পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
বিষয় - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিক - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ১) বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। ২) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ সম্পর্কিত অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। ----------------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত?
  1. ৭২সেন্টিমিটার
  2. ৭৬সেন্টিমিটার
  3. ৭৩সেন্টিমিটার
  4. ৭৪সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
৭৬সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলীয় চাপ:
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হল নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপরে থাকা সম্পূর্ণ বায়ুর স্তম্ভ দ্বারা প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর প্রয়োগ করা বল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপের জন্য পারদ বারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
- এটি পারদের একটি স্তম্ভের উচ্চতা দেখায়, যা নির্দিষ্ট অঞ্চলের বায়ুস্তম্ভের ওজনের সমান ভারসাম্য বজায় রাখে।
- এছাড়াও অ্যানেরয়েড ব্যারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
- এতে একটি ফাঁপা ধাতব চাকতি থাকে, যা বায়ুর চাপের পরিবর্তনের সাথে সংকুচিত বা প্রসারিত হয় এবং একটি কলম ও ঘড়ি-চালিত ড্রামের সাহায্যে রেকর্ড করা হয়।
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ:
- ৭৬০ মি.মি. বা ৭৬ সে.মি. (২৯.৯২ ইঞ্চি) পারদ

উৎস: Britannica.

.
নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে কখন পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়?
  1. শীতকালের শুরুতে
  2. গ্রীষ্মকালের শুরুতে
  3. বর্ষাকোলের শুরুতে
  4. শরৎকালের শুরুতে
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকালের শুরুতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকালের শুরুতে
ব্যাখ্যা

- নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

পরিচলন বৃষ্টিপাত (Conventional Rainfall):

- ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায় ।
- এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে নিচে নেমে আসে।এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টিপাত।
- পরিচলন বৃষ্টিতে বায়ুর তাপ হ্রাস পেয়ে যখন অতিরিক্ত জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয় তখন এ ধরনের বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এসব এলাকার ঊর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।
- নিরক্ষীয় এলাকায় স্থলভাগের থেকে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে লম্বভাবে সূর্যকিরণ পতিত হয়।
- এই অঞ্চলে হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে। হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু যখন শীতল বায়ুর সংস্পর্শে আসে তখন পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারা বছরই বিকেলে ও সন্ধ্যায় এ ধরনের বৃষ্টি হয়।
- নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম প্রত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস কোনটি?
  1. ফেব্রুয়ারি  
  2. এপ্রিল 
  3. জানুযারি
  4. নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
জানুযারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জানুযারি
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ গোলার্ধ:
- দক্ষিণ গোলার্ধ হল পৃথিবীর দক্ষিণ অংশ।
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন ও দীর্ঘতম রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।

অন্যদিকে,
- উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জুলাই।
- উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস জানুয়ারি।

উৎস: Britannica ও World atlas.

.
বাংলাদেশের কৃষি কোন প্রকার? 
  1. ধান-প্রধান বাণিজ্যিক
  2. স্বয়ংভোগী মিশ্র
  3. ধান প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
  4. শস্য চাষ ও পশুপালন ভিত্তিক
সঠিক উত্তর:
ধান প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থা ধান প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী প্রকারের।
• স্বয়ং ভোগী কৃষি ব্যবস্থা:
- শুধুমাত্র মানুষ নিজ নিজ প্রয়োজন মেটানোর জন্য যে যে ব্যববস্থা করে থাকে তাকেই স্বয়ং ভোগী চাষ ব্যবস্থা বলে।
• ধান প্রধান নিবিড় কৃষি ব্যবস্থা:
- আর্দ্র মৌসুমী ভাবাপন্ন ঘনবসতিপূর্ণ এশিয়ার ভারত, বাংলাদেশ, ময়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, চীন, জাপান,  উত্তর ও দক্ষিন কোরিয়া প্রভৃতি দেশে নিবিড় কৃষি ব্যবস্থা চালু আছে।

উৎস: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
চা চাষের জন্য কত সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন?
  1. ১৬ থেকে ১৭ সেলসিয়াস 
  2. ১৫থেকে ১৬ সেলসিয়াস 
  3. ১৭ থেকে ১৮ সেলসিয়াস 
  4. ১৪ থেকে ১৫ সেলসিয়াস 
সঠিক উত্তর:
১৬ থেকে ১৭ সেলসিয়াস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ থেকে ১৭ সেলসিয়াস 
ব্যাখ্যা

চা (Tea): 
- বাংলাদেশের অর্থকরী ফসলের মধ্যে চা অন্যতম।
- দেশে উৎপাদিত চা-এর প্রায় বেশিরভাগ বিদেশে রপ্তানি হয়।
- পানি নিষ্কাশনবিশিষ্ট ঢালু জমিতে চা ভালো হয়। মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেটে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে।
- এছাড়া চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে চা চাষ হচ্ছে।
- চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু প্রয়োজন।
- ১৬ থেকে ১৭ সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
এক্সোমন্ডলে কোন গ্যাসের আধিক্য রয়েছে? 
  1. ওজোন (O3) গ্যাস
  2. হিলিয়াম গ্যাস
  3. হাইড্রোজেন গ্যাস
  4. খ + গ
সঠিক উত্তর:
খ + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ + গ
ব্যাখ্যা

এক্সোমন্ডল (Exosphere):
- তাপমন্ডলের উপরে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত যে বায়ুস্তর আছে তাকে এক্সোমণ্ডল বলে।
- এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়।
- এক্সোমন্ডল, তাপমণ্ডল অতিক্রম করে ৯৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রসারিত হয়।
- এটি ক্রমান্বয়ে আন্তগ্রহ স্থান (Interplanetary Space) এ প্রবেশ করে।
- এ স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
- এ স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম ধারণ করে, কেননা মাধ্যাকর্ষণের ঘাটতির  কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলো সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে।

অপরদিকে,
• স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere): 
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমন্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।
- এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
- এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা ৪° সেলিসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
কোন অঞ্চলে সাধারণত সারা বছর বৃষ্টিপাত হয়?
  1. মেরু অঞ্চলে
  2. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  3. ক্রান্তীয় অঞ্চলে
  4. ভূমধ্যস্থলীয় অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

- নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর বৃষ্টিপাত হয়

• নিরক্ষীয় অঞ্চল:
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে পরিচলন বৃষ্টি হয়ে থাকে।
- দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে  মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে।
এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial region) স্থলভাগের চেয়ে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্যকিরণ সারাবছর লম্বভাবে পড়ে।
- এ দুটি কারণে এখানকার বায়ুমন্ডলে সারাবছর জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে।
- জলীয়বাষ্প হালকা বলে সহজেই তা উপরে উঠে গিয়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে ঝরে পড়ে।
- তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যার সময় এরূপ বৃষ্টিপাত হয়।
- নাতিশীতোষ্ণমণ্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টি হয়ে থাকে। এ সময়ে এই অঞ্চলের ভূপৃষ্ঠ যথেষ্ট উত্তপ্ত হলেও উপরের বায়ুমন্ডল বেশ শীতল থাকে।
- ফলে ভূপৃষ্ঠের জলাশয়গুলো থেকে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে পতিত হয়।

উৎস: ভগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

.
ইক্ষু উৎপাদনের জন্য কত সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন?
  1. ১১০ সেন্টিমিটার
  2. ১৫০ সেন্টিমিটার
  3. ১৩০ সেন্টিমিটার
  4. ১২০ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
১৫০ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

ইক্ষু (Sugarcane): 
- চিনি ও গুড় উৎপাদনের জন্য ইক্ষু বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ফসল।
- ইক্ষু চাষের জন্য সমতলভূমি প্রয়োজন। রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, ঢাকা, যশোর ও ময়মনসিংহ ইক্ষু চাষের প্রধান অঞ্চল।
- ইক্ষু উৎপাদনের জন্য ১৯০ থেকে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং কমপক্ষে ১৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন।
- বেলে দোআঁশ ও কর্দমময় দোআঁশ মাটিতে ইক্ষু চাষ ভালো হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
গ্রীন হাউস এফেক্ট এর পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্ষতি কী হবে?
  1. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  2. বৃষ্টিপাত কমে যাবে
  3. প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা বৃদ্ধি
  4. শুষ্ক আবহাওয়া বৃদ্ধি 
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
ব্যাখ্যা

- গ্রিন হাউস ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি- নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে।
- গ্রীন হাউস ইফেক্টের কারনে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- আইসিসি ২০০৭ সালে তার সতর্কীকরণে বলেছে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সে.মি. বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী ১০-১৫ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
- আনুমানিক ৩.৫ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১০.
উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন- 
  1. ২১ মার্চ
  2. ২১ জুন 
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২৩ জুন
সঠিক উত্তর:
২১ জুন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন 
ব্যাখ্যা

উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল ও দক্ষিণ গোলাধে শীতকাল:
- ২১ এ মার্চের পর থেকে পৃথিবী তার নিজ কক্ষপথে এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে উত্তর মেরু ক্রমশ সূর্যের দিকে হেলতে থাকে।
- এভাবে ২১ এ জুনে গিয়ে সূর্যকর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১ এ জুন উত্তর গোলার্ধে বড় দিন এবং ছোট রাত হয়।
- ঐ দিনই সূর্যের উত্তরায়ণের শেষ এবং তার পরের দিন থেকে পুনরায় সূর্য দক্ষিণ দিকে আসতে থাকে।
- দিন বড় হওয়ার কারণে উত্তর গোলার্ধে ২১ এ জুনের দেড় মাস পূর্ব থেকেই গ্রীষ্মকাল শুরু হয় এবং পরের দেড় মাস পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল স্থায়ী হয়।
- এই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে ঠিক বিপরীত অবস্থা দেখা যায় অর্থাৎ শীতকাল অনুভূত হয়।
- এ সময় সূর্য হেলে থাকার কারণে এ গোলার্ধে সূর্য কম সময় ধরে কিরণ দেয়। ফলে দিন ছোট এবংরাত বড় হয়।
- দিনে ভূপৃষ্ঠ যতটুকু উত্তপ্ত হয়, রাতে তাপ বিকিরণের ফলে তা ঠান্ডা হয়ে যায়।
- এখানে তখন শীতের আবহাওয়া বিরাজ করে। দক্ষিণ গোলার্ধে এ সময়কে শীতকাল বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১১.
সুনামি সংঘটিত হওয়ার অন্যতম কারণ-
  1. সমুদ্রতলীয় ভূকম্প হওয়া 
  2. বন্যা বা নদীর পানি বৃদ্ধি হওয়া 
  3. ঘূর্ণিঝড় বা হারিকেন হওয়া 
  4. চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ হওয়া 
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলীয় ভূকম্প হওয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলীয় ভূকম্প হওয়া 
ব্যাখ্যা

সুনামি:
- সুনামি (Tsunami)  ‘সুনামি’  জাপানি শব্দ।
- বাংলায় এর অর্থ ‘পোতাশ্রয় ঢেউ’।
- সাগর বা নদী বা অন্য কোন জলক্ষেত্রে ভূমিকম্পের, ভূমিধ্বসের কিংবা আগ্নেয়গিরির উদগীরণের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসকেই বলা হয় সুনামি।

• বিভিন্ন কারণে সুনামির সৃষ্টি হতে পারে: 
- কারণগুলোর মধ্যে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্নূৎপাত, ভূমিধ্বস অন্যতম।
- তারমধ্য দুটি কারণ উলে­খযোগ্য হলো সমুদ্রতলের ২০-৩০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্প সংঘটনএবং টেকটোনিক পে­টের আকষ্মিক উত্থান-পতন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১২.
কালবৈশাখী সচরাচর কোন সময়ে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়? 
  1. জুন- জুলাই
  2. এপ্রিল-মে
  3. ফেব্রুয়ারি-মার্চ
  4. জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল-মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল-মে
ব্যাখ্যা

কালবৈশাখী: 
- কালবৈশাখী এক ধরনের বজ্রঝড় যা সচরাচর এপ্রিল-মে (বৈশাখ) মাসে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- স্থানীয়ভাবে এ বজ্রঝঞ্ঝা কালবৈশাখী নামেই অধিক সুপরিচিত।
- ‘কাল’ শব্দের অর্থ ঋতু (season), আবার কালো বর্ণকেও বোঝানো হয়ে থাকে।
- কালবৈশাখীকে কখনও কখনও ‘কালোবৈশাখী’ নামেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে যার অর্থ কালো বর্ণের বৈশাখী মেঘ।
- মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের তাপমাত্রা পূর্ববর্তী মাসগুলির (শীতকালের মাসগুলি) তুলনায় দ্রুত বাড়তে থাকে।
- এপ্রিল মাসের মাঝামাঝিতে সারা দেশে বিশেষ করে দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে দৈনিক তাপমাত্রা সর্বোচ্চ পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।
- বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর উপস্থিতি কালবৈশাখী সৃষ্টির অপরিহার্য পূর্বশর্ত।
- কালবৈশাখীর বায়ুর গড় গতিবেগ ঘন্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিমি।
- কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ গতিবেগ ঘন্টায় ১০০ কিমি-এর বেশিও হতে পারে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।[লিঙ্ক]

১৩.
নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ- 
  1. পানামা
  2. হন্ডুরাস
  3. কোস্টারিকা
  4. বর্ণিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

নিরক্ষীয় জলবায়ু: 
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫০ অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০০ অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা,
- মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা,  নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন- মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান- 
  1. হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেন
  2. নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
  3. কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেন
  4. কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও আর্গন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের উপাদান:
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (N2) ও অক্সিজেন (O2)।
- এই দুটি গ্যাস মিলিয়ে বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৯৮.৭৩ শতাংশ গঠন করে।
- নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, এটি প্রায় ৭৮.০২ শতাংশ।
- অপরদিকে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২০.৭১ শতাংশ, এটি জীবজগৎ শ্বাস-প্রশ্বাস ও জ্বালনির জারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- বায়ুমণ্ডলে এই দুই গ্যাসের ভারসাম্য জীবজগতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহ হলো-
- নাইট্রোজেন (৭৮.০২%),
- অক্সিজেন (২০.৭১%),
- আর্গন (০.৮০%),
- কার্বন-ডাই-অক্সাইড (০.০৩%),
- জলীয় বাষ্প (০.৪১%) ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
আবহাওয়া বলতে কী বুঝায়? 
  1. একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী গড় অবস্থা 
  2. একটি নির্দিষ্ট দিনের বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, চাপ ইত্যাদি অবস্থা
  3. ২০-৩০ বছরের গড় তাপমাত্রা
  4. ৪০ -৫০ বছরের গড় তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
একটি নির্দিষ্ট দিনের বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, চাপ ইত্যাদি অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি নির্দিষ্ট দিনের বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, চাপ ইত্যাদি অবস্থা
ব্যাখ্যা

- আবহাওয়া হলো কোনো নির্দিষ্ট স্থানে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, চাপ, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের সামগ্রিক অবস্থা।
- এটি প্রতিদিন পরিবর্তনশীল এবং খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে একেক রকম হতে পারে।
- আবহাওয়া মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন, কৃষিকাজ, ভ্রমণসহ নানা কার্যক্রমে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
- পত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশন ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা প্রতিদিনের - আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানতে পারি।
- আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করে দীর্ঘ সময়ের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে কোনো - অঞ্চলের জলবায়ু সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

