পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৬১
সিলেবাস
৪১তম বিসিএস সাবজেক্ট ফাইনাল - বাংলা ব্যাকরণ সম্পূর্ণ [১০০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৬১ প্রশ্ন

.
নির্ণয় শব্দে “নির” উপসর্গটি কি অর্থ প্রকাশ করে?
  1. ক) অভাব
  2. খ) গতি
  3. গ) নিশ্চয়
  4. ঘ) বহির্মুখী
সঠিক উত্তর:
গ) নিশ্চয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিশ্চয়
ব্যাখ্যা

নির্ধারণ শব্দে “নির” উপসর্গটি ধারনের নিশ্চয়তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
নির্ণয়,নির্ভর শব্দগুলো ও একই নিয়ম মেনে চলে।

নিরব, নির্জীব, নিরাশ্রয় ইত্যাদি শব্দ গুলোতে 'নির' উপসর্গ অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

নির্গত, নিঃসরণ, নির্বাসন শব্দগুলোতে 'নির' উপসর্গ বাফির/বহির্মুখিতা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী।

.
বাংলা ভাষায় কত প্রকার উপসর্গ অন্তর্ভূক্ত রয়েছে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষায় এমন কতক অব্যয় সূচক শব্দাংশ রয়েছে, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। এগুলো অন্য শব্দের আগে বসে।
ভাষায় ব্যবহৃত এসব অব্যয়সূচক শব্দাংশের নাম উপসর্গ।

উপসর্গের শ্রেণীবিভাগ: বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন প্রকার। যথা—
(ক) খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
(খ) সংস্কৃত উপসর্গ ও
(গ) বিদেশি উপসর্গ।

(ক) খাঁটি বাংলা উপসর্গ: খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি। যথা—অ, অনা, অজ, অঘা, আ, আড়, আন, আর, ইতি, ঊন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা। প্রয়োগ: অ—অবহেলা, অকাজ। কু—কুকথা, কুকাজ।
(খ) সংস্কৃত উপসর্গ: সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি। যথা—প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দূর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ। প্রয়োগ: প্র—প্রচার, প্রসার। উপ—উপদেশ, উপকার।
(গ) বিদেশি উপসর্গ: বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি উপসর্গ রয়েছে। যেমন—বে, বর, বদ, ফি, গর, নিম, দর, কাম ইত্যাদি। প্রয়োগ: বে—বেয়াদব, বেসামাল। বদ—বদলোক, বদনাম।

সুত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)

.
রক্ত বর্ণের পদ্মকে এক কথায় কি বলে?
  1. ক) পুন্ডরীক
  2. খ) কোকনাদ
  3. গ) ইন্দিবর
  4. ঘ) মৃণাল
সঠিক উত্তর:
খ) কোকনাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কোকনাদ
ব্যাখ্যা

কোকনদ ((বিশেষ্য):
১. রক্তপদ্ম (ধরার পঙ্কে ফুটিল গো আজ কোটি -দল কোকনদ-নাই)।
২. লাল শালুক; রাঙা সুঁদি।

- নীল বর্ণের পদ্মকে ইন্দীবর বলে।
- শ্বেত বর্ণের পদ্মকে পুন্ডরীক বলে।

সুত্রঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ & বাংলা একাডেমি অভিধান।

.
'দোনলা' কোন ধরনের সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) কর্মধারয়
  2. খ) দ্বিগু
  3. গ) অব্যয়ীভাব
  4. ঘ) বহুব্রীহি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বহুব্রীহি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা

দোনলা একটি প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের উদাহণ।

যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্ত পদে আ, এ , ও ইত্যাদি যুক্ত হয় তাকে বলা হয় প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস।
যেমনঃ দোমনা, দোটানা,অকেজো ইত্যাদি।

সুত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম-দশম শ্রেণী)।

.
বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি নিচের কোন নিয়মটি মেনে গঠিত হয়?
  1. ক) অপিনিহিতি
  2. খ) আদি-স্বরাগম
  3. গ) অসমীকরণ
  4. ঘ) সমীভবন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমীভবন
ব্যাখ্যা

বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধিঃ
স্বরে আর ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে আর ব্যঞ্জনে এবং ব্যঞ্জনে আর স্বরে মিলিত হয়ে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে।
প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি সমীভবন (Assimilation) - এর নিয়মেই হয়ে থাকে। আর তাও মূলত কথ্যরীতিতে সীমাবদ্ধ।
যেমন -
ছোট + দা = ছোড়দা।
বদ্‌ + জাত = বজ্জাদ।
পাঁচ + শ = পাঁশ্‌শ।
উৎসঃ নবম দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বই।

.
যতিচ্ছেদ বা বিরামচিহ্ন ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
  1. ক) ধ্বনিতত্ত্ব
  2. খ) শব্দতত্ত্ব
  3. গ) বাক্যতত্ত্ব
  4. ঘ) অর্থতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
গ) বাক্যতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা

যতিচ্ছেদ বা বিরামচিহ্ন বাংলা ব্যাকরণের বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়
চারটি। যথা-
(১) ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology)
(২) শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology)
(৩) বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax)
(৪) অর্থতত্ত্ব (Semantics)

বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম:
বাক্য, বাক্যের অংশ, বাক্যের প্রকার, বাক্য বিশ্লেষণ, বাক্য পরিবর্তন, পদক্রম, বাগধারা, বাক্য সংকোচন, বাক্য সংযোজক, বাক্য বিয়োজন, যতিচ্ছেদ বা বিরামচিহ্ন প্রভৃতি বিষয় বাক্য-প্রকরণে আলোচিত হয়।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী ও ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
নিচের কোনটি কণ্ঠ্যধ্বনি নয়?
  1. ক) অ
  2. খ) আ
  3. গ) ই
  4. ঘ) ক
সঠিক উত্তর:
গ) ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ই
ব্যাখ্যা

যেসব ধ্বনির উচ্চারণস্থান কন্ঠনালির উপরিভাগ বা জিহবামূল, তাদের কণ্ঠ্যধ্বনি বলে৷
যেমন- অ, আ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ, হ।

যেসব ধ্বনির উচ্চারণ স্থান তালু, তাদের তালব্যধ্বনি বলে৷ যেমন- ই, ঈ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য়, শ।

উৎসঃ বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি৷

.
কোনটিতে ‘অ’ ধ্বনির সংবৃত উচ্চারণ হয়?
  1. ক) অমল
  2. খ) অনেক
  3. গ) অতুল
  4. ঘ) কত
সঠিক উত্তর:
গ) অতুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অতুল
ব্যাখ্যা

শব্দের 'অ' ধ্বনির দুরকম উচ্চারণ পাওয়া যায় -

সংবৃত বা ও - ধ্বনির মত উচ্চারণ। যথাঃ অধীর (ওধীর), অতুল (ওতুল), মন (মোন)।
বিবৃত বা স্বাভাবিক উচ্চারণ। যেমনঃ অমল, অনেক, কত।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)

.
নিচের কোন বাগধারাটি 'সুসময়ের বন্ধু' অর্থে ব্যবহৃত হয় না?
  1. ক) দুধের মাছি
  2. খ) দহরম মহরম
  3. গ) বসন্তের কোকিল
  4. ঘ) সুখের পায়রা
সঠিক উত্তর:
খ) দহরম মহরম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দহরম মহরম
ব্যাখ্যা

দুধের মাছি, বসন্তের কোকিল, সুখের পায়রা - বাগধারাগুলোর অর্থ 'সুসময়ের বন্ধু'।
অন্যদিকে, দহরম মহরম - অর্থ অন্তরঙ্গতা।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১০.
‘নিঃস্ব’ কোন ধরনের শব্দ?
  1. ক) মৌলিক
  2. খ) সাধিত
  3. গ) যৌগিক
  4. ঘ) রূঢ়ি
সঠিক উত্তর:
ক) মৌলিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মৌলিক
ব্যাখ্যা

গঠনগত দিক থেকে শব্দ দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত:
ক. মৌলিক শব্দ ও
খ. সাধিত শব্দ।

ক. মৌলিক শব্দ: যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন: কলম, বাক্য, পদ্ম, নিঃস্ব, আম, বই ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি৷

১১.
'রাবণের চিতাসম জ্বলিছে হৃদয় মম'
বাক্যে উল্লেখিত বাগধারাটির অর্থ কি?
  1. ক) মনঃকষ্ট
  2. খ) বিশাল আয়োজন
  3. গ) চির অশান্তি
  4. ঘ) বিশাল অগ্নিকান্ড
সঠিক উত্তর:
গ) চির অশান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চির অশান্তি
ব্যাখ্যা

প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যের বাগধারাটি হলঃ রাবণের চিতা।
রাবণের চিতা = চির অশান্তি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বই।

১২.
'ধর্মঘট' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) বহুব্রীহি
  2. খ) অব্যয়ীভাব
  3. গ) কর্মধারয়
  4. ঘ) তৎপুরুষ
সঠিক উত্তর:
গ) কর্মধারয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কর্মধারয়
ব্যাখ্যা

যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন-
- ধর্ম রক্ষার্থে (অন্যায় রোধে) ঘট = ধর্মঘট,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা,
- ডাকের মাধ্যমে প্রেরিত বার্তা = ডাকবার্ত,
- খেয়া পারাপারের ঘাট = খেয়াঘট,
- হাতে পরা হয় যে ঘড়ি = হাতঘড়ি ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩.
কোনটির অপর নাম কর্মপ্রবচনীয় শব্দ?
  1. ক) অনুসর্গ
  2. খ) উপসর্গ
  3. গ) প্রাতিপদিক
  4. ঘ) বাগধারা
সঠিক উত্তর:
ক) অনুসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অনুসর্গ
ব্যাখ্যা

অনুসর্গ এর আরেক নাম কর্মপ্রবচনীয় শব্দ।
বাংলা ভাষায় যেসব অব্যয় শব্দ কখনও স্বাধীন পদরূপে আবার কখনও শব্দ বিভক্তিরূপে ব্যবহৃত হয় তাদেরকে অনুসর্গ বলে।
অনুসর্গ বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে।
যেমনঃ তুমি বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে।
এখানে 'বিনা' অনুসর্গ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪.
নিচের কোন শব্দটি সন্ধির বিশেষ নিয়মে সাধিত হয়ে গঠিত?
  1. ক) আশ্চর্য
  2. খ) গোষ্পদ
  3. গ) সংবিধান
  4. ঘ) সংস্কৃত
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংস্কৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংস্কৃত
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত = সম্‌ + কৃত
এটি একটি বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধির উদাহরণ।

‘সংবিধান’ শব্দটি সন্ধির সাধারণ নিয়মে গঠিত।
বর্গীয় ওষ্ঠ্য নাসিক্য ধ্বনি (ম) -এর পর অন্তঃস্থ ধ্বনি (য, র, ল, ব) ইত্যাদি থাকলে ওষ্ঠ্য নাসিক্য ধ্বনি ‘ম’ স্থানে অনুস্বার ( ং) হয়।
যেমন -
- সম্‌ + যম = সংযম
- সম্‌ + রক্ষণ = সংরক্ষণ
- সম্‌ + লাপ = সংলাপ
- সম্‌ + বাদ = সংবাদ
তেমনিভাবে, সম্‌ + বিধান = সংবিধান।

অন্যদিকে,
- আশ্চর্য = আ + চর্য
- গোষ্পদ = গো + পদ
এই দুটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
‘বারণবল্লভা’ শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. ক) নৃপ
  2. খ) কলাগাছ
  3. গ) হাতি
  4. ঘ) তুরঙ্গম
সঠিক উত্তর:
খ) কলাগাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কলাগাছ
ব্যাখ্যা

বারণবল্লভা (বিশেষ্য): কলাগাছ
বারণ (বিশেষ্য):
১. নিবারণ; নিষেধ; মানা
২. হস্তী; হাতি
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।

১৬.
'ঞ্জ' যুক্তাক্ষরে কোন বর্ণগুলোর সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক) জ্‌ + ঞ
  2. খ) ঞ্‌ + জ
  3. গ) ঞ্‌ + ঝ
  4. ঘ) ঝ + ঞ্‌
সঠিক উত্তর:
খ) ঞ্‌ + জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঞ্‌ + জ
ব্যাখ্যা

ঞ্জ = ঞ্‌ + জ
ব্যবহারঃ
গঞ্জ, কুঞ্জ, রঞ্জন, রঞ্জনা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭.
‘শোকানল’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) কর্মধারয় সমাস
  2. খ) তৎপুরুষ সমাস
  3. গ) নিত্য সমাস
  4. ঘ) বহুব্রীহি সমাস
সঠিক উত্তর:
ক) কর্মধারয় সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা

শোক রূপ অনল = শোকানল।
এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়কে অভিন্ন কল্পনা করা হয় এবং উপমান ও উপমেয় বা উপমিত পদে সমাস হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমনঃ
কাজলের ন্যায় কালো = কাজলকালো,
কমল রূপ মুখ = কমলমুখ,
বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদ-সিন্ধু,
মন রূপ মাঝি = মনমাঝি,
জ্ঞান রূপ বৃক্ষ = জ্ঞানবৃক্ষ

উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৮.
বাংলা ব্যাকরণে ‘গুরুচণ্ডালী দোষ’ বলতে কি বোঝায়?
  1. ক) সাধু ভাষার অশুদ্ধ ব্যবহার
  2. খ) চলিত ভাষার অশুদ্ধ ব্যবহার
  3. গ) সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ
  4. ঘ) সাধু ও আঞ্চলিক কথ্য ভাষার মিশ্রণ
সঠিক উত্তর:
গ) সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ
ব্যাখ্যা

সাধু ও চলিত ভাষারীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ।
অর্থাৎ তৎসম শব্দের সাথে দেশীয় শব্দ কখনো কখনো গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে।
এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যোগ্যতা হারায়।
যেমন- অশুদ্ধ- গরুর শকট (দেশি + তৎসম)
শুদ্ধ- গরুর গাড়ি (দেশি + দেশি)
অশুদ্ধ- মড়াদাহ (দেশি + তৎসম)
শুদ্ধ- শবদাহ (তৎসম + তৎসম)
শুদ্ধ- মড়াপোড়া (দেশি + দেশি)।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৯.
সাধু ও চলিতরীতিতে কোন দুটি পদের পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়?
  1. ক) বিশেষণ ও সর্বনাম
  2. খ) সর্বনাম ও ক্রিয়া
  3. গ) ক্রিয়া ও বিশেষ্য
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) সর্বনাম ও ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সর্বনাম ও ক্রিয়া
ব্যাখ্যা

- চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
সুতরাং, এই দুটি পদের ভিন্নতার জন্যই সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী

২০.
‘Imperialism’ শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ কি?
  1. ক) সামন্তবাদ
  2. খ) ফ্যাসিবাদ
  3. গ) সাম্রাজ্যবাদ
  4. ঘ) সাম্যবাদ
সঠিক উত্তর:
গ) সাম্রাজ্যবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাম্রাজ্যবাদ
ব্যাখ্যা

Imperialism - সাম্রাজ্যবাদ
Feudalism - সামন্তবাদ
Fascism - ফ্যাসিবাদ
Communism - সাম্যবাদ

উৎসঃ অক্সফোর্ড ডিকশনারি এবং বাংলা একাডেমী অভিধান।

২১.
‘Juggler’শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ কি?
  1. ক) বড় দোকান
  2. খ) চুল্লি
  3. গ) মৃগি
  4. ঘ) ভোজবাজিকর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভোজবাজিকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভোজবাজিকর
ব্যাখ্যা

শব্দ ও পরিভাষার মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য বিদ্যমান।
পরিভাষা কোনো জ্ঞান - ক্ষেত্রের বৈশিষ্ট্য - জ্ঞাপক ধারনার নাম বা সংজ্ঞার্থ আর শব্দ হচ্ছে ভাষায় ব্যবহৃত যে কোন অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনি সমষ্টি।

Juggler শব্দের পারিভাষিক শব্দ হচ্ছে ভোজবাজিকর।

অপরদিকে,
Furnace শব্দের পারিভাষিক শব্দ হচ্ছে চুল্লি।
Epilepsy শব্দের পারিভাষিক শব্দ মৃগি।
Emporium শব্দের পারিভাষিক শব্দ হচ্ছে গঞ্জ, বড় দোকান।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)

২২.
‘Concession’ শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. ক) রেয়াত
  2. খ) বিবাচক
  3. গ) আদালতগ্রাহ্য
  4. ঘ) প্রচারণ, সংবহন
সঠিক উত্তর:
ক) রেয়াত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রেয়াত
ব্যাখ্যা

Concession শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ হলো রেয়াত, সুবিধা ।
Censor = বিবাচক ।
Cognizable = আদালতগ্রাহ্য ।
Circulation = প্রচারণ, সংবহন ।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ।

২৩.
‘Bourgeois’ এর পারিভাষিক শব্দ কি?
  1. ক) দপ্তরি
  2. খ) বুর্জোয়া
  3. গ) প্রকৃত
  4. ঘ) তকমা
সঠিক উত্তর:
খ) বুর্জোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বুর্জোয়া
ব্যাখ্যা

Bourgeois এর পারিভাষিক শব্দ - বুর্জোয়া।
Binder এর বাংলা পরিভাষা- দপ্তরি।
Bona fide এর পারিভাষিক শব্দ - প্রকৃত।
Badge এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ - তকমা।

উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান

২৪.
'ভাব' অর্থে তদ্ধিত প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়ে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) পাগলামি
  2. খ) জমিদারি
  3. গ) সরকারি
  4. ঘ) জেঠামি
সঠিক উত্তর:
ক) পাগলামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাগলামি
ব্যাখ্যা

ভাব অর্থে 'আমি/আমো' প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দঃ
ইতর + আমি = ইতরামি
পাগল + আমি = পাগলামি
চোর + আমি = চোরামি
বাঁদর + আমি = বাঁদরামি
ফাজিল + আমো = ফাজলামো

- জাত, আগত বা সমন্ধ অর্থে 'ই/ঈ' প্রত্যুয়যুক্ত শব্দ = সরকার - সরকারি।
- নিন্দা জ্ঞাপক অর্থে 'আমি' প্রত্যয়ান্ত শব্দ = জেঠামি, ছেলেমি
- মালিক অর্থে 'ই/ঈ' প্রত্যয়ান্ত শব্দ = জমিদারি, দোকানি।

উৎসঃ নবম দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।

২৫.
অনেক ব্যাকরণবিদ 'কর্মধারয় সমাস'কে কোন সমাসের অন্তর্ভূক্ত করেছেন?
  1. ক) দ্বিগু
  2. খ) বহুব্রীহি
  3. গ) তৎপুরুষ
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব
সঠিক উত্তর:
গ) তৎপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা

- সমাস প্রধানত ছয় প্রকার।
- যথা- দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব সমাস।
- দ্বিগু সমাসকে অনেক ব্যাকরণবিদ কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
- আবার কেউ কেউ কর্মধারয়কেও তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেছেন।
- এদিক থেকে সমাস মূলত চারটি।
- যথা- দ্বন্দ্ব, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি ও অব্যয়ীভাব সমাস।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৬.
'দ্বীপ' কোন সমাস নিষ্পন্ন শব্দ?
  1. ক) কর্মধারয়
  2. খ) বহুব্রীহি
  3. গ) তৎপুরুষ
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব
সঠিক উত্তর:
খ) বহুব্রীহি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা

কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণঃ
দু দিকে অপ যার = দ্বীপ
অন্তর্গত অপ যার = অন্তরীপ
নরাকারে পশু যে = নরপশু
জীবিত থেকেও যে মৃত = জীবন্মৃত
পন্ডিত হয়েও যে মূর্খ = পন্ডিতমূর্খ

উৎসঃ নবম দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।

২৭.
নিচের কোন শব্দযুগল বিপরীতার্থক নয়?
  1. ক) বিপন্নতা - নিরাপত্তা
  2. খ) প্রত্যর্থী - অর্থী
  3. গ) নিরত - অবিরত
  4. ঘ) পথ - বিপথ
সঠিক উত্তর:
গ) নিরত - অবিরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিরত - অবিরত
ব্যাখ্যা

'নিরত' এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে বিরত

তেমনিভাবে,
বিপন্নতা - নিরাপত্তা
প্রত্যর্থী - অর্থী
পথ - বিপথ

উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৮.
নিচের কোন বিপরীতার্থক শব্দজোড়া অশুদ্ধ?
  1. ক) আবশ্যক - অত্যাবশ্যক
  2. খ) চতুর - নির্বোধ
  3. গ) তামসিক - রাজসিক
  4. ঘ) আবির্ভাব - তিরোভাব
সঠিক উত্তর:
ক) আবশ্যক - অত্যাবশ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আবশ্যক - অত্যাবশ্যক
ব্যাখ্যা

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দঃ
আবশ্যক - অনাবশ্যক
চতুর - নির্বোধ
তামসিক - রাজসিক
আবির্ভাব - তিরোভাব
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৯.
‘বিভা’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) জ্যোতি
  2. খ) প্রভাকর
  3. গ) রওশন
  4. ঘ) ক + গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + গ
ব্যাখ্যা

রওশন শব্দটি 'জ্যোতি' শব্দের সমার্থক শব্দ।
আলো - আলোক, বিভা, কিরণ, দীপ্তি, প্রভা, জ্যোতি, ময়ূখ, রওশন, নুর, আভা৷
সূর্য - সবিতা, রবি, ভানু, প্রভাকর, দিবাকর, দিবাবসু, দিনকর, দিনপতি৷
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷

৩০.
নিচের কোনটি ‘অশ্ব' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. ক) কুঞ্জর
  2. খ) সৈন্ধব
  3. গ) নৃপ
  4. ঘ) ক্ষিতি
সঠিক উত্তর:
খ) সৈন্ধব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈন্ধব
ব্যাখ্যা

যেসকল শব্দ একই অর্থ প্রকাশ করে, তাদের সমার্থক বা একার্থক শব্দ বলে।
রচনার মাধুর্য সৃষ্টির জন্য অনেক সময় একটা অর্থকেই বিভিন্ন বাক্যে বিভিন্ন শব্দ দ্বারা প্রকাশ করা প্রয়োজন হয়।

'অশ্ব' শব্দের সমার্থক শব্দ- ঘোড়া, ঘোটক, হয়, বাহ, বাজী, তুরঙ্গ, মতুরগ, সৈন্ধব, বাহনশ্রেষ্ঠ, হ্রেষী, মরুদ্রথ, ঘোটকী, তুরঙ্গ, বামী, টাঙ্গন, বড়বা ইত্যাদি।

গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দঃ
'অর্ক' শব্দের সমার্থক শব্দ- সূর্য, তপন, আদিত্য, দিবাকর, ভাস্কর, ভানু, মার্তণ্ড, রবি, সবিতা ইত্যাদি।
'তিমির' শব্দের সমার্থক শব্দ- অন্ধকার, আঁধার, তমসা ইত্যাদি।
'অম্বর' শব্দের সমার্থক শব্দ- আকাশ, গগন, নভঃ, ব্যোম ইত্যাদি।
কুঞ্জর সমার্থক শব্দ- হস্তী- হাতি, গজ, নাগ, মাতঙ্গ, কুঞ্জর, বারণ, দন্তী, দ্বিপ, দ্বিরদ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলা একাডেমি ডিকশনারি।

৩১.
‘ক্ষণদা’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) শর্বরী
  2. খ) সুধাকর
  3. গ) তিমির
  4. ঘ) দিবাকর
সঠিক উত্তর:
ক) শর্বরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শর্বরী
ব্যাখ্যা

রাত্রি - নিশা, রজনী, যামিনী, নিশীথিনী, শর্বরী, বিভাবরী, ক্ষণদা
অন্ধকার - আধাঁর, তিমির, তমঃ।
চাঁদ - চন্দ্র, সুধাকর, সোম, বিধু।
পাখি - পক্ষী, বিহগ, পতগ, বিহঙ্গ, খগ, দ্বিজ, খেচর, পক্ষধর, চিড়িয়া, পাখপাখালি।
অর্ক - সূর্য, তপন, আদিত্য, দিবাকর, ভাস্কর, ভানু, মার্তণ্ড, রবি, সবিতা ইত্যাদি।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷

৩২.
নিচের কোন অনুজ্ঞাবাচক বাক্যটিতে 'অনুরোধ' প্রকাশ পায়?
  1. ক) অন্যায় কাজ করো না।
  2. খ) আপনারা আসবেন।
  3. গ) মন দিয়ে পড়।
  4. ঘ) তুমি কাল যেও।
সঠিক উত্তর:
খ) আপনারা আসবেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আপনারা আসবেন।
ব্যাখ্যা

অনুজ্ঞা ভাবঃ আদেশ নিষেধ, উপদেশ, অনুরোধ, আশীর্বাদ ইত্যাদি সূচিত হলে ক্রিয়াপদের অনুজ্ঞা ভাব হয়।
যেমনঃ
নিষেধাত্মক - অন্যায় কাজ করো না।
অনুরোধসূচক - আপনারা আসবেন।
উপদেশাত্মক - মন দিয়ে পড়।
আদেশাত্মক - তুমি কাল যেও।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণঃ নবম-দশম শ্রেণী

৩৩.
'হিসাবনিকাশ' বোঝাতে নিচের কোন বাগধারার প্রয়োগ হয়?
  1. ক) খতিয়ে দেখা
  2. খ) হাতভাড়ি
  3. গ) গাছপাথর
  4. ঘ) হাড়হদ্দ
সঠিক উত্তর:
গ) গাছপাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গাছপাথর
ব্যাখ্যা

গাছপাথর - হিসেবনিকেশ।
যেমনঃ আমরা সেকেলে, আমাদের বয়সের কি কোনো গাছপাথর আছে!

হাতভাড়ি - ব্যয়কুন্ঠ
হাড়হদ্দ - সবকিছু।
খতিয়ে দেখা - বিবেচনা করা।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ

৩৪.
‘এ ব্যাপারে সে অতিশয় দুঃখিত।’ এ বাক্যে “অতিশয়” হল -
  1. ক) ক্রিয়া বিশেষণ
  2. খ) বিশেষণীয় বিশেষণ
  3. গ) অব্যয়ের বিশেষণ
  4. ঘ) বাক্যের বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
খ) বিশেষণীয় বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিশেষণীয় বিশেষণ
ব্যাখ্যা

‘এ ব্যাপারে সে অতিশয় দুঃখিত।’ এখানে অতিশয় বিশেষণীয় বিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হয়েছে।

যে পদ নাম বিশেষণ অথবা ক্রিয়া বিশেষণকে বিশেষিত করে, তাকে বিশেষণীয় বিশেষণ বলে।
যথা- সামান্য একটু দুধ দাও। রকেট অতি দ্রুত চলে। ঘিয়ের চেয়ে দুধ বেশি উপকারী।
(বাংলা শব্দে দুটি বস্তুর মধ্যে অতিশায়নে জোর দিতে হলে মূল বিশেষণের আগে অনেক, অধিক, অতিশয়, বেশি, অল্প, কম, অধিকতর প্রভৃতি বিশেষণীয় বিশেষণ যোগ করতে হয়।)

[সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণী]

৩৫.
রবিন দোকানে গিয়েছে। - এই বাক্যে ক্রিয়ার কোন ধরনের ভাব প্রকাশ পেয়েছে?
  1. ক) অনুজ্ঞা ভাব
  2. খ) শর্তসাপেক্ষ ভাব
  3. গ) নির্দেশক ভাব
  4. ঘ) আকাঙ্ক্ষাবাচক ভাব
সঠিক উত্তর:
গ) নির্দেশক ভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নির্দেশক ভাব
ব্যাখ্যা

ক্রিয়ার ভাবকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমনঃ
নির্দেশক ভাব - রবিন দোকানে গিয়েছে
অনুজ্ঞা ভাব -অন্ধকে ভিক্ষা দিন।
শর্তসাপেক্ষ ভাব - যদি মানা কর, করব না।
আকাঙ্ক্ষাবাচক ভাব - যা হয় হোক।

উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ

৩৬.
নিচের কোনটির পুরুষবাচক রূপ নেই?
  1. ক) ননদ
  2. খ) বেয়াইন
  3. গ) ঠাকুরঝি
  4. ঘ) সতীন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সতীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সতীন
ব্যাখ্যা

নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম শব্দঃ কুলটা, সতীন, অর্ধাঙ্গিনী, বিধবা, অসূর্যম্পশ্যা, অরক্ষণীয়া, সপত্নী ইত্যাদি।
স্বামী ও পত্নীবাচক অর্থেঃ নন্দাই - ননদ
অনেক সময় আলাদা আলাদা শব্দে পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়ঃ বেয়াই - বেয়াইন।
কতগুলো শব্দের শেষে পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করে শব্দ গঠন করা হয়ঃ ঠাকুরপো - ঠাকুরঝি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)।

৩৭.
নিত্য পুরুষবাচক শব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) কবিরাজ
  2. খ) ঢাকী
  3. গ) কৃতদার
  4. ঘ) ভিখারী
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিখারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিখারী
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষায় বহু বিশেষ্য পদ রয়েছে যাদের কোনটিতে পুরুষ ও কোনটিতে স্ত্রী বোঝায়।
যে শব্দে পুরুষ বোঝায় তাকে পুরুষবাচক শব্দ বলে আর যে শব্দে স্ত্রী বোঝায় তাকে স্ত্রীবাচক শব্দ বলে।
কতগুলো শব্দে কেবল পুরুষ বোঝায় সেগুলোকে নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বলে।
কবিরাজ শব্দের মতো আরো এরকম নিত্য পুরুষবাচক শব্দ হলোঃ ঢাকী, কৃতদার, অকৃতদার ইত্যাদি।
অপরদিকে
পুরুষবাচক শব্দের শেষে ঈ থাকলে স্ত্রীবাচক শব্দে নী হয় এবং আগের ঈ ই হয়।
যেমনঃ ভিখারী - ভিখারিনী, অভিসারী - অভিসারিনী।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)।

৩৮.
যেসব অব্যয় বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে পৃথকভাবে বসে শব্দ বিভক্তির মতো তাদের কারক-সম্বন্ধ নির্ধারণ করে, তাদের কি বলে?
  1. ক) অনুসর্গ
  2. খ) প্রাতিপদিক
  3. গ) প্রকৃতি
  4. ঘ) ধাতু
সঠিক উত্তর:
ক) অনুসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অনুসর্গ
ব্যাখ্যা

অনুসর্গঃ যেসব অব্যয় বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে পৃথকভাবে বসে শব্দ বিভক্তির মতো তাদের কারক-সম্বন্ধ নির্ধারণ করে, তাদের অনুসর্গ বলা হয়।
কেবল বিভক্তির মতো কারক-সম্বন্ধ নির্দেশ করলে তবেই তাদের অনুসর্গ বলে।
যেমনঃ দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? বাক্যে বিনা অনুসর্গের উদাহরণ।

বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।
যেমনঃ হাত, বই, কলম ইত্যাদি।

প্রকৃতিঃ যে শব্দকে বা কোন শব্দের যে অংশকে আর কোন ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায় না, তাকে প্রকৃতি বলে।
যেমনঃ হাত + ল = হাতল (বাঁট)। এখানে হাত শব্দটিকে বলা হয় প্রকৃতি বা মূল অংশ।

ধাতুঃ ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।
যেমনঃ 'করে' একটি ক্রিয়াপদ। এতে দুটো অংশ রয়েছে।কর্‌ + এ।কর্‌ হলো ধাতু এবং এ বিভক্তি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী।

৩৯.
নিচের কোন উপসর্গটি বাংলা ও সংস্কৃত উভয় প্রকার শব্দে পাওয়া যায়?
  1. ক) কদ
  2. খ) আ
  3. গ) প্রতি
  4. ঘ) অতি
সঠিক উত্তর:
খ) আ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আ
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ মোট ২০ টি।
যথা- প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।
খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি। যথা- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, রাম, স, সা, সু, হা, বি, ভর।
আ, সু, বি, নি- এই ৪টি উপসর্গ বাংলা এবং তৎসম উভয় প্রকার শব্দে পাওয়া যায়।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪০.
'প্রতিমূর্তি' শব্দে উপসর্গ ‘প্রতি’ কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) সদৃশ
  2. খ) বিরোধ
  3. গ) পৌনঃপুন
  4. ঘ) অনুরূপ কাজ
সঠিক উত্তর:
ক) সদৃশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সদৃশ
ব্যাখ্যা

উপসর্গঃ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে কতিপয় সুনির্দিষ্ট অব্যয় জাতীয় শব্দাংশ যুক্ত হয়ে সাধিত শব্দের অর্থের পরিবর্তন,সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটিয়ে থাকে। এগুলোকে বলা হয় উপসর্গ।
উপসর্গ ৩ প্রকার।
- সংস্কৃত
- বাংলা
- বিদেশী

সংস্কৃত উপসর্গঃ প্র, পরা, অপ, সম্‌, নি, প্রতি এ রূপ বিশটি (২০) টি উপসর্গ রয়েছে।
বাংলা উপসর্গ বাংলা শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে।

প্রতি
অর্থদ্যোতকতা - সদৃশ
উদাহরণ - প্রতিমূর্তি, প্রতিধ্বনি ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী

৪১.
‘শয়ন’ শব্দটি কোন ধরনের বিশেষ্য পদ?
  1. ক) সমষ্টিবাচক
  2. খ) বস্তুবাচক
  3. গ) গুণবাচক
  4. ঘ) ভাববাচক
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভাববাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভাববাচক
ব্যাখ্যা

কয়েক ধরনের বিশেষ্য পদঃ
১. গুণবাচক বিশেষ্যঃ মধুরতা, তারল্য, তিক্ততা, সৌরভ, স্বাস্থ্য, যৌবন ইত্যাদি।
২. ভাববাচকঃ গমন, দর্শন, ভোজন, শয়ন, দেখা, শোনা।
৩. বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচকঃ বই, খাতা, কলম ইত্যাদি।
৪. সমষ্টিবাচক - পঞ্চায়েত, মাহফিল, জনতা, সভা, সমিতি ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণঃ নবম-দশম শ্রেণী

৪২.
নিচের কোনটি বিদেশি ধাতু নয়?
  1. ক) ঢাক্
  2. খ) টান্
  3. গ) খাট্
  4. ঘ) কাট্
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাট্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাট্
ব্যাখ্যা

কাট্‌ হলো বাংলা ধাতুর উদাহরণ।

বাংলা ভাষায় মৌলিক ধাতুগুলোকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
যথা - সংস্কৃত, বাংলা ও বিদেশি ধাতু৷
সংস্কৃত ধাতু - কৃ, গম্, ধৃ, গঠ্‌, স্থা ইত্যাদি।
বাংলা ধাতু - কাট্, আঁক্, কাঁদ্, নাচ্, কর্ ইত্যাদি৷
বিদেশি ধাতু - ঢাক্, টান্, ঝুল্, খাট্ ইত্যাদি৷

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও নবম-দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বই।

৪৩.
সংস্কৃত ধাতু কৃ এর বাংলা ধাতুরূপ কি?
  1. ক) কর
  2. খ) কর্‌
  3. গ) করা
  4. ঘ) কৃৎ
সঠিক উত্তর:
খ) কর্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কর্‌
ব্যাখ্যা

যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসেনি সেগুলো হলো বাংলা ধাতু।
যেমনঃ কাট্‌, কাঁদ, জান্‌ ইত্যাদি।
বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে।
যেমনঃ কৃ, গম্‌, ধৃ, গঠ্‌ ইত্যাদি।

সংস্কৃত ধাতু কৃ তা থেকে সাধিত পদ হল কৃৎ, কর্তব্য।
সংস্কৃত ধাতুর একই অর্থবোধক বাংলা ধাতু কর্‌ এবং তা থেকে সাধিত পদ করা, করে।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি।

৪৪.
মাংসভোজী পশু অত্যন্ত বলবান - কোন ধরনের বাক্য?
  1. ক) মিশ্র বাক্য
  2. খ) সরল বাক্য
  3. গ) যৌগিক বাক্য
  4. ঘ) আশ্রিত বাক্য
সঠিক উত্তর:
খ) সরল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সরল বাক্য
ব্যাখ্যা

যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন-
- স্নেহময়ী জননী স্বীয় সন্তানকে প্রাণাপেক্ষা ভালবাসেন।
প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি একটি সরল বাক্য।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি।

৪৫.
যেখানে আকাশ আর সমুদ্র একাকার হয়ে গেছে, সেখানেই দিকচক্রবাল। - বাক্যটি কোন ধরনের?
  1. ক) বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খন্ডবাক্য
  2. খ) বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খন্ডবাক্য
  3. গ) ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় খন্ডবাক্য
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় খন্ডবাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় খন্ডবাক্য
ব্যাখ্যা

আশ্রিত খন্ডবাক্য ৩ প্রকার। যথা-
ক) বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খন্ডবাক্য,
খ) বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খন্ডবাক্য এবং
গ) ক্রিয়া বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খন্ডবাক্য।

যেখানে আকাশ আর সমুদ্র একাকার হয়ে গেছে,
সেখানেই দিকচক্রবাল। - বাক্যটি ক্রিয়া বিশেষণ স্থানীয় খন্ডবাক্যের উদাহরণ।

উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৬.
বাংলা মাসের তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি কোন ভাষার নিয়মে সাধিত হয়?
  1. ক) বাংলা
  2. খ) ফারসি
  3. গ) আরবি
  4. ঘ) হিন্দি
সঠিক উত্তর:
ঘ) হিন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হিন্দি
ব্যাখ্যা

সংখ্যাবাচক শব্দ চার প্রকার
যথাঃ
অংকবাচক
পরিমাণ বা গণনাবাচক
ক্রম বা পূরণবাচক
তারিখবাচক

তারিখবাচক শব্দঃ বাংলা মাসের তারিখ বোঝাতে যে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে তারিখবাচক শব্দ বলে।
যেমন - পয়লা বৈশাখ, বাইশে শ্রাবণ ইত্যাদি।

তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়।
বাকি গুলো বাঙলার নিজস্ব ভঙ্গিতে গঠিত

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৭.
কেবলমাত্র ____ ও _____ পদের বচনভেদ হয়। শুণ্যস্থান গুলোতে কী কী বসবে?
  1. ক) বিশেষ্য, বিশেষণ
  2. খ) বিশেষণ, সর্বনাম
  3. গ) বিশেষ্য, সর্বনাম
  4. ঘ) সর্বনাম, ক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) বিশেষ্য, সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিশেষ্য, সর্বনাম
ব্যাখ্যা

'বচন' ব্যাকরণের একটি পারিভাষিক শব্দ।
এর অর্থ সংখ্যার ধারনা।
ব্যাকরনের বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যাগত ধারনা প্রকাশের উপায়কে বচন বলে।

কেবলমাত্র বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের বচনভেদ হয়। কোন কোন সময় টা, টি, খানা, খানি ইত্যাদি যোগ করে করে বিশেষ্যের একবচক নির্দেশ করা হয়।
যেমনঃ গরুটা, বাছুরটা, কলমটা ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৮.
নিচের কোনটি বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ নয়?
  1. ক) ওয়া
  2. খ) গর
  3. গ) ওয়ান
  4. ঘ) আনা
সঠিক উত্তর:
ক) ওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওয়া
ব্যাখ্যা

শব্দের সঙ্গে (শেষে) যেসব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
তদ্ধিত প্রত্যয় তিন প্রকার।
যথাঃ
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়।
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়।
তৎসম তদ্ধিত প্রত্যয়।

বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় -
উয়া/ওয়া > ওঃ সম্পর্কিত অর্থে - ঘর + ওয়া = ঘরোয়া, জল + ওয়া = জলুয়া > জলো (দুধ)

কতগুলো বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় হলো -
আনা (গরিবানা),
আনি (বাবুয়ানি),
ওয়ান (গাড়োয়ান),
খানা (ছাপাখানা),
গর (কারিগর),
দার (চৌকিদার),
বাজ (চালবাজ),
সই (মানানসই) ইত্যাদি৷

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷

৪৯.
ফারসি তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) দেনাদার
  2. খ) ধোঁকাবাজ
  3. গ) জবানবন্দি
  4. ঘ) টিপসই
সঠিক উত্তর:
ঘ) টিপসই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টিপসই
ব্যাখ্যা

'টিপসই' ও 'নামসই' শব্দ দুটোর 'সই' প্রত্যয় নয়। এটি 'সহি' (অর্থ - স্বাক্ষর) শব্দ থেকে উৎপন্ন ।

'বাজ' ফারসি প্রত্যয়যোগে গঠিত কয়েকটি শব্দ হচ্ছে - গলাবাজ, কলমবাজ, ধড়িবাজ, ধোঁকাবাজ ইত্যাদি।
'দার' ফারসি প্রত্যয়যোগে গঠিত কয়েকটি শব্দ হচ্ছে - তাঁবেদার, খবরদার, বুটিদার, দেনাদার ইত্যাদি
'বন্দি/'বন্দ্‌'' ফারসি প্রত্যয়যোগে গঠিত কয়েকটি শব্দ হচ্ছে - জবানবন্দি, সারিবন্দি, নজরবন্দি ইত্যাদি

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫০.
‘মন্দির’ কোন ধরণের শব্দ?
  1. ক) মৌলিক
  2. খ) যোগরূঢ়
  3. গ) যৌগিক
  4. ঘ) রূঢ়ি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রূঢ়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রূঢ়ি
ব্যাখ্যা

রুঢ়ি শব্দ:
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযাগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনাে বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রুঢ়ি শব্দ বলে।

মন্দির (বিশেষ্য) = দেবালয়; পূজা বা উপাসনার গৃহ।
(তৎসম বা সংস্কৃত) √মন্দ্‌+ইর (কিরচ্‌)
যেহেতু শব্দটি কৃৎ-প্রতয়ান্ত শব্দ; তাই এটি রুঢ়ি শব্দ

অন্যান্য আরো কিছু রূঢ়ি শব্দঃ
হস্তী, গবেষণা, বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ, হরিণ, কুশল, পাঞ্জাবি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনাে বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে, তাদের যােগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন- পঙ্কজ, আদিত্য, রাজপুত, মহাযাত্রা, জলধি, তুরঙ্গম, জলদ, দশানন, পরিবার ইত্যাদি।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ ও বাংলা একাডেমি অভিধান।

৫১.
'অশ্রুতপূর্ব' শব্দটির অর্থ কি?
  1. ক) যে শুনেই মনে রাখতে পারে।
  2. খ) হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ।
  3. গ) যে কিছুই মনে রাখতে পারে না।
  4. ঘ) যা পূর্বে শোনা যায় নি।
সঠিক উত্তর:
ঘ) যা পূর্বে শোনা যায় নি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যা পূর্বে শোনা যায় নি।
ব্যাখ্যা

অশ্রুতপূর্ব = যা পূর্বে শোনা যায় নি।
শ্রুতিধর = যে শুনেই মনে রাখতে পারে।
শ্বাপদসংকুল = যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।

৫২.
‘অন্যান্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে।’ আলোচ্য বাক্যে কোন ধরনের অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) বচনজনিত
  2. খ) বাচ্যজনিত
  3. গ) বাহুল্যজনিত
  4. ঘ) যথার্থ শব্দ প্রয়োগ না করায়
সঠিক উত্তর:
ক) বচনজনিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বচনজনিত
ব্যাখ্যা

‘অন্যান্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে।'- এই বাক্যে বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি আছে।
এই বাক্যের শুদ্ধ রূপ হবে - অন্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে।

উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ

৫৩.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) দশচক্রে ঈশ্বর ভূত।
  2. খ) অশ্রুজলে বুক ভেসে গেল।
  3. গ) কারো দৈন্য নিয়ে উপহাস কোরো না।
  4. ঘ) কথাটি সঠিক নয়।
সঠিক উত্তর:
গ) কারো দৈন্য নিয়ে উপহাস কোরো না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কারো দৈন্য নিয়ে উপহাস কোরো না।
ব্যাখ্যা

কারো দৈন্য/দীনতা নিয়ে উপহাস কোরো না। বাক্যটি সম্পূর্ণ সঠিক।

প্রশ্নের অন্যান্য বাক্যের সঠিক রূপ-
দশচক্রে ভগবান ভূত।
অশ্রুতে বুক ভেসে গেল।
কথাটি ঠিক নয়।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৫৪.
নিচের কোন বাক্যে বিশেষ্য পদের বাহুল্য প্রয়োগজনিত ভুল রয়েছে?
  1. ক) ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল।
  2. খ) সে সম্ভ্রান্তশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
  3. গ) শুধুমাত্র এই কটা টাকা দিলে?
  4. ঘ) যুক্তি খন্ডিত হয়েছে, মুক্তি মেলে নি।
সঠিক উত্তর:
খ) সে সম্ভ্রান্তশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সে সম্ভ্রান্তশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
ব্যাখ্যা

বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য পদকে বিশেষণ বা বিশেষণ পদকে বিশেষ্য ভেবে পদ পরিবর্তন করে এ ধরনের ভুল করা হয়।
যেমনঃ সে সম্ভ্রান্তশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
শুদ্ধ রূপঃ সে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।

- অপশন ক) তে বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত ভুল রয়েছে।
এর সঠিক রূপঃক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।
- অপশন গ) তে হুল্যজনিত অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি রয়েছে।
এর শুদ্ধরূপ হবেঃ শুধু এই কটা টাকা দিলে?
- অপশন ঘ) তে বাচ্যজনিত অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি রয়েছে।
এর শুদ্ধরূপ হবেঃ যুক্তি খন্ডন হয়েছে, তবে মুক্তি মেলে নি।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৫৫.
‘গ্রীষ্মের তাপদাহে জীবন অতিষ্ঠ।’ বাক্যটিতে কিসের অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) বচনজনিত
  2. খ) গুরুচন্ডালীজনিত
  3. গ) উপমাজনিত
  4. ঘ) সমাসজনিত
সঠিক উত্তর:
খ) গুরুচন্ডালীজনিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গুরুচন্ডালীজনিত
ব্যাখ্যা

গুরুচণ্ডালী বলতে বোঝায় তদ্ভব এবং তৎসম শব্দের মিশ্রণ।
এমন হলে বাক্যে অপপ্রয়োগ হয়েছে বলা যায়৷
এদের গুরুচণ্ডালী ভুল গুলো হচ্ছে - গরুর শকট, মড়া দাহ, শব পোড়া, তাপদাহ
গরুর গাড়ি, মরা পোড়া, শবদাহ, দাবদাহ - এরকম হলে গুরুচণ্ডালী দোষ হবে না।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি

৫৬.
‘মোনেম মুন্না ছিলেন জনপ্রিয় খেলোয়ার ফুটবল।’ বাক্যের কোন গুণটি নেই?
  1. ক) আকাঙ্ক্ষা
  2. খ) আসক্তি
  3. গ) যোগ্যতা
  4. ঘ) আসত্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) আসত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আসত্তি
ব্যাখ্যা

বাক্যের সম্পূর্ণ মনোভাব প্রকাশের জন্যে বাক্যস্থিত পদগুলোকে সঠিকভাবে সাজিয়ে লেখা বা বলার নামই আসত্তি।
বাক্যকে সম্পূর্ণ করার জন্য প্রয়োজন আকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি।
আর সুসংহত করার জন্য প্রয়োজন যোগ্যতা ও আসত্তি৷ সুতরাং একটি সার্থক বাক্যের ভিত্তি আকাঙ্ক্ষা, যোগ্যতা ও আসত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত৷
এই তিনটি বিষয়ের কোন একটির অভাব ঘটলে বাক্য নিরর্থক হয়ে পড়ে৷
যেমন-‘মোনেম মুন্না ছিলেন জনপ্রিয় খেলোয়ার ফুটবল।’——এতে একটি সম্পূর্ণ বাক্যের সবগুলো পদই আছে, কিন্তু আসত্তির অভাবে বাক্য হয়নি৷
পদগুলোর অর্থসংগতি রক্ষা করে ঠিকমত সাজালেই বাক্য হবে৷
অর্থাৎ সঠিক বাক্য- ‘মোনেম মুন্না জনপ্রিয় ফুটবল খেলোয়ার ছিলেন।'

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৫৭.
নিচের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ?
  1. ক) সদ্য + জাত = সদ্যোজাত
  2. খ) মনঃ + নীত = মনোনীত
  3. গ) সম্‌ + কার = সংস্কার
  4. ঘ) বিশ্ব + মিত্র = বিশ্বামিত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিশ্ব + মিত্র = বিশ্বামিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিশ্ব + মিত্র = বিশ্বামিত্র
ব্যাখ্যা

ব্যাকরণের সাধারণ বা বিশেষ কোনো নিয়মানুসারেই যখন কোন কর্ম ব্যাখ্যা করা যায় না, অথচ তা সংঘটিত হয়, তখন সেই ব্যতিক্রমকে বৈধতা দেয়ার মানে নিপাতনে সিদ্ধ।
গো + পদ = গোষ্পদ।
বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি।
মনষ্‌ + ঈষা = মনীষা।
আ + পদ = আস্পদ।
বাক্‌ + ঈশ্বরী = বাগেশ্বরী।
বিশ্ব + মিত্র = বিশ্বামিত্র।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৫৮.
শুদ্ধ বানানটি চিহ্নিত করুনঃ
  1. ক) প্রত্ন্যুপন্নমতি
  2. খ) ত্রহস্পর্শ
  3. গ) চক্ষুষ্মান
  4. ঘ) উন্মীলীত
সঠিক উত্তর:
গ) চক্ষুষ্মান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চক্ষুষ্মান
ব্যাখ্যা

চক্ষুষ্মান (বিশেষণ) = চক্ষু আছে এরূপ; দর্শনেন্দ্রয়বিশিষ্ট।

অন্যান্য শব্দের সঠিকরূপঃ
প্রত্ন্যুপন্নমতি = প্রত্যুৎপন্নমতি
ত্রহস্পর্শ = ত্র্যহস্পর্শ
উন্মীলীত = উন্মীলিত
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।

৫৯.
নিচের কোন শব্দটির শুদ্ধ প্রয়োগ হয়েছে?
  1. ক) ঐক্যমত
  2. খ) বিশিষ্টতা
  3. গ) বাহুল্য
  4. ঘ) খ + গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ + গ
ব্যাখ্যা

ঐক্যমত শব্দটিতে অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি রয়েছে।
এর শুদ্ধরূপ - ঐকমত্য।
অন্যদিকে,
- বৈশিষ্ট্য বা বিশিষ্টতা - দুটি শব্দই শুদ্ধ। তবে, বৈশিষ্ট্যতা অশুদ্ধ।
- বাহুল্য বা বহুলতা -দুটি শব্দই শুদ্ধ। তবে, বাহুল্যতা শব্দটি অশুদ্ধ।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৬০.
বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি নয় কোনটি?
  1. ক) অ
  2. খ) আ
  3. গ) ই
  4. ঘ) ঈ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঈ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঈ
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি৷
যথাঃ অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা৷
বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনি মোট ২৫টি।
এর মধ্যে মাত্র ২টি যৌগিক স্বরধ্বনির নিজস্ব বর্ণ আছে। যথাঃ (অ+ই) ঐ, (অ+উ) ঔ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি।

৬১.
নিচের কোনটি যুগ্মরীতি দ্বিরুক্ত শব্দ?
  1. ক) চুপিচুপি
  2. খ) ডেকেডেকে
  3. গ) গরমগরম
  4. ঘ) মিটমাট
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিটমাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিটমাট
ব্যাখ্যা

একই শব্দ ঈষৎ পরিবর্তন করে দ্বিরুক্ত শব্দ গঠনের রীতিকে বলে যুগ্মরীতি।
যুগ্মরীতিতে দ্বিরুক্ত গঠনের কয়েকটি নিয়ম রয়েছে।
যেমন-
১. শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন করেঃ চুপচাপ, মিটমাট, জারিজুরি।
২. শব্দের অন্ত্যস্বরের পরিবর্তন করেঃ মারামারি, হাতাহাতি, সরাসরি, জেদাজেদি।
৩. দ্বিতীয়বার ব্যবহারের সময় ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তনেঃ ছটফট, নিশপিশ, ভাতটাত।
৪. সমার্থক বা একার্থক সহচর শব্দ যোগেঃ চালচলন, রীতিনীতি, বনজঙ্গল, ভয়ডর।
৫. ভিন্নার্থক শব্দ যোগেঃ ডালভাত, তালাচাবি, পথঘাট, অলিগলি।
৬. বিপরীতার্থক শব্দ যোগেঃ ছোট-বড়, আসা-যাওয়া, জন্ম-মৃত্যু, আদান-প্রদান।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।