পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬ টপিক: রিভিশন [পরীক্ষা ৪ ও ৫] [ক্লাস ৮ – ১৩]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
নিচের কোন উপাদানটি ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত হয় না?
  1. ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন
  2. তরল নাইট্রোজেন
  3. তরল হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড
  4. আর্গন
ব্যাখ্যা
তরল হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড উপাদানটি ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত হয় না।

• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
এ্যাসেম্বলি ভাষার অপর নাম কী??
  1. মেশিন ভাষা
  2. উচ্চস্তরের ভাষা
  3. কোডেড ভাষা
  4. সাংকেতিক ভাষা
ব্যাখ্যা
এ্যাসেম্বলি ভাষার অপর নাম সাংকেতিক ভাষা।

• কম্পিউটারে যে সব ভাষা ব্যবহার হয় তা তিন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন-
(ক) যান্ত্রিক ভাষা (Machine Language),
(খ) এ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language),
(গ) উচ্চস্তরের ভাষা (High Level Language).

• এ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language):
- এ্যাসেম্বলি ভাষাকে সাংকেতিক (Symbolic) ভাষাও বলা হয়।
- এর প্রচলন শুরু হয় 1950 সাল থেকে।
- যান্ত্রিক ভাষায় প্রোগ্রাম তৈরী, কঠিন কাজকে সহজ করে তোলা, সময়ের অপচয় দূর করা, প্রোগ্রামের ভুল সংশোধন ও পরিবর্তনের কাজ সহজতর করে গতিশীল করার জন্যই এ্যাসেম্বলি ভাষার উন্নয়ন করা হয়েছে।
- অনুবাদের কাজটি করে এ্যাসেম্বলার (Assembler) নামক একটি সফটওয়্যার।
- এ্যাসেম্বলারের কাজ হচ্ছে এ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত নির্দেশকে যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করা এবং কার্যকর করা।

• এ্যাসেম্বলি ভাষার সুবিধা :
(১) যান্ত্রিক ভাষার চেয়ে এই ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করা সহজ।
(২) এই ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করতে কম সময় লাগে।
(৩) সহজে ভুল সনাক্ত করা এবং সংশোধন ও পরিবর্তন করা যায়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি হার্ডডিস্ক ড্রাইভ?
  1. HDMI
  2. SCSI
  3. USB
  4. CMOS
ব্যাখ্যা
SCSI (Small Computer System Interface) হচ্ছে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ।

হার্ডডিস্ক:

- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।

- হার্ডডিস্ক ব্যবহারের জন্যে আলাদা ড্রাইভের প্রয়োজন হয় না।
- ডিস্ক এবং ড্রাইভ একসাথেই সংযোজিত থাকে।
- এক্ষেত্রে একাধিক ডিস্ক একসঙ্গে পর পর রেখে লিখন ও পঠনের কার্যাবলি সম্পাদন করা হয়।
- কেসিং-এর মধ্যে কয়েকটি ক্রু দ্বারা এটি স্থাপন করা হয় বিধায় ফ্লপি ডিস্কের ন্যায় এটিকে সহজে এক স্থান থেকে অন্যত্র স্থানান্তর করা যায় না।
- অন্যান্য ডিস্কের তুলনায় হার্ডডিস্ক অনেক দ্রুতগতিতে কার্যাবলি সম্পাদন করে।

হার্ডডিস্কের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- ধারণক্ষমতা অন্য যে কোনো স্টোরেজ মিডিয়ার চেয়ে বেশি।
- এ্যালুমিনিয়ামের পাতের উপরে ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে হার্ডডিস্কে ডাটা সংরক্ষণ করা হয়।
- হার্ডডিস্ক দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রোগ্রাম ও ডাটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অধিক নির্ভরশীল।
- ডেটা রিড এবং রাইট করার গতি অনেক বেশি।

বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে:
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।

• বাকি অপশনগুলো:
HDMI (High-Definition Multimedia Interface)- এটি একটি ভিজ্যুয়াল ও অডিও সংযোগ মাধ্যম।
USB (Universal Serial Bus) - এটি ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত একটি পোর্ট ও সংযোগ পদ্ধতি।
CMOS (Complementary Metal Oxide Semiconductor)- এটি হলো একটি ছোট ধরনের মেমোরি চিপ যা BIOS এর সেটিংস সংরক্ষণ করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
.
নিচের কোনটি ই-কমার্স সাইট?
  1. www.daraz.com
  2. www.bikroy.com
  3. www.ebay.com
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
অপশনের সবগুলো ই-কমার্স এর সাইট।

• ই-কমার্স (E-Commerce):

- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

• ই-কমার্স এর ধরণঃ
পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। -
১। Business to Consumer (B2C),
-  Apple to you.
২। Business to Business (B2B),
- BATA to Super Shop.
৩। Consumer to Business (C2B),
- Farmer to Swapno.
8। Consumer to Consumer (C2C),
- Farmer to you.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
বাণিজ্যিক প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত ভাষা হলো—
  1. BASIC
  2. COBOL
  3. ADA
  4. FORTRAN
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত ভাষা হলো COBOL.

