পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৮
সিলেবাস
Exam - 13 • Full Model Test - 07 Topic: Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৮ প্রশ্ন

.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার বিধান রয়েছে?
  1. ৯৬ ধারা
  2. ১০৪ ধারা
  3. ১০৭ ধারা
  4. ১০৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১০৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৯ ধারা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
.
According to Order 5, Rule 2 of the Code of Civil Procedure, Every summons shall be accompanied by a copy of the ______ .
  1. Plaint
  2. Application
  3. Affidavit
  4. Certificate
সঠিক উত্তর:
Plaint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plaint
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫-এর বিধি ২ অনুযায়ী,
যখন আদালত কোনো সমন (summons) ইস্যু করে, তখন সেই সমনের সাথে মামলার অভিযোগপত্র বা plaint-এর একটি কপি যুক্ত করে পাঠাতে হয়। অথবা,  যদি আদালত অনুমতি দেয়, তখন এটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি সহেও পাঠানো যেতে পারে।

Order 5, Rule 2-
Every summons shall be accompanied by a copy of the plaint or, if so permitted, by a concise statement.
.
রায়ের পূর্বে ক্রোক আদেশ দেওয়া হলে, আদেশ-৩৮, বিধি-৯ অনুসারে তা কখন প্রত্যাহার করা যায়?
  1. শুধুমাত্র আদালত চাইলে
  2. শুধুমাত্র বাদীর অনুমতিতে
  3. বিবাদী জামানত দিলে
  4. চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পরে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী জামানত দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী জামানত দিলে
ব্যাখ্যা
আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
.
'B'-এর বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে বসবাসকারী 'A' যদি ঢাকায় মানহানিকর বক্তব্য দেয়, তবে মামলার এখতিয়ার কোন আদালতে থাকবে?
  1. কেবল চট্টগ্রাম
  2. কেবল ঢাকা
  3. ঢাকা অথবা চট্টগ্রাম
  4. উভয় জায়গার বাইরে অন্যত্র
সঠিক উত্তর:
ঢাকা অথবা চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা অথবা চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৯ এ ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের ক্ষেত্রে  ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হবে তা বলা হয়েছে। 

• ধারা ১৯-
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

উদাহরণঃ
ক) 'এ'-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে 'বি'-কে ঢাকায় মারধর করে। 'বি' ঢাকায় বা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।
খ) চট্টগ্রামে বসবাসকারী 'এ' ঢাকায় 'বি' সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। 'বি' ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।
.
আদেশ ২৬ বিধি ১৭ অনুযায়ী, কমিশনারের অধীনে সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে কমিশনারকে কী হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. আইনজীবী
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকারি কর্মচারী
  4. দেওয়ানি আদালত
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি আদালত
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের উপস্থিতি ও জবানবন্দি প্রদান:
১) সমন, হাজিরা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর আরোপিত জরিমানাদি সংক্রান্ত এই আইনের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক না কেন উক্ত কমিশন কর্তৃক এ আদেশের অধীনে সাক্ষ্য প্রদান করার নিমিত্তে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানি আদালত বলে বিবেচিত হবে

২) যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোন সাক্ষী বসবাস করে তিনি প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলে সে সাক্ষী বরাবর বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট ডিভিশন নয়) কমিশনার আবেদন করতে পারেন এবং উক্ত আদালতের ঐচ্ছিক ক্ষমতায় যুক্তিসঙ্গত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে।
.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১২৪ ধারা অনুসারে, বিধি প্রণয়নের প্রয়োজনে বিধি কমিটি কার কাছে রিপোর্ট পেশ করবে?
  1. সরকার
  2. আইন মন্ত্রনালয়
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৪: সুপ্রিম কোর্টে প্রতিবেদন প্রদান-
বিধি কমিটি (Rule Committee) প্রথম তফসিলের নিয়মাবলীর কোনো নিয়ম রহিত, পরিবর্তন অথবা সংযোজন অথবা নতুন কোনো নিয়ম প্রণয়নের প্রস্তাবের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি প্রতিবেদন প্রদান করবে এবং ধারা ১২২ এর অধীনে কোনো নতুন নিয়ম প্রণয়নের পূর্বে সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রতিবেদনটি বিবেচনায় গ্রহণ করবে।

[The Rule Committee shall make a report to the Supreme Court on any proposal to annul, alter or add to the rules in the First Schedule or to make new rules, and before making any rules under section 122 the [Supreme Court] shall take such report into consideration.]
.
আরজি- জবাব কর্তনের আদেশ আদালত কখন দিতে পারেন?
  1. শুনানির শুরুতে
  2. সাক্ষ্যগ্রহণের পরে
  3. কেবল রায় ঘোষণার পরে
  4. মামলার যে কোন পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মামলার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬: আরজি জবাবে কর্তন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।

Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
.
According to Section 78 of The Code of Civil Procedure, 1908, what is the purpose of the commissions issued by foreign courts?
  1. To collect fines or fees
  2. To handle property disputes
  3. To enforce foreign court judgments
  4. To examine the witnesses
সঠিক উত্তর:
To examine the witnesses
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To examine the witnesses
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারার বিধান: বিদেশি আদালত কর্তৃক প্রেরিত কমিশন-
নির্ধারিত এরূপ শর্তাবলি ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, সাক্ষীদের পরীক্ষার নিমিত্তে কমিশন নির্বাহ এবং ফেরত সম্পর্কীয় বিধান নিম্নবর্ণিত আদালত কর্তৃক বা তার অনুরোধে নিযুক্ত কমিশনের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হবে-
ক) বাংলাদেশ বহির্ভূত স্থানে অবস্থিত এবং সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কিংবা পরিচালিত আদালতসমূহ; বা
গ) বাংলাদেশ বহির্ভূত যে কোন রাজ্য বা দেশের কোন আদালত।

Section 78- Commissions issued by foreign Courts:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the provisions as to the execution and return of commissions for the examination of witnesses shall apply to commissions issued by or at the instance of-
(a) Courts situate beyond the limits of Bangladesh and established or continued by the authority of Government, or
(c) Courts of any State or country outside Bangladesh
.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৪১ বিধি ১৭(২) অনুযায়ী, আপিলকারী হাজির থাকলেও রেসপন্ডেন্ট অনুপস্থিত থাকলে কী হবে?
  1. শুনানি বন্ধ থাকবে
  2. আপিল খারিজ হয়ে যাবে
  3. একতরফাভাবে শুনানি চলবে
  4. মামলাটি পুনরায় নোটিশ দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
একতরফাভাবে শুনানি চলবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফাভাবে শুনানি চলবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২১ অনুসারে, আদালত একই সাথে ব্যক্তি ও সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করতে-
  1. বাধ্য
  2. অস্বীকার করতে পারে
  3. বাদীকে নির্দেশ দিবে
  4. জারীকারক কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিবে
সঠিক উত্তর:
অস্বীকার করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্বীকার করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ-২১ বিধি-২১ এর বিধান- যুগপৎ জারি:
 আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় একই সঙ্গে দায়িকের ব্যক্তি ও সম্পত্তির উপর ডিক্রি জারি করতে অস্বীকার করতে পারে

⇒ Order-21 Rule-21- Simultaneous execution: 
The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgment debtor. 
১১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী একতরফাভাবে কোনো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদেশ প্রদত্ত হলে, অপরপক্ষের হাজির হওয়ার কত দিনের মধ্যে আদালত কর্তৃক বিষয়টি নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯, বিধি ৫(ক)(৩):
যদি কোনো বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে অপর কোনো বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে একতরফা (ex-parte) অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করা হয়, তবে—
- বিপক্ষ পক্ষ আদালতে হাজির হওয়ার দিন থেকে সাত (৭) দিনের মধ্যে আদালতকে বিষয়টি মূল বিষয়ের উপর শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে, যতক্ষণ না বিপক্ষ পক্ষের অনুরোধে সময় বৃদ্ধি করা হয়।
- যদি যেই পক্ষের অনুরোধে একতরফা আদেশটি দেওয়া হয়েছিল, সে পক্ষ শুনানির জন্য স্থগিতাদেশ (adjournment) চায়, অথবা আদালতের ডাকে সাড়া না দিয়ে শুনানিতে অনুপস্থিত থাকে, তাহলে অন্য কোনো আদেশ ছাড়াই উক্ত অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞার আদেশটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল (vacated) বলে গণ্য হবে।

Order-39 Rule-5A.(3)-
If any order of ad interim or temporary injunction is passed ex-parte at the instance of a private party against another private party, the Court shall hear and dispose of the matter on merit within seven days of appearance of the opposite party, unless the period is extended further at the instance of the opposite party; and any such order of ad interim or temporary injunction shall stand vacated, if the party at whose instance it was passed, prays for adjournment, or on being called upon by the Court, fails to attend hearing.
১২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৫, বিধি ৪ এর অধীনে কোন পরিস্থিতিতে আদালত মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারেন?
  1. যদি বাদী অনুপস্থিত থাকে
  2. যদি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য প্রয়োজন হয়
  3. যদি বাদী এবং বিবাদী উভয়ে অনুপস্থিত থাকে
  4. যদি বিবাদী সময়মতো উত্তর না দেয়
সঠিক উত্তর:
যদি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য প্রয়োজন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি (১) অনুসারে, যখন বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজের দখলে থাকা দলিলের ওপর নির্ভর করে, তখন তা উপস্থাপন করতে হবে-
  1. শুনানির সময়
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের সময়
  3. লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময়
  4. মামলার রায় ঘোষণার সময়
সঠিক উত্তর:
লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি (১)-

১) ৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার দখলীয় কিংবা ক্ষমতায় রক্ষিত দলিলসমূহের উপর তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বা দাবী সমন্বয় করার দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে নির্ভর করেন, সেক্ষেত্রে তিনি লিখিত বিবৃতি পেশ করার সময় তা আদালতে উপস্থাপন করবে এবং তখনই দলিলসমূহ লিখিত বিবৃতির সাথে নথিভুক্ত করার জন্য দিবে ।

৩) শুনানির সময় বা আদালত তলব করলে তখনই দাখিল করার অঙ্গীকার প্রদান করে ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কিংবা উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি প্রতিস্থাপিত হওয়ার পর প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে আদালত এরূপ দলিলাদি ফেরত প্রদান করতে পারে।

৪) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা পাল্টা দাবীর অধিকার সমর্থনে তার দখলে ব ক্ষমতায় না থাকা অন্য প্রকার দলিলাদির উপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে সে লিখিত বিবৃতির সঙ্গে সংযোজন কিংবা যুক্ত করার জন্য একটি তালিকায় অনুরূপ দলিলাদি অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ঐ দলিলাদি কার দখলে বা ক্ষমতায় আছে তা বর্ণনা করবে।

৫) যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

৬) বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
১৪.
'Supplemental proceedings' - দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ধারা ৭৪
  2. ধারা ৮৪
  3. ধারা ৯৪
  4. ধারা ৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৪: সম্পূরক কার্যধারা (Supplemental Proceedings):
ন্যায়বিচার ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আদালত, যদি প্রযোজ্য হয়, নিম্নলিখিত আদেশসমূহ দিতে পারে—

(ক) বিবাদীকে গ্রেফতারের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত করাতে, যাতে সে ব্যাখ্যা দিতে পারে কেন তাকে জামিনে না রাখা হবে; এবং যদি সে জামিনের আদেশ মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে সিভিল হাজতে প্রেরণ করা যেতে পারে।

(খ) বিবাদীকে নির্দেশ দিতে পারে যে, সে যেন তার নিজস্ব কোনো সম্পত্তি আদালতের নিকট উপস্থাপন করতে জামিন প্রদান করে; অথবা আদালত তার সম্পত্তি সংযুক্ত (attachment) করার আদেশ দিতে পারে।

(গ) আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) প্রদান করতে পারে এবং যদি তা অমান্য করা হয়, তাহলে দোষী ব্যক্তিকে সিভিল হাজতে পাঠানো যেতে পারে এবং তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের আদেশ দেওয়া যেতে পারে।

(ঘ) কোনো সম্পত্তির রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করতে পারে এবং তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালিত না হলে, তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারে।

(ঙ) আদালত এমন অন্যান্য অন্তর্বর্তী আদেশ (Interlocutory Orders) প্রদান করতে পারে যা ন্যায়সঙ্গত ও উপযুক্ত বলে মনে হয়।
১৫.
'Non-Joinder of Parties' বলতে কী বোঝায়?
  1. মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় সাক্ষী অন্তর্ভুক্ত না করা
  2. প্রয়োজনীয় পক্ষদের মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত না করা
  3. উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করা
  4. একাধিক মোকদ্দমায় একত্রিত করা
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পক্ষদের মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত না করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পক্ষদের মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত না করা
ব্যাখ্যা
• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)-

মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে।
অন্যদিকে, উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে। পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে,
বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।

১০(২) নং বিধিমতে,
ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।

অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও, বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারার অধীনে বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে, আরজি বা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেওয়ার জন্য __________ একটি সার্টিফিকেট জারী করতে পারবে।
  1. আদালত
  2. বাদীপক্ষ
  3. মধ্যস্থতাকারী
  4. মোকদ্দমার উভয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক(১১) ধারা-
⇒ ৮৯ক ধারার অধীন কোন মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে, আরজি বা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেওয়ার জন্য আদালত একটি সার্টিফিকেট জারী করতে পারবে এবং তৎপরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যেপক্ষসমূহ উক্ত পরিষোধিত কোর্ট ফি ফেরত পাওয়ার অধিকারী।

Section: 89A(11)-
Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.
১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) এর অধীন মোকদ্দমা পুনর্বহালের আবেদনের সাথে জমাকৃত খরচা কাকে প্রদান করতে হবে?
  1. সরকারকে
  2. আদালতকে
  3. নিজ সাক্ষীকে
  4. মোকদ্দমার অন্য পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার অন্য পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার অন্য পক্ষকে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৭ বিধি ১(৭):
উপ-বিধি (৩) কিংবা (৪) এর অধীন মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে তা শুনানির নিমিত্তে পুনর্বহাল করা হবে না, যদি না যার অমান্যের কারণে মোকদ্দমাটি খারিজ হয় কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তিনি খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে তা পুনর্বহালের আবেদনের সঙ্গে আদালতে দুই হাজার টাকা ব্যায়াদির খরচা জমা প্রদান করেন; এবং অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য কার্যধারা ছাড়িয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করা হবে এবং জমাকৃত খরচা অন্য পক্ষকে দিতে হবে।
১৮.
Under Section 57 of the Code of Civil Procedure, who has the authority to fix the scale of subsistence allowance of judgment-debtors?
  1. The Court
  2. The Government
  3. The Jail Authority
  4. The Decree holder
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৭ ধারা- খোরপোষ ভাতা:
সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।

Section 57: Subsistence allowance-
The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
১৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কোন অবস্থায় দলিল সংশোধনযোগ্য?
  1. দলিল হারিয়ে গেলে
  2. চুক্তি বাতিল হলে
  3. আদালতের নির্দেশে রেজিস্ট্রেশন না হলে
  4. পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের ফলে উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের ফলে উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের ফলে উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:
যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যেকোন পক্ষ বা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং যদি আদালত এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা বা ভুল কার হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করে করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
২০.
সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য চুক্তির এক পক্ষ যদি চুক্তির অন্য অংশ পালন করতে অস্বীকার করে এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দেয়, তাহলে চুক্তির অপর পক্ষ-
  1. শুধু ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে
  2. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে না
  3. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ধারা ২০:
''একটি চুক্তি যা সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য, তা এমনভাবেও বাস্তবায়িত হতে পারে, যদিও সেখানে চুক্তি লংঘনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং বিলম্বকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানের প্রস্তুত থাকে।''

এই ধারায় চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি তুলে ধরছে। এখানে বলা হচ্ছে যে, একটি চুক্তি যদি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে সেটি বাস্তবায়নযোগ্য, যদিও চুক্তিতে লংঘনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং বিলম্বকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানের প্রস্তুতি প্রকাশ করে। অর্থাৎ, যদি একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে শুধুমাত্র বিলম্বকারী পক্ষের ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব আদালতকে বাধ্য করবে না যে চুক্তিটি বাস্তবায়ন না করে শুধু ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করতে হবে। বরং আদালত চুক্তি অনুযায়ী কাজ করার জন্য বিলম্বকারী পক্ষকে নির্দেশ দিতে পারবে। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হল- চুক্তির সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিপূরণের প্রস্তাবকে চুক্তি বাস্তবায়নের বিকল্প হিসাবে না গ্রহণ করা।

⇒ চুক্তির এক পক্ষ যদি চুক্তির অন্য অংশ পালন করতে অস্বীকার করে এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দেয়, তবুও অন্য পক্ষ সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে।
২১.
'খ' কর্তৃক প্রদেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে 'ক', 'খ'- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' মারা গেল। এক্ষেত্রে-
  1. চুক্তি বাতিল হবে
  2. চুক্তি অবৈধ ঘোষণা হবে
  3. 'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
  4. 'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান- যে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে:
চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, খ-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘুর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে খ-কে চুক্তিতে তার অংশের কার্যসম্পদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(খ) খ কর্তৃক দেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ক, খ- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন খ ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন খ-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
২২.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ যদি আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে পূরণ না করা যায়, তবে আদালত কি করতে পারে?
  1. সুনির্দিষ্ট কাজের আদেশ দিতে পারে
  2. সম্মতিভুক্ত কাজ বাতিল করতে পারে
  3. আনুমানিক আর্থিক ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারে
  4. কোন কিছুই করতে পারে না
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট কাজের আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট কাজের আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ১২ অনুসারে,
এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে-
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা:
যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমন ভাবে করা যায়।
২৩.
নিম্নের কোন অবস্থায় ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবি করতে পারে না?
  1. সে যদি চুক্তির বিষয়বস্তু ভালোভাবে বোঝে
  2. সে যদি চুক্তির সব শর্ত মান্য করে
  3. যে যদি আদালতে প্রতিকার না চায়
  4. যে যদি চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে
সঠিক উত্তর:
যে যদি চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে যদি চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান: প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
২৪.
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে -
  1. সম্পূর্ণ দলিল বাতিল হবে
  2. কেবলমাত্র বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে
  3. বাতিলযোগ্য অংশটিও বৈধ বলে গণ্য হবে
  4. দলিলের অবশিষ্ট অংশও অকার্যকর হবে
সঠিক উত্তর:
কেবলমাত্র বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবলমাত্র বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী,
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র সেই বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে। দলিলের অবশিষ্ট অংশগুলি বলবৎ থাকবে।

[Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.]

