পরীক্ষা আর্কাইভ

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি

পরীক্ষাখাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫ সাধারণ জ্ঞান আন্তর্জাতিক অংশ টপিক: বিশ্ব ভৌগোলিক পরিচিতি, মহাদেশ ও গুরুত্বপূর্ণ দেশ সম্পর্কিত তথ্য, নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর, দ্বীপ, প্রণালী ইত্যাদি। বাংলাদেশ অংশ টপিক: বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি (পাহাড়, নদী, সাগর ইত্যাদি), জলবায়ু ও পরিবেশ, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সম্পদ (বন, কৃষি, শিল্প, পানি), পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাংলাদেশের সমাজজীবন, সমস্যা, জনমিতিক পরিচয়।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
হর্ন অব আফ্রিকার (Horns of Africa) দেশ কোনটি?
  1. মিশর
  2. ইথিওপিয়া
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. গাম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
ইথিওপিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা
• হর্ন অব আফ্রিকার (Horns of Africa):
- পূর্ব আফ্রিকার একটি অঞ্চল। যাকে মানচিত্রে দেখতে শিংয়ের মতো মনে হয়।
- হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত মোট দেশ ৪টি।
- দেশগুলো হচ্ছে — সোমালিয়া, ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া ও জিবুতি।
- সোমালিয়া অবস্থিত এই শিংয়ের শীর্ষে।

উৎস:
- এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
.
লেবানন কোন মহাদেশের অংশ?
  1. ইউরোপ
  2. আফ্রিকা
  3. এশিয়া
  4. উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া
ব্যাখ্যা
• লেবানন:
- লেবানন এশিয়া মহাদেশের পশ্চিম এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- এ দেশটির রাজধানী বৈরুত।
- ভৌগোলিকভাবে দেশটির উত্তর ও পূর্বে সিরিয়া, দক্ষিণে ইসরাইলের (ফিলিস্তিন) সীমানা দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর ও সাইপ্রাস।
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের লেভান্ট অঞ্চলের অংশ।
-  রাষ্ট্রের সরকারী ভাষা আরবি, অন্যদিকে ফরাসীও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত; সারা দেশে আধুনিক স্ট্যান্ডার্ড আরবির পাশাপাশি লেবানিজ আরবি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট, World Atlas.
.
আলেকজান্দ্রিয়া বন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. মরক্কো
  2. সিরিয়া
  3. মিশর
  4. লেবানন
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা
• আলেকজান্দ্রিয়া বন্দর:
- আলেকজান্দ্রিয়া বন্দর — মিশরে অবস্থিত।
- এইশহরের মিশরের বিখ্যাত গ্রন্থাগার বিবলিওথেকা আলেক্সান্দ্রিয়া অবস্থিত।
- এটি মিশরের শিল্প ও বাণিজ্য কেন্দ্র।
- এর সাথে সুয়েজ হয়ে আসা প্রাকৃতিক গ্যাস এবং তেলের পাইপলাইন রয়েছে। 

উৎস:
- Britannica.com
.
উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোকে স্থানীয়ভাবে কী নামে ডাকা হয়?
  1. গিরিশৃঙ্গ
  2. টিলা
  3. পর্বত
  4. ঢিবি
সঠিক উত্তর:
টিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিলা
ব্যাখ্যা
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই ও মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

⇒ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস:
i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
শীতকালে বাংলাদেশের কিছু পাহাড়ি অঞ্চলে অল্প বৃষ্টিপাত হওয়ার প্রধান কারণ কী?
  1. দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রভাবে
  2. সমুদ্র বায়ুর প্রভাবে
  3. উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রভাবে
  4. নিরক্ষীয় বায়ুর প্রভাবে
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রভাবে
ব্যাখ্যা
• শীতকালে বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু:
- সাধারণত বাংলাদেশে নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস (কার্তিক - ফাল্গুন) পর্যন্ত সময়কে শীতকাল বলে।
- সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের পর তাপমাত্রা কমতে থাকে।
- আমাদের দেশে শীতকালে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে। এ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১° সেলসিয়াস।
- জানুয়ারি শীতলতম মাস এবং এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।
- শীতকালে বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে।
- তবে,
উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু এ সময় বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং এর ফলে কিছু কিছু অঞ্চল বিশেষত পাহাড়ি এলাকায় অল্প বৃষ্টিপাত হয়।


