পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১২৫ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১২৭
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১২৭ প্রশ্ন

.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'জরুরী-অবস্থা ঘোষণা' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪১
  2. অনুচ্ছেদ ১৪২
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৪
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১৪১ - বার্ষিক রিপোর্ট।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) - জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(খ) - জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(গ) - জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪২ - সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৩ - প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৪ - সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫ - চুক্তি ও দলিল।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) - আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৬ - বাংলাদেশের নামে মামলা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৭ - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৮ - পদের শপথ।
- অনুচ্ছেদ ১৪৯ - প্রচলিত আইনের হেফাজত।
- অনুচ্ছেদ ১৫০ - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বাংলাদেশ বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী
  2. বাংলাদেশ পারমাণবিক কৃষি ইনস্টিটিউট
  3. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোন শাসক 'গ্রহণ-পরিমোক্ষ নীতি' চালু করেন?
  1. সমুদ্রগুপ্ত
  2. অশোক
  3. কনিষ্ক
  4. চন্দ্রগুপ্ত প্রথম
ব্যাখ্যা
⇒ সমুদ্রগুপ্ত 'গ্রহণ-পরিমোক্ষ নীতি' চালু করেন।

• গ্রহণ-পরিমোক্ষ নীতি:
- গ্রহণ-পরিমোক্ষ নীতির অর্থ হলো- প্রথমে গ্রহণ অর্থাৎ শত্রুকে শক্তির জোরে বন্দি করা এবং তাঁর বশ্যতা আদায়ের পর মোক্ষ দান বা মুক্তি দেয়া। পরাজিত রাজা রাজ্য ফিরে পেতেন কিন্তু সার্বভৌমত্ব পেতেন না।

সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত সম্ভাব্য ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে তাঁর মৃত্যু হয়।
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে রাজ্য বিজেতারূপে যে সকল সম্রাট খ্যাতি লাভ করেছেন, সমুদ্রগুপ্ত তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গাঙ্গেয় উপত্যকার স্থানীয় একটি রাজ্যকে তিনি সর্বভারতীয় এক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
- প্রাচীন ভারতের তৃতীয় সাম্রাজ্যবাদী পুরুষ হিসাবে সমুদ্রগুপ্ত বিখ্যাত।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজ্যজয় সম্পর্কে হরিষেণ রচিত এলাহাবাদ প্রশস্তিতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
- এলাহাবাদ প্রশস্তিলিপি সমুদ্রগুপ্তের ইতিহাসের প্রধান উৎস।
- আর্যাবর্তের সকল রাজাকে পরাজিত করে তিনি 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য ছিল প্রভুত্ব ও স্বায়ত্ত্বশাসনের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- দিগ্বিজয় সম্পন্ন করে তিনি 'অশ্বমেধযজ্ঞ' অনুষ্ঠান করেন এবং এই যজ্ঞের স্মৃতিরক্ষায় স্বর্ণমুদ্রা প্রচলন করেন।
- তিনি ছিলেন প্রচন্ড সাম্রাজ্যবাদী।
- ড. স্মিথ সম্ভবত এ কারণেই সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন।
- ভারতের জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, আসমুদ্রহিমাচল বিস্তৃত ভারতভূমিকে এক শাসনে আবদ্ধ করাই ছিল সমুদ্রগুপ্তের লক্ষ।
- কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতের রাজনীতিতে যে শক্তিশূন্যতা দেখা দেয় গুপ্ত সাম্রাজ্য তা দূর করে।
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন সাধুব্যক্তিদের আশাস্বরূপ, আর অসাধুদের জন্য প্রলয়। হরিষেণ সমুদ্রগুপ্তকে মানুষের আকৃতিতে দেবতা তুল্য 'অচিন্ত্যপুরুষ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫১
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৬৪
  4. ব্রি ধান ৭১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
.
সর্বশেষ মুঘল সম্রাট ছিলেন কে?
  1. শাহ আলম
  2. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর
  3. আওরঙ্গজেব
  4. শাহজাহান
ব্যাখ্যা
মুঘল সাম্রাজ্যের পতন:
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মুঘল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে রুপান্তরিত করে।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।
- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল শাসনের পতনে প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মুঘল বংশের পতনের যুগ বলা হয়।
- সামগ্রিকভাবে মুঘল সাম্রাজ্য পতনের জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বহিঃআক্রমন প্রভৃতি বিষয়কে দায়ী করা হয়।
- পারস্য সম্রাট নাদির শাহ এবং পরবর্তীকালে আফগান রাজা আহমদ শাহ আবদালীর দিল্লি আক্রমণ ও লুণ্ঠনে মুঘল সাম্রাজ্য দুর্দশায় ও পতনুম্মুখ হয়ে পড়ে।
- এমনি মুমূর্ষ অবস্থায় ইংরেজ শক্তির ক্ষমতা দখল করার ফলে মুঘল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি ঘটে।
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন।
- দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ঐতিহাসিক বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন জেলায় সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম?
  1. পিরোজপুর
  2. ফরিদপুর
  3. রংপুর
  4. জামালপুর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. এবি ব্যাংক পিএলসি
  2. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  3. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  4. ডাচ বাংলা ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
.
উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত কোনটি?
  1. গৌরব
  2. চমক
  3. অনুপম
  4. মোহর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১০.
কোন ফরাসি মন্ত্রীর পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতীয় উপমহাদেশে 'ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠিত হয়?
  1. লুই-তেরো
  2. শুল ম্যাজারিন
  3. কোলবার্ট
  4. কার্ডিনাল রিশেলিউ
ব্যাখ্যা
ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- উপমহাদেশে ফরাসিদের আগমন সবার শেষে।
- ১৬৬৪ খ্রিস্টাব্দে ফরাসি মন্ত্রী কোলবার্টের পৃষ্ঠপোষকতায় 'ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠিত হয় এবং ভারতবর্ষে বাণিজ্য শুরু করে।
- প্রথমে তারা মুম্বাইয়ের সুরাটে ও পরে পন্ডিচেরীতে কুঠি স্থাপন করে।
- অল্পদিনের মধ্যেই তারা বাংলার চন্দননগরে আরও একটি কুঠি স্থাপন করে। এছাড়া কারিকল, মসলিপট্টম, কাশিমবাজার এবং বালেশ্বরেও তাদের কুঠি ছিল।
- ফরাসিরা উপমহাদেশে প্রায় একশ বছর বাণিজ্য করে।
- ইংরেজগণ ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ফরাসিদের চন্দননগর এবং ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পন্ডিচেরী কুঠি দখল করে নেয়।
- স্বদেশে ইংরেজ ও ফরাসিদের মধ্যে বিবাদের জের হিসেবে এখানেও বিবাদ চলতে থাকে। কিন্তু ইংরেজগণ উন্নততর সামরিক শক্তি ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে উপমহাদেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে নেয়।
- পরপর তিনটি কর্ণাটক যুদ্ধে ফরাসিরা পরাজিত হলে ফরাসিদের সাম্রাজ্য ও বাণিজ্য বিস্তার সফল হয়নি।
- এর ফলস্বরূপ ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে উপমহাদেশ থেকে বিদায় নিতে হয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. চীনে
  2. ভারতে
  3. নেপালে
  4. জাপানে
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১২.
পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র গৃহীত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র বিল:
- পাকিস্তান সৃষ্টির দীর্ঘ ৯ বছর পর শাসনতন্ত্র বিশেষজ্ঞগণ এ শাসনতন্ত্রটি প্রণয়ন করেছিলেন।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চে পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- ১৯৫৬ সালের ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- মোট ১০৫ পৃষ্ঠার এ শাসনতন্ত্রে একটি প্রস্তাবনা, ১৩টি অংশ, ২৩৪টি বিধিএবং ৬টি তালিকা সন্নিবেশিত ছিল।
- এ শাসনতন্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ছাড়াও প্রাদেশিক শাসন ব্যবস্থার উল্লেখ ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী 'মারাং বুরু' দেবতার উপাসনা করে?
  1. গারো
  2. ত্রিপুরা
  3. সাঁওতাল
  4. মারমা
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪.
৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে ইকরামুল হাসান শাকিল মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন কবে?
  1. ১৭ মে, ২০২৫
  2. ১৮ মে, ২০২৫
  3. ১৯ মে, ২০২৫
  4. ২০ মে, ২০২৫
ব্যাখ্যা
ইকরামুল হাসান শাকিল:
- সম্প্রতি ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন ১৯ মে, ২০২৫ সালে।
- সবচেয়ে কম সময়ে এভারেস্ট চূড়া জয় করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন 'সি টু সামিট', অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এভারেস্ট জয়ী বাংলাদেশি:
- এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন। (জুন, ২০২৫)
- তাঁরা হলেন:
১ম: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
২য়: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
৩য়: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
৪র্থ: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
৫ম: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
৬ষ্ঠ: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে। (সর্বশেষ, জুন, ২০২৫)

উল্লেখ্য:
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
১৫.
নিম্নের কোন সংস্থা ত্রাণবাহী জাহাজ ‘ম্যাডলিন’ পরিচালনা করেছে?
  1. রেড ক্রিসেন্ট
  2. ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম
  3. অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
  4. ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন
ব্যাখ্যা
ত্রাণবাহী জাহাজ ‘ম্যাডলিন’:
- আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (Freedom Flotilla Coalition) ত্রাণবাহী জাহাজ ‘ম্যাডলিন’ পরিচালনা করেছে।
- গাজার প্রথম ও একমাত্র নারী মৎস্যশিকারির নামানুসারে ‘ম্যাডলিন’ জাহাজটির নামকরণ করা হয়েছে।

⇒ আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি) সম্প্রতি গাজায় ত্রাণ পৌঁছানের একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- এটি হচ্ছে তৃণমূল পর্যায়ের একটি আন্তর্জাতিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য হচ্ছে অহিংস পন্থা ও সংহতি প্রকাশের মাধ্যমে গাজায় ইসরাইলের অমানবিক অবরোধের অবসান ঘটানো।
- ২০১০ সালে মূল ফ্রিডম ফ্লোটিলার ওপর ইসরাইলি আক্রমণের পর এ সংস্থার জন্ম।
- এরপর থেকে এ আন্দোলনের কর্মীরা বিশ্বব্যাপী ইসরাইলের অমানবিক অবরোধের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছেন। 
- এর নেতৃত্বে রয়েছেন সুইডেনের জলবায়ু-বিষয়ক মানবাধিকার আইনজীবী গ্রেটা থুনবার্গ ও ফ্রান্সের ইউরোপীয় ইউনিয়ন পার্লামেন্ট সদস্য রিমা হাসান।
- ইতালির কাতালান থেকে যুক্তরাজ্যের পতাকাবাহী জাহাজ মাদলিন সুইডেন, ফ্রান্স, স্পেন, ব্রাজিল ও তুরস্কের কয়েকজন অ্যাক্টিভিস্ট ও আল জাজিরার একজন সাংবাদিকসহ মোট ১২ জন সাহসী নারী-পুরুষ বেশ কিছু পরিমাণসামগ্রী শিশুখাদ্য, ওষুধ ও অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী নিয়ে গাজার কাছাকাছি পৌঁছালে ইসরাইলি সেনারা তাতে বাধা দেয়। আন্তর্জাতিক নৌসীমানার ১০০ নটিক্যাল মাইল দূরত্বে থাকা সত্ত্বেও তারা জোরপূর্বক জাহাজটি কব্জা করে এবং এর মানবাধিকারকর্মীদের অপহরণ ও আটক করে ইসরাইলে নিয়ে যায়।

⇒ ২ মার্চ, ২০২৫ থেকে গাজায় ত্রাণ প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় ইসরায়েল। এমন অবস্থায় অনাহারে ভুগে বেশ কয়েকটি শিশু মারা যায়।
- ত্রাণ প্রবেশে বাধা দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ‘ম্যাডলিন’ নামের এ জাহাজ ১ জুন ইতালির সিসিলির কাতানিয়া শহর থেকে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: i) CSIS ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৬.
যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে? [জুন, ২০২৫]
  1. ফ্রেডরিখ মার্জ
  2. কিয়ের স্টারমার
  3. মার্ক কার্নি
  4. ওলাফ শলৎজ
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্য:
- ‘ইউনাইটেড কিংডম অব গ্রেট ব্রিটেন অ্যান্ড নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড’’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ যুক্তরাজ্য বা ইউকে।
- এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।
- এই রাষ্ট্রটি গঠিত হয়েছে চারটি পৃথক দেশের সমন্বয়ে: ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড।
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কিয়ের স্টারমার (লেবার পার্টি)।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।
- যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (হাউস অফ কমন্স ও হাউস অফ লর্ডস)।

অন্যদিকে,
- কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।
- জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর কনজারভেটিভ নেতা ফ্রেডরিখ মার্জ।

উৎস: Britannica.
১৭.
কোন পদার্থের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য মিনামাটা কনভেনশন গৃহীত হয়েছে?
  1. সীসা (Lead)
  2. পারদ (Mercury)
  3. ক্যাডমিয়াম (Cadmium)
  4. আর্সেনিক (Arsenic)
ব্যাখ্যা
মিনামাটা কনভেনশন (Minamata Convention on Mercury):
- পারদের ব্যবহার ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণের জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তি মিনামাটা কনভেনশন।
- চুক্তিটি মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশকে পারদের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে।
- এই চুক্তির নামকরণ করা হয়েছে জাপানের মিনামাটা শহরের নামে, যেখানে ২০শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে পারদ-দূষিত শিল্প বর্জ্য পানিতে মিশে হাজার হাজার মানুষ মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন, যা 'মিনামাটা রোগ' নামে পরিচিত।

⇒ গৃহীত হয়: ১৯ জানুয়ারি ২০১৩ সালে (জেনেভা, সুইজারল্যান্ড)।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১০ অক্টোবর, ২০১৩, কুমামোটো, জাপান।
- কার্যকর হয়: ১৬ আগস্ট, ২০১৭।
- সদস্য দেশ: ১৫২টি।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
১৮.
কত বছর পরপর নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (United Nations Security Council বা UNSC) হলো জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- এর প্রধান দায়িত্ব হলো বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখা এবং সংঘাত প্রতিরোধ করা।
- নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫ (পাঁচটি স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য)।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র। এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রতিবছর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।
- ৩ জুন, ২০২৫ তারিখে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যপদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এই বছর নির্বাচিত পাঁচজন নতুন সদস্য ১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে তাদের আসন গ্রহণ করবেন এবং ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ২০২৬-২৭ সালের জন্য নির্বাচিত দেশগুলো হচ্ছে- বাহরাইন, কলম্বিয়া, কঙ্গো, লাটভিয়া ও লাইবেরিয়া।

⇒ বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: আলজেরিয়া (২০২৪-২৫), গায়ানা (২০২৪-২৫), কোরিয়া (২০২৪-২৫), সিয়েরা লিওন (২০২৪-২৫), স্লোভেনিয়া (২০২৪-২৫) ও ডেনমার্ক (২০২৫-২৬), গ্রিস (২০২৫-২৬), সোমালিয়া (২০২৫-২৬), পাকিস্তান (২০২৫-২৬), পানামা (২০২৫-২৬)।

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
১৯.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরের কারণে ১৯৭৯ সালে OIC-এর কোন সদস্য রাষ্ট্রকে স্থগিত করা হয়েছিল?
  1. ইরাক
  2. সিরিয়া
  3. মিশর
  4. জর্ডান
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

⇒  চুক্তির পর ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত OIC-এর মিশরের সদস্যপদ স্থগিত রাখা হয়। ১৯৮৪ সালে এটি পুনরায় ওআইসিতে যুক্ত হয়।

উল্লেখ্য,
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা। এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ওআইসি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- ওআইসি মূলত সাতটি বিষয় নিয়ে কাজ করে সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে ইসলামি সংহতি বৃদ্ধি করা, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো, বর্ণবৈষম্যের মূলোচ্ছেদ এবং উপনিবেশবাদ বিলোপের চেষ্টা অব্যাহত রাখা, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি প্রয়োজনীয় সমর্থন দেওয়া, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা বিধানের সংগ্রামকে সমন্বিত করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য সংগ্রামকে সমর্থন করা।
- ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদুল আকসায় অগ্নিসংযোগ করে ইসরায়েল। আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলের অগ্নিকান্ডের প্রেক্ষিতে ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি গঠন করা হয়।

উৎস: Britannica. [link]
২০.
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান কোন দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য?
  1. আয়ারল্যান্ড
  2. নরওয়ে
  3. ডেনমার্ক
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ ডেনমার্ক ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য।
অন্যদিকে, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নরওয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়। আয়ারল্যান্ড স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।


স্ক্যান্ডিনেভিয়া:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া ঐতিহাসিকভাবে স্ক্যান্ডিয়া, উত্তর ইউরোপের অংশ।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা: নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- দেশ তিনটি ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত দিক থেকে পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

⇒ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।
- দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
- যথা: আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
- নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) Britannica.
২১.
কোন টেনিস টুর্নামেন্টকে 'রোল্যান্ড গ্যারোস (Roland-Garros)' বলা হয়?
  1. অস্ট্রেলিয়ান ওপেন
  2. উইম্বলডন
  3. ইউএস ওপেন
  4. ফ্রেঞ্চ ওপেন
ব্যাখ্যা
টেনিস:
- টেনিস বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা।
- অনেক জায়গায় এটি লন টেনিস নামে পরিচিত।
- টেনিস খেলার জন্য প্রয়োজন হয় তারযুক্ত একটি দন্ড যা 'রেকেট' নামে পরিচিত, একটি বল এবং জাল।

⇒ গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে রয়েছে:
• অস্ট্রেলিয়ান ওপেন (জানুয়ারির মাঝামাঝি),
• ফ্রেঞ্চ ওপেন (মে মাসের শেষ থেকে জুনের শুরুতে),
• উইম্বলডন (জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরুতে),
• ইউএস ওপেন (আগস্ট-সেপ্টেম্বর)।

⇒ ফ্রেঞ্চ ওপেন:
- ফ্রেঞ্চ ওপেন টেনিস টুর্নামেন্টকে 'রোল্যান্ড গ্যারোস' বলা হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিত এই আসরের অফিশিয়াল নাম ফ্রেঞ্চ ইন্টারন্যাশনালস। স্টেডিয়ামের নামানুসারে রোলাঁ গাঁরোও বলেন অনেকে। বছরের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম এটি। প্যারিসের স্তাদে রোলাঁ গাঁরো’তে প্রতি বছর মে মাসের শেষ থেকে জুনের শুরু পর্যন্ত আসরটি হয়ে থাকে। এখানে খেলা হয় ক্লে কোর্টে। ১৮৯১ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেনের যাত্রা শুরু হয়। ১৯২৪ সালের পর এটি সব দেশের খেলোয়াড়দের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়।

