পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 6” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অধ্যায়: বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি টপিকসমূহ: ১. ভূ-রাজনীতি: i) গুরুত্বপূর্ণ স্থান (ভৌগোলিক উপনাম, আন্তর্জাতিক সীমারেখা, প্রণালী, দ্বীপ, উপদ্বীপ, সমভূমি, মালভূমি, মরুভূমি, হ্রদ, ইত্যাদি)। ii) বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্প, পরিবহণ ও যোগাযোগ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
আইএমএফের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ৫.২ শতাংশ
  2. ৩.১ শতাংশ
  3. ৪.৭১ শতাংশ
  4. ৬.১৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
২০২৪-২৫ অর্থবছর:
- বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পূর্বাভাস বৃদ্ধি করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
- আইএমএফের পূর্বাভাস, ২০২৪ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ১ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- উন্নত ও উদীয়মান দেশগুলোর মধ্যে ২০২৪ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধির হার অর্জন করবে ভারত।
- ২০২৪ সালে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ হবে।
- ২০২৪ সালে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬ শতাংশ।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
.
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) এর কত নং লক্ষ্যমাত্রায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে?
  1. ৬নং
  2. ৭নং
  3. ৮নং
  4. ৯নং
ব্যাখ্যা
• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১. দারিদ্র্য নির্মূল;
২. ক্ষুধামুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন;
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি;
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০. বৈষম্য হ্রাস;
১১. টেকসই শহর ও জনগণ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ;
১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান;
১৫. স্থলভাগের জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান; এবং
১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

উৎস: SDG ওয়েবসাইট।
.
বর্তমানে (মে, ২০২৪) বিশ্বের সবচেয়ে ধনী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকায় কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক শীর্ষ অবস্থানে আছে?
  1. চায়না
  2. ইংল্যান্ড
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

কেন্দ্রীয় ব্যাংক:

- বিশ্বের অর্থনীতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- তাদের যেকোনো কর্মকাণ্ড বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখতে পারে।
- কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল কাজ হলো মুদ্রা সরবরাহ ও সুদের হার ব্যবস্থাপনা।
- রাষ্ট্রের হয়ে এই কাজ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে ভূমিকা রাখে এসব প্রতিষ্ঠান।

বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য নিয়ে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ১০টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকা হচ্ছে-
১. ফেডারেল রিজার্ভ, যুক্তরাষ্ট্র;
২. ব্যাংক অব জাপান;
৩. পিপলস ব্যাংক অব চায়না;
৪. ডয়েশে বুন্ডেসব্যাংক (জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংক);
৫. ব্যাংক অব ফ্রান্স;
৬. ব্যাংক অব ইতালি;
৭. ব্যাংক অব স্পেন;
৮. ব্যাংক অব ইংল্যান্ড;
৯. সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক;
১০. রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট (০১ মে, ২০২৪)।
.
রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ অঞ্চল 'ক্রিমিয়া' একটি-
  1. দ্বীপ
  2. উপদ্বীপ
  3. মরুভূমি
  4. মালভূমি
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়া:
- ক্রিমিয়া একটি উপদ্বীপ, যা কৃষ্ণ সাগরের উত্তরে অবস্থিত।
- এটি নিয়ে ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ হয়।
- রাশিয়া "ক্রিমিয়া উপদ্বীপ" দখল করে রাশিয়ার অংশ করে নেয় ২০১৪ সালে।
- ক্রিমিয়ার ৬০ ভাগ অধিবাসী রাশিয়ান জাতিগোষ্ঠীর।
- কৃষ্ণসাগর কিংবা ভূমধ্যসাগরে প্রবেশের ক্ষেত্রে রাশিয়ার জন্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো সেবাস্তাপুল বন্দর যা ক্রিমিয়ায় অবস্থিত।
- এতে রাশিয়া সেখানে একটি গণভোট আয়োজন করে যেখানে অধিকাংশ রাশিয়ার সাথে সংযুক্ত হওয়ার পক্ষে মত দেয়।

উৎস:- হিস্টোরি ডটকম এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড পত্রিকা রিপোর্ট।
.
সম্প্রতি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৪) এশিয়ার কোন দুইটি দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. সিঙ্গাপুর এবং চীন
  2. থাইল্যান্ড এবং শ্রীলংকা
  3. মালয়েশিয়া এবং ফিলিপাইন
  4. থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA):

