উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:
সমাধান:
৪৯তম বিসিএস ⎯ সমাজকল্যাণ [৩৬১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০১ প্রশ্ন
প্রশ্ন:
সমাধান:
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
সমাধান:
(২য় কলাম × ৩য় কলাম) - ১ম কলাম = ৪র্থ কলাম
(6 × 10) - 2 = 60 - 2 = 58
(7 × 11) - 3 = 77 - 3 = 74
(8 × 12) - 4 = 96 - 4 = 92
সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 92 সংখ্যাটি বসবে।
উইলিয়াম হেনরি বিভারিজ ছিলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ ও সমাজসংস্কারক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের আর্থ-সামাজিক সমস্যার মূল কারণগুলো চিহ্নিত করেন এবং ব্রিটিশ সরকারকে ৫টি সুপারিশ প্রদান করেন। তিনি ৫টি সামাজিক সমস্যাকে "5 giants " বলে আখ্যায়িত করেন। এটিই 5 giants theory নামে পরিচিত।
'সমাজকর্ম অভিধানে' Robert L. Barker সামাজিক কার্যক্রমের সংজ্ঞায় বলেন," সামাজিক কার্যক্রম হলো (০১) সামাজিক সমস্যার সমাধান, (০২) অন্যায় অবিচার সংশোধন, (০৩) জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও (০৪)চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা। "( Social Action is a coordinated effort to achieve institutional Change to meet a need, solve a social problem, correct an injustice or enhance the quality of human life.) সে অনুযায়ী, উত্তর হবে অপশন "ঘ"।
শালর্ট টোলে ( charlotte Towle) একজন মার্কিন সমাজকর্মী।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ "common Human Needs "-এ ছয়টি মৌল মানবিক চাহিদার কথা উল্লেখ করেন।
এগুলো হলো:
-১. খাদ্য ২.বস্ত্র ৩.বাসস্থান ৪.শিক্ষা ৫.সাস্থ্য ও ৬.চিত্তবিনোদন
সোর্স: উচ্চ -মাধ্যমিক সমাজকর্ম :হুমায়ুন কবির।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারণাটি সর্বপ্রথম দিয়েছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা জোসেফ স্টালিন, যিনি ১৯২৮ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। এটিই ছিল বিশ্বজুড়ে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রথম উদাহরণ, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা।
ব্যাখ্যা:-ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ স্যার উইলিয়াম বিভারিজ তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের রংপুর জেলায় ১৮৭৯ সালে জন্মগ্রহন করেন। বিশ্বে কল্যাণরাষ্ট্রের ধারণার সূত্রপাত হিসেবে বিভারিজ রিপোর্ট ১৯৪২ সালে তুমুল খ্যাতি অর্জন করে। রিপোর্টটি উইলিয়াম বিভারিজকে অনন্য উচ্চতায় আসীন করে।
⇒ প্রাচীনকালে পর্যটক ও পথিকদের সুবিধার্থে রাস্তার পাশে সরাইখানা নির্মাণ করা হতো।
- দীর্ঘ পথচলার ক্লান্তি দূর করতে পথিকরা এই জায়গায় আশ্রয় নিতো ও বিশ্রাম করতো।
- রাজা ও জমিদাররা বা সরকার এখানে কিছু খাবার ও চিকিৎসা সেবার সু্যোগ রাখতেন।
শিল্প বিপ্লব " নামক গ্রন্থটি বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে। উক্ত গ্রন্থে শিল্প বিপ্লবের সংজ্ঞায় বলা হয়," ১৭৮০ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে একটি সুদূরপ্রসারী ও দীর্ঘসময়ব্যাপী সামাজিক বিপ্লব বিশ্বের অর্থনীতি, রাজনীতি ও চিন্তাধারায় আমূল পরিবর্তন আনে।....... ইতিহাস ও অর্থনীতির ভাষায় এই বিপ্লবকেই বলা হয় শিল্প বিপ্লব। ""
( উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম, হুমায়ুন কবির
- V-AID (ভি-এইড) এর পূর্ণরূপ হলো Village Agricultural and Industrial Development (গ্রাম কৃষি ও শিল্প উন্নয়ন)। এটি ১৯৫২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানে চালু হওয়া একটি গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচি ছিল।
এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ উন্নয়নে নাগরিকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা।
এটি ছিল মূলত আমেরিকার সহযোগিতায় চলা গ্রামীন উন্নয়ন কার্যক্রম। যার কারণে আমেরিকার সহযোগিতা ১৯৫৯ সালে বন্ধ হওয়ার পর পুরো কর্মসূচি স্থগত
হয়ে যায়। সুতরাং এতেই প্রতীয়মান হচ্ছে যে, এটা কোনো লোন দেওয়া, নেওয়া ও মুনাফা অর্জনকারী কর্মসূচি ছিল না।
কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন বাংলার তৎকালীন গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস। তাঁর অনুরোধে ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবরে এবং ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম আইন কর্মকর্তাদের তৈরি করা।
প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট
১৭৮০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, কলকাতার মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধিদল তরুণ মুসলিমদের শিক্ষার জন্য একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার আবেদন করে, জানান।
এই অনুরোধে সাড়া দিয়ে, তৎকালীন গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন।
ব্যাখ্যা:- সমাজসেবার সবচেয়ে বিখ্যাত ও অর্থবহুল সংজ্ঞাটি প্রদান করেছেন হ্যারি এম. ক্যাসিডি। তার মতে, সমাজসেবা হলো সেসব কর্মসূচি যা প্রত্যক্ষভাবে মানবসম্পদ সংরক্ষণ, প্রতিপালন ও উন্নয়নে নিয়োজিত। (উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম; হুমায়ূন কবির)
সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, ১১টি অধ্যায়, চারটি তফসিল ও একটি প্রস্তাবনা রয়েছে। সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায়( অনুচ্ছেদ - ৪২) এ বলা হয়েছে যে,
৪২। (১) আইনের দ্বারা আরোপিত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের সম্পত্তি অর্জন, ধারণ, হস্তান্তর বা অন্যভাবে বিলি-ব্যবস্থা করিবার অধিকার থাকিবে এবং আইনের কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন সম্পত্তি বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ, রাষ্ট্রায়ত্ত বা দখল করা যাইবে না।
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত আইনে ক্ষতিপূরণসহ বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ, রাষ্ট্রায়ত্তকরণ বা দখলের বিধান করা হইবে এবং ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ কিংবা ক্ষতিপূরণ নির্ণয় ও প্রদানের নীতি ও পদ্ধতি নির্দিষ্ট করা হইবে; তবে অনুরূপ কোন আইনে ক্ষতিপূরণের বিধান অপর্যাপ্ত হইয়াছে বলিয়া সেই আইন সম্পর্কে কোন আদালতে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
১৭৮৬ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারের পর এটাকে ব্যবহার করে নৌকা, জাহাজ ও রেলগাড়ি চালানো হতো।শিল্প বিপ্লবের আগে লিভারপুল থেকে সানফ্রান্সিসকো যেতে প্রায় ছয় মাস সময় লাগতো। যা বিপ্লবের পর মাত্র দশ দিনে যাওয়া সম্ভব হয়?? ১৮২৫ সাল থেকে বড়ো আকৃতির রেলগাড়ী চলা শুরু হয়। (সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম: হুমায়ূন কবির।)
⇒ হিন্দু উত্তরাধিকার আইন ১৯৫৬ সালে পাস হয়। এই আইনটি হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ও শিখ ধর্ম সম্প্রদায়ের উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে প্রযোজ্য।
- ১৯৫৬ সালের আইনে হিন্দু নারীদের অধিকারে কিছুটা পরিবর্তন আনে।
- এই আইনে দেবোত্তর সম্পত্তি নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।
নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন, ২০১৩ সালের আইন, ২০১৩ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষার জন্য একটি ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে প্রণীত একটি আইন, যা মূলত ১০ নভেম্বর, ২০১৩ সালে কার্যকর হয়।
ব্যাখ্যা:- উইলিয়াম হেনরি বিভারিজ ছিলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ ও সমাজ সংস্কারক। ১৯৪২ সালে "বিভারিজ রিপোর্ট" প্রদান করে তিনি বিখ্যাত হন। তিনি অনেকগুলো গ্রন্থের রচয়িতা। তন্মধ্যে বিখ্যাত কয়েকটি হলো:- Unemployment : A problem of Industry, Pillars of security, Full employment in a free society.
Abraham Maslow মানব চাহিদার গতিশীলতার উপর তার একটি চমৎকার তত্ত্ব দেন। তিনি ১৯৪৩ সালে তার A theory of Human Motivation গ্রন্থে বিস্তারিত বর্ননা প্রদান করেন। একটি পিরামিডের মধ্যে পাঁচ স্তর বিশিষ্ট চাহিদার সমন্বয় ঘটিয়েছেন। যার মধ্যে প্রথম স্তরের চাহিদা বা জৈবিক চাহিদাগুলো প্রথমে পূরণীয় বলে উল্লেখ করেন।
আব্রাহাম মাসলোর চাহিদার সোপান তত্ত্ব অনুসারে, আত্ম-মূল্যায়ন (Self-actualization) হলো এই তত্ত্বের সর্বোচ্চ স্তর, যা অন্যান্য সমস্ত মৌলিক চাহিদা (শারীরবৃত্তীয়, নিরাপত্তা, ভালোবাসা ও আত্মীয়তা, সম্মান) পূরণ হওয়ার পর অর্জিত হয়। এই স্তরে ব্যক্তি তার নিজের সম্পূর্ণ সম্ভাবনাকে উপলব্ধি করতে এবং নিজের সেরা সংস্করণ হয়ে উঠতে চায়।
মাসলোর চাহিদার সোপান তত্ত্বের স্তরসমূহ (নিচ থেকে উপরে):
1. শারীরবৃত্তীয় চাহিদা (Physiological Needs): খাদ্য, জল, আশ্রয়, ঘুম ইত্যাদি বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক চাহিদা।
2. নিরাপত্তার চাহিদা (Safety Needs): শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, চাকরি ও কাজের নিরাপত্তা।
3. ভালোবাসা ও আত্মীয়তার চাহিদা (Love and Belonging Needs): পরিবার, বন্ধু, প্রেম এবং সামাজিক গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের সাথে অন্তর্ভুক্তির আকাঙ্ক্ষা।
4. সম্মানের চাহিদা (Esteem Needs): আত্ম-মর্যাদা, আত্ম-বিশ্বাস, অন্যের কাছ থেকে সম্মান ও স্বীকৃতি লাভ করা।
5. আত্ম-মূল্যায়ন (Self-Actualization): ব্যক্তিগত সম্ভাবনাকে পূর্ণরূপে বিকশিত করা এবং নিজের যা হওয়ার আছে, তা হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা।
সুতরাং, আত্ম-বাস্তবায়ন বা আত্ম-মূল্যায়ন হলো মাসলোর চাহিদার পিরামিডের একেবারে উপরের স্তর, যা ব্যক্তির মানসিক ও ব্যক্তিগত বিকাশের সর্বোচ্চ পর্যায়কে বোঝায়।
শিল্পায়ন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যা শিল্প - প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক বিস্তারের সাথে জড়িত। শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী প্রক্রিয়া ছিল এটি। এর মাধ্যমেই শহরায়ন বা নগরায়ণ ত্বরান্বিত হয়। বিশ্ব ব্যাপী শিল্প বিপ্লবের পর দ্রুত শিল্পায়ন ও শহরায়ন নিশ্চিত হয়। শিল্পায়নের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রভাব ছিল এটি সমাজের মধ্যে শ্রমের বিভাজনের পথকে সহায়তা করে।। ( উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম; শহীদুল্লাহ্)
অপরাধ বিজ্ঞানের জনক হলেন ইতালীয় সমাজবিজ্ঞানী সিজার লমব্রোসো (Cesare Lombroso)। তাকে প্রায়শই "বৈজ্ঞানিক অপরাধ বিজ্ঞানের জনক" বলা হয়, কারণ তিনি অপরাধ ও অপরাধীদের বৈজ্ঞানিক উপায়ে অধ্যয়নের জন্য একটি পদ্ধতি তৈরি করেছিলেন।
তিনি ১৯ শতকের শেষের দিকে অপরাধমূলক আচরণ নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা শুরু করেন।
তার গবেষণার উপর ভিত্তি করে তিনি "আদিম বা জন্মগত অপরাধী তত্ত্ব" (theory of the born criminal বা theory of Autavism ) প্রকাশ করেন, যা ১৯ শতকের শেষ এবং ২০ শতকের শুরুর দিকে অপরাধমূলক চিন্তাভাবনায় প্রভাবশালী ছিল।
””theory of Autavism” এর মূলবক্তব্য :-
অ্যাটাভিজম শব্দটি ফরাসি ও ল্যাটিন ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ "পূর্বপুরুষ"। এটি মূলত এমন একটি জৈবিক ঘটনা যেখানে পূর্বপুরুষদের হারিয়ে যাওয়া জিনগত বৈশিষ্ট্য কোনো জীবের মধ্যে আবার দেখা যায়।
ব্যাখ্যা:-সময়ের সাপেক্ষে সমাজের নিয়ত রূপান্তরকে সামাজিক পরিবর্তন বলে। মরিস জিনসবার্গ( Morris Ginsburg) সামাজিক পরিবর্তন বলতে সমাজ কাঠামোর পরিবর্তনকে বুঝিয়েছেন।( উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম,
শহীদুল্লাহ্)
• বৈশ্বিকভাবে মাদক একটি বড় সমস্যা।
- এই সমস্যা সমাধানে বিশ্ব জনমত সবসময়ই মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
- এরই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘ ২৬ জুনকে আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস হিসেবে আখ্যায়িত করে
- ১৯১৮ সালে আমেরিকায় চিকিৎসা সমাজকর্মীদের সংগঠন American Association of Hospital Medical Social workers গঠিত হয়। মেডিকেল সমাজকর্মের পেশাগত সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় ম্যারি রিচমন্ড( Mary Richmond) এর নামও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি তার বিখ্যাত গ্রন্থ "Social Diagnosis "(১৯১৭ সালে প্রকাশিত) প্রকাশের পর মেডিকেল সমাজকর্মের পেশা হিসেবে বিবেচিত হওয়ার আন্দোলন গতিলাভ করে।
মেডিকেল সমাজকর্মের কর্মসূচিতে রোগীদের মানসিক, সামাজিক, পারিবারিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধান করা হয়, যাতে তারা সুস্থ হয়ে সমাজে স্বাভাবিকভাবে ফিরে যেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে রোগীদের প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া, মানসিক শক্তি বাড়ানো, চিকিৎসার ব্যয় বহনে সহায়তা করা এবং চিকিৎসা শেষে তাদের পুনর্বাসনে সাহায্য করা। এই কার্যক্রম হাসপাতালের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং এর মূল উদ্দেশ্য হলো রোগীদের রোগ নিরাময়ে সব রকম প্রতিবন্ধকতা দূর করা।
যাহোক মেডিকেল সমাজকর্মের কাজ কখনো কারও বাড়ি - ঘর তৈরি করা নয়। এর মূল কাজ রোগীর মানসিক ও আর্থ-সামাজিক সাহায্য প্রদান করা।
- বাংলাদেশে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার (২০২০-২০২৫) প্রধান লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য হ্রাস, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। ভিশন -২০৪১ বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ এটি। এই পরিকল্পনার মূল প্রতিপাদ্য ছিল "সকলের সাথে সমৃদ্ধির পথে" এবং এর মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল, সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রচেষ্টা করা হয়েছে।
plandiv.gov.bd
শিল্প বিপ্লব (ইংরেজি: Industrial Revolution) (প্রথম শিল্প বিপ্লব নামেও পরিচিত) ছিল এমন এক সময়কাল যখন অধিক দক্ষ এবং স্থিতিশীল উৎপাদন প্রক্রিয়ার দিকে মানব অর্থনীতির বৈশ্বিক রূপান্তর ঘটেছিল। এটি কৃষি বিপ্লবের পর গ্রেট ব্রিটেনে, ইউরোপ মহাদেশে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৭৫০ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে ঘটেছিল। এজন্য গ্রেট ব্রিটেন বা যুক্তরাজ্যকে ( UK) শিল্প বিপ্লবের সূতিকাগার দেশ বলা হয়। আমেরিকাকে বলা হয় এর সর্বোচ্চ বিস্তারকারী ও সর্বোচ্চ বিকাশকারী দেশ।
হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন, যা 'দ্য হিন্দু উইডো'স রিম্যারেজ অ্যাক্ট, ১৮৫৬' নামে পরিচিত, ১৮৫৬ সালের ২৬শে জুলাই তারিখে পাস হয়। এই আইনের মাধ্যমে বিধবা বিবাহের প্রথাকে বৈধতা দেওয়া হয়, যা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-এর সামাজিক আন্দোলনের ফল ছিল এবং এর ফলে হিন্দু বিধবাদের সমাজে পুনর্বিবাহের সুযোগ তৈরি হয়।
তাঁর প্রচেষ্টায় এবং তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ক্যানিং-এর সহায়তায় ব্রিটিশ সরকার এই আইনটি প্রণয়ন করে। লর্ড ডালহৌসি এই আইনের খসড়া তৈরিতেও সহায়তা করেন।
মৌসুমী বেকারত্ব হলো যখন প্রাকৃতিক কারণ, যেমন ঋতু পরিবর্তন, বা বছরের কিছু নির্দিষ্ট সময়ে কাজের চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে মানুষের কর্মসংস্থান কমে যায় বা তারা কর্মহীন হয়ে পড়ে। সাধারণত কৃষিপ্রধান অঞ্চলে ফসল বপন বা কাটার সময় ব্যতীত অন্য সময়ে কৃষি শ্রমিকদের কাজ থাকে না, যা মৌসুমী বেকারত্বের একটি প্রধান উদাহর
সমাজকর্মের দুটি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে: মৌলিক পদ্ধতি এবং সহায়ক পদ্ধতি। মৌলিক পদ্ধতিগুলো হলো ব্যক্তি সমাজকর্ম, দল সমাজকর্ম এবং সমষ্টি সমাজকর্ম, যা সরাসরি ব্যক্তি, দল বা সমষ্টির সাথে কাজ করে।
অন্যদিকে, সহায়ক পদ্ধতিগুলো হলো সামাজিক গবেষণা, সামাজিক প্রশাসন এবং সামাজিক কার্যক্রম, যা মৌলিক পদ্ধতিগুলোকে সহায়তা করে।
রামকৃষ্ণ মিশনের মূল লক্ষ্য হলো নিজের মুক্তি এবং বিশ্বকল্যাণ নিশ্চিত করা, যা স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর গুরু শ্রীরামকৃষ্ণের নীতিবাক্য "আত্মনো মোক্ষার্থং জগদ্ধিতায় চ" (আত্মার মুক্তি এবং জগৎ-এর কল্যাণ) এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রচার করেন। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য মিশন আধ্যাত্মিক ও সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকে, যার মধ্যে রয়েছে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নারীর ক্ষমতায়ন, যুব ও উপজাতি কল্যাণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ ও পুনর্বাসন।
রামকৃষ্ণ মিশনের প্রধান উদ্দেশ্যসমূহ:
আধ্যাত্মিক উন্নয়ন:
শ্রীরামকৃষ্ণের আদর্শ ও বাণী প্রচার করা এবং আধ্যাত্মিকতার মাধ্যমে মানুষের আত্মিক উন্নতি সাধন করা।
সমাজসেবা:
মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করা।
শিক্ষা ও সংস্কৃতি:
মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রচার করা।
নারী ও যুব উন্নয়ন:
নারী ও যুব সমাজের ক্ষমতায়নে কাজ করা।
ত্রাণ ও পুনর্বাসন:
প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের পুনর্বাসনে সহায়তা করা।
শিবজ্ঞানে জীবসেবা:
'শিবজ্ঞানে জীবসেবা', অর্থাৎ জীবকে শিবের অংশ মনে করে সেবা করার মাধ্যমে মানবজাতির সেবা করা।
ধর্মীয় সংস্কার ও নেতিবাচক প্রথা দূর করা ছিল ব্রাহ্ম সমাজের কাজ, এটি রামকৃষ্ণ মিশনের কাজ ছিল না।।
হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন, যা 'দ্য হিন্দু উইডো'স রিম্যারেজ অ্যাক্ট, ১৮৫৬' নামে পরিচিত, ১৮৫৬ সালের ২৬শে জুলাই তারিখে পাস হয়। এই আইনের মাধ্যমে বিধবা বিবাহের প্রথাকে বৈধতা দেওয়া হয়, যা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-এর সামাজিক আন্দোলনের ফল ছিল এবং এর ফলে হিন্দু বিধবাদের সমাজে পুনর্বিবাহের সুযোগ তৈরি হয়।
তাঁর প্রচেষ্টায় এবং তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ক্যানিং-এর সহায়তায় ব্রিটিশ সরকার এই আইনটি প্রণয়ন করে। লর্ড ডালহৌসি এই আইনের খসড়া তৈরিতেও সহায়তা করেন।
বাংলাদেশ সংবিধান অনুচ্ছেদ ১৬: নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবন যাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করিবার উদ্দেশ্যে কৃষিবিপ্লবের বিকাশ, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষা, যোগাযোগ-ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
Article -16(১), Article -16(2) এর কোনো অস্তিত্ব নাই।
ব্যাখ্যা:- উইলিয়াম হেনরি বিভারিজ ছিলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ ও সমাজ সংস্কারক। ১৯৪২ সালে "বিভারিজ রিপোর্ট" প্রদান করে তিনি বিখ্যাত হন। তিনি অনেকগুলো গ্রন্থের রচয়িতা। তন্মধ্যে বিখ্যাত কয়েকটি হলো:- Unemployment : A problem of Industry, Pillars of security, Full employment in a free society.
- ১৯৮৪ সালে সমাজসেবা অধিদফতর ও ১৯৮৯ সালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কাজ করে। যেমন: জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ(১৯৫৬), সমাজসেবা অধিদফতর (১৯৮৪), জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন( ১৯৯৯), নিউরো- ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট, শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান ট্রাস্ট (১৯৮৪)
source :- উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম, হুমায়ূন কবির
আলীগড় আন্দোলন ছিল ব্রিটিশ ভারতে ভারতীয় মুসলিম সমাজের একটি আধুনিকীকরণ ও সংস্কারমূলক আন্দোলন, যার মূল লক্ষ্য ছিল মুসলিমদের জন্য আধুনিক পশ্চিমা ধাঁচের শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান চালু করা, যাতে তারা সামাজিক, শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পশ্চাৎপদতা কাটিয়ে উঠতে পারে। স্যার সৈয়দ আহমদ খান এই আন্দোলনের প্রধান পুরোধা ছিলেন, এবং ১৮৭৫ সালে আলীগড়ে মোহামেডান অ্যাংলো-ওরিয়েন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এর সূচনা হয়।
১৮৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত মোহামেডান অ্যাংলো-ওরিয়েন্টাল কলেজ, যা পরবর্তীতে ১৯২০ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।
Abraham Maslow মানব চাহিদার গতিশীলতার উপর তার একটি চমৎকার তত্ত্ব দেন। তিনি ১৯৪৩ সালে তার A theory of Human Motivation গ্রন্থে বিস্তারিত বর্ননা প্রদান করেন। একটি পিরামিডের মধ্যে পাঁচ স্তর বিশিষ্ট চাহিদার সমন্বয় ঘটিয়েছেন। যার মধ্যে প্রথম স্তরের চাহিদা বা জৈবিক চাহিদাগুলো প্রথমে পূরণীয় বলে উল্লেখ করেন।
আব্রাহাম মাসলোর চাহিদার সোপান তত্ত্ব অনুসারে, আত্ম-মূল্যায়ন (Self-actualization) হলো এই তত্ত্বের সর্বোচ্চ স্তর, যা অন্যান্য সমস্ত মৌলিক চাহিদা (শারীরবৃত্তীয়, নিরাপত্তা, ভালোবাসা ও আত্মীয়তা, সম্মান) পূরণ হওয়ার পর অর্জিত হয়। এই স্তরে ব্যক্তি তার নিজের সম্পূর্ণ সম্ভাবনাকে উপলব্ধি করতে এবং নিজের সেরা সংস্করণ হয়ে উঠতে চায়।
মাসলোর চাহিদার সোপান তত্ত্বের স্তরসমূহ (নিচ থেকে উপরে):
1. শারীরবৃত্তীয় চাহিদা (Physiological Needs): খাদ্য, জল, আশ্রয়, ঘুম ইত্যাদি বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক চাহিদা।
2. নিরাপত্তার চাহিদা (Safety Needs): শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, চাকরি ও কাজের নিরাপত্তা।
3. ভালোবাসা ও আত্মীয়তার চাহিদা (Love and Belonging Needs): পরিবার, বন্ধু, প্রেম এবং সামাজিক গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের সাথে অন্তর্ভুক্তির আকাঙ্ক্ষা।
4. সম্মানের চাহিদা (Esteem Needs): আত্ম-মর্যাদা, আত্ম-বিশ্বাস, অন্যের কাছ থেকে সম্মান ও স্বীকৃতি লাভ করা।
5. আত্ম-মূল্যায়ন (Self-Actualization): ব্যক্তিগত সম্ভাবনাকে পূর্ণরূপে বিকশিত করা এবং নিজের যা হওয়ার আছে, তা হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা।
সুতরাং, আত্ম-বাস্তবায়ন বা আত্ম-মূল্যায়ন হলো মাসলোর চাহিদার পিরামিডের একেবারে উপরের স্তর, যা ব্যক্তির মানসিক ও ব্যক্তিগত বিকাশের সর্বোচ্চ পর্যায়কে বোঝায়।
মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি একটি সামাজিক সংগঠন। ১৮৬৩ সালে নওয়াব আবদুল লতিফ কর্তৃক কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত। সোসাইটির সেক্রেটারি আবদুল লতিফের কলকাতার ১৬ নং তালতলার বাসভবনে সোসাইটির সদর দপ্তর ছিল। মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটির ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ছিলেন মহীশূরের প্রিন্স মুহম্মদ রহিমুদ্দীন এবং সহ-সভাপতি ছিলেন অযোধ্যার প্রিন্স মির্জা জাহান কাদের বাহাদুর ও মহীশূরের প্রিন্স মুহম্মদ নাসিরুদ্দীন হায়দার। কমিটির মোট ১২ জন সদস্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন অযোধ্যার প্রিন্স মির্জা আসমান জাহ বাহাদুর ও প্রিন্স মুহম্মদ জাহ আলী বাহাদুর এবং মহীশূরের প্রিন্স মুহম্মদ হরমুজ শাহ ও প্রিন্স মুহম্মদ বখতিয়ার শাহ। বাংলার ছোটলাটকে সোসাইটির পৃষ্ঠপোষক করা হয়েছিল। সমগ্র ভারতবর্ষের পাঁচ শতেরও বেশি মুসলমান সোসাইটির সাধারণ সদস্যভুক্ত ছিল। সোসাইটির মাসিক সভার কার্যক্রম উর্দু, ফারসি, আরবি ও ইংরেজি ভাষায় পরিচালিত হতো।( বাংলাপিডিয়া)
হাজী শরীয়তুল্লাহ (১৭৮১-১৮৪০) ধর্মীয় সংস্কারক, নীলকর ও সামন্তবাদ বিরোধী নেতা এবং ভারতবর্ষে সংঘটিত ফরায়েজি আন্দোলনের মুখপাত্র।
বাংলার মুসলমানদের মাঝে বেশ কিছু সংখ্যক ছিল ধরমান্তরিত। তাই মুসলমান হওয়ার পরো স্বাভাবিক ভাবে তাদের মধ্যে পূর্বধরম ও সংস্কৃতির অনেক কিছুর প্রভাব থেকেই যায়। এগুলো প্রকট হয়ে দেখা দেয় বাংলায় ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার পর থেকে। মক্কায় তিনি ওয়াহাবি আন্দোলনের নেতা শাহ ওয়ালিউল্লাহ এবং সৈয়দ আহমদ বেরলভীর চিন্তাধারা দ্বারা অনুপ্রাণিত হন। হাজী শরীয়তুল্লাহ বাশারত আলীর সাথে হজ্জ করতে গিয়েছিলেন
সে হিসেবে স্যার সৈয়দ আহমেদ খান তার শিক্ষাগুরু ছিলেন না।
- সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, ১১টি অধ্যায়, চারটি তফসিল ও একটি প্রস্তাবনা রয়েছে। সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়( অনুচ্ছেদ - ১৭) তে বলা হয়েছে যে,
১৭৷ রাষ্ট্র
(ক) একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
(খ) সমাজের প্রয়োজনের সহিত শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করিবার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করিবার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করিবার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
• Community Recreation বইটির লেখক Harold B.Mayer এবং Charles K. Bright Bill নামক দুইজন সমাজবিজ্ঞানী।
- উল্লেখ্য H. W. Bright Bill বলে কোনো লেখক নেই।
- ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর পাকিস্তানে মোহাজের সমস্যা চরম আকার ধারণ করে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য পাকিস্তান সরকার ১৯৫১ সালে জাতিসংঘের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে। তাদের আবেদনের সাপেক্ষে ১৯৫২ সালে জাতিসংঘের একটি বিশেষজ্ঞ দল ঢাকা আসে। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে, এদেশীয় সমাজকর্মী তৈরির নিমিত্তে ১৯৫৩ সালে জাতিসংঘ তিন মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করে। মূলত এই কোর্সের মূল লক্ষ্য ছিল দক্ষ সমাজকর্মী তৈরির মাধ্যমে উদ্ভূত পরিস্থিতির মোকাবিলা করা।
সোর্স :- উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম: হুমায়ূন কবির।
সতীদাহ নিরোধ আইন পাস হয়েছিল ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর। তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর-জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক কর্তৃক পাস করা এই আইনটি সতীদাহ প্রথাকে নিষিদ্ধ করে।
গুরুত্ব:
রাজা রামমোহন রায়ের মতো সমাজ সংস্কারকদের প্রতিবাদ এবং প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ এই আইনটি পাস হয়েছিল।
তাৎপর্য:
এর মাধ্যমে ভারতে সতীদাহের মতো একটি অমানবিক প্রথাকে আইনত বন্ধ করা হয়।
বেকারত্বের প্রকারভেদ:
চক্রাকার বেকারত্ব (Cyclical Unemployment):
অর্থনীতির বাণিজ্যচক্রের উত্থান-পতনের কারণে, বিশেষ করে মন্দার সময় যখন চাহিদা কমে যায় তখন এই ধরনের বেকারত্ব দেখা দেয়।
কাঠামোগত বেকারত্ব (Structural Unemployment):
অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন বা প্রযুক্তির উন্নতির ফলে শ্রমিকদের দক্ষতা ও চাকরির বাজারের চাহিদার মধ্যে অসামঞ্জস্য দেখা দিলে এই বেকারত্ব সৃষ্টি হয়।
ঘর্ষণজনিত বেকারত্ব (Frictional Unemployment):
এটি একটি স্বল্পস্থায়ী বেকারত্ব, যা ঘটে যখন একজন ব্যক্তি এক চাকরি থেকে অন্য চাকরিতে যাওয়ার জন্য সময় নেয়, বা কাজ খোঁজার প্রক্রিয়ার সময় বেকার থাকে।
মৌসুমী বেকারত্ব (Seasonal Unemployment):
বছরের নির্দিষ্ট কিছু ঋতুতে বা সময়ে কাজের সুযোগ কমে যাওয়ার কারণে এটি ঘটে, যেমন কৃষিকাজ বা পর্যটন খাতের কিছু কাজ।
প্রচ্ছন্ন বেকারত্ব (Disguised Unemployment):
যখন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি লোক কোনো কাজে নিযুক্ত থাকে এবং তাদের কাজ থেকে সরিয়ে নিলেও উৎপাদনশীলতায় কোনো পরিবর্তন আসে না, তখন তাকে প্রচ্ছন্ন বেকারত্ব বলে। এটি গ্রামীণ কৃষি খাতে বেশি দেখা যায়।
স্বেচ্ছাকৃত বেকারত্ব (Voluntary Unemployment):
যখন কোনো ব্যক্তি ব্যক্তিগত কারণে, যেমন পড়াশোনার জন্য বা অন্য কোনো কাজে নিযুক্ত না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে এই ধরনের বেকারত্ব দেখা দেয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলোতে সমাজকর্মের স্নাতক (সম্মান) কোর্স ১৯৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষে চালু হয়।
কারণ:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
বিভিন্ন সূত্রে বলা হয়েছে যে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে সমাজকর্মের স্নাতক (সম্মান) কোর্স ১৯৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষে শুরু হয়েছিল।
শিল্প বিপ্লবের ফলে প্রচুর পরিমাণ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। দেখা যায় নতুন সমস্যা। শ্রমিকদের শোষণ করার জন্যে পুঁজিপতিরা বিভিন্ন পায়তারা শুরু করে। শ্রমিক শোষণের হাতিয়ারে পরিণত হয় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো। আর এভাবেই ইউরোপ - আমেরিকায় পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার সূচনা হয়।
- শহর সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম /Urban Community development (UCD) শহর এলাকার উন্নত জীবন এবং যত্নশীল সমাজ প্রতিষ্ঠার রূপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর এদেশে ভারত থেকে মোহাজেরদের আগমন ঘটে। এতে তৎকালীন প্রাদেশিক রাজধানী ঢাকায় বস্তি সমস্যাসহ নানাবিধ সামাজিক সমস্যার উদ্ভব ঘটে। এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘ থেকে প্রেরিত বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী সরকার ১৯৫৫ সালে Dhaka Urban Community Development Board গঠন করে। এ বোর্ডের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঢাকার কায়েতটুলিতে ১৯৫৫ সালেই পরীক্ষামূলকভাবে শহর সমাজ উন্নয়ন প্রকল্প (Urban Community Development Project (UCDP) চালু করা হয়।
Source: dss.barisaldiv.gov.bd
- প্রথম আলোর প্রতিনিধি অর্থ উপদেষ্টার বক্তব্য এভাবে তুলে ধরেন, ‘সামাজিক নিরাপত্তা খাতের ব্যাপ্তি ও গুরুত্ব বিবেচনায় আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি। পেনশন ছাড়া সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর জন্য বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়াবে ৮১ হাজার ২৯৭ কোটি টাকা।’ পেনশন বাবদ বরাদ্দ রয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। এ খাতে আগামী অর্থবছরের বরাদ্দ মোট বাজেটের ১৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আর মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ দশমিক ৮৭ শতাংশ। অথচ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) মান অনুযায়ী, একটা দেশের সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ হওয়া উচিত জিডিপির ৫ শতাংশ।
চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ দেখানো হয়েছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৬ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এ বরাদ্দ কমিয়ে ১ লাখ ২ হাজার ১২৭ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ২৬ হাজার ২৭২ কোটি টাকা।( ১১ জুন, ২০২৫, প্রথম আলো)
বেদান্ত আন্দোলন হলো একটি আধ্যাত্মিক আন্দোলন যা হিন্দুধর্মের একটি শাখা বেদান্ত দর্শনের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এই আন্দোলন বৈদিক যজ্ঞ ও ক্রিয়াকর্মের পরিবর্তে ধ্যান, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও আধ্যাত্মিকতার ওপর জোর দেয়। স্বামী বিবেকানন্দ এই আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা এবং তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেদান্ত সোসাইটি ও ভারতে রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন, যা এই আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বেদান্ত আন্দোলনের মূল বিষয়সমূহ:
(01)দর্শনের উপর জোর:
এই আন্দোলন বৈদিক ক্রিয়াকর্মের চেয়ে জ্ঞান ও আধ্যাত্মিক উপলব্ধির উপর বেশি গুরুত্ব দেয়।
(02)আত্ম ও ব্রহ্মের মিলন:
বেদান্তের মূল ধারণা হলো ব্রহ্ম বা পরমাত্মার সাথে আত্মার একাত্মতা উপলব্ধি করা।
(03)আধ্যাত্মিকতা ও ভক্তি:
যদিও কিছু শাখায় ভক্তির উপর জোর দেওয়া হয়, সামগ্রিকভাবে এই আন্দোলনে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও যোগ সাধনার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক উন্নতি লাভের কথা বলা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠান:
স্বামী বিবেকানন্দ:
তিনি ১৮৯৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেদান্ত সোসাইটি এবং ১৮৯৭ সালে ভারতে রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর প্রচেষ্টায় এই আন্দোলন বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করে।
রামকৃষ্ণ মিশন:
এটি একটি জনকল্যাণকারী ও ধর্মীয় স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান যা স্বামী বিবেকানন্দ প্রতিষ্ঠা করেন।
⇒ সমাজকর্ম পেশার বিকাশে শিল্প বিপ্লব ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা।
- এটি ১৭৫০-১৮৫০ সালের মধ্যে ঘটেছিল।
- এজন্য সমাজে সমস্যাগুলো ভিন্ন রুপ ধারণ করে। ফলে, পেশাগত সমাজকর্মের উদ্ভব ঘটে।
- উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম: শহীদুল্লাহ্।
মানবাধিকার দিবস জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর পালিত হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সাল থেকে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। এছাড়াও, 'সার্বজনীন মানব অধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাকে' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ তারিখকে নির্ধারণ করা হয়। সার্বজনীন মানব অধিকার ঘোষণা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী নবরূপে সৃষ্ট জাতিসংঘের অন্যতম বৃহৎ অর্জন।
মানবাধিকার সনদের ধারা -১৮ তে বলা হয়েছে যে,
প্রত্যেকেরই ধর্ম, বিবেক ও চিন্তার স্বাধীনতায় অধিকার রয়েছে। এ অধিকারের সঙ্গে ধর্ম বা বিশ্বাস পরিবর্তনের অধিকার এবং এই সঙ্গে, প্রকাশ্যে বা একান্তে, একা বা অন্যের সঙ্গে মিলিতভাবে, শিক্ষাদান, অনুশীলন, উপাসনা বা আচারব্রত পালনের মাধ্যমে ধর্ম বা বিশ্বাস ব্যক্ত করার অধিকারও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সামাজিক কার্যক্রমে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমগুলো হলো: সভা, সেমিনার, প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, ব্যানার, পোস্টার, প্রামাণ্য চিত্র ইত্যাদি। এগুলো ব্যবহার করে কোনো একটি সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে প্রথম জনমত বৃদ্ধি করা হয়।
আলীগড় আন্দোলন ছিল ব্রিটিশ ভারতে ভারতীয় মুসলিম সমাজের একটি আধুনিকীকরণ ও সংস্কারমূলক আন্দোলন, যার মূল লক্ষ্য ছিল মুসলিমদের জন্য আধুনিক পশ্চিমা ধাঁচের শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান চালু করা, যাতে তারা সামাজিক, শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পশ্চাৎপদতা কাটিয়ে উঠতে পারে। স্যার সৈয়দ আহমদ খান এই আন্দোলনের প্রধান পুরোধা ছিলেন, এবং ১৮৭৫ সালে আলীগড়ে মোহামেডান অ্যাংলো-ওরিয়েন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এর সূচনা হয়।
১৮৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত মোহামেডান অ্যাংলো-ওরিয়েন্টাল কলেজ, যা পরবর্তীতে ১৯২০ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।
⇒ পবিত্র কুরআনের সূরা তওবার ৬০ নং আয়াত অনুযায়ী, ৮টি খাতে যাকাত দেওয়া যাবে।
(১) মুসলমান দরিদ্র ব্যক্তি( ফকির),
(২) মুসলমান নিঃস্ব ব্যক্তি( মিসকিন),
(৩) যাকাত আদায়ে নিয়োজিত কর্মচারী,
(৪)সদ্য মুসলমান হওয়া ব্যক্তি,
(৫) দাস মুক্তি,
(৬) ঋণগ্রস্ত লোক,
(৭) ইসলাম প্রচারের স্বার্থে,
(৮) মুসাফির।
- এই সকল খাত ব্যতিত রাস্তাঘাট নির্মাণ, পুকুর খনন বা অন্য কোনো উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, যদিও তা জনকল্যাণমুখী, কিন্তু যাকাতের অর্থ ঐসব খাতে দেওয়া যাবে না।
শ্রমিকের ঘাম শুকানোর পূর্বে তার পারিশ্রমিক দিয়ে দাও"—এটি ইসলাম ধর্ম-এর একটি উক্তি বা বাণী, যা একটি হাদিস থেকে নেওয়া হয়েছে। এই হাদিসটি রাসুলুল্লাহ (সা.) কর্তৃক বর্ণিত হয়েছে এবং এতে শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও যথাসময়ে মজুরি পরিশোধের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বিস্তারিত:
এই উক্তিটি সুনানে ইবনে মাজাহ এবং মিশকাতুল মাসাবিহ সহ বিভিন্ন হাদিস গ্রন্থে উল্লেখ আছে।
(০১)এই বাণীর মাধ্যমে ইসলাম শ্রমিকের ন্যায্য পারিশ্রমিক দ্রুত পরিশোধ করার গুরুত্ব তুলে ধরে।
(০২)এতে মালিকদের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা শ্রমিকের শ্রমের বিনিময়ে প্রাপ্ত অর্থ বা মজুরি দ্রুত ও যথাসময়ে পরিশোধ করে, কোনো রকম বিলম্ব বা টালবাহানা না করে।
(০৩)ইসলামে শ্রমিকের প্রতি সুবিচার এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, এবং এই বাণীটি তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
সামাজিক কার্যক্রমের সংজ্ঞায় আর্থার ডানহাম বলেন, "সামাজিক কার্যক্রম হলো একটি যৌথ প্রচেষ্টা , যার মাধ্যমে সমাজের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সাধন করা হয় বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনকে বাধা প্রদান করা হয়।
আর্থার ডানহাম (১৮৯৩-১৯৮০) ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, সমাজকল্যাণ প্রশাসক এবং অগ্রণী কমিউনিটি সংগঠক, যিনি কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ও সমাজকল্যাণ প্রশাসন নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি কমিউনিটি সংগঠক, সমাজকল্যাণ প্রশাসক ও শান্তিবাদী হিসেবে কাজ করেছেন এবং ফেডারেল বন্দীও ছিলেন। তাকে সমাজকর্মের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়
মানবাধিকার দিবস জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর পালিত হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ২১৭ A রেজুলেশন হিসেবে ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সালে গৃহীত হয়। সে থেকে ১০ ডিসেম্বর দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। এছাড়াও, 'সার্বজনীন মানব অধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাকে' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ তারিখকে নির্ধারণ করা হয়। সার্বজনীন মানব অধিকার ঘোষণা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী নবরূপে সৃষ্ট জাতিসংঘের অন্যতম বৃহৎ অর্জন।
সেই থেকে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর 'মানবাধিকার দিবস' পালিত হয়ে আসছে। ২০২৪ সালের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের প্রতিপাদ্য— 'আমাদের অধিকার, আমাদের ভবিষ্যৎ, এখনই'। মানবাধিকার সনদের ৩০ টি ধারা রয়েছে।
জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি সরকারী স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।এটি ১৯৯৯সালের ১৬ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তরসুবর্ণ ভবন, মিরপুর-১৪, ঢাকাতে অবস্থিত। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার জন্য সামাজিক সচেতনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সাধনের জন্য ফাউন্ডেশন নিরলসভাবে কাজ করছে।
⇒ ওয়াকফ অর্ডিন্যান্স প্রথম জারি করা হয় পাকিস্তান শাসনামলে ১৯৬২ সালে। এটি মুসলিম ওয়াকফ বৈধকরণ আইন, ১৯১৩ এর ভিত্তিতে গড়ে উঠে।
- উল্লেখ্য, ওয়াকফ( সম্পত্তি হস্তান্তর ও উন্নয়ন) বিশেষ বিধান, ২০১৩ সালে নতুন করে সংশোধন করা হয়েছে।
আমলাতন্ত্রের জনক হলেন জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার (Max Weber)। তিনি আমলাতন্ত্রের আদর্শ বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা করেছেন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর ঐতিহাসিক উত্থানের একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন, যা আধুনিক আমলাতান্ত্রিক মডেলের ভিত্তি স্থাপন করেছে।
ম্যাক্স ওয়েবারের আমলাতন্ত্র বিষয়ক কোনো একক বিখ্যাত গ্রন্থ নেই, বরং আমলাতন্ত্রের ধারণাটি তার বিভিন্ন কাজ ও প্রবন্ধে আলোচিত হয়েছে, যার মধ্যে তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ হলো The Protestant Ethic and the Spirit of Capitalism (প্রোটেস্ট্যান্ট এথিক এবং ক্যাপিটালিজমের স্পিরিট)। এই গ্রন্থে তিনি আমলাতন্ত্রের আদর্শ মডেলের ধারণা প্রদান করেন।
অবদান:
তিনি আমলাতন্ত্রের একটি আদর্শ মডেল তৈরি করেন এবং এর বৈশিষ্ট্যগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন, যা আধুনিক সংস্থা ও প্রশাসন বোঝার জন্য অপরিহার্য।
ইংল্যান্ডের অসহায় দরিদ্রদের বাস্তবিক কল্যাণের উদ্দেশ্যে ১৮৩৪ সালে দরিদ্র সংস্কার আইন প্রণয়ন করা হয়। ১৬০১ সালে প্রণীত এলিজাবেথীয় দরিদ্র আইন ইংল্যান্ডের সমাজজীবনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। যেমন- দরিদ্রদের সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি, ত্রাণ কার্যক্রমে বিশৃঙ্খলা, শ্রমাগারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ প্রভৃতি। এসব সমস্যা কার্যকরভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে ১৮৩৪ সালে দরিদ্র সংস্কার আইন প্রণয়ন করা হয়। এটি ১৮৩২ সালের রাজকীয় কমিশনের অপারেশন অব দ্য পুওর এর ফলে উদ্ভূত হয়েছিল , যার মধ্যে এডউইন চ্যাডউইক, জর্জ বার্ড সামনার, জেমস ব্লমফিল্ড এবং নাসাউ উইলিয়ামও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন । চ্যাডউইক তার প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত আইনের প্রতি অসন্তুষ্ট ছিলেন। ইতিহাসবিদরা যুক্তি দিয়েছেন যে এটি PLAA পাস হওয়ার একটি প্রধান কারণ ছিল।
১৮৩৪ সালের দারিদ্র সংস্কার আইনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈশিষ্ট্য
(০১)দারিদ্র আইন সংস্থা গঠন
(০২)স্থায়ী রাজকীয় দরিদ্র আইন কমিশন গঠন( ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি স্থায়ী কমিটি গঠন)
(০৪)রাজকীয় দরিদ্র আইন কমিশন ৬টা সুপারিশ করেন
(০৫) ১৮৩৪ সালের ১৪ আগস্ট এই আইন কার্যকর হয়
• বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)১৯৪৮ সালে স্বাস্থ্যের সংজ্ঞায় বলে,
- "Health is the complete physical, mental and social well-being, not merely the absence from disease."
- এই সংজ্ঞাটি স্বাস্থ্যের ধারণার পরিবর্তন ঘটায়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ -১৮(১) - জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে বলা হয়েছে যে,
১৮৷ (১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
ক)
সামাজিক গবেষণা হলো সমাজের বিভিন্ন ঘটনা ও প্রক্রিয়াকে বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক পদ্ধতিতে অনুসন্ধান, বিশ্লেষণ এবং ব্যাখ্যার মাধ্যমে সমাজের প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করা।
সামাজিক গবেষণা সাধারণত একটি পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, যার ধাপগুলো হলো:
(০১)সমস্যা নির্বাচন:
দৈনন্দিন জীবনে যে ঘটনাগুলো কৌতূহল জাগায়, তা থেকে গবেষণার জন্য একটি নির্দিষ্ট বিষয় নির্বাচন করা হয়।
(০২)তথ্য সংগ্রহ:
নির্বাচিত বিষয়ের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন পদ্ধতি (যেমন জরিপ) ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
(০৩)তথ্য বিশ্লেষণ:
সংগৃহীত তথ্যগুলো পদ্ধতিগতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়, যার মধ্যে গুণগত ও পরিমাণগত উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হতে পারে।
(০৪)প্রতিবেদন তৈরি:
বিশ্লেষণের পর প্রাপ্ত ফলাফলগুলো একটি সুসংহত প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হয়।
বিশেষ বিবাহ আইন, ১৮৭২ বাংলাদেশের একটি প্রচলিত আইন, যা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী বা নাস্তিক ব্যক্তিদের মধ্যে আন্তঃধর্মীয় বিবাহ সম্পন্ন করার সুযোগ দেয়।
এই আইনে মেয়েদের জন্য বিয়ের বয়স ছিল ১৪ বছর ও ছেলেদের জন্য ১৮ বছর নির্ধারিত হয়।
এই আইনের অধীনে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, পারসি বা নাস্তিক যে কোনো ব্যক্তি ধর্ম পরিবর্তন না করে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী কাউকে বিয়ে করতে পারে। এর জন্য কোনো পক্ষের নিজস্ব ধর্ম ত্যাগ করার প্রয়োজন হয় না।
বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন ১৯৮০ সালের প্রণীত একটি আইন। পরবর্তীতে এই আইনটিকে সংশোধন করে ২০১৮ সালে যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ নামে আরও কঠোর ও কার্যকর করা হয়। এই নতুন আইনটি অবিলম্বে কার্যকর হয়।
সাম্প্রতিক যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ অনুযায়ী, যদি কেউ যৌতুকের জন্য কোনো নারীকে হত্যা করার চেষ্টা করে, তাহলে তার শাস্তি হবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
⇒ ইসলাম ধর্মানুসারে, যাকাত ফরজ। এটি ধনীর সম্পত্তির উপর গরীবের অধিকার। সাধারণত, যদি কোনো মুসলিম ৭.৫ তোলা স্বর্ণ অথবা ৫২.৫ তোলা রূপার ( নিসাব) অথবা সমপরিমাণ অর্থের মালিক হন, একইসাথে এই সম্পত্তি তার হাতে পূর্ণ এক বছর জমা থাকে, তখন তাকে সম্পদের ২.৫% হারে নির্দিষ্ট ৮টি খাতে টাকা বন্টন করতে হয়। এটিই যাকাতের বিধান।
অর্থনীতির একটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসেন বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ আলফ্রেড মার্শাল ( Alfred Marshall)। তিনি এডাম স্মিথের অর্থনীতির সংজ্ঞাকে প্রত্যাখ্যান করে বলেন যে, অর্থনীতি শুধু সম্পদের বিজ্ঞান নয়, এটি মানুষের দৈনন্দিন কার্যাবলী ও বস্তুগত কল্যাণের বিজ্ঞান।
(NCTB প্রণীত উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম)।
আলিগড় (ইংরেজি:Aligarh), ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের আলিগড় জেলার শহর বারো পৌর কর্পোরেশনাধীন এলাকা শহর।
আলীগড় আন্দোলন ছিল ব্রিটিশ ভারতে ভারতীয় মুসলিম সমাজের একটি আধুনিকীকরণ ও সংস্কারমূলক আন্দোলন, যার মূল লক্ষ্য ছিল মুসলিমদের জন্য আধুনিক পশ্চিমা ধাঁচের শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান চালু করা, যাতে তারা সামাজিক, শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পশ্চাৎপদতা কাটিয়ে উঠতে পারে। স্যার সৈয়দ আহমদ খান এই আন্দোলনের প্রধান পুরোধা ছিলেন, এবং ১৮৭৫ সালে আলীগড়ে মোহামেডান অ্যাংলো-ওরিয়েন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এর সূচনা হয়।
আইপিপিএফ বলতে আন্তর্জাতিক পরিকল্পিত পরিবার ফেডারেশন (International Planned Parenthood Federation)-কে বোঝায়, যা একটি বিশ্বব্যাপী সংগঠন যা যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকারের জন্য কাজ করে এবং ১৪৬টিরও বেশি দেশে শিক্ষা, গর্ভনিরোধক ব্যবস্থা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে থাকে।
এর প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৫২ সালে ভারতের বোম্বাই শহরে ( বর্তমান মুম্বাই)। এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন মার্গারেট স্যাঙ্গার ও লেডি রামা রাও। এর সদর দফতর লন্ডন, ইংল্যান্ডে।
শিল্প বিপ্লবের ফলে প্রচুর পরিমাণ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। দেখা যায় নতুন সমস্যা। শ্রমিকদের শোষণ করার জন্যে পুঁজিপতিরা বিভিন্ন পায়তারা শুরু করে। শ্রমিক শোষণের হাতিয়ারে পরিণত হয় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো। আর এভাবেই ইউরোপ - আমেরিকায় পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার সূচনা হয়। এজন্য শিল্প বিপ্লবের একটি অন্যতম নেতিবাচক প্রভাব ছিলো শ্রমিক শোষণ।
- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ -১৪ তে বলা হয়েছে যে,
১৪৷ রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিককে-এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি দান করা৷
• ক্যালরি হচ্ছে শক্তি পরিমাপের একক,
- খাদ্য থেকে কী পরিমাণ শক্তি পাওয়া যায়, তা পরিমাপ করা হয় ক্যালরির মাধ্যমে।
- এক্ষেত্রে ১ কিলোক্যালরি=১০০০ ক্যালরি।
সামাজিক প্রশাসনের লক্ষ্য হলো সামাজিক নীতি বা পরিকল্পনাকে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা, সেবাধর্মী কার্যক্রম পরিচালনা করা, এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্দেশ্য পূরণ করা, এবং এর মাধ্যমে সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করা।
(০১)নীতি বাস্তবায়ন:
সামাজিক নীতি ও পরিকল্পনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দেওয়া।
(০২)সেবামূলক কার্যক্রম:
সংশ্লিষ্ট সেবামূলক কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়নে সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাহায্য করা।
(০৩)প্রতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য পূরণ:
প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য কাজ করা।
(০৪)সামাজিক কল্যাণ:
সামাজিক প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করা।
সে অনুযায়ী, উত্তর হবে অপশন "ঘ "
এইচ. এইচ. পার্লম্যানের সংজ্ঞানুসারে, ব্যক্তি সমাজকর্মের পাঁচটি উপাদান রয়েছে, যা একত্রে '5 Ps' নামে পরিচিত:
ব্যক্তি (Person):
সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি, যে সাহায্য চায়।
সমস্যা (Problem):
ব্যক্তির সমস্যা।
স্থান (Place):
সমাজকর্মীর কর্মক্ষেত্র বা প্রতিষ্ঠান।
পদ্ধতি (Process):
সমস্যা সমাধানের জন্য সমাজকর্মীর গ্রহণ করা সুশৃঙ্খল কৌশল বা পদ্ধতি।
পেশাদার (Professional):
সমাজকর্মী, যিনি তার পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োগ করেন।
সে অনুযায়ী, Programme এর উপাদান নয়।
শিশু আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী, ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত মানুষকে শিশু হিসেবে গণ্য করা হতো। তবে, এই আইনটি বর্তমানে বাতিল করে “শিশু আইন ২০১৩” কার্যকর করা হয়েছে, যেখানে জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত মানুষকে শিশু হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি হলো Ministry of Labour and Employment। এটি কর্মসংস্থানের জন্য দায়ী, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও সুরক্ষা এবং মানব সম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে।
এই মন্ত্রণালয়ের অধীন ১৩টি শ্রম আদালত, একটি আপীল ট্রাইবুনাল, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন, ইত্যাদি সংস্থা রয়েছে।
( www.mole.com)
ব্রাহ্মসভার নামকরণ ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে ব্রাহ্মসমাজ হয়। ১৮২৮ সালে রাজা রামমোহন রায় ও তাঁর বন্ধুরা ব্রাহ্মসভা প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে ১৮৩০ সালে ব্রাহ্মসমাজ নামে পরিচিতি লাভ করে।
বিস্তারিত তথ্য
ব্রাহ্মসভা প্রতিষ্ঠা:
রাজা রামমোহন রায় কলকাতায় ১৮২৮ সালের ২০শে আগস্ট ব্রাহ্মসভা প্রতিষ্ঠা করেন।
নামকরণ:
১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে এই ব্রাহ্মসভার নাম পরিবর্তন করে 'ব্রাহ্মসমাজ' রাখা হয়
সোশ্যাল ওয়ার্ক ইয়ার বুক(Social Work year book) " নামের একটি নির্দিষ্ট বইয়ের প্রকাশকের তথ্য এখানে পাওয়া যায়নি; তবে, সমাজকর্ম বিষয়ক বিভিন্ন প্রকাশনা বিভিন্ন সংস্থা ও প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়, যেমন Sage Publishing এবং NASW Press। আপনি যে নির্দিষ্ট প্রকাশনাটির কথা বলছেন, তার তথ্য পেতে আপনাকে বইটির পুরো নাম বা লেখক সম্পর্কে আরও বিশদ তথ্য দিতে হবে।