উৎস: i) International Tennis Federation ওয়েবসাইট।
ii) Roland-Garros 2025 ওয়েবসাইট।
২২.
কত সালে, কোথায় পরিবেশ বিষয়ক প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭০ সালে, লন্ডন
  2. ১৯৭২ সালে, স্টকহাম
  3. ১৯৭২ সালে, জেনেভা
  4. ১৯৬৬ সালে, ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
প্রথম পরিবেশ সম্মেলন:
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
- জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন (United Nations Conference on the Human Environment) স্টকহোম সম্মেলন নামে পরিচিত।

⇒ স্টকহোম সম্মেলনে জাতিসংঘ পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী বা United Nations Environment Programme (UNEP) গঠিত হয়।
- এই সম্মেলনটি পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রথম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ছিল এবং এতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপনের সূচনা হয়েছিল।
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করা হয় এবং পরিবেশ সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
২৩.
কোন বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয়?
  1. রোজ বিপ্লব
  2. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  3. টিউলিপ বিপ্লব
  4. অরেঞ্জ বিপ্লব
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

অন্যদিকে,
- রোজ বিপ্লব: সংঘটিত হয় জর্জিয়ায় ২০০৩ সালে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইউক্রেনে ২০০৪ সালে।
- টিউলিপ বিপ্লব: সংঘটিত হয় কিরগিজস্থানে ২০০৫ সালে।

উৎস: Britannica.
২৪.
'কিং চার্লস তৃতীয় হারমনি অ্যাওয়ার্ড' প্রাপ্ত প্রথম ব্যক্তি কে?
  1. এমিলি হার্স্ট
  2. বান কি-মুন
  3. ডেভিড বেকহ্যাম
  4. অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
The King's Foundation:
- দ্য কিংস ফাউন্ডেশন (The King's Foundation) একটি দাতব্য সংস্থা।
- এটি ১৯৯০ সালে তৎকালীন প্রিন্স অফ ওয়েলস, বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- উদ্দেশ্য: ঐতিহ্যবাহী নগর নকশা এবং স্থাপত্যের নীতির মাধ্যমে টেকসই সম্প্রদায় গড়ে তোলা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

⇒ ২০২৪ সালে প্রথম কিংস ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠিত হয় সেন্ট জেমস প্যালেসে।
- ২০২৪ সালে প্রথম কিংস ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নয়টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হয়। কিং চার্লস তৃতীয় হারমনি অ্যাওয়ার্ড বান কি-মুনকে (প্রাক্তন জাতিসংঘ মহাসচিব) প্রদান করা হয়। তিনি প্রথম ব্যক্তি হিসেবে 'কিং চার্লস তৃতীয় হারমনি অ্যাওয়ার্ড' লাভ করেন।
- ১২ জুন, ২০২৫-এ সেন্ট জেমস প্যালেসে দ্বিতীয় অনুষ্ঠান হয়, যেখানে ফাউন্ডেশনের ৩৫তম বার্ষিকী উদযাপিত হয়। রাজা তৃতীয় চার্লস এতে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে কিংস ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ডস -
• ইমার্জিং ট্যালেন্ট: এমিলি হার্স্ট। 
• ইন্টারন্যাশনাল ইমপ্যাক্ট: আকোজে রেসিডেন্সি। 
• ইয়াং এন্ট্রেপ্রেনিউর: বার্নাবি হর্ন।
• টিচিং অ্যাওয়ার্ড: ক্লদিয়া পেনারান্দা ফুয়েন্তেস।
• ইনোভেশন ইন প্র্যাকটিস: ইয়াসমিন লারি। 
• অ্যাডভোকেট অব দ্য ইয়ার: প্যাট্রিক হোল্ডেন। 
• কমিউনিটি পার্টনারশিপ অফ দ্য ইয়ার: আচিনলেক প্রাইমারি স্কুল।
• বর্ষসেরা করপোরেট: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান প্যাটাগোনিয়া। 
• কিং চার্লস তৃতীয় হারমনি অ্যাওয়ার্ড: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: The King's Foundation ওয়েবসাইট। [link]
২৫.
কিয়োটো প্রটোকলে Annex 1–এ কোন দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত?
  1. পরিবেশ দূষণকারী ৩০টি দেশ
  2. উন্নয়নশীল ২৪টি দেশ
  3. পরিবেশ দূষণকারী ৪২টি দেশ
  4. শিল্পোন্নত ৪৩টি দেশ
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

⇒ কিয়োটো প্রোটোকলের উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন দেশের তালিকা (Annex) ভিত্তিক কাঠামো অনুসরণ করে গ্রিনহাউস গ্যাস (GHG) নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা।
- এই প্রোটোকল শুধুমাত্র উন্নত দেশগুলিকে উদ্দেশ্য করে গ্রহন করা হয়েছে যা “common but differentiated responsibility and respective capabilities” নীতির অধীনে পরিচালিত।
- এখানে শিল্পোন্নোত দেশগুলিকে উপর অধিক দায়িত্ব আরোপ হয়েছে, কারণ এই দেশগুলি বায়ুমণ্ডলে উচ্চ মাত্রায় GHG নির্গমনের জন্য দায়ী।
- UNFCCC তার কনভেনশানে সারা বিশ্বের সব দেশগুলিকে ৩টি তালিকা বা Annex এ বিভক্ত করেছে।

• Annex-I: শিল্পোন্নত ৪৩টি দেশ।
- অ্যানেক্স I হলো UNFCCC-এর একটি তালিকা, যাতে শিল্পোন্নত দেশ ও অর্থনৈতিকভাবে পরিবর্তনশীল রাষ্ট্রসমূহ অন্তর্ভুক্ত।
- এদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর আইনগত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
২৬.
ট্রাফালগার স্কয়ারের কেন্দ্রীয় স্মৃতিস্তম্ভটি কার স্মৃতিতে নির্মিত?
  1. অ্যাডমিরাল ফার্নান্দেস
  2. আর্থার ওয়েলেসলি
  3. অ্যাডমিরাল নেলসন
  4. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
ব্যাখ্যা
ট্রাফালগার স্কয়ার:
- ট্রাফালগার স্কয়ার লন্ডনের একটি বিখ্যাত স্থান।
- এটি প্রধানত অ্যাডমিরাল হোরেশিও নেলসন এর সাথে সম্পর্কযুক্ত।
- লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে ৫২ মিটার উঁচু "নেলসনের কলাম" (Nelson's Column) স্থাপিত হয়।
- শীর্ষে তাঁর মূর্তি এবং চারপাশে ব্রোঞ্জের সিংহ স্থাপন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৮০৫ সালে অ্যাডমিরাল নেলসন ফরাসি ও স্প্যানিশ নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- অ্যাডমিরাল নেলসন ট্রাফালগারের যুদ্ধে ফ্রান্স-স্পেনের নৌবাহিনীকে পরাজিত করেছিলেন যা ব্রিটিশ নৌশক্তির শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল। 
- অ্যাডমিরাল নেলসন এই যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ ট্রাফালগারের যুদ্ধ (১৮০৫): নেলসন ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কমান্ডার হিসেবে এই যুদ্ধে ফ্রান্স-স্পেনের যৌথ নৌবহরকে পরাজিত করেন। এটি নেপোলিয়নের ব্রিটিশ আক্রমণের পরিকল্পনা ব্যর্থ করে।

উৎস: Britannica.
২৭.
'প্যারিস জলবায়ু চুক্তি' কত সালে গৃহীত হয়েছে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।

⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তির আওতায়, উন্নত দেশগুলো ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জলবায়ু তহবিলে জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এই অর্থ উন্নয়নশীল ও ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অভিযোজন ও প্রশমন কার্যক্রমে ব্যয় করার কথা ছিল। ​
- তবে, কপ-২৯ সম্মেলনে (নভেম্বর, ২০২৪) এই প্রতিশ্রুতি বাড়িয়ে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অর্থ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।
২৮.
'বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস' কবে পালিত হয়?
  1. ৬ জুন
  2. ৮ জুন
  3. ১০ জুন
  4. ১২ জুন
ব্যাখ্যা
বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস:
- ১২ জুন বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস (World Day Against Child Labour) পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- শিশুর অধিকার রক্ষা এবং ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে ২০০২ সাল থেকে জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) ১২ জুন ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’ পালন করে আসছে।
- ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদে মতামত রাখা হয়েছিল, ১৮ বছর হবে শিশুর সর্বোচ্চ সময়কাল। 
- দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য, ‘স্বপ্নের ডানায় ভর করি, শিশুশ্রমের শৃঙ্খল ছিঁড়ি—এগিয়ে চলি দৃপ্ত পায়ে, আশার আগুন বুকে জ্বালি।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট। 
ii) ILO ওয়েবসাইট। 
২৯.
'ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস' কোন দেশের সামরিক বাহিনী?
  1. ইসরায়েল
  2. লেবানন
  3. সিরিয়া
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস:
- ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (The Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC) ইরানের প্রধান সামরিক বাহিনী।

⇒  ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি শক্তিশালী শাখা, যার রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব দেশটির ভেতরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- গার্ডস বাহিনী বিশেষত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উল্লেখ্য,
- ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার-ইন-চিফ জেনারেল হোসেইন সালামি ইসরাইলের চালানো বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।
- হোসেইন সালামি ২০১৯ সাল থেকে বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং ইরানের পরমাণু ও সামরিক কৌশল নির্ধারণে ছিলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।
- তার নেতৃত্বেই ইরান আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে একাধিক সামরিক কার্যক্রম চালিয়ে এসেছে, বিশেষত ইরাক, সিরিয়া ও লেবাননে।

উৎস: i) Council on Foreign Relations ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৩০.
দুইটি বৃত্তের ব্যসার্ধের অনুপাত ৪ : ৬ হলে বৃত্ত দুটির ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত হবে?
  1. ২ : ৩
  2. ৪ : ৯
  3. ৯ : ১৬
  4. ৪ : ৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি বৃত্তের ব্যসার্ধের অনুপাত ৪ : ৬ হলে বৃত্ত দুটির ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত হবে?

সমাধান:
ধরি,
বৃত্ত দুইটির ব্যসার্ধ যথাক্রমে ৪ক এবং ৬ক

∴ বৃত্ত দুইটির ক্ষেত্রফলের অনুপাত = π(৪ক) : π(৬ক)
= ১৬πক : ৩৬πক
= ১৬ : ৩৬
= ৪ : ৯
৩১.
৮ জন ছাত্র ও ৬ জন ছাত্রী থেকে ৩ সদস্যের একটি দল কতভাবে গঠন করা যায়, যাতে কমপক্ষে ১ জন ছাত্রী থাকে?
  1. ৫১০
  2. ৪২০
  3. ২৮০
  4. ৩০৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৮ জন ছাত্র ও ৬ জন ছাত্রী থেকে ৩ সদস্যের একটি দল কতভাবে গঠন করা যায়, যাতে কমপক্ষে ১ জন ছাত্রী থাকে?

সমাধান:
২ জন ছাত্র ও ১ জন ছাত্রী বিশিষ্ট কমিটি= C × C = ২৮ × ৬ = ১৬৮
১ জন ছাত্র ও ২ জন ছাত্রী বিশিষ্ট কমিটি= C × C = ৮ × ১৫ = ১২০
০ জন ছাত্র ও ৩ জন ছাত্রী বিশিষ্ট কমিটি= C = ২০

∴ মোট উপায়= ১৬৮ + ১২০ + ২০ = ৩০৮
৩২.
∣2x + 1∣ < 5 অসমতাটির সমাধান কোনটি?
  1. - 5 < x <2
  2. - 3 < x < 2
  3. - 3 > x < 2
  4. - 2< x < 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ∣2x + 1∣ < 5 অসমতাটির সমাধান কোনটি?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
∣2x + 1∣ < 5
⇒ - 5 < 2x + 1 < 5
⇒ - 5 - 1 < 2x < 5 - 1
⇒ - 6 < 2x < 4
⇒ - 3 < x < 2      [2 দ্বারা ভাগ করে] 
৩৩.
এক অসৎ ব্যবসায়ী ক্রয় মূল্যের দরে চিনি বিক্রি করবে স্থির করলো কিন্তু ১ কেজির পরিবর্তে ৮৫০ গ্রামের বাটখারা ব্যবহার করলো। তার শতকরা লাভের হার কত?
  1. ১৭.৬৪%
  2. ১৫%
  3. ১৬.৮০%
  4. ১৮.২৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক অসৎ ব্যবসায়ী ক্রয় মূল্যের দরে চিনি বিক্রি করবে স্থির করলো কিন্তু ১ কেজির পরিবর্তে ৮৫০ গ্রামের বাটখারা ব্যবহার করলো। তার শতকরা লাভের হার কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
১ কেজি = ১০০০ গ্রাম

ধরি,
১০০০ গ্রাম চিনির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
∴ ৮৫০ গ্রাম চিনির ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৮৫০)/১০০০ = ৮৫ টাকা
৮৫০ গ্রাম চিনির বিক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
∴ লাভের পরিমাণ = ১০০ - ৮৫ = ১৫ টাকা

৮৫ টাকায় লাভ হয় = ১৫ টাকা
১ টাকায় লাভ হয় = ১৫/৮৫ টাকা
১০০ টাকায় লাভ হয় = (১৫ × ১০০)/৮৫ টাকা
= ১৭.৬৪ টাকা বা ১৭.৬৪%
৩৪.
কিছু গাছ নিয়ে একটি বাগানে গাছ রোপন করতে গিয়ে বাগানের মালিক দেখল যে প্রতি সারিতে 6 টি করে গাছ লাগালে 2 টি সারি খালি থাকে। আবার, প্রতি সারিতে 4 টি করে গাছ লাগালে 4 টি গাছ অতিরিক্ত থাকে। বাগানে মোট কতটি গাছ নিয়ে গিয়েছিলেন?
  1. 72 টি
  2. 48 টি
  3. 8 টি
  4. 36 টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কিছু গাছ নিয়ে একটি বাগানে গাছ রোপন করতে গিয়ে বাগানের মালিক দেখল যে প্রতি সারিতে 6 টি করে গাছ লাগালে 2 টি সারি খালি থাকে। আবার, প্রতি সারিতে 4 টি করে গাছ লাগালে 4 টি গাছ অতিরিক্ত থাকে। বাগানে মোট কতটি গাছ নিয়ে গিয়েছিলেন?

সমাধান:
ধরি,
গাছের সংখ্যা n এবং সারির সংখ্যা r

তাহলে,
১ম শর্তমতে, n = 6 × (r - 2) ⇒ n = 6r - 12 ...... (1)
২য় শর্তমতে, n = (4 × r) + 4 ⇒ n = 4r + 4 ...... (2)

প্রশ্নমতে,
6r - 12 = 4r + 4
⇒ 6r - 4r = 4 + 12
⇒ 2r = 16
∴ r = 8

(1) নং সমীকরণে r এর মান বসিয়ে পাই।
n = (6 × 8) - 12
= 48 - 12
= 36
∴ বাগানে মোট 36 টি গাছ নিয়ে গিয়েছিলেন।
৩৫.
D = ∅ হলে, এর প্রকৃত উপসেট কয়টি?
  1. 1
  2. 0
  3. 2
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: D = ∅ হলে, এর প্রকৃত উপসেট কয়টি?

সমাধান:
D-এর উপাদান সংখ্যা = 0
মোট উপসেট = 2n = 20 = 1  ;(একটি উপসেট ∅নিজেই)

∴ প্রকৃত উপসেট = 1 - 1 = 0
৩৬.
একটি সমান্তর ধারার ৭ম পদ ৩৫ এবং ১৩তম পদ ৬৫। এর প্রথম ২০টি পদের সমষ্টি কত?
  1. ১১৫০
  2. ১২৫০
  3. ৯৮০
  4. ১০৫০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার ৭ম পদ ৩৫ এবং ১৩তম পদ ৬৫। এর প্রথম ২০টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
ধরি,
ধারাটির ১ম পদ a এবং সাধারণ অনুপাত r.
n তম পদ = a + (n - 1)d
৭ম পদ = a + (৭ - ১)d = ৩৫
বা, a + ৬d = ৩৫ ............. (১)
এবং
a + ১২d = ৬৫ ............. (২)

এখন সমীকরণ ২ থেকে ১ বিয়োগ করে পাই,
⇒ a + ১২d - a - ৬d = ৬৫ - ৩৫
⇒ ৬d = ৩০
∴ d = ৫
d এর মান (১) নং এ বসিয়ে পাই,
a = ৩৫ - ৩০
∴ a = ৫


∴ প্রথম ২০টি পদের সমষ্টি = (২০/২) {২ × ৫ + (২০ - ১)৫}
= ১০ × (১০ + ৯৫)
= ১০ × ১০৫
= ১০৫০
৩৭.
একটা মুদ্রা তিনবার নিক্ষেপ করা হলো। সবগুলো হেড বা টেল না আসার সম্ভাবনা কত?
  1. ৫/৮
  2. ১/২
  3. ৩/৪
  4. ১/৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটা মুদ্রা তিনবার নিক্ষেপ করা হলো। সবগুলো হেড বা টেল না আসার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
একটি মুদ্রা তিনবার নিক্ষেপ করলে পাই,
নমুনাক্ষেত্র = {HHH, HHT, HTH, HTT, THH, THT, TTH, TTT}
মোট নমুনা বিন্দু = ৮টি

সবগুলো হেড বা টেল আসার আছে ২টি নমুনা বিন্দুতে। [HHH, TTT]
∴ সবগুলো হেড বা টেল আসার সম্ভাবনা = ২/৮ = ১/৪

∴ সবগুলো হেড বা টেল না আসার সম্ভাবনা = ১ - (১/৪) = ৩/৪
৩৮.
একটি রম্বসের একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য ১২ সে.মি. ও ক্ষেত্রফল ৬৬ বর্গ সে.মি. হলে, রম্বসের অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য কত সে.মি.?
  1. ১১ সে.মি.
  2. ২২ সে.মি.
  3. ১৫ সে.মি.
  4. ৯ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রম্বসের একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য ১২ সে.মি. ও ক্ষেত্রফল ৬৬ বর্গ সে.মি. হলে, রম্বসের অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য কত সে.মি.?

সমাধান:
ধরি,
অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য = a সে.মি.