থাইল্যান্ড ও শ্রীলংকার মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪।
→ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে থাইল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে শ্রীলংকা।
→ সম্প্রতি শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোয় দেশটির প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন দুই দেশের পক্ষ থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
→ শ্রীলংকা-থাইল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে পণ্য, বিনিয়োগ, শুল্ক পদ্ধতি ও মেধা সম্পত্তির মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

→ ২০১৬ সালে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে থাইল্যান্ডের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে শ্রীলংকা। দেশটির সরকারি তথ্যানুসারে, ২০২২ সালে থাইল্যান্ডের রফতানি ২৯ কোটি ২০ লাখ ও শ্রীলংকার রফতানি ৫ কোটি ৮০ লাখ ডলারসহ দেশ দুটির দ্বিমুখী বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৫ কোটি ডলার।
→ শ্রীলংকার রফতানির মধ্যে রয়েছে প্রধানত মূল্যবান পাথর, পোশাক, চা ও মসলা। আর থাইল্যান্ডের রফতানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে স্মোকড রাবার শিট, প্রাকৃতিক রাবার, প্লাস্টিক ও সিমেন্ট। বাণিজ্য চুক্তিটি দ্বিমুখী বাণিজ্যকে ১৫০ কোটি ডলারে উন্নীত করবে বলে প্রত্যাশা করছে শ্রীলংকার সরকার।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা (৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪)।
.
কোন শতকে বিশ্বে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়?
  1. সপ্তদশ শতকে
  2. আঠারো শতকে
  3. পঞ্চদশ শতকে
  4. উনিশ শতকে
ব্যাখ্যা
• প্রথম শিল্প বিপ্লব:
⤇ আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে যে দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়ন সংঘটিত হয়, তাকে শিল্প বিপ্লব বলা হয়।
⤇ প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত।
⤇ ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়। তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
⤇ ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব’ (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন। এর পর থেকে এটি জনপ্রিয় হতে থাকে।
⤇ ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে। ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
⤇ শিল্প বিপ্লবের প্রভাব পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে। এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে। ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।
.
'বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ' কোন দেশের প্রস্তাবিত উদ্যোগ?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
• বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোক্তা-এর প্রস্তাবক হচ্ছে ⎯ চীন।

বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ (জিডিআই):
- জিডিআই হচ্ছে মূলত স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল অর্থনীতিকে ঘিরে উন্নয়ন সহযোগিতার উদ্যোগ।
- 'বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ' চীনের প্রস্তাবিত।
- মূলত জিডিআইতে উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগে (গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভন-জিডিআই) বাংলাদেশকে যুক্ত করতে চায় চীন।
- স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবিলা, সংযুক্তির জন্য যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতিসহ আটটি ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দিয়ে জিডিআইয়ে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে শিগগিরই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করতে চায় দেশটি।

উৎস: CGTN ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।
.
পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ কোনটি?
  1. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  2. বৈকাল হ্রদ
  3. সুপিরিয়র হ্রদ
  4. কাস্পিয়ান সাগর
ব্যাখ্যা
বৈকাল হ্রদ:
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীনতম হ্রদ ও গভীরতম হ্রদ।
- এটি রাশিয়ায় অবস্থিত।
- গভীরতা প্রায় ১৬২০ মিটার।

অন্যদিকে,
কাস্পিয়ান সাগর: মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
সুপিরিয়র হ্রদ: যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ।
ভিক্টোরিয়া হ্রদ: আফ্রিকায় অবস্থিত পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ এবং আফ্রিকার বৃহত্তম হ্রদ।
লেক আসাল: জিবুতিতে অবস্থিত পৃথিবীর সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ।
টিটিকাকা: বলিভিয়ায় অবস্থিত পৃথিবীর উচ্চতম হ্রদ।
মিড হ্রদ: যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ। এটি বোল্ডার বাঁধ নামেও পরিচিত।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা।
.
গ্রেট ডিপ্রেশন বলতে কী বোঝায়?
  1. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  2. করোনা মহামারি
  3. অর্থনৈতিক মন্দা
  4. প্লেগ মহামারি
ব্যাখ্যা
গ্রেট ডিপ্রেশন:

- গ্রেট ডিপ্রেশন বলতে বুঝায় বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের অর্থনৈতিক মন্দা।
- মহামন্দা ১৯৩০ এর দশকে বিশ্বব্যাপী সংগঠিত মন্দা।
- এই মন্দা শুরু হয় ১৯২৯ সালে এবং শেষ হয় ১৯৩৯ এর দশকের শেষের দিকে।
- ইহা বিংশ শতাব্দীর দীর্ঘ সময় ব্যাপী ও ব্যাপক প্রভাব বিস্তারকারী মন্দা।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯২৯ সালে শুরু হওয়া এই মহামন্দা বিশ্ব অর্থনীতিকে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল।
- প্রায় এক দশক ধরে চলা অর্থনৈতিক মহামন্দায় সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়া সারা বিশ্ব সম্মুখীন হয়েছিল অর্থনৈতিক ক্ষতির।
- বিশ্বনীতি এই ক্ষতির নাম দিয়েছিল 'গ্রেট ডিপ্রেশন' বা 'অর্থনৈতিক মহামন্দা'।

উৎস: loc.gov.
১০.
পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় কত ভাগ সমভূমি?
  1. অর্ধেক
  2. দুই-তৃতীয়াংশ
  3. এক-তৃতীয়াংশ
  4. এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
সমভূমি:
→ সমুদ্র সমতল থেকে প্রায় সম উচ্চতায় সুবিস্তৃত স্থলভাগকে সমভূমি বলা হয়। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কয়েকশ মিটার উঁচুতেও সমভূমি গঠিত হতে পারে।
→ পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় অর্ধেক সমভূমি।
→ সমভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কয়েকশত ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় অবস্থিত হতে পারে।
→ সমভূমিতে মৃদু ঢাল বিশিষ্ট ভূমি, ছোট ছোট টিলা, পাহাড় এবং নদী উপত্যকার উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়।
→ মানুষের আবাস এবং অর্থনৈতিক কামকান্ড সমভূমিতে সংঘটিত হয়।
→ সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশে সমভূমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
→ আফ্রিকা মহাদেশে সমভূমির পরিমাণ সবচেয়ে কম।
→ ইউরেশিয়ার উত্তরাংশ জুড়ে পৃথিবীর বৃহত্তম সমভূমি অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
বিশ্বে কোন শহরে সর্ব প্রথম পাতাল রেল চালু হয়?
  1. বার্লিন
  2. লন্ডন
  3. প্যারিস
  4. মাদ্রিদ
ব্যাখ্যা
পাতাল রেল:
- পৃথিবীর প্রথম পাতাল রেল চালু হয় লন্ডনে।
- এই পথ ১৮৬৩ সালে চালু হয়।
- ১৮৯০ সালে এই পথে প্রথম ইলেকট্রিক্যাল ট্রেন চলাচল শুরু করে।
- বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৫০টি শহরে পাতালরেল আছে।

উল্লেখ্য,
- এশিয়ায় সর্বপ্রথম জাপানের টোকিও পাতাল রেলপথ চালু হয়।
- সম্প্রতি ভারতে গঙ্গা নদীর নিচ দিয়ে মেট্রো চলাচল শুরু হতে চলেছে ভারতের কলকাতা শহরে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১২.
দক্ষিণ আমেরিকার কোন দেশ 'চির বসন্তের দেশ' হিসেবে পরিচিত?
  1. চিলি
  2. ইকুয়েডর
  3. কলম্বিয়া
  4. প্যারাগুয়ে
ব্যাখ্যা
ইকুয়েডর:
- দেশটির নামের অর্থ "নিরক্ষীয় অঞ্চল"।
- ইকুয়েডর উত্তর-পশ্চিম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ। 
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার চির বসন্তের দেশ।
- এর রাজধানীর নাম কুইটো।
- বর্তমানে ইকুয়েডর যা আছে তার বেশিরভাগই ইনকা সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত।
- ইকুয়েডর নিরক্ষরেখায় অবস্থিত , সিয়েরা ব্যতীত বেশিরভাগ দেশই আর্দ্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু অনুভব করে।
- ওরিয়েন্ট সারা বছর ধরে একটি অস্থির সামুদ্রিক গ্রীষ্মমন্ডলীয় বায়ু দ্বারা প্রভাবিত হয়।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
১৩.
বিশ্বের বৃহত্তম মরুভূমি কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ইউরোপ
  2. আফ্রিকা
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
সাহারা মরুভূমি:
- সাহারা মরুভূমির নামটি এসেছে আরবি শব্দ ‘সাহরা’ থেকে যার অর্থ ‘মরুভূমি’।
- এটি আফ্রিকার প্রায় এক তৃতীয়াংশ জুড়ে রয়েছে।
- সাহারা হল বিশ্বের বৃহত্তম মরুভূমি, যার আয়তন ৩.৫ মিলিয়ন বর্গ মাইল (৯ মিলিয়ন বর্গ কিমি)।
- মরুভূমিটি আলজেরিয়া, মিশর, মালি, মরক্কো, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, চাদ, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, নাইজার এবং সুদান সহ ১১টি উত্তর আফ্রিকার দেশের বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে।
- ১৮৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু পাহাড়ী বালির টিলাগুলির জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
- এই মরুভূমিতে জলের উৎস বিরল, তবে সাহারায় দুটি নদী এবং বিশটি মৌসুমী হ্রদ রয়েছে।
- সাহারা পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর দ্বারা , উত্তরে আটলাস পর্বতমালা এবং ভূমধ্যসাগর দ্বারা , পূর্বে লোহিত সাগর দ্বারা এবং দক্ষিণে সাহেল দ্বারা সীমাবদ্ধ

তথ্যসূত্র: Worldatlas.com
১৪.
পৃথিবীর মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুউচ্চ ভূভাগ কী নামে পরিচিত?
  1. ভূত্বক
  2. পর্বত
  3. মালভূমি
  4. পাহাড়
ব্যাখ্যা
মালভূমি:
- পৃথিবীর মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুউচ্চ ভূভাগ মালভূমি নামে পরিচিত।
- মালভূমির উচ্চতা শত মিটার থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- পৃথিবীর বৃহত্তম মালভূমির উচ্চতা ৪,২৭০ থেকে ৪,১৯০ মিটার।
- পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি হলো পামীর মালভূমি।

- অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন প্রকার। যথা:
পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি : তিব্বত মালভূমি, দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া, মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো, এশিয়ার মঙ্গোলিয়া ও তারিম।
পাদদেশীয় মালভূমি : উত্তর আমেরিকার কলোরাডো এবং দক্ষিণ আমেরিকার পাতাগোনিয়া।
মহাদেশীয় মালভূমি : এ ধরনের মালভূমির সাথে পর্বতের কোন সংযোগ থাকে না। স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, গ্রিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
'Blue economy' এর সাথে সম্পর্কিত -
  1. খনিজ সম্পদ
  2. সমুদ্র সম্পদ
  3. মৎস সম্পদ
  4. প্রাণীজ সম্পদ
ব্যাখ্যা
সুনীল অর্থনীতি:
- সুনীল অর্থনীতি বা Blue economy হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি।
- সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি।
- সমুদ্র থেকে আহরণকৃত যে কোন সম্পদ দেশের অর্থনীতিতে যুক্ত হয়, তাই সুনীল অর্থনীতির পর্যায়ে পড়বে।
- সমুদ্র পৃথিবীর অন্যতম মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, সুনীল অর্থনীতি হল ‘অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, উন্নত জীবিকা, এবং সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহার।’
- সুনীল অর্থনীতি আমাদের এই উপলব্ধি করতে চ্যালেঞ্জ করে যে সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সীমান্ত এবং সেক্টর জুড়ে সহযোগিতার প্রয়োজন হবে।
- এটি একটি লম্বা আদেশ, বিশেষ করে ক্ষুদ্র দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্র (SIDS) এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলির (LDCs) জন্য যারা উল্লেখযোগ্য সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন।

উৎস: Blue Economy Definitions - the United Nations, un.org.
১৬.
‘হাজার হ্রদের দেশ’ বলা হয় কোনটিকে?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. নরওয়ে
  3. জাপান
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
কিছু ভৌগোলিক উপনাম:
• হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
• হাজার দ্বীপের দেশ: ইন্দোনেশিয়া।
• নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
• ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।
• বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।
• সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
• সমুদ্রের বধু: গ্রেট ব্রিটেন।
• নীল নদের দেশ: মিশর।
• পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।

তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।