পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন৬৬
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯১১
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৬৬ প্রশ্ন

.
Who of the following is an American author?
  1. Oscar Wilde
  2. Jonathan Swift
  3. Herman Melville
  4. Thomas Hardy
সঠিক উত্তর:
Herman Melville
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Herman Melville
ব্যাখ্যা

The correct answer is: গ) Herman Melville.

• Herman Melville 
- তিনি হচ্ছেন একজন American Novelist, short-story writer and poet.
- Moby Dick, novel by Herman Melville, published in London in October 1851 as "The Whale" and a month later in New York City as Moby-Dick; or, The Whale.
- It is dedicated to Nathaniel Hawthorne.
- Moby Dick is generally regarded as Melville’s magnum opus and one of the greatest American novels.

• Famous novels of Herman Melville are:
- Moby Dick,
- White Jacket,
- Bartleby, the Scrivener.

Other options,
- Oscar Wilde – Irish author,
- Jonathan Swift – Anglo-Irish author,
- Thomas Hardy – English author.
 
Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.

.
কোন সভ্যতায় ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় নেতাদের পদবী ছিল 'পাতেজী'?
  1. রোমান
  2. মায়া
  3. সুমেরীয়
  4. হিব্রু
সঠিক উত্তর:
সুমেরীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমেরীয়
ব্যাখ্যা

সুমেরীয় সভ্যতা:
- মেসোপটেমীয়া অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয়।
- ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বে সুমেরীয় জাতি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণাংশে এবং পারস্য উপকূল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- এরা অ-সেমিটিক জাতিগোষ্ঠি এবং মধ্য এশিয়া থেকে স্থানান্তরিত হয়ে মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে।
- লিখন পদ্ধতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, আইন কানুন প্রণয়ন, ধর্মীয় অনুশাসন ইত্যাদি সুমেরীয়রাই প্রথম শুরু করে।
- সুমেরীয় সভ্যতায় ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় নেতাদের পদবী ছিল 'পাতেজী'।
- সুমেরীয়দের পরবর্তী বিখ্যাত শাসক ছিলেন সম্রাট 'ডুঙি'।
- সম্রাট ডুঙির নেতৃত্বে সুমেরীয়গণ খ্রিস্টপূর্ব ২১০০ অব্দে একটি ঐক্যবদ্ধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেন।
- ডুঙি সুমের জাতির জন্য সর্বপ্রথম একটি বিধিবদ্ধ আইন (Code) প্রচলন করেন। 
- সুমেরীয় সমাজে শিল্প ও ব্যবসা পরিচালনায় নারীদের অধিকার দেওয়া হয়েছিল।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার বিকাশ এবং নিত্য নতুন আবিষ্কারের মূলে সুমেরীয়দের অবদানই অধিক ছিল।
- সুমেরীয় শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকীর্তি ‘জিগগুরাট' নামক ধর্মমন্দির।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন কোনটি?
  1. ECLAC
  2. ESCWA
  3. ESCAP
  4. ECE
সঠিক উত্তর:
ECLAC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ECLAC
ব্যাখ্যা

ECLAC:
- ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন ECLAC.
- ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ানের জন্য অর্থনৈতিক কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: সান্তিয়াগো, চিলি।
- নির্বাহী সচিব: হোসে ম্যানুয়েল সালাজার-সিরিনাচস।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

.
নিচের কোন দেশটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. জার্মানি
  2. জাপান
  3. ইতালি
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।

.
'Loss and Damage Fund' চালু প্রস্তাব গৃহীত হয় কোন COP সম্মেলনে?
  1. COP-25
  2. COP-26
  3. COP-27
  4. COP-28
সঠিক উত্তর:
COP-27
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-27
ব্যাখ্যা

⇒ Loss and Damage Fund:
- 'Loss and Damage Fund' চালু প্রস্তাব গৃহীত হয় ২৭তম জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনে (COP-27)।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যে ক্ষয়ক্ষতি এবং ক্ষতি হয়, তার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বিশ্বের উন্নত দেশগুলো।
- ২০০৯ সালে উন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত তহবিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ২০২২ সালে মিশরের শার্ম এল-শেখ-এ অনুষ্ঠিত কপ-২৭ শীর্ষ সম্মেলনে একটি চুক্তি হয়।
- এটিই হচ্ছে Loss and Damage Fund (লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল)।
- Loss and Damage Fund-এর লক্ষ্য: উন্নয়নশীল ও দুর্বল দেশগুলোকে জলবায়ু বিপর্যয়ের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট।

.
'এশিয়া কাপ- ২০২৫' অনুষ্ঠিত হচ্ছে -
  1. ভারতে 
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাতে
  3. শ্রীলঙ্কায়
  4. পাকিস্তানে
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাতে
ব্যাখ্যা

এশিয়া কাপ- ২০২৫:
- ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত এশিয়া কাপ- ২০২৫ অনুষ্ঠিত হবে।
- টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে প্রতিযোগিতার সবকটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
- এবারের আসরে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান মোট আটটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
- আটটি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।
- 'এ' গ্রুপে আছে ভারত, পাকিস্তান সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান এবং 'বি' গ্রুপে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও হংকং।
- প্রত্যেক দল গ্রুপ পর্বে ৩টি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

.
'মসুল' কোন দেশের বিখ্যাত শহর?
  1. ইসরায়েল
  2. ইরান
  3. সিরিয়া
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
ব্যাখ্যা

মসুল:
- উত্তর-পশ্চিম ইরাকের প্রধান শহর মসুল।
- মসুল ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর।
- এটি দেশের উত্তর-পশ্চিম অংশের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
- মসুল আরব বিশ্বের বৃহত্তর এবং ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলির মধ্যে একটি।

ইরাক:
- ইরাক দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া একটি দেশ।
- আয়তন: ১৬৭,৯৭৪ বর্গ মাইল (৪৩৫,০৫২ বর্গ কিমি)।
- ইরাক বিশ্বের ৫৮তম বৃহত্তম দেশ।
- সীমান্তবর্তী দেশ: সৌদি আরব, জর্ডান, সিরিয়া, তুরস্ক, কুয়েত, ইরান।
- রাজধানী: বাগদাদ।
- ভাষা: আরবি, কুর্দি (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: ইসলাম (সরকারি, বেশিরভাগ শিয়া), এছাড়াও খ্রিস্টান ধর্ম।
- মুদ্রা: দিনার।
- ইরাকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পেট্রোলিয়ামের মজুদ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

.
'ISI' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইসরায়েল
  2. পাকিস্তান
  3. ইরান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com

.
'Green Climate Fund' প্রতিষ্ঠার স্থান কোনটি?
  1. কানকুন, মেক্সিকো
  2. ইনচন, দক্ষিণ কোরিয়া
  3. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  4. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
কানকুন, মেক্সিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানকুন, মেক্সিকো
ব্যাখ্যা

Green Climate Fund:
- প্রতিষ্ঠিত: ২০১০ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো,
- সদর দপ্তর: ইনচন, দক্ষিণ কোরিয়া।
- COP16: Green Climate Fund আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আয়োজক দেশ: মেক্সিকো।

⇒ আলোচ্য বিষয়:
- গ্লোবাল ওয়ার্মিং,
- কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, -
- জলবায়ু তহবিল,
- অভিযোজন ও ক্ষতিপূরণ,

তথ্যসূত্র - Green Climate Fund ওয়েবসাইট।

১০.
নিচের কোনটি মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশ?
  1. নাউরু
  2. ফিজি
  3. পাপুয়া নিউগিনি
  4. টোঙ্গা
সঠিক উত্তর:
নাউরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাউরু
ব্যাখ্যা

⇒ মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
- মারিয়ানা।

⇒ মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।

⇒ পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামোয়াত

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

১১.
Gulf Cooperation Council এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কয়টি? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

GCC:
- GCC (Gulf Cooperation Council) হলো পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনেতিক জোট।
- এটি ১৯৮১ সালে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত।
- এর সদস্য সংখ্যা ৬টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
এগুলো হলো:
- সৌদি আরব
- সংযুক্ত আরব আমিরাত
- কাতার
- কুয়েত
- বাহরাইন এবং
- ওমান।

তথ্যসূত্র - GCC ওয়েবসাইট।

১২.
নিচের কোন চুক্তিটি 'Good Friday Agreement' নামে পরিচিত?
  1. উই রিভার চুক্তি
  2. অসলো চুক্তি
  3. বেলফাস্ট চুক্তি
  4. অটোয়া চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
ব্যাখ্যা

বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৩.
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. রোম
  2. জেনেভা
  3. প্যারিস
  4. নিউ ইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
ব্যাখ্যা

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা:
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জাতিসংঘের বিশেষায়িত একটি সংস্থা WMO.
- WMO এর পূর্ণরূপ World Meteorological Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫০ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
• ১৮৭টি দেশ।
• ৬টি অঞ্চল।
- বর্তমান মহাসচিব: সেলেস্তে সাওলো। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - WMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৪.
অ্যাডলফ হিটলারের রাজনৈতিক দলের নাম কী ছিল?
  1. টুপাক ইয়াৎ
  2. গেস্টাপো
  3. ফুয়েবার
  4. নাৎসী
সঠিক উত্তর:
নাৎসী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাৎসী
ব্যাখ্যা

অ্যাডলফ হিটলার:
- ১৮৮৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাডলফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার মৃত্যু বরণ করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৫.
IMF এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ডমিনিক স্ট্রস-কান
  2. রদ্রিগো রাতো
  3. ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
  4. পল থমসেন
সঠিক উত্তর:
ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
ব্যাখ্যা

IMF:
- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
- এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৪ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৪৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য: লিচেনস্টাইন। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৬.
আরব লীগের ভিত্তি ছিল কোনটি?
  1. আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল
  2. কায়রো প্রটোকল
  3. জেদ্দা প্রটোকল
  4. বাগদাদ প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল
ব্যাখ্যা

আরব লীগ:
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের সমন্বয় ও বন্ধন শক্তিশালী করা।
- ৭ অক্টোবর ১৯৪৪ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল ছিল আরব লীগের ভিত্তি।
- ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ আরব লীগ গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
- সদস্য: মোট ২২টি রাষ্ট্র। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- আরব লীগ বহির্ভূত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ: ইরান।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।
- আরব লীগের বর্তমান মহাসচিব আহমেদ আবুল ঘেইত। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - আরব লীগ ওয়েবসাইট।

১৭.
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫১ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা

IOM:
- আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা IOM.
- IOM পূর্ণরূপ INTERNATIONAL ORGANIZATION FOR MIGRATION.
- সংস্থাটি ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদস্য ১৭৫টি দেশ এবং পর্যবেক্ষক - ৮টি দেশ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সংস্থাটির প্রথম মহিলা মহাসচিব অ্যামি ই. পোপ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - IOM অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৮.
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
  1. Sacriligious
  2. Milleanium
  3. Neccessary
  4. Acquaintance
সঠিক উত্তর:
Acquaintance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Acquaintance
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন বানানটি সঠিক?