- মানবাধিকার দিবস জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর পালিত হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সাল থেকে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। এছাড়াও, 'সার্বজনীন মানব অধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাকে' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ তারিখকে নির্ধারণ করা হয়। সার্বজনীন মানব অধিকার ঘোষণা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী নবরূপে সৃষ্ট জাতিসংঘের অন্যতম বৃহৎ অর্জন।
সেই থেকে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর 'মানবাধিকার দিবস' পালিত হয়ে আসছে। ২০২৪ সালের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের প্রতিপাদ্য— 'আমাদের অধিকার, আমাদের ভবিষ্যৎ, এখনই'। মানবাধিকার সনদের ৩০ টি ধারা রয়েছে।
সঠিক উত্তর: Section -46
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
---------------
ভারতে প্রথম ১৯৩৯ সালে 'মাতৃত্ব কল্যাণ আইন' করা হয়। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর অধীনে মাতৃত্ব কল্যাণ আইনের প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা (Maternity Benefit) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে, যা বাংলাদেশের নারী শ্রমিকদের জন্য প্রযোজ্য। ভারতে ১৯৩৯ সালে The Maternity Benefit Act প্রণীত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে অন্যান্য দেশেও শ্রম আইনের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা:
আইনের ভিত্তি:
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ৪৬-এর অধীনে নারী শ্রমিকদের প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা দেওয়া হয়।
সুবিধা:
এই আইনের অধীনে নারী শ্রমিকরা সন্তান প্রসবের পূর্বে ও পরে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সবেতন ছুটি পান।
সংবিধানের অনুচ্ছেদ -৪৩ এ বর্ণিত হয়েছে যে,
৪৩। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হইতে স্বীয় গৃহে নিরাপত্তালাভের অধিকার থাকিবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনতারক্ষার অধিকার থাকিবে।
সমাজকর্মের দুটি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে: ব্যক্তি সমাজকর্ম, দল সমাজকর্ম, ও সমষ্টি সমাজকর্ম — যা মৌলিক পদ্ধতি হিসেবে পরিচিত। এদের সহায়ক পদ্ধতিগুলো হলো সামাজিক গবেষণা, সামাজিক প্রশাসন, ও সামাজিক কার্যক্রম।
মৌলিক পদ্ধতি (Basic Methods):
এই পদ্ধতিগুলো সরাসরি সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
ব্যক্তি সমাজকর্ম (Casework):
ব্যক্তি বা পরিবারের সমস্যা সমাধানে প্রত্যক্ষভাবে কাজ করা হয়।
দল সমাজকর্ম (Group Work):
ছোট দল বা গোষ্ঠীর সমস্যা সমাধান ও তাদের চাহিদা পূরণে কাজ করা হয়।
সমষ্টি সমাজকর্ম (Community Organization):
সমষ্টি বা সম্প্রদায়ের সমস্যা সমাধানে কাজ করা হয়।
সহায়ক পদ্ধতি (Auxiliary Methods):
এই পদ্ধতিগুলো মৌলিক পদ্ধতিকে সহায়তা করে থাকে।
সামাজিক গবেষণা (Social Research):
সমাজকর্মের কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও সমস্যা চিহ্নিত করতে গবেষণার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়।
সামাজিক প্রশাসন (Social Administration):
সমাজকর্ম কার্যক্রম পরিচালনা, পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে সেবা নিশ্চিত করা হয়।
সামাজিক কার্যক্রম (Social Action):
সামাজিক পরিবর্তন ও ন্যায়বিচারের জন্য সমষ্টিগতভাবে আন্দোলন বা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
ব্যক্তি সমাজকর্মে রেপো ( Rapport) শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন ভার্জিনিয়া পি. রবিনসন(Virginia pollard Robinson)। এর অর্থ পেশাগত সম্পর্ক বা সহানুভূতিশীল সম্পর্ক। তিনি ১৯৩০ সালে রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ ( A Changing Psychology in Social Case Work) এ র্যাপো শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন।
ভার্জিনিয়া পি. রবিনসন ছিলেন সামাজিক কাজের ক্ষেত্রে একজন প্রখ্যাত ব্যক্তি, যিনি পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক কাজের স্কুলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আট-কাজের ক্ষেত্রে একজন পণ্ডিত ছিলেন এবং সামাজিক কর্মক্ষেত্রে কাজের মনস্তত্ত্বের উপর গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছিলেন।
তিনি সামাজিক কাজের ক্ষেত্রে বহু গুরুত্বপূর্ণ বই লিখেছেন এবং সম্পাদনা করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে রয়েছে "Supervision in Social Case Work" এবং "A Changing Psychology in Social Case Work"।
বিআরডিবি (BRDB) এর পূর্ণরূপ হলো বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (Bangladesh Rural Development Board). এটি বাংলাদেশের একটি সরকারি সংস্থা, যার মূল কাজ হলো গ্রামীণ এলাকায় উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং গ্রামীণ জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি ঘটানো. গ্রামীণ উন্নয়নের সাথে জড়িত এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরকারি কর্মসূচি.
বিআরডিবির সকল কাজের স্বীকৃত স্বরূপ ‘‘বাংলাদেশ গবেষণা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান’’ (BIDS) এর ২০১০ সালের এক সমীক্ষায় জিডিপিতে বিআরডিবি’র অবদান ১.৯৩% বলে উলেস্নখ করা হয়েছে। ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরেও বিআরডিবি’র এ কর্মধারা অব্যাহত রয়েছে।
এমডিজি, ভিশন-২০২১ এবং ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সাথে সংগতি রেখে বর্তমানে বিআরডিবি’র ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।( www.brdb.com)
সমবায় হলো একদল সদস্যের দ্বারা গঠিত এমন একটি ব্যবসায়িক সংগঠন, যা সদস্যদের সম্মিলিত কল্যাণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে। এই সংগঠন 'একতাই বল' নীতিতে বিশ্বাসী এবং সদস্যদের অংশগ্রহণ ও লাভের সুষম বন্টনের মাধ্যমে কাজ করে। বাংলাদেশে সমবায় অধিদপ্তর সমবায়ভিত্তিক দারিদ্র্য বিমোচন, নিয়ন্ত্রণ ও প্রশিক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত।
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ -১৩(খ) তে সমবায় মালিকানা ও সমবায় সমিতির কথা বলা হয়েছে
⇒ দেবোত্তর হলো হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের দেবতার নামে উৎসর্গকৃত সম্পদ।
-দেবোত্তর সাধারণত দুই ধরনের।
(১) আংশিক দেবোত্তর ( বংশের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য উৎসর্গীকৃত)
(২) সার্বিক দেবোত্তর :- ধর্মীয় ও জনহিতকর কার্যে সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গীকৃত।
আজ ২০ নভেম্বর বিশ্ব শিশু দিবস পালন করা হয়। বিশ্বজুড়ে শিশুর অধিকার সুরক্ষায় ১৯৮৯ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে শিশু অধিকার কনভেনশন বা সনদ (সিআরসি) গৃহীত হয়। সেই থেকে প্রতিবছর ২০ নভেম্বর বিশ্ব শিশু দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।
প্রতি বছরই জাতিসংঘ কোনও না কোনও থিম ঠিক করে। জাতিসংঘের বিশেষ সংগঠন ইউনিসেফ বছরভর বিশ্ব জুড়ে শিশুদের জন্য নানা জায়গায় কাজ করে। তারাই এই বছরের থিম ঠিক করেছে।
মানবাধিকার দিবস জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর পালিত হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সাল থেকে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। এছাড়াও, 'সার্বজনীন মানব অধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাকে' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ তারিখকে নির্ধারণ করা হয়। সার্বজনীন মানব অধিকার ঘোষণা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী নবরূপে সৃষ্ট জাতিসংঘের অন্যতম বৃহৎ অর্জন।
মানবাধিকার সনদের ধারা -ধারা ২৫
এ বলা হয়েছে যে,
১. খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিত্সা ও প্রয়োজনীয় সমাজ কল্যাণমূলক কার্যাদির সুযোগ এবং এ সঙ্গে পীড়া, অক্ষমতা, বৈধব্য, বার্ধক্য অথবা জীবনযাপনে অনিবার্যকারণে সংঘটিত অন্যান্য অপারগতার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং বেকার হলে নিরাপত্তার অধিকার সহ নিজের এবং নিজ পরিবারের স্বাস্থ্য এবং কল্যাণের জন্য পর্যাপ্ত জীবনমানের অধিকার প্রত্যেকেরই রয়েছে।
আইপিপিএফ বলতে আন্তর্জাতিক পরিকল্পিত পরিবার ফেডারেশন (International Planned Parenthood Federation)-কে বোঝায়, যা একটি বিশ্বব্যাপী সংগঠন যা যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকারের জন্য কাজ করে এবং ১৪৬টিরও বেশি দেশে শিক্ষা, গর্ভনিরোধক ব্যবস্থা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে থাকে।
এর প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৫২ সালে ভারতের বোম্বাই শহরে ( বর্তমান মুম্বাই)। এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন মার্গারেট স্যাঙ্গার ও লেডি রামা রাও। এর সদর দফতর লন্ডন, ইংল্যান্ডে।
শিশুদের সুরক্ষা ও সংশোধনের নিমিত্তে ১৯৭৪ সালে প্রথম শিশু আইন প্রণয়ন করা হয়। আইনটি ১৯৭৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রথম ঢাকায় ও পরবর্তীতে ১৯৮০ সালের ১লা জুন থেকে সারা বাংলাদেশে কার্যকর করা হয়।
সূত্র :-( উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম: হুমায়ুন কবির)
ইসলাম ধর্মে 'বেদাত' বলতে এমন নতুন কাজকে বোঝায়, যা দ্বীন (ধর্ম) বা ইবাদতের অংশ নয়, কিন্তু দ্বীনের অংশ হিসেবে পালন করা হয় এবং যার কোনো ভিত্তি কুরআন ও সহীহ সুন্নাহতে (রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর দেখানো পথে) পাওয়া যায় না। সহজ কথায়, দ্বীনের মধ্যে কোনো নতুন বিষয় প্রবর্তন করাকে বেদাত বলা হয়, যার উদ্দেশ্য হলো ছওয়াব অর্জন করা এবং আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা।
বেদাত এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা
দ্বীন ও ইবাদতে নবসৃজন:
বেদাত হলো এমন কোনো কাজ যা দ্বীন বা ইবাদত মনে করে করা হয়, কিন্তু এর সপক্ষে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহতে কোনো দলীল বা প্রমাণ থাকে না।
হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়জী আন্দোলনের অংশ হিসেবে দুটি পাপ থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেন। (০১) শিরক ও (০২) বেদাত)
- বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গৃহীত হয়ে আজ পর্যন্ত আমাদের রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। সংবিধানের ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, ১১টি অধ্যায়, ও একটি প্রস্তাবনা রয়েছে। সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়( অনুচ্ছেদ -১৫) মৌলিক মানবিক চাহিদা সুরক্ষার রক্ষাকবচ। অনুচ্ছেদ - ১৫(ঘ) তে বলা হয়েছে যে, সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্যলাভের অধিকার থাকবে।
কলম্বিয়া স্কুল অফ সোশ্যাল ওয়ার্ক (Columbia School of Social Work) এর নামের ইতিহাসে মূল পরিবর্তনগুলো ছিল: New York School of Philanthropy (১৮৯৮/১৯০৪) থেকে New York School of Social Work (১৯১৯/১৯১৭) এবং সর্বশেষ Columbia University School of Social Work (১৯৬৩)। এই পরিবর্তনগুলো মূলত সামাজিক কাজের ক্ষেত্রে এর ক্রমবর্ধমান পরিধি এবং কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এর গভীর সম্পৃক্ততা নির্দেশ করে।
এখানে ধাপে ধাপে নাম পরিবর্তনের ইতিহাস দেওয়া হলো:
(০১) New York School of Philanthropy (১৮৯৮/১৯০৪):
(০২)১৮৯৮ সালে New York Charity Organization Society (COS) দ্বারা একটি গ্রীষ্মকালীন স্কুল হিসেবে এর সূচনা হয়।
পরবর্তীতে এটি New York School of Philanthropy নামে পরিচিতি লাভ করে।
(০৩)New York School of Social Work (১৯১৯/১৯১৭):
১৯১৯ সালে (কিছু সূত্রমতে ১৯১৭ সালে) এর নাম পরিবর্তন করে New York School of Social Work রাখা হয়। এটি কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশ হয়ে ওঠে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাচীনতম সামাজিক কাজের প্রোগ্রামগুলির মধ্যে অন্যতম হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
Columbia University School of Social Work (১৯৬৩):
১৯৬৩ সালে এর নাম চূড়ান্তভাবে পরিবর্তন করে Columbia University School of Social Work করা হয়। এটি কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক কাজের স্নাতক স্কুল হিসেবে পরিচিতি লাভ করে এবং বর্তমানে এই নামেই এটি পরিচিত।
প্রকাশনা বা পত্রিকা:
"Charities Review" নামে একটি সমাজকর্ম পত্রিকা ১৮৯১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, যা এই সমাজকর্ম প্রতিষ্ঠানের উপর আলোকপাত করতো। এর প্রকাশনার দায়িত্বে ছিলো দান সংগঠন সমিতি বা Charity organisation society ( COS)।
বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি প্রণীত হয়েছিল ১৯৯৭ সালে, এবং সর্বশেষ জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ সালে প্রণীত হয়।
১৯৯৭ সালে:
১৯৯৭ সালে সর্বপ্রথম একটি জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি প্রণীত হয়েছিল।
২০০৪ সালে:
পরবর্তীতে, জামায়াত জোট সরকার এই নীতিতে পরিবর্তন এনে ২০০৪ সালে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি প্রণয়ন করে।
২০০৮ সালে:
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালে এই নীতি সংশোধিত আকারে প্রণীত হয়েছিল, তবে এর কার্যকর বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।
২০১১ সালে:
বর্তমান সরকার নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ২০১১ সালে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি প্রণয়ন করেছে।
দলগত সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ায় দল সমাজকর্মীরা কতগুলো ধাপ অনুসরণ করে। এই ধাপের সংখ্যা নিয়ে বেশ কয়েকটি মতামত আছে।
ওয়াল্টার এ. ফ্রীডল্যান্ডার এক্ষেত্রে তিনটি ধাপের কথা বলেছেন
(০১) অনুসন্ধান
(০২) সমস্যা নির্ণয়
(০৩) সেবাদান
১২আগস্ট জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস-২০২৫। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য “প্রযুক্তি নির্ভর যুবশক্তি, বহুপাক্ষিক অংশীদারত্বে অগ্রগতি”। দিনটি প্রথম পালিত হয় ২০০০ সালে।
তারুণ্যের বিকাশ ও উন্নয়নে ১৯৯৮ সালে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ‘ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স অব মিনিস্টার রেসপনসিবল ফর ইয়ুথ’ ১২ আগস্টকে ‘আন্তর্জাতিক যুব দিবস’ হিসেবে উদযাপনের প্রস্তাব করে। পরের বছর ১৯৯৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক যুব দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি পালন করা হচ্ছে।
- ব্ল্যাক ডেথ ছিল একটি বুবোনিক প্লেগ অতিমারী যা ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ সাল পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় সংগঠিত হয়। মানবসভ্যতার ভয়াবহ মহামারীর তালিকার মধ্যে এটি একটি ; যার ফলে প্রায় ৫ কোটি মানুষ মারা গিয়েছিল, যা সম্ভবত ১৪ শতকের ইউরোপের জনসংখ্যার ৫০%। এটি "Yersinia pestis ” নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট এবং মাছি এবং বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই প্লেগ ধর্মীয়, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উত্থান-পতনের সৃষ্টি করেছিল, যার ইউরোপীয় ইতিহাসের গতিপথে গভীর প্রভাব পড়েছিল।
১৬০১ সালের এলিজাবেথীয় দরিদ্র আইনে দরিদ্রদেরকে (০১) সক্ষম দরিদ্র( কর্মক্ষম ভিক্ষুক) ,(০২) অক্ষম দরিদ্র( রুগ্ন, বৃদ্ধ , বধির, সন্তানাদিসহ বিধবা , পঙ্গু বা প্রতিবন্দিত্ব, অন্ধ ইত্যাদি) ও (০৩) নির্ভরশীল বালক বালিকা( ছেলে ২৪ বছর ও মেয়ে ২১ বছর বা বিয়ের আগমুহূর্ত পর্যন্ত এ তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়।
১৯৮০ সালের যৌতুক নিরোধ আইনে (Dowry Prohibition Act, 1980) যৌতুক গ্রহণ ও প্রদানকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল। এই আইনে যৌতুক চাওয়া বা গ্রহণ করলে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান ছিল। তবে বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ এর মাধ্যমে এই আইনের বিধানগুলো আরও কঠোর করেছে।
আইনের মূল বিষয়বস্তু:
অপরাধ:
এই আইনের অধীনে যৌতুক গ্রহণ, প্রদান বা যৌতুকের জন্য প্ররোচনা দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
শাস্তি:
১৯৮০ সালের আইনে যৌতুক গ্রহণ বা প্রদানকারীকে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান ছিল।
সমাজকর্মী জন অ্যাডামস আসলে জেন অ্যাডামস (Jane Addams), যিনি একজন আমেরিকান সমাজকর্মী, সমাজবিজ্ঞানী, নারীবাদী এবং আন্তর্জাতিকতাবাদী ছিলেন। তিনি ১৯ শতকের শেষের দিকে এবং ২০ শতকের শুরুর দিকে সমাজ সংস্কারের কাজে নেতৃত্ব দেন, বিশেষ করে 'হাল হাউজ' (Hull House) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি বসতি স্থাপন আন্দোলনের (settlement movement) একজন অগ্রণী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৩১ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন, যা তাকে এই পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম আমেরিকান মহিলা হিসেবে পরিচিতি দেয়।
তার কাজের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক:
সমাজকর্ম ও বসতি স্থাপন আন্দোলন:
জেন অ্যাডামস উনিশ শতকের শেষের দিকে শিকাগোতে 'হাল হাউজ' প্রতিষ্ঠা করেন, যা ছিল একটি কমিউনিটি সেন্টার। এটি ইমিগ্র্যান্টদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সহায়তা করত এবং সামাজিক সেবার জন্য একটি মডেল হিসেবে কাজ করত, এটি শিক্ষক বাতায়ন দ্বারা উল্লেখ করা হয়েছে।
নারীবাদ ও নারী ভোটাধিকার:
তিনি সমাজকর্ম এবং নারী ভোটাধিকার (woman suffrage) এর ক্ষেত্রে একজন প্রভাবশালী নেতা ছিলেন।
শান্তি আন্দোলন:
যুদ্ধ ও শান্তির বিষয়ে তিনি বিশ্বব্যাপী কাজ করেন এবং ১৯৩১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার জয় করেন
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ১৯২৯ অনুযায়ী নারীর আইনগত বিয়ের বয়স ছিল ১৪ ও পুরুষের বয়স ছিল ১৮।
বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী, ছেলেদের জন্য বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ বছর এবং মেয়েদের জন্য ১৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে, আদালতের অনুমতি ও মা-বাবার সম্মতিতে এর চেয়ে কম বয়সে বিয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এই আইন ভঙ্গ করলে বা বাল্যবিবেহে সহায়তা করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।