পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
[For iPad Mania] --------------------------- বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য [শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, বাংলাদেশ ব্যাংক বা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট পড়তে হবে)] উৎস: NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই, সর্বশেষ প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, আমদানি রপ্তানি রিপোর্ট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
বর্তমানে বাংলাদেশ কয়টি দেশে মাছ রপ্তানি করে?
  1. ক) ৪৯টি
  2. খ) ৫০টি
  3. গ) ৫১টি
  4. ঘ) ৫২টি
ব্যাখ্যা
বিশ্বের মাছ রপ্তানী:
- পৃথিবীর ৫২টি দেশে বাংলাদেশের মাছ রপ্তানি হয়।
- সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৪৭.৫৯ মেট্রিক লাখ টন মাছ উৎপাদিত হয়।
- মৎস্য খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।
- ‘নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ, গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে এবার ২৪-৩০ জুলাই জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালন করা হয়।
- দেশে ৪৭ দশমিক ৫৯ লাখ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ৪৩,১১৭.৪৯ মেট্রিক টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে ৩,২২৬.০৩ কোটি টাকা।
- ২০৪১ সালে এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৫ লাখ মেট্রিক টন।

উৎস: ২৪ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে -
  1. ক) হিমায়িত খাদ্য
  2. খ) চিংড়ি
  3. গ) পাট ও পাটজাত পণ্য
  4. ঘ) কৃষিজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%। 
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

উল্লেখ্য,
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’- এর অবদান/রপ্তানির হার: ২.৮৯%।
- ‘শিল্পজাত পণ্য’- এর অবদান/রপ্তানির হার: ৯৭.১১%। 
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: ‘কৃষিজাত পণ্য’ (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: ‘হিমায়িত খাদ্য’ (০.৮৬%)। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
বাংলাদেশে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ -
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রপ্তানি বাণিজ্যের দেশ:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে। 

• দেশ ভিত্তিক রপ্তানি আয়:
- যুক্তরাষ্ট্র: ৬,৪৩৯.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৭.৩৭%)।
- জার্মানি: ৪,৯০৬.১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৩.২৩%)।
- যুক্তরাজ্য: ৩,৫৪৭.৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৯.৫৭%)।
- ফ্রান্স: ২,১০৭.৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৫.৬৮%)। 
- নেদারল্যান্ডস: ১,৪২১.৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৮৩%)। 
- ইতালি: ১,৬২৭.৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪.৩৯%)।
- জাপান: ১২৮৫.৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৪৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি ইপিজেড এর সংখ্যা -
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড: কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম। 
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়?
  1. ক) চীন
  2. খ) ভারত
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় চীন থেকে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় ভারত থেকে।
- পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানির ক্ষেত্রে ২৭.২৮ ভাগ চীন থেকে আমদানি করা হয়েছে।

আমদানি রিপোর্ট:
- চীন: ১৪,৩৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার  (২৭.২৮%)।
- ভারত: ৬,৫৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১২.৪৮%)।
- জাপান: ১,৮৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৫২%)।
- যুক্তরাষ্ট্র: ১,৭৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৩৩%)।
- সিঙ্গাপুর: ১,৬২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.০৮%)।
- মালয়েশিয়া: ১,৬৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.২১%)।
- দক্ষিণ কোরিয়া: ১,০৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
বাংলাদেশে কয়টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা রয়েছে?
  1. ক) ৩৫টি
  2. খ) ৪৭টি
  3. গ) ৪৮টি
  4. ঘ) ৬১টি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা/রাষ্ট্রায়াত্ত সংস্থা:
- জাতীয় উৎপাদনশীলতা, মূল্য সংযোজন, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের অবদান উল্লেখযোগ্য।
- রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থার অ-আর্থিক (Non-financial) শ্রেণীভুক্ত মোট ৪৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা রয়েছে।
- বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্লাসিফিকেশন (BSIC) অনুযায়ী ৭টি সেক্টরে বিভক্ত করে। 
- রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সংস্থাসমূহ বিভিন্ন সেবা বিশেষ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গ্যাস ও পরিবহন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সেক্টরগুলো হলো:
• শিল্প: ৬টি।
• বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি: ৬টি।
• পরিবহন ও যোগাযোগ: ৭টি।
• বাণিজ্য: ৩টি।
• কৃষি ও মৎস্য: ২টি।
• নির্মাণ: ৬টি।
• সার্ভিস (সেবামূলক): ১৮টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
বাংলাদেশে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা -
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৩৫টি
  4. ঘ) ৪৩টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- দেশের মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত)।
এর মধ্যে –
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৩৬টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
বর্তমানে BCIC- এর অধীনে কয়টি শিল্প কারখানা চালু আছে?
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- BCIC- এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Chemical Industries Corporation.
- বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) দীর্ঘদিন থেকে সফলতার সাথে ইউরিয়া সার উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে সারের চাহিদা পূরণ করে আসছে।
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।
- চালু কারখানাগুলোর মধ্যে -
• ৪টি ইউরিয়া সার কারখানা,
• ১টি ডিএপি সার কারখানা,
• ১টি টিএসপি সার কারখানা,
• ১টি কাগজ কারখানা,
• ১টি সিমেন্ট কারখানা,
• ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও
• ১টি স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা রয়েছে।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পণ্যের ৮০% বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার এবং ১০% অন্যান্য সার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের পরিমাণ -
  1. ক) ৫১.১৫ বিলিয়ন ডলার
  2. খ) ৫২.০৫ বিলিয়ন ডলার
  3. গ) ৫৩.৪৫ বিলিয়ন ডলার
  4. ঘ) ৫৫.৫৫ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২২–২৩ অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছে ৫৫.৫৫ বিলিয়ন ডলার।
- এই রপ্তানি তার আগের অর্থবছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি।
- গত ২০২১-২২ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৩৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
- ২০২১-২২ অর্থবছরের রপ্তানি আয় ছিল ৫২.০৮ বিলিয়ন ডলার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুনে রপ্তানি আয় ২.৫১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫.০৩ বিলিয়ন ডলারে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে,
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি, রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ৩৭,০৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩৭ বিলিয়ন ডলার (প্রায়)।