অন্যদিকে,
- জলবায়ু বলতে কোনো স্থানের দীর্ঘকালীন আবহাওয়ার গড় অবস্থাকে বোঝায়, যা তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহের মতো উপাদানের ওপর নির্ভর করে।
- এটি একটি ধীর ও চলমান প্রক্রিয়া যা ৩০ থেকে ৩৫ বছরের আবহাওয়ার তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। জলবায়ু

১৬.
অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন নয়- 
  1. গণসচেতনতা বৃদ্ধি
  2. প্রশিক্ষণ
  3. পূর্বপ্রস্তুতি
  4. আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ
সঠিক উত্তর:
আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান। 

• প্রতিরোধ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধ কার্যক্রম সফলতা বয়ে আনতে পারে।
- দুর্যোগ প্রতিরোধের কাঠামোগত এবং অকাঠামোগত প্রশমনের ব্যবস্থা রয়েছে।
- কাঠামোগত প্রশমনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণ কার্যক্রম যথা- বেড়িবাঁধ তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি বাস্তবায়নকেই বোঝায়। 
- কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন খুবই ব্যয়বহুল, যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
• অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন যেমন- প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।

 উৎস: ভূগোল ‍ও পরিবেশ, এসএসসি, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে তীব্র শীত অনুভূত হয়? 
  1. দক্ষিণ অঞ্চলে 
  2. পশ্চিম অঞ্চলে 
  3. উত্তর অঞ্চলে 
  4. পূর্বা অঞ্চলে 
সঠিক উত্তর:
উত্তর অঞ্চলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর অঞ্চলে 
ব্যাখ্যা

শীতকাল:
- বাংলাদেশে নভেম্বর মাসের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি (কার্তিক-ফাল্গুন) পর্যন্ত সময় শীতকাল।
- এই সময় তাপমাত্রা কমতে থাকে। জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা সর্বনিম্ন থাকে এবং এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।
- শীতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯০ সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১° সেলসিয়াস।
- শুষ্ক শীতকাল এবং উপকূলীয় ও পাহাড়ি এলাকায় সামান্য বৃষ্টিপাত এই দেশের শীতকালের বৈশিষ্ট্য।
- দেশের উত্তরাঞ্চলে তীব্র শীত অনুভূত হয়।
- এসময় বাতাসের সর্বনিম্ন আর্দ্রতা শতকরা প্রায় ৩৬ ভাগ থাকে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে কোন দেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে?
  1. ভিয়েতনাম
  2. ফিজি
  3. কিরিবাতি
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব: 
• সমুদ্রে পৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তন: 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, মিশর, ভিয়েতনাম, ফিজি, কিরিবাতি, টুভ্যালু প্রভৃতি দেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
- এছাড়া কৃষি জমি লবণাক্ত হয়ে উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পাবে।
• রোগব্যাধি: উষ্ণায়নের ফলে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ যেমন-ম্যালেরিয়া, এজমা, এলার্জি প্রভৃতি রোগের বিস্তার ঘটছে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী গ্রিনহাউস প্রভাব কোন দেশগুলোর জন্য সাফল্য বয়ে আনবে? 
  1. নরওয়ে
  2. ফিনল্যান্ড
  3. সুইডেন
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী গ্রিনহাউস প্রভাব পৃথিবীর কয়েকটি দেশে যথা-কানাডা, রাশিয়া, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, দক্ষিণ  আমেরিকা প্রভৃতি দেশগুলোর জন্য সাফল্য বয়ে আনবে।
- এসব অঞ্চলে লক্ষ লক্ষ একর জমি বরফমুক্ত হয়ে চাষাবাদ ও বসবাসের উপযোগী হয়ে উঠবে, এটা তাদের জন্য একটি সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
- তবে বিপরীতভাবে, এই পরিবর্তন পৃথিবীর প্রায় ৪০ শতাংশ এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে।
- বিশেষ করে বাংলাদেশসহ উপকূলবর্তী বহু দেশে ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বের অনেক বিখ্যাত উপকূলবর্তী শহর ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে।
- ফলে জলবায়ু পরিবর্তন একদিকে কিছু দেশের জন্য উপকার আনলেও, অধিকাংশ দেশের জন্য এটি গুরুতর বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

২০.
নিচের কোন এলাকার জলবায়ু অধিক মৃদুভাবাপন্ন?
  1. কক্সবাজার
  2. চট্টগ্রাম 
  3. পটুয়াখালী
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সমুদ্র থেকে দূরত্ব (Distance from the sea):
- জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। 
- যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখানকার জলবায়ু রাজশাহীর তুলনায় বেশ মৃদুভাবাপন্ন।
- সমুদ্র নিকটবর্তী এলাকার তাপমাত্রায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য হয় না। এ ধরনের জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।
- কিন্তু সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম উভয়ই চরম হয়। কারণ স্থলভাগ জলভাগ অপেক্ষা যেমন দ্রুত উষ্ণ হয়, আবার দ্রুত ঠান্ডাও হয়।
- এজন্য গ্রীষ্মকালে মহাদেশের অভ্যন্তরভাগের এলাকা অত্যন্ত উত্তপ্ত থাকে, আবার শীতকালে প্রচন্ড শীত অনুভূত হয়।
- এ ধরনের জলবায়ুকে মহাদেশীয় বা চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২১.
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও যেসব প্রভাব পড়বে- 
  1. আবাদী জমির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া
  2. ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে না নামা 
  3. কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস 
  4. বিশুদ্ধ খাবার পানি বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস 
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু পরিবর্তন:
- বাংলাদেশের উপর প্রভাব জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
- নিম্নে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও যেসব প্রভাব পড়বে সেগুলো উল্লেখ করা হলো।
১. উপকূলীয় অঞ্চলের জমিতে লবনাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধি,
২. কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস,
৩. অধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি,
৪. দেশের উত্তরাংশসহ বিস্তীর্ণ এলাকা খরায় আক্রান্ত হওয়া,
৫. ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া,
৬. আবাদী জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়া,
৭. মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ যেমন- অতিরিক্ত লবনাক্ততায় মৎস্য প্রজাতির বিলুপ্তি দেখা যাচ্ছে।
৮. বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার ফলে কোন ধরনের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়? 
  1. মিঠা পানির মাছের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস
  2. উদ্বাস্তু লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি 
  3. সুপেয় পানির অভাব দেখা দেওয়া 
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

লবণাক্ততার কারণ:
- সাধারণত উপকূলীয় অঞ্চলের ভূমি ও পানিতে লবণাক্ততার জন্য জোয়ার-ভাটা ও সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিকে দায়ী করা হয়।
- আর সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য মানুষের বহুমুখী কর্মকাণ্ডকেই দায়ী করা হয়।

• প্রভাব লবণাক্ততার ফলে যেসব প্রভাব পরিলক্ষিত হয় তার মধ্যে অন্যতম হলো-
১. উপকূলীয় অঞ্চলের জমি কৃষিকাজের অনুপযোগী হয়ে উৎপাদন হ্রাস পাওয়া;
. সুপেয় পানির অভাব দেখা দেওয়া;
৩. উদ্বাস্তু লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি;
৪. সম্পদহানি ও দারিদ্রতা বৃদ্ধি;
৫. বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়া;
৬. ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি;
৭. মিঠা পানির মাছের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস;
৮. গাছপালায় মড়ক লাগা ও ফসলের গোড়া পচে যাওয়া;
৯. সামাজিক বন্ধনে শিথিল হওয়া প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এসসি, উন্মুক্ত বিশ্বিবিদ্যালয়।

২৩.
ওয়ার্ল্ড মেটেরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (WMO) মতে, বৈশ্বিক গড়ের প্রায় দ্বিগুণ হারে উষ্ণায়ন হচ্ছে কোন মহাদেশ বা অঞ্চল? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. আফ্রিকা মহাদেশ
  2. এশিয়া মহাদেশ
  3. ইউরোপ মহাদেশ
  4. দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ
সঠিক উত্তর:
এশিয়া মহাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া মহাদেশ
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে এশিয়া মহাদেশ বৈশ্বিক গড় হারের প্রায় দ্বিগুণ উষ্ণ হচ্ছে।
- ২০২৪ সাল ছিল এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ অথবা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উষ্ণ বছর।
- এ সময়ে দীর্ঘমেয়াদি তাপপ্রবাহ এবং ভয়াবহ সমুদ্র তাপমাত্রার কারণে এ অঞ্চলের অর্থনীতি, বাস্তুতন্ত্র ও সমাজে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।
- এশিয়ায় ভূমির পরিমাণ বিশাল এবং তা আর্কটিক পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় উষ্ণতা বৃদ্ধির হারও বেশি।
- স্থলভাগে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার সাধারণত সমুদ্রের চেয়ে বেশি হয়, ফলে মহাদেশটি দ্বিগুণ হারে উত্তপ্ত হচ্ছে।
- ২০২৪ সালে এশিয়ার সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা ছিল রেকর্ড পরিমাণ।
- এ সময় সমুদ্রপৃষ্ঠ প্রতি দশকে ০.২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে বেড়েছে, যা বৈশ্বিক গড়ের প্রায় দ্বিগুণ।
- বিশেষ করে উত্তর ভারত মহাসাগর ও পূর্ব চীন সাগরসহ সমুদ্রের বিস্তীর্ণ অংশে এই উষ্ণতা লক্ষ করা গেছে।
- এতে উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড মেটোরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন।[লিঙ্ক]

২৪.
বাংলাদেশে মোট কতটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র রয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি।
- রাঙামাটির বেতবুনিয়া (১৯৭৫),
- গাজীপুরের তালিবাবাগ (১৯৮২),
- ঢাকার মহাখালী (১৯৯৫),
- সিলেট (১৯৯৭)।

দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ: রাঙামাটির বেতবুনিয়া উপগ্রহ:
- ১৯৭০ সনের ০৩ জানুয়ারী তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আগা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খান, এইচপিকে, বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৪ জুন ১৯৭৫ সনে বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাসস।

২৫.
ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য- 
  1. বৃষ্টিবহুল শীতকাল 
  2. বৃষ্টিবহুল গ্রীষ্মকাল
  3. সমুদ্র উপকূলে বৃষ্টিপাতের হার কম
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিবহুল শীতকাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিবহুল শীতকাল 
ব্যাখ্যা

- বৈশিষ্ট্য: ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উষ্ণ, শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল।

ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল: 

- ভূ-মধ্যসাগরীয় অঞ্চল অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের ৩০০-৪৫০ অক্ষাংশের মধ্যে যে সকল মহাদেশসমূহের অবস্থান তাদের পশ্চিমাংশ জুড়েই ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল বিস্তৃত।
- উত্তর আফ্রিকার লিবিয়া, তিউনিশিয়া, মিশরের উত্তরাংশ, মরক্কোর উত্তরাংশ, ভূ-মধ্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলসমূহ এই জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
- এছাড়াও তুরস্ক, স্পেন, গ্রীস, দক্ষিণ ফ্রান্স, ইতালি, ইসরাইল, সিরিয়া, দক্ষিণ ও পশ্চিম যুগোশ্লাভিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তভুক্ত।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যে আরও যে দেশসমূহ রয়েছে সেগুলো হলো- লেবানন, পর্তুগাল, আলবেনিয়া এবং দ্বীপসমূহ হলো কর্ষিকা, মাল্টা, সাইপ্রাস ইত্যাদি।
- এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, দক্ষিণ আমেরিকার চিলির মধ্যভাগ এবং উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তগত।

• এর বৈশিষ্ট্য:
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উষ্ণ, শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।