পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৩৭
সিলেবাস
Exam - 6 Penal Code-1860: Test-1 Topic ➝ Section 1-140 • Introduction • General explanations • Punishments • General exceptions • Abetment • Criminal conspiracy • Offences against the state • Offences relating to the army, navy and air force
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৭ প্রশ্ন

.
The Penal Code is a/an _______________ law.
  1. Adjective Law
  2. Substantive Law
  3. Preventive Law
  4. Procedural Law
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা
♦ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দন্তবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।

♦ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

♦ দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন। কিন্তু এই অপরাধের বিচার পদ্ধতি দণ্ডবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের বিচার করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধিতে। এই কারণে ফৌজদারী কার্যবিধি হলো পদ্ধতিগত আইন।

♦ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি। Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
.
'দণ্ডবিধি' ১৮৬০ সালের কত নং আইন?
  1. ১ নং আইন
  2. ৩৫ নং আইন
  3. ৪৫ নং আইন
  4. ৫ নং আইন
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
ব্যাখ্যা
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন  দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।

⇒ এই  আইন সামান্য কিছু পরিবর্তন সাপেক্ষে বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে প্রচলিত আছে।
⇒ দণ্ডবিধি  ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
.
The word “person” includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not. এটি দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ১২ ধারার
  2. ১১ ধারার
  3. ১৭ ধারার
  4. ১৪ ধারার
সঠিক উত্তর:
১১ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২য় অধ্যায়ের ৬ থেকে ৫২ক ধারার সাধারণ ব্যাখ্যা (General Explanation) অংশে দণ্ডবিধিতে ব্যবহৃত কতিপয় শব্দের সংজ্ঞা রয়েছে।

♦ ব্যক্তি (Person)- দণ্ডবিধির ১১ ধারায় ব্যক্তির সংজ্ঞা রয়েছে। ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যক্তি বা Person বলতে যে কোন কোম্পানী বা সমিতি (Association) অথবা ব্যক্তি সমষ্টিকে (সমিতিভুক্ত হোক বা না হোক) বুঝাবে।
-----------------------------------
♦ “Person” Section 11. The word “person” includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not.
.
দণ্ডবিধিতে “Public servant” বলতে কত ধরণের ব্যক্তিকে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৮ ধরণের ব্যক্তিকে
  2. ১০ ধরণের ব্যক্তিকে
  3. ৯ ধরণের ব্যক্তিকে
  4. ১২ ধরণের ব্যক্তিকে
সঠিক উত্তর:
১২ ধরণের ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ধরণের ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২১ ধারায় সরকারি কর্মচারী বা Public Servant সম্পর্কে বলা হয়েছে। সরকারি কর্মচারী বলতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে বেতনাদিযুক্ত পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত কোনো ব্যক্তিকে বোঝায়। 'সরকারি কর্মচারী' কারা এর কোনো চূড়ান্ত সংজ্ঞা বা তালিকা নেই।

 ♦ দণ্ডবিধির ২১ ধারায় ১২ ধরণের ব্যক্তিকে সরকারী কর্মচারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

---------------------------
♦  “Public servant”
Section  21. The words "public servant" denote a person falling under any of the descriptions hereinafter following, namely:- 
 
First.-[Omitted by section 2 of the Penal Code (Amendment) Ordinance, 1982 (Ordinance No. X of 1982)]; 
 
Second. Every Commissioned Officer in the Military, Naval or Air Forces of Bangladesh.
 
[Third.- Every Judge including any person empowered by any law to perform, whether by himself or as a member of any body of persons, any adjudicatory function;] 
 
Fourth.- very officer of a Court of Justice whose duty it is, as such officer, to investigate or report on any matter of law or fact, or to make, authenticate, or keep any document, or to take charge or dispose of any property, or to execute any judicial process, or to administer any oath, or to interpret, or to preserve order in the Court; and every person specially authorized by a Court of Justice to perform any of such duties; 
 
Fifth.-Every juryman, assessor, or member of a panchayat assisting a Court of Justice or public servant; 
 
Sixth.-Every arbitrator or other person to whom any cause or matter has been referred for decision or report by any Court of Justice, or by any other competent public authority; 
 
Seventh.-Every person who holds any office by virtue of which he is empowered to place or keep any person in confinement; 
 
Eighth.-Every officer of the Government whose duty it is, as such officer, to prevent offences, to give information of offences, to bring offenders to justice, or to protect the public health, safety or convenience; 
 
