পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ০৩ আইন বিষয়াবলী - ২ Subject: The Code of Civil Procedure, 1908 Topic: Written Statement (Order 8), Appearance of Parties and Consequences of Non-Appearance (Order 9), Examination of Parties by the Court (Order 10), Discovery, Inspection, and Interrogatories (Order 11), Admission (Order 12), Production; Impounding and Return of Documents (Order 13) Framing of Issues (Order 14), Disposal of the Suit at the First Hearing (Order 15), Adjournment (Order 17), Hearing of the Suit and Examination of Witnesses (Order 18), Judgment and Decree (Order 20), Costs (Sections 35 & 35B).
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
আদেশ ৮ এর বিধি ৯ অনুসারে, লিখিত জবাব দাখিলের পরে নতুন কোন আরজি-জবাব সাধারণত-
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়াই গ্রহণযোগ্য
  2. শুধুমাত্র বিবাদী দাখিল করতে পারবেন
  3. আদালতের অনুমতি ব্যতীত দাখিল করা যাবে না
  4. বাদী ও বিবাদী উভয়ই স্বাধীনভাবে দাখিল করতে পারবেন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ. আদালতের অনুমতি ব্যতীত দাখিল করা যাবে না।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):

বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

.
দেওয়ানি আদালতের মামলা বিচার করার এখতিয়ার (jurisdiction) না থাকলে, উক্ত আদালত মামলার ব্যয় নির্ধারণের ক্ষমতা-
  1. প্রয়োগ করতে পারে
  2. প্রয়োগ করতে পারে না
  3. কেবল পক্ষদ্বয়ের আবেদনে প্রয়োগ করতে পারে
  4. কেবল হাইকোর্টের নির্দেশে প্রয়োগ করতে পারে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫- Costs (খরচের বিধান):
(১) যে নিয়ম বা সীমাবদ্ধতা বিধিবদ্ধ আছে, এবং বর্তমানে কার্যকর যে কোনো আইনের বিধানের অধীনে সব ধরনের মামলা এবং মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত সব ব্যয় (costs) আদালতের বিবেচনাধীন থাকবে।
আদালত সম্পূর্ণ ক্ষমতা রাখে- কার দ্বারা ব্যয় প্রদান করতে হবে, কোন সম্পত্তি থেকে ব্যয় আদায় করা হবে, এবং কোন মাত্রায় তা প্রদান করতে হবে- এসব নির্ধারণ করার জন্য, এবং এই উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সব নির্দেশ দেওয়ার জন্য।

আদালতের মামলাটি বিচার করার এখতিয়ার না থাকলেও, ব্যয় নির্ধারণের এই ক্ষমতা ব্যবহার করতে আদালত বাধাগ্রস্ত হবে না।

(২) যদি আদালত নির্দেশ দেয় যে ব্যয় মামলার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হবে না (costs shall not follow the event),
তাহলে আদালতকে অবশ্যই লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করতে হবে।

(৩) আদালত চাইলে ব্যয়ের ওপর বার্ষিক সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ হারে সুদ প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ ব্যয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে এবং ব্যয় হিসেবে আদায়যোগ্য হবে।

.
আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো পক্ষ তার আবেদন বা লিখিত আপত্তি দাখিল না করলে, সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত ব্যয় আরোপ করা যায়?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ২,০০০ টাকা
  4. ৩,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫খ: অন্তর্বর্তীকালীন (interlocutory) বিষয়সমূহে দেরিতে আবেদন বা লিখিত আপত্তি দাখিলের কারণে ব্যয়:
(১) যদি মামলার কোনো পর্যায়ে আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো পক্ষ তার আবেদন বা লিখিত আপত্তি দাখিল না করে, তাহলে ওই আবেদন বা লিখিত আপত্তি শুনানির জন্য গ্রহণযোগ্য হবে না, যতক্ষণ না উক্ত পক্ষ অপর পক্ষকে আদালত নির্ধারিত সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় পরিশোধ করে।

(২) যদি লিখিত বিবৃতি (Written Statement) দাখিলের পর কোনো পক্ষ এমন কোনো আবেদন করে, যা আদালতের মতে এর আগেই করা উচিত এবং সম্ভব ছিল, এবং যা মামলার মূল কার্যক্রমকে বিলম্বিত করার সম্ভাবনা রাখে, তাহলে আদালত আবেদনটি গ্রহণ করতে পারে; কিন্তু আবেদনটির শুনানি বা নিষ্পত্তি করবে না, যতক্ষণ না আবেদনকারী পক্ষ অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় পরিশোধ করে।

