাবারে যোগ দেবে।

• There are four types of Conditionals:
1. The Zero Conditionals,
2. The First Conditionals,
3. The Second Conditionals and
4. The Third Conditionals.

• এ ধরনের বাক্যগুলোর সাধারণ structure হলো:
• Zero Conditional = If + Present + Present (shows scientific and general truth).
• 1st Conditional = If + Present + Future.
• 2nd Conditional = If + Past Simple + Future in Past (S + would/might/could + Base Form of the Verb).
• 3rd Conditional = If + Past Perfect (had +V3) + Perfect Modal (S + would have/could have/might have + V3).
- অথবা - Had + sub+ verb এর past participle + Sub+ would/ could/might + have + pp of verb.
৩২.
Choose the correct sentence.
  1. We had our teacher explaining the lesson again.
  2. We had our teacher explained the lesson again.
  3. We had our teacher explain the lesson again.
  4. We had our teacher to explain the lesson again.
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: We had our teacher explain the lesson again.
Bangla: আমরা আমাদের শিক্ষককে পাঠটি আবার ব্যাখ্যা করতে বলেছিলাম।

• Causative Verb:
- Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়। 
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
- Make, have, get প্রভৃতি যোগে অনেক verb- কে causative verb এ পরিণত করা যায়।

• Causative verb হিসাবে Have এর structure - 
1. Subject + have (any tense) + object (usually person) + base form of verb + . . . .
Example:
- Jonny had Ronny clean the bedroom.
- He always has me do his work.
- Mary will have Alex prepare her homework.

2. Subject + have (any tense) + object (usually thing) + past participle form of verb + . . . .
Example:
- John had his car washed.
- He always has his work done.
- Lopa will have her homework prepared.

• Causative verb হিসাবে get এর structure - 
1. Subject + get (any tense) + বস্তুবাচক object +verb এর past participle এই structure টি ব্যবহৃত হয়।
Example: John got his car washed.

2. Subject + get (any tense) + ব্যক্তিবাচক object + infinitive (to + v1) এই structure টি ব্যবহৃত হয়।
Example: John got Alex to clean the bedroom.

• Causative verb হিসাবে Make এর structure - 
1. Subject + make (any tense) + object (always person) + base form of verb + . . .
Example:
- Robert made me beat that little child.
- He always makes me do his work.
- Mary will make me prepare her homework.
- I made him wash my car.
- He makes me laugh whenever I am down.
৩৩.
The word 'Accelerate' refers -
  1. To change side
  2. To increase speed
  3. To stop a vehicle
  4. To reverse the direction of a vehicle
ব্যাখ্যা
• Accelerate (Verb)
English Meaning: When a vehicle or its driver accelerates, the speed of the vehicle increases.
Bangla Meaning: গতি বাড়ানো; ত্বরান্বিত করা।

Example Sentence: I accelerated to overtake the bus.
- Bangla Meaning: আমি বাসটিকে ওভারটেক করার জন্য গতি বাড়িয়ে দিলাম। 

Source: Oxford Learner's Dictionary And Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৪.
The wedding's off - she's decided she's too young to settle down. Here 'off' is -
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Preposition
  4. Adverb
ব্যাখ্যা
• The wedding's off - she's decided she's too young to settle down. Here 'off' is - Adjective.

• Off: [Adjective]
English meaning: (of an arranged event) stopped or given up.
Bangla meaning: থেমে যাওয়া বা পরিত্যক্ত হওয়া।

Example: 
- The wedding's off - she's decided she's too young to settle down.
- Bangla: বিয়েটি বাতিল হয়ে গেছে - সে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, সে বিয়ে করার জন্য এখনও অনেক তরুণ।

Source: Cambridge Dictionary.
৩৫.
She loves to read books before going to bed. Here 'to read' is an example of -
  1. Transitive verb
  2. Finite verb
  3. Non-finite verb
  4. Causative verb
ব্যাখ্যা

• She loves to read books before going to bed. Here 'to read' is an example of - Non-finite verb.
- প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যে 'to read' হচ্ছে infinitives এবং এই verb দ্বারা কোনো tense নির্দেশ করছে না। 
- তাই এটি non-finite verb.


• Non-finite verb: 
- A non-finite verb is a verb form that does not show tense.
- Most non-finite verbs found in English are infinitives, participles, and gerunds.
- Non-finite Verb কখনো Tense এর গঠন অনুসরণ করে না এবং tense show করে না।
- যে verb দ্বারা sentence এর বক্তব্য শেষ হয়না ও কোন Subject এর person ও number দ্বারা যার রূপ নির্ণয় করা যায় না তাকে Non finite verb বলে।

---------------
• Causative Verb:
- Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়। 
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
- Make, have, get প্রভৃতি যোগে অনেক verb- কে causative verb এ পরিণত করা যায়।

Example: I helped him carry the boxes

• Transitive verb: 
- যে verb এর object আছে তাকে transitive verb বলে৷
- Transitive verbs এর সাধারণ Structure হচ্ছে : subject + verb + object
- Object সর্বদাই Noun অথবা Pronoun হয়।
- তাই বাক্যে verb এর পরে Noun অথবা Pronoun থাকলে verb টি সাধারণত transitive verb হবে।
- আবার intransitive verb এর শেষে preposition + object যুক্ত করেও তাকে transitive verb এ পরিণত করা যায়।

- Example: "He painted the fence." বাক্যে transitive verbs বিদ্যমান।

• Finite verb: 
- A finite verb is a verb that has a subject and shows tense.
- Finite verbs are not gerunds, infinitives or participles, which are classified as non-finite verbs.
- Tense এর গঠন অনুসারে যে verb বসে, সেটিই Finite Verb.

Example: I bough some chocolate for my nephew yesterday. Here 'bought' is a finite verb.

৩৬.
Choose the synonym of 'Fulminate'.
  1. Assist
  2. Bluster
  3. Poignancy
  4. Amulet
ব্যাখ্যা
• Fulminate (Verb intransitive)
English Meaning: To criticize somebody/something angrily.
Bangla Meaning: উচ্চকণ্ঠে তিক্ততার সঙ্গে প্রতিবাদ করা; তর্জনগর্জন/ফোঁসফোঁস করা; ফুঁসে ওঠা; উষ্মা উদ্গিরণ করা।

Synonyms: Castigate (প্রহার করা/ কঠোর নিন্দা), Criticize (সমালোচনা করা), Denounce (প্রকাশ্য নিন্দা করা), Bluster(গর্জন), Huff (অভিমান), Rant (গলাবাজি)।
Antonyms: Assist (সহায়তা করা), Defend (সম্মান বা এ জাতীয় কিছু রক্ষা করা), Flatter (প্রশংসা করা), Be quiet (নীরবতা), Be Modest (শালীনতা)। 

Example Sentence: 
1. He was always fulminating against interference from the government.
2. The editorial fulminated against the proposed tax increase.

Options,
- Poignancy (মর্মস্পর্শীতা),
- Amulet (তাবিজ)।

Source: Live MCQ Lecture.
৩৭.
Antonym of 'Demur' -
  1. Accept
  2. Trend
  3. Tectonic
  4. Pale
ব্যাখ্যা
• Demur (verb intransitive) 
English Meaning: (speech) To say that you do not agree with something or that you refuse to do something
Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) আপত্তি উত্থাপন করা; ইতস্তত করা; আশঙ্কা প্রকাশ করা: To demur to a proposal; to demur at contributing to a charity fund.

Synonyms: Hesitate (ইতস্তত করা), Complain (অভিযোগ করা), Object (আপত্তি করা), Protest (প্রতিবাদ করা), Disagree (দ্বিমত পোষণ করা)।
Antonyms: Accept (গ্রহণ করা), Agree (একমত হওয়া), Approve, (অনুমোদন করা), Correspond (সংগতিপূর্ণ করা), Endorse (অনুমোদন করা)। 

Example Sentence: 
1. I must respectfully demur to the idea that this is in line with traditional farmhouse offerings.
2. He demurred at my suggestion to work on Saturday.

Options,
- Pale (ফ্যাকাশে),
- Tectonic (গঠন/কাঠামো সংশ্লিষ্ট),
- Trend (রীতি, রেওয়াজ)।

Source: Live MCQ Lecture.
৩৮.
The feminine of 'Signor' -
  1. Signora
  2. Signore
  3. Signorer
  4. Signoress
ব্যাখ্যা
• Signor: (noun)
English meaning: a title or form of address used of or to an Italian-speaking man, corresponding to Mr or sir.
Bangla meaning: ইতালীয়দের ব্যবহৃত সম্বোধন পদ; যথাক্রমে ইংরেজি Mr, Mrs ও Miss- এর সমার্থক; অথবা; ছোট s সহযোগে; Sir, Madam ও Young lady- এর সমতুল্য।
- Feminine form: Signora, signorina.

→Signor: Mr. or gentleman (masculine).
→Signora: a married Italian woman usually of rank or gentility - used as a title equivalent to Mrs.
→Signorina: an unmarried Italian woman - used as a title equivalent to Miss.

Source: Merriam-Webster & Accessible Dictionary.
৩৯.
Though he was tired, he kept working. (Compound)
  1. He was tired, yet he kept working.
  2. He was tired, and he kept working.
  3. He was tired, therefore he kept working.
  4. He was tired, but he kept workings.
ব্যাখ্যা
Complex: Though he was tired, he kept working.
Compound: He was tired, yet he kept working.

• Though/Although যুক্ত complex sentence কে compound sentence- এ পরিবর্তন করার নিয়ম: 
- Though/Although যুক্ত complex sentence কে compound sentence- এ পরিবর্তন করতে but/yet coordinate marker ব্যবহার করতে হয়।
- অর্থাৎ দুইটা sentence- এর অর্থ যদি পরস্পর বিপরীত হয় তাহলে but/yet দ্বারা compound sentence করতে হয়।

উদাহরণ:
Complex: Though he is poor, he is honest.
Compound: He is poor but honest.

Complex: Though he was a rich man, he led a simple life.
Compound: He was a rich man yet he led a simple life.
৪০.
Push the door to. Here 'to' is -
  1. Noun
  2. Preposition
  3. Conjunction
  4. Adverb
ব্যাখ্যা
• Push the door to. Here 'to' is - Adverb.
- বাক্যে "to" একটি adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে "to" মানে হলো "slightly closed" বা "আধা বন্ধ"। "Push the door to" বলতে বোঝানো হয়েছে দরজাটি হালকা বন্ধ করে দেওয়া।

• To: [adverb]
English meaning: (usually of a door) in or into a closed position.
Bangla meaning: (সাধারণত একটি দরজার ক্ষেত্রে) বন্ধ অবস্থায় বা বন্ধ অবস্থানে।

Example: 
- I'll just push the door to.
- Push the door to.

Source: Cambridge & Oxford Dictionary.
৪১.
Identify the correct sentence.
  1. It seemed like a good idea with the time.
  2. It seemed like a good idea of the time.
  3. It seemed like a good idea in the time.
  4. It seemed like a good idea at the time.
ব্যাখ্যা
• At the time (phrase): 
English Meaning: At a particular moment or period in the past when something happened, especially when the situation is very different now. 
- সাধারণত অতীতের ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। 
- তাই, এটি সবসময় Past tense- এ হয়।

• Example Sentences: 
- It seemed like a good idea at the time.
- Our son was just six years old at the time.
- At the time, I didn't realize how dangerous it was.

Correct Sentence: It seemed like a good idea at the time.
- Bangla Meaning: সে সময়ে এটি একটি উত্তম প্রস্তাব মনে হয়েছিলো। 

Source: 
1. Cambridge Dictionary. 
2. Longman Dictionary.
৪২.
"Bosola & Antonio" are characters introduced by -
  1. William Shakespeare
  2. John Webster
  3. Edmund Spenser
  4. Christopher Marlowe
ব্যাখ্যা
• "Bosola & Antonio" are characters introduced by - John Webster in his famous tragedy play 'The Duchess of Malfi'.

• The Duchess of Malfi:

- এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট tragedy play যা Revenge Tragedy/ Tragedy of Suffering হিসেবে পরিচিত।
- এটি ১৬১৩-১৪ সালে লেখা এবং ১৬২৩ সালে প্রকাশিত হয়। 
- The Duchess of Malfi tells the story of the spirited duchess and her love for her trustworthy steward Antonio.
- তার দুই ভাই Ferdinand (ক্যালাব্রিয়ার ডিউক) এবং Cardinal বিরোধিতা সত্ত্বেও তারা গোপনে বিয়ে করে।
- পরবর্তীতে তাদের তিনটি সন্তান জন্ম নেয় কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি কখনো তাঁর ভাইদের কাছে তাঁর বাচ্চাদের নাম বলেন নি।
- Duchess এর ভাইয়েরা সকল খবর বের করার জন্য তার বিরুদ্ধে Bosola নামক একজন গোয়েন্দা ( Bosola) নিযুক্ত করে।
- Bosola বিভিন্ন কৌশলে Dutchess এর কাছ থেকে তাড় স্বামি সন্তানদের খবর জেনে তার ভাইদেরকে বলে দেয় এবং তাদের আদেশে এদেরকে গ্রেফতার করতে যায়।
- নাটকের শেষে দেখা যায় সবাই মারা গিয়েছে কেবল মাত্র Dutchess এর বড় সন্তানটি ছাড়া যে কিনা পরবর্তীতে Malfi এর শাসক হয়।
- Webster’s The Duchess of Malfi কে সচরাচর last great tragedy of the Elizabethan and Jacobean eras হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

• Major Characters: 
- Bosola,
- The Duchess,
- Ferdinand,
- Cardinal,
- Antonio,
- Delio,
- Cariola,
- Julia, etc.

John Webster
- তিনি একজন English Dramatist. 
- তাঁর জন্ম ১৫৮০ সালে এবং ১৬৩২ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 

• Famous Tragedies of John Webster:
- The White Devils,
- The Devil's Law Case,
- The Duchess of Malfi.

Source: Ab ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৪৩.
Literary creation 'Samson Agonistes' was created during -
  1. Old English period
  2. Elizabethan period
  3. Restoration period
  4. Victorian period
ব্যাখ্যা
• Literary creation 'Samson Agonistes' was created during - Restoration period.
- এটি John Milton রচিত, এটি Restoration period এর একটি রচনা।

• British Library এর তথ্য অনুসারে John Milton কে Restoration period (1660-1700) এবং Renaissance period (1500 -1660) দুইটির অন্তর্ভুক্ত করে দেখানো হয়েছে। 
• আবার, Restoration Period যেহেতু Neo-Classical Period (1660-1798) এর অন্তর্গত তাই John Milton কে Neo-Classical Period এর সাহিত্যিকও বলা যায়।
• আবার, Britannica এর তথ্য অনুসারে তাকে The last great poet of English Renaissance বলা হয়েছে।

** কিন্তু তাঁর প্রধান সাহিত্যকর্ম Paradise Lost প্রথম প্রকাশিত হয় ১৬৬৭ সালে (১০ খণ্ডে) এবং Samson Agonistes ও Paradise Regain’d ১৬৭১ সালে প্রকাশিত হয়। অর্থাৎ, তাঁর প্রধান সাহিত্যকর্মগুলো Restoration period তথা Neo-Classical Period এ রচিত তাই তাঁকে মূলত Restoration period বা Neo-Classical Period এর সাহিত্যক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

• Samson Agonistes:

- ১৬৭১ সালে এই Poetic drama টি প্রকাশিত হয়।
- এটিকে বলা হয় 'greatest English drama' based on Greek Model.
- It is also known as a closet tragedy.
- এই ধরনের নাটক গুলো সাধারণত পড়ার উপযোগী করে লেখা হয়, মঞ্চে উপস্থাপনার জন্য নয়।
- The work deals with the final phase of Samson’s life and recounts the story as told in the biblical Book of Judges.

