পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯৯
সিলেবাস
Exam - 30 Full Model Test-7 Topic ➝ Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৯ প্রশ্ন

.
একজন সিনিয়র সিভিল জজের আর্থিক মূল্যমান ক্ষমতা (Pecuniary Jurisdiction) কত টাকা পর্যন্ত?
  1. ৫ লক্ষ টাকা
  2. ১৫ লক্ষ টাকা
  3. ২৫ লক্ষ টাকা
  4. ৩৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ১৯ (সিভিল কোর্টস (সংশোধন) আইন, ২০২১ দ্বারা সংশোধিত) অনুসারে, সিনিয়র সিভিল জজ এর আর্থিক মূল্যমান ক্ষমতা (Pecuniary Jurisdiction) ২৫ (পচিশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এটি সিভিল মামলাগুলোর জন্য প্রযোজ্য, যদি না অন্য কোনো আইন দ্বারা ভিন্নতর বিধান থাকে।

⇒ দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ার (কোন আদালতে কত টাকার মামলা হবে):
- সিভিল জজ: ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলা।
- সিনিয়র সিভিল জজ: ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলা।
- যুগ্ম জেলা জজ: ২৫ লক্ষ টাকার বেশি যেকোনো মূল্যের মামলা (সীমাহীন)।
- জেলা জজ: সীমাহীন মামলা।

.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৬(২) অনুযায়ী, প্রিসেপ্টের অধীনে বাজেয়াপ্তকরণ সর্বোচ্চ কত দিন স্থায়ী হতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৪৬ (২) অনুসারে বলা হয়েছে: “তবে শর্ত থাকে যে, অনুরোধপত্রের (precept) ভিত্তিতে সম্পত্তি ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না, যদি না ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বাড়ায়, অথবা ক্রোক কার্যকরকারী আদালতের কাছে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয় এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন করেন।”

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান ডিক্রি জারির অনুরোধ:-

১) ডিক্রিদারের আবেদন অনুযায়ী ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করলে অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন।
২) যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সে আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিপ্রদানকারী আদালত ক্রোকের সময় বৃদ্ধি না করা পর্যন্ত অথবা এরূপ ক্রোক নির্ধারিত হওয়ার পূর্বে যে আদালত কর্তৃক ক্রোক করা হয়েছে, ঐ আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর করা না হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে অনুরোধলিপি অনুসারে কোন ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 46. Precepts:
(1) Upon the application of the decree-holder the Court which passed the decree may, whenever it thinks fit, issue a precept to any other Court which would be competent to execute such decree to attach any property belonging to the judgment-debtor and specified in the precept.
(2) The Court to which a precept is sent shall proceed to attach the property in the manner prescribed in regard to the attachment of property in execution of a decree:
Provided that no attachment under a precept shall continue for more than two months unless the period of attachment is extended by an order of the Court which passed the decree or unless before the determination of such attachment the decree has been transferred to the Court by which the attachment has been made and the decree-holder has applied for an order for the sale of such property.

.
নিচের কোনটি দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় সংশোধনযোগ্য নয়?
  1. রায়ে আইনের ভুল ব্যাখ্যা
  2. রায়ে সংখ্যাগত হিসাবের ভুল
  3. আদেশে তারিখ লেখার ভুল
  4. ডিক্রিতে পক্ষকারের নামের বানান ভুল
সঠিক উত্তর:
রায়ে আইনের ভুল ব্যাখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ে আইনের ভুল ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫২ শুধুমাত্র করণিক বা গাণিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes) এবং আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতি (accidental slip or omission) সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
ক) রায়ে আইনের ভুল ব্যাখ্যা – এটি একটি আইনগত বা সত্য সংক্রান্ত ভুল, যা ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য নয়। এ ধরনের ভুল সংশোধনের জন্য পুনর্বিবেচনা (Review) বা আপিল (Appeal) এর পথ খোলা আছে।
খ) রায়ে সংখ্যাগত হিসাবের ভুল – এটি একটি গাণিতিক ভুল, যা ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য।
গ) আদেশে তারিখ লেখার ভুল – এটি একটি করনিক ভুল, যা ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য।
ঘ) ডিক্রিতে পক্ষকারের নামের বানান ভুল – এটি একটি করনিক ভুল বা আকস্মিক বিচ্যুতি, যা ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য।
সুতরাং, যে অপশনটি ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য নয়, তা হলো রায়ে আইনের ভুল ব্যাখ্যা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
- রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ XXI, বিধি ৩০ক অনুসারে, সিভিল কারাগার থেকে মুক্তি পেতে আসামীকে ডিক্রিকৃত অর্থের অনূন্য কত অংশ জমা দিতে হবে?
  1. ১৫%
  2. ২৫%
  3. ৫০%
  4. ৭৫%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (Code of Civil Procedure, 1908)-এর আদেশ XXI, বিধি ৩০ক (Order XXI, Rule 30A) ২০২৫ সালের সংশোধনী (Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025) এর মাধ্যমে নতুনভাবে সন্নিবেশিত হয়েছে। এই বিধি অর্থ পরিশোধের ডিক্রি (decree for money) জারির জন্য বিশেষ বিধান প্রদান করে। বিশেষ করে উপ-বিধি (৪) অনুসারে:
- দেওয়ানি কারাগারে (civil prison) আটক রায়দেনাদার (judgment-debtor) যদি ৬০ দিনের মধ্যে বাকি অর্থ পরিশোধের জন্য একটি মুচলেকা (bond) সহ ডিক্রিকৃত অর্থের অনূন্য ২৫% (minimum 25%) জমা দেন, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি (release) দেবে।
- এরপর যদি রায়দেনাদার মুচলেকার শর্ত অনুসারে বাকি অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি পুনরায় গ্রেপ্তার হবেন এবং আরও ছয় মাস পর্যন্ত কারাগারে আটক থাকবেন।
- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো রায়দেনাদারকে মুক্তির সুযোগ দেওয়া, কিন্তু অপরিশোধিত অর্থ থেকে তাকে অব্যাহতি (discharge) দেওয়া নয়।
- অন্য অপশনগুলি (১৫%, ৫০%, ৭৫%) এই বিধির সাথে মিলে না; মুক্তির জন্য জমা-সংক্রান্ত শর্ত হিসেবে ২৫% নির্দিষ্ট।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৩০ক বিধি: অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির জন্য বিশেষ বিধান (Special provisions for execution of decree for money):
(১) এই কোডে যা কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, ডিক্রিধারীর আবেদনের ভিত্তিতে আদালত রায় দেনাদারকে সম্পূর্ণ বা অপরিশোধিত ডিক্রিকৃত অর্থের কোনো অংশের জন্য অনূর্ধ্ব ছয় মাসের জন্য অথবা অর্থ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত, যেটি আগে ঘটবে, দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখতে পারেন।
(২) এই কোডের অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আটক রায় দেনাদারের ভরণপোষণের জন্য ব্যয় সরকার বহন করবে।
(৩) দেওয়ানি কারাগারে আটকের বিধান কোনো নাবালক বা বিকৃতমস্তিষ্ক রায় দেনাদারের ক্ষেত্রে অথবা যিনি কোনো উপযুক্ত আদালত দ্বারা দেউলিয়া (insolvent) ঘোষিত হয়েছেন অথবা যিনি উত্তরাধিকারসূত্রে মূল রায় দেনাদারের উত্তরাধিকারী হিসাবে স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন, তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যদি দেওয়ানি কারাগারে থাকা রায় দেনাদার ৬০ দিনের মধ্যে বাকি অর্থ পরিশোধের জন্য একটি মুচলেকা (bond) সহ ডিক্রিকৃত অর্থের অনূ্যন ২৫% জমা দেন, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দেবেন এবং যদি রায় দেনাদার মুচলেকাতে বর্ণিত শর্ত অনুযায়ী বাকি ডিক্রিকৃত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি পুনরায় গ্রেপ্তার এবং আরও ছয় মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকার জন্য দায়ী হবেন।
(৫) যদি কোনো রায় দেনাদার উপ-বিধি (১) বা (৪) এর অধীনে দেওয়ানি কারাগারে সম্পূর্ণ মেয়াদের জন্য আটক থাকেন, তাহলে তাকে একই জারি কার্যধারায় বা একই ডিক্রি থেকে উদ্ভূত অন্য কোনো জারি কার্যধারায় পুনরায় গ্রেপ্তার বা দেওয়ানি কারাগারে আটক করা যাবে না।
(৬) যদি কোনো রায় দেনাদার এই বিধির অধীনে দেওয়ানি আটকের সম্পূর্ণ বা আংশিক মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকেন, তাহলে তিনি ডিক্রির অপরিশোধিত অর্থ পরিশোধ করা থেকে অব্যাহতি পাবেন না।

.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) কোন দুটি পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. মধ্যস্থতা ও সালিশ
  2. সালিশ ও আপোস
  3. মধ্যস্থতা ও আপোস
  4. সালিশ ও দরখাস্ত
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা ও সালিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা ও সালিশ
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের দেওয়ানি কার্যবিধি (Code of Civil Procedure, 1908)-এর ২০০৩ সালের সংশোধনী (Act No. XXXVI of 2003) এবং পরবর্তী সংশোধনীগুলির মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (Alternative Dispute Resolution - ADR) বিধান সংযোজিত হয়েছে। এতে স্পষ্টভাবে দুটি পদ্ধতি বর্ণিত রয়েছে:
- ধারা ৮৯ক (Section 89A): মধ্যস্থতা (Mediation) – এখানে কোর্ট মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে পক্ষগুলির মধ্যে সমঝোতা সাধনের বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া বর্ণিত। এটি ২০১২ সালের সংশোধনীতে (Act No. X of 2012) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- ধারা ৮৯খ (Section 89B): সালিশ (Arbitration) – এতে সালিশী (Arbitration) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা আছে, যা পক্ষগুলির সম্মতিতে সালিশকারী নিয়োগ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এই দুটি পদ্ধতি সিভিল মামলায় দ্রুত এবং কম খরচে নিষ্পত্তির জন্য ডিজাইন করা, তবে আর্থা ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর মামলায় এগুলি প্রযোজ্য নয়।

.
আপীল পেশের জন্য স্মারকলিপি (memorandum) কে স্বাক্ষর করতে হবে?
  1. সরকারি কৌঁসুলি
  2. নিম্ন আদালতের রেজিস্ট্রার
  3. আপীলকারী বা তার উকিল
  4. আপীল আদালতের বিচারক
সঠিক উত্তর:
আপীলকারী বা তার উকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীলকারী বা তার উকিল
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪১, বিধি ১(১) অনুসারে, আপীল পেশ করার জন্য স্মারকলিপি (memorandum) আপীলকারী (appellant) বা তার উকিল (pleader) কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে। এটি আপীলের আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করে। অন্যান্য অপশনগুলো (সরকারি কৌঁসুলি, নিম্ন আদালতের রেজিস্ট্রার বা আপীল আদালতের বিচারক) এই বিধির সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান আপীলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
-(১) প্রত্যেকটি আপীল আপীলকারী বা তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি স্বারকলিপির আকারে পেশকরতে হবে এবং আদালত বা এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মচারীর নিকট দাখিল করতে হবে। যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে এবং (যদি না আপীল আদালত ইহার প্রয়োজনীয়তা শেষ করেন) যে রায়ের উপর উহা প্রতিষ্ঠিত, তার একটি নাকল স্বারকলিপির সঙ্গে প্রদান করতে হবে।

(২) স্মারকলিপির সারমর্মঃ যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে, সেই ডিক্রি সম্পর্কে আপত্তির সঙ্গত কারণগুলি সংক্ষেপে এবং স্পষ্ট শিরোনামে স্বারকলিপিতে কোন তর্ক বা ধারাবাহিক বর্ণনা ব্যতিত ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং এরূপ সঙ্গত কারণগুলি ধারাবাহিক নম্বর যুক্ত হতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-1.Form of appeal. What to accompany memorandum:
(1) Every appeal shall be preferred in the form of a memorandum signed by the appellant or his pleader and presented to the Court or to such officer as it appoints in this behalf. The memorandum shall be accompanied by a copy of the decree appealed from and (unless the Appellate Court dispenses therewith) of the Judgment on which it is founded. 

- Contents of memorandum:
(2) The memorandum shall set forth, concisely and under distinct heads, the grounds of objection to the decree appealed from without any argument or narrative; and such grounds shall be numbered consecutively. 

.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নিঃস্ব ব্যক্তির সম্পত্তি হিসাব করার সময় কোনটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় না?
  1. জমি-জমা
  2. নগদ অর্থ
  3. স্বর্ণালঙ্কার
  4. প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ১ এর Explanation অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একজন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র (necessary wearing-apparel) এবং মামলার বিষয়বস্তু (subject-matter of the suit)-কে সম্পত্তি হিসাবে গণনা থেকে বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, নিঃস্ব (Pauper) হিসাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য শর্ত হলো—প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ও মামলার বিষয়বস্তু বাদ দিয়ে অন্যান্য সম্পত্তির মূল্য ৫,০০০ টাকার বেশি না হওয়া।
- অন্য অপশনগুলো—জমি-জমা, নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার সম্পত্তির আওতায় পড়ে এবং সেগুলো গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান অনুসারে নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis): আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
- কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-33 Rule-1. Suits may be instituted in forma pauperis: Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation−A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth five thousand Taka other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৬৮ অনুযায়ী, অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়ের জন্য ইশতেহার লাগানোর পর কত দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে?
  1. ৭ দিন পর্যন্ত
  2. ১৫ দিন পর্যন্ত
  3. ২১ দিন পর্যন্ত
  4. ৩০ দিন পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৬৮ এর সরাসরি বিধান অনুযায়ী, অস্থাবর সম্পত্তির (movable property) ক্ষেত্রে ইশতেহারের নকল আদালত ভবনে লাগানোর তারিখ থেকে অন্তত ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত Judgment-debtor-এর লিখিত সম্মতি ছাড়া নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
- অন্যদিকে, স্থাবর সম্পত্তির (immovable property) ক্ষেত্রে এই সময়সীমা অন্তত ৩০ দিন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান- বিক্রয়ের সময়:
বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতাহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-68. Time of sale:
Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of movable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮(১) অনুসারে, একটি ডিক্রির এক্সিকিউশনের জন্য আবেদন করার সময়সীমা কত বছর?
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. কোনো সীমা নেই
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮(১) অনুসারে, একটি ডিক্রির জারি (এক্সিকিউশন) এর জন্য আবেদন করার সময়সীমা সাধারণত ১২ বছর। তবে এই সময়সীমা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না:
- নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি (decree granting an injunction)
- যদি জজমেন্ট-ডেবটর প্রতারণা বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ডিক্রি জারি বাধাগ্রস্ত করে (ধারা ৪৮(২)(ক) অনুযায়ী)
- তামাদি আইনের ১৮৩ ধারা প্রযোজ্য হয় এমন ক্ষেত্রে। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:- নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনা মতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 48 Limit of Time for Execution:
 Execution barred in certain cases: (1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from
(a) the date of the decree sought to be executed, or,
(b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree.

