পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৭৮
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪: Full Model Test - 1
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৮ প্রশ্ন

.
কোনটি তদ্ভব শব্দ?
  1. সূর্য
  2. নক্ষত্র 
  3. চাঁদ 
  4. গ্রহ
সঠিক উত্তর:
চাঁদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদ 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) চাঁদ।

• তদ্ভব শব্দ: 
সংস্কৃত শব্দ থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলায় এসেছে যে শব্দ।

'চাঁদ' এর উৎপত্তি:
- সংস্কৃত: চন্দ্র;
- প্রাকৃত: চন্দ;
- বাংলা: চাঁদ।

অন্যান্য অপশনগুলো:
- সূর্য - তৎসম শব্দ (সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিত)।
- নক্ষত্র - তৎসম শব্দ (সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিত)।
- গ্রহ - তৎসম শব্দ (সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিত)।

আরো তদ্ভব শব্দের উদাহরণ:
- হাত (হস্ত থেকে);
- মাথা (মস্তক থেকে);
- দুধ (দুগ্ধ থেকে);
- আগুন (অগ্নি থেকে)।

সুতরাং 'চাঁদ' একটি তদ্ভব শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'যোজক' আলোচনা করা হয়—
  1. ধ্বনিতত্ত্বে
  2. রূপতত্ত্বে
  3. বাক্যতত্ত্বে
  4. অর্থতত্ত্বে
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্বে
ব্যাখ্যা

• 'যোজক' - 'রূপতত্ত্বে' এর আলোচ্য বিষয়।

রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করে।
যেমন- 
- শব্দ, দ্বিরুক্ত শব্দ, বচন, সমাস, প্রত্যয়, উপসর্গ, অনুসর্গ, পদ- প্রকরণ, যোজক, ক্রিয়ার অনুজ্ঞা, ক্রিয়ার কাল, পুরুষ, লিঙ্গ, বচন, ধাতু প্রভৃতি।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দ গঠন প্রক্রিয়া।

• যোজক: 
- পদ, বর্গ বা বাক্যকে যেসব শব্দ যুক্ত করে তাকে যোজক বলে।
- যেমন: এবং, ও, আর, তবু, অথবা, সুতরাং, কারন, তবে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ); বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
‘অন্ধের যষ্টি’ বাগ্‌ধারার অর্থ কী? 
  1. দুর্লভ বস্তু
  2. ন্যাকামি
  3. একমাত্র অবলম্বন
  4. অসম্ভব কল্পনা
সঠিক উত্তর:
একমাত্র অবলম্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একমাত্র অবলম্বন
ব্যাখ্যা

• “অন্ধের যষ্টি” বাগ্‌ধারাটির অর্থ হচ্ছে- একমাত্র অবলম্বন।
বাক্য: বিধবার একমাত্র সন্তান তার অন্ধের যষ্ঠি/অন্ধের নড়ি।

• অন্যান্য অপশন:
- 'অমাবস্যার চাঁদ'- বাগ্‌ধারাটির অর্থ- দুর্লভ বস্তু।
- 'আদিখ্যেতা' বাগ্‌ধারার অর্থ - ন্যাকামি।
- আকাশ কুসুম বাগ্‌ধারার অর্থ - অসম্ভব কল্পনা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।

.
'অগ্নি’ শব্দের সমার্থক কোনটি?
  1. সবিতা
  2. কৃশানু
  3. ভানু
  4. অংশু
সঠিক উত্তর:
কৃশানু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃশানু
ব্যাখ্যা

• 'অগ্নি' শব্দের সমার্থক- কৃশানু।

অগ্নি শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ:
- অনল, বহ্নি, পাবক, হুতাশন, বৈশ্বানর, জ্বলন, শিখাবৎ, শিখিন, বায়ুসখা, হুতভুক, শুচি, পিঙল, বিশ্বপা, হিমারাতি, বায়ুসখা অনিলসখ, জগন্নু, সর্বভুক ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- ‘সূর্য’ শব্দের সমার্থক শব্দ- ভানু, সবিতা।
- 'অংশু' শব্দের অর্থ আলো।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
"নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?" - চরণটির রচয়িতা কে?
  1. জ্ঞানদাস 
  2. চণ্ডীদাস
  3. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  4. খনা
সঠিক উত্তর:
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
ব্যাখ্যা

• "নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?" পঙ্‌ক্তিটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের অন্তর্গত।

• ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর:
- অষ্টাদশ শতকের শ্রেষ্ঠ কবি এবং মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে সুপরিচিত ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর।
- অন্নদামঙ্গল কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা তিনি। তিনি এই কাব্যের আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি। তাঁর অপর গ্রন্থ ‘সত্যপীরের পাঁচালী’।
- ভারতচন্দ্র সভাকবি ছিলেন নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র।
- তাকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি প্রদান করেন নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের শেষ বড় কবি বা নাগরিক কবিও বলা হয়।
- “নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?” - লাইনটির রচয়িতা তিনি।

• অন্নদামঙ্গল কাব্যের কিছু বিখ্যাত পঙক্তি হলো-
- 'মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।'
- 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?'
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।'

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'মধুমাখা' - কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. কর্মধারয়
  2. বহুব্রীহি
  3. তৎপুরুষ
  4. দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা

• তৎপুরুষ সমাস:
সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লােপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।

⇒ বিভক্তি লােপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ:
- দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত।
- ছেলেকে ভুলানাে = ছেলে-ভুলানাে।

⇒ সন্নিহিত অনুসর্গ লােপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ:
- মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা।
- চিনি দিয়ে পাতা = চিনিপাতা।

⇒ কিছু ক্ষেত্রে বিভক্তি লােপ পায় না, এসব তৎপুরুষ সমাসের নাম অলুক তৎপুরুষ। যেমন-
- গরুর গাড়ি = গরুরগাড়ি।
- তেলে ভাজা = তেলেভাজা।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।

.
'নিমরাজি' শব্দে 'নিম' উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অনেক অর্থে
  2. না অর্থে
  3. সাথে অর্থে
  4. অর্ধেক অর্থে
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক অর্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক অর্থে
ব্যাখ্যা

• 'নিমরাজি' শব্দে 'নিম' উপসর্গটি অর্ধেক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এটি একটি ফারসি উপসর্গের উদাহরণ।

আরও কিছু ফারসি উপসর্গ নিম্নরূপ-
- ফি: প্রত্যেক অর্থে = ফি-বছর, ফি-সপ্তাহ, ফি-রোজ, ফি-সব।
- না: না অর্থে = নারাজ, নাচার।
- ব: সাথে অর্থে = বনাম, বকলম, বমাল। 
- কম: অল্প অর্থে = কমবখ্‌ত, কমআক্কেল, কমজোর।
- বে: না অর্থে = বেকার, বেয়াদব, বেকসুর, বেহায়া।
- বর: মন্দ অর্থে = বরখাস্ত, বরখেলাপ, বরদাস্ত, বরবাদ।
- নিম: অর্ধেক অর্থে = নিমরাজি, নিমমোল্লা। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
'ধোঁকাবাজ' শব্দের 'বাজ' কোন ধরনের প্রত্যয়?
  1. বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
  2. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
  3. বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়
  4. সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
সঠিক উত্তর:
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়
ব্যাখ্যা

• বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
• বাজ (দক্ষ অর্থে)- কলমবাজ, ধড়িবাজ, ধোঁকাবাজ। 
• বন্দি (বন্দ্-ফারসি): জবানবন্দি, সারিবন্দি, নজরবন্দি, কোমরবন্দ।
• সই: (মতো অর্থে) - জুতসই, মানানসই, চলনসই, টেকসই।

-----------------
বিশেষ তথ্য:
- বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলা হয় প্রাতিপদিক।
- প্রাতিপদিক তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি বলে প্রাতিপদিককে নাম প্রকৃতিও বলা হয়।
- ধাতু যেমন কৃৎ-প্রত্যয়ের প্রকৃতি, তেমনি প্রাতিপদিকও তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি।
- প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি এবং প্রাতিপদিককে বলা হয় নাম প্রকৃতি।
- তদ্ধিত প্রত্যয়গুলো বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. বাল্মিকী
  2. ব্যাত্যয়
  3. প্রোজ্জল
  4. কুজ্ঝটিকা
সঠিক উত্তর:
কুজ্ঝটিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুজ্ঝটিকা
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে,
- শুদ্ধ বানান- 'কুজ্ঝটিকা'।
- 'কুজ্ঝটিকা' শব্দের অর্থ: কুহেলিকা, কুয়াশা।
- সন্ধিবিচ্ছেদ: কুৎ + ঝটিকা = কুজ্ঝটিকা।

অন্যদিকে,
- 'প্রোজ্জল' শব্দের শুদ্ধ বানান - প্রোজ্জ্বল।
- 'বাল্মিকী' শব্দের শুদ্ধ বানান - বাল্মীকি।
- 'ব্যতয়' শব্দের শুদ্ধ বানান - ব্যত্যয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১০.
কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যানুবাদ করেছেন কোন গ্রন্থটি?
  1. চক্রবাক
  2. মোহররম
  3. রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম
  4. যুগবাণী
সঠিক উত্তর:
রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম
ব্যাখ্যা

রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম:
- ইরানের জীবনবাদী কবি ওমর খৈয়ামের রুবাই বা কবিতা অনুবাদ করেন নজরুল।
- ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বরে 'রুবাইয়াৎ-ই- ওমর খৈয়াম' গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- সৈয়দ মুজতবা আলী এর ভূমিকা লেখেন।
- জীবনবাদী ওমর নজরুলকে খুব আকর্ষিত করেছিলেন।
- এ অনুবাদে অত্যন্ত চমৎকার ভাষাভঙ্গি ব্যবহৃত।
- অন্যান্য অনুবাদকারের উ: 'বাঁ চেয়ে নজরুলের অনুবাদ অনুভূতির পরশে, যথাযথ শব্দের পরিপাট্যে উজ্জ্বল।

কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ  (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। 
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

- তাঁর সাহিত্যকর্ম:
কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নি-বীণা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- মরুভাস্কর,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- চক্রবাক,
- সাম্যবাদী,
- ছায়ানট,
- নতুন চাঁদ,
- পুবের হাওয়া,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- দোলনচাঁপা,
- সিন্ধু হিন্দোল,
- ভাঙার গান,
- সন্ধ্যা ইত্যাদি।

প্রবন্ধগ্রন্থ:
- যুগবাণী,
- রাজবন্দীর জবানবন্দী,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- রুদ্রমঙ্গল।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১১.
'It is better that ten guilty persons escape than one innocent suffer.' - This is quoted by -
  1. Jeremy Bentham
  2. William Blackstone
  3. Montesquieu
  4. Francis Bacon
সঠিক উত্তর:
William Blackstone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Blackstone
ব্যাখ্যা

• William Blackstone quoted 'It is better that ten guilty persons escape than one innocent suffer.'
- এটি Blackstone ratio হিসেবে পরিচিত।
- The ratio of 10:1 expressed in the maxim ‘Better that ten guilty persons escape than that one innocent suffer’: William Blackstone, Commentaries 358. 

• Sir William Blackstone
- He was an English jurist, whose Commentaries on the Laws of England, 4 vol. (1765–69), is the best-known description of the doctrines of English law. - The work became the basis of university legal education in England and North America.
- He was knighted in 1770.

Source: Oxford Reference and Britannica.

১২.
The Latin phrase 'Fiat justitia, ruat caelum' means -
  1. Justice delayed is justice denied
  2. Let justice be done though the heavens fall
  3. The law is reason, free from passion
  4. Ignorance of the law excuses no one
সঠিক উত্তর:
Let justice be done though the heavens fall
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let justice be done though the heavens fall
ব্যাখ্যা

• Fiat justitia, ruat caelum: [Latin phrase]
English meaning: let justice be done, though the heavens fall.
Bangla meaning: আকাশ পড়লেও ন্যায়বিচার করা হোক।

বাকি বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:

ক) Justice delayed is justice denied.
- এর মানে হল যে ন্যায়বিচার যদি দেরিতে হয় তাহলে সেটা আর ন্যায়বিচার থাকে না।

গ) The law is reason, free from passion.
- এর মানে হল আইন শুধু যুক্তি ও বিবেকের উপর ভিত্তি করে চলে, কোনো ব্যক্তিগত আবেগ বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই।

ঘ) Ignorance of the law excuses no one.
- এর মানে হল আপনি আইন জানেন না বলে আইন ভাঙার জন্য অব্যাহতি পাবেন না।

 Source: Merriam-Webster Dictionary.