সমাধান:
সঠিক বানান: Acquaintance.
শব্দটির অর্থ হলো পরিচয়, জানাশোনা, অথবা চেনাশোনা এবং এটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
Sacriligious = Sacrilegious.
Milennium = Millennium.
Neccessary = necessary

১৯.
রতন তার বাড়ি থেকে রওয়ানা করে 10 কি.মি. পূর্বে যায়। এরপর বামে ঘুরে 6 কি.মি. যায় ও পরে আবার বামে ঘুরে 5 কি.মি. যায়। এখন বাম দিকে ঘুরে হাঁটলে, কোন দিকে হাঁটবে?
  1. পশ্চিম দিকে
  2. উত্তর দিকে
  3. পুর্ব দিকে
  4. দক্ষিণ দিকে
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ দিকে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রতন তার বাড়ি থেকে রওয়ানা করে 10 কি.মি. পূর্বে যায়। এরপর বামে ঘুরে 6 কি.মি. যায় ও পরে আবার বামে ঘুরে 5 কি.মি. যায়। এখন বাম দিকে ঘুরে হাঁটলে, কোন দিকে হাঁটবে?

সমাধান:

বাম দিকে ঘুরে হাঁটলে, দক্ষিণ দিকে হাঁটবে

২০.
'Forfeiture' শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?
  1. বাজেয়াপ্তকরণ
  2. অনিদ্রা
  3. পরিরক্ষক
  4. পূর্বাভাস
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তকরণ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'Forfeiture' শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?

সমাধান:
'Forfeiture' শব্দের বাংলা পরিভাষা - বাজেয়াপ্তকরণ

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• 'Anticipation' শব্দের বাংলা পরিভাষা - 'পূর্বাভাস'।
• 'Insomnia' এর বাংলা পরিভাষা: 'অনিদ্রা'।
• 'Invigilator' শব্দের বাংলা পরিভাষা - 'পরিরক্ষক'।

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা

২১.
মাহিন, সাইমা ও রাকিবকে ৪ : ৯ : ৭ অনুপাতে কিছু টাকা ভাগ করে দেওয়া হলো। যদি মাহিন ও রাকিব মোট ৭৯২ টাকা পায়, তাহলে সাইমা কত টাকা পাবে?
  1. ৫৮০ টাকা
  2. ৭৪০ টাকা
  3. ৫৭৬ টাকা
  4. ৬৪৮ টাকা
সঠিক উত্তর:
৬৪৮ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪৮ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: মাহিন, সাইমা ও রাকিবকে ৪ : ৯ : ৭ অনুপাতে কিছু টাকা ভাগ করে দেওয়া হলো। যদি মাহিন ও রাকিব মোট ৭৯২ টাকা পায়, তাহলে সাইমা কত টাকা পাবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মাহিন : সাইমা : রাকিব = ৪ : ৯ : ৭
মাহিন ও রাকিব মোট পায় = ৭৯২ টাকা।

ধরি,
অনুপাতের সাধারণ অংশ = ক
মাহিন পায় = ৪ক,
সাইমা পায় = ৯ক,
রাকিব পায় = ৭ক

প্রশ্নমতে,
⇒ ৪ক + ৭ক = ৭৯২
⇒ ১১ক = ৭৯২
⇒ ক = ৭৯২/১১
∴ ক = ৭২

∴ সাইমা পায় = ৯ক = ৯ × ৭২ = ৬৪৮ টাকা

২২.
একটি সঠিক ঘড়িতে সকাল ৯ টা দেখাচ্ছে। যখন ঘড়িটির ঘণ্টার কাঁটা ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে তখন ঘড়িতে কয়টা বাজবে?
  1. দুপুর ২ টা ৩০ মিনিট
  2. দুপুর ৩ টা
  3. দুপুর ৩ টা ২৫ মিনিট
  4. দুপুর ৪ টা
সঠিক উত্তর:
দুপুর ৩ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুপুর ৩ টা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সঠিক ঘড়িতে সকাল ৯ টা দেখাচ্ছে। যখন ঘড়িটির ঘণ্টার কাঁটা ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে তখন ঘড়িতে কয়টা বাজবে?

সমাধান: 
ঘড়িতে ঘণ্টার কাঁটা, 
১২ ঘণ্টায় ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে।
সুতরাং, ১ ঘণ্টায় ঘুরে = ৩৬০/১২
=৩০ ডিগ্রি

এখন, 
ঘড়িটির কাঁটা ৩০ ডিগ্রি ঘুরে  ১ ঘন্টায়
১৮০ ডিগ্রি ঘুরে=  ১৮০/৩০
= ৬ ঘণ্টায়

তাহলে, নির্ণেয় সময়  সকাল ৯ টা + ৬ ঘণ্টা = দুপুর ৩ টা

২৩.
যদি EXAM দিয়ে DWZLএবং COPY দিয়ে BNOX,বোঝায়, তাহলে PAGE দিয়ে নিচের কোনটি বোঝাবে?
  1. OZFE
  2. PZFD
  3. OAFD
  4. OZFD
সঠিক উত্তর:
OZFD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OZFD
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি EXAM দিয়ে DWZLএবং COPY দিয়ে BNOX,বোঝায়, তাহলে PAGE দিয়ে নিচের কোনটি বোঝাবে?

সমাধান:

প্রতিটি অক্ষর এক ধাপ পিছনে সরানো হয়েছে।
EXAM → DWZL
COPY → BNOX
PAGE → OZFD

২৪.
কোন স্কুলের একটি শেণিকক্ষে ছাত্র ও ছাত্রীদের অনুপাত ১৩ : ১৯। যদি শ্রেণিকক্ষে ১ জন শিক্ষক এবং ৩১ জন মূল্যায়নকারীসহ মোট ২২৪ জন লোক থাকে, তবে শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীর সংখ্যা কতজন?
  1. ১১২ জন
  2. ১১৪ জন
  3. ১১৮ জন
  4. ১২৪ জন
সঠিক উত্তর:
১১৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪ জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন স্কুলের একটি শেণিকক্ষে ছাত্র ও ছাত্রীদের অনুপাত ১৩ : ১৯। যদি শ্রেণিকক্ষে ১ জন শিক্ষক এবং ৩১ জন মূল্যায়নকারীসহ মোট ২২৪ জন লোক থাকে, তবে শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীর সংখ্যা কতজন?

সমাধান:
ছাত্র-ছাত্রীর অনুপাতের যোগফল = ১৩ + ১৯ = ৩২

শেণিকক্ষে মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা = ২২৪ - (১ + ৩১) জন
= ১৯২ জন 

∴ শেণিকক্ষে ছাত্রীর সংখ্যা = ১৯২ × (১৯/৩২) জন
= ১১৪ জন

২৫.
দুইটি ধনাত্মক সংখ্যার পার্থক্য ৪। সংখ্যাদ্বয়ের ল.সা.গু ও গ.সা.গু এর গুণফল ৪৫ হলে, বড় সংখ্যাটি কত?



  1. ১৫
সঠিক উত্তর:

উত্তর
সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি ধনাত্মক সংখ্যার পার্থক্য ৪। সংখ্যাদ্বয়ের ল.সা.গু ও গ.সা.গু এর গুণফল ৪৫ হলে, বড় সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যা দুইটি যথাক্রমে ক ও (ক + ৪)

প্রশ্নমতে,
দুইটি সংখ্যার গুণফল = এদের ল. সা .গু × গ. সা .গু
⇒ ক(ক + ৪) = ৪৫
⇒ ক + ৪ক - ৪৫ = ০
⇒ ক + ৯ক - ৫ক - ৪৫ = 0
⇒ ক(ক + ৯) - ৫ ( ক + ৯) = 0
⇒ (ক + ৯)(ক - ৫) = ০
⇒ ক = - ৯ , ৫ [- ৯ গ্রহনযোগ্য নয়]

সুতরাং, ছোট সংখ্যাটি = ৫
বড় সংখ্যাটি = (৫ + ৪) = ৯

২৬.
 হলে, x = কত?
  1. 5
  2. 3
  3. 4
  4. 2
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:    হলে, x = কত?

সমাধান: 

২৭.
যদি 2 × nP4 = nP5 হয়, তাহলে n = কত?
  1. 2
  2. 4
  3. 6
  4. 8
সঠিক উত্তর:
6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 2 × nP4 = nP5 হয়, তাহলে n = কত?

সমাধান: 
2 × nP4 = nP5
⇒ 2 × n!/(n - 4)! = n!/(n - 5)!
⇒ 2 × n!/(n - 4)(n - 5)! = n!/(n - 5)!
⇒ 2/(n - 4)  = 1
⇒ n - 4 = 2
∴ n = 6

২৮.
যদি sinθ = √2 - cosθ হয়, তবে θ এর মান কত? যেখানে, 0 < θ < π/2.
  1. π/2
  2. π/4
  3. π/3

সঠিক উত্তর:
π/4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
π/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি sinθ = √2 - cosθ হয়, তবে θ এর মান কত? যেখানে, 0 < θ < π/2.

