পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩ পদার্থের গঠন, এবং পদার্থের অবস্থা, তাদের পরিবর্তন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার। [ক্লাস ৪ ও ৫]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
কোন বস্তু যেসব উপাদান দ্বারা গঠিত তার পরিমাণকে কী বলে?
  1. ক) ভর
  2. খ) ওজন
  3. গ) ঘনত্ব
  4. ঘ) মোলারিটি
সঠিক উত্তর:
ক) ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভর
ব্যাখ্যা

ভর: প্রত্যেক বস্তু পদার্থ দ্বারা গঠিত। ভর হলো কোনো বস্তুতে পদার্থের পরিমাণ। বস্তুর ধর্ম এর অবস্থান, আকৃতি ও গতি পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তিত হয় না। যে পরমাণু ও অণু দিয়ে বস্তুটি গঠিত তার সংখ্যা ও সংযুক্তির উপর বস্তুটির ভর নির্ভর করে।

ওজন: কোনো বস্তুকে বা কোনো বস্তুর ভরকে পৃথিবী যে বল দ্বারা তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে, তাকে বস্তুটির ওজন বলে।

ঘনত্ব: কোনো বস্তুর একক আয়তনের ভরকে ঘনত্ব বলে।

মোলারিটি: কোন নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন দ্রবণের প্রতি লিটার আয়তনে দ্রবীভূত দ্রবের মোল সংখ্যা বা গ্রাম আণবিক ভর সংখ্যাকে ঐ দ্রবণের মোলারিটি বলে। এক কথায় বলা যায় যে, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রব্যের মোল সংখ্যাকে ঐ দ্রবণের মোলারিটি বলা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোনটি পদার্থের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) পদার্থের ওজন আছে।
  2. খ) বল প্রয়োগে বাঁধা দেয় না।
  3. গ) পদার্থ জায়গা দখল করে।
  4. ঘ) আয়তন থাকে।
সঠিক উত্তর:
খ) বল প্রয়োগে বাঁধা দেয় না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বল প্রয়োগে বাঁধা দেয় না।
ব্যাখ্যা
প্রতিটি পদার্থেরই কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য থাকে যার সাহায্যে পদার্থের ভিন্নতা বোঝা যায়। 

ভর: কোন বস্তুর মধ্যকার মোট পদার্থের পরিমাণই হচ্ছে তার ভর। নির্দিষ্ট কোন বস্তুর ভর সর্বত্র সমান ।
ওজন: কোন বস্তুকে পৃথিবী আকর্ষণ বল দ্বারা নিজের কেন্দ্রের দিকে টানে তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে। তাই কোন বস্তুর ওজন স্থান ভেদে বিভিন্ন হতে পারে ।
আয়তন: সব পদার্থই কিছুটা জায়গা দখল করে। একে তার বিস্তৃতি বা আয়তন বলে ।
ঘনত্ব: একক আয়তনের কোন বস্তুর ভরই হচ্ছে তার ঘণত্ব ।
সচ্ছিদ্রতা: প্রতিটি পদার্থের মধ্যে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে। একে পদার্থের সচ্ছিদ্রতা ধর্ম বলে। 
সংসক্তি: প্রত্যেকটি বস্তুর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কনার মধ্যে রয়েছে এক বিশেষ আকর্ষণ বল। এটাই - তার সংসক্তি।

তাছাড়া পদার্থের রয়েছে স্থিতিস্থাপকতা ধর্ম; আর এজন্যই বাইরে থেকে কোন বল প্রয়োগ করে | তার দৈর্ঘ্য, আকার বা আয়তন পরিবর্তিত করতে চাইলে বাধা দেয়
এছাড়াও পদার্থের আরও কিছু সাধারণ ধর্ম থাকে। যথা— ঘর্ষণ, সংনম্যতা, আসঞ্জন, অভেদ্যতা, জড়তা ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কঠিন পদার্থের অণুগুলোর আন্তঃআণবিক দূরত্ব কম তাই তাদের আন্তঃআণবিক শক্তি ____।
  1. ক) কম
  2. খ) বেশি
  3. গ) নেই
  4. ঘ) গ্যাসীয় পদার্থের আন্তঃআণবিক শক্তির সমান।
সঠিক উত্তর:
খ) বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেশি
ব্যাখ্যা
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের বেলায় আন্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে কম এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সর্বাধিক থাকে।
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন থাকে।
- যেহেতু তাপমাত্রা বাড়লে আন্তঃআণবিক দূরত্ব কিছুটা বাড়ে ও অণুর কম্পন বাড়ে; সেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে কঠিন পদার্থের আয়তন কিছুটা বাড়ে, তবে এ বৃদ্ধি খুবই কম।

 তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ ও অণুর স্থানান্তর গতি প্রায় সমান থাকে।
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি নেই।
- যেহেতু তাপমাত্রা বাড়ালে অণুসমূহের স্থানান্তর, আবর্তন ও কম্পন গতি বৃদ্ধি পায়, তাই তরল পদার্থের আয়তনও তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়ে।
- কিন্তু এক্ষেত্রেও আয়তন বৃদ্ধি খুব বেশি নয়; কেননা, তিন প্রকার গতি বৃদ্ধি পেলেও কণাসমূহ পরস্পরের যথাসম্ভব সন্নিকটে অবস্থান করে।

 গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের বেলায় আস্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে বেশি ও আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম থাকে।
- তখন অণুসমূহ অধিকতর কম্পন, আবর্তন ও স্থানাস্তর গতি সহকারে আন্তঃআণবিক আকর্ষণকে উপেক্ষা করে মুক্তভাবে চলাচল করে।
- তাই গ্যাসের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন নেই।
- যেহেতু অণুসমূহ আর পরস্পরের নিকটে থাকে না, সেহেতু গ্যাসীয় অবস্থায় পদার্থের আয়তন কঠিন বা তরল অবস্থা থেকে অনেক বেশি হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
.
বজ্রপাতের সময় যে বৈদ্যুতিক ঝলক দেখা যায়,তা পদার্থের কোন অবস্থা?
  1. ক) প্লাজমা অবস্থা
  2. খ) গ্যাসীয় অবস্থা
  3. গ) তরল অবস্থা
  4. ঘ) কঠিন অবস্থা
সঠিক উত্তর:
ক) প্লাজমা অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্লাজমা অবস্থা
ব্যাখ্যা
• প্লাজমা পদার্থের অণুসমূহ পরস্পরের কাছাকাছি থাকে, তবে তাদের মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি কঠিন পদার্থের মত প্রবল নয়। 
• বজ্রপাতের সময় যে বৈদ্যুতিক ঝলক দেখা যায় তা প্লাজমা।

- প্লাজমা অবস্থা হলো পদার্থের চতুর্থ অবস্থা।
- প্লাজমা অবস্থায় পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা থাকে
- প্লাজমা হলো অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাস। 
- এ অবস্থায় বস্তুর অণুগুলো ইলেকট্রন, প্রোট্রন ও নিউট্রনে রূপান্তরিত হয়।
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
- নিয়ন সাইন, ফ্লোরোসেন্ট লাইট (টিউব লাইট, এনার্জি বাল্ব) এর মধ্যে গ্যাস পরমাণু আয়নিত বা প্লাজমা অবস্থায় থাকে। 
- সূর্যসহ মহাবিশ্বের নক্ষত্রসমূহের অভ্যন্তরভাগ প্লাজমা অবস্থার উদাহরণ ।
- পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বে প্লাজমা অবস্থারই প্রাধান্য বেশি। 
 
উৎস : পদাথবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মোট নিষ্ক্রিয় মৌলের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
ব্যাখ্যা
- যে সব গ্যাসীয় মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্ক্রিয় অর্থাৎ অন্য কোনো মৌলের সাথে সংযুক্ত হয় না, এমনকি নিজেদের মধ্যেও সংযুক্ত হয় না, সর্বদা এক পরমাণুক অবস্থা বিরাজ করে তাদেরকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Noble Gas) বলে।
- নিষ্ক্রিয় মৌল মোট ৭টি -  হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) এবং ওগানেসন (Og)। 
- সাধারণ অবস্থায় এগুলো বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং এক পরমাণুক গ্যাস। এছাড়াও এগুলোর স্ফুটনাংক ও গলনাংক খুবই কম।
- আলোকসজ্জা, ওয়েল্ডিং এবং মহাশূন্য প্রযুক্তিতে এই গ্যাসগুলোর অনেক ব্যবহার রয়েছে।
- ওগানেসন পর্যায় সারণীর ১৮-তম গ্রুপের একমাত্র নিষ্ক্রিয় মৌল কিন্তু গ্যাস নয়।

সূত্র- ৬৪ পৃষ্ঠা, রসায়ন প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।    
.
নিচের কোনটিকে তাপ দিলে কঠিন থেকে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হবে?
  1. ক) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) নিশাদল
  3. গ) নিয়ন
  4. ঘ) নিকেল
সঠিক উত্তর:
খ) নিশাদল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিশাদল
ব্যাখ্যা
উর্ধ্বপাতন (Sublimation):
- কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে সরাসরি বাষ্পে পরিণত করে এবং ঐ বাষ্পকে শীতল করে সরাসরি কঠিন অবস্থায় ফিরে আনার প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়।
- আয়োডিন, কর্পূর, নিশাদল, ন্যাপথোলিন, কার্বন, কার্বন ডাই অক্সাইড প্রভৃতি উদ্বায়ী পদার্থ এবং এরা উর্ধ্বপাতিত হয়। 

সূত্র: রসায়ন, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
অক্সালিক এসিডের গলনাংক কত?
  1. ক) 0°C
  2. খ) 100°C
  3. গ) 121°C
  4. ঘ) 101°C
সঠিক উত্তর:
ঘ) 101°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 101°C
ব্যাখ্যা
- কোন কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে উহার তরল অবস্থায় পরিণত করাকে গলন বলে ।
- যে তাপমাত্রায় কোন পদার্থের কঠিন ও তরল উভয় ভৌত অবস্থা একত্রে সহ-অবস্থান করে তাকে ঐ পদার্থের গলনাংক বলে ।
- বেনজয়িক এসিডের গলনাংক 121°C
- অক্সালিক এসিডের গলনাংক 101°C
প্রত্যেক বিশুদ্ধ কঠিন পদার্থ একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় (±10°C পার্থক্যে) হঠাৎ গলে যায়, কিন্তু অবিশুদ্ধ পদার্থ ধীরে ধীরে কয়েক ডিগ্রী তাপমাত্রা ধরে গলে । কাজেই কঠিন জৈব যৌগের সুনির্দিষ্ট গলনাংক উহার বিশুদ্ধতার নিশ্চিত পরীক্ষা বলে মনে করা হয়।

উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
একটি ৩৫ নিউটন ওজনের গাছের গুড়ি পানিতে রাখায় তার ওজন ৩০ নিউটন অনুভূত হলো। গাছটি দ্বারা অপসারিত পানির ওজন কত হবে?
  1. ক) ৩৫ নিউটন
  2. খ) ৩০ নিউটন
  3. গ) ৫ নিউটন
  4. ঘ) গাছটি পানি অপসারণ করবে না।
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ নিউটন
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিসের নীতি: বস্তুকে কোনো স্থির তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ ডুবালে বস্তুটি কিছু ওজন হারায়, এই হারানো ওজন বস্তুটি দ্বারা অপসারিত তরল পদার্থের ওজনের সমান।

এখানে, 
গাছের প্রকৃত ওজন ৩৫ নিউটন 
পানিতে অনুভূত ওজন ৩০ নিউটন  
∴ গাছটির হারানো ওজন = (৩৫ - ৩০) নিউটন 
= ৫ নিউটন 

আমরা জানি,
পানিতে বস্তুর হারানো ওজন = বস্তু দ্বারা অপসারিত পানির ওজন 

∴ গাছটি দ্বারা অপসারিত পানির ওজন ৫ নিউটন হবে।
.
বৃষ্টির ফোঁটা গোলাকার হয় নিচের কোন ধর্মের জন্য?
  1. ক) পৃষ্ঠটান
  2. খ) প্লবতা
  3. গ) সান্দ্রতা
  4. ঘ) স্থিতিস্থাপকতা
সঠিক উত্তর:
ক) পৃষ্ঠটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পৃষ্ঠটান
ব্যাখ্যা
• তলটান বা পৃষ্ঠটান:
- তরলের একক দৈর্ঘ্যের উপর যে পরিমাণ আকর্ষণ থাকে তাকে এ তরলের পৃষ্ঠটান বলে।
- পৃষ্ঠটান এর কারণে যেসব ঘর্টনা ঘটে তা হলো:
১. নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসা।
২. বৃষ্টির পানি গোলাকার বা কাঁচের উপর ছড়ানো একটু পারদ গোলাকার আকার ধারন করা। 
৩. সুঁচ পানিতে ভাসা।
৪. পানির উপর তেল ছড়িয়ে পড়া।

• পানির ছোট ফোটা পানির যে গুণের জন্য গোলাকৃতির হয় পৃষ্ঠটানের কারনে। 
- পানির ফোঁটাগুলি পৃষ্ঠ স্তরের সমন্বিত শক্তি দ্বারা একটি গোলাকার আকৃতি হয়। 
- মাধ্যাকর্ষণ সহ অন্যান্য শক্তির অনুপস্থিতিতে, কার্যত সমস্ত তরলের ফোঁটাগুলি প্রায় গোলাকার হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
কে পরমাণুর নিউক্লিয়ার মডেল সম্পর্কে ধারণা দেন?
  1. ক) জন ডাল্টন
  2. খ) নীল বোর
  3. গ) ডেমোক্রিটাস
  4. ঘ) রাদারফোর্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাদারফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাদারফোর্ড
ব্যাখ্যা
- ১৯১১ সালে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন।
- রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেছেন বলে, এ মডেলটিকে সােলার সিস্টেম মডেল বা সৌর মডেল বলে। 
- এ মডেলের মাধ্যমে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস সম্পর্কে ধারণা দেন বলে এ মডেলটিকে নিউক্লিয়ার মডেলও বলা হয়।
- রাদারফোর্ডই সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনের কক্ষপথ সম্বন্ধে ধারণা দেন।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
44g CO2 এ অণুর সংখ্যা কতটি
  1. ক) 1টি
  2. খ) 44টি
  3. গ) 6.023×1023টি
  4. ঘ) 1.3×1022টি
সঠিক উত্তর:
গ) 6.023×1023টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 6.023×1023টি
ব্যাখ্যা
CO
= ১২ + (১৬ × ২)
= ১২ + ৩২
= ৪৪g
= ১ মোল 
∴ ৪৪ গ্রাম CO2 এর অণুর সংখ্যা 6.023×1023টি

- রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের এসআই একক হচ্ছে মোল।
- কোনো উপাদানের যে পরিমাণের মধ্যে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক অণু, পরমাণু বা আয়ন থাকে, সেই পরিমাণকে পদার্থের মোল বলে। 
- পদার্থের পারমাণবিক ভর অথবা আণবিক ভরকে গ্রাম এককে প্রকাশ করলে যে সংখ্যা মান পাওয়া যায় তার মধ্যে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক পরমাণু বা অণু বর্তমান থাকে। অ্যাভোগেড্রোর এ সংখ্যার মান 6.023×1023
- কোনো পদার্থের ১ মোল বলতে সেই পরিমাণ পদার্থকে বুঝায় যার মধ্যে ঐ পদার্থের উপাদান কণিকার সংখ্যা 6.023×1023
- কোনো মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ১ মোল অণু বলতে 6.023×1023টি অণুকে বুঝায়।
- আবার একইভাবে কোনো মৌলিক পদার্থের ১ মোল পরমাণু বলতে 6.023×1023টি পরমাণু বুঝায়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
কোন শক্তিস্তরের d অরবিটালে সর্বোচ্চ কতটি ইলেকট্রন থাকতে পারে?
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ১৮টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০টি
ব্যাখ্যা
যেসব মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ ইলেকট্রনটি d অরবিটালে প্রবেশ করে তাদের d-ব্লক মৌল বলে।
পর্যায় সারণির চতুর্থ পর্যায়ের স্ক্যানডিয়াম, Sc( 21 ) থেকে জিঙ্ক, Zn(30) এবং পঞ্চম পর্যায়ের ইট্রিয়াম, Y(39) থেকে ক্যাডমিয়াম, Cd(48) হলো d-ব্লক মৌল।
এছাড়া ষষ্ঠ পর্যায় ও সপ্তম পর্যায়ে d-ব্লক মৌল আছে।
পর্যায় সারণির ‘3' থেকে গ্রুপ 12 এর মৌলসমূহ এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
এ শ্রেণিতে সর্বমোট 40টি মৌল আছে।
এ ব্লকের মৌলের পরমাণুর d1 থেকে d10 পর্যন্ত ইলেকট্রন থাকতে পারে।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩.
কোনো গ্যাসীয় পদার্থের আণবিক ভর তার বাষ্প ঘনত্বের কত গুণ?
  1. ক) ৫ গুণ
  2. খ) ৪ গুণ
  3. গ) ৩ গুণ
  4. ঘ) ২ গুণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ গুণ
ব্যাখ্যা
বাষ্প ঘনত্ব:
একই উষ্ণতা এবং চাপে নির্দিষ্ট আয়তন কোনো গ্যাসের ওজন সম আয়তন হাইড্রোজেন গ্যাসের ওজন এর যত গুণ সেই গুণিতক সংখ্যাকে গ্যাসের বাষ্প ঘনত্ব বলে।
বাষ্প ঘনত্বকে 'D' দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।

কোনো গ্যাসীয় পদার্থের আণবিক ভর তার বাষ্প ঘনত্বের দ্বিগুণ।
গ্যাসের আণবিক গুরুত্ব (M) = 2 × গ্যাসটির বাস্প ঘনত্ব (D)
বা, M = 2D

