পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন [১০ম - ৫০তম বিসিএস]

পরীক্ষাPSCতারিখ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩সময়50 minutes৪৫ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৫০
সিলেবাস
৩১তম বিসিএস মানসিক দক্ষতা লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন [১০ম - ৫০তম বিসিএস]

PSC · ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ · ৫০ প্রশ্ন

.
জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. রাশিয়া
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম দেশ কোনটি?

সমাধান:
প্রতিবেদন অনুযায়ী -
- জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম দেশ - ভারত।
- জনসংখ্যায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ - চীন।
- জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - অষ্টম।

বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২৩:
 -প্রকাশকাল: – ১৯ এপ্রিল, ২০২৩
- প্রকাশক: জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA)।

তথ্যসূত্র: বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২৩।
.
বিশ্বকাপ ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ কোন সালে জয়লাভ করে?
  1. ১৯৯৮
  2. ১৯৯৯
  3. ১৯৮২
  4. ২০১১
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বিশ্বকাপ ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ কোন সালে জয়লাভ করে?

সমাধান:
- বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে প্রথম অংশগ্রহণ করেছিল।
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সপ্তম আসরে ১৯৯৯ সালের ১৭মে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ দলের অভিষেক ঘটে। 
- এ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় ইংল্যান্ডে। 
- ১৯৯৯ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ড এবং পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস রচনা করে বাংলাদেশ। 
-  ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে। 
- বাংলাদেশ ২৬ জুন ২০০০ সালে আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে। 
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামা বাংলাদেশ ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায়। 
.
বিশ্বের কোন দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. ভারত
  3. পূর্ব তিমুর
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
পূর্ব তিমুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব তিমুর
ব্যাখ্যা
[জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি - সিরিয়ায় (৪.৯৮%)। তবে অপশনে সিরিয়া না থাকায় অপশন বিবেচনায় পূর্ব তিমুরকে সঠিক উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়েছে।]

- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি - সিরিয়ায় (৪.৯৮)।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে - মলদোভা (৪.৯৮%)।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে নাইজার (৩.৮%)।
-------------------------
অপরদিকে, 
- ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ০.৮১%।
- ইন্দোনেশিয়ায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ০.৭৪%।
- নেপালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.১৪%।
- পূর্ব তিমুরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.৪৪%। 

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ।

.
বাংলাদেশ OIC এর সদস্যপদ লাভ করে কোন সালে?
  1. ১৯৭৩
  2. ১৯৭৪
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭৮
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বাংলাদেশ OIC এর সদস্যপদ লাভ করে কোন সালে?

সমাধান:
• OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা - OIC.
- OIC এর পূর্ণরুপ হচ্ছে - The Organisation of Islamic Cooperation
- এটি হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ (মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে)।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।

- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে - ১৯৭৪ সালে।
- OIC এর সর্বশেষ শীর্ষ সম্মেলন মক্কাতে ২০১৯ সালের ৩১ মে অনুষ্ঠিত হয়।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
.
চিত্রে আয়তক্ষেত্র ABCD এর ক্ষেত্রফল 24 একক হলে, ত্রিভুজ ADC এর ক্ষেত্রফল কত একক?
  1. 10 একক
  2. 12 একক
  3. 14 একক
  4. 16 একক
সঠিক উত্তর:
12 একক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 একক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চিত্রে আয়তক্ষেত্র ABCD এর ক্ষেত্রফল 24 একক হলে, ত্রিভুজ ADC এর ক্ষেত্রফল কত একক?

সমাধান:
আমরা জানি, আয়তক্ষেত্রের কর্ণ আয়তক্ষেত্রটিকে সমান ক্ষেত্র বিশিষ্ট দুইটি ত্রিভুজে বিভক্ত করে।
∴ ΔABC = ΔADC = 24/2 = 12 একক
.
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ কোন সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৭৫৮
  2. ১৭৬১
  3. ১৭৮০
  4. ১৭৮২
সঠিক উত্তর:
১৭৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ কোন সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?

সমাধান:
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ১৭৬১ সালের ১৪ জানুয়ারী।
- দিল্লি থেকে প্রায় ৬০ মাইল (৯৫.৫ কিমি) উত্তরে মারাঠা সাম্রাজ্যের একটি উত্তর অভিযাত্রী বাহিনী এবং আফগানিস্তানের রাজা আহমেদ শাহ দুররানির দুই ভারতীয় মুসলমানের সাথে একটি জোটের মধ্যে পানিপথে যুদ্ধটি হয়েছিল।
- মিত্ররা ছিল দোয়াবের রোহিলা আফগানরা এবং অযোধ্যার নবাব সুজা-উদ-দৌলা।
- এই যুদ্ধটিকে ১৮ শতকের সবচেয়ে বড় যুদ্ধগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- দুটি সেনাবাহিনীর মধ্যে একটি ক্লাসিক গঠন যুদ্ধে এক দিনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. মরহুম সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. মরহুম এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান
  3. মরহুম ক্যাপটেন মনসুর আলী
  4. মরহুম তাজউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
মরহুম তাজউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরহুম তাজউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

সমাধান:
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হলেন তাজউদ্দিন আহমদ
- তিনি ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসি বা মুজিনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হন।
- ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেন।

অন্যদিকে,
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী।
ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী বাংলাদেশের প্রথম অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ও বাকশাল সরকারের প্রধানমন্ত্রী।
আতাউর রহমান খান পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী।
.
ইরাক কোন সালে কুয়েত দখল করে?
  1. ১৯৮৫
  2. ১৯৯০
  3. ১৯৯২
  4. ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
১৯৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ইরাক কোন সালে কুয়েত দখল করে?

