পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়11 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩৫: বাংলা টপিক: উপজীব্য ও চরিত্র, সাহিত্য বিষয়ক সাময়িকী ও পত্রিকা, পঙক্তি ও উদ্ধৃতি, ছদ্মনাম, উপাধি ও প্রবর্তক ইত্যাদি। উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, মাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
‘মোদের গরব, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা।’ গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) অদ্বৈত মল্লবর্মণ
  2. খ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  3. গ) অতুলপ্রসাদ সেন
  4. ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
অতুলপ্রসাদ সেন ১৮৭১ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মূলত কবি, গীতিকার ও গায়ক ছিলেন।
• তিনি সর্বপ্রথম বাংলা গানে ঠুমরি আমদানি করেন।
'মোদের গরব, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা' তাঁর রচিত বিখ্যাত গান।
• 'কয়েকটি গান ও গীতিগুচ্ছ' তাঁর গানের সংকলন।
• তাঁর রচিত গানের সংখ্যা প্রায় দুশোটি। 

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখ।
.
“আমি বিপ্লবী, ভারতের স্বাধীনতা আমার একমাত্র কাম্য, আমার একটি মাত্র সাধনা” এই উক্তিটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কোন উপন্যাসের?
  1. ক) গৃহদাহ
  2. খ) দেনা পাওনা
  3. গ) শ্রীকান্ত
  4. ঘ) পথের দাবী
ব্যাখ্যা
- বাংলা সাহিত্যের 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামের এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- 'পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উপন্যাস। 
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে।
- এটি স্বদেশী বিপ্লবীদের হাতে হাতে থাকতো। এর কাহিনীর পটভূমিকা ব্রহ্মদেশ। এক গুপ্ত বিপ্লবী দলের নায়ক 'সব্যসাচী' এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। কারো কারো মতে সব্যসাচী চরিত্রে বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর ছায়াপাত ঘটেছে।
- নিঃসন্দেহে এই কাহিনীতে ব্রিটিশ শাসনের তীব্র সমালোচনা এবং সশস্ত্র বিপ্লবের আন্তরিক সমর্থন আছে। গ্রন্থটি প্রকাশের সাথে সাথে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়।
- “আমি বিপ্লবী, ভারতের স্বাধীনতা আমার একমাত্র কাম্য, আমার একটি মাত্র সাধনা” এই বক্তব্য ছিল উপন্যাসের শেষে।
- উপন্যাসটি ‘বঙ্গবাণী’ পত্রিকায় ১৩২৯-এর ফাল্গুন সংখ্যা থেকে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
অদ্বৈত মল্লবর্মণ কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
  1. ক) সাহিত্য
  2. খ) নবশক্তি
  3. গ) প্রগতি
  4. ঘ) শিখা
ব্যাখ্যা
- অদ্বৈত মল্লবমর্ণ ১৯১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া গোকর্ণ গ্রামে মালো বংশে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত ছিলেন ঔপন্যাসিক।
- অদ্বৈত মল্লবর্মন ত্রিপুরা পত্রিকায় সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন।
- তিনি 'নবশক্তি' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। 
- মোহাম্মদী পত্রিকায় বেনামে কবিতা লিখতেন তিনি। 
- তার সুবিখ্যাত উপন্যাস 'তিতাস একটি নদীর নাম' ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘সই, কেমনে ধরিব হিয়া? আমার বঁধূয়া আন বাড়ি যায় আমার আঙিনা দিয়া।’ উক্তিটি কার?
  1. ক) ভারতচন্দ্র
  2. খ) চণ্ডীদাস
  3. গ) মুকন্দরাম
  4. ঘ) জ্ঞানদাস
ব্যাখ্যা
‘সই, কেমনে ধরিব হিয়া?
আমার বঁধূয়া আন বাড়ি যায়
আমার আঙিনা দিয়া।’
উক্তিটি চৈতন্যপূর্ব যুগের কবি চণ্ডীদাসের।

- চণ্ডীদাস চৈতন্যপূর্ব যুগের কবি ছিলেন।
- তিনি ছিলেন সহজিয়াপন্থী কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চণ্ডীদাসকে সহজ ভাষার সহজ ভাবের কবি বলে এবং এই গুণে তাকে বঙ্গীয় প্রাচীন কবিদের মধ্যে প্রধান কবি বলে অভিহিত করেছেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চণ্ডীদাসকে দুঃখের কবিও বলেছিলেন।

তাঁর বিখ্যাত উক্তি-
- ‘বহুদিন পরে বঁধুয়া এলে। দেখা না হইত পরাণ গেলে।’
- ‘শোন হে মানুষ ভাই, সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।’
- ‘সখি কেমনে ধরিব হিয়া, আমারি বধূয়া আনবাড়ী যায় আমারি আঙিনা দিয়া।’

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'ভিখু' ও 'পাচি' চরিত্রের স্রষ্টা কে?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. গ) আবুল মনসুর আহমদ
  4. ঘ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
• তাঁর রচিত বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ - প্রাগৈতিহাসিক
এই গল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্র ভিখু ও পাচি।

