পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
বাংলাদেশের ইতিহাস: ব্রিটিশ আমল থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
কোন দেশের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বলা হয়?
  1. ক) নেদারল্যান্ড
  2. খ) ডেনমার্ক
  3. গ) পর্তুগাল
  4. ঘ) ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- ওলন্দাজ : নেদারল্যান্ডসের অধিবাসী
- ডেনিশ/দিনেমার : ডেনমার্কের অধিবাসীর
- ফরাসি : ফ্রান্সের অধিবাসী
- ইংরেজ : ইংল্যান্ডের অধিবাসী
- ফিরিঙ্গি/পর্তুগিজ : পর্তুগালের অধিবাসী
- স্পেনিশ : স্পেনের অধিবাসী।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
কার নেতৃত্বে আইন অমান্য আন্দোলন সংঘটিত হয়?
  1. অরবিন্দ ঘোষ
  2. সুভাষচন্দ্র বসু
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ১৯৩০ সালে ভারতবর্ষ জুড়ে আইন অমান্য আন্দোলন সংঘটিত হয়।
চেমসফোর্ড-মন্টেগু আইনের ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতে ব্রিটিশ সরকার ভারতের জন্যে নতুন সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সায়মন কমিশন গঠন করে। এতে কোন ভারতীয় প্রতিনিধি না থাকায় কংগ্রেস এই কমিশন বয়কট করে।
এর অংশ হিসেবেই আইন অমান্য আন্দোলন সংঘটিত হয়। এই আন্দোলন ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত চলে। তবে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
.
শেষ মুঘল সম্রাট ছিলেন কে?
  1. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
  2. সম্রাট ফররুখশিয়র
  3. দ্বিতীয় আলমগীর
  4. দ্বিতীয় শাহ আলম
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ছিলেন সর্বশেষ মুঘল সম্রাট। ১৮৩৭ সালে তিনি দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন। পিতার ন্যায় দ্বিতীয় বাহাদুর শাহও ছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পেনশনভোগী।

নানাবিদ কারণে বাহাদুর শাহ ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহে সিপাহিদের সমর্থন দান করেন। ফলে সিপাহি বিদ্রোহ ব্যর্থ হলে সম্রাট বাহাদুর শাহকে সপরিবারে রেঙ্গুনে নির্বাসন দেওয়া হয়।
সেখানেই ১৮৬২ সালে তার মৃত্যু হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
দেশ ভাগের সময় পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ববঙ্গের সীমানা নির্ধারণের লক্ষ্যে কোন কমিশন গঠিত হয়?
  1. ক্রিপস কমিশন
  2. হান্টার কমিশন
  3. ফ্লাউড কমিশন
  4. রেডক্লিফ কমিশন
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের ৩০ জুন পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের সীমানা নির্ধারণের জন্যে বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন গঠিত হয়।
এই কমিশনের সদস্য ছিলো পাঁচজন।
এরা হলেন:
- সিরিল রেডক্লিফ (চেয়ারম্যান)
- বিচারপতি বিজন কুমার মুখার্জী
- বিচারপতি সি.সি. বিশ্বাস
- বিচারপতি আবু সালেহ মোহাম্মদ আকরাম
- বিচারপতি এস.এ. রহমান।
কমিশনের চেয়ারম্যান সিরিল র‌্যাডক্লিফের নামানুসারে এই কমিশন রেডক্লিফ কমিশন নামে অধিক পরিচিত।
১২ আগস্ট ১৯৪৭ রেডক্লিফ কমিশন ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার উপর গুরুত্ব প্রদান করে তাদের প্রস্তুতকৃত রিপোর্ট প্রদান করে।

(তথ্যসূত্র: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : প্রথম খণ্ড : পৃষ্ঠা-৪৩)
.
খিলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন কে?
  1. মাওলানা শওকত আলী
  2. মাওলানা আতাহার আলী
  3. সৈয়দ আহমদ খান
  4. মাওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খিলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
দুই ভাই মাওলানা মুহাম্মদ আলী ও মাওলানা শওকত আলী, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ খিলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।

একই সময়ে কংগ্রেসের অসহযোগ আন্দোলন ও খিলাফত আন্দোলন সমগ্র ভারতবর্ষে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
১৯২৪ সালে কামাল আতাতুর্ক তুরস্কে খিলাফত বিলুপ্ত করলে খিলাফত আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
কাকে বাংলার নারী নবজাগরণের পথিকৃৎ বলা হয়?
  1. ফিরোজা বেগম
  2. বেগম রোকেয়া
  3. নুরজাহান বেগম
  4. নবাব ফয়জুন্নেসা
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়াকে বাংলার নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়।
বিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি নারীশিক্ষা বিশেষত মুসলিম নারীদের শিক্ষা প্রসারে নিরলস পরিশ্রম করেন। নিজের উদ্যোগে বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন। সরকারের নিকট নারী শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন দাবী-দাওয়া পেশ করেন।

তিনি ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালে কলকাতায় মারা যান।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
.
বাংলার সর্বশেষ স্বাধীন নবাব কে?
  1. আলীবর্দি খান
  2. মুর্শিদকুলী খান
  3. সিরাজউদ্দৌলা
  4. সরফরাজ খান
ব্যাখ্যা
বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
তিনি ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন ইংরেজদের নিকট পলাশী যুদ্ধে পরাজিত হন। এর ফলে বাংলার স্বাধীনতার সমাপ্তি ঘটে।
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদকুলি খান।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
পঞ্চাশের মন্বন্তর কত খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৭০ সালে
  2. ১৮৫০ সালে
  3. ১৯৪৩ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষ পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত। বাংলা ১৩৫০ সালে এই দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হওয়ায় একে পঞ্চাশের মন্বন্তর বলা হয়।
এই দুর্ভিক্ষে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।
এই দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
.
কোন নাবিক সর্বপ্রথম সমুদ্রপথে ইউরোপ থেকে ভারতে আসেন?
  1. ক্রিস্টোফার কলম্বাস
  2. ক্যাপ্টেন হকিন্স
  3. ভাস্কো দা গামা
  4. আল বুকার্ক
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা ১৪৯৮ সালে সমুদ্রপথে সর্বপ্রথম ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষে পদার্পণ করেন। তিনি ১৪৯৮ সালের ২৭শে মে ভারতের পশ্চিম উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন।
তার সূত্র ধরেই পরবর্তীতে অন্যান্য ইউরোপীয়রা ব্যবসা-বাণিজ্য তথা সাম্রাজ্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ভারতবর্ষে পাড়ি জমাতে শুরু করে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০.
দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. জওহরলাল নেহরু
ব্যাখ্যা
বিশ শতকের চল্লিশের দশকে ‍মুহম্মদ আলী জিন্নাহ হিন্দু-মুসলিম পৃথক জাতিসত্ত্বা সম্পর্কিত দ্বি-জাতি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
এই দ্বি-জাতি তত্ত্বের আলোকেই লাহোর প্রস্তাব ও দিল্লি প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
জিন্নাহ’র পূর্বে স্যার সৈয়দ আহমদ খান এবং আল্লামা ইকবাল মুসলিম জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে ধারণা দিয়েছিলেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১১.
টংক আন্দোলনের সাথে কোন নৃগোষ্ঠীর নাম জড়িত?
  1. মণিপুরী
  2. রাখাইন
  3. হাজং
  4. চাকমা
ব্যাখ্যা
টঙ্ক প্রথা হলো টাকার পরিবর্তে ধানের মাধ্যমে খাজনা আদায়৷ বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের হাজং সম্প্রদায়ের মধ্যে এই প্রথা প্রচলিত ছিলো।
ধানের মাধ্যমে খাজনা পরিশোধে কৃষকদেরকে কয়েকগুণ বেশি খাজনা প্রদান করতে হতো। তাই হাজং কৃষকরা এই প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে।
কমরেড মনি সিংহ টঙ্ক আন্দোলনে কৃষকদের নেতৃত্ব দেন।
১৯৫০ সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের মাধ্যমে টঙ্ক প্রথা ও টঙ্ক আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।

(তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
১২.
নিচের কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিলো?
  1. অসহযোগ আন্দোলন
  2. মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন
  3. ভারত ছাড় আন্দোলন
  4. সিমলা ডেপুটেশন
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ঘটনাসমূহের মধ্যে সিমলা ডেপুটেশন সবার আগে সংঘটিত হয়।

১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর ভারতীয় মুসলমানদের ৩৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আগা খানের নেতৃত্বে সিমলায় বড়লাট লর্ড মিন্টোর সাথে সাক্ষাত করেন।
তারা মুসলমানদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া বড়লাটের নিকট পেশ করে। এটিই সিমলা ডেপুটেশন নামে পরিচিত।
অন্যদিকে,
- মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন : ১৯০৯ সাল
- অসহযোগ আন্দোলন : ১৯২১ সাল
- ভারত ছাড় আন্দোলন : ১৯৪২ সাল।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৩.
কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের যৌথ উদ্যোগে কোন চুক্তিটি সম্পাদিত হয়?
  1. লক্ষ্ণৌ চুক্তি
  2. এলাহাবাদ চুক্তি
  3. বেঙ্গল প্যাক্ট
  4. মারী চুক্তি
ব্যাখ্যা
১৯১৬ সালের ডিসেম্বরে লক্ষ্ণৌ শহরে একই সময়ে ও স্থানে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে উভয় দল ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কার প্রশ্নে সমঝোতার অংশ হিসেবে লক্ষ্ণৌ চুক্তি সম্পাদন করে।
এই চুক্তিতে কংগ্রেস প্রথমবারের মতো মুসলমানদের জন্যে পৃথক নির্বাচনের ব্যবস্থা মেনে নেয়।

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৪.
ভারতের শাসনতন্ত্র প্রণয়ন বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের উদ্যোগে কোথায় গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়?
  1. কলকাতা
  2. সিমলা
  3. লন্ডন
  4. ম্যানচেস্টার
ব্যাখ্যা
ভারতের চলমান সংকট নিরসন এবং শাসনতন্ত্র প্রণয়ন ইস্যুতে আলোচনার জন্যে বৃটিশ সরকারের পক্ষ থেকে ১৯৩০-১৯৩২ সময়ে লন্ডনে গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
এই বৈঠকে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। এর মোট তিনটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
মুসলিম লীগ ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা গোলটেবিল বৈঠকে অংমগ্রহণ করলেও কংগ্রেস কেবল দ্বিতীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করে। তবে গোলটেবিল বৈঠক তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়।

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)