উদাহরণ: কার্বন ডাই অক্সাইড এর বাষ্প ঘনত্ব 22, সুতরাং, এর আণবিক গুরুত্ব = 2 × 22 = 44.
১৪.
STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন কত?
  1. ক) 20 liter
  2. খ) 22 liter
  3. গ) 21.5 liter
  4. ঘ) 22.4 liter
সঠিক উত্তর:
ঘ) 22.4 liter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 22.4 liter
ব্যাখ্যা
STP: 
- STP হলো Standard Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- এক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 0°C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 22.4 dm3 = 22.4 liter

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
নিচের কোনটি ধাতুর ধর্ম নয়?
  1. ক) উচ্চ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী
  2. খ) এদের দ্যুতি আছে
  3. গ) এরা ঘাতসহ নয়
  4. ঘ) এরা নমনীয় প্রকৃতির
সঠিক উত্তর:
গ) এরা ঘাতসহ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এরা ঘাতসহ নয়
ব্যাখ্যা
ধাতব ধর্ম (Metalic Properties) :
পর্যায় সারণিতে বিভিন্ন সারিতে এবং বিভিন্ন শ্রেণিতে অবস্থিত মৌলসমূহকে ধাতু, অধাতু এবং অপধাতুতে ভাগ করা হয়েছে।
মৌলের সুনির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্যের কারণে এদের উল্লিখিত নামে বিভক্ত করা হয়েছে।

ধাতুর কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন—
- এরা উচ্চ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী,
- এদের ধাতব দ্যুতি আছে এবং
- এরা নমনীয় প্রকৃতির।
- ঘাতসহ।
- এদের ছুরি বা চাকু দিয়ে সহজেই কাটা যায়। অর্থাৎ এরা নরম প্রকৃতির।

ধাতুর এসব বৈশিষ্ট্যই হলো ধাতব ধর্ম। সাধারণত যেসব মৌলের তড়িৎ ধনাত্মকতা যত বেশি হয় এবং আয়নিকরণ শক্তি যত কম হয় ঐ সব মৌলের ধাতব ধর্ম তত বেশি হয়। পর্যায় সারণিতে একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে যেহেতু বাম থেকে যতই ডানে যাওয়া যায় ততই পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মৌলের আয়নিকরণ শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং তড়িৎ ধনাত্মকা হ্রাস পায় তাই মৌলের ধাতু ধর্মও হ্রাস পায়। তাই পর্যায় সারণির বামে 1 এবং 2 শ্রেণির মৌলসমূহের ধাতু ধর্ম প্রবল অথচ ডান পার্শ্বের 17 শ্রেণির মৌলের ধাতব ধর্ম নেই বললেই চলে। পর্যায় সারণির মাঝামাঝি পর্যায়ে অবস্থিত জার্মেনিয়াম, আর্সেনিক, টেলুরিয়াম প্রভৃতি উপধাতু ।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
শিখা পরীক্ষায় পটাশিয়াম কী বর্ণ ধারণ করে?
  1. ক) সোনালি হলুদ
  2. খ) হালকা বেগুনী
  3. গ) গাঢ় সবুজ 
  4. ঘ) ইটের মত লাল
সঠিক উত্তর:
খ) হালকা বেগুনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হালকা বেগুনী
ব্যাখ্যা
শিখা পরীক্ষা হল রসায়নের পরীক্ষায় ব্যবহার করা একটি বিশ্লেষণমূলক পদ্ধতি, এটি বিভিন্ন উপাদানের সনাক্তকরণের পরীক্ষা। শিক্ষা পরীক্ষার ধাতুসমূহ নিন্মোক্ত বর্ন ধারণ করে। 

ধাতু  --  শিখা পরীক্ষায় বর্ণ 
সোডিয়াম - সোনালি হলুদ 
পটাশিয়াম - হালকা বেগুনী 
তামা - গাঢ় সবুজ 
ক্যালসিয়াম - লাল বর্ণ (ইটের ন্যায়)

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
১৭.
ল্যান্থানাইড এবং অ্যাকটিনাইড সিরিজের মৌলসমূহ কোন ব্লকের?
  1. ক) s-ব্লক
  2. খ) p-ব্লক
  3. গ) d-ব্লক
  4. ঘ) f-ব্লক
সঠিক উত্তর:
ঘ) f-ব্লক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) f-ব্লক
ব্যাখ্যা
f-ব্লক মৌল : যেসব মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ ইলেকট্রনটি f-অরবিটালে প্রবেশ করে সেসব মৌলকে f-ব্লক মৌল বলে ।
ল্যান্থানাইড (Lanthanides) এবং অ্যাকটিনাইড (Actinides) সিরিজের মৌলসমূহ f-ব্লকের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।