১৩.
What is the meaning of Litigation?
  1. The process of taking legal action in court
  2. A type of crime
  3. The act of signing a contract 
  4. A law written by the king
সঠিক উত্তর:
The process of taking legal action in court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The process of taking legal action in court
ব্যাখ্যা

Litigation:
English meaning: the process of taking a case to a court of law so that a judgment can be made.
Bangla meaning: মামলা; আইনের আশ্রয় গ্রহণ। 

Example:
The company has consistently denied responsibility, but it agreed to the settlement to avoid the expense of lengthy litigation.

Source: Cambridge Dictionary.

১৪.
Following the ballgame, there will be a fireworks display. Here, 'Following' is -
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Preposition
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Preposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Preposition
ব্যাখ্যা

Following the ballgame, there will be a fireworks display. Here, 'Following' is -preposition.  
- "Following" এখানে preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ “এর পরে”।
- এটি "the ballgame" এর সাথে যুক্ত হয়ে সময়সূচি বোঝাচ্ছে।
 
Following: [preposition]
English meaning: after.
Bangla meaning: পরে। 

Example: 
- Following the ballgame, there will be a fireworks display.
- The weeks following the riots were extremely tense.
- Following the dinner, there will be a dance.

Source: Cambridge Dictionary.

১৫.
What is the meaning of “Plaintiff”?
  1. A person who brings a case against another in court
  2. The judge in a trial
  3. A witness
  4. A criminal defendant
সঠিক উত্তর:
A person who brings a case against another in court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A person who brings a case against another in court
ব্যাখ্যা

Abswer - A person who brings a case against another in court.

• Plaintiff (noun) 
English meaning: A person who brings a case against another in a court of law.
Bangla Meaning: বাদী; ফরিয়াদি।

Example: The plaintiff commenced an action for damages.
Bangla Meaning: বাদী ক্ষতিপূরণের জন্য একটি মামলা শুরু করেছিলেন।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১৬.
Choose the correct sentence.
  1. No sooner had she finished her speech then the audience applauded loudly.
  2. No sooner had she finished her speech than the audience applaude loudly.
  3. No sooner had she finished her speech than the audience had applauded loudly.
  4. No sooner had she finished her speech than the audience applauded loudly.
সঠিক উত্তর:
No sooner had she finished her speech than the audience applauded loudly.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No sooner had she finished her speech than the audience applauded loudly.
ব্যাখ্যা

Correct sentence: No sooner had she finished her speech than the audience applauded loudly.

• No sooner had.....than হচ্ছে Correlative conjunction.
- No sooner had.....than যুক্ত বাক্য গঠনের নিয়মাবলী:
- No sooner had + subject + 1st clause (verb এর past participle) + than + subject + 2nd clause (verb এর past form).

• No sooner had, Hardly had, Scarcely had সবগুলোই "করতে না করতেই/ হতে না হতেই" এ রকম অর্থে ব্যবহৃত হয়

• নিয়মানুযায়ী,
- No sooner had থাকলে পরের অংশে than (then নয়) ব্যবহৃত হয়।
- Hardly had থাকলে পরের অংশে when ব্যবহৃত হয়।
- Scarcely had থাকলে পরের অংশে when (than নয়) ব্যবহৃত হয়।

More Example:
1. No sooner had he finished his breakfast than the phone rang.
2. No sooner had she stepped outside than it started raining.
3. No sooner had we sat down for dinner than the phone rang.

 বিকল্প ব্যাখ্যা:

ক) No sooner had she finished her speech then the audience applauded loudly.
- “then” ব্যবহার করা ভুল, অবশ্যই “than” হবে।

খ) No sooner had she finished her speech than the audience applaude loudly.
- “applaude” বানান ভুল, সঠিক “applauded”.

গ) No sooner had she finished her speech than the audience had applauded loudly.
- অতিরিক্ত “had” ব্যবহার করা দরকার নেই, simple past যথেষ্ট। 

১৭.
১২ জন লোক একটি কাজের অর্ধেক অংশ ৭ দিনে করতে পারে। ঐ কাজটি ৪ জন লোক কতদিনে করতে পারবে?
  1. ২৪ দিনে 
  2. ৩০ দিনে 
  3. ৪২ দিনে 
  4. ৪৮ দিনে 
সঠিক উত্তর:
৪২ দিনে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ দিনে 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১২ জন লোক একটি কাজের অর্ধেক অংশ ৭ দিনে করতে পারে। ঐ কাজটি ৪ জন লোক কতদিনে করতে পারবে?

সমাধান:
১২ জন লোক অর্ধেক কাজ করতে পারে = ৭ দিনে 
∴ ১২ জন লোক সম্পূর্ণ কাজ করতে পারে = ৭ × ২ = ১৪ দিনে 

এখন,
১২ জন লোক কাজটি করতে পারে = ১৪ দিনে 
∴ ১ জন লোক কাজটি করতে পারে = (১৪ × ১২) দিনে 
∴ ৪ জন লোক কাজটি করতে পারে = (১৪ × ১২)/৪ = ৪২ দিনে 

১৮.
বার্ষিক কত টাকা হার সুদে ৮০০ টাকার ৫ বছরের সরল সুদ ১২০ টাকা হবে?
  1. ৩%
  2. ৫%
  3. ১০%
  4. ১২.৫% 
সঠিক উত্তর:
৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক কত টাকা হার সুদে ৮০০ টাকার ৫ বছরের সরল সুদ ১২০ টাকা হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মূলধন, P = ৮০০ টাকা 
সময়, n = ৫ বছর 
সুদ, I = ১২০ টাকা 
সুদের হার, r = ?

আমরা জানি,
I = Pnr/১০০
⇒ r = (১০০ × I)/Pn
⇒ r = (১০০ × ১২০)/(৮০০ × ৫) 
⇒ r = ৩

∴ সুদের হার, r = ৩ %

১৯.
কম্পিউটারের বাস নয় কোনটি?
  1. অ্যাড্রেস বাস
  2. ফায়ারওয়্যার বাস
  3. এজিপি বাস
  4. ইআইপি বাস
সঠিক উত্তর:
ইআইপি বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইআইপি বাস
ব্যাখ্যা

ইআইপি বাস কম্পিউটারের বাস নয়।

• কম্পিউটার বাস (Computer Bus):
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

→ সিস্টেম বাসের প্রকারভেদ:
- ডেটা বাস (Data Bus), 
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus), 
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus)। 

• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে সেগুলোকে এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বলা হয়। 

→ এক্সপানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus), 
-  ইআইএসএ বাস (EISA Bus), 
-  ইউএসবি (USB)
 - ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus)
-  এজিপি বাস (AGP Bus),
-  লোকাল বাস (Local Bus): লোকাল বাস দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা- 
ⅰ. ভেসা বাস (VESA Bus), 
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)। 

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
যদি x - (1/x) = 7 হয় তবে  x3 - (1/x)3 এর মান কত?
  1. 150
  2. 264
  3. 221
  4. 364
সঠিক উত্তর:
364
উত্তর
সঠিক উত্তর:
364
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি x - (1/x) = 7 হয় তবে  x3 - (1/x)3 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
 x - (1/x) = 7

∴ x3 - (1/x)3 
= {x - (1/x)}3 + 3.x.(1/x){x - (1/x)}
= (7)3 + 3 × 7
= 343 + 21
= 364

২১.
 পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করা হলে কোনটি ঘটে?
  1. রোধ বৃদ্ধি পায় 
  2. অন্তরকের ন্যায় আচরণ করে 
  3. রোধ হ্রাস পায় 
  4. রোধ একই থাকে 
সঠিক উত্তর:
রোধ বৃদ্ধি পায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোধ বৃদ্ধি পায় 
ব্যাখ্যা

• তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায়। 

• পরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের মধ্যদিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
• উদাহরণ- তামা, রুপা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি

• পরিবাহীতে অনেক মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। পরিবাহীতে যোজনব্যান্ড এবং পরিবহণব্যান্ডের মাঝে শক্তি ব্যবধান থাকে না।
- এজন্য পরিবাহীর দু প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্য ঘটলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে।
- পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ কম হয়। প্রায় 10-8 Ωm ক্রমের।

• তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে পরিবাহী পদার্থের বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা সাধারণত হ্রাস পায়।  
- সাধারণ পরিবাহী পদার্থের ক্ষেত্রে, তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর মধ্যস্থ পরমাণু এবং আয়নগুলির কম্পন বাড়ে।
- উক্ত কম্পনের ফলে পরিবাহীর মুক্ত ইলেকট্রনের সঙ্গে কম্পনরত পরমাণু সমূহের সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়, যা মুক্ত ইলেকট্রনের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। 
- এর ফলে রোধ বাড়ে এবং পরিবাহিতা কমে যায়।

অন্যদিকে,
অর্ধপরিবাহী পদার্থের ক্ষেত্রে, তাপমাত্রা বাড়লে কিছু ইলেক্ট্রন শক্তি অর্জন করে এবং মুক্ত হয়ে পরিবহনে অংশ নেয়, ফলে পরিবাহিতা বাড়ে এবং রোধ কমে যায়। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের যোগফল ৪ বছর পর পুত্রের বয়সের তিনগুণ। পুত্রের বর্তমান বয়স ১৫ বছর হলে পিতার বর্তমান বয়স কত?
  1. ৪০ বছর 
  2. ৪২ বছর 
  3. ৪৪ বছর 
  4. ৩৬ বছর 
সঠিক উত্তর:
৪২ বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ বছর 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের যোগফল ৪ বছর পর পুত্রের বয়সের তিনগুণ। পুত্রের বর্তমান বয়স ১৫ বছর হলে পিতার বর্তমান বয়স কত?

সমাধান:
ধরি,
পিতার বর্তমান বয়স = ক বছর 
পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের যোগফল = (ক + ১৫) বছর 

৪ বছর পর পুত্রের বয়স হবে = (১৫ + ৪) বছর = ১৯ বছর 

প্রশ্নমতে,
ক + ১৫ = ৩ × ১৯
⇒ ক + ১৫ = ৫৭
⇒ ক = ৫৭ - ১৫
⇒ ক = ৪২ 

∴ পিতার বর্তমান বয়স = ৪২ বছর 

২৩.
’সোমপুর মহাবিহার’ ইউনেস্কো কত সালে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

• সোমপুর বিহার: 
- এটি পরিচিত পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার।
- বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- সময়: অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।


উল্লেখ্য, 
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল। 
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন।

২৪.
জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা কয়টি? 
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৩টি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

- জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা: ৬টি।

জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা: ৬টি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

বাংলাদেশ কর্তৃক পালনকৃত দায়িত্ব:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন ২ বার।
- প্রথম মেয়াদ (১৯৭৯-১৯৮০)।
- বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকার উপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
- দ্বিতীয় মেয়াদ (২০০০-২০০১)।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৫.
ভারত ছাড় আন্দোলন শুরু হয়েছিল কত সালে?
  1. ১৯৩৫ সালে
  2. ১৯৪২ সালে
  3. ১৯৪০ সালে
  4. ১৯৩২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪২ সালে
ব্যাখ্যা

- ভারত ছাড় আন্দোলন ১৯৪২ সালে হয়।

ভারত ছাড় আন্দোলন:

- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে ক্রিপস মিশন প্রস্তাব সব মহল প্রত্যাখ্যান করলে সমগ্র ভারত ব্যাপী তীব্র গণঅসন্তোষ দেখা দেয়।
- উপমহাদেশের বাইরে এ সময় পৃথিবী ব্যাপী চলছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞ।
- জার্মানির মিত্র রাষ্ট্র জাপানের ভারত আক্রমণের আশঙ্কায় ভারতীয়দের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
- গান্ধীজি ভারতে ব্রিটিশ সরকারের উপস্থিতিকে এই আক্রমণের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন।
- সুতরাং ব্রিটিশ সরকার ভারত ছাড়লে জাপানের ভারত আক্রমণের পরিকল্পনার পরিবর্তন হতে পারে।
- এই চিন্তা করে তিনি ইংরেজদের ভারত ছেড়ে যেতে বলেন।
- শুরু হয় কংগ্রেসের 'ভারত ছাড়' আন্দোলন।
- ভারত ছাড় আন্দোলন ১৯৪২ সালে হয়।
- মহাত্মা গান্ধীর ডাকে এই আন্দোলনে জনগণ ঝাঁপিয়ে পড়ে।
- নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির এক অধিবেশনে তিনি তাঁর দৃঢ় ঘোষণায় উল্লেখ করেন 'আমি অবিলম্বে স্বাধনিতা চাই।
- ঐ দিনই মধ্য রাতে কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ গান্ধীজি, আবুল কালাম আজাদ, জওহরলাল নেহরুসহ অনেকে গ্রেফতার হন।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬.
পঞ্চম ড্রাগনের দেশ- 
  1. ইরান
  2. জাপান
  3. জাম্বিয়া
  4. তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
ব্যাখ্যা