(2) Nothing in this section shall be deemed:
(a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or
(b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.

১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ১৯ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ১৯(১) এর সরাসরি বিধান অনুযায়ী, মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পর ১২০ দিনের (একশত বিশ দিন) মধ্যে আদালতকে মোকদ্দমার শুনানি সম্পন্ন করতে হবে। এই সময় গণনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কার্য দিবস (কাজের দিন) গণনা করা হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি-১৯: শুনানি সমাপ্ত করার সময়:
১) চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ণীত হওয়ার একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে।
২) এই বিধি অনুযায়ী সময় নির্দিষ্টকরণের নিমিত্তে শুধুমাত্র কার্য দিবসগুলো গণনায় করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 18 Rule 19: Time for completion of hearing:
1) The Court shall complete the hearing of a suit within one hundred and twenty days from the date fixed for its final hearing.
2) In this rule, in determining the time, only the workings days shall be counted.

১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা কী সম্পর্কিত?
  1. আপিল পদ্ধতি
  2. মামলা স্থানান্তর
  3. ডিক্রি কার্যকরকরণ
  4. অধস্তন আদালতের ভাষা
সঠিক উত্তর:
অধস্তন আদালতের ভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধস্তন আদালতের ভাষা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৩৭ "অধস্তন আদালতে ভাষা" (Language of subordinate Courts) নামে পরিচিত। এটি হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণ, লিখিত কার্যধারা এবং ইংরেজী অনুবাদের বিধান করে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারার বিধান: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।
২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।
৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 137. Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs. 
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written. 
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.

১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮, বিধি ৯ অনুসারে, আদালত কখন কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধু মামলার শুরুতে
  2. শুধু সাক্ষ্যগ্রহণের পর
  3. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের আগে
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি ৯ অনুসারে, আদালত যে কোনো সময় (at any time) প্রয়োজন মনে করলে যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি (written statement or additional written statement) পেশের আদেশ দিতে পারেন এবং তার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিতে পারেন। আদালতের এই ক্ষমতা মামলার যেকোনো পর্যায়ে প্রযোজ্য, শুধুমাত্র শুরুতে বা বিচার্য বিষয় গঠনের আগে সীমাবদ্ধ নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী- আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment] করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):
বিবাদির লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-8 Rule-9: Subsequent pleadings:
No pleading subsequent to the written statement of a defendant other than by way of defence to a set-off shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit, but the Court may at any time require a written statement or additional written statement from any of the parties and fix a time for presenting the same.

১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত দেওয়ার সময় বিচারককে আরজিতে কী লিখতে হবে?
  1. দাখিলের তারিখ
  2. ফেরতের তারিখ
  3. দাখিলকারীর নাম
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ১০(২) অনুসারে, আরজি ফেরত দেওয়ার সময় বিচারককে আরজির উপর নিম্নলিখিত তথ্যগুলো লিপিবদ্ধ করতে হবে:
- দাখিলের তারিখ
- ফেরতের তারিখ
- দাখিলকারী পক্ষের নাম
- ফেরত দেওয়ার একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি
সুতরাং, 'ক', 'খ' ও 'গ' উভয়ই সঠিক, যা ঘ) উল্লিখিত সবগুলো কে সঠিক উত্তর করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০- যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।
(২) যখন আরজি ফেরত দেওয়া হয়, বিচারক তার ওপর আরজির দাখিলের এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, দাখিলকারী পক্ষের নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিখবেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-7, Rule-10. Return of plaint:
(1) The plaint shall at any stage of the suit be returned to be presented to the Court in which the suit should have been instituted.
-(2) Procedure on returning plaint: On returning a plaint the Judge shall endorse thereon the date of its presentation and return, the name of the party presenting it, and a brief statement of the reasons for returning it.

১৪.
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করার ক্ষেত্রে কোন সংস্থা সময়ে সময়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আইন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১০৯ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল সম্পর্কিত বিধান সাপেক্ষে, সুপ্রিম কোর্ট নিজেই সময়ে সময়ে আপিলের নিয়মাবলী বা বিধি প্রণয়ন করতে পারে। এটি আপিলের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন হাইকোর্ট বিভাগের রায় বা চূড়ান্ত আদেশ থেকে আপিলের ক্ষেত্রসমূহ। অন্যান্য অপশনগুলো (জাতীয় সংসদ: আইন প্রণয়ন করে; হাইকোর্ট: নিম্নস্তরের আপিল; আইন মন্ত্রণালয়: আইনি পরামর্শ দেয়) এই নির্দিষ্ট ক্ষমতার অধিকারী নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 109. When appeals lie to the Supreme Court.
- Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction; 
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and 
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.

১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ১ অনুসারে, স্বীকারের নোটিশ প্রদানের জন্য নিচের কোনটি গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. আরজির মাধ্যমে
  2. জবাবের মাধ্যমে
  3. লিখিত চিঠির মাধ্যমে
  4. মৌখিক বক্তব্যের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
মৌখিক বক্তব্যের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক বক্তব্যের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ১ অনুসারে, কোনো পক্ষ আরজি (লিখিত বক্তব্য), জবাব (লিখিত জবাব) অথবা অন্য কোনো লিখিত উপায়ে (যেমন চিঠি, নোটিশ ইত্যাদি) অন্য পক্ষের মোকদ্দমার সম্পূর্ণ বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করতে পারে।
- মৌখিক বক্তব্য এই বিধির অধীনে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ বিধিতে স্পষ্টভাবে "লিখিত" (in writing) উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ-
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.

১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ক অনুসারে মামলার পক্ষের সাক্ষীর Examination-in-chief কীভাবে নেওয়া হয়?
  1. হলফনামার মাধ্যমে
  2. লিখিত জবাবের মাধ্যমে
  3. আদালতের প্রশ্নের মাধ্যমে
  4. মৌখিকভাবে উন্মুক্ত আদালতে
সঠিক উত্তর:
হলফনামার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলফনামার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ৪ক এর বিধান অনুযায়ী, বাদী বা বিবাদীর জবানবন্দি (Examination-in-chief) হলফনামা (Affidavit) এর মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ, সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত হয়ে সরাসরি মৌখিকভাবে তার বক্তব্য প্রদান করতে হবে না; বরং সে তার বক্তব্য একটি হলফনামা আকারে লিখিতভাবে জমা দিবে। এরপর অন্যান্য পক্ষ তাকে জেরা (Cross-examination) করতে পারবে এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করা যাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ৪ক (4A), যা দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে, অনুসারে, বাদী বা বিবাদীর জবানবন্ধি গ্রহণ (Examination-in-chief) হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। এরপর তাকে জেরা (Cross-examination) এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করা যাবে। এই বিধানে আরও উল্লেখ আছে যে:
- হলফনামার কপি আদালতে জমা দেওয়ার আগে অন্য পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে।
- হলফনামার সাথে দাখিলকৃত দলিলের প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা আদালতের আদেশের অধীন হবে।
-------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-4A. Examination-inchief on affidavit and admissibility of documents:
Notwithstanding anything contained in this Code or the Evidence Act, 1872 (Act No. 1 of 1872), the facts stated in the plaint or written statement shall not be required to be orally stated or denied by the plaintiff or the defendant, as the case may be, and in every case, the examination-in-chief of the plaintiff or the defendant, as the case may be, shall be on affidavit and he may then be cross-examined and, if necessary, re-examined:
Provided that a copy of such affidavit shall be supplied to the other party before being furnished to the Court:
Provided further that where documents are filed along with the affidavit and the parties rely upon such documents, the proof and admissibility of those documents shall be subject to the orders of the Court.

১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী শুনানি শেষে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে রায় ঘোষণার জন্য বাধ্য ?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন 
  3. ১৪ দিন
  4.  ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-১ (Order XX Rule 1) অনুসারে, মোকদ্দমার শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে বাধ্য। বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে, যা সাতদিনের বেশি হবে না" (either at once or on some future day, not beyond seven days)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-১:-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced:-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, not beyond seven days, of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.

১৮.
যদি আদালত রিভিউ আবেদন অনুমোদন করে, তবে তার বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রেফারেন্স
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭, বিধি ৪ অনুসারে, আদালত যদি একটি রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে (অর্থাৎ, রিভিউ অনুমোদন করে) এবং সেই অনুসারে কোনো আদেশ পাস করে, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যায়। এটি আদেশ ৪৩, বিধি ১ দ্বারা স্বীকৃত, যা সরাসরি এই ধরনের আদেশকে আপিলযোগ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুযায়ী ৪৭ আদেশের ৪ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। 
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে মোট ২৫টি আদেশ রয়েছে যেগুলার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৪ ধারায় ও ৪৩ আদেশে  "আদেশ হতে আপীল" এর বিধান আছে । এইখানে বলা আছে ৪৭ আদেশের ৪ বিধির আধিনে রিভিউ আবেদন বা দরখাস্ত মনঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। 
- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ এবং ধারা ১১৪ তে রিভিউর বিধান আছে ।
আদালত রিভিউ আবেদন মনঞ্জুর করলে এর বিরুদ্ধে আপীল চলে , তবে রিভিউ না-মনঞ্জুর করলে তার বিরদ্ধে রিভিশন চলবে।

১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত ?
  1. ৩০ দিন
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ দিন
  4. ৬০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ১ বিধির অধীন লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস।
- বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। 
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।
-  আদেশ ৮ বিধি (১)-৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যাতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।

আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।
------- 
ORDER VIII - WRITTEN STATEMENT AND SET-OFF:

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, order-VIII Rule-1: Written statement:
(1) The defendant shall, within thirty working days from the date of service of summons upon him, save as provided in the proviso to sub-section (2) of section 80, present a written statement of his defence:

Provided that where the defendant fails, for reasonable grounds, to file the written statement within the said period of thirty working days, he shall be allowed to file the same on such other day, as may be specified by the Court, for reasons to be recorded in writing, but which shall not exceed sixty working days from the date of service of summons:

Provided further that if the defendant fails to file the written statement within the said period of sixty working days, the Court shall dispose of the suit ex parte.

২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২ক অনুযায়ী, আপিল শুনানির ক্ষেত্রে কোনো পক্ষের অনুরোধে আদালত সর্বোচ্চ কতবার মুলতবি দিতে পারেন?
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ৪ বার
  4. ৬ বার
সঠিক উত্তর:
৩ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২ক (Order XLI, Rule 12A) অনুযায়ী, আপিলের শুনানি চলাকালে, কোনো পক্ষ যদি মুলতবির আবেদন করে, তাহলে সর্বোচ্চ ৩ বার পর্যন্ত আদালত শুনানি স্থগিত/মুলতবি দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর বিধি ১২ক অনুসারে, আপিল শুনানির ক্ষেত্রে আদালত কোনো পক্ষের অনুরোধে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বার মুলতবি (adjournment) দিতে পারবেন।
- তবে ৩ বারের বেশি মুলতবি দেওয়া হলে, আদালত ন্যূনতম ২০০ টাকা এবং সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দেবেন।
- যদি আপিলকারী এই খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- আর যদি প্রতিবাদী খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি হলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষ খারিজের তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পুনরুজ্জীবনের আবেদন করতে পারবে।
- এই আবেদনের সঙ্গে আদালতের নির্ধারিত ন্যূনতম ২০০ টাকা ও সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
- প্রত্যেক পক্ষ এইরকম পুনরুজ্জীবনের সুযোগ একবারই পাবে।
- তবে আদালত যদি নিজে থেকে আপিল শুনানি মুলতবি করতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে, নইলে মুলতবির আদেশ দেবেন না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.
(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.
(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.

২১.
“The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases under ________.”
  1. Sections 10, 11, 12
  2. Sections 31, 32, 33
  3. Sections 14, 15, 16
  4. Sections 36, 37, 38
সঠিক উত্তর:
Sections 14, 15, 16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sections 14, 15, 16
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১৭-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দেবেন না, যেমন না মামলাটি এই আইনের শেষোক্ত তিনটি ধারা অর্থাৎ ধারা ১৪, ১৫ বা ১৬-এর যেকোনো একটির আওতাভুক্ত হয়।

- বাক্যটির পূর্ণরূপ হলো: "The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections."
- এখানে "the three last preceding sections" বলতে ধারা ১৭-এর ঠিক আগের তিনটি ধারা ১৪, ১৫ ও ১৬-কে বোঝানো হয়েছে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার বিধান: অন্যান্য ক্ষেত্রে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা:-
পূর্ববর্তী তিনটি (১৪,১৫,১৬) ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।
-----------
⇒The Specific Relief Act, 1877 -Section 17. Bar in other cases of specific performance of part of the contract:
-The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.

২২.
ঘোষণামূলক প্রতিকারের বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ৩১
  2. ধারা ৩৬
  3. ধারা ৪২
  4. ধারা ৪৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৪২ (Declaratory Decree) ঘোষণামূলক প্রতিকার প্রদানের বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী: "যেকোনো ব্যক্তি যদি তার কোনো আইনি অধিকার বা সম্পত্তিতে তার অধিকার সম্পর্কে সন্দেহ বা বিতর্কের সম্মুখীন হয়, তবে সে আদালতে মামলা দায়ের করে তার অধিকার ঘোষণা করার জন্য ডিক্রি চাইতে পারে।"

- অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।ঃ
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।

⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।

⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
--------------
⇒ The Specific Relief Act,1877- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.

২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা অনুযায়ী ভুলের জন্য চুক্তি রদ করার জন্য নিচের কোনটি একটি শর্ত নয়?
  1. চুক্তিতে ভুল থাকা
  2. চুক্তিটি লিখিত হওয়া
  3. চুক্তিতে একজন স্বাক্ষী থাকা 
  4. বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হওয়া
সঠিক উত্তর:
চুক্তিতে একজন স্বাক্ষী থাকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিতে একজন স্বাক্ষী থাকা 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা অনুযায়ী, শুধুমাত্র ভুলের কারণে লিখিত চুক্তি রদ করার জন্য নিম্নলিখিত শর্তগুলো প্রয়োজন:
(ক) চুক্তিতে ভুল থাকা: এটি মূল ভিত্তি।
(খ) চুক্তিটি লিখিত হওয়া: ধারা ৩৬ শুধুমাত্র লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
(ঘ) বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হওয়া: চুক্তি রদ করলে অপর পক্ষকে চুক্তির আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া যাবে কিনা তা বিবেচ্য।
কিন্তু (গ) চুক্তিতে একজন স্বাক্ষী থাকা – ৩৬ ধারায় এটি কোনও শর্ত হিসেবে উল্লেখ নেই। লিখিত চুক্তির জন্য স্বাক্ষরের প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু একজন স্বাক্ষীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কত ভাবে প্রদান করা যায়?
  1. ৩ ভাবে
  2. ৪ ভাবে
  3. ৫ ভাবে
  4. ৬ ভাবে
সঠিক উত্তর:
৫ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ৫টি পৃথক পদ্ধতিতে প্রদান করা যায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.

২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কোন ধারায় কোন কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না তা উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ২১
  3. ধারা ২৫
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২১-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে কোন কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। এই ধারায় মোট ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না:
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে।
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে।
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে।
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে।
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে।
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি।
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে (a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date)
- যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করতে হলে চুক্তির কার্য শুরু করার তারিখ হতে তিন বছরেরও অধিক সময় পর্যন্ত ক্রমাগত কাজ করতে হয়, ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.

২৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ধরনের প্রতিকারের বিপরীতে কাজ করে?
  1. আর্থিক ক্ষতিপূরণের
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
  3. ঘোষণামূলক ডিক্রির
  4. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণের
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো আর্থিক ক্ষতিপূরণ (Damages) এর পরিবর্তে সরাসরি ও সুনির্দিষ্টভাবে অধিকার বাস্তবায়ন করা। যেমন: চুক্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র টাকা ক্ষতিপূরণ না দিয়ে আদালত নির্দিষ্ট পারফরমেন্স (Specific Performance) এর আদেশ দিতে পারেন।
- সম্পত্তি অবৈধ দখল থেকে মুক্তির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ না দিয়ে সম্পত্তি ফেরত আদেশ দেওয়া যায়।
অর্থাৎ, এই আইন আর্থিক ক্ষতিপূরণ-এর বিকল্প (বিপরীতে) বা প্রতিযোগী প্রতিকার হিসেবে কাজ করে, যেখানে মূল লক্ষ্য ব্যক্তির প্রকৃত অধিকার পুনরুদ্ধার করা।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) এমন একটি আইন যা মূলত দেওয়ানি মামলাগুলির ক্ষেত্রে বিশেষ প্রতিকার বা সাহায্য প্রদান করে। এর মাধ্যমে আদালত একটি নির্দিষ্ট শাস্তির পরিবর্তে, ব্যক্তির অধিকার বা দাবির সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। "সুনির্দিষ্ট প্রতিকার" বলতে এমন প্রতিকার বোঝানো হয় যা শুধুমাত্র সঠিক এবং নির্দিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে বিচার করা হয়, যেমন সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া, বিশেষ পারফরমেন্সের আদেশ, বা কোনও চুক্তির কার্যকরী বাস্তবায়ন।
- এটি মূলত আর্থিক ক্ষতিপূরণ নয়, বরং এমন প্রতিকার যা কিছু নির্দিষ্ট দাবি বা অধিকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তার সঠিক অবস্থানে ফিরিয়ে দেয়। এর মধ্যে থাকে:
→ নির্দিষ্ট পারফরমেন্স
→ চুক্তির বাস্তবায়ন
→ কোনো সম্পত্তি বা প্রপার্টি ফেরত নেওয়া
→ অবৈধ দখল থেকে অবমুক্তি ইত্যাদি
অর্থাৎ, এটি দেওয়ানি মামলার প্রতিকার, যা সাধারাণত একটি ন্যায্যতা বা সঠিক অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।

প্রস্তাবনা:
যেহেতু কিছু নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি মামলায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত আইন নির্ধারণ এবং সংশোধন করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়; তাই এটি নিম্নরূপ প্রবর্তিত হলো:-
--------
Preamble:
WHEREAS it is expedient to define and amend the law relating to certain kinds of specific relief obtainable in civil suits; It is hereby enacted as follows:

২৭.
The Specific Relief Act, 1877 এর Section 27A কোন ধরনের চুক্তি নিয়ে আলোচনা করে?
  1. লিজ চুক্তি
  2. বিক্রয় চুক্তি
  3. জমি বায়না চুক্তিপত্র
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
লিজ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিজ চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি একটি লিজ চুক্তি লিখিতভাবে এবং পক্ষদ্বয়ের স্বাক্ষরিত হয়, তবে নিবন্ধন না হলেও চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে এক পক্ষ অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দাবি করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা বিধান স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান:
এই অধ্যায়ের বিধানাবলির অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজ গ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।

তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
এই ধারা ১লা এপ্রিল, ১৯৩০ এর পরে সম্পাদিত ভাড়ার চুক্তিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:
Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and

(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract:
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
This section applies to contracts to lease executed after the first day of April, 1930.

২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কোন ধারায় নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর না করার বিষয়টি উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৪২
  2. ধারা ৫২
  3. ধারা ৫৩
  4. ধারা ৫৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
ব্যাখ্যা

⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীন নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোনো স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.

২৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৮ অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার কীভাবে করতে হয়?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের নিয়মে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে
  4. রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮-এ স্থাবর সম্পত্তির স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করার বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি তার স্থাবর সম্পত্তি (জমি, বাড়ি ইত্যাদি) থেকে বেদখল হয়, তাহলে সে দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আদালতে মামলা করে তার স্বত্ব ও দখল উভয়ই পুনরুদ্ধার করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে। ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, শুধু মালিকই নয়, যে কেউ যার স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ব ও দখলের অধিকার রয়েছে, সে আদালতে মামলা করতে পারে। অর্থাৎ, যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে তার সম্পত্তিতে স্বত্ব রয়েছে—তা চুক্তি, উত্তরাধিকার বা দখল সূত্রে হোক—তাহলে সে এই ধারায় মামলা করতে পারবে।
এই ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা করা যায়। তবে, দখল উদ্ধারের নিয়ম-কানুন The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ২১-এ উল্লেখ করা আছে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.

৩০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক(খ) অনুসারে, বিক্রয় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য কখন আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. রায় ঘোষণার সময়
  2. মামলা দায়েরের সময়
  3. চুক্তি সম্পাদনের সময়
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের সময়
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়েরের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়েরের সময়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার জন্য দুটি প্রধান শর্ত পূরণ করতে হয়:
১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর অধীনে নিবন্ধিত (রেজিস্ট্রিকৃত) হতে হবে।
২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলা দায়েরের সময় আদালতে জমা দিতে হবে।
এই ধারা অনুযায়ী, বিক্রয় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলা দায়েরের সময় আদালতে জমা দিতে হয়।
অর্থাৎ, যখন বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার জন্য মামলা দায়ের করা হয়, তখনই অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে। এটি চুক্তি সম্পাদনের সময়, রায় ঘোষণার সময় বা বিচার্য বিষয় গঠনের সময় জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: খ) মামলা দায়েরের সময়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless– 
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and 
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.

৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ কোন ধরণের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. বিশেষ আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. প্রশাসনিক আইন
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898) একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law / Adjective Law)। এটি অপরাধের সংজ্ঞা বা শাস্তি নির্ধারণ করে না (যা দণ্ডবিধি করে), বরং কীভাবে অপরাধের তদন্ত, বিচার, আপিল ইত্যাদি পরিচালিত হবে – তার পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।

৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে 'তদন্ত' (Investigation) কী?
  1. আদালতে মামলার শুনানি।
  2. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরিচালিত বিচারিক প্রক্রিয়া।
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত অভিযোগ দাখিল করা।
  4. প্রমাণ সংগ্রহের জন্য পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম।
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ সংগ্রহের জন্য পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ সংগ্রহের জন্য পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪(ঞ)-তে "তদন্ত" এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, "তদন্ত বলতে এই সংহিতা অনুসারে প্রমাণ সংগ্রহ করার জন্য একজন পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি (ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত) কর্তৃক পরিচালিত সকল কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হবে।"

সুতরাং, তদন্ত মূলত পুলিশের প্রমাণ সংগ্রহ-related কার্যক্রম।
- আদালতে শুনানি বা ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারিক কার্যক্রম তদন্ত নয়।
- ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অভিযোগ দাখিল করাও তদন্তের অংশ নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪(ঞ) (l) "investigation" includes all the proceedings under this Code for the collection of evidence conducted by a police-officer or by any person (other than a Magistrate) who is authorised by a Magistrate in this behalf."

- তদন্ত হলো পুলিশ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুমোদিত ব্যক্তি কর্তৃক প্রমাণ সংগ্রহের সকল কার্যক্রম। এটি ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে হয়, কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট নিজে তদন্ত করেন না। তদন্তের সময় পুলিশ গ্রেপ্তার, জব্দ, সাক্ষী জেরা, স্থান পরিদর্শন ইত্যাদি করে।

৩৩.
বাংলাদেশে ফৌজদারি আদালত মোট কয়টি প্রধান শ্রেণীতে বিভক্ত?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে (Criminal Procedure Code, 1898) ধারা ৬(১) অনুযায়ী, বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালত প্রধানত দুইটি শ্রেণির: ১) দায়রা আদালত (Courts of Sessions) ২) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (Courts of Magistrates)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা:
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা:
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট:
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 6: Classes of Criminal Courts:
1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:-
(a) Courts of Sessions ; and
(b) Courts of Magistrates.
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: -
(a) Judicial Magistrate; and
(b) Executive Magistrate.
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: -
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas;
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate;
(c) Magistrate of the second class; and
(d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.

৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় কোন আদালত হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ দিতে পারে?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট ডিভিশন
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. উল্লিখিত সকলেই
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারা হাইকোর্ট ডিভিশনকে হেবিয়াস কর্পাস সম্পর্কিত নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেয়। এর মানে হলো, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি বা অযৌক্তিকভাবে আটক থাকে, হাইকোর্ট তাকে মুক্তির আদেশ দিতে পারে বা তাকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিতে পারে। এই ধারা আটককৃত ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষায় এবং বেআইনি হেফাজত রোধে ব্যবহৃত হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারি আপিল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারি বা বেসরকারি হেফাজতে বেআইনি অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দিকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দিকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দিকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:- 
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law; 
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty; 
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court; 
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively; 
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and 
(2) The Supreme Court may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section. 
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.

৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪(৪) অনুসারে, ৩৬৪ ধারার বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. ধারা ১৬৪ এর ক্ষেত্রে
  2. ধারা ২৬৩ এর ক্ষেত্রে
  3. ধারা ৩৬২ এর ক্ষেত্রে
  4. ধারা ৩৬৮ এর ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৩ এর ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৩ এর ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪(৪)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।"
- অর্থাৎ ধারা ৩৬৪-এর সম্পূর্ণ পদ্ধতি (জবানবন্দি পূর্ণাঙ্গভাবে লিপিবদ্ধকরণ, স্বাক্ষর করানো, সার্টিফিকেট প্রদান ইত্যাদি)  ধারা ২৬৩ (Summary trial-এ অভিযুক্তের পরীক্ষা)-র অধীন নেওয়া জবানবন্দির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:-
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত, অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাঙ্গরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে যে ভাষায় সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখ্যা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।
(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।
(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজির সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরি করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জর্জ যদি উক্ত স্মারক তৈরি করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 364. Examination of accused how recorded:
(1) Whenever the accused is examined by any Magistrate, or by any Court other than High Court Division the whole of such examination, including every question put to him and every answer given by him, shall be recorded in full, in the language in which he is examined, or, if that is not practicable, in the language of the Court or in English: and such record shall be shown or read to him, or, if he does not understand the language in which it is written, shall be interpreted to him in a language which he understands, and he shall be at liberty to explain or add to his answers.
(2) When the whole is made conformable to what he declares is the truth, the record shall be signed by the accused and the Magistrate or Judge of such Court, and such Magistrate or Judge shall certify under his own hand that the examination was taken in his presence and hearing and that the record contains a full and true account of the statement made by the accused.
(3) In cases in which the examination of the accused is not recorded by the Magistrate or Judge himself, he shall be bound, as the examination proceeds, to make a memorandum thereof in the language of the Court, or in English, if he is sufficiently acquainted with the latter language; and such memorandum shall be written and signed by the Magistrate or Judge with his own hand, and shall be annexed to the record. If the Magistrate or Judge is unable to make a memorandum as above required, he shall record the reason of such inability.
(4) Nothing in this section shall be deemed to apply to the examination of an accused person under section 263.

৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুসারে, কোন পুলিশ অফিসার ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করলে কী করতে বাধ্য?
  1. গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে
  2. লিখিত রিপোর্ট দিতে
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিতে 
  4. গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতে নিয়ে যেতে
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার হলে পুলিশ অফিসারকে অবশ্যই তাকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করতে হবে। এটি অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার এবং বেআইনি আটক প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক-  গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানানো:
যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করলে, তাকে গ্রেফতার করার সময় গ্রেফতারের কারণ সেই ব্যক্তিকে জানাতে হবে।
-----
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54A. Person arrested to be informed of reason of arrest:
- Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫০১
  2. ধারা ৫০২
  3. ধারা ৫০৩
  4. ধারা ৫০৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৩
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ধারা ৫০৩-এ সুনির্দিষ্টভাবে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করার বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষ্য প্রয়োজন হলে এবং সাক্ষীকে আদালতে হাজির করতে অযৌক্তিক বিলম্ব/খরচ/অসুবিধা হলে আদালত সাক্ষীর হাজিরা মওকুফ করে কমিশন জারি করতে পারবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিধান: সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ-
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোনো কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহণ করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
- উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাৎ করবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-503.When attendance of witness may be dispensed with Issue of commission and procedure thereunder:
(1) Whenever in the course of an inquiry, a trial or any other proceeding under this Code, it appears to a Metropolitan Magistrate], 489[a Chief Judicial Magistrate, a Court of Session or the High Court Division that the examination of a witness is necessary for the ends of justice, and that the attendance of such witness cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such Magistrate or Court may dispense with such attendance and may issue a commission to any District Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate, within the local limits of whose jurisdiction such witness resides, to take the evidence of such witness.
(2B) When the witness resides in the United Kingdom or any other country of the Commonwealth other than Bangladesh, or in the Union of Burma, or any other country in which reciprocal arrangement in this behalf exists, the commission may be issued to such Court or Judge having authority in this behalf in that country as may be specified by the Government by notification in the official Gazette.
(3) The Magistrate or officer to whom the commission is issued, or if he is the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, he, or any other Magistrate as he appoints in this behalf, shall proceed to the place where the witness is or shall summon the witness before him, and shall take down his evidence in the same manner, and may for this purpose exercise the same powers, as in trials of warrant-cases under this Code.

৩৮.
পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার করলে কত ঘণ্টার বেশি আটক রাখতে পারবে না?
  1. ১২ ঘণ্টা
  2. ২৪ ঘণ্টা
  3. ৪৮ ঘণ্টা
  4. ৭২ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬১ অনুসারে, কোনো পুলিশ অফিসার ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখতে পারবেন না। এই ২৪ ঘণ্টার গণনায় গ্রেপ্তারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাতায়াতের প্রয়োজনীয় সময় বাদ দেওয়া হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘণ্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.

৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫গ অনুসারে কোন অবস্থায় আসামিকে খালাস দেওয়া যায়?
  1. যখন আসামি জামিন চায়
  2. যখন প্রমাণ অপর্যাপ্ত থাকে
  3. যখন সাক্ষীরা জবানবন্দি দেয় না
  4. যখন অভিযোগকারী অনুপস্থিত থাকে
সঠিক উত্তর:
যখন প্রমাণ অপর্যাপ্ত থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন প্রমাণ অপর্যাপ্ত থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫গ অনুযায়ী, যদি মামলার নথি ও দলিলাদি এবং আসামী ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত মনে করে যে আসামীর বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার যথেষ্ট কারণ নেই, তখন আদালত তাকে খালাস (discharge) দিতে পারে।
সুতরাং, প্রমাণ অপর্যাপ্ততাই হলো ধারা ২৬৫গ অনুসারে খালাস দেওয়ার মূল ভিত্তি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫গ: অব্যাহতি:
যদি মোকদ্দমার নথিপত্র এবং তৎসহ দাখিলকৃত দলিলাদি বিবেচনা করার পর এবং এই সম্পর্কে আসামী ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য শ্রবণের পর আদালত মনে করেন যে, আসামীর বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য যথেষ্ট কারণ নেই, তাহলে আদালত আসামীকে অব্যাহতি দেবেন এবং তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
-----
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265C. Discharge:
 If, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith, and after hearing the submissions of the accused and the prosecution in this behalf, the Court considers that there is no sufficient ground for proceeding against the accused, it shall discharge the accused and record the reasons for so doing.

৪০.
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা আমলে নিলে অভিযোগকারীকে কোন ধারায় শপথসহ জেরা করতে হবে?
  1. ১৯৮ ধারায়
  2. ২০০ ধারায়
  3. ২০২ ধারায়
  4. ২০৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০০ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা আমলে নিলে সর্বপ্রথম শপথবদ্ধ অবস্থায় অভিযোগকারীকে জেরা করতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার বিধান বাদীর জবানবন্দি:
নালিশের প্রেক্ষিতে অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট যত দ্রুত সম্ভব বাদীর এবং উপস্থিত যদি থাকে, সাক্ষীবৃন্দের মধ্যে যে কয়জনকে সঠিকরূপে গণ্য করেন তাহাদের শপথ গ্রহণ করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারবস্তু নথিবদ্ধ করবেন এবং বাদী বা যে-সব সাক্ষীর জবানবন্দি গৃহীত হয়েছে, তারা ও ম্যাজিস্ট্রেট তাতে সই করবেন:
(ক) লিখিত নালিশ দায়ের করা হলে ধারা-১৯২ এর বিধানমতে মামলাটি হস্তান্তরের পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্তভাবে জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই;
(কক) যখন লিখিত নালিশ দায়ের করা হয় এবং আদালত বা সরকারি কর্মচারী তাঁদের সরকারি কাজে কর্তব্যরত অবস্থায় বা সরকারি হিসাবে কথিত কর্তব্য সম্পাদনের সময় এই নালিশ দায়ের করেন, সেক্ষেত্রে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই।
(গ) যখন ধারা-১৯২ এর বিধান মতে মামলা হস্তান্তরের করা হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট আগেই বাদীর ও সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে যে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর মামলা হস্তান্তরিত হয়, তিনি পুনরায় তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 200 Examination of complainant:
- A Magistrate taking cognizance of an offence on complaint shall at once examine upon oath the complainant and such of the witnesses present, if any, as he may consider necessary, and the substance of the examination shall be reduced to writing and shall be signed by the complainant or witness so examined, and also by the Magistrate:
Provided as follows:- 
(a) when the complaint is made in writing, nothing herein contained shall be deemed to require such examination before transferring the case under section 192; 
(aa) when the complaint is made in writing nothing herein contained shall be deemed to require such examination in any case in which the complaint has been made by a Court or by a public servant acting or purporting to act in the discharge of his official duties; 
(c) when the case has been transferred under section 192 and the Magistrate so transferring it has already examined the complainant and witness if any, the Magistrate to whom it is so transferred shall not be bound to re-examine them.

৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১ অনুসারে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে জব্দকৃত জিনিসপত্রের তালিকা প্রস্তুতের সময় কতজন সাক্ষীর উপস্থিতি আবশ্যক?
  1. একজন
  2. কমপক্ষে দুইজন
  3. কমপক্ষে তিনজন
  4. সাক্ষীর প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
একজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫১ এর শেষ অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো জিনিস জব্দ করা হলে, অফিসার একজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন এবং সম্ভব হলে তার স্বাক্ষর গ্রহণ করবেন।
- এখানে "a witness" (একজন সাক্ষী) বলা হয়েছে, "witnesses" (একাধিক সাক্ষী) নয়।
সুতরাং, তালিকা প্রস্তুত করার সময় মাত্র একজন সাক্ষীর উপস্থিতি আবশ্যক।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫১ - "গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের তল্লাশি" (Search of arrested persons): যখনই কোনো ব্যক্তিকে একজন পুলিশ অফিসার এমন কোনো ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তার করেন যেখানে জামিনের বিধান নেই, অথবা এমন ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তার করেন যেখানে জামিনের বিধান আছে কিন্তু গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে পারেন না, এবং যখনই কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করা হয়, বা কোনো বেসরকারি ব্যক্তি কর্তৃক ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তার করা হয়, এবং আইনত জামিনে মুক্ত হতে পারেন না, অথবা জামিন দিতে অক্ষম হন, তখন গ্রেপ্তারকারী অফিসার অথবা, যখন গ্রেপ্তার কোনো বেসরকারি ব্যক্তি দ্বারা করা হয়, তখন যে পুলিশ অফিসারের নিকট গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করা হয়, তিনি ওই ব্যক্তিকে তল্লাশি করতে পারেন এবং তার কাছে পাওয়া প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত অন্যান্য সমস্ত জিনিসপত্র নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারেন ; এবং
যেখানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো জিনিস জব্দ করা হয়, সেখানে অফিসার একজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন এবং সম্ভব হলে তার স্বাক্ষর গ্রহণ করবেন, এবং এর একটি অনুলিপি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে বা তার দ্বারা মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে সরবরাহ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 51. Search of arrested persons:
Whenever a person is arrested by a police-officer under a warrant which does not provide for the taking of bail, or under a warrant which provides for the taking of bail but the person arrested cannot furnish bail, and Whenever a person is arrested without warrant, or by a private person under a warrant, and cannot legally be admitted to bail, or is unable to furnish bail, the officer making the arrest or, when the arrest is made by a private person, the police-officer to whom he makes over the person arrested, may search such person, and place in safe custody all articles, other than necessary wearing-apparel, found upon him ; and
where any article is seized from the arrested person, the officer shall prepare a list in the presence of a witness and obtain his signature, if practicable, and shall serve a copy thereof to the arrested person or to any person nominated by him.

৪২.
একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারেন?
  1. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩২(১)(ক) অনুসারে: প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড প্রদান করতে পারেন। এছাড়া তিনি ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করতে পারেন।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো ঘ নং অপশন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩২ ধারার বিধান ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতসমূহ নিম্নোক্ত দণ্ডাদেশসমূহ প্রদান করতে পারেন, যথা:-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
জরিমানা: অনধিক পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত; 
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক তিন বছর মেয়াদের জন্য, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
জরিমানা: অনধিক তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত;
(গ) তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক দুই বছর মেয়াদের জন্য;
জরিমানা: অনধিক দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা অনুমোদিত যেকোনো দণ্ডাদেশের সমন্বয়ে একটি বৈধ দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারেন।

৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতের সামনে সংঘটিত অবমাননার তাৎক্ষণিক শাস্তির বিধান আছে? 
  1. ৪৭০ ধারায়
  2. ৪৮০ ধারায়
  3. ৪৮৫ ধারায়
  4. ৪৯০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৮০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮০ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ৪৮০ অনুযায়ী আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা অর্থদণ্ড বা অর্থদণ্ড না দিলে সর্বোচ্চ ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি-
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
 -------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-480: Procedure in certain cases of contempt-
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid. 

৪৪.
বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হলে, পরিবার বা বন্ধুকে অবহিত করতে হবে কত ঘণ্টার মধ্যে?
  1. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
→The Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নতুন ধারা ৪৬ক (Section 46A) সন্নিবেশিত হয়েছে। এই ধারার উপ-ধারা ঘ(d) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজ বাসস্থানের বাইরে অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তিকে যত শীঘ্র সম্ভব, তবে গ্রেপ্তারের সময় থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা তার মনোনীত বন্ধুকে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের স্থান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক- গ্রেপ্তার পদ্ধতি এবং গ্রেপ্তারকারী অফিসারের কর্তব্য: কোনো গ্রেপ্তার করার সময়, পুলিশ অফিসার বা অন্য গ্রেপ্তারকারী ব্যক্তি—
(ক) তার নামের একটি সঠিক, দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট পরিচিতি বহন করবেন যা সহজে শনাক্তকরণে সহায়তা করবে;
(খ) তার পরিচয় প্রকাশ করবেন এবং যদি দাবি করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি এবং গ্রেপ্তারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে তার পরিচয়পত্র দেখাবেন;
(গ) গ্রেপ্তারের একটি স্মারকলিপি (memorandum) প্রস্তুত করবেন যা—
(i) কমপক্ষে একজন সাক্ষী দ্বারা সত্যায়িত হবে, যিনি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা যে এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেখানকার একজন গণ্যমান্য বাসিন্দা এবং যদি এই ধরনের কোনো সাক্ষী পাওয়া না যায়, তার কারণ স্মারকলিপিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে;
(ii) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি অসম্মতি না জানান, তবে তার দ্বারা প্রতিস্বাক্ষরিত বা টিপসইযুক্ত হবে;
(ঘ) যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থান এবং হেফাজতের স্থান জানিয়ে, যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় থেকে বারো ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কর্তৃক মনোনীত একজন পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে অবহিত করবেন;
(ঙ) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে ৪৬ঙ ধারা অনুযায়ী ক্ষেত্রমত একজন মেডিকেল অফিসার বা একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা ওই ব্যক্তির পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করবেন; উপস্থিত মেডিকেল অফিসার বা প্র্যাকটিশনারের কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবেন; এবং এই ধরনের আঘাতের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন;
(চ) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে, যদি তিনি ইচ্ছা পোষণ করেন, তার পছন্দের একজন আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে বা তার নিকটতম কোনো আত্মীয়ের সাথে দেখা করার সুযোগ দেবেন, preferably (সম্ভবত) গ্রেপ্তারের বারো ঘণ্টার মধ্যে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
- In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;
(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;
(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;
(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী দায়রা আদালত কত মাসের কারাদণ্ড দিলে আপিল করা যাবে না?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৩ স্পষ্টভাবে বলে—যদি দায়রা আদালত (Court of Session) ১ মাসের বেশি নয় এমন কারাদণ্ড দেয়, অথবা যদি দায়রা আদালত, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর অন্য ম্যাজিস্ট্রেট ৫০০০ টাকার বেশি নয় এমন অর্থদণ্ড আরোপ করে, তাহলে সেই তুচ্ছ মামলার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases]:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০০০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding five thousand Taka only. 
Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.

