পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান: টপিকসমূহ: আধুনিক বিজ্ঞান: পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, মহাকর্ষ-অভিকর্ষ, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা, বিভিন্ন রশ্মি ও তার ব্যবহার, ইলেক্ট্রনিক্স, মহাকাশ ও জ্যাতির্বিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থ বিজ্ঞান ইত্যাদি। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান ও ভূগোল বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
সকল অধাতব পদার্থ মূলত-
  1. ক) পরিবাহী
  2. খ) অপরিবাহী
  3. গ) অর্ধপরিবাহী
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) অপরিবাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অপরিবাহী
ব্যাখ্যা
অপরিবাহী পদার্থ
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে, যেমন-কাচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি।
- মূলত প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী
- অপরিবাহী পদার্থের আপেক্ষিক রোধ 1012Ωm ক্রমের। 
- অপরিবাহীতে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না।
- তাই অপরিবাহীর দুই প্রান্তে অনেক বিভব পার্থক্য ঘটালেও তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি হয় না।
- অপরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সর্বপ্রথম সমন্বিত বর্তনীর ধারনা দেন কে?
  1. ক) চার্লস ব্যাবেজ
  2. খ) জ্যাক কিলবি
  3. গ) ওয়াল্টার ব্রাটেইন
  4. ঘ) রবার্ট নায়েস
সঠিক উত্তর:
খ) জ্যাক কিলবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জ্যাক কিলবি
ব্যাখ্যা
সমন্বিত বর্তনী:
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কিলবি সম্বনিত বর্তনীর ধারণা দেন
- ১৯৫৯ সালে জ্যাক কিলবি ও রবার্ট নায়েস প্রথম প্রকৃত মনোলিথিক আইসি তৈরি করে।
- একটি IC তে সাধারণত বহু সংখ্যাক Transistor, Capacitor, Logic Gate Resistor থাকে। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )।
.
ফোটন কণার নিশ্চল ভর কত?
  1. ক) 1
  2. খ) -1
  3. গ) 0
  4. ঘ) 2
সঠিক উত্তর:
গ) 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 0
ব্যাখ্যা
ফোটন:
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (0)। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
হোল কোন ধরনের আধান হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) ধনাত্মক
  2. খ) ঋণাত্মক
  3. গ) নিরপেক্ষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ধনাত্মক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধনাত্মক
ব্যাখ্যা
হোল:
- তাপীয় শক্তির জন্য ইলেকট্রন যখন কোনো সমযোজী বন্ধন ভেঙ্গে বের হয়ে আসে তখন ইলেকট্রনের এই অপসারণ সমযোজী বন্ধনে একটি শূন্য স্থান রেখে আসে। - ইলেকট্রনের এই শূন্যতা বা অনুপস্থিতিকে হোল বলা হয়.
- হোল ধনাত্মক আধান হিসেবে কাজ করে। 
- একটি হোলের চার্জ 1.6×10-19 C ।
- যখনই একটি ইলেকট্রন মুক্ত হয়, তখনই একটি হোলের সৃষ্টি হয়।
- সুতরাং তাপীয় শক্তি হোল-ইলেকট্রন জোড় সৃষ্টি করে।
- যতগুলো মুক্ত ইলেকট্রন সৃষ্টি হয় ততগুলোই হোলের সৃষ্টি হয়।
- হোল হলো একটি ইলেকট্রনের অনুপস্থিতি।

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু কোনটি?
  1. ক) নিউট্রন স্টার
  2. খ) কোয়াসার
  3. গ) কৃষ্ণবিবর
  4. ঘ) বোসন
সঠিক উত্তর:
খ) কোয়াসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কোয়াসার
ব্যাখ্যা
কোয়াসার (Quasar):
- মহাবিশ্বে এ যাবৎ কালের আবিস্কৃত সবচেয়ে বিস্ময়কর বস্তু সম্ভবত কোয়সার।
- কোয়াসার হলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু
- একটি কোয়সারের মোট শক্তির পরিমাণ একটি সম্পূর্ণ গ্যালাক্সির শক্তির চেয়ে প্রায় 100 গুণ বেশি।
- অথচ একটি কোয়াসারের ব্যাপ্তি আমাদের সৌরজগতের প্রায় দ্বিগুণের মতো।
- বিজ্ঞানীদের অনেকেই মনে করেন কোয়াসার হলো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত ঘূর্ণায়মান বণ্ঢ্যাক হোল যা ক্রমাগত সন্নিকটবর্তী নক্ষত্রসমূহকে গ্রাস করে চলছে।
- সুতরাং কোয়াসারের শক্তির উৎস বণ্ঢ্যাক হোল কর্তৃক নক্ষত্র গলধঃকরণ হতে পারে।
- কোয়াসার এখনও মহাবিশ্বের অতি রহস্যময় এক বস্তু।
- তবে কোয়াসারের যে বৈশিষ্ট্যগুলো এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: কোয়াসার দেখতে নক্ষত্রের মতো, তাদের রং নীলাভ, কতকগুলো কোয়াসার তীব্র বেতার বিকিরণের উৎস, কোয়াসারের লোহিত সরণ খুবই বেশি প্রভৃতি।

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
জাংশন ডায়োড সাধারণত কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) সুইচ হিসেবে
  2. খ) বিবর্ধক হিসেবে
  3. গ) রেকটিফায়ার হিসেবে
  4. ঘ) স্পন্দক হিসেবে
সঠিক উত্তর:
গ) রেকটিফায়ার হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রেকটিফায়ার হিসেবে
ব্যাখ্যা
রেকটিফিকেশন:
- যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ (Direct current- ডিসি) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে।
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেফটিফায়ার বলে।
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না।
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
.
ডোপিং এর জন্য অপদ্রব্য হিসেবে পর্যায় সারণির কোন সারির মৌলগুলোকে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) প্রথম ও তৃতীয়
  2. খ) তৃতীয় ও পঞ্চম
  3. গ) দ্বিতীয় ও চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম ও সপ্তম
সঠিক উত্তর:
খ) তৃতীয় ও পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তৃতীয় ও পঞ্চম
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping):
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে ।
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায় ।
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। যথা-
(ক) পর্যায় সারণির তৃতীয় সারির মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
(খ) পর্যায় সারণির পঞ্চম সারির মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।