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com

২৭.
নিচের কোন দেশটি দক্ষিণ চীন সাগর মালিকানা দাবিদার দেশ নয়?
  1. কম্বোডিয়া 
  2. মালয়েশিয়া
  3. ভিয়েতনাম
  4. ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া 
ব্যাখ্যা

- কম্বোডিয়া দক্ষিণ চীন সাগর মালিকানা দাবিদার দেশ নয়।

• দক্ষিণ চীন সাগর: 
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র অঞ্চল।
- দক্ষিণ চীন সাগর দক্ষিণে মালাক্কা প্রণালী থেকে শুরু হয়ে উত্তরে চীনের হাইনান দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- যেখানে প্রায় ২১% বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবহন করা হয়।

• সীমানা বিতর্ক:
- চীন "নাইন-ড্যাশ লাইন" নামে একটি মানচিত্র ব্যবহার করে,
- যার মাধ্যমে দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ৯০% অঞ্চল নিজেদের বলে দাবি করে।
- তবে, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও তাইওয়ানও এই অঞ্চলের বিভিন্ন অংশের ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্ব দাবি করে।
- ২০১৬ সালে হেগের আন্তর্জাতিক আদালত চীনের এই দাবিকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করে, কিন্তু চীন তা মানেনি।

উৎস: Britannica এবং বিবিসি।

২৮.
ডিজিটাল ব্যাংক নীতিমালা প্রণয়ন করা হয় কবে?
  1. ২০২৪ সালে
  2. ২০২৩ সালে
  3. ২০২৫ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা

- ২০২৩ সালের ১৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা প্রণয়ন করে।
- সেই নীতিমালা অনুযায়ী ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ছিল ১২৫ কোটি টাকা।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন করে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স (অনুমোদন) দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
- এ জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধনের সীমা বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করা হয়েছে।
- তবে প্রচলিত ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে প্রয়োজন ৫০০ কোটি টাকা।

উৎস: প্রথম আলো।

২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XVII, Rule 1-এর sub-rule (3) অনুসারে, একটি পক্ষ সর্বোচ্চ কতবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবির আবেদন করতে পারে?
  1. ছয়বার
  2. চারবার
  3. তিনবার
  4. পাঁচবার
সঠিক উত্তর:
চারবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারবার
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XVII, Rule 1-এর sub-rule (3) অনুসারে, ২০২৫ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে একটি পক্ষ সর্বোচ্চ চারবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবির আবেদন করতে পারে। 

- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XVII, Rule 1 এর সংশোধন অনুসারে,
যা Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর মাধ্যমে সংশোধিত হয়েছে, স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, sub-rule (3)-তে "six" শব্দটির পরিবর্তে "four" শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ হলো, কোনো পক্ষ একটি মোকদ্দমা সর্বোচ্চ চারবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবি করতে পারে।

- এই সংশোধনের উদ্দেশ্য হলো মোকদ্দমার প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করা এবং অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব রোধ করা। পূর্বে এই বিধানে একটি পক্ষ সর্বোচ্চ ছয়বার মুলতবির আবেদন করতে পারত, কিন্তু ২০২৫ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে এই সংখ্যা কমিয়ে চারবার করা হয়েছে।

৩০.
২০২৫ সালের Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance কোন তারিখে জারি হয়?
  1. ৮ মে ২০২৫
  2. ১০ জুন ২০২৫
  3. ১৫ জুলাই ২০২৫
  4. ২২ জুলাই ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৮ মে ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মে ২০২৫
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন বিষয়ক ধারা ১(১) এবং ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এই তারিখটি অধ্যাদেশের প্রকাশনার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে প্রণীত ও জারি করা হয়েছে।

- অর্থাৎ Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে, যা ধারা ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখিত। এই অধ্যাদেশটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিভিন্ন ধারা ও বিধিতে সংশোধনী এনেছে, যার মাধ্যমে মোকদ্দমার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

৩১.
The mandatory requirement "In every plaint, facts shall be proved by affidavit" is a part of which section of the Code of Civil Procedure, 1908?
  1. Section 23
  2. Section 26
  3. Section 30
  4. Section 51
সঠিক উত্তর:
Section 26
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 26
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Civil Procedure, 1908 (CPC) এর Section 26-এ বলা হয়েছে:
Sub-section (1): "Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed."
Sub-section (2): "In every plaint, facts shall be proved by affidavit."
এই বিধানটি ২০২৫ সালের সংশোধনী অধ্যাদেশ (Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025) এর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে। Section 26-এর মূল বিধানটি (Sub-section 1) ইতিমধ্যেই ছিল, যা মামলা দায়ের করার পদ্ধতি বর্ণনা করে। সংশোধনীতে Sub-section (2) যোগ করে Plaint-এর facts গুলো Affidavit (শপথনামা) এর মাধ্যমে প্রমাণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) Section 26।

৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ(১) অনুযায়ী মামলা প্রত্যাহারের পর বিরোধ নিষ্পত্তি কোন আইনের অধীনে সম্পন্ন হবে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. সালিশি আইন, ১৯৪০
  3. সালিশ আইন, ২০০১
  4. অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

- তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃদাখিল করতে পারবেন।
-----------------
⇒ Section 89B- Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:

Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section. 

(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).

৩৩.
যখন আদালত মামলা মধ্যস্থতায় পাঠায়, তখন পক্ষগণ কত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে হবে কে mediator হিসেবে নিয়োজিত হয়েছেন?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১০ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক(৪) ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার জন্য পাঠায় বা উল্লেখ (refer) করে, তখন পক্ষগণকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে হবে যে তারা কাকে মধ্যস্থতাকারী (mediator) হিসেবে নিয়োগ করেছেন। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হয় এবং প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়।

- যদি পক্ষগণ এই ১০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুত প্যানেল থেকে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। এরপর মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া ৬০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, যদি না আদালত নিজ উদ্যোগে বা পক্ষগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে সময় আরও ৩০ দিন পর্যন্ত বাড়ায়।

[⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.]

৩৪.
যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় যাবে, যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ২১(১)(ক) অনুসারে, যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের নিয়ম নিম্নরূপ:
- যদি মূল মামলার মূল্য বা সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মূল্য ৫ কোটি টাকার বেশি না হয়, তবে আপিল জেলা জজের আদালতে দায়ের করতে হবে।
- যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার বেশি হয়, তবে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যাবে (ধারা ২১(১)(খ))।
প্রশ্নে উল্লেখিত মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম, তাই আপিল জেলা জজ আদালতে যাবে। এছাড়াও, ধারা ২১(৩) অনুসারে, জেলা জজের কাছে যাওয়া এই ধরনের আপিলের দায়িত্ব অতিরিক্ত জেলা জজকে অর্পণ করা যেতে পারে, তবে আপিলের প্রাথমিক গন্তব্য হলো জেলা জজ আদালত।
------------ 
⇒ The Civil Courts Act, 1887 Section 21.Appeal from Joint District Judge, etc.
(1) Save as aforesaid, an appeal from a decree or order of a Joint District Judge shall lie-
(a) to the District Judge where the value of the original suit in which or in any proceeding arising out of which the decree or order was made did not exceed 5 (five) crore Taka; and
(b) to the High Court Division in any other case.

৩৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনার ভিত্তি কী?
  1. আইনের বিধান
  2. ক্ষতির পরিমাণ
  3. ন্যায় ও ইক্যুইটি
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ থেকে ৫৭ এর অধীনে নিষেধাজ্ঞা (Injunction) প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনার ভিত্তি একাধিক বিষয়ের উপর নির্ভর করে। নিম্নে এই বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:

আইনের বিধান: নিষেধাজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৪-এর বিধান দ্বারা পরিচালিত হয়। ধারা ৫৪ উল্লেখ করে যে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) প্রদান করা যেতে পারে যখন বাধ্যবাধকতার লঙ্ঘন রোধ করা প্রয়োজন, যেমন চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন বা সম্পত্তির অধিকারে হস্তক্ষেপ। চুক্তি থেকে উদ্ভূত বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্রে, আদালত আইনের অধ্যায় II-এর নিয়ম ও বিধান অনুসরণ করে ধারা ৫৭-এ নেগেটিভ চুক্তি (Negative Agreement) পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রদানের বিধান রয়েছে।

ক্ষতির পরিমাণ:
ধারা ৫৪-এর উপ-ধারা (খ), (গ), এবং (ঘ) অনুসারে, নিষেধাজ্ঞা প্রদানের জন্য ক্ষতির প্রকৃতি ও পরিমাণ বিবেচনা করা হয়। যেখানে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মানদণ্ড নেই।যেখানে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার প্রদান করতে পারে না। যেখানে ক্ষতিপূরণ পাওয়া সম্ভব নয়। এই ক্ষেত্রগুলোতে ক্ষতির পরিমাণ বা তার অনুপস্থিতি নিষেধাজ্ঞা প্রদানের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

ন্যায় ও ইক্যুইটি:
নিষেধাজ্ঞা একটি ইক্যুইটেবল প্রতিকার (Equitable Remedy), তাই আদালত ন্যায়, ন্যায্যতা এবং সৎ বিবেকের (Justice, Equity, and Good Conscience) নীতি অনুসরণ করে। ধারা ৫৫ অনুসারে, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনার (Discretion) উপর জোর দেওয়া হয়। যদি আর্থিক ক্ষতিপূরণ বাদীর অধিকার রক্ষা করতে অপর্যাপ্ত হয়, তবে আদালত ন্যায়ের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে। তদুপরি, ধারা ৫৬ অনুসারে, আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রদান থেকে বিরত থাকে যদি বাদীর আচরণ (Conduct) ইক্যুইটির সহায়তার জন্য অযোগ্য হয় (যেমন, ধারা ৫৬(জ))।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে আদালত আইনের বিধান, ক্ষতির পরিমাণ এবং ন্যায় ও ইক্যুইটির নীতি—এই সবগুলোই বিবেচনা করে। অতএব, আদালতের সিদ্ধান্ত এই তিনটি উপাদানের সমন্বয়ের উপর নির্ভর করে।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (ধারা ৫৪–৫৭) অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনার মূল ভিত্তি (আদালত নিষেধাজ্ঞা দেবেন কি না) তা নির্ভর করে –আইনের বিধান, ক্ষতির প্রকৃতি ও ন্যায়-ইক্যুইটি—এই তিনটির সমন্বয়ের উপর।

৩৬.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের কোন বিভাগে আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. প্রথম বিভাগ
  2. দ্বিতীয় বিভাগ
  3. তৃতীয় বিভাগ
  4. চতুর্থ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিল (First Schedule) তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
→ প্রথম বিভাগ (First Division): অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
বিষয়: মামলা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division): অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division): অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
বিষয়: দরখাস্ত (Applications) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।

অর্থাৎ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় বিভাগে (Second Division) আপীল দায়েরের (Limitation for filing appeals) তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) দ্বিতীয় বিভাগ।

৩৭.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর কোন ধারা অনুসারে বিবাদীর বাংলাদেশের বাইরে অবস্থানকালীন সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ দেওয়া হয়?
  1. ধারা ১৫
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৩ অনুযায়ী, বিবাদী যদি বাংলাদেশের বাইরে থাকে, তার অনুপস্থিতির সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে।
উদাহরণ: বিবাদী ২ বছর বিদেশে থাকলে, সেই ২ বছর তামাদি মেয়াদের হিসাবে গণনা হবে না।
 - এই বিধান শুধু মামলা (Suit)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য (আপিল/দরখাস্ত নয়)।
-  সুতরাং, বিবাদীর বিদেশ অবস্থানকালীন সময় বাদ দেওয়ার বিধানটি ধারা ১৩-তে বর্ণিত।

⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী, যদি বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকে, তাহলে তামাদি মেয়াদ গণনার সময় তার অনুপস্থিতির সময় বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, বিবাদী যতদিন অনুপস্থিত থাকবে, সেই সময় তামাদি গণনার মধ্যে পড়বে না, বরং সে ফিরে আসার পর তামাদি গণনা চলবে।
- এই বিধান বাদীর স্বার্থ রক্ষার জন্য রাখা হয়েছে, যাতে বিবাদির বিদেশে থাকার কারণে বাদী মামলা দায়েরের সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।
--------
⇒ The Limitation Act:- Section 13. Exclusion of the time of the defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.