• Summary: 
এটি বাইবেলের Samson এর গল্প অবলম্বনে রচিত, যেখানে ফিলিস্তিনিদের হাতে বন্দি সামসন তাঁর শক্তি হারিয়ে দৃষ্টিহীন অবস্থায় বন্দিজীবন যাপন করছে। সামসন তাঁর অতীতের ভুল ও বিশ্বাসঘাতকতার জন্য অনুশোচনা করছে এবং ঈশ্বরের সাহায্যে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করে। অবশেষে, ঈশ্বরের দয়ায় সামসন তার শক্তি পুনরুদ্ধার করে এবং তার শত্রুদের ধ্বংস করতে সক্ষম হয়, যদিও এতে তার নিজের জীবনও বিলীন হয়। এই কবিতায় মিলটন বীরত্ব, ধর্মীয় বিশ্বাস, ক্ষমা, এবং আত্মত্যাগের মর্মার্থকে তুলে ধরেছেন।

• Characters:
- Samson (Protagonist)
- Manoa (Samson's father),
- Dalila (his wife),
- Harapha (a giant who antagonizes Samson in prison),
- and the chorus.

• John Milton (1608-1674)
• John Milton is best known for Paradise Lost, widely regarded as the greatest epic poem in English.
- Together with Paradise Regained and Samson Agonistes, it confirms Milton’s reputation as one of the greatest English poets.

• Famous Literary Works:
- Paradise Lost
- Paradise Regained
- Samson Agonistes
- L'Allegro,
- Il Penseroso
- Lycidas
- Comus
- Of Education
- Areopagitica

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৪৪.
'Cymbeline' is a/an -
  1. narrative poem
  2. comedy in five acts
  3. tragedy in five acts
  4. gothic novel
ব্যাখ্যা
• Cymbeline:
- এটি William Shakespeare রচিত একটি নাটক।
- It is a comedy in five acts.
- According to Britannica and modern critics it is considered as a comedy or sometimes even a romance.

- এটি ১৬০৮-১০ সালের মধ্যে লেখা এবং ১৬২৩ সালে First Foilo এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Set in the pre-Christian Roman world, Cymbeline draws its main theme, that of a wager by a husband on his wife’s fidelity, from a story in Giovanni Boccaccio’s Decameron.

• Summary: 
• নাটকে ব্রিটেনের রাজা Cymbeline এর কন্যা Imogen নিম্নবংশীয় Posthumus Leonatus এর সঙ্গে গোপনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। রাজা এই বিয়ে মেনে না নিয়ে Posthumusকে নির্বাসনে পাঠান।

• নির্বাসনে থাকা Posthumus, Imogen এর চরিত্র নিয়ে Iachimo এর সঙ্গে বাজি ধরে, যে Imogen কে প্রলুব্ধ করতে ব্যর্থ হয়। মিথ্যা প্রমাণ দিয়ে Iachimo, Posthumusকে বিভ্রান্ত করে। Posthumus রেগে Imogenকে হত্যা করতে নির্দেশ দেয়, কিন্তু Imogen পুরুষ বেশ ধারণ করে পালিয়ে যায়। রাজা Cymbeline er দ্বিতীয় স্ত্রী চায় তার ছেলে Cloten কে Imogen এর স্বামী বানাতে, কিন্তু cloten, Imogen কে খুঁজতে বের হয় এবং নিহত হয়।

• শেষে সত্য উদঘাটিত হয়। Posthumus জানতে পারে যে Imogen তাকে প্রতারণা করেনি। Iachimo তার ভুল স্বীকার করে। রোমান ও ব্রিটিশ সৈন্যদের মধ্যে যুদ্ধ শেষে সবার মধ্যে মিল-মিশ হয়। নাটকের শেষে রাজনীতি ও পারিবারিক বিভ্রান্তি মিটে যায়।

• Characters:
- Posthumus Leonatus,
- Imogen,
- Belarius,
- Caius Lucius,
- Cloten,
- Iachimo,
- Pisanio,
- Arviragus,
- Cornelius,
- Guiderius,
- Philario, etc.

• Shakespeare:
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com
৪৫.
Who wrote the novel 'Pamela'?
  1. Thomas More
  2. John Webster
  3. Henry Fielding
  4. Samuel Richardson
ব্যাখ্যা
• Pamela: 
- এটি Samuel Richardson রচিত একটি Novel.
- It is an example of Epistolary Novel.
- Pamela', in full Pamela; or, Virtue Rewarded.
- novel টিকে ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম English Novel হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- Novel টি হচ্ছে একটি Epistolary novel অর্থাৎ অনেকটা চিঠির মতো করে লেখা এই উপন্যাস।
- এটি ১৭৪০ সালে প্রকাশিত হয়।
- The novel is based on a story about a servant and the man who, failing to seduce her, marries her.

• Pamela Andrews হচ্ছে ১৫ বয়সী একজন পরিচীকা।
- তাঁর মালিকের মৃত্যুর পর, মালিকের ছেলে “Mr. B, বিভিন্ন চলে কৌশলে Pamela কে নিজের প্রেমে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন,
- Pamela resists, and soon afterward Mr. B offers marriage, an outcome that Richardson presents as a reward for her virtue. The second half of the novel shows Pamela winning over those who had disapproved of the misalliance.

• Samuel Richardson (1689 - 1761), an English novelist. 
- His major novels were:
- Pamela (1740) and
- Clarissa (1747–48).

• মনে রাখা জরুরি,
- First English Tragedy - Gorboduc by Thomas Norton and Sackville.
- First English Revenge Tragedy - The Spanish Tragedy written by Thomas Kyd.
- First Romance in prose - Morte d' Arthur.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৪৬.
What is the name of the estate where 'Fanny Price' grew up?
  1. Hartfield
  2. Longbourn
  3. Pemberley
  4. Mansfield Park
ব্যাখ্যা
• Fanny Price হলেন জেন অস্টিনের উপন্যাস "Mansfield Park"-এর প্রধান চরিত্র। তিনি Mansfield Park এ বড় হন। দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া ফ্যানি তার ধনী আত্মীয় Bertram family এর সঙ্গে তাদের এস্টেট Mansfield Park-এ বসবাসের জন্য পাঠানো হয়।

• Mansfield Park:
- এটি Jane Austen রচিত।
- প্রকাশিত হয় 1814 সালে।
- এই উপন্যাসটিকে ধরা হয় Jane Austen এর সবচেয়ে সিরিয়াস গুরুগম্ভীর উপন্যাস হিসেবে।

• উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে ধরা যায়, Fanny Price নামের এক তরুনীকে।
- কিছুটা অন্তর্মুখী স্বভাবের Fanny Price কে তার পরিবার ধনী আত্মীয় Bertram family এর কাছে পাঠায়।
- কিশোরী Fanny Price এর সাথে সেই পরিবারের অনেকেই রুঢ় আচরণ করে ।
- কিন্তু শেষপর্যন্ত তার অবিচল ব্যক্তিত্ব এবং নৈতিকতায় মুগ্ধ হয়ে পরিবারের সবাই তাকে সমাদরে গ্রহন করে।
- Edmund Bertram এর সাথে বিয়ে হয় Fanny Price এর।

• Jane Austen: 
- তিনি একজন English novelist.
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.

• Notable works: 
• Novels: 
- Sense and Sensibility (1811),
- Pride and Prejudice (1813),
- Mansfield Park (1814),
- Emma (1815),
-Northanger Abbey,
- Persuasion.

Source: Britannica.
৪৭.
Who narrates the story in 'Great Expectations'?
  1. Pip
  2. Estella
  3. Herbert Pocket
  4. Joe Gargery
ব্যাখ্যা
• Great Expectations:
- Pip/Philip Pirrip is a famous character of Great Expectation written by Charles Dickens.
- Pip এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র এবং বর্ননাকারী (Narrator).

• Short Summary: 
- গল্প শুরু হয়েছে Kent শহর থেকে। ১৮ শতকের গোড়ার কাহিনি । এমন একটি সময় যখন, ইংল্যান্ড অর্থনৈতিক ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তারপরও কিছু মানুষ থাকছে সমাজে যারা নানা কারণে অসুখী। এরকম একটি সুর ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পুরো উপন্যাসে।
- Pip এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। তার ছোট থেকে বড় হওয়ার কাহিনি , এতিম অবস্থায় বেড়ে ওঠা এবং তার জীবনের নানা উত্থান পতন এই উপনস্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়। 

• The important character of this novel:
- Pip,
- Estella,
- Miss Havisham.

• Charles Dickens (1812-1870) a British novelist, journalist, editor, illustrator and social commentator.
⇒ তিনি Victorian period এর একজন বিখ্যাত লেখক ছিলেন।
⇒ তার পুরো নাম Charles John Huffam Dickens.

তার রচিত বিখ্যাত কিছু উপন্যাস হলো -
• A Christmas Carol,
• David Copperfield,
• Bleak House,
• A Tale of Two Cities,
• Great Expectations,
• Our Mutual Friend.

Source: Britannica.com
৪৮.
Which of the following is written by Thomas Hardy?
  1. Bleak House
  2. You Never Can Tell
  3. The Mayor of Casterbridge
  4. The Charge of the Light Brigade
ব্যাখ্যা
• The Mayor of Casterbridge:
- এটি রচনা করেন Thomas Hardy.
- এই উপন্যাসটি সর্বপ্রথম ধারাবাহিক ভাবে মাসিক পত্রিকা The Graphic এ প্রকাশিত হয়েছিল।
- পরের বছর এটি বই আকারে প্রকাশ পায়।

• Casterbridge একটা কাল্পনিক শহরের নাম। Michael Henchard এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। তার উত্থান পতনের কাহিনি এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু।
একেবারে শূন্য থেকে শুরু করে জীবনে প্রভূত উন্নতি লাভ করে Michael Henchard। কিন্তু নিজের বদমেজাজ আর বাজে ভাগ্যের জন্য আবার সব কিছু হারিয়ে ফেলে। স্ত্রী এবং কন্যাকেও পরিত্যাগ করে।

• Other Characters of the novel -
- Susan Henchard,
- Lucetta Templeman,
- Michael Henchard,
- Elizabeth-Jane Newson,
- Donald Farfrae.

• Thomas Hardy is known as a Pessimistic Novelist.
- He was also a regional novelist and a poet কারণ একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- তিনি Victorian age এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাসিক এবং ছোট গল্পকার।

• Thomas Hardy-এর লেখা কয়েকটি উপন্যাস হল -
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge
- Jude the Obscure,
- A Pair of Blue Eyes.

• Other options,
- Bleak House - এটি Charles Dickens দ্বারা লিখিত একটি উপন্যাস।
- You Never Can Tell - এটি George Bernard Shaw এর একটি নাটক।
- The Charge of the Light Brigade - এটি Alfred, Lord Tennyson এর একটি বিখ্যাত কবিতা।

Source: Britannica.
৪৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, তৃতীয় লিঙ্গের করদাতার জন্য করমুক্ত আয়সীমা কত?
  1. ৩ লাখ ৫০ হাজার
  2. ৪ লাখ
  3. ৪ লাখ ৭৫ হাজার
  4. ৫ লাখ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

করমুক্ত আয় সীমা:

- বর্তমানে ব্যক্তির আয়ের প্রথম সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয় করমুক্ত।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতাদের জন্য আয়সীমা ৪ লাখ।
- প্রতিবন্ধী করদাতার জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ।
- তৃতীয় লিঙ্গের করদাতার জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৫০.
কণিষ্কের রাজধানী ছিল-
  1. কণিষ্কপুর
  2. পেশোয়ার
  3. তক্ষশীলা
  4. সারনাথ
ব্যাখ্যা
কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থান থেকে সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার তাঁর রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১.
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত কোনটি?
  1. অগ্নিশ্বর
  2. চমক
  3. অগ্রদূত
  4. মালা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৫২.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, প্রাথমিক পণ্য হিসেবে রপ্তানি খাতে কৃষিজাত পণ্যের অবদান কত শতাংশ?
  1. ০.২৬%
  2. ০.৭১%
  3. ১.৩৯%
  4. ১.৭৮%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

অন্যদিকে,
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৭১%)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: কাচাপাট (০.২৬%))।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৫৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সম্পত্তির অধিকার' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪০
  2. অনুচ্ছেদ ৪১
  3. অনুচ্ছেদ ৪২
  4. অনুচ্ছেদ ৪৩
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।
- অনুচ্ছেদ ৪৬ - দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৪৭ - কতিপয় আইনের হেফাজত।
- অনুচ্ছেদ ৪৭(ক) - সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৪৮ - রাষ্ট্রপতি।
- অনুচ্ছেদ ৪৯ - ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৫৪.
'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে' গানটির শিল্পী কে?
  1. স্বপ্না রায়
  2. শাহনাজ রহমত উল্লাহ
  3. নন্দিতা ঘোষ
  4. ফেরদৌসী বেগম
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

⇒ জয় বাংলা, বাংলার জয়:
- গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- সুরকার: আনোয়ার পারভেজ।
- শিল্পী: শাহনাজ রহমত উল্লাহ।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: স্বপ্না রায়।

⇒ সালাম সালাম হাজার সালাম:
- গীতিকার: ফজলে খোদা।
- সুরকার: আব্দুল জব্বার।
- শিল্পী: আব্দুল জব্বার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৫৫.
অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপ-২০২৪ এ 'ম্যান অব দ্য ম্যাচ' নির্বাচিত হয়েছেন? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. ইকবাল হোসেন
  2. আশিকুর রহমান
  3. মাহফুজুর রহমান রাব্বি
  4. নাহিদ রানা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
 
অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপ-২০২৪:
- ২০২৪ সালে প্রতিপক্ষ ভারতকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।
- ফাইনালে ভারতকে ৫৯ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার এশিয়া চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।
- ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়: সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- ভ্যানু - দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্সআপ: ভারত।
- ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ইকবাল হোসেন।
- ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট: ইকবাল হোসেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
৫৬.
'জাতীয় মূল্য সংযোজন কর দিবস' কবে পালিত হয়?
  1. ০১ ডিসেম্বর
  2. ১০ ডিসেম্বর
  3. ১২ ডিসেম্বর
  4. ২১ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
জাতীয় মূল্য সংযোজন কর দিবস:
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- এ বিষয়ে অধিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ২০১১ সাল থেকে দিবস ও সপ্তাহ উদযাপন করা হচ্ছে।
- জাতীয় ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর দিবস ১০ ডিসেম্বর পালিত হয়।

বাংলাদেশের জাতীয় দিবস সমূহ:
• জাতীয় পতাকা দিবস- ০২ মার্চ,
• জাতীয় শিশু দিবস- ১৭ মার্চ,
• জাতীয় দিবস/স্বাধীনতা দিবস- ২৬ মার্চ,
• মজিবনগর দিবস- ১৭ এপ্রিল,
• জাতীয় শোক দিবস- ১৫ আগষ্ট,
• জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস- ৭ নভেম্বর,
• সশস্ত্রবাহিনী দিবস- ২১ নভেম্বর,
• মুক্তিযোদ্ধা দিবস- ০১ ডিসেম্বর,
• শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস- ১৪ ডিসেম্বর,
• বিজয় দিবস- ১৬ ডিসেম্বর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৭.
বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান কত বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. ৩০ বছর
  2. ৫০ বছর
  3. ৭০ বছর
  4. ১০০ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে:
• বন্যা,
• নদী ভাঙন,
• নদী ব্যবস্থাপনা,
• নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ,
• বর্জ্য ব্যবস্থাপনা,
• বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৫৮.
'লাহোরের বাদশাহী মসজিদ' কোন মুঘল সম্রাটের স্থাপত্য শিল্পের বিশেষ নিদর্শন?
  1. আকবর
  2. জাহাঙ্গীর
  3. আওরঙ্গজেব
  4. শাহজাহান
ব্যাখ্যা
মুঘল স্থাপনা:
- মুঘল যুগে স্থাপত্য শিল্পের উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- প্রায় সব মুঘল সম্রাট স্থাপত্য শিল্পের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- আকর্ষণীয় সৌধ, ইমারত, মসজিদ, উদ্যান এমনকি ময়ূর সিংহাসন মুঘলদের কীর্তির অবিনশ্বর স্বাক্ষর বহন করে।
- মুঘল যুগে চিত্রশিল্পও বিশেষ উৎকর্ষ লাভ করে ছিল।

• বাবরের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- আগ্রায় পানিপথের কাবুলিবাগ নামক স্থানে মসজিদ নির্মিত হয়।

• হুমায়ুনের সময় স্থাপত্যসমূহ:
- হুমায়ুনের আমলে দিল্লিতে দীন-পানাহ ভবন, আগ্রায় ও ফতেহাবাদে নির্মিত মসজিদ তাঁর সময় কালের স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন।

• আকবরের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- আকবরের আমলে নির্মিত প্রাসাদ, দুর্গ, মসজিদ ও সৌধগুলোর মধ্যে ফতেহপুর সিক্রি, হুমায়ুনের সমাধি, ইবাদতখানা, বুলন্দ দরওয়াজা, পাঁচ মহল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

• জাহাঙ্গীরের ভূমিকা:
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে আকবরের সমাধি সৌধ, ইতমাতুদ্দৌলার সমাধি সৌধ এবং তাঁর নিজের জন্য নির্মিত সমাধি সৌধের নাম উল্লেখ করা যায়।

• শাহজাহানের সময় কালের স্থাপত্যসমূহ:
- তিনি তাঁর স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর অবিনশ্বর প্রেমের এক অনিন্দ্য সুন্দর সৌধ তাজমহল নির্মাণ করেন।
- তাঁর আমলে আগ্রার মতি মসজিদ, দিল্লির জামে মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস নির্মিত হয়। দিওয়ান-ই-খাসের অপূর্ব নির্মাণ শৈলী এবং শিল্পকর্মের চমৎকারিত্যের জন্য এটি 'দুনিয়ার বেহেস্ত' বলে অভিহিত।
- ভুবন বিখ্যাত ময়ূর সিংহাসন মনি-মুক্তা, হীরা ও মূল্যবান পাথর দিয়ে তৈরি। ময়ূর সিংহাসন সম্রাট শাহজাহানের শিল্পানুরাগের অন্যতম কীর্তি।
- তিনি 'শাহজাহানাবাদ' নামে একটি নতুন শহরও নির্মাণ করেন যা বর্তমানে নতুন দিল্লি নামে পরিচিত।

• আওরঙ্গজেবের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে নির্মিত লাহোরের বাদশাহী মসজিদ স্থাপত্য শিল্পের এক বিশেষ নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯.
বিচারক নিয়োগ করেন -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ
৭. সংবিধান সংরক্ষণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:

- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৫৩,০০৩ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৭,৮৫,৮৫৩ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৫১,৭৫৪ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৬১.
বিজিএমইএ এর বর্তমান সভাপতি কে? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. রুবানা হক
  2. মাতলুব আহমেদ
  3. মাযহারুল হক
  4. রফিকুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
⇒ বিজিএমইএ এর বর্তমান সভাপতি রফিকুল ইসলাম। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

বিজিএমইএ:
- বিজিএমইএ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
- দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন যা তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- সংগঠনটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে, বিজিএমইএ সরকারের কাছে নীতি সমর্থন, সদস্যদের সেবা, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং কারখানায় সামাজিক সম্মতির মাধ্যমে পোশাক শিল্পের প্রচার ও সুবিধার জন্য নিবেদিত।
- বিজিএমইএ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের পথ প্রশস্ত করতে ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে।
- বর্তমানে বিজিএমইএর নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে প্রায় চার হাজার।

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী ঢাকা বিভাগের সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭৫.৩৯%
  2. ৭৬.৮৪%
  3. ৭৭.১৭%
  4. ৭৮.২৪%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৬৩.
'স্বরাজ পার্টি' কে গঠন করেন?
  1. দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস
  2. মৌলভী আব্দুল করিম
  3. মওলানা আকরাম খান
  4. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী
ব্যাখ্যা
বেঙ্গল প্যাক্ট:
- অসহযোগ ও খিলাফত আন্দোলন কার্যত ব্যর্থ হলে ভারতবর্ষে হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কে মারাত্মক অবনতি ঘটে।
- আন্দোলনে ব্যর্থতার জন্য হিন্দু-মুসলমান নেতৃবৃন্দ পরস্পরকে দোষারোপ করে বক্তৃতা-বিবৃতি প্রদান করেন। 
- এ বিষয়টি দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসকে বিচলিত করে তোলে। তিনি বিশ্বাস করতেন, ভারতের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠার
জন্য হিন্দু মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।
- এ ঐক্য প্রতিষ্ঠায় তিনি বাংলা প্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ অথচ পশ্চাৎপদ বাঙালি মুসলমানদেরকে তাদের যৌক্তিক সুযোগ-সুবিধা দানের পক্ষপাতী ছিলেন।
- এ বিষয়ে তিনি শের-ই-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে আলোচনা করেন।
- একই সঙ্গে তিনি মৌলভী আব্দুল করিম, মওলানা আকরাম খান, মৌলভী মজিবর রহমান প্রমুখ নেতাদের সঙ্গেও রাজনৈতিক সমস্যা এবং দাবি-দাওয়া নিয়ে
বৈঠক করেন।
- কংগ্রেস থেকে বের হয়ে এসে ১৯২২ সালে তিনি গঠন করেন 'স্বরাজ পার্টি'।
- স্বরাজ দলের সভাপতি হিসেবে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস মুসলমান নেতাদের সঙ্গে ১৯২৩ সালে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- এ চুক্তির লক্ষ্য ছিলো, বাংলায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি জোরদারকরণ।
- ইতিহাসে এই চুক্তিই 'বেঙ্গল প্যাক্ট' নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬৪.
প্রশাসনিক দিক থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মর্যাদা কার সমতুল্য?
  1. জেলা প্রশাসক
  2. অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক
  3. বিভাগীয় কাউন্সিলর
  4. প্রতিমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
উপজেলা পরিষদ:
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থ্যায় গুরুত্বপূর্ণ স্তর হল উপজেলা পরিষদ।
- ১৯৮২ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- একজন চেয়ারম্যান, দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান, অধিভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, পৌরসভার মেয়র (যদি থাকে) ও তিনজন মহিলা সদস্য নিয়ে উপজেলা পরিষদ গঠিত।
- তাছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্য এর পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
- উপজেলা পরিষদের প্রধান কাজ হল ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করা।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা পরিষদের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করেন।
- প্রশাসনিক দিক থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মর্যাদা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সমতুল্য।
- উপজেলা পর্যায়ের অধিকাংশ অফিসার উপজেলা পরিষদের হস্তান্তরিত সদস্য।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬৫.
'ব্রি ধান ৬৪' কোন জাতের ধান?
  1. জলমগ্নতা সহিষ্ণু
  2. এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
  3. খরা সহিষ্ণু
  4. জিংক সমৃদ্ধ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৬৬.
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয় কত সালে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর:
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- ২০০৯ সালের ২৮ জুন ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর অধীনে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার কারওয়ান বাজারে অবস্থিত।
- ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই অধিদপ্তর বাজার তদারকি, পণ্যের গুণাগুণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, জনসচেতনা সৃষ্টি প্রভৃতি কর্মকাণ্ড করে থাকে।
- 'ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯', ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ, ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কার্য প্রতিরোধ ও তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে বিধান করিবার লক্ষ্যে প্রণীত আইন।
- ন্যায্য মূল্যে ন্যায্য সেবা ও পণ্য পাওয়া ভোক্তাদের একটি অধিকার।
- এ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে প্রতিদিনই বাজার তদারকি করে অপরাধ দমনের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে এবং ভোক্তাগণ তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হলে এই আইন অনুযায়ী অভিযোগ দায়েরের সুযোগ পাচ্ছেন।
- এই আইন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় ভোক্তা ও ব্যবসায়ীগণ সচেতন হতে শুরু করেছেন।

⇒ কার্যাবলি:
১. বাজার তদারকির মাধ্যমে ভোক্তা-স্বার্থ সংরক্ষণ;
২. ভোক্তাদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং
৩. জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক সভা, সেমিনার ও ওয়ার্কসপ আয়োজনসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন সেবা (নম্বর: ১৬১২১)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনার কোন ভাগে 'শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
• ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৬৮.
দুর্নীতি দমন কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যানের নাম কী? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. ড. আনোয়ারুল ইসলাম
  2. ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন
  3. ড. রুহুল আমীন
  4. ড. মিজানুর রহমান
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন:
- দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ৯ মে দুদক আইন কার্যকরের মাধ্যমে পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- এর কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।

- দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি তিনজন কমিশনারের মধ্যে হতে একজনকে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করে থাকেন।
- দুর্নীতি দমন কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যানের নাম ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- প্রথম নারী মহাপরিচালক শিরীন পারভীন।

- দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার যথাক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন।

তথ্যসূত্র - দুর্নীতি দমন কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৯.
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করার পর পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হয়েছিলেন কে?
  1. আইয়ুব খান
  2. রাও ফরমান আলি
  3. খাদিম রাজা
  4. ওমরাও খান
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:
- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্থানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০.
লুসাই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শস্য কাটার উৎসব কী নামে পরিচিত?
  1. পলকূত
  2. মীমতূত
  3. চাপচারকূত
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
লুসাই:
- লুসাই নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭১.
সম্প্রতি আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত কপ - ২৯ এর বিরোধিতা করেছিলেন কে? [ডিসেম্বর- ২০২৪]
  1. আলোকা নুর
  2. গ্রেটা থুনবার্গ
  3. এমিলিয়া ক্লার্ক
  4. ক্লার্ক আলোকা
ব্যাখ্যা
- সম্প্রতি আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনের বিরোধিতা করেছিলেন সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। তিনি এবং অন্যান্য পরিবেশকর্মীরা দাবি করেছেন যে, আজারবাইজান জলবায়ু সম্মেলনের আয়োজনের জন্য যোগ্য নয়, কারণ দেশটি বিভিন্ন নিপীড়নমূলক নীতি অনুসরণ করছে। গ্রেটা থুনবার্গের মতে, আজারবাইজান একটি নিপীড়ক রাষ্ট্র, যেখানে নাগরিক সমাজের ওপর দমনপীড়ন চলছে এবং জাতিগত নির্মূল অভিযান চালানো হয়েছে।

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP -এর পূর্ণরূপ Conferences of the Parties.
- জলবায়ু সংক্রান্ত জাতিসংঘ রূপরেখা সম্মেলন কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে।
- প্রথম কপ-১ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- জার্মানির বার্লিন শহরে ১৯৯৫ সালে।
- UNFCC ভুক্ত সদস্য দেসসমূহ জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- কপ- ২৯, ২০২৪ সালে আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

এছাড়াও,
- কপ- ৩০, ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।
- আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
৭২.
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন না কে?
  1. পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু
  2. আনোয়ার সাদাত
  3. জোসেফ মার্শাল টিটো
  4. কোয়ামে নক্রুমা
ব্যাখ্যা
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন না আনোয়ার সাদাত। 

• জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম (NAM):

- ১৯৫৫ সালে বান্দুং (ইন্দোনেশিয়া) সম্মেলনের মাধ্যমে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম (NAM) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬১ সালে সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে প্রথম ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় সম্মেলন ১৯৬৪ সালে মিশরের কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয়।
- ন্যামের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১২১।
- এর কোন স্থায়ী সদর দপ্তর নেই।
- ১৯৫৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারত-চীন সম্পর্ক নির্ধারণের জন্য পাঁচটি নীতি গৃহীত হয়েছিল।
- এই পাঁচটি নীতি 'পঞ্চশীলা' নামে পরিচিত।
- 'পঞ্চশীলা" নীতি জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের পথকে আরোও ত্বরান্বিত করেছিল।

• এই পাঁচটি নীতি হলো:
→ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান;
→ ভূঅখণ্ডতা এবং সার্বভৌমিকতা সম্পর্কে পারস্পরিক শ্রদ্ধা;
→ অনাগ্রাসন;
→ অন্যের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা;
→ সমতা ও পারস্পরিক সুবিধা।

• এই ‘পঞ্চশীলা নীতির ওপর ভিত্তি করেই জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল।
- তবে বান্দুং সম্মেলন ও কায়রো সম্মেলনে জোট গঠনের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা এবং নেতা ছিলেন ভারতের পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু, সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার জোসেফ মার্শাল টিটো, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ন, মিশরের নাসের এবং ঘানার কোয়ামে নক্রুমা যিনি নক্রমা নামে পরিচিত।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান ও NAM ওয়েবসাইট।
৭৩.
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ‘গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি’ নামে পরিচিত কোন দল?
  1. ডেমোক্রেটিক পার্টি
  2. ফেডারেলিস্ট পার্টি
  3. রিপাবলিকান পার্টি
  4. লিবার্টারিয়ান পার্টি
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে রিপাবলিকান পার্টি "গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি" বা GOP নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল হলো ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং রিপাবলিকান পার্টি। 

যুক্তরাষ্ট্র: 
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে।
- আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য, আর জনসংখ্যার দিক থেকে ক্যালিফোর্নিয়া হলো বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য।
- যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে।
- সেই থেকে ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন।
- ১৮৬৩ সালে প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৭৪.
ব্যাপক ও অসম শক্তি প্রয়োগ এবং বেসামরিক লোকজন ও স্থাপনার ওপর ইচ্ছাকৃত হামলার ইসরাইলী রণনীতি কী নামে পরিচিত?
  1. লেভিন ডকট্রিন
  2. আয়রন ডোম নীতি
  3. দাহিয়া ডকট্রিন
  4. হাইফা ডকট্রিন
ব্যাখ্যা
দাহিয়া ডকট্রিন:
- ইসরাইলের ব্যাপক ও অসম শক্তি প্রয়োগ এবং বেসামরিক স্থাপনায় ইচ্ছাকৃত হামলার রণনীতি ‘দাহিয়া ডকট্রিন’ নামে পরিচিত।
- ২০০৬ সালে লেবাননের বৈরুতের দক্ষিণ দাহিয়া এলাকায় হিজবুল্লাহর ঘাঁটি ধ্বংস করতে প্রথম এই নীতি প্রয়োগ করা হয়।
- এতে বেসামরিক স্থাপনা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ও পানিশোধন কেন্দ্র ধ্বংস করে ভয়াবহ ক্ষতি করা হয়।
- ইসরাইলের লক্ষ্য ছিল জনগণকে শাস্তি দিয়ে কোনো গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন বন্ধ করা।
- ২০০৮ সালে গাজা এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে লেবানন ও গাজায় এই নীতি প্রয়োগ করেছে ইসরাইল।   

ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে একটি দেশ ইসরাইল।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ মিসর।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক।

উৎস: Britannica. Al Jazeera, প্রথম আলো।
৭৫.
ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান বর্তমান কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরান
  2. সিরিয়া
  3. লেবানন
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
• ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- পৃথিবীতে প্রথম লিখিত আইনের উদ্ভব হয় এই সভ্যতার সময়ে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান হল - আইন প্রণয়ন ও সংকলন।
- পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে ব্যাবিলনের উত্তরে গাথুর শহরে।
- এটি ছিল ভ্রমণকারীদের পথনির্দেশক মানচিত্র।
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইন প্রণেতা যা - "Code of Hammurabi' নামে পরিচিত।
- এটি থেকে ধারনা করা হয় পৃথিবীর আদি মানচিত্রব্যাবিলনীয়রা অঙ্কন করেছিলো।
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান বর্তমান ইরাকে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর অন্যতম সপ্তম আশ্চর্যের একটি।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭ম শতকে নব্য ব্যাবিলনীয় সভ্যতার সময় রাজা নেবুচাদনেজার তার রাণীর সন্তুষ্টির জন্যে এটি নির্মাণ করেন।
- ব্যাবিলন নগরের দেয়ালের উপর মনোরম এই বাগানটি তৈরি করা হয়।
- জ্যোতির্বিদ্যার উন্নয়ন ঘটিয়ে চাঁদ পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যাবিলনীয়রা চন্দ্রপঞ্জিকা তৈরি করেছিল।
- যদিও আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র গ্রীকরা প্রথম অঙ্কন করে।
- হাম্বুরাবির মৃত্যুর পর ব্যবলনীয় সভ্যতা তার প্রভাবের সাথে খুব বেশী দিন টিকতে পারে নি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৬.
আর্থ আওয়ার পালিত হয় কোন সংস্থার উদ্যোগে?
  1. Greenpeace
  2. UNEP
  3. IPCC
  4. WWF
ব্যাখ্যা
- আর্থ আওয়ার পালিত হয় WWF সংস্থার উদ্যোগে। 

আর্থ আওয়ার:
- পরিবেশ দূষণ রোধে উৎসাহ সৃষ্টির লক্ষ্যে বছরে ১ ঘন্টা বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করে রাখার কার্যক্রম।
- WWF (World Wide Fund for Nature) এর আয়োজক।
- ২০০৭ সালের ৩১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রথম আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- রাত ৮.৩০ থেকে ৯.৩০ পর্যন্ত ১ ঘন্টা বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করে রাখা হয়।
- ২০২৩ সালের মার্চ মাসের ২৫ তারিখ আর্থ আওয়ার পালন করা হয়।

WWF:
- WWF এর পূর্ণরূপ World Wildlife Fund.
- সংস্থাটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত।

উৎস: Earth Hour ও WWF এর ওয়েবসাইট।
৭৭.
কত সালে এডলফ হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর নিযুক্ত হন?
  1. ১৯৩৫ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৩৩ সালে
  4. ১৯৩৮ সালে
ব্যাখ্যা
এডলফ হিটলার:
- ১৮৯৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাড্লফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ।
- এডলফ হিটলার ছিলেন নাৎসি পার্টির প্রধান নেতা।
- তিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- এডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- হিটলার ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- হিটলার আত্মহত্যা করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- তাঁর আত্মজীবনীর নাম Mein Kamph.
- 'অপছন্দের চেয়ে ঘৃণার স্থায়িত্ব বেশি' -উক্তিটি এডলফ হিটলার-এর।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন হিটলার।

উৎস: Britannica.
৭৮.
জাতিসংঘের কত নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. আনুচ্ছেদ - ২৩
  2. অনুচ্ছেদ - ২৪
  3. অনুচ্ছেদ - ২৭
  4. অনুচ্ছেদ - ২৮
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের আনুচ্ছেদ - ২৩ (Article 23)-এ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।
- জাতিসংঘ সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে।
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে এর সদস্য সংখ্যা মোট ১৫টি।

অন্যদিকে: 
- জাতিসংঘ সনদের ২৪নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের কাজ, দায়িত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- জাতিসংঘ সনদের ২৭নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের ভোটিং পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- জাতিসংঘ সনদের ২৮নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের কাজের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭৯.
গডস আর্মি কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. ভিয়েতনাম
  2. মিয়ানমার
  3. লাওস
  4. চীন
ব্যাখ্যা
মিয়ানমারের গেরিলা সংগঠন:
- গডস আর্মি মিয়ানমারের কারেন রাজ্যের একটি গেরিলা সংগঠন,
- এটি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের দ্বারা পরিচালিত।
- এই সংগঠনটি কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন (KNU) থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গঠিত হয়েছে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন লুথার এবং জনি নামের দুই কিশোর।

বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দেশের গোয়েন্দা সংস্থা: 
- FBI (ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- MI-6 (সিক্রেট ইনটেলিজেন্স সার্ভিস) হলো যুক্তরাজ্যের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- RAW (রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং) হলো ভারতের প্রধান বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা।
- FSS (ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস) হলো রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা। 
- MOSSAD হলো ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা।

উৎস: নিউইয়র্ক টাইমস ও ব্রিটানিকা।
৮০.
২০২৪ সালে নোবেল বিজয়ী একমাত্র নারী কোন দেশের নাগরিক?
  1. জাপান
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
২০২৪ সালে নোবেল বিজয়ী একমাত্র নারী দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক।

২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার:
- ২০২৪ সালে নোবেল বিজয়ী একমাত্র নারী হান কাং।
- তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক।
- প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ান হিসেবেও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান তিনি।
- নিজের সাহিত্যকর্মে ‘ইতিহাসের ট্রমা ও মানবজীবনের ভঙ্গুরতা’কে তীব্র কবিতাময় গদ্যের মাধ্যমে উন্মোচিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

নোবেল পুরস্কার ২০২৪:
• সাহিত্য নোবেল:
- ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন — হ্যান কাং।
- অবদান: নিজের সাহিত্যকর্মে ‘ইতিহাসের ট্রমা ও মানবজীবনের ভঙ্গুরতা’কে তীব্র কবিতাময় গদ্যের মাধ্যমে উন্মোচিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

• শান্তিতে নোবেল:
- ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও।
- অবদান: হিবাকুশা নামেও পরিচিত জাপানি সংস্থা হিদানকিওকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টা এবং পারমাণবিক অস্ত্র যে আর কখনো ব্যবহার করা উচিত নয়, তা প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

• চিকিৎসাবিজ্ঞান নোবেল:
- ২০২৪ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
- অবদান: ‘মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং পোস্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকার জন্য’ তাদের এ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

• পদার্থবিজ্ঞান নোবেল:
- ২০২৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন জন জে. হপফিল্ড, জিওফ্রে ই. হিন্টন।
- অবদান: ‘কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের সাথে মেশিন লার্নিং সক্ষম করে তোলোর বুনিয়াদি আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের জন্য’ তাদেরকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

• রসায়ন নোবেল:
- ২০২৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
- অবদান: মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভিড বেকারকে কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইনের জন্য’ এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ডেমিস হ্যাসাবিস ও জন এম. জাম্পারকে ‘প্রোটিন গঠন পূর্বাভাসের জন্য’ যৌথভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

• অর্থনীতি নোবেল:
- ২০২৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ড্যারন অ্যাসেমোগলু, সাইমন জনসন, জেমস এ. রবিনসন।
- অবদান: গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখে তা নিয়ে কার্যকরী গবেষণা করার জন্য।

সূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট।
৮১.
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস কবে?
  1. ১২ আগস্ট
  2. ১৮ আগস্ট
  3. ২২ আগস্ট
  4. ৩০ আগস্ট
ব্যাখ্যা
- আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস প্রতি বছর ৩০ আগস্ট পালিত হয়।
- ২০১০ সালের ডিসেম্বরে ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর প্রোটেকশন অব অল পারসনস এগেইনস্ট এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স’ সম্মেলনে এই দিবসটি নির্ধারণ করা হয়। গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণ এবং তাদের পরিবারের ন্যায়বিচারের দাবিতে এটি পালন করা হয়। দিবসটি মানুষকে গুমের শিকার থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের প্রতীক।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিবস: 
- আন্তর্জাতিক নারী দিবস - ৮ মার্চ।
- বিশ্ব পর্যটন দিবস - ২৭ সেপ্টেম্বর।
- বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস - ১১ জুলাই।
- বিশ্ব স্বাস্থ দিবস - ৭ এপ্রিল।
- বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস - ৩ মে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো। 
৮২.
OIC এর পরবর্তী সম্মেলন (২০২৬) কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. আজারবাইজান
  2. মিশর
  3. আরব আমিরাত
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
OIC:
- অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো -অপারেশন (OIC) হল মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- এটি ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাবাত শহরে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মুসলিম বিশ্বে ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই সংস্থা গঠিত হয়।
- OIC-এর প্রতিষ্ঠাকালে ২৪টি সদস্য দেশ ছিল। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৫৭টি। সংস্থার সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে অবস্থিত। - OIC-এর তিনটি অফিসিয়াল ভাষা হল আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ও.আই.সি ১৫-তম সম্মেলন ৪-৫ মে, ২০২৪ গাম্বিয়ার বানজুলে অনুষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তী সম্মেলন (২০২৬) আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
৮৩.
জাহিদ ৩৩ মিটার কাপড় বিক্রয় করে, ১১ মিটার কাপড়ের বিক্রয়মূল্যের সমান লাভ করে। তার শতকরা লাভের পরিমাণ কত?
  1. ৪০%
  2. ৪৫%
  3. ৫০%
  4. ৬০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: জাহিদ ৩৩ মিটার কাপড় বিক্রয় করে, ১১ মিটার কাপড়ের বিক্রয়মূল্যের সমান লাভ করে। তার শতকরা লাভের পরিমাণ কত?

সমাধান:
লাভ = ৩৩ মিটারের বিক্রয়মূল্য - ৩৩ মিটারের ক্রয়মূল্য
⇒ ১১ মিটারের বিক্রয়মূল্য = ৩৩ মিটারের বিক্রয়মূল্য - ৩৩ মিটারের ক্রয়মূল্য
⇒ ৩৩ মিটারের বিক্রয়মূল্য - ১১ মিটারের বিক্রয়মূল্য = ৩৩ মিটারের ক্রয়মূল্য
⇒ ২২ মিটারের বিক্রয়মূল্য = ৩৩ মিটারের ক্রয়মূল্য

ধরি,
১ মিটার কাপড়ের ক্রয়মূল্য ক টাকা
২২ মিটার কাপড়ের ক্রয়মূল্য ২২ক টাকা
৩৩ মিটার কাপড়ের ক্রয়মূল্য ৩৩ক টাকা

∴ ২২ মিটারের বিক্রয়মূল্য ৩৩ক টাকা

∴ লাভ = ৩৩ক - ২২ক = ১১ক

∴ শতকরা লাভ = (১১ক/২২ক) × ১০০%
= (১/২) × ১০০%
= ৫০%
৮৪.
5x - 2 > - 12 এবং x বাস্তব সংখ্যা হলে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. x ∈ (- 2, 2)
  2. x ∈ (- 2, ∞)
  3. x ∈ (- 1, ∞)
  4. x ∈ (- 2, 1)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5x - 2 > - 12 এবং x বাস্তব সংখ্যা হলে নিচের কোনটি সঠিক?

সমাধান:
5x - 2 > - 12
⇒ 5x > - 12 + 2
⇒ 5x > - 10
⇒ x > - (10/5)
∴ x > - 2

∴ সঠিক উত্তর: x ∈ (- 2, ∞)
৮৫.
  1. 1/2
  2. 2/3
  3. 3/4
  4. 4/5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
৮৬.
৭ সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট গোলকের আয়তন কত?
  1. ৪৩১২ ঘন সে.মি.
  2. ৬১৬ ঘন সে.মি.
  3. ১২৬৬.৬৭ ঘন সে.মি.
  4. ১৪৩৭.৩৩ ঘন সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৭ সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট গোলকের আয়তন কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
গোলকের ব্যাসার্ধ = ৭ সে.মি.

গোলকের আয়তন = (৪/৩) π ৭ ঘন সে.মি.
= (৪/৩) × (২২/৭) × ৭ × ৭ × ৭ ঘন সে.মি. 
 = ৪৩১২/৩ ঘন সে.মি. 
= ১৪৩৭.৩৩ ঘন সে.মি.
৮৭.
দুইটি ছক্কা নিক্ষেপ করা হলো। ছক্কা দুটিতে ওঠা সংখ্যার যোগফল মৌলিক সংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ৫/১২
  2. ১/৬
  3. ১/২
  4. ৭/৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি ছক্কা নিক্ষেপ করা হলো। ছক্কা দুটিতে ওঠা সংখ্যার যোগফল মৌলিক সংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
দুটি ছক্কা নিক্ষেপ করা হলে মোট নমুনাক্ষেত্র, n(S) = (৬ × ৬) = ৩৬
ধরি,
ছক্কা দুটিতে ওঠা সংখ্যার যোগফল মৌলিক সংখ্যা হওয়ার ঘটনা = E

∴ E = {(১, ১), (১, ২), (১, ৪), (১, ৬), (২, ১), (২, ৩), (২, ৫), (৩, ২), (৩, ৪), (৪, ১), (৪, ৩), (৫, ২), (৫, ৬), (৬, ১), (৬, ৫)}
∴ n(E) = ১৫

∴ ছক্কা দুটিতে ওঠা সংখ্যার যোগফল মৌলিক সংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা  P(E) = n(E)/n(S) = ১৫/৩৬ = ৫/১২
৮৮.
রনি, সামি ও মরিয়মের মা তাদেরকে কিছু টাকা ২ : ৩ : ৫ অনুপাতে ভাগ করে দিলেন। মরিয়ম ১৫০ টাকা পেলে, রনি ও সামি মোট কত টাকা পাবে?
  1. ৪৫০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ১৮০ টাকা
  4. ১৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: রনি, সামি ও মরিয়মের মা তাদেরকে কিছু টাকা ২ : ৩ : ৫ অনুপাতে ভাগ করে দিলেন। মরিয়ম ১৫০ টাকা পেলে, রনি ও সামি মোট কত টাকা পাবে?

সমাধান:
ধরি,
রনি, সামি ও মরিয়ম যথাক্রমে পায় ২ক, ৩ক ও ৫ক টাকা।

প্রশ্নমতে,
৫ক = ১৫০
বা, ক = ১৫০/৫
∴ ক = ৩০

∴ রনি পায় = ২ক
= ২ × ৩০ = ৬০ টাকা

∴ সামি পায় = ৩ক
= ৩ × ৩০ = ৯০ টাকা

∴ রনি ও সামি মোট টাকা পায় (৬০ + ৯০) = ১৫০ টাকা

৮৯.
2a + 2b = 14 এবং ab = 10 হলে, (a - b)2 এর মান কত?
  1. 8
  2. 9
  3. 10
  4. 19
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2a + 2b = 14 এবং ab = 10 হলে, (a - b)2 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
2a + 2b = 14
⇒ a + b = 7

ab = 10

আমরা জানি,
(a - b)2 = (a + b)2 - 4ab
= (7)2 - 4 × 10
= 49 - 40
= 9
৯০.
  1. ৩/৪
  2. ০.৬
  3. অসীমতক সমষ্টি নেই
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
৯১.
প্রগতি ক্লাবের ৫ জন পুরুষ ও ৭ জন মহিলা সদস্য আছেন। ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করতে হবে, যেখানে পুরুষ ও মহিলা সদস্য ৩ জন করে থাকবেন। কতভাবে এ কমিটি গঠন করা যায়? 
  1. ১৭৫
  2. ২১০
  3. ৩৫০
  4. ৭০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রগতি ক্লাবের ৫ জন পুরুষ ও ৭ জন মহিলা সদস্য আছেন। ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করতে হবে, যেখানে পুরুষ ও মহিলা সদস্য ৩ জন করে থাকবেন। কতভাবে এ কমিটি গঠন করা যায়? 

সমাধান: 
যতভাবে কমিটি গঠন করা যায়,
C × C 
= ১০ × ৩৫
= ৩৫০
৯২.
শতকরা ৪ টাকা হার মুনাফায় কোনো আসলের ২ বছরের সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য ১ টাকা হলে, আসল কত? 
  1. ৫৫০ টাকা
  2. ৫৭৫ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৬২৫ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শতকরা ৪ টাকা হার মুনাফায় কোনো আসলের ২ বছরের সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য ১ টাকা হলে, আসল কত? 

সমাধান: 
ধরি,
আসল = P 

এখানে,
মুনাফার হার r = ৪%
সময় n  = ২ বছর 

সরলমুনাফা = Pnr 
= P × ২ × (৪/১০০)
= ২P/২৫

চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = P{১ + (৪/১০০)} - P
= P{১ + (১/২৫)} - P
= P(২৬/২৫) - P
= (৬৭৬P/৬২৫) - P 
= (৬৭৬P - ৬২৫P)/৬২৫
= ৫১P/৬২৫

প্রশ্নমতে,
(৫১P/৬২৫) - (২P/২৫) = ১
⇒ (৫১P - ৫০P)/৬২৫ = ১
⇒ P/৬২৫ = ১
∴ P = ৬২৫
৯৩.
x2 + 2x - 15 = 0 সমীকরণের মান নির্ণয় করুন।
  1. - 3, 5
  2. - 5, 3
  3. 3, - 5
  4. 3, 5
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 + 2x - 15 = 0 সমীকরণের মান নির্ণয় করুন।

সমাধান: 
x2 + 2x - 15 = 0
বা, x2 + 5x - 3x - 15 = 0
বা, x(x + 5) - 3(x + 5) = 0
বা, (x + 5) (x - 3) = 0

∴ x - 3 = 0
x = 3 

অথবা, 
x + 5 = 0
x = - 5

সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) -5, 3 এবং গ) 3, -5
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 
৯৪.
  1. 1/27
  2. 1/81
  3. 81
  4. 27
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
৯৫.
একটি 20 মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট মিনারের শীর্ষ বিন্দু হতে 40 মিটার দূরের ভূতলস্থ একটি বিন্দুর অবনতি কোণ কত?
  1. 30°
  2. 45°
  3. 60°
  4. 90°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি 20 মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট মিনারের শীর্ষ বিন্দু হতে 40 মিটার দূরের ভূতলস্থ একটি বিন্দুর অবনতি কোণ কত?

সমাধান:
                
ধরি,
অবনতি কোণ θ
sinθ = 20/40
⇒ sinθ = 1/2
⇒ sinθ = sin30°
 ⇒ θ = 30°

কোন নির্দিষ্ট বিন্দুর উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ একান্তর প্রকৃতির। তাই তারা পরস্পর সমান।
∴ বিন্দুর অবনতি কোণ 30°.
৯৬.
৫, ৯, এবং ১০ সংখ্যা ৩টির গড় ব্যবধান কত?
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫, ৯, এবং ১০ সংখ্যা ৩টির গড় ব্যবধান কত?

সমাধান: 
সংখ্যা ৩টির গড় = (৫ + ৯ + ১০)/৩
= ২৪/৩
= ৮

∴ গড় ব্যবধান = {|৫ - ৮| + |৯ - ৮| + |১০ - ৮|}/৩
={| - ৩ | + |১| + | ২|}/৩
= (৩ + ১ + ২)/৩
= ৬/৩
= ২
৯৭.
নিচের শব্দগুলো দিয়ে গঠিত যৌক্তিক অনুক্রম কোনটি?
1. Presentation  2. Recommendation  3. Arrival  4. Discussion  5. Introduction
  1. 5, 3, 4, 1, 2
  2. 3, 5, 4, 2, 1
  3. 3, 5, 1, 4, 2
  4. 5, 3, 1, 2, 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের শব্দগুলো দিয়ে গঠিত যৌক্তিক অনুক্রম কোনটি?
1. Presentation  2. Recommendation  3. Arrival  4. Discussion  5. Introduction

সমাধান:
1. Presentation  2. Recommendation  3. Arrival  4. Discussion  5. Introduction

অর্থ ও ক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় সঠিক ক্রম হবে:
Arrival   Introduction   Presentation   Discussion  Recommendation
3           5                     1                     4                 2  
৯৮.
A B C D E F G H I J K L M N O P Q R S T U V W X Y Z
প্রদত্ত বর্ণমালার শেষের ২য় বর্ণ থেকে বামদিকের ১০ম বর্ণের ডানদিকের ৮ম বর্ণ কোনটি?
  1. X
  2. W
  3. I
  4. H
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A B C D E F G H I J K L M N O P Q R S T U V W X Y Z
প্রদত্ত বর্ণমালার শেষের ২য় বর্ণ থেকে বামদিকের ১০ম বর্ণের ডানদিকের ৮ম বর্ণ কোনটি?

সমাধান:
শেষের ২য় বর্ণ হলো Y
Y থেকে বামে ১০ম বর্ণ: Y(1), X(2), W(3), V(4), U(5), T(6), S(7), R(8), Q(9), P(10)
সুতরাং, Y থেকে বামদিকের ১০ম বর্ণ হলো P

P থেকে ডানদিকের ৮ম বর্ণ : P(1), Q(2), R(3), S(4), T(5), U(6), V(7), W(8)।
সুতরাং, P-এর ডানদিকের ৮ম বর্ণ হলো W।
৯৯.
3, 5, 5, 19, 7, 41, 9, ?
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
  1. 71
  2. 79
  3. 61
  4. 69
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 3, 5, 5, 19, 7, 41, 9, ?
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

সমাধান:
এখানে দুটি ধারা রয়েছে।

বিজোড় স্থানের সংখ্যা নিয়ে ধারা: 3, 5, 7, 9 
প্রতিক্ষেত্রে 2 করে বৃদ্ধি পায়।

জোড় স্থানের সংখ্যা নিয়ে ধারা: 5, 19, 41, ?
22 + 1 = 4 + 1 = 5
42 + 3 = 16 + 3 = 19
62 + 5 = 36 + 5 = 41
82 + 7 = 64 + 7 = 71

∴ প্রশ্নবোধক স্থানে 71 বসবে।
১০০.
যদি COMPUTER = RFUVQNPC হয়, তাহলে MEDICINE = ?
  1. MFEDJJOE
  2. EOJDEJFM
  3. MFEJDJOE
  4. EOJDJEFM
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি COMPUTER = RFUVQNPC হয়, তাহলে MEDICINE = ?

সমাধান:
COMPUTER 
RETUPMOC
RFUVQNPC
এখানে প্রথমে সবগুলো বর্ণ বিপরীত ক্রমে লিখা হয়। তারপর ১ম ও শেষের বর্ণ বাদে মাঝের সবগুলো তার পরের বর্ণ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।

MEDICINE
ENICIDEM
EOJDJEFM
১০১.
'Jettison' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. Salvage
  2. Submerge
  3. Repent
  4. Descend
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'Jettison' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?

সমাধান:
Jettison ⇒ ভার কমাতে জাহাজ থেকে মালপত্র পানিতে ফেলে দেওয়া (বিশেষত ঝড়ের সময়); পরিত্যাগ করা; পরিহার করা
Salvage ⇒ (অগ্নিকাণ্ড, জাহাজডুবি ইত্যাদি বিপর্যয়জনিত ক্ষতি থেকে) সম্পত্তি রক্ষা; উদ্ধারকার্য
Submerge ⇒ ডোবানো; মজ্জিত/নিমজ্জিত করা; প্লাবিত করা; মজ্জিত/নিমজ্জিত হওয়া; ডোবা; ডুব দেওয়া।
Repent ⇒ অনুশোচনা হওয়া/করা; অনুতপ্ত হওয়া
Descend ⇒ অবতরণ/অবরোহণ করা; নামা

এখানে,
Jettison এবং Salvage পরস্পর বিপরীত অর্থ বুঝায়।
১০২.
একজন ব্যক্তিকে দেখিয়ে, এক পুরুষ এক মহিলাকে বলল, " তার মা তোমার বাবার একমাত্র কন্যা।" মহিলাটি সেই ব্যক্তির কী হবে?
  1. ফুফু
  2. মা
  3. স্ত্রী
  4. কন্যা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন ব্যক্তিকে দেখিয়ে, এক পুরুষ এক মহিলাকে বলল, " তার মা তোমার বাবার একমাত্র কন্যা।" মহিলাটি সেই ব্যক্তির কী হবে?

সমাধান:
ব্যক্তির মা তোমার বাবার একমাত্র কন্যা
⇒ ব্যক্তির মা মহিলার বাবার একমাত্র কন্যা

মহিলার বাবার একমাত্র কন্যা ⇒ মহিলা নিজে
∴ ব্যক্তির মা মহিলা নিজে

∴ মহিলা সেই ব্যক্তির মা।
১০৩.
একজন কৃষকের ৪০টি গরুর জন্য ৩৫ দিনের খাদ্য মজুদ আছে। তিনি আরো ১০টি গরু ক্রয় করলে ঐ খাদ্যে কত দিন চলবে?
  1. ২৮ দিন
  2. ২৬ দিন
  3. ২৪ দিন
  4. ২০ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন কৃষকের ৪০টি গরুর জন্য ৩৫ দিনের খাদ্য মজুদ আছে। তিনি আরো ১০টি গরু ক্রয় করলে ঐ খাদ্যে কত দিন চলবে?

সমাধান: 
মোট গরুর সংখ্যা = (৪০ + ১০) টি = ৫০ টি

৪০টি গরুর জন্য খাদ্য চলে = ৩৫ দিন
∴ ১ টি গরুর জন্য খাদ্য চলে = (৩৫ × ৪০) দিন
∴ ৫০ টি গরুর জন্য খাদ্য চলে = (৩৫ × ৪০)/৫০ দিন
= ২৮ দিন
১০৪.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
  1. 13
  2. 14
  3. 15
  4. 16
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

সমাধান:
১ম ও ৩য় কলামের সংখ্যা গুণ করে গুণফলের সাথে ২ যোগ করে ২য় কলামের সংখ্যা পাওয়া যায়। 
2 × 4 + 2 = 8 + 2 = 10

3 × 5 + 2 = 15 + 2 = 17

3 × 4 + 2 = 12 + 2 = 14
১০৫.
দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত?
  1. ১৫০°
  2. ১৬০°
  3. ১৭০°
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত?

সমাধান:
কোণ = (| ১১ × মিনিট  - ৬০ × ঘণ্টা |)°/২
= |১১ × ৩০ - ৬০ ×০|°/২  [১২ টার সময় ঘণ্টা ০ ধরা হয়]
=  |৩৩০ - ০|°/২ 
=  ৩৩০°/২ 
= ১৬৫°
১০৬.
কোনো মাসের ৩ তারিখ সোমবার হলে, ঐ মাসের ৩০ তারিখ কী বার হবে?
  1. শনিবার 
  2. রবিবার
  3. সোমবার 
  4. শুক্রবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো মাসের ৩ তারিখ সোমবার হলে, ঐ মাসের ৩০ তারিখ কী বার হবে?
 
সমাধান:   
৭ দিন পর ৮ম দিনে পুনরায় একই বার আসে।
তাই মাসের ১ম দিন রবিবার হলে ৮ম, ১৫তম, ২২তম, ২৯তম দিন রবিবার হবে।


৩ তারিখ = সোমবার 
২ তারিখ = রবিবার 
১ তারিখ =  শনিবার 

ঐ মাসের ২৯ তারিখ শনিবার 
ঐ মাসের ৩০ তারিখ রবিবার
১০৭.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. পসারিনি
  2. পসারীনী
  3. পসারিণী
  4. পসারিনী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বানানটি শুদ্ধ?

সমাধান:
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'পসারি' শব্দের অর্থ- 'পণ্যবিক্রেতা'।

• 'পসারি' এর স্ত্রীলিঙ্গ- 'পসারিণী'।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০৮.
নিম্নের ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি বৃহত্তম?
  1. ১/৪
  2. ৫/৮
  3. ৭/১২
  4. ১১/১৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিম্নের ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি বৃহত্তম?

