পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes২৪ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা [আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা।] উৎস: পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো- 
  1. জেলা প্রশাসন
  2. বিভাগীয় প্রশাসন
  3. উপজেলা প্রশাসন
  4. পৌর প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দুটি স্তর আছে।
- প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)।
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমেসারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
বাংলাদেশের আইনসভার অফিসিয়াল ইংরেজি নাম কী?
  1. Parliament of the People
  2. House of the Nation 
  3. Nation of the House
  4. National Assembly House 
সঠিক উত্তর:
House of the Nation 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
House of the Nation 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের আইনসভার অফিসিয়াল ইংরেজি নাম House of the Nation.

আইনবিভাগ: 

- সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইনবিভাগ।
- আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে।
- আইনবিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট।
- আইনসভা আইন প্রণয়ন করে।
- নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়।
- আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।
- প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে।
- এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে।
- দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে।
- বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট।
- ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বর্তমানে দেশের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের নাম-  [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন
  2. কায়সার আহমেদ
  3. মোঃ আসাদুজ্জামান
  4. মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ
ব্যাখ্যা

- দেশে বর্তমানে অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়ি্ত্ব্য কেউ নেই।
- বর্তমানে দেশের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের নাম- জনাব মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ,

- যিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন;
- কারণ মো. আসাদুজ্জামান পদত্যাগ করার পর তিনি এই পদে এসেছেন। 
- বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত: মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ
- পদবি: অ্যাটর্নি জেনারেল (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
- পূর্ববর্তী: মো. আসাদুজ্জামান (৮ আগস্ট ২০২৪ – ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫) 

অ্যাটর্নি জেনারেল:

- অনুচ্ছেদ- ৬৪ (১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- (২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- তিনি দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- ১৬ তম অ্যাটর্নি জেনারেলজনাব আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন।
- ১৭ তম অ্যাটর্নি জেনারেল জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র এইচ এসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

.
বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা নির্বাচন হয় কত সালে? 
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

উপজেলা ব্যবস্থা:
-উপজেলা পরিষদ জেনারেল এরশাদের সামরিক সরকার (১৯৮২-১৯৯০) কর্তৃক সংস্কার ও পুনর্গঠন কমিটির সুপারিশমালা থেকে উপজেলা পরিষদের ঐতিহাসিক পটভূমি রচিত।
- ১৯৮২ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাস হওয়ার পর বাংলাদেশে উপজেলা ব্যবস্থা চালু হয়।
- ১৯৮৫ সালে উপজেলা পরিষদ প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়।
- উপজেলা প্রশাসন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সড়ক নির্মাণ, এবং সরকারি অন্যান্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।
- ইউএনও উপজেলার আইনশৃঙ্খলা, প্রশাসনিক কার্যক্রম, এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে থাকেন।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ শাসন ব্যবস্থার ধরণ সংসদীয়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্র মর্যাদার অধিকারী: রাষ্ট্রপতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  2. ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৮
  3. ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭
  4. ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
ব্যাখ্যা

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি হলো বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন: বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।

• পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির মাধ্যমে দেশের প্রায় এক-দশমাংশ এলাকা পার্বত্য চট্টগ্রামে দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা সশস্ত্র লড়াইয়ের অবসান হয়।
- চুক্তির মাধ্যমে তিনটি জেলা পরিষদ এবং আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়।

• এই শান্তিচুক্তির আওতায় তিন পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার পরিষদ সমন্বয়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
অস্ত্র সমর্পণের পর শান্তিবাহিনীর প্রায় দুই হাজার সদস্যের প্রত্যেককে সরকার ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিল।
- এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।

- পাহাড়ি জনগণের দাবি মেনে নিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে তাদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালের মার্চ মাসে লারমার নেতৃত্বে
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠে।
- পরবর্তী সময়ে এর সঙ্গে যোগ হয় শান্তি বাহিনী নামে একটি সামরিক শাখা।

উৎস: ⅰ) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলাদেশে সবচেয়ে স্বল্পস্থায়ী জাতীয় সংসদ ছিল-
  1. ষষ্ঠ সংসদ
  2. দ্বিতীয় সংসদ
  3. চতুর্থ সংসদ
  4. তৃতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ সংসদ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে সবচেয়ে স্বল্পস্থায়ী জাতীয় সংসদ ছিল- ষষ্ঠ সংসদ।

• বাংলাদেশে গঠিত সকল সংসদের তালিকা:

- প্রথম সংসদ: ২ বছর ৬ মাস (৭ই এপ্রিল, ১৯৭৩ ৬ই নভেম্বর, ১৯৭৫) আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে।
- দ্বিতীয় সংসদ: ২ বছর ১১ মাস (২রা এপ্রিল, ১৯৭৯ ২৪শে মার্চ, ১৯৮২) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে।
- তৃতীয় সংসদ: ১ বছর ৫ মাস (১০ই জুলাই, ১৯৮৬ ৬ই ডিসেম্বর, ১৯৮৭) জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে।
- চতুর্থ সংসদ: ২ বছর ৭ মাস (১৫ই এপ্রিল, ১৯৮৮ ৬ই ডিসেম্বর, ১৯৯০) জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে।
- পঞ্চম সংসদ: ৪ বছর ৮ মাস (৫ই এপ্রিল, ১৯৯১ ২৪শে নভেম্বর, ১৯৯৫) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে।
- ষষ্ঠ সংসদ: ১২ দিন (১৯শে মার্চ, ১৯৯৬ ৩০শে মার্চ, ১৯৯৬) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে।
- সপ্তম সংসদ: ৫ বছর (১৪ই জুলাই, ১৯৯৬ ১৩ই জুলাই, ২০০১) আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে।

উৎস: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।

.
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক কে? 
  1. সেনাপ্রধান
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী:
- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত।
- সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ (AFD) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি বিভাগ।
- এই বিভাগটি মন্ত্রী পদমর্যাদা ভোগ করে এবং বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (MoD) সাথে সমান্তরাল কাজ করে।
- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতাবলে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবর্গ, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি, সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল,
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত ব্যক্তিবর্গের নিয়োগ প্রদান করেন।
- তাছাড়া জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এছাড়াও,
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ((Supreme Command) এবং বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের চ্যান্সেলর।
- বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতগণ মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিকট পরিচয়পত্র (Credentials) পেশ করেন।
- জাতীয় দিবসসমূহে মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশ্যে বাণী প্রদান করেন এবং বঙ্গভবনে সংবর্ধনার আয়োজন করেন।

উৎস: ⅰ) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।
ii) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।

.
বাংলাদেশের আইনসভা কয় কক্ষবিশিষ্ট?
  1. এক-কক্ষবিশিষ্ট
  2. দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট
  3. তিন-কক্ষবিশিষ্ট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এক-কক্ষবিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-কক্ষবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা

আইনবিভাগ: 
- সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইনবিভাগ।
- আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে।
- আইনবিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট।
- আইনসভা আইন প্রণয়ন করে।
- নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়।
- আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।
- দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে।
- বাংলাদেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট।
- ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সংসদে কাস্টিং ভোট প্রদান করেন কে? 
  1. সংসদ নেতা
  2. স্পিকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. ডেপুটি স্পিকার
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা

কাস্টিং ভোট (Casting Vote): 
- কখনো কখনো সংসদে কোনো বিষয়ে হ্যাঁ ও না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এ ধরনের সমসংখ্যক ভোটের ফলে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়, তা নিরসনে স্পীকার তাঁর ভোট প্রয়োগ করেন।
- স্পীকারের এই ভোটকে 'নির্ণায়ক ভোট' বা 'কাস্টিং ভোট' বলা হয়।
- সাধারণত স্পীকার ভোট দেন না।
- তবে যখন ভোটাভুটিতে সমতা দেখা দেয়, তখনই কেবল তিনি তাঁর নির্ণায়ক ভোট প্রয়োগ করতে পারেন।
- অর্থাৎ, কোনো প্রস্তাবের পক্ষে ও বিপক্ষে সমানসংখ্যক ভোট পড়লে স্পীকার সংসদের সভাপতি হিসেবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ভোট দেন।
- এ ছাড়া অন্য কোনো পরিস্থিতিতে স্পীকারের ভোটাধিকার নেই।

• সংবিধানিক বিধান
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয়েছে:
- "উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পীকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।"

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১০.
বিদ্যমান জেলা পরিষদ কতজন সংরক্ষিত নারী সদস্য নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ৬ জন
  2. ৫ জন
  3. ৪ জন
  4. ৩ জন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

বর্তমানে (জেলা পরিষদ আইন, ২০০০-এর ২০২২ সংশোধনী অনুযায়ী) জেলা পরিষদে সংরক্ষিত নারী সদস্যের সংখ্যা নির্দিষ্ট নয় — এটা ফর্মুলা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়:
সংরক্ষিত নারী সদস্য = (চেয়ারম্যান + উপজেলার সমসংখ্যক সাধারণ সদস্য)- এর ১/৩ (নিকটবর্তী পূর্ণ সংখ্যায়); তবে কমপক্ষে ২ জন হবে।

প্রশ্ন অনুসারে অপশন অপ্রাসঙ্গিক হওয়ায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 
-------------------

জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২২ অনুসারে:

(২০০০ সনের ১৯ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ৪ এর উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা :-

‘‘(১) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে পরিষদ গঠিত হইবে, যথা :-

(ক) একজন চেয়ারম্যান;
(খ) সংশ্লিষ্ট জেলার মোট উপজেলার সমসংখ্যক সদস্য;
(গ) দফা (ক) ও (খ) এ উল্লিখিত সদস্য-সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (নিকটবর্তী পূর্ণ সংখ্যায়) নারী সদস্য: তবে শর্ত থাকে যে, তাহাদের সংখ্যা ২(দুই) এর কম হইবে না; এবং
(ঘ) সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র এবং ক্ষেত্রমত, সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের প্রতিনিধি পদাধিকারবলে সদস্য।’’

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন-একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি এবং জেলা পরিষদ আইন, ২০২২।[link]

১১.
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে কোনটি সঠিক? 
  1. শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার জন্য ব্যবহৃত হয়
  2. সংসদ আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় না
  3. সুপ্রিমকোর্ট সরাসরি গঠন করে
  4. সংসদ আইন দ্বারা বিশেষ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
সংসদ আইন দ্বারা বিশেষ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ আইন দ্বারা বিশেষ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে
ব্যাখ্যা

বিশেষ ট্রাইব্যুনাল: 
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ আইন দ্বারা এক বা একাধিক বিশেষ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে। 
- প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের অন্তর্ভুক্ত কোনো বিষয়ে অন্য কোনো আদালতে বিচারকার্য অনুষ্ঠিত হয় না।

উল্লেখ্য, 
- অধস্তন আদালত সুপ্রিমকোর্টের অধীনে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় বিচারবিভাগের অধস্তন আদালত আছে। 
- অধস্তন আদালতগুলো ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা পরিচালনা করে।
- জেলা ও দায়রা জজ আদালত স্থানীয় পর্যায়ে দেওয়ানি (জমিজমাসংক্রান্ত, ঋণচুক্তি ইত্যাদি) ও ফৌজদারি (সংঘাত, সংঘর্ষ সংক্রান্ত) বিচারকার্য পরিচালনা করার জন্য সুপ্রিমকোর্টের অধীনে জেলা ও দায়রা জজ রয়েছে।
- এ আদালতের প্রধান হলেন জেলা জজ। অতিরিক্ত জেলা জজ, যুগ্ম জজ ও সহকারী জজ আলাদা আলাদাভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করেন।
- এ সকল আদালতের রায় নিয়ে জেলা জজের কাছে আপিল করা হয়। তবে আপিল ছাড়াও জেলা জজ মৌলিক মামলা পরিচালনা করে থাকেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, নবম-দশম শ্রেণি।

১২.
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে?
  1. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. আইন মন্ত্রণালয় 
  4. স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর: 
- বাংলাদেশের নাগরিকদের বিদেশে যাতায়াতে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৬২ সালে একটি পরিদপ্তর হিসেবে জোনাল কার্যালয়, ঢাকা এবং আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনা নিয়ে বর্তমান ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অধীনে রয়েছে।
- স্বাধীনতাত্তোর স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে পূর্ণাঙ্গ রুপে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকায় অবস্হিত অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়সহ ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনা অফিস সমন্বয়ে কার্যালয়ের সংখ্যা হয় ৬ (ছয়) টি।
-  ১৯টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস স্হাপিত হলে অফিসের সংখ্যা হয় ৩৪ (চৌত্রিশ) টি।
- এছাড়া ৬টি ভিসা সেল ও ৯টি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সৃজিত হয়।
- ২০১১ সালে আরো ৩৩ (তেত্রিশ) টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সৃজিত হয়।
- বর্তমানে দেশের প্রতিটি জেলায় পাসপোর্ট অফিস স্হাপনের কাজ শেষ হয়েছে।
- এছাড়া বিশ্বের ৭৩টি বাংলাদেশী মিশনে এমআরপি ও এমআরভি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩.
রংপুর বিভাগ কতটি জেলা নিয়ে গঠিত? 
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৬টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা

রংপুর বিভাগ:
- রংপুর বিভাগ ৮টি জেলা  নিয়ে গঠিত।

• জেলার তালিকা: কুড়িগ্রাম , রংপুর, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ৮টি বিভাগ নিয়ে গঠিত। এবং দুটি বিভাগ (কুমিল্লা ও ফরিদপুর) প্রস্তাবিত রয়েছে।
- ঢাকা বিভাগের জেলা: ১৩টি;
- চট্টগ্রাম বিভাগের জেলা: ১১টি;
- রাজশাহী বিভাগের জেলা: ৮টি;
- সিলেট বিভাগের জেলা: ৪টি;
- বরিশাল বিভাগের জেলা: ৬টি;
- খুলনা বিভাগের জেলা: ১০টি;
- ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা: ৪টি

উৎস:  জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪.
মন্ত্রিসভার কত ভাগ টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী রাখা যায়?
  1. ১ দশমাংশ
  2. ১ পঞ্চামাংশ
  3. ১ চতুর্থাংশ
  4. ১ তৃতীয়াংশ
সঠিক উত্তর:
১ দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ দশমাংশ
ব্যাখ্যা

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন।
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির নাম কী? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  2. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  3. মোঃ আসাদুজ্জামান
  4. ওবায়দুল হাসান
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

প্রধান বিচারপতি:
- জুবায়ের রহমান চৌধুরী বর্তমান প্রধান বিচারপতি
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ দেশের ২৫ তম বিচারপতি।
- সংবিধানের  ৯৫(১) অনচ্ছেদ, প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন।
- এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন। 
- বিচারপতি রিফাত ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতের একজন আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
- ১৯৮৬ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের এবং ২০০২ সালে আপীল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
- তিনি ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের একজন অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- এবং ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের একজন স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।


উল্লেখ্য,
- দেশের ২৪ তম বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
- মোঃ আসাদুজ্জামান বাংলাদেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল।

উৎস: আইন ও বিচার বিভাগ এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

১৬.
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ এর বিভাগ পৃথক হয় কত তারিখে? 
  1. ১ নভেম্বর, ২০০৭
  2. ১ ডিসেম্বর, ২০০৭
  3. ১ নভেম্বর, ২০০৮
  4. ১ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা

- নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ এর বিভাগ পৃথক হয় - ১ নভেম্বর ২০০৭।

বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ:
- ১৯৯৪ সালে সাবেক জেলা জজ মাসদার হোসেন পৃথকীকরণের জন্যে হাইকোর্টে রিট করলে আপিল বিভাগ ১৯৯৯ সালে এর চূড়ান্ত রায়ে ১২ দফা নির্দেশনা প্রদান করে।
- নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ এর ভিত্তিতেই ১ নভেম্বর ২০০৭ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হয়।
- এ দিন সংশোধিত ফৌজদারি কার্যবিধি কার্যকরের মাধ্যমে স্বাধীন বিচার বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। তবে এ প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণতা লাভ করেনি।
বর্তমানে অধস্তন আদালত সমূহে বিচারক নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি জুডিশিয়াল সার্ভিস কাউন্সিল দেখভাল করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা।

১৭.
সংবিধান অনুযায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাপ্রধান
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

জরুরি অবস্থা ঘোষণা:
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা তার অংশবিশেষে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে;
- বা অর্থনৈতিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হবার বা সংকটের সম্মুখিন হলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- জরুরি অবস্থা ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর প্রয়োজন।
- জরুরি অবস্থার মৌলিক অধিকারের কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
বাংলাদেশের সর্বশেষ বিভাগ কোনটি? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. রংপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. কুমিল্লা 
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সর্বশেষ প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।

বাংলাদেশের বিভাগ:

- বিভাগ: ৮টি,
- চট্টগ্রাম ,
- রাজশাহী,
- খুলনা,
- বরিশাল,
- সিলেট,
- ঢাকা,
- রংপুর,
- ময়মনসিংহ।

•ময়মনসিংহ বিভাগঃ
- বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।
- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত।
- ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত এই বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল ঢাকা বিভাগের অংশ ছিল।
- ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা এই ৪ জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টি করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৯.
পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিষদ কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ২৫ জন
  2. ২৩ জন
  3. ২০ জন
  4. ২১ জন
সঠিক উত্তর:
২৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ জন
ব্যাখ্যা

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ: 
- তিনটি পার্বত্য জেলায় কার্যক্রম সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে ঐ তিন জেলাধীন সমগ্র এলাকাজুড়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ আছে।
গঠন: 
- ১ জন চেয়ারম্যান,
- ১২জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য,
- ৬জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাইরের বা বাঙালি সদস্য,
- ২ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মহিলা সদস্য,
- ১ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাইরের বা বাঙালি মহিলা সদস্য এবং
- তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের ৩ চেয়ারম্যানসহ সর্বমোট ২৫ জন সদস্য নিয়ে আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হবে।

উল্লেখ্য, 
- চেয়ারম্যান অবশ্যই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর হবেন এবং তিনি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করবেন।
- ১২ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যের মধ্যে ৫ জন চাকমা, ৩ জন মারমা, ২জন ত্রিপুরা, ১জন মুরং ও তনচৈঙ্গা এবং ১জন লুসাই, বোম, পাংখো, খুমী, চক ও খিয়াং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হবেন।
- ৬ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যের মধ্যে প্রতিটি পার্বত্য জেলা হতে ২ জন করে থাকবে।
- ২ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মহিলা সদস্যের মধ্যে ১জন চাকমা এবং অপরজন অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। 
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাইরের বা বাঙালি মহিলা সদস্য তিন পার্বত্য জেলার বাঙালি মহিলাগণের মধ্য থেকে হবে। 
- আঞ্চলিক পরিষদের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

২০.
সংসদ প্রণীত বিলে রাষ্ট্রপতি কত দিনের মধ্যে সম্মতি দান করবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

সংবিধান: 
- সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, আইন প্রণয়নের জন্যে সংসদে আনীত প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- সংসদ বিল গ্রহণ করলে তা সম্মতির জন্যে রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হয়।
- সংসদ বিল রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হলে তিনি তাতে ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি দান করবেন।
- রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি ফেরত পাঠান, তাহলে সংসদ তা গ্রহণ করবে।
- পুনরায় তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২১.
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা কে?  ‍[জানুয়ারি,২০২৬]
  1. আদিলুর রহমান খান
  2. ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
  3. আহসান এইচ মনসুর
  4. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
সঠিক উত্তর:
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের  অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ।

• অন্তর্বতী সরকারের উপদেষ্টা:

- অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
• ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ- অর্থ মন্ত্রণালয় ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
• ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
• আসিফ নজরুল: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়,
-  প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় 
• মোঃ তৌহিদ হোসেন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- আদিলুর রহমান খান: শিল্প মন্ত্রণালয় ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
• মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান: 
- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়,
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
- রেলপথ মন্ত্রণালয়।

উৎস: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

২২.
স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ স্তর- 
  1. জেলা পরিষদ 
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. থানা পরিষদ
  4. ইউনিয়ন পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা

- স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ স্তর- ইউনিয়ন পরিষদ।

• স্থানীয় সরকার:

- স্থানীয় সরকার হলো রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বিভক্ত করা ক্ষুদ্রতর শাসন কাঠামো।
- এটি হল কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত ও সহায়ক অংশ।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্থানীয় প্রশাসন কেন্দ্রিয় সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, এবং ইউনিয়ন পরিষদ।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
- ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।

উলেখ্য,
- শহরে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৩.
বাংলাদেশে বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ড. সিরাজুল আলম
  2. এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন
  3. বেগম তাহমিদা আহমদ
  4. মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার
সঠিক উত্তর:
এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন
ব্যাখ্যা

প্রধান নির্বাচন কমিশনার:
- নির্বাচন কমিশনার সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার সহ অনধিক চারজন কমিশনার মিলে মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। [জানুয়ারি, ২০২৬]
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ পাঁচ বছর।
- বাংলাদেশে প্রথম নির্বাচন কমিশনার: বিচারপতি এম.ইদ্রিস।

উল্লেখ্য, 
- অপর চারজন সহকারী কমিশনার:
- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো: সানাউল্লাহ
- বেগম তাহমিদা আহমদ,
- জনাব আব্দুর রহমানেল মাছউদ,
- মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

২৪.
দেশের সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

 - সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে।

গণভোট:

- বাংলাদেশে ৩ বার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- এর মধ্যে ২ বার অনুষ্ঠিত হয় প্রশাসনিক গণভোট।
- এবং ১ বার অনুষ্ঠিত হয় সাংবিধানিক গণভোট।

• প্রথম গণভোট:
- প্রশাসনিক গণভোট হয় ১৯৭৭ সালে।
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসন কার্যের বৈধতা দান।
- ফলাফল ৯৮.৮০% 'হ্যাঁ' ভোট।

• দ্বিতীয় গণভোট: 
- প্রশাসনিক গণভোট ১৯৮৫ সালে।
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সমর্থন যাচাইয়ের লক্ষ্যে হ্যাঁ-না ভোট।
- ফলাফল ৯৪.১৪% হ্যাঁ ভোট।

• তৃতীয় গণভোট:
- সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে।
- এটি সর্বশেষ গনভোট।
- সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।
- ফলাফল ৮৪.৩৮% হ্যাঁ ভোট।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র,  এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
বাংলাদেশের কয়টি জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে? 
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ১টি
  4. ২টি 
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বাংলাদেশের ৩টি জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- ৩০০নং আসন হলো বান্দরবান।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।