পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়30 minutes
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
রিভিশন কুইজ [১৫০ দিনের সিলেবাসের বিগত ৫টি পরীক্ষার টপিকের উপর।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত গ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. ক) প্রবোধচন্দ্রিকা
  2. খ) বেদান্তগ্রন্থ
  3. গ) বেদান্তচন্দ্রিকা
  4. ঘ) রাজাবলী
ব্যাখ্যা
'বেদান্তগ্রন্থ' ও 'বেদান্তসার' গ্রন্থের রচয়িতা রাজা রামমোহন রায়।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ছিলেন উইলিয়াম কেরির অধিনস্থ বাংলা বিভাগের প্রধান-পন্ডিত।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে থাকার সময়ে তিনি যেসব গ্রন্থ রচনা করেন, সেগুলো হলো: 
- বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২), 
- হিতোপদেশ (১৮০৮), 
- রাজাবলী (১৮০৮) এবং 
- প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮১৩ সালে লিখিত, কিন্তু ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত। 
- এছাড়া পরে ১৮১৭ সালে তিনি লেখেন বেদান্তচন্দ্রিকা।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।
.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত "দি পীস" পত্রিকাটি কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
  1. ক) ১৯২০
  2. খ) ১৯২১
  3. গ) ১৯২৪
  4. ঘ) ১৯২৩
ব্যাখ্যা
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯):
- শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও ভাষাতত্ত্ববিদ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এর জন্ম ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে।
- ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে শহীদুল্লাহ্র বহু মননশীল ও জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ নানা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেন।
- আল এসলাম পত্রিকার সহকারী সম্পাদক (১৯১৫)
- বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক (১৯১৮-২১) হিসেবে
- তাঁর সম্পাদনা ও প্রকাশনায় মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা আঙুর (১৯২০) আত্মপ্রকাশ করে।
তাঁর অন্যান্য সম্পাদিত পত্রিকা -
- ইংরেজি মাসিক পত্রিকা দি পীস (১৯২৩)
- বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বঙ্গভূমি (১৯৩৭) এবং
- পাক্ষিক তকবীর (১৯৪৭)

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) A Code of Gento Laws
  2. খ) The Development of Bengali Language
  3. গ) History of Bengali Language
  4. ঘ) Vocabulario idioma em Bengalla e portuguez dividido em duas Partes
ব্যাখ্যা
ওয়ারেন হেস্টিংসের অনুরোধে ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড রচনা করেন 'A Code of Gento Laws' ।
- গ্রন্থটি ১৭৭৬ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়।
- এটি মূলত হিন্দু আইনশাস্ত্রের একটি সারসংকলন, যা এগারোজন ব্রাহ্মণ পন্ডিত সংস্কৃত ভাষায় সংকলন করেন।
- পরে একজন মুন্সি এটি প্রথমে ফারসি ভাষায় অনুবাদ করেন
- সেখান থেকে হ্যালহেড ইংরেজিতে অনুবাদ করেন।
-------------------------
ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড (১৭৫১-১৮৩০):
- তিনি ছিলেন প্রাচ্যবিদ ও বৈয়াকরণিক।
- তিনিই প্রথম বৈয়াকরণিক যিনি বাংলা  ব্যাকরণ রচনায় উদাহরণ ব্যবহার করে বাংলা পাঠ ও  বাংলা লিপি ব্যবহার করেন।
- এর আগে পর্তুগিজ ধর্মযাজকরা রোমান অক্ষরে অতি সাধারণভাবে বাংলা ব্যাকরণ ও  অভিধান রচনার চেষ্টা করেন।
- কিন্তু নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হ্যালহেডই প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।
- তাঁর রচিত  A Grammar of the Bengal Language গ্রন্থটি ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয়। 
- ওয়ারেন হেস্টিংসের অনুরোধে হ্যালহেড এটি রচনা করেন।
- ১৭৪৩ সালে লিসবন শহর থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি মূলত এদেশে  খ্রিস্টধর্ম প্রচারের সুবিধার জন্যই সংকলিত হয়েছিল।

Manuel da Assumpção--- 'Vocabulario idioma em Bengalla e portuguez dividido em duas Partes' (১৭৪৩)
ব্রাসি হ্যালহেড --- ' A Grammar of the Bengal Language' (১৭৭৮)।
উইলিয়াম কেরি --- 'A Grammar of the BengaliLanguage' (১৮০১)
দীনেশচন্দ্র সেন - History of Bengali Language and Literature 
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় - Origin and Development of Bengali Language’ (ODBL)

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'সঙ্গীতসার' ও 'সঙ্গীতলহরী' - কাব্যদুটি কার রচনা?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) অতুলপ্রসাদ সেন
  3. গ) নওয়াব ফয়জুন্নেসা
  4. ঘ) লালন শাহ
ব্যাখ্যা
নবাব ফয়জুন্নেসা (১৮৩৪-১৯০৩):
- জমিদার, নারীশিক্ষার প্রবর্তক, সমাজসেবক ও কবি নবাব ফয়জুন্নেসা কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলাধীন পশ্চিমগাঁও গ্রামে এক জমিদার বংশে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফয়জুন্নেসা জমিদারি লাভের পূর্ব থেকেই সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড এবং দীন-দরিদ্রের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন। 
-  বান্ধব,  ঢাকা প্রকাশ, মুসলমান বন্ধু,  সুধাকর, ইসলাম প্রচারক প্রভৃত বাংলা পত্রপত্রিকা তাঁর আর্থিক সহায়তা লাভ করে।
ফয়জুন্নেসার জনহিতৈষণার পুরস্কার স্বরূপ ব্রিটিশ সরকার ১৮৮৯ সালে তাঁকে 'নওয়াব' উপাধিতে ভূষিত করেন।
- তিনিই বাংলার প্রথম মহিলা যিনি এই উপাধি লাভ করেন।
--------------
- সাহিত্যিক হিসেবেও ফয়জুন্নেসার পরিচিতি আছে।
- গদ্যে-পদ্যে রচিত তাঁর রূপজালাল (১৮৭৬) গ্রন্থটি রূপকের আশ্রয়ে একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা। এতে তাঁর বিড়ম্বিত দাম্পত্য জীবনের করুণ কাহিনী স্থান পেয়েছে।
- এছাড়া সঙ্গীতসার ও সঙ্গীতলহরী - নামে তাঁর দুখানি কাব্যের কথাও জানা যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'অপু' চরিত্রটি পাওয়া যায় কোন উপন্যাসে?
  1. ক) আরণ্যক
  2. খ) আদর্শ হিন্দু হোটেল
  3. গ) বিষবৃক্ষ
  4. ঘ) অপরাজিত
ব্যাখ্যা
'অপরাজিত' (১৯৩১) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। 
- এটি তাঁর প্রথম উপন্যাস 'পথের পাঁচালী' এর পরিপূরক কথাশিল্প।
- উপন্যাসটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় মাসিক 'প্রবাসি' তে।
- উপন্যাসটির প্রথম নামকরণ করা হয়েছিল 'আলোর সারথি'।
চরিত্র: অপু, অপর্ণা, লীলা, কাজল প্রমুখ। 

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত অন্যান্য উপন্যাস-
- পথের পাঁচালী (১৯২৯),
- আরণ্যক (১৯৩৮),
- দৃষ্টি প্রদীপ (১৯৩৫),
- আদর্শ হিন্দু হােটেল (১৯৪০),
- দেবযান (১৯৪৪),
- ইছামতী (১৯৪৯)
- অশনি সংকেত (১৯৫৯) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
মৃত্যুর নিবিড় উপলব্ধি পাওয়া যায় রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থে?
  1. ক) কড়ি ও কোমল
  2. খ) শেষের কবিতা
  3. গ) ক্ষণিকা
  4. ঘ) পুনশ্চ
ব্যাখ্যা
মৃত্যুর নিবিড় উপলব্ধি পাওয়া যায় রবীন্দ্রনাথের 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থে

'কড়ি ও কোমল' (১৮৮৬) সম্পর্কে বলা হয়, এই গ্রন্থের বিষয় বিচিত্র, ভাব সুস্পষ্ট, ভাষা সুদৃঢ়, ছন্দ মধুর। 
- তারুণ্যের উচ্ছলতা, নারীদেহের প্রতি মুগ্ধতা ও মৃত্যুর রহস্যময়তার প্রতি আকর্ষণ-এই তিনটি লক্ষণে কাব্যটি বিশিষ্ট। 
- রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন "মৃত্যুর নিবিড় উপলব্ধি আমার কাব্যের একটি বিশেষ ধারা, নানা বাণিতে যার প্রকাশ। কড়ি ও কোমলেই তার প্রথম উদ্ভব।" 
- ১৮৮৪ সালে বৌদি কাদম্বরী দেবীর আত্মহত্যাজনিত মৃত্যু রবীন্দ্র মনে যে বিরাগের সৃষ্টি করেছিল, সেই প্রভাব 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থে আছে।
এ কাব্যগ্রন্থের 'প্রাণ' কবিতার বিখ্যাত চরণ- 
"মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে 
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই" 

অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা - চুম্বন, বাহু, চরণ, কেন, মোহ। 

 উৎস: মাধ্যমিক বাংলা সাহিত্য (২০২০ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'বীরবলের হালখাতা' কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. ক) সবুজপত্র
  2. খ) ভারতী
  3. গ) বিশ্বভারতী
  4. ঘ) বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা
প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রথম গদ্য রচনা 'বীরবলের হালখাতা'।
- এটি ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 

প্রমথ চৌধুরী, (১৮৬৮-১৯৪৬)  
সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরীর জন্ম ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে।
- ১৯১৪ সালে মাসিক  সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- একে কেন্দ্র করে তখন একটি শক্তিশালী লেখকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও এর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
- প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে এ পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি (১৯০৬),
- সনেট পঞ্চাশৎ (১৯১৩),
- চার-ইয়ারি কথা (১৯১৬),
- The Story of Bengali Literature (১৯১৭),
- পদচারণ (১৯১৯),
- রায়তের কথা (১৯২৬) ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'আলালী রীতি'র প্রবর্তক কে?
  1. ক) বীরবল
  2. খ) টেকচাঁদ ঠাকুর
  3. গ) কালীপ্রসন্ন সিংহ
  4. ঘ) প্রেমেন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যা
'আলালী রীতি'র প্রবর্তক প্যারীচাঁদ মিত্র
- টেকচাঁদ ঠাকুর তাঁর ছদ্মনাম।
- সাহিত্যক্ষেত্রে প্যারীচাঁদের সর্বশ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব আলালের ঘরের দুলাল যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম  উপন্যাস হিসেবে খ্যাত।
- রচনারীতি ও ভাষাগত দিক থেকে এ উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারার সূচনা করে।
- এ উপন্যাসে প্যারীচাঁদ প্রথমবারের মতো বাংলা সাহিত্যের প্রচলিত গদ্যরীতির নিয়ম ভেঙ্গে চলিত ভাষারীতি প্রয়োগ করেন।
- সাধারণ মানুষের মুখে ব্যবহূত কথ্য ভাষা আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম
- আলালের ঘরের দুলাল (১৮৫৭),
- মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায় (১৮৫৯),
- রামারঞ্জিকা (১৮৬০), কৃষিপাঠ (১৮৬১),
- ডেভিড হেয়ারের জীবনচরিত (১৮৭৮) এবং
- বামাতোষিণী (১৮৮১)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'অবরোধবাসিনী' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) মিসেস আর.এস হোসেন
  2. খ) নওয়াব ফয়জুন্নেসা
  3. গ) সেলিনা হোসেন
  4. ঘ) সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
'অবরোধবাসিনী' গ্রন্থের রচয়িতা বেগম রোকেয়া। 
- মোহাম্মদী পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১৯২৮ সালে। 
- সমকালীন সাময়িক পত্রে মিসেস আর.এস হোসেন নামে তাঁর রচনা প্রকাশিত হতো।
- মুসলিম নারী মুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ ছিলেন বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। 
- বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার অন্তর্গত পায়রাবন্দ ইউনিয়নে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় ১৯০৩ সালে নবনূর পত্রিকায়।
- মতান্তরে, তাঁর প্রথম লেখা ‘পিপাসা’ (মহরম) প্রকাশিত হয় ইংরেজি ১৯০২ সালে, চৈত্র ও বৈশাখ ১৩০৮-১৩০৯ (যুগ্মসংখ্যা) নবপ্রভা পত্রিকায়।
- - নবনূর, সওগাত, মোহাম্মদী, নবপ্রভা, মহিলা, ভারতমহিলা, আল-এসলাম, নওরোজ, মাহে নও, বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, The Mussalman, Indian Ladies Magazine  প্রভৃতি পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখতেন।

- রোকেয়ার উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড ১৯২২),  
- Sultana’s Dream  (নকশাধর্মী রচনা, ১৯০৮),
- পদ্মরাগ (উপন্যাস, ১৯২৪),
- অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, ১৯৩১) প্রভৃতি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
।1 - 2x। < 5 অসমতাটির সমাধান কোনটি? 
  1. ক) 2 < x < 3 
  2. খ) - 2 < x < 3 
  3. গ) - 3 < x < 2
  4. ঘ) - 3 < x < 3 
ব্যাখ্যা
।1 - 2x। < 5
- 5 < 1 - 2x < 5
- 5 - 1 < 1 - 2x - 1< 5 - 1
- 6 < - 2x < 4
- 6/2 < - 2x/2 < 4/2
- 3 < - x < 2
- 3(- 1) > (- x )(- 1)> 2(- 1)
3 > x > - 2
- 2 < x < 3
১১.
কোনো ভগ্নাংশের লব ও হরের প্রত্যেকটির সাথে 1 যোগ করলে ভগ্নাংশটি 4/5 হবে। আবার লব ও হরের প্রত্যকেটি থেকে 5 বিয়োগ করলে ভগ্নাংশটি 1/2 হবে। ভগ্নাংশটি কত?
  1. ক) 7/11
  2. খ) 5/9
  3. গ) 3/5
  4. ঘ) 7/9
ব্যাখ্যা
মনেকরি,
ভগ্নাংশটির লব= x
ভগ্নাংশটির হর=y 
ভগ্নাংশটি = x/y

১ম শর্তমতে 
(x + 1)/(y + 1) = 4/5
5x + 5 = 4y + 4
5x - 4y = 4 - 5 
5x - 4y = - 1 .................... (1)

(x - 5)/(y - 5) = 1/2
2x - 10 = y - 5 
2x - y = - 5 + 10 
2x - y = 5 
y = 2x - 5 ...................(2)

(1) নং সমীকরণ হতে পাই, 
5x - 4(2x - 5) = - 1
5x - 8x + 20 = - 1
- 3x = - 21 
x = 7
(2) নং সমীকরণ হতে পাই,
y = 2 × 7 - 5 
   = 14 - 5
   = 9

ভগ্নাংশটি = 7/9
১২.
(x/2) + (y/2) = 3, (x/2) - (y/2) = 1 সমীকরণদ্বয়ের সমাধান কোনটি?
  1. ক) (2,1)
  2. খ) (6,3)
  3. গ) (4,2)
  4. ঘ) (8,6)
ব্যাখ্যা
দেয়া আছে,
(x/2) + (y/2) = 3..................(1)
(x/2) - (y/2) = 1....................(2)

(1) নং + (2)নং যোগ করে পাই,
(x/2) + (y/2) + (x/2) - (y/2) = 3 + 1
(x/2) +(x/2) = 4
(x + x)/2 = 4
2x/2 = 4 
x = 4 

(1)নং সমীকরণে x এর মান বসিয়ে পাই,
(x/2) + (y/2) = 3
4/2 + (y/2) = 3
2 +  (y/2) = 3
y/2 = 3 - 2
y/2 = 1 
y = 2 

নির্ণেয় সমাধান (x,y) = (4,2)
১৩.
x4 - 6x2y2 + y4 এর সঠিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ হলো-
  1. ক) (x2 + 2xy - y2)(x2 - 2xy - y2)
  2. খ) (x2 + 4xy - y2)(x2 - 3xy - y2)
  3. গ) (x2 + xy - y2)(x2 - xy - y2)
  4. ঘ) (x2 + xy + y2)(x2 - xy + y2)
ব্যাখ্যা
x4 - 6x2y2 + y4 
(x2)2 - 2x2.y2 + (y2)2 - 4x2y2
(x2 - y2)2 - (2xy)2
(x2 - y2+ 2xy) (x2 - y2- 2xy)
(x2 + 2xy - y2)(x2 - 2xy - y2)
১৪.
x2 - √3x - 1 = 0 হলে 23{(x4 + 1)/x2} এর মান কত?
  1. ক) 5
  2. খ) 115
  3. গ) 69
  4. ঘ) 1
ব্যাখ্যা
দেয়া আছে,
x2 - √3x - 1 = 0
x2 - 1 = √3x
(x2 - 1)/x = √3x/x
x2/x - 1/x =√3 
x - 1/x = √3

এখানে 
(x4 + 1)/x2 = x4/x2 + 1/x2
                  = x2 + (1/x)2
                  = (x - 1/x)2 + 2.x.1/x
                  = (√3)2 + 2
                  = 3 + 2 
                  = 5 
23{(x4 + 1)/x2} = 23 × 5 = 115
১৫.
5(3 - 2a) ≤ 3(4 - 3a) অসমতাটির সমাধান কত? 
  1. ক) - 3 ≤ a 
  2. খ) 3 ≥ a 
  3. গ) 3 ≤ a 
  4. ঘ) 5 ≤ a 
ব্যাখ্যা
5(3 - 2a) ≤ 3(4 - 3a)  
15 - 10a ≤ 12 - 9a
15 - 10a - 15 ≤ 12 - 9a -15 
- 10a ≤ - 9a - 3
- 10a + 9a ≤ - 9a - 3 + 9a
- a ≤ - 3
(- a)(- 1) ≥ (- 3)(- 1)
a ≥ 3 
3 ≤ a
১৬.
যদি 9a2 + 1/a2 = 2 হয়, তবে 27a3 + 1/a3 এর মান কত?
  1. ক) 4√2
  2. খ) 2√2
  3. গ) - 2√2
  4. ঘ) 34√2
ব্যাখ্যা
দেয়া আছে,
9a2 + 1/a2 = 2
(3a)2 + (1/a)2 = 2
(3a + 1/a)2 - 2 .3a. 1/a = 2 
(3a + 1/a)2 = 2 + 6 
(3a + 1/a)2  = 8 
3a + 1/a = √8
3a + 1/a = 2√2

 27a3 + 1/a3 = (3a)3 + (1/a)3
                     = (3a + 1/a)3 - 3.3a.(1/a)(3a + 1/a) 
                     = (2√2)3 - 9(2√2)
                     = 16√2 - 18√2
                     = - 2√2
১৭.
5000 টাকা দুই জন লোকের মাঝে এমনভাবে ভাগ করে দেয়া হলো যেন প্রথম জনের টাকা দ্বিতীয় জনের 4গুণ হয়। আবার প্রথমজন থেকে 1500 টাকা দ্বিতীয় জনকে দিলে উভয়ের টাকা সমান হয়। প্রথম জনের টাকার পরিমাণ কত?
  1. ক) 1500 টাকা
  2. খ) 3000 টাকা
  3. গ) 4000 টাকা
  4. ঘ) 2000 টাকা
ব্যাখ্যা
মনেকরি,
প্রথমজনের টাকার পরিমাণ = x টাকা 
দ্বিতীয় জনের টাকার পরিমাণ = y টাকা 

১ম শর্তমতে,
x + y = 5000 ..................(1)

২য় শর্তমতে,
x - 1500 = y + 1500
x - y = 1500 + 1500 
x - y = 3000 ..................(2)

(1)নং + (2)নং যোগ করে পাই 
x + y + x - y = 5000 + 3000
2x = 8000
x = 4000
প্রথমজনের টাকার পরিমাণ = 4000 টাকা
১৮.
a + b = 4 এবং a - b = 2 হলে a2 + b2 এর মান কত?
  1. ক) 8
  2. খ) 9
  3. গ) 10
  4. ঘ) 11
ব্যাখ্যা
দেয়া আছে,
a + b = 4 
a - b = 2

আমরা জানি 
2(a2 + b2) = (a + b)2 + (a - b)2
2(a2 + b2) = 42 + 22
2(a2 + b2) =16 + 4 
a2 + b2 = 20/2 
a2 + b2 = 10
১৯.
3x - 2y = 5, 2x + 3y = 12 সমীকরণদ্বয়ে (x, y) এর মান কত? 
  1. ক) (5, 3)
  2. খ) (1, 2)
  3. গ) (3, 3)
  4. ঘ) (3, 2)
ব্যাখ্যা
দেয়া আছে, 
3x - 2y = 5.............(1)
2x + 3y = 12 .............(2)

(1)নং × 3 + (2)নং × 2 ⇒
3(3x - 2y) + 2(2x + 3y) = 15 + 24
9x - 6y + 4x + 6y = 39 
13x = 39 
x = 39/13 
x = 3 

(2)নং সমীকরণে x এর মান বসিয়ে পাই 
2x + 3y = 12
2×3 + 3y = 12 
6 + 3y = 12 
3y = 12 - 6 
3y = 6 
y = 2  

নির্ণেয় সমাধান (x, y) = (3, 2)
২০.
m < n এবং a < b হয় তবে, নিচের কোন সম্পর্কটি সঠিক?
  1. ক) a + m > b + n 
  2. খ) a + m < b + n 
  3. গ) am = bn 
  4. ঘ) a = n
ব্যাখ্যা
দেয়া আছে,
m < n..............(1)
a < b...............(2)

(1)নং + (2)নং⇒
a + m < b + n
২১.
দুইটি সংখ্যার যোগফল 160 এবং একটি অপরটির তিনগুণ হলে, সংখ্যা দুইটির বিয়োগফল কত?
  1. ক) 80
  2. খ) 60
  3. গ) 40
  4. ঘ) 120
ব্যাখ্যা
মনেকরি 
ছোট সংখ্যাটি x 
বড়  সংখ্যাটি 3x 
প্রশ্নমতে,
x + 3x = 160 
4x = 160 
x = 40 

সংখ্যা দুইটির বিয়োগফল = 3x - x
                                      = 2x
                                       = 2 × 40 
                                        = 80 
২২.
x3 - x - 24 এর একটি উৎপাদক নিচের কোনটি?
  1. ক) (x - 3)
  2. খ) (x + 3)
  3. গ) (x - 2)
  4. ঘ) (x + 2)
ব্যাখ্যা
ধরি,
f(x) = x3 - x - 24
f(3) = 33 - 3 - 24
      = 27 - 3 - 24 
      = 27 - 27 
      = 0 

(x - 3) হবে x3 - x - 24 এর একটি উৎপাদক
২৩.
ইরাকের প্রাচীন নগরী 'ব্যাবিলন' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) নীলনদ
  2. খ) ইউফ্রেটিস
  3. গ) টাইগ্রিস
  4. ঘ) শাত-ইল-আরব
ব্যাখ্যা
তৃতীয় সহস্রাব্দের শেষের দিকে মেসোপটেমিয়ার ইউফ্রেটিস নদীর তীরে অবস্থিত, ইরাকের প্রাচীন নগরী ব্যাবিলনের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়।
- যা ইরাকের বাগদাদ থেকে প্রায় ৫৫ মাইল কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত 
- এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে চিহ্নিত। 

খ্রিস্টপূর্ব ৫,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, সেই সময় আরাে কিছু নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- এই নগর সভ্যতাগুলাের আলাদা আলাদা নাম থাকলেও, একই ভূখণ্ডে গড়ে ওঠার কারণে এদেরকে একত্রে মেসােপটেমীয় সভ্যতা বলা হয়।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসােপটেমীয়া অঞ্চল অবস্থিত। 
- মেসােপটেমীয়ার অন্তর্ভুক্ত সভ্যতাসমূহ প্রাচীন মেসােপটেমীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে।
যেমন: সুমেরীয়, ব্যবিলনীয়, এ্যাসিরীয়, ক্যালডীয় ও আক্কাদীয় সভ্যতা।


উৎস: Britannica এবং মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
জৈন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) নানক
  2. খ) বর্ধমান
  3. গ) সিদ্ধার্থ
  4. ঘ) ব্রহ্মা
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম ও পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যে জৈন ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বর্ধমান, যাকে মহাবীর বলা হত।
- বৈদিক ধর্মের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়, যার জন্য পশুবলির প্রয়োজন ছিল।
- জৈনধর্মের মূল বিশ্বাস হল অহিংসা, বা সমস্ত জীবের ক্ষতি নয়।
- জৈনধর্মের একজন স্রষ্টা দেবতার প্রতি কোন বিশ্বাস নেই, যদিও জীবনের বিভিন্ন দিকের জন্য অনেক কম দেবতা আছে।

উৎস: Britannica.
২৫.
মার্টিন লুথার কিং কর্তৃক বিখ্যাত ভাষণ "I have a dream" কত সালে দেয়া হয়?
  1. ক) ১৯৫৯
  2. খ) ১৯৫৬
  3. গ) ১৯৬৩
  4. ঘ) ১৯৬৫
ব্যাখ্যা
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা। তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত ''আই হ্যাভ এ ড্রিম'' ভাষণটি প্রদান করেন।
- ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।
অন্যদিকে,
- মার্টিন লুথার হলেন জার্মানির খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায় ধর্মীয় নেতা।

উৎস: Britannica এবং History.com
২৬.
গৌতম বুদ্ধ কত বছর বয়সে গৃহত্যাগী হন?
  1. ক) ২১
  2. খ) ২৭
  3. গ) ২৯
  4. ঘ) ৩৫
ব্যাখ্যা
চার নিমিত্ত দর্শনের পর সিদ্ধার্থ গৌতমের মনে শান্তি নেই। 
- সব সময় তিনি গভীর চিন্তায় মগ্ন থাকতেন। 
- এক তরুণের গভীর ধ্যনমগ্ন দৃশ্য তাঁর মনে দাগ কটে। 
- এক আষাঢ়ী পূর্ণিমা তিথিতে ২৯ বছর বয়সে তিনি গৃহত্যাগী হন। 
- বৌদ্ধ সাহিত্য ও ইতিহাসে একে 'মহাভিনিষ্ক্রমন' নামে পরিচিত। 

উৎস: মাধ্যমিক বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
কারা সর্বপ্রথম মানচিত্র আঁকেন?
  1. ক) ব্যবিলনীয়রা
  2. খ) সুমেরীয়রা
  3. গ) এ্যাসিরীয়রা
  4. ঘ) ক্যালডীয়রা
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনীয়রা সর্বপ্রথম মাটির ফলকে মানচিত্র আঁকেন
- যার মধ্যে এখন পর্যন্ত পাওয়া প্রাচীনতম নমুনাগুলি প্রায় খ্রীষ্টপূর্বের ২৩০০।
- এটি পৃথিবীর কিছু অংশের চিত্র উপস্থাপনের প্রথম দিকের ইতিবাচক প্রমাণ। 

উৎস: Britannica.
২৮.
চে গুয়েভার কোথায় নিহত হন?
  1. ক) কিউবা
  2. খ) ভিয়েতনাম
  3. গ) পেরু
  4. ঘ) বলিভিয়া
ব্যাখ্যা
এর্নেস্তো চে গেভারা (১৪ জুন, ১৯২৮ – ৯ অক্টোবর, ১৯৬৭) ছিলেন একজন আর্জেন্টিনীয় মার্কসবাদী, বিপ্লবী, চিকিৎসক, লেখক, বুদ্ধিজীবী, গেরিলা নেতা, কূটনীতিবিদ, সামরিক তত্ত্ববিদ এবং কিউবার বিপ্লবের প্রধান ব্যক্তিত্ব। 
- তাঁর জন্ম আর্জেন্টিনায়। 
- তিনি ছিলেন ছিলেন কিউবার বিপ্লবের একজন বিশিষ্ট কমিউনিস্ট ব্যক্তিত্ব এবং দক্ষিণ আমেরিকার একজন গেরিলা নেতা যিনি বিপ্লবী কর্মের জন্য একটি শক্তিশালী প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন।
- ১৯৬৭ সালে বলিভীয়ান সেনাবাহিনী কর্তৃক সেখানেই বন্দী ও নিহত হন। 

উৎস: Britannica.
২৯.
ট্রাফালগারের যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?
  1. ক) ১৭৮৪ সালে
  2. খ) ১৭৯২ সালে
  3. গ) ১৮০০ সালে
  4. ঘ) ১৮০৫ সালে
ব্যাখ্যা
ট্রাফালগারের যুদ্ধ ছিল ব্রিটিশ এবং ফরাসি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর মধ্যে একটি নৌযুদ্ধ।
- ১৮০৫ সালের ২১ অক্টোবর এটি সংঘটিত হয়।
-  এটি স্পেনের কেপ ট্রাফালগারের পশ্চিমে কেডিজ এবং জিব্রাল্টারের প্রণালীর মধ্যে ঘটেছিল।

উৎস: Britannica.
৩০.
আরব বসন্ত কোন বিপ্লবের ফলাফল?
  1. ক) জেসমিন বিপ্লব
  2. খ) টিউলিপ বিপ্লব
  3. গ) রোজ বিপ্লব
  4. ঘ) অরেঞ্জ বিপ্লব
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত জেসমিন বিপ্লবের ফলাফল।
জেসমিন বিপ্লব তিউনিসিয়ায় সংঘটিত হওয়া একটি জনপ্রিয় বিপ্লব।
- এতে দুর্নীতি, দারিদ্র্য এবং রাজনৈতিক দমন -পীড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- জিন আল-আবিদাইন বেন আলী ২০১১ সালের জানুয়ারিতে পদত্যাগ করবেন।
- পরবর্তীতে এই গণবিক্ষোভ মিসর, ইয়েমেন, লিবিয়া, সিরিয়া, বাহরাইন ও মরক্কোতে ছড়িয়ে পড়ে। লিবিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনে গণআন্দোলন গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।
- ২০১০ সালের ডিসেম্বরে ‘বোয়াজিজি’ নামে এক ফলবিক্রেতা কর্তৃক নিজ শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিউনেশিয়ায় আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটে।
এর ফলে ১৪ মার্চ ২০১১ আরব বিশ্বে সর্বপ্রথম তিউনেশিয়ার স্বৈরশাসক ‘জাইন এল বেন আলী’ এর পতন ঘটে।
- গণমাধ্যমে "জেসমিন বিপ্লব" নামে পরিচিত হওয়া বিদ্রোহের সাফল্য মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা জুড়ে একই ধরনের আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা
৩১.
হিব্রুদের বংশধর কারা?
  1. ক) গ্রীসের অধিবাসী
  2. খ) মিশরের অধিবাসী
  3. গ) ইসরাইলের অধিবাসী
  4. ঘ) রোমের অধিবাসী
ব্যাখ্যা
ইহুদিদের পূর্বপুরুষরা ছিলেন হিব্রু জাতির অন্তর্ভূক্ত।
- বাইবেলের পণ্ডিতরা ওল্ড টেস্টামেনে হিব্রু শব্দটি ব্যবহার করেন তাদের পিতৃপুরুষদের বংশধরদের মনোনীত করার জন্য  যেমন ইব্রাহিম, ইসহাক এবং জ্যাকব।
- খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীর শেষের দিকে ব্যাবিলনীয় নির্বাসন থেকে ফিরে না আসা পর্যন্ত এই লোকদের ইসরায়েল হিসাবে উল্লেখ করা হয়, সেই সময় থেকে তারা ইহুদি হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

উৎস: ব্রিটানিকা
৩২.
জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ৭ম
  2. খ) ৮ম
  3. গ) ৬ষ্ঠ
  4. ঘ) ৯ম
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যার দিক দিয়ে পৃথিবীর ৮ম বৃহত্তম দেশ। 
৪র্থ বৃহৎ মুসলিম দেশ, মুসলিম সংখাগরিষ্ঠ দেশ হিসাবে বিশ্বের ৩য় দেশ। 
জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক দিয়ে বিশ্বের ৭ম বৃহৎ দেশ, ১০ কোটির উপর জনসংখ্যার দেশ হিসাবে বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। 
 
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৩৩.
২০২২ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি?
  1. ক) ৭ জন
  2. খ) ১১ জন
  3. গ) ৯ জন
  4. ঘ) ১২ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠান এ পুরস্কার লাভ করে।
সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।
এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান -

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ:
১. বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
২. শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম)
৩. আবদুল জলিল
৪. সিরাজ উদ্দীন আহমেদ
৫. মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস
৬. মরহুম সিরাজুল হক।

চিকিৎসাবিদ্যা:
৭. অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া
৮. অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলাম
স্থাপত্য:
৯. মরহুম স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।

গবেষণা ও প্রশিক্ষণ:
১০. গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই)
বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান ও শতভাগ বিদ্যুতায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ:
১১. বিদ্যুৎ বিভাগ

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল - ২০২২
৩৪.
বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জয় লাভ করে -
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৯ সালে
  3. গ) ১৯৯৭ সালে
  4. ঘ) ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে। 
- ওই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দু'টি ম্যাচ জয়লাভ করে এবং দু'টি ম্যাচ হেরে যায়।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে। 
- বাংলাদেশের এখন অব্দি অন্যতম অর্জন হলো ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। 
- কারণ, এই জয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসর বিশ্বকাপ (১৯৯৯ সালে) খেলার সুযোগ।
 
উৎস: প্রথম আলো 
৩৫.
বাংলাদেশের কোন নারী 'ইন্টারন্যাশনাল উইমেন অব কারেজ অ্যাওয়ার্ড' পদকে ভূষিত হন?
  1. ক) ড. ফেরদৌসী কাদরি
  2. খ) সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  3. গ) মাহজাবীন হক
  4. ঘ) ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের আন্তর্জাতিক সাহসী নারী পুরস্কার (ইন্টারন্যাশনাল উইমেন অব কারেজ অ্যাওয়ার্ড) পান আইনজীবী ও বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
- বাংলাদেশ ছাড়াও আরও ১১ দেশ থেকে ১১ জন সাহসী নারী এই পুরস্কার পান।
- শান্তি, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, লৈঙ্গিক সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখায় নারীদের এই পুরস্কার দিয়ে থাকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। এবার দিয়ে ১৬ বার এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৬.
পদ্মা সেতুর সংযোগ স্থল -
  1. ক) শরীয়তপুর ও মাদারীপুর
  2. খ) মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর
  3. গ) মুন্সিগঞ্জ ও মাদারীপুর
  4. ঘ) ফরিদপুর ও মাদারীপুর
ব্যাখ্যা
এক নজরে পদ্মা সেতু:
• অফিসিয়াল নাম: পদ্মা বহুমুখী সেতু (Padma Multipurpose Bridge)
• সেতুর ধরন: দ্বিতল (ওপরে সড়ক এবং নিচে রেলপথ)
• প্রত্যক্ষভাবে জড়িত স্থান/জেলা/উপজেলা ৩টি- ১. মাওয়া, লৌহজং উপজেলা, মুন্সিগঞ্জ জেলা, ২. শিবচর উপজেলা, মাদারীপুর জেলা ও ৩. জাজিরা উপজেলা, শরীয়তপুর জেলা।
সংযোগস্থল: মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার মাওয়া ও শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলা।
• ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: ৪ জুলাই ২০০১।
• নির্মাণকাজ উদ্বোধন: ১২ ডিসেম্বর ২০১৫।
• দৈর্ঘ্য: ৬.১৫ কি.মি. (২০,১৭৭.১৭ ফুট)।
• প্রস্থ: ১৮.১০ মি. (৫৯.৩৮ ফুট)
• সংযোগ সড়কসহ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য: ৯.৩০ কি.মি.
• লেন: ৪টি 
• সেতুর আয়ুষ্কাল: ১০০ বছর 
• ভূমিকম্পের সহনীয় মাত্রা: রিখটার স্কেল ৯ 
• স্প্যান: ৪১টি
• পিলার বা পিয়ার: ৪২টি
• পাইল: ২৯৪টি 
• নির্মাণের উপাদান: কংক্রিট ও স্টিল 
• ডিজাইন: AECOM (যুক্তরাষ্ট্র)
• সমীক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: JICA
• নির্মাণকারী: চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড (চীন)
• নদী শাসক প্রতিষ্ঠান: সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন (চীন)
• নির্মাণ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশন (দক্ষিণ কোরিয়া) 
• প্রথম স্প্যান বসানো হয়: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ (৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারে) 
• ৪১তম বা শেষ স্প্যান বসানো হয়: ১০ ডিসেম্বর ২০২০ (১২ ও ১৩ নম্বর পিলারে)

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
৩৭.
২০২২ সালে 'ভাষা আন্দোলন' বিভাগে একুশে পদক লাভ করেন কে?
  1. ক) সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী
  2. খ) মোস্তফা এম. এ. মতিন
  3. গ) অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান
  4. ঘ) নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২২:
জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে একুশে পদক প্রবর্তন করা হয়।
একুশে পদক প্রবর্তন করা হয় ১৯৭৬ সাল থেকে।
একুশে পদকের প্রদেয় পুরষ্কার এককালীন নগদ ৪ লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র।
২০২২ সালে একুশে পদক লাভ করেন ২৪ জন ব্যক্তি।
এ বছরের একুশে পদক ঘোষণা করা হয় - ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
একুশে পদক দেয়া হয় ১১ টি বিভাগে।

ভাষা আন্দোলনে একুশে পদক লাভ করেন ২ জন ব্যক্তিত্ত্ব। যথা:
- মোস্তফা এম. এ. মতিন (মরণোত্তর)
- মির্জা তোফাজ্জল হোসেন (মুকুল) (মরণোত্তর)

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৮.
নিচের কোনটি আগ্নেয় শিলা নয়?
  1. ক) গ্রানাইট
  2. খ) গ্রাফাইট
  3. গ) ডলোরাইট
  4. ঘ) ল্যাকোলিথ
ব্যাখ্যা
পৃথিবী সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ের উত্তপ্ত ও গলিত অবস্থা হতে ক্রমান্বয়ে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তা আগ্নেয় শিলা নামে পরিচিত। পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয়েছে বিধায় আগ্নেয় শিলাকে প্রাথমিক শিলাও বলা হয়।

আগ্নেয় শিলা দুপ্রকার।
যথা:
- অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা এবং
- বহিঃজ আগ্নেয় শিলা।

অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা:

- গ্রানাইট
- গ্যাব্রো
- ডলোরাইট
- ল্যাকোলিথ
- ব্যাথোলিথ
- ডাইক
- সিল প্রভৃতি।

বহিঃজ আগ্নেয় শিলা:

- ব্যাসল্ট
- রায়োলাইট
- অ্যান্ডিসাইট।

অন্যদিকে,

- চুনাপাথর ও কেওলিন : পাললিক শিলা
- গ্রাফাইট : রূপান্তরিত শিলা।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩৯.
বাংলাদেশ কত ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত?
  1. ক) ২০°৩৯´ থেকে ২৬°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  2. খ) ২০°৩৪´ থেকে ২৬°৩৮´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  3. গ) ৮৬°০২´ থেকে ৮৯°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  4. ঘ) ৮৮°০১´ থেকে ৯২°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ ৮৮°০১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা এবং 
২০°৩৪´ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮´ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত।

বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা (ট্রপিক অব ক্যান্সার) এবং ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪০.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কী?
  1. ক) বদ্বীপ
  2. খ) প্রতিবাত ঢাল
  3. গ) গিরিখাত
  4. ঘ) নৌঘাঁটি
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground):
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো। মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে। বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা। এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মি।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।
- 'বেঙ্গল ফ্যান' ভূমি রূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৪১.
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি কোন যুগের ভূমিরূপ?
  1. ক) সাম্প্রতিককাল
  2. খ) প্লাইস্টোসিনকাল
  3. গ) নবোপলীয় যুগ
  4. ঘ) টারশিয়ারি যুগ
ব্যাখ্যা
ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়।
এগুলো হলো:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
- প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ প্রায় ২৫ হাজার বছর পূর্বে গঠিত হয়। দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালগড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ।

টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহের মধুপুর এবং গাজীপুরের ভাওয়ালগড়ের মোট আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার। 
সমভূমি থেকে এই অঞ্চল ৩০ মিটার উঁচু। মাটির রং লালচে ও ধূসর।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
৪২.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে?
  1. ক) কুতুবদিয়া
  2. খ) মহেশখালী
  3. গ) সন্দ্বীপ
  4. ঘ) সেন্ট মার্টিনস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো মহেশখালী
- এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- এছাড়া এখানে আদিনাথ মন্দির রয়েছে।
- মহেশখালী দ্বীপেই মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে।
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো সেন্টমার্টিন বা নারিকেল জিঞ্জিরা।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

সূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৩.
ভূপৃষ্ঠের সমবৃষ্টিপাত বিশিষ্ট স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা কোনটি?
  1. ক) আইসোথার্ম
  2. খ) আইসোহাইট
  3. গ) আইসোহেলাইন
  4. ঘ) আইসোবার
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠের সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখাকে আইসোহাইট বলা হয়।

অন্যদিকে:
- সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখাকে আইসোথার্ম বলা হয়।
- সমুদ্রের সমলবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা আইসোহেলাইন নামে পরিচিত।
- ভূপৃষ্ঠের সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখাকে আইসোবার বলা হয়।

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : উন্মুক্ত বিশ্ব. এবং সায়েন্সডিরেক্ট ওয়েবসাইট)
৪৪.
“বঙ্গবন্ধু দ্বীপ” কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মেঘনা মোহনায়
  2. খ) বঙ্গোপসাগরে
  3. গ) টেকনাফের দক্ষিণে
  4. ঘ) পটুয়াখালীর দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু দ্বীপ (যা পুটুনির দ্বীপ নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার সুন্দরবনের অংশ 'দুবলার চর' থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস শিকারী।
- এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’ এবং সেখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।
- পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বড় হচ্ছে এবং না ডুবে স্থিতিশীল অবস্থায় আসছে।

সূত্র: প্রথম আলো আর্কাইভ।
৪৫.
নিচের কোনটি উঁচু উচ্চতার মেঘ?
  1. ক) অল্টোস্ট্রেটাস
  2. খ) স্ট্রেটাস
  3. গ) সিরোকিউম্যুলাস
  4. ঘ) কিউম্যুলাস
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:

উঁচু উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস

নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।

নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

(তথ্যসূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
৪৬.
'ডাকার' কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) মরক্কো
  2. খ) সেনেগাল
  3. গ) কেনিয়া
  4. ঘ) মোজাম্বিক
ব্যাখ্যা
সেনেগালের সমুদ্রবন্দর : ডাকার

অন্যদিকে,
- কেনিয়ার সমুদ্রবন্দর : মোম্বাসা
- মরক্কোর সমুদ্রবন্দর : তাঞ্জিবার ও কাসাব্লাংকা।
- মোজাম্বিকের সমুদ্রবন্দর : মাপুতো।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ওয়েবসাইট)