অর্থাৎ দলিলের সম্পূর্ণ অংশই বাতিল হবে না, শুধু বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বা অকার্যকর হবে। দলিলের অন্যান্য অংশসমূহ যেখানে বৈধ অধিকার সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলি বলবৎ থাকবে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হল একই দলিলের সকল অংশকেই বাতিল না করে, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশকেই বাতিল করা এবং বাকি দলিলটিকে কার্যকর রাখা। এতে দলিলের মূল উদ্দেশ্য বা বৈধ অংশগুলি বলবৎ থাকবে এবং কেবলমাত্র অবৈধ অংশটি বাতিল হবে। এটি দলিলের পক্ষদের স্বার্থরক্ষা করে।
২৫.
When does the court intervene under Section 41 of The Specific Relief Act, 1877?
  1. Only when a fraud is committed
  2. When the parties fail to reach an agreement
  3. When the rectification of an instrument is adjudged
  4. When the cancellation of an instrument is adjudged
সঠিক উত্তর:
When the cancellation of an instrument is adjudged
উত্তর
সঠিক উত্তর:
When the cancellation of an instrument is adjudged
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

The Specific Relief Act, 1877- Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
২৬.
নেতিবাচক নিষেধাজ্ঞা অর্জনের ক্ষেত্রে কোনো বাদীকে তার অংশের পালনীয় কাজের-
  1. অন্তত অর্ধেক সম্পন্ন করতে হবে
  2. অন্তত এক চতুর্থাংশ সম্পন্ন করতে হবে
  3. যতটুকু অবশ্যপালনীয়, ততটুকু অংশ সম্পন্ন করতে হবে
  4. ব্যর্থতা থাকলেও তা কোনো প্রভাব তৈরি করবে না
সঠিক উত্তর:
যতটুকু অবশ্যপালনীয়, ততটুকু অংশ সম্পন্ন করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যতটুকু অবশ্যপালনীয়, ততটুকু অংশ সম্পন্ন করতে হবে
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারা- নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞাঃ
ধারা ৫৬ এর উপধারা-(চ) এর বিধান সত্ত্বেও যেক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করবার সম্মতির সমন্বয়, সেক্ষেত্রে হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কাজ সম্পাদন সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না।

তবে শর্ত থাকে যে, বাদী তার যতটুকু অবশ্যপালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালনে ব্যর্থ হয় নাই।
২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৫ ধারায়, কোন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধুমাত্র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. শুধুমাত্র বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. যেকোনো নির্বাহী অথবা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যেকোনো নির্বাহী অথবা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো নির্বাহী অথবা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৫ ধারা- ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারেন:
যে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী অথবা বিচারিক, তিনি যে স্থানটির তল্লাশী করার জন্য উপযুক্ত, সেসব স্থানে তল্লাশী করার জন্য তিনি নিজের উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনা করার নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 105- Magistrate may direct search in his presence:
Any Magistrate, whether Executive or Judicial] may direct a search to be made in his presence of any place for the search of which he is competent to issue a search-warrant.
২৮.
রাষ্ট্রদ্রোহিতা সংক্রান্ত অপরাধ আমলে নেওয়া যাবে-
  1. আদালতের স্বপ্রণোদিত আদেশে
  2. ব্যক্তিগত অভিযোগের ভিত্তিতে
  3. পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে
  4. সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৯৬ ধারা অনুযায়ী- রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে

• ১৯৭ ধারা অনুযায়ী- বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবে না।

• ১৯৮ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।

• ১৯৯ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার অধীন ব্যভিচার [Adultery] বা ৪৯৮ ধারায় অপরাধজনক উদ্দেশ্যে বিবাহিত নারীকে প্ররোচিত করে নিয়ে যাওয়া অপরাধের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীর স্বামী কর্তৃক বা স্বামীর অনুপস্থিতিতে উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় যে সকল লোকজন উক্ত মহিলাকে দেখাশোনা করতো, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমলে নেয়া যাবে।
২৯.
একজন ব্যক্তি পুলিশের সামনে একটি আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করল, কিন্তু নিজের নাম-ঠিকানা বলতে অস্বীকৃতি জানাল। এক্ষেত্রে পুলিশ-
  1. তাকে জরিমানা করবেন
  2. অন্য কোনো অফিসারের মাধ্যমে তদন্ত করবেন
  3. কোর্টের নির্দেশ ছাড়া তাকে আটক রাখতে পারবে না
  4. প্রকৃত নাম-ঠিকানা জানার জন্য তাকে গ্রেফতার করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত নাম-ঠিকানা জানার জন্য তাকে গ্রেফতার করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত নাম-ঠিকানা জানার জন্য তাকে গ্রেফতার করতে পারবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান- নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি-

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।

(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
৩০.
সরকার কর্তৃক কোনো প্রকাশনা বাজেয়াপ্তির ঘোষণা বাতিল করার জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনের কত জন বিচারক নিয়ে স্পেশাল বেঞ্চ গঠিত হবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানী: 
তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

Section 99C: Hearing by Special Bench: Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges.  
৩১.
জারিকারক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরে ফৌজদারি সমন কার মাধ্যমে জারী করা হবে?
  1. হাইকোর্ট
  2. এখতিয়ারধীন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. উক্ত এলাকার পুলিশ কমিশনার
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারধীন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারধীন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৩ ধারার বিধান- স্থানীয় সীমার বাহিরে সমন জারী:
যেক্ষেত্রে কোন আদালত উক্ত আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সমন উক্ত আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরের কোন স্থানে জারী করতে চান, সেক্ষেত্রে সমনকৃত ব্যক্তি যে ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে থাকে বা বাস করে, উক্ত আদালত সাধারণ অবস্থায় দুই কপি সমন সেই ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাবেন এবং সেখানে উক্ত সমন জারী হবে।

Section: 73: Service of summons outside local limits:
When a Court desires that a summons issued by it shall be served at any place outside the local limits of its jurisdiction, it shall ordinarily send such summons in duplicate to a Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the person summoned resides or is, to be there served.
৩২.
What must be done when a charge is altered or added under Section 227(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. It must be signed by the judge
  2. It must be read and explained to the complainant
  3. It must be read and explained to the accused
  4. It must be reported to the police
সঠিক উত্তর:
It must be read and explained to the accused
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It must be read and explained to the accused
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 227: Court may alter charge-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৪(২) ধারার বিধান অনুযায়ী, _______________ ব্যতিরেকে, অন্য কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেকটি স্থগিত বা মুলতবি সংক্রান্ত আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আপিল বিভাগ
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৩৪.
চুরির অপরাধের ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করা যাবে, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য অনধিক-
  1. ২৫ হাজার টাকা
  2. ২০ হাজার টাকা
  3. ১৫ হাজার টাকা
  4. ১০ হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা হয়-
> মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ২ বছরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় নয় এরূপ অপরাধ;
> ৩২৩ ধারা অনুসারে আঘাত;
> ৩৭৯,৩৮০ বা ৩৮১ ধারা অনুসারে চুরি, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়;
> ৪০৩ ধারা অনুসারে অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ, ৪১১ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গ্রহণ বা রাখা, ৪০৪ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গোপন বা হস্তান্তর করতে সাহায্য করা, যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়;
> একই বিধির ৪২৬ ও ৪২৭ ধারা অনুসারে ক্ষতিসাধন, ৪৪৭ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ এবং ৪৪৮ ধারা অনুসারে গৃহে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং ৪৫১,8৫৩,8৫৪,8৫৬ ও ৪৫৭ ধারা অনুসারে অপরাধ;
> ৫০৪ ধারা অনুসারে শান্তিভঙ্গের উচ্চানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে অপমান করা এবং ৫০৬ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ এবং ৫০৯ ও ৫১০ অনুসারে অপরাধসমূহ;
> ১৭১ ও ১৭১৯ ধারা অনুসারে কোন নির্বাচনে ঘুষ নেয়ার এবং এক ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য ব্যক্তি ব্যবহারকরণের অপরাধ: এবং
উপরোক্ত অপরাধসমূহের যেকোন একটি সংঘটনে সহায়তা করা।
৩৫.
তদন্ত শেষে যদি পুলিশ অফিসার মনে করেন অভিযোগের পক্ষে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ আছে, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ধারা ১৭০ অনুযায়ী তাকে কী করতে হবে?
  1. অভিযুক্তকে থানায় প্রেরণ করতে হবে
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে হবে
  3. অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে হবে
  4. অভিযুক্তকে সাক্ষ্য প্রমাণ আনতে নির্দেশ দিবেন
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭০: সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যাপ্ত হলে মামলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-

উপধারা (১):
যদি পুলিশ তদন্তে দেখতে পান যে অভিযোগে যথেষ্ট প্রমাণ বা যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি আছে, তাহলে:
- অভিযুক্তকে হেফাজতে রেখে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে হবে, অথবা
- যদি অপরাধ জামিনযোগ্য হয় এবং অভিযুক্ত জামিন দিতে সক্ষম হয়, তাহলে তার কাছ থেকে নির্ধারিত দিনে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজিরার জন্য জামিন গ্রহণ করতে হবে।

উপধারা (২):
যখন পুলিশ অফিসার অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করেন বা তার কাছ থেকে জামিন নেন, তখন:
- যেসব অস্ত্র বা বস্তু মামলার প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক, তা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠাতে হবে।
- অভিযোগকারী এবং মামলার প্রাসঙ্গিক সাক্ষীদের বন্ডে স্বাক্ষর করাতে হবে, যেন তারা আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য প্রদান বা অভিযোগ অনুসরণ করেন।

উপধারা (৩):
যদি বন্ডে প্রধান মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের নাম উল্লেখ থাকে, তাহলে:
- সেই আদালত বলতে যে কোন আদালতকে বোঝানো হবে যেখানে ঐ ম্যাজিস্ট্রেট মামলা তদন্ত বা বিচারকার্যের জন্য প্রেরণ করতে পারেন — শর্ত হলো, অভিযোগকারী বা সাক্ষীদের যথাযথভাবে এই স্থানান্তরের বিষয়ে নোটিশ দিতে হবে।

 উপধারা (৫):
যে পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে বন্ড সম্পাদিত হয়:
- তিনি বন্ডের একটি কপি স্বাক্ষরকারী ব্যক্তিকে দেবেন, এবং
- মূল বন্ড ও তার প্রতিবেদন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাবেন।
৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৫(২) অনুসারে, একটি অপরাধমূলকে কার্য যদি দুই বা ততোধিক পৃথক সংজ্ঞার অধীনে পড়ে, তবে-
  1. শুধুমাত্র গুরুতর অপরাধে বিচার হবে
  2. একাধিক মামলায় বিচার করতে হবে
  3. একটি চার্জ গঠন করে একাধিক মামলায় বিচার করতে হবে
  4. একাধিক চার্জ গঠন করে একই মামলায় বিচার করা যাবে
সঠিক উত্তর:
একাধিক চার্জ গঠন করে একই মামলায় বিচার করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক চার্জ গঠন করে একই মামলায় বিচার করা যাবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৩৫: একাধিক অপরাধের বিচার (Trial more than one offence):

(১) পর পর সংঘটিত কতিপয় কার্য যদি পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কার্যগুলি একটিমাত্র কার্যের শামিল এবং একই ব্যক্তি উক্ত কার্য সম্পর্কিত বিষয়ে একাধিক অপরাধ সংঘটিত করে থাকলে এ ধরণের প্রত্যেক অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে একটিমাত্র মামলায় তার বিচার সম্পন্ন করা যেতে পারে।

(২) দুটি সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত অপরাধঃ
অভিযোগকৃত কার্যসমূহ যেক্ষেত্রে এরূপ একটি অপরাধ সৃষ্টি করে, যা বর্তমানে কার্যকর এরূপ কোন আইনের, যা দ্বারা অপরাধের সংজ্ঞা দণ্ড প্রদান করা হয় তার দুই বা ততোধিক পৃথক সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় বিচার করা যেতে পারে।

(৩) একাধিক কার্য যেক্ষেত্রে একই ধরণের অপরাধ,কিন্তু একত্রিত করা হলে ভিন্নরূপ অপরাধে পরিণত হয়ঃ
কতিপয় কার্যের মধ্যে একটি কার্য একটি কার্য এককভাবে বা একাধিক কার্য একত্রে একটি অপরাধের সৃষ্টি করলে উক্ত অপরাধসমূহে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্ত মিলিত কার্যাদির অপরাধ বা একটি কার্যের একক অপরাধ বা সংযুক্ত একাধিক কার্যের অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় তার বিচার করা যেতে পারে।

(৪) এই ধারায় এরূপ কিছু নেই যা দণ্ডবিধির ধারা ৭১ এর বিধানকে প্রভাবিত করে।
৩৭.
যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৯২, ২৯৩, ৫০১ বা ৫০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২১ ধারার অধীনে আদালত আদেশ দিতে পারে যে উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সকল অনুলিপি-
  1. ধ্বংস করা হবে
  2. আদালতে জমা দিতে হবে
  3. অভিযুক্ত পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে
  4. আদালতে সংরক্ষণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
ধ্বংস করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্বংস করা হবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২১- মানহানিকর ও অন্যান্য বস্তু ধ্বংস করার আদেশ:
(১) যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৯২, ২৯৩, ৫০১ বা ৫০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত আদেশ দিতে পারে যে, উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সকল অনুলিপি (যা আদালতের হেফাজতে রয়েছে বা দোষী ব্যক্তির দখলে রয়েছে) ধ্বংস করা হবে।

(২) একইভাবে, যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৭২, ২৭৩, ২৭৪ বা ২৭৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত খাদ্য, পানীয়, ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী ধ্বংস করার নির্দেশ দিতে পারে।
৩৮.
"আমলযোগ্য অপরাধ" ও "আমলযোগ্য মামলা" সংজ্ঞাটি The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ৪(১)(গ)
  2. ধারা ৪(১)(ঙ)
  3. ধারা ৪(১)(চ)
  4. ধারা ৪(১)(জ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪(১)(চ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪(১)(চ)
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি- ধারা: ৪(১) এর (চ):
"আমলযোগ্য অপরাধ" বলতে এমন অপরাধ বোঝায় এবং "আমলযোগ্য মামলা" বলতে এমন মামলা বোঝায়, যার ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসার দ্বিতীয় তফসিল অনুযায়ী বা প্রচলিত কোনো আইনের অধীনে পরোয়ানা ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারেন।

["cognizable offence" means an offence for, and "cognizable case" means a case in, which a Police-officer, may, in accordance with the second schedule or under any law for the time being in force, arrest without warrant:]
৩৯.
আনিস দোষ স্বীকার করায় আদালত তাকে দণ্ড প্রদান করেন। কিন্তু পরে সে দাবি করে, দণ্ড দেওয়ার সময় বিচারক আইন অনুসরণ করেননি। এক্ষেত্রে, আনিস ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ ধারায় দণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে -
  1. মামলা স্থগিত করতে পারে
  2. আপিল করতে পারে
  3. মামলা প্রত্যাহার করতে পারে
  4. উচ্চ আদালতে রায় বাতিলের আবেদন করতে পারে
সঠিক উত্তর:
আপিল করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

Section: 412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty:
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারাটি General Clauses Act এর কোন ধারাকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৩: একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না

(১) যে ব্যক্তি কোনো আদালতের আইনি অধিকারভুক্ত বিচারাধীন কোন অপরাধে একবার বিচারিত হয়ে দণ্ডিত বা খালাস প্রাপ্ত হয়েছে, তার এই দণ্ড বা খালাস প্রযোজ্য থাকা অবস্থায়, তাকে একই অপরাধের জন্য আবার বিচার করা যাবে না, এবং একে বাদ দিয়ে যে কোনো অপরাধের জন্যও বিচার করা যাবে না, যা তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত হতে পারত, যা ধারা ২৩৬ অনুযায়ী পৃথক অভিযোগের মাধ্যমে করা যেত, অথবা যা সে ধারা ২৩৭ অনুযায়ী দণ্ডিত হতে পারত।

(২) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে খালাস বা দণ্ডিত হয়েছে, তাকে পরবর্তীতে অন্য কোনো আলাদা অপরাধের জন্য বিচার করা যেতে পারে, যদি সেই অপরাধটি তার পূর্ববর্তী বিচারাধীন মামলায় ধারা ২৩৫(১) অনুযায়ী আলাদা অভিযোগ হিসেবে তার বিরুদ্ধে আনা হতে পারত।

(৩) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে এবং সে অপরাধের ফলে কোনো অন্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, যা তার প্রথম দণ্ডিত অপরাধ থেকে পৃথক ছিল, তাকে পরবর্তীতে সেই অপরাধের জন্য বিচার করা যেতে পারে, যদি অপরাধের ফলাফল তখন ঘটেনি বা আদালত জানত না যে তা ঘটেছে।