সমাধান:
sinθ = √2 - cosθ
⇒ sinθ = √2 - cosθ
⇒ sin2θ = (√2 - cosθ)2
⇒ 1 - cos2θ = (√2)2 - 2.√2.cosθ + cos2θ
⇒ 1 - cos2θ = 2 - 2√2cosθ + cos2θ
⇒ 2cos2θ - 2√2cosθ + 1 = 0
⇒ (√2cosθ - 1)2 = 0
⇒ √2cosθ - 1 = 0
⇒ √2cosθ = 1
⇒ cosθ = 1/√2
⇒ cosθ = cos45°
⇒ cosθ = cos(π/4)
∴ θ = π/4

২৯.
একটি সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের পার্থক্য ১৫° হলে, কোণদ্বয়ের মধ্যে বড় কোণটির মান কত?
  1. ৭৫°
  2. ৫২.৫°
  3. ৩৫.৫°
  4. ৪৫.৫°
সঠিক উত্তর:
৫২.৫°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২.৫°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের পার্থক্য ১৫° হলে, কোণদ্বয়ের মধ্যে বড় কোণটির মান কত? 

সমাধান:
যেহেতু ত্রিভুজটি সমকোণী। অপর দুটি কোণের সমষ্টি ৯০°

অপর দুটি কোণের ক্ষুদ্রতম কোণ = ক
বৃহত্তম কোণ = ক + ১৫° 

প্রশ্নমতে,
ক + ক + ১৫° = ৯০°
⇒ ২ক = ৭৫°
ক = ৩৭.৫°

∴ বৃহত্তম কোণটির মান = ৩৭.৫° + ১৫°
= ৫২.৫°

৩০.
m বাস্তব সংখ্যা এবং 5m - 2 > - 12  হলে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. m ∈ (2, ∞)
  2. m ∈ (2, - 2)
  3. m ∈ (- 2, ∞)
  4. m ∈ (- 3, ∞)
সঠিক উত্তর:
m ∈ (- 2, ∞)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
m ∈ (- 2, ∞)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: m বাস্তব সংখ্যা এবং 5m - 2 > - 12  হলে নিচের কোনটি সঠিক?

সমাধান:
5m - 2 > - 12
⇒ 5m > - 12 + 2
⇒ 5m > - 10
⇒ m > - (10/5)
∴ m > - 2

∴ সঠিক উত্তর: m ∈ (- 2, ∞)

৩১.

  1. 1
  2. 2
  3. √2
  4. 4
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a2 + 1 - √5a = 0
⇒ a2 + 1 = √5a
⇒ (a2 + 1)/a = √5a/a
⇒ (a2/a) - (1/a) = √5
∴ a + (1/a) = √5

আমরা জানি,
{a - (1/a)}2 = {a + (1/a)}2 - 4 · a · (1/a)
= (√5)2 - 4
= 5 - 4
= 1

৩২.
 
উপরের চিত্রে ∠PSR একটি ____
  1. সম্পূরক কোণ
  2. সূক্ষ্মকোণ
  3. প্রবৃদ্ধ কোণ
  4. পূরক কোণ
সঠিক উত্তর:
প্রবৃদ্ধ কোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবৃদ্ধ কোণ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 
উপরের চিত্রে ∠PSR একটি ____

সমাধান:
প্রবৃদ্ধ কোণ: দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলা হয়।
চিত্রে চিহ্নিত ∠PSR প্রবৃদ্ধ কোণ।

অন্যান্য অপশন: 
সম্পূরক কোণ:
 দুইটি কোণের পরিমাপের যোগফল দুই সমকোণ হলে কোণ দুইটি পরস্পর সম্পূরক কোণ।

সূক্ষ্মকোণ: এক সমকোণ থেকে ছোট কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলা হয়। 

পূরক কোণ: দুইটি কোণের পরিমাপের যোগফল এক সমকোণ হলে কোণ দুইটির একটি অপরটির পূরক কোণ।

৩৩.
একটি রম্বসের একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য ১২ সে.মি. এবং এর ক্ষেত্রফল ৬৬ বর্গ সে.মি. হলে, রম্বসটির অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য কত? 
  1. ১০ সে.মি.
  2. ১১ সে.মি.
  3. ১২ সে.মি.
  4. ১৩ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
১১ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি রম্বসের একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য ১২ সে.মি. এবং এর ক্ষেত্রফল ৬৬ বর্গ সে.মি. হলে, রম্বসটির অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য কত? 

সমাধান:
ধরি,
অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক সে.মি.

আমরা জানি,
∴ রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
বা, ৬৬ = (১/২) × ক × ১২
বা, ৬ক = ৬৬
∴ ক = ১১

∴ অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য = ১১ সে.মি.

৩৪.
2m2 - 2m - 24 এর একটি উৎপাদক নিচের কোনটি?
  1. (m + 3)
  2. (m + 5)
  3. (m + 1)
  4. (m - 5)
সঠিক উত্তর:
(m + 3)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(m + 3)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 2m2 - 2m - 24 এর একটি উৎপাদক নিচের কোনটি?

সমাধান:
2m2 - 2m - 24
= 2(m2 - m - 12)
= 2(m2 - 4m + 3m - 12)
= 2{m(m - 4) + 3(m - 4)}
= 2(m - 4)(m + 3)

৩৫.
৫ বছরে একটি নির্দিষ্ট হার সরল মুনাফায় ৫০০০ টাকা মুনাফা-আসলে ৮২৫০ টাকা হয়। যদি মুনাফার হার আরো ২% বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে নতুন মুনাফার হার কত হবে?
  1. ১৭%
  2. ১২%
  3. ১৩%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
১৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫ বছরে একটি নির্দিষ্ট হার সরল মুনাফায় ৫০০০ টাকা মুনাফা-আসলে ৮২৫০ টাকা হয়। যদি মুনাফার হার আরো ২% বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে নতুন মুনাফার হার কত হবে?

সমাধান:
আসল, P = ৫০০০ টাকা
মুনাফা-আসল = ৮২৫০ টাকা
মুনাফা, I = (৮২৫০ - ৫০০০) টাকা
= ৩২৫০ টাকা
সময়, n = ৫ বছর

আমরা জানি
I = Pnr
বা, r = I/Pn
বা, r = (৩২৫০ × ১০০)/(৫০০০ × ৫)
∴ r = ১৩%

∴ মুনাফার হার ২% বৃদ্ধিতে, নতুন মুনাফার হার = (১৩ + ২)% = ১৫%

৩৬.
7 + 12 + 17 + ...... ধারাটির প্রথম 16 টি পদের সমষ্টি কত?
  1. 799
  2. 707
  3. 712
  4. 717
সঠিক উত্তর:
712
উত্তর
সঠিক উত্তর:
712
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 7 + 12 + 17 + ...... ধারাটির প্রথম 16 টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
ধারাটির ১ম পদ, a = 7,
সাধারণ অন্তর, d = 12 - 7 = 5
এখানে পদ সংখ্যা, n = 16

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার প্রথম n সংখ্যক পদের সমষ্টি, Sn = (n/2) × {2a + (n - 1)d}
∴ 16 টি পদের সমষ্টি S16 = (16/2) × {2 × 7 + (16 - 1)5}
= 8 × (14 + 15 × 5)
= 712

৩৭.
যদি P = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 9} এবং Q = {x ∈ N : 2 < x ≤ 8} হয়, তবে P ∪ Q এর মান কত?
  1. {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}
  2. {1, 3, 4, 7, 8, 9}
  3. {1, 3, 5, 7, 9}
  4. {1, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}
সঠিক উত্তর:
{1, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{1, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি P = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 9} এবং Q = {x ∈ N : 2 < x ≤ 8} হয়, তবে P ∪ Q এর মান কত?

সমাধান:
P = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 9}
= {1, 3, 5, 7, 9}

Q = {x ∈ N : 2 < x ≤ 8}
= {3, 4, 5, 6, 7, 8}

সুতরাং, P ∪ Q = {1, 3, 5, 7, 9} ∪ {3, 4, 5, 6, 7, 8} 
= {1, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}

৩৮.
শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে জামাকাপড় পরিষ্কার করার সময় শক্তির কোন রূপান্তরটি ঘটে? 
  1. আলোক শক্তি → শব্দ শক্তি 
  2. তড়িৎ শক্তি → আলোক শক্তি 
  3. রাসায়নিক শক্তি → তাপ শক্তি 
  4. শব্দ শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি 
সঠিক উত্তর:
শব্দ শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি 
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর: 
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে। 
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে। 
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। 
- এক রূপের শক্তিকে রূপান্তর করে যখন অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়।
- এখানে কতিপয় শক্তির রূপান্তর বণনা করা হলো- 
১। যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর: 
- হাতে হাত ঘষলে তাপ উৎপন্ন হয়, এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- পানি যখন ভূপৃষ্ট হতে উপরে কোন পাত্রে থাকে তখন তাতে বিভব শক্তি সঞ্চিত থাকে, নিচে প্রবাহিত হবার সময় বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

২। বিদ্যুৎ শক্তির রূপান্তর: 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, হিটার ইত্যাদিতে তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- বৈদ্যুতিক বাল্বে বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- টেলিফোন ও রেডিওর গ্রাহক যন্ত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- সঞ্চয়ক কোষে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

৩। তাপ শক্তির রূপান্তর: 
- স্টীম ইঞ্জিনে তাপের সাহায্যে স্টীম উৎপন্ন করে রেলগাড়ি ইত্যাদি চালানো হয়, এখানে তাপ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- তড়িৎ প্রবাহের কারণে বাল্বের ফিলামেন্টের মধ্য দিয়ে বাল্বে তাপ শক্তি এবং আলোক শক্তি সৃষ্টি হয়। 

৪। আলোক শক্তির রূপান্তর: 
- হারিকেনের চিমনিতে হাত দিলে গরম অনুভূত হয়, এখানে আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হচ্ছে। 
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলোক সম্পাত করলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে আলোকচিত্র তৈরি করা হয়, এখানে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

৫। রাসায়নিক শক্তির রূপান্তর: 
- খাদ্য এবং জ্বালানি যেমন তেল, গ্যাস, কয়লা ও কাঠ হচ্ছে রাসায়নিক শক্তির আধার। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্যের শক্তি দেহে মুক্ত হয় এবং অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার সময় দরকারি কাজ করা যায়। 
- বিদ্যুৎ কোষ বা ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- বিদ্যুৎ শক্তি আবার বাতির ফিলামেন্টে আলোক শক্তি ও তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

৬। শব্দ শক্তির রূপান্তর: 
- কারখানার জীবাণু ধ্বংস করা কিংবা ময়লা জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, এক্ষেত্রে শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

৭। চৌম্বক শক্তির রূপান্তর: 
- একটি লোহার টুকরোকে দ্রুত ও বারবার চুম্বকন ও বিচুম্বকন করলে তাপ উৎপন্ন হয়, এক্ষেত্রে চৌম্বক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

৮। নিউক্লিয় শক্তির রূপান্তর: 
- নিউক্লিয় সাবমেরিনে নিউক্লিয় শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা হয়। 
- নিউক্লিয় বোমার ধ্বংস লীলা নিউক্লীয় শক্তির রূপান্তর ভিন্ন আর কিছুই নয়। 
- নিউক্লিয় চুল্লীতে নিউক্লীয় শক্তি অন্যান্য শক্তি বিশেষ করে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর হলে শক্তির চাহিদা অনেকাংশেই পূরণ করে থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
নিচের কোন পরমাণুতে নিউট্রন অনুপস্থিত? 
  1. হিলিয়াম 
  2. অক্সিজেন 
  3. হাইড্রোজেন 
  4. নাইট্রোজেন 
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন 
ব্যাখ্যা

পরমাণুর মূল কণিকা: 
- ঊনিশ শতকের শেষ দশকে পরমাণু অবিভাজ্য এ ধারণাটির বিলুপ্তি ঘটে এবং পরমাণু কতগুলো অতিসূক্ষ্ম কণিকার সমষ্টি বলে প্রমাণিত হয়। এসব অতিসূক্ষ্ম কণিকাকে আর বিভাজন করা যায় না এবং এরা মূল উপাদান হিসেবে সব পরমাণুতেই থাকে। এদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মূল কণিকা কয়েক ধরনের।
যেমন- 
স্থায়ী মূল কণিকা: 
- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- শুধুমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণুতে শুধু ১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি প্রোটন আছে, এতে কোনো নিউট্রন নেই। 

অস্থায়ী মূল কণিকা: 
- কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। 
- নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা। 

কম্পোজিট কণিকা: 
- স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। 
- আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০.
মাইটোকন্ড্রিয়ায় কোন ধরনের জৈবিক শক্তি সঞ্চিত থাকে? 
  1. ATP
  2. ADP
  3. GTP
  4. NADPH
সঠিক উত্তর:
ATP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ATP
ব্যাখ্যা

মাইটোকন্ড্রিয়া: 
- মাইটোকন্ড্রিয়া হলো প্রকৃত জীবকোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু।
- কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ থাকে, তাই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তি ঘর বলা হয়। 
- এতে ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ইত্যাদি সংঘটিত হয়। 
- কলিকার ১৮৫০ সালে সাইটোপ্লাজমে এসব অঙ্গাণু আবিষ্কার করেন। 
- অল্টম্যান ১৮৯৪ সালে মাইটোকন্ড্রিয়ার উপস্থিতি আবিষ্কার করেন। 
- বেন্ডা ১৮৯৮ সালে মাইটোকন্ড্রিয়ার নামকরণ করেন। 
- বিভাজনের মাধ্যমে এদের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে। কোষে একটিমাত্র মাইটোকন্ড্রিয়া থাকলে তা কোষ বিভাজনের সাথেই বিভাজিত হয়। 

মাইটোকন্ড্রিয়ার কাজ: 
১। কোষের যাবতীয় জৈবিক কাজের জন্য শক্তি উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ করে। 
২। শ্বসনের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনজাইম ও কোএনজাইম ধারণ করে। 
৩। শ্বসন এর বিভিন্ন পর্যায় যেমন- ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন পরিবহন, অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন ইত্যাদি এখানে সম্পন্ন হয়। 
৪। কিছু পরিমাণ DNA ও RNA উৎপন্ন করে। 
৫। ADP কে ATP তে রূপান্তর করার মাধ্যমে ATP তে শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে সহায়তা করে। 
৬। স্নেহ বিপাকে অংশ গ্রহণ করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১.
নিচের কোন প্রাণীকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়? 
  1. নিটাম 
  2. প্লাটিপাস 
  3. হাতি 
  4. শিয়াল 
সঠিক উত্তর:
প্লাটিপাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাটিপাস 
ব্যাখ্যা

জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- কতগুলো জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনোরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছে, অথচ তাদের সমগোত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটেছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। 
- লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। 
- অন্যদিকে ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলোবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। 
- প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগের লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আর্থ্রোপোডাগুলো বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪২.
টিটেনাস রোগের ভ্যাকসিন কোন পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়? 
  1. মৃত জীবাণু 
  2. জীবন্ত দুর্বল জীবাণু 
  3. নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক জীবাণু 
  4. রিকমবিনেন্ট ডিএনএ 
সঠিক উত্তর:
নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক জীবাণু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক জীবাণু 
ব্যাখ্যা

টিকা: 
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিদ্রুত সাসপেনশন। 
- টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে।

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা (Attenuated live vaccine): 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
যেমন- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা (killed vaccine): 
- এধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা (Toxoid vaccine): 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
যেমন- ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্ত (Surface chemical molecule): 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
যেমন- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা (DNA vaccine): 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 



উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩.
শর্করা পরিপাককারী এনজাইম কোন রসে থাকে না? 
  1. আন্ত্রিক রসে 
  2. অগ্ন্যাশয় রসে 
  3. লালা রসে 
  4. পাকস্থলি রসে 
সঠিক উত্তর:
পাকস্থলি রসে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকস্থলি রসে 
ব্যাখ্যা

খাদ্য পরিপাকে বিভিন্ন তন্ত্রের গ্রন্থির ভূমিকা: 
- মানুষের মুখবিবরে কেবলমাত্র শর্করার পরিপাক ঘটে। 
- মুখবিবরে লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারস খাদ্য পরিপাকের রাসায়নিক কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করে। 
- মূলত তিন ধরনের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারসের সাথে খাদ্যবস্তু মিশ্রিত হয়। 
- লালারসে মিউসিন এবং দু'প্রকারের পরিপাকীয় এনজাইম যথা- টায়ালিন ও মলটেজ থাকে। 
- যে সকল এনজাইম পরিপাকে অংশ নেয় সেগুলো হচ্ছে- 
১. লালা রসে: টায়ালিন ও মলটেজ। 
২. পাকস্থলি রসে: শর্করা পরিপাককারী কোন এনজাইম নেই। 
৩. অগ্ন্যাশয় রসে: অ্যামাইলেজ ও মলটেজ। 
৪. আন্ত্রিক রসে: অ্যামাইলেজ, মলটেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, আইসোমলটেজ। 

মিউসিন: 
- মিউসিন খাদ্য বস্তুর সাথে মিশ্রিত হয়ে খাদ্য বস্তুকে নরম ও পিচ্ছিল করে। 

টায়ালিন: 
- টায়ালিন এনজাইম প্রধানত সিদ্ধ বা রন্ধণকৃত স্টার্চ, গ্লাইকোজেন ও ডেক্সট্রিন অণুকে হাইড্রোলাইসিস করে ক্ষুদ্রতর ডেক্সট্রিন, মলটোজ ও আইসোমলটোজে পরিণত করে। 

মলটেজ: 
- ক্লোরিনের উপস্থিতিতে মলটেজ এনজাইম সামান্য পরিমাণ মলটোজের উপর ক্রিয়া করে গ্লুকোজে পরিণত করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪.
নিচের কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. Random Access Memory (RAM)
  2. Hard Disk Drive (HDD)
  3. Solid State Drive (SSD)
  4. Compact Disc (CD)
সঠিক উত্তর:
Random Access Memory (RAM)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Random Access Memory (RAM)
ব্যাখ্যা

• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস হলো সেই স্টোরেজ যা কম্পিউটার সরাসরি প্রসেসরের সাথে যোগাযোগ করে তথ্য সংরক্ষণ এবং পড়ার কাজ করে। এটি সাধারণত অস্থায়ী (volatile) মেমোরি হিসেবে কাজ করে, অর্থাৎ পাওয়ার বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Random Access Memory (RAM) হলো প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস। RAM ব্যবহার করে CPU দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে এবং কম্পিউটার সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলো কার্যকরভাবে চালাতে পারে। অন্যদিকে, Hard Disk Drive (HDD), Solid State Drive (SSD), এবং Compact Disc (CD) হলো সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা দীর্ঘমেয়াদি ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সরাসরি প্রসেসরের সাথে যোগাযোগ করে না। তাই RAM প্রধান প্রাইমারি স্টোরেজ।
 
• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়।
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস। 
যেমন- র‍্যাম।

• প্রাইমারি স্টোরেজের বৈশিষ্ট্য:
-  এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
-  অ্যাকসেস সময় কম।
-  ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
-  ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
-  বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫.
কন্ট্রোল ইউনিট সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. এটি CPU ক্লক গতি বাড়ায়
  2. এটি স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করে যেমন ROM
  3. এটি যোগ এবং বিয়োগের মতো গণনা সম্পন্ন করে
  4. এটি প্রসেসরের কার্যক্রম নির্দেশ করে
সঠিক উত্তর:
এটি প্রসেসরের কার্যক্রম নির্দেশ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি প্রসেসরের কার্যক্রম নির্দেশ করে
ব্যাখ্যা

• কন্ট্রোল ইউনিট প্রসেসরের কার্যক্রম নির্দেশ করে। কন্ট্রোল ইউনিট (CU) প্রসেসরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা CPU-এর অন্যান্য উপাদান যেমন অরিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU) এবং রেজিস্টারকে কীভাবে কাজ করতে হবে তা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি মেমরি থেকে নির্দেশনা পড়ে, ডিকোড করে এবং ALU বা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসকে নির্দেশ দেয় কোন অপারেশন করতে হবে। কন্ট্রোল ইউনিট নিজে গণনা বা ডেটা সংরক্ষণ করে না; বরং এটি CPU-এর কার্যক্রম সঠিকভাবে সমন্বয় করে, যাতে প্রোগ্রাম ঠিকভাবে কার্যকর হয়। এটি মূলত CPU-এর “নিয়ন্ত্রক কেন্দ্র” হিসেবে কাজ করে।
 

• কম্পিউটার সংগঠন:
- কম্পিউটার  সংগঠন বলতে মূলত হার্ডওয়্যার এর সংগঠনকেই বোঝায়। 

• কম্পিউটার সংগঠনের ৫ টি অংশ রয়েছে। যথা-
- ইনপুট ইউনিট,
- কন্ট্রোল ইউনিট,
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- মেমোরি ইউনিট,
- আউটপুট ইউনিট। 

• কন্ট্রোল ইউনিট:
- একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের যে অংশ কম্পিউটারের কার্যাবলীর নির্দেশনা দেয় তাকে Control Unit বা নিয়ন্ত্রণ অংশ বলা হয়।

• কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি হতে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit)। 
- কন্ট্রোল ইউনিট মেমোরি থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং ALU কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করে, যা ডেটার উপর গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ করে থাকে।
- এরপর, ALU ফলাফল মেমরিতে সংরক্ষণ করে। 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমোরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬.
কোনটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার নয়?
  1. ব্যাকআপ সফটওয়্যার
  2. ফাইল কম্প্রেশন টুল
  3. ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  4. অ্যান্টিভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো সেই ধরনের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমের কার্যকারিতা বাড়ায়, ডেটা নিরাপদ রাখে বা হারানো তথ্য পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে। ব্যাকআপ সফটওয়্যার, ফাইল কম্প্রেশন টুল এবং অ্যান্টিভাইরাস সরাসরি সিস্টেম মেইনটেন্যান্স, নিরাপত্তা ও ডেটা ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে। অন্যদিকে, ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত ইউটিলিটি সফটওয়্যার নয়, বরং একটি প্রোগ্রামিং এবং তথ্য পরিচালনার সফটওয়্যার। সুতরাং, অপশনগুলোর মধ্যে ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমই ইউটিলিটি সফটওয়্যার নয়।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ:
- Antivirus Software – Protects against viruses and malware (e.g., Norton Antivirus, McAfee, Avast).
- File Management Tools – Helps organize, manage, and search files (e.g., Windows File Explorer, Total Commander).
- Disk Cleanup and Defragmentation Tools – Frees up space and improves performance (e.g., Windows Disk Cleanup, Defraggler).
- Backup Software – Creates copies of data for recovery (e.g., Acronis True Image, Google Drive Backup).

- Compression Tools – Reduces file sizes for storage and transfer (e.g., WinRAR, 7-Zip).
- Firewall Software – Monitors and controls network traffic for security (e.g., Windows Defender Firewall, ZoneAlarm).
- System Monitoring Tools – Tracks system performance and resources (e.g., Task Manager, CPU-Z).
- Driver Update Tools – Ensures hardware drivers are up to date (e.g., Driver Booster, Snappy Driver Installer).

- Registry Cleaners – Optimizes and repairs the Windows registry (e.g., CCleaner, Wise Registry Cleaner).
- Clipboard Managers – Enhances clipboard functionality (e.g., Ditto, ClipMate).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭.
বুট সেক্টর ভাইরাসের প্রধান ঝুঁকি কী?
  1. অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা
  2. ইন্টারনেটের গতি কমানো
  3. ব্রাউজারের কুকিজ চুরি করা
  4. মজার বার্তা দেখানো
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা
ব্যাখ্যা

• বুট সেক্টর ভাইরাসের প্রধান ঝুঁকি হলো অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা। এটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কের বুট সেক্টরকে আক্রান্ত করে এবং কম্পিউটার চালু করার সময় নিজের কোডকে কার্যকর করে। ফলে সিস্টেম ঠিকমত শুরু হতে পারে না বা পুরোপুরি অচল হয়ে যেতে পারে। এই ধরনের ভাইরাস সাধারণত স্টোরেজ ডিভাইসে সরাসরি লুকিয়ে থাকে এবং ব্যবহারকারী সচেতন না থাকলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অন্য বিকল্প যেমন ইন্টারনেটের গতি কমানো, ব্রাউজারের কুকিজ চুরি বা মজার বার্তা দেখানো বুট সেক্টর ভাইরাসের মূল উদ্দেশ্য নয়। মূল বিপদ হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করা।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
 -প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- সিআইএইচ
- ভিয়েনা ইত্যাদি।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা

৪৮.
একটি কম্পিউটার প্রসেসরের “GHz” মান নির্দেশ করে:
  1. শক্তি খরচ
  2. হার্ড ডিস্কের ক্ষমতা
  3. মেমরির পরিমাণ
  4. সিপিইউ স্পিড
সঠিক উত্তর:
সিপিইউ স্পিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপিইউ স্পিড
ব্যাখ্যা

• একটি কম্পিউটার প্রসেসরের “GHz” মান মূলত তার গতি বা পারফরম্যান্স নির্দেশ করে। GHz মানে “গিগাহার্জ,” যা প্রতি সেকেন্ডে প্রসেসর কত কোটি (১০) চক্র সম্পন্ন করতে পারে তা নির্দেশ করে। এটি সরাসরি প্রসেসরের স্পিডের সাথে সম্পর্কিত, অর্থাৎ একটি উচ্চ GHz মানের প্রসেসর একই সময়ে বেশি কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। GHz মান শক্তি খরচ, হার্ড ডিস্কের ক্ষমতা বা মেমরির পরিমাণ নির্দেশ করে না; এগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন হার্ডওয়্যার বৈশিষ্ট্য। তাই “GHz” মূলত সিপিইউ স্পিড বা প্রসেসরের কর্মক্ষমতার সূচক, যা ব্যবহারকারীর জন্য দ্রুত এবং কার্যকর কম্পিউটার অভিজ্ঞতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

সঠিক উত্তর: ঘ) সিপিইউ স্পিড।

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯.
মেমরি অ্যাড্রেসিং-এ হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা প্রাধান্য পায় কারণ:
  1. এগুলো মেমরির আকার কমায়
  2. এগুলো CPU-এর গতি বাড়ায়
  3. এগুলো বাইনারি অ্যাড্রেসের আরও সংক্ষিপ্ত রূপ দেয়
  4. গুলো প্রোগ্রামে লিখতে দশমিকের চেয়ে সহজ
সঠিক উত্তর:
এগুলো বাইনারি অ্যাড্রেসের আরও সংক্ষিপ্ত রূপ দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগুলো বাইনারি অ্যাড্রেসের আরও সংক্ষিপ্ত রূপ দেয়
ব্যাখ্যা

• মেমরি অ্যাড্রেসিং-এ হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা প্রাধান্য পায় কারণ এগুলো বাইনারি অ্যাড্রেসের আরও সংক্ষিপ্ত রূপ দেয়। কম্পিউটার মেমরির প্রতিটি অবস্থানকে বাইনারি সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়, যা দীর্ঘ হলে পড়া এবং বোঝা কঠিন হয়ে যায়। হেক্সাডেসিমাল (১৬ ভিত্তিক) সংখ্যা ব্যবহার করলে প্রতি চারটি বাইনারি বিটকে একটি হেক্সাডেসিমাল ডিজিট দ্বারা প্রকাশ করা যায়। এর ফলে বড় বড় বাইনারি অ্যাড্রেসগুলো সংক্ষিপ্তভাবে লেখা যায় এবং মানুষের জন্য বোঝা সহজ হয়। এটি প্রোগ্রামিং এবং ডিবাগিং-এ সুবিধা দেয়, কারণ মেমরি লোকেশন দ্রুত চিনতে এবং লিখতে সাহায্য করে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা মেমরি অ্যাড্রেসিং-এ কার্যকর।

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০.
ডাটাবেসে ইনডেক্সিং-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. স্টোরেজ স্পেস কমানো
  2. কুয়েরি রিটার্ভাল দ্রুত করা
  3. ডেটা নকল হওয়া প্রতিরোধ করা
  4. ডেটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি রিটার্ভাল দ্রুত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি রিটার্ভাল দ্রুত করা
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেসে ইনডেক্সিং-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কুয়েরি রিটার্ভালকে দ্রুত করা। যখন কোনো টেবিল বড় হয় এবং এতে লাখ লাখ রেকর্ড থাকে, তখন নির্দিষ্ট ডেটা খুঁজে পাওয়া সময়সাপেক্ষ হতে পারে। ইনডেক্স একটি বিশেষ ডেটা স্ট্রাকচার, যা ডাটার অবস্থানকে সূচক হিসেবে সংরক্ষণ করে, ফলে সার্চ অপারেশন অনেক দ্রুত হয়। এটি ঠিক কিতাবের সূচকের মতো কাজ করে, যেখানে পুরো বই পড়ার বদলে সরাসরি প্রয়োজনীয় পাতায় যাওয়া যায়। ইনডেক্সিং স্টোরেজ স্পেস কমায় না, ডেটা নকল প্রতিরোধ করে না এবং ডেটার অখণ্ডতা সরাসরি নিশ্চিত করে না; বরং এটি প্রধানত ডেটা রিটার্ভালের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়।

• ডাটাবেসে ইনডেক্সিং (Indexing):
- ডাটাবেসে ইনডেক্সিং এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো - "কুয়েরি রিটার্ভাল দ্রুত করা"।  
- ইনডেক্স একটি বিশেষ ডেটা স্ট্রাকচার যা সার্চ করার সময় দ্রুত ফলাফল প্রদান করে।  
- এটি ডেটাকে একটি সংগঠিত উপায়ে সংরক্ষণ করে, ফলে নির্দিষ্ট ডেটা খুব কম সময়ে খুঁজে পাওয়া যায়।  
- স্টোরেজ স্পেস কিছুটা বাড়লেও, ডেটা অনুসন্ধানের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।  
- ডেটা নকল হওয়া প্রতিরোধ করা বা ডেটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করা ইনডেক্সের উদ্দেশ্য নয়।  
- সাধারণত B-Tree, Hashing ইত্যাদি টেকনিক ব্যবহার করে ইনডেক্স তৈরি করা হয়।  