আমরা জানি,
∴ রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
⇒ ৬৬ = (১/২) × a × ১২
⇒ ৬a = ৬৬
∴ a = ১১

∴ অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য = ১১ সে.মি.
৩৯.
শতকরা বার্ষিক কত হার সরল সুদে ৪ বছরের সুদ, আসলের ১/৫ অংশ হবে?
  1. ১২%
  2. ১০%
  3. ৭.৫%
  4. ৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শতকরা বার্ষিক কত হার সরল সুদে ৪ বছরের সুদ, আসলের ১/৫ অংশ হবে?

সমাধান:
ধরি, আসল, P = ক
সুদ, I = ক এর ১/৫ = ক/৫
সময়, n = ৪ বছর
সুদের হার, r = ?

আমরা জানি,
I = (P × r × n)/১০০
⇒ ক/৫ = (ক × r × ৪)/১০০
⇒ ১০০ক = ৫(ক × r × ৪)
⇒ ১০০ = ৫(r × ৪)
⇒ ২০r = ১০০
⇒ r = ৫

∴ সুদের হার ৫%
৪০.
4(2x + 1) = 1024 হলে, x এর মান কত?
  1. - 1
  2. 2
  3. 3
  4. - 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4(2x + 1) = 1024 হলে, x এর মান কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে,
4(2x + 1) = 1024
⇒ 22(2x + 1) = 210
⇒ 4x + 2 = 10
⇒ 4x = 10 - 2
⇒ 4x = 8
⇒ x = 8/4
∴ x = 2
৪১.
কোন স্কুলের ছাত্র সংখ্যাকে ৫, ৭ ও ৮ দ্বারা ভাগ করলে প্রতিবারই ৩ জন ছাত্র অবশিষ্ট থাকে। ঐ স্কুলের ছাত্র সংখ্যা কত?
  1. ১৮৩ জন
  2. ২৭৭ জন
  3. ২০৩ জন
  4. ২৮৩ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন স্কুলের ছাত্র সংখ্যাকে ৫, ৭ ও ৮ দ্বারা ভাগ করলে প্রতিবারই ৩ জন ছাত্র অবশিষ্ট থাকে। ঐ স্কুলের ছাত্র সংখ্যা কত?

সমাধান:
নির্ণেয় ছাত্র সংখ্যা ৫, ৭ ও ৮ এর ল.সা.গু. অপেক্ষা ৩ বেশি।

∴ ৫, ৭ ও ৮ এর ল. সা. গু. = ২৮০

∴ নির্ণেয় ছাত্র সংখ্যা = (২৮০ + ৩) = ২৮৩ জন
৪২.
a4 + a2b2 + b4 = 36 এবং a2 + ab + b2 = 9 হলে, a2 - ab + b2 এর মান কত?
  1. 3
  2. 12
  3. 4
  4. 6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a4 + a2b2 + b4 = 36 এবং a2 + ab + b2 = 9 হলে, a2 - ab + b2 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a4 + a2b2 + b4 = 36
⇒ (a2)2 + 2a2b2 + (b2)2 - a2b2 = 36
⇒ (a2 + b2)2 - (ab)2 = 36
⇒ (a2 + b2 + ab)(a2 + b2 - ab) = 36
⇒ (a2 + ab + b2)(a2 - ab + b2) = 36
⇒ (a2 - ab + b2)9 = 36
⇒ a2 - ab + b2 = 36/9
∴a2 - ab + b2 = 4
৪৩.
যদি log5(x2 - 8x + 17) = 0 হয়, তবে x এর মান কত?
  1. 0
  2. 4
  3. - 2
  4. 5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি log5(x2 - 8x + 17) = 0 হয়, তবে x এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
log5(x2 - 8x + 17) = 0
∴ x2 - 8x + 17 = 50
⇒ x2 - 8x + 17 = 1
⇒ x2 - 8x + 17 - 1 = 0
⇒ x2 - 8x + 16 = 0
⇒ x2 - 2 .x .4 + 42 = 0
⇒ (x - 4)2 = 0
⇒ x - 4 = 0
∴ x = 4
৪৪.
পোটেনশিওমিটার দিয়ে নিচের কোনটি পরিমাপ করা যায়? 
  1. যান্ত্রিক শক্তি
  2. উচ্চ মানের রোধ
  3. উচ্চ তড়িৎ প্রবাহ
  4. বিভব পার্থক্য
ব্যাখ্যা
মিটার ব্রীজ (Meter Bridge): 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে এক মিটার লম্বা সুষম প্রস্থচ্ছেদের তারের অজানা রোধ নির্ণয় করা যায়, তাকে মিটার ব্রীজ বলা হয়। 
- হুইটস্টোন ব্রীজ নীতি প্রয়োগ করে মিটার ব্রীজ তৈরী করা হয়। 
- পরীক্ষাগারে কোনো পরিবাহীর অজানা রোধ নির্ণয় করার জন্য মিটার ব্রীজ ব্যবহার করা হয়। 

পোস্ট অফিস বক্স (Post Office Box): 
- এই যন্ত্রের সাহায্যে পোষ্ট অফিসে টেলিগ্রাফের তারের রোধ নির্ণয় করা হতো বলে এটি পোষ্ট অফিস বক্স নামে পরিচিত। 

পোটেনশিওমিটার (Potentiometer): 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বিভবপতন পদ্ধতিতে বিভব পার্থক্য ও বিদ্যুৎচালক শক্তি সূক্ষ্মভাবে নির্ণয় করা যায়, তাকে পোটেনশিওমিটার বলা হয়। 
- পোটেনশিওমিটারের সাহায্যে স্বল্প মানের তড়িৎপ্রবাহ ও নিম্নমানের রোধ মাপা সম্ভব হয়। 

অ্যামমিটার: 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করা যায়, তাকে অ্যামমিটার বলা হয়। 
- অ্যামমিটারের সাথে অতিরিক্ত শান্ট ব্যবহার করে এর পাল্লা বৃদ্ধি করা যায়। 

ভোল্টমিটার: 
- যেকোনো দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য মাপার জন্য দরকার ভোল্টমিটার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫.
কোন রাতে শিশির বেশি জমে? 
  1. বৃষ্টিভেজা রাতে
  2. মেঘাচ্ছন্ন রাতে
  3. কুয়াশাচ্ছন্ন রাতে
  4. মেঘশূন্য রাতে
ব্যাখ্যা
মেঘাচ্ছন্ন রাত্রি অপেক্ষা মেঘশূন্য রাত্রে শিশির বেশি জমার কারণ: 
- সব সময়ই বিভিন্ন জলাশয়ের পানির বাষ্পায়ন ঘটছে। এই বাষ্পায়নের ফলে জলীয় বাষ্প সৃষ্টি হয় এবং তা বায়ুমণ্ডলে মিশে যায়। 
- বায়ুমণ্ডল সৃষ্ট জলীয় বাষ্প ধারণ করে। 
- দিনের বেলায় সূর্য তাপে বাতাস গরম থাকায় ঐ জলীয় বাষ্প দ্বারা বায়ুমণ্ডল সম্পৃক্ত হয় না। 
- রাতে ভূ-পৃষ্ঠ তাপ বিকিরণ করে শীতল হয় অর্থাৎ বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা কমে যায়। তখন বাতাস ধারণকৃত জলীয়বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত হয় এবং তাপমাত্রা শিশিরাঙ্কের নিচে নেমে যায়, ফলে শিশির জমে। 
- রাতের আকাশে মেঘ থাকলে, মেঘমুক্ত রাতের থেকে তাপ বিকিরণ কম হয়। 
- তাপ বিকিরণ কম হওয়ায ভূ-পৃষ্ঠের বাতাসও তুলনামূলকভাবে কম ঠান্ডা হয়। 
- বাতাসে তাপমাত্রা শিশিরাঙ্কের খুব নিচে যেতে পারে না, তাই কম শিশির জমে। 
অর্থাৎ, মেঘাচ্ছন্ন রাত্রি অপেক্ষা মেঘশূন্য রাত্রে শিশির বেশি জমে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
নিম্নের কোনটি একটি অম্লধর্মী অক্সাইড? 
  1. ZnO
  2. CO2
  3. CaO
  4. H2O
ব্যাখ্যা
অম্লধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব অক্সাইড পানির সাথে যুক্ত হয়ে অম্ল বা এসিড উৎপন্ন করে, তাকে অম্লধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
- অম্লধর্মী অক্সাইডগুলো প্রধানত অধাতব অক্সাইড। 
যেমন- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO2)। 

ক্ষারধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব ধাতব অক্সাইড অম্লীয় অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ উৎপন্ন করে অথবা এসিডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন করে, তাকে ক্ষারধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম অক্সাইড (Na2O), ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO), ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3) । 

উভধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব ধাতব অক্সাইড অবস্থাভেদে অম্ল ও ক্ষারক উভয় রূপে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে, তাকে উভধর্মী অক্সাইড বলে। 
অর্থাৎ, এই জাতীয় অক্সাইড অম্লের অম্লত্ব ও ক্ষারে ক্ষারকত্ব উভয় গুণকে বিনষ্ট করে থাকে। 
যেমন-অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড (Al2O3), জিংক অক্সাইড (ZnO), লেড মনো অক্সাইড (PbO)। 

প্রশম অক্সাইড: 
- যে সব অধাতব অক্সাইড অম্লীয় বা ক্ষারকীয় কোন ধর্মই প্রকাশ করে না, তাকে প্রশম অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- পানি (H2O), কার্বন মনো অক্সাইড (CO), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), নাইট্রিক অক্সাইড (NO)। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
ইনসুলিন গঠনে মোট কতটি অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে? 
  1. ৪১ টি 
  2. ৪৮ টি 
  3. ৪৯ টি 
  4. ৫১ টি 
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮.
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন তখনই ঘটে যখন- 
  1. আলো শূন্য মাধ্যমে প্রবেশ করে
  2. আলো হালকা মাধ্যম থেকে ঘন মাধ্যমে যায়
  3. আলো ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যায়
  4. প্রতিসরণ কোণ সংকট কোণের চেয়ে কম হয়
ব্যাখ্যা
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection): 
- এক জোড়া নির্দিষ্ট স্বচ্ছ সমসত্ব মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাবার সময় যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয় তবে আলোক রশ্মি হালকা মাধ্যমে বিন্দুমাত্র প্রতিসৃত না হয়ে সম্পূর্ণরূপে বিভেদ তল দ্বারা ঘন মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়, একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে। 
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত দুইটি। 
যথা- 
১। আলোক রশ্মি অবশ্যই ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমের দিকে যেতে হবে। 
২। এক জোড়া নির্দিষ্ট সচ্ছ সমসত্ব মাধ্যম ও একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোক রশ্মিকে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হতে হবে। 

আলোর প্রতিফলন: 
- আপতিত রশ্মির কিছু অংশ বিভেদতল থেকে পুনরায় প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে, এই ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে। 
প্রতিফলনের প্রথম সূত্র: আপতিত আলোক রশ্মি, প্রতিফলিত রশ্মি এবং আপাতর বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব একই তলে অবস্থান করে। 
প্রতিফলনের দ্বিতীয় সূত্র: আপতিত কোণ একং প্রতিফলন কোণ সর্বদা সমান হয়। 

আলোর প্রতিসরণ: 
- প্রথম স্বচ্ছ ও সমসত্ব মাধ্যম থেকে আলোকরশ্মি দ্বিতীয় স্বচ্ছ ও সমসত্ব মাধ্যমে বিভেদতলে তীর্যকভাবে আপতিত হলে রশ্মিগুচ্ছ বিভেদতল থেকে দিক পরিবর্তন করে, এই ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
প্রতিসরণের প্রথম সূত্র: আপতিত রশ্মি, প্রতিসরিত রশ্মি এবং বিভেদ তলের আপাতন বিন্দুতে অংকিত অভিলম্ব একই সমতলে অবস্থান করে। 
প্রতিসরণের দ্বিতীয় সূত্র: এক জোড়া নির্দিষ্ট স্বচ্ছ সমসত্ব মাধ্যম এবং তীর্যকভাবে আপতিত নির্দিষ্ট বর্ণের একটি আলোকরশ্মির জন্য আপাতন কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত একটি ধ্রুব সংখ্যা। একে স্নেলের সূত্রও বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯.
ডেটলের প্রধান কার্যকরী উপাদান কোনটি? 
  1. সেট্রিমাইড
  2. ক্লোরোজাইলিনল
  3. ক্লোরোহেক্সিডিন
  4. আইসোপ্রোপানল
ব্যাখ্যা
ডেটল (Dettol): 
- ডেটল একটি জনপ্রিয় এন্টিসেপটিক এবং জীবাণুনাশক হলুদ বর্ণের তরল মিশ্রণ। 
- ডেটল কতগুলো রাসায়নিক পদার্থে তৈরি একটি প্রতিরোধক যা সজীব কোষ-কলার উপর জীবাণুর জন্ম ও বৃদ্ধি রোধ করে। 
- ডেটলের প্রধান কার্যকরী উপাদান ক্লোরোজাইলিনল (C8H9CIO) যা ডেটলে সর্বোচ্চ ৪.৮% থাকে
- ডেটলের অন্যান্য উপাদানগুলো হলো- আইসো প্রোপানল, পাইন অয়েল, ক্যাস্টার অয়েল, সাবান এবং পানি। 


ডেটলের ব্যবহার: 
- স্যাভলনের ন্যায় ডেটল পানির সাথে মিশিয়ে কাটা, ছেঁড়া, পোকায় আক্রান্ত স্থানে তুলার সাহায্যে লাগালে জীবাণু সংক্রমণ রোধ হয়। 
- ডেটল এবং স্যাভলন উভয়কেই অ্যান্টিসেপটিক রূপে ব্যবহার করা হলেও এদেরগঠন উপাদান ভিন্ন। 
- স্যাভলন হলো ক্লোরোহেক্সিডিন গ্লুকোনেট ও সেট্রিমাইড দ্রবণের মিশ্রণ। 
- এছাড়া পরিচ্ছন্নতার কাজে যেমন- গোসলের সময়, ধোয়া-মোছার কাজে, প্রসূতি, শিশু ও রোগীর ব্যবহৃত পোশাক ও অন্যান্য কাপড়, বিছানাপত্র, ঘরের মেঝে, বাথরুম ইত্যাদি পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত রাখতে ডেটল ব্যবহার করা হয়।
- ডেটল পানির সাথে না মিশিয়ে ব্যবহার করা উচিৎ নয় এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা উচিৎ। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০.
যদি সিপিইউকে খুব দ্রুত অল্প পরিমাণ তথ্য অ্যাক্সেস করতে হয়, তাহলে কোন কম্পোনেন্টটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. RAM
  2. Hard Drive
  3. Registers
  4. ROM
ব্যাখ্যা
• যদি সিপিইউকে খুব দ্রুত অল্প পরিমাণ তথ্য অ্যাক্সেস করতে হয়, তাহলে রেজিস্টার (গ) Registers সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। রেজিস্টার হলো সিপিইউর ভেতরে থাকা অতি দ্রুতগতি সম্পন্ন মেমোরি ইউনিট যা খুব ছোট পরিমাণ তথ্য ধরে রাখতে সক্ষম। এটি RAM বা অন্য মেমোরির তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ করে। যখন সিপিইউ কোনো ডেটা বা নির্দেশনা (instruction) প্রক্রিয়া করে, তখন সেই তথ্য সাময়িকভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত হয়। রেজিস্টারের এই উচ্চগতি এবং সিপিইউর সরাসরি নিয়ন্ত্রণাধীন থাকার কারণে এটি অল্প পরিমাণ তথ্য দ্রুত অ্যাক্সেস করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর উপাদান। RAM, ROM এবং হার্ড ড্রাইভ তুলনামূলকভাবে ধীর এবং সিপিইউ থেকে দূরে অবস্থান করে।

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। - কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাহাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ভাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৫১.
ICANN প্রধানত ব্যবহৃত হয়:
  1. ডোমেইন নাম ও আইপি ঠিকানা ব্যবস্থাপনায়
  2. রাউটারের জন্য সফটওয়্যার লেখায়
  3. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার উন্নয়নে
  4. ইন্টারনেট ব্রাউজার তৈরি করায়
ব্যাখ্যা
• ICANN প্রধানত ব্যবহৃত হয় ডোমেইন নাম ও আইপি ঠিকানা ব্যবস্থাপনায়। ইন্টারনেটের প্রতিটি ডিভাইসের একটি অনন্য আইপি ঠিকানা থাকে এবং ওয়েবসাইটের জন্য একটি ডোমেইন নাম থাকে, যা মানুষের জন্য সহজে স্মরণযোগ্য। ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers) হলো একটি গ্লোবাল সংস্থা, যা এই ডোমেইন নাম ও আইপি ঠিকানার স্বতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা করে। তারা নিশ্চিত করে যে প্রতিটি ডোমেইন নাম ও আইপি ঠিকানা ইউনিক থাকে এবং সঠিকভাবে বরাদ্দ হয়। তাই, ICANN-এর কাজের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সঠিক ও নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত হয়। অন্যান্য বিকল্প, যেমন রাউটারের সফটওয়্যার লেখা, হার্ডওয়্যার উন্নয়ন বা ব্রাউজার তৈরি ICANN-এর কাজ নয়।

• ICANN:
- ICANN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Internet Corporation for Assigned Names and Numbers.
- এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর একটি অলাভজনক অনুবিভাগ হলো- Internet Assigned Numbers Authority (IANA).
- IANA ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশনের অনুমোদন দিয়ে থাকে।
- সকল ডোমেইন নেইমকে ICANN একটি ডেটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করে থাকে।
- প্রচলিত কয়েকটি জনপ্রিয় জেনেরিক ডোমেইন হলো- com, net, edu, gov, int, mil, org.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫২.
নিম্নলিখিত কোন যোগাযোগ মাধ্যম একসাথে দুই দিকের তথ্য আদানপ্রদান করে?
  1. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  2. সিমপ্লেক্স মোড
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (গ) একসাথে দুই দিকের তথ্য আদানপ্রদান করতে পারে। ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে যোগাযোগ ব্যবস্থায় দুই পক্ষ একসাথে একই সময় তথ্য পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে পারে। এর ফলে যোগাযোগ দ্রুত এবং স্বতঃস্ফূর্ত হয়। অন্যদিকে, হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে তথ্য একসময় শুধুমাত্র একদিকে থেকে অন্যদিকে যায়, অর্থাৎ দুই দিকের আদানপ্রদান একসাথে সম্ভব নয়। সিমপ্লেক্স মোডে তথ্য একদিকেই যায়, অর্থাৎ একপক্ষ তথ্য পাঠায় আর অন্যপক্ষ শুধু গ্রহণ করে। তাই, একসাথে দুই দিকের তথ্য আদানপ্রদান সম্ভব হয় শুধুমাত্র ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে।