৩৮.
চুক্তি আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কোনো অনিশ্চিত ঘটনা ঘটার উপর নির্ভরশীল চুক্তি যদি ওই সময়ের মধ্যে না ঘটে, তবে—
  1. শর্তসাপেক্ষে বৈধ 
  2. চুক্তি বাতিল হবে
  3. চুক্তি কার্যকর থাকবে
  4. আদালত অনুমোদন দিলে কার্যকর হবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি বাতিল হবে
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী: যদি কোনো চুক্তি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো অনিশ্চিত ঘটনা ঘটার উপর নির্ভরশীল হয় এবং সেই সময়ের মধ্যে তা না ঘটে, তবে চুক্তি বাতিল (Void) হয়ে যাবে।
উদাহরণ:
A প্রতিশ্রুতি দিলো যে, সে B-কে টাকা দেবে যদি কোনো জাহাজ আগামী ৬ মাসের মধ্যে ফিরে আসে। যদি ৬ মাসের মধ্যে জাহাজ না ফেরে, তাহলে চুক্তি বাতিল (Void) হবে।
-------
⇒ The Contract Act, 1872, Section 35: When contracts become void which are contingent on happening of specified event within fixed time:
- Contingent contracts to do or not to do anything if a specified uncertain event happens within a fixed time become void if, at the expiration of the time fixed, such event has not happened, or if, before the time fixed, such event becomes impossible.

- When contracts may be enforced which are contingent on specified event not happening within fixed time:
Contingent contracts to do or not to do anything if a specified uncertain event does not happen within a fixed time may be enforced by law when the time fixed has expired and such event has not happened or, before the time fixed has expired, if it becomes certain that such event will not happen. 

Illustrations:
(a) A promises to pay B a sum of money if a certain ship returns within a year. The contract may be enforced if the ship returns within the year, and becomes void if the ship is burnt within the year. 
(b) A promises to pay B a sum of money if a certain ship does not return within a year. The contract may be enforced if the ship does not return within the year, or is burnt within the year.

৩৯.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২–তে কত প্রকারের রেহেন (Mortgage) এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৪ প্রকার
  2. ৫ প্রকার
  3. ৬ প্রকার
  4. ৭ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৬ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণের নিশ্চয়তার উদ্দেশ্যে ভবিষ্যত দেনা সৃষ্টি করতে পারে, এমন সম্পত্তির স্বত্ব অপরের নিকট হস্তান্তর করাকে রেহেন বা বন্ধক বলে।
- সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২–তে ৬ প্রকারের রেহেন (Mortgage) এর উল্লেখ রয়েছে।
ক) সাধারণ রেহেন:
সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।
(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন:
যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।
(গ) খাই খালাসী রেহেন:
দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে ।
(ঘ) ইংলিশ রেহেন:
দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।
(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন:
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।
(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন:
যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে।

৪০.
যদি এজেন্টের কাছে প্রিন্সিপালের পক্ষে অন্য ব্যক্তিকে নিযুক্ত করার express বা implied authority থাকে এবং তিনি সেই অনুসারে নিযুক্ত করেন, তাহলে সেই ব্যক্তি কী হবেন?
  1. প্রিন্সিপাল
  2. প্রিন্সিপালের উপ-এজেন্ট
  3. প্রিন্সিপালের এজেন্ট
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
প্রিন্সিপালের এজেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিন্সিপালের এজেন্ট
ব্যাখ্যা

⇒ যখন এজেন্টের প্রিন্সিপালের পক্ষে অন্য ব্যক্তি নিয়োগের ক্ষমতা থাকে এবং তিনি তা প্রয়োগ করেন, তখন নিযুক্ত ব্যক্তি প্রিন্সিপালের সরাসরি এজেন্ট হন, সাব-এজেন্ট নন। 

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৯৪ খুব স্পষ্টভাবে বলে যে— যখন কোনো এজেন্ট মূল কর্তৃপক্ষ (প্রিন্সিপাল) থেকে স্পষ্ট বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (express বা implied authority) পায় যে সে অন্য কাউকে দিয়ে নির্দিষ্ট কাজ করাতে পারবে, তখন সেই ব্যক্তি উপ-প্রতিনিধি (Sub-agent) নয়, বরং সরাসরি মূল কর্তৃপক্ষের (প্রিন্সিপাল) প্রতিনিধি (Agent) হয়।

Illustration (a) —
যদি A, B-কে বলে যে— “তুমি আমার জমি নিলামে বিক্রি করবে এবং এজন্য তুমি একজন নিলামকারী নিয়োগ করবে।”
তখন B, C-কে নিলামকারী নিয়োগ করলে C হয় A-এর প্রতিনিধি।
C কখনোই B-এর অধীনস্থ উপ-প্রতিনিধি নয়।
--------
⇒ The Contract Act,1872, Section- 194. Relation between principal and person duly appointed by agent to act in business of agency:
 Where an agent, holding an express or implied authority to name another person to act for the principal in the business of the agency, has named another person accordingly, such person is not a sub-agent, but an agent of the principal for such part of the business of the agency as is entrusted to him.

Illustrations
(a) A directs B, his solicitor, to sell his estate by auction, and to employ an auctioneer for the purpose. B names C, an auctioneer, to conduct the sale. C is not a sub-agent, but is A's agent for the conduct of the sale. 
(b) A authorizes B, a merchant in Chittagong, to recover the moneys due to A from C & Co. B instructs D, a solicitor, to take legal proceedings against C & Co. for the recovery of the money. D is not a sub-agent, but is solicitor for A.

৪১.
The Registration Act, 1908 এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, কোন দলিল নিবন্ধনের জন্য কত সময়ের মধ্যে উপস্থাপন করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, উইল ব্যতীত অন্য কোনো দলিল নিবন্ধনের জন্য যথাযথ কর্মকর্তার কাছে তার সম্পাদনের তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে উপস্থাপন করতে হবে। এই সময়সীমা ধারা ২৪, ২৫, এবং ২৬-এর বিধান সাপেক্ষে প্রযোজ্য। তবে, কিছু ব্যতিক্রমের ক্ষেত্রে (যেমন, জরুরি প্রয়োজন বা অনিবার্য দুর্ঘটনার কারণে) ধারা ২৫ অনুযায়ী জরিমানা দিয়ে এই সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে, কিন্তু সাধারণ নিয়ম হিসেবে তিন মাসের মধ্যে দলিল উপস্থাপন করতে হয়। উইলের ক্ষেত্রে ধারা ২৭ অনুযায়ী যে কোনো সময়ে নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা যায়।

• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৩: দলিল দাখিলকরণের সময়:
ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬ এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি উহা সম্পাদনের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিল করা না হয়, তাহা হইলে উহা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রি বা আদেশের নকল, ডিক্রি বা আদেশ দানের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে, বা, যেক্ষেত্রে উহা আপিলযোগ্য, সেক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।
--------
•The Registration Act, 1908, Section 23. Time for presenting documents:
Subject to the provisions contained in sections 24, 25 and 26, no document other than a will shall be accepted for registration unless presented for that purpose to the proper officer within 19[three months] from the date of its execution: 
Provided that a copy of a decree or order may be presented within three months from the day on which the decree or order was made, or, where it is appealable, within three months from the day on which it becomes final.

৪২.
রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৭ক ধারার উপ-ধারা (১) অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্রের জন্য নিচের কোনটি অপরিহার্য নয়?
  1. লিখিত হওয়া
  2. নিবন্ধিত হওয়া
  3. সাক্ষী দ্বারা স্বাক্ষরিত হওয়া
  4. সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত হওয়া
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী দ্বারা স্বাক্ষরিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী দ্বারা স্বাক্ষরিত হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭ক (১) অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তিপত্র (Contract for Sale) অবশ্যই নিম্নলিখিত শর্তগুলো পূরণ করতে হবে:
লিখিত হওয়া: চুক্তিপত্রটি অবশ্যই লিখিত আকারে হতে হবে।
নিবন্ধিত হওয়া: এটি নিবন্ধন করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত হওয়া: চুক্তিটি সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ (যেমন, ক্রেতা ও বিক্রেতা) কর্তৃক সম্পাদিত হতে হবে।
তবে, ধারা ১৭ক (১)-এ সাক্ষী দ্বারা স্বাক্ষরিত হওয়ার কোনো বাধ্যতামূলক শর্ত উল্লেখ করা হয়নি।

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৭ক ধারার বিধান: বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন
 (১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
----------
•The Registration Act, 1908, Section 17A. Registration of contract for sale, etc.
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 

(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.

৪৩.
The Contract Act, 1872 এর বিধান অনুযায়ী Impossible act-এর agreement—
  1. কার্যকর হবে
  2. বাতিলযোগ্য হবে
  3. বাতিল হয়ে যাবে
  4. অংশত বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
বাতিল হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা 56 অনুযায়ী— Impossible act (নিজেই অসম্ভব কাজ) করার জন্য করা কোনো agreement void বা বাতিল।
অর্থাৎ, যদি চুক্তি স্বভাবতই অসম্ভব কাজ করার কথা বলে, তবে সেই চুক্তি কোনোভাবেই কার্যকর হবে না।

উদাহরণ: A এবং B চুক্তি করে যে A জাদু দিয়ে ধন আবিষ্কার করবে। যেহেতু এটা বাস্তবে অসম্ভব, চুক্তি বাতিল।

- অর্থাৎ অসম্ভব কাজের চুক্তি কখনো কার্যকর হবে না, এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল।
---------- 
⇒ The Contract Act, 1872, Section-56. Agreement to do impossible act:
An agreement to do an act impossible in itself is void.

৪৪.
কৃত্রিম মালিক (Ostensible Owner) দ্বারা হস্তান্তর সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় আলোচিত?
  1. ধারা ৩৮
  2. ধারা ৪১
  3. ধারা ৪৩
  4. ধারা ৪৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ (Transfer of Property Act, 1882)-এর ধারা ৪১-এ কৃত্রিম মালিক (Ostensible Owner) দ্বারা সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।
- কৃত্রিম মালিক (Ostensible Owner): এমন ব্যক্তি যিনি প্রকৃত মালিক নন, কিন্তু প্রকৃত মালিকের সম্মতি বা অবহেলার কারণে তিনি মালিকের মতো দেখাতে সক্ষম হন।
- যদি এই কৃত্রিম মালিক সু-প্রতিশ্রুত ক্রেতার (Bona fide purchaser) কাছে মূল্য দিয়ে সম্পত্তি হস্তান্তর করে, এবং ক্রেতা যদি সৎভাবে ও যথাযথ সাবধানতা অবলম্বন করে চুক্তি করে, তবে ঐ হস্তান্তর প্রকৃত মালিকের বিরুদ্ধেও বৈধ হবে।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
---------------- 
- The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
 - Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.

৪৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ১১ অনুযায়ী, সম্পূর্ণ স্বত্ব হস্তান্তরের পর যদি ভোগদখলের উপর শর্ত আরোপ করা হয় তবে—
  1. শর্ত বৈধ হবে
  2. শর্ত অবৈধ হবে
  3. হস্তান্তর হবে না
  4. হস্তান্তর অবৈধ হবে
সঠিক উত্তর:
শর্ত অবৈধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্ত অবৈধ হবে
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ১১ (Restriction Repugnant to Interest Created) অনুযায়ী, যখন কোনো সম্পত্তির সম্পূর্ণ স্বত্ব বা স্বার্থ পরিপূর্ণভাবে হস্তান্তর করা হয়, তখন সেই সম্পত্তির ভোগদখলের উপর কোনো বিধিনিষেধ বা শর্ত আরোপ করা হলে তা অবৈধ (Void) বলে গণ্য হবে। এর কারণ হলো, সম্পত্তির সম্পূর্ণ স্বত্ব হস্তান্তরের পর হস্তান্তরগ্রহীতা সেই সম্পত্তির পূর্ণ মালিকানা পান, এবং তার ভোগদখল ও হস্তান্তরের অধিকার অবিচ্ছেদ্য। এই ধরনের শর্ত স্বত্বের সাথে সাংঘর্ষিক (Repugnant) হয়, তাই শর্তটি বাতিল হয়ে যায়, কিন্তু হস্তান্তর নিজেই বৈধ থাকে।

ব্যতিক্রম:
ধারা ১১-এ দুটি ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে শর্ত বৈধ হতে পারে:
অসম্পূর্ণ স্বত্ব হস্তান্তর: যদি সম্পূর্ণ স্বত্ব হস্তান্তর না হয় (যেমন, আংশিক স্বার্থ বা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে হস্তান্তর), তবে ভোগদখলের উপর শর্ত আরোপ করা যেতে পারে।
অন্য সম্পত্তির সুবিধার জন্য: যদি শর্তটি অন্য কোনো সম্পত্তির সুবিধাজনক ভোগদখলের জন্য হয় (যেমন, সুখাধিকার বা Easement Right), তবে তা বৈধ হবে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) শর্ত অবৈধ হবে।

৪৬.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর কোন ধারার অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করা যায়?
  1. ধারা ১৪৫গ
  2. ধারা ১৪৫ঙ
  3. ধারা ১৪৫ছ 
  4. ধারা ১৪৫ঝ 
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৫ছ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৫ছ 
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ১৪৫ছ (Section 145G) অনুযায়ী সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ধারা ১৪৫ক এবং ১৪৫খ-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করতে পারে।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪৫ছ ধারার বিধান: ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্তির ক্ষমতা, ইত্যাদি: সরকার, যেকোনো সময় সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ধারা ১৪৫ক এর অধীন প্রতিষ্ঠিত যেকোনো ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল এবং ১৪৫খ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত যেকোনো ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করিতে পারিবে, এবং উক্তরূপ বিলুপ্তির সময়, সরকার একই বিজ্ঞপ্তিতে কোনো আদালতকে নির্দিষ্ট করিয়া দিবে যেখানে বিলুপ্তির সময় উক্ত ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলা, আপিল এবং অন্যান্য কার্যক্রম স্থানান্তর ও নিষ্পত্তি হইতে পারিবে।
-------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-Section 145G. Power to abolish Tribunals, etc.
- The Government may, by notification in the official Gazette, at any time, abolish any Land Survey Tribunal established under section 145A and any Land Survey Appellate Tribunal established under section 145B, and while so abolishing, the Government shall, in the same notification, specify the courts where the suits, appeals and other proceedings pending in such Tribunals at the time of such abolition shall be transferred to and be disposed of.