সূত্র:
১) কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) geeksforgeeks [link]

৫১.
Ctrl + Z কী কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. নতুন উইন্ডো খোলা
  2. ফাইল সংরক্ষণ করা
  3. শেষ কাজটি পুনরায় করা
  4. শেষ কাজটি বাতিল করা
সঠিক উত্তর:
শেষ কাজটি বাতিল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেষ কাজটি বাতিল করা
ব্যাখ্যা

• Ctrl + Z একটি কম্পিউটার শর্টকাট যা মূলত “Undo” বা শেষ করা কাজটি বাতিল করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যবহার করলে ব্যবহারকারী যে কাজটি সর্বশেষ সম্পন্ন করেছেন, যেমন লেখা মুছে ফেলা, ফাইল এডিট করা বা কোন অপশন পরিবর্তন করা, তা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি কোনো ডকুমেন্টে ভুলে কিছু লেখা মুছে ফেলেন, Ctrl + Z চাপলে সেই লেখা পুনরায় আসবে। এটি কাজের নিরাপত্তা এবং সময় সাশ্রয়ে অত্যন্ত সহায়ক। এই শর্টকাটটি নতুন উইন্ডো খোলা, ফাইল সংরক্ষণ বা শেষ কাজ পুনরায় করার জন্য নয়; এটি বিশেষভাবে শেষ কাজটি বাতিল করার জন্যই ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: ঘ) শেষ কাজটি বাতিল করা।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
Ctrl + O Open a document.
Ctrl + N Create a new document.
Ctrl + S Save the document.
Ctrl + W Close the document.
Ctrl + C Copy the selected content to the Clipboard.

Ctrl + V Paste the contents of the Clipboard.
Ctrl + B Apply bold formatting to text.
Ctrl + I Apply italic formatting to text.
Ctrl + U Apply underline formatting to text.
Ctrl + Left bracket (1) Decrease the font size by 1 point.
Ctrl + Right bracket (1) - Increase the font size by 1 point.

Ctrl + E Center the text.
Ctrl + L Align the text to the left.
Ctrl + R Align the text to the right.
Esc - Cancel a command.
Ctrl + Z Undo the previous action.
Ctrl + Y Redo the previous action, if possible.
Alt + W Adjust the zoom magnification.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৫২.
VPN কোন তথ্যটি লুকাতে সক্ষম?
  1. ডিভাইসের RAM
  2. আইপি ঠিকানা
  3. CPU ব্যবহার
  4. কীবোর্ড ইনপুট
সঠিক উত্তর:
আইপি ঠিকানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইপি ঠিকানা
ব্যাখ্যা

• VPN (Virtual Private Network) মূলত ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট ট্রাফিককে এনক্রিপ্ট করে এবং তা একটি নিরাপদ সার্ভারের মধ্য দিয়ে পাঠায়। এর ফলে বাইরের কেউ বা হ্যাকার ব্যবহারকারীর আইপি ঠিকানা সরাসরি দেখতে পারে না, ফলে ব্যবহারকারীর অবস্থান বা পরিচয় গোপন থাকে। VPN ডিভাইসের RAM, CPU ব্যবহার বা কীবোর্ড ইনপুট লুকাতে সক্ষম নয়; এই তথ্যগুলো ডিভাইসের অভ্যন্তরে থাকে এবং সিস্টেম বা ম্যালওয়্যার দ্বারা এক্সেস করা যায়। সুতরাং VPN মূলত ইন্টারনেট আইডেন্টিটি ও ব্রাউজিং তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করে, কিন্তু ডিভাইসের অভ্যন্তরীণ ডেটা বা টাইপ করা তথ্যকে সুরক্ষা দেয় না।

সঠিক উত্তর: খ) আইপি ঠিকানা।
 
• VPN:
- VPN-এর পূর্ণরূপ: Virtual Private Network.
- পাবলিক নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটে যেহেতু পৃথিবীর সবাই সংযুক্ত তাই এখানে তথ্যের গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার একটা ঝুঁকি থাকে।
- যেহেতু ইন্টারনেট ব্যবহার করে সরাসরি তথ্য আদান প্রদানের ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার একটা ঝুঁকি থাকে, তাই ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হওয়ার নিরাপদ পদ্ধতি হলো VPN।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহারকারী এবং প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার জন্য ইন্টারনেটে একটি কাল্পনিক সুড়ঙ্গ তৈরি হয়।
- VPN সংযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসটির আসল আইপি (Internet Protocol) ঠিকানা গোপন করে এবং ইন্টারনেট ট্রাফিক এবং ডাটা একটি ব্যক্তিগত এবং সুরক্ষিতভাবে এনক্রিপ্ট করা টানেলের মাধ্যমে সর্বজনীন নেটওয়ার্কগুলির মাধ্যমে রাউটিং করে।
- VPN অতি দ্রুত সময়ে জনপ্রিয় হওয়ার কারণ হচ্ছে এ নেটওয়ার্ক আপনার ব্যক্তিগত পরিচয়, অবস্থান বা ডাটা না দিয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজ করার একটি উপায় তৈরি করে।
- VPN টানেলের ভেতরে যখন ডাটা এনক্রিপ্ট করা হয় তখন আইএসপি, অনুসন্ধান ইঞ্জিন, বিপণনকারী, হ্যাকার এবং অন্যরা ওয়েবে আপনার ক্রিয়াকলাপ দেখতে বা ট্র্যাক করতে পারে না ।

উৎস: টেলিকমিনিকেশন এবং নেটওয়ার্ক, এমবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৩.
নেটওয়ার্কে গেটওয়ের প্রধান কাজ কী?
  1. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. বার্তা এনক্রিপ্ট করা
  3. দুইটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
  4. ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড পরিচালনা করা
সঠিক উত্তর:
দুইটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্কে গেটওয়ের প্রধান কাজ হলো দুইটি ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করা। যখন দুটি আলাদা নেটওয়ার্ক একে অপরের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করতে চায়, তখন গেটওয়ে একটি মধ্যস্থ হিসেবে কাজ করে। এটি প্রোটোকল অনুবাদ, প্যাকেট ফরওয়ার্ডিং এবং রাউটিং-এর মাধ্যমে ডেটা এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে পৌঁছায়। গেটওয়ে শুধুমাত্র স্থানীয় নেটওয়ার্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্যের প্রবাহ সহজ ও সঠিকভাবে পরিচালনা করে। তাই গেটওয়ের মূল ভূমিকা ডেটা সংরক্ষণ, এনক্রিপশন বা ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড পরিচালনার সাথে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযোগে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তর: গ) দুইটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা।

• গেটওয়ে: 
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়। 
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়। 
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

অন্যদিকে, 
• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪.
কোন প্রযুক্তি IoT ডিভাইসগুলোকে সমস্ত ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর পরিবর্তে স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াকরণ করতে সাহায্য করে?
  1. Edge computing
  2. Blockchain
  3. 5G network
  4. Cloud storage
সঠিক উত্তর:
Edge computing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Edge computing
ব্যাখ্যা

• IoT ডিভাইসগুলো সাধারণত বড় পরিমাণে ডেটা উৎপন্ন করে, যা সরাসরি ক্লাউডে পাঠালে ব্যান্ডউইথ সমস্যা ও সময় বিলম্ব ঘটতে পারে। এই সমস্যা কমাতে Edge Computing প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। এটি IoT ডিভাইসের কাছাকাছি বা স্থানীয় সার্ভারে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম, ফলে ডেটার রিয়েল-টাইম বিশ্লেষণ সম্ভব হয় এবং লেটেন্সি কমে। এছাড়া, ডেটা স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াকরণের কারণে নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে Blockchain ডেটার নিরাপত্তা বাড়ায়, 5G দ্রুত সংযোগ দেয় এবং Cloud Storage ডেটা সংরক্ষণে সাহায্য করে, কিন্তু এগুলো স্থানীয় প্রক্রিয়াকরণ সরাসরি করে না। সুতরাং সঠিক উত্তর ক) Edge computing.

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু বা ডিভাইস ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে এবং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের মাধ্যমে মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই কাজ সম্পাদন করা। এর ফলে, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং সিস্টেম আরও স্মার্ট এবং দক্ষ হয়ে ওঠে।
- উদাহরণস্বরূপ, একটি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, অথবা একটি স্মার্ট লাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্বলে ও নিভে যেতে পারে।
- IoT ডিভাইসগুলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, যা ব্যবহারকারীকে যেকোনো স্থান থেকে তাদের যন্ত্রপাতি পরিচালনা করার সুবিধা দেয়।
- এই প্রযুক্তিতে সেন্সরের মাধ্যমে ডেটা সংগ্রহ করে AI বা মেশিন লার্নিং দিয়ে বিশ্লেষণ করা যায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও সহজ হয়।

• Edge computing:
- Edge computing-এর মূল লক্ষ্য হলো ডেটা উৎস (যেমন সেন্সর, IoT ডিভাইস, স্মার্টফোন) এর কাছাকাছি কম্পিউটিং প্রসেসিং করা। এতে করে ডেটা ক্লাউড বা সেন্ট্রাল সার্ভারে পাঠানোর পূর্বেই প্রাথমিক প্রসেসিং সম্পন্ন করা যায়। এর ফলে:
- Latency কমে: ডেটা দ্রুত প্রসেস হওয়ায় রিয়েল-টাইম রেসপন্স সম্ভব হয়।
- Bandwidth খরচ কমে: সব ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর দরকার হয় না, ফলে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কম ব্যবহার হয়।
- Security বাড়ে: লোকালি ডেটা প্রসেসিং-এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় ঝুঁকি কমে।
- Cloud storage খরচ কমলেও, এটা প্রাথমিক উদ্দেশ্য নয়, বরং একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