(৪) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে খালাস বা দণ্ডিত হয়েছে এবং সে অপরাধটি যে কোনো কাজ দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল, তাকে সেই একই কাজ দ্বারা সংঘটিত অন্য কোনো অপরাধের জন্য পরবর্তীতে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে, যদি প্রথমে বিচারকারী আদালত সেই অপরাধের বিচার করার জন্য যোগ্য না ছিল।

(৫) এই ধারায় কোনো কিছুই General Clauses Act, ১৮৯৭ এর ধারা ২৬ বা এই কোডের ধারা ১৮৮ এর বিধানকে প্রভাবিত করবে না।
৪১.
According to Section 382 of the Code of Criminal Procedure, 1898, which court is authorized for postponing the capital sentence of a pregnant woman?
  1. The High Court Division
  2. The Magistrate Court
  3. The Sessions Court
  4. All of above
সঠিক উত্তর:
The High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The High Court Division
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-382: Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life. 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীন গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়। মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হয়, তবে কী হবে?
  1. আদালত তার বিরুদ্ধে অনুমান করতে পারবে
  2. মামলার যেকোনো পক্ষ সেই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবে
  3. আদালত তার বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করবে
  4. মামলার কোনো পক্ষ সে বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
মামলার কোনো পক্ষ সে বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার কোনো পক্ষ সে বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।

তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।
৪৩.
'দণ্ড হ্রাসের শর্ত অমান্য করার ফলাফল'- দণ্ডবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ২২১
  2. ধারা ২২৩
  3. ধারা ২২৫
  4. ধারা ২২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২৭
ব্যাখ্যা
ধারা ২২৭- দণ্ড হ্রাসের শর্ত অমান্য করা:
যে লােক, কোন শর্তাধীনে দণ্ড হ্রাসের সুবিধা গ্রহণ করার পর, যে শর্তের উপর ভিত্তি করে এরূপ দণ্ড হ্রাসের সুবিধা মঞ্জুর করা হয়েছিল, জ্ঞাতসারে সেই শর্ত অমান্য করে, সেই লােক, সে ইতিমধ্যেই ঐ দণ্ডের কোন অংশ ভােগ না করে থাকলে, তাকে মূলত যে দণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়েছিল সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে ও সে ঐ দণ্ডের কোন অংশ ভােগ করে থাকলে সে ইতিমধ্যেই দণ্ডের যেই অংশ ভােগ করে নি, সেই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 227- Violation of condition of remission of punishment:
Whoever, having accepted any conditional remission of punishment, knowingly violates any condition on which such remission was granted, shall be punished with the punishment to which he was originally sentenced, if he has already suffered no part of that punishment, and if he has suffered any part of that punishment, then with so much of that punishment as he has not already suffered.
৪৪.
'Fraudulently’- এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ২২ ধারায়
  2. ২৩ ধারায়
  3. ২৪ ধারায়
  4. ২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ - ধারা ২৫: "প্রতারণাপূর্বক" (Fraudulently)-
যদি কোন ব্যক্তি কোন কাজ প্রতারণার অভিপ্রায়ে করে, তবে এবং কেবলমাত্র তখনই সেই ব্যক্তি উক্ত কাজটি ‘প্রতারণাপূর্বক’ করেছে বলে গণ্য হবে।
[A person is said to do a thing fraudulently if he does that thing with intent to defraud but not otherwise.]
৪৫.
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান অনুসারে, দস্যুতার ফলে হস্তান্তরিত সম্পত্তিকে ____________ বলে।
  1. চোরাই মাল
  2. ডাকাতির মাল
  3. দস্যুতার মাল
  4. বলপূর্বক গ্রহণের মাল
সঠিক উত্তর:
চোরাই মাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোরাই মাল
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান- চোরাই সম্পত্তি:
চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে, যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
৪৬.
The punishment under Section 392 of the Penal Code is applicable to a person who is found guilty of:
  1. Assault
  2. Robbery
  3. Extortion
  4. Dacoity
সঠিক উত্তর:
Robbery
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Robbery
ব্যাখ্যা
The Penal Code, 1860: Section 392. Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
৪৭.
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় কয়টি অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় বলা হয়েছে,
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করলে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

এই ধারায় মূলত ৩টি ভিন্ন ভিন্ন কার্যকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে:
১. যুদ্ধ ঘোষণা করা (Waging war);
২. যুদ্ধ ঘোষণার চেষ্টা করা (Attempting to wage war);
3. যুদ্ধ ঘোষণা করতে সহায়তা করা বা প্ররোচিত করা (Abetting the waging of war)।
৪৮.
দণ্ডবিধির কোন অধ্যায়ে 'মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ' আলোচনা করা হয়েছে?
  1. চতুর্থ অধ্যায়
  2. ষষ্ঠ অধ্যায়
  3. ষোড়শ অধ্যায়
  4. বিংশ অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ অধ্যায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

- গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
৪৯.
The Penal Code, 1860 এর ধারা ৫০৬ অনুযায়ী, অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শনের জন্য সর্বোচ্চ কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৩: অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন-
যদি কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে তার ব্যক্তি, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতির হুমকি দেয়, অথবা সেই ব্যক্তির আগ্রহসম্পন্ন অন্য কারো ব্যক্তি বা সুনামের ক্ষতির হুমকি দেয়, এবং এর মাধ্যমে তাকে ভীত করার উদ্দেশ্যে, অথবা তাকে এমন কোনো কাজ করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে যা সে আইনত বাধ্য নয়, অথবা তাকে এমন কোনো কাজ না করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে যা সে আইনত করতে অধিকারী, তাহলে তা অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন হিসেবে গণ্য হবে।​

ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সুনাম ক্ষতির হুমকি দেয়, এবং সেই মৃত ব্যক্তি হুমকিপ্রাপ্ত ব্যক্তির আগ্রহসম্পন্ন হন, তবে সেটিও এই ধারার অন্তর্ভুক্ত হবে।​

ধারা ৫০৬: অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শনের শাস্তি-
যে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন করেন, তিনি সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
৫০.
একজন ব্যক্তি ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ের কারণে ৩ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। যদি সেই অর্থদণ্ড আইনগত প্রক্রিয়ায় আদায় হয়, তবে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৬৮ অনুযায়ী আসামীর কী হবে?
  1. অতিরিক্ত অর্থদণ্ড আরোপ হবে
  2. কারাদণ্ড অবসান হবে
  3. কারাদণ্ড অব্যাহত থাকবে
  4. নতুন মামলা দায়ের হবে
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড অবসান হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড অবসান হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৬৮ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:
যে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে অর্থদণ্ড প্রদত্ত হলে অথবা আইনগত কার্যক্রমের মাধ্যমে আদায়ীকৃত হলে আসামীর কারামুক্তি হবে।

উদাহরণ:
একজন ব্যক্তি ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ের কারণে ৩ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। যদি তিনি সেই অর্থদণ্ড পরিশোধ করেন বা তা আইনগত প্রক্রিয়ায় আদায় হয়, তবে তার কারাদণ্ড অবসান হবে।

⇒ Section 68- Imprisonment to terminate on payment of fine:
The imprisonment which is imposed in default of payment of a fine shall terminate whenever that fine is either paid or levied by process of law.
৫১.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০০-এর ব্যতিক্রম ১ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে নরহত্যা খুন হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. যদি ভুক্তভোগী স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণে সম্মতি প্রদান করে
  2. যদি হত্যাকারী প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে হত্যা করে
  3. যদি হত্যাকারী আকস্মিক প্ররোচনার ফলে আত্ম-সংযম হারিয়ে ফেলে
  4. যদি হত্যাকারী একজন সরকারী কর্মচারী হন এবং আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেন
সঠিক উত্তর:
যদি হত্যাকারী আকস্মিক প্ররোচনার ফলে আত্ম-সংযম হারিয়ে ফেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি হত্যাকারী আকস্মিক প্ররোচনার ফলে আত্ম-সংযম হারিয়ে ফেলে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান- খুন:

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ-

শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:-
 শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
৫২.
সরকারি কর্মচারীকে দাঙ্গা দমনের সময় বাধাদান করলে The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. ১৪৯ ধারায়
  2. ১৫০ ধারায়
  3. ১৫২ ধারায়
  4. ১৫৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারী কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:-
-কোন সরকারী কর্মচারী অনুরূপ সরকারী কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৫৩.
What does "mischief" mean under Section 425 of the Penal Code, 1860?
  1. Accidentally breaking something
  2. Playing harmless pranks
  3. Intentionally damaging property to cause loss
  4. Borrowing property without permission
সঠিক উত্তর:
Intentionally damaging property to cause loss
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intentionally damaging property to cause loss
ব্যাখ্যা
⇒ Section 425: Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".

Explanation 1- It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.

Explanation 2- Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:
 কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:-
 ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।

ব্যাখ্যা ২:-
 যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
৫৪.
কোনো ব্যক্তি যদি মিথ্যা দলিল তৈরি করে কাউকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করে, তবে এটি দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় তা কোন অপরাধের অন্তর্ভুক্ত?
  1. চুরি
  2. দুর্নীতি
  3. প্রতারণা
  4. জালিয়াতি
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান- জালিয়াতি:
 কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-----------
Section 463- Forgery: 
Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.
৫৫.
কোন ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে?
  1. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাংলাদেশি কোন নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ
  2. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিদেশি নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ
  3. বাংলাদেশের নিবন্ধিত জাহাজে বা বিমানে বিদেশি নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
৫৬.
অপরাধ সংঘটনে জনসাধারণ বা দশজনের অধিক ব্যক্তির দ্বারা প্ররোচনা প্রদানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১১৭ ধারা: জনসাধারণ বা দশজনের অধিক ব্যক্তির দ্বারা অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান:
যদি কোনো ব্যক্তি জনসাধারণ বা দশজনের অধিক কোনো শ্রেণীর বা দলের সদস্যদের দ্বারা কোনো অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করেন, তবে তাকে তিন বছরের পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।​

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কোনো ব্যক্তি জনসমক্ষে একটি পোস্টার স্থাপন করেন যাতে দশজনের অধিক সদস্যবিশিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে নির্দিষ্ট সময়ে ও স্থানে সমবেত হয়ে প্রতিপক্ষ গোষ্ঠীর সদস্যদের উপর আক্রমণ করার জন্য উত্সাহিত করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি দণ্ডবিধির ১১৭ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন।
৫৭.
রিয়াদ তার স্ত্রীর জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করেন, যার ফলে তিনি দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হন। রিয়াদকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা- স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা:
কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে

ব্যতিক্রম:
অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
৫৮.
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায় কোন বয়সসীমার নিচে ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
 যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৫৯.
According to Section 94 of The Penal Code, 1860, An act committed under threat is not an offence if the threat creates a reasonable apprehension of:
  1. Instant death
  2. Loss of property
  3. Immediate physical harm
  4. All of above
সঠিক উত্তর:
Instant death
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Instant death
ব্যাখ্যা
Section 94- Act to which a person is compelled by threats:
Except murder, and offences against the State punishable with death, nothing is an offence which is done by a person who is compelled to do it by threats, which, at the time of doing it, reasonably cause the apprehension that instant death to that person will otherwise be the consequence: Provided the person doing the act did not of his own accord, or from a reasonable apprehension of harm to himself short of instant death, place himself in the situation by which he became subject to such constraint. 
 
Explanation 1.-A person who, of his own accord, or by reason of a threat of being beaten, joins a gang of dacoits, knowing their character, is not entitled to the benefit of this exception on the ground of his having been compelled by his associates to do anything that is an offence by law. 
 
Explanation 2.-A person seized by a gang of dacoits, and forced by threat of instant death, to do a thing which is an offence by law; for example, a smith compelled to take his tools and to force the door of a house for the dacoits to enter and plunder it, is entitled to the benefit of this exception.

ধারা ৯৪: হুমকির মাধ্যমে বাধ্য করা হলে যে কাজ অপরাধ নয়:
হত্যা এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত, কোনো ব্যক্তি যদি হুমকির কারণে এমন কোনো কাজ করতে বাধ্য হয়, যা তার কাছে তখন এমনভাবে উপলব্ধি হয় যে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে, তবে সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

শর্ত: যদি কাজটি করা ব্যক্তি তার ইচ্ছায় বা তাৎক্ষণিক মৃত্যুর আশঙ্কা ছাড়া অন্য ক্ষতির কারণে এমন অবস্থানে নিজেকে না নিয়ে থাকে, যে কারণে তাকে এমন হুমকির অধীন হতে হয়েছে।

ব্যাখ্যা ১: কোনো ব্যক্তি যদি তার নিজের ইচ্ছায় বা মার খাওয়ার ভয়ে দস্যুদের একটি গ্যাং-এ যোগ দেয় এবং গ্যাংয়ের প্রকৃতি সম্পর্কে জানে, তাহলে তার সহযোগীদের দ্বারা তাকে বাধ্য করা হলে, আইনত যা অপরাধ, সেই কাজ করার ক্ষেত্রে এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকার তার থাকবে না।

ব্যাখ্যা ২: কোনো ব্যক্তি যদি দস্যুদের একটি গ্যাং-এর দ্বারা ধরে নিয়ে গিয়ে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর হুমকির মাধ্যমে বাধ্য হয় কোনো অপরাধমূলক কাজ করতে, যেমন একজন লৌহশিল্পীকে তার সরঞ্জাম ব্যবহার করে বাড়ির দরজা খুলতে বাধ্য করা হয় যাতে দস্যুরা বাড়িতে প্রবেশ করে লুটপাট করতে পারে, তাহলে সেই ব্যক্তি এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবে।
৬০.
A, একজন সরকারি কর্মকর্তা, যাকে আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি সে ইচ্ছাকৃতভাবে সেই নির্দেশ না মানে এবং জানে যে এর ফলে Z এর ক্ষতি হবে, তাহলে A দণ্ডবিধির ______ধারার অধীনে অপরাধ করেছে এবং শাস্তি পাবে।
  1. ১৬৬
  2. ১৬৮
  3. ১৭০
  4. ১৭২
সঠিক উত্তর:
১৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৬
ব্যাখ্যা
আইন লঙ্ঘনকারী সরকারি কর্মচারী, যার উদ্দেশ্য অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি করা (দণ্ডবিধির- ধারা ১৬৬)
যে ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী হিসেবে, আইন অনুযায়ী যে ভাবে তার কর্তব্য পালন করতে হবে তা জানার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে আইন লঙ্ঘন করে, এবং জানে বা ধারণা করে যে তার এই অমান্যতার ফলে কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তি এক বছরের জন্য সাধারণ কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়ই হতে পারে।

উদাহরণ:
ক, একজন কর্মকর্তা, আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি কার্যকর করতে নির্দেশপ্রাপ্ত, যাতে খ এর পক্ষে আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক চূড়ান্ত নিষ্পত্তি ঘটাতে পারে, যদি সে সচেতনভাবে সেই নির্দেশ অমান্য করে এবং জানে যে এর ফলে খ এর ক্ষতি হতে পারে, তাহলে এ ব্যক্তি উক্ত ধারায় অপরাধ করেছেন।
৬১.
'ক' আদালতে এমন একটি দলিলের অস্তিত্বের কথা উপস্থাপন করলো, যেই দলিলটি স্থানান্তরযোগ্য নয়। এরূপ অবস্থায় আদালত এটি কীভাবে প্রমাণ করার নির্দেশ দেবেন?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  3. বিচারক দলিলটি নিজেই পরিদর্শন করবেন
  4. বর্ণিত যেকোনো উপায় অনুসারে
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপঃ
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
৬২.
According to Section 138 of The Evidence Act, 1872, what is the correct order of examining a witness?
  1. Cross-examination → Re-examination → Examination-in-chief
  2. Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
  3. Re-examination → Cross-examination → Examination-in-chief
  4. Cross-examination → Examination-in-chief → Re-examination
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872- Section 138: Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়। জবানবন্দি গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে, তবে জেরা কেবল মূল সাক্ষ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
৬৩.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১২৪ অনুযায়ী একজন সরকারি কর্মকর্তা যদি মনে করেন, যোগাযোগ প্রকাশ করলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তবে—
  1. আদালত তাকে প্রকাশে বাধ্য করতে পারে
  2. আদালত তাকে প্রকাশে বাধ্য করতে পারে না
  3. আদালত তার মতামত উপেক্ষা করতে পারে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আদালত তাকে প্রকাশে বাধ্য করতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত তাকে প্রকাশে বাধ্য করতে পারে না
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872- ধারা ১২৪: সরকারি যোগাযোগ:
কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে তাঁর কাছে সরকারি গোপনীয়তায় করা যোগাযোগ প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না, যখন তিনি মনে করেন যে এই প্রকাশের ফলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

[No public officer shall be compelled to disclose communications made to him in official confidence, when he considers that the public interests would suffer by the disclosure.]
৬৪.
যথাযথ কারণ ছাড়া প্রশ্ন করা হলে, প্রশ্নকারী আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে রিপোর্ট দিতে পারেন?
  1. ১৪৮ ধারা
  2. ১৪৯ ধারা
  3. ১৫০ ধারা
  4. ১৫৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫০ - যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে আদালতের পদ্ধতি:
যদি আদালত মনে করে যে, কোন প্রশ্ন যথাযথ কারণ ছাড়া করা হয়েছে, তবে সে প্রশ্ন যদি কোনো অ্যাডভোকেট দ্বারা করা হয়, তাহলে আদালত ঐ প্রশ্নের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তা উক্ত অ্যাডভোকেটের পেশাগত দায়িত্বের অধীন হাইকোর্ট বিভাগ বা অন্য যে কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করতে পারে।
৬৫.
সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুসারে, আদালত কিভাবে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি সম্পর্কে ধরে নেবে?
  1. The Court may presume the presence of such circumstances
  2. The Court may presume the absence of such circumstances
  3. The Court shall presume the presence of such circumstances
  4. The Court shall presume the absence of such circumstance
সঠিক উত্তর:
The Court shall presume the absence of such circumstance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Court shall presume the absence of such circumstance
ব্যাখ্যা
Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.

• ধারা ১০৫ - অভিযুক্তের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমের অধীনে প্রমাণের দায়িত্ব:
যখন কোনো ব্যক্তি অপরাধের জন্য অভিযুক্ত হন, তখন সে ব্যক্তি (অভিযুক্ত) এর দায়িত্ব যে, পেনাল কোডের সাধারণ ব্যতিক্রম বা অন্য কোনো বিশেষ ব্যতিক্রম বা proviso (যে কোনো বিশেষ বিধি বা শর্ত যা একই কোড বা অন্য কোনো আইনে অপরাধের সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে) অনুসারে তার মামলার ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি প্রমাণ করতে হবে।

এছাড়া, আদালত এই পরিস্থিতির অনুপস্থিতি (absence of such circumstances) অনুমান করবে, অর্থাৎ, অভিযুক্তকে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি প্রমাণ করতে হবে এবং আদালত এই পরিস্থিতি না থাকার বিষয়টিকে স্বাভাবিক ধরে নেবে।
৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪ অনুসারে, অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র সাধারণত:
  1. সর্বদা প্রাসঙ্গিক
  2. কেবলমাত্র সাক্ষীর মাধ্যমে প্রমাণযোগ্য
  3. অপ্রাসঙ্গিক, যদি না ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেওয়া হয়
  4. কখনোই আদালতে উপস্থাপনযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক, যদি না ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেওয়া হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক, যদি না ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেওয়া হয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪:
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক, যদি না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ দেওয়া হয়, যার ফলে তার খারাপ চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।

ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।
৬৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭০ অনুযায়ী স্বাক্ষরকারী দলিল স্বীকার করলে, সাক্ষী না থাকলেও তা-
  1. গ্রহণযোগ্য নয়
  2. বাতিল বলে বিবেচিত হবে
  3. প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
ধারা ৭০: স্বাক্ষরিত দলিলের সম্পাদন স্বীকারোক্তি:
"যে ব্যক্তি কোন সাক্ষীকৃত দলিলে স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিজে দলিলটি সম্পাদন করেছেন তা যদি স্বীকার করেন, তবে এটি তার বিরুদ্ধে দলিলটির সম্পাদনের জন্য যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে—যদিও আইন অনুযায়ী দলিলটিতে সাক্ষী থাকা আবশ্যক।"

[The admission of a party to an attested document of its execution by himself shall be sufficient proof of its execution as against him, though it be a document required by law to be attested.]
৬৮.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৫৭ এর আওতায় জুডিশিয়াল নোটিশ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. সংসদের কার্যক্রম
  2. ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
  3. সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে- আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন [Facts of which Court must take judicial notice].
 
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ;
iii) সংসদের কার্যসমূহ;
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা;
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

⇒ 'ব্যক্তিগত চিঠিপত্র'- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৫৭ এর আওতায় জুডিশিয়াল নোটিশ হিসেবে গণ্য হবে না।
৬৯.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারা অনুযায়ী, কোন অনুপযুক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান কখন মামলার পুনর্বিচারের কারণ হতে পারে না?
  1. যখন সাক্ষ্যটি আদালতের আদেশ অনুযায়ী উপস্থাপিত হয়
  2. যখন সাক্ষ্যটি প্রধান সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়
  3. যখন উক্ত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ছিল
  4. যখন উক্ত সাক্ষ্যের কারণে মামলার রায় পুরোপুরি পরিবর্তিত হতে পারত
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ছিল
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
যদি কোন মামলায় কোন সাক্ষ্য অনুপযুক্তভাবে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করা হয়, তবুও শুধুমাত্র এই কারণে মামলাটির পুনরায় বিচার বা কোন সিদ্ধান্ত বাতিল করা যাবে না—যদি আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, যেই সাক্ষ্যকে নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে তা ছাড়াও সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ছিল, অথবা যে সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল, তা গ্রহণ করা হলেও সিদ্ধান্তে কোন পরিবর্তন আসত না।

Section 167⇒ No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
৭০.
'ক' তার হিসাবের খাতায় 'খ' এর নিকট ১০০০ টাকা পাওনার কথা লিখেছে এবং কোর্টে তা উপস্থাপন করেছে। 'ক' কি কেবল খাতা দেখিয়েই প্রমাণ করতে পারবে যে, 'খ' এর নিকট তার টাকা পাওনা?
  1. হ্যাঁ, কারণ এটা তার ব্যবসার হিসাব
  2. হ্যাঁ, যদি খাতা নোটারী পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত হয়
  3. হ্যাঁ, আদালতের রায় অনুযায়ী যদি তা প্রমাণিত হয়
  4. না, কারণ হিসাবের খাতা একক সাক্ষ্য হিসেবে যথেষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
না, কারণ হিসাবের খাতা একক সাক্ষ্য হিসেবে যথেষ্ট নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
না, কারণ হিসাবের খাতা একক সাক্ষ্য হিসেবে যথেষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী, ব্যবসায়িক কারণে হিসেবের খাতায় যা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে তা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসাবে গণ্য। ৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা রাখা হয়, উক্ত খাতায় লিখিত কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

যেমন-
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে, তবে 'খ' এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।
৭১.
একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ কেবল তখনই সাক্ষ্য দিতে পারবেন যদি-
  1. তিনি অভিজ্ঞ হন
  2. তদন্তকারী অফিসার অনুমতি দেয়
  3. মামলার বাদী অনুমতি দেয়
  4. আদালতের অনুমতি থাকে
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি থাকে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের৪৫ক ধারার বিধান: শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার মতে,
একজন ফরেনসিক বা শারীরিক বিশেষজ্ঞ কেবল তখনই সাক্ষ্য দিতে পারেন, যদি আদালতের অনুমতি থাকে এবং তার রিপোর্টের কপি সব পক্ষকে সরবরাহ করা হয়।
৭২.
ধারা ১৫৭ অনুসারে, প্রাসঙ্গিক বিবৃতি কাকে প্রদান করা হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে
  2. অভিযোগকারীকে
  3. যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে
  4. তদন্তে নিযুক্ত আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে
সঠিক উত্তর:
তদন্তে নিযুক্ত আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্তে নিযুক্ত আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫৭ ধারা:
"কোন সাক্ষীর সাক্ষ্যকে সমর্থন করার জন্য, ঐ একই বিষয়ে উক্ত সাক্ষী কর্তৃক পূর্বে প্রদত্ত যে কোন বিবৃতি, যা ঘটনা ঘটার সময় বা প্রায় সময়ে, অথবা ঘটনা তদন্তে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রদত্ত হয়েছিল, তা প্রমাণ করা যেতে পারে।"

[In order to corroborate the testimony of a witness, any former statement made by such witness relating to the same fact at or about the time when the fact took place, or before any authority legally competent to investigate the fact, may be proved.]
৭৩.
Section 25 of the Evidence Act, 1872, deals with confessions made to:
  1. Lawyer
  2. Magistrate
  3. Police officer
  4. Friend
সঠিক উত্তর:
Police officer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Police officer
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
- No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী -
কেউ যদি পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার করে তাহলে তা গ্রহনযোগ্য হবে না।
৭৪.
সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব সম্বন্ধে কাদের অভিমত আদালতে গ্রহণযোগ্য?
  1. স্থানীয় নেতা
  2. স্থানীয় আদালত
  3. সরকারি কর্মকর্তার
  4. যাদের পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক
সঠিক উত্তর:
যাদের পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাদের পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ-
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
৭৫.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে তামাদির সময় গণনা কিভাবে হয়?
  1. প্রথমবার ভঙ্গের দিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয়
  2. আদালতে মামলা দায়েরের দিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয়
  3. যখন অভিযোগকারী জানতে পারে তখন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয়
  4. প্রতিবার চুক্তিভঙ্গের সময় নতুন করে তামাদি গণনা শুরু হয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিবার চুক্তিভঙ্গের সময় নতুন করে তামাদি গণনা শুরু হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিবার চুক্তিভঙ্গের সময় নতুন করে তামাদি গণনা শুরু হয়
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৭৬.
কোন সংবিধি, আইন, প্রবিধান বা উপ-আইনের আওতায় কোন বাজেয়াপ্তির জন্য মোকদ্দমা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে,
যখন কোনো বিধি, আইন, প্রবিধান বা উপ-আইনের আওতায় কোনো জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হয়, তখন সেই জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হওয়ার পর ১ বছর এর মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৭৭.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদসমূহে মামলায় বিভিন্ন ধরনের দরখাস্ত বা আবেদনের তামাদির সময়সীমা সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. ১-১৪৯ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৫০-১৫৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৫৮-১৮৩ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৬০-১৮৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৫৮-১৮৩ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৮-১৮৩ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।
৭৮.
তামাদি আইন অনুসারে, "Bill of Exchange" এর মধ্যে কী অন্তর্ভুক্ত থাকে?
  1. চেক ও হুন্ডি
  2. কেবল নগদ অর্থ
  3. শুধুমাত্র ব্যাংক ড্রাফট
  4. স্ট্যাম্পড রসিদ
সঠিক উত্তর:
চেক ও হুন্ডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেক ও হুন্ডি
ব্যাখ্যা
The Limitation Act, 1908: ধারা ২ – সংজ্ঞা (Definitions):
এই আইনে, যদি প্রসঙ্গ বা বিষয়বস্তুতে ভিন্ন কিছু না বোঝায়, তবে:

(২) "বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bill of Exchange)" বলতে হুন্ডি এবং চেককেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
[“bill of exchange” includes a hundi and a cheque]
৭৯.
When does the period of limitation begin in the case where a minor (X) dies before attaining majority and is succeeded by another minor (Y)?
  1. From the date of X's death
  2. From the date Y is born
  3. From the date Y attains majority
  4. From the date the right to sue accrued to X
সঠিক উত্তর:
From the date Y attains majority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
From the date Y attains majority
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

(২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

(৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।

(৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।

⇒ যখন একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক (X)-এর দায়িত্বে থাকা মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই মারা যায়, এবং তার স্থলাভিষিক্ত হয় আরেকজন অপ্রাপ্তবয়স্ক (Y), তখন মেয়াদ গণনা (limitation period) কখন থেকে শুরু হবে- Y প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে।

তামাদি আইন অনুসারে,
যদি কোনো ব্যক্তি যখন মামলা করার অধিকার লাভ করে তখন সে অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকে, এবং সে মৃত্যুবরণ করে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই- তাহলে তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া যদি সেই ব্যক্তিও অপ্রাপ্তবয়স্ক হয়, তাহলে মেয়াদ গণনার সময় শুরু হবে Y-এর প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে।
৮০.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের _____________ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
  1. ২৩
  2. ২৫
  3. ২৭
  4. ২৯
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
৮১.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৩ অনুসারে, কোন পরিস্থিতিতে তামাদি গণনা স্থগিত থাকে?
  1. আদালতের ছুটি থাকলে
  2. বাদী সরকারি কাজে বিদেশে থাকলে
  3. বিবাদী সরকারি কাজে বিদেশে থাকলে
  4. নিলাম বিক্রয় চলাকালীন
সঠিক উত্তর:
বিবাদী সরকারি কাজে বিদেশে থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী সরকারি কাজে বিদেশে থাকলে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী-
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদের গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৮২.
যদি কোনো ব্যক্তি গরহাজিরার কারণে মামলার খারিজ আদেশ বাতিল করতে চান, তবে সময় গণনা শুরু হবে-
  1. আবেদন দাখিলের তারিখ থেকে
  2. খারিজ আদেশের তারিখ থেকে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ থেকে
  4. খারিজ আদেশ সম্পর্কে অবগত হওয়ার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
খারিজ আদেশের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ আদেশের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-১৬৩
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু -খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।
৮৩.
তামাদি আইনের ২৮ ধারায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা না করলে-
  1. দখলদার ক্ষতিপূরণ পাবে
  2. আদালত মামলা স্থগিত করবে
  3. বাদীর সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হবে
  4. বিবাদীর সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হবে
সঠিক উত্তর:
বাদীর সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮ (সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি)-
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property-
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৮৪.
যে উদ্দেশ্য সম্পত্তি ব্যবহারে অধিকারী তা ভিন্ন অন্য উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ব্যবহার করা হলে, উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরে তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী,
যদি কেউ এমন কোনো সম্পত্তি নির্দিষ্ট একটি উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অধিকার পায়, কিন্তু সে সেই উদ্দেশ্য ভঙ্গ করে অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করে, তাহলে এটি "misuse of property" বা "অধিকার লঙ্ঘন" হিসেবে গণ্য হয়।

এই ধরনের পরিস্থিতিতে, যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি ক্ষতির বিষয়টি যেদিন জানতে পারেন, সেদিন থেকেই ২ বছরের মধ্যে আদালতে মামলা (Suit) দায়ের করতে পারবেন।

৮৫.
'বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন।'- The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪
  2. অনুচ্ছেদ ৫
  3. অনুচ্ছেদ ৫ক
  4. অনুচ্ছেদ ৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬
ব্যাখ্যা

The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুচ্ছেদ ৬- বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর বিষয়ে আলোচনা করা আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-

১- বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন।

২- বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে ভাইস চেয়ারম্যন নির্বাচিত হবেন।

৩- চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর কাজ ও ক্ষমতা এই বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে।

৮৬.
Who will be the Chairman of the Bar Council Tribunal?
  1. The person elected by the Council
  2. The Chief Justice
  3. The Attorney-General
  4. Most Senior Advocate amongst the members
সঠিক উত্তর:
Most Senior Advocate amongst the members
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Most Senior Advocate amongst the members
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী-
1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman: 
 Provided that the Attorney-General for Bangladesh shall not be a member of any Tribunal.

বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের গঠনকারী প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. বার কাউন্সিল ট্রাইবুনাল গঠন হবে ৩ সদস্যের সমন্বয়ে।
২. তিনজন সদস্যদের মধ্যে ২ জন থাকবে বার কাউন্সিলের সদস্য যারা বার কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবে।
৩. অপর একজন সদস্য হবে বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে থেকে একজন যাকে মনোনয়ন দিবে বার কাউন্সিল।
৪. তিন সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ্য হবেন তিনি হবেন ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান।
৫. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল কোনো ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না।

৮৭.
'বিচারাধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে খবরের কাগজে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা।'- একজন আইনজীবীর কোন দায়িত্বের মধ্যে পড়ে?
  1. মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
  2. জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব
  3. আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
  4. আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
ব্যাখ্যা

• "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে। অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য;
২য় অধ্যায়- মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব।

আদালতের প্রতি কর্তব্য-
১. আদালতে ভদ্রতার সাথে উপস্থিত হতে হবে।
২. মামলার বিরুদ্ধে উপদেশ দিবেন না।
৩. কখনো কোনো ভুল তথ্য বা অপব্যাখ্যা দিয়ে আদালতকে বিভ্রান্ত করবেন না।
৪. বিচারকের খাস কামরায় মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন না।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব ন্যায় বিচারের সহায়তা করা, অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া নয়। তাই সরকারি আইনজীবী সাক্ষ্য গোপন বা চাপিয়ে রাখবেন না।
৬. বিচারাধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে খবরের কাগজে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা।
৭. বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে যাতে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা করা না হয় সেই দিকে আইনজীবীদের চেষ্টা বা তা প্রতিহত করা উচিত।
৮. আইনজীবীর সময়মতো আদালতে উপস্থিত হওয়া উচিত।
৯. আদালত আহ্বান করলে নিরপেক্ষ আইনগত মতামত উপস্থাপন করা।

৮৮.
একটি মামলায় একাধিক আইনজীবী থাকলে মামলা পরিচালনায় অগ্রাধিকার পাবেন কে?
  1. যিনি প্রথম নিয়োগপ্রাপ্ত
  2. জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
  3. কনিষ্ঠ আইনজীবী
  4. বিচারক যাকে পছন্দ করেন
সঠিক উত্তর:
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
ব্যাখ্যা

অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ:
১. আইনজীবী হিসেবে নিজের ব্যক্তিগত মর্যাদা এবং পেশার মর্যাদা সমুন্নত রাখা আইনজীবীর কর্তব্য।

২. নিজের পেশাগত কোনো বিজ্ঞাপণ প্রচার করতে পারবে না; তবে, পেশাগত কার্ড, নামফলক বা ডাইরেক্টরিতে নাম তালিকাভুক্তিতে বাধা নিন।

৩. পেশাগত কাজের যোগান দেয়ার জন্য কোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ বা বেতন দিতে পারবে না।

৪. আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে প্রতিপক্ষের সাথে মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে না।

৫. প্রতিপক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে বা মামলার বিচারাধীন বিষয়ের কপি বা নথি প্রদান করে তা আদালতের সামনে উপস্থাপন করবে না।

৬. মক্কেল একটি মামলার ক্ষেত্রে একাধিক আইনজীবী নিয়োগ করতে চাইলে, আইনজীবী নিয়োগের ক্ষেত্রে মক্কেলকে বাধা দেওয়া যাবে না।

৭. আইনজীবীগণ নিজেদের মধ্যে বিবাদ পরিহার করে চলবে।

৮. আইনজীবীগণ কাজের বিষয়ে সম্পাদিত সুস্পষ্ট চুক্তির নীতিমালা অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে ফিস বণ্টন করবেন।

৯. এটর্নি জেনারেলের কার্যাবলী সমুন্নত রাখা প্রত্যেক আইনজীবীর কর্তব্য।

১০. জুনিয়র আইনজীবীগণ সিনিয়র আইনজীবীদের সম্মান করবে এবং সিনিয়র আইনজীবীগণ জুনিয়র আইনজীবীদের কাজের ক্ষেত্রে সহায়তা করবে।

১১. একটি মামলায় একাধিক আইনজীবী থাকলে জৈষ্ঠ্য আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবে।