পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 12” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- পরীক্ষা - ৮ পার্ট-১) বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিকসমূহ ১. বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ২. জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। ৩. স্বাধীনতা ও অন্যান্য আন্দোলন সংগ্রাম সংশ্লিষ্ট সাহিত্য ও চলচ্চিত্র। পার্ট-২) পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, পরাগায়ন ইত্যাদি। ------------------ পার্ট–১ সোর্স: বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, দৈনিক পত্রিকা এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন

.
জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন কোন সিটি কর্পোরেশনে? [মে, ২০২৫]
  1. রংপুর সিটি কর্পোরেশন
  2. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
  3. বরিশাল সিটি কর্পোরেশন
  4. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
রংপুর সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- দেশে মোট জনসংখ্যা - ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.১২% ।
- জনসংখ্যার মধ্যে পল্লি অঞ্চলে বসবাস করে - ১১ কোটি ৬০ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ জন।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে কোন - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- সিটি কর্পোরেশনগুলোর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৩,০৫,০৬৩ এবং বরিশালে সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জনসংখ্যা বসবাস করে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ যেখানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন বসবাস করে।
- অন্যদিকে জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন রংপুর সিটি কর্পোরেশনে যেখানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন বসবাস করে।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২
.
প্রথম স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ব্যক্তি কে ছিলেন?
  1. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
  4. সকলেই
সঠিক উত্তর:
সকলেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলেই
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার:
- স্বাধীনতা পদক বা স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক।
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়।
- ২০২৪ সালে ১০ জনকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়।
- জাতীয় জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিককে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ।
- পুরস্কারের নগদ অর্থের পরিমান সূচনালগ্নে ছিল বিশ হাজার টাকা।
- ২০০৪ সালে তা এক লক্ষ টাকায় উন্নীত হয়।
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

পুরস্কার প্রাপ্তির সাল: ১৯৭৭
১ মরহুম মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী (মরণোত্তর): সমাজকল্যাণ
২ মরহুম কাজী নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর): সাহিত্য
৩ মরহুম শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন (মরণোত্তর): চারুকলা
৪ মরহুম ড. মোকাররম হোসেন খন্দকার (মরণোত্তর): বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
৫ জনাব মাহবুব আলম চাষী: পল্লীউন্নয়ন
৬ ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুর রহমান চৌধুরী: চিকিত্সা বিজ্ঞান
৭ ডা. মোঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী: জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ
৮ বেগম রুনা লায়লা: সঙ্গীত
৯ হাবিলদার মোস্তাক আহমদ: ক্রীড়া
১০ মরহুম এনায়েত করিম (মরণোত্তর): জনসেবা

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থের লেখক কে?
  1. শহীদুল্লাহ কায়সার
  2. জাহানারা ইমাম
  3. হুমায়ুন আহমেদ
  4. সেলিনা হোসেন
সঠিক উত্তর:
জাহানারা ইমাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা
- ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থের লেখক জাহানারা ইমাম।
- প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৬ (ফাল্গুন ১৩৯২)।
- এটি সন্ধানী প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়। 
- ‘সচিত্র সন্ধানী’র পাতায় এর আগে বেরিয়েছিল, পরে বই আকারে প্রকাশিত হয়। 
- জাহানারা ইমাম শহীদ জননী হিসেবে পরিচিত। 
- তিনি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়ক ছিলেন। 
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বড় ছেলে শাফী ইমাম রুমী ক্র্যাক প্লাটুনের গেরিলা যোদ্ধা ছিলেন।
- জাহানারা ইমামের  বই ‘একাত্তরের দিনগুলি’ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম দলিল হিসেবে খ্যাত।

উৎস: একাত্তরের দিনগুলি।
প্রথম আলো ও রকমারি ওয়েবসাইট। 
.
বাংলাদেশে বসবাসকারী সর্বাধিক জনসংখ্যার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২:
- সময়কাল: ১৫-২১ জুন, ২০২২ সাল।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ তে বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে।
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। 
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০০ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৩ জন।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কোন বছরে টেস্ট মর্যাদা লাভ করে?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জয়ের পর বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- এরপর ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ । 
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।
- বাংলাদেশ ভারতের সাথে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে। 

উৎস: BBC NEWS বাংলা (৫ অক্টোবর ২০২৩)
.
‘একুশে পদক’ কবে প্রবর্তিত হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
একুশে পদক:
- একুশে পদক ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়।
- জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- এ পুরস্কারের জন্য বিবেচ্য ক্ষেত্রগুলি হলো সাহিত্য, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, গবেষণা, অর্থনীতি ও দারিদ্য বিমোচন, শিল্প-সংস্কৃতি, সঙ্গীত, নৃত্য, চারুকলা, নাট্যাভিনয়, ভাস্কর্য, এবং ভাষা আন্দোলনে অবদান।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী আবুল বরকত রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুস সালাম ও আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
আদিবাসী গোষ্ঠী গারোদের প্রধান ধর্মবিশ্বাস কোনটি?
  1. হিন্দু ধর্ম
  2. খ্রিস্টধর্ম
  3. সনাতন ধর্ম
  4. প্রকৃতিবাদ
সঠিক উত্তর:
খ্রিস্টধর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ্রিস্টধর্ম
ব্যাখ্যা
- খ্রিস্টান মিশনারিদের প্রচেষ্টায় শিক্ষাক্ষেত্রে গারোরা ব্যাপক অগ্রগতি লাভ করেছে।
- উনিশ শতকের শেষদিকে খ্রিস্টান মিশনারিগণ গারোদের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম প্রচার শুরু করে।
- বর্তমানে গারোদের অধিকাংশই খ্রিস্টধর্মে বিশ্বাসী।
- তবে খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার পূর্বে গারোদের আদিধর্মকে অনেকেই জড়োপাসনা বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- কিন্তু প্রকৃতপক্ষে গারোদের আদিধর্ম জড়োপাসনা ছিল না।
- কারণ গারোরা সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বেও বিশ্বাস করতো।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাটক?
  1. রাইফেল রোটি আওরাত
  2. বীরাঙ্গনা কাব্য
  3. দুই সৈনিক
  4. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়:
- বাংলাদেশের সাহিত্যাঙ্গনে মেধাবী কবি, নাট্যকার ও কথাসাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক (১৯৩৫- ২০১৬)।
- সৈয়দ শামসুল হক রচিত পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাটক।
- নাট্যকার পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকে গ্রাম্য মোড়লের স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান ও তার বহুরূপী ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন।
- পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের শোষণ বঞ্চনার নাগপাশ ছিন্ন করে এদেশের মানুষ একাত্তরে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তির সংগ্রামে।
- তবে এক শ্রেণির মানুষ বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধাচরণ করেছিল।
- নাটকে সেই শ্রেণিচরিত্রকে মুখ্য করে নাট্যকার নির্মাণ করেন রাজাকার চরিত্র।
- এ ছাড়া নাট্যকার সুকৌশলে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ধর্মের ব্যবহার, নারী- নির্যাতন, সাধারণ মানুষের সম্পদ লুণ্ঠন, মুক্তিযোদ্ধাদের নির্যাতন এবং সর্বোপরি স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতক-দালাল মাতবরের নির্মম পরিণতি উপস্থাপন করেছেন।

