পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৮ চুম্বক, চৌম্বকত্ব, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার। এবং স্থির তড়িৎ, চল তড়িৎ, ইলেক্ট্রনিক্স। [ক্লাস ১০ ও ১১]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি তড়িৎ বলরেখার ধর্ম নয়?
  1. তড়িৎ বলরেখা খোলা বক্র রেখা।
  2. বলরেখাগুলো পরস্পরকে ছেদ করে।
  3. বলরেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্বচাপ প্রয়োগ করে।
  4. তড়িৎ বলরেখাগুলো ধনাত্মক আধান থেকে উৎপন্ন হয়ে ঋণাত্মক আধানে শেষ হয়।
সঠিক উত্তর:
বলরেখাগুলো পরস্পরকে ছেদ করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলরেখাগুলো পরস্পরকে ছেদ করে।
ব্যাখ্যা
তড়িৎ বলরেখার ধর্ম:
তড়িৎ বলরেখার ধর্ম নিম্নে বর্ণনা করা হলো:
১. তড়িৎ বলরেখা খোলা বক্র রেখা।
২. তড়িৎ বলরেখাগুলো ধনাত্মক আধান থেকে উৎপন্ন হয়ে ঋণাত্মক আধানে শেষ হয়। পরিবাহীর অভ্যন্তরে কোনো বলরেখা থাকে না ।
৩. বলরেখাগুলো পরস্পরকে ছেদ করে না ।
৪. বলরেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্বচাপ প্রয়োগ করে।
৫. বলরেখাগুলো স্থিতিস্থাপক বস্তুর মতো দৈর্ঘ্য বরাবর সংকুচিত হয় ।
৬. বলরেখাগুলো ধনাত্মক আধানে আহিত পরিবাহীর পৃষ্ঠ থেকে লম্বভাবে বের হয় আর ঋণাত্মক পরিবাহীর পৃষ্ঠের সাথে
লম্বভাবে প্রবেশ করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সলিনয়েডের মধ্যে এক খন্ড লৌহ স্থাপন করলে তা -
  1. ক) তড়িৎ আধারে পরিণত হয়
  2. খ) ইলেক্ট্রন নির্গত করে
  3. গ) ইস্পাতে পরিণত হয়
  4. ঘ) তড়িৎ চুম্বকে পরিণত হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎ চুম্বকে পরিণত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎ চুম্বকে পরিণত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সলিনয়েডের মধ্যে এক খন্ড লৌহ স্থাপন করলে তা তড়িৎ চুম্বকে পরিণত হয়।

একটি লম্বা অন্তরীত পরিবাহী তারকে স্প্রিং-এর মতাে বহুপাকে ঘন সন্নিবিষ্ট করে সাজিয়ে বা কয়েল তৈরি করে তা দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চালনা করলে একটি দন্ড চুম্বকের ন্যায় চৌম্বকক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। এরকম কুন্ডলীকে সলিনয়েড বলে।

যতক্ষণ পর্যন্ত তড়িৎ প্রবাহ চলবে ততক্ষণ পর্যন্ত লোহার দন্ডটি শক্তিশালী চুম্বক হিসাবে কাজ করবে। কিন্তু তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করলে এর চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হবে। স্পষ্টত:ই এটি অস্থায়ী চুম্বক। এ ধরনের চুম্বককে তড়িৎচুম্বক বলা হয়। সিলিন্ডারের মধ্যে কাঁটা লোহার পরিবর্তে ইস্পাতের দণ্ড ব্যবহার করলে সেটি স্থায়ী চুম্বকে পরিণত হবে।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
1 MeV =?
  1. ক) 1.6 × 10-19 J
  2. খ) 1.6 × 10-17 J
  3. গ) 1.6 × 10-15 J
  4. ঘ) 1.6 × 10-13 J
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1.6 × 10-13 J
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1.6 × 10-13 J
ব্যাখ্যা
সংজ্ঞা: 1V বিভব পার্থক্যের দুটি বিন্দুর একটি থেকে অন্যটিতে একটি ইলেকট্রন স্থানান্ত্র করতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তাকে এক ইলেকট্রন ভোল্ট বা সংক্ষেপে 1eV বলে ।
:. 1eV = একটি ইলেকট্রনের আধান × 1 ভোল্ট [কাজ=আধান × বিভব পার্থক্য]
= 1.6 × 10-19 C × 1v
= 1.6 x 10-19 C × 1J/1C
= 1.6 × 10-19 J

আবার এক ইলেকট্রন ভোল্টের দশ লক্ষগুণ অর্থাৎ 106 গুণ বড় একককে বলে মিলিয়ন ইলেকট্রন ভোল্ট বা মেগা ইলেকট্রন
ভোল্ট (MeV)।
1MeV = 106 eV
=1.6 × 10-19 × 106 J
= 1.6 × 10-13 J
এবং 1 GeV (1Giga electron volt) = 1012 eV

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সরাসরি হৃৎপিণ্ড দিয়ে সর্বনিম্ন কী পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে মানুষ মারা যেতে পারে?
  1. ক) 1000 A
  2. খ) 100 A
  3. গ) 10 mA
  4. ঘ) 0.05 mA
সঠিক উত্তর:
গ) 10 mA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 10 mA
ব্যাখ্যা
- সরাসরি হৃৎপিণ্ডের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ চলে গেলে মাত্র 10mA বিদ্যুতেই মানুষ মারা যেতে পারে।
- ব্যবহার করার জন্য আমরা যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি সেটি AC এবং AC বিদ্যুৎ DC বিদ্যুৎ থেকে প্রায় 5 গুণ বেশি ক্ষতিকর।
- শুকনো অবস্থায় মানুষের চামড়ার রোধ প্রায় 30,000 Ω থেকে 50,000 Ω হলেও ভেজা অবস্থায় সেটি হাজার গুণ কমে আসে। কাজেই ও'মের সূত্র ব্যবহার করে আমরা দেখাতে পারি আমাদের দেশের 220 V শরীরের ভেতর দিয়ে মানুষকে মেরে ফেলার মতো বিদ্যুৎ প্রবাহ করতে পারে। যখন কেউ ভেজা মাটিতে ভেজা পা নিয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সেটি হয় সবচেয়ে বিপজ্জনক।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
.
একটি ব্যাটারি সেলে কয়টি অংশ থাকে ?
  1. ক) ১ টি
  2. খ) ২ টি
  3. গ) ৩ টি
  4. ঘ) ৪ টি 
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ টি
ব্যাখ্যা
♦ একটি ব্যাটারি সেল এ ৩ টি অংশ থাকে, যথা:
- অ্যানোড ,
- ক্যাথোড ,
- ইলেকট্রোলাইট ।

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই। 
.
কোনো পরিবাহীর বিভব এক ভোল্ট (1V) বৃদ্ধি করতে যদি এক কুলম্ব (IC) আধানের প্রয়োজন হয়, তাহলে ঐ পরিবাহীর ধারকত্ব-
  1. ক) 1 F
  2. খ) 2 F
  3. গ) 3 F
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) 1 F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 1 F
ব্যাখ্যা
পরিবাহকের ধারকত্ব : কোনো পরিবাহীর বিভব একক পরিমাণ বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ আধানের প্রয়োজন হয়, তাকে ঐ পরিবাহীর ধারকত্ব বলে ।
ফ্যারাড: কোনো পরিবাহীর বিভব এক ভোল্ট (1V) বৃদ্ধি করতে যদি এক কুলম্ব (IC) আধানের প্রয়োজন হয়, তাহলে ঐ পরিবাহীর ধারকত্ব এক ফ্যারাড (1F) বলে ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পরিবাহী পদার্থের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করা হলে, রোধের কীরূপ পরিবর্তন হবে?
  1. ক) দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে
  2. খ) দ্বিগুণ কমবে
  3. গ) চারগুণ বৃদ্ধি পাবে
  4. ঘ) চারগুণ কমবে
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে
ব্যাখ্যা
- রোধ হচ্ছে বিদ্যুৎ প্রবাহের বাধা, তাই কোনো পদার্থের দৈর্ঘ্য (L) যত বেশি হবে তার বাধা তত বেশি হবে অর্থাৎ রোধও বেশি হবে।
R ∝ L

- আবার সরু একটা পথ দিয়ে যত সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারবে, চওড়া একটা পথ দিয়ে তার থেকে অনেক সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারবে অর্থাৎ প্রস্থচ্ছেদ (A) যত বেশি হবে রোধ তত কম হবে।
R ∝ (1/A)

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
.
পরিবাহী পদার্থে যোজন ব্যান্ড ও পরিবাহী ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি ব্যবধান কেমন থাকে?
  1. ক) বেশী থাকে
  2. খ) কম থাকে
  3. গ) উপরিলেপন ঘটে
  4. ঘ) থাকে না
সঠিক উত্তর:
গ) উপরিলেপন ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উপরিলেপন ঘটে
ব্যাখ্যা
- পরমাণুর সবচেয়ে বাইরের ইলেকট্রন কে যোজন ইলেকট্রন বলে ।
- যোজন ইলেকট্রনের শক্তির পাল্লা বা ব্যান্ড কে যোজন ব্যান্ড বলে।
- পরমাণুতে অবস্থিত মুক্ত যোজন ইলেকট্রন গুলো পরিবহনে অংশ নিলে তাদের পরিবাহী ইলেকট্রন বলে।
- পরিবাহী ইলেকট্রনের শক্তির পাল্লা বা ব্যান্ডকে পরিবাহী ব্যান্ড বলে।

- পরিবাহী পদার্থে যোজন ব্যান্ড ও পরিবাহী ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি ব্যবধান থাকেই না , বরং উপরিলেপন ঘটে। ফলে পরিবাহীর দুই প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্যে তড়িৎ প্রবাহের সূচনা হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বই। 
.
তড়িৎ প্রবাহের একক কোনটি?
  1. ক) সিমেন্স
  2. খ) কুলম্ব
  3. গ) ওহম
  4. ঘ) অ্যাম্পিয়ার
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যাম্পিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যাম্পিয়ার
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রবাহের একক : তড়িৎ প্রবাহের একক হলো অ্যাম্পিয়ার। একে সাধারণত A দ্বারা প্রকাশ করা হয় ।

তড়িৎ প্রবাহের প্রকারভেদ :
তড়িৎ প্রবাহ দুই প্রকার— (ক) অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা সমপ্রবাহ বা একমুখী প্রবাহ (খ) পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা পরিবর্তী প্রবাহ

(ক) অপর্যায়বৃত্ত বা একমুখী বা ডিসি প্রবাহ: যখন সময়ের সাথে সাধারণত তড়িৎ প্রবাহের দিকের কোনো পরিবর্তন না ঘটে, অর্থাৎ যে তড়িৎ প্রবাহ সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, সেই প্রবাহকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। তড়িৎ কোষ বা ব্যাটারি থেকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ পাওয়া যায় । আবার ডিসি জেনারেটরের সাহায্যেও এই প্রকার তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন করা যায়।
 
(খ) পর্যায়বৃত্ত বা এসি প্রবাহ: যখন নির্দিষ্ট সময় পরপর তড়িৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, সেই তড়িৎ প্রবাহকে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। বর্তমান বিশ্বের সকল দেশের তড়িৎ প্রবাহই পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ। এর কারণ তুলনামূলকভাবে এটি উৎপন্ন ও সরবরাহ করা সহজ এবং সাশ্রয়ী। পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস জেনারেটর বা ডায়নামো দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জেনারেটরের সাহায্যে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ উৎপন্ন করা হয়। পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের দিক পরিবর্তন দেশভেদে বিভিন্ন হয়। যেমন: বাংলাদেশে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি সেকেন্ডে ৬০ বার দিক পরিবর্তন করে।