৪৭.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৬৪ অনুযায়ী, কোন কাজ ‘উন্নয়ন’-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পথ বা রাস্তা নির্মাণ
  2. কৃষি কাজে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি
  3. পানি সরবরাহের সুবিধা প্রদান
  4. বায়ুচলাচলের জন্য খোলা জায়গা প্রদান
সঠিক উত্তর:
কৃষি কাজে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি কাজে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯-এর ধারা ৬৪ অনুযায়ী, ‘উন্নয়ন’ (Improvement) বলতে অকৃষি জমির মূল্য বৃদ্ধি করে এমন কাজকে বোঝায়, যা জমির ব্যবহারের উদ্দেশ্যের (ধারা ৪-এ উল্লিখিত) সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং জমির সরাসরি উপকারের জন্য বা উপকারী হিসেবে সম্পাদিত হয়। এই ধারায় নিম্নলিখিত কাজগুলো ‘উন্নয়ন’-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
(ক) পথ বা রাস্তা নির্মাণ
(খ) বায়ুচলাচলের জন্য খোলা জায়গা প্রদান
(গ) পানি সরবরাহের সুবিধা প্রদান
(ঘ) নিকাশি সংযোগ স্থাপন
তবে, ধারা ৬৪-এ আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, অকৃষি প্রজা কর্তৃক সম্পাদিত কোনো কাজ যদি জমির মালিকের সম্পত্তির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে, তবে তা ‘উন্নয়ন’-এর অন্তর্ভুক্ত হবে না।
- কৃষি কাজে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি এই তালিকায় সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই এবং এটি অকৃষি জমির উদ্দেশ্যের (ধারা ৪-এ উল্লিখিত) সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, কারণ এই আইন অকৃষি জমির প্রজাস্বত্বের জন্য প্রযোজ্য। কৃষি কাজে জমির ব্যবহার অকৃষি জমির প্রকৃতি ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থী হতে পারে এবং এটি জমির মালিকের সম্পত্তির মূল্য হ্রাস করতে পারে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) কৃষি কাজে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি।

৪৮.
সি.এস(C.S) খতিয়ানের পূর্ণরূপ কী?
  1. Central Survey
  2. Colonial Survey
  3. Cadastral Survey
  4. Computer Survey
সঠিক উত্তর:
Cadastral Survey
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cadastral Survey
ব্যাখ্যা

⇒ সি.এস (C.S) খতিয়ানের পূর্ণরূপ হলো Cadastral Survey। "Cada" শব্দের অর্থ ভূখণ্ড বা মাঠ।
- এই সার্ভে জমির মালিকানা, দখল, পরিমাণ এবং খাজনার তথ্য সংগ্রহের জন্য সরেজমিনে পরিচালিত হয়, যা সি.এস খতিয়ান নামে পরিচিত।
- এই Survey'র মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ানই C.S Khatian নামে পরিচিত।
- সর্বপ্রথম ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজার জেলার রামু থানা থেকে এ সার্ভে শুরু হয় এবং ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় শেষ হয়।
- সি.এস খতিয়ান লম্বালম্বিভাবে লেখা থাকে।
- সি.এস খতিয়ানে জমিদারদের নাম, ভোগদখলকারী রায়তের নাম, জমির পরিমাণ, খাজনার পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ আছে।
- C.S Khatian সর্বাধিক সঠিক; যা মালিকানা ও দখল উভয়ের অনুমানের প্রমাণ দেয়।
- খতিয়ানগুলোর মধ্যে এ খতিয়ান সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। কারণ, এটি সরেজমিনে গিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছিল।

৪৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের বিধান অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনারের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
সঠিক উত্তর: ঘ) প্রধান বিচারপতি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যথা-
স্পীকার কর্তৃক:
- রাষ্ট্রপতি,
- সংসদ-সদস্য;
 
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক:
- প্রধানমন্ত্রী,
- অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী,
- স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার,
- প্রধান বিচারপতি;
 
প্রধান বিচারপতি কর্তৃক:
- সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক,
- সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য,
- মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

৫০.
বাংলাদেশের সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রকে গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫ 
  2. অনুচ্ছেদ ১৮ক 
  3. অনুচ্ছেদ ১৮(২)
  4. অনুচ্ছেদ ২১(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮(২)
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৮(২)-এ (স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে) যে, "গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।"
- এই অনুচ্ছেদটি "জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা" বিষয়কের অধীনে অন্তর্ভুক্ত, যেখানে রাষ্ট্রকে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষার জন্য এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা:
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে এবং বিশেষত: আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
 --------- 
Article 18: Public health and morality:
(1) The State shall regard the raising of the level of nutrition and the improvement of public health as among its primary duties, and in particular shall adopt effective measures to prevent the consumption, except for medical purposes or for such other purposes as may be prescribed by law, of alcoholic and other intoxicating drinks and of drugs which are injurious to health. 

(2) The State shall adopt effective measures to prevent prostitution and gambling.

৫১.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ১৬ অনুসারে, নিয়োগের ক্ষমতা থাকলে সাধারণত কী কী ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. বরখাস্ত করার ক্ষমতা
  2. সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা
  3. পদোন্নতি দেওয়ার ক্ষমতা
  4. ক এবং খ উভয়ই 
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

⇒ General Clauses Act, 1897-এর Section 16 অনুযায়ী, যেখানে কোনো আইনের দ্বারা নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়, সেখানে যদি ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য না থাকে, তবে সেই নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের ক্ষমতার মধ্যে সাময়িক বরখাস্ত (suspend) ও বরখাস্ত (dismiss) করাও অন্তর্ভুক্ত।

•জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।
------------ 
- Section 16 of The General Clauses Act,1897: Power to appoint to include power to suspend or dismiss-
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.

৫২.
Which maxim means "Youth is very liable to err"?
  1. Factum infectum fieri aequit
  2. Facilis est lapsus juventutis
  3. Fraus et just nunquam cohabitant
  4. Factum unuis alteri noceri non debet
সঠিক উত্তর:
Facilis est lapsus juventutis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Facilis est lapsus juventutis
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Facilis est lapsus juventutis.
⇒ ল্যাটিন ম্যাক্সিম "Facilis est lapsus juventutis" এর অর্থ হলো "Youth is very liable to err," অর্থাৎ যুবকরা সহজেই ভুল করে।
- এটি ইঙ্গিত করে যে যৌবনকালে ভুল করা স্বাভাবিক এবং সহজ। 

অন্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন:
ক) Factum infectum fieri aequit: "What is done cannot be undone" (যা করা হয়েছে তা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় না)।
গ) Fraus et just nunquam cohabitant: "Fraud and justice never dwell together" (প্রতারণা এবং ন্যায়বিচার কখনো একসঙ্গে থাকে না)।
ঘ) Factum unuis alteri noceri non debet: "The deed of one should not hurt another" (একজনের কাজ অন্যের ক্ষতি করবে না)।

৫৩.
সংবিধানের প্রস্তাবনা অনুসারে বাংলাদেশের জনগণ কী অক্ষুণ্ন রাখার জন্য অঙ্গীকার করেছে?
  1. ধর্মীয় ঐতিহ্য
  2. রাষ্ট্রীয় সম্পদ
  3. সামরিক শক্তি
  4. সংবিধানের প্রাধান্য
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের জনগণ সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখার এবং এর রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য অঙ্গীকার করেছে। এটি তাদের পবিত্র কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

৫৪.
"Injuria sine damno" means:
  1. Injury with damage
  2. Injury without damage
  3. Damage without injury
  4. No injury, no remedy
সঠিক উত্তর:
Injury without damage
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Injury without damage
ব্যাখ্যা

⇒ ল্যাটিন আইনি ম্যাক্সিম "Injuria sine damno" এর অর্থ হলো "Injury without damage" বা ক্ষতি ছাড়া আঘাত। এই ম্যাক্সিমটি আইনের ক্ষেত্রে বোঝায় যে, কোনো ব্যক্তির আইনি অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে (অর্থাৎ, একটি "আঘাত" বা "injury" সংঘটিত হয়েছে), কিন্তু সেই লঙ্ঘনের ফলে কোনো বাস্তব ক্ষতি (damage) হয়নি। এমন ক্ষেত্রেও আইনি প্রতিকার (remedy) পাওয়া যেতে পারে, কারণ আইনি অধিকার লঙ্ঘনই প্রতিকারের জন্য যথেষ্ট।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ অনুমতি ছাড়া অন্যের সম্পত্তিতে প্রবেশ করে (trespass), তবে সম্পত্তির মালিক কোনো বাস্তব ক্ষতি না হলেও মামলা করতে পারেন, কারণ তাঁর অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। এই নীতিটি আইনের ক্ষেত্রে অধিকার রক্ষার গুরুত্বকে জোর দেয়।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) Injury with damage: এটি ভুল, কারণ ম্যাক্সিমটি ক্ষতি ছাড়া আঘাতের কথা বলে, ক্ষতিসহ আঘাতের কথা নয়।
গ) Damage without injury: এটি উল্টো ধারণা। এটি বোঝায় ক্ষতি হয়েছে কিন্তু আইনি অধিকার লঙ্ঘিত হয়নি, যা "Damnum sine injuria" নামে পরিচিত।
ঘ) No injury, no remedy: এটি ভুল, কারণ এই ম্যাক্সিমটি বলে যে আঘাত (injury) থাকলেই প্রতিকার পাওয়া যায়, এমনকি ক্ষতি না হলেও।

৫৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে নিম্নলিখিত কোন পদাধিকারীর পারিশ্রমিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি?
  1. স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার
  2. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে, নিম্নলিখিত আট শ্রেণীর পদাধিকারীর পারিশ্রমিক, বিশেষ-অধিকার এবং কর্মের অন্যান্য শর্ত সংসদের আইন দ্বারা বা তার অধীনে নির্ধারিত হয়:
- রাষ্ট্রপতি
- প্রধানমন্ত্রী
- স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার
- মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
- নির্বাচন কমিশনার
- সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য
এই তালিকায় অ্যাটর্নি জেনারেল-এর পদ অন্তর্ভুক্ত নয়।
অপরদিকে, সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে, অ্যাটর্নি জেনারেলের পারিশ্রমিক রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত হয়, সংসদের আইন দ্বারা নয়।
- এটি স্পষ্ট করে যে অ্যাটর্নি জেনারেলের পারিশ্রমিক নির্ধারণ ১৪৭ অনুচ্ছেদের আওতায় পড়ে না।

অর্থাৎ ১৪৭ অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেলের পারিশ্রমিক অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ তাঁর পারিশ্রমিক রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত হয় (৬৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে)।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) অ্যাটর্নি জেনারেল।

৫৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে কতটি স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করার কথা বলা হয়েছে?
  1. দুইটি 
  2. তিনটি 
  3. চারটি
  4. পাঁচটি 
সঠিক উত্তর:
তিনটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি 
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭৬(১) অনুসারে, সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিম্নলিখিত ৩টি স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করার বিধান রয়েছে:
- সরকারি হিসাব কমিটি
- বিশেষ-অধিকার কমিটি
- সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি
অনুচ্ছেদ ৭৬(২)-এ এই তিনটির অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগের কথা বলা হলেও, মূল অনুচ্ছেদে সরাসরি উল্লিখিত স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৩টি।
--------------- 
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ: 
(১) সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সদস্য লইয়া সংসদ নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটিসমূহ নিয়োগ করিবেন:
(ক) সরকারি হিসাব কমিটি;
(খ) বিশেষ-অধিকার কমিটি; এবং
(গ) সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি।
(২) সংসদ এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত কমিটিসমূহের অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করিবেন এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত কোন কমিটি এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে
(ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করিতে পারিবেন;
(খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করিতে পারিবেন;
(গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলিয়া সংসদ কোন বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করিলে সেই বিষয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের কার্য বা প্রশাসন সম্বন্ধে অনুসন্ধান বা তদন্ত করিতে পারিবেন এবং কোন মন্ত্রণালয়ের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহের এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তর লাভের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন;
(ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।
(৩) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের অধীন নিযুক্ত কমিটিসমূহকে
(ক) সাক্ষীদের হাজিরা বলবৎ করিবার এবং শপথ, ঘোষণা বা অন্য কোন উপায়ের অধীন করিয়া তাঁহাদের সাক্ষ্যগ্রহণের,
(খ) দলিলপত্র দাখিল করিতে বাধ্য করিবার 
ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন।

৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭ ধারা অনুযায়ী, কে গ্রেফতারী পরোয়ানা শুধুমাত্র পুলিশ অফিসারের কাছে নির্দেশ করতে বাধ্য?
  1. দায়রা জজ
  2. জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭(১) ধারা অনুযায়ী, গ্রেফতারী পরোয়ানা সাধারণত এক বা একাধিক পুলিশ অফিসারের কাছে নির্দেশিত হয়। তবে, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারিকৃত পরোয়ানা সর্বদা শুধুমাত্র পুলিশ অফিসারের কাছে নির্দেশিত হতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭ ধারার বিধান: পরোয়ানা যার কাছে প্রেরণ করতে হবে:
(১) গ্রেফতারী পরোয়ানা সাধারণতঃ এক বা একাধিক পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত হবে এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারীকৃত পরোয়ানা সর্বদাই তদ্রূপ নির্দেশিত হবে, তবে যেক্ষেত্রে পরোয়ানা অবিলম্বে কার্যকরী করা আবশ্যক হয় এবং অবিলম্বে কোন পুলিশ অফিসার পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে এরূপ পরোয়ানা জারীকারী আদালত অন্য এক বা একাধিক ব্যক্তি বরাবর তা নির্দেশিত করতে পারবেন এবং এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি তা কার্যকরী করবেন।
(২) একাধিক ব্যক্তির কাছে প্রেরিত পরোয়ানাঃ যেক্ষেত্রে কোন পরোয়ানা একাধিক অফিসার বা ব্যক্তি বরাবর নির্দেশিত হয়, সেক্ষেত্রে তাদের সকলে বা যে কোন এক বা একাধিক জন তা কার্যকরী করতে পারবেন।
---------------------
The Code of Criminal Procedure, Section 77. Warrants to whom directed:
(1) A warrant of arrest shall ordinarily be directed to one or more police-officers, and, when issued by a Metropolitan Magistrate, shall always be so directed; but any other Court issuing such a warrant may, if its immediate execution is necessary and no police-officer is immediately available, direct it to any other person or persons; and such person or persons shall execute the same.

Warrants to several persons:
(2) When a warrant is directed to more officers or persons than one, it may be executed by all, or by any one or more, of them.

৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগে সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. প্রধান বিচারপতির আদেশে
  2. সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে
  3. আইন মন্ত্রণালয়ের আদেশে
  4. জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত সাধারণ নিয়ম দ্বারা নির্ধারিত হয়।সুতরাং সঠিক উত্তর হবে: খ) সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারার বিধান: হাইকোর্ট ডিভিশনে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:
- সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে সাধারণ নিয়ম প্রণয়নের দ্বারা উক্ত আদালতে আগত মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ প্রণালী নির্ধারণ করবে এবং উক্ত নিয়ম অনুসারে সাক্ষ্য গৃহীত হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, Section 365. Record of evidence in High Court Division:
- The Supreme Court shall from time to time, by general rule, prescribe the manner in which evidence shall be taken down in cases coming before the Court, and the evidence shall be taken down in accordance with such rule.

৫৯.
ভারতীয় দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত আইন কমিশনের সভাপতি ছিলেন কে?
  1. লর্ড ম্যাকুলে
  2. মি. এন্ডারসন
  3. মি. ম্যাকলয়েড
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
সঠিক উত্তর:
লর্ড ম্যাকুলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ম্যাকুলে
ব্যাখ্যা

⇒ ১৮৩৪ সালে গঠিত প্রথম আইন কমিশনের সভাপতি ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay), যিনি ভারতীয় দণ্ডবিধির (Indian Penal Code, 1860) খসড়া প্রণয়ন করেন।

⇒ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে।
প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরুপ:-
i) সভাপতি- লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মি. ম্যাকলয়েড।
iii) সদস্য- মি. এন্ডারসন।
iv) সদস্য- মি. মিলেট।

- এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতিগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।

৬০.
নিচের কোন কাজটি দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার ব্যতিক্রম অনুযায়ী মানহানি হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ব্যক্তিগত স্বার্থে মিথ্যা প্রচার করা
  2. পুলিশের কাছে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ করা
  3. কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা
  4. কোনো ব্যক্তির খ্যাতি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে তথ্য প্রকাশ করা
সঠিক উত্তর:
পুলিশের কাছে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশের কাছে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার অধীনে মানহানির ব্যতিক্রমগুলোর মধ্যে অষ্টম ব্যতিক্রমে বলা হয়েছে যে, কর্তৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে (যেমন: পুলিশ) সৎ বিশ্বাসে কারও সম্পর্কে অভিযোগ করা মানহানি হিসেবে গণ্য হবে না। অন্য বিকল্পগুলো মানহানির সংজ্ঞার আওতায় পড়ে, কারণ সেগুলো সৎ বিশ্বাসে বা জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে করা হয় না।

⇒ মানহানির সংজ্ঞা-
১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারামতে, কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য কথা বা চিহ্ন বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সেই ব্যক্তি-সম্পর্কিত কোনো নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করেন, তবে সেটি মানহানি হয়েছে বলে পরিগণিত হবে। উদ্দিষ্ট ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে জেনে বা সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, যদিও কেউ নিন্দাবাদ প্রণয়ন ও প্রকাশ করেন তাহলেও সেটি মানহানি বলে গণ্য হবে।

⇒ মানহানির শাস্তি-
দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির মানহানি করে, তবে ওই ব্যক্তি দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদে বিনা শ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।’ 

- তাছাড়া ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’-এর ২৯ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় বর্ণিত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, তাহলে ওই ব্যক্তির এমন কর্মকাণ্ড হবে একটি অপরাধ। এর জন্য তিনি অনধিক ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ আইনে মানহানির মামলায় কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়নি।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় কোন কাজগুলো মানহানি হবে সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এই ধারায় ১০টি ব্যতিক্রমের কথাও বলা হয়েছে। অর্থাৎ এই ব্যতিক্রমগুলো আইন অনুযায়ী মানহানি বলে গণ্য হবে না:
১. জনগণের কল্যাণে কারও প্রতি সত্য দোষারোপ করলে;
২. সরকারি কর্মচারীর সরকারি আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করলে;
৩. সরকারি বিষয়-সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে কোনো ব্যক্তির আচরণ নিয়ে মতপ্রকাশ করলে;
৪. আদালতের কার্যবিবরণী প্রতিবেদন প্রকাশ করা মানহানির অন্তর্ভুক্ত হবে না;
৫. যেকোনো জনসমস্যা সম্পর্কে ও কোনো ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা;
৬. আদালতে সিদ্ধান্তকৃত মামলার দোষ, গুণ বা সাক্ষীদের সম্পর্কে বা অন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণ সম্পর্কে অভিমত দেওয়া;
৭. গণ-অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানাদি সম্পর্কে কোনো মতামত দেওয়া;
৮. কর্তৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে সৎ বিশ্বাসে কারও সম্পর্কে অভিযোগ করা হলে সেটিও মানহানি হবে না। যেমন: পুলিশের কাছে কারও ব্যাপারে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ দেওয়া; 
৯. কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তার বা অন্য কারও স্বার্থ রক্ষার্থে দোষারোপ করা;
১০. জনকল্যাণের স্বার্থে সতর্ক করার উদ্দেশ্যে কারও সম্পর্কে কিছু বলা হলে।

৬১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে তার নিজস্ব কার্যসম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. ধারা ১২০
  2. ধারা ১২১
  3. ধারা ১১৮
  4. ধারা ১২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২১
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১২১ ধারা অনুযায়ী, জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে তাদের নিজস্ব বিচারিক কার্য সম্পর্কে বা বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আদালতে জানা কোনো তথ্য সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যায় না, যদি না আদালতের বিশেষ আদেশ থাকে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২১ ধারার বিধান: জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ [Judges and Magistrates]:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেট যোগ্য সাক্ষী এবং তারা ইচ্ছা করলে সাক্ষ্য দিতে পারে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট এবং জজ হিসাবে সম্পাদন করেছে এমন কোন কার্যসম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে তাদের বাধ্য করা যাবে না। কারণ ১২১ ধারায় জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

⇒ ১২১ ধারা অনুযায়ী জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে আদালতের অধীন, সেই আদালতের বিশেষ আদেশ ব্যতীত নিম্নলিখিত ২টি বিষয়ে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে তাকে বাধ্য করা যাবে নাঃ
১. জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে উক্ত আদালতে তার নিজস্ব কোনো কার্য সম্পর্কে; বা
২. যে কোনো কিছু যা বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে সে আদালতে জানতে পারে।

⇒ যে ক্ষেত্রে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যায়:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে আদালতে তার নিজস্ব কার্য ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করা যেতে পারে বা উক্ত পদের কর্তব্য পালনের সময় যে সব ঘটনা তার উপস্থিতিতে ঘটেছে, সেই গুলি সম্পর্কে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে। যেমন আদালতে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে খুন সংঘটিত হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত খুন সম্পর্কে যেকোন প্রশ্নের উত্তর দিতে উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যেতে পারে।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-121. Judges and Magistrates:
No Judge or Magistrate shall, except upon the special order of some Court to which he is subordinate, be compelled to answer any questions as to his own conduct in Court as such Judge and Magistrate, or as to anything which came to his knowledge in Court as such Judge or Magistrate: but he may be examined as to other matters which occurred in his presence whilst he was so acting.

Illustrations:
(a) A, on his trial before the Court of Session, says that a deposition was improperly taken by B, the Magistrate. B cannot be compelled to answer questions as to this, except upon the special order of a superior Court.
(b) A is accused before the Court of Session of having given false evidence before B, a Magistrate. B cannot be asked what A said, except upon the special order of the superior Court.
(c) A is accused before the Court of Session of attempting to murder a police-officer whilst on his trail before B, a Sessions Judge. B may be examined as to what occurred.

৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, নিচের কোন আদালতের রিভিশনের ক্ষমতা নেই?
  1. দায়রা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. অতিরিক্ত দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ, ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজ, এবং ৪৩৯ক(৩) ধারায় অতিরিক্ত দায়রা জজ-এর রিভিশন ক্ষমতা আছে। তবে যুগ্ম দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী, রিভিশনের ক্ষমতা নির্দিষ্ট আদালতের উপর ন্যস্ত করা হয়েছে। নিচে এই ক্ষমতা সম্পর্কিত বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
হাইকোর্ট বিভাগ (ধারা ৪৩৯): ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশনের ক্ষমতা রয়েছে। তারা নিম্ন আদালতের রায় বা আদেশ পরীক্ষা করে ত্রুটি, অবৈধতা বা অন্যায় সংশোধন করতে পারে। এটি তাদের বিস্তৃত এখতিয়ারের অংশ।
দায়রা জজ (ধারা ৪৩৯ক): ধারা ৪৩৯ক অনুযায়ী, দায়রা জজেরও রিভিশনের ক্ষমতা রয়েছে। তারা তাদের অধীনস্থ আদালতের (যেমন, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত) রায় বা আদেশ পর্যালোচনা করতে পারেন। দায়রা জজের রিভিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়, এবং এর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায় না।
অতিরিক্ত দায়রা জজ (ধারা ৪৩৯ক(৩)): ধারা ৪৩৯ক(৩) অনুযায়ী, অতিরিক্ত দায়রা জজও রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, যদি দায়রা জজ সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে কোনো রিভিশন মামলা তাদের কাছে প্রেরণ করেন। এ ক্ষেত্রে, অতিরিক্ত দায়রা জজ দায়রা জজের মতো একই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
যুগ্ম দায়রা জজ: ফৌজদারি কার্যবিধিতে যুগ্ম দায়রা জজের জন্য রিভিশনের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। তারা সাধারণত মূল বিচারিক কার্যক্রম (ট্রায়াল) পরিচালনা করেন, কিন্তু রিভিশন শুনানির এখতিয়ার তাদের নেই। এটি ফৌজদারি কার্যবিধির একটি স্পষ্ট বিধান।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা জজ এবং অতিরিক্ত দায়রা জজের রিভিশনের ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু যুগ্ম দায়রা জজের এই ক্ষমতা নেই। তাই সঠিক উত্তর হলো যুগ্ম দায়রা জজ।

৬৩.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে অনুযায়ী স্ত্রীর মৃত্যুতে তার মোট সম্পত্তি ৮ লাখ টাকা হলে, যদি তার একজন জীবিত পুত্র থাকে, স্বামী কত টাকা পাবেন?
  1. ২ লাখ টাকা
  2. ৪ লাখ টাকা
  3. ৮ লাখ টাকা
  4. স্বামী তার স্ত্রীর পরিত্যক্ত সম্পত্তি পাবেন না
সঠিক উত্তর:
২ লাখ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ লাখ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে স্বামী তার স্ত্রীর পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে নিম্নলিখিত অংশ পায়:
- যদি স্ত্রীর সন্তান বা পুত্রের সন্তান (নাতি) থাকে: স্বামী পাবে ১/৪ অংশ (সূরা নিসা ৪:১২ অনুযায়ী)।
- যদি স্ত্রীর কোনো সন্তান বা নাতি না থাকে: স্বামী পাবে ১/২ অংশ।

- মুসলিম উত্তরাধিকার আইনের ধারা অনুযায়ী, সন্তান থাকলে স্বামী স্ত্রীর সম্পত্তির ১/৪ অংশ পান।
- হিসাব: মোট সম্পত্তি ৮ লাখ × ১/৪ = ২ লাখ টাকা।
- অবশিষ্ট সম্পত্তি পায় সন্তান বা অন্যান্য উত্তরাধিকারী।

৬৪.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি-৫(১) অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হওয়ার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?
  1. স্নাতক পাস
  2. এসএসসি (SSC) পাস
  3. এইচএসসি (HSC) পাস
  4. কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
এইচএসসি (HSC) পাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এইচএসসি (HSC) পাস
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি- ৫(১) অনুযায়ী, প্রার্থীর এইচএসসি (HSC) পাস হতে হবে, বয়স ২৫–৫০ বছরের মধ্যে হতে হবে, সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হতে হবে, এবং হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বী হতে হবে। সবগুলো শর্ত পূরণ না করলে তিনি যোগ্য হবেন না।

-হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ৪(১) ধারার বিধান অনুসারে,
এই আইনের অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে, সরকার, সিটি কর্পোরেশন এলাকার ক্ষেত্রে তৎকর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত এলাকা, এবং সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত এলাকার ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা এলাকায় একজন ব্যক্তিকে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করিবে।
-হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ধারা ৪(৩) ধারার বিধান অনুসারে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির যোগ্যতা, অধিক্ষেত্র, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক কর্তৃক আদায়যোগ্য ফিস এবং তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি-৫ প্রার্থীদের যোগ্যতা, ইত্যাদি- (১) কোনো ব্যক্তি হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসাবে নিয়োগ পাইবার
যোগ্য হইবেন না, যদি-
- তিনি সরকার কর্তৃক স্বীকৃত কোনো বোর্ড হইতে এইচ, এস, সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হন;
- তাহার বয়স কমপক্ষে পঁচিশ এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ বৎসর না হয়;
- তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা না হন;
- তিনি হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বী না হন।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক নিয়োগের ক্ষেত্রে কাব্যতীর্থ বা ব্যাকরণতীর্থদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হইবে।

৬৫.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬ অনুযায়ী, আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের পূর্বানুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করলে শাস্তি কী?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড ও ৫,০০০ টাকা জরিমানা
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫,০০০ টাকা জরিমানা
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬(৫) অনুযায়ী, যদি কেউ বর্তমান বিবাহ বহাল থাকা অবস্থায় আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করে, তাহলে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।
শাস্তি হলো: ১ বছরের পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা জরিমানা, বা উভয় দণ্ড।
এই বিধান মূলত দ্বিতীয় বিবাহের ক্ষেত্রে পরিবারিক ও সামাজিক সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত।
অর্থাৎ অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করলে ১ বছর পর্যন্ত জেল বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড প্রযোজ্য।

৬৬.
হিন্দু আইনে শ্রুতি কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. রাষ্ট্রীয় আইনের উৎস
  2. আধুনিক আইনের উৎস
  3. প্রাচীনতম ও পবিত্র উৎস
  4. সামাজিক রীতিনীতির উৎস
সঠিক উত্তর:
প্রাচীনতম ও পবিত্র উৎস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাচীনতম ও পবিত্র উৎস
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে শ্রুতি (বেদ) হলো সবচেয়ে প্রাচীন এবং পবিত্র উৎস হিসেবে বিবেচিত।
- শ্রুতি শব্দটি এসেছে সংস্কৃত শব্দ "শ্রু" থেকে, যার অর্থ "যা শোনা গেছে"।
- হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, বেদগুলো (ঋক্বেদ, যজুর্বেদ, সামবেদ ও অথর্ববেদ) দেবতাদের দ্বারা ঋষিদের কাছে প্রকাশিত হয়েছিল, অর্থাৎ এগুলো অপৌরুষেয় (মানুষের দ্বারা রচিত নয়)।
- এ কারণে শ্রুতিকে হিন্দু ধর্ম ও আইনের মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়, যা ধর্ম, নৈতিকতা, এবং আইনগত নির্দেশনার অলঙ্ঘনীয় উৎস।

৬৭.
নিম্নলিখিত কোনটি হিন্দু আইনের প্রথার একটি প্রকার নয়?
  1. স্থানীয় প্রথা
  2. আধুনিক প্রথা
  3. পারিবারিক প্রথা
  4. জাতি বা সম্প্রদায় প্রথা
সঠিক উত্তর:
আধুনিক প্রথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধুনিক প্রথা
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনের প্রথা (Custom) হলো এমন একটি উৎস যা দীর্ঘকাল ধরে সমাজে পালিত হয়ে আসছে এবং আইনের মর্যাদা পেয়েছে। হিন্দু আইনে প্রথাগুলি সাধারণত প্রাচীন এবং ঐতিহ্যগতভাবে পালিত হয়। প্রথাগুলিকে সাধারণত চারটি প্রকারে ভাগ করা হয়:

১) স্থানীয় প্রথা (Local Customs): এগুলি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায় পালিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা নিয়ম যা আইনি মর্যাদা পায়।
২) পারিবারিক প্রথা (Family Customs): এগুলি একটি পরিবারের মধ্যে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে পালিত হয়। এটি পরিবারের নির্দিষ্ট ঐতিহ্য বা নিয়মের উপর ভিত্তি করে।
৩) জাতি বা সম্প্রদায় প্রথা (Caste or Community Customs): এগুলি নির্দিষ্ট জাতি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে পালিত হয় এবং তাদের জন্য বাধ্যতামূলক হয়। উদাহরণস্বরূপ, পাঞ্জাবের কিছু সম্প্রদায়ের মধ্যে ভাইয়ের বিধবার পুনর্বিবাহের প্রথা।
৪) গিল্ড প্রথা (Guild Customs): এগুলি ব্যবসায়ী বা পেশাগত গোষ্ঠীর মধ্যে পালিত হয়।

"আধুনিক প্রথা" হিন্দু আইনের প্রথার একটি প্রকার নয়:
- হিন্দু আইনে প্রথা হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়, যেমন এটি প্রাচীন, ধারাবাহিক, যুক্তিসঙ্গত, নৈতিক এবং আইনের সাথে সাংঘর্ষিক না হওয়া। "আধুনিক প্রথা" বলতে কোনো নতুন বা সম্প্রতি প্রচলিত অভ্যাস বোঝায়, যা দীর্ঘকাল ধরে পালিত হয়নি এবং তাই হিন্দু আইনের প্রথার মর্যাদা পায় না। হিন্দু আইনের প্রথাগুলি ঐতিহ্যগত এবং দীর্ঘস্থায়ী হতে হবে, যা "আধুনিক প্রথা" ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

অন্যদিকে, স্থানীয় প্রথা, পারিবারিক প্রথা এবং জাতি বা সম্প্রদায় প্রথা হিন্দু আইনের ঐতিহ্যগত উৎস হিসেবে স্বীকৃত এবং দীর্ঘকাল ধরে পালিত হয়ে আসছে। সুতরাং, আধুনিক প্রথা হিন্দু আইনের প্রথার একটি প্রকার নয়।

৬৮.
নিম্নলিখিত কোনটি তালাক-উস-সুন্নাহ এর প্রকার নয়?
  1. তালাক আহসান (Ahsan)
  2. তালাক হাসান (Hasan)
  3. তালাক-মুখতার (Mukhtar)
  4. উপরোক্ত কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
তালাক-মুখতার (Mukhtar)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তালাক-মুখতার (Mukhtar)
ব্যাখ্যা

⇒ তালাক-উস-সুন্নাহ হলো ইসলামী শরিয়া আইনের অধীনে হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর সুন্নত বা হাদিস অনুযায়ী প্রদত্ত তালাকের পদ্ধতি। এটি দুটি প্রকারে বিভক্ত:
তালাক-ই-আহসান (Ahsan): এটি সর্বাধিক অনুমোদিত তালাক। এই পদ্ধতিতে স্বামী স্ত্রীর তুহরের (পবিত্র সময়) সময় একবার তালাক উচ্চারণ করে এবং ইদ্দতকাল (তিনটি ঋতুকাল) শেষ না হওয়া পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকে। ইদ্দতকাল শেষ হলে তালাক কার্যকর এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হয়।
তালাক-ই-হাসান (Hasan): এটি অনুমোদিত তালাক। এই পদ্ধতিতে স্বামী পরপর তিনটি তুহরে প্রতিটি তুহরে একবার করে তালাক উচ্চারণ করে এবং তুহরকালে শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকে। তৃতীয় উচ্চারণের পর তালাক কার্যকর এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হয়।

তালাক-মুখতার (Mukhtar) তালাক-উস-সুন্নাহ-এর প্রকার নয়:
"তালাক-মুখতার" নামে কোনো তালাক ইসলামী শরিয়া আইনে তালাক-উস-সুন্নাহ-এর অধীনে স্বীকৃত নয়। তালাক-উস-সুন্নাহ শুধুমাত্র তালাক-ই-আহসান এবং তালাক-ই-হাসান নিয়ে গঠিত। অন্যান্য তালাকের পদ্ধতি, যেমন তালাক-ই-বিদআত (অননুমোদিত তালাক) বা তালাক-ই-মুবারাত (পারস্পরিক সম্মতিতে তালাক), তালাক-উস-সুন্নাহ-এর অংশ নয়। "তালাক-মুখতার" নামে কোনো স্বীকৃত পদ্ধতি শরিয়া আইনে উল্লেখ নেই, তাই এটি তালাক-উস-সুন্নাহ-এর প্রকার নয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো তালাক-মুখতার।

৬৯.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুযায়ী আরজি ও লিখিত জবাব সংশোধনের সুযোগ কোন ধারা দ্বারা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা

⇒ ১৯৮৫ সালের আইন অনুযায়ী আরজি ও জবাব সংশোধনের সুযোগ ছিলো না। পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ এর ৯ ধারায় আরজি ও জবাব সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৯ অনুযায়ী, যেকোনো পর্যায়ে পক্ষের আবেদন অনুযায়ী আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ এর ধারা ৯- আরজি ও লিখিত জবাব সংশোধন:
- এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত, কোনো পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, করণিক ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে অথবা অন্য কোনো কারণে পক্ষগণের মধ্যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করিবার জন্য আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আদেশ দিতে পারিবে :

তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয়, এইরূপ সংশোধনের আবেদন মোকদ্দমার বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করিবার উদ্দেশ্যে আনয়ন করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে আদালত উক্তরূপ সংশোধনীর আদেশ প্রদান করিবে না।