সমাধান:
- ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক তার প্রতিবেশী দেশ কুয়েতের ওপর দুই দিনব্যাপী "কুয়েত আক্রমণ" অপারেশন পরিচালনা করে।
- এর ফলে দীর্ঘ সাত মাসব্যাপী দেশটি ইরাকের অধীনে ছিল।
- ইরাক কর্তৃক কুয়েত আক্রান্ত হলে ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মার্কিন নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী ইরাকের উপর বিমান হামলা শুরু করে যা ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামে পরিচিত।
- ৫ মার্চ ১৯৯১ সালে জাতিসংঘের শর্ত মেনে ইরাক কুয়েত থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা করে।
.
জাপানের নাগাসাকিতে আমেরিকা কোন সালে দ্বিতীয় আণবিক বোমা নিক্ষেপ করে?
  1. ১৯৪০
  2. ১৯৪২
  3. ১৯৪৫
  4. ১৯৫০
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: জাপানের নাগাসাকিতে আমেরিকা কোন সালে দ্বিতীয় আণবিক বোমা নিক্ষেপ করে?

সমাধান:
- ২য় বিশ্বযুদ্ধের শেষ সময়ে পশ্চিমে জার্মানদের সাথে তাল মিলিয়ে এশিয়ার রণাঙ্গণে একাই লড়ে যাচ্ছিল জাপানি রাজকীয় বাহিনীর দুর্ধর্ষ সৈন্যরা। - এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পার্ল হারবারে হামলার জন্য মিত্রবাহিনীর অন্যতম অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের চরম ক্ষোভ ছিল জাপানের ওপর। 
- কিন্তু যে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ যে এতটা নির্মম ও জঘন্য হবে তা কেউ চিন্তা করতে পারেনি।
-  মানুষের ইতিহাসে সবচেয়ে ন্যক্কারজনক ঘটনার নজির স্থাপন করে ৬ ও ৯ আগস্ট যথাক্রমে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে নিক্ষেপ করা হয় লিটল বয় ও ফ্যাট ম্যান নামের দুটি ধ্বংসাত্মক আনবিক বোমা। 
- ৬ আগস্ট সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হিরোশিমায় প্রথম বোমাটি নিক্ষেপ করা হলে তাৎক্ষণিক প্রাণ যায় ১ লাখ বিশ হাজার মানুষের। আর তার দ্বিগুণ মানুষ মারা যায় এর একটু পরে। 
- স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান আনবিক বোমা নিক্ষেপের এ পাশবিক সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। 
- এনোলা গে নামের বিমানটি থেকে যখন হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমাটি নিক্ষেপ করা হয় তখন থমকে গিয়েছে বিশ্ব মানবতা এর ধ্বংসযজ্ঞ দেখে। 
- অন্তত পরপর দুটি আঘাত সইতে না পেরেই জাপানিরা ১৫ আগস্ট এসে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়। 
- ১৯৪৫ সালের ৮ মে জার্মানি যুদ্ধে আত্মসমর্পণ করলেও জাপানে সম্রাট হিরোহিতোর বাহিনী ছিল নাছোড়বান্দা। 
- তারা সমান তালে লড়ে যাচ্ছিল মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে, কিন্তু তাদের দুটি সমৃদ্ধ শহরের এমন করুণ পরিণতি তাদের থমকে দেয় সেখানেই; জাপানিরাও বাধ্য হয় আত্মসমর্পণে।
১০.
ভারত পাকিস্তানের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯৬৫
  2. ১৯৬৬
  3. ১৯৬৭
  4. ১৯৭০
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।
১১.
a0 = কত?
  1. 0
  2. 1
  3. 2
  4. 3
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a0 = কত?

সমাধান:
যদি a ≠ 0 হয় তবে a° = 1
১২.
(xa - b)a + b .(xb - c)b + c . (xc - a)c + a = কত?
  1. a + b
  2. 1
  3. 2
  4. 3
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (xa - b)a + b .(xb - c)b + c . (xc - a)c + a = কত?

সমাধান:
(xa - b)a + b .(xb - c)b + c . (xc - a)c + a 
= xa2 - b2 . xb2 - c2 . xc2 - a2
= xa2 - b2 + b2 - c2 + c2 - a2
= x0
= 1
১৩.
বিশ্বের দ্রুতগামী প্রাণী কি?
  1. বাঘ
  2. সিংহ
  3. চিতাবাঘ
  4. খরগোশ
সঠিক উত্তর:
চিতাবাঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিতাবাঘ
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের দ্রুতগামী প্রাণী হল চিতাবাঘ।
- চিতাবাঘকে বিশ্বের দ্রুতগামী স্থলচর প্রাণী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- এটি সর্বোচ্চ গতি প্রায় 120 কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত ছুটতে পারে। তার চেয়ে বেশি গতিতে ছুটতে পারে শুধু কিছু পাখিই।

অন্যদিকে, বাঘ ও সিংহের সর্বোচ্চ গতি প্রায় 80 কিমি/ঘন্টা। আর খরগোশের গতি মাত্র প্রায় 45 কিমি/ঘন্টা।
সুতরাং চিতাবাঘই সবচেয়ে দ্রুতগামী স্থলচর প্রাণী।
১৪.
(x2/3)3/2.(y3/4)4/3.(z5/2)2/5 = কত?
  1. xyz
  2. (xyz)1/2
  3. (xyz)1/3
  4. (xyz)3
সঠিক উত্তর:
xyz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
xyz
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (x2/3)3/2 . (y3/4)4/3. (z5/2)2/5 = কত?