Ninth.-Every officer whose duty it is, such officer, to take, receive, keep or expend any property on behalf of the Government, or to make any survey, assessment or contract on behalf of the Government, or to execute any revenue-process, or to investigate, or to report, on any matter affecting the pecuniary interests of the Government, or to make, authenticate or keep any document relating to the pecuniary interest of the Government, or to prevent the infraction of any law for the protection of the pecuniary interests of the Government ; 
 
Tenth.-Every officer whose duty it is, as such officer, to take, receive, keep or expend any property, to make any survey or assessment or to levy any rate or tax for any secular common purpose of any village, town or district, or to make, authenticate or keep any document for the ascertaining of the rights of the people of any village, town or district; 
 
Eleventh.-Every person who holds any office in virtue of which he is empowered to prepare, publish, maintain or revise an electoral roll or to conduct an election or part of an election. 
 
Illustration 
 
A Municipal Commissioner is a public servant. 
 
Twelfth.-Every person- 
 
(a) in the service or pay of the Government or remunerated by the Government by fees or commissions for the performance of any public duty; 
 
(b) in the service or pay of a local authority or of a corporation, body or authority established by or under any law or of a firm or company in which any part of the interest or share capital is held by, or vested in, the Government.
 
Explanation 1.-Persons falling under any of the above descriptions are public servants, whether appointed by the Government or not. 
 
Explanation 2.-Wherever the words "public servant" occur, they shall be understood of every person who is in actual possession of the situation of a public servant, whatever legal defect there may be in his right to hold that situation. 
 
Explanation 3.-The word "election" denotes an election for the purpose of selecting members of any legislative, municipal or other public authority, of whatever character, the method of selection to which is by, or under, any law prescribed as by election.
.
Mens-rea বলতে বুঝায়?
  1. ভাল মন
  2. দোষযুক্ত মন
  3. সরল মন
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
দোষযুক্ত মন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোষযুক্ত মন
ব্যাখ্যা
♦ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]

♦ “Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind)।

♦  অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
.
Good faith within the meaning of the Penal Code means-
  1. An actual belief that the act done is not contrary to law.
  2. An act done with due care and attention.
  3. An act in fact, done honestly.
  4. An act done under bonafide belief.
সঠিক উত্তর:
An act done with due care and attention.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An act done with due care and attention.
ব্যাখ্যা
♦ “Good faith” Section 52. Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

♦ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

 ♦  এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
.
Under section 45 of penal code, Life denotes-
  1. life of human being and of an animal both
  2. Life of a living thing
  3. life of an animal
  4. life of a human being
সঠিক উত্তর:
life of a human being
উত্তর
সঠিক উত্তর:
life of a human being
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪৫ ধারার বিধান জীবন:- প্রসঙ্গে ভিন্নতর কিছু না বুঝালে 'জীবন' কথাটি কর্তৃক মানুষের জীবন বুঝাবে। 

♦ “Life” 
Section 45. The word "life" denotes the life of a human being, unless the contrary appears from the context.
.
'চ' সহ পাঁচ ব্যক্তি 'ছ'-কে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পিত দিন, তারিখ ও সময়ে তারা সকলে মিলে 'ছ'-কে হত্যা করে। 'চ' সহ উক্ত পাঁচ ব্যক্তির বিরূদ্ধে পেনাল কোডের ৩০২ ধারার সাথে নিচের কোন ধারাটি প্রাসঙ্গিক?
  1. ১৩৪ ধারা
  2. ৩৪ ধারা
  3. ১২০ক ধারা
  4. ১১৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারামতে যখন কতিপয় ব্যক্তি (২ বা ততোধিক) দ্বারা সকলের একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে (in furtherance of Common Intention) কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয় তখন প্রত্যেকে যৌথভাবে দায়ী হবে যেন নিজে কাজটি করেছে।

♦ অভিন্ন অভিপ্রায় ফৌজদারি আইনের একটা নীতি, যেটা দিয়ে যৌথভাবে অভিযুক্ত করা যায়। অভিন্ন অভিপ্রায় মৌলিক/স্বতন্ত্র অপরাধ নয়।

♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।

♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।

♦ কোনো ব্যক্তিকে ৩৪ ধারায় দায়ী করতে হলে এ ধারার যেকোনো একটি উপাদান থাকতে হবে। ৩৪ ধারার শাস্তি: মূল অপরাধের শাস্তি। 

৩৪ ধারার মূলনীতি প্রয়োগ করে ৩০২ ধারার অধীনে Common Intention এর জন্য দায়ী করে শাস্তি দেওয়া যাবে। অর্থাৎ, ৩০২ ধারার সাথে ৩৪ ধারাটি প্রাসঙ্গিক।
.
দণ্ডবিধির ৭৩ ধারা অনুযায়ী নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সর্বোচ্চ কত দিন?
  1. ১৪ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
♦ শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়। নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।

♦ ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাস একটানা ১৪ দিনের বেশি হবেনা, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ মাসের অধিক হলে কোন এক মাসে ৭ দিনের বেশি নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে না।

♦ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

♦ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
১০.
কোন ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস (solitary confinement) প্রদান করা যায়?
  1. বিনাশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
  2. সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
  3. অর্থদণ্ড ক্ষেত্রে
  4. অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়। নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।

♦ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
১১.
বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনির্বাহী সরকার পরিচালনা করিবার জন্য আইন বলে ক্ষমতা প্রদত্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বলা হয়-
  1. সরকার
  2. মন্ত্রীপরিষদ
  3. জাতীয় সংসদ
  4. প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৭ ধারার বিধান 'সরকার' বলতে বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনিবাহী সরকার পরিচালনা করবার জন্য আইনবলে ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বুঝাইবে।

♦ The Penal Code, 1860 Section 17: “Government”:  The word “Government” denotes the person or persons authorized by law to administer executive Government in Bangladesh, or in any part thereof.
১২.
মূল দণ্ডবিধিতে কয়টি ধারা ছিল?
  1. ৫১১ টি
  2. ৪৮৮ টি
  3. ৪৮২ টি
  4. ৫৬৫ টি
সঠিক উত্তর:
৪৮৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮৮ টি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)। 

♦ ইংরেজ শাসন আমলে লর্ড মেকলের নেতৃত্বে একটি আইন কমিশন গঠন করেন। লর্ড মেকলে ১৮৩৮ সালে দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করেন।  ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণয়ন করা হয় এবং ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে আইন হিসেবে কার্যকর হয়।

♦ ১৯৪৭ সালে বৃটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক গৃহীত একটি প্রস্তাবে উপমহাদেশটির স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং ভারত ও পাকিস্তান নামে দু’টি স্বাধীন রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। ভারত ও বর্তমান বাংলাদেশসহ পাকিস্তান উভয় রাষ্ট্রই ইংরেজগণ কর্তৃক প্রবর্তিত ভারতীয় দণ্ডবিধি চালু রাখে।

♦ ১৯৭২ সালের ২২শে মে জারীকৃত প্রেসিডেন্টের ৪৮নং জরুরী আদেশ বলে পাকিস্তান আমলে চালু অপরাপর আইনসহ দণ্ডবিধি বহাল রাখা হয়েছে। আদেশটি ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের ২৬শে মার্চ হতে কার্যকরী বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে যে, দণ্ডবিধির যে সকল ধারায় পাকিস্তান, কেন্দ্রীয় সরকার, প্রাদেশিক সরকার অথবা পর্ব পাকিস্তান সরকার উল্লেখ আছে, তথায় ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার উল্লেখ করতে হবে।

 ♦ বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৯৬০ মোট ২৩টি অধ্যায় ও ৫১১টি ধারা আছে। সর্বশেষ ২০০৪ সালে সংসদে এই আইনটি গৌণ পরিবর্তন (মাশুল বাড়ানো ও অন্যান্য) আনা হয়।
১৩.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী অর্থদণ্ড কত বছরের মধ্যে যে কোন সময় আদায় করা যায়?
  1. ১ বছরের
  2. ৩ বছরের
  3. ৫ বছরের
  4. ৬ বছরের
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

♦ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
১৪.
একজন শৈল্য চিকিৎসক সরল বিশ্বাসে একজন রােগীকে বলেন "আপনি আর বাঁচবেন না, এতে উক্ত রোগী মানসিক আঘাত পেয়ে মারা যায়। এক্ষেত্রে শৈল্য চিকিৎসক নিচের কোন ধারার অপরাধ করেছেন?
  1. দণ্ডবিধির ৮৮ ধারার
  2. দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
  3. দণ্ডবিধির ৯৫ ধারার
  4. দণ্ডবিধির ৯৬ ধারার
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

♦ উদাহরণ
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। কএর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রেগিটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

------------------------------------
♦ Communication made in good faith
Section 93. No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 
 
♦ Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
১৫.
বাংলাদেশী বা বিদেশী কোন নাগরিক বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোন জাহাজে বা বিমানে কোন অপরাধ করলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে এর বিধান আছে-
  1. দণ্ডবিধির ৪ ধারা
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২ ধারা
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিধিটির আওতার সম্প্রসারণ:- নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক; 
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।

♦ ব্যাখ্যা:- এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার 'অপরাধ' কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের দায়: যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাহিরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে, তাহা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, কোন অপরাধ করে;
তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে ধরে নিয়ে সে অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

♦ দণ্ডবিধির ২ ধারার বিধান বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত অপরাধ এর সাজা:- বাংলাদেশের মধ্যে এই বিধির আওতায় প্রণীত বিধানের পরিপন্থি কোন কার্য করলে অথবা বিধানের নির্দেশ অনুযায়ী কোন কার্য না করলে প্রত্যেক ব্যক্তি এই বিধির আওতায় সাজার জন্য দায়ী হবেন এবং অপর কোনভাবে নয়।
১৬.
কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডের সর্বোচ্চ সীমা কতটুকু?
  1. উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
  2. উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
  3. উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-তৃতীয়াশ পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
  4. উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-অস্টমাংশ পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৬৫ ধারার বিধান যেক্ষেত্রে কারাবাস ও অর্থদন্ড বিধেয় সেই ক্ষেত্রে অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাবাসের সীমা:

⇒ আদালত অপরাধীকে অর্থদন্ড অনাদায়ে যে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার আদেশ করবেন, উহার মেয়াদ অপরাধটির জন্য নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ মেয়াদের এক-চতুর্থাংশের বেশি হবে না, যদি অপরাধটি কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডনীয় হয়।
১৭.
ফৌজদারী আদালতের রায় অনুযায়ী জল্লাদ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির ফাঁসি কার্যকর করলে তা-
  1. অপরাধ বলে গণ্য হবে না
  2. অপরাধ বলে গণ্য হবে
  3. নরহত্যা
  4. খুন
সঠিক উত্তর:
অপরাধ বলে গণ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ বলে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা মতে আদালতের আদেশে কৃত কাজ অপরাধ নয় অর্থাৎ আদালতের রায় বা আদেশ মোতাবেক সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ নয় আদালতের আদেশ বাস্তবায়িত করার জন্য সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণ যে সমস্ত কার্য করবেন তা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

♦ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান আদালতের রায় বা আদেশের অনুসরণে সম্পাদিত কাজ:- কোন আদালতের নির্দেশক্রমে অথবা কোন আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী উক্ত রায় বা আদেশ বলবৎ থাকাকালে সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না; আদালতের অনুরূপ রায় বা আদেশ প্রদানের এখতিয়ার না থাকলেও অনুরূপ কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না যদি উক্ত কাজটি সম্পন্নকারী ব্যক্তি সরল মনে বিশ্বাস করে থাকে যে, আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার রয়েছে।

-------------------
Act done pursuant to the judgment or order of Court:
Section 78. Nothing which is done in pursuance of, or which is warranted by the judgment or order of, a Court of Justice, if done whilst such judgment or order remains in force, is an offence, notwithstanding the Court may have had no jurisdiction to pass such judgment or order, provided the person doing the act in good faith believes that the Court had such jurisdiction.
১৮.
একাধারে সর্বোচ্চ কত দিন নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১ মাস
  3. ১৫ দিন
  4. ১৪ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।

-----------------
♦ Limit of solitary confinement:
Section 74. In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
১৯.
যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় সেই ক্ষেত্রে আসামীকে প্রদত্ত কারাবাস-
  1. শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে
  2. শুধুমাত্র সশ্রম হতে পারে
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে
  4. বেত্রাঘাত হতে পারে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী, অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:-

♦ অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না,

⇒ যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; 
⇒ অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং
⇒ এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।
২০.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় সরকার নিম্নলিখিত কোন অপরাধটি যেকোন দণ্ডে হ্রাস করতে পারে-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. কারাবাস
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন। 