সমাধান:
১/৪ = ০.২৫
৫/৮ = ০.৬২৫
৭/১২ = ০.৫৮৩
১১/১৫ = ০.৭৩৩
১০৯.
বরেন্দ্রভূমি বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. উত্তর-পূর্ব
  2. উত্তর-পশ্চিম
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম
  4. দক্ষিণ-পূর্ব
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

⇒ বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১০.
ইতালির ভিসুভিয়াস ও কেনিয়ার কিলিমানজারো কোন শ্রেণির পর্বত?
  1. ভঙ্গিল
  2. ক্ষয়জাত
  3. সঞ্চয়জাত
  4. আগ্নেয়
ব্যাখ্যা
পর্বত (Mountains):
- সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটার-এর অধিক উঁচু, সুবিস্তৃত, খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- অপর দিকে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০ থেকে ১,০০০ মিটার উঁচু, স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপকে পাহাড় বলে।
- পর্বতের ভূ-প্রকৃতি বন্ধুর, ঢাল খুব খাড়া এবং সাধারণত চূড়া বিশিষ্ট হয়।
- কোনো কোনো পর্বত বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করে, যেমন- পূর্ব আফ্রিকার কিলিমানজারো।
- আবার কিছু পর্বত অনেকগুলো পৃথক শৃঙ্গসহ ব্যাপক এলাকা জুড়ে অবস্থান করে, যেমন- হিমালয় পর্বতমালা।

• পর্বতের প্রকারভেদ:
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত চার প্রকার। যথা:
(ক) ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountains),
(খ) আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains),
( গ) চ্যুতি-স্তূপ পর্বত (Fault-block Mountains) এবং
(ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত (Dome/Laccolith Mountains)।

⇒ আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়।
- পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে।
- এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
- যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১১.
বৃষ্টিবহুল শীতকাল ও বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল কোন জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য?
  1. নিরক্ষীয়
  2. মৌসুমি
  3. ভূমধ্যসাগরীয়
  4. মেরুদেশীয়
ব্যাখ্যা
ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল:
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের বিভিন্নতার কারণে জলবায়ুর ধরনেরও পার্থক্য দেখা যায়।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় অঞ্চল অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের ৩০°-৪৫° অক্ষাংশের মধ্যে যে সকল মহাদেশসমূহের অবস্থান তাদের পশ্চিমাংশ জুড়েই ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল বিস্তৃত।
- উত্তর আফ্রিকার লিবিয়া, তিউনিশিয়া, মিশরের উত্তরাংশ, মরক্কোর উত্তরাংশ, ভূ-মধ্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলসমূহ এই জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
- এছাড়াও তুরস্ক, স্পেন, গ্রীস, দক্ষিণ ফ্রান্স, ইতালি, ইসরাইল, সিরিয়া, দক্ষিণ ও পশ্চিম যুগোশ্লাভিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তভুক্ত।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যে আরও যে দেশসমূহ রয়েছে সেগুলো হলো- লেবানন, পর্তুগাল, আলবেনিয়া এবং দ্বীপসমূহ হলো কর্ষিকা, মাল্টা, সাইপ্রাস ইত্যাদি।
- এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, দক্ষিণ আমেরিকার চিলির মধ্যভাগ এবং উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তগত।

⇒ বৈশিষ্ট্য:
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উষ্ণ, শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল।
- এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে গড় উষ্ণতা থাকে ২০°- ২৮° সে. এবং শীতকালে উষ্ণতা ১০° সে. এর কম থাকে।
- এখানে সমুদ্র বায়ুর প্রভাবে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয়।
- সাধারণত অন্যান্য এলাকার তুলনায় সমুদ্র উপকূলে বৃষ্টিপাতের হার বেশি।
- বৃষ্টিপাত অধিক বলে এখানে শীতকালীন বৃক্ষ যেমন- জলপাই, কর্ক, তুঁত, নিম, পাইন গাছের উৎপত্তি লক্ষ্যণীয়।
- কম বৃষ্টি হয় এমন স্থানে ঝোপঝাড় জন্মে।
- প্রকৃতপক্ষে ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু স্বাস্থ্যকর ও আরামদায়ক। 

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১২.
ITCZ-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Internal-tropical Convergence Zone
  2. Inter-tropical Convergence Zone
  3. Internal-tropical Convergencee Zone
  4. International-tropical Convergence Zone
ব্যাখ্যা
ITCZ:
- ITCZ-এর পূর্ণরূপ: Inter-tropical Convergence Zone.
- এটি হলো পৃথিবীর বিষুব রেখার কাছাকাছি একটি বিশেষ জলবায়ু অঞ্চলের নাম।
- এই অঞ্চলে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাতাস একে অপরের দিকে আসতে থাকে এবং এখানে সাধারণত শক্তিশালী বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাত হয়।

⇒ এর প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- বাতাসের সংঘর্ষ: উত্তর গোলার্ধের ট্রপিক্যাল বাতাস এবং দক্ষিণ গোলার্ধের ট্রপিক্যাল বাতাস এখানে একে অপরকে ঠেকিয়ে আসে। এই সংঘর্ষের ফলে উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস উপরে উঠে যায় এবং এটি মেঘ সৃষ্টি করে, যা বৃষ্টি নিয়ে আসে।
- বৃষ্টিপাত: ITCZ এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, বিশেষত গ্রীষ্মকালীন সময়ে।
- ঋতুবর্তী পরিবর্তন: ITCZ-এর অবস্থান বছরের বিভিন্ন সময়ে বদলায়। গ্রীষ্মকালে এটি উত্তর দিকে চলে যায় এবং শীতকালে দক্ষিণ দিকে চলে আসে।
- এই অঞ্চলটি পৃথিবীর বেশ কিছু ট্রপিক্যাল এলাকায়, যেমন আফ্রিকা, এশিয়া, ও লাতিন আমেরিকাতে, বিশেষভাবে প্রভাব বিস্তার করে এবং এটি গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

উৎস: National Oceanic and Atmospheric Administration (.gov).
১১৩.
নিম্নের কোনটি Hydro-meteorological দুর্যোগ?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. নদীভাঙ্গন
  3. ভূমিধস
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
Hydro-meteorological দুর্যোগ:
- ভূমিধস, নদীভাঙ্গন ও ঘূর্ণিঝড় জলজ আবহাওয়াজনিত (Hydro-meteorological) দুর্যোগ।

⇒ দুর্যোগ হলো একটি মারাত্মক পরিস্থিতি যা প্রকৃতি বা মানবসৃষ্ট আপদের ফলে দেখা দেয়।
- সাধারণ অর্থে দুর্যোগ বলতে আপদ বোঝায় কিন্তু সব আপদই দুর্যোগ নয়।
- আপদ ও বিপদাপন্নতা এ দুটো উপাদান একত্র হলেই তাকে দুর্যোগ পরিস্থিতি বলা হয়।
- এই পরিস্থিতি চলমান সমাজ জীবনকে গভীরভাবে ব্যাহত করে এবং মানুষ, সম্পদ ও পরিবেশের এত ক্ষতি সাধন করে যা মোকাবেলায় একটি সমাজকে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি হয় তা শুধু নিজস্ব সম্পদ দিয়ে প্রায়ই পূরণ করা সম্ভব হয় না বরং বাইরের সাহায্যের প্রয়োজন হয়।
- ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও সৃষ্ট পরিস্থিতি দুর্যোগ কিনা তা নির্ধারণ একটি সমাজের সামর্থ্যের ওপর নির্ভর করে।

⇒ জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগ (Hydrometeorological Disasters) হলো এমন দুর্যোগ যা মূলত জলবায়ু বা আবহাওয়া সম্পর্কিত প্রাকৃতিক ঘটনার কারণে সৃষ্টি হয়।
- এই ধরনের দুর্যোগে সাধারণত জল এবং বায়ু সম্পর্কিত প্রাকৃতিক শক্তি কাজ করে।
- এই দুর্যোগগুলি মানুষ এবং পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে এবং এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।
- জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগের কিছু উদাহরণ হলো: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধস, ভারি বৃষ্টি, খরা, তুষারপাত।

উৎস: i) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) NIDM.
১১৪.
সিয়াল ও সিমার মধ্যে বিভাজনকারী রেখার নাম কী?
  1. গুটেনবার্গ বিযুক্তি
  2. কনরাড বিযুক্তি
  3. সনোরা লাইন
  4. মোহোবিযুক্তি
ব্যাখ্যা
কনরাড বিযুক্তি:
- Sial ও Sima বিভাজনকারী স্তরকে কনরাড বিযুক্তি রেখা বলে।
- অর্থাৎ ভূ-ত্বকের লঘু ও গুরু শিলান্তরদ্বয় সীমারেখায় মিলিত হয়েছে তাকে কনরাড বিযুক্তি (Conrad Discontinuity) বলে।

⇒ সমুদ্র তলদেশের ভূত্বক প্রধানত ব্যাসল্ট জাতীয় এবং মহাদেশীয় ভূত্বক ফেলসিক স্তরবিহীন, ব্যাসল্ট-এর প্রধান খনিজ উপাদানের নাম সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) যা সাধারণভাবে সিমা (Sima) নামে পরিচিত। ধারণা করা হয় যে, এ ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ হিসেবে মহাদেশের মেফিক স্তরের নিচে ও গভীর সমুদ্রের তলদেশে বিদ্যমান। ভূ-ত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সে. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।

⇒ ভূ-কম্পীয় তরঙ্গের গতিবেগ লক্ষ্য করে ভূ-ত্বক গঠনকারী শিলাকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-(১) ওপরের লঘুশিলা, (২) মধ্যবর্তী গুরুশিলা ও (৩) নিচে অলিভিন জাতীয় শিলা।
ওপরের লঘুশিলা ভূ-ত্বকের বাইরের স্তর। এর ওপরেই আমরা গাছপালা ও তৃণাদি জন্মাতে দেখি। এ স্তরে গ্রাণাইড শিলার পরিমাণ বেশি তাই এক গ্রানাইট শিলা স্তর বলা হয়। গ্রানাইটে সিলিকা (Silica) ও অ্যালুমিনিয়ামের (Aluminium) পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। তাই একে সিয়াল (Sial) স্তর বলে। মহাদেশগুলো প্রধানত এ জাতীয় শিলায় গঠিত।

অন্যদিকে,
• বিযুক্তি রেখা:
- ভূপৃষ্ঠ থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত যেখানে যেখানে ভূমিকম্প তরঙ্গের গতিবেগ পরিবর্তিত হয়,সেই স্থানগুলিকে বিযুক্তি রেখা বলে।
• মোহো বিযুক্তি রেখা:
- ইহা ভূত্বক ও গুরুমন্ডলের মাঝে অবস্থিত। ১৯০৯ সালে একটি ক্রোয়েশিয়ান ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ আন্দ্রেজা মোহোরোভিচিক দ্বারা মোহোরোভিসিক বিচ্ছিন্নতা আবিষ্কার করেছিলেন। মহাদেশের ভূপৃষ্ঠের নীচে ৩৫ কিলোমিটার এবং সমুদ্রের ভূত্বকের নীচে ৮ কিলোমিটার গভীরতায় অবস্থিত।
• রেপিত্তি বিচ্ছিন্নতা:
- এটি অন্তঃগুরুমন্ডল (ইনার ম্যান্টেল) ও বহিঃ গুরুমন্ডল (আউটার ম্যান্টেল) এর মাঝে অবস্থিত।
•  গুটেনবার্গ বিচ্ছিন্নতা:
- এটি গুরুমন্ডল কেন্দ্রমন্ডল এর মাঝে রয়েছে গুটেনবার্গ বিযুক্তি রেখা ( Gutenberg discontinuity)
•  লেহম্যান বিযুক্তি:
- কেন্দ্রমন্ডলের ভিতরের ভাগ অর্থাৎ অন্তঃকেন্দ্রমন্ডল ও বহিঃ কেন্দ্রমন্ডলের মাঝে অবস্থিত লেহমান বিযুক্তি রেখা।

উৎস: ভূমিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৫.
কলোরাডো নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বত
  2. ইটাস্কা হ্রদ
  3. অ্যাপেলেশিয়ান পর্বত
  4. রকি পর্বত
ব্যাখ্যা
কলোরাডো নদী (Colorado River):
- কলোরাডো নদী উত্তর আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী।
- এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে প্রবাহিত হয়ে মেক্সিকোতে ক্যালিফোর্নিয়া উপসাগরে গিয়ে পতিত হয়েছে।
- কলোরাডো নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৩৩০ কিলোমিটার।
- কলোরাডো নদীর উৎপত্তিস্থল কলোরাডো রাজ্যের রকি পর্বতমালা।
- এই নদী যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি রাজ্য (কলোরাডো, আরিজোনা, নিউ মেক্সিকো, ইউটা, নেভাদা, ক্যালিফোর্নিয়া, এবং হোয়াই) এবং মেক্সিকোতে প্রবাহিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কলোরাডো নদীর স্রোত এবং ভূমিক্ষয়ের কারণে বর্তমান রূপ নিয়েছে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।
- যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা রাজ্যের উত্তর দিকে অবস্থিত গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন। 
- গিরিখাতের মাঝে বয়ে যাওয়া খরস্রোতা কলোরাডো নদী গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন সৃষ্টির প্রধান উৎস। 

উৎস: Britannica.
১১৬.
শৈবাল সাগর কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আর্কটিক মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক মহাসাগর:
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয় এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়।
- এর আয়তন ৮,৫১,৩৩,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান পোয়ের্তোরিকা ট্রেঞ্চ।
- এর গড় গভীরতা ১১,৯৬২ ফুট এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ২৭,৪৯৩ ফুট।

⇒ শৈবাল সাগর:
- মহাসাগরের মাঝখানে বিভিন্ন স্রোত মিলিত হয়ে কয়েক হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকা জুড়ে একটি ঘূর্ণস্রোত বা জলাবর্তের সৃষ্টি করে।
- এই বিশাল জলাবর্তের মাঝখানে কোনোরকম জলপ্রবাহ থাকে না বলে স্রোতবিহীন এই অঞ্চলে নানারকম শৈবাল বা শেওলা, আগাছা ও জলজ উদ্ভিদ জন্মায়, এইজন্য এই অঞ্চলকে শৈবাল সাগর বলা হয়। 
- আটলান্টিক মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে (১) উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত, (২) উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত এবং (৩) ক্যানারি স্রোত মিলিত হয়ে কয়েক হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকা জুড়ে একটি ঘূর্ণস্রোত বা জলাবর্তের সৃষ্টি করে।
- এই বিশাল জলাবর্তের মাঝখানে কোনোরকম জলপ্রবাহ থাকে না বলে স্রোতবিহীন এই অঞ্চলে নানারকম শৈবাল বা শেওলা, আগাছা ও জলজ উদ্ভিদ জন্মায়।
- এইজন্য এই অঞ্চলকে শৈবাল সাগর বলা হয়।
- আটলান্টিক মহাসাগর ছাড়াও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরেও (১) উত্তর প্রশান্ত-মহাসাগরীয় স্রোত, (২) কুরোশিয়ো বা জাপান স্রোত, (৩) উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত এবং (৪) ক্যালিফোর্নিয়া স্রোতের মাঝখানে প্রকাণ্ড একটি শৈবাল সাগর দেখা যায় ।

