পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ১ জানুয়ারি, ১৯৯২সময়45 minutes৯৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ১ জানুয়ারি, ১৯৯২ · ১০০ প্রশ্ন

.
"বউ কথা কও, বউ কথা কও কও কথা অভিমানিনী সেধে সেধে কেঁদে কেঁদে যাবে কত যামিনী"- এই কবিতাংশটুকুর কবি কে? 
  1. বেনজীর আহমেদ
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে প্রদত্ত চরণগুলো কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘মহুয়ার গান’ নজরুলগীতির অন্তর্ভুক্ত একটি গান।

----------------------
• মহুয়ার গান:
- ১৫ টি গানে সমৃদ্ধ এই মহুয়ার গান নামীয় নজরুলগীতি গ্রন্থটি ডি এম লাইব্রেরি থেকে ১ জানুয়ারি ১৯৩০ প্রকাশিত হয়।
- মোট পৃষ্ঠা ছিল ১৩টি।
- মূল্য ছিল দুই আনা।

এ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত গানগুলো হলো:
• কে দিল খোঁপাতে ধুতুরা ফুল লো,
• একডালি ফুলে ওরে সাজাব কেমন করে,
• বউ কথা কও,
• কত খুঁজিলাম নীল কুমুদ তোরে,
• কোথা চাঁদ আমার,
• ফণীর ফণায় জ্বলে মণি,
• মহুল গাছে ফুল ফুটেছে,
• আজি ঘুম নহে, নিশি জাগরণ,
• খোলো খোলো গো দুয়ার,
• ভরিয়া পরান শুনিতেছি গান,
• (ওগো) নতুন নেশার আমার এ মদ,
• মোরা ছিনু একেলা, হইনু দুজন,
• ও ভাই আমার এ নাও যাত্রী না লয়,
• আমার গহীন জলে নদী,
• তোমায় কুলে তুলে বন্ধু আমি নামলাম জলে।

----------------------------

বউ কথা কও, বউ কথা কও
- কাজী নজরুল ইসলাম
বউ কথা কও, বউ কথা কও, কও কথা অভিমানিনী
সেধে সেধে কেঁদে কেঁদে যাবে কত যামিনী।।
সে কাঁদন শুনি হের নামিল নভে বাদল
এলো পাতার বাতায়নে যুঁই চামেলী কামিনী।।
আমার প্রাণের ভাষা শিখে ডাকে পাখি পিউ কাঁহা
খোঁজে তোমায় মেঘে মেঘে আঁখি মোর সৌদামিনী।।

উৎস: ‘মহুয়ার গান’ কাজী নজরুল ইসলাম এবং ‘বউ কথা কও, বউ কথা কও’ গান।

.
বাংলা সাহিত্যে 'ভোরের পাখি' বলা হয় কাকে? 
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. রাজশেখর বসু
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
• বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচত।
- বাংলা গীতিকবিতার জনক হিসেবে পরিচিত বিহারীলাল চক্রবর্তী।
- তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের প্রথম ও প্রধান কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেন।
- বিহারীলাল চক্রবর্তীর প্রথম সার্থক গীতিকবিতা ‘বঙ্গসুন্দরী’।
- তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ: সারদা মঙ্গল।

বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীতশতক,
- বঙ্গসুন্দরী,
- নিসর্গ সন্দর্শন,
- বন্ধু বিয়োগ,
- সারদা মঙ্গল,
- প্রেমপ্রবাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্থ কোনটি? 
  1. জগৎ মোহিনী
  2. বসন্তকুমারী
  3. আয়না
  4. মোহনী প্রেমপাস
ব্যাখ্যা
• ‘বসন্তকুমারী’ নাটক:
- মীর মশাররফ হোসেনের নাটকগুলোর মধ্যে ‘বসন্তকুমারী’ নাটক (১৮৭৩) উল্লেখযোগ্য।
- এই নাটকটিকে মুসলমান নাট্যকার রচিত প্রথম নাটক হিসেবে নির্দেশ করা যায়।
- ইন্দ্রপুরের বিপত্নীক রাজার বৃদ্ধ বয়সে যুবতী স্ত্রী গ্রহণ, রাজার যুবক পুত্রের প্রতি বিমাতার আকর্ষণ এবং প্রেম নিবেদন, পুত্রের প্রত্যাখ্যান ও বিমাতার ষড়যন্ত্র’ পরিশেষে রাজপরিবারের সকলের মৃত্যু- এই কাহিনি অবলম্বনে ‘বসন্তকুমারী নাটক রচিত।
- নাটকটির অপর নাম ‘বৃদ্ধস্য তরূণী ভার্যা’।
- ‘জমীদার দর্পণ’ (১৮৭৩) মীর মশাররফ হোসেনের দ্বিতীয় নাটক।

-----------------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
• নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।

• উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কোন বানানটি শুদ্ধ? 
  1. বিভিসীকা
  2. বিভীষিকা
  3. বীভিষিকা
  4. বীভিষীকা
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: বিভীষিকা।
- ‘বিভীষিকা’ শব্দটি বিশেষ্য পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- আতঙ্ক,
- ভীতিকর ঘটনা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
বাংলা ভাষার আদি স্তরের স্থিতিকাল কোনটি? 
  1. দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী 
  2. একাদশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী
  3. দ্বাদশ থেকে ষোড়শ শতাব্দী
  4. ত্রয়োদশ থেকে সপ্তদশ শতাব্দী
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষার কালক্রম: প্রাপ্ত নিদর্শনের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার কালক্রম ও নিদর্শন নিম্নরূপ:

• প্রাচীন বাংলা: ১০ম থেকে ১৩৫০ শতক।
নিদর্শন:
- চর্যাপদ বা বৌদ্ধগান ও দোহা।

• মধ্যযুগ: ১৩৫০ থেকে ১৮ শতক।
• আদি-মধ্যযুগের বাংলা: ১৩৫০ থেকে ১৫ শতক।
নিদর্শন:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন-বড়ু চণ্ডীদাস, ১৪ শতক।
- শ্রীকৃষ্ণবিজয়-মালাধর বসু, ১৫ শতক।
- রামায়ণ-কৃত্তিবাস, ১৫ শতক।
- মনসাবিজয়-বিপ্রদাস পিপিলাই, ১৫ শতক।
- চণ্ডীমঙ্গল-মানিক দত্ত, ১৫ শতক।
- ইউসুফ জোলেখা-শাহ মুহম্মদ সগীর, আনুমানিক ১৫ শতক।
- পদ্মাপুরাণ (মনসামঙ্গল)-বিজয়গুপ্ত, ১৫ শতক।

• অন্ত্য-মধ্যযুগের বাংলা: ১৬ শতক থেকে ১৮ শতক।
নিদর্শন:
- চণ্ডীমঙ্গল-মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, ১৬ শতক।
- লাইলী মজনু-দৌলত উজির বাহরাম খান, ১৬ শতক।
- পদ্মাবতী-আলাওল, ১৭ শতক।
- সতীময়না ও লোরচন্দ্রাণী-দৌলত কাজী, ১৭ শতক।
- মহাভারত-কাশীরাম দাস, ১৭ শতক।
- অন্নদামঙ্গল-ভারতচন্দ্র, ১৮ শতক।

• আধুনিক যুগের বাংলা: ১৯ শতক থেকে বর্তমান।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খণ্ড)।
.
যৌগিক বাক্যের অন্যতম গুণ কী?
  1. একটি জটিল ও একটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
  2. একটি সংযুক্ত ও একটি বিযুক্ত বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
  3. দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
  4.  দুটি মিশ্র বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
ব্যাখ্যা
• একটি যৌগিক বাক্যের অন্যতম গুণ হচ্ছে- দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন।

• যৌগিক বাক্য:
পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
অন্যভাবে, দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

- এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), ড্যাশ (−) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।

যেমন:
- হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে।
- সে ভালো ফল করেছে তাই আমরা আনন্দিত হয়েছি।
- সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল ৷
- অন্ধকার হয়ে এসেছে অথচ সে বাসাই ফিরেনি।
- তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি এতে দোষের কিছু নেই।

যৌগক বাক্য গঠনে শর্ত:
- যৌগিক বাক্যে কমপক্ষে দুটো খণ্ডবাক্য থাকবে।
- খণ্ডবাক্যগুলো পরস্পর নিরপেক্ষ বা স্বাধীন, এক অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়।
- খণ্ডবাক্যগুলো বিভিন্ন অব্যয়যোগ এক অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। কখনো কখনো এগুলো উহ্যও থাকতে পারে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
.
'রাবণের চিতা' বাগধারাটির অর্থ কী? 
  1. অনিষ্টে ইষ্ট লাভ
  2. চির অশান্তি
  3. অরাজক দেশ
  4. সামান্য কিছু নিয়ে ঝগড়া বাধানো
ব্যাখ্যা
• ‘রাবণের চিতা’ বাগ্‌ধারার অর্থ - চির অশান্তি।
বাক্য গঠন: একমাত্র পুত্রের মৃত্যুতে বুড়ির বুকে রাবণের চিতা জ্বলছে।

তাছাড়া,
• 'মগের মল্লুক' অর্থ- অরাজক দেশ।
• 'শাপে বর' অর্থ - অনিষ্টে ইষ্ট লাভ।
• 'ফটো পয়সার লড়াই' অর্থ- সামান্য কিছু দিয়ে ঝগড়া লাগানো।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি, প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোনটি ইব্রাহিম খাঁর গ্রন্থ নয়? 
  1. আনোয়ার পাশা
  2. ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র
  3.  কুচবরণের কন্যে
  4.  সোনার শিকল
ব্যাখ্যা
• ইব্রাহিম খাঁ রচিত গ্রন্থ নয়- কুচবরণের কন্যে।
• ‘কূচবরণ কন্যা’ বন্দে আলী মিয়া রচিত শিশুতোষ গল্প।

অন্যদিকে,
• ইব্রাহীম খাঁ রচিত নাটক - আনোয়ার পাশা।
• ভ্রমণকাহিনি - ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র।
• গল্প - সোনার শিকল।

--------------------------
• ইব্রাহীম খাঁ:

- ইব্রাহীম খাঁ ১৮৯৪ সালে টাঙ্গাইল জেলার শাবাজ নগর গ্রামে এক মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক। নাটক, গল্প, উপন্যাস, শিশুসাহিত্য, ভ্রমণকাহিনি ও স্মৃতিকথা মিলে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা ২১টি।
- তাঁর স্মৃতিকথা 'বাতায়ন' সমকালের মুসলিম সমাজের একটি বিশস্ত দলিল হিসেবে বিবেচিত।
- তিনি ব্রিটিশ আমলে ‘খান সাহেব’ ও ‘খান বাহাদুর’ এবং পাকিস্তান আমলে ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ উপাধি লাভ করেন।
- নাটকে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৩) এবং সাহিত্যের জন্য একুশে পদক (১৯৭৬) লাভ করেন।
- ১৯৭৮ সালের ২৯ মার্চ ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- কামাল পাশা,
- আনোয়ার পাশা,
- ঋণ পরিশোধ,
- আলু বোখরা,
- ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র,
- ব্যাঘ্র মামা,
- বেদুঈনদের দেশে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোন প্রবচনটি 'হতভাগ্য' অর্থে ব্যবহৃত? 
  1. আট কপালে
  2. উড়নচণ্ডী
  3. ছা-পোষা
  4. ভূশণ্ডির কাক
ব্যাখ্যা
• 'আটকপালে' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - হতভাগ্য।

অন্যদিকে,
• ‘উড়নচণ্ডী’ অর্থ - অমিতব্যয়ী।
• 'ছা-পোষা' অর্থ - অত্যন্ত গরীব।
• ‘ভূষণ্ডির কাক’ অর্থ - দীর্ঘজীবী/ দীর্ঘায়ুব্যক্তি।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১০.
কার সম্পাদনায় 'সংবাদ প্রভাকর' প্রথম প্রকাশিত হয়? 
  1. প্রমথনাথ চৌধুরী
  2.  ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  3. প্যারীচাঁদ মিত্র
  4. দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা
• সংবাদ প্রভাকর:
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
- কিছুদিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু ১৮৩৬ সালে পুনর্বার ছাপা হয়।
- ১৮৩৯ সালে বাংলা ভাষায় প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি এই পত্রিকায় সাহিত্যচর্চাও হতো।
- 'বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়', 'দীনবন্ধু মিত্রের' প্রাথমিক রচনাগুলোও সংবাদ প্রভাকরেই প্রথম প্রকাশিত হতো।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
মৌলিক শব্দ কোনটি? 
  1. গোলাপ
  2. শীতল
  3. নেয়ে
  4. গৌরব
ব্যাখ্যা
• গঠনগত দিক থেকে শব্দকে ২ শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
যথা:
- মৌলিক শব্দ ও
- সাধিত শব্দ।

• মৌলিক শব্দ:
যে-সব শব্দ বিশ্লেষণ করা বা ভাঙা যায় না, গােটা শব্দটাই নিজে নিজেই সম্পূর্ণ হয়ে আছে বা স্বয়ংসিদ্ধ, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। মৌলিক শব্দ ভা চাইলেও তার ভগ্ন বা বিশ্লিষ্ট অংশের কোনাে অর্থ হয় না; সে কারণে অবিভাজ্য ও অর্থযুক্ত শব্দই মৌলিক শব্দ অর্থাৎ স্পষ্ট অর্থ ও অবিভাজ্যতাই মৌলিক শব্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
যেমন- মা, পা, ঘােড়া, উট, বউ, গােলাপ, নাক, লাল, শাল, তিন, লতা ইত্যাদি।

