পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৮: বিষয় - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিক - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব) ও পরিবেশ ১) বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব; ২) অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব; ৩) বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত জেলা কোনটি?
  1. কক্সবাজার
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
কক্সবাজার: 
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত জেলা কক্সবাজার। 
- কক্সবাজারের প্রাচীন নাম পালংকী ।
- একসময় এটি প্যানোয়া নামে পরিচিত ছিল। প্যানোয়া শব্দটির অর্থ ‘হলুদ ফুল’।
- অতীতে কক্সবাজারের আশপাশের এলাকাগুলো এই হলুদ ফুলে ঝকমক করত। 
- এটি চট্টগ্রাম থেকে ১৫৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। 
- ইংরেজ অফিসার ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স ১৭৯৯ খ্রিঃ এখানে একটি বাজার স্থাপন করেন ।
- কক্স সাহেবের বাজার হতে কক্সবাজার নামের উৎপত্তি ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কোন নদীতে বাঁধ দিয়ে পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে?
  1. মেঘনা
  2. কর্ণফুলী
  3. সাঙ্গু
  4. মাতামুহুরি
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী নদী:
- আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী। কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী কাসালং, হালদা এবং বোয়ালখালী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বৃহত্তর রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই অঞ্চলে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য ১৯৬১ সনে কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টি করা হয়।
- কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে 'কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র' স্থাপন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
.
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত কোথায় ঘটে?
  1. বালুখালী, রাঙ্গামাটি
  2. কালাপাহাড়, মৌলভীবাজার
  3. লালাখাল, সিলেট
  4. মীরসরাই, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
লালাখাল, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালাখাল, সিলেট
ব্যাখ্যা
বার্ষিক বৃষ্টিপাতে শীর্ষ জেলা: 
বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুসারে, 
- বাংলাদেশে অঞ্চল ভেদে বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাতের তারতম্য রয়েছে।
- পশ্চিম-কেন্দ্রীয় অঞ্চলে এর পরিমাণ ১৫০০ মিমি, উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে ৩০০০ মিমি।
- সুরমা উপত্যকা এবং পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের হার অতি উচ্চ।
- সিলেটে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৪১৮০ মিমি, মেঘালয় মালভূমির পাদদেশ সংলগ্ন সুনামগঞ্জে এর পরিমাণ ৫৩৩০ মিমি এবং লালাখাল (জৈন্তিয়াপুর উপজেলা) নামক স্থানে ৬৪০০ মিমি।
- বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ঘটে থাকে এই লালাখালে।
- মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলা থেকে সরাসরি উত্তর দিকে মাত্র ১৬ কিমি দূরে অবস্থিত।
- চেরাপুঞ্জিতে বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বিস্ময়কর রকমের বেশি, ১০৮২০ মিমি। 

জেলার ওয়েবসাইট অনুসারে,
- সিলেট জেলার বার্ষিক মোট বৃষ্টিপাত: ৩৩৩৪ মিমি.। 
- চট্টগ্রাম জেলার বার্ষিক বৃষ্টিপাত ৩,১৯৪ মিমি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কুয়াকাটা কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. বরিশাল
  3. পটুয়াখালী
  4. চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
কুয়াকাটা: 
- কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা 'সাগর কন্যা' হিসেবে পরিচিত।
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।
- ঢাকা থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব ৩৮০ কিলোমিটার, বরিশাল থেকে ১০৮ কিলোমিটার।
- 'কুয়া' শব্দটি এসেছে 'কুপ' থেকে।
- ধারণা করা হয় ১৮ শতকে মুঘল শাসকদের দ্বারা বার্মা থেকে বিতারিত হয়ে আরকানীরা এই অঞ্চলে এসে বসবাস শুরু করে।
- তখন এখানে সুপেয় জলের অভাব পূরণ করতে তারা প্রচুর কুয়ো বা কুপ খনন করেছিলনে, সেই থেকেই এই অঞ্চলের নাম হয়ে যায় কুয়াকাটা।
- ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সৈকত বিশিষ্ট কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত।
- বাংলাদেশের এটাই একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই ভাল দেখা যায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কোন কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে?
  1. গেওয়া
  2. গরান
  3. গর্জন
  4. কেওড়া
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা
শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:
কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

নিউজপ্রিন্ট কারখানা:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।

দিয়াশলাই শিল্প:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে।
- এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

রেয়ন শিল্প:
- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

পরিবহন শিল্প:
- বনভূমি থেকে প্রাপ্ত গর্জন, সেগুন, চাপালিশ, প্রভৃতি গাছের কাঠ রেলথের স্লিপার, রেলগাড়ির বগি, লঞ্চ, স্টিমার, নৌকা, বাস ও ট্রাকের বডি, বৈদ্যুতিক খুঁটি, রাস্তার পুল ইত্যাদি তৈরি করতে প্রয়োজন।

