পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] --------------- রিভিশন পরীক্ষা টপিক: পূর্ববর্তী ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
Who wrote 'Riders to the Sea''?
  1. James Joyce
  2. Ezra Pound
  3. Virginia Woolf
  4. John Millington Synge
ব্যাখ্যা

The correct answer is - ঘ) John Millington Synge

• Riders to the Sea:
- এটি Irish author John Millington Synge রচিত একটি one-act play.
- সমালোচকদের কাছে এই নাটকটি ইংরেজি সাহিত্যের one of the greates one act play হিসেবে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।
- Riders to the Sea is set in the Aran Islands off the west coast of Ireland.
- Synge মুলত আরান দ্বীপপুঞ্জে শোনা একটি গল্পের উপর ভিত্তি করে তার এই play টি রচনা করেছিলেন।
- Maurya নামক একজন বৃদ্ধ মহিলার জীবনের কঠিন দুঃখ -দুর্দশা এবং বেদনার চিত্র বর্ণিত হয়েছে এই নাটকে , যিনি তার ছোট ছেলে Bartley ছাড়া, পরিবারের সকল পুরুষ সদস্যদের কে সাগরের ঝড়ের মাঝে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে ফেলেছেন.
- কিন্তু শেষ সময়ে দেখা যায় তার ছোট ছেলেটিও সাগরে ডুবেই মারা যায়।

• John Millington Synge (1871 - 1909)
- He was an Irish dramatist.
- He was a leading figure in the Irish literary Renaissance.
- সাহিত্যজীবনের শুরুর দিকে তিনি সমালোচনা মূলক গ্রন্থ রচনা করলেও W. B Yeats এর অনুপ্রেরনায় তিনি নাটক লিখতে শুরু করেন।

• উল্লেখযোগ্য সাহিত্য কর্ম -
- In the Shadow of the Glen (1903)
- Riders to the Sea (1904),
- The Well of the Saints (1905),
- The Playboy of the Western World (1907),
- The Tinker's Wedding (1907),
- Deirdre of the Sorrows (1910).

Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman and Britannica. 

.
The events of Ulysses take place in which city?
  1. London
  2. Dublin
  3. Paris
  4. Rome
ব্যাখ্যা

The correct answer is - খ) Dublin

Ulysses:
- Ulysses রচনা করেন James Joyce.
- এই novel টি প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে।
- Homer's Odyssey এর আধুনিক ভার্সন হিসেবে একে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯০৪ সালের ১৬ জুন ডাবলিনের একটি দিনের বর্ণনা পুরো উপন্যাস জুড়ে।
- তবে এক দিনের হলেও ঘটনার পরিমান অসংখ্য।
- এজন্যই উপন্যাসের পৃষ্ঠা সংখ্যা প্রায় ৭৮৩।
- প্রধান চরিত্র তিনটি: Stephen Dedalus, Leopold Bloom এবং তার স্ত্রী Molly.
- এই তিনটি চরিত্র হোমারের Odyssey উপন্যাসের Telemachus, Ulysses এবং Penelope এর প্রতিরুপ।
- Odyssey এর Trojan যুদ্ধ শেষে বাড়ী ফিরে আসার ঘটনার সাথে Ulysses উপন্যাসের কাহিনীর মিল দৃশ্যমান।

• James Joyce:
- তিনি ১৮৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- Joyce একজন আইরিশ ঔপন্যাসিক, কবি এবং ছোটগল্পকার ছিলেন।
- James Joyce বিংশ শতাব্দী অর্থাৎ Modern Period এর বিখ্যাত Novelist দের মধ্যে অন্যতম।
- Ulysses হলো James Joyce রচিত বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
- James Joyce তার Stream-of-consciousness (চেতনার অন্তঃশীল প্রবাহ) এই Narrative Technique টির জন্য বিখ্যাত।
- তার রচিত Dubliners (1914) মূলত ১৫ টি ছেটো গল্পের সম্বনয়ে রচিত একটি বই।

• Notable works:
• Short Stories:
- After the Race,
- A Little Cloud,
- A Mother,
- An Encounter,
- A Painful Case etc.

• Plays:
- Exiles.

• Poems:
- Chamber Music,
- I Hear an Army,
- Penyeach.

• Note:
- Ulysses নামে একটি কবিতা লিখেন Lord Alfred Tennyson.

Source: Britannica, An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman. 

.
The main characters in 'The Gift of the Magi' are -
  1. Tom and Mary
  2. Jim and Della
  3. Henry and Lucy
  4. John and Clara
ব্যাখ্যা

The main characters in The Gift of the Magi are Jim and Della.

• The Gift of the Magi:
- 'The Gift of the Magi' হচ্ছে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত ছোটগল্প, যার রচয়িতা William Sidney Porter.
- ১৯০৫ সালে গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- Jim and Della এই story এর প্রধান চরিত্র সমূহ।
- এর central theme হচ্ছে Love, where Jim and Della (Young married couple) who make sacrifices in order to buy each other meaningful Christmas gifts.
- Della এর ছিল ঈর্ষনীয় লম্বা চুল আর সে এই চুলগুলো বিক্রি করে এর বিনিময়ে Jim এর পকেটঘড়ির জন্য একটা চেইন কেনার সিদ্ধান্ত নেয়।
- এই পকেট ঘড়িটি ছিল জিম এর পারিবারিক সম্পত্তি যা সে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিল, কিন্তু টাকার অভাবে এর জন্য চেইন কিনতে পারছিল না তাই তাকে ঘড়িটি পকেটে নিয়ে ঘুরতে হতো।
- অপরদিকে Jim তার পকেটঘড়ি বিক্রি করে করে Della এর জন্য স্বর্ণখচিত চিরুনী কেনার সিদ্ধান্ত নেয়।
- এরপর তারা দুজনেই যখন একে অপরের জন্য কেনা উপহার নিয়ে উপস্থিত হয় তখন পরিস্থিতি অনুধাবন করে দুজনেই চমকে উঠে।
- ভালোবাসা, উৎসর্গ, ত্যাগ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে এই ছোটগল্পটি সারা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

• O'Henry:
- তিনি একজন বিখ্যাত আমেরিকান ছোট গল্প লেখক এবং Modern Period এর অন্যতম সাহিত্যিক।
- যদিও তাঁর পুরো নাম বা real name হচ্ছে 'William Sydney Porter' কিন্তু তিনি O' Henry হিসেবেই সাহিত্য জগতে অধিক পরিচিতি লাভ করেছেন।
- বলা হয়ে থাকে O' Henry is the short-story writer whose tales romanticized the commonplace বিশেষ করে New York City এর সাধারণ মানুষের জীবন।
- তাঁর সাহিত্যে আমেরিকার নিউইর্ক এর সাধারণ মানুষের জীবন ধারনের চিত্র নতুন মাত্রায় স্থান পেয়েছে।

• His famous works:
Short stories:
- Heart of the West,
- The Gift of the Magi,
- Sixes and Sevens,
- Roads of Destiny,
- Cabbage and Kings,
- The Four million,
- The Voice of the City, etc.

Source: Britannica. 

.
Who is the author of 'The Waste Land'?
  1. Robert Frost
  2. T. S. Eliot
  3. Franz Kafka
  4. W. H. Auden
ব্যাখ্যা

The correct answer is - খ) T. S. Eliot

• The Waste Land:
- It is a long poem by T. S. Eliot. 
- কবিতার লাইন সংখ্যা ৪৩৩. 
- এই কবিতাটি উৎসর্গ করা হয়েছিল আরেক জন প্রথিতযশা আধনিক কবি Ezra Pound কে। 
- ২০ শতকের অন্যতম প্রভাবশালী কবিতা এটি। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর পরিবর্তিত পরিস্থিতি এই কবিতার আলোচ্য বিষয়। এই কবিতাটি তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। 

• T. S. Eliot (Thomas Stearns Eliot)
- He was born on September 26, 1888, in St. Louis, Missouri, U.S.
- ১৯৬৫ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে মারা যান।
- Eliot কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়। তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Best works:
• Poems
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets,
- The Hollow Men,
- The Love Song of J. Alfred Prufrock,
- Ash Wednesday (Poem), etc.

• His known plays:
- The Confidential Clerk,
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
-The Elder Statesman,
- The Trail of a Judge, etc.

Source: An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman, Britannica.

.
Choose the correct tag question for the sentence: He always lags behind ________?
  1. won't he?
  2. don't he?
  3. doesn't he?
  4. didn't he?
ব্যাখ্যা

Complete sentence: He always lags behind, doesn't he?

Tag question এর নিয়ম:

- সাধারণত Tag question ব্যবহৃত হয় পূর্বে উল্লিখিত বাক্য সত্য না মিথ্যা তা নির্ণয় করার জন্য।
- Tag question -এর subject সর্বদা মূল sentence-এর subject-এর pronoun হয়।
- Tag question গঠনে auxiliary verb ব্যবহৃত হয় এবং auxiliary verb-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হয়।
- Auxiliary verb না থাকলে বাক্যের tense ও person অনুযায়ী Do/Does/Did  ব্যবহৃত হয়।
- Statement positive হলে tag question টা negative হবে।
- আবার statement negative হলে tag question - positive হবে।

- যেহেতু প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি Affirmative এ আছে, তাই Tag question Negative হবে এবং বাক্যটি Present indefinite tense হওয়ায় Subject ও Tense অনুসারে auxiliary verb অনুযায়ী সঠিক tag হবে- doesn't he?

Source: A Passage To The English Language, S.M. Zakir Hussain.

.
They said to me, ''We have been walking for an hour.'' (Make it Indirect)
  1. They said to me that they had been walking for an hour.
  2. They told me that they have been walking for an hour.
  3. They said to me that they have been walking for an hour.
  4. They told me that they had been walking for an hour.
ব্যাখ্যা

Correct answer: They told me that they had been walking for an hour.

Direct speech কে Indirect Speech এ পরিবর্তনের নিয়ম:
- Reporting Verb (said to) হয় তবে Indirect Narration-এ said to এর পরিবর্তে "told" বসে।
- Inverted comma উঠে যায় এবং তার পরিবর্তে "that" যোগ করা হয়।
- Reporting verb এর Subject অনুযায়ী Reporting speech এর subject পরিবর্তিত হবে।
- Reporting verb Present/Future tense হলে Reported Speech এর verb এর tense এর কোন পরিবর্তন হবে না। তবে Reporting verb past tense এর হলে তবে Reported speech এর verb পরিবর্তিত হবে।

অর্থ্যাৎ Narration এর নিয়মানুসারে:
Direct: They said to me, ''We have been walking for an hour.''
Indirect: They told me that they had been walking for an hour.

Other Options:
ক) They said to me that they had been walking for an hour- এখানে said to কে Told এ পরিবর্তন করতে হবে।
খ) They told me that they have been walking for an hour-Reporting speech এর verb এর Tense পরিবর্তন করতে হবে।
গ) They said to me that they have been walking for an hour- এখানে said to কে Told এ পরিবর্তন করতে হবে এবং Reporting speech এর verb এর Tense পরিবর্তন করতে হবে।

Source : A Passage To The English Language, S.M. Zakir Hussain.

.
Identify the correct tag question: He hardly drinks tea, _________?
  1. does he
  2. doesn't he
  3. don't he
  4. hasn't he
ব্যাখ্যা

• He hardly drinks tea, does he?

Tag question এর নিয়ম:
- সাধারণত Tag question ব্যবহৃত হয় পূর্বে উল্লেখিত বাক্য সত্য না মিথ্যা তা নির্ণয় করার জন্য।
- Tag question -এর subject সর্বদা মূল sentence-এর subject-এর pronoun হয়।
- Tag question গঠনে auxiliary verb ব্যবহৃত হয় এবং auxiliary verb-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হয়।  
- Auxiliary verb না থাকলে বাক্যের tense ও person অনুযায়ী Do/Does/Did  ব্যবহৃত হয় ।
- Statement positive হলে tag question টা negative হবে।
- আবার statement negative হলে tag question - positive হবে।

• "Hardly" অর্থ কদাচিৎ বা খুবই কম।
- এখানে "Hardly" শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যা negative অর্থ প্রকাশ করে।
- যদি মূল বাক্যটি negative হয়, তাহলে tag question affirmative হবে। যেহেতু "Hardly" এখানে negative প্রকাশ করছে, তাই tag     question হবে affirmative.
- সেই সাথে, বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ আছে তাই affirmative tag question এর জন্য does ব্যবহার করা হয়েছে এবং     subject হলো "he".
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে- does he?

Source: A Passage To The English Language, S.M. Zakir Hussain.

.
Choose the correct proverb-
  1. A rolling stone gathers no moss.
  2. A rolling stone gathers no dust.
  3. A rolling stone gathers no sand.
  4. A rolling stone gathers no mess.
ব্যাখ্যা

Answer: ক) A rolling stone gathers no moss.
Bangla meaning: স্থিরমস্তিষ্ক না হলে উন্নতি সাধিত হয় না।
 
Proverb:
- A proverb is a short sentence that people often quote, which gives advice or tells you something about life.
- Proverb বা প্রবাদ বাক্য হল সেসব প্রচলিত বাক্য বা কথা, যেগুলি সাধারণত অভিজ্ঞতার আলোকে গঠিত এবং দীর্ঘদিন ধরে লোকমুখে   প্রচলিত।
- প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে কোন শব্দ পরিবর্তন করা যায় না অথবা ঐ শব্দের পরিবর্তে তার সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা যায় না।
- তাই যেটি প্রচলিত প্রবাদ সেটিই হবে সথিক।
 
Source:
1. Merriam-Webster dictionary
2. Accessible Dictionary
3. Cambridge Dictionary.

.
'তীর্থসলিল' সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কোন ধরণের রচনা? 
  1. উপন্যাস
  2. নাটক
  3. অনুবাদকাব্য
  4. ছড়া
ব্যাখ্যা

'তীর্থসলিল' সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের একটি অনুবাদকাব্য। 

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন একজন কবি ও ছান্দসিক।
- তিনি ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা রজনীনাথ দত্ত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং পিতামহ অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক।
- সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন ভারতী পত্রিকাগোষ্ঠীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি।
- বাংলা ভাষার নিজস্ব বাগধারা ও ধ্বনি ব্যবহার করে নতুন ছন্দ সৃষ্টিই তাঁর কবিপ্রতিভার মূল কীর্তি।
- এজন্য তাঁকে সাধারণভাবে 'ছন্দের জাদুকর' ও 'ছন্দের রাজা' নামে পরিচিতি দেওয়া হয়েছে।
- ১৯১৮ সালে ভারতী পত্রিকার বৈশাখ সংখ্যায় তাঁর ছন্দ সম্পর্কিত প্রসিদ্ধ রচনা ছন্দ-সরস্বতী প্রকাশিত হয়।
- সত্যেন্দ্রনাথ একাধিক ছদ্মনামে কাব্যচর্চা করতেন, যেমন নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর ইত্যাদি।
- তিনি ১৯২২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুতে কাজী নজরুল ইসলাম সত্যেন-প্রয়াণ কবিতা রচনা করেন।

প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,
- কুহু ও কেকা,
- অভ্র আবীর,
- হসন্তিকা,
- বেলা শেষের গান,
- বিদায় আরতি,
- কাব্যসঞ্চয়ন। 

অনুবাদকাব্য:
- তীর্থসলিল,
- তীর্থরেণু,
- মণি মঞ্জুষা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস মাহবুবুল আলম। 

১০.
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. নন্দিত নরকে
  2. পথের পাঁচালী
  3. পুতুলনাচের ইতিকথা
  4. চৈতালি ঘূর্ণি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) চৈতালি ঘূর্ণি
'চৈতালি ঘূর্ণি' হলো তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়-এর প্রথম উপন্যাস, যা ১৯৩২ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:

- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় একজন কথাসাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ।
- ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর ছদ্মনাম ছিল হাবু শর্মা।
- প্রথম গল্প 'রসকলি' সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।

ত্রয়ী উপন্যাস:
- ধাত্রীদেবতা,
- গণদেবতা,
- পঞ্চগ্রাম। 

তারাশঙ্করের রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরগ্য,
- নিকেতন,
- পঞ্চপুণ্ডলী,
- রাধা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- নন্দিত নরকে এই উপন্যাসটি হুমায়ূন আহমেদের লেখা।
- পথের পাঁচালী উপন্যাসটির লেখক হলেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- পুতুলনাচের ইতিকথা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

১১.
'বোবা কাহিনী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. জহির রায়হান
  2. জসীম উদ্‌দীন 
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

‘বোবা কাহিনী’ - জসীম উদ্‌দীন  রচিত উপন্যাস।

বোবা কাহিনী:
- 'বোবা কাহিনী' (১৯৬৪) উপন্যাসে মহাজনী শোষণের কারণে গ্রামের প্রান্তিক চাষি আজহারের ভূমিহীন হওয়া, শহরের সুবিধাবাদী উকিল ও ভণ্ড ধার্মিক কর্তৃক মেধাবী বছির নিগ্রহ ইত্যাদি বর্ণিত হয়েছে।
- উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র: বছির, আজহার, আরজান, রহিমুদ্দিন।
- উপন্যাসে কোন জটিলতা নেই; নিছক সরল ও সাদামাটা গল্প আছে।

জসীম উদ্দীন:
- ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' (১৯২৯) একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

জসীম উদ্দীনের রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- নক্সী কাঁথার মাঠ (E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন),
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মা যে জননী কান্দে,
- রাখালী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পরীর দেশ,
- যে দেশে মানুষ বড়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১২.
"ডাক ও খনার বচন" কোন যুগের সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত?
  1. আধুনিক যুগ
  2. মধ্যযুগ
  3. প্রাচীন যুগ
  4. অন্ধকার যুগ 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) প্রাচীন যুগ।

• ডাক ও খনার বচন:
- ডাক ও খনার বচনকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সৃষ্টি বলে বিবেচনা করা হয়।
- বিষয় হিসেবে ডাক ও খনার বচন পুরানো এবং ছড়া জাতীয় এসব নমুনাকে লোকসাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ছড়া জাতীয় এসব রচনায় এদেশের আবহাওয়া ও কৃষি সম্পর্কিত বহু বিচিত্র অভিজ্ঞতার রূপায়ণ ঘটেছে।
- এসবের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে নীতিকথা ও বহুদর্শী উপদেশ।
- ডাক নামে কোন পণ্ডিত ব্যক্তি ছিলেন কিনা জানা যায় নি।
- সাধারণত প্রাচীন আমলের এক শ্রেণির বৌদ্ধতান্ত্রিক সাধককে ডাক বলা হত।
- প্রাচীন যুগের ফলিত জ্যোতিষ ও কৃষি-বিষয়ক অভিজ্ঞতা এসব বচনের মধ্যে ছড়ার আকারে প্রচলিত হয়েছে এবং যুগ যুগ ধরে মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে আসছে।
- উড়িষ্যা অঞ্চলেও কিছু ডাকের বচন রচিত হয়েছিল।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস মাহবুবুল আলম।

১৩.
20, 25, 35, 62, 58, 48, 87, 58, 68, 95, 85 উপাত্তগুলোর গড় কত? 
  1. 58.27 
  2. 55.27
  3. 55.75
  4. 60.72 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 20, 25, 35, 62, 58, 48, 87, 58, 68, 95, 85 উপাত্তগুলোর গড় কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
উপাত্তের সংখ্যা = ১১ 
∴ উপাত্তগুলোর সমষ্টি = 20 + 25 + 35 + 62 + 58 + 48 + 87 + 58 + 68 + 95 + 85 = 641 

আমরা জানি,
গড় = উপাত্তগুলোর সমষ্টি/উপাত্তগুলোর সংখ্যা
= 641/11 
= 58.27

∴ উপাত্তগুলোর গড় = 58.27

১৪.
কোনো দূর্গে ৭২০ জন সৈন্যের ২০ দিনের খাবার মজুদ আছে। ১০ দিন পর কিছু নতুন সৈন্য আসায় অবশিষ্ট খাদ্যে তাদের ৮ দিন চললে কত জন সৈন্য নতুন এসেছিলো? 
  1. ১৬০ জন
  2. ১৮০ জন
  3. ১৯০ জন
  4. ২০০ জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো দূর্গে ৭২০ জন সৈন্যের ২০ দিনের খাবার মজুদ আছে। ১০ দিন পর কিছু নতুন সৈন্য আসায় অবশিষ্ট খাদ্যে তাদের ৮ দিন চললে কত জন সৈন্য নতুন এসেছিলো? 

সমাধান:
বাকি সময় = (২০ - ১০) দিন 
= ১০ দিন 

১০ দিনের খাবার আছে = ৭২০ জন সৈন্যের
∴ ১ দিনের খাবার আছে = (৭২০ × ১০) জন সৈন্যের
∴ ৮ দিনের খাবার আছে = (৭২০ × ১০)/৮ জন সৈন্যের
= ৯০০ জন সৈন্যের

∴ সৈন্য নতুন এসেছিলো = (৯০০ - ৭২০) জন 
= ১৮০ জন।

১৫.
৪, ৬, ৭ এবং ক এর গড় মান ৫.৫ হলে ক-এর মান কত? 
  1. ৬.০ 
  2. ৪.৫ 
  3. ৫.৫ 
  4. ৫.০ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪, ৬, ৭ এবং ক এর গড় মান ৫.৫ হলে ক-এর মান কত? 

সমাধান: 
(৪ + ৬ + ৭ + ক)/৪ = ৫.৫ 
বা, (১৭ + ক)/৪ = ৫.৫ 
বা, ১৭ + ক = ৫.৫ × ৪ 
বা, ১৭ + ক = ২২ 
বা, ক = ২২ - ১৭ 
∴ ক = ৫ 

১৬.
৫ জন তাঁতি ৫ দিনে ৫ টি মাদুর তৈরি করতে পারে। একই হারে ১০ জন তাঁতি ১০ দিনে কতটি মাদুর তৈরি করতে পারবে? 
  1. ৫ টি 
  2. ১০ টি 
  3. ২০ টি 
  4. ২৫ টি 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫ জন তাঁতি ৫ দিনে ৫ টি মাদুর তৈরি করতে পারে। একই হারে ১০ জন তাঁতি ১০ দিনে কতটি মাদুর তৈরি করতে পারবে? 

সমাধান: 
৫ জন তাঁতি ৫ দিনে মাদুর তৈরি করে = ৫ টি 
∴ ১ জন তাঁতি ১ দিনে মাদুর তৈরি করে = ৫/(৫ × ৫) টি 
∴ ১০ জন তাঁতি ১০ দিনে মাদুর তৈরি করে = (৫ × ১০ × ১০)/(৫ × ৫) টি 
= ২০ টি 

∴ ২০ টি মাদুর তৈরি করতে পারবে।

১৭.
কোনো বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ২০ জন ছাত্রের ইংরেজি বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর ৭৫, ৬০, ৭১, ৬০, ৮০, ৭৮, ৯০, ৭৫, ৮০, ৯২, ৮০, ৯০, ৯৫, ৯০, ৮৫, ৯০, ৭৮, ৭৫, ৯০, ৮৫ দেওয়া হলো। এদের প্রচুরক নির্ণয় করুন। 
  1. ৭৮ 
  2. ৮০ 
  3. ৮৫ 
  4. ৯০ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ২০ জন ছাত্রের ইংরেজি বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর ৭৫, ৬০, ৭১, ৬০, ৮০, ৭৮, ৯০, ৭৫, ৮০, ৯২, ৮০, ৯০, ৯৫, ৯০, ৮৫, ৯০, ৭৮, ৭৫, ৯০, ৮৫ দেওয়া হলো। এদের প্রচুরক নির্ণয় করুন। 

সমাধান: 
উপাত্তগুলোকে মানের ঊর্ধ্বক্রমে সাজানো হলো- 
৬০, ৬০, ৭১, ৭৫, ৭৫, ৭৫, ৭৮, ৭৮, ৮০, ৮০, ৮০, ৮৫, ৮৫, ৯০, ৯০, ৯০, ৯০, ৯০, ৯২, ৯৫ 
এখানে,
৬০ আছে = ২ বার,
৭৫ আছে = ৩ বার,
৭৮ আছে = ২ বার,
৮০ আছে = ৩ বার,
৮৫ আছে = ২ বার,
৯০ আছে = ৫ বার
এবং বাকি নম্বরগুলো আছে = ১ বার করে।
∴ ৯০ সর্বাধিকবার আছে 

∴ নির্ণেয় প্রচুরক = ৯০।

১৮.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty (CTBT) চুক্তিটি গ্রহণ করে-
  1. ২৪ অক্টোবর ১৯৯৬
  2. ১২ অক্টোবর ১৯৯৩
  3. ২৪ অক্টোবর ১৯৯৯
  4. ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
ব্যাখ্যা

 CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।(অক্টোবর-২০২৫)
-  CTBT তে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে-  ২৪অক্টোবর-১৯৯৬।
- CTBT  বাংলাদেশ অনুমোদন করে-  ৮ মার্চ ২০০০।

• CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।

১৯.
AfCFTA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. African Common Free Trade Association
  2. African Continental Free Trade Agreement
  3. African Continental Free Trade Area
  4. African Community for Free Trade Alliance
ব্যাখ্যা

• AfCFTA
• AfCFTA-এর পূর্ণরূপ- The African Continental Free Trade Area.
- এটি হল বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল যা আফ্রিকান ইউনিয়নের (AU) ৫৫টি দেশ এবং আটটি (৮) আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সম্প্রদায় (REC) কে একত্রিত করে।
- ২০১২ সালের জানুয়ারিতে ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় অনুষ্ঠিত রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের ১৮তম সাধারণ অধিবেশনে আফ্রিকান মহাদেশীয় মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (AfCFTA) প্রতিষ্ঠা দ্রুত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
- এই অধিবেশনে আফ্রিকান কন্টিনেন্টাল ফ্রি ট্রেড এরিয়া প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- The African Continental Free Trade Area (AfCFTA) এ স্বাক্ষরকারী দেশ-৫৫ টি (সেপ্টেম্বর-২০২৫)।
- আন্তঃআফ্রিকান বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য কর্ম পরিকল্পনাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- এর বাস্তবায়ন আফ্রিকার আর্থ-সামাজিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নকে উৎসাহিত করবে।
- AfCFTA-এর মূল লক্ষ্য হলো আন্তঃআফ্রিকান বাণিজ্য ত্বরান্বিত করা।
- বিশ্ব বাজারে আফ্রিকার বাণিজ্য অবস্থানকে জোরদার করা এর অন্যতম উদ্দেশ্য।
- বিশ্ব বাণিজ্য আলোচনায় আফ্রিকার সাধারণ কণ্ঠস্বর ও নীতিগত অবস্থানকে শক্তিশালী করা AfCFTA-এর আরেকটি লক্ষ্য।

উৎস: African Union এবং AfCFTA।

২০.
কিয়োটো প্রটোকল কোথায় গৃহীত হয়?
  1. কানাডা
  2. উজবেকিস্তান
  3. রাশিয়া
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

• কিয়োটো প্রটোকল:
- পূর্ণরূপ: Kyoto Protocol to the United Nations Framework Convention on Climate Change.
- কিয়োটো প্রোটোকলটি ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর গৃহীত হয়।
- এটি ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে, কিয়োটো প্রোটোকলের ১৯২টি পক্ষ রয়েছে।
- স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- উদ্দেশ্য: গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ১৯৯০ সালের স্তরের তুলনায় ৫.২% কমানো।
- বৈশিষ্ট্য: ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM) এবং ইমিশন ট্রেডিং অন্তর্ভুক্ত।
- চ্যালেঞ্জ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটি অনুমোদন করেনি এবং চীন বাধ্যতামূলক লক্ষ্য থেকে অব্যাহতি পেয়েছে।
- দ্য অভিযোজন তহবিল কিয়োটো প্রোটোকলের পক্ষভুক্ত উন্নয়নশীল দেশগুলিতে অভিযোজন প্রকল্প এবং কর্মসূচির অর্থায়নের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রথম প্রতিশ্রুতিকালীন সময়ে, তহবিলটি মূলত সিডিএম প্রকল্প কার্যক্রম থেকে প্রাপ্ত আয়ের একটি অংশ দিয়ে অর্থায়ন করা হয়েছিল।
- ২০১২ সালে দোহায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতিকালীন সময়ে, আন্তর্জাতিক নির্গমন বাণিজ্য এবং যৌথ বাস্তবায়নও অভিযোজন তহবিলকে আয়ের ২ শতাংশ অংশ প্রদান করবে।

উৎস: UNFCCC.

২১.
নিচের কোন দেশটি Asia-Pacific Trade Agreement ( APTA)-ভুক্ত নয়? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. পাকিস্তান
  2. মঙ্গোলিয়া
  3. ভারত
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা

• Asia-Pacific Trade Agreement ( APTA)-ভুক্ত নয়- পাকিস্তান।

• Asia-Pacific Trade Agreement ( APTA ).

- APTA হলো এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৭টি দেশের একটি অগ্রাধিকারমূলক আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি।
- এটি ১৯৭৫ সালে ব্যাংকক এগ্রিমেন্ট নামে স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০০৫ সালে এটি সংশোধন করে এর নামকরণ করা হয় Asia Pacific Trade Agreement.

• APTA ভুক্ত দেশগুলো হলো:
- বাংলাদেশ, 
- চীন, 
-ভারত, 
- লাওস, 
- মঙ্গোলিয়া, 
- কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, 
- শ্রীলঙ্কা। 

উৎস: ESCAP Website.

২২.
অসলো চুক্তি কোন দুটি দেশের মধ্যকার অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ইসরায়েল ও ইরান
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েল
  3. ইসরায়েল ও লেবানন
  4. ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা

• অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৩.
বাংলাদেশে কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়েছে?
  1. ৮টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে। 
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
• বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
• বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
• বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল - ১৯৭৩-৭৮।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন।

২৪.
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৭ সাল
  3. ১৯৮২ সাল
  4. ১৯৮৯ সাল
ব্যাখ্যা

• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট): 
• NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্নরূপ National Institute of Population Research and Training.
• ইহা হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• এটি  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
• নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

২৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জাতীয় সংগীত "আমার সোনার বাংলা" এর উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ (৪)
  2. অনুচ্ছেদ (৪.২)
  3. অনুচ্ছেদ (৪.১)
  4. অনুচ্ছেদ (৪.৩)
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত:

- জাতীয় সঙ্গীত  ১৯০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগ আয়োজিত  এক জনসভায় গানটি গীত হয়।
- ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সাতই মার্চের ভাষণের প্রাক্কালে গানটি গাওয়া হয়েছিল।
- ২৩ মার্চ স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রিয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা প্যারেডেও গানটি গীত হয়।

- মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার এই গানকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গানটি  স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত পরিবেশিত হতো।
- স্বাধীনতার পর সাংবিধানিকভাবে অনুচ্ছেদ (৪.১) ‘আমার সোনার বাংলা’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রূপে ঘোষিত হয়।
- গানের প্রথম ১০ ছত্র কণ্ঠসঙ্গীত এবং প্রথম ৪ ছত্র যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, 

২৬.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রস্থ এবং দৈর্ঘ্যের অনুপাত কত?
  1. ২:১
  2. ৩:৫
  3. ৪:৩
  4. ৬:৩
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রস্থ এবং দৈর্ঘ্যের অনুপাত= ৬ : ১০ =৩:৫

• জাতীয় পতাকা:
- জাতীয় পতাকা  অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতীয় পতাকার আকৃতি, গড়ন, রং ও পতাকা উত্তোলনের ধরনের কিছু অনুমোদিত নিয়মকানুন অনুসরণ করে।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং  দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ১০:৬ বা ৫:৩ অনুপাতে আয়তাকার,
- তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুর অবস্থান হবে পতাকার দৈর্ঘের ৯/২০ অংশ থেকে টানা লম্বের এবং প্রস্থের মাঝখান দিয়ে টানা আনুভূমিক রেখার ছেদবিন্দুতে।
- পতাকার সবুজ অংশ হবে প্রসিয়ন গাঢ় সবুজ এইচ-২ আর.এস, হাজারে ৫০ ভাগ হিসেবে, লাল বৃত্তের অংশ হবে প্রসিয়ন উজ্জ্বল কমলা রং এইচ-২ আর.এস, হাজারে ৬০ ভাগ হিসেবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং PEOPLE’S REPUBLIC OF BANGLADESH FLAG RULES, 1972 ।

২৭.
মুক্তিযুদ্ধকালীন এস ফোর্স এর নেতৃত্বে কে ছিলেন?
  1. মেজর কে.এম. সানাউল্লাহ
  2. মেজর শামসুল আলম
  3. মেজর সফিকুর রহমান
  4. মেজর কে.এম. সফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স।

• জেড ফোর্স:
- মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- 'জেড ফোর্স' নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

- এস ফোর্স:
- মেজর কে.এম. সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- 'এস ফোর্স' নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

• কে ফোর্স:
- মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে অক্টোবর মাসে কে ফোর্স গঠিত হয়।
- 'কে ফোর্স' গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ঢাকা জেলা প্রসাশন ওয়েবসাইট।