• সাধিত শব্দ:
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলােকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যােগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন- পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ, সদস্য, নীলাকাশ, ডুবুরি, চলন্ত ইত্যাদি।
শব্দের দ্বিত্ব করেও সাধিত শব্দ হয়ে থাকে। যেমন: ফিসফিস, ধুমাধুম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
যার কোনো মূল্য নেই, তাকে বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করলে কোনটি হয়? 
  1. ডাকাবুকা
  2. তুলশী বনের বাঘ
  3. তামার বিষ
  4. ঢাকের বাঁয়া
ব্যাখ্যা
• যার কোনো মূল্য নেই বা অপ্রয়োজনীয় অর্থে ঢাকের বাঁয়া’ বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।

• ‘ঢাকের বাঁয়া’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অপ্রয়োজনীয়/যার কোনো মূল্য নেই।

অন্যদিকে,
• 'ডাকাবুকো' অর্থ - নির্ভীক।
• ‘তামার বিষ’ অর্থ - অর্থের কু-প্রভাব।
• ‘তুলসি বনের বাঘ’ অর্থ- ভণ্ড।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগ্‌ধারা:
• 'ঢাকের কাঠি' অর্থ - তোষামুদে।
• ‘কচু বনের কালাচাঁদ’ অর্থ - অপদার্থ।
• ‘ঢেঁকি অবতার’ অর্থ - নির্বোধ লোক।
• ‘নারকের ঢেঁকি’ অর্থ - বিবাদের বিষয়।
• ‘সোনার কাঠি রূপার কাঠি’ অর্থ - বাঁচামরার লড়াই।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
'আমীর হামজা' কাব্য রচনা করেন কে? 
  1. আলাওল
  2. ফকির গরীবুল্লাহ
  3. সৈয়দ হামজা
  4. রেজাউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা
• ’আমীর হামজা’ ফকির গরীবুল্লাহ রচিত জঙ্গানামা শ্রেণির কাব্য।

---------------------
• ফকির গরীবুল্লাহ:
- পুঁথি সাহিত্যর প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি ছিলেন ফকির গরীবুল্লাহ।
- তিনি হুগলি জেলার বালিয়া পরগনার অন্তর্গত হাফিজপুর গ্রামের অধিবাসী ছিলেন।
- তাঁর নামে প্রচলিত এ যাবৎ পাঁচখানি কাব্যের সন্ধান পাওয়া যায়। 

• সেগুলি হলো:
- ইউসুফ জোলেখা,
- আমীর হামজা (প্রথম অংশ),
- জঙ্গনামা,
- সােনাভান ও
- সত্যপীরের পুঁথি।
[কিন্তু এ কাব্যগুলি বটতলার পুথি প্রকাশকদের দ্বারা নানা ব্যক্তির নামে প্রকাশিত হয়েছে।]

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪.
বাংলা লিপির উৎস কী? 
  1. সংস্কৃত লিপি
  2. চীনা লিপি
  3. আরবি লিপি
  4. ব্রাহ্মী লিপি
ব্যাখ্যা
• বাংলা লিপির উৎপত্তি:
• বাংলা ভাষার নিজেস্ব লিপি রয়েছে। এই লিপির নাম বাংলা লিপি।
• বাংলা লিপিতে মূল বর্ণের সংখ্যা ৫০টি- স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।

• প্রায় আড়াই বছর আগে উপমহদেশে ব্রাহ্মী লিপির জন্ম হয়। ব্রাহ্মী লিপির পূর্ব-ভারতীয় শাখা দশম শতক নাগাদ কুটিল লিপি নামে পরিচিতি লাভ করে। বাংলা লিপি এই কুটিল লিপির পরিবর্তিত রূপ। অহমিয়া, বোড়ো, মণিপুর প্রভৃতি ভাষাও বাংলা লিপিতে রেখা হয়। সংস্কৃত এবং মৈথিলি ভাষা এক সময়ে এই লিপিতে লেখা হত।

• বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে ব্রাহ্মী লিপির পূর্ব-ভারতীয় শাখা কুটিল লিপি থেকে। ব্রাহ্মী লিপির তিনটি রূপ রয়েছে।
যথা:
- সারদা,
- নাগর ও
- কুটিল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২সংস্করণ) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
কোনটি বিশেষণ বাচক শব্দ? 
  1. জীবন
  2. জীবনী
  3. জীবিকা
  4. জীবাণু
ব্যাখ্যা
• জীবনী শব্দটি অর্থভেদে বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয় শব্দ হিসেবি ব্যবহৃত হয়।

• জীবনী একটি সংস্কৃত শব্দ।
• জীবনী (বিশেষণ পদ),
- প্রাণশক্তি দান করে এমন অর্থে জীবনী বিশেষণ বাচক।

• জীবনী (বিশেষ্য পদ)
অর্থ:জীবনবৃত্তান্ত বা জীবন কাহিনি অর্থে 'জীবনী' বিশেষ্য পদ।

-----------------
অন্যদিকে,
• জীবন (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ: প্রাণ, আয়ু।

• জীবিকা (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ: বৃত্তি, পেশা।

• জীবাণু (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ: খালি চোখে দেখা যায় না এমন অতি ক্ষুদ্রপ্রাণী।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৬.
বর্ণ হচ্ছে- 
  1. শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ
  2. একসঙ্গে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছ
  3. ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক
  4. ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি ও বর্ণ:
ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ। এই বর্ণ কানে শোনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে। ভাষার সবগুলো বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা। 

• বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি। স্বরবর্ণ ১১টি ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। 
• মাত্রাহীন বর্ণ- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এ, ঐ, ও, ঔ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ্ ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)।
• অর্ধমাত্রা বর্ণ- বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮ টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি ( খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)।
• পূর্ণমাত্রা বর্ণ- ৩২টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কবি জসিমউদ্দীনের জীবনকাল কোনটি? 
  1. ১৯০৩-১৯৭৬
  2. ১৮৮৯-১৯৬৬
  3.  ১৮৯৯-১৯৭৯
  4.  ১৯১০-১৯৮৭ 
ব্যাখ্যা
• জসীম উদ্‌দীনের জীবনকাল ছিল: ১৯০৩-১৯৭৬।

-------------------------
• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীম উদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীম উদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।
- ‘সুচয়নী’ জসীম উদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।
- কবি জসীম উদ্‌দীনের 'নিমন্ত্রণ' কবিতাটি 'ধানখেত' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে।
- তিনি ১৯৭৬ সালে ১৩ই মার্চ দিবাগত রাতে মৃত্যুবরণ করেন।

• জসীম উদ্‌দীন অর্জিত পুরস্কার ও সম্মাননা:
- জসীম উদ্‌দীন বাংলা সাহিত্যের একজন বিশেষ সম্মানিত ও বহু পুরস্কারে পুরস্কৃত কবি। তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮) অর্জন করেন।
- তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার ডিগ্রি (১৯৬৯), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন।
- তিনি ১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছিলেন, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করেন।

• জসীম উদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতায় কবির উপলব্ধি হচ্ছে- 
  1.  ভবিষ্যৎ বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়
  2. বাধা-বিপত্তি প্রতিভাকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে
  3. প্রকৃতি বিপুল ঐশ্বর্য্যের অধিকারী
  4. ভাঙ্গার পরেই গড়ার কাজ শুরু হয় 
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' এর পঙ্‌ক্তিগুলো দ্বারা ভবিষ্যৎ বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময় বুঝানাে হয়েছে।

• ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতার সার-সংক্ষেপ:

নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আজি এ প্রভাতে রবির কর,
কেমনে পশিল প্রাণের পর,
কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাত পাখির গান!
না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।

----------------------
• প্রভাতসঙ্গীত:
- ‘প্রভাতসঙ্গীত' (১৮৮৩) একটি কাব্যগ্রন্থ।
- এখানে মোট একুশটি কবিতা আছে।
- রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, 'প্রভাতসঙ্গীত আমার অন্তর প্রকৃতির প্রথম বহির্মুখী উচ্ছ্বাস।'
- এই গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা: নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ।

উৎস: ‘প্রভাতসঙ্গীত’ কাব্যগ্রন্থ এবং ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৯.
জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত- 
  1. সমাজ
  2. পানি
  3. মিছিল
  4. নদী
ব্যাখ্যা
• ‘নদী’ জাতিবাচক-বিশেষ্যের উদাহরণ।

অন্যদিকে,
• ‘পানি’ বস্তু-বিশেষ্যের উদাহরণ।
• ‘সমাজ’ ও ‘মিছিল’ সমষ্টি-বিশেষ্যের উদাহরণ।

--------------------
• বিশেষ্য পদ:
যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য বলে। যেমন নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা ইত্যাদি। বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার:
১. নাম-বিশেষ্য,
২. জাতি-বিশেষ্য,
৩. বস্তু-বিশেষ্য,
৪. সমষ্টি-বিশেষ্য,
৫. গুণ-বিশেষ্য এবং
৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য।

• নাম-বিশেষ্য:
ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নামকে নাম-বিশেষ্য বলা হয়।
যেমন:
ব্যক্তিনাম: হাবিব, সজল, লতা, শম্পা।
স্থাননাম: ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা।
কালনাম: সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।
সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।

• জাতি-বিশেষ্য:
জাতি-বিশেষ্য সাধারণ-বিশেষ্য নামেও পরিচিত। এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী ও অপ্রাণীর সাধারণ নামকে বোঝায়। যেমন: মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল, নদী, সাগর, পর্বত ইত্যাদি।

• বস্তু-বিশেষ্য:
কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে। যেমন: ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।

• সমষ্টি-বিশেষ্য:
এ ধরনের বিশেষ্য দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। যেমন: জনতা, পরিবার, ঝাঁক, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।

• গুণ-বিশেষ্য:
গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে। যেমন: সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।

• ক্রিয়া-বিশেষ্য:
যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে। যেমন: পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২০.
কোন খ্যাতিমান লেখক 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন?
  1. প্রমথনাথ বিশী
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  4. প্রমথ নাথ বসু
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

---------------------
অন্যদিকে,
- প্রেমেন্দ্র মিত্রের ছদ্মনাম ছিল কৃত্তিবাস ভদ্র, লেখরাজ সামন্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২১.
You should show good manners in the company of young ladies. Which is the appropriate phrase for the underlined expression above?
  1. behave gently
  2. practise manners
  3. behave yourself
  4. do not talk rudely
ব্যাখ্যা
• You should show good manners in the company of young ladies.

• Show good manners
English Meaning: To show polite or well-bred social behaviour.
Bangla Meaning: ভালো আচরণ বা ব্যবহার প্রদর্শন করা।অর্থাৎ বিনম্র ব্যবহার করা।

• Behave gently
- নম্রভাবে ব্যবহার করা।

• অন্য অপশনগুলোর অর্থ -
খ) practice manners
– প্রথা বা পদ্ধতি চর্চা করা;

গ) behave yourself
- সদাচরণ করা।

ঘ) do not talk rudely-
রূঢ়ভাবে কথা বলো না।

Source: 
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Banggla Academy.
২২.
The invention of computer has turned over a new leaf in the history of modern technology. Which of the following is nearest in meaning to the italicized idiom above?
  1. created a new history
  2. began a new civiliztion
  3. opened a new chapter
  4. created a sensation
ব্যাখ্যা
• The invention of computer has turned over a new leaf in the history of modern technology.
- Of the following, 'opened a new chapter ' is nearest in meaning to the italicized idiom (turned over a new leaf).

• Turn over a new leaf
English Meaning: start to act or behave in a better or more responsible way.
Bangla Meaning: নতুনভাবে বা উন্নততর জীবন শুরু করা / দায়িত্বশীল হওয়া

• Opened a new chapter
- নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে এমন।

• অন্য অপশনগুলোর অর্থ -
ক) Created a new history
- নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

খ) Began a new civilization
- নতুন সভ্যতার সূচনা করেছে।

গ) Created a sensation
– নতুন উত্তেজনাকর ঘটনার সৃষ্টি করেছে।

Source:
1. Live MCQ Lecture.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৩.
Trying unitedly we were able to have our project approved against strong oppositions. Which of the following says nearly the same as 'against' above?
  1. in the wake of
  2. in the guise of
  3. in the plea of
  4. in the teeth of
ব্যাখ্যা
• Trying unitedly we were able to have our project approved against strong oppositions.
- Of the following,  'in the teeth of ' says nearly the same as 'against'.

• Against strong opposition
- শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপরীতে।
- এখানে against- কবল, খপ্পর, বিপক্ষ, বিপরীতক্রম।

• In the teeth of
English Meaning: directly against / in direct opposition to.
Bangla Meaning: প্রবল বিরোধিতা / সরাসরি বিরোধিতা

• অপশনে উল্লিখিত অন্য phrase গুলোর অর্থ -
• In the wake of
English Meaning: following (someone or something), especially as a consequence.
Bangla Meaning: একটা কাজের ফল স্বরূপ কিছু ঘটা / পিছনে পিছনে।

• In the guise of
English Meaning: by saying or acting as if something is other than what it really is.
Bangla Meaning: ভান করে / ছদ্মবেশ ধরে।

• in the plea of
English Meaning: a request made in an urgent and emotional manner.
Bangla Meaning: অজুহাতে, কৈফিয়তে।

Source: 
1. Live MCQ Lecture.
2. Oxford Learner's Dictionary.
3. Accessible Dictionary by Banggla Academy.
২৪.
Not many people can commit such a heinous crime in cold blood. What does the italicized idiom above mean?
  1. in cool brain and calculated thought
  2. so patiently and thoughtfully
  3. so impatiently and thoughtlessly
  4. stirred by sudden emotion
ব্যাখ্যা
• Not many people can commit such a heinous crime in cold blood.
- বাক্যটির বাংলা অর্থ - এমন একটি নৃশংস অপরাধ ঠাণ্ডা মাথায় (অর্থাৎ নির্লিপ্তভাবে) করতে অনেকেই পারবে না।

• Cold blood
English Meaning: without emotion or pity / deliberately cruel or callous.
Bangla Meaning: নৃশংস ভাবে, খুব ঠান্ডা মাথায় কিছু করা।

• অন্য অপশনগুলর মধ্যে - 
• in cool brain and calculated thought
- ঠাণ্ডা মাথায় এবং পরিকল্পিত চিন্তায় হিসাব- নিকাশ।

• so patiently and thoughtfully
- খুবই ধৈর্যসহ এবং বিবেচনা সহকারে।

• so impatiently and thoughtlessly
- খুবই অধৈর্যভাবে এবং অবিবেচনা প্রসূতভাবে।

• stirred by sudden emotion
– হঠাৎ আবেগে জেগে উঠে বা উত্তেজিত হয়ে।

• সুতরাং, অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে, the the italicized idiom above (in cold blood) means - in cool brain and calculated thought

Source: 
1. Live MCQ Lecture.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৫.
The condition of most slum dwellers is so miserable that it cannot be described in words. Which is the best phrase for the underlined expression above?
  1. beggars description
  2. cuts to the quick
  3. boils down to this
  4. keeps open house
ব্যাখ্যা
• So miserable that it can not be described in words- এত দুর্দশাপূর্ণ যে ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব।

• অপশনে উল্লিখিত phrase গুলোর অর্থ বিশ্লেষন করে পাওয়া যায় 
• Beggar description / belief
English Meaning: to be impossible to believe or describe/too unusual, extreme, or indefinite to be adequately described; indescribable.
Bangla Meaning: বর্ণনা করা যায় না এমন / অবর্ণনীয়।

• Cut someone to the quick/ cuts to the quick
English Meaning: to hurt someone's feelings a lot.
Bangla Meaning: কারো মনে কষ্ট দেওয়া

Boils down to this/ boil down to something
English Meaning: If a situation or problem boils down to something, that is the main reason for it.
Bangla Meaning; কিছুর প্রধান বা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল।

• keep (s) open house
English Meaning: To be prepared to entertain visitors at any time.
Bangla Meaning: সবাইকে স্বাগতম জানানো।

• phrase গুলোর অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে  beggars description  is the best phrase for the underlined expression above.

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Cambridge Dictionary.
3. Collins Dictionary.
4. Accessible dictionary by Bangla Academy.
5. Live MCQ Lecture.
২৬.
A speech full of too many word is-
  1. A big speech
  2. Maiden speech
  3. An unimportant speech
  4. A verbose speech
ব্যাখ্যা
• A speech of too many words is called - A verbose speech /একটি দীর্ঘ ও শব্দবহুল বক্তৃতা বা "অতিরিক্ত শব্দপূর্ণ ভাষণ।

• Verbose (Adjective)
English Meaning: Using or expressing in more words than are needed.
Bangla Meaning: বাগাড়ম্বরপূর্ণ; শব্দাড়ম্বরপূর্ণ: a verbose speech/speaker/style.

• So, A verbose speech means 'containing more words than necessary'.
- Verbose শব্দটি এমন বক্তৃতার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেখানে অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় শব্দ ব্যবহৃত হয়, যা বক্তব্যকে দীর্ঘ করে।

• অন্যদিকে,
• Maiden speech
- পার্লামেন্টে নবাগত সদস্যের প্রথম ভাষণ বা First Speech.

• An unimportant speech 
- একটি গুরুত্বহীন ভাষণ।

• A big speech 
- একটি বিশাল বক্তৃতা

Source:
1. Oxford Learners Dictionary
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৭.
To meet trouble half-way means- 
  1. To be puzzled
  2. To get nervous
  3. To be disappointed
  4. To bear up
ব্যাখ্যা
Oxford Dictionary of Idioms অনুযায়ী,
Anxiety or Worry এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে এমন একটি Idiom হচ্ছে - Meet trouble in halfway.
আবার, Anxiety means - Anxiety (about/over something) the state of feeling nervous or worried that something bad is going to happen.
সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে, To meet trouble halfway means - To get nervous.

• To meet trouble Halfway
English Meaning: To get nervous or To get worried or feel anxious.
Bangla Meaning: বিচলিত বোধ করা/ যা এখনো ঘটেনি তা নিয়ে চিন্তিত বোধ করা।

Source:
1. Oxford Dictionary of Idioms.
2. Oxford Learner's Dictionary.
২৮.
'Paradise Lost' attempted to- 
  1. Justify the ways of man to God
  2. Justify the ways of God to men 
  3. Show that the Satan and God have equal power
  4. Explain why good and evil are necessary
ব্যাখ্যা
• Paradise Lost:
- Neo-classical period এর অন্যতম সাহিত্যিক John Milton রচিত একটি epic.
- The theme of Paradise Lost or 'Paradise Lost' attempted to - Justify the ways of God to men.
- তার লেখা Paradise lost কে the great Epic in English হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি মোট বারো খণ্ডে বিভক্ত।
- এটি Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ)- এ রচিত।

• Notable quotations of Paradise Lost:
- "Of Man's First Disobedience, and the Fruit Of that Forbidden Tree, whose mortal taste Brought Death into the World, and all our woe.". (First line)
- Better to reign in Hell than serve in Heaven.
- Death is the golden key that opens the place of eternity.
- Solitude sometimes is the best society.”
- Awake, arise or be forever fallen.

• এই Epic এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Adam,
- Eve,
- Satan,
- Beelzebub,
- Raphael,
- Michael,
- Mamoon,
- Belial,
- Gabriel, etc.

• John Milton (1608-1674):
- He was born in London, England in 1608.
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- মূলত কবি হিসেবে প্রসিদ্ধ হলেও মিল্টন কিছু উচ্চমানের রাজনৈতিক প্রবন্ধও লিখেছিলেন।
- তাকে বলা হয় the Epic Poet. এছাড়া great master of Blank Verse ও বলা হয়।

• Some notable works of him:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- Comus (masque/ a type of theatre entertaining poetry)
- On Shakespeare (First published poem).
- Samson Agonistes
- L'Allegro,
- Il Penseroso,
- Of Education
- Areopagitica

Source: Live MCQ Lecture and Britannica.
২৯.
What is the meaning of the idiom 'a round dozen'?
  1. a little less than a dozen 
  2. a little more than a dozen
  3. a full dozen
  4. round about a dozen
ব্যাখ্যা
• A round dozen (idiom)
English meaning: Exactly twelve or a group or set of twelve / A full dozen.
Bangla Meaning: পূর্ণ ভজন; তিন গণ্ডা; বারোটি; এক ভজন।
- এই idiom টি কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যাকে (১২) প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।

Example: I ordered a round dozen of eggs from the market.
Bangla Meaning: আমি বাজার থেকে ঠিক বারোটি ডিম অর্ডার করেছিলাম।)

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩০.
What is the meaning of 'Soft Soap'?
  1. Flatter for self-motives
  2. To speak high of others
  3. To speak ill of others
  4. To recognise other's good deeds
ব্যাখ্যা
• Soft soap (verb)
English meaning: Use flattery in order to persuade or cajole (someone) to do something.
- If you soft-soap someone, you flatter them or tell them what you think they want to hear in order to try and persuade them to do something.
Bangla Meaning: স্তাবকতা করা; তোষণ করা; অর্থাৎ নিজের উদ্দেশ্য সাধনার্থে তোষামোদ; তোষামোদ করে কোনো কিছু করতে রাজি করানো।

• অপশনে উল্লিখিত phrases গুলোর অর্থ -
ক) Flattery for self-motives
- স্ব-উদ্দেশ্যের জন্য চাটুকারিতা করা।

খ) To speak high of others
- অন্যদের সম্পর্কে ভালো কথা বলা

গ) To speak ill of others
- অন্যের সম্পর্কে খারাপ কথা বলা।

ঘ) To recognize other's good deed
- অন্যের ভাল কাজ স্বীকৃতি দেওয়া

• So, the meaning of 'soft soap' - Flattery for self-motives.

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
3. Collins Dictionary.
৩১.
People who assume that no evil can befall them are foolishly- 
  1. ardent
  2. complacent
  3. confident
  4. apprehensive
ব্যাখ্যা
• People who assume that no evil can befall them are foolishly - complacent.

• Complacent (adjective):
English Meaning: Showing smug or uncritical satisfaction with oneself or one's achievements.
Bengali meaning: আত্মতুষ্ট; পরিতৃপ্ত।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলর অর্থ -
• Ardent (adjective)
English Meaning: Very enthusiastic or passionate.
Bengali meaning: অতিশয় আকুল বা অত্যন্ত উৎসাহী।

• Confident (adjective)
English Meaning: Feeling or showing confidence in oneself or one's abilities or qualities.
Bengali meaning: আত্মবিশ্বাসী; আস্থাশীল; নিশ্চিত।

• Apprehensive (adjective)
English Meaning: Anxious or fearful that something bad or unpleasant will happen.
Bengali meaning: উদ্বিগ্ন; উৎকণ্ঠিত; শঙ্কিত।

• প্রদত্ত প্রশ্নের বাক্যে complacent শব্দটাই যথাযথ অর্থ প্রকাশ করে।
- complacent এর অর্থ আত্মতুষ্ঠ অর্থাৎ ঐ সকল লোক যারা বোকার মত মনে করে কোন পাপই তাদের পতন ঘটাতে পারবে না।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩২.
One who unduly forwards in rendering services for others is not generally liked in society. Which of the following words represents truly the character of the person mentioned above? 
  1. benevolent
  2. official
  3. officious
  4. bureaucratic
ব্যাখ্যা
• One who unduly forwards in rendering services for others is not generally liked in society.
- The word 'officious' represents truly the character of the person mentioned.
- যে ব্যক্তি অসঙ্গতভাবে অপরের জন্য এগিয়ে আসে তাকে সাধারণভাবে সবাই অপছন্দ করে

• Officious (adjective)
English Meaning: Too eager to tell people what to do and having too high an opinion of your own importance.
Bangla Meaning: গায়েপড়ে সাহায্য করতে বা পরামর্শ দেয় এমন; কর্তৃত্বপরায়ণ।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
ক) Benevolent (adjective)
English Meaning: well meaning and kindly.
Bangla Meaning: দয়ালু; সদাশয়।

খ) Official (adjective)
English Meaning: Relating to an authority or public body and its activities and responsibilities.
Bangla Meaning: আনুষ্ঠানিক কর্তৃত্বপ্রসূত; অফিসিয়াল।

ঘ) Bureaucratic (adjective)
English Meaning: Relating to a system of government in which most of the important decisions are taken by state officials rather than by elected representatives.
Bangla Meaning: আমলাসুলভ; আমলাতান্ত্রিক।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. 
৩৩.
What kind of man is quite the opposite type of 'supercilious'? 
  1. Affable
  2. Haughty
  3. Disdainful
  4. Wicked
ব্যাখ্যা
Supercilious
English Meaning: Behaving as if you are better than the other people
Bengali meaning: উন্নাসিক; - উদ্ধত, অহংকৃত; গর্বিত।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) Affable (adjective)
- শিষ্টাচারী ও বন্ধুভাবাপন্ন; অমায়িক।

খ) Haughty (adjective)
- উদ্ধত; অহংকারী।

গ) Disdainful (verb transitive) (noun)
- ঘৃণা করা; অবজ্ঞা করা; তাচ্ছিল্য করা; অসম্মানজনক মনে করা; ঘৃণা; তাচ্ছিল্য।

ঘ) Wicked (adjective)
- (ব্যক্তি বা তার কাজ) মন্দ; খারাপ; ভ্রান্ত, অসৎ; অন্যায়; নীতিবিগর্হিত।

• শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে, সঠিক বিপরীত শব্দটি হবে - Affable.
- So, an affable kind of man is quite the opposite type of 'supercilious'.
৩৪.
How many eggs have your hens ___ this month? Which of the following words best completes the above sentence? 
  1. lain
  2. laid
  3. lay
  4. lied
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - laid.
- Complete sentence: How many eggs have your hens laid this month? 
- Bangla Meaning: এই মাসে তোমার মুরগিগুলো কতগুলো ডিম দিয়েছে?"

• অপশন বিশ্লেষণ:
ক) Lian হচ্ছে শয়ন করা; শোয়া অর্থে Lie এর past participle form এবং এর past form হচ্ছে Lay.
খ) ডিম দেওয়া অর্থে Laid হচ্ছে Lay (পাখি বা কীটপতঙ্গ) ডিম দেওয়া) এর past এবং past participle form.
গ) Lay (present) শোয়ানো; শায়িত করা; রাখা; স্থাপন করা; বিছানো অথবা (পাখি বা কীটপতঙ্গ) ডিম দেওয়া)।গ
ঘ) lied হচ্ছে মিথ্যা বলা, অর্থে Lie এর Past এবং Past Participle form/

• যেহেতু বাক্যটি Present perfect tense এ আছে তাই এরপর verb এর past participle form বসে।
- Present Perfect Tense-এ গঠন হয়: have/has + past participle।
- এক্ষেত্রে, "have" auxiliary verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, আর "laid" হচ্ছে আর "lay" verb এর past participle form.

৩৫.
The walls of our house have been painted ______ green. Which is the correct preposition in the blank above? 
  1. no preposition
  2. by
  3. in
  4. with
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হচ্ছে - no preposition.
- অর্থাৎ, বাক্যটি সম্পূর্ণ করতে উল্লিখিত শূন্যস্থানে কোনো preposition এর প্রয়োজন নেই।
- Paint verbটি - to cover a surface with paint এই অর্থে ব্যবহৃত হলে এরসাথে by, in, with ব্যবহার হয় না।

• Paint (verb)
English Meaning: to cover a surface with paint
Bangla Meaning: রঙের প্রলেপ দেওয়া; রং করা।

• Example: 
- We've painted the bedroom blue.

• তবে, 
• Paint (verb) - to make a picture using paints অর্থে paint এর সাথে by বসে।
- All these pictures were painted by local artists.

Paint (verb) - to cover with another layer of paint অর্থে paint এর সাথে over বসে।
-  I'll need to paint over these dirty marks on the wall.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৬.
Can you tell me where________? Which of the following is the best clause in the above sentence? 
  1. does Mr. Ali live 
  2. Mr. Ali does live
  3. Mr. Ali lives
  4. lives Mr. Ali
ব্যাখ্যা
• Embedded question এর নিয়মানুযায়ী শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - Mr. Ali lives?
- Complete Sentence: Could you tell me where Mr. Ali lives?

• Embedded question:
- বাক্যের মাঝে wh-word বসে যে প্রশ্ন তৈরি করে তাই embedded question.
- Embedded question, English Grammar এর এমন একটি নিয়ম যেখানে একটি assertive বাক্যের মধ্যে একটি interrogative বা প্রশ্নবোধক বাক্য সন্নিবেশিত করা হয়।
- এরা প্রশ্নের মত কিন্তু প্রশ্ন নয়।
- Wh words সমূহ sentence এর মাঝে বসলে প্রশ্ন করার যোগ্যতা হারায়।
- এমন বাক্যের প্রথম অংশে যেকোন এমনকি প্রশ্নবোধক বাক্য ও বসতে পারে।
- প্রশ্ন বোধক বাক্য প্রথম অংশে বসলে সবার শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে এবং প্রশ্ন বোধক বাক্য প্রথম অংশে বসলে full stop হয়।

• Structure:
- ১ম clause + wh words + subject + সাধারণ বাক্য বসবে + full stop/question mark.

• যেহেতু উল্লেখিত বাক্যের প্রথম অংশে প্রশ্ন বোধক বাক্য বসেছে তাই এর শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসবে এবং wh word এর পর subject বসবে।
৩৭.
What is the full name of the great American short story writer O'Henry?
  1. Walt Whitman 
  2. William Sydney Porter 
  3. Marjorie Kinnan Rawlings
  4. Mark Twain
ব্যাখ্যা
• O’ Henry (1862-1910): 
• 'William Sydney Porter' is the full name of great American short story writer O' Henry.
- তিনি হচ্ছেন একজন American short-story writer whose tales romanticized the commonplace - বিশেষ করে New York City এর সাধারণ মানুষের জীবন।
- তিনি Modern Period এর একজন বিখ্যাত লেখক এবং তাঁর pseudonym O' Henry নামেই বেশি পরিচিত।

• His famous works:
- Heart of the West,
- The Gift of the Magi,
- Sixes and Sevens,
- Roads of Destiny,
- Cabbage and Kings,
- The Four million,
- The Voice of the city etc.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৩৮.
Now-a-days many villages are lit _______ electricity. Which is the correct preposition in the above blank? 
  1. with
  2. by
  3. from
  4. on
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - by.
- Complete Sentence: Now-a-days many villages are lit by electricity

• কোন কিছু আলোকিত করা বা আলোকবিশিষ্ট করা বুঝালে light by ব্যবহৃত হয়।
- আর light verb এর past এবং past participle form হলো lit/lighted.
- যেমন- The house is lighted/lit by electricity.

• বিভিন্ন Dictionary তে ব্যবহার ভেদে দেখা যায় আলোকিত করা বা আলোকবিশিষ্ট করা বোঝাতে by and with দুইটাই ব্যবহার হচ্ছে।
- তবে, সাধারণ নিয়ম হিসেবে, সরাসরি কোন কিছু দ্বারা আলোকিত হলে with ব্যবহার হয়।
- যেমন, The room was lit with an electric bulb/candle.

- এখানে,
- Electricity কিন্তু সরাসরি আলোকিত করছে না, Electricity এখানে bulb এর মাধ্যমে আলোকিত করছে। তাই, এখানে by electricity হবে।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৯.
The second anniversary celebration of our college will be held on December 15. Which of the following is the correct phrase for 'will be held' above?
  1. takes off
  2.  comes off
  3. will bring about
  4. will come round
ব্যাখ্যা
• Will be held- অনুষ্ঠিত হবে।

• অপশনে উল্লিখিত phrases গুলোর অর্থ - 
• Takes off 
English Meaning: To remove something, especially clothes; If an aircraft, bird, or insect takes off, it leaves the ground and begins to fly.
Bangla Meaning: খুলে ফেলা; অপসারিত করা; কেটে ফেলা;  উড্ডয়ন করা, উল্লম্ফন।।

• Come off
English meaning: To happen as planned, or to succeed:
Bangla Meaning: সংঘটিত হওয়া; সফল বা ফলপ্রসূ হওয়া।

• Bring about 
English Meaning: To cause something to happen.
Bangla Meaning: কোনো কিছু সংঘটন করা।
- will bring about - সংঘটিত হবে।

• Come round
English Meaning: recover consciousness.
Bangla Meaning: আরোগ্য লাভ করা।
- will come round - আরোগ্য লাভ করবে।

• অর্থানুযায়ী বুঝা যাচ্ছে, সঠিক উত্তর হবে comes off.
- "Comes off" মানে কোনো ঘটনা বা কার্যক্রম সফলভাবে ঘটানো বা অনুষ্ঠিত হওয়া।
- সুতরাং, "The second anniversary celebration of our college comes off on December 15" বাক্যটি সঠিক।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Oxford Learner's Dictionary.
3. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪০.
Dog days means- 
  1. a period of being carefree 
  2. a period of having youthful flings
  3. a period of misfortune
  4. hot weather
ব্যাখ্যা
• Dog days (noun)
English Meaning: the hottest period of the year / a period of stagnation or inactivity.
Bangla Meaning: বছরের সবচেয়ে গরম দিন/ অচলাবস্থা।

Ex. Sentence: The dog days of summer are a difficult period for those who have to work out in the open.
Bangla Meaning: যাদেরকে বাইরে কাজ করতে হয় তাদের জনয় গ্রীষ্মের গরম দিনগুলো খুব কঠিন সময়।

Source: Live MCQ Lecture.
৪১.
দুই অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যার এককের অঙ্ক দশকের অঙ্ক অপেক্ষা ৩ বেশি। সংখ্যাটি এর অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টির তিনগুণ অপেক্ষা ৪ বেশি। সংখ্যাটি কত? 
  1. ৪৭
  2. ৩৬
  3. ২৫
  4. ১৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুই অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যার এককের অঙ্ক দশকের অঙ্ক অপেক্ষা ৩ বেশি। সংখ্যাটি এর অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টির তিনগুণ অপেক্ষা ৪ বেশি। সংখ্যাটি কত? 

সমাধান:
ধরি,
দশকের অঙ্ক ক হলে,
এককের অঙ্ক (ক + ৩)

∴ সংখ্যাটি = ১০ক + ক + ৩ = ১১ক + ৩

প্রশ্নানুসারে,
১১ক + ৩ = ৩(ক + ক + ৩) + ৪
বা, ১১ক - ৬ক = ১৩ - ৩
বা, ৫ক = ১০
∴ ক = ২
∴ সংখ্যাটি = (১১ × ২ + ৩) = ২৫
৪২.
একটি ঘড়িতে ৬টার ঘণ্টা ধ্বনি ঠিক ৬টায় শুরু করে বাজতে ৫ সেকেন্ড সময় লাগে, ঐ ঘড়িতে ১২ টার ঘণ্টাধ্বনি বাজতে কত সেকেন্ড সময় লাগবে? ঘণ্টাধ্বনি সমান সময় ব্যবধানে বাজে। 
  1. ১১ সেকেন্ড
  2. ১০ সেকেন্ড
  3. ১২ সেকেন্ড
  4. ৫১/৫ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ঘড়িতে ৬টার ধ্বনি ঠিক ৬টায় শুরু করে বাজতে ৫ সেকেন্ড সময় লাগে, ঐ ঘড়িতে ১২টার ঘণ্টাধ্বনি বাজতে কত সময় লাগবে? ঘণ্টাধ্বনি সমান সময় ব্যবধানে বাজে।

সমাধান:
৬ টার সময় ৬ বার ঘন্টা বাজে।
১২ টায় ১২ বার ঘন্টা বাজে।

যখন ৬ টা বাজে তখন ১ম ঘণ্টাটি ঠিক ৬টার সময় বাজবে এবং পরবর্তী ৫ টি ঘণ্টা ১ সেকেন্ড পরপর বাজতে থাকবে ফলে ৬ টা ৫ সেকেন্ড পর্যন্ত মোট ৬ টি ঘণ্টা বাজবে। 
একইভাবে ১২ টার সময় প্রথম ঘণ্টা ঠিক ১২ টার সময় বাজবে এবং তারপর পরবর্তী ১১ টি ঘণ্টা বাজতে মোট ১১ সেকেন্ড সময় লাগবে।
৪৩.
এক গোয়ালা তার 'n' সংখ্যক গাভীকে চার পুত্রের মধ্যে নিম্ন লিখিতভাবে বণ্টন করে করে দিল: প্রথম পুত্রকে ১/২ অংশ, দ্বিতীয় পুত্রকে ১/৪ অংশ, তৃতীয় পুত্রকে ১/৫ অংশ এবং বাকি ৭টি গাভী চতুর্থ পুত্রকে দিল। ঐ গোয়ালার গাভীর সংখ্যা কত ছিল? 
  1. ১০০টি
  2. ১৪০টি
  3. ১৮০টি
  4. ২০০টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক গোয়ালা তার 'n' সংখ্যক গাভীকে চার পুত্রের মধ্যে নিম্ন লিখিতভাবে বণ্টন করে দিল: ১ম পুত্রকে ১/২ অংশ, ২য় পুত্রকে ১/৪ অংশ, ৩য় পুত্রকে ১/৫ অংশ এবং বাকী ৭টি গাভী ৪র্থ পুত্রকে দিল। ঐ গোয়ালার গাভীর সংখ্যা কত ছিল?

সমাধান:
ধরি,
গোয়ালার গাভির সংখ্যা = n

প্রশ্নমতে,
{(১/২) + (১/৪) + (১/৫)}n = n - ৭
⇒ {(১০ + ৫ + ৪)/২০}n = n - ৭
⇒ ১৯n = ২০n - ১৪০
∴ n = ১৪০

অর্থাৎ, গোয়ালার গাভীর সংখ্যা ১৪০টি।
৪৪.
১৮ ফুট উঁচু একটি খুঁটি এমনভাবে ভেঙ্গে গেল যে, ভাঙ্গা অংশটি বিচ্ছিন্ন না হয়ে ভূমির সঙ্গে ৩০° কোণে স্পর্শ করলো। খুঁটিটি মাটি থেকে কত ফুট উঁচুতে ভেঙ্গে গিয়েছিল?
  1. ১২ ফুট
  2. ৯ ফুট
  3. ৬ ফুট
  4. ৩ ফুট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৮ ফুট উঁচু একটি খুঁটি এমনভাবে ভেঙ্গে গেল যে, ভাঙ্গা অংশটি বিচ্ছিন্ন না হয়ে খুঁটির সঙ্গে ৬০° কোণ উৎপন্ন করে ভূমিতে স্পর্শ করে। খুঁটিটি মাটি থেকে কত ফুট উঁচুতে ভেঙ্গে গিয়েছিল?

সমাধান:

ধরি,
মাটি থেকে h ফুট উঁচুতে খুঁটিটি ভেঙ্গে যায়।

ভাঙ্গা অংশটি বিচ্ছিন্ন না হয়ে খুঁটির সঙ্গে ৬০° কোণ উৎপন্ন করে,
∴ ভাঙ্গা অংশটি ভূমির সঙ্গে ৯০° - ৬০° = ৩০° কোণ উৎপন্ন করে

আমরা জানি,
sin৩০° = লম্ব/অতিভূজ
বা, ১/২ = h/(১৮ - h)
বা, (১৮ - h) = ২h
বা, ৩h = ১৮
∴ h = ৬

অর্থাৎ, মাটি থেকে ৬ ফুট উঁচুতে খুঁটিটি ভেঙ্গে গিয়েছিল।
৪৫.
এক কুইন্টাল ওজনে কত কিলোগ্রাম হয়? 
  1. ১ কিলোগ্রাম
  2. ১০ কিলোগ্রাম
  3. ১০০ কিলোগ্রাম
  4. ১০০০ কিলোগ্রাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক কুইন্টাল ওজনে কত কিলোগ্রাম হয়?

সমাধান:
১ কুইন্টাল = ১০০ কিলোগ্রাম
১ মেট্রিক টন = ১০০০ কিলোগ্রাম
১০ কুইন্টাল = ১ মেট্রিক টন
৪৬.
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে ৩ ও ৪ সেন্টিমিটার হলে এর অতিভুজের মান কত? 
  1. ৬ সে.মি.
  2. ৫ সে.মি.
  3. ৮ সে.মি.
  4. ৭ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে ৩ ও ৪ সেন্টিমিটার হলে ত্রিভুজের অতিভুজ কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
পিথাগোরাসের সূত্রানুযায়ী, সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে, (অতিভুজ) = (লম্ব) + (ভূমি)
⇒ অতিভুজ = √{(৩) + (৪))}
⇒ অতিভুজ = √(৯ + ১৬)
⇒ অতিভুজ = √২৫
∴ অতিভুজ = ৫ সে.মি.
৪৭.
একটি আয়তকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি ও প্রস্থ ১০% হ্রাস করা হলে, ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে? 
  1. ৮% (বৃদ্ধি)
  2. ৮% (হ্রাস)
  3. ১০৮% (বৃদ্ধি)
  4. ১০৮% (হ্রাস)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি ও প্রস্থ ১০% হ্রাস করা হলে, ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?

সমাধান:
মনে করি,
দৈর্ঘ্য = x একক
প্রস্থ = y একক
তাহলে, ক্ষেত্রফল = xy বর্গ একক

২০% বৃদ্ধিতে, নতুন দৈর্ঘ্য = x + x এর ২০% = ৬x/৫ একক
এবং ১০% হ্রাসে, নতুন প্রস্থ = y - y এর ১০% = ৯y/১০ একক
∴ নতুন ক্ষেত্রফল = (৬x/৫) × (৯y/১০)
= ২৭xy/২৫ বর্গ একক

∴ ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = (২৭xy/২৫) - xy
= (২৭xy - ২৫xy)/xy
= ২xy/২৫

∴ শতকরা ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = {(২xy/২৫)/xy} × ১০০%
= ৮%
৪৮.
কোনটি সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র? 
  1. (১/২) (ভূমি × উচ্চতা)
  2.  দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
  3. ২ (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ)
  4. ভূমি × উচ্চতা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনটি সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র?

সমাধান:
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা

- সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল।
- সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরষ্পর অসমান।
- সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় যদি পরস্পর সমান হয় তবে সামান্তরিকটি আয়তক্ষেত্র হবে।]
৪৯.
(1/2){(a + b)2 + (a - b)2} = কত?
  1. a2 + b2
  2. a2 - b2
  3. {(a + b)2/2 - (a - b)2/2}
  4. (a + b)2 + (a - b)2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1/2 {(a + b)2 + (a - b)2} = কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
2(a2 + b2) = (a + b)2 + (a - b)2
∴ a2 + b2 = 1/2 {(a + b)2 + (a - b)2}
৫০.
am. an = am+n কখন হবে?
  1. m ধনাত্মক হলে
  2. n ধনাত্মক হলে
  3. m ও n ধনাত্মক হলে
  4. m ধনাত্মক ও ঋণাত্মক হলে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: am . an = am + n কখন হবে?

সমাধান:
⇒ m ও n ধনাত্বক সংখ্যার ক্ষেত্রে, am . an = am + n
⇒ a ≠ 0 হলে, ‍a0 = 1
⇒ a ≠ 0 এবং n স্বাভাবিক সংখ্যা হলে, ‍a- n = 1/an
৫১.
শতকরা ৫ টাকা হার সুদে ২০ বছরে সুদে-আসলে ৫০,০০০ টাকা হলে মূলধন কত?
  1. ২০,০০০ টাকা 
  2.  ২৫,০০০ টাকা 
  3.  ৩০,০০০ টাকা
  4.  ৩৫,০০০ টাকা 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শতকরা ৫ টাকা হার সুদে ২০ বছরে সুদে-আসলে ৫০,০০০ টাকা হলে মূলধন কত?

সমাধান:
১০০ টাকায় ১ বছরের সুদ ৫ টাকা
∴ ১০০ টাকায় ২০ বছরের সুদ (৫ × ২০) = ১০০ টাকা

সুদে আসলে = ১০০ + ১০০ = ২০০ টাকা

সুদাসল ২০০ টাকা হলে আসল = ১০০ টাকা
∴ সুদাসল ১ টাকা হলে আসল = ১০০/২০০ টাকা
∴ সুদাসল ৫০০০০ টাকা হলে আসল = (১০০ × ৫০০০০)/২০০ টাকা
= ২৫০০০ টাকা

∴ মূলধন ২৫০০০ টাকা।
৫২.
রেলওয়ে স্টেশনে আগমনরত ইঞ্জিনে বাঁশি বাজাতে থাকলে প্লাটফরমে দাঁড়ানো ব্যক্তির কাছে বাঁশির কম্পনাঙ্ক- 
  1. আসলের সমান হবে
  2. আসলের চেয়ে বেশি হবে
  3. আসলের চেয়ে কম হবে
  4. আসল গতির সাথে সম্পর্কযুক্তভাবে কমে যাবে
ব্যাখ্যা
- রেলওয়ে ষ্টেশনে আগমনরত ইঞ্জিনে বাঁশি বাজাতে থাকলে প্লাটফরমে দাঁড়ানো ব্যক্তির কাছে বাঁশির কম্পনাঙ্ক আসলের চেয়ে বেশি হবে। 
- শব্দের উৎস থেকে কম্পাঙ্ক যেদিকে যায়, শব্দের উৎস তথা ট্রেন সেদিকেই এগোতে থাকলে কম্পাঙ্কের ঘনত্ব বাড়ে, এতে শব্দের তীব্রতা বাড়ে। 
- এই ঘটনা ডপলার অ্যাফেক্ট দ্বারা বর্ণনা করা যায়। 
- শব্দের উৎস এবং শ্রোতার মধ্যে আপেক্ষিক গতির ফলে শ্রুত শব্দের কম্পাঙ্কের যে আপাত পরিবর্তন হয় তাকে ডপলার ক্রিয়া বলে। 
- ডপলার ক্রিয়া শব্দ বিজ্ঞানের অন্যতম একটি আলোচ্য বিষয়। 
- ১৮৪২ সালে অস্ট্রিয়ার পদার্থবিদ ডপলার এ সূত্র প্রদান করেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫৩.
দৃশ্যমান বর্ণালির ক্ষুদ্রতম তরঙ্গদৈর্ঘ্য কোন রঙের আলোর? 
  1. লাল
  2. সবুজ
  3. নীল
  4. বেগুনী
ব্যাখ্যা
দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। 
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসীমা হচ্ছে 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র। 
- এই পরিসীমার বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন রঙ দেখা যায়। 
- এদের আসমানি, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনী, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। 
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনী আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম? 
  1. শূন্যতায়
  2. কঠিন পদার্থে
  3. তরল পদার্থে
  4. বায়বীয় পদার্থে
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ: 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়। 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়। 
- তরল পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়। 
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৫.
বজ্রপাতের সময় আপনি নিজের গাড়ি করে যাচ্ছেন। নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আপনি কোন উপায়টি গ্রহণ করবেন? 
  1. গাড়ির মধ্যেই বসে থাকবেন
  2. কোনো গাছের তলায় আশ্রয় নিবেন
  3. বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়বেন
  4. বাইরে এসে আকাশের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকবেন
ব্যাখ্যা
National Oceanic and Atmospheric Administration of the USA Government এর মতে,
No place outside is safe when a thunderstorm is in the area. Get inside as soon as you hear thunder. Run to a substantial building or hard-topped metal vehicle as fast as you can.
এখানে স্পষ্ট করে বলা আছে যে, বাইরে যাওয়া কোনভাবেই নিরাপদ নয়
তারা আরও বলে যে,
If you can’t get to a safe building or vehicle:
— Avoid open areas. Don’t be the tallest object in the area.
অর্থাৎ, যদি কোন বিল্ডিং বা ছাদ বিশিষ্ট গাড়ি আশেপাশে না থাকে তাহলেই কেবল বাইরে শুয়ে পড়তে হবে যেন আশেপাশের সবকিছুর চেয়ে নিজের উচ্চতাটা কম থাকে।

তাছাড়া, আমাদের সরকারি নির্দেশনা/লিফলেটেও গাড়ির ভেতরেই থাকতে বলা হয়েছে এবং গাড়ির ভেতরে কোন ধাতব অংশের সঙ্গে যেন স্পর্শ না লাগে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বাইরে খোলা জায়গাতে যেতে সরাসরিভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
এখানে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি আবহাওয়া সেবা সংস্থার প্রচারণামূলক নির্দেশিকার একটা ছবি দিয়ে দেয়া হলো- 
৫৬.
কিসের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়? 
  1. প্রতিফলন
  2. প্রতিধ্বনি
  3. প্রতিসরণ
  4. প্রতিসরাঙ্ক
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়: 
- প্রতিধ্বনির সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়। 
- কোন শব্দ উৎস থেকে শব্দ করা হলে তা কোন কঠিন তলে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে আবার যদি শব্দের উৎসের নিকট ফিরে আসে, তখন সেই শব্দের পুনরাবৃত্তি শোনা যায়, শব্দের এই পুনরাবৃত্তিকে শব্দের প্রতিধ্বনি বলে। 
- ফ্যাদোমিটার যন্ত্র ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়। 
- প্রতিধ্বনির সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা, কূপের গভীরতা ইত্যাদি নির্ণয় করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭.
কোথায় সাঁতার কাটা সহজ? 
  1. পুকুরে
  2. বিলে
  3. নদীতে
  4. সাগরে
ব্যাখ্যা
- নদীর পানি অপেক্ষা সমুদ্রের পানিতে প্লবতা বেশি হওয়ায় সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ। 
- প্লবতা প্রবাহীর ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে (সমানুপাতিক)। 
- নদীর পানির তুলনায় সমুদ্রের পানির ঘনত্ব কিছু বেশি। 
- তাই সাঁতার কাটার সময় নদীর পানির তুলনায় সমুদ্রের পানিতে বেশি উর্ধ্বমুখী বল পাওয়া যায়। 
- এ কারণে নদীর পানি অপেক্ষা সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ। 
 
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও কালের কণ্ঠ।
৫৮.
'এভিকালচার' বলতে কী বুঝায়?
  1. উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদি
  2. পাখিপালন বিষয়াদি
  3. বাজ পাখিপালন বিষয়াদি
  4. উড়োজাহাজ ব্যবস্থাপনা 
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- পাখিপালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার। 
- মৎস্যচাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার। 
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার। 
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৫৯.
কোন রঙের কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হয়? 
  1. সাদা
  2. কালো
  3. লাল
  4. ধূসর
ব্যাখ্যা
কালো রঙের কাপে চা দ্রুত ঠাণ্ডা হয়। 
- কারণ কালো রং তাপ শোষণ করতে পারে। 
- তাপ সব সময় উচ্চ তাপীয় অবস্থা থেকে নিম্ন তাপীয় অবস্থায় স্থানান্তরিত হয়। 
- এক্ষেত্রে চা এর কালো কাপটি হচ্ছে নিম্ন তাপীয় অবস্থা তাই তা দ্রুত তাপ শোষণ করে নেবে এবং চা তাপ বিকিরণ করে ঠান্ডা হয়ে যাবে। 
- সাদা রঙের কাপে চা বেশি সময় গরম থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০.
সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে সাধারণত কী গ্যাস ব্যবহার করা হয়? 
  1. নাইট্রোজেন
  2. হিলিয়াম
  3. নিয়ন
  4. অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
- সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে সাধারণত নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
(পূর্বে সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে নাইট্রোজেন এবং টিউবলাইটে আর্গন গ্যাস ব্যবহৃত হতো)। 
- বর্তমানে উভয়ক্ষেত্রেই নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে আর্গন ব্যবহৃত হয়। 
- তড়িৎ প্রবাহের তাপীয় ক্রিয়া প্রয়োগে বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কৃত হয়েছে। 
- গঠন প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বৈদ্যুতিক বাতিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. কার্বন ফিলামেন্ট, 
২. ধাতব ফিলামেন্ট ও 
৩. গ্যাসপূর্ণ বাতি। 

উল্লেখ্য,
- প্রশ্নের অপশনে আর্গন না থাকায় নাইট্রোজেন উত্তর হবে। 

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১.
বাংলাদেশের মৎস্য আইনে কত সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের রুই জাতীয় মাছের পোনা মারা নিষেধ? 
  1. ১৮ সেন্টিমিটার
  2. ২০ সেন্টিমিটার
  3. ২৩ সেন্টিমিটার
  4. ২৫ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
- দি প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিস এ্যাক্ট-১৯৫০ সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত। 
- নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধিতে বিরাট অন্তরায়। এ সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সালে এ আইন প্রণয়ন করে। 
- এ আইনের উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো নিম্নরূপ- 
১. চাষের উদ্দেশ্য ব্যতীত কোন ব্যক্তি কর্তৃক- 
(ক) প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর (আষাঢ় মাসের মাঝামঝি হতে পৌষ মাসের মাঝামাঝি) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালবাউস, ঘনিয়া। 
(খ) প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে (কার্তিক মাসের মাঝামঝি হতে জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ (যা 'জাটকা' নামে পরিচিত); 
(গ) প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল (কার্তিক মাসের মাঝামাঝি হতে বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (১ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস; 
(ঘ) প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি হতে জুন ( মাঘ মাসের মাঝামাঝি হতে আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি) মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের (১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের সিলন, বোয়াল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহণ বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ । 

উৎস: মৎস্যবিষয়ক আইনসমূহ, মৎস্য অধিদপ্তর বাংলাদেশ।
৬২.
দহগ্রাম ছিটমহল কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. কুড়িগ্রাম
  2. নীলফামারী
  3. পঞ্চগড়
  4. লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
• 'দহগ্রাম' ছিটমহল — লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত।

• দহগ্রাম ছিটমহল:
- লালমনিরহাটকে ছিটমহলবেষ্টিত জেলা বলা যায়।
- এ জেলায় ৩৩ টি ছিটমহল রয়েছে।
- এ জেলার বৃহত্তম ছিটমহল দুটি হচ্ছে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- তিন বিঘা করিডরের মাধ্যমে এই দুই ছিটমহলকে মূল ভূখন্ডের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৩.
'দক্ষিণ তালপট্টি' দ্বীপ কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত? 
  1. বালেশ্বর
  2. হাড়িয়াভাঙ্গা
  3. রূপসা
  4. ভৈরব
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
- এই দ্বীপের অপর নাম — পূর্বাশা দ্বীপ।
- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান এলাকায় জেগে ওঠা একটি উপকূলবর্তী দ্বীপ।
- বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলার বশীরহাট থানার মধ্যকার হাড়িয়াভাঙ্গা নদী দ্বারা চিহ্নিত সীমান্ত রেখা বরাবর — দক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনায় অগভীর সমুদ্রে এ ক্ষুদ্র দ্বীপটি গড়ে উঠেছে।
- দ্বীপটির আকৃতি প্রায় গোলাকার এবং ভাটার সময় সমুদ্রের পানি নেমে গেলে এটিকে দেখতে অনেকটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির মতো মনে হয়।
- দক্ষিণ তালপট্টির সরাসরি উত্তরে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড তালপট্টি এবং দক্ষিণে উন্মুক্ত বঙ্গোপসাগর।
- দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার।
- জোয়ারভাটার উঠানামায় দ্বীপটির জেগে থাকা ভূ-ভাগের আয়তন প্রায় ৭ বর্গ কিমি থেকে ১৪ বর্গ কিমি পর্যন্ত হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে।
- ১৯৭০ সালের নভেম্বরে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় গাঙ্গেয় বদ্বীপাঞ্চলের দক্ষিণ ভাগে আঘাত হানার ঠিক পর পরই দ্বীপটি প্রথম দৃষ্টিগোচর হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৪.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে? 
  1. হামিদুর রহমান
  2. তানভীর কবীর
  3. মাইনুল হোসেন
  4. নিতুন কুণ্ডু
ব্যাখ্যা
• জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সম্মিলিত প্রয়াস নামে পরিচিত।
- স্থপতি সৈয়দ — মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
- তবে মূল সৌধের নির্মাণ শুরু হয় ১৯৭৮ সালে।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ডিস্বেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উদ্বোধন করা হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি ফলক রয়েছে যা বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট (১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৫৬, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এবং ১৯৭১) কে নির্দেশ করে।
- স্মৃতিসৌধের সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৫০ ফুট।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৫.
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত? 
  1. ঢাকা
  2. ময়নামতি
  3. রাজশাহী
  4. সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর- নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত। 

বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প যাদুঘর:
- সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘর রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ  ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের “বড়সর্দারবাড়ি” নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

অন্যদিকে, 
 • নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর:
- বাংলাদেশের একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক বা নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬৫ সালে।
- জনসাধারণের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় ১৯৭৪ সালের ৯ জানুয়ারি। 
- এই জাদুঘরে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জাতি তাত্ত্বিক সামগ্রী প্রদর্শিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীতে অবস্থিত বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর (১৯১০)।

উল্লেখ্য।
- বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীতে অবস্থিত বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।

তথ্যসূত্র: জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও সোনারগাঁও উপজেলায় ওয়েবসাইট।
৬৬.
'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' নামক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ কত সালে ঘটে? 
  1. বাংলা ১৭০৬ সালে
  2. বাংলা ১১৭৬ সালে
  3. বাংলা ১৩৭৬ সালে
  4. ইংরেজি ১৮৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
• ’ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’:
- রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রণয়ন করলে দেওয়ানি চলে যায় কোম্পানির হাতে আর প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকে নবাবের হাতে।
- যার ফলে বাংলায় এক অভূতপর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়।
- এর ফল হিসেবে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৭.
পুনর্ভবা, নাগর, কুলিখ ও টাঙ্গন কোন নদীর উপনদী? 
  1. মহানন্দা
  2. ব্রহ্মপুত্র
  3. কুমার
  4. যমুনা
ব্যাখ্যা
• পুনর্ভবা, নাগর, কুলিখ ও টাঙ্গন — মহানন্দার উপনদী।

• মহানন্দা (Mahananda):
- হিমালয়ের পাদদেশে দার্জিলিং এর নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বত হতে মহানন্দা নদী উৎপত্তি হয়েছে।
- ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে। অত:পর ভারতের পূর্ণিয়া ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চাপাইনবাবগঞ্জের নিকট বাংলাদেশে পুনরায় প্রবেশ করে গোদাগাড়ির কাছে পদ্মার মিলিত হয়েছে।
- পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন এর উপনদী।

উল্লেখ্য,
• কোন নদীতে অপর কোন নদী পতিত হলে পতিত নদীকে উপনদী বলা হয়।

- পদ্মা নদীর উপনদী - মহানন্দা ও পুনর্ভবা।
- মহানন্দা নদীটি  হিমালয়ের পাদদেশে দার্জিলিং এর নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বত হতে মহানন্দা নদীর উৎপত্তি হয়েছে।
- আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব - ইত্যাদি পদ্মার শাখা নদী।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬৮.
'জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী'-এটি কার ঘোষণা? 
  1. তিতুমীর
  2. ফকির মজনু শাহ
  3. দুদু মিয়া
  4. হাজী শরীয়তউল্লাহ
ব্যাখ্যা
• দুদু মিয়া:
- হাজী শরীয়তুল্লাহ ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে মাদারীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর জেলায় এবং তার নেতৃত্বে এটি শুরু হয়।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পর ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর পুত্র দুদু মিয়া।
- তিনি ধর্মীয় সংস্কারমূলক এ আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেন।
- দুদু মিয়া ঘোষণা করেন, “জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি”।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রথমপত্র,মো. মোজাম্মেল হক।
৬৯.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবি কি ছিল? 
  1. সিপাহী
  2. ল্যান্স নায়েক
  3. হাবিলদার
  4. ক্যাপ্টেন
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবি ছিল- সিপাহী।

- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীরশ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

• বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান: 
- তিনি সর্বকনিষ্ঠ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ।
- তিনি ১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলার খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। 
- তিনি ৪নং সেক্টরের অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। 
- তার সমাধি রয়েছে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থা্নে।

উল্লেখ্য যে, 
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের পদবী ছিল- সিপাহী।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
৭০.
যমুনা নদী কোথায় পতিত হয়েছে? 
  1. পদ্মায়
  2. বঙ্গোপসাগরে
  3. ব্রহ্মপুত্রে
  4. মেঘনায়
ব্যাখ্যা
• যমুনা নদী:
- যমুনা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি নদীর একটি।
- এটি ব্রহ্মপুত্র নদীর প্রধান শাখা।
- ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশ ভূখন্ডে ব্রহ্মপুত্র-যমুনার দৈর্ঘ্য ২৭৬ কিমি যার মধ্যে যমুনা নদীর দৈর্ঘ্য ২০৫ কিমি।
- নদীটির প্রশস্ততা ৩ কিমি থেকে ২০ কিমি পর্যন্ত। তবে এর গড় প্রশস্ততা প্রায় ১০ কিমি।
- যমুনা নদী — পদ্মা নদীতে পতিত হয় গোয়ালন্দে।
- যমুনার প্রবাহমান জেলাসমূহ-বগুড়া জেলা, সিরাজগঞ্জ জেলা, টাঙ্গাইল জেলা (টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতি এবং ভূঞাপুর উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত) গাইবান্ধা জেলা।
- যমুনার প্রধান উপনদী গুলো হল তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, সুবর্ণশ্রী (করতোয়া যমুনার দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম উপনদী) বাঙালি+যমুনা বগুড়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
৭১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা কোনটি? 
  1. পঞ্চগড়
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

• সীমান্তবর্তী স্থান, উপজেলা, জেলা: 
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা — পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৭২.
বাংলাদেশের সংবিধান সর্বপ্রথম কোন তারিখে গণপরিষদে উত্থাপিত হয়? 
  1. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' কখন গঠন করা হয়েছিলো - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালরে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। 
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।

-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান- আরিফ খান, বাংলাদেশের সংবিধানের ইতিহাস।
৭৩.
১৯৫২ সালে তৎকালীন ভাষা আন্দোলন কিসের জন্ম দিয়েছিল? 
  1. এক রাজনৈতিক মতবাদের
  2. এক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের
  3. এক নতুন জাতীয় চেতনার
  4. এক নতুন সমাজ ব্যবস্থার
ব্যাখ্যা
• ১৯৫২ সালে তৎকালীন ভাষা আন্দোলন এক নতুন জাতীয় চেতনার জন্ম দিয়েছিল।

• বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব বাংলায় (বর্তমান বাংলাদেশে) সংঘটিত একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন।
• মৌলিক অধিকার রক্ষাকল্পে বাংলা ভাষাকে ঘিরে সৃষ্ট এ আন্দোলনের মাধ্যমে তদানীন্তন পাকিস্তান অধিরাজ্যের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণদাবীর বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
• ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে এ আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করলেও বস্তুত এর বীজ রোপিত হয়েছিল বহু আগে, অন্যদিকে এর প্রতিক্রিয়া এবং ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী।

এছাড়াও
• ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্বেই বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আলোচনার সূত্রপাত হয়।
• পাকিস্তান সরকার বাংলাভাষাকে উপেক্ষা করার নীতি অবলম্বন করলে ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভাষা আন্দোলন
শুরু হয়।
• ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে আন্দোলন করতে যেয়ে ৬ জন শহীদ হন।
• বাংলা ভাষার প্রতি হটকারী সিদ্ধান্তের ফলে মুসলিম লীগের পতন ঘটে।
• রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে ছাত্র সমাজের উত্থান ঘটে।
• অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও নারী জাগরণের সূচনা ঘটে।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪.
ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কী? 
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. পটাশ
  4. অ্যামোনিয়াম সালফেট
ব্যাখ্যা
• ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম — ইউরিয়া।

• ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
→ বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানার নাম - ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি।
→ দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ নরসিংদীর ‘ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা’
→ এটি ১২ নভেম্বর, ২০২৩ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 
→ এই সার কারখানা থেকে বছরে উৎপাদন হবে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার।
→ ২০২০ সালের ১০ মার্চ ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। যার দায়িত্ব পায় সিসি সেভেন নামে একটি চীনা এবং জাপানের মিত্সুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। 
→ নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ১১০ একর জমির ওপর নির্মিত এই প্রকল্পের ব্যয় হয়েছে ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
→  প্রতিদিন এখান থেকে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনে সক্ষম দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ অত্যাধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সার কারখানাটি।

তথ্যসূত্র:
i) ১২ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
iii) ইত্তেফাক (১২ নভেম্বর, ২০২৩)।
৭৫.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত? 
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
• জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত। 
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা — খুলনায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের ২০০শ'র মতো জাহাজ নির্মাণ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
- বর্তমানে দেশে নৌপথে ছোট-বড় ১২৫০০ অধিক সংখ্যক জলযান মালামাল ও যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
- এই সকল নৌযান তৈরিতে ২০টি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও ১০০টি স্থানীয় মানের শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ড রয়েছে। 
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিপইয়ার্ডগুলো বছরে গড়ে ১০০টি জাহাজ নির্মাণে সক্ষম।
- দেশে বর্তমানে সর্বোচ্চ ১০০০০ DWT ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ নির্মাণ হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগরের একটি দীর্ঘ উপকূলীয় সীমারেখা ছাড়াও প্রায় ৭০০টি ছোট-বড় নদী রয়েছে। 
- দেশের তিন-চতুর্থাংশ মালামাল নৌপথে পরিবহন হয়।
- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানি শুরু করে। 
- বিগত কয়েক বছরে দেশের শিপইয়ার্ডগুলো ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশে ৪০টি জাহাজ রপ্তানি করে ১৮০ মিলিয়ন ডলার আয়ের মাধ্যমে দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অবদান রেখেছে। 

উৎস: বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৭৬.
নিচের কোন বাংলাদেশীয় উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক? 
  1. গারো
  2. সাঁওতাল
  3. খাসিয়া
  4. মারমা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে।

- সাঁওতাল এবং মারমা উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতিসমূহের মধ্যে খাসিয়া এবং গারো সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক। 
- গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
-টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭৭.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে? 
  1. কৃষি ব্যাংক
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. সমবায় ব্যাংক
  4. ইসলামী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে।

• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৮.
চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল কী? 
  1. আখের ছোবড়া
  2. বাঁশ
  3. জারুল গাছ
  4. নল-খাগড়া
ব্যাখ্যা
• চন্দ্রঘোনা পেপার মিলস্:
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল — বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উল্লেখ্য,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বাঁশ জন্মে এবং বাঁশ ব্যবহার করে কর্ণফুলী পেপার মিলে কাগজ তৈরি হয়।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৭৯.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে? 
  1. কামরুল হাসান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. হাশেম খান
  4. হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
• জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার — শিল্পী কামরুল হাসান।
- ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
- এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন যা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।

- ১৯৭১ সালের ২৩ শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি সরকারিভাবে গৃহীত হয়। 
- ‘জাতীয় পতাকা’ গাঢ় সবুজ রঙের হবে এবং ১০ : ৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তক্ষেত্রাকার সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকিবে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৮০.
মুজিবনগরে কোন তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল? 
  1. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  2.  ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3.  ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
  4. ১০ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- মুজিবনগর সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।

মুজিবনগর সরকার গঠন: 
- মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১০ এপ্রিল গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার।
- এ সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলায়।
- শপথ অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

- সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথতলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর। অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮১.
১৯৯৭ সালে এশিয়ার কোন রাষ্ট্রে 'একদেশ, দুই নীতি' চালু হবে? 
  1. লাওস
  2. ভিয়েতনাম
  3. মঙ্গোলিয়া
  4. গণচীন
ব্যাখ্যা
‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি:
- ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি চালু আছে চীনে।
- চীনের দুটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের একটি হংকং, অন্যটি ম্যাকাও।
- হংকং চীনের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের একটি সমৃদ্ধিশালী দ্বীপ।
- চীনের ‘প্রবেশদ্বার’ নামে পরিচিত হংকং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

উল্লেখ্য,
- ২৪৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে চীনের কিং সাম্রাজ্যের সময় প্রথমবারের মতো হংকং চীন সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- রানি ভিক্টোরিয়ার আমলে হংকং পরিণত হয় ব্রিটিশ উপনিবেশে।
- উপনিবেশ হিসেবে ৯৯ বছরের ইজারার মেয়াদ শেষ হলে ১৯৯৭ সালে ব্রিটেন চীনের কাছে হংকংকে ফিরিয়ে দেয়।
- হংকংয়ের ব্রিটিশ উপনিবেশে পরিণত হওয়ার পেছনে আছে ‘আফিম যুদ্ধের’ ভূমিকা।
- প্রথম আফিম যুদ্ধে চীন পরাজিত হলে ১৮৪১ সালে ব্রিটেন হংকং দ্বীপ দখল করে নেয় এবং হংকংকে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে।
- নানকিং চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ‘ক্রাউন কলোনি’তে পরিণত হয়।
- ১৯৮৪ সালে বেইজিংয়ের ‘হল অব দ্য পিপল’-এ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং চীনা প্রধানমন্ত্রী ঝাও জিয়াং হংকংকে চীনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন।
- ঘোষণাপত্র অনুযায়ী ব্রিটেন হংকংকে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই চীনের কাছে হস্তান্তর করতে রাজি হয়।
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই মধ্যরাতে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, প্রিন্স চার্লস, চীনের প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাডেলিন অলব্রাইটসহ অনেক আন্তর্জাতিক নেতার অংশগ্রহণে হংকংকে শান্তিপূর্ণভাবে চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- ঘোষণাপত্রের অন্যতম শর্ত ছিল চীনের অধীনে যাওয়ার ৫০ বছর পর্যন্ত চীন হংকংকে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি অনুযায়ী শাসন করবে অর্থাৎ পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো ছাড়া হংকং পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করবে।
- ২০৪৭ সালে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতির বাধ্যবাধকতা উঠে গেলে চীন হংকংকে নিজেদের একটি প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করবে।

উৎস: Britannica.
৮২.
এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি কী? 
  1. জাপানকে সাহায্য করা
  2. ভিয়েতনামকে দমন করা
  3. 'আসিয়ান' জোটকে সমর্থন করা
  4. দক্ষিণ কোরিয়াকে রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি:
- এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি 'আসিয়ান' জোটকে সমর্থন করা।

⇒ ASEAN:
- ASEAN এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- ASEAN জোটের বর্তমান সভাপতি দেশ: ইন্দোনেশিয়া (জাকার্তা)।

উল্লেখ্য,
- আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ASEAN Regional Forum- ARF) এর সদস্য সংখ্যা ২৭টি।
- বাংলাদেশ ARF এর সদস্য।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।
৮৩.
কমনওয়েলথের কোন দেশটি যুক্তরাজ্যের রাজা ও রানীকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকার করে? 
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. কানাডা
  3. সাইগ্রাস
  4. মরিসাস
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথের দেশ অস্ট্রেলিয়া ও কানাডা  যুক্তরাজ্যের রাজা ও রানীকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকার করে।
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে। 

কমনওয়েলথ (Commonwealth):

- কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- এটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সর্বসম্মতিক্রমে।
- বর্তমান সদস্য ৫৬টি।
- সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন।
- এর প্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।
- বাংলাদেশ এর ৩২তম সদস্য দেশ হিসেবে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে যোগ দেয়।

⇒ ব্রিটেনের রাজা:
- রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর সাথে সাথেই সিংহাসনের অধিকারী হয়েছেন রাজা চার্লস।
- তিনি পরিচিত রাজা তৃতীয় চার্লস নামে।
- চার্লস ৫৬টি স্বাধীন রাষ্ট্র ও ২৫০ কোটি মানুষের সংগঠন কমনওয়েলথের প্রধান।
- এর মধ্যে যুক্তরাজ্যসহ মোট ১৫টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাজা।

⇒ এসব দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, অ্যান্টিগা ও বারবুডা, বাহামা, বেলিজ, কানাডা, গ্রেনাডা, জ্যামাইকা, পাপুয়া নিউ গিনি, সেন্ট ক্রিস্টোফার অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড গ্রেনাডাইনস, নিউজিল্যান্ড, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এবং টুভালু।

উৎস: i) Commonwealth ওয়েবসাইট।
ii) The Royal Family.
৮৪.
জার্মানি ব্যতিরেকে কোন দেশের প্রায় সকল নাগরিক জার্মান ভাষায় কথা বলে? 
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. পোল্যান্ড
  3. অস্ট্রিয়া
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
জার্মানি ব্যতিরেকে অস্ট্রিয়ার প্রায় সকল নাগরিক জার্মান ভাষায় কথা বলে। 

অস্ট্রিয়া:
- অস্ট্রিয়া দক্ষিণ-মধ্য ইউরোপের পর্বত ঘেরা স্থলবেষ্টিত দেশ। 
- এটি ইউরোপের নিরপেক্ষ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
- অস্ট্রিয়ার মোট ক্ষেত্রফলের দুই-তৃতীয়াংশ কাঠ এবং তৃণভূমি দ্বারা আচ্ছাদিত।
- অস্ট্রিয়ানদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ খ্রিস্টান।
- রাজধানী: ভিয়েনা।
- ভাষা: জার্মান।
- অস্ট্রিয়ার পার্লামেন্ট 'দুই কক্ষ বিশিষ্ট।

উল্লেখ্য,
- অস্ট্রিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদের নামও জার্মানির ন্যায় চ্যান্সেলর।
- অস্ট্রিয়ার অধিকাংশও জার্মান বংশোদ্ভূত।
- এডলফ হিটলারের জন্মও অস্ট্রিয়াতে।
- জার্মানি ব্যতীত অস্ট্রিয়া ও লিচেনস্টাইনের জনগণের প্রধান ভাষা হলো জার্মান।
- এছাড়া সুইজারল্যান্ডের চারটি সরকারি ভাষার একটি জার্মান।

উৎস: Britannica.
৮৫.
রাজীব গান্ধীকে হত্যার জন্য বোমা বহনকারী আত্মঘাতী মহিলার নাম কী? 
  1. নলিনী
  2. নাথু 
  3. থানু 
  4. ধানু
ব্যাখ্যা
রাজীব গান্ধী:
- রাজীব গান্ধী ছিলেন ভারতের ষষ্ঠ এবং কনিষ্ঠতম প্রধানমন্ত্রী। 
- ১৯৮৪ সালে ৩১ অক্টোবর মাত্র ৪০ বছর বয়সে মা ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পর তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেন।

⇒ রাজীব গান্ধীর মাতামহ পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
- তাঁর পিতা ফিরোজ গান্ধী।
- তাঁর মাতা ইন্দিরা গান্ধী।
- ১৯৮৪ সালে অপারেশন ব্লু স্টারের প্রতিক্রিয়ায় আততায়ীর হাতে ইন্দিরা গান্ধী নিহত হলে জাতীয় কংগ্রেস নেতারা রাজীবকেই দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেন।

⇒ রাজীব গান্ধী লাইসেন্সপ্রথা, শুল্ক ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপের জন্য অনুমতি প্রদানের নিয়মনীতি ঢেলে সাজান।
- টেলিযোগাযোগ ও শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, তথা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসারের ক্ষেত্রে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিসাধনসহ নানা কাজ শুরু করেন।
- ১৯৯১ সালে একটি নির্বাচনী জনসভায় জনৈক এলটিটিই জঙ্গির আক্রমণের শিকার হন।
- এর আগে ১৯৮৮ সালে রাজীব গান্ধী প্রশাসন মালদ্বীপের সামরিক অভ্যুত্থান ব্যর্থ করে দিলে পিপলস লিবারেশন অর্গানাইজেশন অব তামিল ইলমের (PLOTE) মতো অন্য একটি জঙ্গি তামিল গোষ্ঠীর সঙ্গেও শত্রুতা সৃষ্টি হয়।
- এ শত্রুতা ও বিরোধের জেরেই ১৯৯১ সালের ২১ মে দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের শ্রীপেরামবুদুরে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় রাজীব গান্ধীকে।
- বোমা বিস্ফোরণে রাজীব গান্ধী ছাড়াও আরও ১৪ জন নিহত হন।
- পরে ১৯৯৮ সালে তার স্ত্রী সোনিয়া গান্ধী কংগ্রেস সভানেত্রী নির্বাচিত হন এবং ২০০৪ সালে তার নেতৃত্বে কংগ্রেস লোকসভায় জয়লাভ করে।
- রাজীব গান্ধীর ছেলে রাহুল গান্ধী বর্তমানে কংগ্রেস নেতা।

⇒ ১৯৯১ সালের ২১শে মে রাতে তামিলনাডুর শ্রীপেরুমবুদুরে এক নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিতে যান রাজীব গান্ধী।
- বহু মানুষ সেখানে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিচ্ছিলেন মি. গান্ধীকে।
- তাদেরই মধ্যে ছিলেন এলটিটিই-র আত্মঘাতী বোমারু ধানু।
- রাজীব গান্ধীকে হত্যার জন্য বোমা বহনকারী তামিল নারীর প্রকৃত নাম তেনমুলি রাজারত্নম ওরফে ধানু। 

উৎস: BBC.
৮৬.
দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রার নাম কী? 
  1. ইয়েন 
  2. পেসো
  3. ইউয়ান
  4. উয়ন
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ কোরিয়া:
- দক্ষিণ কোরিয়া পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- এটি কোরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত। 
- রাষ্ট্রীয় নাম: রিপাবলিক অব কোরিয়া বা কোরীয় প্রজাতন্ত্র।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ১৫ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে।
- রাজধানী: সিউল।
- মুদ্রা: উয়ন।
- সরকার পদ্ধতি: সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র।
- দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট: সিগম্যান রী।
- প্রেসিডেন্টের বাসভবনের নাম: ব্লু হাউজ।

উৎস: Britannica.
৮৭.
ইরাক-ইরান যুদ্ধবিরতি তদারকীতে অংশগ্রহণকারী জাতিসংঘ বাহিনীর সংক্ষিপ্ত নাম কী? 
  1. UNIMOG
  2. UNGOMAP
  3. UNFICP
  4. UNIIMOG
ব্যাখ্যা
ইরান-ইরাক যুদ্ধ:
- ইরাক-ইরান যুদ্ধ শুরু হয় ১৯৮০ সালে।
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ - ২০ আগস্ট, ১৯৮৮ সাল।
- ফলাফল: জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি।

উল্লেখ্য,
⇒ UNIIMOG:
- UNIIMOG-এর পূর্ণরূপ: UNITED NATIONS IRAN-IRAQ MILITARY OBSERVER GROUP.
- জাতিসংঘ ইরাক-ইরান সামরিক পর্যবেক্ষক গ্রুপ (UNIIMOG)।
- ১৯৮৮ সালে ইরাক-ইরান যুদ্ধ বন্ধে জাতিসংঘ United Nations Iran-Iraq Military Observer Group (UNIIMOG) প্রেরণ করে।

উল্লেখ্য,
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।
- বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ১৯৮৮ সালে UNIIMOG মিশনে ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।

উৎস: UN Peacekeeping ওয়েবসাইট।
৮৮.
প্রতি বছর অক্টোবর মাসের কোন দিন বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস (World Habitat Day) পালিত হয়ে থাকে?
  1. প্রথম সোমবার
  2. দ্বিতীয় সোমবার
  3. তৃতীয় সোমবার
  4. চতুর্থ সোমবার
ব্যাখ্যা
UN HABITAT:
- UN HABITAT-এর পূর্ণরুপ: United Nations Human Settlements Programme.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৭৫ সালে।
- সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- বর্তমান নিবাহী প্রধান: অ্যানাক্লাউডিয়া রসবাচ।
- UN-Habitat ৯০টিরও বেশি দেশে জ্ঞান, নীতি পরামর্শ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং সহযোগিতামূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে শহর এবং মানব বসতিতে রূপান্তরমূলক পরিবর্তন প্রচারের জন্য কাজ করে।

⇒ ১৯৭৬ সালের ৩১ মে-১১ জুন কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে নগরায়নের চ্যালেঞ্জকে পুরোপুরি স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য UN HABITAT-এর মানব বসতিতে জাতিসংঘের প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- সমাজের সব শ্রেণি পেশার মানুষের আশ্রয় বিনির্মাণে কাজ করে UN-HABITAT।
- প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস (World Habitat Day) পালন করা হয়।

উৎস: UN HABITAT ওয়েবসাইট।
৮৯.
কোনটি জাতিসংঘের বহুমুখী কারিগরি ও প্রাক-বিনিয়োগ সহযোগিতা বাস্তবায়নের সর্ববৃহৎ মাধ্যম? 
  1. UNV
  2. DTCD
  3. UNFPA
  4. UNDP
ব্যাখ্যা
UNDP:
- UNDP-এর পূর্ণরূপ: United Nations Development Programme.
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী বা UNDP।
- এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহায়ক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২২ নভেম্বর, ১৯৬৫।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান প্রশাসক: আচিম স্টেইনার।

⇒ জাতিসংঘের কারিগরি সহায়তা কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তহবিল ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালনকারী বিভাগের নাম UNDP।
- জাতিসংঘের বহুমুখী কারিগরি ও প্রাক-বিনিয়োগ সহযোগিতা বাস্তবায়নের সর্ববৃহৎ মাধ্যম এটি।
- উন্নয়নশীল দেশ সমূহে সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবহার এবং সম্পদ আহরণে সাহায্য করা এই সংস্থার উদ্দেশ্য।
- প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে এই সংস্থা আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
- এই সংস্থা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর উন্নয়ন কাজে সমন্বয় করে।
- স্বল্পোন্নত দেশ হলো উন্নয়নশীল দেশগুলির একটি তালিকা যা জাতিসংঘের মতে, আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের বৃহত্তম উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচি, UNDP একজন প্রশাসকের নেতৃত্বে থাকে।
- তিনি উন্নয়নশীল এবং উন্নত উভয় দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ৩৬ সদস্যের নির্বাহী বোর্ডের তত্ত্বাবধান করেন।

⇒ HDI রিপোর্ট প্রকাশ করে UNDP।

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
৯০.
ক্যাটালন কোন দেশের ভাষা? 
  1. স্পেন
  2. বেলজিয়াম
  3. নাইজেরিয়া
  4. মঙ্গোলিয়া
ব্যাখ্যা
স্পেন:
- স্পেন ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি আইবেরিয়ান উপদ্বীপের প্রায় ৮৫% অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত।
- শাসনব্যবস্থার ধরন অনুযায়ী দেশটি একটি সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজতন্ত্র। 
- রাজধানী: মাদ্রিদ।
- ভাষা: স্পানিশ।
- মুদ্রা: ইউরো।
- রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা ফেলিপ ষষ্ঠ।
- প্রধানমন্ত্রী: পেদ্রো সানচেজ। 

⇒ স্পেনের গৃহযুদ্ধ সময়কাল: ১৯৩৬-৩৯ সাল।
- স্পেনের গৃহযুদ্ধের সময় জাতীয়তাবাদী নেতা ছিলেন জেনারেল ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো।

⇒ ১৭২৫ সালে বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরা চালু হয়েছিল স্পেনের মাদ্রিদ শহরে।
- প্রাচীন পৃথিবীর প্রাচীন রেস্তোরার নাম- কাসা বোতিল।

উল্লেখ্য,
- ক্যাটালন পূর্ব এবং উত্তর-পূর্ব স্পেনের ভাষা।
- ব্যালেরিক দ্বীপপুঞ্জের কাতালোনিয়া এবং ভ্যালেন্সিয়ার ব্যবহৃত একটি ভাষা ক্যাটালন।
- ক্যাটালন ভাষায় কথা বলে ফ্রান্সের রুসিলন অঞ্চলের অধিবাসী।
- এছাড়াও ইতালির সার্ডিনিয়ার আলঘেরো শহরের জনগণ কথা বলে ক্যাটালন ভাষায়।
- স্পেনে প্রায় ৯০০০,০০০ জন এবং ফ্রান্সে প্রায় ১২৫,০০০ জন ক্যাটালন ভাষায় কথা বলে।

উৎস: Britannica.
৯১.
'গ্লাসনস্ত'-এর অর্থ কী?
  1. সমাজতন্ত্রের সংগঠন
  2. সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্রের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান
  3. খোলামেলা আলোচনা
  4. সমাজতন্ত্রের পরিবর্তে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
মিখাইল গর্বাচেভ:
- মিখাইল গর্বাচেভ ছিলেন একজন সোভিয়েত রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এবং যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার দীর্ঘ শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ।

⇒ গ্লাসনস্ত নীতি:
- গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্তবস্থা বা খোলা হাওয়া।
- ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ মানবধিকার ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন তাই হচ্ছে গ্লাসনস্ত।

⇒ পেরেস্ত্রইকা নীতি:
- পেরেস্ত্রইকা শব্দের অর্থ হচ্ছে পুনর্গঠন।
- আর্থিক ও সামাজিক সংস্কার করতে ১৯৯০ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ।
- ওই সময় দেশকে নতুন দিশায় নিয়ে যেতে যে পুনর্গঠন প্রকৃত শুরু করেছিলেন তিনি, সেটাই পেরেস্ত্রইকা।
- এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের আধারে এমন এক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে থাকবে একটি দক্ষ অর্থনীতি এবং সর্বোপরি একটি উন্নত বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর ও গণতান্ত্রিক সমাজ কাঠামো।
- শীতলযুদ্ধের প্রয়োজনে সোভিয়েত ইউনিয়ন মূলত ভারী শিল্প বিশেষত সামরিক শিল্পের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল।
- ফলে তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক বা এই ধরনের বিলাস দ্রব্যের উৎপাদন পরিকাঠামো গড়ে ওঠেনি।
- একই সাথে বিশ্ববাণিজ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন পিছিয়ে পড়েছিল।
- বাণিজ্য কেবল পূর্ব ইউরোপ এবং সমাজতান্ত্রিক শিবিরের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গেই সীমাবদ্ধ ছিল।
- এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর উদ্দেশ্যে অর্থনৈতিক উদারীকরণ এর নীতি গৃহীত হয়।

উৎস: Britannica.
৯২.
কোনটি বিশ্বব্যাংকের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. IBRD
  2. IDA
  3. IMF
  4. IFC
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক:
- বিশ্বব্যাংক গঠনের সিদ্ধান্ত হয় ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার শহরে ২৯টি দেশ ব্রেটন উডস চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ নাউরু; ১২ এপ্রিল, ২০১৬ সাল।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ।

⇒ বিশ্বব্যাংক গ্রুপ:
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে IBRD এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৬ সালের জুন মাসে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- Bretton Woods Institutions এর অন্তর্ভূক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি।
- IMF ও World Bank ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে এ দুটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- তাই IMF ও IBRD এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে ব্রেটন উডস জমজ বলা হয়।

⇒ বিশ্বব্যাংক ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত।
- প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD).
2. International Finance Corporation (IFC).
3. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA).
4 International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID).
5.International Development Association (IDA).

উল্লেখ্য,
- IMF বিশ্বব্যাংকের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান নয়। 

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
৯৩.
কোনটি 'ওআইসি'-এর অঙ্গসংস্থা নয়? 
  1. আন্তর্জাতিক ইসলামী আদালত 
  2. সাধারণ সচিবালয়
  3. ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র 
  4. ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা
OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি একটি ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।

⇒ OIC-এর অঙ্গসংস্থা:
1. ইসলামী শীর্ষ সম্মেলন,
2. পররাষ্ট্র মন্ত্রী পরিষদ,
3. স্থায়ী কমিটি,
4. কার্যনির্বাহী কমিটি,
5. ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক কোর্ট অফ জাস্টিস,
6. স্বাধীন স্থায়ী মানবাধিকার কমিশন,
7. স্থায়ী প্রতিনিধিদের কমিটি,
8. সাধারণ সচিবালয়,
9. সহায়ক অঙ্গ,
10. বিশেষায়িত অঙ্গ,
11. অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য,
- ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র 'ওআইসি'-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান নয়।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
৯৪.
কখন থেকে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের লেনদেন শুরু হয়? 
  1. ১৯৬৫ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
ADB:
- ADB-এর পূর্ণরূপ: Asian Development Bank.
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২২ আগস্ট, ১৯৬৬ সালে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬৮টি।
- এর মধ্যে ৪৯টি সদস্য এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসগরীয় অঞ্চলের এবং বাকিগুলো অন্যান্য অঞ্চলের।
- সদর দপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অবস্থিত।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়া।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এডিবি’র সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: ADB ওয়েবসাইট।
৯৫.
ভারতীয় জনতা পার্টির মতে অধিকৃত কাশ্মীরীদের সংগ্রামের একমাত্র সমাধান হচ্ছে _________। 
  1. জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গণভোট অনুষ্ঠান
  2. সিমলা চুক্তি অনুযায়ী সমস্যার সমাধান করা
  3. পাকিস্তানের সাথে যোগ দিতে না দিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করা
  4. সংবিধান থেকে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করা
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ভারতীয় জনতা পার্টি:

- ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) একটি জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল।
- এটি কোনো জাতভিত্তিক, প্রাদেশিক বা ধর্মীয় সংগঠন নয়, এর দরজা জাতি ধর্ম-ভাষা নির্বিশেষে সমস্ত ভারতীয়ের জন্য উন্মুক্ত-প্রয়োজন একমাত্র আমাদের দর্শন ও নীতিতে বিশ্বাস।
- এটি একটি কর্মী নির্ভর বা ক্যাডার-বেস্ড পার্টি, যাতে পূর্ণকালীন এবং আংশিককালীন দুই ধরনের কর্মী ও কার্যকর্তাই আছেন।
- এই পার্টির একটি লিখিত, স্পষ্ট গঠনতন্ত্র আছে, পার্টির সমস্ত কাজ সেই অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হয়।
- এই দলের দর্শনের নাম একাত্ম মানববাদ, যার প্রণেতা পার্টির অন্যতম প্রাণপুরুষ স্বর্গত দীনদয়াল উপাধ্যায়।

উল্লেখ্য,
- ভারতীয় জনতা পার্টির মতে অধিকৃত কাশ্মীরীদের সংগ্রামের একমাত্র সমাধান হচ্ছে সংবিধান থেকে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করা।
- দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার সংবিধানের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদে অনুযায়ী, জম্মু-কাশ্মীরের যে বিশেষ মর্যাদা ছিল তা বাতিল করে।
- বিলুপ্ত হয় ৩৭০ এর অন্তর্গত ৩৫-এ।
- পূর্ণ অঙ্গরাজ্যের মর্যাদাপ্রাপ্ত জম্মু-কাশ্মীরকে ভাগ করা হয় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে।
- দ্বিতীয়বার ক্ষমতায আসার পর ২০১৯ সালের ৫ই অগাস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করার ঘোষণা দেয় ভারতের সরকার।

উৎস: BBC.
৯৬.
পপি উৎপাদন ক্ষেত্রে কোন দেশগুলোকে 'গোল্ডেন ট্রায়েঙ্গেল বলা হয়? 
  1. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও চীন
  2. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
  3. মিয়ানমার, আফগানিস্তান ও কম্বোডিয়া
  4. ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল:
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি (মায়ানমার ,থাইল্যান্ড ,লাওস) দেশের সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- এদের অবস্থানগত আকৃতি ত্রিভুজের মত।

অন্যদিকে -
- গোল্ডেন ক্রিসেন্ট: আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- গোল্ডেন ওয়েজ: বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল সীমান্ত যা মাদক পাচার ও চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত ।
- গোল্ডেন ভিলেজ: বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: Britannica.
৯৭.
তাসখন্দ চুক্তি কখন স্বাক্ষরিত হয়? 
  1. ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
  2. ১৯৬৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর
  3. ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি
  4. ১৯৬৭ সালের ৩০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি-১৯৬৬:
- পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে।
- পক্ষসমূহ- ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী- ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এর প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- উদ্দেশ্য: কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি স্থাপন।

উৎস: Britannica.
৯৮.
বিশ্বখ্যাত 'মোনালিসা' চিত্রটির চিত্রকর কে? 
  1. মাইকেল অ্যাঞ্জেলো 
  2. লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
  3. পাবলো পিকাসো 
  4. ভ্যানগগ
ব্যাখ্যা
লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি:
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি একজন ইতালীয় রেনেসাঁ পলিমাথ, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতশিল্পী, বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, অ্যান্টোনিস্ট, ভূতত্ত্ববিদ, ম্যাগাজিনর, উদ্ভিদবিদ এবং লেখক।
- তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবতার একজন।
- লিওনার্দো ফ্লোরেন্স কাছাকাছি Tuscany, ছোট শহরে ভ্যানি মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন।

⇒ তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্ম:
- The Last Supper, Mona Lisa, The Vitruvian Man, The Portrait of a Lady with an Ermine, The Virgin of the Rocks, The Baptism of Christ, The Adoration of the Magi (1481), The Virgin and Child with St Anne (1510), The Madonna and Child with St. Anne, The Madonna and Child with a Cat, Portrait of Ginevra de' Benci (1474-1476)।

⇒ Mona Lisa:
- বিশ্ববিখ্যাত 'মোনালিসা' চিত্রটির চিত্রকর লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি।
- ধারণা করা হয় ১৫০৩ থেকে ১৫০৬ সালের মধ্যে তিনি এ ছবিটি এঁকেছিলেন।
- শিল্পকর্মটি ফ্রান্সের ল্যুভর জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ল্যুভর জাদুঘরের তথ্যমতে প্রায় ৮০% পর্যটক শুধু মোনালিসার চিত্র টি দেখার জন্য আসে।

উৎস: Britannica.
৯৯.
কোন দেশটি আরব লীগের অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. জর্ডান
  2. লেবানন
  3. ইরান
  4. বাহরাইন
ব্যাখ্যা
আরব লীগ:
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের সমন্বয় ও বন্ধন শক্তিশালী করা।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৭ অক্টোবর, ১৯৪৪।
- আরব লীগ গঠিত হয়: ২২ মার্চ, ১৯৪৫।
- আরব লীগের ভিত্তি ছিল আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল।
- সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ৭টি।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ: মিশর, ইরাক, লেবানন, সৌদি আরব, সিরিয়া, জর্ডান এবং ইয়েমেন।
- বর্তমান সদস্য: ২২টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: কুয়েত, লেবানন, ফিলিস্তিন, কাতার, জর্ডান, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লিবিয়া, ওমান, সৌদি আরব, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, ইরাক, আলজেরিয়া, মরোক্কো, সুদান, জিবুতি, মিশর, ইয়েমেন, মৌরিতানিয়া, কমোরোস, সোমালিয়া।

উল্লেখ্য,
- ইরান আরব লীগের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

উৎস: Arab League ওয়েবসাইট।
১০০.
কোনটি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সংশ্লিষ্ট বিষয়? 
  1. ধর্ম
  2. জাতি
  3. সংস্কৃতি
  4. ভাষা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ এশিয়া:
- দক্ষিণ এশিয়া বা দক্ষিণাঞ্চলীয় এশিয়া বলতে এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত ভারতীয় উপমহাদেশ ও তার সন্নিকটস্থ অঞ্চলকে বোঝায়।
- দক্ষিণ এশিয়া নিচের রাষ্ট্রগুলো নিয়ে গঠিত: নেপাল, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা।

উল্লেখ্য,
- সংস্কৃতি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সংশ্লিষ্ট বিষয়।
- সংস্কৃতি হলো সেই জটিল সামগ্রিকতা যাতে অন্তর্গত আছে জ্ঞান, বিশ্বাস, নৈতিকতা, শিল্প, আইন, আচার এবং সমাজের একজন সদস্য হিসেবে মানুষের দ্বারা অর্জিত অন্য যেকোনো সম্ভাব্য সামর্থ্য বা অভ্যাস।
- দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সবদেশে জাতিগত দাঙ্গা বিক্ষুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।
- ভাষাগত ও ধর্মগত বিরোধও রয়েছে।
- বাংলাদেশে ‘৫২’ সালে ভাষা আন্দোলন হয়েছে।
⇒ কেবল সাংস্কৃতিক বিরোধ ততটা উল্লেখ্য নয় এবং কখনো সাংস্কৃতিক বিপ্লবও ঘটেনি।

উৎস: i) Britannica.,
ii) প্রথমআলো।