----------------------------
Commutation of sentence of death
Section  54. In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
২১.
দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা মতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে সরকার _____________________ কারাদণ্ড দিতে পারে।
  1. অনূর্ধ্ব ১৪ বৎসর মেয়াদের সশ্রম
  2. অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম
  3. যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম
  4. শুধু বিনাশ্রম
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

-------------------------------
♦ Section 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
২২.
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন কেমন হবে?
  1. অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে
  2. শুধু বিনাশ্রম কারাদণ্ডে হবে
  3. যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম
  4. শুধু সশ্রম কারাদণ্ডে হবে
সঠিক উত্তর:
অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৬৬ ধারার বিধান অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।

------------------------------
♦ Section 66. Description of imprisonment for non-payment of fine:-The imprisonment which the Court imposes in default of payment of a fine may be of any description to which the offender might have been sentenced for the offence.
২৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রপ্রতির বিশেষ ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. ৫৫ ধারায়
  2. ৫৪ ধারায়
  3. ৫৫ক ধারায়
  4. ৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:- ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।

♦ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।

♦ দণ্ডবিধির  ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ডা হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

--------------------------
♦ Section 55A. Saving for President prerogative:- Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

♦ Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.

♦ Section 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
২৪.
'ক' ও 'খ' আনন্দ উপভোগের উদ্দেশ্যে পরস্পরের সঙ্গে তরবারি খেলা খেলতে সম্মতি হয়। তরবারি খেলার সময় 'ক' খেলার স্বাভাবিক নিয়ম মেনে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে 'খ' আহত করে। এখানে 'ক' নিচের কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. কোন অপরাধ করেনি
  2. আঘাত
  3. গুরুতর আঘাত
  4. গুরুতর আগের চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা মতে মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটানোর অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও ১৮ বছরের বেশি বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি গ্রহণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্মতি দিয়ে কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়।

♦ দণ্ডবিধির ৮৭ ধারার বিধান মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটাইবার জন্য অভিপ্রেত নহে, এবং অনুরূপ সম্ভাবনাপূর্ণ বলিয়া অজ্ঞাত কার্য সম্মতি সহকারে সম্পাদন করা:
মৃত্যু ঘটাবার অথবা গুরুতর আঘাত করার উদ্দেশ্যে সম্পাদিত নয়, অথবা মৃত্যু ঘটাতে পারে বা গুরুতর আঘাত করতে পারে এইরূপ না জেনে সম্পাদিত কোন কাজ করার পর উহাতে কোন ক্ষতি হওয়ার ফলে অপরাধ হবে না; অথবা ১৮ বৎসরের অধিক বয়স্ক কোন ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুরূপ কাজের ফল হতে উদ্ভূত ক্ষতি স্বীকার করার সম্মতিদানের পর, তার সম্মতি নিয়ে উক্তরূপ ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না; অথবা যে ব্যক্তি কাজটি করছে, সে ব্যক্তি কাজটি করার ফলে ক্ষতি অনুষ্ঠিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারে সম্মতিক্রমে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।

------------------
♦ Act not intended and not known to be likely to cause death or grievous hurt, done by consent:
Section 87. Nothing which is not intended to cause death, or grievous hurt, and which is not known by the doer to be likely to cause death, or grievous hurt, is an offence by reason of any harm which it may cause, or be intended by the doer to cause, to any person, above eighteen years of age, who has given consent, whether express or implied, to suffer that harm; or by reason of any harm which it may be known by the doer to be likely to cause to any such person who has consented to take the risk of that harm.
২৫.
দণ্ডবিধির অধীন কত থেকে কত ধারা পর্যন্ত ফৌজদারী অপরাধের সাধারণ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৭৬ থেকে ১০০ পর্যন্ত
  2. ধারা ৭৪ থেকে ১০৪ পর্যন্ত
  3. ধারা ৭৬ থেকে ১০৬ পর্যন্ত
  4. ধারা ৯৬ থেকে ১০৬ পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৬ থেকে ১০৬ পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৬ থেকে ১০৬ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর চতুর্থ অধ্যায় ৭৬ ধারা থেকে ১০৬ ধারা পর্যন্ত সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ বা General exceptions নিয়ে আলোচনা করা হয়।

♦ যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত; অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না।

♦ পেনাল কোডের ৭৬-১০৬ ধারার মধ্যে যে সকল সাধারণ ব্যতিক্রম বর্ণনা করা হয়েছে সেগুলোর কোনো একটির সুযোগ যদি কোনো অভিযুক্ত পায় তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে যে কাজের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে তা আর অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে না। অভিযুক্ত ব্যক্তি এই ক্ষেত্রে নিরপরাধ হিসেবে খালাস পাবে। দোষী সাব্যস্ত করার সুযোগও নাই।

♦  সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
২৬.
'ক' একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে জনতার উপর গুলি চালায়। এতে করে ৫ জন ব্যক্তি গুরুতরভাবে জখম হয়। 'ক' কোন ধরণের অপরাধ করেছে?
  1. সাধারণ জখম
  2. গুরুতর জখম
  3. গুরুতর জখমের চেষ্টা
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষে কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:

⇒ যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশতঃ কাজটি করতে আইনত বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

♦ উদাহরণসমূহ

⇒ (ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

⇒ (খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর; 'খ'- কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
২৭.
'নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কাজ অপরাধ নহে'- এই সম্পর্কিত দন্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৭৯ ধারা
  2. ৮১ ধারা
  3. ৮২ ধারা
  4. ৮৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ৮২ ধারার বিধান নয় বৎসরের কম বয়সের শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।

♦ Section 82. Act of a child under nine years of age:- Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.

♦ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।
২৮.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী অপসহায়তা বা প্ররোচনার [Abetment] উপাদান কয়টি?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
♦ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।

♦ দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।

⇒ (i) কাউকে প্ররোচিত করে  (instigation)
⇒ (ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে  (engagement)
⇒ (iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে  (aiding)
২৯.
'Volante non-fit injuria' মতবাদটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৮৭ ধারায়
  2. ৮৮ ধারায়
  3. ৮৯ ধারায় 
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৮৭, ৮৮ এবং ৮৯ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত  ব্যক্তি বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির অভিভাবকের সম্মতি নিয়ে গঠিত কোনো ক্ষতি অপরাধ বলে গণ্য হবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

♦ সম্মতি বা ভলেনটি নন্ ফিট ইনজুরিয়া (Consent or Volante non-fit injuria): কারো সম্মতিক্রমে কোন কার্য সম্পাদিত হলে এবং এর ফলে কোন ক্ষতি হলে সম্মতিদানকারী কোন অভিযোগ করতে পারে না। এটা যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তাকে বলে ভলেন্টি নন্ ফিট্ ইনজুরিয়া। বাদী যে অধিকার স্বেচ্ছা প্রণোদিত ভাবে পরিত্যাগ করেছে সে অধিকার আর সে বলবৎ করতে পারে না। তাই মুষ্ঠিযুদ্ধে আহত হলে বা ডাক্তার অস্ত্রোপচার করলে টর্ট আইনে কাউকে দায়ী করা যায় না। এ মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বাদীর অবগতি ও সম্মতি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
৩০.
'A' রাত্রিবেলা একটি গৃহে প্রবেশ করে। গৃহটিতে প্রবেশে 'A' এর আইনগত অধিকার রয়েছে। 'B' সরল বিশ্বাসে 'A'কে চোর ভেবে আক্রমণ করে। এক্ষেত্রে 'B' কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. আঘাত
  2. কোন অপরাধ করেনি
  3. আক্রমণ
  4. মারাত্মক আঘাত
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা মতে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগকালে কৃত কোন কিছুই অপরাধ নয়। অর্থাৎ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কোন অপরাধ সংঘটিত হলেও তা অপরাধ বলে গণ্য হবেনা।

♦ অন্যভাবে বলা যায় যে, ৭৬ ধারা অনুযায়ী এটি একটি Mistake of fact যে কারণে 'B' এর কৃত কাজটি কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
৩১.
‘দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম সহ যেকোনো ব্যতিক্রম প্রমাণের দায়িত্ব আসামির’ এটি কোথায় উল্লেখ করা আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির চতুর্থ অধ্যায়
  3. দণ্ডবিধির ১০৫ ধারায়
  4. কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায় অনুসারে সাধারণ ব্যতিক্রম সহ ব্যতিক্রম ভ্রমণের দায়িত্ব আসামি উপর বর্তায়। ব্যতিক্রম প্রমাণের ভার (Burden of Proof of Exceptions) সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৩২.
‘C’ এর বাড়িতে আগুন লাগানোর জন্য ‘B’ পাগল প্রকৃতির ব্যক্তি ‘A’ কে বলেন এবং সে মোতাবেক ‘C’ এর বাড়িতে ‘A’ আগুন লাগায় এক্ষেত্রে-
  1. A পাগল হওয়ার কারণে তার কোন অপরাধ বা শাস্তি হবে না
  2. B প্ররোচনা দিয়েছে তাই আগুন লাগানোর দোষে দোষী হবে
  3. B এর ৪৩৬ ধারার অধীনে ক্ষতিসাধনের শাস্তি হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-৩ অনুযায়ী যখন প্ররোচিত ব্যক্তি অপরাধী না হলেও প্ররোচনাকারী অপরাধী হয়। অর্থাৎ অপরাধ করতে যে ব্যক্তি আইনগত অযোগ্য যেমন: নাবালক, অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল ব্যক্তিকে দিয়ে অপরাধ করালে যিনি উক্ত অপরাধ সংঘটিত করান তিনি দোষ কর্মের সাহায্যকারী হিসেবে দোষী হবেন।

⇒ ধারা ৪৩৬ এ উল্লেখ আছে যে গৃহ ইত্যাদি ধ্বংস করার অভিপ্রায়ে অগ্নি বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে অনিষ্ট সাধন।
৩৩.
কীভাবে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সংঘটিত হতে পারে?
  1. কোন অবৈধ কাজ করার সম্মতির মাধ্যমে
  2. কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার সম্মতির মাধ্যমে
  3. ক ও খ 
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ 
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ তথা কোন অবৈধ কাজ করার জন্য অথবা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার জন্য দুই বা ততোধিক ব্যক্তির সম্মতিকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বা Criminal Conspiracy বলে। ১২০ক ধারামতে ২ ভাবে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অপরাধ হতে পারে। যথা:

⇒ (i) কোন অবৈধ কাজ করার জন্য সম্মতির মাধ্যমে
⇒(ii) কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার সম্মতির মাধ্যমে
৩৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতার (sedition) শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ১২৩ ধারায়
  2. ১২৩ক ধারায়
  3. ১২৪ক ধারায়
  4. ১২৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১২৪ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৪ক ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১২৪ক এর মাঝে রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা স্বল্প মেয়াদের কারাদণ্ড যার সাথে অর্থদণ্ড যুক্ত হতে পারে অথবা অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড যার সাথে অর্থদণ্ড যুক্ত হতে পারে অথবা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। 

♦  সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার অভিযোগ ব্যতীত আদালত রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা আমলে নিবেনা।

♦ শুধুমাত্র দায়রা আদালত, চীফ জুডিশিয়াল বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার বিচার করে  থাকে।

♦ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা ছাড়াও সংবিধানের ৭খ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান রয়েছে।
৩৫.
A একটি বিচারালয়ের অফিসার। উক্ত আদালত কর্তৃক-Y কে আটক করার আদেশ প্রাপ্ত হয়ে এবং যথাযথ অনুসন্ধান করার পর Z কে Y মনে করে Z কে আটক করে। এই ক্ষেত্রে A এর অপরাধ-
  1. বেআইনী বাধা প্রদান করেছে
  2. কোন অপরাধ করেনি
  3. অপহরণ করেছে
  4. অবৈধ আটক করেছে
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষে কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:

⇒ যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশতঃ কাজটি করতে আইনত বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

♦ উদাহরণসমূহ:
⇒ (ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

⇒ (খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর; 'খ'- কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
৩৬.
কোন রাজবন্ধী বা যুদ্ধবন্ধীকে হাজত হতে পলায়নে সহায়তা, উদ্ধার, আশ্রয়দান বা লুকিয়ে রাখার শাস্তি-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন বা অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১৩০ মতে কোন রাজবন্ধী বা যুদ্ধবন্ধীকে হাজত হতে পলায়নে সহায়তা, উদ্ধার, আশ্রয়দান বা লুকিয়ে রাখার শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থন্ডের বিধান আছে।
৩৭.
Abetment এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ১০৫ ধারায়
  2. ১০৭ ধারায়
  3. ১০৮ ধারায়
  4. ১০৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০৭ অনুযায়ী যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে। 

♦ ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।

(i) কাউকে প্ররোচিত করে 
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে