পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২২ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিকসমূহ: টপিকসমূহ: ১. কম্পিউটারের ইতিহাস ও বিবর্তন। ২. কম্পিউটারের প্রকারভেদ ও এমবেডেড (Ambeded) কম্পিউটার। ৩. কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম: কম্পিউটার সিস্টেম সম্পর্কে ধারণা ব্যবহার, মাদারবোর্ড ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটার প্রোগ্রাম ও সফটওয়্যার: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস ইত্যাদি। ৫. আধুনিক প্রযুক্তির ডিভাইসসমূহ - স্মার্ট ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, ট্যাব ইত্যাদি। ৬. মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ; মোবাইল নেটওয়ার্ক ও এর বৈশিষ্ট্য; সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি, ফোরজি, ওয়াইম্যাক্স ইত্যাদি। ৭. তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও তাদের সেবা/তথ্যসমূহ: গুগল, মাইক্রোসফট, আইবিএম ইত্যাদি। ৮. ক্লায়েন্ট-সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা। ৯. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং: ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি। ১০. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, রোবটিক্স, ডিজাইন ও প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে ধারণা ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
X-এ সর্বোচ্চ কত অক্ষরের টুইট লেখা সম্ভব?
  1. ১৪০ অক্ষর
  2. ২৮০ অক্ষর
  3. ১৮০ অক্ষর
  4. ২২০ অক্ষর
সঠিক উত্তর:
২৮০ অক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮০ অক্ষর
ব্যাখ্যা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম: 
- আইসিটিতে সামাজিক যোগাযোগ বলতে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষে মানুষে মিথস্ক্রিয়াকেই বোঝায়। 
অর্থাৎ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষ যোগাযোগ ও ভাব প্রকাশের জন্য যা কিছু সৃষ্টি, বিনিময় কিংবা আদান-প্রদান করে তাই সামাজিক যোগাযোগ। 
- ইন্টারনেটের ব্যবহার, ই-মেইল, মোবাইল ফোন ও মেসেজিং সিস্টেম, ব্লগিং এবং সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মসমূহ ব্যবহার করে বর্তমানে আইসিটিভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ অনেকাংশে সহজ। 
- ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে অনেক প্ল্যাটফর্ম, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। 
যেমন: ফেসবুক, টুইটার, লিঙ্কডইন ও ইনস্টাগ্রাম, এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি মাধ্যম হলো- ফেসবুক ও টুইটার। 

টুইটার (www.twitter.com) বা X: 
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম 'X'. 
- 'X' (টুইটার) হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট। 
- টুইটারের বর্তমান সিইও Linda Yaccarino ২০২৩ সালের ৫ জুন সিইও'র দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস। 
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে, তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে। 
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন। 
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়। 
- 'X' (টুইটার ) এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর যা পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল। 

উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং টুইটারের ওয়েবসাইট।
.
কোন ধরনের সফটওয়্যারকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বলা হয়? 
  1. ম্যালওয়্যার
  2. লিগ্যাল সফটওয়্যার
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ম্যালওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালওয়্যার
ব্যাখ্যা
ক্ষতিকারক সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে কোনো কাজ করতে হলে সেটি প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়, সাধারণভাবে কম্পিউটারে দুই ধরনের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামগুচ্ছ থাকে। 
যেমন- সিস্টেম সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। 
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারসমূহকে যথাযথভাবে ব্যবহারের পরিবেশ নিশ্চিত রাখে, অন্যদিকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কোনো বিশেষ কাজ সম্পন্ন করে। 
- যখনই কোনো সফটওয়‍্যার কাজ করে, তখনই এর কিছু অংশ কম্পিউটারের প্রধান মেমোরিতে অবস্থান নেয় এবং বাকি অংশগুলো অপারেটিং সিস্টেমের সহায়তায় অন্য কার্যাবলি সম্পন্ন করে।
- আবার কিছু প্রোগ্রামিং কোড বা প্রোগ্রামসমূহ কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর, এ ধরনের সফটওয়‍্যারকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা মেলিসিয়াস (malicious) সফটওয়্যার বলা হয়। আর এ ম্যালিসিয়াস সফটওয়‍্যারকে সংক্ষেপে ম্যালওয়‍্যার (malware) বলা হয়ে থাকে। 
- কম্পিউটারে অনুপ্রবেশকারী বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যারের সাধারণ নামই হলো ম্যালওয়‍্যার। 
যেমন- কম্পিউটার ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স, বুটকিটস, কিলগার, ডায়ালার, স্পাইওয়্যার, এডওয়্যার প্রভৃতি ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত। 
- ইন্টারনেটের বিকাশের আগে ম্যালওয়‍্যারের সংখ্যা খুবই কম ছিল। যখন থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ম্যালওয়‍্যারকে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে, তখন থেকেই ম্যালওয়্যারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- প্রচলিত ও শনাক্তকৃত ম্যালওয়্যারসমূহের মধ্যে নিম্নোক্ত তিন ধরনের ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়- 
ক. কম্পিউটার ভাইরাস, 
খ. কম্পিউটার ওয়ার্ম এবং 
গ. ট্রোজান হর্স । 

- কম্পিউটার ভাইরাস ও ওয়ার্মের মধ্যে আচরণগত পার্থক্যের চেয়ে সংক্রমণের পার্থক্যকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন ধরনের ম্যালওয়্যার, যা কোনো কার্যকরী ফাইলের (executable file) সঙ্গে যুক্ত হয়।
- যখন ওই প্রোগ্রামটি (এক্সিকিউটিবল ফাইল) চালানো হয়, তখন ভাইরাসটি অন্যান্য কার্যকরী ফাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংক্রমিত হয়।

- কম্পিউটার ওয়ার্ম সেই প্রোগ্রাম, যা কোনো নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্যান্য কম্পিউটারকেও সংক্রমিত করে। অর্থাৎ কম্পিউটার ভাইরাস ব্যবহারকারীর হস্তক্ষেপ ছাড়া (অজান্তে হলেও) ছড়িয়ে পড়তে পারে না।
যেমন- কোনো পেনড্রাইভে কম্পিউটার ভাইরাসে আক্রান্ত কোন ফাইল থাকলেই তা ছড়িয়ে পড়তে পারে না। যদি কোনো কম্পিউটারে সেই পেনড্রাইভ যুক্ত করে ব্যবহার করা হয় তাহলেই কেবল পেনড্রাইভের ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে, ওয়ার্ম নিজে থেকেই নেটওয়ার্ক থেকে নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটওয়ার্কের কম্পিউটারকে আক্রান্ত করে।