• এছাড়াও তাঁর রচিত অন্যান্য গল্পগ্রন্থ:
- অতসী মামা ও অন্যান্য গল্প,
- মিহি ও মোটা কাহিনী,
- বৌ,
- সরীসৃপ,
- সমুদ্রের স্বাদ,
- আজ কাল পরশুর গল্প,
- ছোট বকুলপুরের যাত্রী,
- আত্মহত্যার অধিকার ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র কোনটি?
  1. লক্ষণ
  2. জয়গুন
  3. বাকের
  4. ওসমান
ব্যাখ্যা
• 'সূর্য দীঘল বাড়ী' আবু ইসহাক রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
- ১৯৫৫সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- বাংলাদেশের গ্রাম জীবনের বিশ্বস্ত দলিল এই গ্রন্থ।
- বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে তিনি রচনা করেন 'সূর্য দীঘল বাড়ী'
-জয়গুন এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
- উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র: হাসু, মায়মুন, শাফি, ডা. রমেশ চক্রবর্তী, মোরল গদু ইত্যাদি।
 
• কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাক রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- পদ্মার পলিদ্বীপ,
- জাল,

গল্পগ্রন্থ:
- হারেম,
- মহাপতঙ্গ,

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
"আমারে নিবা মাঝি লগে?"- উক্তিটি কোন উপন্যাসের?
  1. ক) কপালকুণ্ডলা
  2. খ) লাল সালু
  3. গ) পদ্মার পলিদ্বীপ
  4. ঘ) পদ্মা নদীর মাঝি
ব্যাখ্যা
'পদ্মানদীর মাঝি' নামক উপন্যাসটি ১৯৩৪ সাল থেকে 'পূর্বাশা' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে।
- পদ্মা তীরবর্তী ধীবর- জীবন এর মূল কাহিনি।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র - কুবের, কপিলা, মালা, ধনঞ্জয়, গণেশ, শীতলবাবু, হোসেন মিঞা ইত্যাদি।
- উপন্যাসে "আমারে নিবা মাঝি লগে?"- বিখ্যাত সংলাপটি কপিলা, কুবের কে উদ্দেশ্য করে বলে ।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দোপাধ্যায়, ‘মানিক' তাঁর ডাকনাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং পদ্মানদীর মাঝি ।
.
‘মৈথিল কোকিল ‘ বলা হয় কাকে?
  1. ক) আলাওল
  2. খ) জ্ঞানদাস
  3. গ) বিদ্যাপতি
  4. ঘ) গোবিন্দদাস
ব্যাখ্যা
- ‘মৈথিল কোকিল’ বলতে মিথিলার কবি বিদ্যাপতিকে বোঝায়।
- কোকিল যেমন সুললিত সুমধুর গান গেয়ে সকলকে মুগ্ধ করে, মিথিলার রাজসভার কবি বিদ্যাপতিও মৈথিলি ভাষায় সুন্দর পদাবলি ও অন্যান্য গীতিকবিতা রচনা করে সকলকে মুগ্ধ করেছেন বলে তাঁকে ‘মৈথিল কোকিল’ বলা হয়।
- তিনি ছিলেন বৈষ্ণব কবি এবং পদসঙ্গীত ধারার রূপকার।
- তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হচ্ছে ব্রজবুলিতে রচিত রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোন কবিকে দুঃখ বর্ণনার কবি বলা হয়?
  1. ক) যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত
  2. খ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  3. গ) জীবনানন্দ দাস
  4. ঘ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
- মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মানব-রসের প্রথম ও একমাত্র স্রষ্টা।
- চণ্ডীমঙ্গলের প্রধান কবি হলেন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী। তিনি ষোল শতকের কবি।
- মেদিনীপুরের রাজা রঘুনাথ রায়ের অনুরোধে তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্য লেখেন।
- গণজীবনের করুণ চিত্র তাঁর কাব্যে তুলে ধরেন।
- কবির প্রতিভার স্বকৃতিস্বরূপ রাজা রঘুনাথ তাকে কবিকঙ্কন উপাধি প্রদান করেন।
- তাঁকে দুঃখ বর্ণনার কবি বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
‘সাহিত্য সম্রাট’ নামে খ্যাত কে?
  1. ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঘ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাদ্যায়
ব্যাখ্যা
• আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিকাশ যুগ এ পর্বের শ্রেষ্ঠ লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪)। তিনি বাংলা গদ্যকে সর্বপ্রকার ভাব প্রকাশের উপযোগী করে তোলেন।
• বঙ্কিমচন্দ্র বাংলা সাহিত্য ও বাঙালি জীবনে অসামান্য প্রভাব বিস্তার করেন। তিনি তাঁর অসাধারণ প্রতিভাগুণে পন্ডিতি ও আলালি-হুতোমি রীতির মধ্যে সামঞ্জস্য স্থাপন করে সরল ও সরস গদ্যের সৃষ্টি করেন।
• “বঙ্গদর্শন”  (১৮৭২) নামক সাহিত্য-বিষয়ক মাসিক পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি সাহিত্যের ইতিহাসে এক নবযুগের সূচনা করেন। সাহিত্য-সমালোচনা, ঐতিহাসিক গবেষণা, ধর্ম ও দার্শনিক আলোচনা, রাজনৈতিক ও বৈজ্ঞানিক সাহিত্য, ব্যঙ্গ-সাহিত্য এর সবই তিনি প্রবর্তন করেন।
• বঙ্কিমচন্দ্রের প্রতিভাবলে যে সাহিত্যিক গোষ্ঠী গড়ে ওঠে, তাঁরাই দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর যাবৎ বাংলা সাহিত্যে আধিপত্য করেন। বাংলায় তুলনামূলক সাহিত্যসমালোচনারও তিনিই পথিকৃৎ।
তবে তাঁর প্রধান পরিচয় ঔপন্যাসিক হিসেবে এবং এজন্য তিনি ‘সাহিত্যসম্রাট’ উপাধিতে ভূষিত হন। তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুন্ডলা, কৃষ্ণকান্তের উইল, বিষবৃক্ষ, আনন্দমঠ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১.
‘চাঁদ সওদাগর’ চরিত্রটি কোন মঙ্গল কাব্যে পাওয়া যায়?
  1. ক) চণ্ডীমঙ্গল
  2. খ) মনসামঙ্গল
  3. গ) অন্নদামঙ্গল
  4. ঘ) কালিকামঙ্গল
ব্যাখ্যা
- ‘মনসামঙ্গল' কাব্যের অপর নাম ‘পদ্মাপুরাণ’।
- সাপের দেবী মনসার স্তব, কাহিনি ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য ‘মনসামঙ্গল’।
- মনসামঙ্গল মূলত পাঁচালী পালা।
- কানা হরিদত্ত মনসামঙ্গলের আদি কবি।
- এছাড়াও বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপলাই, দ্বিজ বংশীদাস, কেতকা দাস ক্ষেমানন্দ প্রমুখ মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন।
- চাঁদ সওদাগরের প্রথম দিকে মনসা বিরূপতা ,পরে মনসা দেবীর অলৌকিক  শক্তির স্বীকার করে বশ্যতা স্বীকার করাই মনসামঙ্গল কাব্যসমূহের প্রধান আখ্যান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর।
১২.
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
  1. ক) সংবাদ প্রভাকর
  2. খ) সংবাদ প্রভাতী
  3. গ) পূর্বাশা
  4. ঘ) স্বদেশ
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত একজন বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ।
- তিনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ এর সম্পাদক।
- ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকায় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলা সাহিত্যে যুগ সন্ধিকাল ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দ।
- বাংলা সাহিত্যে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত যুগসন্ধিকালের কবি হিসেবে পরিচিত।
• ঈশ্বরচন্দ্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো ভারতচন্দ্র রায়, রামপ্রসাদ সেন, নিধুগুপ্ত, হরু ঠাকুর ও কয়েকজন কবিয়ালের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
১৩.
নিচের কোন কবির উপাধি ‘বিদ্বদ্বল্লভ’?
  1. ক) মাণিক দত্ত
  2. খ) দ্বিজ মাধব
  3. গ) মুকুন্দরাম
  4. ঘ) বসন্তরঞ্জন রায়
ব্যাখ্যা
• কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও পুথিশালার অধ্যক্ষ বসন্তরঞ্জন রায় ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে (১৩১৬ বঙ্গাব্দে) পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলায় কাকিল্যা গ্রামে মল্লরাজগুরু বৈষ্ণবমহন্ত শ্রীনিবাসের দৌহিত্র শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথি আবিষ্কার করেন।

• ১৯১৬ (১৩২৩ বঙ্গাব্দ) খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে ’শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
• বসন্তরাজকে ‘বিদ্বদ্বল্লভ' উপাধি দেয়া হয়৷ নবদ্বীপের ভূবনমোহন চতুস্পাঠীর অধ্যক্ষ কর্তৃক এই উপাধি প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
‘লালসালু’ উপন্যাসের কূটচরিত্র কোনটি?
  1. ক) মজিদ
  2. খ) হাসু
  3. গ) আক্কাস
  4. ঘ) গণেষ
ব্যাখ্যা
• 'লালসালু' উপন্যাসে কুটচরিত্র - মজিদ
• 'লালসালু' উপন্যাসের রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
- ধর্ম নিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থকারীদের স্বরূপ উন্মোচন এবং নারী জাগরণের প্রেক্ষাপটে সমাজচেতনা এই উপন্যাসের মূল বিষয়।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস।
- উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র- মজিদ, জমিলা, আমেনা, খালেক ব্যাপারী, রহিমা, আক্কাস, তাহেরের বাপ, হাসুনির মা ইত্যাদি।
- নোয়াখালী অঞ্চল থেকে মজিদ নামের এক কূটচরিত্র গারোপাহারি অঞ্চলে গিয়ে সেই এলাকার মানুষকে ধর্মের নামে কিভাবে শোষণ করে। সেই বাস্তব চিত্র আছে উপন্যাসটি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।