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে। 
- ডেটা প্রবাহের দিক-এর উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।  
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স মোড (Simplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা পাঠানো সম্ভব হয়, প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। 
যেমন- কি বোর্ড, মাউস, জয়স্টিক ইত্যাদি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-duplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকেই ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা সম্ভব, কিন্তু একসাথে নয়, আলাদা আলাদাভাবে। 
- একটি ডিভাইস ডেটা পাঠালে অন্যটিকে অপেক্ষা করতে হয় তার সুযোগ আসার জন্য। 
- এই পদ্ধতিতে ডেটার ভেতর সংঘর্ষ (collision) না হওয়ার জন্য বিশেষ সার্কিটের ব্যবস্থা রাখতে হয়। 
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এস.এম.এস ইত্যাদি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে চলে। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode): 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে। 
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন এই পদ্ধতির উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৫৩.
POP3 এর পাশাপাশি আর কোন প্রোটোকল ইমেইল ডাউনলোড বা সার্ভার ম্যানেজমেন্টে ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. SSH
  2. HTTP
  3. FTP
  4. IMAP
ব্যাখ্যা
• POP3 এর পাশাপাশি ইমেইল ডাউনলোড বা সার্ভার ম্যানেজমেন্টের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রোটোকল হলো IMAP। POP3 সাধারণত ইমেইল সার্ভার থেকে ইমেইল ডাউনলোড করে লোকাল কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে এবং তারপর সার্ভার থেকে ইমেইল মুছে ফেলে। কিন্তু IMAP ইমেইলগুলো সার্ভারে রেখে অনলাইনে ম্যানেজ করার সুযোগ দেয়, যেমন মেইল পড়া, ফোল্ডারে রাখা, মুছে ফেলা ইত্যাদি। অন্যদিকে, SSH হলো নিরাপদ শেল এক্সেসের প্রোটোকল, HTTP হলো ওয়েব পেজ দেখার প্রোটোকল, আর FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ইমেইল ব্যবস্থাপনার জন্য POP3 এর বিকল্প হিসেবে IMAP সবচেয়ে উপযোগী প্রোটোকল।

• ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

- POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP প্রটোকল ব্যবহার করা হয়
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

- SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

- IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস: মাইক্রোসফট।
৫৪.
IEEE 802.15-এর সাথে সাধারণত কোন প্রযুক্তি সম্পর্কিত?
  1. Bluetooth
  2. Wi-Fi
  3. LTE
  4. Zigbee
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.15 সাধারণত Bluetooth প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড যা পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। Bluetooth ডিভাইসগুলোর মধ্যে ছোট দূরত্বে ওয়্যারলেস যোগাযোগ সম্ভব করে, যেমন ফোন, হেডফোন, ল্যাপটপ ইত্যাদির মধ্যে ডাটা ট্রান্সফার। অন্যদিকে, Wi-Fi (IEEE 802.11) বড় এরিয়ায় ওয়্যারলেস ইন্টারনেট কানেকশন দেয়। LTE মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর Zigbee (IEEE 802.15.4) কম পাওয়ার স্মল স্কেল নেটওয়ার্কের জন্য। তাই IEEE 802.15 এর মূল উদ্দেশ্য হলো Bluetooth-এর মাধ্যমে ছোট দূরত্বে ডিভাইসের মধ্যে দ্রুত এবং নিরাপদ ওয়্যারলেস যোগাযোগ নিশ্চিত করা।
সঠিক উত্তর: ক) Bluetooth.

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

• Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
• Wimax এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫৫.
কোন সাইবার আক্রমণ সব সম্ভাব্য কম্বিনেশন ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড অনুমান করে?
  1. এসকিউএল ইনজেকশন
  2. ডিনায়াল অফ সার্ভিস অ্যাটাক
  3. ম্যান-ইন-দ্য-মিডল অ্যাটাক
  4. ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক।

ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক হলো একটি সাইবার আক্রমণের প্রকার যা পাসওয়ার্ড বা গোপন তথ্য পাওয়ার জন্য সব সম্ভাব্য কম্বিনেশন চেষ্টা করে। এই পদ্ধতিতে হ্যাকার বা আক্রমণকারী স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার ব্যবহার করে পাসওয়ার্ডের সম্ভাব্য সব অক্ষর, সংখ্যা, ও প্রতীক মিশিয়ে চেষ্টা চালায় যতক্ষণ না সঠিক পাসওয়ার্ড পাওয়া যায়। এটি ধীরে ধীরে হলেও কার্যকরী, কারণ এটি নিশ্চিতভাবে সঠিক পাসওয়ার্ড খুঁজে পায় যদি তা যথেষ্ট সময় ও কম্পিউটিং ক্ষমতা থাকে।
- অন্য সাইবার আক্রমণ যেমন এসকিউএল ইনজেকশন, ডিনায়াল অফ সার্ভিস, বা ম্যান-ইন-দ্য-মিডল ভিন্ন ধরনের টেকনিক ব্যবহার করে; তারা সরাসরি পাসওয়ার্ড অনুমানে কম্বিনেশন চেষ্টা করে না। তাই পাসওয়ার্ড অনুমানের জন্য ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক সবচেয়ে প্রযোজ্য।

• অপশন আলোচনা:
ক) এসকিউএল ইনজেকশন (SQL Injection)
এটি একটা অ্যাটাক যেখানে অ্যাটাককারী ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের ডাটাবেসে ম্যালিশিয়াস SQL কোড ইনজেক্ট করে ডাটাবেসের তথ্য চুরি বা ম্যানিপুলেট করে। এটা পাসওয়ার্ড অনুমানের জন্য নয়, বরং ডাটাবেসের নিরাপত্তা ভঙ্গ করার জন্য।

খ) ডিনায়াল অফ সার্ভিস অ্যাটাক (Denial of Service Attack)
এই আক্রমণের উদ্দেশ্য হলো সার্ভার বা নেটওয়ার্ককে এতটাই ব্যস্ত করে ফেলা যাতে সিস্টেম সঠিকভাবে কাজ করতে না পারে। এটা পাসওয়ার্ড অনুমানের সাথে সম্পর্কিত নয়।

গ) ম্যান-ইন-দ্য-মিডল অ্যাটাক (Man-in-the-Middle Attack)
এটি এমন একটি আক্রমণ যেখানে অ্যাটাককারী দুই পক্ষের যোগাযোগের মাঝে এসে তথ্য চুরি বা পরিবর্তন করতে পারে। এখানে পাসওয়ার্ড অনুমান করার জন্য সব সম্ভাব্য কম্বিনেশন ব্যবহার করা হয় না।

ঘ) ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack)
এটি হলো সেই আক্রমণ যেখানে কম্পিউটার প্রোগ্রাম সব সম্ভাব্য পাসওয়ার্ড কম্বিনেশন চেষ্টা করে সঠিক পাসওয়ার্ড খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। তাই, পাসওয়ার্ড অনুমানে সব কম্বিনেশন ব্যবহার করা হয়।

• সাইবার অপরাধ: 
- যেসব অপরাধ অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে হয়ে থাকে সেগুলোকে সাইবার অপরাধ বলে। 
- সাইবার অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট অবশ্যই ব্যবহৃত হয় আবার কথনো কখনো ডিভাইস বা নেটওয়ার্ক নিজেই সাইবার আক্রমণের শিকার হয়। 
- সাইবার অপরাধীরা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে ফেলতে পারে। তাই সাইবার অপরাধ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক ঝুঁকি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কে জানা সকলের জন্য অতীব জরুরি। 
- ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। 

• ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack): 
- ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক একটি সাইবার আক্রমণ পদ্ধতি, যেখানে আক্রমণকারী কোনো অ্যাকাউন্ট বা সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করতে পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কী-এর সম্ভাব্য সব সংমিশ্রণকে একে একে চেষ্টা করে। এটি একটি অনুমানভিত্তিক পদ্ধতি, যেখানে আক্রমণকারী পাসওয়ার্ড বা নিরাপত্তা তথ্য সঠিকভাবে জানতে ট্রায়াল এবং এরর (trial and error) পদ্ধতিতে কাজ করে।
- এ ধরনের আক্রমণে আক্রমণকারী সাধারণত স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার বা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে, যা ধারাবাহিকভাবে সমস্ত সম্ভাব্য পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কী পরীক্ষণ করে। একে একে বিভিন্ন সম্ভাবনার মাধ্যমে আক্রমণকারী সঠিক পাসওয়ার্ডটি খুঁজে বের করার চেষ্টা চালায়। এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ হলেও, শক্তিশালী কম্পিউটার সিস্টেম বা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আক্রমণকারী অনেক সময় সফল হয়।
- ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক সাধারণত কোনো অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড চুরি করতে ব্যবহার করা হয়। আক্রমণকারী যখন সফল হয়, তখন তারা পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল তথ্য চুরি করতে পারে। এই তথ্য চুরির মাধ্যমে তারা আরও সাইবার অপরাধ যেমন অর্থ লেনদেন, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের অপব্যবহার বা অন্যান্য ক্ষতিকর কাজ করতে পারে।
অর্থাৎ, ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ, যেখানে অনুমানভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড বা নিরাপত্তা তথ্য চুরি করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৬.
NOT গেট একটি বাইনারি ইনপুটের উপর কোন অপারেশনটি সম্পাদন করে?
  1. ইনপুটে ১ যোগ করে
  2. একই ইনপুট ফেরত দেয়
  3. ইনপুটকে ২ দ্বারা গুণ করে
  4. ইনপুটকে উল্টে দেয়
ব্যাখ্যা
• NOT গেট একটি লজিক গেট যা বাইনারি ইনপুটের মানকে উল্টে দেয়। অর্থাৎ, যদি ইনপুট ১ হয়, তাহলে আউটপুট হবে ০, আর যদি ইনপুট ০ হয়, তাহলে আউটপুট হবে ১। এটি ইনপুটের সম্পূর্ণ বিপরীত মান প্রদান করে। তাই, এটি ইনপুটকে “উল্টে দেয়” বা কমপ্লিমেন্ট করে। NOT গেট কোন সংখ্যা বৃদ্ধি করে না, একই ইনপুট ফেরত দেয় না, এবং ইনপুটকে গুণও করে না।
- তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে - “ঘ) ইনপুটকে উল্টে দেয়।” এই গেট ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটার সার্কিট ডিজাইনে মৌলিক এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


• নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. আমাবস্যা
  2. অনসুয়া
  3. অগ্নিমান্দ্য
  4. অত্যাদিক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনটি শুদ্ধ বানান?

সমাধান:
শুদ্ধ বানান - অগ্নিমান্দ্য।
শব্দের অর্থ:
- পরিপাকশক্তির অল্পতা, অজীর্ণরোগ।

অন্যদিকে,
অনসুয়া – অনসূয়া,
অত্যাদিক – অত্যধিক,
আমাবস্যা – অমাবস্যা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫৮.
যদি ছ × G = ২৪৫ হয়, তবে ট × H = ?
  1. ৪৮০
  2. ৪২৫
  3. ৩৭৫
  4. ৪৪০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ছ × G = ২৪৫ হয়, তবে ট × H = ?

সমাধান:
বর্ণমালায় অবস্থান অনুসারে-
ছ = ৭
ট = ১১
H = ৮
এবং G = ৭

তাই, ছ × G = ৭ × ৭ = ৪৯ ⇒ ৪৯ × ৫ = ২৪৫
এবং ট × H = ১১ × ৮ = ৮৮ ⇒ ৮৮ × ৫ = ৪৪০
৫৯.
যদি কোনো মাসের ৫ তারিখ শুক্রবার হয়, তাহলে ঐ মাসের ২৮ তারিখ কী বার হবে?
  1. সোমবার
  2. রবিবার
  3. বুধবার
  4. শুক্রবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি কোনো মাসের ৫ তারিখ শুক্রবার হয়, তাহলে ঐ মাসের ২৮ তারিখ কী বার হবে?

সমাধান:
৫ম দিন = শুক্রবার
(৫ + ৭) বা, ১২ তম দিন = শুক্রবার
(১২ + ৭) বা, ১৯তম দিন = শুক্রবার
(১৯ + ৭) বা, ২৬তম দিন = শুক্রবার

২৭ তম দিন = শনিবার
২৮ তম দিন = রবিবার

∴ ২৮ তম দিন = রবিবার
৬০.
A, B, C তিন বোন। D, E এর ভাই । E, B এর মেয়ে। A, D এর কী হয়?
  1. বোন
  2. চাচি
  3. মামা
  4. খালা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A, B, C তিন বোন। D, E এর ভাই । E, B এর মেয়ে। A, D এর কী হয়?

সমাধান:
A, B, C তিন বোন।
E, B এর মেয়ে।

তাই E এর খালা হলো A।

D, E এর ভাই
A, D এর খালা।
৬১.
'Egypt'-এর সাথে 'Cairo' যেভাবে সম্পর্কিত, 'Eritrea'এর সাথে তেমনি কোনটি সম্পর্কিত?
  1. Rabat
  2. Malabo
  3. Asmara
  4. Accra
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'Egypt'-এর সাথে 'Cairo' যেভাবে সম্পর্কিত, 'Eritrea'এর সাথে তেমনি কোনটি সম্পর্কিত?

সমাধান:
• 'Egypt'এর রাজধানীর নাম Cairo.
- একইভাবে 'Eritrea'- এর রাজধানীর নাম Asmara.

অন্যদিকে,
- "Morocco"-এর রাজধানীর নাম Rabat.
- "Equatorial Guinea "-এর রাজধানীর নাম Malabo.
- "Ghana"-এর রাজধানীর নাম Accra.
৬২.
? % of 150 is 90-
  1. 60%
  2. 90%
  3. 55%
  4. 75%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ? % of 150 is 90-

সমাধান:
ধরি,
x% of 150 = 90
⇒ (x/100) × 150 = 90
⇒ x = (90 × 100)/150
∴ x = 60
৬৩.
কোন বানানটি সঠিক?
  1. Psudonym
  2. Pseodonym
  3. Pseudonym
  4. Psuedonym
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বানানটি সঠিক?

সমাধান:
Pseudonym অর্থ হলো ছদ্মনাম বা প্রতারক নাম।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৬৪.
শরিফ ও রাকিব একই জায়গা থেকে যাত্রা শুরু করে পরস্পর বিপরীত দিকে 15 মিটার হেঁটে গেল। তারপর তারা তাদের বাম দিকে ঘুরে আরও 8 মিটার হেঁটে গেল। তাদের দুই জনের মধ্যে সরাসরি দূরত্বের মাঝখানে একটি স্কুল আছে। স্কুল থেকে রাকিব-এর সরাসরি দূরত্ব কত?
  1. 23m
  2. 18m
  3. 25m
  4. 17m
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শরিফ ও রাকিব একই জায়গা থেকে যাত্রা শুরু করে পরস্পর বিপরীত দিকে 15 মিটার হেঁটে গেল। তারপর তারা তাদের বাম দিকে ঘুরে আরও 8 মিটার হেঁটে গেল। তাদের দুই জনের মধ্যে সরাসরি দূরত্বের মাঝখানে একটি স্কুল আছে। স্কুল থেকে রাকিব-এর সরাসরি দূরত্ব কত?

সমাধান:

ধরি,
শরিফ ও রাকিব - O বিন্দু হতে যাত্রা শুরু করে পরস্পর বিপরীত দিকে OA = OB = 15 মিটার হেঁটে গেল।
পরবর্তীতে তারা পরস্পর বাম দিকে ঘুরে AD = BC = 8 মিটার হেঁটে গেল।

এখন,
OD2 = OA2 + AD2
⇒ OD2 = 152 + 82
= 225 + 64
= 289
⇒ OD2 = 289
⇒ OD2 = 172
∴ OD = 17
∴  স্কুল থেকে রাকিব-এর সরাসরি দূরত্ব 17m
৬৫.
কোন শব্দের উপসর্গটি 'বিপরীত' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অভিজাত
  2. আখাম্বা
  3. পরাভব
  4. উপভোগ
ব্যাখ্যা
• 'ভব' শব্দের অর্থ প্রাপ্তি; পরাভব শব্দের অর্থ পরাজয়, হার। অর্থাৎ পরাভব শব্দে ‘পরা’ উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

অন্যদিকে,
অভি+জাত  = অভিজাত, উপসর্গটি উত্তম অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
আ+খাম্বা = আখাম্বা, উপসর্গটি সদৃশ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উপ+ভোগ = উপভোগ, উপসর্গটি সম্যক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৬৬.
'গুলবদন' এর স্ত্রীবাচক রূপ কোনটি?
  1. গুলবদনী
  2. গুলবানু
  3. গুলমোহর
  4. গুলবদনি
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'গুলবদন' অর্থ- কোমল অঙ্গবিশিষ্ট।
- এর স্ত্রীবাচক শব্দ - গুলবদনি।



উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৬৭.
'আজাদ বিয়ের পর ঘরজামাই হিসেবে আছে।’- এ বাক্যে 'ঘরজামাই' কোন ধরনের কর্মধারয় সমাস?
  1. মধ্যপদলোপী
  2. রূপক
  3. উপমান
  4. উপমিত
ব্যাখ্যা
• মধ্যপদলােপী কর্মধারয় সমাস:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লােপ পায় তাকে বলা হয় মধ্যপদলােপী কর্মধারয় সমাস।
যেমন:
- পল (মাংস) মিশ্রিত অন্ন = পলান্ন,
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন,
- প্রীতিসূচক উপহার = প্রীতিউপহার,
- মৌ আশ্রিত মাছি = মৌমাছি,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা,
- ঘরে আশ্রিত জামাই =ঘরজামাই,
- সাম্য বিষয়ক বাদ = সাম্যবাদ,
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮.
"আজকাল অনেকেই 'সত্ত্ব', 'অন্তঃসত্ত্বা' ইত্যাদি বানান ভুল করে।" - বাক্যটিতে কয়টি বানানে ভুল রয়েছে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
বাক্যটি:
“আজকাল অনেকেই 'সত্ত্ব', 'অন্তঃসত্ত্বা' ইত্যাদি বানান ভুল করে।”

— এই বাক্যের সবগুলো বানানই শুদ্ধ।
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