- ক্ষতিকর সফটওয়্যারের উদ্দেশ্য তখনই সফল হয়, যখন কিনা সেটিকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। এজন্য অনেক ক্ষতিকারক সফটওয়‍্যার ভালো সফটওয়‍্যারের ছদ্মাবরণে নিজেকে আড়াল করে রাখে। ব্যবহারকারী সরল বিশ্বাসে সেটিকে ব্যবহার করে। এটি হলো ট্রোজান হর্স বা ট্রোজানের কার্যপদ্ধতি।
- যখনই ছদ্মবেশী সফটওয়্যারটি চালু হয় তখনই ট্রোজানটি কার্যকর হয়ে ব্যবহারকারীর ফাইল ধ্বংস করে বা নতুন নতুন ট্রোজান আমদানি করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
.
ব্যান্ডউইথ সাধারণত কোন এককে হিসাব করা হয়?
  1. bmI
  2. mps
  3. bps
  4. kHz
সঠিক উত্তর:
bps
উত্তর
সঠিক উত্তর:
bps
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইথ (Bandwidth): 
- 'ইন্টারনেট'-এর গতি বা স্পিড তার ব্যান্ডউইথের উপর নির্ভরশীল। 
- প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ ডেটা এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় অর্থাৎ ডেটা স্থানান্তরের হারকে ব্যান্ডউইথ বলে। 
- ব্যান্ডউইথ সাধারণত bit per second (bps) -এ হিসাব করা হয়। তবে ইদানীং নেটওয়ার্কে অনেক বেশি ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায় বলে বিপিএস (bps) এর পরিবর্তে কেবিপিএস (kbps: প্রতি সেকেন্ডে এক হাজার বিট) বা এমবিপিএস (Mbps: প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বিট) এমনকি জিবিপিএস (Gbps: প্রতি সেকেন্ডে এক বিলিয়ন বিট) অনেক বেশি ব্যবহৃত হয়। 
- আট বিটকে এক বাইট বলা হয় বলে এক MBps বলতে আট Mbps বোঝানো হয়। 

- একটি কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ সেখানে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি এবং মিডিয়ামের উপর নির্ভর করে। 
যেমন- মিডিয়াম হিসেবে সাধারণ টেলিফোনের তার ব্যবহার করলে যত ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়, ফাইবার অপটিক ক্যাবলে তার থেকে অনেক গুণ বেশি পাওয়া যায়। আবার ফাইবার অপটিক ক্যাবলের সাথে যদি যথাযথ স্পিডের টারমিনাল ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করা না হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইথ পাওয়া সম্ভব হয় না। 
- একটি কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক যেহেতু অনেকে ব্যবহার করে তাই নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ সকল ব্যবহারকারীর মাঝে ভাগ হয়ে যায়। 
- অনেক সময় একজন ব্যবহারকারী কিংবা একটি সার্ভিস ব্যান্ডউইথের একটা বড় অংশ দখল করে অন্যদের শেয়ার কমিয়ে দেয়। 
- একটি নেটওয়ার্কে একজন ব্যবহারকারী কতটুকু প্রকৃত ব্যান্ডউইথ পাচ্ছে সেটি মাপার নানা ধরনের পদ্ধতি রয়েছে, নেটওয়ার্কের ডিজাইনে কিংবা যন্ত্রপাতিতে কোনো সমস্যা থাকলে সেগুলো বের করা সম্ভব। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
.
ফ্যাক্স ব্যবস্থার মূল সুবিধা কী? 
  1. এটি কেবল কল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়
  2. এটি কেবল অডিও বার্তা পাঠায়
  3. এটি কেবল অফিসের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়
  4. এটি স্বাক্ষরিত জরুরি নথি ও ছবি দ্রুত পাঠাতে সাহায্য করে
সঠিক উত্তর:
এটি স্বাক্ষরিত জরুরি নথি ও ছবি দ্রুত পাঠাতে সাহায্য করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি স্বাক্ষরিত জরুরি নথি ও ছবি দ্রুত পাঠাতে সাহায্য করে
ব্যাখ্যা
উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা: 
- মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, স্যাটেলাইটসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রধান প্রধান উপকরণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে দ্রুত কার্যকরী করে তুলেছে। 
যেমন- 
১। মোবাইল ফোন: 
- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়, ফলে চলতে ফিরতে কিংবা ঘরে বসেও ব্যবসা যোগাযোগ রক্ষা করা যায়। 
- মোবাইল ফোনের কনফারেন্স সুবিধার মাধ্যমে একই সময়ে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা যায় এমনকি ছবিও দেখা যায়। ফলে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা যায়। 

২। ফ্যাক্স: 
- ফ্যাক্সের মাধ্যমে জরুরি লিখিত তথ্য ও ছবি তাৎক্ষণিকভাবে প্রেরণ করা যায়। 
- যে সব দেশে ব্যবসার লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রেতা বা বিক্রেতার স্বাক্ষরের প্রয়োজন, সেখানে ফ্যাক্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

৩। ইমেইল: 
- ই-মেইল ব্যবসার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমে দ্রুততার সঙ্গে লিখিত যোগাযোগ করা যায়। 
- এমনকি পণ্যের ছবি ক্রেতার কাছে পাঠানো যায়। 
- পণ্য সম্পর্কে অন্য কোনো ক্রেতার মূল্যায়ন যদি ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়ে থাকে, তাহলে সেটির লিংকও পাঠানো যায়। 

৪। ইন্টারনেট: 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্যসেবার খবর সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। 

৫। ইন্ট্রানেট: 
- অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দপ্তর ভৌগোলিকভাবে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। 
- এসব ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে সংস্থাপিত ইন্টারনেট ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি সাধন করছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
.
WCDMA মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মের সেবা প্রদান করে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন: 
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়। 
- প্রাথমিক পর্যায়ের মোবাইল ফোনের কার্যক্ষমতা ছিল খুবই কম; দুর্বল নেটওয়ার্কের দরুন সীমিত এলাকাভিত্তিতে ব্যবহার হতো। 
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে। 
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে। 
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। 

তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008):
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে। 
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার। 
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম। 
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়, এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে। 
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)। 
- মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়- 
1. HSPA (High speed package Access), 
2. WCDMA (Wide band code division multiple access)
3. 3GPP (3rd Gen Partnership Project) এবং 
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) I  
- ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, FOMA (Freedom of Multimedia access) ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রি-জি মোবাইল ফোন চালু হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
.
ডিজিটাল কনটেন্টের কতটি প্রধান ভাগ রয়েছে? 
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল কনটেন্ট: 
- কোনো কনটেন্ট যদি ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয় কিংবা প্রেরিত-গৃহীত হয় তাহলে সেটিই ডিজিটাল কনটেন্ট। 
- তবে সেটি ডিজিটাল বা এনালগ যেকোনো পদ্ধতিতেই সংরক্ষিত হতে পারে। 
- ডিজিটাল কনটেন্ট কম্পিউটারের ফাইল আকারে অথবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্প্রচারিত হতে পারে। 
যেমন- লিখিত তথ্য, ছবি, শব্দ কিংবা ভিডিও ডিজিটাল কনটেন্ট হতে পারে। 
- ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহারের ফলে তথ্য উপস্থাপন ও স্থানান্তর সহজতর হয়। 

ডিজিটাল কনটেন্ট-এর প্রকারভেদ: 
- ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত যেকোনো তথ্য, ছবি, শব্দ কিংবা সবই ডিজিটাল কনটেন্ট। 
- কাজেই নানাভাবে ডিজিটাল কনটেন্টকে শ্রেণিকরণ করা যায় তবে, ডিজিটাল কনটেন্টকে প্রধান চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১। টেক্সট বা লিখিত কনটেন্ট: 
- ডিজিটাল মাধ্যমে এখনো লিখিত তথ্যের পরিমাণই বেশি। 
- সব ধরনের লিখিত তথ্য এই ধারার কনটেন্ট। 
- এর মধ্য রয়েছে নিবন্ধ, ব্লগ পোস্ট, পণ্য বা সেবার তালিকা ও বর্ণনা, পণ্যের মূল্যায়ন, ই-বুক সংবাদপত্র, শ্বেতপত্র ইত্যাদি। 