উৎস: Britannica.
১১৭.
'Governance and Development' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রথম প্রকাশ করে -
  1. জাতিসংঘ
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. ইউএনডিপি
ব্যাখ্যা
সুশাসন:
- সুশাসন একটি সামাজিক ধারণা।
- সুশাসন মানে হলো যথার্থরূপে শাসন বা ভালোভাবে শাসন।
- সুশাসনের পূর্বশর্ত হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।
- এগুলো ব্যতীত দুর্নীতি রোধ করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয় না।
- অংশগ্রহণ ও ই-গভর্ন্যান্স সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
- স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, অস্বচ্ছতা, স্বেচ্ছাচারিতা প্রভৃতি সুশাসনের অন্যতম অন্তরায়।

⇒ বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম ‘সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- এতে উন্নয়নশীল দেশের অনুন্নয়ন চিহ্নিত করা হয় এবং বলা হয় যে, সুশাসনের অভাবেই এরূপ অনুন্নয়ন ঘটেছে।

⇒ বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে "Governance and Development" বা 'শাসন প্রক্রিয়া ও উন্নয়ন' শীর্ষক রিপোর্টে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করেছে।
- এ রিপোর্ট অনুযায়ী- "Governance is the manner in which power is exrcised in the management of a country's economic and social resources for development"।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১১৮.
প্লেটো কয়টি সদ্গুণের কথা বলেছেন?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
সদ্গুণ:
- ইংরেজিতে যাকে Virtue বলে বাংলায় তাকেই আমরা সদ্গুণ বলি।
- Virtue শব্দটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে Excellence বা উৎকর্ষতা।
- এই হিসেবে মানুষের চরিত্রের যে সব লক্ষণগুলো তার চরিত্রের উৎকর্ষতা প্রমাণ করে তাদেরকেই সদ্গুণ বলা হয়।

⇒ অ্যারিস্টটলের মতে এই সদ্গুণগুলো অভ্যাসের মাধ্যমে অর্জিত হয় এবং কম বেশি স্থায়ী মেজাজের রূপ নেয়।
- তিনি বুদ্ধিবৃত্তিক সদ্গুণ এবং নৈতিক সদগুণের মধ্যে পার্থক্য করেছিলেন।
- নৈতিক সদ্গুণের একটা বড় বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, সময় এবং সমাজভেদে এগুলোর গ্রহণযোগ্যতা ভিন্ন হতে পারে।
- অ্যারিস্টটল তাঁর বিখ্যাত পুস্তক 'নিকোমেকীয়ান এথিক্স' এ সদ্গুণ উদ্ভবের কারণ হিসেবে জীবনে মধ্যপথ অবলম্বনের ওপর জোর দেন।

⇒ প্লেটো ৪টি প্রধান সদ্গুণের (Cardinal Virtues) কথা উল্লেখ করেছেন।
- এগুলো হচ্ছে: প্রজ্ঞা, সাহস, মিতাচার ও ন্যায়।
- এদের মধ্যে ন্যায়কেই তিনি রাষ্ট্র ও ব্যক্তি উভয়ের ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ অত্যাবশ্যকীয় সদ্গুণরূপে অভিহিত করেন।
- তবে ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের মধ্যে যখন অন্য তিনটি সদ্গুণের অস্তিত্ব থাকে তখনই ন্যায়রূপ সদ্গুণের অভ্যুদয় ঘটে।

উল্লেখ্য,
- এটা স্পষ্ট যে, এই নীতি গ্রহণ করলে মানুষের মধ্যে যে সদ্গুণের সৃষ্টি হয় তা মানুষ ছাড়াও অন্যান্য সকল কিছুর বেলায়ই সকল কাজকর্মে একজন ব্যক্তিকে একই নীতি অনুসরণ করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপন করতে অনুপ্রাণিত করে।
- আর এভাবেই মনুষ্য-সমাজের বাইরেও নৈতিকতা বিস্তৃত হয়।

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৯.
জোনাথান হেইট এর মতে, কোনটি থেকে নৈতিকতার উদ্ভব হয়েছে?
  1. ঐতিহ্য
  2. মানব আচরণ
  3. ধর্ম
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
নৈতিকতা:
- নৈতিকতা মূলত ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যাপার।
- জোনাথান হেইট এর মতে, 'ধর্ম, ঐতিহ্য এবং মানব আচরণ- তিনটি থেকেই নৈতিকতার উদ্ভব হয়েছে।'
- নৈতিকতা হচ্ছে ভালো-মন্দ আচরণ, স্বচ্ছতা, সততা ইত্যদির সাথে সম্পর্কযুক্ত একটি বিশেষগুণ।
- তাই নৈতিকতাকে বলা হয় মানবজীবনের নৈতিক আদর্শ।
- প্রাচীন রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং দর্শনে আইন ও নৈতিকতাকে অভিন্ন বিবেচনা করা হতো।
- এদের মধ্যে কোন পার্থক্য করা হতো না।
- মধ্যযুগে নিকোলা ম্যাকিয়াভেলি তার ‘দ্য প্রিন্স’ গ্রন্থে নৈতিকতা সম্পর্কে বর্ণনা করেন।
- সেখানে তিনিই প্রথম নৈতিকতা থেকে আইনকে পৃথক করেন।
- আইন ও নৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে আইন ভঙ্গ করলে শাস্তি পেতে হয় কিন্তু নৈতিকতা ভঙ্গের কোনো শাস্তি নেই।

⇒ নৈতিকতার অর্থ সঠিক আচরণ বা চরিত্র'।
- সক্রেটিস বলেছেন, 'সৎ গুণই জ্ঞান' (Virtue is knowledge)।
- নীতিবিদ ম্যুর বলেছেন, শুভর প্রতি অনুরাগ ও অশুভর প্রতি বিরাগই হচ্ছে নৈতিকতা।
- Collins English Dictionary- তে বলা হয়েছে যে, 'Morality is concerned with on negating to human behaviour, esp. the distinction between good and bad and right and wrong behaviour-.

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলো বর্ণিত হয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
অধিকার:
- সাধারণত অধিকার বলতে নিজের ইচ্ছানুযায়ী কোন কিছু করার বা পাওয়ার ক্ষমতাকে বোঝায়।
- এদিক থেকে বিচার করলে আইন বিরোধী কাজ করাকেও অধিকার বলা যায়।
- কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসনে এ ধরনের কাজকে স্বেচ্ছাচার বলা হয়।
- অধ্যাপক আনেস্ট বার্কার যথার্থই বলেন, 'অধিকার তখনই প্রকৃত অধিকার হতে পারে যখন রাষ্ট্র সেগুলোকে অধিকার বলে স্বীকার করে এবং সেগুলো রক্ষার জন্য সচেষ্ট হয়।'
- অর্থাৎ রাষ্ট্র ও সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত সুযোগ বা সুবিধাকে অধিকার বলা যায়।
- যেমন: পরিবার গঠন, শিক্ষা লাভ, নির্বাচনে ভোটদান, নির্বাচিত হওয়ার মত অধিকারের প্রতি সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বীকৃতি ও অনুমোদন রয়েছে।

উল্লেখ্য,
⇒ মৌলিক অধিকার:
- মৌলিক অধিকার বলতে বুঝায় নাগরিক জীবনের বিকাশ ও ব্যক্তির জন্য সে সমস্ত অপরিহার্য শর্তাবলি, যা সার্বভৌম রাষ্ট্রের সংবিধান হতে প্রাপ্ত এবং অলঙ্ঘনীয়।
- নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলো রাষ্ট্রের সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকলে তা সাংবিধানিক আইনের মর্যাদা লাভ করে।
- এর ফলে সরকার এ সমস্ত অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- নাগরিকগণ তাদের অধিকার ভোগ করতে কোনো প্রকার সরকারি বাধার সম্মুখীন হয় না।

⇒ মৌলিক অধিকারের উৎস রাষ্ট্রের সংবিধান।
- মৌলিক অধিকারের রক্ষক রাষ্ট্র ও সংবিধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলো বর্ণিত হয়েছে।

⇒ তথ্য পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২১.
কোন বলের কারণে মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু পরস্পরকে আকর্ষণ করে?
  1. সবল নিউক্লিয় বল
  2. দুর্বল নিউক্লিয় বল
  3. তাড়িতচৌম্বক বল
  4. মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বরং অন্যান্য বল এ সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
- মৌলিক বল চারটি। 
যথা- 
১. মহাকর্ষ বল (Gravitational Force), 
২. তাড়িতচৌম্বক বল (Electromagnetic Force), 
৩. সবল নিউক্লিয় বল (Strong Nuclear Force) এবং 
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল (Weak Nuclear Force) । 

মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে। 
- বস্তুর ভরের কারণে এ আকর্ষণ ঘটে। 
- এ বলের কারণে গ্রহসমূহ নক্ষত্রের চারদিকে ঘুরে, পৃথিবীর যাবতীয় প্রাণী ও বস্তু ভূ-পৃষ্ঠের সংলগ্ন থাকে, বস্তুর ওজন অনুভূত হয় ইত্যাদি। 
- দুটি বস্তুর মধ্যে গ্রাভিটন নামক এক প্রকার কণার পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে এ বল কার্যকর হয়। 
- অবশ্য গ্রাভিটনের অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। 
- মহাকর্ষ বলের পাল্লা অসীম। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২২.
নিচের কোন মানটি pH স্কেলে নিরপেক্ষতা নির্দেশ করে?
  1. ৫.৫
  2. ৪.৫
ব্যাখ্যা
• pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 

অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৩.
কাঠ পেন্সিলের সীস তৈরির উপকরণ কী?
  1. কয়লা
  2. গ্রাফাইট
  3. হীরক
  4. লেড
ব্যাখ্যা
• হীরক ধাতু: 
- কার্বন একটি অধাতু ও বিজারক পদার্থ। 
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হচ্ছে হীরক। 
- হীরক কাঁচ কাটতে ব্যবহার করা হয়। 
- গ্রাফাইট উত্তম বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে তা ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- যন্ত্রাংশ লুব্রিকেশন করার জন্য এবং কাদা সহযোগে পুড়িয়ে কাঠ পেন্সিলের সীস তৈরীতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১২৪.
কাজের মাত্রা ML2T-2 এ - 'M' দ্বারা কী বুঝায়?
  1. ওজন
  2. সময়
  3. সরণ
  4. ভর
ব্যাখ্যা
• কাজের মাত্রা ML2T-2 এ - 'M' দ্বারা "ভর' বুঝায়।

• কাজ, বল ও সরণের মধ্যে সম্পর্ক: 
- কাজ পরিমাণ করতে হলে আমাদের দুটি রাশি জানা প্রয়োজন। 
- একটি হচ্ছে বল এবং অপরটি হচ্ছে সরণ। কারণ কাজ সৃষ্টির জন্য বল ও সরণের প্রয়োজন হয়। 
- কাজ হচ্ছে বল ও সরণের গুণফল। 
- কাজ একটি স্কেলার রাশি। এর কোন দিক নেই। 
- কাজের মাত্রা, [W] = [ML2T -2]। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৫.
নিচের কোনটি মানবদেহে অবস্থিত সাইনাস নয়?
  1. Nasal sinus
  2. Frontal sinus
  3. Maxillary sinus
  4. Sphenoid sinus
ব্যাখ্যা
• শ্বসন অঙ্গের সমস্যা: 
- মানুষের শ্বসন অঙ্গ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক অথবা অন্য কোন এজেন্ট দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে, যা নানা রকম রোগ সৃষ্টি করে। 
যেমন- 
সাইনুসাইটিস (Sinusitis): 
- আমাদের করোটি ও মুখমণ্ডলের অস্থিগুলোর ভেতরে কিছু বায়ুপূর্ণ ফাঁকা স্থান রয়েছে যেগুলোকে সাইনাস বলে। 

- মানুষের মুখমণ্ডলে ৪ জোড়া সাইনাস আছে। 
যথা- 
(ক) ম্যাক্সিলারি সাইনাস, 
(খ) ফ্রন্টাল সাইনাস, 
(গ) এথময়েড সাইনাস এবং 
(ঘ) স্কেনয়েড সাইনাস। 

- এসকল সাইনাস মিউকাস পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে এবং পিচ্ছিল মিউকাস সৃষ্টির মাধ্যমে নাসিকা পথকে সিক্ত ও জীবাণুমুক্ত রাখে। 
- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাক দ্বারা সাইনাস আক্রান্ত হলে যে প্রদাহের সৃষ্টি হয় তাকে সাইনুসাইটিস বলে। 
- সাইনুসাইটিস ৮ সপ্তাহের কম সময় থাকলে তাকে একিউট (Acute) সাইনুসাইটিস এবং ৩ মাসের অধিককাল থাকলে তাকে ক্রনিক (Chronic) সাইনুসাইটিস বলে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৬.
আপেক্ষিকতার তত্ত্বটি আইনস্টাইন কখন বিশ্ববাসীর কাছে উপস্থাপন করেন?
  1. ১৮৯০ সালে
  2. ১৯১০ সালে
  3. ১৯০৫ সালে
  4. ১৯১৯ সালে
ব্যাখ্যা
• আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (Einstein's Theory of Relativity):
- চিরায়ত বলবিজ্ঞানের মতে স্থান, কাল এবং ভর ধ্রুব।
- আইনস্টাইন এগুলো সম্পর্কে চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, স্থান, কাল এবং ভর এগুলো পরম কিছু নয়; এগুলো আপেক্ষিক। আইনস্টাইনের এ তত্ত্বকে বলা হয় আপেক্ষিকতা তত্ত্ব।

আপেক্ষিকতা তত্ত্বটি দুটো ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো:
ক. আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব (Special theory of relativity) এবং
খ. আপেক্ষিকতার সার্বিক তত্ত্ব (General theory of relativity)।

- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন। যথা-
১. প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 
২. দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

- তার ভর শক্তির সম্পর্ক সূত্রটি হলো
E = mc2
যেখানে,
E = শক্তি,
m = ভর,
c = আলাের বেগ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)।
১২৭.
মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের বিকল্প নাম কী?
  1. স্বাধীন সঞ্চারণ সূত্র
  2. ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র
  3. মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের অপর নাম মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র/ জনন কোষ শুদ্ধতার সূত্র/ পৃথকীকরণ সূত্র।

• মেন্ডেলের সূত্র:
- জীনতত্ত্বের জনক বলে পরিচিত মেন্ডেল মূলত পেশায় অস্ট্রিয়ার একজন ধর্মযাজক ছিলেন।
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতির দুটি সূত্র প্রদান করেন ।
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের ফিনোটাইপিক অনুপাত ৩:১।
- মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অনুপাত ৯:৩:৩:১।

• মেন্ডেলের বংশগতির প্রথম সূত্র:
- মেন্ডেলের প্রথম সূত্রকে পৃথকীকরণ সূত্র বলা হয়।
- ‘জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি একক দায়ী থাকে যাকে ফ্যাক্টর (জিন) বলা হয় এবং ফ্যাক্টর বা জিনগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে। সঙ্কর জীবে ফ্যাক্টর বা জিনগুলো মিশ্রিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং গ্যামিট উৎপাদনের সময় অপরিবর্তিত অবস্থায় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গ্যামিটে গমন করে'।

• মেন্ডেলের বংশগতির দ্বিতীয় সূত্র:
- ‘দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জীবে সঙ্করায়ন ঘটালে গ্যামিট সৃষ্টিকালে প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের ফ্যাক্টর বা জিন যুগলের স্বাধীন সঞ্চারণ বা বিন্যাস ঘটে এবং কোন একটি ফ্যাক্টর যুগলের সঞ্চারণ অন্য ফ্যাক্টর যুগলের উপর নির্ভরশীল নয়'।
- মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অপর নাম - স্বাধীন সঞ্চারণ বা ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৮.
কোন উপাদানের অভাবে উদ্ভিদে ক্লোরোসিস দেখা দেয়?
  1. নাইট্রোজেন
  2. ফসফরাস
  3. পটাশিয়াম
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• নাইট্রোজেন:
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়।
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে 'ক্লোরোসিস' বলে।

• ফসফরাস:
- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়।

• পটাশিয়াম:
- পটাশিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়।
- পাতার কিনারায় পুড়ে যাওয়া সদৃশ বাদামি রং দেখা যায় এবং পাতা কুঁকড়ে আসে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়।

উৎস:  জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২৯.
সিলিকন অর্ধ-পরিবাহীর যোজন ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যেকার শক্তি পার্থক্য কত?
  1. 0.7 eV
  2. 1.8 eV
  3. 0.8 eV
  4. 1.1 eV
ব্যাখ্যা
• পরিবাহী:
- পরিবাহী পদার্থে যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে আংশিক উপরিপাত (overlapping) হয়।
- আসলে এ দুই ব্যান্ডের মধ্যে ভৌত পার্থক্য নির্ধারণ করা কঠিন।
- সুতরাং পরিবাহী পদার্থে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগ করা মাত্র মুক্ত ইলেকট্রনের প্রবাহ ঘটে এবং বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।

• অন্তরক:
- অন্তরক পদার্থে যোজন ব্যান্ড সম্পূর্ণ পূর্ণ থাকে এবং পরিবহন ব্যান্ড সম্পূর্ণ খালি থাকে এবং এ দুই ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য অনেক বেশি থাকে (সাধারণত: 10ev এর বেশি)।
- পরিবহন ব্যান্ডে ইলেকট্রন না থাকায় বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগ করলে বিদ্যুৎ প্রবাহ ঘটে না।
- যোজন ব্যান্ড থেকে পরিবহন ব্যান্ডে কোন ইলেকট্রন নিতে হলে যথেষ্ট শক্তি প্রয়োজন হয়। 

• অর্ধপরিবাহী:
- অর্ধপরিবাহী পদার্থের যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য অন্তরকের তুলনায় অনেক কম থাকে।
- যেমন: সিলিকনের ক্ষেত্রে এর মান 1.1 ev এবং জার্মেনিয়াম কেলাসের জন্য 0.7ev।

- পরম শূন্য তাপমাত্রায় পরিবহন ব্যান্ড সম্পূর্ণ খালি এবং যোজন ব্যান্ড সম্পূর্ণ পূর্ণ থাকে, তাই এ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহী আদর্শ অন্তরক হয়। কম তামপত্রায় পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ এবং যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে।
- তাপমাত্রা বাড়ালে যোজন ব্যান্ড থেকে অধিক পরিমাণ ইলেকট্রন শক্তি সঞ্চয় করে পরিবহন ব্যান্ডে প্রবেশ করে এবং বিদ্যুৎ প্রবাহে অংশগ্রহণ করে।
- তাই তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩০.
কো-এক্সিয়াল ক্যাবল এবং অপটিক্যাল ফাইবারে ডেটা স্থানান্তরের জন্য সাধারণত কোন ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. শিফট ব্যান্ড
  2. ভয়েস ব্যান্ড
  3. ব্রড ব্যান্ড
  4. ন্যারো ব্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ব্যান্ডউইডথ:
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের হারকে ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit Per Second (bps) এ হিসাব করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা ব্যান্ডউইডথ বলে।
- ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা- ন্যারো ব্যান্ড, ভয়েস ব্যান্ড ও ব্রড ব্যান্ড।
- ধীর গতি ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ন্যারো ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ভয়েস ব্যান্ড ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডেটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়।
- তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও ব্রড ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩১.
Fire Fox OS কে সংক্ষেপে কী বলা হয়?
  1. FFS
  2. F4S
  3. O2F
  4. B2G
ব্যাখ্যা
- Firefox OS কে প্রায়শই এর কোড নাম (এবং মূল নাম) B2G দ্বারা উল্লেখ করা হয়।
- ডিভাইসে ফ্ল্যাশ করার জন্য যে ফাইলগুলি আমরা ব্যবহার করি সেগুলিকে images, ROMs বা builds বলা হয়।
- Firefox OS এর সঠিক সংক্ষিপ্তরূপ হল FxOS।
- ফ্ল্যাশিং প্রক্রিয়া বলতে বোঝায় অপারেটিং সিস্টেমকে ভিন্ন ভার্শনে আপডেট করার জন্য ROM গুলিকে ডিভাইসে লেখার প্রক্রিয়া।
- Flatfish হল ১০ ইঞ্চি ট্যাবলেটগুলির পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত কোড নাম।

উৎস: Mozilla Wiki. [Link]
১৩২.
"Draft" ফোল্ডারে থাকা ই-মেইলগুলি কী নির্দেশ করে?
  1. প্রাপ্ত ই-মেইল
  2. প্রেরিত ই-মেইল
  3. অসম্পূর্ণ ই-মেইল
  4. ডিলিট করা ই-মেইল
ব্যাখ্যা
"Draft" ফোল্ডারে থাকা ই-মেইলগুলি সাধারণত অসম্পূর্ণ বা প্রেরণের জন্য প্রস্তুত নয় এমন ই-মেইল নির্দেশ করে।

• E-mail:

- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৩.
মাদারবোর্ডে কোন সংযোগটি গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. SATA Port
  2. AGP Slot
  3. USB Port
  4. RAM Slot
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন: কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।

• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot
2. RAM slot
3. PCI slot; ইত্যাদি।

- মাদারবোর্ডের সাথে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগ করার জন্য প্রাথমিকভাবে AGP স্লট ব্যবহার করা হয়।
- মাদারবোর্ডের সাথে keyboard, speaker ইত্যাদি সংযোগ করার জন্য USB ব্যবহার করা হয়।
- মাদারবোর্ডের সাথে hard drive, SSD ইত্যাদি সংযোগ করার জন্য SATA ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৪.
ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড কোন কোডের অনুরূপ?
  1. অ্যাসকি
  2. বিসিডি
  3. আলফানিউমেরিক
  4. ইবিসিডিক
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- ফলে যে সমস্ত ভাষাকে কোডভুক্ত করার জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন-চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানীজ ইত্যাদি) সে সকল ভাষার সকল চিহ্নকে সহজেই কোডভুক্ত করা সহজতর হলো।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকি ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৩৫.
নিচের কোনটি সাইবার ক্রাইমের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. স্নিকিং
  2. অন্যের লেখা নিজের নামে পাবলিশড করা
  3. নকল পাসপোর্ট তৈরি করা
  4. স্পুফিং
ব্যাখ্যা
• নকল পাসপোর্ট তৈরি করা মূলত অফলাইনে ঘটে যা সাইবার ক্রাইমের আওতায় পড়ে না।
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো: হ্যাকিং, স্প্যামিং, সাইবার বুলিং, স্পুফিং, ফিশিং, সাইবার থেপ্ট, প্লেজিয়ারিজম, স্নিকিং ইত্যাদি।

• নিম্নে প্রচলিত কিছু সাইবার ক্রাইম বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ভিত্তিক ক্রাইমের নাম দেওয়া হলো:
- হ্যাকিং এর মাধ্যমে অন্যের তথ্য হস্তগত করা।
- অবৈধভাবে কোন সিস্টেমের সকল রিসোর্স ব্যবহার বা ধ্বংসের জন্য বাইরে থেকে সিস্টেমে প্রবেশ করা।
- কোন সিস্টেমকে এমনভাবে পরিবর্তন করা যাতে ঐ সিস্টেম তার নির্ধারিত সার্ভিস প্রদান না করে।
- আপত্তিকর ই-মেইল বার্তা প্রেরণ।
- কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি ও বিতরণ করা, ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৩৬.
কোন প্রক্রিয়ায় ডাটাবেজ থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা হয়?
  1. ডাটা এনালাইসিস
  2. সর্টিং
  3. কুয়েরি
  4. ডাটা সেভিং
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query: একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Parameter Query: প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Crosstab Query: ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Action Query: কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩৭.
স্বাস্থ্য বাতায়ন সেবাটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে কোন প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়
  2. সিনেসিস আইটি লিমিটেড
  3. মন্ত্রণালয় আইটি বিভাগ
  4. স্বাস্থ্যকল্যাণ পরিষদ
ব্যাখ্যা
- স্বাস্থ্য বাতায়ন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত একটি সেবা।
- সিনেসিস আইটি লিমিটেড নামে একটি মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য বাতায়ন সেবাটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে।
- এই স্বাস্থ্য বাতায়নের হেল্পলাইন নম্বর 16263(এক বাষট্টি তেষট্টি)-তে কল করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া যায়।
- এই হেল্পলাইন দিনরাত ২৪ ঘন্টা আপনার সেবায় নিয়োজিত।
- এছাড়া স্বাস্থ্যবাতায়ন থেকে সরকারী হাসপাতাল, ডাক্তারের তথ্য কিংবা স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক অন্যান্য যেকোনো তথ্য এবং ফোন নাম্বার পাওয়া যায়।
- স্বাস্থ্য বাতায়ন কোন বানিজ্যিক সেবা নয় এবং এতে ফোন করতে মোবাইল ফোনের স্বাভাবিক বিলের অতিরিক্ত বিল হয়না।

উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। [Link]
১৩৮.
কম্পিউটারের প্রাথমিক রূপ কোনটি?
  1. আর্পানেট
  2. এবিসি
  3. টেবুলেটিং মেশিন
  4. এডসাক
ব্যাখ্যা
• টেবুলেটিং মেশিন:
- ১৮৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড. হারম্যান হলিরিথ নামের একজন পরিসংখ্যানবিদ সেন্সাস মেশিন বা টেবুলেটিং মেশিন নামে একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্রে তিনি পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করে ১৮৯০ সালের শুমারি মাত্র তিন বছরে শেষ করেন।
- এ ধরনের মেশিন ছাড়া ১৮৮০ সালের শুমারি করতে সময় লেগেছিল দশ বছর।
- সেন্সাস মেশিন ব্যবহার করে অনেক দিন পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করা যেত।
- ড. হলিরিথ ১৮৯৬ সালে 'টেবুলেটিং মেশিন কোম্পানি' নাম দিয়ে একটি ব্যবসায়ীপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেন।
- পরবর্তীতে তাঁর কোম্পানি আরো কয়েকটা কোম্পানির সঙ্গে একীভূত হয়ে IBM (International Business Machine) কোম্পানি গঠিত হয়।
- টেবুলেটিং মেশিন উদ্ভাবিত হওয়ার পর হতেই ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে কম্পিউটার তৈরির যুগ শুরু হয়।
- টেবুলেটিং মেশিনটির প্রধান অংশগুলো ছিল কার্ড পাঞ্চার (Card puncher), কার্ড রিডার (Card reader) এবং ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কার্ড সর্টার (Electromechanical card sorter)।
- হলিরিথ এর এই গবেষণা ও উন্নয়নের প্রচেষ্ঠার ফলেই 'এনালগ কম্পিউটার' নামক নতুন শ্রেণির গণনাকারী যন্ত্রের উদ্ভব ঘটে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৯.
রোবট সোফিয়াকে Non-Human Innovation Champion স্বীকৃতি দিয়েছিল কোন সংগঠন?
  1. UNDP
  2. UNESCO
  3. UNICEF
  4. HANSON ROBOTICS
ব্যাখ্যা
• রোবট সোফিয়া:
- রোবট সোফিয়া তৈরি করেছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস।
- এর মূল নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন (David Hanson)।
- রোবট সোফিয়াকে নকশা করা হয় হলিউডের ব্রিটিশ অভিনয় শিল্পী অড্রে হেপবার্ন এর মত করে।
- রোবট সোফিয়াকে ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল থেকে সক্রিয় করা হয়।
- ২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেয়া হয় এই রোবটকে এবং এটিই প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে।
- ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি উৎসব ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশ নিয়েছে সিঙ্গাপুরের তৈরি ও সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট সোফিয়া। এটি প্রায় ৫০ ধরনের ভাবভঙ্গি দেখাতে পারে।
- ইউএনডিপি সোফিয়াকে বিশ্বের প্রথম নন-হিউম্যান ইনোভেশন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. যমুনা নিউজ রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
১৪০.
নিচের কোন Abbreviation-টি ভুল?
  1. GSM: Global System for Mobile Telecommunication
  2. FDMA: Frequency Division Multiple Access
  3. TDMA: Time Division Multiple Access
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• জিএসএম (GSM-Global System for Mobile communication):
- ১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Speciale Mobile (GSM)।
- এর পর নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM)।
- জিএসএম প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের (Third generation) ভার্সনকে Universal Mobile Telecommunication System (UMTS) দ্বারা প্রমিতকরণ করা হয়।
- বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, টেলিটক ও এয়ারটেল জিএসএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
- জিএসএম হচ্ছে FDMA (Frequency Division Multiple Access) এবং TDMA (Time Division Multiple Access) এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- FDMA এর সর্বমোট চ্যানেল সংখ্যা হচ্ছে ১২৪ এবং প্রতিটি চ্যানেল হচ্ছে ২০০ KHz।
- ৯৩৫-৯৬০ MHz আপলিংক (Uplink) এবং ৯৩৫-৯৬০ MHz ডাউনলিংক (Downlink) উভয়ের জন্যই ২৫ MHz বরাদ্দ থাকে।
- দ্বৈত পৃথকীকরণ (Duplex separation) হচ্ছে ৪৫ MHz।
- যদি ২০০ KHz চ্যানেলের মধ্যে TDMA ব্যবহৃত হয় তবে একটি ফ্রেমে (Frame) পরিণত হতে ৮ টাইম স্লট (Time Slot) দরকার।
- ফ্রেম সময়কাল হচ্ছে ৪.৬১৫ মিলিসেকেন্ড।
- জিএসএম সর্বপ্রথম মোবাইল রেডিও সিস্টেমের জন্য TDMA এর উন্নয়ন সাধন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।