ভুল বানান: স্বত্ত্ব→  সঠিক বানান: সত্ত্ব; স্বত্ব।

  সঠিক বানান: অন্তঃসত্ত্বা।

• শুদ্ধ বাক্যটি হবে:
আজকাল অনেকেই 'সত্ত্ব', 'অন্তঃসত্ত্বা' ইত্যাদি বানান ভুল করে।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৬৯.
মা সারাজীবন শুধু খেটেই গেলেন, যেন একটা-
  1. ননীর পুতুল
  2. চশমখোর
  3. আমড়া কাঠের ঢেঁকি
  4. চিনির বলদ
ব্যাখ্যা
'• ’চিনির বলদ’  বাগধারাটির অর্থ - ভারবাহী কিন্তু ফলভোগী নয়

বাক্যে বলা হয়েছে: "মা সারাজীবন শুধু খেটেই গেলেন..." — এই পরিশ্রমী, ক্লান্তিহীন শ্রমের উপমা হিসেবে “চিনির বলদ”-ই যথাযথ।

তাই, উপযুক্ত উপমা:
মা সারাজীবন শুধু খেটেই গেলেন, যেন একটা চিনির বলদ।

অন্যদিকে,
• ‘আমড়া কাঠের ঢেঁকি ’ বাগধারাটির অর্থ - অপদার্থ।
• 'ননীর পুতুল' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - 'শ্রমবিমুখ'।
• 'চশমখোর' বাগধারাটির অর্থ- 'চক্ষুলজ্জাহীন'।

উংস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৭০.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. রূপনগর উচ্চবালিকা বিদ্যালয়
  2. রূপনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যলয়
  3. রূপনগর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়
  4. রূপনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• "রূপনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।" - বাক্যটি শুদ্ধ।

অপশন বিশ্লেষণ:
ক) রূপনগর উচ্চবালিকা বিদ্যালয়: এখানে "উচ্চবালিকা" একটি ভুল গঠন, কারণ "উচ্চ" এবং "বালিকা" আলাদা শব্দ এবং এভাবে যুক্ত করা প্রচলিত নয়। সঠিক হবে "বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়"।

খ) রূপনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যলয়: এখানে "বিদ্যলয়" বানানটি ভুল। বাংলায় সঠিক বানান হলো "বিদ্যালয়"। তাই এটি শুদ্ধ নয়।

গ) রূপনগর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়: এখানে "উচ্চবিদ্যালয়" এক শব্দে লেখা হয়েছে, প্রমিত বাংলায় "উচ্চ বিদ্যালয়" গ্রহণযোগ্য।

ঘ) রূপনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়: এটি সঠিক এবং প্রমিত। "বালিকা" সঠিকভাবে ব্যবহৃত, "উচ্চ বিদ্যালয়" দুটি শব্দ হিসেবে লেখা হয়েছে, এবং "বিদ্যালয়" বানানটি শুদ্ধ।

সঠিক উত্তর: ঘ) রূপনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

উৎস: প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম; বাংলা বানান প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ - ড. মোহাম্মদ আমীন।
৭১.
বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধদেব বসুকে কী বলা হয়?
  1. চিত্ররূপময় কবি
  2. সাহিত্যপতি
  3. সব্যসাচী লেখক
  4. নাগরিক কবি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) সব্যসাচী লেখক ও ঘ) নাগরিক কবি 
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 
-------------------

• বুদ্ধদেব বসু:

বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক, সমালোচক ও সম্পাদক। তিনি বাংলা সাহিত্যে বহুমাত্রিক অবদানের জন্য রবীন্দ্রনাথের পর সব্যসাচী লেখক হিসেবে খ্যাত। বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম সদস্য হিসেবে তিনি উল্লেখযোগ্য।

• তিনি ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পারিবারিক আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

নাগরিক কবি:
- বুদ্ধদেব বসুকে নাগরিক কবি বলা হয়৷ তার কাব্যে সমাজচেতনা বিশেষভাবে প্রকাশ না পেলেও বাস্তববাদিতা ও নাগরিক চেতনা প্রকাশে সর্বগ্রহণ্য৷
- সমর সেন, বুদ্ধদেব বসু ও শামসুর রাহমানের কবিতায় নাগরিক জীবনের ক্লেদজ জীবনের পরিচয় পাওয়া যায়। তাই তাদেরকে নাগরিক কবি বলা হয়।

অন্য অপশন,
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় বলেছেন। সুতরাং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় জীবনানন্দ দাশ চিত্ররূপময় কবি।
• বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। আধুনিক যুগের নাগরিক কবি শামসুর রাহমান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭২.
'Brochure' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. দলিল
  2. দালাল
  3. ঋণপত্র
  4. পুস্তিকা
ব্যাখ্যা
• Brochure এর বাংলা পরিভাষা- পুস্তিকা।

অন্যদিকে,
• Deed - দলিল;
• Debenture - ঋণপত্র
• Broker - দালাল।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
৭৩.
নিচের কোন মঙ্গলকাব্যে চাঁদ সওদাগরের বাণিজ্যিক অভিযান ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের ভূমিকা ফুটে উঠেছে?
  1. ধর্মমঙ্গল
  2. চণ্ডীমঙ্গল
  3. মনসামঙ্গল
  4. অন্নদামঙ্গল
ব্যাখ্যা
সাধারণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে মঙ্গলকাব্যে দেখা যায়:
• সমাজের নানা স্তরের মানুষের আচরণ, বিশ্বাস ও আচার।
• লোকায়ত ধর্মচর্চা, পরিবার, গ্রামীন পরিপ্রেক্ষিত।
• দেবতা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া বা সম্পর্ক।
• ধর্ম ছাড়াও মানবিকতা, ন্যায়-অন্যায় ইত্যাদির চিত্র।

• মনসামঙ্গল:
চাঁদ সওদাগরের বাণিজ্যিক অভিযান, সমুদ্রযাত্রা, এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের (বণিক, শ্রমিক, ভক্ত) ভূমিকা এই কাব্যে বিশদভাবে ফুটে উঠেছে।
চাঁদ সওদাগরের মনসা দেবীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব এবং তার বাণিজ্যিক জীবনের বিবরণ এই কাব্যের মূল বিষয়।
অর্থ্যাৎ,
- এ চাঁদ সওদাগরের বাণিজ্যিক অভিযান ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের ভূমিকা।

অন্যদিকে,
• চণ্ডীমঙ্গল- এ ধনপতি সওদাগরের গল্পে বণিক সম্প্রদায়ের প্রাধান্য এবং সামাজিক শ্রেণির গতিশীলতা।
• ধর্মমঙ্গল- এ নিম্নবর্গের মানুষের সংগ্রাম ও সামাজিক মর্যাদার প্রশ্ন।
• অন্নদামঙ্গল: দেবী অন্নপূর্ণার পূজা এবং ভবানন্দ মজুমদারের কাহিনি বর্ণিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।
৭৪.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ব্যঙ্গ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন-
  1. কালীপ্রসন্ন সিংহ
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
‘কল্পতরু’ উপন্যাস ও ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়:
• ‘কল্পতরু’ ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম ব্যঙ্গ-উপন্যাস, যা ১৮৭৪ সালে রচিত হয়। উপন্যাসটি সামাজিক ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের মাধ্যমে সমসাময়িক বাবু সংস্কৃতির নানা দিককে উদঘাটন করে। তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের অনুরোধে ইন্দ্রনাথ এই রচনাটি লেখেন।

• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায় এই উপন্যাসের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি কল্পতরুকে “বঙ্গভাষার একটি উৎকৃষ্ট উপন্যাস” বলে উল্লেখ করেন এবং মন্তব্য করেন যে,
“বাবু ইন্দ্ৰনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় একখানি মাত্র গ্রন্থ প্রচার করিয়া বাঙ্গালায় প্রধান লেখকদিগের মধ্যে স্থান পাইবার যোগ্য বলিয়া পরিচিত হইয়াছেন।”
তবে বঙ্কিমচন্দ্র এই উপন্যাসকে আলালের ঘরের দুলাল বা হুতোম প্যাঁচার নকশা-র ওপরে স্থান দিলেও, সেই মতের সঙ্গে সকলেই একমত হননি।

ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়:
জন্ম: বর্ধমান জেলায়।
পেশা: কলকাতা হাইকোর্টে ওকালতি।
সাহিত্যযাত্রা: প্রথম রচনা “উৎকৃষ্ট কাব্যম” (১৮৭০) একটি ব্যঙ্গাত্মক কাব্য।
অবদান: বাংলা সাহিত্যে ব্যঙ্গ ও হাস্যরসের অন্যতম প্রবর্তক হিসেবে খ্যাত।

প্রাসঙ্গিক উল্লেখযোগ্য তথ্য: 
• আলালের ঘরের দুলাল – বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস (প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত, ১৮৫৭)।
• হুতোম প্যাঁচার নকশা – কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত সামাজিক ব্যঙ্গচিত্রমূলক গদ্য।

তথ্যসূত্র:
– ‘কল্পতরু’ উপন্যাস (ভূমিকা), ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়;
– বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭৫.
আলাওল কার আদেশে পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন?
  1. দৌলত কাজী
  2. কোরেশী মাগন ঠাকুর
  3. দৌলত উজির বাহরাম খান
  4. আলাউদ্দিন খিলজি
ব্যাখ্যা
‘পদ্মাবতী’ কাব্য:
• পদ্মাবতী কবি আলাওলের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য। এটি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য।
• কাব্যটি প্রখ্যাত হিন্দি কবি মালিক মুহাম্মদ জায়সির ‘পদুমাবৎ/ পদুমাবত’ কাব্যের অনুবাদ।
• আলাওল ১৬৫১ সালে আরাকান রাজ সাদ থদোমিন্তারের রাজত্বকালে মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের আদেশে ‘পদ্মাবতী’ কাব্য রচনা করেন।

• কাব্যটিতে দুইটি পর্ব রয়েছে।  প্রথম পর্বে সিংহলের রাজকন্যা পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য চিতোররাজ রত্নসেনের সফল অভিযান এবং দ্বিতীয় পর্বে রানি পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির ব্যর্থ সামরিক অভিযানের বিবরণ আছে। 

---------------
•  আলাওল: 
- মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। 
- 'পদ্মাবতী' কবি আলাওলের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য।
- 'পদ্মাবতী' কবি মালিক মুহাম্মদ জয়সীর 'পদুমাবত' কাব্যের অনুবাদ। 

আলাওল রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ: 
- পদ্মাবতী,
- তোহফা,
- সপ্তপয়কার,
- সিকান্দারনামা ইত্যাদি। 

উল্লেখ্য,
- আধুনিক যুগের লেখক মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬০ সালে পদ্মাবতী নাটক রচনা করেন।
- এটি একটি পৌরাণিক নাটক গ্রিক পুরাণের ‘অ্যাপেল অব ডিসকর্ড’ গল্প অবলম্বনে রচিত।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া
৭৬.
"মধ্য স্বরাগম" এর বিকল্প নাম কী?
  1. বিপ্রকর্ষ
  2. সম্প্রকর্ষ
  3. স্বরভক্তি
  4. ক এবং গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি: 
- সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্যস্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ।
যেমন : গ্রাম > গেরাম।

আরো কয়েকটি উদাহরণ
- রত্ন > রতন,
- প্রীতি > পিরীতি,
- ধর্ম > ধরম,
- স্বপ্ন > স্বপন ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ: 
শব্দের মধ্যবর্তী কোন স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ বলে। যেমন, ‘বসতি’ (ব+অ+স+অ+ত+ই)-র মাঝের ‘অ’ স্বরধ্বনি লোপ পেয়ে হয়েছে ‘বস্তি’ (ব+অ+স+ত+ই)। 

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৭৭.
'ঙ্ক' কোন কোন বর্ণ নিয়ে গঠিত?
  1. (ণ্‌+ক)
  2. (ন্‌+ক)
  3. (ঙ্‌+ক)
  4. (ম্‌+ক)
ব্যাখ্যা
• 'ঙ্ক' যুক্তবর্ণটি (ঙ্‌ + ক) বর্ণ নিয়ে গঠিত।

• যুক্তবর্ণ:
- একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
- যুক্ত হওয়া বর্ণগুলােকে দেখে কখনাে সহজে চেনা যায়, কখনাে সহজে চেনা যায় না।
- এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।

• স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
- জ্জ, ক্ট, জ্ঝ, ঞ্ঝ, ড্ড, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, ন্স, প্ট, প্ত, ব্জ ইত্যাদি।

• অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
- ক্ত (ক্‌+ত), ক্ম (ক্‌+ম), ক্ষ (ক্‌+ষ), ক্ষ্ম (ক্‌+ষ্‌+ম), ক্স (ক্‌+স), গ্ধ (গ্‌+ধ), ঙ্ক (ঙ্‌+ক), জ্ঞ (জ্‌+ঞ) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
৭৮.
পদকর্তা 'কাহ্নপা' কতটি পদ রচনা করেন?
  1. দুইটি
  2. বারোটি
  3. তেরোটি
  4. আটটি
ব্যাখ্যা
কাহ্নপা:
- চর্যাপদের পদকর্তার মধ্যে সর্বাধিক পদ রচনা করেন- কাহ্নপা।
- তিনি ছিলেন সহজিয়া তান্ত্রিক বৌদ্ধযোগী।
- তিনি ধর্মশাস্ত্র ও সঙ্গীত শাস্ত্র উভয় দিকেই দক্ষ ছিলেন।
কাহ্নপা ১৩টি পদ রচনা করেন। কাহ্নপা রচিত ২৪ নং পদটি পাওয়া যায় নি।
- চর্যাপদে তাঁর কাহ্নিল, কাহ্নি, কৃষ্ণচর্য, কৃষ্ণবজ্রপাদ, কাহ্নু নাম পাওয়া যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭৯.
'পাখির ডাক' - এর এক কথায় প্রকাশ কী?
  1. হ্রেষা
  2. কূজন
  3. বৃংহিত
  4. টঙ্কার
ব্যাখ্যা
• 'পাখির ডাক' এর এক কথায় প্রকাশ - কূজন।

অন্যদিকে,
- 'ধনুকের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ - টঙ্কার।
- ‘ঘোড়ার ডাক’ এর এক কথায় প্রকাশ - হ্রেষা।
- ‘হাতির গর্জন’ এর এক কথায় প্রকাশ - বৃংহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮০.
২০২৫ সালে কাজী নজরুল ইসলামের কততম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়?
  1. ১২০তম
  2. ১২১তম
  3. ১২৩তম
  4. ১২৬তম
ব্যাখ্যা
• ২০২৫ সালে কাজী নজরুল ইসলামের — ১২৬তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়।

কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর ডাক নাম ছিলো - ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় তার বিখ্যাত কবিতা ‘বিদ্রোহী’ যা বাংলা সাহিত্যে সৃষ্টি করে নতুন এক ধারা।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৮১.
মাত্রাহীন স্বরবর্ণ কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
• মাত্রাহীন স্বরবর্ণের ৪টি- এ, ঐ, ও, ঔ।

• মাত্রাহীন বর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ১০ টি। 
- এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এ, ঐ, ও, ঔ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ) ।

 • অর্ধমাত্রার বর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি। 
- এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)। 

• পূর্ণমাত্রার বর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণ মাত্রার বর্ণ ৩২টি। 
- এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি।

সূত্র: বাংলা ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২.
'বিদ্যাভূষণ' কোন সাহিত্যিকের উপাধি?
  1. শেখ ফজলুল করিম
  2. কায়কোবাদ
  3. গোলাম মোস্তফা
  4. আবদুল হক
ব্যাখ্যা
• কায়কোবাদ (১৮৫৭-১৯৩৮):
জন্ম: ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা গ্রামে।
প্রকৃত নাম: মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী।
ছদ্মনাম: কায়কোবাদ।

কর্মজীবন ও কাব্য:
সাহিত্যিক অবদান: বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট ও মহাকাব্য রচয়িতা।
প্রথম কাব্য: তেরো বছর বয়সে ‘বিরহবিলাপ’ কাব্যটি প্রকাশিত হয়।

বিশিষ্ট উপাধি লাভ:
- নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ কর্তৃক কাব্যভূষণ, বিদ্যাভূষণ ও সাহিত্যরত্ন উপাধি প্রদান।

অন্যদিকে,
• 'শেখ ফজলুল করিম' এর উপাধি - সাহিত্য বিশারদ।  
• 'কলমসৈনিক' আবদুল হকের উপাধি।
• গোলাম মোস্তফা'র উপাধি - কাব্য সুধাকর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৮৩.
'কলাবতী' শব্দের অর্থ কী?
  1. শিল্প জ্ঞানী
  2. শিল্প রসিক
  3. অপ্সরাবিশেষ
  4. অতি লজ্জাশীলা বধূ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'কলাবতী' অর্থ - অপ্সরাবিশেষ।



উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৮৪.
আলাউদ্দিন আল আজাদ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. নরসিংদী
  3. গাজীপুর
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
• আলাউদ্দিন আল আজাদ:
- আলাউদ্দিন আল আজাদ একজন  শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক।
- তিনি ১৯৩২ সালের ৬ মে, নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত কবিতা 'স্মৃতিস্তম্ভ' মানচিত্র কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। 

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মসমূহ:
 • উপন্যাস:
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র, 
- শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন, 
- কর্ণফুলী, 
- ক্ষুধা ও আশা, 
- খসড়া কাগজ, 
- স্বপ্নশিলা, 
- বিশৃঙ্খলা।  

• কাব্যগ্রন্থ:
- মানচিত্র, 
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ, 

• গল্পগ্রন্থ:
- জেগে আছি, 
- মৃগনাভি, 
- ধানকন্যা, 
- যখন সৈকত, 
- অন্ধকার সিঁড়ি, 
- জীবনজামিন,  
- আমার রক্ত স্বপ্ন আমার। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮৫.
'আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও'- পঙ্‌ক্তিটি কোন কবির লেখা?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. বন্দে আলী মিয়া
  3. জসীম উদ্‌দীন
  4. আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
• "আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও" - পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা - জসীম উদ্‌দীন।
--------------------- 
আসমানী - কবিতা,
– জসীম উদ্‌দীন।

আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,
রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।
বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি,
একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।
--------------------- 
জসীম উদ্‌দীন: 
- কবি জসীম উদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। 
- পুরো নাম মোহাম্মদ জসীমউদ্দীন মোল্লা হলেও তিনি জসীমউদ্দীন নামেই পরিচিত। 
- তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
- কবি জসীম উদ্‌দীন রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য।
- এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M Millford গ্রন্থটি ''Field of the Embroidery Quilt'' শিরোনামে অনুবাদ করেন।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: 
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৩) আসমানী - কবিতা।
৮৬.
বঙ্কিমচন্দ্র রচিত 'মৃণালিনী' কোন ধরনের উপন্যাস?
  1. মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস
  2. ঐতিহাসিক উপন্যাস
  3. রাজনৈতিক উপন্যাস
  4. সামাজিক উপন্যাস
ব্যাখ্যা
• মৃণালিনী:
- ‘মৃণালিনী’ (১৮৬৯) ত্রয়োদশ শতাব্দীর বাংলাদেশ ও তুর্কি আক্রমণ এর ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর দেশাত্মবোধ এবং ইতিহাস জিজ্ঞাসার প্রথম প্রকাশ এই উপন্যাসে।
- ঐতিহাসিক ঘটনার অন্তরালে হেমচন্দ্র-মৃণালিনী এবং পশুপতি-মনোরমার প্রেমকাহিনি এই উপন্যাসে প্রধান হয়ে উঠেছে।
- ইতিহাসের উপাদান নিয়ে এখানে জীবনকে মুখ্য করা হয়েছে।

• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- তিনি ১৮৩৮ সালে চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- পিতা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রথম দিকে ছিলেন ব্রিটিশ উপনিবেশিক সরকারের একজন কর্মকর্তা, পরে হুগলির ডেপুটি কালেক্টর হন।
- ১৮৫৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের যে দুজন ছাত্র বিএ পাস করেন, বঙ্কিমচন্দ্র ছিলেন তাঁদের একজন।
- তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর পদে চাকরি করেন।
- তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ কর্তৃপক্ষ তাঁকে ১৮৯১ সালে 'রায়বাহাদুর' এবং ১৮৯৪ সালে 'Companion of the Most Eminent Order of the Indian Empire' (CMEOIE) উপাধি প্রদান করে।
- চবিবশ পরগনা জেলার বারুইপুরে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট থাকা অবস্থায় বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর প্রথম দুটি বিখ্যাত উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫) ও 'কপালকুণ্ডলা' (১৮৬৬) রচনা করেন।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলো:
- দুর্গেশনন্দিনী,
- কপালকুণ্ডলা,
- রাজসিংহ,
- রজনী,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- চন্দ্রশেখর,
- আনন্দমঠ,
- দেবী চৌধুরাণী,
- সীতারাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৮৭.
'নন্দিত' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. ঘৃণা
  2. বিষণ্ণ
  3. আনন্দিত
  4. নিন্দিত
ব্যাখ্যা
• 'নন্দিত' শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ - 'নিন্দিত'।

এখানে,
নন্দিত (বিশেষণ) - আনন্দিত; সন্তোষপ্রাপ্ত, প্রশংসা, প্রশংসিত।
নিন্দা, নিন্দিত (বিশেষ্য) - নিন্দা করা হয়েছে এরূপ; অপবাদিত।

আরো কিছু বিপরীতার্থক শব্দ:
- 'প্রসন্ন' এর বিপরীত শব্দ - বিষণ্ণ।
- 'নিদ্রিত' এর বিপরীত শব্দ - জাগ্রত।
- 'নিয়ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরত।
- 'হর্ষ/হরিষ' এর বিপরীত শব্দ - বিষাদ।
- 'সন্ধি' এর বিপরীত শব্দ - বিগ্রহ/বিবাদ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৮৮.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস-
  1. ফেরারী সূর্য
  2. কবর
  3. আর্তনাদ
  4. জলাংগী
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস - আর্তনাদ
- এটি শওকত ওসমান রচনা করেন।
- উপন্যাসটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে, 
• মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক - কবর।
• 'ফেরারী সূর্য’ রাবেয়া খাতুন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ।
• শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস - জলাংগী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
৮৯.
চণ্ডীচরণ মুনশী কোন প্রতিষ্ঠানে বাঙালা ভাষার অধ্যাপক ছিলেন?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. সংস্কৃত কলেজ
  3. প্রেসিডেন্সি কলেজ
  4. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
ব্যাখ্যা
• চণ্ডীচরণ মুনশী:
চণ্ডীচরণ মুনশী অষ্টাদশ শতাব্দীতে আবির্ভূত ব্রিটিশ ভারতের একজন বাঙ্গালী লেখক এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাঙালা ভাষার অন্যতম অধ্যাপক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

- তাঁর রচিত গ্রন্থ 'তোতা ইতিহাস' একটি উপাখ্যান যা বাঙালা গদ্য সাহিত্যের অন্যতম আদি নিদর্শন।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮০৫ খ্রিষ্টাব্দে।
- এটি ফারসি সাহিত্য থেকে অনুবাদকৃত।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৯০.
'পথে প্রবাসে' কার রচনা?
  1. জসীম উদ্‌দীন
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. অন্নদাশঙ্কর রায়
  4. সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• 'পথে প্রবাসে' ভ্রমণকাহিনিটির রচয়িতা — অন্নদাশঙ্কর রায়।
- গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৩১ সালে।
----------------------
• অন্নদাশঙ্কর রায়:
- অন্নদাশঙ্কর রায় একজন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি, চিন্তাবিদ।
- তিনি উনিশ শতকের বাঙালি রেনেসাঁ ঐতিহ্যের শেষ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অভিহিত।
- অন্নদাশঙ্কর রায় 'লীলাময় রায়' ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেছেন।

• অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত উপন্যাস:
- অসমাপিকা,
- আগুন নিয়ে খেলা,
- পুতুল নিয়ে খেলা,
- সত্যাসত্য ইত্যাদি।

• উল্লেখযোগ্য ভ্রমণকাহিনী:
- পথে প্রবাসে,
- ইউরোপের চিঠি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৯১.
Which of the following is written by P. B. Shelley?
  1. Tintern Abbey
  2. Ode to the Skylark
  3. Ode to Autumn
  4. Kubla Khan
ব্যাখ্যা
• 'Ode to the Skylark' is a poem written by P. B. Shelley.

To a Skylark:
- এটি একটি lyric poem.
- Skylark চড়ুই এর মতো দেখতে একটি পাখি।
- কবি একে চাঁদ এর আলোর সাথে তুলনা করেন।
- কবির মনে এটি joyous spirit of the divine এর প্রতীক।
- তিনি skylark হবার ইচ্ছা পোষণ করেন।
- এর গান থেকে তিনি আত্মার প্রেরণা খুঁজে পান। তিনি মনে করে এর গান স্বর্গীয়।
- এই কবিতায় কবির সুনিপুণ কাব্য দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
- কবিতায় দেখা যায়, স্বর্গীয় আনন্দের প্রতীক হিসেবে মৃত্যু থেকে বেপরোয়া হয়ে অনেক উঁচুতে পাখি উড়ছে।
- কবিও Sky-Lark পাখিটার মতো হতে চান যাকে কখনো দুঃখ-বেদনা কিংবা হতাশা স্পর্শ করেনি।

• P. B. Shelley (1792-1822):
- তার পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
- P. B. Shelley ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজি কবি এবং রোমান্টিক আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব। তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি ছিলেন একজন ইংরেজ রোমান্টিক কবি, যিনি তাঁর বিপ্লবী ধারণা, কল্পনাপ্রসূত সঙ্গীতশৈলী এবং সামাজিক পরিবর্তনের জন্য প্রবল সমর্থনের জন্য পরিচিত।
- তিনি রোমান্টিক আন্দোলনের একজন অগ্রগণ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হন এবং তাঁর ভাষা এবং বিষয়ের উদ্ভাবনী ব্যবহারের জন্য প্রশংসিত।
- তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজের পরিবর্তনের জন্য একটি গুনগত বিপ্লবের প্রয়োজন।
- এজন্য তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poet হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তাঁর নিরন্তর লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যতের জন্য একটি গৌরবময় স্বর্ণযুগ নিয়ে আসা।

• Famous poems:
- Ode to the West Wind,
- To a Skylark,
- Adonais,
- Ozymandias,
- The Cloud,
- When Soft Voices Die,
- To Night,
- Song of Proserpine, etc.

• Plays:
- Prometheus Unbound (Tragedy),
- Cenci (Tragedy).

অন্যদিকে,
ক) Tintern Abbey: Lines Composed a Few Miles Above Tintern Abbey হলো Wililiam Wordsworth -এর কবিতা।
গ) Ode to Autumn হলো- John Keats -এর লিখা কবিতা।
ঘ) Kubla Khan or, a Vision in a Dream হলো- S. T. Coleridge -এর লিখা কবিতা।

Source: Britannica.
৯২.
“I wonder, by my troth, what thou and I Did, till we loved?”
Who uttered this?
  1. John Donne
  2. William Wordsworth
  3. P.B. Shelley
  4. George Herbert
ব্যাখ্যা
• “I wonder, by my troth, what thou and I Did, till we loved?
- অর্থাৎ, আমার বিশ্বাসের কসম, আমি বিস্মিত হই ভেবে যে- তুমি আর আমি—ভালোবাসার আগে কী করতাম?"
- This is uttered by John Donne.
- এটি তার বিখ্যাত কবিতা 'The Good-Morrow' এর প্রথম লাইন।

• The Good Morrow:
- "The Good Morrow" বিখ্যাত কবিতাটি লিখেছেন মেটাফিজিকাল কবি হিসেবে পরিচিত John Donn.
- এটি ১৬৩৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- The main theme of the poem is love.
- It mainly describes a conversation between the speaker and his lover.

• Summary:
- 'The Good Morrow' কবিতাটি John Donne রচিত একটি প্রেমের কবিতা, যেখানে দুটি প্রেমিক একে অপরের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও আত্মিক সম্পর্কের কথা ব্যক্ত করেছেন। কবিতায়, কবি তার প্রেমিকার সঙ্গে তাদের সম্পর্কের আগে জীবন কেমন ছিল, তা নিয়ে ভাবনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তাদের জীবন ছিল শূন্য, যেমন শিশুদের মতো, কিন্তু প্রেমের মাধ্যমে তাদের জীবন পূর্ণতা পেয়েছে। কবি তার প্রেমিকার সঙ্গে এমন একটি সম্পর্কের কথা বলেন যেখানে দুজন একে অপরের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস ও ভালোবাসা রাখে, এবং তাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো শঙ্কা বা ভয় নেই। শেষের দিকে, কবি বিশ্বাস করেন যে, তাদের ভালোবাসা এমন এক সম্পর্ক যেখানে কোনো বিচ্ছেদ বা মৃত্যু নেই, কারণ তারা একে অপরকে সম্পূর্ণভাবে ভালোবাসে।

• এই কবিতার বিখ্যাত উক্তি:
- “I wonder, by my troth, what thou and I Did, till we loved?"
- "Love all love of other sights controls,
And makes one little room an everywhere."

• John Donne (1572-1631):
- John Donne ছিলেন Renaissance যুগের একজন অন্যতম বিখ্যাত কবি।
- Metaphysical poetry -এর জনক বলা হয় John Donne কে।
- তিনি আধ্যাত্মিক কবিতার সূচনা করেছিলেন তাই তাকে Father of Metaphysical poetry বলা হয়।
- এছাড়াও তিনি Poet of Love and Religious হিসেবেও পরিচিত।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর John Done -এর কবিতা দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত হয়েছিলেন।

• His famous quotes:
- "For God's sake, hold your tongue, and let me love."
- "I am two fools, I know,
For loving, and for saying so
In whining Poetry."
- "Love's mysteries in souls do grow,
But yet the body is his book."
- "I wonder by my truth, what thou and I did till we love."
- "She's all states and all princess I, Nothing else is."

• His famous poems are:

- The Good-Morrow,
- The Canonization,
- The Flea,
- The Ecstasy,
- The Sun Rising,
- Twicknam Garden,
- For Whom The Bell Tolls,
- A Valediction: Forbidding Mourning, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.
৯৩.
"Murder in the Cathedral" is-
  1. A historical novel
  2. A poetic drama
  3. An elegy
  4. A short story
ব্যাখ্যা
• "Murder in the Cathedral" is a poetic drama.

• Murder in the Cathedral:
- "Murder in the Cathedral" হলো Thomas Stearns Eliot রচিত একটি কাব্যনাট্য (poetic drama), যা দুটি অংশে বিভক্ত এবং যার মধ্যে একটি গদ্যধর্মী ধর্মোপদেশ (sermon interlude) রয়েছে।
- এটি এলিয়টের সবচেয়ে সফল নাটক এবং প্রথমবার ১৯৩৫ সালে Canterbury Cathedral -এ মঞ্চস্থ হয় ও একই বছরে প্রকাশিত হয়।
- St. Thomas Becket -কে Canterbury Cathedral বা গীর্জাতে রাজা হেনরি কর্তৃক অন্যায় ভাবে নিহত করার ঘটনাটি এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
- এজন্য এই নাটকটিকে Miracle Play বা Saint’s Play ও বলা হয়ে থাকে।
- এটি রাজনীতি ও ধর্মের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং আত্মোৎসর্গের মহিমা নিয়ে লেখা এক গভীর দার্শনিক নাট্যকর্ম।
- নাটকটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল প্রাচীন গ্রিক নাটকের ধরনে কোরাসের (Chorus) ব্যবহার।

• T. S. Eliot (1888-1965):
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- T.S. Eliot ছিলেন একজন প্রখ্যাত আমেরিকান কবি, নাট্যকার, এবং সাহিত্য সমালোচক, যিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যে তাঁর অভিনব রচনা এবং গুরত্বপূর্ণ চিন্তাধারার জন্য পরিচিত।
- Eliot -কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়।
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি নোবেল পুরস্কার অর্জনকারী একজন কবি, যিনি আধুনিক কবিতার ধারায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।

• His famous plays:
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Family Reunion,
- The Elder Statesman,
- The Trail of a Judge, etc.

• poems:
- The Waste Land,
- Ash Wednesday,
- Four Quartets,
- The Sacred Wood (Collection of Essays), etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
৯৪.
Who wrote the play 'Exiles'?
  1. G. B. Shaw
  2. Thomas Hardy
  3. James Joyce
  4. Oscar Wilde
ব্যাখ্যা
• The play 'Exiles' was written by James Joyce.

• Exiles:
- Irish author James Joyce রচিত একটি নাটক, যা প্রথম ১৯১৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- নাটকটি পরশ্রীকাতরতা, বিশ্বস্ততা, স্বরূপ এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও সামাজিক প্রত্যাশার মধ্যে সংগ্রামের মত বেশ জটিল বিষয় নিয়ে রচিত।
- এটি Richard Rowan নামক একজন আইরিশ পুরুষের গল্প, যে ইউরোপে নির্বাসিত হয়ে বসবাস করে, এবং তার স্ত্রী Bertha, এবং close friend, Robert -এর সাথে সম্পর্কের সমস্যাগুলোর উপর ভিত্তি করে লেখা।

• Main characters:
- Richard Rowan,
- Bertha,
- Robert, etc.

• James Joyce (1882-1941):
- James Joyce was an Irish novelist.
- Joyce ভাষার পরীক্ষামূলক ব্যবহার এবং নতুন সাহিত্যিক পদ্ধতির অনুসন্ধানের জন্য পরিচিত।
- Modern Period -এর বিখ্যাত উপন্যাসিকদের মধ্যে James Joyce অন্যতম।
- তাকে আধুনিক সাহিত্যের অন্যতম প্রধান চরিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- Ulysses হলো James Joyce রচিত বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
- James Joyce তার 'Stream of Consciousness' (চেতনার অন্তঃশীল প্রবাহ) টেকনিকের জন্যে বিখ্যাত।

• Notable Works:
- A Portrait of the Artist as a Young Man,
- Chamber Music,
- Ulysses,
- Exiles,
- Stephen Hero,
- Dubliners,
- The Dead,
- The Sisters, etc.

Source: Britannica.
৯৫.
"The moon smiled at me through the window."
This is an example of-
  1. Personification
  2. Metaphor
  3. Irony
  4. Simile
ব্যাখ্যা
• "The moon smiled at me through the window."
- This is an example of- ক) Personification.

- Personification হলো এমন একটি literary device যেখানে জড় বস্তু বা প্রাণহীন জিনিসকে মানুষের গুণাবলী দেওয়া হয়।
- যেমন: "The moon smiled at me" - চাঁদ আমার দিকে তাকিয়ে হাসল।
- বাস্তবে চাঁদ তো হাসতে পারে না। এখানে চাঁদকে মানুষের মতো একটি কাজ করতে দেখানো হয়েছে, অর্থাৎ, ব্যক্তিরূপে প্রকাশ করা হয়েছে.
- তাই এটি Personification এর উদাহরণ। 

• Personification (ব্যক্তিরূপ দান):
- A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life.
- অর্থাৎ নির্জীব বা জড় বস্তুকে ব্যক্তিরূপে প্রয়োগ করার কৌশল।
- Personification এর মাধ্যমে কোন জড় বস্তুকে কাল্পনিক জীবন দান করে সেগুলোকে উপমা হিসাবে লেখায় ব্যবহার করা হয়। 

অন্যদিকে,
• Metaphor:
- Metaphor involves - Implicit comparison.
- Metaphor is an implicit comparison between two different things.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।
- যেমন: Time is a thief that steals our moments.

• Irony (বিদ্রূপ):
- Irony is when there are two contradicting meanings of the same situation, event, image, sentence, phrase, or story.
- In many cases, this refers to the difference between expectations and reality.
- বক্তব্য জোরালো করতে নিজ চিন্তার সম্পূর্ণ বিপরীত কিছু বলে মনোভাব ব্যক্তকরণ; বক্রাঘাত।
- অর্থাৎ, নিন্দার ছলে প্রশংসা বা প্রশংসার ছলে নিন্দা করা।
- যেমন: Brutus is an honourable man.

• Simile:
- A simile is an explicit comparison between two different things.
- Usually as and like are used in it.
- In simile the resemblance is explicitly indicated by the words.
- দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
- উপমেয়ের সাথে উপমানের সাদৃশ্য কল্পনা করা।
- যেমন: She is as innocent as a lamb.

Source:
1. Literary terms.net
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৯৬.
The Return of the Native is a/an ______.
  1. Elizabethan novel
  2. Modern novel
  3. Victorian novel
  4. Romantic novel
ব্যাখ্যা
• "The Return of the Native" is a গ) Victorian novel.

• The Return of the Native:
- এটি Victorian peroid -এর ইংরেজ লেখক Thomas Hardy -এর একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস, যা ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এর কাহিনি এগিয়ে চলে ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কাল্পনিক মরুভূমি (Egdon Heath) এগডন হিথ-এ।

• Summary:
- উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র Clym Yeobright, যে প্যারিসে একজন সফল গহনার ব্যবসায়ী হিসেবে কর্মজীবন কাটানোর পর স্বদেশে ফিরে আসেন শিক্ষক হওয়ার উদ্দেশ্যে। তিনি স্থানীয় স্কুলে শিক্ষকতা করতে চান। এদিকে, তার স্ত্রী ইউস্টেসিয়া ভি (Eustacia Vye) শহুরে জীবনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ইগডন হিথে বসবাস করছেন। ইউস্টেসিয়া স্থানীয় মদ্যপানকারী ড্যামন উইলডেভ (Damon Wildeve) -এর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন, যা পরবর্তীতে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। পরিণামে, ইউস্টেসিয়া এবং ড্যামন উভয়ই দুঃখজনক পরিণতির শিকার হন।
- এই উপন্যাস ট্র্যাজেডি, প্রেম, এবং ভাগ্যের সঙ্গে মানুষের লড়াইয়ের এক অনবদ্য চিত্র তুলে ধরে।

• Main characters:
- Clym Yeobright,
- Eustacia Vye,
- Thomasin Yeobright,
- Damon Wildeve, etc.

• Thomas Hardy (1840-1928):
- Thomas Hardy ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান লেখক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি মূলত বাস্তববাদ (Realism) এবং প্রকৃতিবাদ (Naturalism) সাহিত্যধারার অনুসারী ছিলেন।
- তার উপন্যাসগুলোতে ইংল্যান্ডের গ্রামীণ জীবন, সামাজিক কুসংস্কার, প্রেম, ট্র্যাজেডি এবং নিয়তির বিরুদ্ধে মানুষের সংগ্রামকে গভীরভাবে চিত্রিত করা হয়েছে।
- He was also a regional novelist and a poet কারণ একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- তিনি Victorian peroid-এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাসিক বিবেচিত হয়।

• Notable works:

- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- A Pair of Blue Eyes,
- The Return of the Native,
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge,
- Jude the Obscure, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৯৭.
An elegy, "Lycidas" was composed by-
  1. John Milton
  2. John Keats
  3. Francis Bacon
  4. Andrew Marvell
ব্যাখ্যা
• An elegy, "Lycidas" was composed by John Milton.

• Lycidas (elegy):
- এটি একটি শোকগাঁথা।
- এটি তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু Edward King-এর আকস্মিক মৃত্যুতে লেখা হয়, যিনি জাহাজডুবিতে মারা যান।
- "Lycidas" একটি বিখ্যাত শোকগাথা বা elegy, যা John Milton লিখেছেন ১৬৩৭ সালে।
- কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৬৩৮ সালে।
- এটি একটি Pastoral elegy, যেখানে কবি প্রকৃতি ও ধর্মীয় প্রতীকের মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেন।
- এই কবিতায় মিল্টন দুঃখ ও মৃত্যু নিয়ে গভীর ভাবনা প্রকাশ করেছেন এবং একজন কবির দায়িত্ব ও সৃষ্টিশীলতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

• John Milton (1608-1674):
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- Milton is best known for Paradise Lost.
- it is widely regarded as the greatest epic poem in English.

• Notable works:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- On Shakespeare (First published poem), etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৯৮.
Jane Austen is _______
  1. A Victorian Novelist
  2. A Romantic Novelist
  3. A Neoclassical Novelist
  4. A Modern Poet
ব্যাখ্যা
• Jane Austen is a Romantic Novelist.

• Jane Austen (1775-1817):
- তিনি একজন English novelist.
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক।
- তাঁর লেখাগুলো উনিশ শতকের প্রথম ভাগের ইংরেজ সমাজের বাস্তবচিত্র তুলে ধরে।
- Her works remain timeless, often being adapted into films, TV shows, and stage productions.
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.

• Notable works:
• Novels:
- Sense and Sensibility (1811),
- Pride and Prejudice (1813),
- Mansfield Park (1814),
- Northanger Abbey (published posthumously in 1818),
- Persuasion (published posthumously in 1818),
- Emma (1815), etc.

Source: Britannica.
৯৯.
The character 'Eliza Doolittle' was created by-
  1. Emily Bronte
  2. Ernest Hemingway
  3. George Bernard Shaw
  4. Charles Dickens
ব্যাখ্যা
• The character 'Eliza Doolittle' was created by G. B Shaw.

• Pygmalion:
- It is a romance comedy play in five acts written by G. B Shaw.
- এই নাটকটি ১৯১৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- The play is a humane comedy about love and the English class system.
- অর্থাৎ, ইংল্যান্ডের তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থা এবং প্রেম ভালোবাসা এই নাটকের বিষয়বস্তু।

• Summary
- নাটকের প্রধান চরিত্র Henry Higgins, একজন ভাষাবিদ, যিনি দরিদ্র ফুল বিক্রেতা এলিজা Eliza Doolittle কে উচ্চবিত্তের মতো কথা বলতে শেখানোর চ্যালেঞ্জ নেন। হেনরি বিশ্বাস করেন, ভাষা পরিবর্তনের মাধ্যমে মানুষের সামাজিক অবস্থানও পরিবর্তন করা সম্ভব। Eliza Doolittle এর পরিবর্তন ধীরে ধীরে ঘটে, কিন্তু তার আত্মসম্মানবোধও বাড়তে থাকে। নাটকটি ভাষার প্রভাব, শ্রেণী ব্যবধান, এবং ব্যক্তিত্ব বিকাশের বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।

• Main Characters:
- Alfred Doolittle,
- Mrs. Higgins,
- Ezra D. Wannafeller,
- Eliza Doolittle (central female character),
- Henry Higgins,
- Colonel Pickering,
- Clara Eynsford Hill,
- Freddy Eynsford Hill, etc.

• G. B. Shaw (1856-1950):
- George Bernard Shaw একজন প্রভাবশালী আইরিশ নাট্যকার, সমালোচক এবং সামাজিক সংস্কারক।
- তিনি 'Modern period' -এর বিখ্যাত নাট্যকার।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- He is best known for his witty and thought-provoking plays that often challenged societal norms and conventions.
- George Barnard Shaw is the greatest dramatist of modern English literature.
- G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
- Shaw ছিলেন Irish Literary Revival -এর একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব এবং আধুনিক নাটকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Man and Superman; (Comedy play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Mrs. Warrens' Profession,
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc, etc.

Source: Britannica.
১০০.
Who said, “Beauty is truth, truth beauty”?
  1. William Wordsworth
  2. John Keats
  3. P. B. Shelley
  4. Edmund Burke
ব্যাখ্যা
• “Beauty is truth, truth beauty.”
- This is said by John Keats
- এই উক্তিটি John Keats -এর 'Ode on a Grecian Urn' থেকে নেয়া। 

• উদ্ধৃতিটি কবিতার শেষ দুটি লাইন:
- "Beauty is truth, truth beauty, – that is all
Ye know on earth, and all ye need to know."
- অর্থাৎ, মানুষ যদি এটাই বোঝে — যে সৌন্দর্যই সত্য এবং সত্যই সৌন্দর্য — তবে তার আর কিছু জানার দরকার নেই।

• Ode on a Grecian Urn:
- Ode on a Grecian Urn (Poem) is written by John Keats.
- এটি Romantic Period এর উল্লেখযোগ্য কবিতাদের মধ্যে অন্যতম।
- এটি 5 stanza বিশিষ্ট কবিতা যা ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- একটি Grecian urn এর উপর অঙ্কিত শিল্পকর্মের কথা উঠে এসেছে এই কবিতায়।
- যার মাধ্যমে কবি, শিল্প, সৌন্দর্য আর সত্যের সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন।

• John Keats (1795-1821):
- John Keats একজন English Romantic lyric poet ছিলেন।
- তিনি প্রকৃতি, সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়ে গভীরভাবে লিখেছেন।
- তিনি মাত্র ২৬ বছর বয়সে মারা গেলেও, তার লেখা কবিতা তাকে চিরস্মরণীয় কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে আছে, sonnets, odes, and epics ইত্যাদি।
- তার কাব্য সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব অভিজ্ঞতার গভীর উপলব্ধির জন্য আজও বিশ্ব সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে।

• Famous Quotations of John Keats:
- "Beauty is truth, truth beauty."
- "A thing of beauty is a joy forever:
Its loveliness increases; it will never
Pass into nothingness." (Endymion)
- "Heard melodies are sweet, but those unheard
 Are sweeter." (Ode on a Grecian Urn)
- "Where are the songs of spring? Aye, where are they?" (To Autumn)

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.
১০১.
The saying "When in Rome, do as the Romans do" refers to the importance of-
  1. Behave like a king
  2. Act one's own everywhere
  3. Saving time
  4. Adjust to local customs
ব্যাখ্যা
• The saying "When in Rome, do as the Romans do" refers to the importance of- ঘ) Adjust to local customs.

• When in Rome (do as the Romans do)
- English Meaning: When you are visiting another place, you should follow the customs of the people in that place.
- Bangla Meaning: যখন কেউ অন্য কোনো জায়গায় যায়, তখন তার সেই জায়গার রীতিনীতি অনুসরণ করা উচিত।

- এটি প্রবাদ বাক্য হিসেবে ব্যবহার হয়, যার অর্থ- ‘যস্মিন দেশে যদাচারঃ' বা যে দেশের যে বাউ।
- This proverb advises that when you are in a different culture or place, it's wise and respectful to follow the customs and traditions of that place.
- অর্থাৎ, আপনি যখন অন্য কোনো স্থানে বা সংস্কৃতিতে যান, তখন সেখানকার নিয়ম-কানুন ও রীতিনীতির সাথে খাপ খাইয়ে চলা উচিত।

• Example in English:
- When I visited Japan, I noticed everyone removed their shoes before entering a house. So, I did the same—when in Rome, do as the Romans do.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2.  Live MCQ lecture.
১০২.
Verb form of 'Taxation' is-
  1. Taxo
  2. Taxable
  3. Tax
  4. Taxing
ব্যাখ্যা
• Verb of 'Taxation' is- গ) Tax.

• Taxation (Noun)
- English Meaning: The action of taxing; revenue obtained from taxes.
- Bangla Meaning: করারোপের মাধ্যমে অর্থসংগ্রহ প্রদানযোগ্য করের পরিমাণ।

• Tax (Noun, verb)
- English Meaning: a charge usually of money imposed by authority on persons or property for public purposes; impose a tax on (someone or something).
- Bangla Meaning: কর; খাজনা। (১) করারোপ করা। (২) বোঝা চাপানো; চাপ দেওয়া।

• অন্যদিকে,
ক) Taxo
- "Taxo" (Latin) signifies "to estimate," "to appraise," or "to value". This is the origin of the English word "tax".
- Biological Prefix: "Taxo-" (Greek) means "order" or "arrangement" and is used in scientific terms like "taxonomy," which is the science of classifying organisms. 

খ) Taxable (adjective) করারোপযোগ্য।

ঘ) Taxing
- Taxing is the present participle or gerund form of the verb "tax," but not the base form.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
১০৩.
Rupa went to ___ prison as ___ perpetrator.
  1. the, no article
  2. No article, a
  3. the, a
  4. no article, no article
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: Rupa went to prison as a perpetrator.
- Bangla Meaning: রুপা একজন অপরাধী হিসেবে কারাগারে যান।

• Article -এর নিয়মানুযায়ী,
- School, college, market, bed, hospital, prison, mosque, temple, church, court ইত্যাদি মূখ্য উদ্দেশ্যে (যেটা যেটার জন্য নির্মিত) ব্যবহৃত হলে এদের পূর্বে কোন Article বসে না।
- যেমন: Rupa went to prison as a perpetrator.

• তবে স্থানগুলো অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হলে বা পরিদর্শন করা হলে এদের পূর্বে Article বসে।
- যেমন: Rupa went to the prison to see Dipu.

• দ্বিতীয় ক্ষেত্রে (perpetrator as a common noun) শব্দটি Consonent এর উচ্চারণ দিয়ে শুরু হওয়ায় এর পূর্বে Article (a) বসবে।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
১০৪.
The passive form of: "Whom does she admire?"
  1. Who has been admired by her?
  2. Who is admired by her?
  3. By whom she is admired?
  4. Whom is admired by her?
ব্যাখ্যা
- Active Voice: Whom does she admire?
- Passive Voice: Who is admired by her?

• Whom যুক্ত interrogative sentence -এর Passive Voice করার নিয়ম:
- Whom-এর পরিবর্তে Who বসাতে হবে।
- বাক্যের Subject এবং Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb বসে।
- মূল Verb-এর Past Participle ব্যবহার করতে হবে।
- শেষে by যোগ করে Active Voice-এর Subject-এর Object Form যোগ করতে হবে।
- বাক্যটি Question Mark (?) দিয়ে শেষ করতে হবে।

• Structure: Who + auxiliary verb (tense অনুযায়ী) + verb-এর past participle + by + object + ?

• More Examples:
- Active Voice: Whom do you admire?
- Passive Voice: Who is admired by you?
১০৫.
Choose a synonym of the word 'Blameworthy'.
  1. Guilty
  2. Faultless
  3. Laudatory
  4. Circumspect
ব্যাখ্যা
• A synonym of the word 'Blameworthy' is - ক) Guilty.

• Blameworthy (adjective)
- English Meaning: responsible for wrongdoing and deserving of censure or blame.
- Bangla Meaning: নিন্দার যোগ্য; নিন্দনীয়।

• Given options:
ক) Guilty -
(১) দোষী; অপরাধী: (২) অপরাধী দেখায় বা অপরাধ বোধ করে এমন:
খ) Faultless - নিখুঁত; ত্রুটিহীন; নির্দোষ।
গ) Laudatory - প্রশংসাসূচক।
ঘ) Circumspect - কাজে নামার আগে সবকিছু খুঁটিয়ে খেয়াল করে এমন; সতর্ক।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, A synonym of the word 'Blameworthy' is - ক) Guilty.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
১০৬.
We are sick of you blaming others for your mistakes.
Here, the underlined word is-
  1. Infinitive
  2. Participle
  3. Gerund
  4. Verbal noun
ব্যাখ্যা
• We are sick of you blaming others for your mistakes.
- Here, the underlined word is- গ) Gerund

• Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• Preposition + possessive/objective of noun or pronoun -এর পরে Gerund বসে।
- যেমন: We are sick of you blaming others for your mistakes. (তোমার ভুলের জন্য অন্যদের দোষারোপ করতে করতে আমরা বিরক্ত।)

• More examples:
- We rejoiced at his/him being promoted.
- I insist on your/you going there.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
১০৭.
Tell me _____ told you that.
  1. that
  2. who
  3. whom
  4. whose
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: Tell me who told you that.

• Relative pronoun:
- যে pronoun পূর্বে উল্লেখিত কোন Noun বা Pronoun কে নির্দেশ পূর্বক দুটি বাক্যাংশ/বাক্যকে যুক্ত করে তাকে Relative Pronoun বলে।
- Who, which, that, what - এগুলো Relative Pronoun রূপে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যক্তির পরিবর্তে relative pronoun হিসেবে who/whom/whose বসে।
- বস্তুর ক্ষেত্রে which/that বসে 
- ব্যক্তি নয় ও বস্তুও নয় এমন বোঝাতে what বসে।

- দুই clause বিশিষ্ট বাক্যে gap (শূন্যস্থানে) এর পরে verb থাকলে এবং antecedent (পূর্বপদ) টি person হলে gap এ "who" বসে।
- তবে antecedent (পূর্বপদ) টি thing/animal হলে gap এ "which/that" বসে।

- প্রদত্ত বাক্যে gap (শূন্যস্থানে) এর পরে verb (told ) এবং antecedent (পূর্বপদ) টি person (me), তাই gap এ "who" বসবে।

Source:
1. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Cambridge Dictionary.
১০৮.
Pick out the correct one:
  1. Misconcieve
  2. Misconceve
  3. Misconceive
  4. Misconceieve
ব্যাখ্যা
• The correct one is - গ) Misconceive.

• Misconceive (verb)
- English Meaning: to hold a wrong idea or conception; fail to understand (something) correctly.
- Bangla Meaning: ভুল বোঝা/ধারণা করা।

• Ex. Sentence:
They misconceived the scope of the nation's financial crisis.
- Bangla Meaning: তারা জাতির আর্থিক সংকটের পরিধি সম্পর্কে ভুল ধারণা করেছিল।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
১০৯.
My friend taught us how to solve the puzzle. The underlined part is -
  1. Independent clause
  2. Relative clause
  3. Adverb clause
  4. Noun clause
ব্যাখ্যা
• My friend taught us how to solve the puzzle.
- The underlined clause is a- ঘ) Noun Clause

• সাধারণত যে সকল Verb এর পরে "it"বসানো যায়, অর্থাৎ transitive verb এবং তাদের পরে That/ Wh Word দ্বারা শুরু হয়ে যদি কোনো Clause বসে তখন Clause টি Noun Clause হয়।
- প্রদত্ত sentence টিতে 'how to solve the puzzle' Noun clause এর নিয়ম অনুযায়ী transitive verb (taught) এর পরে Wh word (how) দ্বারা Clause টি শুরু হয়েছে। 
- অর্থাৎ, "taught" Verb এর direct object হিসেবে এটি Noun clause.

• Noun Clause:
- যে সব Subordinate Clause Noun এর কাজ করে থাকে, অর্থাৎ Subject, Object, Compliment বা Case in Apposition- এর কাজ করে থাকে তাকে Noun Clause বলে।

• Noun Clause বিভিন্নভাবে ব্যবহার হতে পারে। যেমন:
- Verb এর Subject হিসেবে।
- Verb এর Object হিসেবে।
- Verb এর Subjective Complement হিসেবে।
- Verb এর Objective Complement হিসেবে।
- Preposition এর object হিসেবে।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
১১০.
The path was dark, ____ I slowly found my way.
  1. because
  2. unless
  3. yet
  4. so that
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: The path was dark, yet I slowly found my way.
- Bangla meaning: পথটি অন্ধকার ছিল, তবুও আমি ধীরে ধীরে আমার পথ খুঁজে পেলাম।

• Yet (conjunction)
- English Meaning: despite that; but at the same time; but nevertheless.
- Bangla Meaning: তৎসত্ত্বেও; একইসঙ্গে; যাই হোক।

• Yet -এর ব্যবহার:
- Yet is used to add something that seems surprising because of what you have just said.
- অর্থাৎ, যা বলা হয়েছে তার সাথে আশ্চর্যজনক/চমকপ্রদ তথ্য যোগ করতে 'তৎসত্ত্বেও' অর্থে Yet ব্যবহার করা হয়।

অন্যদিকে,
ক) because (for the reason that; since)
-  সে-কারণে; কেননা; যেহেতু অর্থে conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: I couldn’t attend the meeting because I was ill.