২। ছবি: 
- সব ধরনের ছবি, ক্যামেরায় তোলা বা হাতে আঁকা বা কম্পিউটারে সৃষ্ট সকল ধরনের ছবি এই ধারার কনটেন্ট। 
- এর মধ্যে রয়েছে ফটো, হাতে আঁকা ছবি, কার্টুন, ইনফো-গ্রাফিক্স, এনিমেটেড ছবি ইত্যাদি। 

৩। শব্দ বা অডিয়ো: 
- শব্দ বা অডিও আকারের সকল কনটেন্ট এই প্রকারে অন্তর্ভুক্ত। 
- যেকোনো বিষয়ের অডিয়ো ফাইলই অডিয়ো কনটেন্ট-এর পাশাপাশি ইন্টারনেটে প্রচারিত ব্রডকাস্ট অডিও কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত। 

৪। ভিডিও ও এনিমেশন: 
- বর্তমানে মোবাইল ফোনেও ভিডিয়ো ব্যবস্থা থাকায় ভিডিয়ো কনটেন্টের পরিমাণ বাড়ছে। 
- ইউটিউব বা এই ধরনের ভিডিয়ো শেয়ারিং সাইটের কারণে ইন্টারনেটে ভিডিয়ো কনটেন্টের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- এছাড়া বর্তমানে ইন্টারনেটে কোনো ঘটনার ভিডিয়ো সরাসরি প্রচারিত হয়ে থাকে, এটিকে বলা হয় ভিডিয়ো স্ট্রিমিং। এমন কনটেন্টও ভিডিয়ো কনটেন্টের আওতাভুক্ত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন যন্ত্রটি তারবিহীন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে? 
  1. ল্যান কার্ড
  2. হাব
  3. মডেম
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ল্যান কার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যান কার্ড
ব্যাখ্যা
মডেম (Modem): 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র হলো মডেম। 
- Modulator-এর Mo এবং Demodulator হতে Dem এই অংশ দুটির সমন্বয়ে Modem শব্দটি তৈরি হয়েছে। 
- মডেম তার দ্বারা সংযুক্ত বা তারবিহীন (wireless) প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হতে পারে। 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা বা উপাত্ত পাঠানোর জন্য এক ধরনের সিগনাল দরকার হয়, মডেম এমন একটি নেটওয়ার্ক যন্ত্র (network device), যা কম্পিউটার হতে প্রাপ্ত ডিজিটাল সিগনালকে রূপান্তর করে network কে প্রেরণ করে। আবার নেটওয়ার্ক হতে প্রাপ্ত সিগনালকে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 
- পূর্বে স্বল্প গতির ডায়াল-আপ মডেম ব্যবহার করা হতো, বর্তমানে এর পরিবর্তে দ্রুতগতির কেবল বা DSL (Digital Subscribers Line) মডেম ব্যবহার হচ্ছে। 
- এছাড়া বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে Wi-Fi ব্যবহৃত হচ্ছে। 

ল্যানকার্ড (LAN Card): 
- দুটো বা অধিকসংখ্যক কম্পিউটারকে একসাথে যুক্ত করতে যে যন্ত্রটি অবশ্যই প্রয়োজন হয়, তা হলো ল্যানকার্ড। 
অর্থাৎ, যদি কোনো নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হয়, তবে অবশ্যই ল্যান কার্ডের প্রয়োজন হবে। 
- নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত এক আইসিটি যন্ত্র থেকে অন্য যন্ত্রে কোনো তথ্য বা উপাত্ত পাঠাতে কিংবা গ্রহণ করতে ল্যান কার্ডের প্রয়োজন হয়, এক্ষেত্রে ল্যান কার্ডের ভূমিকা ইন্টারপ্রেটারের মতো। 
- বর্তমানে পাওয়া যায় এমন প্রায় সব কম্পিউটার বা ল্যাপটপ বা আইসিটি যন্ত্রের মাদারবোর্ডের সাথেই ল্যান কার্ড সংযুক্ত (built-in) থাকে। তারপরও কিছু আইসিটি যন্ত্রে আলাদা করে ল্যানকার্ড সংযুক্ত করতে হয়। - প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে এখন তারবিহীন ল্যানকার্ড খুবই জনপ্রিয়, অর্থাৎ এই ল্যানকার্ড যন্ত্রটি তারবিহীন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। 

হাব (Hub): 
- সাধারণত তারযুক্ত নেটওয়ার্কে থাকা অনেকগুলো আইসিটি যন্ত্র তথা কম্পিউটার, প্রিন্টার ইত্যাদিকে একসাথে যুক্ত করতে হাব ব্যবহার করা হয়। 
- হাব এক যন্ত্রকে অন্য যন্ত্রের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। 
- একই নেটওয়ার্কে হাব দ্বারা সংযুক্ত সকল কম্পিউটার একটি আরেকটির সাথে যোগাযোগ করতে পারে। 
- হাব বললেই ইন্টারনেট হাব বা নেটওয়ার্ক হাবকেই বুঝায় তবে ইদানীং অনেক USB হাবও দেখা যায়। 
- হাবের মধ্য দিয়ে যখন তথ্য বা উপাত্ত এক যন্ত্র থেকে অন্য যন্ত্রে যায়, হাব তখন সেগুলো পড়তে পারে না। 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য একটি কম্পিউটারে তথ্য বা উপাত্ত পাঠালে হাব তার সাথে সংযুক্ত সকল কম্পিউটারে ঐ তথ্য বা উপাত্ত পাঠিয়ে দেয়। 
- এমনকি যে কম্পিউটার থেকে তথ্য পাঠানো হলো, তাকেও হাব আবার ঐ তথ্য পাঠিয়ে দেয় অর্থাৎ হাব নির্দিষ্ট ঠিকানা অনুযায়ী তথ্য পাঠাতে পারে না। 
- বর্তমানে কম গতি ও বেশি সুবিধা পাওয়া যায় না বলে হাবের ব্যবহার অনেক কমে গেছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
.
টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA) যাচাই করতে সাধারণত কী ব্যবহার করা হয়? 
  1. কোনো অতিরিক্ত যাচাই প্রয়োজন হয় না
  2. ইন্টারনেট ব্রাউজিং হিস্ট্রি
  3. ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র
  4. ৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড
ব্যাখ্যা
টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA): 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন-এর অর্থ হচ্ছে যখন ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য অনলাইন অ্যাকাউন্টে প্রবেশের জন্য আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করা হয় তখন একটি ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড যা ৬ ডিজিটের হয়ে থাকে) ফোনে বা মেইলে আসে। 
অর্থাৎ, টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA) যাচাই করতে সাধারণত ৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) ব্যবহার করা হয়। 
- যখন সেই ওটিপি সঠিকভাবে দেওয়া হয় তখনই কেবল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যায়, অন্যথায় নয়। 
- OTP সীমিত সময়ের জন্য পাঠানো হয়, একবার ব্যবহার করার পরে OTP এর মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে একই OTP আর ব্যবহার করা যায় না। 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন চালু থাকলে সাইবার অপরাধীর পক্ষে কোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা বেশ কঠিন হয়ে যায়। 
- বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। বিভিন্ন প্রয়োজনে এবং বিনোদনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাবহার করা হয়। তবে খুবই সতর্ক থাকতে হবে যে, কোন কোন ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করা যায় এবং কোনগুলো করা যায় না। 
- হ্যাকাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোডকৃত বিভিন্ন কনটেন্ট এর সূত্র ধরে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে কোনো প্রতারণার মাধ্যমে অর্থসম্পদ হাতিয়ে নিতে পারে তাই এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
স্মার্ট ওয়াচ সাধারণত কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়? 
  1. রক্তচাপ ও তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ
  2. মেসেজিং এবং কলিং ফিচার
  3. ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশন সুবিধা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
স্মার্ট ওয়াচ: 
- স্মার্ট ওয়াচ সাধারণ হাত ঘড়ির মত হাতে পরিধান করার উপযোগী এক ধরণের কম্পিউটিং ডিভাইস। 
- বর্তমানের স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ ক্ষমতা সম্পন্ন হয়ে থাকে। 
- প্রতিটি স্মার্ট ওয়াচ ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার হিসেবে কাজ করে যার মাধ্যমে ইউজার তার স্মার্টফোনের বিভিন্ন কার্য সম্পাদন ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
যেমন- ব্যবহারকারী স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহার করে ফোনের কল রিসিভ করতে পারে এবং কল দিতে পারে।এছাড়াও ইমেইল পড়তে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে, সঙ্গীত শুনতে, ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে ঘড়ির ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন। 
- স্মার্ট ওয়াচগুলি ১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে আবিষ্কৃত হতে থাকে। 
- প্রথম ডিজিটাল ঘড়িগুলির মধ্যে 'হ্যামিল্টন পালসার' ছিল একটি, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। 