উচ্চতর ভাষা (High Level Language):

- উচ্চতর ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চতর ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে- BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়।
- এরপর কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে। 

উচ্চস্তরের ভাষাকে দুভাগে ভাগ করা যায়:
(১) সাধারণ কাজের (General purpose) ভাষা ও
(২) বিশেষ কাজের (Special purpose) ভাষা।

- যে ভাষা সব ধরনের কাজের জন্য ব্যবহার হয় তাকে সাধারণ কাজের ভাষা বলে। যেমন- বেসিক, সি, প্যাসকল ইত্যাদি।
- যে ভাষা শুধু বিশেষ বিশেষ কাজে ব্যবহার হয় তাকে বিশেষ কাজের ভাষা বলে। যেমন- কোবল, ফোরট্রান।

• বিশেষ কাজের ভাষাকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়:
- বাণিজ্যিক প্রয়োগের ভাষা কোবল।
- বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা ফরট্রান।
- বহুপ্রয়োগের ভাষা বেসিক, ফরট্রান, এ্যাডা ইত্যাদি।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কোন ধরণের ছবি দেখানো হয়?
  1. একমাত্রিক
  2. দ্বিমাত্রিক
  3. ত্রিমাত্রিক
  4. চতুর্মাত্রিক
ব্যাখ্যা
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক (3D) ছবি দেখানো হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
.
CPU-এর কোন অংশ সাময়িকভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে?
  1. ALU
  2. রেজিস্টার
  3. কন্ট্রোল ইউনিট
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
CPU-এর রেজিস্টার অংশটি সাময়িকভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে।

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। - কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাহাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ভাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
.
র‍্যাম কী ধরনের স্মৃতি?
  1. স্থায়ী স্মৃতি
  2. অস্থায়ী স্মৃতি
  3. সহায়ক স্মৃতি
  4. বাহ্যিক স্মৃতি
ব্যাখ্যা
র‍্যাম অস্থায়ী স্মৃতি হিসেবে কম্পিউটারে থাকে।

• র‍্যাম (RAM):

- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে।
- এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র‍্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র‍্যাম ক্যাশ (RAM Cash) ব্যবহার করা হয়।
- র‍্যাম ক্যাশ র‍্যামের অংশ বিশেষ।

• র‍্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মেনুবার চালু করার জন্য কী-বোর্ডের কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. F2
  2. F5
  3. F10
  4. F12
ব্যাখ্যা
মেনুবার চালু করার জন্য কী-বোর্ডের F10 কী ব্যবহৃত হয়।

- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কী-বোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
কোনটি সহায়ক স্মৃতির উদাহরণ?
  1. চার্জ কাপল স্মৃতি
  2. চুম্বকীয় কোর স্মৃতি
  3. চৌম্বক ড্রাম
  4. অর্ধপরিবাহী স্মৃতি
ব্যাখ্যা
চৌম্বক ড্রাম একটি সহায়ক স্মৃতির উদাহরণ।

• কম্পিউটারের স্মৃতি
কম্পিউটারের স্মৃতি প্রধানত দুই প্রকার।
১. প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি (Main Memory),
২. সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory)।

• প্রধান স্মৃতি (Main Memory):
- প্রধান স্মৃতির সংগে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সরাসরি সংযোগ থাকে। এজন্য প্রধান স্মৃতিকে প্রাথমিক স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতিও বলা হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য তথ্য সমূহকে কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে রাখা হয়।
- যতক্ষন প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলে ততক্ষণ তথ্যগুলো কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে অবস্থান করে।
- যেহেতু নির্বাহের জন্য সমস্যা সমাধানের প্রোগ্রাম ও তথ্য প্রধান স্মৃতিতে থাকতে হয়, এজন্য প্রধান স্মৃতি যথেষ্ট বড় হওয়া প্রয়োজন।
- প্রধান স্মৃতির প্রতিটি স্থান চিহ্নিত হয় সংখ্যা দ্বারা এবং এই সংখ্যাকে বলা হয় স্মৃতি স্থানের ঠিকানা বা Address.

• কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য কয়েক ধরনের প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি আছে। সেগুলো নিম্নরূপ-
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory),
- চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory),
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতি (Semiconductor Memory),
            i. RAM,
            ii. ROM.
- পাতলা পর্দা স্মৃতি (Thin Film Memory),
- চার্জ কাপল স্মৃতি (Charge Couple Memory).

• কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি:
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
- সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অপেক্ষা বহুগুণ বেশি।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই স্মৃতি হতে কোন তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে প্রক্রিয়াকরণকৃত তথ্য সহায়ক স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

• কয়েক ধরনের সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে:
- ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disc),
- হার্ড ডিস্ক (Hard Disc),
- সিডি (CD- Compact Disc),
- চৌম্বক ফিতা (Magnetic Disc),
- চৌম্বক ড্রাম (Magnetic Drum).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
C++ ভাষা কোন স্তরের ভাষা?
  1. নিম্নমধ্যমস্তরের ভাষা
  2. নিম্নস্তরের ভাষা
  3. অতি উচ্চস্তরের ভাষা
  4. মধ্যমস্তরের ভাষা
ব্যাখ্যা

C++ ভাষা মধ্যমস্তরের ভাষা।

• প্রোগ্রামিং ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে একটি যন্ত্রকে নির্দেশনা দিয়ে কোন সমস্যা সমাধান করা যায় তাকে প্রোগ্রামিং ভাষা বলে।
সহজে বলা যায়, প্রোগ্রাম লিখতে বা নির্দেশাবলী সেট করতে যেসকল ভাষা ব্যবহৃত হয় তাদের "প্রোগ্রামিং ভাষা" বলা হয়।

• প্রোগ্রাম রচনার বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহকেবিভিন্ন স্তরে বিভক্ত করা হয়:
১। নিম্নস্তরের ভাষা (Low Level Language)
-Machine Language, Assembly Language।
২। মধ্যমস্তরের ভাষা (Mid Level Language)
-C, C++, JAVA, Forth, Dbase, WordStar.
৩। উচ্চস্তরের ভাষা (High Level Language-3GL)
-Fortran, Basic, Pascal, Cobol, C, C++, C#, Visual Basic, Java, ইত্যাদি।
৪। অতি উচ্চস্তরের ভাষা (Very High Level Languag)
- Perl, Python, Ruby, SQL, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
মাউস কত প্রকার?
  1. এক প্রকার
  2. দুই প্রকার
  3. তিন প্রকার
  4. চার প্রকার
ব্যাখ্যা
মাউস দুই প্রকার।

• মাউস (Mouse):
- Mouse হচ্ছে কীবোর্ডের পাশাপাশি আরেকটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস।
- মাউস দিয়ে কীবোর্ডের চেয়ে অনেক দ্রুত কাজ করা যায়।

• মাউস দুই ধরনের হয়:
যেমনঃ Mechanical ও Optical.
- মেকানিক্যাল (Mechanical): মাউসের নিচের দিকে একটি বল থাকে এজন্য মাউস মুক্ত করলে ডেস্কটপে কার্সরও উপর/নিচ/ডান/বাম মুভ করে। এ ধরণের মাউসের ব্যবহার এখন আর নেই।
- অপটিক্যাল (Optical): মাউসের নিচের দিকে বলের পরিবর্তে একটি Ray যারা মুভ হয়। এই মাউস ক্যাবলসহ হতে পারে আবার Wireless ও হতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৩.
মাইক্রোপ্রসেসর মূলত একটি-
  1. CPU
  2. RAM
  3. BIOS
  4. ROM
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর বলতে মূলত সিপিইউ-কে বুঝায়।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো একক VLSI (Very large Scale Integration) সিলিকন চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর তৈরী হয় অসংখ্য ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট দিয়ে। আইসি তৈরী হয় ট্র্যানজিস্টর দিয়ে। একটি প্রসেসরে যত বেশী হবে প্রসেসরের গতি তত বেশী হবে।
- বর্তমানে পার্সোনাল কম্পিউটারগুলোতে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং গাণিতিক/যুক্তি ইউনিটগুলো একই সংগে মাইক্রোপ্রসেসরে থাকে।
- ফলে আধুনিক কম্পিউটারে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বলতে মাইক্রোপ্রসেসরকেই বুঝায়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্যের উপর কম্পিউটারের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্য নির্ভর
- বর্তমানে পার্সোনাল কম্পিউটারগুলোতে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং গাণিতিক/যুক্তি ইউনিটগুলো একই সংগে মাইক্রোপ্রসেসরে থাকে।
- ফলে আধুনিক কম্পিউটারে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বলতে মাইক্রোপ্রসেসরকেই বুঝায়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্যের উপর কম্পিউটারের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে।

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
১. ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
২. গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
৩. কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
৪. স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

• উল্লেখিত কাজগুলো সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরের সংগঠনকে তিনভাগে ভাগ করা হয়:
১। নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২। গাণিতিক/যুক্তি অংশ,
৩। স্মৃতি।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।