সমাধান:
(x2/3)3/2 . (y3/4)4/3 . (z5/2)2/5
= x6/6 . y12/12 . z10/10
= x1 . y1 . z1
= xyz
১৫.
নিম্নের ত্রিভুজটির ∠x কোণের মান কত?
  1. 98°
  2. 100°
  3. 105°
  4. 110°
সঠিক উত্তর:
100°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
100°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিম্নের ত্রিভুজটির ∠x কোণের মান কত?

সমাধান:
আমরা জানি, 
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = 180°
বা, 30° + 50° + x = 180°
বা, 80° + x = 180°
বা, x = 180° - 80°
∴ x = 100°
১৬.
আধুনিক বাংলা নাটকের জনক কে ছিলেন?
  1. মোহিতলাল মজুমদার
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আধুনিক বাংলা নাটকের জনক কে ছিলেন?

সমাধান:
- আধুনিক বাংলা কবিতা বা নাটকের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি।
- তাকে দত্তকুলোদ্ভব কবি বলা হয়।
- তিনি বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি‌।
- তাঁকে প্রথম বাঙালি সনেটকার ও বাংলা নাটকের পথিকৃৎ বলা হয়।

- বাংলা ছোট গল্পের জনক হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৭.
মানবদেহে কতখানা হাড় আছে?
  1. ২০২ খানা
  2. ২২০ খানা
  3. ২২৫ খানা
  4. ২০৬ খানা
সঠিক উত্তর:
২০৬ খানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৬ খানা
ব্যাখ্যা
মানবদেহ
- মানুষের শরীরে মোট হাড়ের সংখ্যা ২০৬ টি
- করোটিতে অস্থির সংখ্যা ২৯ টি।
- মানবদেহে মোট কশেরুকার সংখ্যা ৩৩ টি।
- মানবেদেহে সাধারণত ক্রোমোজোম থাকে ২৩ জোড়া। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম।
- মানবদেহের রক্তে প্লাজমার পরিমাণ ৫৫%। 
- মানবদেহের রক্তে রক্তকণিকার পরিমাণ ৪৫%।
১৮.
‘+’ অর্থ বিয়োগ, ‘-’ অর্থ গুণ, ‘×’ অর্থ ভাগ এবং ‘÷’ অর্থ যোগ হলে, ৫ - ৫ + ৫ ÷ ৫ × ৫ = কত?
  1. ২১
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:  ‘+’ অর্থ বিয়োগ, ‘-’ অর্থ গুণ, ‘×’ অর্থ ভাগ এবং ‘÷’ অর্থ যোগ হলে, ৫ - ৫ + ৫ ÷ ৫ × ৫ = কত?

সমাধান:
৫ - ৫ + ৫ ÷ ৫ × ৫
প্রদত্ত শর্তমতে,
৫ × ৫ - ৫ + ৫ ÷ ৫
= ২৫ - ৫ + ১
= ২৫ - ৪
= ২১
১৯.
সুয়েজখাল ৭৪ বছর পর কোন সালে মিশরের দখলে আসে?
  1. ১৯০৪
  2. ১৯০৬
  3. ১৯১২
  4. ১৯১৪
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সুয়েজখাল ৭৪ বছর পর কোন সালে মিশরের দখলে আসে?

[বি.দ্র: লাইভ পরীক্ষার প্রশ্নের অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]
• সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল যা লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপ্সের উদ্যোগে ১৮৫৯ সালে সুযেজ খালের খননকার্য শুরু হয়।
- ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর খালটি নৌ চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত‍ করে দেওয়া হয়।
- শুরুতে খালটি ফ্রান্স ও মিশরের জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হতো।

এছাড়াও,
- পরবর্তীতে মিশর তার ৪৪ ভাগ শেয়ার ব্রিটেনের নিকট বিক্রি করে দেয়।
- ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিশরের গামাল আবদেল নাসের সরকার সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করেন।
- এর ফলে ইসরাইল, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সাথে মিশরের যুদ্ধ বেধে যায় যা ‘দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ’ বা ‘সুয়েজ যুদ্ধ’ নামে পরিচিত।
- বর্তমানে সুয়েজ খাল মিশর সরকারের অধীন ‘সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ’ নামে একটি কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
- আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসারে সুয়েজ খাল সবদেশের জন্যে সকল ধরনের বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজ চলাচলের চন্যে উন্মুক্ত থাকবে।

উৎস: সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
২০.
কোরিয়ার যুদ্ধের সমাপ্তি কোন সালে?
  1. ১৯৫০
  2. ১৯৫২
  3. ১৯৬০
  4. ১৯৬২
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[বি.দ্র: লাইভ পরীক্ষার প্রশ্নের অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