অন্যদিকে, 
- রোধের একক ওহম।
- পরিবাহিতার একক সিমেন্স।
- আধানের একক কুলম্ব।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
নিচের কোনটি এককবিহীন?
  1. ক) চৌম্বক প্রাবল্য
  2. খ) চৌম্বক প্রবেশ্যতা
  3. গ) চৌম্বক গ্রাহিতা
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) চৌম্বক গ্রাহিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চৌম্বক গ্রাহিতা
ব্যাখ্যা
♦ চৌম্বক গ্রাহিতা বা প্রবণতা (Magnetic susceptibiliby):
- কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকায়ন তীব্রতা (I) এবং চৌম্বক তীব্রতা (H) এর অনুপাতকে চৌম্বক গ্রাহিতা বা প্রবণতা বলে । 
- এটি একটি এককবিহীন রাশি।

♦ চৌম্বক প্রাবল্য (Magnetic Intensity):

- চৌম্বকক্ষেত্রের কোনো চৌম্বক আবেশ এবং চৌম্বক প্রবেশ্যতার অনুপাতকে চৌম্বক প্রাবল্য বা তীব্রতা বলে । একে H দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
এর একক Am-1

♦ চৌম্বক প্রবেশ্যতা (Magnetic permeability):
- চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপিত কোনো চৌম্বক পদার্থের চৌম্বক আবেশ (B) ও চৌম্বক তীব্রতা (H) এর অনুাতকে ঐ পদার্থের চৌম্বক প্রবশ্যেতা বলে । একে μ (মিউ) দ্বারা প্রকাশ করা হয় 
এর একক TmA-1

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
দুটি আধানের মধ্যবর্তী আকর্ষণ বা বিকর্ষণ নির্ভর করে -
  1. ক) আধান দুটির পরিমাণের উপর
  2. খ) আধান দুটির মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর
  3. গ) আধান দুটি যে মাধ্মে অবস্থিত তার প্রকৃতির উপর
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
দুটি আধানের মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
- আধান দুটির পরিমাণের উপর
- আধান দুটির মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর
- আধান দুটি যে মাধ্মে অবস্থিত তার প্রকৃতির উপর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২.
AC প্রবাহ কে DC প্রবাহে রূপান্তর করতে কোন ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) জেনারেটর
  2. খ) ডায়োড
  3. গ) ট্রানজিস্টর
  4. ঘ) অ্যামপ্লিফায়ার
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়োড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়োড
ব্যাখ্যা
• AC প্রবাহ কে DC প্রবাহে রূপান্তর করতে ডায়োড ব্যবহার করা হয়।

• ডায়োড: ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই।
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- এটি মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
সেমিকন্ডাক্টরে ডোপিং এর জন্য পর্যায় সারণির কোন সারির মৌল অপদ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping):
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে ।
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। যথা-
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
তিনটি ৪ ভোল্টের ব্যাটারি  কে সমান্তরালে সংযুক্ত করলে কত ভোল্ট পাওয়া যাবে ?
  1. ক) ১২ ভোল্ট
  2. খ) ৪ ভোল্ট
  3. গ) ৮ ভোল্ট
  4. ঘ) ২৪ ভোল্ট
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ ভোল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ ভোল্ট
ব্যাখ্যা
সমান্তরালে ব্যাটারি সংযুক্ত করলে বিভবের কোনো পরিবর্তন হয় না । ফলে তিনটি ৪ ভোল্টের ব্যাটারি  কে সমান্তরালে সংযুক্ত করলে  ৪ ভোল্ট ই থাকবে।

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই।