পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
[For iPad Mania (Season - 2)] --------------------------- বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - ভৌত বিজ্ঞান: রসায়ন বিজ্ঞান বিষয়ক ১. পদার্থের অবস্থা ও ধর্ম, পারমাণবিক গঠন, মৌলিক কণা, মৌলের ধর্ম, পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন, সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়। ২. মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, পদার্থের দ্রবণ ধর্ম ও দ্রাব্যতা, সাবানের কাজ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, ব্যাপন, অভিস্রবণ, প্রস্বেদন, তড়িৎ কোষ, অজৈব ও জৈব যৌগ, পলিমার। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
এস. আই এককে গ্যাসের এক বায়ুমন্ডল চাপের পরিমাণ কত?
  1. ক) 101.32 kPa
  2. খ) 100.00 kPa
  3. গ) 10.132 kPa
  4. ঘ) 100.352 kPa
সঠিক উত্তর:
ক) 101.32 kPa
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 101.32 kPa
ব্যাখ্যা
এক বায়ুমণ্ডল চাপ: 
- বাহ্যিক চাপের হ্রাস বা বৃদ্ধি হলে তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্কের হ্রাস বা বৃদ্ধি হবে। 
- পাহাড়ের উপরে বায়ুমণ্ডল তাই পাহাড়ের উপর পানির স্ফুটনাঙ্ক কমে; যেমন মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গে (8848 m) পানির স্ফুটনাঙ্ক হয় 71°C । 
- সুতরাং প্রমাণ চাপ হিসেবে এক বায়ুমণ্ডল চাপ বলতে 760 mm উচ্চতাবিশিষ্ট পারদ স্তম্ভের চাপকে ধরা হয়। 
অর্থাৎ 1 atm = 760mm (Hg) = 101.32 kPa (কিলো প্যাসকেল)। 
- কঠিন পদার্থের গলনাঙ্ক বাহ্যিক চাপের উপর কিছুটা নির্ভরশীল, তবে এ নির্ভরশীলতা খুবই কম। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)। 
.
প্রমাণ চাপে বরফ কোন তাপমাত্রায় গলে যায়?
  1. ক) ০° সেলসিয়াস
  2. খ) ৪° সেলসিয়াস
  3. গ) ২৫° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ১০০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
ক) ০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানি একটি তরল পদার্থ। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় পানি তরল হলেও অত্যন্ত শীতল অবস্থায় কঠিন বরফে পরিণত হয়। আবার উচ্চ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় বাষ্পে পরিণত হয়। 
- জীবজগতের সকল উদ্ভিদ ও প্রাণির দেহ গঠনের জন্য পানি একটি অপরিহার্য উপাদান। 

পানির ধর্ম: 
- বিশুদ্ধ পানি স্বচ্ছ, স্বাদহীন, গন্ধহীন ও বর্ণহীন হয়ে থাকে। 
- পানির কিছু সাধারণ ধর্ম নিম্নে উল্লেখ করা হলো - 

পানির রাসায়নিক গঠন: 
- পানি দুই পরমাণু হাইড্রোজেন ও এক পরমাণু অক্সিজেন দিয়ে গঠিত। 
- পানির আনবিক সংকেত H2O এবং আণবিক ভর ১৮। 

গলনাংক: 
- আমরা জানি শীতল অবস্থায় পানি কঠিন বরফ হিসেবে থাকে। 
- প্রমাণ চাপে বরফ ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গলে যায়। 
- অর্থাৎ পানির গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 

স্ফূটনাংক: 
- প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়। 
- অর্থাৎ পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

ঘনত্ব: 
- ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়। 
- ৪° সেলসিয়াসের চেয়ে কম ও বেশি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব কমতে থাতে। 
- ৪° সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব ১ গ্রাম/কিউবিক সেন্টিমিটার বা ১০০০ কেজি/ঘনমিটার অর্থাৎ ১ সি সি পানির ভর ১ গ্রাম এবং ১ ঘন মিটিার পানির ভর ১০০০ কেজি।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে চাপের পার্থক্যের কারণে কোন প্রক্রিয়া ঘটে?
  1. ক) ব্যাপন
  2. খ) নিঃসরণ
  3. গ) অভিস্রবণ
  4. ঘ) প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
খ) নিঃসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিঃসরণ
ব্যাখ্যা
নিঃসরণ: 
- বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে পাত্রের সরু ছিদ্রপথে কোন গ্যাসের সজোরে একমুখী বের হওয়াকে নিঃসরণ বলে। 
- এ প্রক্রিয়াকে অনুব্যাপন প্রক্রিয়াও বলা হয়ে থাকে। 
- গাড়ীর চাকার টিউবের ছিদ্র পথে নিঃসরণ প্রক্রিয়ায় বাতাস বের হয়ে পড়ে। 
- গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে চাপের পার্থক্যের কারণে নিঃসরণ প্রক্রিয়া ঘটে। 
- নিঃসরণ হল অধিক চাপের প্রভাবে গ্যাসীয় দ্রুত প্রক্রিয়া। 
- নিঃসরণের বেলায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে অধিক চাপ এবং বাইরে কম চাপ বা ভ্যাকুয়াম অবস্থা থাকে। 

ব্যাপন: 
- উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 
- ফুলের সুগন্ধ ও H2S গ্যাসের দুর্গন্ধ বাতাসে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। 
- পদার্থের কণা বা অণুসমূহের ইতস্তত স্বতঃস্ফূর্ত চলাচলের কারণে ব্যাপন প্রক্রিয়া ঘটে। 
- ব্যাপন হল সাধারণ সমবায়ুচাপে অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত মন্থর প্রক্রিয়া। 
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একই বায়ু চাপ থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
.
সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড নয় কোনটি?
  1. ক) পামিটিক এসিড
  2. খ) প্রোপানোয়িক এসিড
  3. গ) স্টিয়ারিক এসিড
  4. ঘ) অলিয়িক এসিড
সঠিক উত্তর:
ঘ) অলিয়িক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অলিয়িক এসিড
ব্যাখ্যা
ফ্যাটি এসিড: 
- অ্যালিফেটিক এসিডের অণুতে একটি মাত্র কার্বক্সিলমূলক থাকলে এদেরকে মনোকার্বক্সিল এসিড বলে। 
- অ্যালিফেটিক মনোকার্বক্সিলিক এসিড শ্রেণীকে ফ্যাটি এসিডও বলা হয়। 
- সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের সাধারণ সংকেত হল CnH2n+1COOH. 
- ফ্যাটি এসিড সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত উভয় প্রকার হতে পারে। 
যেমন - 

সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
(১) প্রোপানোয়িক এসিড, 
(২) স্টিয়ারিক এসিড, 
(৩) পামিটিক এসিড। 

অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
(১) অক্সালিক এসিড, 
(২) অলিয়িক এসিড
(৩) লিনোলিক এসিড। 
- অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের কার্বন শিকলে এক বা একাধিক দ্বি-বন্ধন থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)। 
.
ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়া কোনটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. ক) অ্যামোনিয়া
  2. খ) ন্যাপথলিন
  3. গ) নিশাদল
  4. ঘ) আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যামোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যামোনিয়া
ব্যাখ্যা
ঊর্ধ্বপাতন: 
- যে প্রক্রিয়ায় কোন কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। 
যেমন - 
নিশাদল (NH4Cl), 
• কর্পূর (C10H16O), 
ন্যাপথলিন (C10H8), 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), 
আয়োডিন (I2), 
• অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3)। 
- এই পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। 
- এই পদার্থগুলোকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
স্টার্চ থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ায় কোনটি উৎপাদন করা হয়?
  1. ক) বেনজিন
  2. খ) ইথানল
  3. গ) অ্যালডিহাইড
  4. ঘ) ফ্যাটি এসিড
সঠিক উত্তর:
খ) ইথানল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইথানল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 

- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়। এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 

- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্যে শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়। এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে। 
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শুষ্ক কোষে ছদন নিবারক হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) KMnO4
  2. খ) MnO2
  3. গ) SiO2
  4. ঘ) K2Cr2O7
সঠিক উত্তর:
খ) MnO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) MnO2
ব্যাখ্যা
শুষ্ক কোষ (Dry Cell): 
- শুষ্ক কোষ হল একটি প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি সেল, যা লেকল্যান্স বিদ্যুৎ কোষের একটি ভিন্ন রূপ। 
- এ বিশেষ লেকল্যান্স কোষে বিদ্যুৎ উত্তেজক হিসেবে NH4Cl এর পেস্ট এবং ক্যাথোডের গায়ে H2 গ্যাস দ্বারা পোলারন বা ছদন নিবারক হিসেবে জারকরূপে কঠিন ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড (MnO2) ব্যবহৃত হয় বলে একে শুষ্ক কোষ বলে। 

গঠন: 
- শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষে জিংক অর্থাৎ দস্তার তৈরি একটি একমুখ বন্ধ ফাঁপা চোঙকে বহিঃপাত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় যা ঋণাত্মক পাত বা অ্যানোড হিসেবে কাজ করে। 
- চোঙটিকে একটি কাগজের মোড়কে ঢেকে রাখা হয়। 
- এ চোঙের ঠিক মাঝখানে একটি কার্বন দণ্ড (কোষের নিষ্ক্রিয় তড়িৎদ্বাররূপে) কোষের ধনাত্মক পাত বা ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে। 
- কার্বন দণ্ডের মাথায় একটি পিতলের টুপি থাকে। 
- এ কার্বন দণ্ডটি আলকাতরাযুক্ত কাগজের উপর খাড়াভাবে বসানো থাকে ফলে কার্বন দণ্ড থেকে দস্তার ফাঁপা চোঙ বিচ্ছিন্ন থাকে। 
- এর চারপাশে কাগজের থলিতে MnO2 ও গুঁড়া কার্বনের একটি আঠালো পেস্ট থাকে। 
- কাগজের থলি সচ্ছিদ্র পাত্রের কাজ করে এবং কার্বন গুঁড়া ব্যবহারের ফলে ক্যাথোডের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল বেড়ে যায়। 
- দস্তার চোঙ ও কাগজের থলির মাঝে আঠালো স্টার্চের গুঁড়া, NH4Cl ও সামান্য ZnCl2 এর একটি পেস্ট থাকে, যা MnO2 কে ভেজা রাখতে সাহায্য করে। 
- কোষের উপরের মুখে পিচ বা গালা স্তর থাকে। 
- জিঙ্ক (Zn) বা দস্তা ইলেক্ট্রন দান করে এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে। 
- এ কোষের E.M.F. প্রায় 1.5 Volt । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)। 
.
ধাতব খনিজ পদার্থ কোনটি?
  1. ক) মাইকা
  2. খ) কোয়ার্টজ
  3. গ) তামা
  4. ঘ) জিপসাম
সঠিক উত্তর:
গ) তামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তামা
ব্যাখ্যা
ধাতব-অধাতব খনিজ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশিরভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
যেমন - 

১। ধাতব খনিজ পদার্থ: 
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদেরকে ধাতব খনিজ বলে। 
• লোহা (Fe), 
তামা  (Cu), 
• সোনা (Au), 
• রূপা  (Ag) ইত্যাদি। 

২। অধাতব খনিজ পদার্থ: 
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে। 
কোয়ার্টজ (Quartz), 
মাইকা (Mica), 
• গ্রাফাইট, 
জিপসাম
• কয়লা, 
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
আলোক সজ্জার জন্য ইলেকট্রিক বাল্ববে সাধারণত কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) হিলিয়াম গ্যাস
  2. খ) রেডন গ্যাস
  3. গ) জেনন গ্যাস
  4. ঘ) নিয়ন গ্যাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিয়ন গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিয়ন গ্যাস
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের ব্যবহার: 
হিলিয়ামের ব্যবহার: 
- হিলিয়াম খুবই হাল্কা এবং অদাহ্য হওয়ায় বেলুনে ও উড়োজাহাজে ব্যবহৃত হয়। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন গ্যাস হিলিয়াম অপেক্ষা হাল্‌কা। 
- H2 গ্যাসের তুলনায় He গ্যাসের উত্তোলন ক্ষমতা প্রায় 92%। 
- হাইড্রোজেনের দাহ্যতার কারণে তা বিপজ্জনক হওয়ায় বর্তমানে একমাত্র হিলিয়াম ব্যবহৃত হয়। 
- অলিম্পিক সাইক্লিস্ট প্রতিযোগীরা তাদের সাইকেলের টায়ার বাতাসের পরিবর্তে হাল্‌কা ও অদাহ্য হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা পূর্ণ করে। 
- হাপানী রোগীর শ্বাসকাজে সহায়তার জন্য এবং গভীর পানির ডুবুরিগণ এবং অধিক চাপে কর্মরত ব্যক্তিগণ ৪০% হিলিয়াম ও অক্সিজেনের 20% মিশ্রণের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করেন। 
- ধাতু সংকরের গলন ও জোড়া লাগানোর সময় হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা নিষ্ক্রিয় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। 
- নিম্ন তাপমাত্রায় গবেষণাকার্যে তরল হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- তরল হিলিয়াম NMR (NMR = Nuclear Magnetic Resonance Spectroscopy) মেশিন শীতলকরণে ব্যবহৃত হয়। 
- হিলিয়ামের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক সর্বনিম্ন এবং পরমশূন্য তাপমাত্রার খুবই নিকটে। 

নিয়নের ব্যবহার: 
- প্রধানত আলোক সজ্জার জন্য নিয়ন গ্যাস ইলেকট্রিক বাল্ববে ব্যবহৃত হয়। 
- নিয়ন আলো কুয়াশার মধ্যেও দৃশ্যমান, এজন্য বিমানের পাইলটগণ আলোক সংকেতরূপে নিয়ন বাল্ব আলো ব্যবহার করেন। 
- নিয়নপূর্ণ বাল্ব টিউব উজ্জ্বল লাল আলো দেয়। 
- অন্যান্য নিষ্ক্রিয় গ্যাস অথবা মার্কারি মিশ্রিত করে সবুজ বা নীল বর্ণের বিকিরণকারী মোক্ষণ নল তৈরি করা হয়। 
- ভোল্টামিটার ও রেকটিফায়ার বৈদ্যুতিক যন্ত্রে রক্ষাকবচ হিসেবে হিলিয়াম-নিয়ন মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়।

আর্গনের ব্যবহার: 
- নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের মধ্যে বায়ুতে আর্গনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- তাই সবচেয়ে সস্তা বৈদ্যুতিক বালবে উচ্চ তাপে টাংস্টেন তারটি যেন জারিত হয়ে কেটে না যায় তার জন্য নিষ্ক্রিয় আর্গন ব্যবহৃত হয়। 
- নাইট্রোজেন থেকে আর্গন অনেক বেশি নিষ্ক্রিয় এবং এর বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতাও কম। এ কারণে বৈদ্যুতিক বাল্ববে নাইট্রোজেনের পরিবর্তে আর্গন ব্যবহার করা হয়। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নিষ্ক্রিয় পরিবেশ তৈরির জন্য আর্গন বহুল পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। 
- বাংলাদেশে আর্গন সহজলভ্য না হওয়ায় গবেষণাগারসমূহে নিষ্ক্রিয় পরিবেশ তৈরিতে সাধারণত নাইট্রোজেন ব্যবহৃত হয়; কিন্তু উন্নত দেশসমূহে এক্ষেত্রে আর্গন ব্যবহৃত হয়। 
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপক যন্ত্র, বিশেষত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহৃত হয়। 

ক্রিপটন ও জেনন - এর ব্যবহার: 
- প্রকৃতপক্ষে বৈদ্যুতিক গ্যাস বাল্ববে ক্রিপ্‌টন ও জেননের ব্যবহার আর্গন অপেক্ষাও ভাল। 
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপক যন্ত্রেও তাদের ব্যবহার অধিকতর হয়ে থাকে। 
- ফটো তৈরির জন্য ফটোগ্রাফিক ফ্লাশ বাল্ব তৈরিতে ক্রিপ্‌টন-জেননের মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়। 

রেডনের ব্যবহার: 
- রেডন গ্যাস অত্যন্ত তেজস্ক্রিয়। এ কারণে সাধারণ ক্ষেত্রে এর ব্যবহার নেই। 
- তবে তেজস্ক্রিয় গবেষণায় এবং ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার কাজে রেডন ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।
১০.
সেমিমোলার দ্রবণের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণ কত?
  1. ক) ০.১ মোল
  2. খ) ০.৫ মোল
  3. গ) ০.০১ মোল
  4. ঘ) ০.০০১ মোল
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৫ মোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৫ মোল
ব্যাখ্যা
মোলার দ্রবণ: 
- নির্দিষ্ট তাপমাত্রার দ্রবণের প্রতি লিটার আয়তনের মধ্যে কোনো দ্রবের এক মোল পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে ঐ দ্রবের মোলার দ্রবণ বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে দ্রবণের প্রতি লিটারে মধ্যে যত মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকে দ্রবনের মাত্রা তত মোলার। 
- একে M দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণকে বিভিন্ন এককে প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- গ্রাম, মোল, গ্রাম-অণু, গ্রাম-তুল্যভর ইত্যাদি। 
- প্রকৃত পক্ষে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুতকৃত দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের বিভিন্ন পদ্ধতি থাকলেও মোলারিটি দ্রবনের ঘনমাত্রার প্রকাশের একটি আদর্শ পদ্ধতি। 


উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
ফ্লোরিন পরমাণুর যোজ্যতা ইলেকট্রন সংখ্যা কত?
  1. ক) 2
  2. খ) 5
  3. গ) 6
  4. ঘ) 7
সঠিক উত্তর:
ঘ) 7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 7
ব্যাখ্যা
যোজ্যতা ইলেকট্রন সংখ্যা: 
- কোনো মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ কক্ষপথে যে ইলেকট্রন বা ইলেকট্রনসমূহ থাকে তার সংখ্যাকে যোজ্যতা ইলেকট্রন সংখ্যা বলা হয়।
যেমন - পটাসিয়াম ও অক্সিজেনের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ কক্ষপথে যথাক্রমে ১টি ও ৬টি করে ইলেকট্রন বিদ্যমান। 
সুতরাং, পটাসিয়ামের যোজ্যতা ইলেকট্রন ১টি এবং অক্সিজেনের যোজ্যতা ইলেকট্রন ৬টি। 

নিচের কিছু মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস হতে যোজ্যতা ইলেকট্রনের সংখ্যা দেখানো হলো - 


এখানে, 
- ফ্লোরিনের (F) K কক্ষপথে 2 টি এবং L কক্ষপথে 7 টি ইলেকট্রন আছে। 
- ফ্লোরিনের ক্ষেত্রে L কক্ষপথই হলো সর্বশেষ কক্ষপথ। 
- যেহেতু সর্বশেষ কক্ষপথে ৭ টি ইলেকট্রন আছে, সুতরাং ফ্লোরিনের যোজ্যতা ইলেকট্রন সংখ্যা 7 টি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।