পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১ পরমাণুর গঠন (মৌলিক কণিকা, পরমাণুর গঠন, পর্যায় সারণি, ইলেক্ট্রন বিন্যাস, পারমাণবিক সংখ্যা, ভর সংখ্যা, আইসোটোপ) [ক্লাস ১]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
সবচেয়ে ছোট অণু কোনটি?
  1. ক) CO2
  2. খ) H2O
  3. গ) H2
  4. ঘ) O2
ব্যাখ্যা
অণু:
মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা ঐ পদার্থের ধর্মাবলী অক্ষুন্ন রেখে স্বাধীনভাবে অবস্থান করতে পারে তাকে অণু বলে। দুই বা ততোধিক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধন-এর মাধ্যমে যুক্ত হয়ে অণু গঠন করে।
যেমন- দুটি অক্সিজেন পরমাণু (O) পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিজেন অণু (O2) গঠন করে।
আবার, একটি কার্বন পরমাণু (C) দুটি অক্সিজেন পরমাণুর (O) সাথে যুক্ত হয়ে একটি কার্বন ডাই-অক্সাইড অণু (CO2) গঠন করে।

অণুর বৈশিষ্ট্য: 
- স্বাধীন অস্তিত্ব আছে।
- বস্তুর বৈশিষ্ট্য বজায় রাখে।
- সব চেয়ে ছোট অণু হাইড্রোজেন অণু। 
- খালি চোখে দেখা যায় না।
- কোন চার্জ নাই।

সূত্র: বিজ্ঞান, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণি।
.
"সব পদার্থই অবিচ্ছিন্ন এবং অন্তহীনভাবে তাদের বিভক্তি সম্ভব" - উক্তিটি প্রদান করেন কে?
  1. ক) ডেমোক্রিটাস
  2. খ) ল্যাভয়সিয়ে
  3. গ) জন ডাল্টন
  4. ঘ) অ্যারিষ্টটল
ব্যাখ্যা
- খ্যাতনামা গ্রীক দার্শনিক অ্যারিষ্টটলের ধারণা ছিলো সব পদার্থই অবিচ্ছিন্ন এবং অন্তহীনভাবে তাদের বিভক্তি সম্ভব।

- খ্রীষ্টপূর্ব ৫০০ সনে গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস সর্ব প্রথম অভিমত প্রকাশ করেন যে প্রতিটি বস্তুই অতি ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন পদার্থ কণিকার সাহায্যে গঠিত। তিনি এই ক্ষুদ্র কণিকার নাম দিয়েছিলেন ‘অ্যাটম' ।
- গ্রীক শব্দ ‘অ্যাটমের’ অর্থ হচ্ছে অবিভাজ্য। ডেমোক্রিটাসের ধারণা অনুযায়ী বিশ্বের যাবতীয় বস্তু অ্যাটম নামক খুবই ক্ষুদ্র কণিকার সমন্বয়ে গঠিত এবং এই অ্যাটমকে আর কোনক্রমেই ভাগ করা সম্ভব নয়।
- ডেমোক্রিটাসের মতবাদ বেশ গুরুত্বপূর্ণ হওয়া স্বত্ত্বেও অ্যারিস্টটলের মতবাদ বিরোধী হওয়ায় সে সময় খুব সাড়া জাগাতে পারেনি।
- ডেমোক্রিটাসের মতবাদ দু'হাজার বছরের অধিককাল উপেক্ষিত ছিলো। ঊনবিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে ডাল্টনের পরমাণুবাদের মাধ্যমে ধারণাটি আবার পুনর্জীবন লাভ করে।

উৎস: রসায়ন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
'অ্যাটম' শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) অবিভাজ্য
  2. খ) খন্ডিত
  3. গ) বিভক্ত
  4. ঘ) বিস্ফোরক
ব্যাখ্যা
- খ্রীষ্টপূর্ব ৫০০ সনে গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস সর্ব প্রথম অভিমত প্রকাশ করেন যে প্রতিটি বস্তুই অতি ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন পদার্থ কণিকার সাহায্যে গঠিত। তিনি এই ক্ষুদ্র কণিকার নাম দিয়েছিলেন ‘অ্যাটম' । 
- গ্রীক শব্দ ‘অ্যাটমের’ অর্থ হচ্ছে অবিভাজ্য। ডেমোক্রিটাসের ধারণা অনুযায়ী বিশ্বের যাবতীয় বস্তু অ্যাটম নামক খুবই ক্ষুদ্র কণিকার সমন্বয়ে গঠিত এবং এই অ্যাটমকে আর কোনক্রমেই ভাগ করা সম্ভব নয়।

উৎস: রসায়ন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
যে পদার্থের রাসায়নিক বিশ্লেষণ করলে দুই বা ততোধিক মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে কী বলে?
  1. ক) বহুমৌলিক পদার্থ
  2. খ) যৌগিক পদার্থ
  3. গ) মৌলিক পদার্থ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মৌলিক পদার্থ:
- যে পদার্থকে বিশ্লেষণ করলে ওই পদার্থ ছাড়া ভিন্ন ধর্ম বিশিষ্ট অন্য কোন নতুন পদার্থ পাওয়ার যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে।
- মৌলিক পদার্থের উদাহরণ : হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হিলিয়াম, নিয়ন, কার্বন, তামা, দস্তা, পারদ, সোনা, রূপা প্রভৃতি মৌলিক পদার্থ।

• যৌগিক পদার্থ:
- দুই বা তার বেশি সংখ্যক মৌলিক পদার্থ নির্দিষ্ট ওজনের অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয়ে ভিন্ন ধর্মী পদার্থ গঠন করে। অথবা, যে পদার্থের রাসায়নিক বিশ্লেষণ করলে দুই বা তার বেশি মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে যৌগিক পদার্থ বলে।
- যৌগিক পদার্থের উদাহরণ : পানি, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, খাদ্য লবন, এসিড, ক্ষার প্রভৃতি হল যৌগিক পদার্থ।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।   
.
প্রোটনের প্রকৃত চার্জ কত?
  1. ক) 1.602 × 10- 19
  2. খ) - 1.602 × 10- 19
  3. গ) 1.672 × 10- 27
  4. ঘ) 9.11 × 10- 21
ব্যাখ্যা
স্থায়ী মূল কণিকা:
ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা হাইড্রোজেন পরামাণু ছাড়া সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূলকণিকা বলা হয়।


উৎস: রসায়ন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি কম্পোজিট কণিকা?
  1. ক) অ্যান্টি নিউট্রিনো
  2. খ) আলফা কণিকা
  3. গ) ইলেকট্রন
  4. ঘ) মেসন
ব্যাখ্যা
পরমাণূর মূল কণিকা তিন ধরনের, যথা স্থায়ী মূল কণিকা, অস্থায়ী মূল কণিকা এবং কম্পোজিট কণিকা।

১.স্থায়ী মূল কণিকা:
ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা হাইড্রোজেন পরামাণু ছাড়া সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূলকণিকা বলা হয়। (হাইড্রোজেন-১ পরমাণুতে শুধু ১.০টি ইলেকট্রন ও ১.০টি প্রোটন আছে) এতে কোন নিউট্রন নেই।

২.অস্থায়ী মূল কণিকা:
কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা।।

৩.কম্পোজিট কণিকা:
স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ।

উৎস: রসায়ন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পরমাণুর M কক্ষপথে সর্বোচ্চ কয়টি ইলেকট্রন থাকে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ১৮টি
  4. ঘ) ৩২টি
ব্যাখ্যা
পরমাণুর ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ কক্ষপথ গুলোকে যথাক্রমে K, L, M, N কক্ষপথ বলে।
পরমাণুর যে কোন কক্ষপথে 2n2 সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে।
এখানে, n = কক্ষপথের সংখ্যা।

তাহলে, M তথা ৩য় কক্ষপথে থাকবে = ২ × ৩ = ২ × ৯ = ১৮টি ইলেকট্রন।

উৎস:  অষ্টম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান।
.
পর্যায় সারণিতে কয়টি পর্যায় বিদ্যমান?
  1. ক) ১৮টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
- ১৯১৪ সালে বিজ্ঞানী বোর মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিস্তৃত আকারে একটি পর্যায় সারণি তৈরি করেন। এটি দীর্ঘ পর্যায় সারণি বা বোরের সারণি নামেও পরিচিত।
- বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়।
- মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি।
- এ সারণিতে মৌলগুলোকে পর্যায় ও গ্রুপ বরাবর ভাগ করা হয়েছে। 
- সমগ্র পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা হয়েছে। 
- প্রতিটি পর্যায়ের বাম দিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮ তে গিয়ে শেষ হয়েছে।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Si এর পারমাণবিক সংখ্যা 14, এর ইলেকট্রন সংখ্যা কত?
  1. ক) 10
  2. খ) 13
  3. গ) 14
  4. ঘ) 15
ব্যাখ্যা
• কোন মৌলের প্রোটন সংখ্যাই ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা।
• আবার কোনো মৌলে প্রোটন সংখ্যার সমান সংখ্যক ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে অবস্থান করে।
- তাই মৌলের প্রোটন সংখ্যা তথা পারমাণবিক সংখ্যা হবে ইলেট্রন সংখ্যার সমান।

Si এর পারমাণবিক সংখ্যা 14, তাই এর ইলেকট্রন সংখ্যাও 14.

উৎস: বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি। 
১০.
কে পরমাণুর নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন?
  1. ক) থমসন
  2. খ) রাদারফোর্ড
  3. গ) চ্যাডউইক
  4. ঘ) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
ব্যাখ্যা
- পরমাণু আবিষ্কার করেন ডেমোক্রিটাস
- পরমাণুর প্রোটন, নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন লর্ড রাদারফোর্ড।
- পরমাণুর ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন জে. জে. থমস।।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসে বিদ্যমান নিউট্রন আবিষ্কার করেন চ্যাডউইক।

-১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাংক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন, এই তত্ত্ব ব্যবহার করে পরবর্তীতে পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছিলো।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিচের কোনটি হ্যালোজেন গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) Cl
  2. খ) Br
  3. গ) F
  4. ঘ) Xe
ব্যাখ্যা
হ্যালোজেন মৌল: 
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিল। যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি।
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলে। 
- এই হ্যালোজেন গ্রুপের 6 টি মৌল হচ্ছে: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)।
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- হ্যালোজেন মানে লবন উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ।
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়। যেমন: F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (NaCl) বা খাদ্য লবণ গঠিত হয়।
- হ্যালোজেন মৌলগুলো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বি-মৌল অণু গঠন করে। যেমন: Cl₂, I₂ ইত্যাদি।

নিষ্ক্রিয় মৌল:
- গ্রুপ ১৮ তে নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহ অবস্থান করে।
- হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপটন (Kr), জেনন (Xe) ও রেডন (Rn) এ ছয়টি মৌল পর্যায় সারণিতে 18তম গ্রুপের মৌল।
- সাধারণত এরা যৌগ গঠন করে না বলে এরা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নোবেল গ্যাস হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। 
- এ মৌলগুলো প্রকৃতিতে খুবই কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
- মৌলগুলোর নিষ্ক্রিয়তার কারণ পরে আবিষ্কৃত হয়।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস আবিষ্কারের জন্য লর্ড রেলি (Lord Rayleigh) ও স্যার উইলিয়াম রামসে (Sir William Ramsay) কে ১৯০৪ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি; রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
নিচের কোন মৌলটির আকৃতি সবচেয়ে বড়?
  1. ক) Na
  2. খ) Si
  3. গ) Mg
  4. ঘ) Al
ব্যাখ্যা
• কোনো পর্যায়ে যত বাম দিক থেকে ডান দিকে যাওয়া যায়, পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে শক্তিস্তর সংখ্যা একই থাকে কিন্তু ইলেকট্রন সংখ্যা বাড়তে থাকে। - এর ফলে নিউক্লিয়াসের অধিক প্রোটন সংখ্যা এবং নিউক্লিয়াসের বাইরের অধিক ইলেকট্রন সংখ্যার মধ্যে আকর্ষণ বেশি হয়। ফলে ইলেকট্রনগুলোর শক্তিস্তর নিউক্লিয়াসের কাছে চলে আসে। ফলে পরমাণুর আকার ছোট হয়ে যায়। 
তাহলে,
Na > Mg > Al > Si কারণ তারা সবাই পর্যায় সারণিতে ৩নং পর্যায়ে আছে এবং Na সবচেয়ে বামে আছে।

• কোন গ্রুপের  উপর থেকে যত নিচে নামা হয় পারমাণবিক সংখ্যা ততই বাড়তে থাকে। এর ফলে শক্তিস্তরের সংখ্যা বাড়তে থাকে। 
- একই সাথে পরমাণুর আকারও বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ এই গ্রুপের উপর থেকে নিচে যেতে থাকলে বাইরের দিকে একটি নতুন করে শক্তিস্তর যুক্ত হতে থাকবে এবং এর ফলে পরমাণুর আকারও বাড়তে থাকে।
১৩.
নিচের কোন মৌলটি যৌগ গঠন করে না?
  1. ক) H
  2. খ) N
  3. গ) Fe
  4. ঘ) Kr
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাস: 
- হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপটন (Kr), জেনন (Xe) ও রেডন (Rn) এ ছয়টি মৌল পর্যায় সারণিতে 18তম গ্রুপের মৌল।
- সাধারণত এরা যৌগ গঠন করে না বলে এরা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নোবেল গ্যাস হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। 
- এ মৌলগুলো প্রকৃতিতে খুবই কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
- মৌলগুলোর নিষ্ক্রিয়তার কারণ পরে আবিষ্কৃত হয়।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস আবিষ্কারের জন্য লর্ড রেলি (Lord Rayleigh) ও স্যার উইলিয়াম রামসে (Sir William Ramsay) কে ১৯০৪ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।