ভেষজ শিল্প:
- বনের গাছ-গাছড়া, লতাপাতা, মধু, প্রভৃতির উপর নির্ভর করে ভেষজ শিল্প গড়ে উঠেছে।

চামড়া শিল্প:
- সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের প্রধান ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চল কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রধান ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চল: 
ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায় –
১) টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
২) প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ ও
৩) সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- আজ থেকে প্রায় ২ মিলিয়ন বছরেরও আগে এ সকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা – দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং উত্তর ও উত্তর–পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়।
- সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।

সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০% ভূমি নদী বিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- বছরের পর বছর বন্যার পানির সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

.
কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় কোন খনিজ পাওয়া গেছে?
  1. জিরকন
  2. ম্যাগনেটাইট
  3. মোনাজাইট
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রায় ৭১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলীয় অঞ্চলের বঙ্গোপসাগরে রয়েছে অনেক সামুদ্রিক সম্পদ।
- এর তলদেশে ৪৪২ প্রজাতির মৎস্য, ৩৩৬ প্রজাতির মলাঙ্কস (Mollusks), ১৯ প্রজাতির চিংড়ি, নানারকম কাঁকড়া এবং বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক জলজ উদ্ভিদ রয়েছে।
- কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় পারমাণবিক খনিজ জিরকন, মোনাজাইট, ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট, রিওটাইল ও লিউকক্সেন পাওয়া গেছে।
- এছাড়া সমুদ্র তলদেশে রয়েছে খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পদ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট কোনটি?
  1. অ্যামাজন রেইনফরেস্ট
  2. ব্ল্যাকফরেস্ট
  3. সুন্দরবন
  4. কঙ্গো রেইনফরেস্ট
সঠিক উত্তর:
অ্যামাজন রেইনফরেস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাজন রেইনফরেস্ট
ব্যাখ্যা
অ্যামাজন রেইনফরেস্ট:
- অ্যামাজন বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট। 
- অ্যামাজন রেইনফরেস্ট একটি আর্দ্র ও চওড়া পাতার (Broadleaf) বনভূমি যা দক্ষিণ আমেরিকার অ্যামাজন অববাহিকার অধিকাংশ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।
- এই বনভূমির আয়তন প্রায় ২১,২৩,৫৬১.৮ বর্গমাইল, যা একে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- এই বনাঞ্চলের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে অনেকগুলো নদী, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো অ্যামাজন নদী।
- এখানে আনুমানিক ৩৯০ বিলিয়ন গাছ রয়েছে, যেগুলো ১৬,০০০ প্রজাতির মধ্যে বিভক্ত।
- এই বন প্রায় ৫৫ মিলিয়ন বছর পুরনো, এবং ইওসিন যুগে (Eocene era) গঠিত হয়েছিল, যখন প্রাণিকুল ও উদ্ভিদজগতের বিবর্তন ও টিকে থাকার অনুকূল পরিবেশ ছিল।
- অ্যামাজন রেইনফরেস্ট শুধু জীববৈচিত্র্য নয়, বরং স্থানীয় ও আঞ্চলিক জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এই বনভূমি নয়টি দেশজুড়ে বিস্তৃত। 
- তবে এসব দেশের মধ্যে ব্রাজিলের অংশেই সবচেয়ে বড় পরিমাণ অ্যামাজনের বনাঞ্চল রয়েছে।

উৎস: World Atlas
.
ভৌগোলিক দিক দিয়ে বিচার করলে পৃথিবীর সমগ্র ভূমিরূপকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপ (The Main Landforms of the Earth): 
- ভূপৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়।
- এর আকৃতি, প্রকৃতি এবং গঠনগত বেশ কিছু পার্থক্য আছে।
- ভূমির এই আকৃতি ও গঠনগত বৈশিষ্ট্যকেই ভূমিরূপ বলে।
- ভূপৃষ্ঠের কোথাও রয়েছে উঁচু পর্বত, কোথাও সমতল, কোথাও পাহাড় এবং কোথাও মালভূমি।
- এছাড়া বিভিন্ন স্থানের উচ্চতা, বন্ধুরতা এবং ঢালের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
- ভৌগোলিক দিক দিয়ে বিচার করলে পৃথিবীর সমগ্র ভূমিরূপকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়
- এগুলো হলো- (১) পর্বত, (২) মালভূমি ও (৩) সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০.
কোন নদী গারো পাহাড় থেকে উৎপন্ন?
  1. ধলেশ্বরী
  2. বলেশ্বরী
  3. সুরমা
  4. সোমেশ্বরী
সঠিক উত্তর:
সোমেশ্বরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমেশ্বরী
ব্যাখ্যা
সোমেশ্বরী নদী: 
- উত্তরের গারো পাহাড় থেকে নেমে আসা নদী সোমেশ্বরী। 
- সোমেশ্বরী নদীর আগের নাম ছিল 'সমসাঙ্গ'। 
- সোমেশ্বরী নদীর উৎপত্তিস্থল আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে। 
- নেত্রকোণার দূর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর (বাংলাদেশের একমাত্র সাদা মাটির পাহাড় নামে খ্যাত) ও ভবানীপুর গ্রামের ভিতর দিয়ে এই সোমেশ্বরী নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বছরের বেশিরভাগ সময় সোমেশ্বরীর একপাশ জুড়ে থাকে বালুচর, অন্য পাশে হালকা নীলাভ জল।

উল্লেখ্য, গারো পাহাড়ে কংস নদীরও উৎপত্তি। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১.
পাললিক শিলার উদাহরণ কোনটি?
  1. ব্যাসল্ট
  2. কেওলিন
  3. গ্রানাইট
  4. ডলোরাইট
সঠিক উত্তর:
কেওলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেওলিন
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা (Sedimentary Rocks):
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
- বৃষ্টি, বায়ু, তুষার, তাপ, সমুদ্রের ঢেউ প্রভৃতি শক্তির প্রভাবে আগ্নেয় শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত ও বিচূর্ণীভূত হয়ে রূপান্তরিত হয় এবং কাঁকর, কাদা, বালি ও ধুলায় পরিণত হয়।
- ক্ষয়িত শিলাকণা জলস্রোত, বায়ু এবং হিমবাহ দ্বারা পরিবাহিত হয়ে পলল বা তলানিরূপে কোনো নিম্নভূমি, হ্রদ এবং সাগরগর্ভে সঞ্চিত হতে থাকে।
- পরবর্তীতে ঐসব পদার্থ ভূগর্ভের উত্তাপে ও উপরের শিলাস্তরের চাপে জমাট বেঁধে কঠিন শিলায় পরিণত হয়।
- পাললিক শিলা ভূপৃষ্ঠের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ দখল করে আছে।
- তবে মহাদেশীয় ভূত্বকের আবরণের ৭৫ ভাগই পাললিক শিলা।
- পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে।
- স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।
- বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার উদাহরণ।
- জীবদেহ থেকে উৎপন্ন হয় বলে কয়লা ও খনিজ তেলকে জৈব শিলাও বলে।
- অনেক পাললিক শিলার মধ্যে নানাপ্রকার উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর দেহাবশেষ বা জীবাশ্ম দেখা যায়।

পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য:
- পাললিক শিলা স্তরীভূত, নরম ও হালকা এবং সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়।
- এই শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।

উল্লেখ্য, ব্যাসল্ট, গ্রানাইট ও ডলোরাইট আগ্নেয় শিলার উদাহরণ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২.
তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. লালমনিরহাট
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প: 
- উত্তর জনপদের বৃহত্তর রংপুর, দিনাজপুর ও বগুড়া জেলার অনাবাদী জমিতে সেচ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে বাড়তি ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন সরকার তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- মূল পরিকল্পনা গৃহীত হয় ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে।
- পরবর্তীতে ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে লালমনিরহাট ও নীলফামারী মহকুমার সীমান্তে তিস্তা নদীর উপর ৪৪টি রেডিয়াল গেট সম্বলিত ৬১৫ মিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট ব্যারেজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে।
- বাইপাস ক্যানেলের উপর নির্মিত গেট সহ এ ব্যারেজের মোট গেট সংখ্যা ৫২টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩.
কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির কত ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
  1. ১৫ ভাগ
  2. ১৭ ভাগ
  3. ২০ ভাগ
  4. ২৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনজ সম্পদ: 
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন
- কিন্তু বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ শতকরা প্রায় ১৭ ভাগ।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. বাখরাবাদ
  2. তিতাস
  3. হরিপুর
  4. বিবিয়ানা
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র: 
- ১৯৫৫ সালে হরিপুরে আবিষ্কৃত দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্রে এযাবৎ মোট ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।
- সর্বশেষ Schlumberger SEACO Inc. কর্তৃক সম্পাদিত ৩ডি সাইসমিক রিভিউ প্রতিবেদন অনুযায়ী হরিপুর ফিল্ডের প্রাথমিক উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুদের পরিমাণ ৩৮৫ বিলিয়ন ঘনফুট।
- ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ ফিল্ড হতে উত্তোলিত গ্যাসের পরিমাণ ২২৪.৭০৯ বিলিয়ন ঘনফুট যা উত্তোলনযোগ্য মজুদের শতকরা ৫৮.২১ ভাগ।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এ ফিল্ডের উৎপাদনরত ৩টি কূপ হতে গড়ে দৈনিক প্রায় ৫.৪৭ মিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদিত গ্যাস সিলিকাজেল প্লান্টের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল)-এ সরবরাহ করা হয়েছে।
- এছাড়া এ ফিল্ডে গ্যাসের উপজাত হিসেবে গড়ে দৈনিক প্রায় ৩৩.১৪ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন (সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৯ অক্টোবর ২০২৪)।