পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২ পার্ট-১) বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ শব্দপ্রকরণ (লিঙ্গ/পুরুষবাচক-স্ত্রীবাচক শব্দ; সংখ্যাবাচক শব্দ; দ্বিরুক্ত বাচক শব্দ/শব্দ দ্বিত্ব; বচন; পদাশ্রিত নির্দেশক, শব্দের শ্রেণিবিভাগ; শব্দের উৎসমূল; ধাতু, প্রকৃতি - প্রত্যয়; ক্রিয়ার কাল ও এর প্রয়োগ) পার্ট-২) ১) কম্পিউটার পেরিফেরালস: কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর ইত্যাদি। ২) কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, এএলইউ ইত্যাদি। ৩) কম্পিউটারের পারঙ্গমতা। ৪) দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৫) কম্পিউটারের নম্বর ব্যবস্থা। পার্ট–১ সোর্স: উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
'মানুষ মরণশীল' বাক্যে 'মানুষ' শব্দটি -
  1. পুংলিঙ্গ
  2. স্ত্রীলিঙ্গ
  3. ক্লীবলিঙ্গ
  4. উভয়লিঙ্গ
ব্যাখ্যা
• 'মানুষ মরণশীল' বাক্যে 'মানুষ' শব্দটি - উভয়লিঙ্গ। 

উভয়লিঙ্গ:
যে শব্দ দ্বারা পুরুষ ও স্ত্রী উভয় বোঝায়, তা উভয়লিঙ্গ। 
যেমন - মানুষ ,জন, সন্তান, পাখি, শিশু, মন্ত্রী, শিক্ষিত, কবি ইত্যাদি। 

• 'মানুষ' শব্দটি দ্বারা পুরুষ ও স্ত্রী উভয় বোঝায়। তাই 'মানুষ' শব্দটি উভয়লিঙ্গ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ 'দুই' এর প্রতিশব্দ নয় কোনটি?
  1. দি
  2. দ্বি
  3. দু
  4. দো
ব্যাখ্যা
• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ 'দুই' এর প্রতিশব্দ নয় - দি

সংখ্যাবাচক শব্দ:
- যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বা সংখ্যাশব্দ বলে।
- দূরত্ব, দৈর্ঘ্য, আয়তন, খণ্ড, তাপমাত্রা ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে সংখ্যাশব্দের ব্যাপক ব্যবহার হয়।
- সংখ্যাশব্দ দুই রকমের: ক্রমবাচক ও পূরণবাচক।
• ক্রমবাচক: এক, দুই, তিন।
• পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়।

ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।
যেমন – ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট), ৯ (নয়), ১০ (দশ), ১১ (এগারো), ১২ (বারো), ১৩ (তেরো), ১৪ (চৌদ্দ), ১৫ (পনেরো), ১৬ (ষোলো), ১৭ (সতেরো), ১৮ (আঠারো), ১৯ (উনিশ), ২০ (বিশ) ইত্যাদি।
- ক্রমবাচক সংখ্যাবর্ণের সুবিধা হলো এতে ১ থেকে ৯ এবং ০ দিয়ে অসীম সংখ্যার পূর্ব পর্যন্ত ক্রম তৈরি করা যায়।
- ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দের এক বা একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে। এগুলো কখনো স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়, কখনো সমাসবদ্ধ শব্দের পূর্বপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
→ 'দুই' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ ‘দ্বি’, 'দু', এবং 'দো'।
→ 'তিন' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ 'ত্রি' এবং ‘তে’।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'গরু' এর সাথে কোন বহুবচন প্রত্যয় যুক্ত হবে?
  1. আবলি
  2. দাম
  3. পাল
  4. যূথ
ব্যাখ্যা
• 'গরু' এর সাথে 'পাল' বহুবচন প্রত্যয় যুক্ত হবে।

বচন:
- বচন হলাে সংখ্যার ধারণা।
- বচনের মাধ্যমে গণনাবাচক বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের সংখ্যা নির্দেশিত হয়।
- বাংলা ভাষায় বচন দুই প্রকার: একবচন ও বহুবচন।
- সাধারণত কিছু শব্দাংশ বা লগ্নক একবচন শব্দের পরে যুক্ত হয়ে বহুবচন শব্দ তৈরি করে।

