পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২ টপিক: সৌরজগৎ, পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহ এবং অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা, পৃথিবীর গতি ও দিন-রাত্রির হ্রাসবৃদ্ধি [Live Class – 3 & 4]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু ও বাষ্পকুন্ডের এক বিশাল সমাবেশকে কী বলা হয়? 
  1. গ্রহ মন্ডল 
  2. নীহারিকা
  3. সৌরজগৎ
  4. গ্যালাক্সি
ব্যাখ্যা

গ্যালাক্সি (Galaxy):
- মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু ও বাষ্পকুন্ডের এক বিশাল সমাবেশকে গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ বলে।
- মহাকাশে একশত বিলিয়ন গ্যালাক্সি রয়েছে ।
- এদের বিভিন্ন আকার ও আকৃতি রয়েছে, তবে এদের অধিকাংশই সর্পিলাকার বা উপবৃত্তাকার।
- সর্পিলাকার গ্যালাক্সিগুলো বৃহৎ আকৃতির এবং উপবৃত্তাকার গ্যালাক্সিগুলো বেশি উজ্জ্বল।
- এরা পরস্পর ব্যাপক ব্যবধানে অবস্থিত।
- কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
নিম্নের কোন উপাদানটি মঙ্গল গ্রহে সবচেয়ে বেশি রয়েছে?
  1. হাইড্রোজেন
  2. নাইট্রোজেন 
  3. অক্সিজেন 
  4. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

- মঙ্গল গ্রহে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ)।

মঙ্গল (Mars):

- মঙ্গল পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ। বছরের অধিকাংশ সময় একে দেখা যায়।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গলে ফোবস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

.
গ্রিনিচের পশ্চিমে অবস্থিত দেশগুলোর সময় গ্রিনিচের সময় থেকে -
  1. এগিয়ে থাকে
  2. পিছিয়ে থাকে
  3. সমান থাকে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

 গ্রিনিচের সময়:
- গ্রিনিচের দ্রাঘিমা শূন্য ডিগ্রি (০) ধরা হয়।
- প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্যে ১
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকের দেশগুলো সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের চেয়ে এগিয়ে থাকে।
- এবং গ্রিনিচের পশ্চিমে অবস্থিত দেশগুলোর সময় গ্রিনিচের সময় থেকে পিছিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে অবস্থিত বলে বাংলাদেশের সময় ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।
- এভাবে দ্রাঘিমার সাহায্যে সময় এবং সময়ের মাধ্যমে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

উৎস:  NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

.
পৃথিবীকে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ গোলার্ধ দুটি সমান অংশে ভাগ করেছে কোন রেখা? 
  1. মেরুরেখা 
  2. বিষুবরেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. গ্রিনিচ রেখা
ব্যাখ্যা

নিরক্ষরেখাঃ 
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে। একে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা।
- বিষুবরেখা পৃথিবীকে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ গোলার্ধ দুটি সমান অংশে ভাগ করেছে।

মেরুরেখাঃ
- পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ বা মেরুরেখা বলে।
- এই অক্ষের উত্তর প্রান্তবিন্দু হলো উত্তর মেরু বা সুমেরু এবং দক্ষিণ প্রান্তবিন্দু হলো দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

.
নিম্নের কোনটির প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহ আবর্তিত হয়?
  1. অভিকর্ষ বল
  2. মহাকর্ষীয় বল
  3. কেন্দ্রাতিগ বল
  4. বৈদ্যুতিক বল
ব্যাখ্যা

• গ্রহ (Planet):
- মহাকাশে কতকগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পথে পরিক্রমণ করে।
- এদের নিজেদের কোনো আলো বা তাপ নেই।
- মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।
- এরা সূর্য থেকে আলো ও তাপ পায়।
- এই তাপেই উত্তপ্ত হয়।
- এরা তারার মতো মিটমিট করে জ্বলে না।
- এসব জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে।
- আমাদের সৌরজগতের আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সময় পশ্চিমগামী যানের ক্ষেত্রে কী করতে হয়? 
  1. ১ দিন যোগ
  2. ১ দিন বিয়োগ
  3. ২ দিন যোগ
  4. ২ দিন বিয়োগ
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাঃ
- ১৮০° পূর্ব দ্রাঘিমা এবং ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা মূলত একই। একেই বলে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা।
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সময় পশ্চিমগামী যানের ক্ষেত্রে একদিন যোগ এবং পূর্বগামী যানের ক্ষেত্রে একদিন বিয়োগ হবে।

• মূল মধ্যরেখাঃ
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের কাছে গ্রিনিচ (Greenwich) মান মন্দিরের উপর দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত কল্পিত রেখাকে ০° দ্রাঘিমা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বই হলো সেই স্থানের দ্রাঘিমাংশ।
- প্রতি ১ দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ৪ মিনিট সময় ব্যবধান হয়।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

.
সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহের গতি প্রকৃতি ও কক্ষপথ সংক্রান্ত সূত্র প্রদান করেন- 
  1. স্যার আইজ্যাক নিউটন
  2. জোহানেস কেপলার
  3. গ্যালিলিও গ্যালিলি
  4. নিকোলাস কপারনিকাস
ব্যাখ্যা

সূর্যের চারিদিকে গ্রহের গতি: 
- সূর্যের চারদিকে পৃথিবীসহ মোট আটটি গ্রহ প্রদক্ষিণ করছে।
- সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহের গতি প্রকৃতি ও কক্ষপথ সংক্রান্ত সূত্র প্রদান করেন ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলার (Johann Keplar) ১৬১৮ খ্রিস্টাব্দে।

• গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র ৩টিঃ
- ১ম সূত্রঃ (কক্ষপথের সূত্র),
- ২য় সূত্রঃ (ক্ষেত্রফলের সূত্র),
- ৩য় সূত্রঃ (আবর্তনকালের সূত্র),

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

.
মহাশূন্যে অজস্র জড়পিন্ড কোন বলের আকর্ষণে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে?
  1. চৌম্বক বল
  2. অভিকর্ষ 
  3. বৈদ্যুতিক বল
  4. কেন্দ্রাতিগ বল
ব্যাখ্যা

উল্কা (Meteor):
- রাতের মেঘমুক্ত আকাশে অনেক সময় মনে হয় যেন নক্ষত্র ছুটে যাচ্ছে বা কোনো নক্ষত্র যেন এই মাত্র খসে পড়ল। এই ঘটনাকে নক্ষত্রপতন বা তারা খসা বলে।
- এরা কিন্তু আসলে কোনো নক্ষত্র নয়, এদের নাম উল্কা ।
- মহাশূন্যে অজস্র জড়পিন্ড ভেসে বেড়ায়। এই জড়পিন্ডগুলো অভিকর্ষ বলের আকর্ষণে প্রচন্ড গতিতে (সেকেন্ডে প্রায় ৩ কিলোমিটার) পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে।
- বায়ুর সংস্পর্শে এসে বায়ুর সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে এরা জ্বলে ওঠে। ফলে এদের ছুটন্ত তারা বলে মনে হয়।
- বেশিরভাগ উল্কাপিন্ডই আকারে বেশ ক্ষুদ্র।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

.
পৃথিবীর আবর্তনের বেগ সবচেয়ে বেশি কোথায়? 
  1. মেরু অঞ্চলে 
  2. নিরক্ষরেখায়
  3. কর্কটক্রান্তি রেখায়
  4. মকরক্রান্তি রেখায়
ব্যাখ্যা

আহ্নিক গতি (Rotation): 
- পৃথিবী তার নিজের মেরুদন্ডের বা অক্ষের চারদিকে দিনে একবার নির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে।
- পৃথিবী তার নিজের মেরুদন্ডের উপর একবার পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করতে সময় নেয় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ একদিন। একে সৌরদিন বলে।
- নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগ সবচেয়ে বেশি। ঘণ্টায় প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার।
- ঢাকায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ ১৬০০ কিলোমিটার।
- যত মেরুর দিকে যাবে এ আবর্তনের বেগ তত কমতে থাকে এবং মেরুদ্বয়ে প্রায় নিঃশেষ হয়ে যায়।

উৎস:  NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

১০.
মঙ্গল গ্রহের কতটি উপগ্রহ রয়েছে? 
  1. ৫টি
  2. ১১টি
  3. ২টি
  4. ৩টি
ব্যাখ্যা

- মঙ্গল গ্রহের 'ফোবস' ও 'ডিমোস' নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

মঙ্গল গ্রহ (Mars):

- মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহেঅক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গল গ্রহের 'ফোবস' ও 'ডিমোস' নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

উৎস:  NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

১১.
কোন দুটি গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই?
  1. শনি ও বুধ
  2. শুক্র ও বৃহস্প্রতি
  3. বুধ ও শুক্র
  4. নেপচুন ও ইউরেনাস
ব্যাখ্যা

উপগ্রহ (Satellite):
- কিছু কিছু জ্যোতিষ্ক গ্রহকে ঘিরে আবর্তিত হয়, এদের উপগ্রহ বা চাঁদ বলে।
- মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এরা গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
- এদের নিজস্ব আলো বা তাপ নেই। এরা সূর্য বা নক্ষত্র থেকে আলো বা তাপ পায়।
- চাঁদ পৃথিবী গ্রহের একমাত্র উপগ্রহ।
- কোনো কোনো গ্রহের উপগ্রহ আছে, কোনোটির নেই।
- বুধ ও শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।

উল্লেখ্য,
- সৌরজগতের আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

১২.
সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ ও গ্রহরাজ বলা হয়- 
  1. বুধ গ্রহকে
  2. বৃহস্পতি গ্রহকে
  3. শুক্র গ্রহকে
  4. পৃথিবী গ্রহকে
ব্যাখ্যা

বৃহস্পতি (Jupiter):
- বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ। একে গ্রহরাজ বলে।
- এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার। আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়।
- এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
- তাই পৃথিবীর সাতাশ ভাগের একভাগ তাপ পায়। বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- বায়ুমন্ডলের উপরিভাগে তাপমাত্রা খুবই কম এবং অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস)।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯টি। এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

১৩.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ পরিমাপ করা যায়?
  1. ব্যারোমিটার
  2. হাইগ্রোমিটার
  3. সেক্সট্যান্ট
  4. অ্যানিমোমিটার
ব্যাখ্যা

- সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়। 
- বিষুবলম্ব: সূর্য যেদিন যে অক্ষাংশের উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় সেটাই সেদিনের সূর্যের বিষুবলম্ব।
- স্থানটি যদি উত্তর গোলার্ধে হয় তবে উত্তরবাচক বিষুবলম্ব যোগ করতে হবে এবং দক্ষিণবাচক বিষুবলম্ব বিয়োগ করতে হবে।
- দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণবাচক বিষুবলম্ব যোগ এবং উত্তরবাচক বিষুবলম্ব বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে,
• ব্যারোমিটার (Barometer):
- এটি বায়ুমণ্ডলের চাপ (Atmospheric Pressure) পরিমাপের যন্ত্র।
- সাধারণত আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও উচ্চতা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।

• হাইগ্রোমিটার (Hygrometer):
- এটি বাতাসে আর্দ্রতা (Humidity) পরিমাপের যন্ত্র।
- আবহাওয়া বিজ্ঞান ও কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

• অ্যানিমোমিটার (Anemometer):
- এটি বায়ুর বেগ (Wind Speed) ও দিক নির্ণয়ের যন্ত্র।
- আবহাওয়া পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।