পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২১ পার্ট-১: ১) গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সাধারণ তথ্য এবং ইতিহাস (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়ার, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার, দক্ষিণ আফ্রিকা, জাপান)। ২) NATO, Warsaw Pact, INTERPOL, ANZUS, নিরাপত্তা সম্মেলন সমূহ, FBI, CIA, FSB, RAW, Fairfax, মোসাদ, আমান, M16, হামাস, হিজবুল্লাহ, আল শাবাব, আইরিস রিপাবলিকান আর্মি, টুপাক আমারু, ফার্ক, আবু শায়াফ, শাইনিং পাথ, M-23, উলফা, খেমারুজ, পিকেকে, ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর, গডস আর্মি, ইসলামিক স্ট্যাট, হুথি বিদ্রোহী, লস্কর-ই তৈইব্যা, জইশ মোহাম্মদ, হিজবুত তাহরীর, JKLF, নকশাল, তানজিম আল জিহাদ, M19. পার্ট-২) নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন: 1) Definition of Values Education and Good Governance; 2) Relation between Values Education and Good Governance; 3) General Perception of Values Education and Good Governance; 4) Importance of Values Education and Good Governance in the life of an individual as a citizen as well as in the making of society and national ideals. ------------------ পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই। তবে, সংস্থাগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটগুলো সম্ভব হলে একটু দেখে নিবেন। গাইডে অনেক সময় ভুল থাকে। পার্ট-২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC পৌরনীতি বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
কিউসু ও শিকোকু দ্বীপ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. জাপান
  3. অস্ট্রেলিয়ার
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
• জাপান:
-জাপানের সংবিধান শান্তিবাদী সংবিধান নামে পরিচিত।
- জনসংখ্যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহর - টোকিও।
- জাপানের আইনসভার নাম - ডায়েট।
- জাপানের প্রধান দ্বীপ হচ্ছে - হোক্কাইডো, হনসু, শিকোকু, কিউসু এবং ওকিনাওয়া।
- জাপানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ - হনসু।
- হনসু জাপানের মূল ভূখণ্ড হিসেবে গণ্য হয়।
- জাপানের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট ফুজি।
- এর বৃহত্তম হ্রদ, বিওয়া হ্রদ হনসু দ্বীপে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
.
ভারতের কোন রাজ্যে নকশাল আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে?
  1. পাঞ্জাব
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. তেলেঙ্গানা
  4. গুজরাট
ব্যাখ্যা
• নকশাল আন্দোলন:
- ১৯৬৭ সালের ২৫শে মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শিলিগুড়ি জেলার নকশালবাড়ি গ্রামে পুলিশের সাথে কৃষক ও আদিবাসীদের সংঘর্ষের মাধ্যমে নকশালবাড়ি বা নকশাল আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে এ আন্দোলন বিহার, উড়িষ্যা, ছত্তিসগড়, অন্ধপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র প্রভৃতি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
- এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কমিউনিস্ট নেতা চারু মজুমদার, কানু স্যানাল, জঙ্গল সাঁওতাল প্রমুখ। নকশালপন্থীরা মাও সেতুং এর অনুসারী।
-  নকশালপন্থীরা মাও সেতুং এর অনুসারী।
- এরা ছিলো উগ্র বামপন্থী যারা সশস্ত্র লড়াইয়ের মাধ্যমে ভারতে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে সচেষ্ট।

