পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৩ আইন বিষয়াবলী - ৬ Subject: The Specific Relief Act, 1877 Topic: Section 31-57 (Rectification of Instruments, Rescission of Contracts, Cancellation of Instruments, Declaratory Decrees, Appointment of Receivers, Injunctions, Perpetual Injunctions).
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
The specific Relief Act, 1877 এর কত ধারায় নেতিবাচক চুক্তি পালনে নিষেধাজ্ঞার বিধানটি রয়েছে?
  1. ৫৪ ধারা 
  2. ৫৫ ধারা 
  3. ৫৬ ধারা 
  4. ৫৭ ধারা 
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা 
ব্যাখ্যা

Correct answer: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য আদালত যে নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করে তাকে Negative Injunction বা নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা বলে।

• নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।
- যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
-----------------
• The Specific Relief Act, 1877, Section-57. Injunction to perform negative agreement:
- Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

.
'এ' একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত জমির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবী করে। 'এ' কোন প্রকৃতির মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. অগ্রক্রয়ের
  2. ঘোষণার 
  3. ক্ষতিপূরণের
  4. বন্টনের
সঠিক উত্তর:
ঘোষণার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণার 
ব্যাখ্যা

Correct answer: ঘোষণার।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
-----
The Specific Relief Act, 1877, Section-42: Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:

- সুতরাং শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে। ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।

- উল্লিখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে 'এ' এর প্রতিকার হল ঘোষণামূলক মামলা দায়ের।

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুসারে রিসিভার নিয়োগ প্রদান করে কে?
  1. আদালত
  2. মামলার পক্ষ
  3. সরকার
  4. মামলার পক্ষগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণ
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা

Correct answer: আদালত।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭, ধারা ৪৪: রিসিভার নিয়োগ রিসিভার নিয়োগ ইচ্ছাধীন:
- বিচারাধীন মামলায় রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন।
- দেওয়ানি কার্যবিধির উল্লেখ- তাহার নিয়োগের পদ্ধতি ও ফলাফল, এবং তাহার অধিকার, ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে।
---------------
Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী আদালত কখন দলিল বাতিলের আদেশ দিতে পারেন?
  1. দলিলটি বাতিল হলে।
  2. দলিলটি বাতিলযোগ্য হলে।
  3. দলিলটি অনিষ্পন্ন অবস্থায় রেখে দিলে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ায় আশংকা থাকলে।
  4. সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো।
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী, আদালত নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারে-
১. কোন লিখিত দলিল বাতিল [Void] বা বাতিলযোগ্য [Voidable] হলে;
২. যদি বাদীর যুক্তিসঙ্গত আশংকা থাকে যে, এরুপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' জমিটি 'গ' এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পরে 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এই মর্মে একটি জাল দলিল পেশ করে এই মর্মে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবে 'খ' কে উক্ত জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিল বাতিলের জন্য আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৪০ ধারা অনুযায়ী যদি কোন দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করলে সেক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. সকল অধিকার বাতিল করতে পারে 
  2. সকল অধিকার বহাল করতে পারে 
  3. উপযুক্ত ক্ষেত্রে আংশিক বাতিল বা আংশিক বহাল রাখতে পারে
  4. দলিল বাতিলের আদেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত ক্ষেত্রে আংশিক বাতিল বা আংশিক বহাল রাখতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত ক্ষেত্রে আংশিক বাতিল বা আংশিক বহাল রাখতে পারে
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী,
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র সেই বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে। দলিলের অবশিষ্ট অংশগুলি বলবৎ থাকবে।
------------------- 
• According to section 40 of the Specific Relief act,                                      
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.

- অর্থাৎ দলিলের সম্পূর্ণ অংশই বাতিল হবে না, শুধু বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বা অকার্যকর হবে। দলিলের অন্যান্য অংশসমূহ যেখানে বৈধ অধিকার সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলি বলবৎ থাকবে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হল একই দলিলের সকল অংশকেই বাতিল না করে, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশকেই বাতিল করা এবং বাকি দলিলটিকে কার্যকর রাখা। এতে দলিলের মূল উদ্দেশ্য বা বৈধ অংশগুলি বলবৎ থাকবে এবং কেবলমাত্র অবৈধ অংশটি বাতিল হবে। এটি দলিলের পক্ষদের স্বার্থরক্ষা করে।

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কোন ধারায় দলিল সংশোধনের নীতিসমূহ উল্লেখ করা আছে?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩২ ধারা
  3. ৩৩  ধারা
  4. ৩৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৩  ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩  ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৩: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
লিখিত দলিল সংশোধন করার সময়, আদালত শুধুমাত্র এ বিষয়টি অনুসন্ধান করতে সীমাবদ্ধ থাকবে না যে, দলিলের ভাষার অর্থ কী হওয়ার কথা ছিল। বরং আদালত এও অনুসন্ধান করতে পারবে যে, দলিলটির উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর আইনগত পরিণতি কী হওয়ার কথা ছিল।
----------------
Section 33- Principles of rectification:
In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত করতে আদালত-
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা জারি করবে
  4. নিষেধাজ্ঞা জারি করতে অস্বীকৃতি জানাবে
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা জারি করতে অস্বীকৃতি জানাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা জারি করতে অস্বীকৃতি জানাবে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে;
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুসারে একটি দলিল সংশোধিত হতে পারে শুধুমাত্র-
  1. পক্ষগণ দ্বারা 
  2. সম্পাদনকারীগণ দ্বারা
  3. সত্যায়নকারী সাক্ষী দ্বারা 
  4. আদালত দ্বারা
সঠিক উত্তর:
আদালত দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত দ্বারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে;
এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
---------------
Section 31- When instrument may be rectified:
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে কত দিনের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৬ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারায় জাল দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করা হয়:
⇒ ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন- যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে। দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করা- আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।

১০.
A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। সে অন্যত্র গান পরিবেশন করা হতে বিরত রাখতে B নিম্নলিখিত কোন মামলাটি করতে পারে?
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ এর মামলা 
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার চুক্তি বলবৎ এর মামলা
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মামলা 
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারার নিষেধাজ্ঞার মামলা
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারার নিষেধাজ্ঞার মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারার নিষেধাজ্ঞার মামলা
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারা- নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞাঃ
ধারা ৫৬ এর উপধারা-(চ) এর বিধান সত্ত্বেও যেক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করবার সম্মতির সমন্বয়, সেক্ষেত্রে হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কাজ সম্পাদন সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, বাদী তার যতটুকু অবশ্যপালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালনে ব্যর্থ হয় নাই।
--------------------------
Section 57- Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from grating an injunction to perform the negative agreement. 
provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.
Illustration: A contracts with B to sing for twelve months as B's theatre and not to sing in public elsewhere, B cannot obtain specific performance of the contract to sing, but he is entitled to an injunction restraining A from singing at any other place of public entertainment.

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।

১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা অনুসারে, যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিবে
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি দিবে
  3. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিবে
  4. কোনো আদেশ দিবে না
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি দিবে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভুত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি রদের আদেশ দিতে পারেন?
  1. যেক্ষেত্রে চুক্তিটি অবৈধ হওয়ার কারণ চুক্তি হতে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান নয় 
  2. চুক্তিটি অবৈধ হওয়ার কারণের জন্য বাদী অপেক্ষা বিবাদী অধিক দায়ী 
  3. চুক্তিটি অবৈধ হওয়ার কারণ স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান এবং বিবাদী অপেক্ষা বাদী অধিক দায়ী 
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।
⇒ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
⇒ একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

উদাহরণ:
উপধারা-ক এর-
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে 'ক'-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর নিকট গোপন রাখল। সে চুক্তি রদ করে নেওয়ার অধিকারী।

১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা অনুসারে কেবলমাত্র ভুলের কারনে- 
  1. চুক্তি রদ করা যায়
  2. চুক্তি রদ করা যায় না
  3. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য না 
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ করা যায় না
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা,ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।
--------------
Section 36: Rescission for mistake
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান নিয়ে বলা হয়েছে? 
  1. ৩১ ধারা 
  2. ৩২ ধারা
  3. ৩৩ ধারা
  4. ৩৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।
--------------
Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. ঘোষণার কারণ
  2. ঘোষণার ফলাফল 
  3. ঘোষণার শর্ত 
  4. ঘোষণার বাস্তবায়ন
সঠিক উত্তর:
ঘোষণার ফলাফল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণার ফলাফল 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল: এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
এই ধারায় বলা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);
অর্থাৎ ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।
-----------------
Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে দলিল বাতিলের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি অপর পক্ষকে ন্যায় বিচারের স্বার্থে নিম্নলিখিত কোন প্রতিকার দিতে পারে?
  1. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ 
  3. দলিল সংশোধন
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত কোনো দলিল বিলুপ্ত বা বাতিল করার রায় প্রদান করে, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো করতে পারবে:
১. আদালত যে পক্ষের অনুকূলে দলিল বিলুপ্ত করার রায় দিয়েছে, সে পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ন্যায্য
ও প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে।
২. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে বিচারিক ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী।

ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সে পক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------------
Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার বিধান রয়েছে?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩২ ধারা 
  3. ৩৩ ধারা
  4. ৩৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।
উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।
------------------
Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.
Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.

১৮.
কোন মোকদ্দমায় আদালত ডিক্রীর কপি রেজিষ্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে আইনগত বাধ্য?
  1. নিবন্ধিত দলিল সংশোধনের মোকদ্দমায়
  2. নিবন্ধিত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায়
  3. নিবন্ধিত দলিল রদ রহিতের মোকদ্দমায়
  4. নিবন্ধিত দলিল বেআইনীমর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমায়
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধিত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধিত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায়
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

অর্থাৎ দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন।
--------------------
According to section 39 of the Specific Relief act, When cancellation may be ordered: Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or voidable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.

If the instrument has been registered under the [Registration Act, 1908], the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.

১৯.
ঘোষণামূলক ডিক্রি কাদের উপর বাধ্যকর হবে না ?
  1. মোকদ্দমার পক্ষগণের
  2. পক্ষগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের
  3. পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের
  4. পক্ষগণের মধ্যে কোন ট্রাস্টী থাকলে তার উপর 
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে, কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবে না।
-------------------------
Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration:
A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.

২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী কোন ধরণের দলিল সংশোধন করা যায়?
  1. লিখিত চুক্তি 
  2. লিখিত দলিল
  3. মৌখিক চুক্তি
  4. ক এবং খ 
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
-------------------
According to section 31 of the Specific Relief act, When instrument may be rectified-
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Mandatory Injunctions' এর বিধান আছে?
  1. ৫২ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৫ ধারা
  4. ৫৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার বিধান: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা: যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
---------------
The specific relief Act Section-55.Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.

২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকতে পারে?
  1. আদালত কর্তৃক উল্লেখিত নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত
  2. আদালতের পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত
  3. অনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত
  4. ক ও খ উভয় 
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয় 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৩ অনুসারে, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা - অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হইল এইরূপ নিষেধাজ্ঞা যাহা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো সময় ইহা মঞ্জুর করা যাইবে, এবং দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।- কেবল শুনানির পর এবং মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাইবে: ইহার মাধ্যমে বিবাদিকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ, অথবা এমন একটি কাজ করা হইতে বিরত থাকিবার নির্দেশ দেওয়া হয় যাহা বাদির অধিকারের বিপরীতে হইবে।
-----------------
Temporary injunctions section ,53. Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

Perpetual injunction: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

২৩.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কিভাবে মঞ্জুর করা যায়?
  1. ডিক্রির মাধ্যমে
  2. মোকদ্দমা চলাকালীন যে কোন সময়ে
  3.  মোকদ্দমার শুরুতে
  4. মোকদ্দমার শেষে আদেশের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
-----------------------
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

২৪.
আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ দিতে পারে?
  1. দলিলের পক্ষসমূহের অভিপ্রায় নির্ধারণ করতে
  2. যে কোন ব্যক্তির অভিপ্রায় নির্ধারণ করতে
  3. তৃতীয় পক্ষের অধিকার বাস্তবায়ন করতে 
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষসমূহের অভিপ্রায় নির্ধারণ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষসমূহের অভিপ্রায় নির্ধারণ করতে
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোনো পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এব আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
----------------------
• SR Act-Section-31. When instrument may be rectified: When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুসারে আদালত চুক্তি রদকারী পক্ষকে ন্যায়পরায়ণতা করতে বলতে পারেন?
  1. ৩৫ ধারা 
  2. ৩৬ ধারা 
  3. ৩৭ ধারা 
  4. ৩৮ ধারা 
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৩৮, আদালত রদকারী পক্ষকে ন্যায়পরায়ণতা করিবার আদেশ করিতে পারিবে: চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে এইরূপ প্রতিকার প্রদান করিয়াছেন, সেই পক্ষকে ন্যায় বিচারের স্বার্থে অপরপক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
---------------
Section 38: Court may require party rescinding to do equity: On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

২৬.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ দিবে না?
  1. দলিলের পক্ষসমূহের প্রতারণার কারণে
  2.  পক্ষসমূহের পারষ্পারিক ভুলের কারণে
  3. দলিল সম্পাদনের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণের জন্য
  4. সৎ বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুন্ন করার জন্য
সঠিক উত্তর:
সৎ বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুন্ন করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৎ বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুন্ন করার জন্য
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে;
এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
---------------
Section 31- When instrument may be rectified:
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

২৭.
ক একটি মাঠ খ-এর নিকট বিক্রয় করেন। মাঠের উপর দিয়া যাতায়াত করার অধিকার সম্পর্কে ক-এর ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তিনি উহা খ-এর নিকট গোপন রাখেন। এই ক্ষেত্রে -
  1. ক চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  2. খ চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  3. খ চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
ব্যাখ্যা

তথ্য গোপন করা প্রতারণা বলে গণ্য হয়। যেহেতু মাঠটির উপর চলাচলের অধিকার ছিল এটা সম্পর্কে অবগত থাকার পরও ক, 'খ'-কে উক্ত বিষয়ে অবগত করেনি, তাই সে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হবে। সুতরাং ক এবং খ এর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিটি খ-এর ইচ্ছানুসারে বাতিলযোগ্য বলে গণ হবে এবং আদালত এমন চুক্তি রদের আদেশ দিতে পারে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ৩৫: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়: লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

• যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

২৮.
আবশ্যকীয় সম্পূরক প্রতিকার না চাইলে The Specific Relief Act, 1877 কোন ধারার মামলা ব্যর্থ হয়? 
  1. ৩৯ ধারা 
  2. ৪২ ধারা
  3. ৪৩ ধারা 
  4. ৪৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা, মর্যাদা বা অধিকার ঘোষণা সম্পর্কে আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা- কোনো আইনগত পরিচয় অথবা কোনো সম্পত্তির অধিকারী কোনো ব্যক্তি, যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন যিনি এইরূপ পরিচয় বা অধিকারের বিষয়ে তাহার স্বত্ব অস্বীকার করেন অথবা অস্বীকার করিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন, এবং আদালত উহার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ঘোষণা করিতে পারিবে যে, তাহার এইরূপ অধিকার রহিয়াছে এবং এইরূপ মামলায় বাদির আর কোনো প্রতিকার দাবি করিবার প্রয়োজন নাই।

এইরূপ ঘোষণার প্রতিবন্ধকতা- তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে বাদি শুধু স্বত্বের ঘোষণা ছাড়া আরও প্রতিকার পাইতে সমর্থ অথচ উহা চাওয়া হইতে বিরত রহিয়াছেন, সেক্ষেত্রে আদালত ঐইরূপ কোনো ঘোষণা প্রদান করিবে না

ব্যাখ্যা- যেমন, যেক্ষেত্রে বাদী সম্পত্তির দখলে নেই, সেক্ষেত্রে স্থাবর সম্পত্তিতে মালিকানা ঘোষণার মোকদ্দমায় দখল হলো আবশ্যকীয় সম্পূরক প্রতিকার। অর্থাৎ, এই ক্ষেত্রে দখল চাওয়া বাধ্যতামূলক এবং দখল না চাইলে শুধুমাত্র ঘোষণার মোকদ্দমা রক্ষণীয় না।
ঘোষণামূলক ডিক্রি
----------------
Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration: Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:

Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.

Explanation A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.

২৯.
The Specific Relief Act,1877 এর ৫৩ ধারা অনুসারে কোন প্রতিকারটি The Code Of Civil Procedure,1908 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
  3. প্রতিরোধমূলক নিষেধাজ্ঞা 
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা 
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৩ অনুসারে, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা - অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হইল এইরূপ নিষেধাজ্ঞা যাহা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো সময় ইহা মঞ্জুর করা যাইবে, এবং দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।- কেবল শুনানির পর এবং মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাইবে: ইহার মাধ্যমে বিবাদিকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ, অথবা এমন একটি কাজ করা হইতে বিরত থাকিবার নির্দেশ দেওয়া হয় যাহা বাদির অধিকারের বিপরীতে হইবে।
-----------------
Temporary injunctions section ,53. Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

Perpetual injunction: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.