কোরিয়া যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

- যুদ্ধ সংঘটনকাল - ২৫ জুন, ১৯৫০ - ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত
- বিবাদমান পক্ষসমূহ - সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
- ফলাফল - জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
- যুদ্ধের ফলাফল - কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ "শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace)  প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- দীর্ঘ তিন বছর যুদ্ধ চলার পর জাতিসংঘের তত্ত্ববধানে ১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী নিরপেক্ষ অঞ্চল ”পানমুনজাম” - এ সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন ও যুক্তরাষ্টে্র  মধ্যে যুদ্ধবিরিতি চুক্তি "Armistice Agreement" স্বাক্ষরিত হয় এবং কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। এতে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই কোরিয়ার কেউ স্বাক্ষর করেনি। 
২১.
দিনের আকাশে কোন তারা দেখা যায়?
  1. ধ্রুবতারা
  2. সপ্তর্ষীমণ্ডল
  3. সূর্য
  4. কোনো তারাই নয়
সঠিক উত্তর:
সূর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য
ব্যাখ্যা
- দিনের আকাশে সূর্য দেখা যায়।
- ধ্রুবতারা দেখা যায় উত্তর গোলার্ধে। 
২২.
  1. 8
  2. 32
  3. 16
  4. 6
সঠিক উত্তর:
16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16
২৩.
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ 30° (সমকোণ ব্যতীত) হরে অপরটি কত?
  1. 30°
  2. 50°
  3. 60°
  4. 120°
সঠিক উত্তর:
60°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ 30° (সমকোণ ব্যতীত) হরে অপরটি কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ। 

ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ বলে সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ ছাড়া অন্য দুই কোণের সমষ্টি = 90°
একটি কোণ 30° হলে, অপরটি = 90° - 30° = 60°
২৪.
A = {x ∈ N : x2 > 8, x3 < 30 হলে x এর সঠিক মান কত?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {x ∈ N : x2 > 8, x3 < 30 হলে x এর সঠিক মান কত?

সমাধান:
এখানে, 
x = 1 হলে, 12 = 1 < 8, 13 = 1 < 30
x = 2 হলে, 22 = 4 < 8, 23 = 8 < 30
x = 3 হলে, 32 = 9 > 8, 33 = 27 < 30
x = 4 হলে, 42 = 16 < 8, 43 = 64 > 30

x = 3 হলে উপরের দুইটি শর্ত পূর্ণ করে।
∴ নির্ণেয় মান 3
২৫.
Log28 কত?
  1. 4
  2. 3
  3. 2
  4. 1
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Log28 কত?

সমাধান:
log28
= log223
= 3log22
= 3 . 1
= 3
২৬.
একটি ত্রিভুজ এবং একটি বৃত্ত ন্যূনতম কয়টি বিন্দুতে ছেদ করতে পারে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজ এবং একটি বৃত্ত ন্যূনতম কয়টি বিন্দুতে ছেদ করতে পারে?

সমাধান: 
একটি ত্রিভুজ এবং একটি বৃত্ত ন্যুনতম ২টি ও সর্বোচ্চ ৬টি বিন্দুতে পরস্পরকে ছেদ করে।
২৭.
x এবং y উভয়ই বেজোড় সংখ্যা হলে, কোনটি অবশ্যই জোড় সংখ্যা হবে?
  1. x + y + 1
  2. xy
  3. xy + 2
  4. x + y
সঠিক উত্তর:
x + y
উত্তর
সঠিক উত্তর:
x + y
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x এবং y উভয়ই বেজোড় সংখ্যা হলে, কোনটি অবশ্যই জোড় সংখ্যা হবে?

সমাধান:
যে কোন দুইটি বিজোড় সংখ্যার যোগফল একটি জোড় সংখ্যা হবে। যেমন, 1 + 3 = 4
তাই x + y জোড় সংখ্যা হবে।
২৮.
১ + (১/২) + (১/৪) + (১/৮) + (১/১৬) + (১/৩২) + ........... = কত?
  1. অসীম
  2. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ + (১/২) + (১/৪) + (১/৮) + (১/১৬) + (১/৩২) + ........... = কত?

সমাধান:
এখানে, ১ম পদ a = ১
সাধারণ অনুপাত r = (১/২)/১ = ১/২

অসীমতক সমষ্টি S = a/(১ - r)
= ১/(১ - ১/২)
= ১/(১/২)
= ২
২৯.
M সংখ্যক সংখ্যার গড় A এবং N সংখ্যক গড় B হলে, সবগুলো সংখ্যার গড় কত?
  1. (A + B)/2
  2. (AM + BN)/2
  3. (AM + BN)/(M + N)
  4. (AM + BN)/(A + B)
সঠিক উত্তর:
(AM + BN)/(M + N)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(AM + BN)/(M + N)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: M সংখ্যক সংখ্যার গড় A এবং N সংখ্যক গড় B হলে, সবগুলো সংখ্যার গড় কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
M সংখ্যক সংখ্যার গড় = A
∴ M সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = AM 

আবার, 
N সংখ্যক সংখ্যার গড় = B 
∴ N সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = BN 

মোট সংখ্যা = M + N 
তাদের সমষ্টি = AM + BN 
∴ তাদের গড় = (AM + BN)/(M + N) 
৩০.
একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৯০ বার ঘোরে। ১ সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘুরবে?
  1. ১৮০°
  2. ২৭০°
  3. ৩৬০°
  4. ৫৪০°
সঠিক উত্তর:
৫৪০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৯০ বার ঘোরে। ১ সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘুরবে?

সমাধান:
৬০ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ৯০ বার
১ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ৯০/৬০ বার
= ৩/২ বার 

গাড়ির চাকা ১ বার ঘুরে অতিক্রম করে = ৩৬০ ডিগ্রি
গাড়ির চাকা ৩/২ বার ঘুরে অতিক্রম করে = (৩৬০ × ৩)/২ ডিগ্রি
= ৫৪০ ডিগ্রি
৩১.
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করলে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?
  1. ৪ গুণ
  2. ৯ গুণ
  3. ১২ গুণ
  4. ১৬ গুণ
সঠিক উত্তর:
৯ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ গুণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করলে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?

সমাধান:
বৃত্তের ব্যাস= 2r
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = 2r/2 = r
∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr²

ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি পেলে হবে 6r
∴ ব্যাসার্ধ = 6r/2 = 3r
∴ ঐ বৃত্তের ক্ষেত্রফল হবে π(3r)² = 9πr²
∴ ৯ গুণ বৃদ্ধি পাবে।
৩২.
x2 - y2 + 2y - 1 এর একটি উৎপাদক -
  1. x + y + 1
  2. x - y
  3. x + y - 1
  4. x - y - 1
সঠিক উত্তর:
x + y - 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
x + y - 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - y2 + 2y - 1 এর একটি উৎপাদক -

সমাধান:
x2 - y2 + 2y - 1
= x2 - (y2 - 2y +1)
= x2 - (y - 1)2
= (x + y - 1) (x - y +1)

∴  x2 - y2 + 2y - 1 এর একটি উৎপাদক  (x + y - 1).
৩৩.
কোন সংখ্যা যুগল সহ-মৌলিক?
  1. (২১, ১৪)
  2. (১০, ১৫)
  3. (২৭, ১২)
  4. (৯, ১৬)
সঠিক উত্তর:
(৯, ১৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(৯, ১৬)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সংখ্যা যুগল সহ-মৌলিক?

সমাধান:
আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার গ.সা.গু ১ হলে‌ অর্থাৎ ১ ভিন্ন কোন সাধারণ গুণনীয়ক না থাকলে তাদেরকে একত্রে সহ-মৌলিক সংখ্যা বলে।
যেমন- (৩, ৪), (৮, ৯), (৬, ১৩) (৯, ১৬), (১৬, ২৫) ইত্যাদি।

এখানে,
৯ = ১ × ৩ × ৩
১৬ = ১ × ২ × ৮
= ৪ × ৪

যেহেতু ১ ভিন্ন কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই সুতরাং (৯, ১৬) পরস্পর সহ-মৌলিক।
৩৪.
x2 - x - 6 = 0 সমীকরণটির মূলযুগল কত?
  1. 2, 3
  2. -3, -2
  3. 3, -2
  4. -2, 3
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - x - 6 = 0 সমীকরণটির মূলযুগল কত?

সমাধান:
x2 - x - 6 = 0
⇒ x2 - 3x + 2x - 6 = 0
⇒ x(x - 3) + 2(x - 3) = 0
⇒ (x - 3)(x + 2) = 0
হয় 
x - 3 = 0
∴ x = 3

অথবা,
x + 2 = 0
∴ x = - 2

∴ সমীকরণটির মূলযুগল = (3, - 2) বা, (- 2, 3)

[বি.দ্র: লাইভ পরীক্ষার প্রশ্নে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো]
৩৫.
রূপান্তরিত কাণ্ড কোনটি?
  1. আলু
  2. পেঁয়াজ
  3. মূলা
  4. গাজর
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[বি.দ্র: লাইভ পরীক্ষার প্রশ্নে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো]

- আদা ও আলু হলো রূপান্তরিত কাণ্ড। এছাড়া পেঁয়াজ ও রসুন উদ্ভিদও রূপান্তরিত কাণ্ডের উদাহরণ। 

রূপান্তরিত কাণ্ড: 

- কাণ্ড সাধাণরত মাটির উপরে অবস্থান করে এবং পাতা, ফুল ও ফল ধারণ করে। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে সাধারণ কাজ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পন্ন করার জন্য কাণ্ডের আকৃতিগত ও অবস্থাগত পরিবর্তন ঘটে। এ ধরনের পরিবর্তনকে কাণ্ডের রূপান্তর বলে। 
- অবস্থান অনুযায়ী রূপান্তরিত কাণ্ড তিন প্রকার। 
যথা- ১) ভূ-নিম্নস্থ ২) অর্ধ-বায়বীয় ও ৩) বায়বীয়। 

ভূ-নিম্নস্থ রূপান্তরিত কাণ্ড: 
- জননমূল প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকা, খাদ্য সঞ্চয় এবং অঙ্গজ উপায়ে বংশবিস্তার করার জন্য কিছু কিছু উদ্ভিদের কাণ্ড মাটির নিচে বৃদ্ধি পায়। এ ধরনের কাণ্ডকে ভূ-নিম্নস্থ রূপান্তরিত কাণ্ড বলে। 
- এরা চার প্রকারের হয়। 
যথা- টিউবার বা স্ফীত কন্দ, রাইজোম বা মৌলকান্ড, কন্দ ও গুড়িকন্দ। 

টিউবার বা স্ফীত কন্দ: 
- গোল আলু স্ফীত কন্দের উদাহরণ। 
- স্ফীত কন্দে পর্ব, পর্বমধ্য, শল্কপত্র ও কাক্ষিক মুকুল থাকে। 
- শল্কপত্রের কক্ষে গর্ভের মতো অংশকে "চোখ" বলে। 
- অনুকূল ঋতুতে "চোখ” হতে কাক্ষিক মুকুল বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি করে। 
- খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য স্ফীত হয়ে এরা গোলাকার রূপ ধারণ করে। 

রাইজোম: 
- আদা, হলুদ প্রভৃতি উদ্ভিদের কাণ্ড রাইজোম-জাতীয়। 
- এরা মাটির নিচে খাদ্য সঞ্চয় করে সমান্তরাল বা খাড়াভাবে অবস্থান করে। 
- এদের সুস্পষ্ট পর্ব ও পর্বমধ্য থাকে। 
- পর্ব হতে শল্কপত্র ও অস্থানিক মূল এবং শল্কপত্রের কক্ষে কাক্ষিক মুকুল উৎপন্ন হয়। 

কন্দ: 
- পিঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি উদ্ভিদের কাণ্ড এই প্রকারের। 
- এদের কাণ্ডটি (কন্দ) খুবই ক্ষুদ্র, গোলাকার ও উত্তল। 
- পর্ব ও পর্বমধ্যগুলো সংকুচিত। 
- পুরু ও রসালো শড়পত্রগুলো এমনভাবে অকখান করে যে কন্দটিকে দেখা যায় না। 
- এ কাণ্ডের নিচের দিক থেকে প্রচুর অস্থানিক পুচ্ছমূল বের হয়। 

গুড়িকন্দ: 
- ওলকচু গুড়িকন্দের উদাহরণ। 
- এ ধরনের কাণ্ড বেশ বড়। 
- আকৃতিতে প্রায় গোলাকার। 
- এতে সুস্পষ্ট পর্ব ও পর্বমধ্য থাকে। 
- শঙ্কপত্রের কক্ষে উৎপন্ন পার্শ্ব বা কাক্ষিক মুকুলপুলি বড় হয় এবং শিশু গুড়িকন্দের সৃষ্টি করে। 

অর্ধ-বায়বীয়: 
- নরম কাণ্ডযুক্ত (বিরুৎ) উদ্ভিদে এক ধরনের বিশেষ শাখা উৎপন্ন হয়। এ শাখাগুলো অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি করে থাকে। 
- মাটির উপরে বা সামান্য নিচে অবস্থিত এ ধরনের দুর্বল শায়িত রূপান্তরিত কাণ্ডকে অর্ধবায়বীয় কাণ্ড বলে। 
- এরা চার প্রকারের হতে পারে। 

বায়বীয় রূপান্তরিত কাণ্ড: 
- এ সকল কাণ্ড মাটির উপরে স্বাভাবিক কাণ্ডের মত অবস্থান করে কিন্তু বিশেষ ধরনের কাজ যেমন- খাদ্য তৈরি, অঙ্গজ প্রজনন, আত্মরক্ষা, আরোহণ ইত্যাদি কাজের জন্য রূপান্তরিত হয়ে থাকে। 
- এরা চার প্রকারের হতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৩৬.
কোন উক্তিটি সঠিক নয়?
  1. কুষ্ঠ রোগ সংক্রামক নয়
  2. এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয়
  3. চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়
  4. নিউমোনিয়া ফুসফুসকে আক্রান্ত করে
সঠিক উত্তর:
চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়
ব্যাখ্যা
- 'চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস রোগ হয়' এ উক্তিটি সঠিক নয়। 

ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
কোন গাছের পাতা থেকে গাছ জন্মায়?
  1. পাতাবাহার
  2. পাথরকুুচি
  3. আকন্দ
  4. ফণীমনষা
সঠিক উত্তর:
পাথরকুুচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাথরকুুচি
ব্যাখ্যা
- 'পাথরকুচি' গাছের পাতা থেকে নতুন গাছ জন্মায়। 

রূপান্তরিত পাতা: 

- বিশেষ কাজ সমাধান করার জন্য পাতার রূপ পরিবর্তিত হয়। 

ক) আকর্ষী: 
- পাতার শীর্ষভাগ অথবা পত্রক অনেক সময় প্যাচানো স্প্রিং এর ন্যায় রূপ ধারন করে যেগুলো আকর্ষি নামে পরিচিত। 
- এর সাহায্যে গাছ কোন কিছু আকড়ে ধরতে পারে। 
- জংলী মটর গাছে এ ধরনের আকর্ষি দেখা যায়। 

খ) খাদ্য সঞ্চয়: 
- পেঁয়াজ, রসুন বা ঘৃতকুমারী গাছের পাতা পুরুও রসালো হয়। 
- এসব পাতায় খাদ্য জমা থাকে। 

গ) পতঙ্গ ফাঁদ: 
- কলসী উদ্ভিদ এক ধরণের লতানো গাছ ও ঝাঁঝি নামক জলজ উদ্ভিদের পাতা রূপান্তরিত হয়ে কলসি বা থলের ন্যায় রূপ ধারণ করে। 
- এর মধ্যে পোকামাকড় ঢুকলে কলসির ঢাকনাটি বন্ধ হয়ে যায় পরে গাছ তার দেহ থেকে রস শুষে নেয়। 

ঘ) প্রজনন: 
- কোন কোন উদ্ভিদে পাতার কিনারা থেকে কুঁড়ি গজায়। 
- ধীরে ধীরে এসব কুঁড়ি থেকে নিচের দিকে গুচ্ছ মূল ও গজায়। 
- কোন এক সময় এরা মুক্ত হয়ে স্বাধীন উদ্ভিদের জন্ম দেয়। 
যেমন-পাথরকুচি

ঙ) কণ্টক পত্র: 
- পাতা কখনও কাঁটায় রূপান্তরিত হয়। 
যথা- লেবু। 

চ) শল্কপত্র: 
- কখনও ভূ-নিম্নস্থ কাণ্ডের পাতা পাতলা আঁশ এর ন্যায় আকার ধারণ করে। 
যেমন- আলু, আদা, হলুদ ইত্যাদি জলো শল্কপত্র। 
- রসালো শল্কপত্র খাদ্য সঞ্চয় করে এবং কাক্ষিক মুকুলকে রক্ষা করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৩৮.
প্রতি এক ঘণ্টায় কতবার ঘড়ির মিনিটের এবং ঘণ্টার কাঁটা পরস্পর লম্বভাবে অবস্থান করে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. ৪ বার
সঠিক উত্তর:
২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রতি এক ঘণ্টায় কতবার ঘড়ির মিনিটের এবং ঘণ্টার কাঁটা পরস্পর লম্বভাবে অবস্থান করে?

সমাধান:
প্রতি এক ঘণ্টায় ঘড়ির মিনিটের কাঁটা ও ঘণ্টার কাঁটা ২ বার পরস্পর লম্বভাবে অবস্থান করে।
ঘড়ির ডায়ালের ডানদিকের অংশে ১ বার এবং বাম দিকের অংশে ১ বার এরূপ সমাবেশ ঘটে।
৩৯.
কিসের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন?
  1. আলোর
  2. শব্দের
  3. তাপের
  4. বেতারের
সঠিক উত্তর:
শব্দের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দের
ব্যাখ্যা
- অন্যান্য অপশনগুলোর তুলনায় অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে 'শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়' কে নেওয়া হয়েছে। 

শব্দ: 
- শব্দ এক প্রকার শক্তি। বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়। 
- জড় মাধ্যমের মধ্যে কোন বস্তুর কম্পন হলে মাধ্যমের কণাগুলো আন্দোলিত হয়ে তরঙ্গের সৃষ্টি করে। এই তরঙ্গ জড় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হয়ে আমাদের কানে প্রবেশ করে। 
- শব্দের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াতকে শব্দ সঞ্চালন বলে। 
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
- যেহেতু, শূন্য মাধ্যমে শব্দ সঞ্চারিত হতে পারে না, তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

অন্যদিকে, 
- তাপ পরিবহন ও তাপ পরিচলনের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়, কিন্তু বিকিরণের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। 
- শূন্য মাধ্যমেই আলোর বেগ সবচেয়ে বেশি। আলোক রশ্মি শূন্য মাধ্যম থেকে কোনো মাধ্যমে প্রবেশ করলে আলোর বেগ কমে যায়। 
- বেতার হলো তার ব্যতীত যোগাযোগের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এতে তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণ বা গ্রহণ করা হয়। 

উৎস: সপ্তম, বিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
জীনের রাসায়নিক গঠন উপাদানকে বলা হয় -
  1. DNA
  2. RNA
  3. ATP
  4. TNA
সঠিক উত্তর:
DNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNA
ব্যাখ্যা
- জীবের রাসায়নিক গঠন উপাদান DNA

DNA: 
- জিনের রাসায়নিক গঠন উপাদান হলো DNA. 
- এটি একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। 
- DNA এর পূর্ণরূপ হল Deoxyribonucleic acid এবং RNA এর পূর্ণরূপ হল Ribonucleic acid. 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১.
পানির অপেক্ষা সোনা কতগুণ ভারি?
  1. ১৭ গুণ
  2. ১৮ গুণ
  3. ১৯ গুণ
  4. ২০ গুণ
সঠিক উত্তর:
১৯ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ গুণ
ব্যাখ্যা
- এটি খুব ঘন।
- যদি পানির ঘনত্ব 1 g/cc হয় তাহলে সোনার ঘনত্ব পানির চেয়ে 19.3 গুণ বেশি।
- প্রতি গ্যালনে পানির ওজন প্রায় ৮.৩ পাউন্ড।
- তাই সোনার ওজন 19.3 গুণ বেশি বা (19.3 x 8.3 পাউন্ড) প্রতি গ্যালনে প্রায় 160 পাউন্ড। 
- পানি অপেক্ষা সোনা 19 গুণ ভারী। 
- তামা পানি অপেক্ষা 9 গুণ ভারী। 
৪২.
তামা ও টিনের মিশ্রণে কি তৈরি হয়?
  1. পিতল
  2. কাঁসা
  3. ব্রোঞ্জ
  4. ডুরালুমিন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[বি.দ্র: লাইভ পরীক্ষার প্রশ্নে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো]

সংকর ধাতু: 

- দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে। 
যেমন- 
- কাঁসা বা ব্রোঞ্জ হলো তামা ও টিনের সংকর ধাতু। 
- পিতল হলো তামা ও দস্তার (জিঙ্ক) সংকর ধাতু। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৩.
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত লিখতে ৯ সংখ্যাটি কতবার ব্যবহৃত হয়?
  1. ৯ বার
  2. ১০ বার
  3. ১৯ বার
  4. ২০ বার
সঠিক উত্তর:
২০ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত লিখতে ৯ সংখ্যাটি কতবার ব্যবহৃত হয়?

