পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৮ টপিক: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, সোশাল নেটওয়ার্কিং ও তথ্য প্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান, ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার অপরাধ ও নিরাপত্তা [ক্লাস ১৭, ১৮, ১৯ ও ২০]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং- এর প্রোভাইডার নয়?
  1. Amazon Web Service
  2. Microsoft Azure
  3. Oracle Cloud
  4. CorelDRAW
ব্যাখ্যা
• CorelDRAW ক্লাউড কম্পিউটিং- এর প্রোভাইডার নয়।
- CorelDRAW গ্রাফিক্স ডিজাইনের সফটওয়্যার।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:

- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS),
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service-PaaS),
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a service-SaaS)।

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. পাবলিক ক্লাউড,
২. প্রাইভেট ক্লাউড,
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

• কয়েকটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রোভাইডার:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP),
- IBM Cloud,
- Oracle Cloud, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
মডেমের কোন অংশ অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে থাকে?
  1. এনকোডার
  2. ডি-মডুলেটর
  3. মডুলেটর
  4. গেটওয়ে
ব্যাখ্যা
• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।

• মডেমের দুটি অংশ। যথা:
১. মডুলেটর (Modulator) ও
২. ডি-মডুলেটর (De-modulator)।

• মডুলেটর:
- মডেম মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।

• ডি-মডুলেটর:
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।
- বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। যেমন- 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ভিন্ন ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
টেম্পোরারি ফাইল এবং কুকিজ কোথায় জমা হয়?
  1. ক্যাশ মেমোরিতে
  2. র‍্যাম
  3. রম
  4. হার্ডডিস্কে
ব্যাখ্যা
• টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ ক্যাশ মেমোরিতে জমা হয়।

• কুকিজ (Cookies):
- Internet Information File Cookies এর কাজ হলো ব্রাউজিং তথ্য ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা।
- Internet Information File Cookies হলো এক ধরনের টেক্সট ফাইল যেগুলো কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর ব্রাউজার ডাইরেক্টরীতে সংরক্ষণ করা হয় যখন কোনো ব্যবহারকারী সেই ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে।
- এটি একটি ওয়েবসাইটকে তাদের নিজস্ব কম্পিউটারে ব্যবহারকারী সম্পর্কে নিজস্ব তথ্য সংরক্ষণ করতে দেয় যাতে যখনই আবার সেই সাইটে যাওয়া হয় তখন ব্যবহারকারীকে সহজেই সনাক্ত করা যায় এবং এটি ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- যখন একজন ব্যবহারকারী একটি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেন, ওয়েবসাইটটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কে ভিজিট সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক তথ্য সংরক্ষণ করে।
- ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারে কাজের গতি হ্রাস পায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
LAN-এ সাধারণত কোন ধরনের টপোলজি ব্যবহার করা হয়?
  1. স্টার টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• LAN এর ক্ষেত্রে রিং, স্টার এবং বাস টপোলজি ব্যবহার করা হয়।

• LAN:
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারসমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি। তাই টপোলজিকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network-LAN)-এর সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- রিপিটার ব্যবহার করে এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি. করা যায়।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- ল্যানের আইইইই স্ট্যন্ডার্ড: IEEE 802.
- স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাস, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসে LAN নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা-
১. সীমিত দূরত্বের মধ্যে এর কার্যক্রম সীমাবদ্ধ।
২. শ্রেণী সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত হয়।
৩. ছোট এলাকার মধ্যে এই নেটওয়ার্ক সহজেই তৈরি করা যায়।
৪. বিভিন্ন অফিসের কাজে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য ল্যান সবচেয়ে ভালো।
৫. নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ সহজ।
৬. খরচ কম হয়।
৭. ব্যবহার করা সহজ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
NIC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Network Interface Controller
  2. Network Integrated Card
  3. Network Interface Card
  4. Network Internet Connector
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড:
- NIC এর পূর্ণরূপ হলো Network Interface Card.
- নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড/ ল্যানকার্ড/নেটওয়ার্ক এডাপ্টার হলো একটি প্লাগ-ইন কার্ড, যা কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করে।
- নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত এক ডিভাইস থেকে আরেক ডিভাইসে ডেটা পাঠাতে বা গ্রহণ করতে ল্যান কার্ডের প্রয়োজন হয়।
- LAN কার্ড অন্য নাম Network Interface Card (NIC)।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক,
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
কোন নেটওয়ার্ককে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক বলা হয়?
  1. Client-Server Network
  2. Peer to Peer Network
  3. Hybride Network
  4. Personal Network Area
ব্যাখ্যা
• Client-Server Networkনেটওয়ার্ককে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক বলা হয়।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর অবকাঠামোগত সেবায় একজন গ্রাহক নিচের কোন রিসোর্সটি ভাড়া নিতে পারে?
  1. নেটওয়ার্ক
  2. সিপিইউ
  3. স্টোরেজ
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাহিরের আক্রমণ থেকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক রক্ষার্থে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ফায়ারওয়াল
  2. এক্সেস পয়েন্ট
  3. রাউটার
  4. ম্যালওয়ার
ব্যাখ্যা
• বাহিরের আক্রমণ থেকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক রক্ষার্থে ফায়ারওয়াল ব্যবহৃত হয়।

• ফায়ারওয়াল:

- Unauthorized ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall)ব্যবহার করা হয়।
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।