৭০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাক্ষীর নিরাপত্তা ও ভাতা সংক্রান্ত বিধান কোন ধারা দ্বারা প্রযোজ্য?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩২ক 
  3. ধারা ৩২খ
  4. ধারা ৩১ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২খ
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৩২খ (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ দ্বারা যুক্ত) সাক্ষীর নিরাপত্তা ও ভাতা সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য। এই ধারার বিবরণ নিম্নরূপ:
নিরাপত্তা: ট্রাইব্যুনাল বা ম্যাজিস্ট্রেট, আবেদনের ভিত্তিতে বা নিজ বিবেচনায়, তদন্ত বা বিচারাধীন মামলার অভিযোগকারী, শিকার বা সাক্ষীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আদেশ দিতে পারেন।
এই নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে, যাতে সাক্ষী বা শিকারের জানমাল সুরক্ষিত থাকে।
সাক্ষীর ভাতা: ট্রাইব্যুনাল মামলার সাক্ষীদের যাতায়াত এবং সময়ের ক্ষতিপূরণ হিসেবে যুক্তিসঙ্গত অর্থ প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
সরকার প্রত্যেক ট্রাইব্যুনালের জন্য এই উদ্দেশ্যে পৃথক অর্থ বরাদ্দ করবে, যাতে সাক্ষীরা তাদের উপস্থিতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পান।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ধারা ৩২: এই ধারাটি অভিযুক্ত বা শিকারের মেডিক্যাল পরীক্ষা সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আলোচনা করে। এতে সাক্ষীর নিরাপত্তা বা ভাতা সম্পর্কিত কোনো বিধান নেই।
ধারা ৩২ক: এই ধারাটি ডিএনএ পরীক্ষা সংক্রান্ত বিধানের সাথে সম্পর্কিত। এটি সাক্ষীর নিরাপত্তা বা ভাতার বিষয়ে কোনো বিধান ধারণ করে না।
ধারা ৩১ক: এই ধারাটি ট্রাইব্যুনাল, পাবলিক প্রসিকিউটর এবং পুলিশের জবাবদিহিতা এবং বিচারে বিলম্বের প্রতিবেদন সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আলোচনা করে। এতে সাক্ষীর নিরাপত্তা বা ভাতার কোনো উল্লেখ নেই।

অর্থাৎ ধারা ৩২খ স্পষ্টভাবে সাক্ষীর নিরাপত্তা এবং ভাতা প্রদানের বিষয়ে বিধান রাখে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।

৭১.
আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের অভিজ্ঞতা ন্যূনতম কত বছর হতে হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ এবং আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ন্যূনতম অভিজ্ঞতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দিষ্টভাবে:
- ধারা ১৫(১): সুপ্রিম কোর্ট কমিটি সুপ্রিম কোর্টের মামলার জন্য এবং জেলা কমিটি জেলা আদালতের মামলার জন্য আইনজীবীদের তালিকা তৈরি করবে। এই তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ন্যূনতম ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজদের ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিলযোগ্য।
- ধারা ১৫(২): বিশেষ কমিটি (যেমন শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতের জন্য) তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের জন্যও ন্যূনতম ৫ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
- আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং প্রবিধানমালা, ২০১৫ এও এই শর্ত অপরিবর্তিত রয়েছে।

- তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ মহিলা আইনজীবী অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়, যদি উপযুক্ত মহিলা আইনজীবী পাওয়া যায় (ধারা ১৫(৩))।
- আইনজীবী নিয়োগের ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীর পছন্দকেও বিবেচনা করা হয়।
- অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজদের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিল করা যেতে পারে, যা আইনের একটি বিশেষ বিধান।

অর্থাৎ আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ন্যূনতম ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, যা ধারা ১৫ এবং সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখিত। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ৫ বছর।

৭২.
ধর্মীয় ভিত্তিতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সংগঠন গঠন নিষিদ্ধ করা হয়েছে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কোন ধারায়?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২০ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ধর্মের নামে বা ভিত্তিতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোনো সংগঠন বা ইউনিয়ন গঠন করা বা তাতে অংশগ্রহণ করা নিষিদ্ধ। এই ধারায় আরও বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সংগঠন এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে, তবে সরকার সেই সংগঠনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করতে পারে এবং সংগঠনের সম্পত্তি ও তহবিল সরকারের কাছে বাজেয়াপ্ত হবে। এছাড়া, বিলুপ্তির পরও সংগঠনের সদস্য বা কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করলে বা অংশগ্রহণ করলে ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

৭৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্তির সাধারণ মেয়াদ কত দিন?
  1. ৩০ কার্যদিবস
  2. ৬০ কার্যদিবস
  3. ৯০ কার্যদিবস
  4. ১২০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৫১(১) অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্তির জন্য সাধারণ মেয়াদ নির্ধারিত হয়েছে ৯০ কার্যদিবস। এর মানে হলো, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত মামলা প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্ত করতে বাধ্য। এই সময়সীমা নির্ধারণের উদ্দেশ্য হলো মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা এবং ন্যায়বিচারে বিলম্ব রোধ করা।
ধারা ৫১(২): যদি অনিবার্য কারণে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার সমাপ্ত করা সম্ভব না হয়, তবে আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করে অতিরিক্ত ৩০ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট এবং সরকারকে অবহিত করতে হবে।
ধারা ৫১(৩): যদি এই বর্ধিত ৩০ কার্যদিবসেও বিচার সমাপ্ত না হয়, তবে আদালত যুক্তিসংগত কারণ লিপিবদ্ধ করে আরও ১৫ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারে এবং এ ক্ষেত্রেও সুপ্রিম কোর্ট ও সরকারকে অবহিত করতে হবে।
ধারা ৫১(৪): উপরোক্ত বর্ধিত সময়ের মধ্যে বিচার আবশ্যিকভাবে সমাপ্ত করতে হবে।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৫১(১) অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্তির সাধারণ মেয়াদ হলো ৯০ কার্যদিবস। এই সময়সীমা দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ৯০ কার্যদিবস।

৭৪.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর কোন ধারার অধীন অপরাধগুলো অ-জামিনযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. ধারা ৪ ও ৫
  2. ধারা ৭ ও ৯
  3. ধারা ১১ ও ১২
  4. ধারা ১৫ ও ১৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪ ও ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪ ও ৫
ব্যাখ্যা

⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৯(১) অনুসারে, এই আইনের অধীন অপরাধগুলোর মধ্যে ধারা ৪ (ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ) এবং ধারা ৫ (ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ) এর অধীন সংঘটিত অপরাধগুলো অ-জামিনযোগ্য (non-bailable) হিসেবে বিবেচিত হয়। এই ধারাগুলোর অধীন অপরাধগুলোর গুরুতর প্রকৃতির কারণে, যেমন মিথ্যা দলিল প্রস্তুতকরণ, তথ্য গোপন করে ভূমি হস্তান্তর, বা প্রতারণামূলক কার্যকলাপ, এগুলোকে অ-জামিনযোগ্য হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৯ অপরাধের বিচার:
(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ, আমলযোগ্য (cognizable), ধারা ৪ ও ৫ এ বর্ণিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য (non-bailable), অন্যান্য ধারায় বর্ণিত অপরাধ জামিনযোগ্য এবং আপোষযোগ্য (compoundable) হইবে।
(২) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(৩) এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে সমাপ্ত করিতে হইবে।
(৪) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার ও আপিলের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

৭৫.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ফাঁদ মামলা (Trap Case) পরিচালনার জন্য ন্যূনতম কোন পদমর্যাদার কর্মকর্তা প্রয়োজন?
  1. কমিশনার
  2. পরিচালক
  3. উপ-পরিচালক
  4. সহকারী পরিচালক
সঠিক উত্তর:
পরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচালক
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬ অনুযায়ী, ফাঁদ মামলা (Trap Case) পরিচালনার জন্য কমিশনারের অনুমোদনক্রমে পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন। এই বিধি অনুসারে, ফাঁদ মামলা পরিচালনার জন্য ন্যূনতম পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তার প্রয়োজন। ফাঁদ মামলা হলো দুর্নীতি প্রতিরোধে তফসিলভুক্ত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরার জন্য পরিকল্পিত কার্যক্রম, এবং এটি সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় উচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।

- বিধি ১৬ (দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭): এই বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, ফাঁদ মামলা প্রস্তুত বা পরিচালনার জন্য কমিশনারের অনুমোদন প্রয়োজন, এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদমর্যাদা পরিচালক বা তার ঊর্ধ্বতন হতে হবে। এটি নিশ্চিত করে যে এ ধরনের সংবেদনশীল কার্যক্রম দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

- কারণ ফাঁদ মামলা সাধারণত ঘুষ গ্রহণ বা অন্যান্য দুর্নীতিজনিত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের ধরার জন্য পরিচালিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা, সাক্ষ্য সংগ্রহ, এবং নৈতিকতার বিষয় জড়িত থাকে। তাই, পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তারা তাদের অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বশীলতার কারণে এই কাজের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হন।

অর্থাৎ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬ অনুসারে, ফাঁদ মামলা পরিচালনার জন্য ন্যূনতম পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তা প্রয়োজন। এই বিধান কার্যক্রমের সংবেদনশীলতা এবং আইনি নির্ভুলতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) পরিচালক।

৭৬.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর সর্বশেষ সংশোধনী কোন সালে হয়েছে?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৮  সালে
  3. ২০২৪ সালে
  4. ২০২৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর সর্বশেষ সংশোধনী মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন, ২০১৫ (২০১৫ সনের ২৫ নং আইন) এর মাধ্যমে ২০১৫ সালে কার্যকর হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে আইনের কিছু ধারা এবং বিধানে পরিবর্তন ও পরিমার্জন আনা হয়েছে, যাতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করা যায়। এই সংশোধনীতে বিশেষ করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU)-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য সংগ্রহ ও সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্টিং প্রক্রিয়া আরও সুসংগঠিত করা, এবং শাস্তির বিধানে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

- ২০১৫ সালের সংশোধনী:
এই সংশোধনীতে মানিলন্ডারিং অপরাধের সংজ্ঞা, তদন্ত প্রক্রিয়া, এবং সম্পত্তি অবরুদ্ধকরণ ও বাজেয়াপ্তকরণের বিধান আরও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া, রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার দায়িত্ব এবং জরিমানার পরিমাণ সংক্রান্ত বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট প্রদানে ব্যর্থতার জন্য জরিমানার পরিমাণ এবং নিবন্ধন বাতিলের বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে।

- আইনের প্রেক্ষাপট: মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ প্রণীত হয়েছিল পূর্ববর্তী মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৯ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০১২ রহিত করে। ২০১৫ সালের সংশোধনী এই আইনকে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী করার জন্য প্রণীত হয়। এরপর আর কোনো সংশোধনী (২০২৫ সাল পর্যন্ত) কার্যকর হয়নি।

- অর্থাৎ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর সর্বশেষ সংশোধনী ২০১৫ সালে (২০১৫ সনের ২৫ নং আইন) কার্যকর হয়েছে। এই সংশোধনী আইনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ২০১৫ সালে।

৭৭.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর কোন ধারা অনুযায়ী বিদেশ থেকে বাংলাদেশে অবস্থিত সিস্টেমে অপরাধ করলে তা বাংলাদেশে সংঘটিত বলে গণ্য হবে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪ এর অধীনে অধ্যাদেশের অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ সম্পর্কিত বিধান বর্ণিত হয়েছে। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে:
বিদেশ থেকে অপরাধ: যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের বাইরে থেকে বাংলাদেশে অবস্থিত কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটন করে, তবে তা বাংলাদেশে সংঘটিত বলে গণ্য হবে।
- এই ধারার মাধ্যমে সাইবার অপরাধের আন্তর্জাতিক মাত্রা বিবেচনা করে বাংলাদেশের এখতিয়ার নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি সাইবার স্পেসে সীমান্তের সীমাবদ্ধতা দূর করে বাংলাদেশের নাগরিক বা সিস্টেমের বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

- অর্থাৎ ধারা ৪-এর বিধান অনুযায়ী, বিদেশ থেকে বাংলাদেশে অবস্থিত সিস্টেম ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটন করলে তা বাংলাদেশে সংঘটিত বলে বিবেচিত হবে। এটি সাইবার অপরাধের আন্তর্জাতিক প্রকৃতি মোকাবিলায় বাংলাদেশের আইনি কাঠামোকে শক্তিশালী করে।

৭৮.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, তহবিলের অপর্যাপ্ততার কারণে চেক বাউন্স হলে প্রদানকারীর কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের দ্বিগুণ জরিমানা বা উভয়
  2. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের তিনগুণ জরিমানা বা উভয়
  3. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের দ্বিগুণ জরিমানা বা উভয়
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের তিনগুণ জরিমানা বা উভয়
সঠিক উত্তর:
১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের তিনগুণ জরিমানা বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের তিনগুণ জরিমানা বা উভয়
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১-এর ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, তহবিলের অপর্যাপ্ততার কারণে চেক ডিশনার (বাউন্স) হলে প্রদানকারীর শাস্তি "এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা চেকের অর্থের তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।"

- হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।
(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।
(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।