সমাধান:
১ থেকে ১০০ পযন্ত লিখতে ৯ সংখ্যাটি ব্যবহৃত হয় ৯, ১৯, ২৯, ৩৯, ৪৯, ৫৯, ৬৯, ৭৯, ৮৯, ৯০, ৯১, ৯২, ৯৩, ৯৪, ৯৫, ৯৬, ৯৭, ৯৮, ৯৯;
৯ সংখ্যাটি ৯৯ এ দুইবারসহ মোট ২০ বার ব্যবহৃত হয়।
৪৪.
মৌলিক সংখ্যা কোনটি?
  1. ৯১
  2. ১৪৩
  3. ৪৭
  4. ৮৭
সঠিক উত্তর:
৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মৌলিক সংখ্যা কোনটি?

সমাধান:
মৌলিক সংখ্যা: ১ এর চেয়ে বড় যে সকল সংখ্যাকে শুধু ১ এবং ঐ সংখ্যা ছাড়া আর কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না, তাদেরকে মৌলিক সংখ্যা বলে। 
অর্থাৎ মৌলিক সংখ্যার উৎপাদক হবে দুইটি: ১ এবং শুধুমাত্র সেই সংখ্যাটি।

১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মোট মৌলিক সংখ্যা ২৫টি। - এগুলো হলো - ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯, ৩১, ৩৭, ৪১, ৪৩, ৪৭, ৫৩, ৫৯, ৬১, ৬৭, ৭১, ৭৩, ৭৯, ৮৩, ৮৯, ৯৭।

৪৭ মৌলিক সংখ্যা।
৪৫.
বৃহত্তম সংখ্যা কোনটি?
  1. ১.১০৯
  2. ১.০৯৯
  3. ১.০৯৮
  4. ১.১০২
সঠিক উত্তর:
১.১০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১০৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বৃহত্তম সংখ্যা কোনটি?

সমাধান:
এখানে, ১.১০৯ > ১.১০২ > ১.০৯৯ > ১.০৯৮
∴ বৃহত্তম সংখ্যা ১.১০৯
৪৬.
(√2)/(√6 + 2) = কত?
  1. √3 + √2
  2. 3 - √2
  3. √3 - √2
  4. √3 + 2
সঠিক উত্তর:
√3 - √2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√3 - √2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (√2)/(√6 + 2) = কত?

সমাধান:
√2/(√6 + 2)
= √2/{√(3 × 2) + (√2)2}
= √2/{(√3√2) + (√2√2)}
= √2/{√2(√3 + √2)}
= 1/(√3 + √2)
= (√3 - √2)/(√3 + √2)(√3 - √2) [হর ও লবের সাথে (√3 - √2) গুণ করে]
= (√3 - √2)/{(√3)2 - (√2)2}
= (√3 - √2)/(3 - 2)
= √3 - √2
৪৭.
বছরের বৃহত্তম দিন কোনটি?
  1. ২৩ মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২৩ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
ব্যাখ্যা
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর : পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান থাকে।
৪৮.
জন্ডিস রোগে দেহের কোন অংশ আক্রান্ত হয়?
  1. লিভার
  2. মস্তিষ্ক
  3. চোখ
  4. কিডনী
সঠিক উত্তর:
লিভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিভার
ব্যাখ্যা
জন্ডিস কোন রোগ নয়, এটি রোগের লক্ষণমাত্র।
- রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস দেখা দেয়।
- আমাদের রক্তের লোহিত কণিকাগুলো একটা সময়ে স্বাভাবিক নিয়মেই ভেঙ্গে গিয়ে বিলিরুবিন তৈরি করে যা পরবর্তীতে লিভারে প্রক্রিয়াজাত হয়ে পিত্তরসের সাথে পিত্তনালীর মাধ্যমে পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করে।
- অন্ত্র থেকে বিলিরুবিন মলের সাথে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।
- বিলিরুবিনের এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় যে কোনো অসঙ্গতি দেখা দিলে রক্তে বিলিরুবিন বেড়ে যায় আর দেখা দেয় জন্ডিস।
৪৯.
বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. বাংলাদেশ
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষ দেশ - চীন।

এছাড়াও ইন্টারনেট ব্যবহারে - 
- দ্বিতীয় দেশ ভারত।
- তৃতীয় দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- চতুর্থ দেশ - ইন্দোনেশিয়া।
- পঞ্চম দেশ - ব্রাজিল।
- ষষ্ঠ দেশ - নাইজেরিয়া।
- সপ্তম দেশ - বাংলাদেশ।
- অষ্টম দেশ - রাশিয়া।
- নবম দেশ- জাপান।
- দশম দেশ - পাকিস্তান।
৫০.
পিসিকালচার বলতে কোনটি বোঝায়?
  1. হাঁস-মুরগির পালন
  2. মৌমাছি চাষ
  3. মৎস্য চাষ
  4. রেশম চাষ
সঠিক উত্তর:
মৎস্য চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৎস্য চাষ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিসিকালচার বলতে কোনটি বোঝায়?

সমাধান: 
সেরিকালচার বলতে রেশম পোকা পালন বোঝায়।
এপিকালচার বলতে মৌমাছি পালন বোঝায়।
পিসিকালচার বলতে মৎস পালন বোঝায়।
হর্টিকালচার বলতে উদ্যান পালন বোঝায়।