[অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]
'তিলে তৈল হয়' - অপাদানে সপ্তমী।
কিন্তু 'তিলে তৈল আছে'- অধিকরণে সপ্তমী।
⇒ অপাদান কারক:
- যা থেকে কোনাে কিছু উৎপত্তি, বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয়, তাকে বলা হয় অপাদান কারক।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা হতে, কি থেকে, কিসের থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করলে উত্তরে যে কারক পাওয়া যায়, তা-ই হলাে অপাদান কারক।
যেমন:
⇒ তিলে তৈল হয়।- বাক্যকে কি থেকে তেল হয়? দ্বারা প্রশ্ন কররে উত্তর পাওয়া যায় ‘তিলে’। সুতরাং এ বিভক্তি যোগে ‘তিলে’ অপাদান কারকে সপ্তমী।
• অপাদান কারকের এরূপ কিছু উদাহরণ হলো:
- এ বনে বাঘের ভয় = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি,
- মেঘ থেকে বৃষ্টি হয় = অপাদান কারকে ৫মী বিভক্তি,
- তিলে তৈল হয় = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি,
- তিথির চেয়ে বিথী বড় = অপাদান কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি,
- পরাজয়ে ডরে না বীর = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি,
- ছাদ থেকে পানি পড়ে = অপাদান কারকে৫মী বিভক্তি।
অন্যদিকে,
⇒ অধিকরণ কারক:
ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বােঝায়।
অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনাে বিষয় বােঝাতে অধিকরণ কারক হয়।
- অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
যেমন:
- আধার (স্থান) : তিলে তৈল আছে।- বাক্যকে কোথায় তেল আছে? প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় (তিলের সারা অংশব্যাপী)।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।