পরীক্ষা আর্কাইভ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]

পরীক্ষাউপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১ বিষয়: কৃষি (টেকনিক্যাল) টপিক: ১. বাংলাদেশের কৃষি পরিচিতি ২. মৃত্তিকা বিজ্ঞান ৩. কৃষি ও পরিবেশবিজ্ঞান। [সকলের জন্য ফ্রি]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের কৃষির প্রধান উপখাত কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
কৃষির উপখাত:
- বাংলাদেশের কৃষির ৪টি উপখাত রয়েছে।
- যথা:
• শস্য ও শাকসবজি,
• প্রাণি সম্পদ,
• বনজ সম্পদ,
• মৎস সম্পদ।

⇒ এই উপখাত গুলোর আরো ভাগ রয়েছে।
- যেমন- মৎস্য সম্পদের অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক উৎস রয়েছে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
.
ভূত্বকের কোন স্থানের মৃত্তিকা প্রধানত কয়টি উপাদানের যুগপৎ ক্রিয়ার ফলে গঠিত?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৩টি
ব্যাখ্যা
মৃত্তিকার গঠন:
- কঠিন শিলা থেকে বিভিন্ন পরিবর্তনের মাধ্যমে মৃত্তিকার সৃষ্টি হয়।
- শিলা থেকে প্রথমে খনিজের সৃষ্টি হয়।
- শিলা ও খনিজ থেকে মাটি সৃষ্টি হতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়।
- দীর্ঘ সময় ব্যাপিয়া শিলা ও খনিজের উপর বিভিন্ন ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক পরিবর্তন সাধিত হয়ে মৃত্তিকায় পরিণত হয়।

⇒ বিশেষ করে তাপমাত্রা, বারিপাত, বিভিন্ন রকমের উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর চলমান ক্রিয়ায় শিলা ও খনিজ নির্দিষ্ট সময় পর মৃত্তিকায় পরিণত হয়।
- সুতরাং যেসব উপাদান নতুন মৃত্তিকা গঠনের জন্য দায়ী তাদেরকে মৃত্তিকা গঠনের উপাদান বলে।

⇒ ভূত্বকের কোন স্থানের মৃত্তিকা প্রধানত পাঁচটি উপাদানের যুগপৎ ক্রিয়ার ফলে গঠিত হয়।
- এ পাঁচটি উপাদান হলো:
১. মৃত্তিকার উৎস বস্তু (Parent material),
২. জলবায়ু (Climate),
৩. জীবসত্ত্বা (Biosphere),
8. ভূমির বন্ধুরতা (Topography),
৫. সময় (Time)। 

উৎস: মৃত্তিকা বিজ্ঞান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কৃষির প্রধান উপাদান কী?
  1. পানি
  2. আপেক্ষিক আর্দ্রতা
  3. তাপমাত্রা
  4. মাটি
ব্যাখ্যা
কৃষি:
- আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি।
- কৃষির প্রধান উপাদান হল মাটি।
- তাছাড়া আরোও অনেক উপাদান যা কৃষির উৎপাদনের সাথে জড়িত যেমন: পানি, তাপমাত্রা, আপেক্ষিক আর্দ্রতা ইত্যাদি কৃষি উপাদানের অন্তর্ভুক্ত।
- বিজ্ঞানের যে শাখায় কৃষির উৎপাদন প্রযুক্তি ও কৃষি বিষয় সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়াদি জানা যায় তাকে কৃষি শিক্ষা বলে। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ।
- কৃষি কর্মকান্ডকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে দেশজ অর্থনীতি।
- বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের মূল উপাদান হল কৃষি।
- দেশের প্রায় শতকরা ৭০-৮০ ভাগ লোক গ্রামে বাস করে এবং তারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সাথে যুক্ত।
- দেশের মোট রপ্তানিতে কৃষিজাত পণ্য যেমন- কাঁচাপাট, পাটজাত দ্রব্য, চিংড়ি চামড়া ও চা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের মাটিতে কোন মৌসুমে লবণাক্ততা বেড়ে যায়?
  1. বর্ষা মৌসুমে
  2. শুষ্ক মৌসুমে
  3. সারা বছর
  4. উপরের কোনটিইই নয়
ব্যাখ্যা
ফসল উৎপাদনে লবণাক্ততা বৃদ্ধির প্রভাব:
- বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় নদ-নদীর পানি প্রবাহ শুকনো মৌসুমে স্বাভাবিক মাত্রায় থাকেনা।
- ফলে নদীর পানির বিপুল চাপের কারণে সমুদ্রের লোনা পানি যতটুকু এলাকা জুড়ে আটকে থাকার কথা ততটুকু থাকেনা, পানির প্রবাহ কম থাকার কারণে সমুদ্রের লোনা পানি স্থলভাগের কাছাকাছি চলে আসে।
- ফলে লবণাক্ততা বেড়ে বেড়ে যায় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিপুল এলাকায়।

⇒ লোনা পানির অনুপ্রবেশ বাংলাদেশের একটি মারাত্মক সমস্যা।
- গবেষণায় দেখা গেছে যে, একটা সময় পরে আমাদের দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলো সমুদ্রে বিলীন হয়ে যাবে এবং লবণাক্ত হয়ে পড়বে।
- ফলে সেখানে স্বাভাবিক ফসল ফলানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।
- সাম্প্রতিক সময়ে মৃত্তিকা সম্পদ গবেষণা ইনষ্টিটিউট এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, দেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ১০ লাখ হেক্টর জমি ফসল চাষের উপযুক্ততা হারিয়েছে, ভবিষ্যতে লবণাক্ত অঞ্চলের পরিমান আরও বাড়বে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কৃষি জলবায়ু নিচের কোনটি উৎপাদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত?
  1. ফসল উৎপাদন
  2. পশুপাখি উৎপাদন
  3. মৎস্য উৎপাদন
  4. ক, খ ও গ
ব্যাখ্যা
কৃষি জলবায়ু:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের ঋতুচক্র বদলে যাচ্ছে।
- এর নেতিবাচক প্রভাব দেশের কৃষি উৎপাদনের ওপরে পড়তে শুরু করেছে।
- খরাসহ বিভিন্ন কারণে দেশে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দিনে দিনে নিম্নমুখী হয়ে সেচ কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে।
- এর ফলে বিভিন্ন কৃষির উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

⇒ ফসল উৎপাদন:
- জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব দেশে ফসল উৎপাদন ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
- দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি ছাড়া ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্রের আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে।
- ফলে অতিবৃষ্টি, অসময়ে বৃষ্টি, বন্যা, তীব্র খরা, নদীর নাব্যতা সংকট, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি সমস্যা দিন দিন প্রকট হচ্ছে।
- এর সবগুলোই কৃষি খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাবফেলছে।

⇒ মৎস্য উৎপাদন:
- আধুনিক পদ্ধতিতে পরিকল্পিতভাবে মৎস্য চাষের ফলে সামুদ্রিকভাবে মৎস্য উৎপাদন মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয় বৃদ্ধি পেলেও বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতার কারণে প্রবৃদ্ধি কাঙ্খিত পর্যায়ে ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
- এসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যে রয়েছে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, খরা, বন্যা সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদিজনিত জলবায়ু পরিবর্তন। 

⇒ পশুপাখি উৎপাদন:
- বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও মানুষ কর্তৃক পরিবেশ ধ্বংসই জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ।
- বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যেমন:- জলোচ্ছ্বাস, সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়, প্রবল বায়ুপ্রবাহ, বন্যা ও খরা প্রভৃতি কারণে পশুপাখির ব্যাপক ক্ষতি হয়। আর জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিনিয়তই এদেশে আঘাত হানছে।
- ফলে খামারি বা কৃষকরা অর্থনেতিকভাবে লাভবান হতে পারছে না। 
- মৃত পশুপাখির কারণে পরিবেশেরও দুষণ ঘটে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
যে সমস্ত ফসল ভূনিম্নস্থ কান্ড বা মূলের জন্য চাষ করা হয় তাদের ফলনের উপযোগী মৃত্তিকা কণা কোনটি?
  1. কর্দম কণা
  2. পানি কণা
  3. বালু কণা
  4. কোলয়ডাল কণা
ব্যাখ্যা
বালু কণা (Sand particles):
- বালু কণায় সাধারণতঃ নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ পরিলক্ষিত হয়:
১। বালুকণা স্বল্প ক্ষয়ীভূত শিলাদ্রব্যের ক্ষুদ্রাকার চূর্ণ এবং ইহাতে উদ্ভিদের জন্য অত্যাবশকীয় খাদ্যোপাদান থাকে না বললেই চলে।
২। কণাগুলো সহজে একটা আর একটার সাথে লেগে থাকে না।
৩। এদের দ্বারা গঠিত রন্ধগুলো বড় হওয়ায় বায়ু ও পানি সহজেই চলাচল করতে পারে।
৪। ইহাদের জৈব ও অজৈব পদার্থের ধারন ক্ষমতা কম।
৫। এরা ভূমিক্ষয় ত্বরান্বিত করে এবং মরুভূমি গঠনে সহায়তা করে।
৬। যে সমস্ত ফসল ভূনিম্নস্থ কান্ড বা শিকড়ের জন্য চাষ করা হয় বা গভীরমূলী, সেগুলো বেলে মাটিতে ভাল হয়। যেমন: গোলআলু, মিষ্টি আলু প্রভৃতি।
৭। এদের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল খুবই কম।
৮। এদের ক্যাটায়ন বিনিময় ক্ষমতা (CEC) ০-৫ m.e./১০০ গ্রাম মাটি।
৯। এদের কণার ব্যাস ২.০০-০.০২ মিলিমিটার।

উৎস: মৃত্তিকা বিজ্ঞান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কৃষি উন্নয়নে সরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের নাম কী?
  1. পিআরএসপি
  2. এসএফডিএফ
  3. পিকেএসএফ
  4. পিডিবিএফ
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন:
- কৃষি উন্নয়নে সরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পেন নাম এসএফডিএফ বা Small Farmers Development Foundation বা ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৯৭৫-১৯৭৬ অর্থবছরে কুমিল্লা, বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলার ৩টি সদর থানায় পরীক্ষামূলকভাবে 'ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমিহীন শ্রমিক উন্নয়ন প্রকল্প' কার্যক্রম শুরু করা হয়।
- ১৯৮৮ হতে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার ১১টি উপজেলায় প্রকল্পটির কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়।
- জুন ১৯৯১ সালে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের বাস্তবায়ন সমাপ্ত হয়।
- ১৯৯১-৯৬ মেয়াদে প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়ন হয়।
- দায়দেনাসহ (with assets and liabilities) ১৯৯৪ প্রকল্পটিকে মেয়াদ সমাপনান্তে বিদ্যমান সম্পদ ও সালের কোম্পানী আইনের ২৮ ধারার বিধানমতে যৌথ মূলধন কোম্পানী ও ফার্ম সমূহের পরিদপ্তর হতে নিবন্ধন গ্রহণের মাধ্যমে “ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (Small Farmers Development Foundation)” নামে একটি লিমিটেড কোম্পানীতে রূপান্তর করা হয় ৷

অন্যদিকে,
- পিডিবিএফ হলো পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন।
- পিকেএসএফ হলো পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন। 
- পিআরএসপি হলো দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
আমাদের দেশে কোন সময় রুই জাতীয় মাছ হালদা নদীতে ডিম পাড়ে?
  1. বর্ষাকালে
  2. বৈশাখ মাসে প্রচন্ড গরমের পর ভারী বৃষ্টি হলে
  3. ভাদ্র মাসে প্রচন্ত গরমের সময়
  4. শীতের প্রারম্ভে
ব্যাখ্যা
আভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনের প্রভাব:
• বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় নদ-নদীর নাব্যতা কমে যাচ্ছে ফলে একদিকে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র কমে যাচ্ছে এবং অন্যদিকে প্রজননক্ষম মাছ সহজে ধরা পড়ায় নদীতে মাছের উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে এবং জীব বৈচিত্র নষ্ট হচ্ছে।
• সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে উপকূলীয় এলাকার স্বাদু পানির মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র কমে যাচ্ছে।
• অনিয়মিত ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে আমাদের দেশে এপ্রিল মে মাসে আভ্যন্তরীণ জলাশয়ে দেশীয় ছোট মাছের প্রজনন ব্যহত হচ্ছে।
• বৈশাখ মাসে বাংলাদেশে প্রচন্ড গরমের পর ভারী বৃষ্টি শুরু হলে রুই জাতীয় মাছ হালদা নদীতে ডিম পাড়ে।
- কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে একদিকে ডিমের পরিপক্কতার সময় এগিয়ে আসছে অন্যদিকে বৃষ্টিপাতে দেরি হওয়ায় মাছের শরীরবৃত্তীয় অবস্থায় পরিবর্তনে মাছের ডিম পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে।

এছাড়াও,
⇒ মাছ চাষ ও পোনা উৎপাদনে প্রভাব:
১। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে আমাদের দেশে মৌসুমী পুকুরগুলোতে পোনা অবমুক্তকরণ দেরিতে হয়।
- অন্যদিকে দ্রুত পুকুর শুকিয়ে যাওয়ায় মৎস্য চাষের সময়কাল কমে যায় এবং মাছের আকার ছোট হয়।
২। তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও কম বৃষ্টিপাতের ফলে প্রজনন অনুকূল পরিবেশের অভাবে হ্যাচিরিতে মাছের কৃত্রিম প্রজনন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে পুকুরের পানির গভীরতা কমে যাওয়ায় মাছ সহজে রোগাক্রান্ত হচ্ছে এবং মাছের মৃত্যুহার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৩। ঘন ঘন আকস্মিক বন্যা, সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাস হওয়ার কারণে মৎস্য পুকুর ও ঘের ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় মৎস্য চাষে খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৪। পুকুরের পানির স্বাভাবিক গভীরতা ধরে রাখার জন্য চাষীকে পুকুরে পানি সরবরাহের জন্য বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আয়তন অনুসারে কৃষি মাটিতে খনিজ উপাদানের গড় পরিমাণ কত?
  1. ৪০%
  2. ৪৫%
  3. ৫০%
  4. ৫৫%
ব্যাখ্যা
মৃত্তিকা গঠনকারী উপাদান:
- মৃত্তিকা একটি নিয়ত পরিবর্তনশীল প্রাকৃতিক মিশ্র পদার্থ।
- ক্ষয়ীভূত শিলা ও খনিজের সাথে জৈব পদার্থ এবং পানির মিশ্রণে মৃত্তিকা সৃষ্টি হয়।

• যে কোন মৃত্তিকা প্রধানত চারটি উপাদান নিয়ে গঠিত।
১। খনিজ দ্রব্য (Mineral matter),
২। জৈব দ্রব্য (Organic matter),
৩। পানি বা জলীয় অংশ (Water),
৪। বায়ু (Air)। 

⇒ খনিজ দ্রব্য (Mineral matter):
- আয়তন ও ওজন ভিত্তিতে মৃত্তিকায় খনিজ দ্রব্যের শতকরা গড় পরিমাণ যথাক্রমে ৪৫ ও ৭৩ ভাগ।
- মাটিতে খনিজ দ্রব্যের আকার বড় হলে এবং নুড়ি বা স্কুল বালিকণার পরিমাণ বাড়লে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা কমে যায়।
- খনিজ দ্রব্য মৃত্তিকায় উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদানের ভাণ্ডার।
- খনিজ দ্রব্যের বৈশিষ্ট্যের ওপর তা নির্ভরশীল।
- পাথর খন্ড, বালি কণা, পলি কণা ও কর্দম কণা সমন্বয়ে মৃত্তিকা খনিজ দ্রব্য গঠিত।

উৎস: মৃত্তিকা বিজ্ঞান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
বাংলাদেশের কৃষি পরিবেশ অঞ্চল কয়টি?
  1. ২৩টি
  2. ১২টি
  3. ৩৩টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা
মাটির বৈশিষ্ট্য:
- মাটির বৈশিষ্ট্য বলতে মাটির শ্রেণি, জৈব পদার্থের মাত্রা, পটাশজনিত খনিজের মাত্রা ও অম্লমানমাত্রা এবং মাটির বন্ধুরতাকে বোঝায়।
- মাটির প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে ত্রিশটি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।
- কোনো একটি কৃষি পরিবেশ অঞ্চল প্রকৃতপক্ষে সে অঞ্চলের মাটির প্রতিনিধিত্ব করে।
- কৃষি কর্মকান্ডের জন্য সবচেয়ে বড় কাজ হলো মাটির বৈশিষ্ট্য ও বন্ধুরতা অনুযায়ী ফসল নির্বাচন করা।
- মাটির বৈশিষ্ট্যভিত্তিক ফসল কৃষি কাজের একটি অত্যাবশ্যক প্রযুক্তি।
- এই প্রযুক্তি যত নিখুঁতভাবে ব্যবহার করা যাবে কৃষি কাজের ফলাফলও তত বেশি লাভজনক হবে।

⇒ মাটির গঠন ও প্রকৃতি অনুযায়ী ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলকে নিম্নোক্ত ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়।
১। দোআঁশ ও পলি দোআঁশ মাটি অঞ্চল,
২। কাদা মাটি অঞ্চল,
৩। বরেন্দ্র অঞ্চল ও মধুপুর অঞ্চল,
৪। পাহাড়ি ও পাদভূমি অঞ্চল,
৫। উপকূলীয় অঞ্চল।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
কোন পানি গাছ সহজে গ্রহণ করতে পারে?
  1. মহাকর্ষীয় পানি
  2. জলাকর্ষী পানি
  3. কৈশিক পানি
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
মাটিতে রন্ধ্র:
- মাটিতে দুই প্রকার রন্ধ্র থাকে:
• সূক্ষ্ম রন্ধ্র ও
• স্থূল রন্ধ্র। 

⇒ মাটির রন্ধ্র পরিসরে যে পানি থাকে তাকে মৃত্তিকা পানি বলে।
- পানি একটি সার্বজনীন দ্রাবক যাতে উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান দ্রবীভূত থাকে।
- পানি মাটি থেকে উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের বাহক হিসেবে কাজ করে।

⇒ মৃত্তিকা পানি প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
• মহাকর্ষীয় পানি,
• কৈশিক পানি ও,
• জলাকর্ষী বা আদ্রিক পানি।
- কৈশিক পানি গাছের গ্রহণ উপযোগী পানি।

⇒ ফসলের বৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য জমি বা মাটির কোন ক্ষতি সাধন না করে কৃত্রিম উপায়ে প্রয়োজনীয় পরিমান পানি ফসলের জমিতে সরবরাহ করাকে পানি সেচ বলে।
- সেচের পানি মাটির খাদ্য উপাদান দ্রবীভূত করে এবং গাছের জন্য সহজলভ্য করে।
- জমির জো অবস্থা আনতে, জমির লবনাক্ততা, ক্ষারত্ব দূর করতে, অনুজীবের কার্যাবলি বাড়াতে, সারের কার্যকারিতা বাড়াতে সেচ প্রয়োজন।
⇒ সেচের পানির দুইটি উৎস রয়েছে:
• ভূ-পৃষ্ঠস্থ ও,
• ভূ-গর্ভস্থ পানি।
- মাটির উর্বরতা ও ফসল উৎপাদন সেচের পানির গুণাগুণের উপর অনেকটা নির্ভরশীল।
- ফসলের পানির ন্যূনতম চাহিদা হল যে পরিমাণ পানি গ্রহণ করতে না পারলে ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যহত হয়।
- আবার ফসলের যে বৃদ্ধি পর্যায় পানির অভাব হলে ফলন মারাত্মকভাবে কমে যায় তাকে ফসলের পানির ক্রান্তিকাল বলে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. ময়মনসিংহ
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট:
- মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ১৯৮৩ সালে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট নামে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে।
- এর প্রধান কার্যালয়: মৃত্তিকা ভবন, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকা।
- প্রতিষ্ঠান-এর প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- এ প্রতিষ্ঠানে ২টি উইং, ২টি বিভাগ, প্রশাসন, কার্টোগ্রাফী, ডাটা প্রসেসিং অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকেল এন্ড আইসিটি এবং পাবলিকেশন অ্যান্ড রেকর্ড শাখাসহ ৯টি শাখা, ৭টি বিভাগীয় কার্যালয়, ৩৩টি আঞ্চলিক  কার্যালয়, ৭টি ভিাগীয় গবেষণাগার, ১৬টি আঞ্চলিক গবেষণাগার এবং ২টি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। 

⇒ এর উদ্দেশ্য যথাযথ এবং টেকসই ভূমি ও মৃত্তিকা (বাংলাদেশের প্রধান সম্পদ) ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ বান্ধব কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং সকলের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

উৎস: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৩.
মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ কত?
  1. শতকরা ৪৫ ভাগ
  2. শতকরা ৫ ভাগ
  3. শতকরা ৮৮ ভাগ
  4. শতকরা ৮ ভাগ
ব্যাখ্যা
মাটির বুনট:
- বিভিন্ন ধরনের মাটির কণার আপেক্ষিক অনুপাতকে মাটির বুনট বলে।
- মাটির কণা বলতে বালি, পলি, কর্দম কণাকে বুঝায়।

⇒ মাটির বর্ণ লাল হলে, এই মাটিতে লোহার পরিমাণ বেশি ও আঠালো বর্ণ কালো হলে বুঝতে হবে জৈব পদার্থের পরিমাণ বেশি।
- বালি মাটি অধিক তাপ শোষণ করতে পারে ইত্যাদি।

⇒ মাটি সবচেয়ে বেশি কৃষি কাজে ব্যবহৃত হয়।
- মাটির উর্বরতা, দ্রবণ, অম্লত্ব, ক্ষারত্ব, লবণাক্ত ইত্যাদি মাটির রাসায়নিক ধর্ম।
- মাটিতে যে সকল রাসায়নিক পদার্থ বিদ্যমান থাকে তাকে মাটির রাসায়নিক উপাদান বলে।
- মাটিতে সবচেয়ে বেশি থাকে সিলিকন ও এলুমিনিয়াম অক্সাইড যার পরিমাণ ৮৮% ভাগ, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইডের পরিমাণ ৭% ভাগ, এবং জৈব পদার্থের পরিমাণ ৫% ভাগ আর এসব মিলে মাটিতে বিদ্যমান থাকে ১০০% ভাগ।

⇒ মাটিস্থ রাসায়নিক উপাদান পানিতে দ্রবীভূত হয়ে মাটির দ্রবণ তৈরি হয়।
- এ দ্রবণে কোলয়েড ও হিউমাস মিশ্রিত থাকে যা মাটির উর্বরতা বাড়ায়।
- মাটির দ্রবণের ঘনত্ব শতকরা ০.৫ ভাগের বেশি হলে শস্য তা গ্রহন করতে পারে না।

উৎস: পরিবেশ শিক্ষা- বিজ্ঞান ১২৬, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
বাংলাদেশের কৃষির প্রাকৃতিক সম্পদ ভিত্তি প্রধানত -
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
কৃষির প্রাকৃতিক সম্পদ ভিত্তি:
- বাংলাদেশের কৃষির প্রাকৃতিক সম্পদ ভিত্তি প্রধানত: তিন প্রকার-জমি, জল ও জলবায়ু।
- কৃষি উৎপাদন যেহেতু প্রধানত: একটি প্রাকৃতিক জীবন প্রক্রিয়া সেজন্য এর গতি প্রকৃতি সংশ্লিষ্ট দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ভিত্তির উপর গভীরভাবে নির্ভরশীল।

⇒ ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপের কারণে আবাদযোগ্য মোট জমি ক্রমশ: কমবে, বাড়বে না।
- ফলে বর্ধিত জনসংখ্যার চাহিদা মিটানোর জন্য একই জমিতে ক্রমাগত অধিকতর খাদ্যশস্য উৎপাদন করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।
- এর একটি পদ্ধতি হচ্ছে জলসেচের দ্বারা এক ফসলী জমিকে দুই ফসলী এবং দুই ফসলী জমিকে তিন ফসলী জমিতে রূপান্তরিত করা।

⇒ সাধারণভাবে বাংলাদেশের জলসম্পদের অভাব নেই।
- বস্তুত: বাংলাদেশকে বলাই হয় নীদমাতৃক বাংলাদেশ।
- কিন্তু লক্ষ্যণীয় যে, মৌসুম ভেদে এই জলসম্পদের ভূমিকা বদলে যায়।
- বর্ষা মৌসুমে জলসম্পদের আধিক্য বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি করে এবং শুল্ক মৌসুমে প্রয়োজনের তুলনায় সহজলভ্য পানির অভাব দেখা যায়।
- তবে ভূগর্ভের পানি ঠিকমত ব্যবহার করলে এমনকি শুষ্ক মৌসুমেও বাংলাদেশের শতকরা আশি ভাগ আবাদী জমিকে জলসেচের অধীনে আনা সম্ভব।

⇒ ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপের কারণে বাংলাদেশে নানারকম পরিবেশগত দূষণ সৃষ্টি হচ্ছে।
- এর মধ্যে কৃষি সংশ্লিষ্ট উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া বা পরিবেশ দূষণগুলো হচ্ছে-জমির উর্বরতা হ্রাস, পানির দূষণ, বন-উজাড়, পশুখাদ্যের অভাব মাছের অভাব ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশের অর্থনীতি, এস.এস.এইচ.এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান -
  1. ক্রমহ্রাসমান
  2. ক্রমবর্ধমান
  3. স্থিতিশীল
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান:
- কৃষিখাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষিখাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

⇒ স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান:
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে: ১৩.৬২ শতাংশ,
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে: ১৩.১৪ শতাংশ,
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে: ১২.৫৬ শতাংশ,
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে: ১২.৫২ শতাংশ,
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে: ১২.০৭ শতাংশ,
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরে: ১১.৫০ শতাংশ।
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে: ১১.২০ শতাংশ।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে: ১১.০২ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- জিডিপিতে সবচেয়ে ছোট খাত কৃষিখাত।
- আবার কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।