পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়27 minutes
মোট প্রশ্ন৬২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৭: বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (সম্পূর্ণ সিলেবাস) উৎস: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বোর্ড বই। --------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ১০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৬২ প্রশ্ন

.
DNS সার্ভার কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
  1. নেটওয়ার্কের স্পিড দেখা
  2. ইন্টারনেট ট্রাফিক লুকানো
  3. ইন্টারনেটে ফাইল রাখা
  4. ডোমেইন নাম আইপিতে রূপান্তর করা
ব্যাখ্যা

• DNS (Domain Name System) সার্ভারের মূল কাজ হলো ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা। 

DNS সার্ভার:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 

.
BIOS সাধারণত কোন স্থানে সংরক্ষণ করা হয়?
  1. ROM
  2. Hard Drive
  3. RAM
  4. Cache
ব্যাখ্যা

• BIOS বা Basic Input Output System হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার, যা কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড হতে সাহায্য করে। এটি সাধারণত ROM (Read Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে, কারণ ROM-এ সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও মুছে যায় না।

BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
- BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।

• BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ:
- কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

.
বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে কতটি বাইনারি বিট একসাথে ব্যবহৃত হয়?
  1. ২টি
  2. ১৬টি
  3. ৩টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় সাধারণত ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে নেওয়া হয়। কারণ একটি অক্টাল সংখ্যা ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মান নিতে পারে, যা বাইনারিতে ৩টি বিট দ্বারা প্রকাশ করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি ০০০ মানে অক্টাল ০, ১১১ মানে অক্টাল ৭। তাই বড় কোনো বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সেটি তিনটি করে বিট ভাগ করে অক্টাল মান বের করা হয়। এটি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং কোনো মান হারানোর ঝুঁকি কমায়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো: ৩টি।

• একটি অক্টাল সংখ্যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করলে প্রতি অঙ্কের জন্য ৩টি বাইনারি বিট লাগে।
উদাহরণস্বরূপ:
অক্টাল 7 = বাইনারি 111
অক্টাল 5 = বাইনারি 101

সুতরাং, বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তরের সময় প্রতি ৩টি বাইনারি বিট = ১টি অক্টাল ডিজিট। এজন্য ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে গ্রুপ করা হয়।

বাইনারি থেকে অক্ট্যাল রূপান্তর: 
- একটি অক্ট্যাল সংখ্যা তিন বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা যায়। 
- আমরা জানি, বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২ এবং অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮। 
- বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সংখ্যাটির অংকগুলোকে তিন বিট বিশিষ্ট ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এরপর প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে তা বাইনারি থেকে অক্টালে রূপান্তরিত হয়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থায় SSL কী ভূমিকা পালন করে?
  1. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
  2. পণ্য প্রদর্শন
  3. ডেটা এনক্রিপশন
  4. পেমেন্ট প্রসেসিং
ব্যাখ্যা

• SSL (Secure Sockets Layer) অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে মূলত ডেটা এনক্রিপ্ট করে, যাতে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য (যেমন কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ডেটা) নিরাপদে ব্রাউজার থেকে সার্ভারে পৌঁছায়।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

.
কোন ইলেকট্রনিক কম্পিউটারটি প্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদিত হয়েছিল?
  1. UNIVAC
  2. EDSAC
  3. ENIAC
  4. MARK 1
ব্যাখ্যা

• বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম ছিল UNIVAC (Universal Automatic Computer)। এটি ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ইলেকট্রনিক কম্পিউটার, যা ১৯৫১ সালে তৈরি হয়েছিল।

• UNIVAC:
- UNIVAC হলো সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- UNIVAC কম্পিউটারে সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।
- ১৯৫২ সালে টমাস ওয়াটসন IBM-701 এবং ১৯৫৩ সালে IBM-650 কম্পিউটার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি করেন।

- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- EDSAC হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 
- মার্ক-১ হলো পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন প্রোগ্রাম কোডের লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল প্রদান করে?
  1. অ্যাসেম্বলার
  2. কম্পাইলার
  3. ইন্টারপ্রেটার
  4. ডিবাগার
ব্যাখ্যা

• ইন্টারপ্রেটার একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামের প্রতিটি লাইন অনুবাদ করার পর তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল প্রদান করে। এটি প্রোগ্রামের কোড এক লাইন এক লাইন করে অনুবাদ করে এবং সেই অনুযায়ী কার্যকর করে, ফলে প্রোগ্রামের ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে দেখা যায়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা-

১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপনের সময়কাল কখন?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে) প্রথম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় ১৯৬৪ সালে, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন-এর তত্ত্বাবধানে।
- কম্পিউটারটি ছিল IBM 1620 মডেলের। এটি একটি প্রাথমিক কম্পিউটার সিস্টেম ছিল, যা মূলত গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহার করা হতো।
- এর আগে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে কম্পিউটার প্রযুক্তি ছিল খুবই সীমিত, কিন্তু ১৯৬৪ সালে এই কম্পিউটারটির প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের প্রযুক্তির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল। এর মাধ্যমে দেশের গবেষণা কার্যক্রমে গতি আসে এবং পরবর্তীতে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়তে থাকে।

- বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য একটি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে বিভিন্ন শস্য গবেষণা ও বিজ্ঞানমূলক কাজে কম্পিউটার ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৭০ ও ১৯৭৪ সালের মধ্যে আরও অনেক কম্পিউটার প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে ১৯৬৪ সালের ঘটনাটি বাংলাদেশের কম্পিউটার যুগের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত।
- এটি ছিল বাংলাদেশের কম্পিউটার বিজ্ঞানের প্রথম পদক্ষেপ, এবং পরবর্তীতে এর ব্যবহার শিক্ষা, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিস্তৃত হতে থাকে।

• বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপন:
- ১৯৬৪ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।
- এটি ছিল আইবিএম কোম্পানির একটি মেইনফ্রেইম কম্পিউটার
- IBM 1620 সিরিজের কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্থান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র।
- যন্ত্রটির প্রধান ব্যবহার ছিল জটিল গবেষণা কাজে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন-করণ।

- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ষাটের দশকের শেষ দিকে হাবিব ব্যাংক ও ইউনাইটেড ব্যাংক কম্পিউটার স্থাপন করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো 1969 সালের দিকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করে।
- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

.
ডেটাবেস পরিচালনার জন্য প্রধানত কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়?
  1. Visual Studio
  2. Oracle
  3. Slack
  4. Canva
ব্যাখ্যা

• অপশন আলোচনা:
- Canva – এটি একটি গ্রাফিক ডিজাইন টুল, যার সাহায্যে পোস্টার, প্রেজেন্টেশন, সোশ্যাল মিডিয়া গ্রাফিক্স ইত্যাদি ডিজাইন করা যায়। এটি ডেটাবেস ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

- Slack – এটি একটি টিম কমিউনিকেশন টুল, যেখানে টিম মেম্বাররা চ্যাট করতে পারে, ফাইল শেয়ার করতে পারে। এটি মূলত যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, ডেটাবেস ব্যবস্থাপনার জন্য নয়।

- Visual Studio – এটি একটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট (IDE), যা প্রোগ্রামিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও আপনি ডেটাবেসের সাথে কাজ করতে পারেন এতে, এটি মূলত ডেটাবেস ম্যানেজমেন্টের জন্য তৈরি নয়।

- Oracle – এটি একটি শক্তিশালী এবং পেশাদার ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS), যা বড় আকারের ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
10 (দশমিক) কে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর করলে মান কত হয়?
  1. B
  2. 9
  3. A
  4. 8
ব্যাখ্যা

• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি হলো আমাদের প্রচলিত গণনার পদ্ধতি, যেখানে ভিত্তি (Base) ১০। অন্যদিকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হলো ১৬ এবং এখানে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা ও A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহার করা হয়, যেখানে A মানে ১০, B মানে ১১, এভাবে F মানে ১৫ বোঝায়। এখন দশমিক ১০ সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর করলে দেখা যায় যে ১০ এর মান সরাসরি হেক্সাডেসিমালে A দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ, দশমিক ১০ = হেক্সাডেসিমাল A.

দশমিক ---- বাইনারি ---- অকট্যাল ---- হেক্সাডেসিমাল
৮ ------------ ১০০০ ---------- ১০ ------------ ৮
৯ ------------ ১০০১ ----------- ১১ ------------ ৯
১০ -----------১০১০ ----------- ১২------------- A
১১ ----------- ১০১১ ----------- ১৩ ------------ B

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০.
কম্পিউটারে ক্যাশ মেমোরি ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. ডেটা ব্যাকআপ সংরক্ষণ করা
  3. ডিলিট হওয়া ফাইল পুনরুদ্ধার করা
  4. প্রসেসরের কাজের গতি বাড়ানো
ব্যাখ্যা

• Cache Memory হলো একটি অতি দ্রুতগতির মেমোরি, যা সাধারণত CPU এবং প্রধান মেমোরি (RAM)-এর মধ্যে অবস্থান করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রায়ই ব্যবহৃত ডেটা এবং নির্দেশনা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা। এর ফলে প্রসেসরের গতি বাড়ে এবং সিস্টেম পারফরম্যান্স উন্নত হয়।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১১.
নেটওয়ার্কের মধ্যে প্যাকেটের পথ নির্ধারণের জন্য TCP/IP মডেল কোন লেয়ার ব্যবহার করে?
  1. Internet Layer
  2. Network Access Layer
  3. Transport Layer
  4. Application Layer
ব্যাখ্যা

• TCP/IP মডেল Internet Layer নেটওয়ার্কের মধ্যে প্যাকেটের রুট নির্ধারণ করে। এই স্তর মূলত ডেটা প্যাকেটকে উৎস থেকে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য দায়ী। 

TCP/IP:
- TCP/IP প্রোটোকলটি ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- একটি কম্পিউটার প্রথমে লোকাল বা স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে সংযোজিত হয়, অতঃপর ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি IP Address থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে, যা ডোমেইন নেম সিস্টেম ব্যবহার করে।

• অপশন আলোচনা:
- Application Layer: এটি ব্যবহারকারীর অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রোটোকলের সাথে সম্পর্কিত, রাউটিং নির্ধারণ করে না।
- Internet Layer: এটি নেটওয়ার্কের মধ্যে প্যাকেটের রুট নির্ধারণ করে, যেমন IP প্রোটোকল। 
- Transport Layer: এটি এন্ড-টু-এন্ড ডেটা ট্রান্সফার ও পোর্ট নিয়ন্ত্রণ করে, রাউটিং নয়।
- Network Access Layer: এটি ফিজিক্যাল ও ডাটা লিঙ্ক লেয়ার কাজ করে, স্থানীয় নেটওয়ার্কে ডেটা প্রেরণ করে, রাউটিং নয়।
সঠিক উত্তর:  Internet Layer.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
নেটওয়ার্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য ব্যবহার করে অনধিকারপ্রবেশ করে সুবিধা নেওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. ফিশিং
  2. স্পুফিং
  3. স্প্যামিং
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্ককে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করে এবং সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার প্রক্রিয়াকে স্পুফিং (Spoofing) বলা হয়। স্পুফিং একটি সাইবার হামলার কৌশল, যেখানে হামলাকারী নিজের পরিচয় বা তথ্য পরিবর্তন করে অন্য কারো মতো দেখানোর চেষ্টা করে। 

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।

• স্পুফিং:
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• ফিশিং:
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

• স্প্যামিং:
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।

• স্নিকিং:
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩.
কোন চিহ্নটি ছাড়া ই-মেইল ঠিকানা সম্পূর্ণ নয়?
  1. @
  2. $
  3. #
  4. &
ব্যাখ্যা

ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।

- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy.
- BCC এর পূর্ণরূপ Blind Carbon Copy.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৪.
MongoDB কোন শ্রেণীর ডাটাবেজের অন্তর্ভুক্ত?
  1. Time-series ভিত্তিক ডাটাবেজ
  2. Graph ভিত্তিক ডাটাবেজ
  3. Relational বা টেবিল-ভিত্তিক ডাটাবেজ
  4. NoSQL ভিত্তিক ডকুমেন্ট ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা

• MongoDB হলো একটি NoSQL Document-Oriented Database.

ডাটাবেজ প্রোগ্রাম: 
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।

NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি। 

উৎস: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Amazon ওয়েবসাইট। 

১৫.
যদি একাধিক ফিল্ড একত্রে প্রাইমারি কী গঠন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. অল্টারনেট কী
  2. ফরেন কী
  3. প্রাইমারি কী
  4. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

• একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হলে তাকে "কম্পোজিট প্রাইমারি কী" বলে।
 
• কী-ফিল্ড:
যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
• প্রাইমারি কী,
• কম্পোজিট কী এবং
• ফরেন কী।

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
SWIFT সাধারণত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার
  2. মোবাইল ব্যাংক
  3. স্টক ট্রেডিং
  4. অনলাইনে কেনাকাটা
ব্যাখ্যা

• SWIFT প্রধানত আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি নিরাপদ এবং বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ নেটওয়ার্ক, যা ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে অর্থ আদান-প্রদানের তথ্য বিনিময় করতে সাহায্য করে। 

SWIFT Code: 
- SWIFT (Societyfor Worldwide Interbank Finnancial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামভিত্তিক আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেনের নেটওয়ার্ক। 
- সুইফট-এর মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক লেনদেনের পরিচিতি শনাক্ত করা হয়।
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক প্রদান করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদভাবে টাকা স্থানান্তরের নির্দেশসহ বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সহজতর করে। 
- এই শনাক্তকরণ মূলতঃ সংকেতলিপি তথা কোডের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। 
- এক্ষেত্রে লেনদেনের তারবার্তা (ওয়্যার) এই সুইফট কোডের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়। 
- বিশ্বের দু'শতাধিক দেশে ১১ হাজার ব্যাংক সুইফট ব্যবহার করে। 
- আর্থিক লেনদেনে কোড পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুইফট সম্মিলিতভাবে পরিচালনা করছে বিশ্বের অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠান। 
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে সুইফট-এর সেবা নেয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১৭.
নিম্নে উল্লিখিত বিভিন্ন ধরনের মেমোরির মধ্যে কোনটি সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস সম্ভব?
  1. Virtual Memory
  2. Cache Memory
  3. Main Memory (RAM)
  4. Register
ব্যাখ্যা

• Register মেমোরি হলো সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেসযোগ্য মেমোরি। এটি প্রসেসরের মধ্যে অবস্থিত ছোট এবং খুব দ্রুত মেমোরি যা তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। Register গুলোর মাধ্যমে প্রসেসর সরাসরি ডাটা এবং ইনস্ট্রাকশন অ্যাক্সেস করে কাজ করে, যার ফলে প্রসেসিং দ্রুত হয়।

• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

• মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:
 
- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

এছাড়াও,
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে বিবেচিত হয় না?
  1. Reddit
  2. WolframAlpha
  3. Yandex
  4. AOL Search
ব্যাখ্যা

• উপরের চারটি অপশনের মধ্যে শুধুমাত্র "রেডিট (Reddit)" একটি সার্চ ইঞ্জিন নয়। Reddit একটি সামাজিক সংবাদ সংগ্রহ ও আলোচনা প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন বিষয়ের ওপর পোস্ট করে এবং মন্তব্যের মাধ্যমে আলোচনা করে।
- অন্যদিকে, AOL Search, Yandex, এবং WolframAlpha- তিনটিই বিভিন্ন ধরনের সার্চ ইঞ্জিন। AOL Search ও Yandex মূলত ওয়েব পেজ সার্চের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে WolframAlpha একটি computational search engine, যা গণনাভিত্তিক তথ্য সরবরাহ করে। কিন্তু Reddit নিজে কোনো তথ্য অনুসন্ধান ইঞ্জিন নয়, বরং এটি একটি কমিউনিটি-ভিত্তিক ফোরাম যেখানে তথ্য ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে শেয়ার হয়।
- সঠিক উত্তর:  Reddit.

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১৯.
ক্রায়োসার্জারি শব্দে ‘ক্রায়ো’ শব্দাংশের অর্থ কী?
  1. বরফের মতো ঠান্ডা
  2. প্রচণ্ড চাপ
  3. আলোকিত
  4. হাতের কাজ
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারি শব্দের মধ্যে ‘ক্রায়ো’ অংশের অর্থ হল বরফের মতো ঠান্ডা। এটি গ্রীক ভাষা থেকে উদ্ভূত, যেখানে ‘ক্রায়ো’ মানে শীত বা অতিরিক্ত ঠান্ডা। ক্রায়োসার্জারি একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যা খুব কম তাপমাত্রা ব্যবহার করে দেহের অস্বাভাবিক বা ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু ধ্বংস বা অপসারণের জন্য প্রয়োগ করা হয়। 

• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
EMTS-এর প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. ঋণ প্রদান
  2. বীমা সেবা দেওয়া
  3. ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর
  4. কাগজের নোট তৈরি করা
ব্যাখ্যা

• EMTS-এর অর্থ হলো Electronic Money Transfer System বা ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো অর্থ স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল মাধ্যমে সরল ও দ্রুত করা। অর্থাৎ, এটি সরাসরি কাগজের নোট ব্যবহার না করে ব্যাংক বা অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্থ পাঠানো ও গ্রহণ করতে সাহায্য করে। 

ইএমটিএস: 
- EMTS এর পূর্ণরূপ Electronic Money Transfer Service.
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।
- ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখে দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) এর উদ্বোধন করা হয়। 
- বর্তমানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে খুবই স্বল্প কমিশনের (০.৫০%) বিনিময়ে লেনদেন করা যায়।
- ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) National Digital Innovation Award ২০১১ তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস e-Finance ক্যাটাগরীতে Champion হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস।

উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
হাইব্রিড ক্লাউড কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়?
  1. পাবলিক ও প্রাইভেট ক্লাউডের সমন্বয়
  2. শুধু পাবলিক ক্লাউড
  3. শুধু কমিউনিটি ক্লাউড
  4. শুধু প্রাইভেট ক্লাউড
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড ক্লাউড:
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো একটি কম্পিউটিং এনভায়রনমেন্ট যা পাবলিক ক্লাউড (যেমন: AWS, Azure, Google Cloud) এবং প্রাইভেট ক্লাউড (অর্গানাইজেশনের নিজস্ব ডেটা সেন্টার) এর সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশনকে দুটি প্ল্যাটফর্মের মধ্যে শেয়ার করতে সক্ষম।

• প্রাইভেট ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
- শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য নির্দিষ্ট থাকে। 
- উচ্চ নিরাপত্তা থাকে। 
- সংবেদনশীল বা গোপনীয় ডেটা রাখতে উপযোগী। 

• পাবলিক ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
- সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত এবং বিভিন্ন সংস্থা ব্যবহার করে। 
- স্কেলেবিলিটি এবং খরচ কম থাকে। 
- উদাহরণ: Amazon Web Services (AWS), Microsoft Azure, Google Cloud। 

• হাইব্রিড ক্লাউডের সুবিধাসমূহ:
- নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা: সংবেদনশীল তথ্য প্রাইভেট ক্লাউডে রেখে বাকি কাজ পাবলিক ক্লাউডে পরিচালনা করা যায়।
- খরচ সাশ্রয়: যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই পাবলিক ক্লাউডের সেবা ব্যবহার করে খরচ কমানো যায়।

তথ্যসূত্র:
- Microsoft Azure ডকুমেন্টেশন।

২২.
ফায়ারওয়াল বলতে কী বোঝায়?
  1. একটি ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  2. একটি মেমোরি ডিভাইস
  3. একটি নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা
  4. একটি অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল একটি নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা।

• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

২৩.
কোনটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসেবে পরিচিত?
  1. মাইএসকিউএল
  2. অ্যাডোবি ফটোশপ
  3. গুগল ক্রোম
  4. এমএস ওয়ার্ড
ব্যাখ্যা

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
গুগল কোন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে?
  1. DeepSeek
  2. Alexa
  3. Siri
  4. Gemini
ব্যাখ্যা

• গুগলের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম Gemini. এটি একটি আধুনিক AI প্ল্যাটফর্ম যা বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম, যেমন ভাষা বোঝা, তথ্য বিশ্লেষণ, ছবি চিনতে পারা এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া। 
 
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

- গুগলের তৈরিকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম জেমিনি।
- জেমিনি নামের এই এআই একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
81 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 1101001
  2. 00110101
  3. 10000001
  4. 10111001
ব্যাখ্যা

• 81 এর বিসিডি কোড  হচ্ছে : 10000001

• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

8 এর বিসিডি 1000
1 এর বিসিডি 0001
∴ 46 এর বিসিডি 10000001

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬.
ইন্টারনেটকে কোন ধরনের নেটওয়ার্ক হিসেবে বর্ণনা করা যায়?
  1. Metropolitan Area Network (MAN)
  2. Wide Area Network (WAN)
  3. Local Area Network (LAN)
  4. Personal Area Network (PAN)
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট হলো হাজার হাজার ছোট ছোট নেটওয়ার্কের সমষ্টি যা বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত, এবং এর ফলে এটি একটি ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network) হিসাবে বিবেচিত হয়।

• ইন্টারনেট:
- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট।
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ (Vinton Gray Cerf)
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়।
- ১৯৮৩ সালের আরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রোটোকল ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন নেটওয়ার্ক (NSFNET) প্রতিষ্ঠার ফলে আরপানেটের প্রভাব কমে যায় এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে শরীক হয়।
- অবশেষে ১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (বা সার্ভিস প্রোভাইডার) চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য-
- PAN (Personal Area Network): এটি খুব ছোট পরিসরের নেটওয়ার্ক, যা সাধারণত একটি ব্যক্তির ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে (যেমন ব্লুটুথ ব্যবহার করে মোবাইল ফোন ও হেডফোন)।
- LAN (Local Area Network): এটি একটি ছোট ও সীমিত ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে অবস্থিত কম্পিউটার ও ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে (যেমন একটি অফিস বা বাড়ির মধ্যে)।
- MAN (Metropolitan Area Network): এটি LAN-এর চেয়ে বড় কিন্তু WAN-এর চেয়ে ছোট, যা একটি শহর বা মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে বিস্তৃত থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৭.
১১০০১ (বাইনারি) কে দশমিক সিস্টেমে রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. ২৬
  2. ২৪
  3. ২৩
  4. ২৫
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যা ১১০০১ এর দশমিক রূপ হচ্ছে - ২৫

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে। 

এখানে, 
(11001)2 =  1 × 24 + 1 × 23 + 0 × 22 + 0 × 21 + 1 × 20
= 16 + 8 + 0 + 0 + 1
= 25

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২৮.
এনএফসি কাজ করার জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. RFID
  2. GPS
  3. Wi-Fi
  4. Bluetooth
ব্যাখ্যা

• এনএফসি (NFC) হলো একটি স্বল্প-পাল্লার ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা মূলত RFID (Radio-Frequency Identification) প্রযুক্তির একটি বিশেষ রূপ বা শাখা।

• NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- এটি আরএফআইডি (RFID - Radio Frequency Dentification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার ব্যান্ডে ডেটা যোগাযোগ করে।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC।

• এনএফসি প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডে
- টোল প্লাজায় টোল পরিশোধের কার্ডে
- স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করতে হেলথ কার্ডে
- বাস/ট্রেনের ভাড়া পরিশোধের কার্ডে ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৯.
সাধারণত সিপিইউ-এর পারফরম্যান্স কোন এককে প্রকাশ করা হয়? 
  1. Kilograms
  2. Megapixels
  3. Gigahertz
  4. Gigabytes
ব্যাখ্যা

• সিপিইউ এর পারফরম্যান্স সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে মাপা হয়।

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
কোন প্রকার প্রোগ্রাম ব্যবহারকারীর ডিভাইস আটকে দেয় এবং মুক্তিপণ চায়?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. স্পাইওয়্যার
  3. ওয়ার্ম 
  4. র‍্যানসমওয়‍্যার
ব্যাখ্যা

• র‍্যানসমওয়্যার হলো একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিভাইস লক করে ফেলে এবং মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে। এটি সাধারণত ইমেল অ্যাটাচমেন্ট, সন্দেহজনক লিঙ্ক বা ডাউনলোড করা ফাইলের মাধ্যমে সিস্টেমে প্রবেশ করে। 

ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলাে Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলাের মধ্যে রয়েছে-
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

র‍্যানসমওয়্যার:
- র‍্যানসমওয়‍্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়‍্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- যেহেতু এটি মুক্তিপণ আদায়কারী সফ্টওয়্যার হিসেবে পরিচিত তাই মুক্তিপণের ইংরেজি শব্দ Ransom এবং সফ্টওয়্যারের ইংরেজি শব্দ Software এর সংক্ষিপ্তরূপ থেকেই এই নামকরণ অর্থাৎ Ransom + Software = Ransomware.
- কিছু র‍্যানসমওয়‍্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

৩১.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ধারণার উৎস কোন তত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. কানেকটিভিটি তত্ত্ব
  2. সিমুলেশন তত্ত্ব
  3. শিক্ষণ তত্ত্ব
  4. অভিবাসন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (VR) ধারণা মূলত সিমুলেশন তত্ত্ব থেকে উদ্ভূত। 
 
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলা হয়।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২.
‘Ctrl + Z’ কী কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Open
  2. Save
  3. Redo
  4. Undo
ব্যাখ্যা

• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ-
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+ B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য (center alignment)।
Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।

Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।

Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৩৩.
কন্ট্রোল ইউনিট সম্পর্কিত কোন বিবরণটি সঠিক?
  1. প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে
  2. মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে
  3. ALU এর সমতুল্য
  4. লজিক্যাল ক্যালকুলেশন করে
ব্যাখ্যা

• কন্ট্রোল ইউনিট (CU) কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা CPU-এর অন্যান্য উপাদানগুলোকে পরিচালনা এবং সমন্বয় করে। এটি মূলত মেমরি, ইনপুট/আউটপুট (I/O) ডিভাইস এবং Arithmetic Logic Unit (ALU)-এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে কম্পিউটার প্রোগ্রাম অনুযায়ী ঠিকমতো কাজ করতে পারে। 

​কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

​নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩৪.
Wi-Fi এর সিগন্যাল কোন ফ্রিকোয়েন্সিতে প্রেরিত হয়?
  1. 100 MHz - 200 MHz
  2. 10 GHz - 20 GHz
  3. 2.4 GHz - 5 GHz
  4. 0.5 GHz - 2 GHz
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: 2.4 GHz - 5 GHz

Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারলেস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যাকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩৫.
ডিজিটাল সার্কিটে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করার উদ্দেশ্য কী?
  1. ক্লক পালস জেনারেট করা
  2. অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল সিগন্যাল পরিবর্তন করা
  3. সিগন্যাল অ্যাম্প্লিফাই করা
  4. এক বিট ডেটা স্টোর করা
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল সার্কিটে ফ্লিপ-ফ্লপের প্রধান কাজ হলো এক বিট ডেটা সংরক্ষণ করা। ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বাইস্টেবল মাল্টিভাইব্রেটর, যার দুটি স্থায়ী অবস্থা থাকে: ০ ও ১। 

• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৩৬.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে ব্যবহৃত প্রধান মডেলগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. IaaS
  2. HaaS
  3. PaaS
  4. SaaS
ব্যাখ্যা

- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল নয়- HaaS 

ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। 
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে। 
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়। 
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে। 

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল: 
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। 
- এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 
অর্থাৎ, SaaS ক্লাউড সার্ভিস মডেলটি ব্যবহারকারীদের সরাসরি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন চালানোর সুযোগ দেয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭.
অনিচ্ছাকৃত ও অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা ইমেইল বা মেসেজে প্রেরণ করার প্রক্রিয়াটিকে কী নামে পরিচিত?
  1. ম্যালওয়্যার
  2. ভাইরাস
  3. ফিশিং
  4. স্প্যামিং
ব্যাখ্যা

• ইমেইল বা মেসেজের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় ও অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা পাঠানোর বিষয়টিকে স্প্যামিং বলা হয়। এটি সাধারণত বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বা প্রতারণামূলকভাবে প্রচুর পরিমাণে একই ধরণের বার্তা পাঠানোর একটি পদ্ধতি। 

বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ: 
• ফ্রেকিং (Phreaking): 
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে। 

• হ্যাকিং (Hacking): 
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। 
- যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে। 

• ফিশিং (Phishing): 
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা। 

• ভিশিং (Vishing): 
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্প্যামিং (Spamming): 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। 
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। 

• স্নিফিং (Sniffing): 
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং। 

• স্পুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

• স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে। 

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। 
- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম। 

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩৮.
নিচের তালিকার কোনটি অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে ব্যবহার হয় না?
  1. AVG
  2. Kaspersky
  3. Bitdefender
  4. Chrome
ব্যাখ্যা

• Chrome এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। Chrome হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা Google দ্বারা তৈরি। এটি ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করতে সাহায্য করে। তবে এটি কোনো ভাইরাস শনাক্ত বা দূর করতে পারে না। অন্যদিকে, Bitdefender, Kaspersky এবং AVG - এই তিনটি হলো জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যেগুলো কম্পিউটার ও মোবাইল ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। তাই, তালিকাভুক্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র Chrome এন্টিভাইরাস নয়।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
নন-ভোলাটাইল মেমোরি হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. SD-RAM
  2. PROM
  3. D-RAM
  4. S-RAM
ব্যাখ্যা

• অপশন আলোচনা:
- S-RAM (Static RAM) – এটি একটি ভোলাটাইল (volatile) মেমোরি। বিদ্যুৎ না থাকলে ডেটা মুছে যায়।
- D-RAM (Dynamic RAM) – এটিও ভোলাটাইল, এবং বারবার রিফ্রেশ করতে হয় ডেটা ধরে রাখতে।
- SD-RAM (Synchronous DRAM) – এটি D-RAM-এর উন্নত সংস্করণ, কিন্তু এখনো ভোলাটাইল।
- PROM (Programmable Read-Only Memory) – এটি একটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও এতে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায় না।

- PROM একবার প্রোগ্রাম করা হলে ডেটা স্থায়ীভাবে থেকে যায়। তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরির উদাহরণ।

• ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

• নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

• পিরম (PROM):
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM):
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।

• ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০.
IPv6 ঠিকানার দৈর্ঘ্য কত বিট?
  1. ৩২ বিট
  2. ৬৪ বিট
  3. ১২৮ বিট
  4. ২৫৬ বিট
ব্যাখ্যা

• IPv6 একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল সংস্করণ যা IPv4 এর সীমাবদ্ধতা দূর করতে তৈরি করা হয়েছে। IPv4 ঠিকানার মাত্রা ৩২ বিট, যা ভবিষ্যতে ঠিকানার ঘাটতির সমস্যা তৈরি করেছিল। IPv6 ঠিকানার মাপ ১২৮ বিট, যা প্রচুর সংখ্যক অনন্য ঠিকানা প্রদান করতে সক্ষম। এই বড় ঠিকানা স্পেস ইন্টারনেটে আরও বেশি ডিভাইস সংযোগের সুবিধা দেয় এবং আইওটি (IoT) ডিভাইসের বিস্তৃত ব্যবহারের জন্যও উপযুক্ত। এছাড়া, IPv6 নিরাপত্তা এবং ডেটা ট্রান্সমিশনে উন্নত ফিচার সমর্থন করে। তাই IPv6 ১২৮ বিটের ঠিকানা ব্যবহার করে ইন্টারনেটকে আরও স্থিতিশীল ও নিরাপদ করে তোলে।

- সঠিক উত্তর: ক) ১২৮ বিট।

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) বলা হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) এর পূর্ণ রূপ হলো Internet Protocol Address.

• IP Address এর দুটি ভার্সন রয়েছে:
1. IPv4:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।
- প্রতিটি অকটেট ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100
- মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷

2. IPv6:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট ৪ টি ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪১.
পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে কে পরিচিত?
  1. James Gosling
  2. Guido Van Rossum
  3. Dennis Ritchie
  4. Brendan Eich
ব্যাখ্যা

• পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে Guido van Rossum পরিচিত।

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য,
- Dennis Ritchie: 'C' প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
- James Gosling: Java প্রোগ্রামিং ভাষার প্রধান উদ্ভাবক।
- Brendan Eich: JavaScript প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
 

৪২.
ISDN একসাথে কোন কোন তথ্য প্রেরণ করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র ভিডিও
  2. শুধুমাত্র ডেটা
  3. ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
  4. শুধুমাত্র ভয়েস
ব্যাখ্যা

• ISDN (Integrated Services Digital Network) একটি ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা যা ভয়েস ও ডেটা একসাথে প্রেরণ করতে সক্ষম। 

• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System),
২. আইএসডিএন (ISDN),
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband),
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi),
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax).

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩.
নিচের কোন হ্যাকার তথ্য চুরি ও আর্থিক ক্ষতিসাধন করে?
  1. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
  2. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার তথ্য চুরি ও আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪৪.
ইমেইল ক্লায়েন্টে মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল গ্রহণ করতে কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়?
  1. SFTP
  2. HTTP
  3. SMTP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• POP3 প্রোটোকল ইমেইল ক্লায়েন্টে মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল গ্রহণ করতে ব্যবহৃত হয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@gmail.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
 
• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.
- POP3 প্রোটোকলের মূল কাজ হলো সার্ভার থেকে ইমেইলগুলো ডিভাইসে ডাউনলোড করে নেওয়া এবং সাধারণত ডাউনলোড করার পর সার্ভার থেকে সেগুলোকে মুছে ফেলা।
- এই প্রোটোকলের একটি বড় সুবিধা হলো, একবার ইমেইল ডাউনলোড হয়ে গেলে অফলাইনেও তা পড়া যায়।

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- SMTP হলো ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
- এটি মেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানোর কাজ করে।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol.
- HTTP হলো ওয়েব ব্রাউজারে ওয়েব পেজ দেখার জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
- এটি ওয়েব সার্ভার থেকে ডেটা (যেমন- HTML, ছবি, ভিডিও) পুনরুদ্ধার করতে ব্যবহৃত হয়।

• SFTP:
- SFTP (SSH File Transfer Protocol) হলো একটি নিরাপদ ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল।
- এটি SSH (Secure Shell) প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এটি ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়, ইমেইলের জন্য নয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৪৫.
কোন দুটি গেট দিয়ে যেকোন লজিক গেট বানানো সম্ভব?
  1. NAND এবং NOR
  2. OR এবং NOT
  3. OR এবং AND
  4. AND এবং NOT
ব্যাখ্যা

• NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৬.
মেটার সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত? 
  1. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্লোরিডা, যুক্তরাষ্ট্র
  4. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

মেটা (Meta): 
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড। 
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে। 
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন। 
- মেটার CEO হচ্ছেন: মার্ক জাকারবার্গ। 
- মেটার প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ জানুয়ারি ২০০৪। 
- মেটার বাণিজ্যিক নাম: মেটা। 
- মেটার সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭.
কোন প্রযুক্তি একটি PAN-এ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. WAN routers 
  2. Fiber optic cable
  3. Satellite 
  4. Bluetooth
ব্যাখ্যা

• PAN বা Personal Area Network হলো স্বল্প দূরত্বে ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের নেটওয়ার্ক। সাধারণত মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, কীবোর্ড, মাউস, হেডফোন ইত্যাদি একে অপরের সাথে যুক্ত হয়। এ ধরনের নেটওয়ার্কে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো Bluetooth.

Personal Area Network (PAN):
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- প্যান USB Bus ও Fireware Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮.
F5 কী সাধারণত ওয়েব ব্রাউজারে কী জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেভেলপার টুলস খোলা
  2. ব্রাউজার বন্ধ করা
  3. পেজ রিফ্রেশ/রিলোড করা
  4. নতুন ট্যাব খোলা
ব্যাখ্যা

• F5 সাধারণত ওয়েব ব্রাউজারে পেজ রিফ্রেশ বা রিলোড করার জন্য ব্যবহার করা হয়। যখন আমরা কোনো ওয়েবসাইটে নতুন তথ্য দেখতে চাই বা যদি পেজে কোনো সমস্যা থাকে, তখন F5 চাপলে ব্রাউজার সার্ভার থেকে পুনরায় সর্বশেষ তথ্য নিয়ে পেজটি পুনরায় লোড করে। 

• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়।
- F4 last action performed repeat করা যায় এবং কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪৯.
অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কী বলে?
  1. কার্নেল
  2. ইউজার ইন্টারফেস
  3. ফাইল ম্যানেজার
  4. ফাইল সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কার্নেল বলে।

• অপারেটিং সিস্টেম:
কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামসমষ্টি ব্যবহৃত হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• কার্নেল:
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কার্নেল বলে।
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০.
'ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)'- এর জনক কে?
  1. Bill Gates
  2. Tim Berners-Lee 
  3. Steve Jobs
  4. Mark Zuckerberg
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এর জনক হলেন Tim Berners-Lee. 

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) কে সংক্ষেপে WWW বা ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।
- সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত এটি একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এর মাধ্যমে হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা কর যায়।
- টিম বার্নার্স লী WWW- এর জনক নামে পরিচিত।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- এটি হতে পারে প্রচলিত টেক্সট ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১.
কোন স্লটের মাধ্যমে মাদারবোর্ডে গ্রাফিক্স কার্ড ইনস্টল করা হয়?
  1. USB
  2. PCIe
  3. DIMM
  4. SATA
ব্যাখ্যা

• গ্রাফিক্স কার্ড মাদারবোর্ডে ইনস্টল করার জন্য ব্যবহৃত হয় PCIe (Peripheral Component Interconnect Express) স্লট। এটি একটি উচ্চগতির এক্সপ্যানশন স্লট যা বিশেষভাবে গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড বা অন্যান্য এক্সপ্যানশন কার্ড সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে। 
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি। 
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

• গঠন ও উপাদান:
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
  • CPU (Central Processing Unit),
  • RAM (Random Access Memory),
  • Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

৫২.
মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ কী?
  1. সার্কিটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
  2. RAM-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  3. নির্দেশাবলী কার্যকর করা
  4. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ হলো নির্দেশাবলী কার্যকর করা। এটি একটি কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (CPU) যা কম্পিউটারের মস্তিষ্কের মতো কাজ করে। মাইক্রোপ্রসেসর বিভিন্ন ধরনের ইনপুট নেয়, যেমন প্রোগ্রামের কোড বা ব্যবহারকারীর নির্দেশ, এবং এগুলিকে প্রসেস করে আউটপুট তৈরি করে। 

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা CPU-এর গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ কার্য সম্পাদন করে।
- এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) যা প্রোগ্রামের নির্দেশনা ব্যাখ্যা ও সম্পাদন করতে পারে।

• উদ্ভব ও বিকাশ:
- LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৭০-এর দশকে হাজার হাজার যন্ত্রাংশ একত্রে একটি সিলিকন চিপে বসানো সম্ভব হয়।
- বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ছিল Intel 4004, যা ১৯৭১ সালে বাজারে আসে।
- VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৮০-এর দশকে মাইক্রোপ্রসেসরের ঘনত্ব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ২০১০-এর দশকে একটি ছোট চিপেই বিলিয়ন সংখ্যক যন্ত্রাংশ বসানো সম্ভব হয়েছে।

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
- ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
- গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
- কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
- স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৫৩.
IMEI নম্বর দ্বারা—
  1. মোবাইলের ব্যাকআপ নেওয়া হয়
  2. মোবাইলের সনাক্তকরণ
  3. মোবাইলের সফটওয়্যার আপডেট হয়
  4. মোবাইলের ক্যামেরা চিহ্নিত হয়
ব্যাখ্যা

• IMEI (International Mobile Equipment Identity) নম্বর হল একটি অনন্য ১৫-অঙ্কের কোড যা প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য নির্ধারিত হয়। IMEI নম্বর মোবাইল ফোন/ট্যাবলেটের হার্ডওয়্যার আইডেন্টিফায়ার হিসেবে কাজ করে।

IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।
- IMEI হলো একটি ইউনিক (বিশেষ) পরিচয় নম্বর, যা প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসকে দেওয়া হয়।
- এটি একটি মোবাইল ডিভাইসের "ফিঙ্গারপ্রিন্ট" হিসেবে কাজ করে, যার মাধ্যমে ডিভাইসটি মোবাইল নেটওয়ার্কে চিহ্নিত করা যায়।
- IMEI সাধারণত ১৫টি ডিজিটের হয়ে থাকে।
- এটি নেটওয়ার্ক অপারেটরদের ডিভাইস ট্র্যাক করতে সহায়তা করে (যেমন: চুরি হওয়া ফোন ব্লক করা)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫৪.
বিটকয়েন কী ধরনের মুদ্রা?
  1. ক্রিপ্টোকারেন্সি
  2. পণ্যভিত্তিক টাকা
  3. ফিয়াট মানি
  4. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা
ব্যাখ্যা

• বিটকয়েন হলো ক্রিপ্টোকারেন্সি, অর্থাৎ এটি একটি ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল মুদ্রা যা কোন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। 

• ক্রিপ্টোকারেন্সি :
- ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের (যেমন সরকার বা ব্যাংক) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় না।
- প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি ছিল বিটকয়েন, যেটি ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto) নামে পরিচিত একজন বা একদল অজ্ঞাতনামা কম্পিউটার প্রোগ্রামার তৈরি করেন।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫৫.
নিচের কোনটি Operating system নয়? 
  1. Linux
  2. Mac OS
  3. Unix
  4. Sheets
ব্যাখ্যা

• Sheets বা Google Sheets- Operating system নয়, এটি একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার। 

অপারেটিং সিস্টেম: 
- কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 

১। বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System): 
• Linux, 
• Unix, 
• MS-DOS, 
• PC DOS, 
• CP/M ইত্যাদি। 

২। চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Graphics Based Operating Sysatem): 
• Windows 95/98/Xp/2000/7, 
• Mac OS ইত্যাদি। 

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি
২) কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬.
ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. স্ক্যানার
  2. মাইক্রোফোন
  3. টাচস্ক্রিন
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা

• টাচস্ক্রিন ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে থাকে।

ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।

আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।

ইনপুট - আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়। যেমন:
- টাচস্ক্রিন,
- পেনড্রাইভ,
- মডেম,
- প্রিন্টার- স্ক্যানার,
- ডিজিটাল ক্যামেরা,
- সিডি বা ডিভিডি, ইত্যাদি।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭.
সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. Amazon
  2. Apple
  3. Alibaba
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• Amazon হলো সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠান যারা বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা শুরু করে।
- ২০০৬ সালে Amazon Web Services (AWS) নামক সেবা চালু করে, যা ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রথম বড় বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।
- Amazon ক্লাউড কম্পিউটিং এর মাধ্যমে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা স্টোরেজ, কম্পিউটিং ক্ষমতা এবং অন্যান্য সেবা সরবরাহ শুরু করে, যা অন্যান্য অনেক কোম্পানির জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়।

অপশন আলোচনা:
• Microsoft: তাদের ক্লাউড সেবা Azure চালু করেছে পরবর্তীতে (২০১০ সালে)।
• Alibaba: তাদের ক্লাউড সেবা Alibaba Cloud চালু করেছে (২০০৯ সালে)।
• Apple: তাদের iCloud সেবা চালু করেছে (২০১১ সালে), তবে এটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত সেবার শুরু নয়।

তাহলে, Amazon ছিল ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রথম বাণিজ্যিক ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান

৫৮.
MICR প্রধানত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. বারকোড স্ক্যানিং
  2. ক্রেডিট কার্ড এনকোডিং
  3. ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ
  4. পাসপোর্ট মুদ্রণ
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তি প্রধানত ব্যাংকিং খাতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে চেক প্রক্রিয়াকরণের জন্য।

• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৯.
EDGE কোন মোবাইল প্রযুক্তির উন্নত সংস্করণ?
  1. GSM
  2. LTE
  3. CDMA
  4. Wi-Fi
ব্যাখ্যা

• EDGE (Enhanced Data Rates for GSM Evolution) হলো GSM (Global System for Mobile Communications) প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। এটি মূলত 2.5G বা 2G-এর পরবর্তী ধাপে উন্নয়নের প্রতিনিধিত্ব করে। GSM প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে EDGE দ্রুতগতির ডেটা সেবা প্রদান করে, যা ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেইল এবং মাল্টিমিডিয়া পরিষেবার জন্য সহায়ক। 

• EDGE:
- জিপিআরএস এর চাইতে উন্নত মোবাইল ফোন প্রযুক্তি হলো ইডিজিই।
- EDGE এর পুরো অর্থ হলো Enhanced Data rates for GSM Evolution।

• ইডিজিই এর বৈশিষ্ট্য (Features of EDGE):
১. এটি স্ট্যান্ডার্ড GPRS এর চাইতে চারগুণ বেশি ট্রাফিক বহন করতে পারে।
২. থ্রিডি নেটওয়ার্কের জন্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়ন এর চাহিদাগুলো EDGE পূরণ করেছে।
৩. ৯টি মডুলেশন ও কোডিং স্কিম ব্যবহার করে।
৪. বড় আকারের চিপ ভেন্ডরদের দ্বারা GSM এবং WCDMA/HSPA উভয়টির জন্যই বর্তমানে EDGE সমর্থন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০.
‘Big Blue’ উপনামটি কোন বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্কিত?
  1. Microsoft
  2. Intel
  3. IBM
  4. Yahoo
ব্যাখ্যা

• IBM (International Business Machines Corporation)-কে প্রায়ই “Big Blue” নামে ডাকা হয়। এর কারণ হলো— IBM-এর কর্পোরেট লোগো এবং অফিসিয়াল ড্রেস কোডে নীল রঙের আধিক্য এবং কোম্পানির বিশালতা ও প্রযুক্তিগত প্রভাব।

​আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৬১.
স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয় করতে কোন প্ল্যাটফর্মটি বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. Arduino
  2. Adobe Photoshop
  3. Excel
  4. iMovie
ব্যাখ্যা

• স্মার্ট হোম ডিভাইস অটোমেশন বলতে বোঝায় ঘরের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন লাইট, ফ্যান, এসি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার প্রক্রিয়া। এই কাজের জন্য সাধারণত যে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহৃত হয়, তা হলো Arduino. এটি একটি ওপেন-সোর্স ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম, যা সেন্সর, রিলে, এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত হয়ে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করে। 

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৬২.
কোন নেটওয়ার্ক টপোলজিতে "হাব" কেন্দ্রীয় সংযোগের কাজ করে?
  1. রিং টপোলজি
  2. মেশ টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• হাব কেন্দ্রীয় সংযোগের কাজ করে এমন নেটওয়ার্ক টপোলজি হলো স্টার টপোলজি। স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস যেমন হাব বা সুইচ থাকে, যার সঙ্গে সমস্ত কম্পিউটার বা নোড সরাসরি সংযুক্ত থাকে। 

হাব: 
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা। 
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। 
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে। 
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়। 

- কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। 
যথা- 
১। সক্রিয় হাব (Active HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে, আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে। 
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে। 

২। নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে। 
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র। এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।