পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪২: বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটারের ইতিহাস ও বিবর্তন। ২. কম্পিউটারের প্রকারভেদ ও এমবেডেড (Ambeded) কম্পিউটার। ৩. কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম: কম্পিউটার সিস্টেম সম্পর্কে ধারণা ব্যবহার, মাদারবোর্ড ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটার প্রোগ্রাম ও সফটওয়্যার: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস ইত্যাদি। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
কোন OS টি মাল্টি-ইউজার অ্যাক্সেস সাপোর্ট করে, যার ফলে এটি সিঙ্গল-ইউজার OS নয়?
  1. Ubuntu
  2. MS-DOS
  3. IBM OS/2
  4. CP/M
ব্যাখ্যা
• উবুন্টু (Ubuntu) একটি মাল্টি-ইউজার অপারেটিং সিস্টেম, যার মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একই সাথে বা বিভিন্ন সময়ে তাদের নিজ নিজ অ্যাকাউন্টে লগইন করে সিস্টেম ব্যবহারের সুযোগ পায়। এটি ইউনিক্স-ভিত্তিক লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন হওয়ায়, মাল্টি-ইউজার পরিবেশে নিরাপত্তা, রিসোর্স ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবহারকারী অধিকার নিয়ন্ত্রণে খুব কার্যকর। অন্যদিকে, MS-DOS, IBM OS/2 ও CP/M মূলত সিঙ্গল-ইউজার অপারেটিং সিস্টেম, যা একই সময়ে কেবল একজন ব্যবহারকারীর কাজ পরিচালনার জন্য উপযোগী।
- ফলে, সঠিক উত্তর হলো: ক) Ubuntu - এটি মাল্টি-ইউজার সাপোর্ট করে, তাই সিঙ্গল-ইউজার OS নয়।


• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- CP/M,
- Symbian OS,
- Palm OS,
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- Windows NT Server,
- Android,
- Windows 2003/2008 Server,
- Unix,
- Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
PCIe চালু হওয়ার পূর্বে মাদারবোর্ডে গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য কোন স্লট ব্যবহার করা হতো?
  1. IDE
  2. FireWire
  3. SATA
  4. AGP
ব্যাখ্যা
• PCIe (Peripheral Component Interconnect Express) চালু হওয়ার পূর্বে মাদারবোর্ডে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগের জন্য AGP (Accelerated Graphics Port) স্লট ব্যবহার করা হতো। এটি ইন্টেল ১৯৯৭ সালে চালু করে এবং AGP বিশেষভাবে গ্রাফিক্স কার্ডের উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ডিজাইন করা হয়। AGP স্লট PCI-এর তুলনায় অধিক ব্যান্ডউইথ ও সরাসরি প্রসেসরের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা প্রদান করত, যা গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স উন্নত করত। AGP 1x, 2x, 4x ও 8x গতির সংস্করণে পাওয়া যেত। পরে PCIe প্রযুক্তি আরও উন্নত ব্যান্ডউইথ ও মাল্টিপল লেন সমর্থনের মাধ্যমে AGP-কে প্রতিস্থাপন করে।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) AGP.

• Motherboard:
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের প্রধান ও কেন্দ্রীয় উপাদান, যা সিস্টেম ইউনিটের ভিতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের মূল প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডে স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" নামে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি অংশ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা এটিকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডের মর্যাদা দেয়।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI প্রভৃতি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড বেশ জনপ্রিয়।

মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. FreeBSD
  2. Notepad++
  3. Debian
  4. CentOS
ব্যাখ্যা
• উত্তর: খ) Notepad++
অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং কম্পিউটারের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। FreeBSD, Debian এবং CentOS - এই তিনটি হলো ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ইউনিক্স-ভিত্তিক বা লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম, যা সার্ভার ও ডেস্কটপে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু Notepad++ একটি টেক্সট এডিটর, যা শুধুমাত্র উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। এটি কোড লেখার জন্য একটি ইউজার-লেভেল সফটওয়্যার। তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: Notepad++ কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কার্যাবলি:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: এটি CPU-তে চলমান বিভিন্ন প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটি কম্পিউটারের RAM এবং অন্যান্য মেমোরির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল তৈরি, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা এবং অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- সিকিউরিটি ও এক্সেস কন্ট্রোল: ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার প্রদান করে।

অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:
1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Linux কোন ধরনের সফটওয়্যারের উদাহরণ?
  1. Open Source
  2. Malware
  3. Proprietary
  4. Firmware
ব্যাখ্যা
• লিনাক্স (Linux) একটি Open Source সফটওয়্যারের উদাহরণ। এটি একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যার সোর্স কোড ব্যবহারকারী বা ডেভেলপাররা দেখতে, পরিবর্তন করতে এবং বিতরণ করতে পারে। ওপেন সোর্স হওয়ায় লিনাক্সে নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব এবং স্বনির্ভরতার দিকগুলো অনেক উন্নত। ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টমাইজ করে বিভিন্ন ডিভাইস ও সার্ভারে এটি ব্যবহার করতে পারে। বর্তমানে লিনাক্স সার্ভার, সুপারকম্পিউটার, মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ভিত্তিক), এবং এমবেডেড সিস্টেমে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি মালওয়্যার, প্রোপাইটারী বা ফার্মওয়্যার নয়; বরং ফ্রি এবং ওপেন ডেভেলপমেন্ট মডেলের উদাহরণ।

• লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
CIH ভাইরাসকে কেন Spacefiller ভাইরাস নামেও ডাকা হয়?
  1. এটি ইউএসবি ডিভাইসে ডামি ডেটা দিয়ে দেয়
  2. এটি মেমোরি স্প্যাম প্রসেস দিয়ে দিয়ে পূর্ণ করে দেয়
  3. এটি ডিস্ক স্পেস জাঙ্ক ফাইল দিয়ে পূর্ণ করে দেয়
  4. এটি কোডের ফাঁকা জায়গাগুলো পূরণ করে যেন ধরা না পড়ে
ব্যাখ্যা
• CIH ভাইরাসকে Spacefiller ভাইরাস বলা হয় কারণ এটি কোডের ফাঁকা জায়গাগুলো পূরণ করে যাতে ভাইরাস ধরা না পড়ে। সাধারণত প্রোগ্রাম বা ফাইলের মধ্যে কিছু ফাঁকা বা আনইউজড স্পেস থাকে, যেখানে এই ভাইরাস নিজের কোড লুকিয়ে রাখে। এর ফলে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার সহজে এই ভাইরাসটি চিনতে পারে না, কারণ ভাইরাসটি ফাইলের আকার বা সামগ্রিক কাঠামো পরিবর্তন করে না। তাই CIH ভাইরাসকে Spacefiller ভাইরাস বলা হয়, কারণ এটি স্পেস বা ফাঁকা জায়গা পূরণ করার মাধ্যমে নিজেদের লুকিয়ে রাখে এবং শনাক্ত হওয়া কঠিন করে তোলে। 

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- CIH ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি এমবেডেড সিস্টেমের একটি বৈশিষ্ট্য?
  1. উচ্চ মেমোরি প্রয়োজন
  2. মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য তৈরি
  3. নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য ডিজাইনকৃত
  4. ঘন ঘন হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড সিস্টেম হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা নির্দিষ্ট একটি নির্দিষ্ট কাজ বা ফাংশন সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। এটি সাধারণত বিশেষায়িত এবং সীমিত সম্পদ সম্পন্ন হয়, যেমন কম মেমোরি এবং প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা। এমবেডেড সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য তৈরি, অর্থাৎ এটি মাল্টিটাস্কিং বা একাধিক কাজ একই সময়ে চালানোর জন্য নয়, বরং নির্দিষ্ট কাজটি দক্ষতার সঙ্গে সম্পাদন করার জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়। এমবেডেড সিস্টেমে হার্ডওয়্যার খুব ঘন ঘন পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় না, কারণ এটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের জন্য স্থিরভাবে ডিজাইন করা হয়। 

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope website.
.
কোন সফটওয়্যার ক্ষতিকারক প্রোগ্রামগুলি চিহ্নিত ও মুছে ফেলার কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. Quick Heal
  2. Chrome
  3. Blender
  4. WinRAR
ব্যাখ্যা
• ক্ষতিকারক প্রোগ্রামগুলি চিহ্নিত ও মুছে ফেলার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো Quick Heal। এটি একটি অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার ও মোবাইল ডিভাইসে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ট্রোজান, স্পাইওয়্যারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম শনাক্ত করে এবং সেগুলো দূর করে। Quick Heal ব্যবহার করলে সিস্টেম সুরক্ষিত থাকে এবং ডেটা হারানোর ঝুঁকি কমে। অন্যদিকে, Chrome হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, Blender একটি 3D গ্রাফিক্স সফটওয়্যার এবং WinRAR একটি ফাইল কমপ্রেস করার সফটওয়্যার, যেগুলো ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম শনাক্ত বা মুছে ফেলার কাজ করে না। তাই ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য Quick Heal সবচেয়ে উপযুক্ত।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:

- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. cobraantivirus website.
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
.
কোন অপারেটিং সিস্টেমটি তার গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস এবং চিত্র-ভিত্তিক ডিজাইনের জন্য পরিচিত?
  1. MAC OS
  2. DOS
  3. Unix
  4. MS-DOS
ব্যাখ্যা
• MAC OS অপারেটিং সিস্টেমটি তার গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস এবং চিত্র-ভিত্তিক ডিজাইনের জন্য পরিচিত। এটি একটি ইউজার-ফ্রেন্ডলি প্ল্যাটফর্ম যা সহজে ব্যবহারযোগ্য উইন্ডো, আইকন, এবং মেনু ভিত্তিক ইন্টারফেস প্রদান করে। MAC OS ব্যবহারকারীদের জন্য চিত্র, অডিও, এবং ভিডিও সংক্রান্ত কাজগুলোকে সহজ ও সৃজনশীলভাবে সম্পাদনা করার সুযোগ দেয়। অন্যদিকে, DOS, MS-DOS, এবং Unix প্রধানত কমান্ড লাইন ইন্টারফেস ভিত্তিক, যা গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসের তুলনায় ব্যবহার করতে কিছুটা কঠিন। সুতরাং, গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) এবং চিত্র-ভিত্তিক ডিজাইনের জন্য MAC OS সবচেয়ে পরিচিত।

• অপারেটিং সিস্টেম: 
কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System),
২। চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Graphics Based Operating Sysatem)।

- বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
Linux,Unix,MS-DOS, PC DOS, CP/M, ইত্যাদি।

- চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম
Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
.
উইন্ডোজ OS ইনস্টল করার সময় কোন ড্রাইভকে প্রধান হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এ ড্রাইভে OS টি দ্রুত কাজ করে?
  1. F Drive
  2. E Drive
  3. C Drive
  4. D Drive
ব্যাখ্যা
• উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার সময় সাধারণত C Drive-কে প্রধান (Primary) ড্রাইভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ উইন্ডোজ ডিফল্টভাবে C Drive-এ ইনস্টল হয় এবং এই ড্রাইভে সিস্টেম ফাইল, প্রোগ্রাম ফাইল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সংরক্ষণ করা হয়। C Drive-এ OS ইনস্টল করার ফলে সেটি দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে কাজ করে কারণ এটি হার্ডড্রাইভের প্রথম পার্টিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং অপারেটিং সিস্টেমের জন্য সর্বোত্তম পারফরম্যান্স দেয়। অন্য ড্রাইভ যেমন F, E, বা D সাধারণত ডেটা সংরক্ষণ বা অন্যান্য ফাইল রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সেগুলোতে OS ইনস্টল করা হয় না।
- তাই উইন্ডোজের জন্য C Drive প্রধান ড্রাইভ।

 
• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।

- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশগুলোর বড় অসুবিধা কোনটি ছিল?
  1. বড় আকার এবং বেশি বিদ্যুৎ খরচ
  2. মেমোরির ধারণক্ষমতা বেশী
  3. কম তাপ উৎপাদন
  4. ছোট আকার এবং কম খরচ
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশগুলোর প্রধান অসুবিধা ছিল তাদের বড় আকার এবং বেশি বিদ্যুৎ খরচ। এই কম্পিউটারগুলোতে বড় বড় ভ্যাকিউম টিউব ব্যবহার করা হত, যা অনেক জায়গা দখল করত এবং প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ করত। এছাড়া, এই যন্ত্রাংশগুলো বেশি তাপ উৎপাদন করত, যার ফলে সেগুলোকে শীতল রাখতে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নিতে হত। এর ফলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো অত্যন্ত জটিল এবং ব্যয়বহুল ছিল।
- তাই ‘ক) বড় আকার এবং বেশি বিদ্যুৎ খরচ’ হলো প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের বড় অসুবিধা।

 
• কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হতো এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন হতো।
- চালু অবস্থায় কম্পিউটার ঠাণ্ডা রাখতে মাঝে মাঝে ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করা হতো।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।

- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল।
- বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এসব কম্পিউটারের ব্যবহার ছিল খুবই সীমিত।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
কোনটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার নয়?
  1. LibreOffice Calc
  2. Google Sheets
  3. Microsoft Excel
  4. Adobe Photoshop
ব্যাখ্যা
• কোনটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার নয় তা বোঝার জন্য প্রথমে স্প্রেডশীট সফটওয়্যার কী তা বুঝতে হবে। স্প্রেডশীট সফটওয়্যার হল এমন একটি প্রোগ্রাম যা ডাটা টেবিল আকারে সাজিয়ে বিশ্লেষণ, হিসাব-নিকাশ এবং চার্ট তৈরি করতে সাহায্য করে। LibreOffice Calc, Google Sheets এবং Microsoft Excel এই তিনটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার, যা ডাটা ম্যানেজমেন্ট এবং হিসাবের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অন্যদিকে, Adobe Photoshop একটি গ্রাফিক ডিজাইন এবং ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার, যা স্প্রেডশীটের কাজ করে না। তাই, অপশন গুলোর মধ্যে Adobe Photoshop স্প্রেডশীট সফটওয়্যার নয়।


• স্প্রেডশিট: 
- স্প্রেডশিটের আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো বড় মাপের কাগজ, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব সংরক্ষণের জন্য এ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে কাগজের স্প্রেডশিটের স্থান দখল করেছে সফটওয়্যার নির্ভর স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম। 
- সত্তর দশকের শেষের দিকে অ্যাপল কোম্পানি সর্বপ্রথম ভিসিক্যালক (VisiCalc) স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবন করে। 
- পরবর্তীকালে মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel), ওপেন অফিস ক্যাল্ক (Open office Calc) কেস্প্রেড (Kspread) নামের স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবিত হয়। 
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট কোম্পানির এক্সেল (Excel)। 

• স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার প্রোগ্রাম। 
- এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্কবুক বলা হয়। 
- একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে। 
- একেকটা ওয়ার্কশিটে বহুসংখ্যক সারি (row) ও কলাম (column) থাকে। 
- স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে একটা ওয়ার্কশিটে সবধরনের উপাত্ত প্রবেশ করানো যায়। 
- ফলে যেকোনো ধরনের, যেকোনো সংখ্যক উপাত্ত অল্প সময়ে সম্পাদনা করা, হিসাব করা, বিশ্লেষণ করা এবং প্রতিবেদন তৈরি করার কাজ স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১২.
সিস্টেম রিসোর্স পরিচালনার দায়িত্ব অপারেটিং সিস্টেমের কোন উপাদানের?
  1. Compiler
  2. Shell
  3. Kernel
  4. Network Manager
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সিস্টেম রিসোর্স পরিচালনার দায়িত্ব প্রধানত Kernel এর উপর থাকে। Kernel হলো অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে মধ্যস্থতা করে। এটি প্রসেসর, মেমোরি, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস, এবং অন্যান্য রিসোর্সগুলোকে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে। Kernel নিশ্চিত করে যে প্রতিটি প্রোগ্রাম বা প্রোসেস যথাযথ রিসোর্স পায় এবং সংঘর্ষ বা ডেটা ক্ষতি ছাড়া কাজ করতে পারে।
- অন্যদিকে, Compiler কোড অনুবাদ করে, Shell ব্যবহারকারীর কমান্ড গ্রহণ করে, এবং Network Manager নেটওয়ার্ক সংযোগ পরিচালনা করে, কিন্তু রিসোর্স ব্যবস্থাপনা Kernel এর কাজ। তাই সিস্টেম রিসোর্স পরিচালনার দায়িত্ব Kernel এরই।


• কার্নেল কী?
কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ। এটি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে। অর্থাৎ, ইউজার বা প্রোগ্রাম যখন কোনো কাজ করতে চায় (যেমন: ফাইল পড়া, মেমোরি বরাদ্দ, ইনপুট/আউটপুট, প্রসেস চালানো), তখন সেটা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে না গিয়ে প্রথমে কার্নেলের কাছে যায়। তারপর কার্নেল সেই কাজটি করে দেয়।

• কেন কার্নেল সবসময় মেমোরিতে থাকে?
কার্নেলকে সবসময় মেমোরিতে রাখা হয় যেন এটি যেকোনো সময় কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাঝে যোগাযোগ করতে পারে। যদি কার্নেল মেমোরিতে না থাকে, তাহলে অপারেটিং সিস্টেম কার্যকর হতো না।

উৎস: kernel [লিংক]
১৩.
এম্বেডেড অপারেটিং সিস্টেম হলো:
  1. সর্বদা লিনাক্স-ভিত্তিক
  2. সাধারণ-উদ্দেশ্য এবং বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ
  3. সর্বাধিক ব্যবহারকারী ইন্টারফেসের জন্য ডিজাইন করা
  4. রিয়েল-টাইম টাস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য ডিজাইন করা
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড অপারেটিং সিস্টেম হলো বিশেষ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম যা নির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মধ্যে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। এটি সাধারণত ছোট এবং সীমিত সম্পদের মধ্যে কাজ করে এবং রিয়েল-টাইম টাস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য উপযুক্ত। এম্বেডেড অপারেটিং সিস্টেমগুলো সাধারণ-উদ্দেশ্য বা বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ নয় এবং সর্বদা লিনাক্স-ভিত্তিকও নয়। এগুলো মূলত নির্দিষ্ট কাজের জন্য হালকা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া, এম্বেডেড সিস্টেমগুলো সাধারণত ব্যবহারকারী ইন্টারফেসের জন্য ডিজাইন করা হয় না বরং নির্দিষ্ট রিয়েল-টাইম কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তৈরি।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) রিয়েল-টাইম টাস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য ডিজাইন করা।


• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope Website.
১৪.
মাদারবোর্ডে একটি হিটসিঙ্কের প্রধান কাজ কী?
  1. BIOS সেটিংস সংরক্ষণ করা
  2. সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা
  3. উপাদানগুলো ঠান্ডা রাখা
  4. অডিওর গুণমান বাড়ানো
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ডে একটি হিটসিঙ্কের প্রধান কাজ হলো উপাদানগুলো ঠান্ডা রাখা। মাদারবোর্ডে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক উপাদান যেমন প্রসেসর, চিপসেট ইত্যাদি কাজ করার সময় তাপ উৎপন্ন করে। এই তাপ অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে উপাদানগুলোতে ক্ষতি হতে পারে বা তাদের কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে। হিটসিঙ্ক তাপ শোষণ করে সেটিকে বাতাসে ছড়িয়ে দেয়, যার ফলে উপাদানগুলো ঠান্ডা থাকে এবং নিরাপদে কাজ করতে পারে। তাই হিটসিঙ্ক মাদারবোর্ডের স্থায়িত্ব এবং কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। অন্য বিকল্পগুলো যেমন BIOS সেটিংস সংরক্ষণ, সৌন্দর্য বৃদ্ধি বা অডিও গুণমান বাড়ানো হিটসিঙ্কের কাজ নয়।

• Motherboard heatsink:
- মাদারবোর্ডে হিটসিঙ্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা তাপ শোষণ এবং বিস্তার করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক উপাদানের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, বিশেষ করে সেই উপাদানগুলি যেগুলো উচ্চতর তাপ উৎপন্ন করে, যেমন সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) এবং গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (GPU)।
- প্রায়শই হিটসিঙ্কের সাথে একটি ফ্যান যুক্ত করা থাকে যা তাপকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য বাতাস প্রবাহিত করে এবং ইলেকট্রনিক উপাদান ঠান্ডা করা।
- এর ফলে মাদারবোর্ডের উপাদানগুলি অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পায় এবং সিস্টেমের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
- হিটসিঙ্ক মাদারবোর্ডের উপাদানগুলির আয়ু বৃদ্ধি করতে সহায়ক, কারণ অতিরিক্ত তাপ ইলেকট্রনিক উপাদানগুলির কার্যক্ষমতা হ্রাস করতে এবং সেগুলির ক্ষতি করতে পারে।

উৎস: Lenovo Website [লিংক]