উৎস: Britannica.com
.
কোন দেশে 'শাইনিং পাথ' নামে সশস্ত্র গেরিলা সংগঠন সক্রিয় ছিল?
  1. পেরু
  2. চিলি
  3. মেক্সিকো
  4. নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা
• শাইনিং পাথ:
- শাইনিং পাথ হলো পেরুর সশ্স্ত্র কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- কমিউনিস্ট পার্টি অব পেরুর সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৭০ সালে শাইনিং পাথ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- শাইনং পাথের প্রতিষ্ঠাতা আবিমায়েল গুজম্যান।
- শাইনিং পাথ চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে মডেল হিসেবে গ্রহণ করেছিলো।
- বর্তমানে এটির কর্মকাণ্ড স্তিমিত রয়েছে।
- টুপাক আমারু পেরুর অপর একটি কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
.
নিচের কোনটির সাথে 'ফেয়ার ফ্যাক্স' সম্পর্কিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্রের টেলিফোন সংস্থা
  2. যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা
  3. যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
  4. যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা
ব্যাখ্যা
ফেয়ার ফ্যাক্স:
- ফেয়ারফ্যাক্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা।
- সংস্থাটি অর্থনৈতিক বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা হিসাবে কাজ করে।
• যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা: সিআইএ, এফবিআই, এনজিএ, এনএসএ, আইএনআর ইত্যাদি।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
.
'আল কায়েদার ইরাক শাখা' কী নামে পরিচিত?
  1. তানজিম আল জিহাদুল হারাম
  2. হারকিয়াতুল জিহাদ
  3. তানজিম আল জিহাদ
  4. হিজবুত তাহরীর
ব্যাখ্যা
তানজিম আল জিহাদ:
- তানজিম আল জিহাদ হলো ইরাকের আল কায়েদার শাখা।
- ২০০৪ সালের অক্টোবরে এটি জামাত আল তৌহিদ ওয়াল জিহাদ থেকে তানজিম আল জিহাদ নাম ধারণ করে।
- এটির প্রধান ছিলেন আবু মুসাব আল জারাকায়ি।
- তানজিম আল জিহাদ জাতিসংঘের কালো তালিকাভুক্ত সংঠন।

সূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
.
'হিজবুল্লাহ' কোন দেশের রাজনৈতিক ও সশস্ত্ৰ গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত?
  1. ইরান
  2. সিরিয়া
  3. লেবানন
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ:
- হিজবুল্লাহ লেবাননের মুসলিম শিয়া সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ও সশস্ত্ৰ গোষ্ঠী।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- হিজবুল্লাহর নতুন প্রধান শেখ নাঈম কাশেম।
- হিজবুল্লাহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, এবং অন্যান্য সামাজিক সেবার ক্ষেত্রেও কাজ করে থাকে।

উৎস: Britannica.com
.
দক্ষিণ আফ্রিকার বিচার বিভাগীয় রাজধানীর নাম কী?
  1. নাটালন্টেইন
  2. কেপ টাউন
  3. প্রিটোরিয়া
  4. ব্লোয়েমফন্টেইন
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- আইনসভা: দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট , উচ্চকক্ষ: National Council ও নিম্নকক্ষ: National Assembly।
- মুদ্রার নাম: র‍্যান্ড।

• রাজধানী: ৩টি, যথা -
- নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া, 
- সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন,
- বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

উৎস: Britannica.com
.
কোন দেশে 'হুথি বিদ্রোহীরা' সক্রিয় রয়েছে?
  1. লেবানন
  2. ইয়েমেন
  3. ইসরাইল
  4. সোমালিয়া
ব্যাখ্যা
হুথি বিদ্রোহী:
- হুথি ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ। এই গ্রুপ ইয়েমেনে সক্রিয় রয়েছে।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ। এরা ইরানের সমর্থনপুষ্ট।
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়। তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ইয়েমেনে ৯৯.৫ শতাংশ মুসলমান, যার মধ্য ৭০ শতাংশ সুন্নী ও ৩০ শতাংশ শিয়া।
- এই ৩০ শতাংশ শিয়ারাই মুলত হুথি সম্প্রদায়।
- এই হুথিদেরকে ইরানের শিয়া সরকার ও লেবাননের হিজবুল্লার সহযোগী সংগঠন বলে মনে করা হয়।

উৎস: ডয়েচেভেলে পত্রিকা রিপোর্ট।
.
'অনুপ চেটিয়া ও অরবিন্দ রাজখোয়া' কোন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের সদস্য ছিলেন?
  1. জইশ মোহাম্মদ
  2. গডস আর্মি
  3. উলফা
  4. নকশাল
ব্যাখ্যা
উলফা (ULFA):
- ULFA (United Liberation Front of Assam) বা উলফা ভারতের আসাম রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। এটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উলফার নেতা।
- বাংলাদেশের আলোচিত দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের সাথে উলফা জড়িত।
- ভারত সরকার ১৯৯০ সালে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

সূত্র:- South Asia Terrorism Portal.
১০.
‘বোকো হারাম’ কোন দেশভিত্তিক ইসলামপন্থী সংগঠন?
  1. আফগানিস্তান
  2. নাইজেরিয়া
  3. লেবানন
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
বোকো হারাম:
- বোকো হারাম নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন।
- বোকো হারাম অর্থ- পশ্চিমা শিক্ষা পাপ। 
- তারা আল-কায়েদার মতোই পশ্চিমা শিক্ষা-সংস্কৃতির বিরুদ্ধে 'জিহাদ' ঘোষণা করেছে সশস্ত্র আক্রমণের মধ্য দিয়ে।
- সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্যের কিছু গোষ্ঠী বোকো হারামের তহবিল সংগ্রহ করে থাকে।
- কানাম্মায় দলটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- প্রদেশের রাজধানী মাইদুগুরির নিকটবর্তী শহর দাম্বোয়ায় বোকো হারাম প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট এবং ব্রিটানিকা।
১১.
নিচের কোনটি 'জইশ-ই-মোহাম্মদ' এর সাথে সম্পর্কিত?
  1. গেরিলা সংগঠন
  2. রাজনৈতিক সংগঠন
  3. সামাজিক সংগঠন
  4. অর্থনৈতিক সংগঠন
ব্যাখ্যা
জইশ-ই-মোহাম্মদ:
- জইশ-ই-মোহাম্মদ হলো পাকিস্তানভিত্তিক কাশ্মীরী গেরিলা সংগঠন হিসেবে পরিচিত। মাওলানা মাসুদ আজহার ১৯৯৯ সালে জইশ-ই-মোহাম্মদ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০০২ সালে পাকিস্তান সরকার জইশ-ই-মোহাম্মদকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও সংগঠনটি এখনও তৎপর রয়েছে।
- ২০০১ সালে ভারতের সংসদ ভবনে হামলা, ২০১৬ সালে পাঠানকোট বিমানঘাটিতে হামলা এবং ২০১৯ সালে পুলওয়ামায় ভারতীয় সেনাবহরে হামলার জন্যে ভারত সরকারজইশ-ই-মোহাম্মদকে দায়ী করে আসছে।  জাতিসংঘ ২০১৯ সালের ১ মে মাওলানা মাসুদ আজহারকে গ্লোবাল টেরোরিস্ট হিসেবে ঘোষণা করে।

সূত্র:- বিবিসি ওয়ার্ল্ড ও South Asia Terrorism Portal।
১২.
'আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি' কত সালে প্রতিষ্ঠা হয়?
  1. ১৯১৮ সালে
  2. ১৯১৯ সালে
  3. ১৯২০ সালে
  4. ১৯২১ সালে
ব্যাখ্যা
আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি (IRA):
- 'Irish Republican Army' (IRA) যাকে 'Provisional Irish Republican Army' ও বলা হয়।
- 'Irish Volunteers' এর উত্তরাধিকারী হিসেবে IRA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৯ সালে।
- ২০০৫ সালে সংগঠনটি অস্ত্র ত্যাগ করে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা সমাধানের অঙ্গিকার ব্যক্ত করে।
- আইআরএর উদ্দেশ্য ছিল আয়ারল্যান্ডে ব্রিটিশ শাসনকে অকার্যকর করার জন্য সশস্ত্র শক্তি ব্যবহার করা এবং একটি স্বাধীন প্রজাতন্ত্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য অর্জনে সহায়তা করা।

উৎস:- ব্রিটানিকা।
১৩.
'International Criminal Police Organization' এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
  4. লিঁও, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)। 
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি।
- সর্বশেষ সদস্য: পালাউ। 
- ইন্টারপোলে পালাউয়ের সদস্য পদ - ২০২৩ সালে ৯১তম সাধারণ পরিষদে দুই-তৃতীয়াংশের ভোটে অনুমোদিত হয়।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
১৪.
নিচের কোনটি ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. Inter-Services Intelligence
  2. Research and Analysist Wing
  3. Ministry of State Security
  4. Research and Analysis Wing
ব্যাখ্যা
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (RAW):
- RAW এর পূর্ণরূপ- Research and Analysis Wing (RAW)।
- এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে-১৯৬৮ সালে।
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।

অন্যদিকে,
- ISI (Inter-Services Intelligence) পাকিস্তানের প্রধান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- MSS (Ministry of State Security) চীন সিভিল গোয়েন্দা সংস্থা।
- FSB (Federal Security Service) রাশিয়ার সাবেক গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি এর উত্তরসূরী।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১৫.
'MI6' সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. অস্ট্রিয়া
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
MI6:
-  MI6 যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস বা এমআই৬ বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং যথাযথ প্রচারের জন্য ব্রিটিশ সরকারী সংস্থা।
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস-এর ছয়টি সেকশনের জন্যে এটি MI6 নামে পরিচিত।
- এটি ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য। 
- জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় উত্থানের পর, MI6 ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা এবং এশিয়ার বেশিরভাগ অংশে গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১৬.
বিশ্বের সর্বাধিক সীমান্ত বেষ্টিত দেশ -
  1. চীন
  2. পোল্যান্ড
  3. রাশিয়া
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
সীমান্ত বিষ্টিত দেশ:
- বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্থল সীমান্তযুক্ত দেশ হলো চীন এবং রাশিয়া।

• চীনের সাথে সীমান্তবর্তী দেশসমূহ (১৪টি):
- আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, মায়ানমার, নেপাল, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, ভিয়েতনাম।

• রাশিয়ার সাথে সীমান্তবর্তী দেশসমূহ (১৪টি):
- আজারবাইজান, বেলারুশ, চীন, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, কাজাখস্তান, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, মঙ্গোলিয়া, উত্তর কোরিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, ইউক্রেন।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৭.
JKLF ভারতের কোন অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী সংগঠন?
  1. আসাম
  2. জম্মু-কাশ্মীর
  3. আগরতলা
  4. বিহার-উড়িষ্যা
ব্যাখ্যা
JKLF:
- JKLF-এর পূর্ণরূপ: Jammu Kashmir Liberation Front.
- এটি ভারতের জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন।
- JKLF-এর প্রতিষ্ঠাতা আমানুল্লাহ খান এবং মকবুল ভাট।
- ১৯৭৭ সালে ব্রিটেনের বার্মিংহামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে JKLE বিভিক্ত হয়ে পড়ে।
- ইয়াছিন মালিক নেতৃত্বাধীন অংশটিই সর্বশেষ তৎপর ছিলো।
- ২০১৯ সালে ভারত সরকার ইয়াছিন মালিককে গ্রেফতার ও JKLF কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

সূত্র: সাউথ এশিয়া টেরোরিজম পোর্টাল।
১৮.
নিচের কোনটি মিয়ানমারের বিপ্লবী গোষ্ঠী?
  1. শাইনিং পাথ
  2. গডস আর্মি
  3. আবু সায়াফ
  4. পিকেকে
ব্যাখ্যা
• গডস আর্মি:
- ‘গডস আর্মি' মিয়ানমারের একটি বিপ্লবী গ্রুপ বা গোষ্ঠী।
- ১৯৯৭ সালে সাউ তই তই প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই গোষ্ঠীটি মিয়ানমারের কারেন রাজ্যে তাদের কার্যক্রম চালায়।

অন্যদিকে,
- শাইনিং পাথ - পেরুর গেরিলা সংগঠন।
- PKK (Partiya Karkeren Kurdistan) বা কুর্দিস্তান ওয়ার্কাস পার্টি হলো তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কুর্দিদের একটি মিলিশিয়া ও রাজনৈতিক সংগঠন।
- আবু সায়াফ ফিলিপাইনের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মিন্দানাও দ্বীপের একটি গেরিলা সংগঠন।

সূত্র:- নিউইয়র্ক টাইমস ও ব্রিটানিকা ও আল জাজিরা পত্রিকা রিপোর্ট।
১৯.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংবিধান কোন দেশের?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. ভারত
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
ভারতের সংবিধান:
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সংবিধান।
- এটি ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন।
- বিশ্বের বৃহত্তম লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান।
- এতে ২৫টি অংশ, ৪৭০টি ধারা, ১২টি তফসিল এবং ১০৫টি সংশোধনী রয়েছে।

অন্যদিকে,
- বর্তমানে শব্দ সংখ্যার হিসাবে সবচেয়ে ছোট লিখিত সংবিধান: মোনাকো।
- তবে অপশনে মোনাকও না থাকলে 'যুক্তরাষ্ট্র' উত্তর হবে।
- অলিখিত সংবিধান রয়েছে যেসব দেশের: স্পেন, নিউজিল্যান্ড, ব্রিটেন, সৌদি আরব ও ইসরায়েল।

উৎস: World Atlas.
২০.
পিকেকে (PKK) কোন দেশের মিলিশিয়া ও রাজনৈতিক সংগঠন?
  1. তুরস্ক
  2. সিরিয়া
  3. লেবানন
  4. জর্ডান
ব্যাখ্যা
তুরস্কে:
- PKK (Partiya Karkeren Kurdistan) হলো তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কুর্দিদের একটি মিলিশিয়া ও রাজনৈতিক সংগঠন।
- ১৯৭৮ সালে আব্দুল্লাহ ওচালান এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- পিকেকে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসছে। তুরস্ক সরকার পিকেকে গোষ্ঠীকে নির্মূলের লক্ষ্যে সিরিয়া ও উত্তর ইরাকে সামরিক তৎপরতা চালিয়ে আসছে।

এছাড়াও, 
- আধুনিক তুরস্কের জনক খ্যাত মোস্তফা কামাল পাশা বা কামাল আতাতুর্ক।
- ১৯২৩ সালে তুরস্কের ওসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করে তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ‍তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন- কামাল পাশা।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
২১.
আইনের শাসনের মূলকথা কোনটি?
  1. আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান
  2. সকলেরই আইনের আশ্রয় লাভের সুযোগ রয়েছে
  3. শুনানী ব্যতীত কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
আইনের শাসন (Rule of Law):
- সুশাসন তখনই প্রতিষ্ঠিত হয় যখন আইনের শাসন বিদ্যমান থাকে।
- আইনের শাসনের মূলকথাই হলো-
(ক) আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান,
(খ) সকলেরই আইনের আশ্রয় লাভের সুযোগ,
(গ) শুনানী ব্যতীত কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা।
- আইন হতে হবে সুনির্দিষ্ট, স্পষ্ট ও সহজবোধ্য।
- এছাড়াও আইনের শাসনের জন্য প্রয়োজন সরকারের ন্যায়পরায়ণ আচরণ, রাষ্ট্রের নিপীড়নমুক্ত স্বাধীন পরিবেশ এবং নিরপেক্ষ ও স্বাধীন বিচার বিভাগ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২২.
সমাজজীবনে মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার-ব্যবহার ও কর্মকাণ্ড যে সকল নীতিমালার মাধ্যমে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় তাদের সমষ্টিকে কী বলে?
  1. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
  2. নৈতিকতা
  3. সামাজিক মূল্যবোধ
  4. সুশাসন
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ: 
- সমাজজীবনে মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার-ব্যবহার ও কর্মকাণ্ড যে সকল নীতিমালার মাধ্যমে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় তাদের সমষ্টিকে সামাজিক মূল্যবোধ বলে।
- যে সমাজ ও রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ধারণা যত বেশি উন্নত, সে সমাজ ও রাষ্ট্র তত বেশি উন্নত ও প্রগতিশীল।
- সুশাসনের সাথে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সম্পর্ক খুবই নিবিড়।
- মূল্যবোধ থেকে আসে আইন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক। 
২৩.
বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এর ফলে কোনটি বাধাগ্রস্ত হয়?
  1. নৈতিকতা
  2. সুশাসন
  3. মূল্যবোধ
  4. রাষ্ট্রের বিকাশ
ব্যাখ্যা
বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ: 
- অধিকাংশ রাষ্ট্রেই, বিশেষ করে অনুন্নত, উন্নয়নশীল ও সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোতে তত্ত্বগতভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও দেখা যায় যে, জনগণের বাক স্বাধীনতায় ক্ষমতাসীন সরকার হস্তক্ষেপ করে থাকে।
- জনগণ স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারে না।
- সংবাদপত্র তথা মিডিয়ার ওপর সরকার সেন্সরশীপ আরোপ করে।
- এর ফলে জনগণ রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা বুঝতে পারে না।
- সরকার সব সময় মুক্ত আলোচনাকে ভয় পায় এবং বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে।
- এর ফলে সুশাসন বাধাগ্রস্ত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক। 
২৪.
কার মতে, "বৃহৎ অর্থে সুশাসন হচ্ছে কতিপয় উদ্যোগের সমাহার ও একটি সংস্কার কৌশল যা সরকারকে আরো বেশি গণতান্ত্রিক, মুক্তমনা, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার জন্য সুশীল সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সক্রিয় করে তোলে"?
  1. মারটিন মিনোগ
  2. ম্যাককরনী
  3. জি. বিলনে
  4. কার্ল মার্ক্স
ব্যাখ্যা
সুশাসন এর সংজ্ঞা: 
- মারটিন মিনোগের মতে, "বৃহৎ অর্থে সুশাসন হচ্ছে কতিপয় উদ্যোগের সমাহার ও একটি সংস্কার কৌশল যা সরকারকে আরো বেশি গণতান্ত্রিক, মুক্তমনা, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার জন্য সুশীল সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সক্রিয় করে তোলে"। 

- The Social Encyclopaedia তে সুশাসন সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, “এটি সরকার পরিচালনা অপেক্ষা একটি বিস্তৃত ধারণা যা একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে সামাজিক নিয়ম-শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহারের প্রশ্নে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকার সাথে বিশেষভাবে সম্পর্কিত।” 

- সুশাসন সম্পর্কে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা প্রদান করেছেন ম্যাককরনী (MacCorney)। তার মতে সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বোঝায়।" 

- প্রশাসনের যদি জবাবদিহিতা (Accountability), বৈধতা (Legitimacy), ool (Transparency) থাকে, এতে যদি অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত থাকে, বাক স্বাধীনতাসহ সকল রাজনৈতিক স্বাধীনতা সুরক্ষার ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের অনুশাসন, আইনসভার নিকট শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা থাকে তাহলে সে শাসনকে সুশাসন বলে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২৫.
মানুষের যাবতীয় কার্যাবলি এবং আচার-আচরণের ভালো-মন্দ নিয়ে কোন শাস্ত্র আলোচনা করে?
  1. পৌরনীতি ও সুশাসন
  2. অর্থনীতি
  3. নীতিশাস্ত্র
  4. ইতিহাস
ব্যাখ্যা
পৌরনীতি ও সুশাসন এবং নীতিশাস্ত্র: 
- নাগরিকতা ও জাতীয় রাষ্ট্রের রাজনৈতিক দিক নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে পৌরনীতি ও সুশাসন বলে।
- অপরদিকে মানুষের যাবতীয় কার্যাবলি এবং আচার-আচরণের ভালো-মন্দ নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে নীতিশাস্ত্র বলে।
- পৌরনীতি ও সুশাসন এবং নীতিশাস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।

পৌরনীতি ও সুশাসন এবং অর্থনীতি: 
- পৌরনীতি ও সুশাসন এবং অর্থনীতির লক্ষ্য অনেকটা এক ও অভিন্ন।
- উভয়ের লক্ষ্য হলো মানুষের কল্যাণ সাধন করা। পৌরনীতি ও সুশাসন হলো নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান।
- কীভাবে নাগরিকতা অর্জন করা যায়, কীভাবে সুনাগরিক হওয়া যায়, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্যসমূহ কী কী ইত্যাদি বিষয়ে পৌরনীতি ও সুশাসন আলোচনা করে থাকে।
- অপরদিকে অসীম অভাবের মাঝে সীমিত সম্পদকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতি লাভ করা যায় অর্থনীতি তারই শিক্ষা প্রদান করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক। 
২৬.
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি না থাকলে কোনটি বৃদ্ধি পায়?
  1. জঙ্গীবাদ
  2. উগ্রতা
  3. হিংস্রতা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অভাব (Lack of Communal Harmony):
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি না থাকলে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা বা সফল করা সম্ভব নয়।
- কেননা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি না থাকলে জঙ্গীবাদ, উগ্রতা, হিংস্রতা বৃদ্ধি পায়
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অভাবে জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মানবাধিকার ভুলুষ্ঠিত হয়।
- এর ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথে অন্তরায় সৃষ্টি হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক। 
২৭.
'অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা' এটি নাগরিকের কী ধরনের কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত?
  1. সামাজিক
  2. আইনগত
  3. নৈতিক
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• নৈতিক কর্তব্য (Moral Duty):
- ব্যক্তি ও সমাজের নীতিবোধ থেকে যে কর্তব্য জন্ম নেয় এবং যা নাগরিক পর স্বেচ্ছায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালন করে থাকে তাকে নৈতিক কর্তব্য বলে।

• নৈতিক কর্তব্যের উদাহরণ - 
- বাবা-মা ও শিক্ষককে শ্রদ্ধা করা,
- ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেয়া,
- দরিদ্রকে সাহায্য করা,
- অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা,
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য রাষ্ট্রীয় ত্রাণ তহবিলে অর্থ দান করা ইত্যাদি।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২৮.
সুশাসন বিরোধী কর্মকান্ডের বিরোধীতা করতে পারে কে?
  1. সচেতন ব্যক্তিরা
  2. অসচেতন ব্যক্তিরা
  3. পরমত সহিষ্ণু ব্যক্তি
  4. উপরের কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
সচেতনাবোধ:
- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সচেতন নাগরিক একান্ত কাম্য।
- মানবিক গুনাবলী ও মূল্যবোধসম্পন্ন ব্যক্তিরাই সচেতন হয়ে থাকে।
- ফলে সরকার ও প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
- কেবলমাত্র সচেতন ব্যক্তিরাই সুশাসন বিরোধী কর্মকান্ডের বিরোধীতা করতে পারে।
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সবসময় নিজস্ব সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে।
- ফলে এ ধরনের নাগরিকদের মাঝে সহজেই দেশ প্রেমের সৃষ্টি হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের একটি ভিত্তি হল -
  1. পরমত সহিষ্ণুতা
  2. শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন
  3. নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য
  4. সুগঠিত রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা
সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলো নিম্নে আলোচনা করা হল:-
পরমত সহিষ্ণুতা: গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের একটি ভিত্তি হল পরমত সহিষ্ণুতা।
স্বচ্ছতা: রাষ্ট্রীয়, সরকারি কিংবা প্রশাসনিক কর্মকান্ডের স্বচ্ছতা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অন্যতম বহিঃপ্রকাশ।
আইনের শাসন: সমাজের প্রয়োজনেই আইনের সৃষ্টি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকলেই সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব যা কেবলমাত্র গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মাধ্যমেই তৈরি হয়।
ন্যায়পরায়ণতা: গণতান্ত্রিক মূল্যবোধসসম্পন্ন ব্যক্তি সাধারণত ন্যায়পরায়ণ হয়।
সচেতনাবোধ সৃষ্টি: সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সচেতন নাগরিক একান্ত কাম্য। এছাড়াও কেবলমাত্র সচেতন ব্যক্তিরাই সুশাসন বিরোধী কর্মকান্ডের বিরোধীতা করতে পারে।
দায়বদ্ধতা: নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্রের যেমন দায়বদ্ধতা আছে, তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকেরও দায়বদ্ধতা আছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।