• 'পাল' ও 'যূথ' শব্দ দুটি কেবল জন্তুর বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
- রাখাল গরুর পাল লয়ে যায় মাঠে
- হস্তিযূথ মাঠের ফসল নষ্ট করছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
.
সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. গাছ
  2. চলন্ত
  3. পাখি
  4. ফুল
ব্যাখ্যা
• সাধিত শব্দ - চলন্ত

• গঠন বিবেচনায় বাংলা শব্দকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. মৌলিক শব্দ ও
২. সাধিত শব্দ।

মৌলিক শব্দ:
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনো অংশ থাকে না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন - গাছ, পাখি, ফুল, হাত, গোলাপ ইত্যাদি।

সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলােকে সাধিত শব্দ বলে।
- উপসর্গ বা প্রত্যয় যােগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন - পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ সদস্য, নীলাকাশ, ডুবুরি, চলন্ত ইত্যাদি।

- শব্দের দ্বিত্ব করেও সাধিত শব্দ হয়ে থাকে।
যেমন - ফিসফিস, ধুমাধুম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কী বলে?
  1. কৃৎ-প্রত্যয়
  2. তদ্ধিত প্রত্যয়
  3. কৃদন্ত শব্দ
  4. তদ্ধিতান্ত শব্দ
ব্যাখ্যা
• শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

প্রত্যয়:
- শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
- প্রত্যয়ের নিজস্ব কোনো অর্থ নেই।
- তবে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পরে অনেক সময়ে শব্দের অর্থ ও শ্রেণিপরিচয় বদলে যায়। 
যেমন -
→ বাঘ + আ = বাঘা,
→ দিন + ইক = দৈনিক,
→ দুল্ + অনা = দোলনা,
→ কৃ + তব্য = কর্তব্য।

তদ্ধিত প্রত্যয়:
- শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
- তদ্ধিত প্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে তদ্ধিতান্ত শব্দ।
উপরের উদাহরণে 'আ' ও 'ইক' তদ্ধিত প্রত্যয় এবং 'বাঘা' ও 'দৈনিক' হলো তদ্ধিতান্ত শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'চার আর তিনে সাত হয়।' - বাক্যটি কোন বর্তমান কালকে নির্দেশ করছে?
  1. অনুজ্ঞা বর্তমান
  2. ঘটমান বর্তমান
  3. নিত্যবৃত্ত বর্তমান
  4. পুরাঘটিত বর্তমান
ব্যাখ্যা
সাধারণ বর্তমান কাল:
যে ক্রিয়া বর্তমানে সাধারণভাবে ঘটে, তার কালকে সাধারণ বর্তমান কাল বলে।
যেমন -
- সে ভাত খায়।
- আমি বাড়ি যাই।

নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল:
স্বাভাবিক বা অভ্যস্ততা বোঝালে সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।
যথা -
- সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়। (স্বাভাবিকতা)
- আমি রোজ সকালে বেড়াতে যাই। (অভ্যস্ততা)

নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:
(১) স্থায়ী সত্য প্রকাশে: চার আর তিনে সাত হয়

(২) ঐতিহাসিক বর্তমান: অতীতের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনায় যদি নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের প্রয়োগ হয়, তাহলে তাকে ঐতিহাসিক বর্তমান কাল বলে।
যেমন - বাবরের মৃত্যুর পর হুমায়ুন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন

(৩) কাব্যের ভণিতায়: মহাভারতের কথা অমৃত সমান। কাশীরাম দাস ভনে শুনে পুণ্যবান।

(৪) অনিশ্চয়তা প্রকাশে: কে জানে দেশে আবার সুদিন আসবে কি না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোনটি পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ নয়?
  1. তেরো
  2. তেরোই
  3. তেরোতম
  4. তেহাই
ব্যাখ্যা
• পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ নয় - তেরো
- এটি ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।

সংখ্যাবাচক শব্দ:
- যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বা সংখ্যাশব্দ বলে।
- দূরত্ব, দৈর্ঘ্য, আয়তন, খণ্ড, তাপমাত্রা ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে সংখ্যাশব্দের ব্যাপক ব্যবহার হয়।
- সংখ্যাশব্দ দুই রকমের: ক্রমবাচক ও পূরণবাচক।
• ক্রমবাচক: এক, দুই, তিন।
• পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়।

পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।
যেমন - ‘এক' সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ‘প্রথম', ‘প্রথমা’, ‘পহেলা' ইত্যাদি। এগুলোকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের হয়। যথা:
১. সাধারণ পূরণবাচক: একাদশ ও এগারোতম, দ্বাদশ ও বারোতম, ত্রয়োদশ ও তেরোতম ইত্যাদি।
২. তারিখ পূরণবাচক: এগারোই, বারোই, তেরোই ইত্যাদি।
৩. ভগ্নাংশ পূরণবাচক: আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'বৃষ্টির ঝমঝমানি আমাদের অস্থির করে তোলে।' - কোন পদরূপে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার হয়েছে?
  1. বিশেষ্য
  2. বিশেষণ
  3. ক্রিয়া
  4. ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• 'বৃষ্টির ঝমঝমানি আমাদের অস্থির করে তোলে।' - বিশেষ্য পদরূপে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার হয়েছে।

ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি:
- কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
- এ জাতীয় ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুইবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি।
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি দ্বারা বহুত্ব, আধিক্য ইত্যাদি বোঝায়। 

বিভিন্ন পদরূপে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার:
১. বিশেষ্য: বৃষ্টির ঝমঝমানি আমাদের অস্থির করে তোলে
২. বিশেষণ: 'নামিল নভে বাদল ছলছল বেদনায়।'
৩. ক্রিয়া: কলকলিয়ে উঠল সেথায় নারীর প্রতিবাদ।
৪. ক্রিয়া বিশেষণ: 'চিকচিক করে বালি কোথা নাহি কাদা।'

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
বাংলা ভাষায় কী ভেদে পদাশ্রিত নির্দেশক বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে?
  1. কারক ভেদে
  2. বচনভেদে
  3. বিভক্তি ভেদে
  4. সন্ধি ভেদে
ব্যাখ্যা
পদাশ্রিত নির্দেশক:
যে সব অব্যয় বা প্রত্যয় বিশেষ্য ও সর্বনাম পদকে নির্দেশ করার জন্য বিশেষ্য বা সর্বনামের সঙ্গে যুক্ত হয়, সেগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলা হয়। 
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: বাংলা ভাষার ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশকের মধ্যে টি, টা, টো, টুকু, টুকুন, টু, টুক, খান, খানা, খানি, খানেক, খানিক, গাছ, গাছি, গাছা, গোটা, গুলি, গুলো, গুলান ইত্যাদি বহুল প্রচলিত। 

• বাংলা ভাষায় বচনভেদে পদাশ্রিত নির্দেশক বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন -

ক. একবচন প্রকাশে: টি, টা, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি। 
যেমন - কলমটি, বইটা, বৈঠকখানা ইত্যাদি।

খ. বহুবচন প্রকাশে: গুলি, গুলা, গুলো, গুলোন ইত্যাদি। 
যেমন - আমগুলি, ফলগুলো, গরুগুলো, কুকুরগুলো, বিড়ালগুলা প্রভৃতি। 

গ. কোনো সংখ্যা বা পরিমাপের স্বল্পতা প্রকাশে: টে, টুকু, টুকুন ইত্যাদি। 
যেমন - তিনটে চাল, ভাতটুকু, পায়েস টুকুন, এতটুকুন মেয়ে প্রভৃতি। 

ঘ. অনির্দেশক প্রত্যয়: টি, টা, এক, জন, খান ইত্যাদি দ্বারা নির্দিষ্ট কাউকে বোঝায় না। তাই এসব প্রত্যয় অনির্দেশক প্রত্যয় হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। 
যেমন - একটা গল্প বলি, চারটি ভাত দাও, জন চারেক লোক হলেই চলবে, এক যে ছিল রাণী, গোটা কয়েক সমস্যা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
কোনটি তৎসম শব্দ?
  1. জিভ
  2. দাঁত
  3. ডাব
  4. পাত্র
ব্যাখ্যা
• তৎসম শব্দ - পাত্র

বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার:
- উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভাণ্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. তৎসম,
২. তদ্ভব,
৩. দেশি ও
৪. বিদেশি।
- এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

তৎসম শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ, চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• তদ্ভব শব্দ - জিভ, দাঁত।
• দেশি শব্দ - ডাব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
১১.
'বুদ্ধ' শব্দটিতে যে ধাতু ব্যবহৃত হয়েছে -
  1. বুঝ্‌
  2. বুদ্‌
  3. বুধ্‌
  4. বন্ধ্‌
ব্যাখ্যা
• 'বুদ্ধ' শব্দটিতে যে ধাতু ব্যবহৃত হয়েছে - বুধ্‌

সংস্কৃত ধাতু:
বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে।
যেমন - কৃ, গম্, ধূ, গঠ, স্থা ইত্যাদি।

সংস্কৃত ধাতু ⇒ ♣ সাধিত পদ
- দৃশ্‌ ⇒ দৃশ্য, দর্শন।
- ধৃ ⇒ ধৃত, ধারণ।
- বন্ধ্‌ ⇒ বন্ধন।
- বুধ্‌বুদ্ধ, বোধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
'বাবা আমাদের পড়াশুনা দেখছিলেন।' - বাক্যটি কোন অতীত কালের উদাহরণ?
  1. পুরাঘটিত অতীত
  2. নিত্যবৃত্ত অতীত
  3. ঘটমান অতীত
  4. সাধারণ অতীত
ব্যাখ্যা
• 'বাবা আমাদের পড়াশুনা দেখছিলেন।' - বাক্যটি ঘটমান অতীত কালের উদাহরণ।

ঘটমান অতীত কাল:
অতীত কালে যে কাজ চলছিল এবং যে সময়ের কথা বলা হয়েছে, তখনও কাজটি সমাপ্ত হয়নি-ক্রিয়া সংঘটনের এরূপ ভাব বোঝালে ক্রিয়ার ঘটমান অতীত কাল হয়। যেমন -
- কাল সন্ধ্যায় বৃষ্টি পড়ছিল
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম
- বাবা আমাদের পড়াশুনা দেখছিলেন

ঘটমান অতীত কালের বিশেষ ব্যবহার:
- ঘটমান অতীত কখনো কখনো বর্তমান সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়: তুমি এসে গেছ! এতক্ষণ তোমার কথাই ভাবছিলাম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
কোনটি বিভক্তিযুক্ত শব্দদ্বিত্ব?
  1. উড়ু উড়ু
  2. কথায় কথায়
  3. ভালো ভালো
  4. হঠাৎ হঠাৎ
ব্যাখ্যা
• বিভক্তিযুক্ত শব্দদ্বিত্ব - কথায় কথায়

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে।
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে।

বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত: ভালো ভালো (কথা), কত কত (লোক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড়ু উড়ু (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।

বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত: কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৪.
কবিতায় বিশেষ অর্থে কোন নির্দেশকটি নির্দিষ্টার্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. খানা
  2. খানি
  3. গাছা
  4. গোটা
ব্যাখ্যা
পদাশ্রিত নির্দেশক:
কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা পরে সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত অব্যয় বা পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
যেমন:  -টা, -টি, -খানা, -খানি, -টুকু ইত্যাদি।
- বাংলায় নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি Definite Article ‘The’ - এর স্থানীয়।
- বচনভেদে পদাশ্রিত নির্দেশকেরও বিভিন্নতা প্রযুক্ত হয়।

(ক) একবচনে - টা, টি, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি নির্দেশক ব্যবহৃত হয়।
যেমন - টাকাটা, বাড়িটা, কাপড়খানা, বইখানি, লাঠিগাছা, চুড়িগাছি ইত্যাদি।

(খ) বহুবচনে - গুলি, গুলা, গুলো, গুলিন প্রভৃতি নিদের্শক প্রত্যয় সংযুক্ত হয়।
যেমন - মানুষগুলি, লোকগুলো, আমগুলো, পটলগুলিন ইত্যাদি।

পদাশ্রিত নির্দেশকের ব্যবহার:
- 'গোটা' বচনবাচক শব্দটির আগে বসে এবং খানা, খানি পরে বসে।
- এগুলো নির্দেশক ও অনির্দেশক দুই অর্থেই প্রযোজ্য।
- 'গোটা' শব্দ আগে বসে এবং সংশ্লিষ্ট পদটি নির্দিষ্টতা না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টতা বোঝায়।
যেমন -
গোটা দেশই ছারখার হয়ে গেছে (অনির্দিষ্ট)।
গোটাদুই কমলালেবু আছে (অনির্দিষ্ট)।
দুখানা কম্বল চেয়েছিলাম (নির্দিষ্ট)।
একখানা বই কিনে নিও (অনির্দিষ্ট)।

- কিন্তু কবিতায় বিশেষ অর্থে 'খানি' নির্দিষ্টার্থে ব্যবহৃত হয়
যথা - 'আমি অভাগা এনেছি বহিয়া নয়ন জলে ব্যর্থ সাধনখানি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দে বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ নয় কোনটি?
  1. কুল
  2. নিকর
  3. সকল
  4. সব
ব্যাখ্যা
• প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দে বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ নয় - নিকর।
- এটি অপ্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত বহুবচনবোধক শব্দ।

বচন:
- বচন হলাে সংখ্যার ধারণা।
- বচনের মাধ্যমে গণনাবাচক বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের সংখ্যা নির্দেশিত হয়।
- বাংলা ভাষায় বচন দুই প্রকার: একবচন ও বহুবচন।
- সাধারণত কিছু শব্দাংশ বা লগ্নক একবচন শব্দের পরে যুক্ত হয়ে বহুবচন শব্দ তৈরি করে।

প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দে বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ:
কুল - কবিকুল, পক্ষিকুল, মাতৃকুল, বৃক্ষকুল ইত্যাদি।
সকল - পর্বতসকল, মনুষ্যসকল ইত্যাদি।
সব - ভাইসব, পাখিসব ইত্যাদি।
→ সমূহ - বৃক্ষসমূহ, মনুষ্যসমূহ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
১৬.
অসম্পূর্ণ ধাতু কোনটি?
  1. √ আ
  2. আঁক্‌
  3. উঠ্‌
  4. গঠ্‌
ব্যাখ্যা
• অসম্পূর্ণ ধাতু - √ আ

অসম্পূর্ণ ধাতু:
- বাংলা ভাষায় কয়েকটি ধাতুর সকল কালের রূপ পাওয়া যায় না। সাধারণ সহকারী ক্রিয়া গঠনে এদের কয়েকটি রূপ পাওয়া যায় মাত্র। যেমন -
১. √আ - আইল > এল; আইলেন > এলেন; আইলে > এলে; আইলি > এলি; আইলাম > এলাম; আয় (অনুজ্ঞা)।

২. √আছ্‌ -
→ (বর্তমান কালে): আছে, আছেন, আছ, আছিস, আছি।
→ (অতীত কালে): ছিল, ছিলেন, ছিলে, ছিলি, ছিলাম।

৩. নহ্ ধাতু - (বর্তমান কালে): নন, নহে, নহেন > নন, নহ, নও, নহস, নহিস, নস, নহি, নই।

8. বট্ ধাতু - (বর্তমান কালে): বটে, বটেন, বট, বটিস, বটি।

৫. থাক্ (রহ্‌) ধাতু -
 → (বর্তমান কালে): থাকে, থাকেন, রহেন, থাক, (রও), থাকিস, (রস, রোস, রহিস), থাকি (রই), থাকে (রয়) ইত্যাদি।
→ অতীত কাল: রহিত (রইত), রহিতেন (রইতেন), রহিতাম (রইতাম-রইতুম) ইত্যাদি।
→ ভবিষ্যৎ কাল: রহিবে, (রইবে, রবে), রহিবেন (রইবেন), রহিবি (রইবি), রহিব (রইবো), রহিস (রোস, রোসো)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৭.
'কানা' শব্দের সাথে 'আ' প্রত্যয় কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. অবজ্ঞা
  2. তার আছে
  3. সদৃশ
  4. স্বার্থ
ব্যাখ্যা
• 'কানা' শব্দের সাথে 'আ' প্রত্যয় সদৃশ অর্থে ব্যবহৃত হয়।

তদ্ধিত প্রত্যয়:
- শব্দের সঙ্গে (শেষে) যেসব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়।
- বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলা হয় প্রাতিপদিক। প্রাতিপদিক তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি বলে প্রাতিপদিককে নাম প্রকৃতিও বলা হয়।
- ধাতু যেমন কৃৎ-প্রত্যয়ের প্রকৃতি, তেমনি প্রাতিপদিকও তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি।
- প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি এবং প্রাতিপদিককে বলা হয় নাম প্রকৃতি।
- তদ্ধিত প্রত্যয়গুলো বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ভাষায় তদ্ধিত প্রত্যয় তিন প্রকার।
ক. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়।
খ. বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়।
গ. তৎসম বা সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়।

আ-প্রত্যয়:
(ক) অবজ্ঞার্থে: চোর + আ = চোরা, কেষ্ট + আ = কেষ্টা।
(খ) বৃহদার্থে: ডিঙি + আ = ডিঙা (সপ্তডিঙা মধুকর)।
(গ) সদৃশ অর্থে: বাঘ + আ = বাঘা, হাত + আ = হাতা।
এরূপ কাল-কালা (চিকন কালা), কান-কানা
(ঘ) 'তাতে আছে' বা 'তার আছে' অর্থে: জল + আ = জলা, গোদ + আ = গোদা।
এরূপ - রোগ-রোগা, চাল- চালা, লুন-লুনা > লোনা।
(ঙ) সমষ্টি অর্থে: বিশ-বিশা, বাইশ + আ = বাইশা (মাসের বাইশা > বাইশে।
(চ) স্বার্থে: জট + আ = জটা, চোখ-চোখা, চাক-চাকা।
(ছ) ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠনে: হাজির-হাজিরা, চাষ-চাষা।
(জ) জাত ও আগত অর্থে: মহিষ > ভইস-ভয়সা (ঘি), দখিন-দখিনা > দখনে (হাওয়া)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৮.
কোনটি রূঢ় শব্দ?
  1. চিকামারা
  2. মধুর
  3. মহাযাত্রা
  4. হস্তী
ব্যাখ্যা
• রূঢ় শব্দ - হস্তী

রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ: 
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হস্তী: হস্ত + ইন, অর্থ -হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।
এ রকম -
- বাঁশি: বাঁশ দিয়ে তৈরি যে কোনো বস্তু নয়, শব্দটি সুরের বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়। 
- তৈল: শুধু তিলজাত স্নেহ পদার্থ নয়, শব্দটি যে কোনো উদ্ভিজ্জ পদার্থজাত স্নেহ পদার্থকে বোঝায়। 
যেমন - বাদাম তেল।
- প্রবীণ: শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি ‘অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- সন্দেশ: শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে ‘সংবাদ’। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে ‘মিষ্টান্ন বিশেষ’।

অন্যদিকে, 
- যৌগিক শব্দ: চিকামারা, মধুর।
- যোগরূঢ় শব্দ: মহাযাত্রা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৯.
ধাতুর পর যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠিত হয় -
  1. আই
  2. আও
  3. অন্ত
  4. অন
ব্যাখ্যা
• ধাতুর পর যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠিত হয় - অন

কৃৎ-প্রত্যয়:
- ধাতুর সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন
(১) ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি; আর
(২) ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ-প্রত্যয়।
যেমন -
→ চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি) + অন (কৃৎ-প্রত্যয়) = চলন (বিশেষ্য পদ)।
→ চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি) + অন্ত (কৃৎ-প্রত্যয়) = চলন্ত (বিশেষণ পদ)।

অন-প্রত্যয়:
ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠনে 'অন' প্রত্যয়ের ব্যবহার হয়।
যেমন -
- √কাঁদ্ + অন = কাঁদন (কান্নার ভাব)।
এরূপ - নাচন, বাড়ন, ঝুলন, দোলন।

অন্যদিকে,
• ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ব্যবহৃত হয় = আই, আও-প্রত্যয়।
• বিশেষণ গঠনে ব্যবহৃত হয় = অন্ত-প্রত্যয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২০.
দশমিক সংখ্যা 75 এর অক্টাল সংখ্যা কোনটি? 
  1. 313
  2. 133
  3. 113
  4. 131
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্টাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। 
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit -MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit-LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান নির্ণয় করা হয়। 

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। 
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা। 


অর্থাৎ, (75)10 = (113)8

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
নিম্নের কোনটি হার্ডওয়ার নয়?
  1. মনিটর
  2. মাউস
  3. সিপিইউ
  4. পাওয়ার পয়েন্ট
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার: 
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বিশেষ ধরনের কাজ বা ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফটওয়্যার। 
- আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য স্প্রেডসিট অ্যানালাইসিস প্যাকেজ যেমন- লোটাস, মাইক্রোসফট এক্সেল ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। 
- Power Point একটি মাইক্রোসফটের অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারের সফটওয়্যারের অংশ। 

হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
কোন সাল থেকে প্রথম ই-মেইল পাঠানো শুরু হয়? 
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
ই-মেইল (E-mail): 
- ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic mail)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-মেইল (E-mail)। 
- ই-মেইল বলতে কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল তথ্য বিনিময় করাকে বোঝায়। 
- ১৯৭১ সালে প্রথম ই-মেইল পাঠানো শুরু হয়। 
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য প্রথমেই যিনি পাঠাবেন এবং যিনি পাবেন দুজনেরই ই-মেইলের ঠিকানার দরকার হয়। 
- ই-মেইল ঠিকানাটি @ বর্ণটি দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। 
- যদি abc@def.com একটি ই-মেইল ঠিকানা হয়ে থাকে তাহলে @ এর পরের অংশটুকু হচ্ছে ডোমেইন নেইম, যা দিয়ে বুঝানো হয় ব্যবহারকারী কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত। প্রথম অংশটুকু হচ্ছে ব্যবহারকারীর এক ধরনের পরিচয়। 
- বর্তমানে ই-মেইল বিনিময় করার অনেক জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে ইন্টারনেটের দেওয়া ই-মেইল সার্ভিস। 
যেমন- Gmail, Yahoo, Hotmail ইত্যাদি ই-মেইলের সেবা শুধু যে বিনামূল্যে দেওয়া হয় তা নয়, ব্যবহারকারীর ই-মেইল সংরক্ষণ করার দায়িত্বও গ্রহণ করে থাকে। 
- একটি ই-মেইল একাধিক গ্রাহকের কাছে পাঠানো যায়, প্রয়োজনে ই-মেইলকে অন্য একজনকে ‘কার্বন কপি’ (CC) হিসেবে পাঠানো যায়। 
- ই-মেইলের শুরুতে বিষয় হিসেবে ই-মেইলের বক্তব্যটির একটি শিরোনাম লিখা যায়, শুধু তা-ই নয় ই-মেইলের বিষয়বস্তু লেখার পাশাপাশি তার সাথে অন্য কোনো ডকুমেন্ট, ছবি সংযুক্ত করে পাঠিয়ে দেওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩.
CPU এর অংশ নয় কোনটি? 
  1. Control Unit
  2. Memory Unit
  3. Power Supply Unit
  4. Arithmetic Logic Unit
ব্যাখ্যা
সিপিইউ বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ: 
- CPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Central Processing Unit. 
- সিপিউ কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে। 
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট। 
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে। 
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিস্ক বা ব্রেইনস্বরূপ। 
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল। 
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা- 
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit)
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) এবং 
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)। 

অন্যদিকে, 
- পাওয়ার ব্যাক আপ পদ্ধতি বা ইনভার্টার হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যাটারির সাহায্যে ডিসি সাপ্লাইকে ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক্স লোডের উপযোগী এসি পাওয়ার সাপ্লাই এ রূপান্তর করতে পারে। 
- কার্য ও স্থানভেদে এ ধরনের পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতিকে IPS (Instant Power Supply), UPS (Uninterrupted Power Supply), EPS (Emergency Power Supply), QPS (Quick Power Supply) বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা(বিবিএ প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল), নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেমে সাধারণত কত ধরনের ব্রডকাস্টিং করা হয়? 
  1. ৩ ধরনের 
  2. ২ ধরনের 
  3. ৫ ধরনের 
  4. ৪ ধরনের
ব্যাখ্যা
রেডিও ব্রডকাস্টিং: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলো রেডিও। 
- মূলতঃ রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম দ্বারা শব্দকে তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গে রূপান্তরিত করে তথ্য বা শব্দ একস্থান হতে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। 
- রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেমে প্রধানত এএম ব্রডকাস্ট, এফএম ব্রডকাস্ট ও মাইক্রোওয়েভ ব্রডকাস্ট নামক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে বহুল জনপ্রিয় হলো এফএম রেডিও। 
- এফএম শব্দের অর্থ ফ্রিকোয়েন্সি মডুলেশন। 
- ১৯৪৬ সালে মনো এফএম ব্যান্ডের আবিষ্কার হয়। 
- রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করে সাধারণত তিন ধরনের ব্রডকাস্টিং করা হয়। 
যথা- 
১। পাবলিক রেডিও ব্রডকাস্টিং: বাংলাদেশ বেতার। 
২। বাণিজ্যিক রেডিও ব্রডকাস্টিং: রেডিও টুডে, রেডিও আমার, রেডিও ফূর্তি ইত্যাদি। 
৩। কমিউনিটি রেডিও ব্রডকাস্টিং: সীতাকুন্ডুর Young Power in Action (YPSA), ঝিনাইদহের সৃজনী, সাতক্ষীরার নলতা কমিউনিটি হাসপাতাল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২৫.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়? 
  1. Python
  2. Java
  3. PROLOG
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: 
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানত Java, MATLAB, Python, SHRDLU, PROLOG LISP, CLISP, R ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়। 
- কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে ডেভেলপারগণ তাঁদের পছন্দসই প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র হিসেবে মেশিন লার্নিং-এর কথা বলা যায়। 
- মেশিন লার্নিং-কে মোটা দাগে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
১। সুপারভাইজড লার্নিং, 
২। আনসুপারভাইজড লার্নিং এবং 
৩। রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২৬.
বিশ্বগ্রাম শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেন? 
  1. ই এফ কড
  2. মার্ক জুকারবার্গ
  3. টিম বার্ণারস লী
  4. মার্শাল ম্যাকলুহান
ব্যাখ্যা
বিশ্বগ্রাম: 
- গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে। 
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক “মার্শাল ম্যাকলুহান” সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- তিনি “দি মিডিয়াম ইজ দি মেসেজ” (the medium is the message) এবং “গ্লোবাল ভিলেজ” (Global village) এর প্রবক্তা বা উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন। 
- তিনি ১৯৬২ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ “The Gutenberg: The Making of Typographic Man” এবং ১৯৬৪ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ “Understanding Media” এ গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম এর ধারণা দেন। 
- তাঁর সময়ে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছিল। 
- তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তারের ফলে সময় ও দূরত্ব সংকুচিত হয়ে পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। 
- তিনি এ প্রযুক্তির বিস্তৃতিকে “ইলেকট্রনিক নার্ভাস সিস্টেম” (Electronic Nervous System) নামে আখ্যায়িত করেছেন। 
- পৃথিবী এ সিস্টেমের সাহায্যে সংযুক্ত হয়ে বিশ্বগ্রাম (Global village) এ রূপান্তরিত হয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২৭.
কোন প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় তথ্য অফিসের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ স্থাপনের কাজ চালু হয়েছে? 
  1. a2i
  2. a3i
  3. i2a
  4. i3a
ব্যাখ্যা
- আমাদের দেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সেবা জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য একসেস টু ইনফরমেশন (a2i) প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় তথ্য অফিসের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ স্থাপনের কাজ চালু হয়েছে
- এতে করে তৃণমূল পর্যায়ের প্রশাসনিক ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সরকারি সবধরনের পরিষেবার তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
- প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ অফিস, সাব-পোস্ট অফিসে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র চালু করে সরকারি সবধরনের ডিজিটাল সার্ভিস সেবা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।