উৎস: জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি জার্নাল অব আর্টস।
.
বাংলাদেশে বর্তমানে কয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. ৪৮টি
  2. ৫০টি
  3. ৫২টি
  4. ৫৪টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২:
- সময়কাল: ১৫-২১ জুন, ২০২২ সাল।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে।
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১০.
‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদান করা হয় —
  1. সাহিত্যে অবদানের জন্য
  2. মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য
  3. নারী উন্নয়নে অবদানের জন্য
  4. ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য
সঠিক উত্তর:
নারী উন্নয়নে অবদানের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারী উন্নয়নে অবদানের জন্য
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪:
- সমাজ, নারীশিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য চারজন নারীকে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪ দেওয়া হয়েছে।
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই নারীদের বা তাঁদের প্রতিনিধিদের হাতে পদক তুলে দেন।
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৪তম জন্ম ও ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এ পদক বিতরণ করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৪ উদ্‌যাপন ও বেগম রোকেয়া পদক বিতরণের জন্য অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত নারীদের প্রত্যেককে একটি করে স্বর্ণপদক, একটি সার্টিফিকেট ও চার লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে।

পদকজয়ীরা হলেন -
১) পারভীন হাসান, তিনি বাংলাদেশের একজন শিক্ষাবিদ এবং অধিকার কর্মী। তিনি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের চেয়ারপার্সন এবং কেন্দ্রীয় মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
২) তাসলিমা আখতার, তিনি একজন বাংলাদেশি শ্রমিক ও নারী অধিকারকর্মী এবং আলোকচিত্রী।
৩) রাণী হামিদ, তিনি একজন বাংলাদেশী দাবাড়ু। তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার।
৪) শিরিন পারভিন হক, তিনি একজন নারী অধিকার কর্মী। তিনি নারী অধিকার সংগঠন নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা।

নীতিমালা অনুসারে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও গৌরবজ্জ্বল ভূমিকার জন্য 'বেগম রোকেয়া পদক' প্রদান করা হয়:
(ক) নারী শিক্ষা;
(খ) নারী অধিকার;
(গ) নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
(ঘ) সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণ;
(ঙ) পল্লী উন্নয়ন;
(চ) সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন ক্ষেত্রে।

উৎস: আজকের পত্রিকা ও চ্যানেল আই অনলাইন (৯ ডিসেম্বর ২০২৪) ।
The Daily Star বাংলা (ডিসেম্বর ৯, ২০২৪)।
বেগম রোকেয়া পদক (সংশোধিত) নীতিমালা ২০১৭
১১.
‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’ গানটির সুরকার কে?
  1. গোবিন্দ হালদার
  2. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  3. সমর দাস
  4. আব্দুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
সমর দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমর দাস
ব্যাখ্যা
সমর দাস: 
- ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’, ‘নোঙ্গর তোলো তোলো’, ‘মাগো ভাবনা কেন’ শিরোনামের গানের সুরকার হলেন সমর দাস।
- ১৯৫৬ সালে মুক্তি পাওয়া বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা ‘মুখ ও মুখোশ’ এর সংগীত পরিচালনা করেছিলেন তিনি।
- তিনি সংগীতে অবদানের জন্য ১৯৭৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন।
- তিনি ২০০১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: The Daily Star বাংলা (সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০)
১২.
বাংলাদেশের কোন জেলায় রাখাইনদের বসবাস রয়েছে?
  1. বরিশাল
  2. ফরিদপুর
  3. বরগুনা
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
বরগুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরগুনা
ব্যাখ্যা
রাখাইনদের নৃতাত্ত্বিক পরিচয় ও আবাস:
- রাখাইনদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য অনেক প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ।
- তারা 'মগধ' রাজ্য থেকে মায়ানমারের আরাকান রাজ্যে বসবাস শুরু করে।
- ১৭৮৪ সালে বার্মিজ রাজা 'বোদোপ্রা' আরাকান রাজ্য জয় করলে বিপুলসংখ্যক রাখাইন সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালী এবং কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়।
- রাখাইনরা মঙ্গোলীয়দের ভোটবার্মি (Bhotbormi) সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় রাখাইনদের বসবাস।
- পটুয়াখালির কুয়াকাটা ও খেপুপাড়ায় রাখাইনদের বসতি রয়েছে।।
- কক্সবাজারের রামু, পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, মানিকছড়ি, টেকনাফ ও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলাতেও রাখাইনদের বসতি লক্ষ করা যায়।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
'মর থেংগারি’ কোন ভাষায় নির্মিত সিনেমা?
  1. মারমা
  2. মান্দি
  3. চাকমা
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
- চাকমা ভাষায় নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা ‘মাই বাইসাইকেল-মর থেংগারি’।
- সিনেমাটি সেন্সর বোর্ডে ৯ বছর ধরে আটকে আছে।
- অং রাখাইন পরিচালিত সিনেমাটি নানা কারণে সেন্সর পায়নি।
- এই সিনেমাটি মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু হওয়া চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে (৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪) দেখানো হয়।
- এছাড়া ‘সাউথ এশিয়ান ডকুমেন্টারি ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০১৫’ তেও চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী হয়। (১০ জানুয়ারি ২০১৫)
- চাকমা ভাষায় থেংগারি শব্দের অর্থ বাইসাইকেল।
- সিনেমার ইংরেজি নাম মাই বাইসাইকেল।
- সিনেমার কাহিনি আবর্তিত হয়েছে পাহাড়ঘেড়া এক গ্রামের কমল নামের চাকমা যুবককে ঘিরে। শহরে জীবিকা অর্জনে বিফল হয়ে একটি বাইসাইকেল নিয়ে গ্রামে ফেরত আসেন তিনি। বাইসাইকেলে মানুষ ও মালামাল পরিবহন করে জীবিকার সন্ধান করতে থাকেন তিনি।

উৎস: প্রথম আলো (২৯ ডিসেম্বর ২০২৪) ।
১৪.
নিচের কোনটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. গারো
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো: 
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।
- গারোদের প্রথাগত আইন অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী  মেয়েরা।

উল্লেখ্য,
- খাসিয়াদের সমাজ ব্যবস্থাও মাতৃতান্ত্রিক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫.
মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. আগুনের পরশমণি
  2. হাঙ্গর নদী গ্রেনেড
  3. ওরা ১১ জন
  4. জয়যাত্রা
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
ব্যাখ্যা
ওরা ১১ জন: 
- মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম ছবি ওরা ১১ জন।
- চাষী নজরুল ইসলাম ১৯৭২ সালে ছবিটি নির্মাণ করেন।
- ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক, শাবানা, নূতন, খসরু, সৈয়দ হাসান ইমাম ও খলিলউল্লাহ খানসহ অনেকে।

উৎস: The Daily Star বাংলা (মার্চ ২৬, ২০২০)
১৬.
দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থার নাম কী?
  1. ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ
  2. জাতীয় সংবাদ সংস্থা, বাংলাদেশ
  3. বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা
  4. বাংলাদেশ তথ্য ও সংবাদ সংস্থা
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- বাসস ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে।
- পাকিস্তানের অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপিপি) ঢাকা ব্যুরোকে নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় রূপান্তরিত করা হয়।
- ঢাকার প্রধান কার্যালয় এবং চট্টগ্রামে একটি ব্যুরো নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে বিএসএসের রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, রাঙ্গামাটি এবং সিলেটেও ব্যুরো রয়েছে।
- জাতীয় সংবাদ সংস্থাটির প্রতিনিধিরা দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় নিয়োজিত রয়েছেন।
- সংস্থাটি প্রায় সার্বক্ষণিকভাবে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, উন্নয়নমূলক এবং অন্যান্য খবর প্রায় ৫০টি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়।
- বাসস আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি থেকে সংবাদ সংগ্রহ করে এবং ভারতের প্রেস ট্রাস্ট (পিটিআই), পাকিস্তানের অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপিপি), চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা শিনহুয়া, মালয়েশিয়ার বারনামা এবং অস্ট্রেলিয়ার ট্রান্সডাটা সংস্থার সঙ্গে সংবাদ বিনিময় করে।
- ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের বাংলা পত্রিকার সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

উৎস: Jagannath University Journal of Social Sciences.
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
১৭.
বাহা উৎসব কারা পালন করে?
  1. গারো
  2. চাকমা
  3. সাঁওতাল
  4. ম্রো
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
বাহা উৎসব: 
- বাহা পরব বা বাহা উৎসব হল সাঁওতাল আদিবাসীদের দ্বারা পালিত একটি উৎসব।
- সাঁওতালি ভাষায় 'বাহা' মানে ফুল।
- বাহা পরবে (ফুল উৎসবে) পুরুষ, মহিলা ও শিশুরা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত হয়।
- বাহা উৎসব সাঁওতাল বর্গের মানুষ প্রতি বছর ফাল্গুন মাসে্র দোল পূর্ণিমার পর থেকে পালন করে থাকেন।
- এই উৎসবে সমস্ত দেবতার থান গোবর দিয়ে নিকিয়ে রাখা হয়।
- পুরুষেরা দল বেঁধে শিকারে বের হন।
- উৎসবের শেষে নাচগান হয়।
- মেয়েরা নতুন ফুলে নিজেদেরকে সজ্জিত করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১৮.
গেরিলা ছবির পরিচালক কে?
  1. নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  2. জহির রায়হান
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. চাষী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
নাসির উদ্দীন ইউসুফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসির উদ্দীন ইউসুফ
ব্যাখ্যা
গেরিলা: 
- নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত ছবি গেরিলা। 
- এই ছবিটি মুক্তি পায় ২০১১ সালে।
- ছবিটিতে অভিনয় করেন শতাধিক শিল্পী।
- প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস।

উৎস: The Daily Star বাংলা (মার্চ ২৬, ২০২০)
১৯.
কোথায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী:
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২০.
জাতীয় প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রেসক্লাব: 
- জাতীয় প্রেসক্লাব জাতীয় পর্যায়ে সাংবাদিকদের একটি সংঘবিশেষ।
- বিশ্বের কোথাও কোথাও এ ধরনের প্রতিষ্ঠান প্রেসগিল্ড নামেও পরিচিত।
- ঢাকায় অবস্থিত জাতীয় প্রেসক্লাবই বাংলাদেশের প্রধান প্রেসক্লাব।
- অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে কলকাতায়। 
- ১৯৫৪ সালের ২০ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 
- বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর ১৯৭২ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রেসক্লাব সংশোধন করে নাম রাখা হয় জাতীয় প্রেসক্লাব।
- ১৯৯৫ সালে জাতীয় প্রেসক্লাবের পতাকা ও প্রতীক নির্বাচন করা হয়।
- জাতীয় প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের একটি প্রফেশনাল ক্লাব হলেও বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে গোড়া থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।
- ১৯৬৪ সালের দাঙ্গাবিরোধী শান্তি মিছিল, ১৯৬৭ সালে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রতিবাদ মিছিল এ প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে স্বাধিকার আন্দোলন, একাত্তরের  মুক্তিযুদ্ধ, আরও পরে গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং স্বৈরশাসনের দুঃসহ দিনগুলিতে প্রেসক্লাবই হয়ে উঠেছিল আন্দোলন ও সংগ্রামের কেন্দ্রস্থল।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে হানাদার বাহিনী প্রেসক্লাব ভবনে মর্টারশেল নিক্ষেপ করেছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
২১.
জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে কী চিত্রিত করা হয়?
  1. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
  2. পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসন
  3. গণহত্যার চিত্র
  4. দেশভাগের চিত্র
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসন
ব্যাখ্যা
- জহির রায়হান পরিচালিত ছবি ‘জীবন থেকে নেয়া’।
- ছবিটি জহির রায়হানের কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ১৯৭০ সালে মুক্তি পেয়েছিল।
- জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।
- পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত স্টপ জেনোসাইড ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি সঙ্গম ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
প্রথম আলো (১৬ ডিসেম্বর ২০২৩)
২২.
মানবদেহে ইনসুলিন উৎপন্ন হয় কোথায়?
  1. যকৃৎ
  2. অগ্ন্যাশয়
  3. বৃক্ক
  4. পিটুইটারি গ্রন্থি
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
ব্যাখ্যা
• ইনসুলিন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা অগ্ন্যাশয় (Pancreas) থেকে নিঃসৃত হয়। অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স  (Islets of Langerhans) নামক কোষগুচ্ছে বিটা কোষ (β-cells) ইনসুলিন উৎপন্ন করে।

• ইনসুলিন কাজ- 
- ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি কোষে গ্লুকোজের অনুপ্রবেশ ও ব্যবহার বৃদ্ধি করে যেখানে তা শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
-  যকৃত ও পেশিকোষে গ্লাইকোজেন সংশ্লেষণ (গ্লাইকোজেনেসিস) ও সঞ্চয় হার বৃদ্ধি করে।
-  রক্ত-শর্করার মাত্রা কমায়;
-  গ্লুকোনিওজেনেসিস ও কিটোন বডি উৎপাদন রোধ করে এবং
-  মেদ টিস্যুতে ফ্যাট সংশ্লেষণ ও সঞ্চয় ত্বরান্বিত করে। এর অভাবে ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগ হয়।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
২৩.
দ্বিপদ নামকরণের জনক বলা হয় কাকে?
  1. চার্লস ডারউইন
  2. গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
  3. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  4. লুই পাস্তুর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা
দ্বিপদ নামকরণ:
-  গণ নাম এবং প্রজাতির নাম বুঝায়, এরূপ দুটি পদ নিয়ে গঠিত নামকে দ্বিপদ নাম এবং নামকরণের প্রক্রিয়াকে দ্বিপদ নামকরণ (binomial nomenclature) পদ্ধতি বলা হয়। 

• একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশ বা পদ নিয়ে গঠিত হয়। প্রথম অংশটি তার গণের নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি তার প্রজাতির নাম। যেমন- গোল আলুর বৈজ্ঞানিক নাম Solanum tuberosum।

•  দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির লক্ষ্য একটাই, তা হচ্ছে এই বৈচিত্র্যময় জীবজগতের প্রতিটি জীবকে আলাদা নামে সঠিকভাবে জানা। আন্তর্জাতিকভাবে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি মেনে জীবের বৈজ্ঞানিক নাম নির্ধারণ করা হয়।

• উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) কর্তৃক এবং প্রাণীর নাম International Code of Zoological Nomenclature (ICZN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হবে। প্রকৃত পক্ষে এই code পুস্তকাকারে লিখিত একটি দলিল।
• নামকরণ ল্যাটিন শব্দে হওয়ায় কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সারা বিশ্বে একই নামে পরিচিত হয়।

সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস  দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির প্রবর্তন করেন এবং গণ ও প্রজাতির সংজ্ঞা দেন। 

তথ্যসূত্র:
মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
২৪.
হেটেরোজাইগাস জিনোটাইপের উদাহরণ কোনটি?
  1. ΤΤ
  2. Tt
  3. tt .
  4. XX
সঠিক উত্তর:
Tt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tt
ব্যাখ্যা
হেটারোজাইগাস (Heterozygous) জিনোটাইপ:
- কোন জিনোটাইপে একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী অ্যালিলদুটি অসমপ্রকৃতির হলে, তাকে হেটারোজাইগাস জিনোটাইপ বলা হয়।
- যেমন T এবং t অর্থাৎ Tt -ধারী জীবটি লম্বা হলেও তা হেটারোজাইগাস। কারণ এর মধ্যে একটি হলো প্রকট জিন এবং অন্যটি হলো প্রচ্ছন্ন জিন। 

অর্থাৎ প্রকট ও প্রচ্ছন্ন জিন পাশাপাশি অবস্থান করলে হেটারজাইগাস জিনোটাইপ তৈরি হয়। 
সুতরাং Tt জিনোটাইপ টি হেটারোজাইগাস প্রকৃতির।  

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
২৫.
নিচের কোনটি বায়ুদূষণ নির্দেশক?
  1. লাইকেন
  2. মস
  3. ফার্ন
  4. শৈবাল
সঠিক উত্তর:
লাইকেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইকেন
ব্যাখ্যা
লাইকেন:
-  লাইকেন হলো ছত্রাক এবং একাকোষী শৈবাল বা সায়ানোব্যাকটেরিয়ার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহাবস্থানের ফলে সৃষ্ট বিশেষ প্রকৃতির থ্যালয়েড গঠন।
-  লাইকেন স্বয়ংসম্পূর্ণ, বিষমপৃষ্ঠ, থ্যালয়েড, অপুষ্পক উদ্ভিদ।
- সারা পৃথিবীতে প্রায় ৪০০টি গণ এবং ১৭,০০০ লাইকেন প্রজাতির সন্ধান পাওয়া

পরিবেশ দূষণের নির্দেশক হিসেবে লাইকেন:
-   লাইকেন বাতাস বা বৃষ্টির পানি থেকে অতিদ্রুত তার প্রয়োজনীয় বস্তু সংগ্রহ করতে পারে। একইভাবে সালফার ডাই-অক্সাইড, হেভি মেটাল, রেডিও অ্যাকটিভ বস্তুও দ্রুত শোষণ করে থাকে।
-  এসব দূষিত বস্তু শোষণের ফলে এদের মৃত্যু ঘটে। কাজেই বায়ু দূষণের একটি নির্দেশক (indicator) হিসেবে লাইকেনকে ধরা হয়।
অর্থাৎ বায়ু দূষণ অঞ্চলে লাইকেন কম পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২৬.
উদ্ভিদের দৃঢ়তা প্রদান করে কোন টিস্যু?
  1. প্যারেনকাইমা
  2. স্ক্লেরেনকাইমা
  3. কোলেনকাইমা
  4. জাইলেম
সঠিক উত্তর:
স্ক্লেরেনকাইমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ক্লেরেনকাইমা
ব্যাখ্যা
সরল টিস্যু:
- যে স্থায়ী টিস্যুর প্রতিটি কোষ আকার, আকৃতি ও গঠনের দিক থেকে অভিন্ন, তাকে সরল টিস্যু বলে।

• কোষের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে সরল টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা: প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা এবং স্ক্লেরেনকাইমা।

স্ক্লেরেনকাইমা (Sclerenchyma):
- এ টিস্যুর কোষগুলো শক্ত, অনেক লম্বা এবং পুরু প্রাচীরবিশিষ্ট হয়।
- প্রোটোপ্লাজমবিহীন, লিগনিনযুক্ত এবং যান্ত্রিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট কোষ দিয়ে গঠিত টিস্যুকে স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যু বলে।
- প্রাথমিক অবস্থায় কোষগুলোতে প্রোটোপ্লাজম উপস্থিত থাকলেও খুব তাড়াতাড়ি তা নষ্ট হয়ে মৃত কোষে পরিণত হয়।
- কোষগুলো প্রধানত দুই ধরনের, ফাইবার এবং স্ক্লেরাইড।
- উদ্ভিদদেহে দৃঢ়তা প্রদান এবং পানি এবং খনিজ লবণ পরিবহন করা এর মূল কাজ।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
২৭.
নিচের কোনটি মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকার কাজ?
  1. অধিক পরিমাণ CO2 বহন করে
  2. অক্সিজেন পরিবহন
  3. রক্ত জমাট বাঁধা
  4. হরমোন নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন পরিবহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন পরিবহন
ব্যাখ্যা
লোহিত রক্তকণিকা:
- মানবদেহের রক্তরসে ভাসমান গোল, দ্বি-অবতল চাকতির মতো, নিউক্লিয়াসবিহীন কিন্তু অক্সিজেনবাহী হিমোগ্লোবিনযুক্ত, লাল বর্ণের কণিকাকে লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Corpuscles, RBC) বলে। 

• লোহিত কণিকার কাজ:
(i) লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে দেহকোষে অধিকাংশ O2 এবং সামান্য পরিমাণ CO2 পরিবহন করে।
(ii) রক্তের ঘনত্ব ও সান্দ্রতা (viscocity) রক্ষা করে।
(iii) এগুলোর হিমোগ্লোবিন ও অন্যান্য অন্তঃকোষীয় বস্তু বাফাররূপে রক্তে অম্ল-ক্ষারের সাম্য রক্ষা করে।
(iv) প্লাজমাঝিল্লিতে অ্যান্টিজেন প্রোটিন সংযুক্ত থাকে যা মানুষের ব্লাড গ্রুপ নির্ণয়ে সহায়তা করে।
(v) এসব কণিকা রক্তে বিলিরুবিন ও বিলিভার্ডিন উৎপন্ন করে।
(vi) লোহিত রক্তকণিকা এনজাইমরূপী নাইট্রিক অক্সাইড উৎপাদন করতে পারে যা এন্ডোথেলিয়াল কোষের L-arginine-এর মতো ব্যবহৃত হয়।
(vii) এগুলো হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস উৎপাদন করে যা রক্তনালির সঙ্কোচনের জন্য সংকেত প্রদান করে।
(viii) এগুলো অনেকসময় দেহের অনাক্রম্যতায় সাড়াপ্রদান (immune response) করে। ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হলে লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিন থেকে এক ধরনের মুক্ত আয়ন সৃষ্টি হয় যা জীবাণুর কোষপ্রাচীর ভেঙ্গে দিয়ে একে ধ্বংস করে।
(ix) এগুলো পটাসিয়াম বাইকার্বোনেট হিসেবে কোষ-টিস্যু থেকে ফুসফুসে সামান্য পরিমাণে CO₂ পরিবহন করে।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
২৮.
নিচের কোন অঙ্গাণুটি উদ্ভিদ কোষের অনন্য বৈশিষ্ট্য?
  1. মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. গলজি বডি
  3. প্লাস্টিড
  4. রাইবোজোম
সঠিক উত্তর:
প্লাস্টিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাস্টিড
ব্যাখ্যা
• অনন্য বৈশিষ্ট্য- 
- অনন্য বৈশিষ্ট্য (Unique Characteristic) হলো এমন একটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ, যা কোনো নির্দিষ্ট প্রাণী, উদ্ভিদ বা বস্তুতে বিশেষভাবে বিদ্যমান, এবং যা অন্যদের থেকে তাকে আলাদা করে চিহ্নিত করতে সহায়তা করে।

• প্লাস্টিড-
- উদ্ভিদ কোষের সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্ত ডিম্বাকৃতি, ফিতাকৃতি অথবা তারকাকৃতি সজীব বর্ণাধার বস্তুগুলোই হলো প্লাস্টিড।
- স্ট্রোমা ও গ্রানা সমৃদ্ধ এবং লিপো-প্রোটিন ঝিল্লি দ্বারা সীমিত সাইটোপ্লাজমন্থ সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্রাঙ্গের নাম প্লাস্টিড।
- ১৮৮৩ সালে শিম্পার (W. Schimper, 1856-1901) সর্বপ্রথম উদ্ভিদ কোষে সবুজ বর্ণের প্লাস্টিড লক্ষ্য করেন এবং এর নামকরণ করেন ক্লোরোপ্লাস্ট। পরবর্তীতে অন্যান্য প্লাস্টিড আবিষ্কৃত হয়েছে। আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যেই এদেরকে স্পষ্ট দেখা যায়।
- ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ-সবুজ শৈবাল এবং প্রাণী কোষে প্লাস্টিড নেই। 

অর্থাৎ উদ্ভিদ কোষের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো প্লাস্টিড। কারণ এটি অন্য কোন কোষে এটি দেখা যায় না। 

অন্যদিকে, মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বডি, রাইবোজোম উদ্ভিদ ও প্রাণী দুই কোষেই উপস্থিত। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২৯.
পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়ার আধুনিক মতবাদ কোনটি?
  1. বিজ্ঞানী H. Von Mohl এর মতবাদ
  2. স্টর্চ-শ্যুগার মতবাদ
  3. বিজ্ঞানী স্যায়েরি এর মতবাদ
  4. প্রোটন প্রবাহ মতবাদ
সঠিক উত্তর:
প্রোটন প্রবাহ মতবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন প্রবাহ মতবাদ
ব্যাখ্যা
• আধুনিক মতবাদ বা প্রোটন প্রবাহ মতবাদ (Proton transport theory):
- S. Imamura ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে রক্ষীকোষে পটাসিয়াম আয়ন প্রবেশ প্রমাণ করেন।
- পরবর্তী বহু গবেষণায় রক্ষীকোষে পটাসিয়াম আয়নের প্রবেশকে রক্ষীকোষের স্ফীতির মূল কারণ হিসেবে প্রমাণিত হয়।

• প্রোটন প্রবাহ মতবাদ তথা আধুনিক মতবাদ প্রবর্তনের পূর্বে স্টর্চ-শ্যুগার মতবাদ প্রতিষ্ঠিত ছিলো। 

বিজ্ঞানী H. Von Mohl এর মতবাদ:
- ১৮৫৬ সালে মোট প্রকাশ করেন যে রক্ষীকোষের স্ফীতির পরিবর্তনই পত্ররন্ধ্র খোলা অবন্ধ হওয়ার প্রধান কারণ। 

• স্টর্চ-শ্যুগার মতবাদ: 
- বিজ্ঞানী F. E. Loyd ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে প্রস্তাব করেন যে রক্ষীকোষের স্ফীতির পরিবর্তন স্টার্চ-শ্যুগারের পারস্পরিক পরিবর্তনের উপর নির্ভরশীল।
-  এই ধারণা পরবর্তীতে স্টর্চ-শ্যুগার মতবাদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• বিজ্ঞানী স্যায়েরি এর মতবাদ: 
, শ্বেতসার ও চিনির আন্তঃপরিবর্তনের কারনেই পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৩০.
নিচের কোনটি প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাসের সর্বোচ্চ স্তর?
  1. গণ
  2. বর্গ
  3. রাজ্য
  4. প্রজাতি
সঠিক উত্তর:
রাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজ্য
ব্যাখ্যা
• প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস (Biological Classification) একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যার মাধ্যমে প্রাণীদের বিভিন্ন ভাগে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।
- শ্রেণীবিন্যাসে স্তরগুলো বড় থেকে ছোট ক্রমে সাজানো হয়।

• শ্রেণীবিন্যাসের স্তরসমূহ (Hierarchy of Classification):
রাজ্য (Kingdom) 
      ↓
পর্ব (Phylum) 
      ↓
বর্গ (Class) 
      ↓
গণ (Order)
      ↓
জাতি (Family)
      ↓
গণ (Genus)
      ↓
প্রজাতি (Species) 

শ্রেণীবিন্যাসের স্তর থেকে দেখা যায় যে এর সর্বোচ্চ স্তর হলো রাজ্য ও সর্বনিম্ন স্তর হলো প্রজাতি। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
৩১.
নিচের কোনটির মাধ্যমে স্থলজ উদ্ভিদ খনিজ শোষণ করে?
  1. মূলরোম
  2. পত্ররন্ধ্র
  3. জাইলেম
  4. ফ্লোয়েম
সঠিক উত্তর:
মূলরোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূলরোম
ব্যাখ্যা
• খনিজ লবণ শোষণ: 
- উদ্ভিদ দেহাভ্যন্তরে বিভিন্ন শারীরতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন করতে বিভিন্ন প্রকার খনিজ লবণের অংশগ্রহণ প্রয়োজন পড়ে। 
- সাধারণত দেহাভ্যন্তরে এগুলো তৈরি হয় না; বাইরে থেকে, বিশেষ করে মাটি থেকে এসব খনিজ লবণ শোষণ করে নিতে হয়।
- উদ্ভিদের শারীরিক পরিপূর্ণতার জন্য এগুলো আবশ্যকীয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, উদ্ভিদের জন্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার (গন্ধক) 'সলিবডেনাম বোরন, নিকেল ও ক্লোরিন-এই অত্যাবশ্যকীয়।

• লবণ পরিশোষণ অঙ্গ :
- স্থলজ উদ্ভিদের মূলের অগ্রভাগের কোষ বিভাজন অঞ্চলের নব গঠিত কোষগুলোই লবণ পরিশোষণে অধিক কার্যক্ষম।
- মূলরোম দিয়েও কিছু লবণ পরিশোষিত হয়ে থাকে।
- ধারণা করা হয় যে, নিমজ্জিত জলজ উদ্ভিদের সব অঙ্গই লবণ পরিশোষণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

• স্থলজ উদ্ভিদে পত্ররন্ধ্র, জাইলেম ও ফ্লোয়েম দ্বারা লবন শোষণ হয় না। বরং মূলরোম দিয়ে শোষন হয়। 
- পত্ররন্ধ্র দ্বারা গ্যাসীয় পরিবহন হয় এবং জাইলেম-ফ্লোয়েম হলো উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যু। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৩২.
মানবদেহে রক্তের শর্করার পরিমাণ কমে গেলে তা বৃদ্ধি করে কোন হরমোন?
  1. থাইরক্সিন
  2. গ্লুকাগন
  3. ইনসুলিন
  4. ইস্ট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
গ্লুকাগন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লুকাগন
ব্যাখ্যা
• গ্লাইকোজেনোলাইসিস- 
- গ্লাইকোজেনোলাইসিস হলো যকৃত (liver) ও পেশি (muscle) কোষে জমাকৃত গ্লাইকোজেনকে গ্লুকোজে রূপান্তরের প্রক্রিয়া, যা শরীরের শর্করার চাহিদা পূরণের জন্য ঘটে।

• রক্তে যদি শর্করার পরিমাণ কমে যায় তাহলে অগ্ন্যাশয় থেকে গ্লুকাগন হরমোন নিঃসৃত হয় ।
- এর ফলে গ্লাইকোজেনোলাইসিস এর মাধ্যমে শর্করা তৈরি হয় । ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক হয়।

• অগ্ন্যাশয় এর আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে ইনসুলিনের পাশাপাশি গ্লুকাগন হরমোনও নিঃসৃত হয়। ইনসুলিন রক্তে শর্করা কমাতে কাজ করে। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
৩৩.
কোষের শক্তিকেন্দ্র বলা হয় কাকে?
  1. নিউক্লিয়াস
  2. মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. গলগি বডি
  4. রাইবোজোম
সঠিক উত্তর:
মাইটোকন্ড্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইটোকন্ড্রিয়া
ব্যাখ্যা
• মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitochondria)-
-
দ্বিস্তরবিশিষ্ট আবরণী ঝিল্লি দ্বারা সীমিত সাইটোপ্লাজমস্থ যে অঙ্গাণুতে ক্রেবস্ চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি ঘটে থাকে এবং শক্তি উৎপন্ন হয় সেই অঙ্গাণুকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে।

• প্রকৃত জীবকোষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু হলো মাইটোকন্ড্রিয়া।
• কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ করে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের 'পাওয়ার হাউস' বা শক্তিঘর বলা হয়।
•  এ অঙ্গাণুতে ক্রেবস্ চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট প্রক্রিয়া প্রভৃতি ঘটে থাকে। এ প্রক্রিয়াগুলোর মাধ্যমে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয় যা কোষের শারীরবৃত্তীয় কাজে ব্যায় হয়। 
- এখানে গ্লাইকোলাইসিস ঘটে না। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৩৪.
কোনটি জীব-অজীব উপাদানের আন্তঃসম্পর্ক নির্ণয় করে?
  1. অঙ্গতন্ত্র
  2. জিনবিন্যাস
  3. বাস্তুতন্ত্র
  4. শ্রেণিবিন্যাস
সঠিক উত্তর:
বাস্তুতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তুতন্ত্র
ব্যাখ্যা
• বাস্তুতন্ত্র-
- বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem) হলো একটি নির্দিষ্ট এলাকার জীব ও অজীব উপাদানসমূহের পারস্পরিক সম্পর্ক ও নির্ভরশীলতার একটি পূর্ণাঙ্গ গঠন।
- এখানে উদ্ভিদ, প্রাণী, মাটি, পানি, আলো, তাপমাত্রা ইত্যাদি উপাদান পরস্পরের সঙ্গে জড়িত এবং একে অপরের উপর নির্ভরশীল।
বাস্তুতন্ত্র জীব ও অজীব উপাদানগুলোর মধ্যে শক্তি প্রবাহ ও পুষ্টি চক্র সম্পর্ককে বোঝায়। 

অন্যদিকে,
• শ্রেণিবিন্যাস হলো জীবের নামকরণ ও শ্রেণীভুক্তি বিষয়ক। 
• জিনবিন্যাস হলো জীবের জিনের বিন্যাস বা গঠন।
• অঙ্গতন্ত্র হলো শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যকর সমন্বিত গঠন। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
৩৫.
মানবদেহের পেশিটিস্যুতে পানির পরিমাণ কত?
  1. ৩০%
  2. ৫০%
  3. ৭৫%
  4. ৯০%
সঠিক উত্তর:
৭৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫%
ব্যাখ্যা
• পেশিটিস্যু- 
- যে টিস্যু সঙ্কোচন-প্রসারণের মাধ্যমে প্রাণিদেহের বিভিন্ন অঙ্গের সঞ্চালন ঘটায় তাকে পেশিটিস্যু বলে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে পেশিটিস্যু উৎপন্ন হয়।
- পেশিটিস্যুর একককে পেশিকোষ বা পেশিতন্ত্র বলা হয়।

• মানবদেহের পেশিটিস্যুতে (Muscle tissue) প্রায় ৭৫% পানি থাকে।
- এই পানি কোষের অভ্যন্তরে এবং কোষের চারপাশে ছড়িয়ে থাকে, যা পেশির কার্যক্ষমতা বজায় রাখা, নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

• শরীরের বিভিন্ন টিস্যুর পানির পরিমাণ ভিন্ন হয়ে থাকে।
• পেশি টিস্যুতে পানির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
৩৬.
শ্বসন প্রক্রিয়া কখন সক্রিয় থাকে?
  1. সকাল ১০-১১ টায়
  2. গভীর রাতে
  3. বিকালে
  4. দিবা-রাত্রি সবসময়ই
সঠিক উত্তর:
দিবা-রাত্রি সবসময়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিবা-রাত্রি সবসময়ই
ব্যাখ্যা
• শ্বসন-
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবকোষস্থ জটিল জৈবযৌগ (খাদ্যবস্তু) জারিত হয়, ফলে জৈবযৌগে সঞ্চিত স্থিতিশক্তি রূপান্তরিত হয়ে গতিশক্তি বা রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে শ্বসন বলে। 

শ্বসনে যে প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন হয় তা নিম্নরূপ-
C6H12O6 + 6O2 + 6H2O +36ADP +36Pi   →     6CO2 + 12H2O+ 36ATP
যা বিভিন্ন এনজাইম ও কো-এনজাইম এর উপস্থিতিতে ঘটে থাকে। 

• শ্বসন অঙ্গ: 
- কোষীয় সাইটোপ্লাজম ও মাইটোকন্ড্রিয়াই শ্বসন ক্রিয়ার প্রধান অঙ্গ। 

সময়:
- যেহেতু শ্বসনের জন্য সূর্যালোকের প্রয়োজন হয় না তাই উদ্ভিদের প্রতিটি জীবন্ত কোষেই দিন-রাত্রি ২৪ ঘণ্টা শ্বসনকার্য চলতে থাকে।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৩৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের স্থানীয় উদ্ভিদ প্রজাতি?
  1. রেইনট্রি
  2. শাল
  3. ইউক্যালিপটাস
  4. আকাশমনি
সঠিক উত্তর:
শাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাল
ব্যাখ্যা
শাল ( Shorea robusta ) বাংলাদেশের একটি স্থানীয় ও প্রাকৃতিক বনজ বৃক্ষ। 
- এটি বিশেষত বরেন্দ্র , মধুপুর ও ভাওয়াল , গাজীপুরের বন এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়।
 - শাল গাছ কাঠের জন্য বিখ্যাত এবং এটি একটি বহুবর্ষজীবী, শক্ত কাঠের বৃক্ষ। 

অন্যদিকে, 
রেইনট্রি: মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আমদানি করা বিদেশি প্রজাতি।
ইউক্যালিপটাস: অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা দ্রুতবর্ধনশীল গাছ।
আকাশমনি: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থেকে আগত, বাংলাদেশে চাষযোগ্য বিদেশি প্রজাতি।

তথ্যসূত্র:
- বন গবেষণা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম। 
- "Flora of Bangladesh" – Bangladesh National Herbarium.
৩৮.
হরমোন নিঃসরণ করা পিটুইটারি গ্রন্থিকে কী বলা হয়?
  1. রক্ত কেন্দ্র
  2. প্রভু গ্রন্থি
  3. শ্রবণ কেন্দ্র
  4. স্নায়ু কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
প্রভু গ্রন্থি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রভু গ্রন্থি
ব্যাখ্যা
• অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হরমোন নামক জৈবরাসায়নিক পদার্থ উৎপন্ন করে। এটি নালিবিহীন গ্রন্থি হওয়ায় হরমোন সরাসরি রক্ত বা লসিকা প্রবাহে ক্ষরিত হয়।
- এসব গ্রন্থি রক্তবাহিকা-সমৃদ্ধ জালিকায় পরিবৃত থাকে।

• পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary Gland): 

- পিটুইটারি গ্রন্থিকে হরমোন সৃষ্টিকারী প্রধান গ্রন্থি বা নিয়ন্ত্রক গ্রন্থি বা প্রভু গ্রন্থি (Principal / Master gland) বলে।
- কারণ একদিকে, পিটুইটারি গ্রন্থি নিঃসৃত হরমোনের সংখ্যা যেমন বেশি, অন্যদিকে বিভিন্ন গ্রন্থির উপর এসব হরমোনের প্রভাবও বেশি।
- এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী গ্রন্থি।

• অবস্থান ও আকৃতি:
- এ গ্রন্থি চোখের পিছনে মস্তিষ্কের নিম্নভাগে একটি ক্ষুদ্র বৃন্তের (ইডনফান্ডিবুলাম) সাহায্যে যুক্ত থাকে।
- পিটুইটারি গ্রন্থি প্রায় ১ সে.মি. ব্যাস সম্পন্ন. বর্ণ লালচে ধূসর, দেখতে মটর দানার মতো, ০.৫ গ্রাম ওজনবিশিষ্ট একটি গ্রন্থি।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
৩৯.
হরমোন প্রয়োগে বীজহীন ফল উৎপাদন প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. মাইক্রোপ্রোপাইগেশন
  2. পার্থেনোকার্পি
  3. গর্ভাধান
  4. সিনগ্যামি
সঠিক উত্তর:
পার্থেনোকার্পি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্থেনোকার্পি
ব্যাখ্যা
পার্থেনোজেনেসিস (Parthenogenesis) বা অপুংজনি:
- উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদে সাধারণত ডিম্বাণুর সাথে শুক্রাণুর মিলন তথা নিষেকের ফলে ভ্রূণ সৃষ্টি হয়ে থাকে। কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডিম্বাণু নিষিক্ত না হয়ে সরাসরি ভ্রূণ সৃষ্টি করে থকে।
- যে প্রজনন প্রক্রিয়ায় ডিম্বাণুটি নিষেক ছাড়াই ভ্রূণ সৃষ্টি করে এবং ডিম্বক স্বাভাবিক বীজে পরিণত হয় তাকে পার্থেনোজেনেসিস বা অপুংজনি বলে।

• পার্থেনোকার্পি: 
হরমোন প্রয়োগে বীজহীন ফল উৎপাদন প্রক্রিয়াকে পার্থেনোকার্পি (parthenocarny) বলে।
 উদাহরণ- লেবু, কমলালেবু প্রভৃতি।

অন্যদিকে, 
• অতি ক্ষুদ্র একটু টিস্যু থেকে অসংখ্য চারা সৃষ্টি করার পদ্ধতি কে বলা হয় মাইক্রোপ্রোপাগেইশন।

• পরাগনালিকা হতে ভ্রূণথলিতে  নিক্ষিপ্ত দুটি পুংগ্যামিটের মধ্যে একটি ডিম্বাণুর সাথে মিলিত ও একীভূত হয়ে যায় অর্থাৎ নিষেকক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এ প্রকার মিলনকে সিনগ্যামি (syngamy) বলে। 

• অপেক্ষাকৃত বড় ও নিশ্চল স্ত্রীগ্যামিটের (ডিম্বাণুর) সাথে ছোট ও সচল পুংগ্যামিটের শুক্রাণুর) যৌন মিলনকে ফার্টিলাইজেশন (fertilization) তথা নিষেকক্রিয়া, নিষেক বা গর্ভাধান বলে।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৪০.
টিস্যু সম্পর্কিত আলোচনাকে কী বলা হয়?
  1. এন্ডোক্রাইনোলজি
  2. হিস্টোলজি
  3. সাইটোলজি
  4. ট্যাক্সোনমি
সঠিক উত্তর:
হিস্টোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিস্টোলজি
ব্যাখ্যা
• ভৌত জীববিজ্ঞান শাখায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে হিস্টোলজি অন্যতম। 

• হিস্টোলজি (Histology) হলো জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে কোষের সমন্বয়ে গঠিত টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলী নিয়ে আলোচনা ও বিশ্লেষণ করা হয়। 

অন্যদিকে,
• এন্ডোক্রাইনোলজি: এ শাখায় হরমোন এবং অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
•  সাইটোলজি: এ শাখায় কোষ (Cell) সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়।
•  ট্যাক্সোনমি: এ শখায় জীবদের শ্রেণিবিন্যাস ও নামকরণ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।