পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes২২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি: টপিকসমূহ: কম্পিউটার: ১. কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম: কম্পিউটার সিস্টেম সম্পর্কে ধারণা ব্যবহার, মাদারবোর্ড ইত্যাদি। ২. কম্পিউটার প্রোগ্রাম ও সফটওয়্যার: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
প্রাথমিক অবস্থায় অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে -
  1. ক) ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস কর্পোরেশন
  2. খ) জেনারেল মোটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি
  3. গ) মাইক্রোসফট কর্পোরেশন
  4. ঘ) এপসন কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল মোটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল মোটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেমের ইতিহাস

প্রাথমিক অবস্থায় অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা হয়েছিল মেইনফ্রেম কম্পিউটারের জন্য ১৯৫১ সালে। অপারেটিং সিস্টেমটি যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মোটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক আইবিএম (IBM) কর্পোরেশনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। পার্সোনাল কম্পিউটার বা মাইক্রোকম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হতে থাকে ১৯৭১ সাল থেকে। এই অপারেটিং সিস্টেমের নাম ছিল সিপিএম (CP/M)।

বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমগুলো হলো-
1. MS-DOS, PC-DOS
2. MS Windows 2000, 2007, 2008, 2010, 2011
3. Unix
4. Linux
5. Xenix
6. Mac OS
7. Solaris
8. OS/2 Warp
9. MS Windows NT
10. MS Windows Vista


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
.
মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর (Metal Oxide Semiconductor-MOS) দিয়ে কোন ধরনের র‍্যাম তৈরি করা হয়?
  1. ক) Dynamic RAM
  2. খ) Static RAM
  3. গ) EPROM
  4. ঘ) EEPROM
সঠিক উত্তর:
খ) Static RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Static RAM
ব্যাখ্যা
স্ট্যাটিক র‍্যাম (Static RAM)

সাধারণত টিটিএল (TTL - Transistor-Transistor Logic) বা মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর (Metal Oxide Semiconductor-MOS) দিয়ে এ ধরনের র‍্যাম তৈরি করা হয়।

- বিদ্যুৎ প্রবাহ যতক্ষণ চালু থাকে ঠিক ততক্ষণ নিশ্চল র‍্যামে উপাত্ত ও তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- স্ট্যাটিক র‍্যাম অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন বলে এটা ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- SRAM কম্পিউটারের ক্যাশ মেমোরি অথবা ভিডিও কার্ডের ডিজিটাল টু এনালগ কনভার্টারে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- বিভিন্ন সায়েন্টিফিক এবং ইন্ডাক্টেরিয়াল সাবসিস্টেমে, আধুনিক বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, ইলেক্ট্রনিক খেলনা, মোবাইল ফোন, সিক্রোনাইজার এবং ডিজিটাল ক্যামেরাতে SRAM ব্যবহৃত হয়।


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
.
কয়েক মিলি সেকেন্ড পর পর ড্রাম কন্ট্রোলারের সাহায্যে প্রত্যেক মেমোরি কোষে লেখা তথ্য নতুন করে লিখার পদ্ধতিকে কম্পিউটারের পরিভাষায় বলা হয় -
  1. ক) Scanning
  2. খ) Re-writing
  3. গ) Defragmentation
  4. ঘ) Memory Refreshing
সঠিক উত্তর:
ঘ) Memory Refreshing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Memory Refreshing
ব্যাখ্যা
মেমোরি রিফ্রেশিং (Memory Refreshing)

ডাইনামিক র‍্যামের ক্যাপাসিটর চার্জ থাকলে 1 অবস্থা না থাকলে O অবস্থা বুঝায়। বিদ্যুৎ প্রবাহ থাকা অবস্থায়ও ক্যাপাসিটরের চার্জ ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। তাই কয়েক মিলি সেকেন্ড পর পর ড্রাম কন্ট্রোলারের সাহায্যে প্রত্যেক মেমোরি কাছে লেখা তথ্য নতুন করে লিখতে হয়।
- কম্পিউটারের পরিভাষায় একে মেমোরি রিফ্রেশিং (Memory Refreshing) বলা হয়।

- নিশ্চল ও গতিশীল উভয় র‍্যামই উদ্বায়ী। এ সকল র‍্যামে তথ্য মুছে বার বার লেখা যায়।
- নতুন তথ্য লেখার সঙ্গে সঙ্গে পুরাতন তথ্য নিজে থেকেই মুছে যায়।
- মাইক্রো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি হিসেবে সাধারণত DRAM ব্যবহার করা হয়।


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস নয়?
  1. ক) মাইক্রোফিল্ম
  2. খ) এজিপি কার্ড
  3. গ) কার্ড রিডার
  4. ঘ) প্লটার
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ড রিডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ড রিডার
ব্যাখ্যা
কাজের ধরনের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- ইনপুট ডিভাইস
- প্রসেসিং ডিভাইস (CPU)
- আউটপুট ডিভাইস।

কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইসসমূহ:
কীবোর্ড, মাউস, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, ডিজিটাল ক্যামেরা, কার্ড রিডার, জয়স্টিক ইত্যাদি।

কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইসসমূহ:
মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, ডিস্ক ড্রাইভ, শব্দ সংশ্লেষক, মাইক্রোফিল্ম, মাইক্রোচিপ ইত্যাদি।

সিস্টেম ইউনিটের মধ্যে অবস্থিত ডিভাইসসমূহ:
মাদারবোর্ড, মাইক্রোপ্রসেসর, র‍্যাম ও রম, হার্ডডিস্ক, এজিপি কার্ড, ল্যান কার্ড, ভিডিও ক্যাপচার কার্ড, টিভি কার্ড, পাওয়ার সাপাই ইউনিট, সিডি/ডিভিডি রম ড্রাইভ ইত্যাদি।


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
.
ম্যাক ওএস কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) বর্ণভিত্তিক
  2. খ) চিত্রভিত্তিক
  3. গ) উভয়ই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) চিত্রভিত্তিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চিত্রভিত্তিক
ব্যাখ্যা
ম্যাক ওএস (Mac OS)

ম্যাক ওএস একটি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। ম্যাক ওএস এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এটি ব্যবহার করা খুব সহজ।

- এতে পুল ডাউন মেনু সহ এমন সব গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস আছে যার সাহায্যে অতি সাধারণ জ্ঞান নিয়েও যে কেউ এটি সহজে ব্যবহার করতে পারেন।
- ম্যাক ওএস-এর গ্রাফিক্স ও রং-এর ব্যবহার অত্যন্ত চমৎকার।
- এক সময়ে ম্যাক ওএস শুধু এ্যাপল কম্পিউটার কোম্পানির তৈরি কম্পিউটারে ব্যবহার করা হত, কিন্তু বর্তমানে অন্য কোম্পানির তৈরি কম্পিউটারেও ব্যবহার করা যায়।


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
.
প্রোগ্রাম কাউন্টার -এর অবস্থান কোথায়?
  1. ক) গাণিতিক যুক্তি অংশ
  2. খ) নিয়ন্ত্রণ অংশ
  3. গ) স্মৃতি অংশ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) গাণিতিক যুক্তি অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গাণিতিক যুক্তি অংশ
ব্যাখ্যা
অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ

এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়। এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে। কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসাবে পাঠ করা যায়।


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
.
কতগুলো ট্র্যাক এবং ট্র্যাকগুলোর কয়েকটি সেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত -
  1. ক) হার্ডডিস্ক ড্রাইভ
  2. খ) ফ্ল্যাশ ড্রাইভ
  3. গ) কমপ্যাক্ট ডিস্ক (CD)
  4. ঘ) ডিজিটাল ভার্সেটাইল ডিস্ক (DVD)
সঠিক উত্তর:
ক) হার্ডডিস্ক ড্রাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হার্ডডিস্ক ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক ড্রাইভ

হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস। হার্ড ডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়। হার্ডডিস্ক নষ্ট হওয়া বা মোহনীয় কোনো কমান্ড ব্যতীত এখানকার তথ্যসমূহ নষ্ট হয় না। হার্ডডিস্ক হচ্ছে কম্পিউটারের স্টোরেজ মিডিয়াগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্টোরেজ মিডিয়া। হার্ডডিস্ক কতগুলো ট্র্যাক এবং ট্র্যাকগুলোর কয়েকটি সেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত। ডিস্কের অপর পৃষ্ঠায় ডেটা রিড/রাইট করা সম্ভব। অন্যান্য সহায়ক মেমোরির তুলনার হার্ডডিস্কের বৃহত্তর ধারণক্ষমতার কারণে এর জনপ্রিয়তা দিনদিন বেড়েই চলেছে।

হার্ডডিস্ক ভিন্ন ভিন্ন ক্যাপাসিটির হয়ে থাকে। যেমন- ২০০ গিগাবাইট, ৫০০ গিগাবাইট, ১ টেরাবাইট ইত্যাদি।


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম নয়?
  1. ক) কোয়াট্রোপ্রো
  2. খ) ল্যাটেক্স
  3. গ) লোটাস ১-২-৩
  4. ঘ) মাইক্রোসফট এক্সেল
সঠিক উত্তর:
খ) ল্যাটেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ল্যাটেক্স
ব্যাখ্যা
স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম (Spreadsheet Program)

যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে। উইন্ডোজভিত্তিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের সাহায্যে জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ, অর্থনৈতিক ও পরিসংখ্যানিক হিসাব-নিকাশ এবং যুক্তিমূলক কার্যক্রমসহ তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজও করা যায়। স্প্রেডশিট সফটওয়্যারকে ইলেকট্রনিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামও বলা হয়। 

উল্লেখযোগ্য স্প্রেডশিট প্রোগ্রামসমূহ হলো -

- মাইক্রোসফট এক্সেল (MS-Excel), 
- লোটাস ১-২-৩ (Lotus 1-2-3), 
- কোয়াট্রোপ্রো (Quattro Pro), 
- মাল্টিপ্ল্যান (Multiplan), 
- সুপারক্যাল্ক (SuperCalc) ইত্যাদি।

প্রথম বাণিজ্যিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের নাম হলো ভিসিক্যাল (Visicalc), যা ১৯৭৮ সালে বাজারে আসে। এরপর আরও অধিক সুবিধা নিয়ে ১৯৮৩ সালে বাজারে আসে লোটাস ১-২- 3 (Lotus 1-2-3)। লোটাসের চেয়ে আরো উন্নতমানের সুবিধা নিয়ে বাজারে ১৯৮৫ সালে আবির্ভাব হয় মাইক্রোসফট এক্সেল (MS-Excel)। স্প্রেডশিট অ্যানালাইসিস প্রোগ্রামের একটি বহুল ব্যবহৃত সফটওয়্যারই মাইক্রোসফট এক্সেল। 

উল্লেখ্য, ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রামসমূহ হলো -
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word),
- ওয়ার্ডস্টার (Wordstar),
- ওয়ার্ডপারফেক্ট (Wordperfect),
- ল্যাটেক্স (Latex),
- নোড প্যাড (Notepad),
- ম্যাকরাইট (MacWrite),
- ওয়ার্ডপ্যাড (WordPad) ইত্যাদি।


তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
.
ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার কোনটি?
  1. ক) কম্পিউটার ভাইরাস
  2. খ) স্পাইওয়্যার
  3. গ) ওয়ার্ম
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ম্যালওয়্যার (Malware)

ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।

যদিও কম্পিউটার ভাইরাসও একই উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়ে থাকে তথাপি ম্যালওয়্যার এবং কম্পিউটার ভাইরাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ম্যালওয়্যার সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য কম্পিউটার ভাইরাসের সাথে ম্যালওয়্যারের পার্থক্য বোঝাটা অত্যন্ত জরুরী।

কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।

কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।

এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা। এজন্য এগুলোর প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware।


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১০.
মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় মাইক্রোপ্রসেসরের ___ দ্বারা।
  1. ক) Pulse
  2. খ) Clock Speed
  3. গ) Refreshing Rate
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) Clock Speed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Clock Speed
ব্যাখ্যা
প্রসেসরের গতি (Speed of Processor)

মাইক্রোকম্পিউটার তার সিস্টেম ক্লকের মাধ্যমে মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে। সিস্টেম ক্লকের কাজের গতি বেশি হলে কম্পিউটারের কাজের গতিও বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে সিস্টেম ক্লকের গতি কম হলে কম্পিউটারের কাজের গতিও কম হয়।

মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা

- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

যেমন— কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে। অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে। এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়। সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।


তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১১.
মেমোরির ধারণ ক্ষমতার একক হলো -
  1. ক) বিট
  2. খ) বাইট
  3. গ) কিলোবাইট
  4. ঘ) গিগাবাইট
সঠিক উত্তর:
খ) বাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাইট
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার মেমােরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমােরির ধারণক্ষমতা বলা হয়। মেমােরির ধারণ ক্ষমতার একক হলাে বাইট
আট বিট নিয়ে গঠিত শব্দকে বলা হয় বাইট। বাইনারি গণনা পদ্ধতির ০ এবং ১ এই দুইটি মৌলিক অঙ্ককে বলা হয় বিট। বর্ণ, অঙ্ক ও বিশেষ চিহ্ন নির্দিষ্ট করার জন্য বাইট ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটার মেমােরির ধারণক্ষমতা নির্ণয়ের এককগুলাে হলাে- কিলােবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট ও টেরাবাইট। নিচে এদের মধ্যে সম্পর্ক দেখানাে হলাে।

৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
২১০ বা ১০২৪ বাইট = ১ কিলােবাইট
২২০ বা ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট
২৩০ বা ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট
২৪০ বা ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (ভোকেশনাল)

কম্পিউটারের মেমরির ধারন ক্ষমতার সর্বনিম্ন একক - বাইট। কেননা, একটি অক্ষর মেমরিতে সংরক্ষণের জন্য নূনতম ১ বাইট মেমরি দরকার হয়। তবে, মেমরির ধারণক্ষমতার জনপ্রিয় একক হচ্ছে - মেগাবাইট।
১২.
প্রোগ্রাম বা কোনো উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পদ্ধতিকে সহজে চিত্রের সাহায্যে তুলে ধরার জন্য সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণনাভিত্তিক এবং পর্যায়ক্রমিক রূপরেখাকে বলা হয় -
  1. ক) সুডো কোড
  2. খ) প্রোগ্রাম কোডিং
  3. গ) ফ্লোচার্ট
  4. ঘ) অ্যালগরিদম
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্লোচার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্লোচার্ট
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রাম ডিজাইন

প্রোগ্রাম ডিজাইনের ব্যবহৃত প্রধান টুলসসমূহ হলো-
১। অ্যালগরিদম
২। ফ্লোচার্ট ও
৩। সুডো কোড

অ্যালগরিদম (Algorithm): কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য সমস্যাটিকে ছোট ছোট ধাপে বিভক্ত করে যুক্তিসম্মতভাবে পর্যায়ক্রমে লিপিবদ্ধ করাকে অ্যালগরিদম বলে। অর্থাৎ, অ্যালগরিদম হচ্ছে প্রোগ্রাম রচনা ও নির্বাহের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধাপগুলো পর্যায়ক্রমিকভাবে লিপিবদ্ধ করা। কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো সমস্যা সমাধানে প্রোগ্রামিংয়ের ক্ষেত্রে অ্যালগরিদমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

ফ্লোচার্ট বা প্রবাহ চিত্র (Flowchart): প্রোগ্রাম বা কোনো উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পদ্ধতিকে সহজে চিত্রের সাহায্যে তুলে ধরার জন্য সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণনাভিত্তিক এবং পর্যায়ক্রমিক রূপরেখাকে ফ্লোচার্ট বা প্রবাহ চিত্র বলা হয়। ফ্লোচার্ট হচ্ছে অ্যালগরিদমের চিত্ররূপ। অর্থাৎ, অ্যালগরিদমের ধাপসমূহ চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করাকে ফ্লোচার্ট বলে।

সুডো কোড (Pseudo Code): সুডো অর্থ হলো অবাস্তব, অর্থাৎ যা সত্য নয়। প্রোগ্রাম রচনার ধারাবাহিক বিন্যাসকে কথায় লেখাই হলো সুডো কোড। এটি অনেক প্রোগ্রাম লেখার মতোই। সুডো কোডকে অনেকে অ্যালগরিদমের বিকল্প বলে থাকেন। ইংরেজিতে সাধারণত এটি রচনা করা হয়। যেমন : দুটি সংখ্যার যোগফল বের করার সুডো কোড নিচে দেওয়া হলো -

INPUT NUMBER1
INPUT NUMBER2
TOTAL= NUMBER1 + NUMBER2
PRINT TOTAL

সুডো কোড কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের নিয়ম মেনে লেখা হয় না। তবে কোনো প্রোগ্রামের সুডো কোড পড়লে বোঝা যায় কোডিং কেমন হবে।


তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১৩.
কোনটি কম্পিউটারের লজিক্যাল কম্পোনেন্ট নয়?
  1. ক) উইন্ডোজ
  2. খ) এমএস ওয়ার্ড
  3. গ) মাদারবোর্ড
  4. ঘ) ফটোশপ
সঠিক উত্তর:
গ) মাদারবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার
১। যে সকল যন্ত্রাংশ দিয়ে কম্পিউটার তৈরি করা হয় এদেরকে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বলে।
২। এটা কম্পিউটারের ফিজিক্যাল কম্পোনেন্ট
৩। হার্ডওয়্যার তৈরির সময় সফটওয়্যার সম্পর্কে ধারণা থাকতে হয় ৷
৪। হার্ডওয়্যার নষ্ট হতে পারে।
৫। উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, মাদারবোর্ড, র‍্যাম, রম, হার্ডডিস্ক, পাওয়ার সাপ্লাই ইত্যাদি।

কম্পিউটার সফটওয়্যার
১। কম্পিউটারের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টিকে সফটওয়্যার বলে।
২। এটা কম্পিউটারের লজিক্যাল কম্পোনেন্ট
৩। সফটওয়্যার তৈরির সময় হার্ডওয়্যার সম্পর্কে ধারণা না থাকলেও চলে।
৪। সফওয়্যার মুছা যায় বা Delete করা যায়।
৫। উদাহরণ: উইন্ডোজ, এমএস ওয়ার্ড, এমএস এক্সেল, ফটোশপ ইত্যাদি।


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৪.
সর্বাপেক্ষা দ্রুতগতির বাস -
  1. ক) USB Bus
  2. খ) VESA Bus
  3. গ) FireWire
  4. ঘ) Local Bus
সঠিক উত্তর:
গ) FireWire
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) FireWire
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বাস (Computer Bus)
কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে। বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে। 

ফায়ারওয়্যার (FireWire)
ফায়ারওয়্যার হচ্ছে এ যাবৎকালের সর্বাপেক্ষা দ্রুতগতির বাস। এ বাসের আরেকটি নাম হচ্ছে IEEE 1394। এ ধরনের বাসের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:

১। অত্যন্ত দ্রুতগতির বাস। প্রতি সেকেন্ডে 100, 200 বা 400 মেগাবাইট ডেটা স্থানান্তর সম্ভব।
২। প্রখ্যাত ডিজিটাল ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল যন্ত্রের নির্মাতারা একে সমর্থন করায় ফায়ারওয়্যার একটি আদর্শ উচ্চগতির বাসের আদর্শ হয়ে পড়েছে।


তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটার এন্টিভাইরাস?
  1. ক) McAfee
  2. খ) Avast
  3. গ) Norton
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার -
- McAfee Antivirus
- Norton Antivirus
- Dr. Solomon Antivirus 
- IBM Antivirus 
- Norman Antivirus
- ThunderByte Antivirus
- AVG Antivirus 
- PC Cillin Antivirus
- Avira Antivirus 
- Panda Antivirus
- Kaspersky Antivirus
- Avast Antivirus

কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস -
- Boot Sector Virus
- Multipurpose Virus
- Macro Virus
- Companion Virus 
- Partition Virus
- Overwriting Virus
- Trojan Horse Virus
- Command Purpose Virus 
- AIDS Virus
- BUDDY LST.ZIP 
- De-My Valentine 
- Perrin.Exe
- Irina Virus


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৬.
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার মেরামত করার জন্যে যে সকল প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয় সেগুলোকে বলে -
  1. ক) সিকিউরিটি মনিটর প্রোগ্রাম
  2. খ) পারফরমেন্স মনিটর প্রোগ্রাম
  3. গ) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
  4. ঘ) প্রোগ্রামিং এডিটর এবং টুলস
সঠিক উত্তর:
গ) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার

সিস্টেম সফটওয়্যার হচ্ছে এমন ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারগুলোকে ব্যবহারকারীর ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে সহায়তা করে। এই সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ও ব্যবহারিক প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য কম্পিউটারের সামর্থ্যকে সার্থকভাবে নিয়োজিত রাখে। কম্পিউটারের কাজের প্রকৃতির উপযোগী করে সিস্টেম সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। তাই বিভিন্ন প্রকারের কাজের জন্য সিস্টেম সফটওয়্যার বিভিন্ন রকমের হয়। 

সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।
২) সিস্টেম সাপোর্ট প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।

সিস্টেম সাপোর্ট সফটওয়্যার
সিস্টেম সাপোর্ট প্রোগ্রাম দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী সার্ভিস প্রোগ্রাম, নিরাপত্তা প্রদানের প্রোগ্রাম এবং কাজের হিসাব-নিকাশসহ ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতে পারে।

সিস্টেম সাপোর্ট প্রোগ্রাম নিম্নলিখিত প্রোগ্রামগুলো নিয়ে গঠিত। যথা-
১) সিস্টেম ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
২) সিস্টেম পারফরমেন্স মনিটর প্রোগ্রাম ও
৩) সিস্টেম সিকিউরিটি মনিটর প্রোগ্রাম।

ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
সাধারণত ইউটিলিটি প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহার সহজতর করে। কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার মেরামত করার জন্যে যে সকল প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয় সেগুলোকে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম বলে। যেমন: PC Tool, PC Utility, McAfee, Norton, TOOL Kit, Partition Magic ইত্যাদি।


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৭.
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয় -
  1. ক) MS Excel
  2. খ) Chrome
  3. গ) MS Access
  4. ঘ) MS Windows
সঠিক উত্তর:
ঘ) MS Windows
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) MS Windows
ব্যাখ্যা
অ্যাপ্লিকেশন বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার

অ্যাপ্লিকেশন বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বিভিন্ন কাজ যেমন- চিঠিপত্র টাইপ করা, বিল তৈরি করা, একাউন্টিং-এর হিসেব রাখা, গ্রাফিক্স ডিজাইন করা, অডিও-ভিডিও শোনা ইত্যাদি কাজের জন্য আলাদা আলাদা সফটওয়্যার আছে। এর সবগুলোই অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software)। এটি আবার দুই ভাগে বিভক্ত। যেমন-

১) ইউজার বা ব্যবহারকারী লিখিত প্রোগ্রাম।
২) প্যাকেজ প্রোগ্রাম।

ইউজার বা ব্যবহারকারী লিখিত প্রোগ্রাম
কম্পিউটারের মাধ্যমে যে কোনো জটিল সমস্যার সমাধান সম্ভব। কম্পিউটার ব্যবহারকারী তার চাহিদা অনুযায়ী যে কোনো জটিল সমস্যা সমাধানের জন্য নিজের মতো করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম রচনা করতে পারেন। ব্যবসায়ী বা শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে তথ্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব-নিকাশসহ অন্যান্য কাজের জন্য অনেক সময় বিশেষভাবে সফটওয়্যার তৈরি করে নেয়ার প্রয়োজন পড়ে। তবে এ কাজে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ প্রোগ্রামারের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।

উদাহরণ: পরিসংখ্যান সংক্রান্ত, তথ্যসহ পরীক্ষার ফলাফল তৈরির প্রোগ্রাম, ইনভেনটরি কন্ট্রোল বা পণ্যদ্রব্যের বিস্তারিত তথ্যের তালিকা নিয়ন্ত্রণের প্রোগ্রাম, রেলওয়ে বা বিমানের আসন সংরক্ষণ, উৎপন্ন দ্রব্যের অনুসূচির প্রোগ্রাম ইত্যাদি ।


প্যাকেজ প্রোগ্রাম
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানোর জন্য বেশ কিছু প্রোগ্রাম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়। এ ধরনের প্রোগ্রাম দিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করা যায়। এ প্রোগ্রামে ব্যবহারিক সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেয়ার ব্যবস্থা থাকে। এ সব প্রোগ্রামকে প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে। নিম্নে কয়েকটি প্যাকেজ প্রোগ্রামের উদাহরণ দেয়া হলো। যেমন-

১। ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
২। ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার
৩। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার (MS Excel)
৪। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার (MS Access)
৫। গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া এবং প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
৬। এন্টারটেইনমেন্ট এবং এডুকেশন সফটওয়্যার
৭। কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উল্লেখ্য, MS Windows একটি সিস্টেম সফটওয়্যার।


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৮.
তথ্য সংরক্ষণ এবং পঠন কাজ করার জন্য লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয় কোনটিতে?
  1. ক) হার্ডডিস্ক
  2. খ) সিডি রম
  3. গ) ফ্ল্যাশ ডিস্ক
  4. ঘ) ফ্লপি ডিস্ক
সঠিক উত্তর:
খ) সিডি রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিডি রম
ব্যাখ্যা
সিডি রম

সিডি রম (CD-ROM)–এর পূর্ণনাম কমপ্যাক্ট ডিস্ক রিড অনলি মেমোরি (Compact Disk Read Only Memory)। সিডি রম একটি অপটিক্যাল মাধ্যম। অপটিক্যাল মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ এবং পঠন কাজ করার জন্য এতে লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয়।


সিডি রমের গঠন

সিডি রম একটি অপটিক্যাল মাধ্যম। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সিডি রম অ্যালুমিনিয়াম এবং প্লাস্টিকের তৈরি হয়ে থাকে। সিডি রম চাকতিটির ব্যাস ৪.৭২ ইঞ্চি এবং পুরত্ব ১.২ মিলিমিটার। এর কেন্দ্রে ১৫ মিলিমিটার ছিদ্র থাকে।

- সিডির মধ্যবর্তী ছিদ্রের চারপাশে ৬ মিলিমিটার বেষ্টনীকে ক্লাম্পিং এরিয়া বলা হয়। এতে কোনো তথ্য থাকে না।
- এরপর ৪ মিলিমিটার বেষ্টনীকে VTOC (Volume Table of Contents) বলা হয়।
- এরপরের ১ মিলিমিটার এলাকাকে Lead In বলা হয়।
- এর পর থেকে 'তথ্য ধারণ এলাকা' শুরু হয় এবং ৩৩ মিলিমিটার এলাকা তথ্য ধারণ করে।
- এর পরের শেষ ১ মিলিমিটার এলাকাকে Lead Out বলা হয়। এটি সিডির শেষ সীমানা নির্দেশ করে। তথ্য সংরক্ষণ বা লিখার জন্য লেজার রশ্মি ঐ মাধ্যমের সারফেস বা আস্তরণের নির্দিষ্ট প্যাটার্ন পুড়িয়ে দেয়। আবার ঐ সংরক্ষিত তথ্যকে পড়ার জন্য সিডি ড্রাইভ অন্য ধরনের লেজার রশ্মি ব্যবহার করে। এই রশ্মি সিডির আস্তরণকে স্ক্যান করে তথ্যকে চিহ্নিত করতে পারে।

প্রথম প্রথম যেসব সিডি-রম বেরিয়েছিল তা থেকে শুধু তথ্য পড়া যেত, কিন্তু তাতে কোন তথ্য লেখা যেত না। বর্তমানে নতুন ধরনের সিডি-রম বেরিয়েছে যাতে তথ্য বারবার লেখা যায় ও পড়া যায়; এগুলোকে বলা হয় সিডি-আর।




তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৯.
কম্পিউটার ভাইরাস নয় কোনটি?
  1. ক) জেরুজালেম
  2. খ) ভিয়েনা
  3. গ) ফোল্ডার
  4. ঘ) ফাইল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফাইল
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস (Computer VIRUS)

VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources Under Siege যার অর্থ দাঁড়ার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেওয়া বা ক্ষতি সাধন করা। ১৯৮৩ সালে এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক 'University of New Haven'-এর অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন (Fred Cohen)। 

ভাইরাস হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং যার নিজের সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষমতা রয়েছে। ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করলে সাধারণত সংখ্যা বৃদ্ধি হতে থাকে ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং এক পর্যায়ে গোটা কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়। যেমন- বুট ভাইরাস ডিস্কের বুট সেক্টরকে আক্রমণ করে।

কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো -

- জেরুজালেম (Jerusalem)
- ভিয়েনা (Vienna),
- ফোল্ডার (Folder)
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse)
- স্টোন (Stone),
- সিআইএইচ (CIH) ইত্যাদি।


তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি ও কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২০.
কোন অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ব্যবহারকারী এক সঙ্গে নিজ নিজ টারমিনালের সাহায্যে মূল কম্পিউটারে কাজ করতে পারে?
  1. ক) ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম
  2. খ) রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম
  3. গ) টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) ডেডিকেটেড অপারেটিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
গ) টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম (Time Sharing Operating System)

টাইম শেয়ারিং পদ্ধতিতে অনেক ব্যবহারকারী এক সঙ্গে নিজ নিজ টারমিনালের সাহায্যে মূল কম্পিউটারে কাজ করে । মূল কম্পিউটারের প্রসেসর পর্যায়ক্রমিক ভাবে একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রত্যেক ব্যবহারকারীর কাজ সম্পাদন করে। অর্থাৎ এ জাতীয় অপারেটিং সিস্টেম প্রসেসিং সময়কে বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর মধ্যে বণ্টন করে।


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২১.
ফক্সপ্রো একটি-
  1. ক) স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম
  2. খ) গ্রাফিক্স সফটওয়্যার
  3. গ) ওয়েব ব্রাউজিং সফটওয়্যার
  4. ঘ) ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
 ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটা তৈরি, অ্যাকসেস এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। বর্তমানে অনেক ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো-

- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার
- ওরাকল
- মাই এসকিইএল
- ডিবেজ
- ফক্সপ্রো
- বেজ 
- ফাইল মেকার
- Informix
- Firebird
- SQL Server Express
- InterBase ইত্যাদি।


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২২.
১ এক্সাবাইট = ?
  1. ক) ২৫০ টেরাবাইট
  2. খ) ২৭০ ইটাবাইট
  3. গ) ২৮০ টেরাবাইট
  4. ঘ) ২৬০ পেটাবাইট
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় বাতিল করা হয়েছে।

মেমোরির ধারণক্ষমতা


কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমোরির ধারণক্ষমতা বলা হয়। মেমোরির ধারণ ক্ষমতার একক হলো বিট (Bit)।

- বাইনারি গণনা পদ্ধতির ০ এবং ১ এই দুইটি মৌলিক অঙ্ককে বলা হয় বিট।
- ৮ বিট নিয়ে গঠিত শব্দকে বলা হয় বাইট। (বর্ণ, অঙ্ক ও বিশেষ চিহ্ন নির্দিষ্ট করার জন্য বাইট ব্যবহার করা হয়।)

কম্পিউটার মেমোরির ধারণক্ষমতা নির্ণয়ের এককগুলো হলো- কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট ও টেরাবাইট। নিচে এদের মধ্যে সম্পর্ক দেখানো হলো -

৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট (KB)
২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
৫০  বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
৬০  বাইট বা ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
৭০  বাইট বা ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
৮০  বাইট বা ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইটাবাইট (YB)


তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২৩.
কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কে কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের সফটওয়্যার
  2. খ) ভাইরাস নামকরণ করেন ‘ফ্রেড কোহেন’
  3. গ) ভাইরাসের নিজের সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষমতা নেই
  4. ঘ) চেরনোবিল ভাইরাসের আক্রমণ ঘটে ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ভাইরাসের নিজের সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষমতা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভাইরাসের নিজের সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষমতা নেই
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস (Computer VIRUS)

VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources Under Siege যার অর্থ দাঁড়ার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেওয়া বা ক্ষতি সাধন করা। ১৯৮৩ সালে এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক 'University of New Haven'-এর অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন (Fred Cohen)। 

- ভাইরাস হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে।
- ভাইরাসের নিজের সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষমতা রয়েছে। ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করলে সাধারণত সংখ্যা বৃদ্ধি হতে থাকে ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং এক পর্যায়ে গোটা কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার সিআইএইচ বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। টাইম বোমার ন্যায় নির্দিষ্ট সময়ে এ ভাইরাসটি কম্পিউটারকে আক্রান্ত করে। সিআইএইচ ভাইরাসের রচয়িতা “চেন ইং হাও”।


তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি ও কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।