স্মার্ট ওয়াচের ব্যবহার: 
- বিভিন্ন স্বাস্থ্য তথ্য যেমন- রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা, রক্তচাপ এবং তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ, হৃদস্পন্দন করতে পারে। 
- ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশন সুবিধা প্রদান করে। 
- স্মার্টফোনের মতোই মেসেজিং এবং কলিং ফিচার করতে পারে। 
- ব্যবহারকারী কোন বিপদে পড়লে জরুরি বার্তা প্রদান করতে পারে। 
- মানচিত্র, কম্পাস, altimeter এবং জিপিএস ট্র্যাকিং এর সুবিধা প্রদান করার মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তকরনে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: Techtarget website.
১০.
'ইনস্টাগ্রাম' জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি কবে চালু হয়?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম: 
- আইসিটিতে সামাজিক যোগাযোগ বলতে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষে মানুষে মিথস্ক্রিয়াকেই বোঝায়। 
অর্থাৎ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষ যোগাযোগ ও ভাব প্রকাশের জন্য যা কিছু সৃষ্টি, বিনিময় কিংবা আদান-প্রদান করে তাই সামাজিক যোগাযোগ। 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশের ফলে বর্তমানে এই যোগাযোগ হয়ে পড়েছে সহজ, সাশ্রয়ী এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরাপদ। 
- ইন্টারনেটের ব্যবহার, ই-মেইল, মোবাইল ফোন ও মেসেজিং সিস্টেম, ব্লগিং এবং সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মসমূহ ব্যবহার করে বর্তমানে আইসিটিভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ অনেকাংশে সহজ। 
- ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে অনেক প্ল্যাটফর্ম, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। 
যেমন: ফেসবুক, টুইটার, লিঙ্কডইন ও ইনস্টাগ্রাম, এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি মাধ্যম হলো- ফেসবুক ও টুইটার। 

ইনস্টাগ্রাম (www.instragram.com): 
- ইনস্টাগ্রাম হলো একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। 
- এটা ২০১০ সালে চালু হয়েছিল। 
- এটাকে মূলত ছবি ও ভিডিয়ো শেয়ার করা হয়। 
- এতে ব্যবহারকারীগণ গল্প তৈরি করতে এবং হ্যাশট্যাগের (hashtag) মাধ্যমে বিষয়বস্তু অনুসন্ধান করতে পারে। 
- এতে রিল (reels) এবং কেনাকাটার সুযোগও রয়েছে, যার মাধ্যমে ব্র্যান্ড এবং প্রভাবশালীগণ তাদের অনুসারি বা ভিজিটরদের সাথে কার্যকরভাবে জড়িত হতে পারে। 
- এটিকে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অন্যতম প্লাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

অন্যদিকে,
- ২০০৪ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি মার্ক জুকারবার্গ তার অন্য বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে এটি চালু করেন। 
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে, তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে। 

উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং টুইটারের ওয়েবসাইট।
১১.
IBM এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত? 
  1. বার্লিন, জার্মানি
  2. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  3. সান ফ্রান্সিসকো, যুক্তরাষ্ট্র
  4. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
আইবিএম: 
- IBM একটি আমেরিকান বা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। 
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation. 
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট। 
- IBM ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- IBM শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং (CTR) কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে। 
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'। 
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার। 
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়। 

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১২.
ওয়াই-ম্যাক্স (WiMAX) কোন ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে?
  1. 1 থেকে 12 GHz
  2. 1.4 থেকে 5 GHz
  3. 5 থেকে 100 GHz
  4. 2 থেকে 66 GHz
সঠিক উত্তর:
2 থেকে 66 GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2 থেকে 66 GHz
ব্যাখ্যা
ওয়াই-ম্যাক্স (WiMAX): 
- এটি দ্রুতগতির একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি, যেটি প্রচলিত DSL (Digital Subscriber Line) এবং তারযুক্ত ইন্টারনেটের পরিবর্তে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা দিয়ে থাকে। 
- Worldwide Interoperability for Microwave Access-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে WiMAX  I 
- এটি সাধারণত 2 থেকে 66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে এবং 80 Mbps থেকে 1Gbps পর্যন্ত গতিতে ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রদানে সক্ষম। 
- WiMAX এর প্রধান অংশ দুটি হচ্ছে- 
১. বেস স্টেশন, যেটি ইনডোর ডিভাইস এবং আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। প্রতিটি বেস স্টেশনের কভারেজ এরিয়া 10 থেকে 50 km পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
২. অ্যান্টেনাযুক্ত WiMAX রিসিভার, যা কম্পিউটারে সংযুক্ত করা হয় যেটি ওয়‍্যারলেস নির্ভর হওয়ায় পরিবহনযোগ্য। 

- এই প্রযুক্তিতে একটি একক বেস স্টেশনের মাধ্যমে বিশাল ভৌগোলিক এলাকায় হাজার হাজার ব্যবহারকারীকে ওয়‍্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া যায়।
- ওয়্যারলেস হওয়ায় পোর্টেবিলিটির সুবিধা পাওয়া যায় এবং এর রিসিভার সহজে বহনযোগ্য।
- বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসের মাধ্যমে শহর এবং গ্রামে পোর্টেবল ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রদান করে।
- WiMAX নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হয়।
- অনেক বিস্তৃত নেটওয়ার্ক হওয়ায় অন্যান্য নেটওয়ার্কের তুলনায় এটি ব্যয়বহল এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।
- Bluetooth, Wi-Fi এবং WIMAX- এই তিনটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তির তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য নিম্নে দেওয়া হলো- 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১৩.
প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে কে ইতিহাসে প্রথম পরিচিত হন?
  1. স্টিভ জবস
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. অ্যাডা লাভলেস
  4. স্যামুয়েল টমলিনসন
সঠিক উত্তর:
অ্যাডা লাভলেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডা লাভলেস
ব্যাখ্যা
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির আজকের বিকাশের পেছনে রয়েছে অনেক বিজ্ঞানী, স্বপ্নদ্রষ্টা, প্রকৌশলী এবং নির্মাতাদের অবদান। 
- তার এবং তারহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা, কম্পিউটারের গণনা ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মাইক্রোইলেকট্রনিক্সের বিকাশে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage): 
- আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশ বা প্রচলন শুরু হয় চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) নামে একজন ইংরেজ প্রকৌশলী ও গণিতবিদের হাতে। 
- অনেকে তাঁকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলে থাকেন। 
- তিনি তৈরি করেন ডিফারেন্স ইঞ্জিন। 
- ১৯৯১ সালে লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘরে চার্লস ব্যাবেজের বর্ণনা অনুসারে একটি ইঞ্জিন তৈরি করা হয়। 
- পরবর্তীতে তিনি এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামে আরোও একটি গণনা যন্ত্রের পরিকল্পনা করেন। 

অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace): 
- এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনে গণনার কাজটি আরও কার্যকর করতে ভেবেছেন কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace)। 
- ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য 'প্রোগ্রামিং'-এর ধারণা সামনে নিয়ে আসেন। এ কারণে অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়। 
- ১৮৪০ সালে চার্লস ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন। সে সময় অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন। 
- তাঁর মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা লাভলেস অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিংয়ের ধারণাটাই প্রকাশ করেছিলেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
ইলেক্ট্রনিক পয়েন্ট অব সেল (EPOS) কী?
  1. কেবলমাত্র ক্যাশ লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি
  2. একটি ব্যক্তিগত হিসাব ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার
  3. একটি ব্যাংকিং সিস্টেম
  4. বিক্রয়ের সকল তথ্য সংরক্ষণ ও মনিটরিং করার ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
বিক্রয়ের সকল তথ্য সংরক্ষণ ও মনিটরিং করার ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয়ের সকল তথ্য সংরক্ষণ ও মনিটরিং করার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
ব্যবসা-বাণিজ্যে আইসিটির প্রয়োগ: 
- সাধারণভাবে আইসিটি প্রয়োগের ফলে ব্যবসায় নানাবিধ সুবিধা অর্জিত হয়। 
- এছাড়া আইসিটি খরচ কমাতে সাহায্য করে। 
- উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কম সময়ে অধিক কাজ করা যায়, ফলে ব্যবসার খরচ হ্রাস পায়। 
- এতে ব্যবসায়ী একদিকে কম খরচে তার পণ্য বিক্রয় করতে পারে, অন্যদিকে মুনাফাও বাড়াতে পারে। খরচ কমানোর অনেকগুলো উপায় রয়েছে। 
যেমন- 
বিক্রয় ব্যবস্থাপনা ও হিসাব: 

- ইলেক্ট্রনিক পয়েন্ট অব সেল (EPOS) হলো এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে বিক্রয়ের সকল তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। 
- এতে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের সুযোগ থাকে। 

সঠিক হিসাব রাখা: 
- ব্যবসার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সঠিক হিসাব সংরক্ষণ করা। 
- ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সাধারণ স্প্রেডশিট ব্যবহার করেই তাদের ব্যবসার হিসাব সংরক্ষণ করতে পারেন। 
- এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ডেটাবেস সফটওয়‍্যার ব্যবহার করে পণ্যের মজুদ, কর্মীদের তথ্যাবলি, এমনকি গ্রাহকদের তথ্যাবলিও সংরক্ষণ করা যায়। 
- এই তথ্যাদির কৌশলী প্রয়োগ ভবিষ্যতে ব্যবসার উন্নতিতে ব্যবহার করা যায়। 

বিপণন: 
- ব্যবসা করতে হলে পণ্য বা সেবার বিপণন ও প্রচারে আইসিটি প্রয়োগের ফলে নতুন মাত্রা যোগ করা সম্ভব হয়েছে। 
যেমন- 
১। বাজার বিশ্লেষণ: 
- যেকোনো নতুন পণ্য বা সেবা বাজারে চালু করার পূর্বে এ বিষয়ে বর্তমান বাজার সম্পর্ক জানা প্রয়োজন। 
- আইসিটির মাধ্যমে নতুন পণ্যের চাহিদা, জোগান ও দামের সম্পর্ক দ্রুততার সঙ্গে বিশ্লেষণ করা যায়। 

২। প্রতিদ্বন্দ্বীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ: 
- প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবা সম্পর্কে সহজে তথ্য সংগ্রহ করা যায়। 

৩। সরবরাহ: 
- জিপিএস বা অনুরূপ ব্যবস্থাদির মাধ্যমে কম খরচে পণ্য সরবরাহের পরিকল্পনা করা যায়। 

৪। প্রচার: 
- ওয়বেসাইট, ব্লগ কিংবা সামাজিক যোগাযোগ সাইটের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে এবং কখনো কখনো বিনামূল্যে পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন প্রচার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১৫.
সর্বপ্রথম উদ্ভাবিত স্প্রেডশিট সফটওয়্যার কোনটি?
  1. কেস্প্রেড
  2. ভিসিক্যালক
  3. ওপেন অফিস ক্যাল্ক
  4. মাইক্রোসফট এক্সেল
সঠিক উত্তর:
ভিসিক্যালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিসিক্যালক
ব্যাখ্যা
স্প্রেডশিট: 
- স্প্রেডশিটের আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো বড় মাপের কাগজ, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব সংরক্ষণের জন্য এ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে কাগজের স্প্রেডশিটের স্থান দখল করেছে সফটওয়্যার নির্ভর স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম। 
- সত্তর দশকের শেষের দিকে অ্যাপল কোম্পানি সর্বপ্রথম ভিসিক্যালক (VisiCalc) স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবন করে। 
- পরবর্তীকালে মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel), ওপেন অফিস ক্যাল্ক (Open office Calc) কেস্প্রেড (Kspread) নামের স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবিত হয়। 
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট কোম্পানির এক্সেল (Excel)। 

স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার প্রোগ্রাম। 
- এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্কবুক বলা হয়। 
- একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে। 
- একেকটা ওয়ার্কশিটে বহুসংখ্যক সারি (row) ও কলাম (column) থাকে। 
- স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে একটা ওয়ার্কশিটে সবধরনের উপাত্ত প্রবেশ করানো যায়। 
- ফলে যেকোনো ধরনের, যেকোনো সংখ্যক উপাত্ত অল্প সময়ে সম্পাদনা করা, হিসাব করা, বিশ্লেষণ করা এবং প্রতিবেদন তৈরি করার কাজ স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১৬.
নিচের কোনটি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ? 
  1. IBM 360
  2. UNIVAC
  3. ENIAC
  4. Apple Macintosh
সঠিক উত্তর:
IBM 360
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBM 360
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের প্রজন্ম: 
- সময়ের সাথে সাথে কম্পিউটারের গতি, তথ্য ধারণ ক্ষমতা, হিসাব করার ক্ষমতা ইত্যাদির দ্রুত পরিবর্তন ঘটতে থাকে এবং বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হতে থাকে। 
- পরিবর্তন ও বিকাশের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে প্রজন্ম (Generation) হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। 
- প্রতিটি প্রজন্মে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফট্ওয়্যারে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। 
- প্রজন্ম হিসাবে কম্পিউটারকে পাঁচটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- প্রথম প্রজন্ম (First Generation), দ্বিতীয় প্রজন্ম (Second Generation), তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation), চতুর্থ প্রজন্ম ( (Fourth Generation) এবং পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation) । 

তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation 1965-1971): 
- ১৯৬৫ সাল হতে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়। 
- একীভূত বর্তনী (integrated Circuit), অর্ধপরিবাহী স্মৃতি, উন্নত কার্যকারিতা, নির্ভরশীলতা এই প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য। 
- একীভূত বর্তনীতে অনেক ট্রানজিস্ট্রর, অর্ধপরিবাহী ডায়োড এবং অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রাংশ থাকে। ফলে কম্পিউটারের আকার আরও ছোট হয়, দাম কমে, কাজের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়। 
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে- অধিক সংখ্যক ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস সংযোজন, অধিক প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা, সুর ও শব্দ সৃষ্টির ক্ষমতা, তারের সাহায্যে দূরবর্তী কোন কম্পিউটারের সাথে তথ্য আদান প্রদান ক্ষমতা ইত্যাদি। 
- এই প্রজন্মে উচ্চতর ভাষার প্রচলন এবং নির্বাহী পদ্ধতির উন্নয়ন ঘটে। 
যেমন- IBM 360, IBM 370, PDP II, GE 600 ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার। 

অন্যদিকে, 
- এবিসি (ABC), এনিয়াক (ENIAC), এডসেক (EDSAC), ইউনিভ্যাক (UNIVAC) প্রভৃতি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার। 
- IBM-1400, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, NCR 300, GE 200 ইত্যাদি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার। 
- IBM PS/2, Apple Macintosh ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
এথিক্যাল হ্যাকার হলো-
  1. ব্লু হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার হ্যাকিং: 
- হ্যাকিং বলতে বোঝানো হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা। যারা এই কাজ করে থাকে তাদেরকে বলা হয় কম্পিউটার হ্যাকার বা হ্যাকার। 
- নানাবিধ কারণে একজন হ্যাকার অন্যের কম্পিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে অনুপ্রবেশ করতে পারে। 
যেমন- অসৎ উদ্দেশ্য, অর্থ উপার্জন, হ্যাকিং এর মাধ্যমে কখনও কখনও প্রতিবাদ কিংবা চ্যালেঞ্জ করা, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিগ্রস্থ করা, হেয়-প্রতিপন্ন করা, নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ইত্যাদি বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকে। 
- অনেক কম্পিউটার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হ্যাকারদের ক্র্যাকার হিসেবে চিহ্নিত করতে পছন্দ করেন। 
- তবে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে বিনা অনুমতিতে অনুপ্রবেশকারীকে সাধারণভাবে হ্যাকারই বলা হয়ে থাকে। 

- হ্যাকার সম্প্রদায় নিজেদেরকে নানান দলে ভাগ করে থাকে। 
যেমন- হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার, ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার, গ্রে হ্যাট হ্যাকার ইত্যাদি। 
- হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা কোনো সিস্টেমের উন্নতির জন্য সেটির নিরাপত্তা ছিদ্রসমূহ খুঁজে বের করে, এদেরকে এথিক্যাল হ্যাকারও (ethical hacker) বলা হয়। 
- অন্যদিকে ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকারগণ অসৎ উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ করে থাকে। 
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হ্যাকিংকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- বাংলাদেশে এটি অপরাধ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ (সংশোধিত ২০০৯) অনুসারে হ্যাকিংয়ের জন্য ৩ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১৮.
সুইচের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানে কোন ঠিকানা ব্যবহৃত হয়? 
  1. URL Address
  2. MAC Address
  3. IP Address
  4. Gateway Address
সঠিক উত্তর:
MAC Address
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MAC Address
ব্যাখ্যা
সুইচ (Switch): 
- এটিও হাবের মতো একটি ক্ষুদ্র আইসিটি যন্ত্র। 
- বর্তমানে যেকোনো নেটওয়ার্ক তৈরি করতে বেশিরভাগ সময় সুইচ ব্যবহার করা হয়। 
- হাবের সাথে সুইচের প্রধান পার্থক্য হলো সুইচ তারের সাথে যুক্ত প্রত্যেকটি আইসিটি যন্ত্রকে পৃথকভাবে শনাক্ত করতে পারে কিন্তু হাব তা পারে না। 
- ফলে সুইচ দিয়ে তৈরি নেটওয়ার্কের যেকোনো আইসিটি যন্ত্র (node) সরাসরি অন্য যন্ত্রের সাথে যোগযোগ করতে পারে। 
- সুইচের সাথে যুক্ত যন্ত্রগুলো শুধু যাকে ডেটা বা উপাত্ত পাঠাতে চায় তাকেই উপাত্ত পাঠায়। 
- সুইচ তার সাথে সংযুক্ত প্রত্যেকটি আইসিটি যন্ত্রের একটি করে ঠিকানা বরাদ্দ করে এবং ঐ ঠিকানা অনুযায়ী তথ্যের আদান-প্রদান করে। 
অর্থাৎ, কোনো একটি ঠিকানা থেকে অন্য কোনো ঠিকানায় উপাত্ত বা ডেটা পাঠাতে চাইলে সুইচ এক ঠিকানার তথ্য অন্য ঠিকানায় পৌঁছে দেয়। এ বরাদ্দকৃত ঠিকানাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভাষায় MAC (Media Access Control) address নামে ডাকা হয়। 
- আলাদা আলাদা ঠিকানা ব্যবহারের কারণে সুইচ হাবের চেয়ে অনেক দ্রুত গতিতে কাজ করতে পারে, এজন্য নেটওয়ার্ক তৈরিতে সুইচই এখন সবার পছন্দের হয়ে উঠেছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১৯.
নিচের কোনটি পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল?
  1. শুধু একটি সাইটে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
  2. কেবল ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার করা
  3. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
  4. সহজ এবং সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা
অনলাইন পরিচিতি ও নিরাপত্তা: 
- একজন ব্যক্তির অনলাইন পরিচিতি নিম্নোক্ত পরিচয় জ্ঞাপকের যেকোনো একটি বা তাদের সমন্বিত হতে পারে। 
(ক) ই-মেইল ঠিকানা এবং 
(খ) সামাজিক যোগাযোগের সাইটে তার প্রোফাইলের নাম। 
- ই-মেইল কিংবা ফেসবুকে নিজের একাউন্ট যেন অন্যে ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য সতর্ক থাকা প্রয়োজন। 
- এক্ষেত্রে প্রত্যেক সাইটে ঢোকার ক্ষেত্রে যে পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করা হয়, সেটির গোপনীয়তা রক্ষা করাও জরুরি। 

- পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য কয়েকটি টিপস বা কৌশল দেওয়া হলো- 
(১) সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা। প্রয়োজনে এমনকি কোনো প্রিয় বাক্যও ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে 123456, abcdef, qwerty, asdfghjkl, password ইত্যাদি পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। 
(২) বিভিন্ন ধরনের বর্ণ ব্যবহার করা অর্থাৎ কেবল ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার না করে বড় হাতের এবং ছোট হাতের বর্ণ ব্যবহার করা। 
(৩) শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা অর্থাৎ শব্দ, বাক্য, সংখ্যা এবং প্রতীক সমন্বয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করা। যেমন- Z26a1$alr18a1@gmail.com । 
(৪) বেশির ভাগ অনলাইন সাইটে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাইয়ের সুযোগ থাকে। নিয়মিত সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাই করা এবং শক্তিমত্তা কম হলে তা বাড়িয়ে নেওয়া। 
(৫) অনেকেই সাইবার ক্যাফে, ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র ইত্যাদিতে অনলাইন ব্যবহার করে থাকেন, এরূপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আসন ত্যাগের পূর্বে সংশ্লিষ্ট সাইট থেকে লগ আউট করা। 
(৬) অনেকেই পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করেন। যেমন- lastpass, keepass ইত্যাদি এগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। 
(৭) নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের অভ্যাস গড়ে তোলা। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
২০.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের একটি সুবিধা? 
  1. উচ্চ খরচে ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা
  2. শুধু ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সীমাবদ্ধ
  3. যত চাহিদা তত সার্ভিস
  4. নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থির সার্ভিস প্রদান
সঠিক উত্তর:
যত চাহিদা তত সার্ভিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যত চাহিদা তত সার্ভিস
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধা: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। 
- এ সব সার্ভিস মডেলকে চারভাগে ভাগ করা যায়। 
১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service): 
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। 
- অ্যামাজন- এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। 
- EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে ১ থেকে ৮টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। 
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন। 

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service): 
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। 
- এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। 
- Microsoft-এর Azure এবং Google-এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ। 

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service): 
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। 
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না। 
- Google Apps, Dropbox, Hubspot ইত্যাদি এই মডেলের উদাহরণ। 

৪। নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা (NaaS: Network as a Service): 
- এটি এমন একটি মডেল, যেখানে গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপনের পরিবর্তে ক্লাউড বিক্রেতার কাছ থেকে নেটওয়ার্ক পরিষেবাগুলো ভাড়া নিয়ে থাকেন। 
- উদাহরণস্বরূপ আর্যাকা এবং পার্টিনো সংস্থা দুটি WAN এবং SVPN (Secure Virtual Private Network) সেবা প্রদান করে থাকে। 

- এছাড়াও ক্লাউড সার্ভিসের ব্যবহারকারীরা নিচের সুবিধাগুলো ভোগ করে থাকে:
যত চাহিদা তত সার্ভিস (Resource Flexibility/Scalability)
• যখন চাহিদা তখন সার্ভিস (On Demand), 
• যখন ব্যবহার তখন মূল্য শোধ (Pay as you go) এবং 
• উদ্যোক্তাদের সুযোগ (Opportunity for Entrepreneurs) । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২১.
নিচের কোনটি এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. অ্যাভাস্ট
  2. চেরনোবিল
  3. পিংপং
  4. জেরুজালেম
সঠিক উত্তর:
অ্যাভাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাভাস্ট
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার যা পুনরুৎপাদনে সক্ষম এবং এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিত হতে পারে। 
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটার সিস্টেমের নানা ধরনের ক্ষতি করে থাকে। 
যেমন- কম্পিউটারের গতি কমে যাওয়া, হ্যাং হয়ে যাওয়া, ঘন ঘন রিবুট (Reboot) হওয়া ইত্যাদি। 
- তবে বেশিরভাগ ভাইরাস ব্যবহারকারীর অজান্তে তার সিস্টেমের ক্ষতি করে থাকে। 
- আবার কিছু কিছু ভাইরাস সিস্টেমের ক্ষতি করে না, কেবল ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে। 
যেমন- সিআইএইচ (CIH) নামে একটি সাড়াজাগানো ভাইরাস প্রতিবছর ২৬ এপ্রিল সক্রিয় হয়ে কম্পিউটার হার্ডডিস্ককে ফরম্যাট করে ফেলতো যা বর্তমানে নিষ্ক্রিয় রয়েছে। 
- সত্তর দশকে ইন্টারনেটের আদি অবস্থায় আরপানেট (ARPANET)-এ ক্রিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়, সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, যা ক্রিপার ভাইরাসকে মুছে ফেলতে পারত। 
- ১৯৮২ সালে এলক ক্লোনার (ELK CLONER) ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহারের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। 
- তবে ভাইরাসের বিধ্বংসী আচরণ প্রথম প্রকাশিত হয় ব্রেইন ভাইরাসের মাধ্যমে, ১৯৮৬ সালে। পাকিস্তানি দুই ভাই লাহোরে এই ভাইরাস সফটওয়‍্যারটি তৈরি করেন। 
- বিশ্বের ক্ষতিকারক ভাইরাস ও ম্যালওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ব্রেইন, ভিয়েনা, জেরুজালেম, পিংপং, মাইকেল এঞ্জেলো, ডার্ক এভেঞ্জার, সিআইএইচ (চেরনোবিল), অ্যানাকুর্নিকোভা, কোড রেড ওয়ার্ম, নিমডা, ডাপরোসি ওয়ার্ম ইত্যাদি। 
- কাজের ধরনের ভিত্তিতে ভাইরাসকে দুইভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- নিবাসী ভাইরাস (resident virus) এবং অনিবাসী ভাইরাস (non-resident virus)। 

কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস: 
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার। 
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 
- বাজারে প্রচলিত প্রায় সকল এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার ভাইরাস ভিন্ন অন্যান্য ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী। 
- সকল ভাইরাস প্রোগ্রামের কিছু সুনির্দিষ্ট ধরন বা প্যাটার্ন রয়েছে, এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার এই সকল প্যাটার্নের একটি তালিকা সংরক্ষণ করে। সাধারণত গবেষণা করে এই তালিকা তৈরি করা হয়। 
- যখন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারকে কাজ করতে দেওয়া হয়, তখন সেটি কম্পিউটার সিস্টেমের বিভিন্ন ফাইলে বিশেষ নকশা খুঁজে বের করে এবং তা তার নিজস্ব তালিকার সঙ্গে তুলনা করে। যদি এটি মিলে যায় তাহলে এটিকে ভাইরাস হিসাবে শনাক্ত করে। যেহেতু বেশিরভাগ ভাইরাস কেবল কার্যকরী ফাইলকে সংক্রমিত করে, কাজেই সেগুলোকে পরীক্ষা করেই অনেকখানি আগানো যায়। 
- তবে এ পদ্ধতির একট বড় ত্রুটি হলো তালিকাটি নিয়মিত হালনাগাদ না হলে ভাইরাস শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। সেজন্য অনেক এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারের সকল প্রোগ্রামের আচরণ পরীক্ষা করে ভাইরাস শনাক্ত করার চেষ্টা করে। এতে সমস্যা হলো যে সফটওয়্যার সম্পর্কে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারটি আগে থেকে জানে না, সেটিকে ভাইরাস হিসাবে চিহ্নিত করে, যা ক্ষতিকর। এ কারণে বিশ্বের জনপ্রিয় এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যারগুলো প্রথম পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। 
- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
২২.
কোন টপোলজি বিভিন্ন নেটওয়ার্ক কাঠামোর সমন্বয়ে তৈরি হয়? 
  1. বাস টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. হাইব্রিড টপোলজি
  4. মেশ টপোলজি
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড টপোলজি
ব্যাখ্যা
ট্রি টপোলজি: 
- ট্রি মানে হচ্ছে গাছ, কাজেই এই টপোলজিটাকে গাছের মতো দেখানোর কথা। 
- গাছে যে রকম কান্ড থেকে ডাল, এক ডাল থেকে অন্য ডাল এবং সেখান থেকে আরো ডাল বের হয়, এই ট্রি টপোলজিতেও তাই করা হচ্ছে। 
- এই টপোলজিতে অনেকগুলো স্টার টপোলজিকে একত্র করা হয়। 

মেশ টপোলজি: 
- এই টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো একটি আরেকটির সাথে যুক্ত থাকে এবং একাধিক পথে যুক্ত হতে পারে। 
- এখানে কম্পিউটারগুলো শুধু যে অন্য কম্পিউটার থেকে তথ্য নেয় তা নয় বরং সেটি নেটওয়ার্কের অন্য কম্পিউটারের মাঝে বিতরণও করতে পারে। 
- যদি এমন হয় যে একটি নেটওয়ার্কের প্রতিটি কম্পিউটারই সরাসরি নেটওয়ার্কভুক্ত অন্য সবগুলো কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে সেটিকে বলে কমপ্লিট মেশ। 

হাইব্রিড টপোলজি: 
- হাইব্রিড টপোলজি হল এমন একটি নেটওয়ার্ক কাঠামো যা দুই বা ততোধিক বিভিন্ন ধরনের টপোলজি যেমন স্টার, রিং, বাস বা মেশ টপোলজি একত্রিত করে তৈরি করা হয়। 
- কাজের সুবিধার্থে স্বতন্ত্র টপোলজির (স্টার, রিং, বাস বা মেশ) সুবিধা গ্রহণ এবং দুর্বলতাসমূহ কমানোর জন্য হাইব্রিড টপোলজি ডিজাইন করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
২৩.
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কোন সেবাগুলো চালু হয়? 
  1. ক্লাউড কম্পিউটিং এবং IoT
  2. প্রি-পেইড, এসএমএস, এমএমএস ও ইন্টারনেট সেবা
  3. ভয়েস কল এবং ফ্যাক্স
  4. ভিডিও কল এবং ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট
সঠিক উত্তর:
প্রি-পেইড, এসএমএস, এমএমএস ও ইন্টারনেট সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রি-পেইড, এসএমএস, এমএমএস ও ইন্টারনেট সেবা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন: 
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়। 
- প্রাথমিক পর্যায়ের মোবাইল ফোনের কার্যক্ষমতা ছিল খুবই কম; দুর্বল নেটওয়ার্কের দরুন সীমিত এলাকাভিত্তিতে ব্যবহার হতো। 
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে। 
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে। 
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। 

দ্বিতীয় প্রজন্ম (Second Generation-2G: 1991-2000): 
- অ্যানালগ ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ডিজিটাল ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু হয়, তাই Second Generation-2G-কে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়। 
- এ সময়ের মোবাইল ফোনের টেকনোলজির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো GSM (Global System for Mobile Communication) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) সুবিধা। 
- এসব সুবিধা নিয়ে এবং ভয়েসকে নয়েজমুক্ত করার মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের সূচনা হয়, এজন্য সেকেন্ড জেনারেশন মোবাইলকে জিএসএম বা সিডিএমএ স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়। 
- সময়ের পরিক্রমায় মোবাইল হ্যান্ডসেটের আকৃতি ও ওজন উল্লেখযোগ্য হারে কমতে থাকে। 
- ক্রমান্বয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রি-পেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস ও ইন্টারনেট সেবা চালু হয়। 
- এ সময়ে আন্তর্জাতিক রোমিং সিস্টেম চালু হয়। 
- যখন কোনো মোবাইল ফোন তার সার্ভিস অপারেটরের কভারেজ এরিয়ার বাইরে থেকেও সর্বদা ডেটা সার্ভিস দিতে পারে তখন তাকে রোমিং বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২৪.
ই-পুর্জি কীসের সাথে সম্পর্কিত? 
  1. স্বাস্থ্যসেবা প্রদান
  2. জমি ক্রয়-বিক্রয়
  3. কৃষি উপকরণ বিক্রয়
  4. চিনিকলের ইক্ষু সরবরাহ ব্যবস্থাপনা
সঠিক উত্তর:
চিনিকলের ইক্ষু সরবরাহ ব্যবস্থাপনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিনিকলের ইক্ষু সরবরাহ ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দেশে অনেক নাগরিক সেবা খুব সহজে পাওয়া যায়। 
- এই গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- 
১। ই-পর্চা: 
- জমি-জমার বিভিন্ন রেকর্ড সংগ্রহের জন্য পূর্বে অনেক হয়রানি হতো, বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় ই-সেবা কেন্দ্র থেকে তা সহজে সংগ্রহ করা যায়। 
- এজন্য অনলাইনে আবেদন করে আবেদনকারী জমি-জমা সংক্রান্ত বিভিন্ন দলিল এর সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারে, এর ফলে জনগণ খুব সহজে সেবা পাচ্ছেন। 
- অন্যদিকে সেবা প্রদানের সময় তথ্যাদি ডিজিটালকৃত হয়ে যাচ্ছে ফলে ভবিষ্যতে তথ্য প্রাপ্তির পথ সহজ হচ্ছে। 

২। ই-বুক: 
- সকল পাঠ্যপুস্তক অনলাইনে সহজে প্রাপ্তির জন্য সরকারিভাবে একটি ই-বুক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে (www.ebook.gov.bd)। 
- এতে বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক ও সহায়ক পুস্তক রয়েছে। 

৩। ই-পুর্জি: 
- চিনিকলের পুর্জি (ইক্ষু সরবরাহের অনুমতিপত্র) স্বয়ংক্রিয়করণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে মোবাইল ফোনে কৃষকরা তাদের পুর্জি পাচ্ছে। 
- ফলে এ সংক্রান্ত হয়রানির অবসান হওয়ার পাশাপাশি কৃষকও তাদের ইক্ষু সরবরাহ উন্নত করতে পেরেছেন। 

৪। ই-স্বাস্থ্যসেবা: 
- জনগণের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেশের অনেক স্থানে টেলিমিডিসিন সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। 
- এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালসমূহের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মোবাইল ফোনে বা এসএমএসে অভিযোগ পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এর ফলে স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। 

৫। পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ: 
- বর্তমানে দেশের সকল পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনে এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে। 

৬। অনলাইনে আয়কর রিটার্ন প্রস্তুতকরণ: 
- ঘরে বসেই এখন আয়করদাতারা তাদের আয়করের হিসাব করতে পারেন এবং রিটার্ন তৈরি ও দাখিল করতে পারেন। 

৭। টাকা স্থানান্তর: 
- পোস্টাল ক্যাশ কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং, ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম ইত্যাদির মাধ্যমে বর্তমানে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অর্থ প্রেরণ সহজ ও দ্রুত হয়েছে। 
- এছাড়া ইন্টারনেট ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহজে টাকা স্থানান্তরিত করা যায়। 

৮। পরিসেবার বিল পরিশোধ: 
- নাগরিক সুবিধার একটি বড়ো অংশ হলো বিদ্যুৎ, পানি কিংবা গ্যাস সরবরাহ। 
- এ সকল পরিসেবার বিল পরিশোধ করতে পূর্বে গ্রাহকের অনেক ভোগান্তি হতো। 
- বর্তমানে অনলাইনে বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এ সকল বিল পরিশোধ করা যায়। 

৯। পরিবহন: 
- বর্তমান অনলাইনে বা মোবাইল ফোনে ট্রেন, বাস বা বিমানের টিকেট সংগ্রহ করা যায়। 

১০। অনলাইন রেজিস্ট্রেশন: 
- সরকারি কর্মকাণ্ডে আইসিটি প্রয়োগের মাধ্যমে সরকারি সেবার মান উন্নয়নের উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশ রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানির স্বয়ংক্রিয়করণের একটি উদাহরণ দেওয়া হলো। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।