উৎস:
1) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
2) IBM [link]

৫৫.
অ্যাপলের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কোনটি পরিচিত?
  1. অ্যালেক্সা
  2. গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট
  3. কর্টানা
  4. সিরি
সঠিক উত্তর:
সিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরি
ব্যাখ্যা

• অ্যাপলের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট হলো সিরি। সিরি ২০১১ সালে প্রথম আইফোন 4S-এর মাধ্যমে চালু হয় এবং এরপর থেকে আইফোন, আইপ্যাড, ম্যাকবুক, অ্যাপল ওয়াচ ও হোমপডসহ প্রায় সব অ্যাপল ডিভাইসে ব্যবহার করা যায়। এটি ব্যবহারকারীর ভয়েস কমান্ড বুঝে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করে, যেমন—ফোন কল করা, মেসেজ পাঠানো, অ্যালার্ম সেট করা, আবহাওয়া জানা বা ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং-এর মাধ্যমে সিরি ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সঠিক উত্তর দেয়। তাই অ্যাপলের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে সিরিই সর্বাধিক পরিচিত এবং এটি অন্যান্য ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট থেকে আলাদা করে অ্যাপলের নিজস্ব ইকোসিস্টেমে কাজ করে।
 

• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- স্লোগান: Think Different.
- সদর দপ্তর: কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৫৬.
ব্রুট ফোর্স আক্রমণ বলতে কী বোঝায়?
  1. পাসওয়ার্ড ভাঙার জন্য সব ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করা
  2. মানুষকে ফাঁদে ফেলার আক্রমণ (সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং)
  3. সফটওয়্যারের বাগ ব্যবহার করে আক্রমণ
  4. ফিশিং ইমেল পাঠিয়ে আক্রমণ করা
সঠিক উত্তর:
পাসওয়ার্ড ভাঙার জন্য সব ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাসওয়ার্ড ভাঙার জন্য সব ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করা
ব্যাখ্যা

• ব্রুট ফোর্স আক্রমণ হলো একটি ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার পাসওয়ার্ড বা সিকিউরিটি কী ভাঙার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের কম্বিনেশন পরীক্ষা করে। এটি স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম বা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে করা হয়, যা ধাপে ধাপে সমস্ত সম্ভাব্য অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্ন মিলিয়ে সঠিক পাসওয়ার্ড বের করার চেষ্টা করে। যদিও এটি সময়সাপেক্ষ, তবে শক্তিশালী বা দুর্বল পাসওয়ার্ডের উপর নির্ভর করে সফল হতে পারে। ব্রুট ফোর্স আক্রমণ সরাসরি কম্পিউটার বা অ্যাকাউন্টে লক্ষ্য করে এবং এটি সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সফটওয়্যার বাগ বা ফিশিং-এর মতো অন্যান্য পদ্ধতির সাথে আলাদা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) পাসওয়ার্ড ভাঙার জন্য সব ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করা।

সাইবার অপরাধ: 
- যেসব অপরাধ অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে হয়ে থাকে সেগুলোকে সাইবার অপরাধ বলে।
- সাইবার অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট অবশ্যই ব্যবহৃত হয় আবার কথনো কখনো ডিভাইস বা নেটওয়ার্ক নিজেই সাইবার আক্রমণের শিকার হয়।
- সাইবার অপরাধীরা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে ফেলতে পারে। তাই সাইবার অপরাধ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক ঝুঁকি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কে জানা সকলের জন্য অতীব জরুরি। 
- ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। 

- নিচে কিছু সাইবার অপরাধ উল্লেখ করা হলো- 
১। হ্যাকিং (Hacking): 
- সাধারণত অনুমতি ব্যতীত কোনো ওয়েবসাইট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে তা ব্যবহার করা অথবা তার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে হ্যাকিং বলে। 
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (hcaker) বলে। হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ দুইই হতে পারে। 
- কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের সিস্টেমের সিকিউরিটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হ্যাকার নিয়োগ করেন, এই নিয়োগ প্রাপ্ত হ্যাকারদের কাজকে বৈধ হ্যাকিং বলে। এরা সিস্টেম সিকিউরিটি চেক করে; তবে সিস্টেমের কোন ক্ষতি করে না। যেমন-UNIX সিস্টেম চেক করার জন্য অনেক বৈধ হ্যাকার রয়েছে, এদেরকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার বলা হয়। 
- আবার অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (craker) বলে। অবৈধ হ্যাকার বা ক্রেকাররা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডেটা চুরি অথবা নষ্ট করে দেয়। ফলে সহজেই ক্ষতি সাধন করতে পারে। এদেরকে ব্লাক হ্যাট হ্যাকার বলে। 
- হ্যাকিং অপরাধের প্রবণতা দিনদিন বেড়েই চলেছে, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সাইবার অপরাধ সংঘটিত হয়। 
- হ্যাকাররা অন্যের ই-মেইল দেখতে পারে, ওয়েব সার্ভারে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারে অথবা নেটওয়ার্কে ফাইল চুরি করতে পারে। 

২। ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack): 
- ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধীরা মানুষের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট যেমন- ব্যাংক, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইমেইল অ্যাকাউন্ট, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইসেও অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এবং ঐ গুলো নিয়ে একের পর এক অনুমান নির্ভর চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে তারা সফলও হয় এবং সফল হলে তারা ঐ ব্যক্তির বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে। ঐ চুরি করা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে থাকে। এটি এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যা অবশ্যই একটি গুরুতর সাইবার অপরাধ। এই ধরনের সাইবার হামলা ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack) নামে পরিচিত। পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কি-গুলোর বিভিন্ন সংমিশ্রণ নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে চেষ্টা করে। এটি ট্রায়াল এবং এরর (trial and error) এর উপর নির্ভর করে স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জামাদি ব্যবহার করে সঠিকভাবে প্রতিটি বিকল্প খুঁজে সফল না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে চেষ্টা চালিয়ে যায়। 
অর্থাৎ, এই ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক সাইবার আক্রমণে অনুমানভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড চুরি করা হয়। 

৩। ডেটা ইন্টারসেপশন (Data Interception): 
- ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের সময় প্রাপক এবং প্রেরকের মধ্যবর্তী কেউ তা আড়ি পেতে চুরি করতে পারে, এই চুরি হবার প্রক্রিয়াটি ডেটা ইন্টারসেপশন নামে পরিচিত। 
- সাধারণত সফটওয়্যার বা অ্যাপস-এ এন্ড টু এন্ড ডেটা এনক্রিপশন করা থাকলে, মধ্যবর্তী কারও পক্ষে তথ্য (ম্যাসেজ, ছবি, ভিডিয়ো, ভয়েস কল রেকর্ড, ডকুমেন্ট ইত্যাদি) চুরি করা অসম্ভব হয়ে যায়। 
- এনক্রিপশন (Encryption) হলো মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে এনকোড করার এমন একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যা অনুমোদনহীন কেউ পড়তে বা বুঝতে পারে না। এর ফলে অনুমোদনহীনদের কাছে মেসেজ, ডেটা বা তথ্য দুর্বোধ্য হয়ে থাকে।
- নেটওয়ার্কের পাবলিক পথ দ্বারা যে সকল গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরিত হয় তাদেরকে সাধারণত বিশেষ কোডের মাধ্যমে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, অর্থাৎ ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা বা সিকিউরিটির জন্য ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। 

৪। ডি ডস আক্রমণ (DDoS-Distributed Denial of Service): 
-  ডিজিটাল জগতে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অফ সার্ভিস বা ডি ডস আক্রমণ হলো একই সময়ে একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট টার্গেটে আক্রমণ করা। 
- DDoS আক্রমণে একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইস কোনো ওয়েবসাইট বা অনলাইন সেবাকে প্রচুর পরিমাণে ট্র্যাফিকের সাথে প্লাবিত করতে ব্যবহৃত হয়, যার ফলে এটি ধীরগতির হয়ে যায় বা ক্রাশ (crash) হয়ে যায়। 
- এর উদ্দেশ্য হলো সিস্টেমটিকে মোহাবিষ্ট করা যাতে প্রকৃত ব্যবহারকারীরা এটি অ্যাক্সেস বা ব্যবহার করতে না পারে। 

৫। সাইবার বুলিং (Cyber bullying): 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক কোনো কিছু করতে বাধ্য করাকে সাইবার বুলিং বা সাইবার সন্ত্রাস বলা হয়। 
- কাউকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা, হুমকি প্রদান করা, আতঙ্ক সৃষ্টি করা, অনুমতি ব্যতীত কারো ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা, সামাজিক মাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয় সম্পর্কে ভুল তথ্য প্রকাশ করা বা গুজব ছড়ানো, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ ছড়ানো এসব কিছুই সাইবার সন্ত্রাসের অন্তর্ভুক্ত। 
- সাইবার সন্ত্রাসের জন্য মোবাইল, কম্পিউটার, ট্যাবলেট ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ওয়েবসাইট, ম্যাসেজ, ই-মেইল ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৭.
‘সামাজিক মূল্যবোধ হলো সেইসব রীতি-নীতির সমষ্টি যা ব্যক্তি সমাজের কাছ থেকে আশা করে এবং সমাজ ব্যক্তির কাছ থেকে লাভ করে।’—উক্তিটি কার?
  1. এম. ডব্লিউ. পামফ্রে
  2. ফ্রাঙ্কেল
  3. এফ আই গ্লাউড
  4. স্টুয়ার্ট সি ডড
সঠিক উত্তর:
স্টুয়ার্ট সি ডড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টুয়ার্ট সি ডড
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Value.
- যেসকল চিন্তা ভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, সংকল্প ও আদর্শ মানুষের সামগ্রিক আচার-আচরণ ও কর্মকান্ডকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত করে, তাদের সমষ্টিকেই মূল্যবোধ বলে।
- মূল্যবোধ দ্বারা ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, নৈতিকতা- অনৈতিকতা,সততা, সৌজন্যবোধ, শিষ্টাচার, সহনশীলতা, সহমর্মিতা ইত্যাদি মূল্যায়িত হয়।
- আমাদের চিরন্তন মূল্যবোধ হলো সত্য ও ন্যায়।
- সার্থকতা, শঠতা, অসহিষ্ণুতা ইত্যাদি হলো চিরন্তন মূল্যবোধের পরিপন্থী।

​• স্টুয়ার্ড সি. ডড বলেন, “সামাজিক মূল্যবোধ হলো সেইসব রীতি-নীতির সমষ্টি যা ব্যক্তি সমাজের কাছ থেকে আশা করে এবং সমাজ ব্যক্তির কাছ থেকে লাভ করে

• এম. ডব্লিউ. পামফ্রে-এর মতে, “মূল্যবোধ হচ্ছে ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ।”

• সমাজবিজ্ঞানী এইচ এম জনসন (H.M. Johnson) এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ হল একটি মানদন্ড”।

​• ক্লাইড ব্লুখোন বলেন “সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব প্রকাশ্য ও অনুমেয় আচার-আচরণের ধারা যা ব্যক্তি ও সমাজের মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে স্বীকৃত”।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

৫৮.
পৃথিবী কোন দিক থেকে কোন দিকে আবর্তন করে?
  1. পশ্চিম থেকে পূর্ব
  2. পূর্ব থেকে পশ্চিম
  3. উত্তর থেকে দক্ষিণ
  4. দক্ষিণ থেকে উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর আবর্তন:
- পৃথিবী নিজ অক্ষের চারদিকে দিনে একবার নির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে। 
​- পৃথিবীর এই আবর্তন গতিই দৈনিক গতি বা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত। 
​- নিজ অক্ষের চারদিকে আবর্তন করতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ এক দিন। এটিকে সৌর দিন বলে।

⇒ পৃথিবীর আহ্নিক গতি একেক জায়গায় একেক রকম হয়।
- পৃথিবীপৃষ্ঠ পুরোপুরি গোল না হওয়ায় এর পৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়।
- সে কারণে পৃথিবীপৃষ্ঠের সব স্থানের আবর্তন বেগও সমান নয়।
- নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি।
- এ জন্য নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগও সবচেয়ে বেশি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
কোন মহাসাগরকে “Ring of Fire” দ্বারা পরিবেষ্টিত বলা হয়?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. উত্তর মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

প্রশান্ত মহাসাগর:
- পৃথিবীর মহাসাগরগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ প্রশান্ত মহাসাগর। 
​- এটি পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশের অধিক স্থান জুড়ে বিস্তৃত। 
- এর আয়তন ১৬,৮৭,২৩,০০০ বর্গকিলোমিটার।
​ - গড় গভীরতা ৪,২৭০ মিটার এবং সর্বাধিক গভীরতা ১০,৭৯০ মিটার। 
- অবস্থান: আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যবর্তী।

⇒ প্রশান্ত মহাসাগর দেখতে অনেকটা অসম ত্রিভুজের মতো। 
​- এ মহাসাগর দক্ষিণ দিকে প্রশস্ত এবং উত্তর দিকে ক্রমেই সংকীর্ণ, তবে নিরক্ষরেখা বরাবর সবচেয়ে বেশি প্রশস্ত যা প্রায় ১৬ কিলোমিটার। 
​- প্রশান্ত মহাসাগরকে উত্তর মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে বেরিং প্রণালি। 
​-  প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ: নাউরু; পালাউ; কিরিবাতি; মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ; ফিজি; ভানুয়াতু, পাপুয়া নিউগিনি, টোঙ্গা; টুভ্যালু ও সামোয়া।
- প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাত (Mariana Trench) পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা গভীর খাত। 

​উল্লেখ্য,
​- "Ring of Fire" হলো প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে থাকা একটি ভূ-তাত্ত্বিক অঞ্চল, যেখানে অসংখ্য আগ্নেয়গিরি এবং ভূমিকম্প-প্রবণ এলাকা অবস্থিত। এটি প্রশান্ত মহাসাগরের চারপাশে একটি ঘোড়ার নালের আকৃতির বেল্ট হিসেবে বিস্তৃত, যা পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূল এবং আলাস্কা পর্যন্ত বিস্তৃত।

​উৎস: i) Britannica.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে ওজোন গ্যাসের পরিমাণ বেশি? 
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. ​স্ট্রাটোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. তাপমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
​স্ট্রাটোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
​স্ট্রাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

বায়ুমন্ডলের ​স্ট্রাটোমণ্ডল স্তরে ওজোন গ্যাসের পরিমাণ বেশি।

​স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere):
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল।
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমণ্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমণ্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।

⇒ স্ট্রাটোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of the Stratosphere):
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
- এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা ৪° সেলিসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় ৷
- এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক।
- ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে ।
- প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা পুনরায় হ্রাস পেতে শুরু করে। এটি স্ট্রাটোমণ্ডলের শেষ প্রান্ত নির্ধারণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬১.
জাতিসংঘ তথ্যমতে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে বাংলাদেশের কত শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে?
  1. ১০%
  2. ১৩%
  3. ১৭%
  4. ২০%
সঠিক উত্তর:
১৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭%
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে তাতে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
- আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
- ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর তথ্য অনুসারে ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে।
- ফলে এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
- উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- যা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে অনুভূত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬২.
‘Sendai Framework for Disaster Risk Reduction’ কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

Sendai Framework for Disaster Risk Reduction:
- ১৪ মার্চ - ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-৩০ গৃহীত হয়।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

সাতটি লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাথে সরাসরি দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে গুরুতর অবকাঠামোর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধাগুলির মধ্যে মৌলিক পরিষেবাগুলির ব্যাঘাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কৌশলসহ দেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য তাদের জাতীয় কর্মের পরিপূরক করার জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বহু-বিপদ প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ঝুঁকির তথ্য এবং মূল্যায়নের প্রাপ্যতা এবং অ্যাক্সেস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।

উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট।

৬৩.
‘গর্জনশীল চল্লিশ’-এর অবস্থান কোনটি?
  1. ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ
  2. ৪০° থেকে ৫০° দক্ষিণ অক্ষাংশ
  3. ৪০° থেকে ৪৭° উত্তর অক্ষাংশ
  4. ৪০° থেকে ৫০° উত্তর অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা

গর্জনশীল চল্লিশ:
- দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি।
- তাই এখানে পশ্চিমা বায়ু প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়।
- ৪০° - ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত অঞ্চলে পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি থাকে।
​- এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring forties) বলে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৪.
'হাইল হাওর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. নেত্রকোনা
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

হাইল হাওর:
​- 'হাইল হাওর' মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত।

⇒ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত ‘হাইল হাওর’।
- এই বিশাল জলাধারে রয়েছে ১৪টি বিল এবং পানি নিষ্কাশনের ১৩টি নালা।
- মোট আয়তন ১০ হাজার হেক্টর।
- প্রচুর লতা ও গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ থাকায় স্থানীয়দের কাছে এটি লতাপাতার হাওর নামেও পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬৫.
নিম্নের কোনটি আগ্নেয় পর্বত?
  1. জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট
  2. ফিলিপাইনের পিনাটুবো
  3. যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী
  4. দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইনের পিনাটুবো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইনের পিনাটুবো
ব্যাখ্যা

পর্বত (Mountains):
- সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটার-এর অধিক উঁচু, সুবিস্তৃত, খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- অপর দিকে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০ থেকে ১,০০০ মিটার উঁচু, স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপকে পাহাড় বলে।
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত চার প্রকার। যথা:
(ক) ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountains),
(খ) আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains),
( গ) চ্যুতি-স্তূপ পর্বত (Fault-block Mountains) এবং,
(ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত (Dome/Laccolith Mountains)।

⇒ আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- আগ্নেয় পর্বত আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয়। একে সঞ্চয়জাত পর্বতও বলে। এই পর্বত সাধারণত মোচাকৃতির (Conical) হয়ে থাকে। 
​- আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ হলো- ইতালির ভিসুভিয়াস, কেনিয়ার কিলিমানজারো, জাপানের ফুজিয়ামা এবং ফিলিপাইনের পিনাটুবো পর্বত

​অন্যদিকে,
​- জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট: চ্যুতি-স্তূপ পর্বত।
​- যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী: ল্যাকোলিথ পর্বত।
​- দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ:  ভঙ্গিল পর্বত। 

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬.
২০২৫ সালের হারিকেন এরিন কোন মহাসাগরে সক্রিয় ছিল?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আর্কটিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা

হারিকেন:
- সাধারণত আটলান্টিক ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়গুলোকে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে হারিকেন আঘাত করে।
- এটি প্রতি ঘন্টায় ১১৯ কিলোমিটার (৭৪ মাইল প্রতি ঘন্টা) বেগে প্রবাহিত হয়।
- একটি হ্যারিকেন থেকে ভারী বৃষ্টি এবং বন্যা হতে পারে।
- সাফির -সিম্পসন হারিকেন উইন্ড স্কেল হল ১ থেকে ৫ রেটিং বা বিভাগ, হারিকেনের সর্বাধিক স্থায়ী বাতাসের উপর ভিত্তি করে।
- ক্যাটাগরি যত বেশি, হারিকেনের সম্পত্তির ক্ষতির সম্ভাবনা তত বেশি।

উল্লেখ্য,
- আটলান্টিক মহাসাগরে সাম্প্রতিক সময়ে দ্রুততম শক্তি অর্জনকারী ঝড়গুলোর একটি হারিকেন এরিন। 
​- ২০২৫ সালের আগস্টে এই ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
​- এটি খুব দ্রুত শক্তি অর্জন করে ক্যাটাগরি ৫ স্তরে পৌঁছেছিল।
​- এটি আটলান্টিকের ইতিহাসে অন্যতম দ্রুত শক্তি অর্জনকারী ঝড়ে পরিণত হয়। 
​- ঝড়ের প্রভাবে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে এবং যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) NOAA ওয়েবসাইট।