পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়28 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪ বাংলা ব্যাকরণ - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৮০ নম্বর]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
‘এক হাত দেখা’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ কী?
  1. ক) প্রতিশোধ নেওয়া
  2. খ) অসাধারণ কর্মকুশল
  3. গ) প্রার্থিত ফল পাওয়া
  4. ঘ) সীমাবদ্ধ জ্ঞান
সঠিক উত্তর:
ক) প্রতিশোধ নেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রতিশোধ নেওয়া
ব্যাখ্যা
• ‘এক হাত দেখা’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - প্রতিশোধ নেওয়া

অন্যদিকে,
• ‘একাই এক শ’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অসাধারণ কর্মকুশল।
• ‘ওষুধ ধরা’  বাগ্‌ধারাটির অর্থ - প্রার্থিত ফল পাওয়া।
• ‘কূপমণ্ডূক’  বাগ্‌ধারাটির অর্থ - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড.হায়াৎ মামুদ ও ড.মোহাম্মদ আমীন।
.
‘ইলা’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) অবনী
  2. খ) ইন্দু
  3. গ) রিষ
  4. ঘ) ইষ্ট
সঠিক উত্তর:
ক) অবনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অবনী
ব্যাখ্যা
‘ইলা’ শব্দের সমার্থক শব্দ হচ্ছে- অবনী

• ইলা/পৃথিবীর অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো: ধরণি, ধরিত্রী, ধরা, বসুন্ধরা , দুনিয়া, ভূজগৎ, বিশ্ব।

অন্যদিকে,
‘চাঁদ’ এর সমার্থক শব্দ - ইন্দু।
‘আত্মীয়’ শব্দের সমার্থক শব্দ - ইষ্ট।
‘ঈর্ষা’ শব্দের সমার্থক শব্দ - রিষ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
কোনটি ঘোষ ব্যাঞ্জন ধ্বনি?
  1. ক) থ
  2. খ) ড
  3. গ) ত
  4. ঘ) চ
সঠিক উত্তর:
খ) ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ড
ব্যাখ্যা
• ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে স্বরযন্ত্রের ধ্বনিদ্বারে বায়ুর কম্পন কমবেশি হওয়ার ভিত্তিতে ব্যঞ্জনধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: ঘােষ ও অঘোষ।

১. ঘােষ ব্যঞ্জন  ধ্বনি:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘােষধ্বনি।
যথা: ব, ভ, ম, দ, ধ, ন, র, ল, ড, ঢ, ড়, ঢ়, জ, ঝ, গ, ঘ, ঙ, হ ।

২. অঘোষ ব্যঞ্জন ধ্বনি:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় অঘােষধ্বনি।
যথা: প, ফ, ত, থ, স, ট, ঠ, চ, ছ, শ, ক, খ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২সংস্করণ)।
.
যত গর্জে তত বর্ষে না।- বাক্যে ‘যত’ ও ‘তত’ কোন পদ নির্দেশ করে?
  1. ক) সর্বনাম
  2. খ) আবেগ
  3. গ) অনুসর্গ
  4. ঘ) যোজক
সঠিক উত্তর:
ঘ) যোজক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যোজক
ব্যাখ্যা
যত গর্জে তত বর্ষে না।- বাক্যে ব্যবহৃত ‘যত’ ও ‘তত’ শব্দগুলো যোজক পদ হিসেবে বাক্য ও পদ যুক্ত করেছে।

যোজক:
যোজক একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের কিংবা বাক্যের অন্তর্গত একটি পদের সঙ্গে অন্য পদের সংযোজন বিয়োজন অথবা সংকোচন ঘটায়।
যেমন:
- এতোগুলো বই আর এতোগুলো খাতা ওই ব্যাগে ধরবে?
- ফুলদানিটা ভালো করে ধরো নইলে পড়ে যাবে।  
- যত গর্জে তত বর্ষে না।
- যদি রোদ ওঠে তবে রওনা দেব।
- তুমি অপরাধী অতএব শাস্তি পেতে হবে।

• যোজকের কাজ একাধিক শব্দ, পদবন্ধু, বাক্যকল্প কিংবা বাক্যকে জুড়ে দেওয়া বা সম্পর্কিত করা। এক্ষেত্রে আর, এবং, নইলে, যেহেতু, অতএব, যদি, যত, তত, অথচ, তবে, তাই, নতুবা, কিন্তু ইত্যাদি যোজক শব্দ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
নিচের কোনটিতে অপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) কৃপণতা
  2. খ) দরিদ্রতা
  3. গ) অলস্যতা
  4. ঘ) উৎকৃষ্টতা
সঠিক উত্তর:
গ) অলস্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অলস্যতা
ব্যাখ্যা
• ‘তা’ এবং ‘ত্ব’ হলো বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। যা কেবল বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য করে। তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবারো ‘তা’ বা ‘ত্ব’ যুক্ত করলে তা ভুল হবে। যেমন- অলস্য ‍বিশেষ্য শব্দ এর সাথে আবারও তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অলস্যতা হলে শব্দটি অশুদ্ধ হয়। 

অশুদ্ধ শব্দের শদ্ধরূপ দেয়া হলো:
• অশুদ্ধ - অলস্যতা
• শুদ্ধ -অলসতা 
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় - অলস+তা
অর্থ: কুঁড়েমি, জড়তা, শ্রমবিমুখতা।
--------------------

• শুদ্ধ- কৃপণতা
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয়- কৃপণ+তা
অর্থ: ব্যয়কুন্ঠতা, অনুদারতা, কঞ্জুসি।

• শুদ্ধ - দরিদ্রতা
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় - দরিদ্র+তা
অর্থ: দারিদ্রর‌্য।

• শুদ্ধ - উৎকৃষ্টতা
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় - উৎ+√কৃষ্+তা
অর্থ: উওম, শ্রেষ্ঠ, উন্নত ।

উৎস:  ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও আধুনিক বাংলা একাডেমির অভিধান।
.
নিচের কোনটি যৌগিক শব্দ?
  1. ক) কর্তব্য
  2. খ) প্রবীণ
  3. গ) চাঁদ
  4. ঘ) সন্দেশ
সঠিক উত্তর:
ক) কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কর্তব্য
ব্যাখ্যা
• যৌগিক শব্দ:
যেসব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থ অনুযায়ী হয়ে থাকে, তাকে বলা হয় যৌগিক শব্দ।
অন্যভাবে বলা যায়, যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ এক, সেসব শব্দকে বলা হয় যৌগিক শব্দ। যেমন:
- কৃ + তব্য = কর্তব্য, অর্থ- যা করা উচিত
- বাবু + আনা = বাবুয়ানা, অর্থ- যিনি বাবুর ভাব নিয়ে চলেন।
- পিতা + হীন = পিতৃহীন, অর্থ- যার পিতা নেই।

• রূঢ়ি শব্দ : 
যেসব শব্দ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ না বুঝিয়ে অন্য অর্থ প্রকাশ করে তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন - গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ গরু খোজা এটি প্রকৃত অর্থকে না বুঝিয়ে অন্য অর্থ বুঝাচ্ছে, তাই এটি রুঢ়ি শব্দ।
- আরো কিছু রূঢ়ি শব্দ:
হস্তী, বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ।

• তদ্ভব শব্দ :
তদ্ভব একটি পারিভাষিক শব্দ। এই ‘তদ্ভব’ পরিভাষার ‘তৎ’ = তার, এবং ভাব (‘ভব’) = উৎপন্ন অর্থ
বুঝায়। এখানেও ‘তার’ বলতে ‘সংস্কৃত’কে নির্দেশ করছে। অর্থাৎ যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক
বিবর্তনের ধারায় প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, তাদেরকে বলা হয় তদ্ভব শব্দ।
উদাহরণ: চাঁদ, হাত, মাছ, দুধ, পা, নাক, কান প্রভৃতি

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
.
‘কাজের লাভ থেকে কাজের খরচ পুষিয়ে নেয়া’ অর্থে কোন প্রবাদটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) নিজের ঢাক নিজে পেটানো
  2. খ) মাছের তেলে মাছ ভাজা
  3. গ) নিজের কোলে ঝোল টানা
  4. ঘ) নিজের চরকায় তেল দেয়া
সঠিক উত্তর:
খ) মাছের তেলে মাছ ভাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাছের তেলে মাছ ভাজা
ব্যাখ্যা
‘কাজের লাভ থেকে কাজের খরচ পুষিয়ে নেয়া’ অর্থে ব্যবহৃত প্রবাদটি হচ্ছে- 
মাছের তেলে মাছ ভাজা - কাজের লাভ থেকে কাজের খরচ পুষিয়ে নেয়া।

অন্যান্য প্রবাদ-প্রবাচনের অর্থ:
নিজের চরকায় তেল দেয়া - নিজের কাজে মনোযোগী হওয়া।
নিজের ঢাক নিজে পেটানো - নিজেই নিজের গুণগান করা। 
নিজের কোলে ঝোল টানা - স্বার্থসিদ্ধির ব্যবস্থা।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
লেখাটা ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে।- এ বাক্যে ‘ভালোভোবে’ কী ধরণের ক্রিয়াবিশেষণ?
  1. ক) ধরণবাচক
  2. খ) কালবাচক
  3. গ) স্থানবাচক
  4. ঘ) নেতিবাচক
সঠিক উত্তর:
ক) ধরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধরণবাচক
ব্যাখ্যা
• যে ক্রিয়াবিশেষণ দ্বারা কোন কাজ কীভাবে বা কেমন করে সংঘটিত হচ্ছে বুঝায় তাকে ধরনবাচক বা ভাবজ্ঞাপক ক্রিয়াবিশেষণ বলে।
য়েমন :
টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়ছে।
লেখাটা ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
অর্পনা দ্রুত লিখতে পারে।

কালবাচক: যে সকল ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে তাদেরকে কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ বলে।
যেমন:
আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি।

স্থানবাচক: ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
যেমন:
মিলেমিশে সামনে এগিয়ে যায়।

নেতিবাচক: যে সকল ক্রিয়াবিশেষণ না, নি, নেই ইত্যাদি দিয়ে ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা বোঝায় তাকে নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ বলে। এগুলো সাধারণত ক্রিয়ার পেছনে বসে।
যেমন:
সে এখন যাবে না

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
বাল্মীক শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) আদিকবি
  2. খ) উইয়ের ঢিবি
  3. গ) পিঁপড়ার বাসা
  4. ঘ) মাকড়সার জাল
সঠিক উত্তর:
খ) উইয়ের ঢিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উইয়ের ঢিবি
ব্যাখ্যা
• বাল্মীক [বাল্‌মিক্‌]
- তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় = [বল্মীক+অ(অণ্‌)]
- (বিশেষ্য) উইয়ের ঢিবি।

• বাল্মীকি [বাল্‌মিকি]
- তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় = [বল্মীক+অ(অণ্‌)+ই(ইঞ্‌)]
- (বিশেষ্য) সংস্কৃত রামায়ণ রচয়িতা কবি ও মুনি; আদিকবি।

উৎস: অভিগম্য অভিধান।
১০.
‘বচনে কুশল’ এক কথায়-
  1. ক) বাগ্মী
  2. খ) বাচাল
  3. গ) বচসা
  4. ঘ) বক্ষ্যমাণ
সঠিক উত্তর:
ক) বাগ্মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাগ্মী
ব্যাখ্যা
• ‘বচনে কুশল’ এক কথায় - বাগ্মী

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ:
বাক্যের দ্বারা কৃতকলহ - বচসা
বেশি কথা বলে যে - বাচাল
বলা হতে যাচ্ছে বা হবে - বক্ষ্যমাণ

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১১.
নিচের কোন বিপরীতার্থক শব্দ যুগলটি সঠিক নয়?
  1. ক) হাল - বেহাল
  2. খ) উক্ত - অনুক্ত
  3. গ) কড়ি - কোমল
  4. ঘ) কর্মকর্তা -কর্মচারী
সঠিক উত্তর:
ক) হাল - বেহাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাল - বেহাল
ব্যাখ্যা
•হাল-বেহাল অশুদ্ধ।
- হাল এর বিপরীত শব্দ - সাবেক

গুরত্বপূর্ণ বিপরীতশব্দ সমূহ: 
• আঁটি - শাঁস
• ক্ষীণ - পুষ্ট
• কথিত - অকথিত
• কলঙ্ক - সুনাম
• কৃশ - স্থুল

 উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১২.
বিসর্গসন্ধির উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) পরিচ্ছেদ
  2. খ) মনোযোগ
  3. গ) তিরোধান
  4. ঘ) পুনর্মিলন
সঠিক উত্তর:
ক) পরিচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পরিচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• বিসর্গসন্ধিতে বিসর্গের কয়েক ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্যকরা যায়:
১. বিসর্গ বিদ্যমান থাকে: মনঃ + কষ্ট = মনঃকষ্ট; অধঃ + পতন = অধঃপতন।
২. বিসর্গ 'ও' হয়ে যায়: মনঃ + যোগ = মনোযোগ; তিরঃ + ধান = তিরোধান।
৩. বিসর্গ 'র' হয়ে যায়: নিঃ + আকার = নিরাকার; পুনঃ + মিলন = পুনর্মিলন।

অন্যদিকে, 
পরি + ছেদ = পরিচ্ছেদ; ব্যঞ্জনসন্ধি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
‘উগ্র’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) তুঙ্গ
  2. খ) বিনাশ
  3. গ) কোপন
  4. ঘ) উত্তুঙ্গ
সঠিক উত্তর:
গ) কোপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কোপন
ব্যাখ্যা
• ‘উগ্র’ শব্দের সমার্থক শব্দ - কোপন

‘উগ্র’ শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো: প্রচণ্ড, তীব্র, প্রখর, উৎকট, কঠোর, রুক্ষ, রূঢ়, চণ্ড, উচ্চণ্ড, গোঁয়ার , জেদি।

অন্যদিকে,
• ‘উঁচু’ শব্দের সমার্থক শব্দ: উচ্চ, উত্তুঙ্গ, তুঙ্গ, সমুচ্চ, অত্যুচ্চ, সমুন্নত, সমুচ্চ, প্রোন্নত, আকাশ-ছোঁয়া, গগনচুম্বী, গগনস্পর্শী, আকাশচুম্বী, অভ্রভেদী।
• ‘উচ্ছেদ’ শব্দের সমার্থক শব্দ: বিনাশ, উৎপাটন, উৎখাত, উচ্ছেদন, নির্মূল, মূলোৎপাটন, সমুৎপাটন, সমুৎসাদন, সমুচ্ছেদ, উৎসাদন, স্থানচ্যুতি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১৪.
তালু স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন কোন গুলো?
  1. ক) ক, খ, গ, ঘ
  2. খ) ত, থ, দ, ধ
  3. গ) ট, ঠ, ড, ঢ
  4. ঘ) চ, ছ, জ, ঝ
সঠিক উত্তর:
ঘ) চ, ছ, জ, ঝ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চ, ছ, জ, ঝ
ব্যাখ্যা
• স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে দুটি বাপ্রত্যঙ্গ পরস্পরের সংস্পর্শে এসে বায়ুপথে বাধা তৈরি করে, সেগুলোকে স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন বলে। এগুলো স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনি নামেও পরিচিত। পথ, তল, টক, চর, কল শব্দের প, ত, ট, চ, ক স্পৃষ্ট ব্যঞ্জনধ্বনি।

- উচ্চারণস্থান অনুযায়ী এগুলোকে এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়, যথা :
• ওষ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: প, ফ, ব, ভ।
• দন্ত স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ত, থ, দ, ধ।
• মূর্ধা স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ট, ঠ, ড, ঢ।
• তালু স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: চ, ছ, জ, ঝ।
• কণ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ক, খ, গ, ঘ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২সংস্করণ)।
১৫.
‘অপকর্ম’ শব্দটি কোন উপসর্গ যোগে গঠিত?
  1. ক) খাঁটি বাংলা
  2. খ) তৎসম
  3. গ) বিদেশি
  4. ঘ) তদ্ভব
সঠিক উত্তর:
খ) তৎসম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তৎসম
ব্যাখ্যা
• তৎসম উপসর্গ ‘অপ’ যোগে নিকৃষ্ট অর্থে - অপকর্ম শব্দটি গঠিত।

সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ: বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০ টি।
- যথা:  প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

- [বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]
- বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের মধ্যে পার্থক্য এই যে, যে শব্দটির সঙ্গে উপসর্গ যুক্ত হয় সেই শব্দটি বাংলা হলে উপসর্গটি বাংলা আর সেই শব্দটি তৎসম হলে উপসর্গটিও তৎসম হয়। 

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬.
‘আমল’ কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) ফারসি
  2. খ) আরবি
  3. গ) ফরাসি
  4. ঘ) তুর্কি
সঠিক উত্তর:
খ) আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আরবি
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে -
• আমল - আরবি শব্দ
এর অর্থ - কাল, সময়, যুগ।

আবার, বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (১ম খণ্ড) অনুসারে -
আমল - ফারসি শব্দ

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অধিক গ্রহণযোগ্য হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে খ) আরবি নেয়া হয়েছে।
১৭.
“সাপের পাঁচ পা দেখা” প্রবাদটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) অবিশ্বাস্য ব্যাপার
  2. খ) অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তি
  3. গ) অসম্ভব ব্যাপার
  4. ঘ) অহঙ্কারে অসম্ভবকে সম্ভব মনে করা
সঠিক উত্তর:
ঘ) অহঙ্কারে অসম্ভবকে সম্ভব মনে করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অহঙ্কারে অসম্ভবকে সম্ভব মনে করা
ব্যাখ্যা
“সাপের পাঁচ পা দেখা” প্রবাদটির অর্থ - অহঙ্কারে অসম্ভবকে সম্ভব মনে করা।

অপশনে প্রদত্ত অন্যান্য প্রবাদ-প্রবচন অর্থ হচ্ছে:
“ব্যাঙের আবার সর্দি”  অর্থ - অবিশ্বাস্য ব্যাপার।
“মেঘ না চাইতে জল”  অর্থ - অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তি।
“ভূতের মুখে রাম নাম” প্রবাদটির অর্থ - অসম্ভব ব্যাপার।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৮.
নিচের কোনটি অশুদ্ধ?
  1. ক) উম্মেথিত
  2. খ) উপকর্তা
  3. গ) আগমশুল্ক
  4. ঘ) ইদ্দত
সঠিক উত্তর:
ক) উম্মেথিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উম্মেথিত
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ - উম্মেথিত
• শুদ্ধবানান = উন্মথিত
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় = উদ্+√মন্থ+ত্
অর্থ: আলোড়িত, উদ্বেলিত ইত্যাদি।

• উপকর্তা, ইদ্দত, আগমশুল্ক শব্দ গুলো শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৯.
নিচের কোনটি প্রগত সমীভবনের উদাহরণ?
  1. ক) তুলা > তুলো
  2. খ) বিশ্রী > বিচ্ছিরি
  3. গ) স্বর্ণ > সন্ন
  4. ঘ) ধর্ম > ধম্ম
সঠিক উত্তর:
গ) স্বর্ণ > সন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্বর্ণ > সন্ন
ব্যাখ্যা
সমীভবন:
শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প- বিস্তর সমতা লাভ করলে, তাকে বলা হয় সমীভবন। যেমন-
- জন্ম >জম্ম
- কাঁদনা > কান্না ইত্যাদি। সমীভবন তিন রীতিতে হয়, যথা-

প্রগত সমীভবন :
পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ পরবর্তী ধ্বনি পূর্ববর্তী ধ্বনির মতো হয়, একে বলে প্রগত সমীভবন। যেমন-
পক্ক > পক্ক
চন্দন > চন্নন
গলদা > গল্লা
পদ্ম >পদ্দ
লগ্ন >লগ্‌গ
চক্র> চর
রাজ্য > রাজ্জ
স্বর্ণ >সন্ন ইত্যাদি।

পরাগত সমীভবন:
পরবর্তী ধ্বনির প্রভাবে পূর্ববর্তী ধ্বনির পরিবর্তন হলে তাকে পরাগত সমীভবন বলে। যেমন-
কাদনা > কান্না
কর্ম >কৰ্ম্ম
কর্তা > কত্তা
ধর্ম > ধৰ্ম্ম
করতাল > কত্তাল

অন্যোন্য সমীভবন:
সমীভবন যখন পরস্পরের প্রভাবে দুটো ধ্বনিই পরিবর্তিত হয় তখন তাকে বলে অন্যোন্য সমীভবন, যেমন-
বৎসর > বচ্ছর
মহোৎসব >মোচ্ছব
চিকিৎসা > চিকিচ্ছা
বিশ্রি >বিচ্ছিরি

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
নিচের কোনটি উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) কাজলকালো
  2. খ) মনমাঝি
  3. গ) চন্দ্রমুখ
  4. ঘ) সিংহপুরুষ
সঠিক উত্তর:
ক) কাজলকালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাজলকালো
ব্যাখ্যা
কর্মধারয় সমাস:
- যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন- গোলাপ নামের ফুল = গোলাপফুল, যা কাঁচা তাই মিঠা = কাঁচা-মিঠা ইত্যাদি।

ক. কিছু কর্মধারয় সমাসের সমস্যমান পদে ‘যে' যোজক থাকে।
যেমন-
- খাস যে জমি = খাসজমি
- চিত যে সাঁতার = চিতসাঁতার
- কনক যে চাঁপা = কনকচাঁপা
- টাক যে মাথা = টাকমাথা
- ভাজা যে বেগুন = বেগুনভাজা
- সিদ্ধ যে আলু = আলুসিদ্ধ
- যে চালাক সে চতুর = চালাকচতুর
- যে শান্ত সে শিষ্ট = শান্তশিষ্ট।

খ. কিছু কর্মধারয় সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক শব্দ হয়, সেগুলোকে দ্বিগু কর্মধারয় বলে।
যেমন-
তিন ফলের সমাহার = ত্রিফলা
চার রাস্তার মিলন = চৌরাস্তা।

গ. কিছু কর্মধারয় সমাসে সমস্যমান পদের মধ্যবর্তী এক বা একাধিক পদ লোপ পায়। এগুলো মধ্যপদলোপী কর্মধারয় নামে পরিচিত।
যেমন-
- ঘি মাখানো ভাত = ঘিভাত
- হাতে পরা হয় যে ঘড়ি = হাতঘড়ি
- ঘরে আশ্রিত জামাই = ঘরজামাই
- বিজয় নির্দেশক পতাকা = বিজয়-পতাকা।

ঘ. যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়। এগুলোকে উপমান কর্মধারয় বলে।
যেমন-
- কাজলের মতো কালো = কাজলকালো
- শশের মতো ব্যস্ত = শশব্যস্ত
- এই সমাসে পরপদ সাধারণত বিশেষণ হয়।

ঙ. যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমেয়। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয়। এগুলোকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন-
পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ
আঁখি পদ্মের ন্যায় = পদ্মআঁখি
মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ। 
- এই সমাসে উভয় পদই বিশেষ্য হয়।

চ. কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয়। এগুলোকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। 
যেমন- 
বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু 
মন রূপ মাঝি = মনমাঝি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২১.
কোনটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) মামাবাড়ি
  2. খ) গ্রামছাড়া
  3. গ) গাছপাকা
  4. ঘ) তেলেভাজা
সঠিক উত্তর:
ঘ) তেলেভাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তেলেভাজা
ব্যাখ্যা
তৎপুরুষ সমাস:
- সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। 
- এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।

ক. বিভক্তি লোপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ:
- দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত
- ছেলেকে ভুলানো = ছেলে-ভুলানো
- মামার বাড়ি = মামাবাড়ি
- ধানের খেত = ধানখেত
- পথের রাজা = রাজপথ
- গোলায় ভরা = গোলাভরা
- গাছে পাকা = গাছপাকা
- অকালে মৃত্যু = অকালমৃত্যু।

খ. সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ:
- মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা
- চিনি দিয়ে পাতা = চিনিপাতা
- রান্নার জন্য ঘর = রান্নাঘর
- বিয়ের জন্য পাগলা = বিয়েপাগলা
- গ্রাম থেকে ছাড়া = গ্রামছাড়া
- আগা থেকে গোড়া = আগাগোড়া। 

গ. কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিভক্তি লোপ পায় না, এসব তৎপুরুষ সমাসকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।  
যেমন-
- গরুর গাড়ি = গরুরগাড়ি
- তেলে ভাজা = তেলেভাজা

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২২.
'Vibration' শব্দের বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. ক) বাতায়িত
  2. খ) স্পন্দন
  3. গ) ভবঘুরে
  4. ঘ) বায়ুচলন
সঠিক উত্তর:
খ) স্পন্দন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্পন্দন
ব্যাখ্যা
'Vibration' শব্দের বাংলা পরিভাষা- স্পন্দন
Ventilated শব্দের বাংলা পরিভাষা- বাতায়িত।
Ventilation শব্দের বাংলা পরিভাষা- বায়ুচলন।
Vagrant  শব্দের বাংলা পরিভাষা- ভবঘুরে।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
Whirling/ Rotation শব্দের বাংলা পরিভাষা- ঘূর্ণায়মান।
Valuation শব্দের বাংলা পরিভাষা- মাননির্ণয়/ মূল্যনির্ধারণ। 
Variable শব্দের বাংলা পরিভাষা- অসম/ চল/ পরিবর্তনীয়। 
Venation শব্দের বাংলা পরিভাষা- শিরাবিন্যাস। 
Verification শব্দের বাংলা পরিভাষা- প্রতিপাদন। 


উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা। 
২৩.
অন্ধকার হয়ে এসেছে-বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল।- বাক্যটি একটি-
  1. ক) সরল বাক্য
  2. খ) জটিল বাক্য
  3. গ) যৌগিক বাক্য
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) যৌগিক বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা
বাক্যটি একটি যৌগিক বাক্য

যৌগিক বাক্য:
দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কমা (,), সেমিকোলন (i), কোলন (:), ড্যাশ (-) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে । যেমন-
- সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল।
- অন্ধকার হয়ে এসেছে – বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
'চাঁদ' শব্দের প্রতিশব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) ইন্দু
  2. খ) কবরী
  3. গ) শশী
  4. ঘ) মৃগাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
খ) কবরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কবরী
ব্যাখ্যা
- 'চাঁদ' শব্দের প্রতিশব্দ নয়- কবরী। 

চাঁদ শব্দের সমার্থক শব্দ
:
- শশী
- বিধু
- সোম
- চন্দ্র
- শশধর
- শশাঙ্ক
- নিশাকর
- সুধাংশু
- সুধাকর
- ইন্দু
- সিতাংশু
- হিমাংশু
- মৃগাঙ্ক ইত্যাদি।  

চুল শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কেশ
- অলক
- চিকুর
- কুন্তল
- কবরী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৫.
নিচের কোনটি অনুসর্গের উদাহরণ?
  1. ক) জোরে, আস্তে
  2. খ) আপন, তুমি
  3. গ) পাশে, পিছনে
  4. ঘ) বলে, কয়ে
সঠিক উত্তর:
গ) পাশে, পিছনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাশে, পিছনে
ব্যাখ্যা
অনুসর্গ
- যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে। 
যেমন-
• সে কাজ ছাড়া কিছুই বোঝে না। – এই বাক্যে ‘ছাড়া' একটি অনুসর্গ। 
• কোন পর্যন্ত পড়েছ? – এই বাক্যে ‘পর্যন্ত' একটি অনুসর্গ।

কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ:
- অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, থেকে, দরুন, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতীত, ভিতরে, মতো, মধ্যে, মাঝে, লেগে, সঙ্গে, সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৬.
কোনটি 'ইনী' প্রত্যয়যোগে স্ত্রীবাচক শব্দ নয়?
  1. ক) মায়াবিনী
  2. খ) গৃহিণী
  3. গ) সুকেশিনী
  4. ঘ) তরুনী
সঠিক উত্তর:
ঘ) তরুনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তরুনী
ব্যাখ্যা
তরুনী - ইনী প্রত্যয় যোগে স্ত্রীবাচক শব্দ নয়।

- এটি ঈ- প্রত্যয়যোগে স্ত্রীবাচক শব্দ।
তরুণ - তরুণী
হরিণ - হরিনী
নর্তক - নর্তকী

ইনী-প্রত্যয়যোগে স্ত্রীবাচক শব্দ:

মায়াবী - মায়াবিনী
সুকেশ - সুকেশিনী
গৃহী - গৃহিণী

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
২৭.
প্রকৃত প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে সঠিক কোনটি?
  1. ক) √দৃশ্ + নীয়
  2. খ) √নন্দ + অন
  3. গ) দিন + ইক
  4. ঘ) দিপ + অট
সঠিক উত্তর:
গ) দিন + ইক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দিন + ইক
ব্যাখ্যা
- 'দৈনিক' শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয়: দিন+ইক
- 'দৈনিক' শব্দটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ। 

অন্যদিকে,
- 'নন্দন' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয়: √নন্দি+অন। 
- 'দর্শনীয়' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়: √দৃশ্ + অনীয়।
- 'দাপট' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় = দাপ + অট। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি। 
২৮.
‘যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত’- তাকে এক কথায় কী বলে?
  1. ক) সুস্মিতা
  2. খ) অনসূয়া
  3. গ) শুচিস্মিতা
  4. ঘ) সুহাসিনী
সঠিক উত্তর:
গ) শুচিস্মিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শুচিস্মিতা
ব্যাখ্যা
‘যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত’= শুচিস্মিতা।

এছাড়া,
- যে নারীর হাসি সুন্দর = সুস্মিতা/সুহাসিনী।
- নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই = অনসূয়া।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- যে নারী সুন্দরী = রামা
- যে নারী সাগরে বিচরন করে = সাগরিকা
- যে নারীর বিয়ে হয় না = অনূঢ়া
- যে নারীর সন্তান বাঁচে না = মৃতবৎসা

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
২৯.
‘নিবৃত্ত’ শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. ক) সমাপ্ত
  2. খ) একান্ত
  3. গ) গুপ্ত
  4. ঘ) নিরিবিলি
সঠিক উত্তর:
ক) সমাপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সমাপ্ত
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমির আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে
• নিবৃত্ত ( বিশেষণ)
-সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় = [নি+√বৃৎ+ত]
অর্থ: বিরত, ক্ষান্ত, সমাপ্ত, প্রত্যাবৃত্ত।

• নিভৃত (বিশেষণ)
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় = [নি+√ভৃ+ত]
অর্থ: একান্ত, অপ্রকাশিত, গুপ্ত, নিরিবিলি, নির্জন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩০.
`জলের আল্পনা’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ কী?
  1. ক) ব্যর্থ হওয়া
  2. খ) অসম্ভব ঘটনা
  3. গ) ক্ষণস্থায়ী বস্তু
  4. ঘ) সামান্য সম্পদ
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষণস্থায়ী বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষণস্থায়ী বস্তু
ব্যাখ্যা
• `জলের আল্পনা’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - ক্ষণস্থায়ী বস্তু।

তাছাড়া,
• ‘জাল খাটানো’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - ব্যর্থ হওয়া।
• ‘ব্যাঙের সর্দি’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অসম্ভব ঘটনা।
• ‘ব্যাঙের আধুলি’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - সামান্য সম্পদ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।