পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
"[৯ম - ১৩তম গ্রেড নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা - ১] বাংলা পরীক্ষা - ১ (সাহিত্য) পরীক্ষার টপিক: ১. বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাগ, অন্ধকার যুগ, যুগ-সন্ধিক্ষণ, ২. প্রাচীন যুগ ও চর্যাপদ, ৩. মধ্যযুগের সাহিত্য ধারাসমূহ [পদাবলি, মঙ্গলকাব্য, অনুবাদ সাহিত্য ইত্যাদি।] উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
চর্যাপদের বিষয়বস্তু ছিলো-
  1. হিন্দু ধর্মের তত্ত্ব প্রকাশ
  2. খ্রিষ্ট ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ
  3. জৈনধর্মের তত্ত্ব প্রকাশ
  4. বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ
ব্যাখ্যা
চর্যাপদ:
• বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শনের নাম চর্যাপদ।
• চর্যাপদ হচ্ছে গানের সংকলন।
• চর্যাপদের বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ।
• চর্যাপদ রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। সহজিয়াগণ হচ্ছে বৌদ্ধ সহজযান পন্থি।
• চর্যাপদের পদ সংখ্যা নিয়ে মতবিরোধ আছে। সুকুমার সেনের হিসাবে ৫১টি পদ এবং মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বলেছেন ৫০টি পদ। চর্যাপদ ছিন্নবস্থায় পাওয়া যাওয়ায় এই মতান্তরের সৃষ্টি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘শূন্যপুরাণ’ কত বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৩২৪ বঙ্গাব্দে
  2. ১৩১৩ বঙ্গাব্দে
  3. ১৩১৪ বঙ্গাব্দে
  4. ১৩২৩ বঙ্গাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৩১৪ বঙ্গাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩১৪ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যা
• শূন্যপুরাণ:
- 'শূন্যপুরাণ' রামাই পণ্ডিত রচিত বৌদ্ধ ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ এবং অন্ধকার যুগের একটি সাহিত্য নিদর্শন।
- ‘শূন্যপুরাণ’ বিশেষভাবে ধর্মপূজাপদ্ধতি।
- গদ্যপদ্যে মিশ্রিত এই গ্রন্থটি একপ্রকারের চম্পুকাব্য।
- গ্রন্থটি ৫১টি অধ্যায়ে বিভক্ত।
- এর প্রথম ৫টি অধ্যায় সৃষ্টিতত্ত্ব সম্বন্ধীয়।
- গ্রন্থটি অন্ধকার যুগের সাহিত্য নিদর্শন।
- কারো মতে এটি ত্রয়োদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত।
- শূন্যপুরাণ নামহীন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল - বিশ্বকোষ প্রণেতা নাগেন্দ্রনাথ বসু তিনটি পুথির পাঠ সংগ্রহ করে ১৩১৪ বঙ্গাব্দে 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ' থেকে শূন্যপুরাণ নামকরণ করে প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
লাউসেনের কাহিনি অবলম্বনে ‘শ্রীধর্মমঙ্গল’ কোন কবির রচনা?
  1. হৃদয়রাম সাউ
  2. ঘনরাম চক্রবর্তী
  3. রূপরাম চক্রবর্তী
  4. ময়ূরভট্ট
সঠিক উত্তর:
ঘনরাম চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘনরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
• ধর্মমঙ্গল কাব্য:
• ধর্মমঙ্গল ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্যসূচক কাব্যধারা।
• ধর্ম অনার্য দেবতা এবং সূর্য কিংবা বুদ্ধের প্রতিরূপ হিসেবে কল্পিত।
• প্রাচীন বঙ্গের রাঢ় অঞ্চলে এর উদ্ভব ও পূজা সীমিত ছিল।

• ধর্মমঙ্গল ধারার আদি কবি ময়ূরভট্ট। তাঁর কাল খ্রিষ্টীয় পঞ্চদশ শতক বা এর কাছাকাছি অনুমান করা হয়, কিন্তু তাঁর কাব্যের নিদর্শন পাওয়া যায়নি।
• ধর্মমঙ্গল ধারার শ্রেষ্ঠ কবি ঘনরাম চক্রবর্তী। তাঁর কাব্যের রচনাকাল ১৭১১ খ্রিষ্টাব্দ বা আঠারো শতক । তাঁর রচিত গ্রন্থ লাউসেনের কাহিনি অবলম্বনে ‘শ্রীধর্মমঙ্গল’।
• এরপর আর যাঁরা ধর্মমঙ্গল রচনা করেছেন তাঁরা হলেন সহদেব, নরসিংহ বসু, হৃদয়রাম সাউ, রূপরাম চক্রবর্তী প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলা সাহিত্যের কোন যুগে মানুষ ছিল গৌণ?
  1. অবক্ষয় যুগ
  2. মধ্যযুগ
  3. প্রাচীন যুগ
  4. আধুনিক যুগ
সঠিক উত্তর:
মধ্যযুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যযুগ
ব্যাখ্যা
বাংলা সাহিত্যকে প্রধানত তিনটি যুগে বা পর্যায়ে ভাগ করা হয়।
যথা:
১. প্রাচীন যুগ,
২. মধ্যযুগ,
৩. আধুনিক যুগ।

• বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগে ব্যক্তি ও সমষ্টিজীবনই প্রধান ছিল।
• বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে ধর্মটাই মুখ্য ছিল, মানুষ হয়ে পড়ে গৌণ।
• আর আধুনিক যুগে মানুষ মুখ্যহয় এবং মানবতায় একমাত্র কাম্য হয়ে ওঠে। সে সঙ্গে যোগ হয় অন্ধবিশ্বাসের বদলে যুক্তিশীলতা। স্বাজাত্যবোধ, স্বদেশপ্রেম, ব্যক্তিস্বাধীনতা বিশেষ করে নারী-স্বাধীনতা আধুনিক যুগের অন্যতম বৈশিষ্ট।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
পদাবলির 'পূর্বরাগ' পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ পদকর্তা বলা হয় কাকে?
  1. বিদ্যাপতি
  2. চণ্ডীদাস
  3. গোবিন্দ দাস
  4. জয়দেব
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা
• পূর্বরাগ:
রূপ গোস্বামী ''উজ্জ্বলনীলমণি'' গ্রন্থে পূর্বরাগের সংজ্ঞার্থে বলেছেন -
মিলনের পূর্বে দর্শন, নাম শ্রবণ প্রভৃতি দ্বারা নায়ক নায়িকার মনে পরস্পরের প্রতি যে অনুরাগ জন্মে, তাকে বলে পূর্বরাগ।

- পূর্বরাগের শ্রেষ্ঠ পদকর্তা - চণ্ডীদাস।
- বৈষ্ণব পদাবলিতে পূর্বরাগ জনপ্রিয় পর্যায়/ভাগ।

অন্যদিকে,
- বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি - বিদ্যাপতি।
- গৌরচন্দ্রিকার শ্রেষ্ঠ পদকর্তা - গোবিন্দ দাস।
- বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা - জয়দেব।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
চণ্ডীমঙ্গল ধারার শ্রেষ্ঠ কবি কে?
  1. মানিক দত্ত
  2. দ্বিজমাধব
  3. কানাহরি দত্ত
  4. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
• 'চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য:
- 'চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত।
- চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান বা শ্রেষ্ঠ কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবর্তী৷
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি দ্বিজমাধবকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়।

• এই কাব্যের দুটি উপাখ্যান রয়েছে-
১. একটি ব্যাধ দম্পতি কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি, চণ্ডী বরে কালকেতুর ধনপ্রাপ্তি নতুন রাজ্যপত্তন, ধূর্ত ভাড়ুদত্তের ষড়যন্ত্রে প্রতিবেশী রাজার সঙ্গে যুদ্ধ।
২. দ্বিতীয় উপাখ্যানের নায়ক ধনপতি সওদাগর, অন্যান্য প্রধান চরিত্র তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনা।

চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো:
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ধনপতি,
- ভাঁড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'ছুটি খাঁনী' মহাভারত কে রচনা করেন?
  1. শ্রীকর নন্দী
  2. কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাসদেব
  3. কবীন্দ্র পরমেশ্বর
  4. কাশীরাম দাস
সঠিক উত্তর:
শ্রীকর নন্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীকর নন্দী
ব্যাখ্যা
• 'ছুটি খাঁনী' মহাভারত:
- চট্টগ্রামের শাসনকর্তা পরাগল খান মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র ছুটি খাঁ সভাসদ শ্রীকর নন্দীকে মহাভারত অনুবাদের নির্দেশ দেন।
- ছুটিখানের আদেশে জৈমিনি মহাভারতের ওপর নির্ভর করে কেবল ‘অশ্বমেধ পর্বের’ অংশ নিয়ে শ্রীকর নন্দী 'ভারত পাঁচালী' রচনা করেন।
- শ্রীকর নন্দী রচিত ভারত পাঁচালী 'ছুটি খাঁনী' মহাভারত নামেও পরিচিত।
- কেউ কেউ বলে পরাগলী মহাভারতের অসম্পূর্ন অংশ সম্পূর্ণ করেছেন শ্রীকর নন্দী।

অন্যদিকে,
• দ্বৈপায়ন ব্যাসদেবের ‘মহাভারত’:
- ‘মহাভারত' কাব্যের মূল রচয়িতা হচ্ছেন কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাসদেব।
- মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদকের নাম কাশীরাম দাস। ‘মহাভারত' কাব্যগ্রন্থ টি সংস্কৃত ভাষায় রচিত।

• 'পরাগলী মহাভারত:
- 'পরাগলী মহাভারত' খ্যাত গ্রন্থের লেখক কবীন্দ্র পরমেশ্বর।
- তিনি মহাভারত কাব্যের প্রথম অনুবাদক কবি।
- নবাব হুসেন শাহ্‌ (১৪৯৩-১৫১৮) চট্টগ্রাম শাসনের জন্য পরাগল খাঁ নামক এক লস্কর নিযুক্ত করেন।
- যুদ্ধপ্রিয় পরাগল খাঁ মহাভারতের যুদ্ধকাহিনি শুনে গ্রন্থটি অনুবাদের জন্য পরমেশ্বর দাসকে নির্দেশ দেন।
- তাই কবীন্দ্র পরমেশ্বর এর অনুবাদকৃত মহাভারতকে 'পরাগলী মহাভারত' বলা হয়।
- কবীন্দ্র তাঁর রচিত মহাভারতের নাম দিয়েছেন ‘ভারত পাঁচালী’।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
‘সনকা ও বেহুলা’ কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত চরিত্র?
  1. অন্নদামঙ্গল
  2. চণ্ডীমঙ্গল
  3. মনসামঙ্গল
  4. ধর্মমঙ্গল
সঠিক উত্তর:
মনসামঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনসামঙ্গল
ব্যাখ্যা
মনসামঙ্গল:
• মনসামঙ্গল মঙ্গলকাব্যগুলির মধ্যে প্রাচীনতম।
• ‘মনসামঙ্গল' কাব্যের অপর নাম ‘পদ্মাপুরাণ’।
• সাপের দেবী মনসার স্তব, কাহিনি ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য ‘মনসামঙ্গল’। 
• চাঁদ সওদাগর প্রথম দিকে মনসা বিরূপতা করে, পরে মনসা দেবীর অলৌকিক শক্তির প্রভাব স্বীকার করে তার বশ্যতা স্বীকার করাই মনসামঙ্গল কাব্যসমূহের প্রধান আখ্যান।
• দেবতা ও মানুষের দ্বন্দ্বে সামাজিক শ্রেণীবৈষম্য এবং চাঁদের সঙ্গে মনসার বিবাদে আর্য-অনার্য দ্বন্দ্ব প্রকাশ পেয়েছে।

• এই কাব্যের অন্যান্য চরিত্রগুলো
- বেহুলা,
- লখিন্দর,
- সনকা,
- সাপের দেবী মনসা।

• কানা হরিদত্ত মনসামঙ্গলের আদি কবি ।
- এছাড়াও বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস, পিপলাই, দ্বিজ বংশীদাস, কেতকা দাস, ক্ষেমানন্দ প্রমুখ মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
পদাবলিতে নায়িকার অবস্থা কয়টি?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
• বৈষ্ণব পদাবলিতে কৃষ্ণের প্রধান প্রেমিকা শ্রীরাধাকে নায়িকা বলা হয়। পদাবলিতে নায়িকার ৮ টি অবস্থা।
যথা:
- অভিসারিকা,
- বাসকসজ্জা,
- উৎকণ্ঠিতা,
- বিপ্রলব্ধা,
- খণ্ডিতা,
- কলহান্তরিকা,
- প্রোষিতভর্তৃকা,
- স্বাধীনভর্তৃকা।

• যে নায়িকা অন্তরে স্বতঃসিদ্ধ কৃষ্ণরতি এবং যা রতির মূলে আছে একমাত্র কৃষ্ণেন্দ্রিয় প্রীতি এবং কৃষ্ণপ্রেমে বশীভূত, তাকে বলা হয় সমর্থা নায়িকা।
- বৃন্দাবনের শ্রীরাধা, ললিতা, বিশাখা, চন্দ্রাবলি - সমর্থা নায়িকা। এঁদের মধ্যে শ্রীরাধা হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
সংস্কৃত ভাষায় চর্যাপদ ব্যাখ্যা করেন কে?
  1. সুকুমার সেন
  2. মুনিদত্ত
  3. কীর্তিচন্দ্র
  4. প্রবোধচন্দ্র বাগচী
সঠিক উত্তর:
মুনিদত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুনিদত্ত
ব্যাখ্যা
চর্যাপদের পদসংখ্যা নিয়ে মতান্তর রয়েছে:
- চর্যাপদ শুধু প্রাচীন বাংলা সাহিত্যেরই নিদর্শন নয়, প্রাচীন বাংলা গানেরও নিদর্শন।
- সুকুমার সেন রচিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম 'চর্যাগীতি পদাবলী'।
- যদিও সুকুমার সেন মনে করেন যে, চর্যাপদের পদসংখ্যা - ৫১টি; তবে তিনি তার 'চর্যাগীতি পদাবলী' গ্রন্থে ৫০টি পদের উল্লেখ করেছেন।
- টীকাকারের কাছে মূল চর্যার পুঁথিতে আরো অন্তত একটি বেশি চর্যা ছিল (১১ ও ১২ তম চর্যার মাঝখানে)। এই চর্যাটির ব্যাখ্যা না থাকায় লিপিকার উদ্ধৃত করেন নি, শুধু 'টীকা নাই' এই মন্তব্যটুকু করিয়াছেন।
- সংস্কৃত ভাষায় মুনিদত্ত চর্যাপদের ব্যাখ্যা করেন। তিনি ১১নং পদের ব্যাখ্যা করেন নি।
- আলোচনা অংশে তার বক্তব্য মুনিদত্ত ৫০টি ব্যাখ্যা করেছিলেন।
- ড. শহীদুল্লাহ চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি বলে মনে করেন।
উল্লেখ্য, চর্যাপদের একটি পদ ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া গেছে, সেখান থেকেই এই মতবিরোধের সৃষ্টি।

অন্যদিকে,
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।