উৎস: জুলাই ৩, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১০.
শিল্পজাত পণ্যসমূহের মধ্যে কোন পণ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আমদানি ব্যয় হয়?
  1. ক) সুতা
  2. খ) পেট্রোলিয়ামজাত
  3. গ) ভোজ্য তেল
  4. ঘ) সার
ব্যাখ্যা
আমদানি ব্যয়:
- ২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫৮,৭৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১০.৩ শতাংশ কম।
- মোট শিল্পজাত পণ্যসমূহের আমদানি ব্যয় ১৩,৬৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- বাংলাদেশে প্রধান শিল্পজাত আমদানিকৃত পণ্যসমূহ: 
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,৭৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সুতা: ১,৮৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সার: ৪,১৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ২,০৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ১,০০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৭৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১১.
BCIC-এর অধীনে একমাত্র কাগজ কারখানা কোনটি?
  1. ক) চন্দ্রঘোনা কাগজ কল
  2. খ) কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ
  3. গ) এশিয়া কাগজ কল
  4. ঘ) উত্তরবঙ্গ কাগজ কল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।
- চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১২.
বর্তমানে দেশে পরিবেশবান্ধব সনদপ্রাপ্ত শিল্পকারখানার সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১৮০টি
  2. খ) ১৮২টি
  3. গ) ১৮৭টি
  4. ঘ) ১৯২টি
ব্যাখ্যা
গার্মেন্টেস শিল্প:
- ২০১২ সালে পাবনার ঈশ্বরদী ইপিজেডে স্থাপনের মাধ্যমে প্রথম পরিবেশবান্ধব কারখানার যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশে।
- বর্তমানে বিশ্বে অন্য যে কোনো দেশের চেয়ে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি পরিবেশবান্ধব পোশাক ও বস্ত্রকল রয়েছে।
- তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের পাশাপাশি শিপইয়ার্ড, জুতা ও ইলেকট্রনিক পণ্য খাতেও আছে পরিবেশবান্ধব কারখানা।
- বাণিজ্যিক ভবনও হচ্ছে পরিবেশবান্ধব।
- বিজিএমইএ জানিয়েছে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে এখন লিড সনদ পাওয়া কারখানার সংখ্যা ১৯২টি।
- এর মধ্যে ৬৮টি কারখানাই লিড প্লাটিনাম সনদভুক্ত।
- বর্তমানের বিশ্বের শীর্ষ ১০ কারখানার ৮টিই বাংলাদেশে।
- আর শীর্ষ ১০০ পরিবেশবান্ধব কারখানার ৫৩টিই বাংলাদেশে অবস্থিত।

উৎস: ৭ মার্চ, ২০২৩, সময় নিউজ।
১৩.
বাংলাদেশের বৃহত্তম তফসিলি ব্যাংক কোনটি?
  1. ক) গ্রামীন ব্যাংক
  2. খ) যমুনা ব্যাংক
  3. গ) সোনালী ব্যাংক
  4. ঘ) ডাচ-বাংলা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশের ব্যাংকসমূহকে মূলত দুই শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে.
- সেগুলো হলো:
i) তালিকাভুক্ত বা তফসিলি ও
ii) অ-তালিকাভুক্ত বা অ-তফসিলি ব্যাংক। 
- দেশের মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত)।
এর মধ্যে –
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি ও
• ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৩৬টি।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম তফসিলি ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- 'বাংলাদেশ ব্যাংক (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২' অনুসারে ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
         ii) বাংলাদেশ ব্যাংক।
১৪.
চট্টগ্রাম ইপিজেড কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৮১ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড: কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
- চট্টগ্রাম ইপিজেড (১৯৮৩),
- ঢাকা ইপিজেড (১৯৯৩),
- মংলা ইপিজেড (১৯৯৮),
- ঈশ্বরদী ইপিজেড (১৯৯৮),
- কুমিল্লা ইপিজেড (২০০০),
- উত্তরা ইপিজেড (২০০১),
- আদমজী ইপিজেড (২০০৬),
- কর্ণফুলী ইপিজেড (২০০৬)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫.
বর্তমানে বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা -
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এগুলা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।

উৎস: i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
         ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।