পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন২২
সিলেবাস
৪৫তম বি.সি.এস. প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন [রাউন্ড – ২] বিষয়ের নাম: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন

.
URL- এর তৃতীয় অংশের নাম কী?
  1. ক) প্রোটোকল
  2. খ) পাথ
  3. গ) প্যারামিটার
  4. ঘ) হোস্টনেম
ব্যাখ্যা
• URL- এর তৃতীয় অংশের নাম পাথ বা ডিরেক্টরি নাম।
ইউআরএল (URL): কোনো ওয়েবপেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL (Uniform/ Universal Resource Locator) হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা। প্রতিটি URL এ থাকে-
১. ওয়েব প্রোটোকল
২. ওয়েব সার্ভারের নাম
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডারের নাম/ পাথ
৪. HTML ফাইলের নাম
• ওয়েব প্রোটোকল: http (Hypertext Transfer Protocol) প্রটোকল হলো তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগের নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
• ওয়েব সার্ভার: সুনির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার যেটিতে এ ওয়েবসাইটটি আছে।
• সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডার নাম/ পাথ: সার্ভারের মধ্যে ওয়েবপেজগুলো যে ডিরেক্টরিতে আছে ওয়েব ব্রাউজার এ ডিরেক্টরি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফাইল খোলে প্রদর্শন করে।
• HTML ফাইল নাম: html ফাইল হলো নির্দিষ্ট কোনো পেইজ।
- .html হলো ফাইলটির এক্সটেনশন।  
- ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে যে ফাইলটি তা হলো html।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
কোনটি ছাড়া ওয়েবপেজে ছবি, হাইপারলিংক, অ্যাংকর নাম ইত্যাদি যুক্ত করা যায় না?
  1. ক) এম্পটি এলিমেন্ট
  2. খ) এট্রিবিউট
  3. গ) হেড
  4. ঘ) কনটেইনার
ব্যাখ্যা
• এট্রিবিউট ছাড়া ওয়েবপেজে ছবি, হাইপারলিংক, অ্যাংকর নাম ইত্যাদি যুক্ত করা যায় না।
• এইচটিএমএল এট্রিবিউট (HTML attribute): এট্রিবিউট হচ্ছে কোনো কিছুর বৈশিষ্ট্য নির্ধারক নির্দেশ। 
- যেমন, কোনো টেক্সটে একটি শব্দ আছে। এ শব্দটি যদি লাল রং করা হয় তাহলে এর এট্রিবিউট হবে রেড কালার।
- এইচটিএমএল ডকুমেন্টের জন্য এট্রিবিউট খুবই প্রয়োজনীয়।
- এট্রিবিউট ছাড়া ওয়েবপেজে অনেক তথ্য যেমন- ছবি, হাইপারলিংক, অ্যাংকর নাম ইত্যাদি যুক্ত করা যায় না।
- HTML tag এর সাথে এট্রিবিউট যুক্ত করার জন্য ট্যাগ নামের পর স্পেস দিয়ে এট্রিবিউট নাম, সমান চিহ্ন (=) এবং কোটেশন চিহ্নের মধ্যে এট্রিবিউট ভ্যালু দিতে হবে।
- যেমন, This is paragraph এ টেক্সটি একটি প্যারাগ্রাফ হিসেবে প্রদর্শিত হবে এবং টেক্সট এর রং হবে লাল। এর জন্য কোড লিখতে হবে:


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় সমস্যাকে সত্য ও মিথ্যা মানে উপস্থাপন করা যায় কী দ্বারা?
  1. ক) বাইনারি লজিক
  2. খ) ফাজি লজিক
  3. গ) কন্ট্রোল লজিক
  4. ঘ) কম্বিনেশনাল লজিক
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় সমস্যাকে সত্য ও মিথ্যা মানে উপস্থাপন করা যায় ফাজি লজিক দ্বারা।
• ফাজি লজিক:
ফাজি লজিক হলো এক ধরনের লজিক, যা সাধারণ সত্য ও মিথ্যা মানগুলোর চেয়েও বেশি কিছু শনাক্ত করতে পারে। 
- ফাজি লজিক দিয়ে প্রশ্ন বা সমস্যাকে সত্য ও মিথ্যা মানে উপস্থাপন করা যায়।
- ফাজি লজিক এমন একটি যুক্তি ব্যবস্থা যেখানে কোন সমস্যার সমাধান 1 অথবা 0 ছাড়াও আরও বিভিন্ন উপায়ে দেয়া যায়।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার গুলোতে ফাজি লজিক বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
- কিছু কিছু স্পেশাল চেকারে এটি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি 4G standard প্রস্তুতকরণে সম্পৃক্ত?
  1. ক) ETSI
  2. খ) 3GPP
  3. গ) ISO
  4. ঘ) ITU
ব্যাখ্যা
• 4G standard প্রস্তুতকরণে সম্পৃক্ত ITU.
- ITU এর পূর্ণরূপ International Telecommunication Union।
- ITU বিভিন্ন মোবাইল ফোন প্রজন্ম 4G/5G Standard কে ডিফাইন করে থাকে।
- 4জি হল ফোর্থ জেনারেশন বা চতুর্থ প্রজন্ম শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ। 

উৎস: ITU ওয়েবসাইট।
.
হাইব্রিড ওয়েবসাইট কাঠামো কোন কোন কাঠামোর সমন্বয়ে গঠন করা যায়?
  1. ক) নেটওয়ার্ক এবং ট্রি স্ট্রাকচার
  2. খ) লিনিয়ার এবং নেটওয়ার্ক কাঠামো
  3. গ) লিনিয়ার এবং হায়ারারকিক্যাল কাঠামো
  4. ঘ) হায়ারারকিক্যাল এবং নেটওয়ার্ক কাঠামো
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড বা কম্বিনেশন কাঠামো (Hybrid or Combination structure): একাধিক কাঠামো ব্যবহার করে ডিজাইন করা ওয়েবসাইটকে হাইব্রিড বা কম্বিনেশন বা মিক্সড স্ট্রাকচার বলা হয়।
- সাধারণভাবে লিনিয়ার কাঠামো এবং হায়ারারকিক্যাল কাঠামোর মাধ্যমে হাইব্রিড কাঠামো তৈরি করা যায়।
- এ ধরনের কাঠামোতে অনেক দিক থেকে লিংক করা থাকে। ফলে তথ্য খুঁজে পেতে সহজ হয়।
- এ ধরনের কাঠামো ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- মেমোরি স্পেস কমানোর জন্য এ কাঠামো ব্যবহৃত হয়।
- ভিজিটরদের জন্য ভিজিট করা সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড কোন ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রাম অনেক ফর্মে অবজেক্ট তৈরি করে?
  1. ক) ইনহেরিটেন্স
  2. খ) পলিমারফিজম
  3. গ) এনক্যাপসুলেশন
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড পলিমারফিজম ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রাম অনেক ফর্মে অবজেক্ট তৈরি করে।
পলিমারফিজম: পলিমারফিজম মানে হলো অনেক ফর্মস।
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের এই ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রামে পলিমরফিক অবজেক্ট তৈরি করে।
- পলিমরফিক অবজেক্ট হলো এমন ধরনের অবজেক্ট যার মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গঠন পাওয়া সম্ভব।
• এনক্যাপসুলেশন: অবজেক্ট এর  Attributes এবং Behaviors কে একত্রিত করে ক্লাস তৈরি করাকে বলে এনক্যাপসুলেশন।
• ইনহেরিটেন্স: অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে একটা ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে ইনহেরিটেন্স বলে।
- এর ফলে নতুন ক্লাস এ পূর্বের ক্লাস এর গুণাবলি বজায় রেখে নতুন নতুন গুণাবলির সমন্বয় ঘটতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মোবাইল ফোনে কোন Mood এ যোগাযোগ হয়?
  1. ক) Simplex
  2. খ) Full-Duplex
  3. গ) Half-Duplex
  4. ঘ) Duplex
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোনে Full-Duplex Mood এ যোগাযোগ হয়।
• ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-Duplex mode): যে পদ্ধতিতে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে প্রেরক ও প্রাপক উভয় দিক থেকে একই সময়ে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তাকে ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলে। 
- এক্ষেত্রে যে কোনো প্রান্ত একই সময়ে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণও করতে পারে।
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
যে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো শাখা-প্রশাখায় সাজানো থাকে তাকে কি বলা হয়?
  1. ক) হায়ারারকিক্যাল
  2. খ) নেটওয়ার্ক
  3. গ) লিনিয়ার
  4. ঘ) হাইব্রিড
ব্যাখ্যা
• যে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো শাখা-প্রশাখায় সাজানো থাকে তাকে ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল কাঠামো বলা হয়।
• ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এর কাঠামোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. হায়ারারকিক্যাল বা ট্রি (Hierarchical or Tree structure)
২. নেটওয়ার্ক বা ওয়েব লিংকড (Network or Web Linked structure)
৩. লিনিয়ার বা সিকুয়েন্স (Linear or Sequence structure)
৪. হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Hybrid or Combination structure)
১. হায়ারারকিক্যাল বা ট্রি (Hierarchical or Tree structure): যে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো শাখা-প্রশাখায় সাজানো থাকে তাকে ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল কাঠামো বলা হয়।
২. নেটওয়ার্ক বা ওয়েব লিংকড (Network or Web Linked structure): যে ওয়েবসাইটের কাঠামোতে সবগুলো পেইজ থেকে একটি অপরটির সাথে লিংক থাকে তাকে নেটওয়ার্ক কাঠামো বলা হয়।
৩. লিনিয়ার বা সিকুয়েন্স (Linear or Sequence structure): কোন ওয়েবসাইটের পেইজগুলো ক্রমানুসারে করার স্ট্রাকচার বা কাঠামোকে লিনিয়ার স্ট্রাকচার বলা হয়।
৪. হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Hybrid or Combination structure): একাধিক কাঠামো ব্যবহার করে ডিজাইন করা ওয়েবসাইটকে হাইব্রিড বা কম্বিনেশন স্ট্রাকচার বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
কম্পিউটারে সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত সংখ্যা দুইটি কোনগুলো?
  1. ক) 0 এবং 9
  2. খ) 0 এবং 2
  3. গ) 0 এবং 1
  4. ঘ) 0 এবং 8
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় ০ এবং ১ দুইটি সংখ্যা।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 2 । 
- সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩. অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
১০.
IP এর পূর্ণ রূপ কি?
  1. ক) Inheritance Protocol
  2. খ) Integrate Protocol
  3. গ) Ingress Protocol
  4. ঘ) Internet Protocol
ব্যাখ্যা
• IP এর পূর্ণ রূপ Internet Protocol
-  ইন্টারনেট যুক্ত কম্পিউটারে একটি আইডেনটিটি থাকে তাকে IP Address বলে। 
- IP হল এক ধরনের Network Protocol.
- IP Address চার অংশে বিভক্ত। প্রতিটি অংশ ডট (.) দ্বারা বিভক্ত।
- চারটি অংশে গঠিত IP Address IPv4 নামে পরিচিত।
- IPv4 Address ৩২বিট দিয়ে প্রকাশ করা হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
১১.
নিচের কোন মেমোরিটি Non-Volatile?
  1. ক) ROM
  2. খ) SD-RAM
  3. গ) D-RAM
  4. ঘ) S-RAM
ব্যাখ্যা
• বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে। যেমন- DRAM, SRAM, SD-RAM প্রভৃতি। 
Non-Volatile Memory হলো সেগুলো যাদের ক্ষেত্রে সংরক্ষিত ডাটা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও মুছে যায় না। যেমন- ROM।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১২.
Prolog প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Website Devlopment
  2. খ) Data Analysis
  3. গ) Artificial Intelligence
  4. ঘ) UX/UI Design
ব্যাখ্যা
• Prolog প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ Artificial Intelligence-এ ব্যবহৃত হয়।
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রোয়োগ হলো রোবট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩.
কাউন্টার সর্বাধিক যতগুলো সংখ্যা গুণতে পারে তাকে কি বলে?
  1. ক) রেজিসটার
  2. খ) মডিউলাস
  3. গ) অ্যাডার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কাউন্টার সর্বাধিক যতগুলো সংখ্যা গুণতে পারে, তাকে মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
• কাউন্টার: কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট, যা ফ্লিপ-ফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট এবং যা ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- সাধারণত ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট দ্বারা এটি তৈরি করা হয়।
- কোন কাউন্টার যতটি ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হবে, এটিকে তত বিটের কাউন্টার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতগুলো সংখ্যা গুণতে পারে, তাকে মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৪.
কম্পিউটার সিস্টেমে Scanner কোন ধরনের যন্ত্র?
  1. ক) Input Device
  2. খ) Output Device 
  3. গ) Storage Device
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার সিস্টেমে Scanner একটি Input Device।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত কিছু ইনপুট ডিভাইস হলো কী-বোর্ড , মাউস ,স্ক্যানার , ওয়েবক্যাম ইত্যাদি।
- কিছু আউটপুট ডিভাইস হলো মনিটর , প্রিন্টার, স্পিকার, প্রজেক্টর ইত্যাদি। 
- ইনপুট ও আউটপুট উভয় হিসেবে ব্যবহৃত কিছু ডিভাইস হলো- টাচস্ক্রিন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১৫.
n সংখ্যক নোডের জন্য মোট তারের সংখ্যা n(n-1)/2 হয় কোন নেটওয়ার্কে?
  1. ক) বাস টপোলজি
  2. খ) মেশ টপোলজি
  3. গ) রিং টপোলজি
  4. ঘ) ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা
মেশ টপোলজি (Mesh Topology): যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
- মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
- এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n-1)টি সংযোগের প্রয়োজন হয়।
- ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n-1)/2.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৬.
কোনটি একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে এক ক্লাস অন্য ক্লাসের ভেরিয়েবল ও ফাংশন নিয়ে কাজ করতে পারে?
  1. ক) পলিমরফিজম
  2. খ) মেসেজ আদান-প্রদান
  3. গ) ইনহেরিটেন্স
  4. ঘ) অ্যাবস্ট্রাকশন
ব্যাখ্যা
ইনহেরিটেন্স (Inheritance): Inheritance হলো একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য, যার মাধ্যমে এক ক্লাস অন্য ক্লাস থেকে কোনো বিষয়বস্তু উত্তরাধিকারসূত্রে পায় অর্থাৎ এক ক্লাস অন্য ক্লাসের ভেরিয়েবল ও ফাংশন নিয়ে কাজ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৭.
কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের ডেটা ট্রান্সফার রেট কত?
  1. ক) 40 Gbps
  2. খ) 2 Gbps
  3. গ) 200 Mbps
  4. ঘ) 10 Mbps
ব্যাখ্যা
কো-এক্সিয়াল ক্যাবল (Co-axial cable): দুটি বিদ্যুৎ পরিবাহী তার ও অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থের সাহায্যে এ ক্যাবল তৈরি হয়।
- ভেতরের পরিবাহী তারকে আচ্ছাদিত করার জন্য ও বাইরের পরিবাহী তার থেকে পৃথক রাখার জন্য এদের মাঝখানে অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ থাকে।
- বাইরের পরিবাহী তারটি চারদিক থেকে পেঁচানো থাকে।
- পরিবাহী তার তৈরিতে সাধারণত কপার ব্যবহার করা হয়।
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ব্যবহার করে এক কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে ডিজিটাল ডেটা প্রেরণ করা যায়।
- এক্ষেত্রে ডেটা ট্রান্সফার রেট 10 Mbps (Megabits per second) পর্যন্ত হতে পারে এবং ট্রান্সমিশন লস অপেক্ষাকৃত কম হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৮.
কম্পাইলারের কাজ নয়-
  1. ক) উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা
  2. খ) প্রোগ্রামের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা
  3. গ) প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো
  4. ঘ) প্রোগ্রামের যেকোনো ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা
ব্যাখ্যা
কম্পাইলার (Compiler): কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কারণ কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। যেমন- যে কম্পাইলার  COBOL প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে
সেই কম্পাইলার বেসিক প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে না।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।
কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
১. উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
২. প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। রুটিন হলো প্রোগামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
৩. প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো ।
৪.  প্রোগ্রামের যেকোনো ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর ভাষায় কোন বস্তু কিংবা ঘটনার প্রোগ্রামিং সংস্করণকে কি বলে?
  1. ক) Class
  2. খ) Object
  3. গ) Attribute
  4. ঘ) Method
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর ভাষায় কোন বস্তু কিংবা ঘটনার প্রোগ্রামিং সংস্করণ হলো অব্জেক্ট (Object)
- যেমন: একটি ব্যাংক একাউন্টকে একাউন্ট নাম্বার, একাউন্ট টাইপ এবং ব্যালেন্স দ্বারা নির্দিষ্ট করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যাংক হলো একটা অবজেক্ট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
DRY principle এর পূর্ণরূপ-
  1. ক) Don't Reuse Yourself
  2. খ) Don't Repeat Yourself
  3. গ) Do Repeat Yourself
  4. ঘ) Do Reuse Yourself
ব্যাখ্যা
• DRY principle এর পূর্ণরূপ- "Don't Repeat Yourself" ।
- এটি লজিক ডুপলিকেশন বাদ দেয়া হয় অ্যাবস্ট্রাকশনের মাধ্যমে।
- এর অর্থ ডেভলপমেন্ট এর প্রোসেস এর সময় ডুপ্লিকেট কোড বাদ দেয়া।
- এই প্রিন্সিপল যেকোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এ ব্যবহৃত করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২১.
HTML পেজে কোন এট্রিবিউট কোনো ইমেজের জন্য একটি 'অলটারনেট টেক্সট' নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Src
  2. খ) Title
  3. গ) Alt
  4. ঘ) Align
ব্যাখ্যা
• HTML পেজে Alt এট্রিবিউট কোনো ইমেজের জন্য একটি 'অলটারনেট টেক্সট' নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
• Alt এট্রিবিউট: HTML পেজে Alt এট্রিবিউট কোনো ইমেজের জন্য একটি 'অলটারনেট টেক্সট' নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: <img src="boat.gif" alt="Big Boat">

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২২.
টেক্সটের শুরুতে যাওয়ার জন্য কম্পিউটারে কোন Key ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) PgUp
  2. খ) PgDn
  3. গ) Home
  4. ঘ) F2
ব্যাখ্যা
• টেক্সটের শুরুতে যাওয়ার জন্য কম্পিউটারে Home key ব্যবহার করা হয়।
- Home: কোন টেক্সট এর শুরুতে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- PgUp: কোন পেইজের উপর দিকে স্ক্রোল করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- PgDn: কোন পেইজের নিচের দিকে স্ক্রোল করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F2: কোন ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Computerhope Website