৪৬.
“Examination of arrested person by medical officer” শিরোনামে কোন ধারা সংযোজিত হয়েছে?
  1. ধারা 46A
  2. ধারা 46B
  3. ধারা 46E
  4. ধারা 46D
সঠিক উত্তর:
ধারা 46E
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা 46E
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এ "Examination of arrested person by medical officer" শিরোনামটি ধারা 46E-তে সংযোজিত হয়েছে। এই ধারায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির মেডিকেল পরীক্ষা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিস্তারিত বিধান রয়েছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬ঙ - মেডিকেল অফিসার কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরীক্ষা:
(১) যখন কোনো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে অসুস্থ মনে হয় বা তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন থাকে, তখন গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে একটি সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করতে হবে; এবং যদি এই ধরনের মেডিকেল অফিসার পাওয়া না যায়, তবে একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা তা করাতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি একজন নারী, সেখানে তার শরীরের পরীক্ষা, যদি সম্ভব হয়, একজন নারী মেডিকেল অফিসার বা একজন নারী মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা বা তাদের তত্ত্বাবধানে, অথবা ক্ষেত্রমত একজন নারী স্টাফ নার্স বা একজন নারী অ্যাটেনডেন্টের উপস্থিতিতে পরিচালিত হবে।
(২) যেখানে উপ-ধারা (১) এর অধীনে পরীক্ষা এবং চিকিৎসা করা হয়, সেখানে ক্ষেত্রমত মেডিকেল অফিসার বা নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার কর্তৃক এই ধরনের পরীক্ষা এবং চিকিৎসার প্রতিবেদনের সাথে একটি সার্টিফিকেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারকে, সেইসাথে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি বা তার দ্বারা মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে সরবরাহ করতে হবে।
(৩) যেখানে একজন অসুস্থ বা আহত গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়, সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট তার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত বা অসুস্থ যার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা প্রয়োজন এবং শারীরিকভাবে তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা অসম্ভব হয়ে পড়ে, সেখানে ম্যাজিস্ট্রেটের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত শর্তাবলী অনুযায়ী তাকে ইলেকট্রনিক ভিডিও লিংকেজের মাধ্যমে হাজির করা যেতে পারে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46E - Examination of arrested person by medical officer:
(1) When any person arrested appears to be sick or bears any mark of injury, he shall, soon after the arrest is made, be examined and provided with first aid treatment by a medical officer of a Government hospital; and if such medical officer is not available, by a registered medical practitioner:
Provided that where the arrested person is a female, the examination of her body shall, if practicable, be conducted by or under the supervision of a female medical officer or a female medical practitioner, or in the presence of a female staff nurse or a female attendant, as the case may be.
(2) Where an examination and treatment are conducted under sub-section (1), a certificate along with the report of such examination and treatment shall be furnished by the medical officer or registered medical practitioner, as the case may be, to the concerned police-officer, as well as to the arrested person or to a person nominated by him.
(3) Where an arrested person, being sick or injured, is produced before the Magistrate, the Magistrate may pass necessary orders for his medical treatment: 
Provided that where the arrested person is severely injured or sick in a manner which requires his admission into a hospital and renders his physical production before the Magistrate impracticable, he may be produced through electronic video linkage, subject to the satisfaction of the Magistrate and to such terms as the Magistrate may determine.

৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট কয়টি কলাম রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফশিলে বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য একটি সারণীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে মোট ৮টি কলাম রয়েছে। এই কলামগুলো বিচার প্রক্রিয়া, পুলিশি ক্ষমতা, জামিন, শাস্তি ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেয়।
- ১ম কলামে উল্লেখ থাকে দণ্ডবিধির (Penal Code) কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধটি হয়েছে।
- ২য় কলামে লেখা থাকে সেই ধারার অধীনে অপরাধটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
- ৩য় কলামে বলা হয়, পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না, অর্থাৎ এটি আমলযোগ্য (Cognizable) না আমল-অযোগ্য (Non-cognizable)।
- ৪র্থ কলামে বলা থাকে, প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে না ওয়ারেন্ট, তা নির্ধারণ করা হয়।
- ৫ম কলামে উল্লেখ থাকে অপরাধটি জামিনযোগ্য (Bailable) না জামিন-অযোগ্য (Non-bailable)।
- ৬ষ্ঠ কলামে বলা হয় অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কি না — অর্থাৎ ভুক্তভোগী চাইলেই কি সেটি মিটমাট করে নিতে পারে।
- ৭ম কলামে উল্লেখ থাকে সংশ্লিষ্ট ধারায় নির্ধারিত শাস্তির পরিমাণ।
- ৮ম তথা শেষ কলামে বলা হয়, সেই অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের আছে।

৪৮.
পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পর কত দিনের মধ্যে যদি তিনি উপস্থিত হন, তবে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া যেতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৮৯ (Restoration of attached property) অনুসারে, কোনো পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (attachment) করার পর, যদি তিনি ২ (দুই) বছরের মধ্যে স্বেচ্ছায় উপস্থিত হন বা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয় এবং তিনি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে সক্ষম হন যে:
১. তিনি পরোয়ানা এড়ানোর জন্য পলাতক ছিলেন না বা আত্মগোপন করেননি, এবং
২. তিনি proclamation-এর এমন কোনো নোটিস পাননি যা তাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উপস্থিত হতে সক্ষম করত,
তাহলে তার সম্পত্তি, অথবা সম্পত্তি বিক্রি হয়ে গেলে তার নীট বিক্রয়লব্ধ অর্থ, সমস্ত ক্রোক-সংক্রান্ত খরচ বাদ দিয়ে তাকে ফেরত দেওয়া হবে।অতএব, সঠিক সময়সীমা হল ২ বছর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:
- যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে,
সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-89: Restoration of attached property:
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.

৪৯.
যদি কোনো আসামি একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে পর্যায়ক্রমিক সাজার (consecutive sentences) ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ১০ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫(২)(ক) অনুসারে, একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর্যায়ক্রমিক (consecutive) কারাদণ্ডের মোট মেয়াদ কোনো অবস্থাতেই ১৪ বছরের বেশি হবে না। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ১৪ বছর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তারচেয়ে একাধিক দণ্ড পরপর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবল ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনোভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশি হবে না।
(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধারে নিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-35. Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.

(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate , the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.

৫০.
যদি একজন পুলিশ কর্মকর্তা সাত বছরের কম মেয়াদের অপরাধে কাউকে গ্রেপ্তার না করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে নতুন বিধান অনুযায়ী তার কী করতে হবে?
  1. কিছুই করার প্রয়োজন নেই, এটি তার বিবেচনার বিষয়।
  2. গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে।
  3. ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে মৌখিকভাবে জানাতে হবে।
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকার নিতে হবে যে সে আবার অপরাধ করবে না।
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪(১) দ্বিতীয়ত অংশের প্রদত্ত শর্তাংশ (Proviso) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"Provided that a police-officer shall, in all cases where the arrest of a person is not required under the provisions of this sub-section, record the reasons in writing for not making the arrest;"
"তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধানাবলী অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;"

সুতরাং, সাত বছরের কম মেয়াদের অপরাধের ক্ষেত্রে যদি পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তাকে গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। এটি একটি বাধ্যতামূলক বিধান।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ "কখন পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারে" (When police may arrest without warrant)
(১) যেকোনো পুলিশ অফিসার ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং ওয়ারেন্ট ছাড়াই নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পারেন:
প্রথমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে একটি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেন;
দ্বিতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে, বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে, বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের কম মেয়াদের বা সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ হয়, যথা:—
(i) পুলিশ অফিসারের কাছে এই ধরনের অভিযোগ, তথ্য বা সন্দেহের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন; এবং
(ii) পুলিশ অফিসার সন্তুষ্ট হন যে এই ধরনের গ্রেপ্তার করা নিম্নলিখিত কারণে প্রয়োজনীয়:—
(ক) ওই ব্যক্তিকে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করা থেকে বিরত রাখা; বা
(খ) অপরাধের যথাযথ তদন্তের জন্য; বা
(গ) ওই ব্যক্তিকে অপরাধের প্রমাণ অদৃশ্য করা বা কোনোভাবে সেই প্রমাণ নষ্ট করা থেকে বিরত রাখা; বা
(ঘ) ওই ব্যক্তিকে মামলার ঘটনা সম্পর্কে পরিচিত কোনো ব্যক্তিকে প্ররোচনা, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত রাখা, যাতে তিনি আদালতে বা পুলিশ অফিসারের কাছে সেই ঘটনা প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকেন; বা
(ঙ) যেহেতু ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার না করলে, যখনই প্রয়োজন হবে তখন আদালতে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাবে না;
এবং পুলিশ অফিসার এই ধরনের গ্রেপ্তার করার সময় তার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধানাবলী অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;
তৃতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, বা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং পুলিশ অফিসারের কাছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন;
চতুর্থত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে বৈধ অজুহাত ব্যতীত, যে অজুহাত প্রমাণের ভার তার উপর বর্তাবে, ঘর ভাঙার কোনো সরঞ্জাম থাকে;
পঞ্চমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে এই কোডের অধীনে বা সরকারের আদেশ দ্বারা অপরাধী হিসাবে ঘোষিত করা হয়েছে;
ষষ্ঠত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে এমন কিছু পাওয়া যায় যা যুক্তিসঙ্গতভাবে চুরি করা সম্পত্তি বলে সন্দেহ করা যেতে পারে এবং যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে সেই জিনিস সম্পর্কিত অপরাধ করার জন্য সন্দেহ করা যেতে পারে;
সপ্তমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, বা যিনি আইনানুগ হেফাজত থেকে পালিয়েছেন বা পালানোর চেষ্টা করছেন;
অষ্টমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একজন পলাতক সৈনিক বলে সন্দেহ করা হয়;
নবমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশের বাইরের কোনো স্থানে সংঘটিত কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, বা যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে অপরাধ হিসাবে শাস্তিযোগ্য হতো, এবং যার জন্য তিনি কোনো প্রত্যর্পণ আইন (extradition law) বা অন্য কোনো আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে গ্রেপ্তার বা আটক হওয়ার যোগ্য;
দশমত, কোনো মুক্ত দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি যিনি ৫৬৫ ধারার উপ-ধারা (৩) এর অধীনে প্রণীত কোনো বিধি লঙ্ঘন করেন;
একাদশত, যে কোনো ব্যক্তি যার গ্রেপ্তারের জন্য অন্য একজন পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে চাহিদা (requisition) পাওয়া গেছে, যদি ওই চাহিদা পত্রে গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তির বিবরণ এবং যে অপরাধ বা অন্য কারণে গ্রেপ্তার করতে হবে তা নির্দিষ্ট করা থাকে এবং তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, যে অফিসার চাহিদা পত্রটি জারি করেছেন তিনি ওয়ারেন্ট ছাড়াই আইনত ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারতেন।
(২) কোনো পুলিশ অফিসার এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে প্রতিরোধমূলক আটকের (preventive detention) বিধানকারী কোনো আইনের অধীনে আটক করার উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার করবেন না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 54.  When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without warrant, arrest-
firstly, any person who commits, in the presence of a police-officer, a cognizable offence;
secondly, any person against whom a reasonable complaint has been made, or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may be less than seven years or which may extend to seven years, whether with or without fine, if the following conditions are satisfied, namely:-
    (i) the police-officer has reason to believe, on the basis of such complaint, information, or suspicion that such person has committed the said offence; and
    (ii) the police-officer is satisfied that such arrest is necessary-
        (a) to prevent such person from committing any further offence; or
        (b) for proper investigation of the offence; or 
      (c) to prevent such person from causing the evidence of the offence to disappear or tampering with such evidence in any manner; or
        (d) to prevent such person from making any inducement, threat or promise to any person acquainted with the facts of the case so as to dissuade him from disclosing such facts to the Court or to the police-officer; or
        (e) as unless such person is arrested, his presence in the Court whenever required cannot be ensured;
        and the police-officer shall record while making such arrest, his reasons in writing:
            Provided that a police-officer shall, in all cases where the arrest of a person is not required under the provisions of this sub-section, record the reasons in writing for not making the arrest;
thirdly, any person against whom credible information has been received that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may extend to more than seven years whether with or without fine, or with death sentence and the police-officer has reason to believe, on the basis of that information, that such person has committed the said offence;
fourthly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking;
fifthly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
sixthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
seventhly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
eighthly, any person who is reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh;
ninthly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
tenthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
eleventhly, any person for whose arrest a requisition, has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.(2) No police-officer shall arrest a person under this section for the purpose of detaining him under any law providing for preventive detention.

৫১.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে বেআইনি সমাবেশের সাধারণ লক্ষ্য কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. ব্যক্তিগত লক্ষ্য দ্বারা
  2. সরকারি কর্মচারীর সিদ্ধান্ত দ্বারা
  3. আদালতের পরবর্তী রায় দ্বারা
  4. সমাবেশের সকল ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সমাবেশের সকল ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাবেশের সকল ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে, একটি সমাবেশকে "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে ঘোষণা করার মূল ভিত্তি হল সমাবেশে উপস্থিত ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য। এই ধারায় উল্লিখিত পাঁচটি বিশেষ উদ্দেশ্যের যেকোনো একটি যদি তাদের সম্মিলিত অভিপ্রায় বা সাধারণ লক্ষ্য হয়, তবেই তা বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়া কালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

৫২.
দণ্ডবিধির ১৭১ঙ ধারা অনুযায়ী, আপ্যায়নের (treating) মাধ্যমে ঘুষ দেওয়ার শাস্তি কী?
  1. কেবল জরিমানা
  2. সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড
  4. কারাদণ্ড ও জরিমানা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
কেবল জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবল জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ঙ (১৭১E) ধারায় ঘুষ (bribery) অপরাধের সাধারণ শাস্তি সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়। কিন্তু এই ধারার প্রভিশ্রুতি (Proviso) অনুসারে, "আপ্যায়ন" (treating) এর মাধ্যমে ঘুষ দেওয়ার ক্ষেত্রে শাস্তি কেবল জরিমানা হবে। আপ্যায়ন বলতে খাবার, পানীয়, বিনোদন বা সরবরাহের মাধ্যমে সন্তুষ্টি প্রদানকে বোঝায়। অন্য অপশনগুলো সাধারণ ঘুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কিন্তু treating-এর জন্য নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ঙ ধারা: ঘুষের শাস্তি:
যে কেউ ঘুষের অপরাধ করবে, তাকে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আপ্যায়নের মাধ্যমে ঘুষ দেওয়া হলে শুধুমাত্র অর্থদণ্ড দ্বারা দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা- আপ্যায়ন বলতে ঘুষের সেই রূপকে বোঝায় যেখানে অনুগ্রহ বা সুবিধা খাদ্য, পানীয়, বিনোদন, বা আতিথেয়তার আকারে প্রদান করা হয়।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 171E- Punishment of bribery:
Whoever commits the offence of bribery shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both:
Provided that bribery by treating shall be punished with fine only. 

Explanation- Treating means that form of bribery where the gratification consists in food, drink, entertainment, or provision.

৫৩.
“Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.” — এটি দণ্ডবিধির কোন ধারার বিধান?
  1. ধারা ৩০২
  2. ধারা ৩০৩
  3. ধারা ৩০৫
  4. ধারা ৩০৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৩
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত উক্তিটি দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৩-এর বিধান, যা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুনের শাস্তি নির্ধারণ করে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অধীনে থাকা কোনো ব্যক্তি যদি খুন করে, তাহলে তার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
- সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৩০৩।

⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 303. Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.

৫৪.
দণ্ডবিধির অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. পাঁচজন
সঠিক উত্তর:
দুইজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইজন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (Criminal Conspiracy) সংজ্ঞায়িত হয়েছে যে, যখন দুই বা তার বেশি ব্যক্তি (two or more persons) কোনো অবৈধ কাজ করার বা অবৈধ উপায়ে আইনসম্মত কাজ করার জন্য চুক্তি করে, তখন তা ষড়যন্ত্র হয়। একজন ব্যক্তির একক চুক্তি ষড়যন্ত্র হতে পারে না, কারণ এতে চুক্তির উপাদান (agreement) থাকে না। তাই ন্যূনতম দুইজন ব্যক্তির প্রয়োজন। অন্য অপশনগুলো (একজন, তিনজন বা পাঁচজন) এই সংজ্ঞার সাথে মিলে না।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:
যখন দুইজন বা তার বেশি ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোন কাজ করতে বা করানোর জন্য একমত হন:
- একটি অবৈধ কাজ করা, অথবা
- এমন কোনো কাজ করা যা আইনত অবৈধ নয় কিন্তু অবৈধ উপায়ে করা হয়, তবে এই ধরনের একমত হওয়াকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলা হয়।

শর্ত: যে কোনো একমত হওয়া শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে হলে তা অপরাধী ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে, তবে এর জন্য এই চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এক বা একাধিক পক্ষের দ্বারা এমন কিছু কার্যক্রম সম্পাদিত হতে হবে, যা এই চুক্তির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য করা হয়।

ব্যাখ্যা: এটি গুরুত্বপূর্ণ নয় যে ওই অবৈধ কাজটি চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল, অথবা তা চুক্তির উদ্দেশ্য থেকে এক প্রকার অনুষঙ্গী ছিল।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy. 
 When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

৫৫.
'খ' উঁচু ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে, কিন্তু নিচে সফট ল্যান্ডিং ব্যবস্থা থাকায় সে বেঁচে যায়। দণ্ডবিধি অনুসারে 'খ' এর এই কাজের জন্য সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি নেই
সঠিক উত্তর:
১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৯ অনুসারে: "যেকোনো ব্যক্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করে এবং এমন চেষ্টার অংশ হিসেবে কোনো কাজ সম্পাদন করলে, তাকে সর্বোচ্চ ১ (এক) বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।"

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৫৬.
'A' একজন সৈনিক হিসেবে সুপিরিয়র অফিসারের আদেশে জনতার উপর গুলি চালায়। আইন অনুসরণে করা এই কাজটি অপরাধ নয়। এটি দণ্ডবিধির কত নং ধারার উদাহরণ?
  1. ধারা ৭৬
  2. ধারা ৭৭
  3. ধারা ৭৮
  4. ধারা ৭৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৬
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধির ৭৬ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইন দ্বারা বাধ্য হয়, অথবা সদুদ্দেশ্যে তথ্যের ভুলের কারণে নিজেকে আইন দ্বারা বাধ্য বলে বিশ্বাস করে কোনো কাজ করে, তবে তা অপ্রাধ নয়।
- উল্লিখিত উদাহরণে, 'A' একজন সৈনিক হিসেবে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে এবং আইনানুসমর্থনে কাজ করেছে। এটি ধারা ৭৬ এর একটি সরাসরি উদাহরণ, যা "আইন দ্বারা বাধ্য" হওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

⇒  দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত: বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনত: বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।
উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।
(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
---------
⇒The Penal Code, 1860-Section 76: Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it.
Illustrations:
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence.
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.

৫৭.
দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী, দণ্ডাদেশ প্রদানের পর অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা কত? 
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের বিষয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান রয়েছে—
১)  দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়ে অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে।
২️)  যদি আসামি ৬ বছরের বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে।
৩️) যদি আসামি মারা যান, তবে তার সম্পত্তি থেকে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য থাকবে — অর্থাৎ মৃত্যু হলেও দায় মওকুফ হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান-অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য:
- মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশ বলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়,
- তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে;
- অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
----------
- The penal code section-70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.

৫৮.
'ক' তার প্রতিবেশী 'খ' এর বাগানে প্রবেশ করে একটি ফুল তুলে নেয়। দণ্ডবিধি অনুসারে এটি কী অপরাধ গঠন করে?
  1. চুরি
  2. ক্ষতি
  3. বলপূর্বক সম্পত্তি গ্রহণ
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, চুরি হলো অসাধুভাবে এবং সম্মতি ছাড়া অস্থাবর সম্পত্তি (movable property) দখল থেকে স্থানান্তর করা। এখানে ‘ক’-এর কাজ (বাগান থেকে ফুল তুলে নেওয়া) মাটির সাথে যুক্ত ফুলকে বিচ্ছিন্ন করে (ব্যাখ্যা ১ অনুসারে) অস্থাবর করে স্থানান্তর করা, যা চুরি গঠন করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

৫৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দেওয়ার শাস্তি বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৩০৪
  2. ধারা ৩০৫
  3. ধারা ৩০৬
  4. ধারা ৩০৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫-এ শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দেওয়ার শাস্তি বর্ণিত আছে। এই ধারা অনুসারে, যদি ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি, উন্মাদ, প্রলাপগ্রস্ত, নির্বোধ বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দেয়, তাকে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যায় এবং অর্থদণ্ডও দেওয়া যায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
-If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

৬০.
'A' জানে যে 'B', 'Z' কে হত্যা করেছে, তবুও 'B' কে শাস্তি হতে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে 'Z' এর মৃতদেহ লুকিয়ে ফেলতে 'A', 'B' কে সাহায্য করে। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অনুসারে 'A' শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ২০১
  2. ২০২
  3. ৩০২
  4. ৩০৪
সঠিক উত্তর:
২০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ২০১-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা ধারাটির উদাহরণ (Illustration) হিসেবেও উল্লেখিত আছে।
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২০১ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে জেনেশুনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, অপরাধীকে শাস্তি থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে অপরাধের সাক্ষ্য (যেমন: মৃতদেহ) অদৃশ্য করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সে শাস্তিযোগ্য। এখানে 'A'-এর কাজ (মৃতদেহ লুকিয়ে সাহায্য করা) হত্যার সাক্ষ্য অদৃশ্য করার অপরাধ, যা ধারা ২০১-এর উদাহরণের মতোই।
শাস্তি: হত্যার মতো মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধকারীকে গোপন করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-
-যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):-
যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imrisonment for life):-
এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with less thatn ten year’s imprisonment):-
এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোনো দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
'খ', 'চ'-কে খুন করেছে জানা সত্ত্বেও 'ক', 'খ'-কে সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে 'খ'-কে 'চ' এর মৃতদেহটি লুকিয়ে ফেলিতে সহায়তা করে। 'ক' সাত বৎসর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 201. Causing disappearance of evidence of offence, or giving false information to screen offender- if a capital offence; if punishable with imprisonment for life; if punishable with less than ten years’ imprisonment:
Whoever, knowing or having reason to believe that an offence has been committed, causes any evidence of the commission of that offence to disappear, with the intention of screening the offender from legal punishment, or with that intention gives any information respecting the offence which he knows or believes to be false,
shall, if the offence which he knows or believes to have been committed is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with [imprisonment for life], or with imprisonment which may extend to ten years, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with imprisonment for any term not extending to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of the imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both.

Illustration:
A, knowing that B has murdered Z, assists B to hide the body with the intention of screening B from punishment. A is liable to imprisonment of either description for seven years, and also to fine.

৬১.
‘ঘ’ আইনানুসারে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট দান করে, যা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে মিথ্যা লিখে। ‘ঘ’ The Penal Code, 1860-এর কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ১৯১
  2. ১৯৫
  3. ১৯৭
  4. ১৯৮
সঠিক উত্তর:
১৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি আইনত প্রয়োজনীয় বা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা দান করে, এবং তিনি জানেন বা বিশ্বাস করেন যে সার্টিফিকেটটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা, তবে তিনি এই ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য হবেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

৬২.
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা অনুসারে, বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দানের সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
-------------
The Penal Code, 1860-Section-193. Punishment for false evidence: Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
Explanation 1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation 2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation 3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.

৬৩.
দণ্ডবিধির অনুসারে wrongful confinement এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কেউ তিন দিনের বেশি সময় ধরে অন্য কোনো ব্যক্তিকে wrongful confinement (অবৈধ অবরোধ) করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, অথবা জরিমানা বা উভয়টাই হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা- তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৬৪.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে, গুরুতর আঘাতের ধরন কতগুলি?
  1. ছয়টি
  2. সাতটি
  3. আটটি
  4. নয়টি
সঠিক উত্তর:
আটটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটটি
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে গুরুতর আঘাত (Grievous Hurt)-এর সংজ্ঞায় মোট আটটি ধরন উল্লেখ করা হয়েছে:
১. প্রথমত – পুরুষত্বহীন করণ (Emasculation)
২. দ্বিতীয়ত – চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা
৩. তৃতীয়ত – কানের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা
৪. চতুর্থত – কোনো অঙ্গ বা গ্রন্থির বঞ্চনা
৫. পঞ্চমত – কোনো অঙ্গ বা গ্রন্থির শক্তি ধ্বংস বা স্থায়ীভাবে খর্ব করা
৬. ষষ্ঠত – মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করা
৭. সপ্তম – হাড় বা দাঁত ভাঙা বা স্থানচ্যুত করা
৮. অষ্টম – জীবনসংশয়কারী আঘাত বা বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা বা সাধারণ কাজ করতে অপারগতা

সুতরাং, গুরুতর আঘাতের মোট আটটি ধরন রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

৬৫.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "অপথে গৃহে প্রবেশ" (House-breaking)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৪৪৩
  2. ধারা ৪৪৫
  3. ধারা ৪৪২
  4. ধারা ৪৪৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৫-এ "অপথে গৃহে প্রবেশ" (House-breaking)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বর্ণিত ৬টি বিশেষ পদ্ধতিতে গৃহে প্রবেশ বা প্রস্থান করলে তা House-breaking বলে গণ্য হবে।
-------------------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section- 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass.
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building.
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened.
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass.
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault.
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass.
Explanation.- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.

৬৬.
দণ্ডবিধি অনুসারে মারামারি অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৬০ অনুসারে, মারামারির (Affray) অপরাধে সর্বোচ্চ ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এই কারাদণ্ড সশ্রম বা বিনাশ্রম যেকোনো প্রকারের হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________
⇒ The Penal Code, 1860- Section 159:- Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ Section 160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

৬৭.
দণ্ডবিধির ৩৫৪ ধারা কোন ধরনের অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. খুন সংক্রান্ত অপরাধ
  2. সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধ
  3. জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ
  4. নারীর শালীনতায় আঘাত সংক্রান্ত অপরাধ
সঠিক উত্তর:
নারীর শালীনতায় আঘাত সংক্রান্ত অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারীর শালীনতায় আঘাত সংক্রান্ত অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৪ ধারা বিশেষভাবে নারীর শালীনতায় আঘাত (Outrage of Modesty) সংক্রান্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো নারীর শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে বা জ্ঞানসহকারে আক্রমণ (Assault) বা অপরাধমূলক বল (Criminal Force) প্রয়োগ করলে তা এই ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৬৮.
'ক' খ-কে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে তার মোবাইল ফোন দিতে বাধ্য করে। দণ্ডবিধি অনুসারে ক-এর অপরাধ কী?
  1. চুরি
  2. ভীতি প্রদর্শন
  3. দস্যুতা 
  4. অপরাধমূলক আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা 
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত পরিস্থিতিতে, 'ক' খ-কে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে (যা আশু মৃত্যুর ভয় সৃষ্টি করে) তার মোবাইল ফোন তাৎক্ষণিক দিতে বাধ্য করেছে। দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৯০ অনুসারে, এটি দস্যুতা (Robbery) হিসেবে গণ্য হয়, কারণ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় (extortion) অপরাধী উপস্থিত থেকে আশু মৃত্যু/আঘাতের ভয় দেখিয়ে তাৎক্ষণিক অর্পণে বাধ্য করে সংঘটিত হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section-390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
- Explanation. -The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.

৬৯.
দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা অনুসারে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ কত প্রকার?
  1. ১ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৪ প্রকার 
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

৭০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ______-এ ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতির বিষয় উল্লেখ আছে।
  1. ২২ক 
  2. ৪৫ক 
  3. ৪৭ক 
  4. ৬৫ক
সঠিক উত্তর:
২২ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ক 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক (Section 22A) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে না – যদি না ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা/সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে।”
- অর্থাৎ সাধারণত কেউ মুখে বলল যে “এই অডিও/ভিডিও/চ্যাটে আমি এটা বলেছি” – এই মৌখিক স্বীকৃতি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না ডিজিটাল রেকর্ডটির সত্যতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:-দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।
----------
⇒The Evidence Act, 1872- Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.

৭১.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী, কোনটি বেসরকারি দলিলের উদাহরণ?
  1. দানপত্র বা উইল
  2. সংসদের আইন
  3. আদালতের রেকর্ড
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
দানপত্র বা উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দানপত্র বা উইল
ব্যাখ্যা

⇒ বেসরকারি দলিল (Private Document) হলো সেই সমস্ত দলিল যা সরকারি সংস্থা বা ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের অংশ নয়, বরং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি বা ব্যবহৃত হয়।
- দানপত্র বা উইল একটি বেসরকারি দলিল, কারণ এটি সাধারণত ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে সম্পাদিত হয় এবং এর সাথে কোনো সরকারি সংস্থার সংশ্লিষ্টতা থাকে না।

- বেসরকারি দলিল হলো সেইসব দলিল, যা ব্যক্তি বা বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে সম্পাদিত হয় এবং সরকারি কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। দানপত্র (Gift Deed) বা উইল (Will) এই ধরনের দলিলের উদাহরণ।
অর্থাৎ দানপত্র বা উইল হলো একটি বেসরকারি দলিল, কারণ এটি ব্যক্তিগত লেনদেনের অংশ। 
তাই সঠিক উত্তর: (ক) দানপত্র বা উইল।

৭২.
“No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact” – এই বিধান কোন ধারায় আছে? 
  1. ধারা ১১৮
  2. ধারা ১৩৩
  3. ধারা ১৩৪
  4. ধারা ১৩৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৪
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৪-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.”
অর্থাৎ, যেকোনো তথ্য বা ঘটনা প্রমাণ করতে সাক্ষীর কোনো নির্দিষ্ট বা সর্বনিম্ন সংখ্যার প্রয়োজন নেই। একজন সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য দিয়েও ঘটনা প্রমাণিত হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৩৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ঘটনার প্রমাণে সাক্ষীর নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রয়োজন নয়।
- কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই; সাক্ষীর সংখ্যা বিচারক বা আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে, তবে সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ The Evidence Act,1872, section-134. Number of witnesses:
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

৭৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাইয়ে Certifying Authority-এর মতামতকে প্রাসঙ্গিক তথ্য বলা হয়েছে?
  1. ৪৫ক
  2. ৪৭ক
  3. ৬৫ক
  4. ৮৫ক
সঠিক উত্তর:
৪৭ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ক (Section 47A)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, যখন আদালতকে কোনো ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন যে Certifying Authority ঐ ব্যক্তির Digital Signature Certificate জারি করেছে, তার মতামত একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য (relevant fact) বলে গণ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
--------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 47A. Opinion as to digital signature where relevant.- When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.

৭৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের (Secondary Evidence) সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ধারা ৬১
  2. ধারা ৬২
  3. ধারা ৬৩
  4. ধারা ৬৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৩-এই স্পষ্টভাবে মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence)-এর সংজ্ঞা উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্য ধারাগুলোর বিষয়:
- ধারা ৬১ → দলিলী সাক্ষ্যের সংজ্ঞা (Documentary Evidence)
- ধারা ৬২ → প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞা (Primary Evidence)
- ধারা ৬৪ → দলিল সাধারণত প্রাথমিক সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হবে।
সুতরাং মাধ্যমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞা শুধুমাত্র ধারা ৬৩-এ দেওয়া আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলি রয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 63. Secondary evidence:
-"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."

৭৫.
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা সাক্ষীর লিখিত বা ইশারায় প্রদত্ত সাক্ষ্যকে কী হিসেবে গণ্য করা হয়? 
  1. লিখিত সাক্ষ্য 
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. বিশেষ সাক্ষ্য
  4. দলিল সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ বিশেষভাবে বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ধারা ১১৯-এর অনুসারে বোবা সাক্ষী: একজন সাক্ষী যিনি কথা বলতে অক্ষম, তিনি যেকোনো উপায়ে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন যাতে তা বোধগম্য হয়, যেমন লিখে বা ইশারায়; কিন্তু এই ধরনের লিখিত সাক্ষ্য অবশ্যই লিখিত হতে হবে এবং ইশারা খোলা আদালতে করতে হবে। এভাবে দেওয়া সাক্ষ্য মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

⇒The Evidence Act, 1872 এর ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।
এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সাক্ষী বধির বা বোবা হন এবং সে লিখতে বা ইশারা করতে পারেন, তাহলে তাকে লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে দেওয়া যেতে পারে।
সুতরাং, একজন বোবা সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দুটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:
লিখিত সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি তার সাক্ষ্য লিখিতভাবে দিতে পারবেন। তিনি প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর লিখবেন এবং সেই লিখিত উত্তরগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি ইশারা করে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন। একজন দোভাষী তার ইশারাগুলি অনুবাদ করবেন এবং সেই অনুবাদগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
--------
⇒The Evidence Act, 1872-Section-119. Dumb witnesses: A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

৭৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৫খ অনুসারে কোন ক্ষেত্রে আদালতের মনে হতে পারে যে, দলিলে সংযুক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি স্বাক্ষরকারীর ইচ্ছাকৃত ছিল?
  1. অস্বাক্ষরিত দলিল
  2. অজানা উৎসের দলিল
  3. সাধারণ ডিজিটাল স্বাক্ষর
  4. সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর
সঠিক উত্তর:
সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৮৫B(২)(ক) অনুযায়ী, যদি কোনো Secure Digital Signature (সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর) কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে যুক্ত থাকে, তাহলে: "The Court shall presume, unless the contrary is proved, that (a) the secure digital signature is affixed by the subscriber with the intention of signing or approving the digital record."
অর্থাৎ, আদালত ধারণা (Presume) করবে যে: স্বাক্ষরকারী নিজেই ইচ্ছাকৃতভাবে স্বাক্ষর করেছেন বা অনুমোদন দিয়েছেন।
- অর্থাৎ ধারা ৮৫খ (2)(a) অনুসারে, যদি এটি সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর হয়, তবে আদালত ধরে নেবে যে স্বাক্ষরকারী তা নিজের ইচ্ছায় যুক্ত করেছে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৮৫খ : ডিজিটাল রেকর্ড এবং ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কিত অনুমান:
(১) কোনো কার্যক্রমে যদি একটি সুরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ড জড়িত থাকে, তবে আদালত, বিপরীত প্রমাণিত না হলে, অনুমান করবে যে সুরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ডটি যে সময় থেকে সুরক্ষিত অবস্থায় ছিল, তারপর থেকে তাতে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
(২) কোনো কার্যক্রমে যদি সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর জড়িত থাকে, তবে আদালত, বিপরীত প্রমাণিত না হলে, নিম্নলিখিতগুলি অনুমান করবে যে:
(ক) ডিজিটাল রেকর্ডে স্বাক্ষরকারী (subscriber) কর্তৃক স্বাক্ষরের বা অনুমোদনের অভিপ্রায়ে সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত করা হয়েছে;
(খ) একটি সুরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ড বা সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতীত, এই ধারার কোনো কিছুই ডিজিটাল রেকর্ড বা কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা এবং অখণ্ডতা সম্পর্কিত কোনো অনুমান তৈরি করবে না।
--------
⇒ The Evidence Act,1872: Section- 85B. Presumption as to digital record and digital signatures:
(1) In any proceedings involving a secure digital record, the Court shall presume unless contrary is proved, that the secure digital record has not been altered since the point of time to which the secure status relates.
(2) In any proceedings, involving secure digital signature, the Court shall presume unless the contrary is proved that-
(a) the secure digital signature is affixed by subscriber with the intention of signing or approving the digital record;
(b) except in the case of a secure digital record or a secure digital signature, nothing in this section shall create any presumption relating to authenticity and integrity of the digital record or any digital signature.

৭৭.
“Oral evidence must, in all cases whatever, be direct” – এই বিধান কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৫৬
  2. ধারা ৫৯
  3. ধারা ৬০
  4. ধারা ৬২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬০
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬০-এর শিরোনামই হলো “Oral evidence must be direct”। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে: “Oral evidence must, in all cases whatever, be direct” অর্থাৎ মৌখিক সাক্ষ্য সব ক্ষেত্রেই অবশ্যই প্রত্যক্ষ (Direct) হতে হবে – দেখলে “দেখেছি”, শুনলে “শুনেছি”, অনুভব করলে “অনুভব করেছি” বলতে হবে। পরোক্ষ বা শোনা-কথা (hearsay) গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে: মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি অন্য কোন ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে সে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা বা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত অথবা অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
তবে শর্ত এই যে, বিশেষজ্ঞের অভিমত পোষকতার কোন গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজাবে বিক্রিয় হয়, সেক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর উহা প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাহাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন।
ইহা ছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলেই সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
- Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say-
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it;
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner;
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds:
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable:
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.

৭৮.
'মৃত্যুকালীন ঘোষণা' (Dying Declaration) সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর কত নম্বর উপধারায় অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৩২(১)
  2. ৩২(২)
  3. ৩২(৩)
  4. ৩২(৪)
সঠিক উত্তর:
৩২(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(১)
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “Section-32. Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant
- Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–
When it relates to cause of death;
32(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question. 
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.”

অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying Declaration) এই ৩২(১) উপধারার অধীনেই পড়ে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

৭৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫১ অনুযায়ী আদালত কোন ধরনের প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারে?
  1. অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন
  2. বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন
  3. পুনরাবৃত্তিমূলক প্রশ্ন
  4. অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫১ এর সরাসরি বিধান হলো: আদালত যে কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদকে অশ্লীল (indecent) বা কেলেঙ্কারিজনক/কুৎসাজনক (scandalous) মনে করলে তা নিষিদ্ধ করতে পারেন, এমনকি প্রশ্নটির কিছু প্রাসঙ্গিকতা বা গুরুত্ব থাকলেও।
তবে ব্যতিক্রম: যদি প্রশ্নটি বিচার্য বিষয় (facts in issue) বা তার অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য অপরিহার্য হয়, তাহলে আদালত তা অনুমোদন করতে পারেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন: যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
------------
⇒The Evidence Act, 1872-Section 151- Indecent and scandalous questions: The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

৮০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী একজন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা যায়?
  1. ধারা ১৪২
  2. ধারা ১৬৭
  3. ধারা ১৩২
  4. ধারা ১৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৪-এর বিধান হলো: আদালতের বিবেচনাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী (at the discretion of the Court) যে পক্ষ সাক্ষীকে উপস্থাপন করেছে, সেই পক্ষই তার নিজের সাক্ষীকে বৈরী (hostile) ঘোষণা করে জেরা (cross-examine) করতে পারে। তাই সঠিক উত্তর ঘ) ধারা ১৫৪।

⇒ বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী যাকে কোনো পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য উপস্থাপন করে, কিন্তু সে যদি নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে বা প্রতিপক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে যদি সাক্ষী বৈরী হয়ে যায়। সাধারণত, জেরা করার অধিকার প্রতিপক্ষের থাকে, তবে যদি আদালত মনে করে যে একজন সাক্ষী ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীতমুখী বক্তব্য দিচ্ছে, তবে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষও তাকে জেরা করতে পারে।

 কখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়?
১) যখন সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়।
২) যখন সাক্ষী প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে।
৩) যখন সাক্ষী তার আগের দেওয়া বক্তব্য থেকে সরে আসে বা বিপরীত কথা বলে।

উদাহরণ:
- একজন সাক্ষী যদি পুলিশের সামনে একরকম বক্তব্য দেয়, কিন্তু আদালতে এসে তার বিপরীত কথা বলে, তাহলে সে বৈরী সাক্ষী বলে গণ্য হতে পারে।

⇒ অর্থাৎ যদি একজন সাক্ষী তার পক্ষের বিরুদ্ধে কথা বলে অথবা প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী বলা হয় এবং সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জেরা করতে পারে।
- এটি আদালতের বিবেচনার বিষয় যে সাক্ষী সত্যিই বৈরী কি না।

৮১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে ৩০ বছর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে জীবিত বলে অনুমান করা হয়?
  1. ধারা ১০৬
  2. ধারা ১০৭
  3. ধারা ১০৮
  4. ধারা ১০৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০৭
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১০৭ অনুসারে— যদি প্রমাণিত হয় যে কোনো ব্যক্তি বিগত ৩০ বছরের মধ্যে জীবিত ছিলেন, তাহলে আদালত তাকে জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য। এ ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাবি করে যে তিনি মৃত, তার ওপরই মৃত্যুর প্রমাণের ভার বর্তায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় বিগত ৩০ বৎসর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 107: Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:  When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.

৮২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে, শুধুমাত্র সাক্ষ্য ভুলভাবে গ্রহণ বা বর্জনের কারণে কোনো রায় বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য নতুন করে বিচার করার আবেদন করা যাবে না?
  1. ধারা ১৬৩
  2. ধারা ১৬৫
  3. ধারা ১৬৬
  4. ধারা ১৬৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৭
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারা অনুসারে, যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আপত্তিকর সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্ত ন্যায্যতা প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ ছিল, অথবা বর্জিত সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলেও সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হতো না, তাহলে শুধুমাত্র সাক্ষ্য ভুলভাবে গ্রহণ বা বর্জনের কারণে কোনো মামলায় নতুন করে বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে না। এই বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় প্রকার মামলায় সমভাবে প্রযোজ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান, আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 167- No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

৮৩.
কোন ধারায় সাক্ষ্য আইনে ইঙ্গিতবাহী (Leading) প্রশ্নের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪০
  3. ধারা ১৪১
  4. ধারা ১৪২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪১
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪১-এই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের (Leading Question) সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না: বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।
যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে: জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
-------------
⇒The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
⇒The Evidence Act, 1872- Section 142.When they must not be asked:
- Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 
- The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
⇒The Evidence Act, 1872- Section 143. When they may be asked:
- Leading questions may be asked in cross-examination.

৮৪.
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার মতে স্বীকৃতি ______ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
  1. Estoppel
  2. Confession
  3. Conclusive Proof
  4. Secondary evidence
সঠিক উত্তর:
Estoppel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Estoppel
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩১ অনুসারে, স্বীকৃতি (Admissions) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) নয়, কিন্তু সেগুলি প্রতিবন্ধক (Estoppel) হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
--------
⇒The Evidence Act, 1872- Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.

৮৫.
“Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it” – এই বিধান কোন ধারার?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯-এর মূল বিধানই হলো: “Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it.”
- অর্থাৎ একবার তামাদির মেয়াদ শুরু হয়ে গেলে পরবর্তীতে কোনো অক্ষমতা (যেমন: নাবালক হওয়া, পাগল হওয়া, দেশের বাইরে থাকা ইত্যাদি) দিয়ে সেই মেয়াদ আর বন্ধ বা স্থগিত হবে না।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তী কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
--------
⇒ The Limitation Act, 1908- Section 9:- Continuous running of time:
-Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:

Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

৮৬.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী সম্পত্তির সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অধিকার লঙ্ঘনের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ব্যবহারের অধিকার আছে এমন ব্যক্তির দ্বারা সম্পত্তি অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির মামলার তামাদি মেয়াদ হলো ২ বছর। এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় যখন সম্পত্তির অপব্যবহার ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি প্রথম জানতে পারে।

- অর্থাৎ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ব্যবহারের অধিকার লঙ্ঘনের মামলার তামাদি মেয়াদ হলো ২ বছর, যা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি অপব্যবহার সম্পর্কে জানার সময় থেকে গণনা করা হয়।


৮৭.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের (continuing breach of contract) ক্ষেত্রে, তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হয়?
  1. চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে
  2. চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে
  3. প্রথমবার চুক্তিভঙ্গের সময় থেকে
  4. চুক্তিভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন ভাবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন ভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ধারা ২৩ অনুসারে, অবিরাম চুক্তিভঙ্গ (Continuing breach of contract) বা অবিরাম অন্যায় (Continuing wrong) এর ক্ষেত্রে একটি বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য। এই ধারা মোতাবেক, চুক্তিভঙ্গটি যতক্ষণ চলমান থাকে, ততক্ষণ প্রতি মুহূর্তেই একটি নতুন তামাদির মেয়াদ শুরু হয়।

- অর্থাৎ, এই ধরনের ভঙ্গ বা অন্যায়ের জন্য তামাদির মেয়াদ গণনা শুধুমাত্র প্রথমবার চুক্তিভঙ্গের তারিখ থেকে হয় না, বরং ভঙ্গটি চলমান থাকা অবস্থায় যেকোনো সময় থেকে মামলা দায়েরের জন্য নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হতে থাকে। এটি একটি চলমান অপরাধ বা ভঙ্গের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ:-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 23: Continuing breaches and wrongs:
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

৮৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে ‘দখল উদ্ধারের’ মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৯ এর অধীনে স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলার জন্য দাখিলের সময়সীমা বা তামাদির মেয়াদ ৬ মাস নির্ধারিত।
অর্থাৎ, দখল হারানোর দিন থেকে ৬ মাসের মধ্যে না করলে মামলা তামাদি হবে।

৮৯.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৯
  2. অনুচ্ছেদ ১৫০
  3. অনুচ্ছেদ ১৫১
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫০
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৫০-এ মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ১৫০- দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৫০ অনুসারে, দায়রা আদালত কর্তৃক বা হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- আপিলের ধরন: মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল। 
- তামাদি মেয়াদ: ৭ দিন। 
- সময় গণনার শুরু: দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে। 
এটি তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লিখিত সর্বনিম্ন তামাদি মেয়াদগুলোর মধ্যে একটি। মৃত্যুদণ্ড একটি গুরুতর বিষয় হওয়ায় এর বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের জন্য খুব সীমিত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

৯০.
প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগ (First Division) কোন বিষয়ের তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করে?
  1. আপীল
  2. দরখাস্ত
  3. পিটিশন
  4. মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিল মোট ৩টি বিভাগে বিভক্ত। এই তিনটি বিভাগ অনুযায়ী, তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের বিধানগুলি মোকদ্দমা (Suit), আপীল (Appeal), এবং দরখাস্ত (Application/Petition) সংক্রান্ত।
অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের মোট ৩টি বিভাগ রয়েছে, যেগুলি হল: ১) মোকদ্দমা দায়েরের তামাদি ২) আপীল দায়েরের তামাদি ৩) দরখাস্ত দায়েরের তামাদি।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৩টি বিভাগ:
১) প্রথম বিভাগ (First Division):
→ মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Suits)
- এই বিভাগের অধীনে ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিভিন্ন মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
২) দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
→ আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Appeals)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত বিভিন্ন আপীলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
৩)  তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
→ বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Applications and Petitions)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত বিভিন্ন দরখাস্ত বা পিটিশনের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

৯১.
তামাদি আইন ১৯০৮-এর Section 20 অনুযায়ী, কোন কার্যক্রম বা বক্তব্য স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে? 
  1. ঋণের সুদ পরিশোধ
  2. মৌখিক প্রতিশ্রুতি
  3. ভবিষ্যতে পরিশোধের আশ্বাস
  4. উল্লিখিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
ঋণের সুদ পরিশোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণের সুদ পরিশোধ
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২০(১) অনুযায়ী:
- ঋণ বা লিগ্যাসির সুদের অর্থপ্রদান যদি তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে করা হয়, তাহলে তা একটি বৈধ স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে।
- এই অর্থপ্রদানের ফলে তামাদি মেয়াদ পুনরায় গণনা শুরু হবে (Payment refreshes the limitation period)।

- ধারা ২০ তে বলা হয়েছে, যদি কোনো ঋণগ্রহীতা তার ঋণের সুদ পরিশোধ করে, তবে এটি ঋণ সম্পর্কিত দায় স্বীকার করার সমতুল্য এবং এর ফলে তামাদি মেয়াদ পুনরায় শুরু হতে পারে। অর্থাৎ, ঋণের সুদ পরিশোধে ঋণগ্রহীতা তার দায় স্বীকার করেছে এবং তামাদি আইনের অধীনে এই পদক্ষেপকে স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

অর্থাৎ, তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২০(১) অনুসারে, ঋণের সুদ পরিশোধ একটি স্পষ্ট ও স্বীকৃত কার্যক্রম যা একটি বৈধ স্বীকৃতি (Acknowledgment) হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made:
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.

৯২.
তামাদি আইনের বিধান অনুসারে অ্যাডভোকেট কর্তৃক মামলা বা কাজের জন্য খরচ আদায়ের মামলার তামাদি মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ৮৪ অনুযায়ী, যদি কোন অ্যাডভোকেট তার মামলা বা কাজের জন্য খরচ আদায় করতে চায়, এবং সেই খরচ পরিশোধের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় সীমা প্রকাশ্যে নির্ধারিত না থাকে, তবে এমন মামলার তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
→ এই ৩ বছরের গণনা শুরু হয়:
- সংশ্লিষ্ট মামলা বা কাজ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে, অথবা
- যদি অ্যাডভোকেট যথাযথভাবে সেই মামলা বা কাজ পরিত্যাগ করে, তাহলে কাজ পরিত্যাগের তারিখ থেকে।
→ অর্থাৎ, অ্যাডভোকেটের খরচ আদায়ের দাবি দাখিল করার জন্য ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত করতে হবে, না হলে তামাদি হয়ে যাবে।

৯৩.
তামাদি আইনের ধারা ২৯(১) অনুসারে, তামাদি আইন কোন আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করে না?
  1. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
  2. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  3. নিবন্ধন আইন, ১৯০৮
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৯(১) স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে: "এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।"
- তামাদি আইনের ধারা ২৯(১) এর মাধ্যমে এই নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে যে, চুক্তি আইনের এই বিশেষ বিধানটি তামাদি আইনের কোনো বিধান দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত বা অকার্যকর হবে না।

⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা সংরক্ষণ:
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Limitation Act:- Section- 29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) The provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special  law; and 
(b) The remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.

৯৪.
তামাদি আইন ১৯০৮-এর Section 14-এর অধীনে সময়সীমা বাদ দেওয়ার জন্য কোন শর্ত বাধ্যতামূলক? 
  1. মামলা ফৌজদারি হতে হবে
  2. বাদী অবশ্যই আপিল করতে হবে
  3. মামলা সরকারের বিরুদ্ধে হতে হবে 
  4. বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
সঠিক উত্তর:
বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৪ এর মূল উদ্দেশ্য হল যদি কোনো ব্যক্তি যথাযথ যত্ন (due diligence) এবং সৎ বিশ্বাসে (good faith) একটি দেওয়ানি মামলা বা দরখাস্ত এমন কোনো আদালতে দায়ের করেন যেটি এখতিয়ারগত ত্রুটির কারণে সেই মামলার বিচার করতে অক্ষম, তবে উক্ত মামলায় যে সময় ব্যয় হয়, তা বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

এখানে "সৎ বিশ্বাসে" দায়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
- কারণ যদি বাদী জানার পরও ভুল আদালতে মামলা করেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে এখতিয়ারবিহীন আদালতে মামলা করেন, তাহলে সেটা “সৎ বিশ্বাসে” ধরা হবে না।
- সৎ বিশ্বাসের মানে হলো যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ সহকারে, ভুল না করে, বিশ্বাসযোগ্য ও ন্যায্য উদ্দেশ্যে মামলা করা।

⇒ তামাদি আইনের ১৪ ধারার বিধান এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় যেই সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে:
(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, বাদী মূল বা আপিল আদালতে বিবাদির বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানি কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যে আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয়, সেই আদালতে যদি সৎবিশ্বাসে তা দায়ের করা হয়ে থাকে, তবে কার্যক্রমে যে সময় ব্যয়িত হয়, মামলার মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।
(২) কোন দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে দরখাস্তকারী মূল বা আপিল আদালতে একই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি অন্য একটি দেওয়ানি কার্যধারা যথোপযুক্ত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে এবং তাতে একই প্রতিকার দাবি করা হয়ে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে এখতিয়ার নিয়ে ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে যে আদালতে শেষোক্ত কার্যধারার বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয় সেই আদালতে সৎবিশ্বাসে উপরোক্ত কার্যধারা দায়ের করা হয়ে থাকলে শেষোক্ত কার্যধারায় যে সময় ব্যয়িত হয়, উপরোক্ত দরখাস্তের মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।
ব্যাখ্যা-১: যে সময়ের জন্য পূর্ববর্তী মামলা বা দরখাস্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল তা বাদ দিতে, যে ঐ মামলা বা দরখাস্ত রুজু বা দাখিল করা হয়েছিল এবং যে দিন তাদের কার্যধারা শেষ হয়েছিল, উভয় দিনই গণনা করতে হবে।
ব্যাখ্যা-২: এ ধারার উদ্দেশ্যে যে বাদী বা দরখাস্তকারী আপিলে বিরোধিতা করছে, সে কার্যধারা চালাচ্ছে বলে গণ্য হবে ।
ব্যাখ্যা-৩: এ ধারার উদ্দেশ্যে ভুল পক্ষভুক্তি বা মামলার কারণভুক্তি, এখতিয়ারগত ত্রুটির ন্যায় একই প্রকৃতির কারণ বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Limitation Act:- Section- 14. Exclusion of time of proceeding bona fide in Court without jurisdiction:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the plantiff has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the defendant, shall be excluded, where the proceeding is founded upon the same cause of action and is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for any application, the time during which the applicant has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the same party for the same relief shall be excluded, where such proceeding is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it. 
Explanation I: - In excluding the time during which a former suit or application was pending, the day on which that suit or application was instituted or made, and the day on which the proceedings therein ended, shall both be counted. 
Explanation II: - For the purposes of this section, a plaintiff or an applicant resisting an appeal shall be deemed to be prosecuting a proceeding.  
Explanation III: - For the purposes of this section misjoinder of parties or of causes of action shall be deemed to be a cause of a like nature with defect of jurisdiction.

৯৫.
"ক্যাননস অফ প্রফেশনাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড এটিকেট"-এর কোন অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর মক্কেলের সম্পত্তির প্রতি আচরণ সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. অধ্যায় ১
  2. অধ্যায় ২
  3. অধ্যায় ৩
  4. অধ্যায় ৪
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় ২
ব্যাখ্যা

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette (বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত) এর অধ্যায়-২-এর শিরোনাম হলো “মক্কেলগণের প্রতি আচরণ”। এই অধ্যায়ের বিধি-১-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, কোনো আইনজীবী তাঁর মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলায় জড়িত সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত হইবেন না।
- এটি পেশাগত সততা ও স্বার্থবিরোধের (conflict of interest) নীতির পরিপন্থী। আইনজীবীর দায়িত্ব কেবলমাত্র আইনগত সহায়তা প্রদান, ব্যক্তিগত লাভের চিন্তা নয়।

⇒ CANONS OF PROFESSIONAL CONDUCT AND ETIQUETTEE- অধ্যায়- ২ [মক্কেলগণের প্রতি আচরণ]:
বিধি-১. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলায় জড়িত সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত হইবেন না।

৯৬.
বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল কয়টি স্থায়ী কমিটি গঠন করবে? 
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১) অনুসারে বার কাউন্সিল ৩টি স্থায়ী কমিটি গঠন করবে। কমিটিগুলো হলো:
১. নির্বাহী কমিটি (Executive Committee)
২. অর্থ কমিটি (Finance Committee)
৩. আইন শিক্ষা কমিটি (Legal Education Committee)
- এই কমিটিগুলো ছাড়াও বার কাউন্সিল প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারে, কিন্তু স্থায়ী কমিটি হিসেবে এই তিনটি কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ - অনুচ্ছেদ ১১:
(১) বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি গঠন করবে:
(ক) একটি নির্বাহী কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(খ) একটি অর্থ কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(গ) একটি আইন শিক্ষা কমিটি, যা নয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে—যার মধ্যে পাঁচজন কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং চারজন কাউন্সিল কর্তৃক কো-অপ্টেড (co-opted) হবেন, যারা কাউন্সিলের সদস্য নন। এই চারজনের মধ্যে কমপক্ষে দুজন বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক হবেন।
(২) উল্লিখিত কমিটিগুলোর ক্ষমতা ও কার্যাবলী যেরূপ নির্ধারণ করা হবে, সেরূপ হবে।
(৩) বার কাউন্সিল এই আদেশের অধীনে তার কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন মনে করলে তার সদস্যদের মধ্য থেকে অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারবে।
---------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.

৯৭.
"Canons of Professional Conduct and Etiquette"-এ মোট কতটি অধ্যায় ও বিধি রয়েছে?
  1. ৩টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি
  2. ৪টি অধ্যায়ে ৪০টি বিধি
  3. ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি
  4. ৫টি অধ্যায়ে ৪৫টি বিধি
সঠিক উত্তর:
৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি
ব্যাখ্যা

⇒ "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to other advocates) 
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to clients) 
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য (Duty to the court) 
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to the public generally)

৯৮.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের শাস্তিমূলক আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় দায়ের করতে হয়?
  1. বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের কাছে
  4. সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে
ব্যাখ্যা

⇒ শাস্তি বিধানের বিরুদ্ধে প্রতিকারের বিধান:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ আদেশের বিধান মোতাবেক কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিলে এবং উক্ত আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, অনুরূপ আদেশ প্রাপ্তির দিন হতে নব্বই (৯০) দিনের মধ্যে উক্ত সংক্ষুব্ধ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
- অনুরূপ আপিল হাই কোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃক শ্রবণ করতে হবে এবং ঐ বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.

৯৯.
বার কাউন্সিলের প্রথম সভা কে আহ্বান করবেন?
  1. সিনিয়র সদস্য 
  2. বার কাউন্সিলের সভাপতি
  3. বার কাউন্সিলের সম্পাদক
  4. ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সম্পাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সম্পাদক
ব্যাখ্যা

⇒ বার কাউন্সিল বিধিমালা, ১৯৭২-এর বিধি ২৮ অনুযায়ী, একটি বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়া বাধ্যতামূলক। এই সভা আহ্বান করবেন বার কাউন্সিলের সম্পাদক, এবং সভায় ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972: Rules-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convené such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.