খ) unless (except if)
- 'যদি না' অর্থে এটি শর্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি নিজেই negative অর্থ প্রদান করে।
- এজন্যে unless দ্বারা যে clause শুরু হয় তাতে no বা not বসে না।
- যেমন: Do not punish him unless he behaves roughly.

ঘ) so that (in order that)
- 'যাতে, যেন' অর্থে উদ্দেশ্য বা purpose বোঝাতে Subordinating conjunction হিসেবে 'so that' ব্যবহৃত হয়।
- so that এর পর এমন একটি Clause বসে যা কোন একটি উদ্দেশ্য প্রকাশ করে।
- যেমন: Sit in the front row so that you may hear better.

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
১১১.
Give an antonym for the word 'Reconcile'.
  1. Align
  2. Estrange
  3. Reprove
  4. Blend
ব্যাখ্যা
• An antonym for the word 'Reconcile' is - খ) Confuse.

• Reconcile (verb)
- English Meaning: To restore to friendship or harmony; settle, resolve; to make consistent or congruous.
- Bangla Meaning: পুনরায় বন্ধুত্ব স্থাপন বা মিলনসাধন করানো; বিরোধ দূর করা বা মিটিয়ে ফেলা; মিটমাট করা; সামঞ্জস্যবিধান করা; সঙ্গতিপূর্ণ করা।

• Given options:
ক) Align - (১) সারিবদ্ধ করা; (২) একমত হওয়া; এক কাতারে শামিল হওয়া বা করা।
খ) Estrange - বিচ্ছেদ ডেকে আনা; বিচ্ছিন্ন করা; পর করা।
গ) Reprove - কাউকে দোষারোপ করা; কাউকে কটুরাক্য বলা; ভর্ৎসনা করা।
ঘ) Blend - মিশানো; মিশ্রণ করা; মিশ্রিত হওয়া।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, An antonym for the word 'Reconcile' is - খ) Confuse.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
১১২.
The sunset was drawing near.
Here, the underlined word is-
  1. Verb
  2. Preposition
  3. Adjective
  4. Adverb
ব্যাখ্যা
• The sunset was drawing near. (সূর্যাস্ত ঘনিয়ে আসছিল।)
- Here, the underlined word is- an Adverb

- 'near' শব্দটি বিভিন্ন parts of speech হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- Near এখানে adverb, কারণ এটি drawing- verb কে modify করছে।

• Near (adverb)
- English Meaning: at, within, or to a short distance or time; almost, nearly, closely.
- Bangla Meaning: কাছে; নিকটে; অদূরে।

• অন্যদিকে,
ক) Near (verb)
- English Meaning: come near to; approach.
- Bangla Meaning: কাছে/কাছাকাছি আসা; নিকটবর্তী হওয়া।
- যেমন: The boat is nearing land.

খ) Near (Preposition)
- English Meaning: close to.
- Bangla Meaning: কাছে; নিকটে।
- যেমন: We live near the school. (Preposition)
- Noun/Noun Phrase (article + noun) এর পূর্বে Preposition বসে।

গ) Near (adjective)
- English Meaning: located a short distance away.
- Bangla Meaning: নিকটবর্তী; সম্পর্কিত; স্থান বা কালের নিকটবর্তী।
- যেমন: She will do well in the near future. 

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
১১৩.
I am busy right now. Do you mind ____ for a few minutes?
  1. wait
  2. waiting
  3. are waiting
  4. to wait
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: I am busy right now. Do you mind waiting for a few minutes?

• Will/would/do you mind:
- Used to politely ask someone’s permission; used to angrily ask or tell someone to do something.
- অর্থাৎ, বিনীত অনুরোধ প্রকাশে বা কারো উপর তার করা বা বলা কাজের জন্য বিরক্ত প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
- এগুলোর পরে verb এর মূল form এর সাথে ing যোগ করতে হয়।

• Structure: Would you mind + verb + ing + object + question mark(?)

• More examples:
- He says, would some one mind coming to the door?
- Would you mind not talking during the meeting?
- Would you mind helping me with this task?

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Longman Dictionary. 
3. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
১১৪.
He takes on some charity cases pro bono.
Here, the underlined phrase means-
  1. Unwillingly
  2. With a little charge
  3. Professionally
  4. Without asking for payment
ব্যাখ্যা
• He takes on some charity cases pro bono.
- Here, the underlined phrase means- ঘ) Without asking for payment.

• Pro bono (adjective, adverb)
- English Meaning: (relating to work that is done, especially by a lawyer) without asking for payment.
- Bangla Meaning: (বিশেষ করে আইনজীবীর দ্বারা করা কাজের সাথে সম্পর্কিত) কোনো পারিশ্রমিক ছাড়া।

• Ex. Sentence:
He takes on some charity cases pro bono.
- Bangla Meaning: তিনি কিছু চ্যারিটির মামলা নিঃস্বার্থভাবে গ্রহণ করেন।

• Note:
এটি Latin phrase Pro bono publico থেকে গৃহীত।
• Pro bono publico [Latin phrase]
- English Meaning: for the public good 
- Bangla Meaning: জনগণের ভালোর জন্য; বিনা পারিশ্রমিকে বা সমাজের কল্যাণে কাজ করা।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
১১৫.
The Pacific is one of the deepest oceans in the world. (Positive)
  1. Very few ocean in the world is as deep as the Pacific.
  2. No other ocean in the world is as deep as the Pacific.
  3. Very few oceans in the world are as deep as the Pacific.
  4. No other oceans in the world are as deep as the Pacific.
ব্যাখ্যা
- Superlative: The Pacific is one of the deepest oceans in the world.
- Positive: Very few oceans in the world are as deep as the Pacific.

• One of the যুক্ত Superlative Degree কে Positive Degree করার নিয়ম:
- প্রথমে Very few বসে।
- Superlative Adjective এর পর থেকে বাকি অংশ বসে।
- Verb এর Plural form বসে।
- As/So + Superlative -এর positive form + As বসে।
- প্রদত্ত Sentence এর Subject বসে।

• More examples:
- Superlative Degree: Shakespeare is one of the greatest writers.
- Positive Degree: Very few writers are as great as Shakespeare.
১১৬.
The staff who waited ____ us at dinner were excellent.
  1. on
  2. to
  3. over
  4. of
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: The staff who waited on us at dinner were excellent.
- Bangla Meaning: ডিনারে আমাদের যিনি সেবা দিয়েইয়েছিলে তিনি চমৎকার ছিলেন।

• Wait on/upon someone/something
- English Meaning: to serve food and drink, especially to customers in a restaurant; to make a formal call on; to serve someone.
- Bangla Meaning: সেবা/খেদমত করা; ফরমাশ খাটা; পরিচারক/অনুচররূপে কাজ করা। (প্রাচীন প্রয়োগ) সাক্ষাৎ করতে যাওয়া।

• More examples:
- She waited on tables (= served meals as a job) to earn some extra money.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
১১৭.
The phrase 'get in with' indicates-
  1. To interfere in others' matters
  2. To become friendly with someone
  3. To argue with someone
  4. To surrender to someone
ব্যাখ্যা
• The phrase 'get in with' indicates- খ) To become friendly with someone.

• Be/Get in with someone
- English Meaning: To become friendly with someone.
- Bangla Meaning: (কারো) সাথে বন্ধুত্ব করা।

• Ex. Sentence:
He managed to get in good with the boss.
- Bangla Meaning: সে বসের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল।

• আবার,
• Get on with (something or someone)

- English Meaning: to be or remain friendly with (someone); to continue doing (something)
- Bangla Meaning: (কারো সঙ্গে) মিলেমিশে চলতে পারা; (কোনোকিছু নিয়ে) এগিয়ে চলা।

• Get along with someone: 
- English Meaning: To like someone and be friendly to them; have a harmonious or friendly relationship.
- Bangla Meaning: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সুসম্পর্ক।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.
১১৮.
Had the driver been careful, the accident _____ avoided.
  1. would be
  2. could have
  3. could have been
  4. might had
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: Had the driver been careful, the accident could have been avoided.

• উল্লিখিত প্রশ্নটি Third Conditional sentence-এর উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।
- একটি Conditional sentence-এ দু'টি clause থাকে: subordinate clause -টি শর্ত বোঝায় এবং principal clause-টি ফলাফল বোঝায়।

• Third conditional -এর নিয়মানুযায়ী:
- If clause (শর্তযুক্ত অংশে)-এ যদি (had + V3) হয়, তবে পরবর্তী clause -এ would/could/might + have + V3 + extension হয়।
- If না থাকলে Condition part টি Had দ্বারা শুরু হতে পারে।
- Negative অর্থ প্রকাশ করলে would/could/might + not হয়।

• Structure: If + Past Perfect (had +V3) + Subject + would/could/might + have + verb-এর past participle.

- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী শূন্যস্থানে সঠিক verb টি হবে- could have been (passive construction).
১১৯.
Choose the correct sentence from the following:
  1. No sooner had he opened the book than he fell asleep.
  2. No sooner had he opened the book than he fall asleep.
  3. No sooner had he opened the book than he felled asleep.
  4. No sooner he had opened the book than he fall asleep.
ব্যাখ্যা

• Correct Sentence: ক) No sooner had he opened the book than he fell asleep.

• No sooner had যুক্ত বাক্য গঠনের নিয়ম:
- No sooner had + subject + 1st clause (verb এর past participle) + than (not then) + subject + 2nd clause (verb এর past form).

- নিয়মানুযায়ী, প্রদত্ত বাক্যের 1st clause এ No sooner had + verb এর past participle 'opened' বসেছে, তাই পরবর্তী অংশে than + subject + verb এর past form 'fell' বসেছে। 
- উল্লেখ্য যে, Fall -এর past form হলো 'fell'.

• Note:
- No sooner had, Hardly had, Scarcely had এবং As soon as সবগুলোই ‘করতে না করতেই/ হতে না হতেই’ এ রকম অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর প্রথম অংশ Past Perfect এবং Verb এর Past Participle হয় এবং ২য় অংশে Past Indefinite হয়।
- No sooner had থাকলে পরের অংশে than (then নয়) ব্যবহৃত হয়।
- Hardly had থাকলে পরের অংশে when ব্যবহৃত হয়।
- Scarcely had থাকলে পরের অংশে when (than নয়) ব্যবহৃত হয়।
- As soon as থাকলে পরের অংশে শুধু কমা বসে, অন্য কোনো শব্দ ব্যবহৃত হয় না।

১২০.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয় কোনটি?
  1. আসাম
  2. মিজোরাম
  3. মেঘালয়
  4. রাজস্থান
ব্যাখ্যা
- রাজস্থান বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয়। 

- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য হচ্ছে ৫টি।
এগুলো হলো -
→ ত্রিপুরা,
→ আসাম,
→ মিজোরাম,
→ মেঘালয় ও
→ পশ্চিমবঙ্গ।

সীমান্তবর্তী স্থান:
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় রাজ্য অবস্থিত।
- পূর্ব দিকে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্য এবং মিয়ানমার রয়েছে।
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং ভারতীয় আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সীমানা রয়েছে, পাশাপাশি মিয়ানমারেরও অবস্থান রয়েছে।
- পশ্চিম দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমানা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
- এর মধ্যে বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্তবর্তী জেলার সংখ্যা ৩০টি, এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলার সংখ্যা ৩টি। বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলা হলো একমাত্র জেলা, যেটা ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানার সঙ্গে সংযুক্ত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১২১.
রায়োলাইট ও অ্যান্ডিসাইট কী জাতীয় শিলা?
  1. পাললিক শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. নমনীয় শিলা
ব্যাখ্যা

রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট - আগ্নেয় শিলা।

আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks):
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিন্ড ছিল।
- এই গ্যাসপিন্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়।
- পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে।
- এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
- আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয় তাই এই শিলাকে প্রাথমিক শিলাও বলে।
- এ শিলায় কোনো স্তর নেই। তাই আগ্নেয় শিলার অপর নাম অন্তরীভূত শিলা। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই।

- আগ্নেয় শিলাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা ও
(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা।

(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা (Extrusive Igneous Rocks): ভূগর্ভের উত্তপ্ত তরল পদার্থ ম্যাগমা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা অন্য কোনো কারণে বেরিয়ে এসে শীতল হয়ে জমাট বেঁধে বহিঃজ আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়, এদের দানা খুব সূক্ষ্ম, রং গাঢ়। এই শিলার উদাহরণ হলো ব্যাসন্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি।

(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা (Intrusive Igneous Rocks): উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূগর্ভে জমাট বাঁধলে তৈরি হয় অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা। এর দানাগুলো স্কুল ও হালকা রঙের হয়। গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।

১২২.
নিচের কোনটি বলকান দেশের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. ক্রোয়েশিয়া
  3. কসোভো
  4. রােমানিয়া
ব্যাখ্যা
বলকান রাষ্ট্র:
- বলকান হলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত একটি পার্বত্য অঞ্চল।
- বলকান পর্বতমালার পাদদেশ বা বলকান পেনিনসুলায় অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

এই অঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ হলো:
- ক্রোয়েশিয়া,
- স্লোভেনিয়া,
- কসোভো,
- মন্টিনিগ্রো,
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা,
- রােমানিয়া,
- বুলগেরিয়া,
- সার্বিয়া,
- উত্তর মেসিডোনিয়া,
- আলবেনিয়া।

উল্লেখ্য,
- গ্রিস এবং তুরস্কের কিছু অংশও বলকান অঞ্চলে অবস্থিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা
১২৩.
ইউরোপের আল্পস ও উত্তর আমেরিকার রকি কোন ধরনের পর্বত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. চ্যুতি-স্তুপ পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত ৪ প্রকার।

যথা:
→ ভঙ্গিল পর্বত,
→ আগ্নেয় পর্বত,
→ চ্যুতি-স্তুপ পর্বত ও
→ ল্যাকোলিথ পর্বত।

ভঙ্গিল পর্বত:
- ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি।
- কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- ভঙ্গিল পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ভাঁজ।
- এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।
- পৃথিবীর উচ্চতম অধিকাংশ পর্বত এ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১২৪.
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে কোন সীমান্তটি অবস্থিত?
  1. ম্যাকমোহন লাইন
  2. লাইন অব ডিমারকেশন
  3. ডুরান্ড লাইন
  4. সনেরা লাইন
ব্যাখ্যা

Durand Line:
- ডুরান্ড লাইন হচ্ছে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যবর্তী একটি বিতর্কিত আন্তর্জাতিক সীমান্ত।
- এটি ১৮৯৩ সালে স্যার মরটিমার ডুরান্ড ও আফগান আমির আবদুর রহমান খানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- এই সীমান্তটি প্রায় ২,৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ।

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
- রেডক্লিফ লাইন - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন - পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
- সনেরা লাইন - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যকার সীমানা।
- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - চীন ও ভারত মধ্যে সীমানা।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

১২৫.
মূল্যবোধ (Values) বলতে কী বোঝায়?
  1. মানুষের বাহ্যিক রূপ
  2. মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড
  3. মানুষের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ
  4. সমাজ জীবনে মানুষের সুখী হওয়ার প্রয়োজনীয় মনোভাব
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
- আর যে শিক্ষার মাধ্যমে সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, প্রথা, আদর্শ ইত্যাদির বিকাশ ঘটে তাই হলো মূল্যবোধ শিক্ষা।
- মূল্যবোধ মানুষের আচরণের সামাজিক মাপকাঠি।
- একটি দেশের সমাজ,রাষ্ট্র,অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উৎকর্ষতার অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে এটি ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষা এবং মূল্যবোধ:
- জ্ঞানার্জন বা শিক্ষার মাধ্যমেই মূল্যবোধ সুদৃঢ় হয়।
- শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ বিভিন্ন নৈতিকতা, ন্যায়নীতি এবং সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে জানতে পারে।
- শিক্ষার মাধ্যমেই সমাজের বিভিন্ন স্তরে মূল্যবোধের প্রসার ঘটে এবং তা মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথমপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১২৬.
নৈতিকতা বা নীতিবোধের বিকাশ নিচের কোনটি থেকে ঘটে?
  1. ব্যক্তিগত সম্পদ বৃদ্ধি থেকে
  2. শিক্ষাগত ডিগ্রি অর্জন থেকে
  3. উচিত-অনুচিত বোধ বা অনুভূতি থেকে
  4. সামাজিক মর্যাদা থেকে
ব্যাখ্যা
নৈতিকতা:
- ইংরেজি Morality শব্দটি এসেছে ল্যাটিন 'Moralitas' থেকে, যার অর্থ 'সঠিক আচরণ বা চরিত্র'।
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস, প্লেটো এবং এরিস্টটল সর্বপ্রথম নৈতিকতার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।

উল্লেখ্য,
- নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি যা মানুষকে সুকুমার বৃত্তি অনুশীলনে অনুপ্রাণিত করে।
- নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ মানসিক বিষয়।
- এটি হলো মানবমনের উচ্চ গুণাবলি। নৈতিকতা বা নীতিবোধ একান্তভাবেই মানুষের হৃদয়-মন থেকে উৎসারিত।
- নৈতিকতা বা নীতিবোধের বিকাশ ঘটে মানুষের ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত বোধ বা অনুভূতি থেকে।

- নৈতিকতার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে Collins English Dictionary-তে বলা হয়েছে যে, 'Morality is concerned with on negating to human behaviour, esp. the distinction between good and bad and right and wrong behaviour,

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
১২৭.
ঋণগ্রস্থ মানুষকে ঋণমুক্ত হতে সাহায্য করাকে কোন মূল্যবোধ বলা হয়?
  1. আর্থিক মূল্যবোধ
  2. নৈতিক মূল্যবোধ
  3. সামাজিক মূল্যবোধ
  4. সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
• নৈতিক মূল্যবোধ:
- নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস।
- শিশু তার পরিবারেই সর্বপ্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায়।
- নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব মনোভাব এবং আচরণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে।

উল্লেখ্য,
- অন্যায়কে অন্যায় বলা, দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও বিপদ থেকে উদ্ধারে তাকে সাহায্য করা, - সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা, অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং অন্যকে বিরত রাখতে পরামর্শ প্রদান করা,  অসহায় ও ঋণগ্রস্থ মানুষকে ঋণমুক্ত হতে সাহায্য করাকে নৈতিক মূল্যবোধ বলা যেতে পারে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।