আর যদি ব্যয় পরিশোধ না করা হয়, তাহলে আবেদনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ (rejected) হিসেবে গণ্য হবে।

.
কোন পরিস্থিতিতে বিবাদীর শুনানি শুরু করার অধিকার থাকে?
  1. বাদী অনুপস্থিত থাকলে
  2. বাদী সাক্ষী না আনলে
  3. যখন বিবাদীর আইনজীবী উপস্থিত থাকে না
  4. বিবাদী বাদীর তথ্য স্বীকার করে বাদীর প্রতিকার চ্যালেঞ্জ করলে
ব্যাখ্যা

শুরু করার অধিকার (Order 18, Rule 1):
সাধারণভাবে মামলার শুনানি শুরু করার অধিকার বাদীর (plaintiff) রয়েছে। তবে, যদি বিবাদী (defendant) বাদীর উত্থাপিত তথ্যসমূহ স্বীকার করে এবং দাবি করে যে, আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে (point of law) অথবা বিবাদীর উল্লেখিত অতিরিক্ত কোনো তথ্যের ভিত্তিতে বাদী তার চাওয়া কোনও প্রতিকার (relief) পাওয়ার অধিকারী নন, তাহলে এই বিশেষ পরিস্থিতিতে শুনানি শুরু করার অধিকার বিবাদীর (defendant) থাকবে।

Right to Begin (Order 18 Rule 1)
The plaintiff has the right to begin unless the defendant admits the facts alleged by the plaintiff and contends that either in point of law or on some additional facts alleged by the defendant the plaintiff is not entitled to any part of the relief which he seeks, in which case the defendant has the right to begin.

.
আদেশ ৯ বিধি ৮ মামলার শুনানীর কোন পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কিত?
  1. বাদী ও বিবাদী উভয় অনুপস্থিত
  2. কেবল বিবাদী উপস্থিত, বাদী অনুপস্থিত
  3. কেবল বাদী উপস্থিত, বিবাদী অনুপস্থিত
  4. বাদী ও বিবাদী উভয় উপস্থিত
ব্যাখ্যা

আদেশ ৯ বিধি ৮: যেখানে বিবাদী উপস্থিত থাকে কিন্তু বাদী অনুপস্থিত থাকে:
যখন মামলাটি শুনানির জন্য ডাকলে বিবাদী উপস্থিত থাকে কিন্তু বাদী উপস্থিত থাকে না, তখন আদালত মামলা খারিজ করার আদেশ দেবে।
কিন্তু, যদি বিবাদী বাদীর দাবি বা তার কোনো অংশ স্বীকার করে, তাহলে স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করবে, এবং দাবির যেই অংশ স্বীকার করা হয়নি, সেই অংশের জন্য মামলা খারিজ করবে।

.
Peremptory hearing পর্যায়ে আদালত খরচসহ সর্বোচ্চ কয়টি মুলতবি দিতে পারে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ৩টি।

আদেশ ১৭ বিধি ১(৪):
কোডে (Code) যা-ই থাকুক না কেন, মামলার peremptory hearing পর্যায় এবং তার পর থেকে আদালত কোনো পক্ষের আবেদনে মামলার মুলতবি (adjournment) দেবে না।

তবে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে যদি এই উপ-বিধির অধীনে কোনো পক্ষকে মুলতবি দেওয়া হয়, তাহলে আদালত সেই পক্ষকে নির্দেশ দেবে যে,
সে যেন অপর পক্ষকে দুই শত টাকার কম নয় এবং এক হাজার টাকার বেশি নয়—এমন পরিমাণ খরচ (cost) প্রদান করে, আদালত নির্ধারণ করে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে।

এ নির্দেশ অমান্য করলে-
- বাদী (plaintiff) খরচ প্রদান না করলে মামলাটি খারিজ (dismissed) হয়ে যাবে;
- বিবাদী (defendant) খরচ প্রদান না করলে মামলাটি একতরফা (ex parte) হিসেবে নিষ্পত্তিযোগ্য হবে।

উপরোক্ত খরচসহ মুলতবি প্রদান করা হলেও, আদালত কোনো পক্ষকে সর্বোচ্চ তিনটির বেশি মুলতবি দিতে পারবে না।

.
The summons mentioned in the Rule 4 of Order 15 must be issued for-
  1. Examination of witnesses
  2. Final disposal of the suit
  3. Settlement of preliminary issues
  4. Taking written statements
ব্যাখ্যা

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.

আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

.
আদেশ ১০ বিধি ৪ অনুযায়ী নির্দেশিত দিনে কোনো পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হলে, আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. তার বিরুদ্ধে রায় দিতে পারে
  3. উক্ত পক্ষকে নোটিশ পাঠাবে
  4. শুনানি পুনরায় শুরু করবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) তার বিরুদ্ধে রায় দিতে পারে।

আদেশ ১০ বিধি ৪: আইনজীবী (pleader) গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারলে ফলাফল:

(১) যে পক্ষ আইনজীবীর মাধ্যমে উপস্থিত হয়েছে, যদি সেই আইনজীবী (pleader) অথবা আইনজীবীর সাথে থাকা ব্যক্তি (Rule 2 অনুযায়ী), মামলার সাথে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে অথবা উত্তর দিতে অক্ষম হয়,
এবং আদালতের মত অনুযায়ী- সেই প্রশ্নের উত্তর পক্ষ নিজে দিতে পারতেন (যদি তাকে ব্যক্তিগতভাবে জিজ্ঞেস করা হতো), তাহলে আদালত মামলার শুনানি স্থগিত করতে পারে, এবং ঐ পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ তারিখে।

(২): যদি ঐ পক্ষ বৈধ অজুহাত ছাড়াই ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয়, তাহলে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় (judgment) দিতে পারে, অথবা মামলার স্বার্থে প্রয়োজনীয় অন্য কোনো আদেশ দিতে পারে।

.
আদেশ ১২ বিধি ৯ অনুযায়ী নোটিশে অপ্রয়োজনীয় নথি উল্লেখ থাকলে এর ফলাফল কী?
  1. নথি বাতিল হয়ে যায়
  2. মামলা খারিজ হয়
  3. আদালত নোটিশ অবৈধ ঘোষণা করবে
  4. নোটিশ প্রদানকারী পক্ষ খরচ বহন করবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ৯- খরচ:
যদি কোনো নোটিশে (নথি স্বীকার বা উপস্থাপনের জন্য প্রদত্ত নোটিশ) এমন নথির উল্লেখ করা হয়, যা অপ্রয়োজনীয় বা মামলার জন্য প্রয়োজনীয় নয়, তাহলে ঐ নোটিশের কারণে যে খরচ সৃষ্টি হবে, তা নোটিশ প্রদানকারী পক্ষকেই বহন করতে হবে।

১০.
আদালত কোন বিধি অনুযায়ী ইস্যু নির্ধারণের আগে আদালত সাক্ষী বা নথি পরীক্ষা করতে পারে?
  1. আদেশ ১৪ বিধি ৩
  2. আদেশ ১৪ বিধি ৪
  3. আদেশ ১৪ বিধি ৫
  4. আদেশ ১৪ বিধি ৬
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৪ বিধি ৪: ইস্যু নির্ধারণের আগে আদালত সাক্ষী বা নথি পরীক্ষা করতে পারে:
যদি আদালতের মনে হয় যে ইস্যু (issues) সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যাবে না- কোনো ব্যক্তি, যিনি আদালতে উপস্থিত নেই, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ (examination) করা ছাড়া, অথবা মামলায় এখনো জমা না দেওয়া কোনো নথি পরীক্ষা করা ছাড়া, তাহলে আদালত ইস্যু নির্ধারণ (framing of issues) পিছিয়ে দিতে পারে, তবে সেই সময়সীমা ১৫ দিনের বেশি হতে পারবে না।

এ ছাড়া আদালত, বর্তমান প্রচলিত আইনের অধীনে সেই ব্যক্তিকে সমন বা অন্যান্য প্রক্রিয়া ব্যবহার করে হাজির করতে পারে, অথবা  যার কাছে নথিটি আছে তাকে নথি জমা দিতে বাধ্য করতে পারে।

১১.
একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হলে, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক অনুযায়ী বাদীকে প্রদত্ত নোটিশের খরচ কে বহন করবে?
  1. আদালত
  2. বাদী
  3. বিবাদী
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত পক্ষ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল:
(১) বিধি-১৩ বা অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানোর এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে বিবাদীকে বিধি-১৩ অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন ছাড়াই সরাসরি ডিক্রি রদ করতে পারবে, তবে আদালত বিবাদীকে অনধিক তিন হাজার টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে:

শর্ত থাকে যে, আদালত এই বিধির অধীনে ডিক্রি রদ করবে না, যদি না বিবাদী, যিনি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করেছেন, ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ডিক্রি রদের জন্য একটি আবেদনপত্র, এফিডেভিট সহ, আদালতে জমা দেন।

আরও শর্ত থাকে যে, একই বিবাদীর পক্ষ থেকে এই বিধির অধীনে একাধিকবার ডিক্রি রদ করা যাবে না।

(২) উপ-বিধি (১) অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হওয়ার সাথে সাথে আদালত বাদীকে এ বিষয়ে নোটিশ প্রদান করবে, এবং এর খরচ বিবাদী বহন করবে।

১২.
Order 13, Rule 7 অনুযায়ী কোন নথি মামলার রেকর্ডের অংশ হবে?
  1. শুধু মূল নথি
  2. আদালতে উপস্থাপিত সব নথি
  3. আদালত যেগুলো প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেছে
  4. আদালত যেগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে
ব্যাখ্যা

Order 13, Rule 7: গ্রহণযোগ্য (admitted) নথি রেকর্ডে যুক্ত হওয়া:
(১) যে কোনো নথি আদালত প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেছে (admitted in evidence), অথবা নিয়ম ৫ অনুযায়ী মূল নথির পরিবর্তে যদি কোনো প্রতিলিপি (copy) গ্রহণ করা হয়ে থাকে, তাহলে সেই নথি বা নথির কপি মামলার রেকর্ডের অংশ হয়ে যাবে।

অর্থাৎ, প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা সব নথিই রেকর্ডে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত থাকে।

(২): যে কোনো নথি আদালত প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেনি (not admitted in evidence)-
- তা মামলার রেকর্ডের অংশ হবে না,
- এবং সেই নথি যিনি জমা দিয়েছিলেন তাকে ফেরত দেওয়া হবে।

১৩.
রায় ঘোষণার পর কিন্তু ডিক্রিতে স্বাক্ষর করার আগে বিচারকের পদ খালি হলে-
  1. রায় বাতিল হয়ে যায়
  2. মামলাটি নতুন করে শুনানি করতে হয়
  3. ডিক্রি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়ে যায়
  4. পরবর্তী বিচারক ডিক্রিতে স্বাক্ষর করতে পারেন
ব্যাখ্যা

Order 20, Rule 8- Procedure where Judge has vacated office before signing decree:
যদি কোনো বিচারক রায় ঘোষণা করার পর কিন্তু ডিক্রিতে স্বাক্ষর করার আগেই পদত্যাগ করেন, অবসর নেন বা তার পদ খালি হয়ে যায়, তাহলে সেই রায় অনুযায়ী প্রস্তুত করা ডিক্রিতে পরবর্তী বিচারক (successor judge) স্বাক্ষর করতে পারবেন।

আর যদি সেই আদালতই আর অস্তিত্ব না থাকে, তাহলে যে আদালতের অধীন (subordinate) ছিল সেই আদালত, সেই আদালতের বিচারক ডিক্রিতে স্বাক্ষর করতে পারবেন।

অর্থাৎ, বিচারক বদল হলেও রায় অনুযায়ী ডিক্রি দেওয়া বাধাগ্রস্ত হয় না।

১৪.
কোন কারণে interrogatory–র বিরুদ্ধে আপত্তি তোলা যেতে পারে?
  1. প্রশ্নটি অশালীন হলে
  2. প্রশ্নটি অপ্রাসঙ্গিক হলে
  3. প্রশ্নটি bona fide উদ্দেশ্যে না করা হলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

আদেশ ১১ বিধি ৬: জিজ্ঞাসাবাদের (interrogatories) উত্তরে আপত্তি তোলার বিধান:
কোনো interrogatory (লিখিত প্রশ্ন) এর উত্তর না দেওয়ার জন্য যদি কোনো পক্ষ মনে করে যে- প্রশ্নটি অশালীন / কুরুচিপূর্ণ (scandalous), অথবা অপ্রাসঙ্গিক (irrelevant), অথবা মামলার স্বার্থে সৎ উদ্দেশ্যে (bona fide) করা হয়নি, অথবা মামলার সেই পর্যায়ে প্রশ্নটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নয়, অথবা অন্য যে কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে উত্তর দেওয়া প্রয়োজন নেই, তাহলে সে পক্ষ তার উত্তর-শপথনামা (affidavit in answer)-এ এই আপত্তিগুলো উল্লেখ করতে পারবে।

১৫.
কোনো পক্ষ কীভাবে অন্য পক্ষের মামলার অংশ বা পুরো সত্যতা স্বীকার করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র মৌখিকভাবে
  2. শুধুমাত্র আদালতের মাধ্যমে আবেদন করে
  3. শুধুমাত্র প্লিডিং এর মাধ্যমে
  4. প্লিডিং বা অন্য কোনো লিখিত নোটিশ দিয়ে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ১:
কোনো মোকদ্দমার পক্ষ তার বিবৃতি (pleading) বা অন্য কোনো লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানাতে পারে যে- সে অপর কোনো পক্ষের মামলার পুরোটা অথবা কোনো অংশের সত্যতা স্বীকার করছে।

Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.

১৬.
Order 9 Rule 12 এর বিধান কোন পক্ষের জন্য প্রযোজ্য?
  1. শুধু বাদী
  2. শুধু বিবাদী
  3. শুধু সাক্ষী
  4. বাদী ও বিবাদী উভয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বাদী ও বিবাদী উভয়।

আদেশ ৯ বিধি ১২: ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ পাওয়া সত্ত্বেও পক্ষ অনুপস্থিত থাকলে ফলাফল:

যদি কোনো বাদী বা বিবাদী, যাকে আদালত ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে আদেশ দিয়েছে, সে ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং আদালতকে সন্তুষ্ট করার মতো যথেষ্ট কারণ দেখাতে না পারে, তবে সেই পক্ষের ক্ষেত্রে আদালত আগের নিয়মগুলোর (উপরের নিয়মসমূহ) অধীনে যে বিধান আছে, ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হওয়া বাদী বা বিবাদীর জন্য যে পরিণতি নির্ধারিত,
সেগুলোই প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ,
- যদি বাদী হাজির না হয়, মামলা খারিজ হতে পারে,
- যদি বিবাদী হাজির না হয়, Ex-parte ডিক্রি হতে পারে, ইত্যাদি।

১৭.
কোনো পক্ষ সময় পেয়েও যদি সাক্ষীদের উপস্থিত করাতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত আদেশ ১৭ বিধি ৩ অনুযায়ী-
  1. মামলা স্থগিত করবে
  2. জরিমানা করবে
  3. মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে
  4. উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দিবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৭ বিধি ৩: যে কোনো পক্ষ প্রমাণ হাজিরে ব্যর্থ হলেও আদালত বিচার চালিয়ে যেতে পারে:
কোনো মামলার কোনো পক্ষকে সময় দেওয়া হলে এবং সে পক্ষ নিজের প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়, অথবা তার সাক্ষীদের হাজির করাতে ব্যর্থ হয়, অথবা মামলার অগ্রগতির জন্য প্রয়োজনীয় অন্য কোনো কাজ, যার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল, তা সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত, ওই পক্ষের এমন ব্যর্থতা বা অনুপস্থিতি সত্ত্বেও, অবিলম্বে মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য এগিয়ে যেতে ও রায় দিতে পারে।

১৮.
আদেশ ১৫ বিধি–২ অনুযায়ী কোন বিবাদীর ক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় দিতে পারে?
  1.  যার বিরুদ্ধে বাদীর স্পষ্ট প্রমাণ আছে
  2. যার সঙ্গে বাদীর কোনো বিরোধ নেই
  3. যে বিবাদী সাক্ষী হাজির করে না
  4. যে বিবাদী অনুপস্থিত থাকে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৫ বিধি-২: বহু বিবাদীর মধ্যে কোন একজনের বিরুদ্ধে বিচার্য বিষয় না থাকলে:
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে এবং আইন কিংবা ঘটনার কোন প্রশ্নে বিবাদীদের কোন একজনের সাথে বাদীর সঙ্গে কোন বিরোধ না থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত তখনই ঐ বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে এবং মোকদ্দমা শুধু অন্যান্য বিবাদীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হবে।

Order 15 Rule-2: One of several defendants not at issue:
Where there are more defendants than one, and any one of the defendants is not at issue with the plaintiff on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment for or against such defendant and the suit shall proceed only against the other defendants.

১৯.
Notice to admit facts কে দিতে পারে?
  1. শুধু বাদী
  2. শুধু বিবাদী
  3. মামলার যেকোনো পক্ষ
  4. কেবল আদালত
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ৪:
মামলার শুনানির তারিখের কমপক্ষে নয় দিন আগে, মামলার যেকোনো পক্ষ লিখিত নোটিশের মাধ্যমে অন্য পক্ষকে অনুরোধ করতে পারে যেন সে মামলার স্বার্থে নোটিশে উল্লেখ করা যে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য স্বীকার করে। নোটিশ দেওয়ার পর ছয় দিনের মধ্যে, অথবা আদালত যে অতিরিক্ত সময় দেবে, তার মধ্যে যদি অপর পক্ষ সেই তথ্য স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা উপেক্ষা করে, তাহলে—
 সেই তথ্য প্রমাণ করতে যে খরচ হবে, মামলার ফলাফল যাই হোক না কেন, অস্বীকারকারী পক্ষকেই সেই খরচ বহন করতে হবে, যদি না আদালত ভিন্ন কোনো নির্দেশ দেয়।

এছাড়া নোটিশের ভিত্তিতে যে কোনো স্বীকারোক্তি করা হবে, তা শুধুমাত্র এই মামলার উদ্দেশ্যে কার্যকর হবে। অন্য কোনো মামলায় বা অন্য কারও পক্ষে এটি ব্যবহার করা যাবে না।

আদালত প্রয়োজন হলে ন্যায্য শর্তে যে কোনো সময় পক্ষকে তার করা স্বীকারোক্তি পরিমার্জন বা প্রত্যাহার করার অনুমতিও দিতে পারে।

২০.
Order 18 Rule 4A অনুযায়ী হলফনামা আদালতে জমা দেওয়ার আগে কী বাধ্যতামূলক?
  1. ফি প্রদান
  2. আদালতের অনুমতি
  3. বিপক্ষ পক্ষকে এক কপি প্রদান করা
  4. সাক্ষীকে এক কপি প্রদান করা
ব্যাখ্যা

Order XVIII, Rule 4A- Examination-in-chief on affidavit and admissibility of documents:
(১) এই কোড বা Evidence Act, 1872–এ ভিন্ন কিছু থাকলেও তা সত্ত্বেও আরজি (plaint) বা লিখিত জবাবে (written statement) যে তথ্য উল্লেখ আছে, বাদী বা বিবাদীকে মৌখিকভাবে (orally) সেগুলো পুনরায় বলতে বা অস্বীকার করতে হবে না।

(২) প্রত্যেক ক্ষেত্রে, বাদী বা বিবাদীর Examination-in-chief (প্রধান জবানবন্দি) হবে হলফনামার (affidavit) মাধ্যমে। এরপর তিনি জেরা (cross-examination) হতে পারবেন, এবং প্রয়োজনে পুনঃজেরা (re-examination)–ও হতে পারে।

প্রথম শর্ত (Proviso 1)-
হলফনামা আদালতে জমা দেওয়ার আগে এক কপি বিপক্ষ পক্ষকে অবশ্যই সরবরাহ করতে হবে।

দ্বিতীয় শর্ত (Proviso 2)-
যদি হলফনামার সঙ্গে কোনো নথি দাখিল করা হয় এবং পক্ষসমূহ সেই নথির ওপর নির্ভর করে, তাহলে ঐ নথির প্রমাণ (proof) ও গ্রহণযোগ্যতা (admissibility) আদালতের আদেশের ওপর নির্ভর করবে।

২১.
জবানবন্দির সারমর্ম কোথায় অন্তর্ভুক্ত হবে?
  1. আপিল রেকর্ডে
  2. মামলার নথিতে
  3. আলাদা রেজিস্টারে
  4. মৌখিক বক্তব্য হিসেবে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

বিধি-৩: জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত হতে হবে-
জবানবন্দির সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে এবং তা নথির অংশে পরিণত হবে।

[Rule.-3: Substance of examination to be written-
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record]

২২.
Set-off দাবি করা হলে ডিক্রির আপিলের অধিকার-
  1. বাতিল হয়ে যায়
  2. পরিবর্তিত হয়
  3. কেবল বাদীর থাকে
  4. পরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা

Order 20, Rule 19- Decree when set-off is allowed:
(১) Set-off গ্রহণযোগ্য হলে ডিক্রি কীভাবে হবে-
যখন বিবাদীর set-off (বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর পাল্টা দাবির সমন্বয়) গ্রহণ করা হয়, তখন আদালতের ডিক্রিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে- বাদীর প্রতি কত টাকা প্রাপ্য, এবং বিবাদীর প্রতি কত টাকা প্রাপ্য। এবং ডিক্রি হবে যে পক্ষের পাওনা থাকে, সেই পক্ষের পাওনা আদায়ের জন্য।

(২) Set-off সম্পর্কিত ডিক্রির আপিলযোগ্যতা
যে মামলায় set-off দাবি করা হয়েছে, সেই মামলার ডিক্রি একইভাবে আপিলযোগ্য, যেমনটি হতো যদি কোনো set-off দাবি না করা হতো। অর্থাৎ, set-off দাবি করার কারণে ডিক্রির আপিলের অধিকার বদলায় না।

(৩) এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে-set-off Order 8, Rule 6 অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য হোক বা অন্য কোনো কারণে হোক সবক্ষেত্রেই এই বিধান প্রযোজ্য।

২৩.
Order 11, Rule 1 অনুযায়ী interrogatories দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  2. ইস্যু নির্ধারণের ৭ দিনের মধ্যে
  3. ইস্যু নির্ধারণের ১০ দিনের মধ্যে
  4. ইস্যু নির্ধারণের ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

(Order 11, Rule 1 – জিজ্ঞাসাবাদ দ্বারা অনুসন্ধান):
যেকোনো মামলায়, বাদী বা বিবাদী আদালতের অনুমতি নিয়ে ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে প্রতিপক্ষ বা প্রতিপক্ষের মধ্যে একজন বা একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লিখিত প্রশ্নাবলি (interrogatories) দিতে পারে।
এই প্রশ্নাবলি দাখিল করার সময় এর নিচের অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে- কোন প্রশ্নগুলোর উত্তর কোন ব্যক্তি/ব্যক্তিদের দিতে হবে।

প্রথম শর্ত:
একই পক্ষকে উদ্দেশ্য করে কোনো পক্ষ একাধিক সেট interrogatories (প্রশ্নাবলি) দিতে পারবে না, যদি না এ বিষয়ে আদালত বিশেষ আদেশ প্রদান করে।

দ্বিতীয় শর্ত:
যেসব interrogatories মামলার বিরোধপূর্ণ বিষয়ে (matters in question) সম্পর্কিত নয়, সেগুলো অপ্রাসঙ্গিক (irrelevant) বলে গণ্য হবে—যদিও সাক্ষীর মৌখিক জিজ্ঞাসাবাদের সময় এগুলো গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

২৪.
Under Rule 8 of Order 14, The maximum time allowed for fixing the date of final hearing is-
  1. 30 days
  2. 60 days
  3. 90 days
  4. 120 days
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14, Rule-8. Fixing date for final hearing:
After the issues are framed, the Court shall, within one hundred and twenty days thereof, fix a date for final hearing of the suit.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৪, বিধি-৮: চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ:
ইস্যু নির্ধারণের পর, আদালত একশত বিশ (১২০) দিনের মধ্যে মামলার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবে।

২৫.
'The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court'- কত বিধিতে বলা আছে?
  1. আদেশ ১৮ বিধি ২
  2. আদেশ ১৮ বিধি ৪
  3. আদেশ ১৮ বিধি ৬
  4. আদেশ ১৮ বিধি ৮
ব্যাখ্যা

Order 18, Rule 4- Witnesses to be examined in open Court:
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪- প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি:
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

২৬.
আদেশ ২০ বিধি ৬ অনুযায়ী ডিক্রির সাথে কোনটির সাদৃশ্য থাকতে হবে?
  1. রায়ের
  2. সাক্ষীর বয়ানের
  3. আরজি এবং লিখিত জবাবের
  4. আদালতের আদেশের
ব্যাখ্যা

আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।

২৭.
আদেশ ১২ বিধি ২ অনুযায়ী এক পক্ষ অন্য পক্ষকে কোন বিষয়ে নোটিশ দিতে পারে?
  1. ঘটনা স্বীকার করতে
  2. দলিল স্বীকার করতে
  3. আদালতে হাজির হতে
  4. সাক্ষীর তালিকা জমা দিতে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ২: দলিল স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে পারে, যাতে বলা হয় যে, তারা পনেরো দিনের মধ্যে কোনো দলিল স্বীকার করবে, তবে উপযুক্ত ব্যতিক্রম ছাড়া। যদি অন্য পক্ষ তা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বা অবহেলা করে, তবে দলিল প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে, যেহেতু তারা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তবে আদালত যদি অন্যভাবে নির্দেশ না দেয়।

২৮.
আদেশ ১৩ বিধি ১০ এর অধীনে শপথনামায় কোন বিষয় উল্লেখ করা আবশ্যক?
  1. মামলা বাতিলের কারণ
  2. তলবকৃত রেকর্ডের প্রয়োজনীয়তা
  3. মামলাটি চলমান রাখার কারণ
  4. তলবকৃত রেকর্ড সাক্ষ্য আইনের অধীনে অগ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৩ বিধি ১০: আদালতের নিজ নথি বা অন্যান্য আদালত থেকে নথি তলবের ক্ষমতা:
(১) আদালত নিজের উদ্যোগে (suo motu), অথবা মামলার যে কোনো পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তার বিবেচনায়— নিজেদের রেকর্ড থেকে বা অন্য কোনো আদালত থেকে অন্য কোনো মামলা বা কার্যধারার রেকর্ড তলব করতে পারে এবং সেই রেকর্ড পরিদর্শন করতে পারে।

(২) এই বিধির অধীনে করা প্রতিটি আবেদনকে (যদি না আদালত ভিন্ন নির্দেশ দেয়) শপথনামা দ্বারা সমর্থিত হতে হবে, যেখানে উল্লেখ থাকবে- তলবকৃত রেকর্ডটি কীভাবে বর্তমান মামলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বা প্রয়োজনীয়, এবং আবেদনকারী যুক্তিসঙ্গত সময় বা ব্যয় ছাড়া ঐ রেকর্ড কিংবা তার প্রয়োজনীয় অংশের প্রামাণিক নকল কপি সংগ্রহ করতে সক্ষম নয়, অথবা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আসল নথি উপস্থাপন করা প্রয়োজন।

(৩) এই বিধির কোনোকিছুই এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না যাতে আদালত এমন কোনো নথিকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে
যা সাক্ষ্য আইনের অধীনে অগ্রহণযোগ্য (inadmissible)।

২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি ১ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করবে না?
  1. বাদী উপস্থিত না থাকলে
  2. মামলা আপিলঅযোগ্য হলে
  3. কোনো পক্ষ নতুন আবেদন করলে
  4. বিবাদী প্রথম শুনানিতে আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ১(৬) অনুযায়ী -
“মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে, এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করবে না।”

অর্থাৎ, যদি বিবাদী তার লিখিত জবাব দাখিল না করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন না করে, তবে আদালত বিচার্য বিষয় (Issues) নির্ধারণ করবে না, কারণ তখন বাদীর বক্তব্য একতরফা (ex parte) অবস্থায় থেকে যায় - বিরোধের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

৩০.
যদি সমন শুধু বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য দেওয়া হয় এবং পক্ষ বা উকিলদের কোনো আপত্তি না থাকে, আদালত আদেশ-১৫, বিধি ৩ অনুসারে কী করতে পারেন?
  1. মামলা খারিজ করতে পারেন
  2. বিচার্য বিষয় অনুযায়ী রায় দিতে পারেন
  3. মামলা অন্য আদালতে পাঠাতে পারেন
  4. মামলা স্থগিত করতে পারেন
ব্যাখ্যা

আদেশ-১৫, বিধি ৩-
১) যদি মামলার পক্ষদের মধ্যে আইন বা ঘটনার কোনো প্রশ্ন বিচারযোগ্য হয় এবং আদালত আগে থেকেই বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করে থাকে, তবে আদালত যদি মনে করেন যে আরও যুক্তি বা প্রমাণের দরকার নেই এবং তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করলে কারো প্রতি অবিচার হবে না, তাহলে আদালত সরাসরি বিচার্য বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করে রায় দিতে পারেন।

তবে, যদি শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য সমন দেওয়া হয়ে থাকে এবং মামলার পক্ষ বা তাদের উকিল উপস্থিত থেকে কোনো আপত্তি না করেন, তাহলে আদালত সেই অনুযায়ী রায় ঘোষণা করতে পারেন।

২) কিন্তু, যদি আদালত মনে করেন যে পর্যাপ্ত প্রমাণ বা যুক্তি উপস্থাপিত হয়নি, তাহলে তিনি মামলার অতিরিক্ত শুনানি স্থগিত রাখতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য বা যুক্তি উপস্থাপনের জন্য সময় নির্ধারণ করতে পারেন।