তথ্যসূত্র:
ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশে শালবনের বৃহৎ অঞ্চল কোন কোন জেলায় বিস্তৃত?
  1. গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
  2. সিলেট, কক্সবাজার ও বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও কুমিল্লা
  4. বরিশাল, পটুয়াখালী ও খুলনা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
শালবন:
- শালবন  এক ধরনের বনভূমি যেখানে শালগাছ (Shorea robusta) মুখ্য উদ্ভিদ প্রজাতি।
- বনের শ্রেণীবিন্যাসে শালবনকে গ্রীষ্মমন্ডলীয় আর্দ্র পত্রঝরা বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশে মোট শালবন এলাকা প্রায় ১,২১,০০০ হেক্টর অর্থাৎ দেশের বনভূমির শতকরা প্রায় ৩২ ভাগ।
- মুল কর্তিত গাছ থেকে পুনরায় গজানোর গুণ থাকায় এগুলোকে গজারি বন ও বলা হয়। 
- মধুপুর ও বরেন্দ্র এলাকার উত্তর-দক্ষিণ প্রলম্বিত লালাভ বাদামি দ্বীপসমূহ বাংলাদেশে প্লাইসটোসিন সোপানের নমুনা বলে ধারণা করা হয়।
- মোটামুটি ব্যাপক হলেও শালবন দেশের মাত্র কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো।
- বেশির ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায়। 
- এ বনাঞ্চল ভাওয়ালের গড় ও মধুপুরের গড় নামে পরিচিত। 
- বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলের শালবন এলাকা সবচেয়ে বড়, ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা নদীর মাঝে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত এ বনভূমির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৬ কি.মি এবং চওড়া ৮ থেকে ২৪ কি.মি। 
- ‘মধুপুর গড়’ নামেই এটি সুপরিচিত। 
- এছাড়া কুমিল্লা জেলায় এবং দেশের উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর এবং রাজশাহী জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে শালবন বিদ্যমান।

উৎস:
- বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৪]
  1. শিল্প খাত
  2. কৃষি খাত
  3. সেবা খাত
  4. তথ্যপ্রযুক্তি খাত
সঠিক উত্তর:
সেবা খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা খাত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------------
জিডিপিতে খাতভিত্তিক অবদান:
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

⇒ জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। 

উল্লেখ্য,
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার – ৬.৬৬%।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার: ৩.২১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থা কোন ধরনের?
  1. শিল্প ভিত্তিক
  2. ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
  3. ধান-প্রধান নিবিড় বাণিজ্যিক
  4. যান্ত্রিক কৃষি
সঠিক উত্তর:
ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কৃষি ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী ধরনের।

• ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী:
- শুধুমাত্র মানুষ নিজ নিজ প্রয়োজন মেটানোর জন্য যে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে তাকে স্বয়ংভোগী চাষাবাদ বলে।
- আদ্র মৌসুমী ভাবাপন্ন ঘনবসিতপূর্ণ এশিয়ার ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, চীন, জাপানে ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি ব্যবস্থা চালু আছে। 

• বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ক্ষুদ্রায়তন জমি।
- নিবিড় চাষাবাদ।
- ধানের প্রাধান্য।
- কায়িক শ্রম নির্ভর।
- একাদিক্রমে চাষাবাদ।
- চাষাবাদ প্রকৃতির উপর বেশী নির্ভরশীল।

• বাংলাদেশের কৃষি ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী বলার কারণ: 
- আমাদের দেশের কৃষির প্রধান উপখাত হলো- শস্য (ধান) উৎপাদন।
- বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাবার ভাত, আর তাই এই দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতেই ধান উৎপাদন হয়। 
- এছাড়াও গম, ভুট্টা, সহ শাকসবজি উৎপাদন প্রচুর পরিমানে হয়।
- এজন্যই বাংলাদেশকে কৃষি ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী বলা হয়। 
--------------------- 
বাংলাদেশের জাতীয় কৃ‌ষি:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- উৎপাদনশীলতা, আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধির জন্য কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ১লা অগ্রহায়ণ 'জাতীয় কৃ‌ষি দিবস ও নবান্ন উৎসব' পালিত হয়।
- কৃষিই সমৃদ্ধি এ শ্লোগানকে ধারণ করে ২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর বা '১লা অগ্রহায়ণ, ১৪১৫' সালে প্রথম জাতীয় কৃষি দিবস পালন করা হয়। 
- সেই থেকে প্রতিবছর কৃষি দিবস পালিত হয়ে আসছে।
 
উৎস:
জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর অর্থনীতি (২য় পত্র) -মোস্তাফিজুর রহমান,  একাদশ শ্রেণির ভূগোল- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান -
  1. ক্রমহ্রাসমান
  2. অপরিবর্তিত
  3. ক্রমবর্ধমান
  4. হ্রাস পাচ্ছে
সঠিক উত্তর:
ক্রমবর্ধমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমবর্ধমান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
------------------------
অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০২২ অনুসারে,
কৃষি খাতের অবদান - ১১.৫০%।
- সেবা খাতের অবদান - ৫১.৪৪%।  
- শিল্প খাতের অবদান - ৩৭.০৭%।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
- সেবা খাতের অবদান ৫১.২৪ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ।
- কৃষি খাতের অবদান ১১.২০ শতাংশ।
 
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:খাতভিত্তিক GDP:
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

সুতরাং দেখা যায়,
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪, ২০২৩, ২০২২।
১০.
বাংলাদেশের পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------- 
• পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব প্রতিষ্ঠান — ৭ টি।

• সংস্থাগুলোর নাম: 
- বাংলাদেশ সমুদ্র পরিবহন কর্পোরেশন,
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন,
- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন,
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- বাংলাদেশ স্থল-বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
১১.
বাংলাদেশ কোন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. শীতপ্রধান অঞ্চল
  2. ক্রান্তীয় অঞ্চল
  3. উপক্রান্তীয় অঞ্চল
  4. মেরু অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- কোন দেশের ভৌগলিক অবস্থান বলতে অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখাভিত্তিক অবস্থানকে বোঝায়।
- বাংলাদেশ ৮৮° ০১′ থেকে ৯২° ৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা এবং ২০°৩৪′, থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষ রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিস্তৃতি ৪৪০ কিলোমিটার।
- উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বিস্তৃতি প্রায় ৭৬০ কিলোমিটার।
- দেশের প্রায় মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- বাংলাদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের তিনদিকের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর-এর আওতায় (ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত) দেশে জাতীয় মহাসড়ক এর পরিমাণ কত?
  1. ২২,৪৭৬ কিলোমিটার
  2. ৪,৮৯৮ কিলোমিটার
  3. ৩,৯৯১ কিলোমিটার
  4. ১৩,৫৮৭ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৩,৯৯১ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৯৯১ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------------------- 
• সড়ক যোগাযোগ:


সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ): সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর-এর আওতায় দেশে বিভিন্ন ধরনের মহাসড়ক রয়েছে – ২২,৪৭৬ কিলোমিটার (ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত)।
এর মধ্যে –  

• জাতীয় মহাসড়ক – ৩,৯৯১ কিলোমিটার।
• আঞ্চলিক মহাসড়ক – ৪,৮৯৮ কিলোমিটার এবং
• ফিডার/জেলা সড়ক – ১৩,৫৮৭ কিলোমিটার।

মোট – ২২,৪৭৬ কিলোমিটার।

সওজ নিয়ন্ত্রাণাধীন সড়ক নেটওয়ার্কে বিভিন্ন প্রকারের ৪,৪০৪টি সেতু এবং ১৫,০৮৪টি কালভার্ট রয়েছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪।
১৩.
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানী লিমিটেড (বিএসসিসিএল) প্রাথমিকভাবে কোন সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছিল?
  1. SEA-ME-WE-3
  2. SEA-ME-WE-4
  3. SEA-ME-WE-5
  4. SEA-ME-WE-6
সঠিক উত্তর:
SEA-ME-WE-4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SEA-ME-WE-4
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানী লিমিটেড (বিএসসিসিএল):
- ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড।
- প্রাথমিকভাবে SEA-ME-WE-4 এর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে SEA-ME-WE-5 সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত আছে।
- দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল SEA-ME-WE-6 এর স্থাপন কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।
- দেশের সর্বমোট ইন্টারনেট চাহিদার প্রায় ৪৫ শতাংশ ব্যান্ডউইডথ বর্তমানে বিএসসিপিএলসি এককভাবে সরবরাহ করছে যার পরিমাণ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত প্রায় ২৫০৬ জিবিপিএস।

উৎস:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪।
১৪.
কোন নরগোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে?
  1. নেগ্রিটো
  2. ভোটচীনীয়
  3. দ্রাবিড়
  4. অস্ট্রিক
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
• বাঙালি জাতির প্রধান অংশ — অস্ট্রিক জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। 

• বাঙালির আদি-জনগোষ্ঠী:
- নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়ার দিক থেকে বাঙালি জাতি হলো একটি সংকর জাতি।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক।

- ইন্দোচীন থেকে আদি অস্ট্রেলীয় নরগোষ্ঠীর অন্তর্গত অস্ট্রিক জাতি প্রাক আর্য যুগে বাংলায় বসতি স্থাপন করে।
- এই অস্ট্রিক নরগোষ্ঠী থেকেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে।

- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- তবে ইতিহাসের নানা পর্যায়ে বাঙালি রক্তপ্রবাহে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে।
- বাংলার আদি জনগোষ্ঠী অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিল।

উৎস:
i) সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া। 
iii)বাংলাপিডিয়া ও বাঙালির ইতিহাস, নিহারঞ্জন রায়।
১৫.
বিশ্বব্যাংকের অর্থনৈতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বাংলাদেশ কোন শ্রেণির দেশ হিসেবে পরিচিত?
  1. মধ্যম আয়ের দেশ
  2. নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
  3. নিম্ন আয়ের দেশ
  4. উচ্চ আয়ের দেশ
সঠিক উত্তর:
নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
ব্যাখ্যা
• নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ:
- বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।
- একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ।
- প্রতিবছর ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় অনুসারে দেশগুলোকে চারটি আয় গ্রুপে ভাগ করে।
- যাদের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।
- ১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে ঘোষণা করেছে। 

উৎস: প্রথম আলো (২ জুলাই, ২০১৫) রিপোর্ট।
১৬.
কোন প্রণালীটি দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. মালাক্কা প্রণালী
  2. ফরমোজা প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. পক প্রণালী
সঠিক উত্তর:
ফরমোজা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরমোজা প্রণালী
ব্যাখ্যা
• ফরমোজা প্রণালী:
- ফারমোজা প্রণালি তাইওয়ান ও চীন থেকে পৃথক করেছে।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।

অন্যদিকে-
- মালাক্কা প্রণালি : আন্দামান সাগর (ভারত মহাসাগর) ও দক্ষিণ চীন সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) কে যুক্ত করেছে।
- বসফরাস প্রণালি: এশিয়াকে ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে।
- পক প্রণালী: ভারতকে শ্রীলংকা হতে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: World Atlas, ব্রিটানিকা। 
১৭.
এশিয়ার সর্বাধিক জনবহুল দেশ কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. ভারত
  2. চীন
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• এশিয়ার সর্বাধিক জনবহুল দেশ - ভারত।
--------------------- 
• বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ — ভারত।
- দেশটির জনসংখ্যা ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।
- 'ভারত' এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।  

[স্বাধীন অলাভজনক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ নিজেদের ওয়েবসাইটে বিশ্বের জনসংখ্যার লাইভ (তাৎক্ষণিক) তথ্য প্রচার-প্রকাশ করে।] 
--------------------------- 
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুসারে, জনসংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা দেওয়া হলো-

১. ভারত:
জনসংখ্যা: ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।

২. চীন:
জনসংখ্যা: ১৪১ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার।

৩. যুক্তরাষ্ট্র:
জনসংখ্যা: ৩৪ কোটি ৫৪ লাখ ২৭ হাজার।

৪. ইন্দোনেশিয়া:
জনসংখ্যা: ২৮ কোটি ৩৪ লাখ ৮৮ হাজার।

৫. পাকিস্তান:
জনসংখ্যা: ২৫ কোটি ১২ লাখ ৬৯ হাজার।

৬. নাইজেরিয়া:
জনসংখ্যা: ২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার।

৭. ব্রাজিল:
জনসংখ্যা: ২১ কোটি ১৯ লাখ ৯৯ হাজার।

৮. বাংলাদেশ:
জনসংখ্যা: ১৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার।

৯. রাশিয়া:
জনসংখ্যা: ১৪ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার।

১০. ইথিওপিয়া:
জনসংখ্যা: ১৩ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার।

সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ-২০২৪।