উত্তর
ব্যাখ্যা
'ক্ষ্ম' বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে হয় ক + ষ + ম।
ক্ষ্ম-সহযােগে গঠিত কয়েকটি শব্দের প্রয়ােগ হলো- লক্ষ্মী, লক্ষ্মণ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন
'ক্ষ্ম' বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে হয় ক + ষ + ম।
ক্ষ্ম-সহযােগে গঠিত কয়েকটি শব্দের প্রয়ােগ হলো- লক্ষ্মী, লক্ষ্মণ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
হেড-পন্ডিত (ইংরেজি+তৎসম) ভাষার সংমিশ্রণে গঠিত শব্দ।
এমন আরো মিশ্র শব্দ হলো-
রাজা-বাদশা (তৎসম+ফারসি),
হেড-মৌলভি (ইংরেজি+ফারসি),
চৌ-হদ্দি (ফারসি+আরবি) ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দের পুরুষবাচক শব্দ নেই।
উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে সতীন, দাই, সধবা-নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ।
শারি -এর পুরুষবাচক শব্দ শুক।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।
যুগ্ণরীতিতে গঠিত ধ্বন্যাত্মক শব্দ-
কিচির মিচির (পাখি বা বানরের শব্দ),
টাপুর টুপুর (বৃষ্টি পতনের শব্দ),
হাপুস হুপুস (গোগ্রাসে কিছু খাওয়ার শব্দ)।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।
দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে এলো। বাক্যটিতে 'দেখতে দেখতে' স্বল্পকাল স্থায়ী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
চৌ-হদ্দি শব্দটি ফারসি+আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দের মিশ্রণে সৃষ্ট বাংলা শব্দ।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।
ঙ, ঞ, ণ, ন, ম --এই ৫টি বর্ণ উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী নাসিক্য ধ্বনি/বর্ণ এবং এগুলো উচ্চারণ রীতি অনুযায়ী ঘোষ বর্ণ/ধ্বনি।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
ফরমান- খবর,
বচন-কথা,
অসিত- কালো
[সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর]
অচল শব্দের অর্থ পাহাড়, যার সমার্থক শব্দ হলো - নগ, পর্বত, অদ্রি, গিরি, ভূধর, শৈল, মহীধর, শৃঙ্গী ইত্যাদি।
[সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর]
অরবিন্দ অর্থ পঙ্কজ, রাজিব, উৎপল, কমল, কুমুদ, শতদল, সরোজ ইত্যাদি।
নীপ- কদম, সিতকর- সূর্য, গুবাক – সুপারিগাছ।
রেফারেন্সঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন পাঠ- মোহসীনা নাজিলা।
ক্ষুধা, মহোৎসব ও স্বামী তৎসম শব্দ।
পিরিতি শব্দটি তৎসম ‘প্রীতি’ থেকে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে।
সুতরাং, এটি অর্ধতৎসম শব্দ।
সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
সংখ্যাবাচক শব্দ ৪ প্রকার।
যথা-
অংকবাচক,
পরিমাণ বা গণনাবাচক,
ক্রম বা পূরণবাচক ও
তারিখবাচক শব্দ।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।
বিনা/বিনে অনুসর্গের প্রয়ােগঃ
- তুমি বিনা (বিনে) আমার কে আছে?
- বিনি সুতায় গাঁথা মালা।
- উদ্যম বিহনে কার পুরে মনােরথ?
বিনা/বিনে ছাড়া/ব্যতিরেকে অর্থে ব্যবহৃত হয়।
(রেফারেন্সঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা ভাষার ব্যাকরণ)
গৃহিণী বাদে বাকিগুলো অর্ধ-তৎসম শব্দ
(রেফারেন্সঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা ভাষার ব্যাকরণ)
নিখুঁত, নিখোঁজ, নিলাজ, নিভাঁজ, নিরেট শব্দের "নি" উপসর্গটি খাটি বাংলা উপসর্গ।
(রেফারেন্সঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা ভাষার ব্যাকরণ)
আরবি উপসর্গঃ আম, খাস, লা, গর
(রেফারেন্সঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা ভাষার ব্যাকরণ)
সমার্থক শব্দযোগে দ্বিরুক্তিঃ
চাল চলন
রীতিনীতি
বনজঙ্গল
ভয়ডর
(রেফারেন্সঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা ভাষার ব্যাকরণ)