পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৯৪ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৯৫
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯৭
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯৫ প্রশ্ন

.
'The Faerie Queene' is a famous ________ .
  1. Drama
  2. Epic
  3. Sonnet Sequence
  4. Novel
সঠিক উত্তর:
Epic
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Epic
ব্যাখ্যা

• 'The Faerie Queene' is a famous Epic.

• The Faerie Queene:
- Edmund Spenser রচিত 'The Faerie Queene' কে মহাকাব্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- 1590 সালে এর প্রথম installment টি প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি religious-moral-political allegory.
- এই মহাকাব্যের নায়ক Red Cross Knight.
- এর নায়িকা Una.
- এর মূল বিষয়বস্তু হলো Patriotism.

• Major characters:
- Red Cross knight,
- Una,
- Archimago,
- Belphoebe,
- Orgoglio,
- King Arthur,
- Gloriana, etc.

• Edmund Spenser (1552/53-1599):
- Elizabethan Period এর বিখ্যাত সাহিত্যিক Edmund Spenser, Poet of Poets নামে পরিচিত।
- He is called the Poets of Poet because many later English poets followed his art of Poetry
- He is also known as 'the child of Renaissance and rebirth'.
- The Faerie Queene তার বিখ্যাত মহাকাব্য এবং The Shepherd’s Calendar তার একটি বিখ্যাত কবিতা।
- His famous sonnet collection is 'Amoretti'.

• Spenser's other famous poems:
- Mother Hubberd's Tale,
- Complaints,
- Epithalamion,
- Mutabilitie Cantos,
- The Shepheardes Calender (Poetry Book),
- The The Faerie Queene (Epic),
- Amoretti (Sonnet Collection).

Source: Britannica.

.
The fictional character 'Huckleberry Finn' is created by-
  1. Mark Twain
  2. F. Scott Fitzgerald
  3. Jane Austen
  4. Charles Dickens
সঠিক উত্তর:
Mark Twain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mark Twain
ব্যাখ্যা

• The fictional character 'Huckleberry Finn' is created by Mark Twain.
- এটি তার অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস 'Huckleberry Finn' -এর কেন্দ্রীয় চরিত্র।

• Huckleberry Finn:
- Also known as: “The Adventures of Huckleberry Finn”.
- উপন্যাসটি ১৮৮৪ সালে লন্ডনে এবং ১৮৮৫ সালে আমেরিকায় প্রকাশিত হয়।
- Huckleberry Finn, একজন কিশোর, তার নির্যাতনকারী পিতা থেকে পালিয়ে Jim, এক পালানো দাসকে সঙ্গে নিয়ে মিসিসিপি নদী দিয়ে যাত্রা শুরু করে।
- এই যাত্রায় তারা নানা ধরনের মানুষের মুখোমুখি হয়, যা উপন্যাসে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিকে ফুটিয়ে তোলে।
- Huckleberry Finn ধীরে ধীরে সমাজের প্রচলিত বর্ণবাদী মানসিকতা কাটিয়ে Jim কে শ্রদ্ধা ও ভালবাসতে শিখে।
- Mark Twain এর এই রচনা শুধু শিশু সাহিত্য নয়, বরং আমেরিকান সাহিত্যের একটি বাস্তববাদী ও প্রভাবশালী ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত।

• Major Characters:
- Huckleberry Finn (Narrator),
- Jim,
- Pap Finn,
- Tom Sawyer,
- Aunt Polly, etc.

• Mark Twain (1835-1910):
- Mark Twain ১৮৩৫ সালে Florida, Missouri তে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার আসল নাম Samuel Langhorne Clemens.
- Mark Twain ছিলেন একজন American humorist, novelist, and travel writer.

• Famous Works: 
• Travel narratives:
- The Innocents Abroad,
- Roughing It,
- Life on the Mississippi.

• Adventure novel:
- The Adventures of Tom Sawyer (1876),
- Adventures of Huckleberry Finn (1885).

Source: Britannica.

.
Who is the author of 'Heart of the West'?
  1. Selma Lagerlof
  2. O. Henry
  3. Joseph Conrad 
  4. Edgar Allan Poe
সঠিক উত্তর:
O. Henry
উত্তর
সঠিক উত্তর:
O. Henry
ব্যাখ্যা

• The author of 'Heart of the West' is- O. Henry.

• Heart of the West:
- 'Heart of the West' হলো বিখ্যাত আমেরিকান ছোটগল্পকার O. Henry-এর গল্পসংকলন, যার মধ্যে মোট ১৯টি ছোটগল্প রয়েছে।
- O. Henry তাঁর স্বকীয় ব্যঙ্গ, হাস্যরস ও আকস্মিক পরিণতি (twist ending) ব্যবহার করে আমেরিকার পশ্চিমাঞ্চলের জীবনচিত্র তুলে ধরেছেন।

• O. Henry (1862-1910):
- তিনি একজন বিখ্যাত American ছোট গল্প লেখক এবং Modern Period এর অন্যতম সাহিত্যিক।
- O. Henry -এর প্রকৃত নাম ছিল William Sydney Porter.
- O. Henry হলো তার pen name.
- তিনি O. Henry হিসেবেই সাহিত্য জগতে অধিক পরিচিতি লাভ করেছেন।
- O. Henry is best known for his short stories.
- বলা হয়ে থাকে O. Henry is the short-story writer whose tales romanticized the commonplace - বিশেষ করে New York City এর সাধারণ মানুষের জীবন।
- তাঁর সাহিত্যে আমেরিকার নিউইর্ক এর সাধারণ মানুষের জীবন ধারনের চিত্র নতুন মাত্রায় স্থান পেয়েছে।

• Famous Short Stories:
- The Gift of the Magi,
- The Last Leaf,
- Roads of Destiny,
- Heart of the West,
- The Furnished Room,
- The Ransom of Red Chief,
- The Trimmed Lamp,
- The Four Million,
- Whirligigs,
- The Voice of the City.

Source: Britannica.

.
“Portia” is a heroine character in the play-
  1. As You Like It
  2. Hamlet
  3. The Merchant of Venice
  4. Measure for Measure
সঠিক উত্তর:
The Merchant of Venice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Merchant of Venice
ব্যাখ্যা

• “Portia” is a heroine character in the play The Merchant of Venice.

• The Merchant of Venice:
- William Shakespeare রচিত একটি five acts বিশিষ্ট comedy play.
- ১৫৯৬-৯৭ সালের দিকে এই comedy টি লেখা হয়েছিল।
- একজন ইহুদি (Jew) সুদখোর 'Shylock' এবং একজন merchant - Antonio এর কাহিনি নিয়ে এটি রচিত। 
- Shylock ছিলেন একজন moneylender.

• Main characters:
- Shylock (Jewish moneylender),
- Antonio (A merchant in Venice),
- Portia (Heroine),
- Bassanio,
- Jessica,
- Gratiano,
- Lorenzo, etc.

অন্যদিকে,
ক) As You Like It এর প্রধান চরিত্রসমূহ হলো-
- Rosalind (Heroine),
- Celia (Cousin of Rosalind),
- Orlando (Male lead),
- Oliver,
- Duke Senior,
- Duke Frederick,
- Touchstone,
- Audrey, etc.

খ) Hamlet এর প্রধান চরিত্রসমূহ হলো-
- Hamlet,
- Ophelia (Heroine),
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's brother), etc.

ঘ) Measure for Measure এর প্রধান চরিত্রসমূহ হলো-
- Vincentio,
- Isabella (Heroine),
- Claudio,
- Lord Angelo,
- Lucio,
- Juliet,
- Pompey,
- Mistress Overdone, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

.
The science-fiction 'The Invisible Man' was authored by-
  1. H. G. Wells
  2. Aldous Huxley
  3. Neal Stephenson
  4. D. H. Lawrence
সঠিক উত্তর:
H. G. Wells
উত্তর
সঠিক উত্তর:
H. G. Wells
ব্যাখ্যা

• The science-fiction 'The Invisible Man' was authored by H. G. Wells.

• The Invisible Man:
- H. G. Wells রচিত একটি science fiction novel.
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৯৭ সালে।
- It is one of Wells's most famous works and explores themes of isolation, power, and the consequences of scientific experimentation.

• Summary:
- গল্পটির কেন্দ্রবিন্দু হলো Griffin নামক এক প্রতিভাবান কিন্তু মানসিকভাবে অস্থির এক scientist যিনি অদৃশ্য হওয়ার সূত্র আবিষ্কার করেন।
- তিনি নিজের শরীরে এই সূত্র প্রয়োগ করে অদৃশ্য হয়ে যান, কিন্তু নিজেকে আবার দৃশ্যমান করার কোনো উপায় খুঁজে পান না।
- প্রথমে তিনি এই ক্ষমতাকে লুকিয়ে থাকার সুবিধা হিসেবে দেখলেও, পরে এটি এক ভয়ংকর অভিশাপে পরিণত হয়।
- তিনি ক্রমশ মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়েন এবং ক্ষমতার লোভে অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়েন।
- অবশেষে মানুষ তাকে ধরতে সক্ষম হয় এবং তিনি নিহত হন।

• H. G. Wells (1866-1946):
- H. G. Wells was an English novelist, journalist, sociologist, and historian best known for such science fiction novels.
- তার পুরো নাম Herbert George Wells.
- তিনি মূলত তার কল্পবিজ্ঞান (Science Fiction) উপন্যাস ও ছোটোগল্পগুলির জন্য সমধিক পরিচিত।
- তার বিখ্যাত Science Fiction রচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- The Time Machine, The Invisible Man এবং The War of the Worlds.

• Notable works:
- The Invisible Man, 

- The Time Machine,
- The War of the Worlds,
- The New Machiavelle,
- The First Men in the Moon,
- The Science of Life,
- The Shape of Things to Come,
- Experiment in Autobiography,
- The Island of Dr. Moreau, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

.
"O Sorrow, cruel fellowship,
O Priestess in the vaults of Death,
O sweet and bitter in a breath,
What whispers from thy lying lip?"
These lines are taken from-
  1. An Essay on Man
  2. In Memoriam
  3. Morte d' Arthur
  4. On Shakespeare
সঠিক উত্তর:
In Memoriam
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In Memoriam
ব্যাখ্যা

• "O Sorrow, cruel fellowship,
O Priestess in the vaults of Death,
O sweet and bitter in a breath,
What whispers from thy lying lip?"
- These lines are taken from 'In Memoriam'.

• In Memoriam:
- Also known as: “In Memoriam A.H.H.”
- Alfred Tennyson এর রচিত 'In Memoriam' ইংরেজি সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ Elegy বা শোকগাথা।
- তাঁর বন্ধু Arthur Henry Hallam এর মৃত্যুকে কেন্দ্রকে তিনি এই শোকগীতিটি রচনা করেছেন।
- কবিতাটি ১৩১ টি sections, একটি prologue এবং একটি epilogue রয়েছে।
- জীবন, মৃত্যু ও মরণোত্তর জীবনের ছবি তিনি খুব সুন্দরভাবে কবিতাটিতে ফুটিয়ে তুলেছেন।
- এটি Tennyson কে প্রচুর জনপ্রিয়তা ও সমালোচনামূলক সাফল্য এনে দেয়।

• এই কবিতার বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে-
-  “Tis better to have loved and lost
Than never to have loved at all.”
- "There lives more faith in honest doubt,
Believe me, than in half the creeds."
- "If I had a flower for every time I thought of you... I could walk through my garden forever."

• Lord Alfred Tennyson (1809-1892):
- Alfred Tennyson হলেন Victorian Period এর অন্যতম কবি যাকে এই যুগের Chief representative হিসাবে ধরা হয়।
- তিনি ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate নিযুক্ত হোন। 
- তিনি তাঁর Melodious language এর জন্য অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।.
- Tennyson এর "In Memoriam" এই elegy বা শোকগাথাঁ টি তাঁর অত্যন্ত কাছের বন্ধু Arthur Henry Hallam এর মৃত্যু শোকে রচনা করেছিলেন।

• Notable Poems:
- Oenone,
- Ulysses,
- Morte D'Arthur,
- In Memoriam,
- The Lotos-Eaters,
- Locksley Hall,
- The Princess,
- The Two Voices,
- The Lady of the Shalott, etc.

অন্যদিকে,
ক) An Essay on Man হলো- Alexander Pope -এর কবিতা।

ঘ) On Shakespeare হলো- John Milton -এর কবিতা।

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

.
Who is the writer of the collection "Responsibilities: Poems and a Play"?
  1. John Keats
  2. W. B. Yeats
  3. Thomas Gray
  4. T. S. Eliot 
সঠিক উত্তর:
W. B. Yeats
উত্তর
সঠিক উত্তর:
W. B. Yeats
ব্যাখ্যা

• The writer of the collection 'Responsibilities: Poems and a Play' is W. B. Yeats.

• Responsibilities: Poems and a Play:
- Responsibilities: Poems and a Play হলো আইরিশ কবি ও নাট্যকার W. B. Yeats-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
- এটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- This collection marks a shift in Yeats’s poetry from early Romanticism to more modernist, politically engaged themes.
- It reflects his concerns with Irish nationalism, personal responsibilities, and artistic integrity.
- এই সংকলনে "The Grey Rock", "The Three Beggars", "The Three Hermits", "A Coat" (famous for the line: "I made my song a coat") এই কবিতাগুলো সংকলিত হয়েছে।
- এই সংকলনে রয়েছে play "The Hour-Glass" (a morality play in prose and verse).

• William Butler Yeats (1865-1939):
- W. B. Yeats ছিলেন একজন আইরিশ কবি, নাট্যকার এবং সাহিত্যিক।
- William Butler Yeats is a famous literary figure who belongs to the Modern Period.
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে তিনি এবং তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলো।
- W.B Yeats কে Ireland -এর 'National Poet' বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৯২৩ সালে প্রথম আইরিশ হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Notable poems:
- No Second Troy,
- Sailing to Byzantium,
- The Second Coming,
- A Prayer for My Daughter,
- The Tower,
- Easter 1916,
- September 1913,
- The Stolen Child,
- The Lake Isle of Innisfree,
- The Man Who Dreamed of Fairyland,
- An Irish Airman Foresees His Death, etc.

• Notable play:
- The Resurrection,
- The Only Jealousy of Emer,
- The Dreaming of the Bones,
- Four Plays for Dancers,
- Calvary,
- Cathleen ni Houlihan,
- The Countess Cathleen.

• Prose
- A Vision,
- Celtic Twilight (essay).

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

.
A famous central character 'Heathcliff' is taken from the novel of-
  1. Charlotte Bronte
  2. Virginia Woolf
  3. Emily Bronte
  4. Jane Austen
সঠিক উত্তর:
Emily Bronte
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Emily Bronte
ব্যাখ্যা

• A famous central character 'Heathcliff' is taken from the novel of Emily Bronte.
- এটি তার বিখ্যাত উপন্যাস 'Wuthering Heights' -এর প্রধান চরিত্র।

• Wuthering Heights:
- Emily Bronte রচিত এই উপন্যাসটি ১৮৪৭ সালে Ellis Bell ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়।
- 'Heathcliff' এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন এতিম বালক।
- অন্যের আশ্রয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে আশ্রয়দাতার কন্যা Catherine Earnshaw -এর সাথে তার মনের মিলন ঘটে, দুইজন দুইজনকে ভালোবেসে ফেলে।
- কিন্তু Catherine প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে অন্যত্র বিয়ে করলে Heathcliff নিরুদ্দেশ হয়ে যায়।
- যখন ফিরে আসে তখন সে অঢেল অর্থ বিত্তের মালিক।
- কাহিনীর এ পর্যায়ে তাকে তার মালিকের বাড়ি Wuthering Heights কিনে নেয়ার পাশাপাশি প্রাক্তন প্রেমিকা Catherine -এর ননদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে সম্পত্তির লোভে তাকে বিয়ে করতে দেখা যায়।
- পরবর্তীতে এই বিয়েটা ভেঙে যায় এবং এরপর Catherine মারা যায়।
- কাহিনী এক প্রজন্ম থেকে পরের প্রজন্মের মাঝে এগিয়ে চলে।
- এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক ট্র্যাজেডি এবং Gothic Novel -এর একটি অন্যতম উদাহরণ।

• Main characters:
- Catherine Earnshaw,
- Heathcliff (The central character),
- Cathy Linton,
- Edgar Linton,
- Lockwood, etc.

• Emily Bronte (1818-1848):
- Emily Bronte was an English novelist and poet.
- তার পুরো নাম Emily Jane Bronte, তার ছদ্মনাম Ellis Bell.
- তিনি Charlotte Bronte -এর ছোট বোন।
- “Wuthering Heights” উপন্যাসকে ঘিরেই মূলত তার পরিচতি।
- মাত্র ত্রিশ বছর বয়সেই এই ঔপন্যাসিক মৃত্যু বরণ করেন।

• Notable Works:
- Poems by Currer, Ellis and Acton Bell,
- Wuthering Heights, etc.

Source: Britannica.

.
In Shakespeare's Julius Caesar, the line "Brutus is an honorable man" is an example of:
  1. Catharsis
  2. Irony
  3. Simile
  4. Hyperbole
সঠিক উত্তর:
Irony
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Irony
ব্যাখ্যা

• In Shakespeare's Julius Caesar, the line "Brutus is an honorable man" is an example of 'Irony'.
- শেক্সপিয়রের জুলিয়াস সিজার নাটকে Mark Antony-র বিখ্যাত লাইন "Brutus is an honorable man".
- এটি verbal irony-এর (বিশেষ করে sarcasm) চমৎকার উদাহরণ।
- এটি দ্বারা আসলে Brutus -এর বিশ্বাসঘাতকতাকেই sarcasm করা হয়েছে।

​• Irony (বিদ্রূপ):
- Irony is when there are two contradicting meanings of the same situation, event, image, sentence, phrase, or story.
- In many cases, this refers to the difference between expectations and reality.
- বক্তব্য জোরালো করতে নিজ চিন্তার সম্পূর্ণ বিপরীত কিছু বলে মনোভাব ব্যক্তকরণ; বক্রাঘাত।
- যেমন: Brutus is an honourable man.

অন্যদিকে,
• ​Catharsis (আবেগমুক্তি):
​- আবেগমুক্তি; মোক্ষণ (নাটক বিশেষত ট্র্যাজেডি দর্শন করে বা গভীর অনুভূতির কথা অন্যকে জানানোর ফলে যে আবেগমুক্তি ঘটে)।
- The purgation or purification of pity and fear in tragedies.
- A dramatic presentation of suffering or death arouses pity and fear in the spectators to such an extent that, after watching such scenes, they feel relieved of those harmful emotions.

• Simile:
- A simile is an explicit comparison between two different things.
- Usually as and like are used in it.
- In simile the resemblance is explicitly indicated by the words.
- দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
- উপমেয়ের সাথে উপমানের সাদৃশ্য কল্পনা করা।
- যেমন: She is as innocent as a lamb.

​​• Hyperbole:
- An exaggerated statement or an extreme overstatement.
- অতিশয়োক্তি; অত্যুক্তি; অতিরঞ্জন।
- কমেডিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরঞ্জিত ভাব প্রকাশের জন্য Hyperbole ব্যবহৃত হয়।
- Love poetry তে প্রিয়জনের প্রতি তীব্র প্রশংসা জানাতে Hyperbole ব্যবহৃত হয়।
- Hyperbole হাসির উদ্রেক অথবা কঠিন সমালোচনা প্রকাশ করতে পারে।
- Example: "Ten thousand saw I at a glance," (Wordsworth: Daffodils). 

Source:
1. Literary terms.net
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১০.
"Our sweetest songs are those that tell of saddest thought."
This oft-quoted line is taken from _____ .
  1. Keats's poem
  2. Coleridge's poem
  3. Shelley's poem
  4. Wordsworth's poem
সঠিক উত্তর:
Shelley's poem
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shelley's poem
ব্যাখ্যা

• "Our sweetest songs are those that tell of saddest thought."
- This oft-quoted line taken from Shelley's poem 'To A Skylark'.

• ​To a Skylark কবিতার এই অংশটুকু হলো:
- "We look before and after,
And pine for what is not:
Our sincerest laughter
With some pain is fraught;
Our sweetest songs are those that tell of saddest thought."

• P.B. Shelley (1792-1822):

- তার পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
- P. B. Shelley ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজ রোমান্টিক কবি এবং রোমান্টিক আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব।
- তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি রোমান্টিক আন্দোলনের একজন অগ্রগণ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হন এবং তাঁর ভাষা এবং বিষয়ের উদ্ভাবনী ব্যবহারের জন্য প্রশংসিত।
- তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poet হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তাঁর নিরন্তর লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যতের জন্য একটি গৌরবময় স্বর্ণযুগ নিয়ে আসা।

• Some of his famous quotations:
- 'O Wind, If Winter comes, can spring be far behind?' (Ode to the West Wind).
- 'Our sweetest songs are those that tell of saddest thought' (Ode To A Skylark).
- 'The more we study, the more we discover our ignorance' (Queen Mab).
- 'Death is the veil which those who live call life;
They sleep, and it is lifted' (Prometheus Unbound).
- 'Familiar acts are beautiful through love' (Prometheus Unbound).
- 'A poet is a nightingale, who sits in darkness and sings to cheer its own solitude with sweet sounds' (A Defense of Poetry).

• Notable works (Poems):
- Ozymandias,
- Ode to the West Wind,
- To a Skylark,
- Queen Mab,
- Adonais,
- The Cloud,
- Rosalind and Helen,
- The Revolt of Islam,
- Hymn to Intellectual Beauty, etc.

• Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci (1819).

• Books:
- A Defence of Poetry,
- A Philosophical View of Reform,
- The Necessity of Atheism,
- Peter Bell the Third, etc.

Source: Britannica.

১১.
Who authored the two-act play 'The Death of a Salesman'?
  1. John Galsworthy
  2. J. M. Synge
  3. Peter Redgrove
  4. Arthur Miller
সঠিক উত্তর:
Arthur Miller
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arthur Miller
ব্যাখ্যা

• The two-act play 'The Death of a Salesman' was authored by Arthur Miller.

• The Death of a Salesman:
- Arthur Miller রচিত বিখ্যাত two-act play হলো "The Death of a Salesman".
- এটি ১৯৪৮ সালে লেখা হয় এবং ১৯৪৯ সালে মঞ্চস্থ হয়।
- এই নাটকের জন্য Miller পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করেন।
- Willy Loman হলো এই নাটকের protagonist, নাটকটিতে তার জীবনের ট্র্যাজেডি দেখানো হয়েছে।
- সে সারাজীবন "American Dream” অর্জনের স্বপ্ন দেখলেও শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারে যে সে স্বামী ও পিতা হিসেবে ব্যর্থ।

• Arthur Miller (1915-2005):
- তিনি একজন American playwright.
- তার পুরো নাম Arthur Asher Miller.
- তিনি মূলত আধুনিক আমেরিকান নাটকের জন্য বিশেষভাবে খ্যাত।
- He is best known for The Death of a Salesman (1949).
- তার রচনায় প্রায়ই দেখা যায় সাধারণ মানুষের সংগ্রাম, নৈতিক সংকট এবং সমাজের বাস্তবতা।

• Notable Works (plays):
- The Death of a Salesman,
- After the Fall,
- A View From the Bridge,
- A Memory of Two Mondays,
- All My Sons,
- Finishing the Picture,
- Incident at Vichy, etc.

Source: Britannica.

১২.
The main character "John Tanner" is taken from Shaw's play titled-
  1. Candida
  2. Man and Superman
  3. The Doctor's Dilemma
  4. Pygmalion
সঠিক উত্তর:
Man and Superman
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Man and Superman
ব্যাখ্যা

• The main character, "John Tanner" is taken from Shaw's play titled 'Man and Superman'.

• Man and Superman:

- The play 'Man and Superman' is written by G.B. Shaw.
- 4 acts বিশিষ্ট এই play টি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- "Man and Superman" হলো একটি বুদ্ধিদীপ্ত নাটক, যেখানে প্রেম, বিবাহ, সমাজ এবং দার্শনিক চিন্তাধারার উপর আলোচনা করা হয়েছে।
- নাটকের মূল চরিত্র John Tanner, একজন স্বাধীনচেতা, বুদ্ধিমান পুরুষ, যিনি বিয়ে এবং সামাজিক বাধা থেকে মুক্ত থাকতে চান। কিন্তু Ann Whitefield নামে এক চতুর মেয়ে তাকে বিয়ে করার জন্য পরিকল্পনা করে। নাটকের মাধ্যমে Shaw দেখান যে, প্রকৃতির উদ্দেশ্য হলো মানুষের উন্নতি এবং উচ্চতর মানবজাতি (Superman) তৈরি করা।
- নাটকের মধ্যে একটি বিখ্যাত অংশ হলো "Don Juan in Hell", যেখানে গভীর দার্শনিক আলোচনা করা হয় জীবন ও নৈতিকতার উপর।
- The play incorporates Shaw’s concept of the “life force” and satirizes the relationship between the sexes.

• Main characters:
- John Tanner,
- Hector Malone,
- Ann Whitefield,
- Mendoza,
- Roebuck Ramsden,
- Octavius Robinson,
- Violet Robinson,
- Susan Ramsden, etc.

• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- George Bernard Shaw হলেন 'Modern period' এর একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
- তাঁর উপাধি হলো- The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature ও বলা হয়।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Man and Superman (Comedy play),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House (comedy play),
- Caesar and Cleopatra (play/tragedy),
- Major Barbara (Social satire),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

১৩.
The famous poem "Mending Wall" was penned by-
  1. Ezra Pound
  2. Robert Browning
  3. Robert Frost
  4. Henry Brooke
সঠিক উত্তর:
Robert Frost
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Robert Frost
ব্যাখ্যা

• The famous poem "Mending Wall" was penned by Robert Frost.

• Mending Wall:
- এই কবিতাটির রচয়িতা Robert Frost.
- কবিতাটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- এটি Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ) -এ রচিত।
- Mending Wall কবিতাটি তার 'North of Boston' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- কীভাবে বক্তা এবং তার প্রতিবেশী তাদের সম্পত্তির মধ্যে একটি পাথরের প্রাচীর পুনর্নির্মাণের জন্য মিলিত হয় তা নিয়ে কবিতাটি রচিত।
- "Good fences make good neighbors." -এই বিখ্যাত উক্তিটি "Mending Wall" কবিতার।

• Robert Frost (1874-1963):
- Robert Frost হলেন আমেরিকান আধুনিক কবি। তাকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়।
- তিনি ‘Nature poet’, ‘Regional poet’ নামে পরিচিত।
- তিনি চারবার Pulitzer পুরস্কার লাভ করেন।
- তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছে- A Boy’s Will, A Witness Tree, North of Boston, From Mountain Interval etc.

• Notable Poems:
- Fire and Ice,
- Mending Wall,
- After Apple-Picking,
- The Road Not Taken,
- Christmas Trees,
- Birches,
- Out Out,
- Stopping by Woods on a Snowy Evening,
- The Death of the Hired Man,
- Nothing Gold Can Stay,
- Home Burial,
- Storm Fear, etc.

Source: Britannica.

১৪.
Who created the title character 'Joseph Andrews'?
  1. Henry Fielding
  2. Charles Dickens
  3. Samuel Richardson
  4. Jonathan Swift
সঠিক উত্তর:
Henry Fielding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Henry Fielding
ব্যাখ্যা

• The title character 'Joseph Andrews' was created by Henry Fielding.

• Joseph Andrews:
- Also known as: “The History of the Adventures of Joseph Andrews and of His Friend Mr. Abraham Adams”.
- Joseph Andrews হলো Henry Fielding রচিত একটি picaresque novel, যা ১৭৪২ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি English comic novel-এর প্রারম্ভিক উদাহরণের মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিবেচিত।
- উপন্যাসটি মূলত Samuel Richardson-এর Pamela উপন্যাসের উপর একটি ব্যঙ্গ (parody) হিসেবে শুরু হলেও পরে এটি একটি স্বতন্ত্র সামাজিক উপন্যাসে রূপ নেয়।
- উপন্যাসটি ১৮শ শতকের ইংল্যান্ডের social hypocrisy, class distinctions, এবং moral corruption-কে ব্যঙ্গের মাধ্যমে উপস্থাপন করে।

- গল্পের নায়ক Joseph Andrews একজন সৎ ও নীতিবান যুবক, যিনি Lady Booby-র কামনামূলক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় চাকরি হারান
- এরপর সে তার বন্ধু Parson Adams-এর সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করতে গিয়ে সমাজের ভণ্ডামি, নৈতিক কপটতা, শ্রেণিভেদ ও মানবিক দুর্বলতার চিত্র তুলে ধরে।

• Henry Fielding (1707–1754):
- Henry Fielding ছিলেন একজন ইংরেজ novelist, playwright, এবং essayist.
- তার ছদ্মনাম (pen name) হলো Captain Hercules Vinegar.
- He is famous for the Picaresque Novel.
- তিনি English novel-এর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, বিশেষ করে comic fiction-এর ক্ষেত্রে।
- তার সবচেয়ে বিখ্যাত উপন্যাস হলো Tom Jones, যা একটি বৃহৎ ও প্রাঞ্জল উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত।
- Fielding-এর লেখা উপন্যাসগুলো প্রায়ই social satire, morality, এবং human nature-কে কেন্দ্র করে।
- তিনি ১৮শ শতকের ইংরেজি সাহিত্যে realism এবং humor-এর সমন্বয় ঘটানোর জন্য পরিচিত।

• Famous Novels:
- Tom Jones,
- Amelia,
- Joseph Andrews.

• Famous plays:
- The Tragedy of Tragedies,
- Rape Upon Rape,
- The Temple Beau,
- The Miser,
- The Modern Husband, etc.
- The Life of Mr. Jonathan Wild the Great (literary work).

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১৫.
"Sweet are the uses of adversity,
Which, like the toad, ugly and venomous,
Wears yet a precious jewel in his head."
These lines occur in ________.
  1. Twelfth Night
  2. As You Like It
  3. Macbeth
  4. The Comedy of Errors
সঠিক উত্তর:
As You Like It
উত্তর
সঠিক উত্তর:
As You Like It
ব্যাখ্যা

• "Sweet are the uses of adversity,
Which, like the toad, ugly and venomous,
Wears yet a precious jewel in his head."
- These lines occur in As You Like It.

• As You Like It:
- Shakespeare রচিত 5 acts বিশিষ্ট একটি comedy play.
- এই নাটকটি 'Pastoral comedy' হিসেবেও পরিচিত।
- ১৬২৩ সালে comedy টি First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Shakespeare based the play on Rosalynde (1590), a prose romance by Thomas Lodge.
- The Forest of Arden নামক এক কাল্পনিক বনে এই নাটকের অধিকাংশ কাহিনী বর্ণিত যাতে আমরা Orlando এবং Rosalind এর প্রেম কাহিনী দেখতে পাই।

• Main characters:
- Rosalind,
- Celia (Cousin of Rosalind),
- Orlando (Male lead),
- Oliver,
- Duke Senior,
- Duke Frederick,
- Touchstone,
- Audrey, etc.

• Some other famous quotes from As You Like It:
- "All the world's a stage, And all the men and women merely players."
- "Sweet are the uses of adversity."
- "The fool doth think he is wise, but the wise man knows himself to be a fool."
- "I pray you, do not fall in love with me, for I am falser than vows made in wine."
- "Men have died from time to time, and worms have eaten them, but not for love."
- "I do desire we may be better strangers."
- "We that are true lovers run into strange capers."
- "If thou remember'st not the slightest folly
That ever love did make thee run into,
Thou hast not loved."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

১৬.
Which of the following words can be commonly used as a verb?
  1. wind
  2. public
  3. mobile
  4. small
সঠিক উত্তর:
wind
উত্তর
সঠিক উত্তর:
wind
ব্যাখ্যা

• The word that can be used as a verb is- ক) wind.

• Wind (noun) 
- English Meaning: the perceptible natural movement of the air, especially in the form of a current of air blowing from a particular direction.
- Bangla Meaning: বাতাস; হাওয়া: a west wind, পশ্চিমা বাতাস।

- Example Sentence: The wind howled about the building.

• Wind (verb) - দম নিঃশেষিত করা; হাঁপ ধরানো; (কাউকে/কোনোকিছুকে) দম নেওয়ার/ফিরে পাওয়ার সময়/সুযোগ দেওয়া।
- Example Sentence: I was quite winded by running to catch up with them.

অন্যদিকে,
• Public 
→ (adjective) - জনসাধারণ বা সর্বসাধারণ সম্বন্ধীয়; সর্বসম্বন্ধীয়; a public library/park.
→ (noun) - the public জনসাধারণ; লোকসাধারণ: the British public.

• Mobile
→ (adjective) - সচল; ভ্রাম্যমাণ; গতিময়; mobile troops/artillery.
→ (noun) - ভাস্কর্য বা অনুরূপ বস্তু, যার অংশসমূহ বাতাসে নড়ে।
- They hung a mobile over the baby's bed.

• Small
→ (adjective) - ক্ষুদ্র; ছোট; অল্প: a small town.
→ (adverb) - in a small manner.
→ (noun) - সবচেয়ে হালকা বা সরু অংশ; the small of the back.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৭.
I need to buy all sorts of things _____ winter clothes.
  1. such
  2. like
  3. like as
  4. as
সঠিক উত্তর:
like
উত্তর
সঠিক উত্তর:
like
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: I need to buy all sorts of things like winter clothes.
- Bangla: আমাকে শীতের পোশাকের মতো নানান ধরনের জিনিস কিনতে হবে।

- Like এখানে examples বা similar items দেখাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- অর্থাৎ, "শীতের পোশাকের মতো (বা শীতের জন্য উপযুক্ত) নানা রকম জিনিস" কিনতে হবে।

- 'such as/for example' অর্থে Like preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- "All sorts of things like X" = X-এর মতো নানান জিনিস (very common pattern in English: "things like books, pens, etc.").

অন্যদিকে,
ক) Such → "such winter clothes" ভুল।
- সাধারণত examples-এর জন্য "such as" ব্যবহৃত হয়, কিন্তু শুধু "such" এর ব্যবহার ভুল।

গ) Like as → ভুল এবং অপ্রচলিত। 
- "Like as" কখনোই এভাবে ব্যবহার হয় না।

ঘ) As → "as" এখানে একা ব্যবহার করলে অর্থ হয় না।
- "as" সাধারণত comparison-এ মতো; মতোই; সমান অর্থ ("as big as") বা "such as"-এর অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Oxford Dictionary.

১৮.
Choose the sentence in which 'but' is a preposition:
  1. By the end of the day we were tired but happy.
  2. Everyone, but everyone, will be there.
  3. I got it wrong. It wasn't the red one but the blue one.
  4. I could come any day but Thursday.
সঠিক উত্তর:
I could come any day but Thursday.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I could come any day but Thursday.
ব্যাখ্যা

• The correct answer is- ঘ) I could come any day but Thursday.
- Bangla: আমি যেকোনো দিন আসতে পারি, বৃহস্পতিবার ছাড়া।

- এখানে "but" শব্দটি ( except বা ছাড়া) অর্থে preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• But (preposition):
- English Meaning: except; apart from; other than.
- Bangla Meaning: ব্যতিরেকে, ছাড়া।

- অর্থাৎ, ব্যতিরেকে/ছাড়া (except; apart from; other than) অর্থে But হলো preposition.
---------
অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) By the end of the day we were tired but happy.
→ এখানে "but" একটি conjunction, কারণ (however; despite this) কিন্তু; তবে অর্থে দুটি adjective "tired" এবং "happy" -কে সংযুক্ত করেছে।

খ) Everyone, but everyone, will be there.
→ এখানে "but" একটি adverb বা intensifier হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে (emphasis-এর জন্য)।

গ) I got it wrong. It wasn't the red one but the blue one.
→ এখানে "but" একটি coordinating conjunction, যা দুটি contrasting noun phrase ("the red one" এবং "the blue one")-কে যুক্ত করছে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

১৯.
Find the gender of the word 'Warden":
  1. Feminine
  2. Masculine
  3. Common
  4. Neuter
সঠিক উত্তর:
Common
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Common
ব্যাখ্যা

• 'Warden" is a Common gender.

• Warden (noun)
(১) প্ররক্ষক; ওয়ার্ডেন: The warden of a hostel, হোস্টেলের প্ররক্ষক বা অধ্যক্ষ।
(২) কিছু ক্ষেত্রে ব্যতীত প্রাচীন প্রয়োগ) কতিপয় প্রশাসক বা সভাপতির পদবি: the warden of Merton College, Oxford.

- (যেমন: prison warden, game warden, hostel warden) একটি পেশা বা দায়িত্বের নাম, যা পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্যই ব্যবহার করা হয়।
- আলাদা feminine form যেমন "wardeness" আধুনিক ইংরেজিতে প্রচলিত নয়, এটি outdated/old-fashioned).
- তাই এটি এখন gender-neutral বা common gender.

Note:
• Warder (masculine) (British/Britain) - কারারক্ষী; কারাপাল; জেলার।
- এর feminine হিসেবে ব্যবহৃত হয় Wardress [ওঅড্রিস্] (noun) - কারারক্ষী মহিলা; কারাপালিকা।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২০.
A long skirt swirled _____ her ankles.
  1. up
  2. around
  3. down
  4. through
সঠিক উত্তর:
around
উত্তর
সঠিক উত্তর:
around
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: A long skirt swirled around her ankles.
- Bangla Meaning: তার গোড়ালির চারপাশে একটি লম্বা স্কার্ট ঝুলছিল।

• Swirl (verb) [ always + adv/prep ]
- English Meaning: to move quickly with a twisting circular movement, or to cause something to move this way.
- Bangla Meaning: ঘুরপাক খাওয়া বা খাওয়ানো; ঘূর্ণিত হওয়া বা করা; ঘূর্ণি তোলা; ঘূর্ণিবেগে ভাসিয়ে বা উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া।

• Swirl something around/round
→ কোনো কিছুর চারদিকে ঘুরা/ঝুলে থাকা বুঝায়।
- long skirt সাধারণত গোড়ালির চারপাশে ঘুরপাক খায়।
- তাই, প্রদত্ত বাক্যের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হবে- around.

আবার,
• Swirled down → ঘূর্ণিত হয়ে নিচের দিকে পতিত হওয়া অর্থে 'swirl down' ব্যবহৃত হয়। 
- যেমন: Snowflakes swirled down from the sky.

• Swirl something through → কোনো কিছুকে অন্য কিছুর ভেতর ঘুরিয়ে–ফিরিয়ে নেড়ে দেওয়া / মিশিয়ে দেওয়া।
- যেমন: I swirled cocoa through the dough.

- অর্থাৎ, ঘুরপাক খাওয়া - circular movement অর্থে Swirl (verb) সর্বদা বিভিন্ন adv/prep সহযোগে ব্যবহৃত হয়।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Longman Dictionary.

২১.
Choose an antonym for 'Bona fide'.
  1. Unadulterated
  2. Genuine
  3. Counterfeit
  4. Bondage
সঠিক উত্তর:
Counterfeit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Counterfeit
ব্যাখ্যা

• An antonym for 'Bona fide' is- Counterfeit.

• Bona fide (adjective) [Latin word]
- English Meaning: real, legal or true; not false.
- Bangla Meaning: (লাতিন) প্রকৃত; খাঁটি; আন্তরিক।

• Given Options:
ক) Unadulterated - নির্ভেজাল; খাঁটি; বিশুদ্ধ।

খ) Genuine - প্রকৃত; খাঁটি; অকৃত্রিম।

গ) Counterfeit - জাল; নকল; কৃত্রিম; জাল টাকা; নকল হীরা; কৃত্রিম শোক।

ঘ) Bondage - দাসত্বে আবদ্ধ; বন্দীদশা।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, An antonym for 'Bona fide' is- Counterfeit.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

২২.
Identify the best passive form: "I helped her solve the problem."
  1. She was helped solving the problem.
  2. She was helped solve the problem by me.
  3. She was helped to be solve the problem by me.
  4. She was helped to solve the problem by me.
সঠিক উত্তর:
She was helped to solve the problem by me.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She was helped to solve the problem by me.
ব্যাখ্যা

- Active: I helped her solve the problem.
- Passive: She was helped to solve the problem by me.

• Active voice থেকে passive voice করার নিয়ম:
- Active voice এর object টি passive voice এর subject হয়।
- Tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
- তারপর মূল verb এর past participle হয়।
- preposition (by, with, at, to, in) বসে।
- Active voice এর subject টি passive voice এর object হয়।

• Need, bid, dare, see, hear, make, help, feel, let, know, behold, watch, ইত্যাদি perception verb গুলোর পর Active Voice-এ to উহ্য থাকে।
- তবে passive করার সময় তাদের পরে to বসাতে হয়।
- যখন active sentence এ bare infinitive (to ছাড়া infinitive) থাকে, passive এ সেটি full infinitive (to সহ) হয়ে যায়।

• Passive voice-এ perception verbs এর sentence গঠনের নিয়ম:
- Active: Subject + verb + object + bare infinitive.
- Passive: Object + be + past participle + (to + infinitive) + by + subject.

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) She was helped solving the problem.
→ ভুল। Passive-এ "to" + infinitive structure হবে।

খ) She was helped solve the problem by me.
→ ভুল। কারণ, passive-এ to + infinitive (was helped to solve) হবে।

গ) She was helped to be solve the problem by me.
→ ভুল, কারণ এখানে to be sung passive infinitive ব্যবহার করা হয়েছে। মূল বাক্যের অর্থ পাল্টে যাচ্ছে।
→ "to be solve" ভুল (solve-এর আগে "be" বসবে না; এখানে passive infinitive ভুল)।

Source: Advancer Learner's HSC Communicative English by Chowdhury & Hussain.

২৩.
Would you like ______ to dinner on Friday?
  1. come
  2. to come
  3. coming
  4. will come
সঠিক উত্তর:
to come
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to come
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Would you like to come to dinner on Friday?
- Bangla: "আপনি কি শুক্রবার ডিনারে আসতে চান?" 

• Would you like...?
- যখন কাউকে invitation বা কোনো কিছুর polite offer দেওয়া হয় তখন 'Would you like + to + infinitive' ব্যবহৃত হয়।

More examples:
- Would you like to come to my party?
- Would you like to join us for dinner tonight?

আবার,
• Would like / would love / would prefer / would hate are usually followed by to... (infinitive):
- যেমন:
- I would like to be rich.
- I'd love (= would love) to be able to travel round the world.
- Would you prefer to have dinner now or later?

Source: 
1. Intermediate English Grammar by Raymond Murphy.
2. Cambridge Dictionary.

২৪.
She asked when the train would arrive.
Identify the underlined clause:
  1. Main Clause
  2. Noun Clause
  3. Adverbial Clause
  4. Adjective Clause
সঠিক উত্তর:
Noun Clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun Clause
ব্যাখ্যা

• She asked when the train would arrive.
- The underlined clause is a- খ) Noun Clause.

- সাধারণত যে সকল Verb এর পরে "it" বসানো যায়, অর্থাৎ transitive verb এবং তাদের পরে That/ Wh Word দ্বারা শুরু হয়ে যদি কোনো Clause বসে তখন Clause টি Noun Clause হয়।
- কারণ, transitive verb এর object হিসেবে এটি noun এর কাজ করে।
- প্রদত্ত বাক্যে 'when the train would arrive' Noun clause এর নিয়ম অনুযায়ী transitive verb (asked) এর পরে Wh word (when) দ্বারা শুরু হয়ে noun এর কাজ করছে।
- অর্থাৎ, "asked" Verb এর direct object হিসেবে এটি Noun clause হয়েছে।

• Noun Clause:
- যে সব Subordinate Clause Noun এর কাজ করে থাকে, অর্থাৎ Subject, Object, Compliment বা Case in Apposition- এর কাজ করে থাকে তাকে Noun Clause বলে।

• Noun Clause বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন:
- Verb এর Subject হিসেবে।
- Verb এর Object হিসেবে।
- Verb এর Subjective Complement হিসেবে।
- Verb এর Objective Complement হিসেবে।
- Preposition এর object হিসেবে।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

২৫.
The kids pulled _____ all the stops and organized a really great party.
  1. from
  2. off
  3. out
  4. out of
সঠিক উত্তর:
out
উত্তর
সঠিক উত্তর:
out
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The kids pulled out all the stops and organized a really great party.
- Bangla: বাচ্চারা তাদের সাধ্যের সবটুকু চেষ্টা করে একটি সত্যিই দারুণ পার্টির আয়োজন করেছিল।

- প্রশ্নটি করা হয়েছে idiom -এর উপর ভিত্তি করে।
- "Pull out all the stops" হলো একটি সুপরিচিত idiom যার অর্থ: সবকিছু করা, যথাসাধ্য চেষ্টা করা, কোনো কিছু না রেখে পুরোপুরি প্রচেষ্টা চালানো — যাতে কোনো কাজ সফল হয়।

• Pull out all the stops (idiom)
- English Meaning: to do everything you can to make something successful.
- Bangla Meaning: (লাক্ষণিক) সর্বপ্রকার অনুভূতির প্রতি আবেদন, একটি মহৎ প্রচেষ্টায় নিয়োজিত হওয়া; সব ধরনের চেষ্টা করা; কোনো কিছুই বাকি না রাখা।

- সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- out.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

২৬.
___________ these demons.
  1. Annihilate
  2. Annihillate
  3. Anehillate
  4. Annehilate
সঠিক উত্তর:
Annihilate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Annihilate
ব্যাখ্যা

Annihilate these demons.

• Annihilate (verb)
- English Meaning: to destroy something completely so that nothing is left; to wipe out.
- Bangla Meaning: সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা; নিশ্চিহ্ন করা।

Example Sentences:
- The enemy troops were annihilated.
- The approaching tornado was annihilating everything in its path.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

২৭.
Identify the incorrect sentence:
  1. Either of the pencils will do.
  2. There are trees on either sides of the street.
  3. Either you or your brother is coming.
  4. There’s tea or coffee – you can have either.
সঠিক উত্তর:
There are trees on either sides of the street.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
There are trees on either sides of the street.
ব্যাখ্যা

• The incorrect sentence is- খ) There are trees on either sides of the street.
- Correct form: There are trees on either side of the street.

- সাধারণত উভয়দিকে/উভয়পাশে বুঝাতে (on either side/on both sides of the street.) ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ, শুধু Either এর পরে noun plural form এ না হয়ে singular form (side) এ হবে।
- Either দ্বারা দুইয়ের প্রত্যেককেই আলাদা ভাবে বুঝানো হয়।
---------------------
অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) Either of the pencils will do.
→ এটি সঠিক, কারণ "Either of" + plural noun ("the pencils") + singular verb ("will do") হয়।

গ) Either you or your brother is coming.
→ এটি সঠিক, কারণ "either...or" / "neither...nor" construction-এ verb nearest subject-এর সাথে agree করে।
- এখানে "your brother" (singular), তাই "is" সঠিক।

ঘ) There’s tea or coffee – you can have either.
→ এটিও সঠিক, কারণ "either" এখানে pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে ("one or the other").

২৮.
The fire spread through the building quickly but everybody ______ escape.
  1. mustn't
  2. was able to
  3. could have
  4. couldn't be
সঠিক উত্তর:
was able to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
was able to
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The fire spread through the building quickly but everybody was able to escape.

- সামর্থ্য বুঝাতে can/could/ be able to ব্যবহৃত হয়।

• Could vs was able to...
- সাধারণভাবে (general ability) অতীতের সামর্থ্য বুঝাতে could ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: Alif was an excellent tennis player. He could beat anybody. (he had the general ability to beat anybody).

- তবে যদি কোন নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কী ঘটেছিল তা নিয়ে কথা বলা হয় তখন was/were able to... or managed to... (not could) ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: Arif and Alif had a game of tennis yesterday. Alif played very well but in the end Arif was able to beat him.
- (he managed to beat him in this particular game).

- প্রদত্ত বাক্যের ক্ষেত্রে সঠিক হলো- was able to.
- কারণ এখানে একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সবাই সফলভাবে পালাতে সক্ষম হয়েছিল।

Note:
- The negative couldn't (could not) is possible in all situations.
- যেমন: Alif played well but he couldn't beat Jack.

অন্যদিকে,
ক) mustn't → "must not" কোনো কিছু করা নিষেধ/বাধ্যবাধকতা বুঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: mustn't smoke.

গ) could have → Past possibility (didn't actually happen) বুঝাতে could have + past participle ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: You could have told me earlier. (But you didn't.)

ঘ) couldn't be → "couldn't be escape" ভুল ও অর্থহীন।
- "couldn't be" সাধারণত কোনো অবস্থা বা পরিস্থিতির জন্য ব্যবহার হয়।
- যেমন: He couldn't be serious.

Source: Intermediate English Grammar by Raymond Murphy.

২৯.
What does 'Cohesion' primarily refer to in the context of a paragraph?
  1. The grammatical correctness of each individual sentence.
  2. The overall main idea of a paragraph.
  3. The smooth flow and logical connection between sentences.
  4. The use of sophisticated vocabulary to impress the reader.
সঠিক উত্তর:
The smooth flow and logical connection between sentences.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The smooth flow and logical connection between sentences.
ব্যাখ্যা

• The correct answer is- গ)The smooth flow and logical connection between sentences.

• Paragraph:
- Paragraph শব্দের অর্থ হলো অনুচ্ছেদ। ‌
- যে কোনো Paragraph এর মধ্যে দুটি উপাদান বর্তমান থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন।
- কারণ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ধারণাগুলি সঠিকভাবে উপস্থাপন না করলে, লেখার মধ্যে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে, যা পাঠকের বুঝতে অসুবিধা সৃষ্টি করবে।
- দুটি উপাদান হলো: Coherence এবং Cohesion.

• Cohesion (আসঞ্জন):
- The property of flow and connection in a written text that stems from the linguistic links among its surface elements.
- A paragraph has good cohesion when each sentence is clearly linked to the next through language.
- Cohesion is the smooth flow and logical connection between sentences.
- অর্থাৎ, Cohesion বলতে বোঝায় একটি অনুচ্ছেদের ভেতরে বাক্যগুলোর মধ্যে সুশৃঙ্খল সংযোগ ও সাবলীল প্রবাহ।
- এটি লেখার প্রতিটি অংশের মধ্যে ভাষাগত সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি achieved হয় linking words, pronouns, repetition, reference, substitution, ইত্যাদির মাধ্যমে।

• Coherence (সঙ্গতিপূর্ণ):
- The property of unity in a written text that stems from the relationship between its underlying ideas, and from the logical organization and development of these ideas.
- A paragraph has good coherence when ideas are arranged in a logical order.
- অর্থাৎ, এর দ্বারা লেখার ধারণাগুলোর মধ্যে সম্পর্ক এবং সেগুলোর যৌক্তিক বিন্যাসকে বোঝায়।

Source: The University of Manchester.[Link]

৩০.
Find out the correct sentence:
  1. He has a remarkable aptitude over language teaching.
  2. He has a remarkable aptitude to language teaching.
  3. He has a remarkable aptitude of language teaching.
  4. He has a remarkable aptitude for language teaching.
সঠিক উত্তর:
He has a remarkable aptitude for language teaching.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He has a remarkable aptitude for language teaching.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: ঘ) He has a remarkable aptitude for language teaching.

•  Aptitude for something/doing something
- English Meaning: natural ability or skill at doing something.
- Bangla Meaning: স্বাভাবিক বা অর্জিত ক্ষমতা; প্রবণতা।

- অর্থাৎ, কোনো কাজ বা বিষয়ে স্বাভাবিক দক্ষতা, প্রতিভা বা যোগ্যতা ইত্যাদি বুঝাতে Standard collocation হলো- aptitude for (something).

• More examples:
-  His aptitude for dealing with children got him the job.
- The new test is supposed to measure the aptitudes of the students.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.

৩১.
√- 18  × √- 2 = কত?
  1. 6
  2. - 6i
  3. - 6
  4. 6i
সঠিক উত্তর:
- 6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: √- 18  × √- 2 = কত? 

সমাধান:
আমরা জানি, 
i = √- 1
বা, i2 = - 1

দেওয়া আছে, 
√- 18  × √- 2
= √(- 1  × 18)  × √(- 1 × 2)
= √(- 1) × √18 × √(- 1) × √2
= {√(- 1) × √(- 1)} × √(18 × 2)
= i × i × √(36)
= 6i2
= - 6

৩২.
যদি p3 - q3 = (p - q){(p - q)2 - xpq} হয়, তবে x এর মান কত?
  1. - 3
  2. 4
  3. - 2
  4. - 4
সঠিক উত্তর:
- 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি p3 - q3 = (p - q){(p - q)2 - xpq} হয়, তবে x এর মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
p3 - q3 = (p - q){(p - q)2 - xpq}
⇒ (p - q)(p2 + pq + q2) = (p - q){(p - q)2 - xpq}  ; [a3 - b3 = (a - b)(a2 + ab + b2)]
⇒ p2 + pq + q2 = p2 - 2pq + q2 - xpq  ; [উভয় পাশের (p - q) দ্বারা ভাগ করে এবং (a - b)2 = a2 - 2ab + b2]
⇒ pq + 2pq = - xpq
⇒ 3pq = - xpq
⇒ xpq = - 3pq
∴ x = - 3

৩৩.
ΔPQR ত্রিভুজের QR বাহুকে S বিন্দু পর্যন্ত বর্ধিত করা হলে, ∠PRS কোণটি নিচের কোনটির সমান হবে?
  1. ∠P + ∠Q - ∠R
  2. ∠Q - ∠R
  3. ∠P - ∠Q - ∠R
  4. ∠P + ∠Q
সঠিক উত্তর:
∠P + ∠Q
উত্তর
সঠিক উত্তর:
∠P + ∠Q
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ΔPQR ত্রিভুজের QR বাহুকে S বিন্দু পর্যন্ত বর্ধিত করা হলে, ∠PRS কোণটি নিচের কোনটির সমান হবে?

সমাধান:

আমরা জানি,
ত্রিভুজের যেকোনো বহিঃস্থ কোণ বিপরীত অন্তঃস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টির সমান।
উক্ত ত্রিভুজের বহিঃস্থ কোণ ∠PRS এর বিপরীত অন্তঃস্থ কোণ ∠P ও ∠Q

∴ বহিঃস্থ কোণ ∠PRS = ∠P + ∠Q 

৩৪.
  1. 3
  2. 6
  3. 9
  4. 1/3
সঠিক উত্তর:
9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান: 

৩৫.
একটি নিরপেক্ষ ছক্কা ও একটি মুদ্রা একবার নিক্ষেপ করা হলে ছক্কায় 4 এবং মুদ্রায় T আসার সম্ভাবনা কত?
  1. 1/8
  2. 1/12
  3. 1/2
  4. 1/6
সঠিক উত্তর:
1/12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/12
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি নিরপেক্ষ ছক্কা ও একটি মুদ্রা একবার নিক্ষেপ করা হলে ছক্কায় 4 এবং মুদ্রায় T আসার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
একটি ছক্কা ও একটি মুদ্রা নিক্ষেপ পরীক্ষাকে দুইধাপ হিসেবে বিবেচনা করি।
প্রথম ধাপে ছক্কা নিক্ষেপে 6টি ফলাফল (1, 2, 3, 4, 5, 6) আসতে পারে।

আবার, 
দ্বিতীয় ধাপে মুদ্রা নিক্ষেপে 2টি ফলাফল (H অথবা T) আসতে পারে।
∴ নমুনা ক্ষেত্রটি হবে [1H, IT, 2H , 2T, 3H, 3T, 4H, 4T, 5H, 5T, 6H, 6T ]
এখানে মোট নমুনা বিন্দু 12টি।

সুতরাং ছক্কায় 4 এবং মুদ্রায় T আসার সম্ভাবনা P(4T) = 1/12

৩৬.
A, B এবং C অংশীধারি ব্যবসায় যোগ দিল। A, B এর তিনগুণ বিনিয়োগ করে এবং B, C এর দুই-তৃতীয়াংশ বিনিয়োগ করে। বছর শেষে ৬৬০০ টাকা লাভ হয়। B এর লাভের পরিমাণ কত? 
  1. ১২০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ১৮০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A, B এবং C অংশীধারি ব্যবসায় যোগ দিল। A, B এর তিনগুণ বিনিয়োগ করে এবং B, C এর দুই-তৃতীয়াংশ বিনিয়োগ করে। বছর শেষে ৬৬০০ টাকা লাভ হয়। B এর লাভের পরিমাণ কত? 

সমাধান:
ধরি,
C এর বিনিয়োগ = ক টাকা
তাহলে,
B এর বিনিয়োগ = ২ক/৩  টাকা
এবং A এর বিনিয়োগ = ৩ × (২ক/৩) = ২ক টাকা

এখন বিনিয়োগের অনুপাত, 
A : B : C = ২ক : ২ক/৩ : ক
= ৬ক : ২ক : ৩ক  ; [৩ দ্বারা গুণ করে] 
∴ A : B : C = ৬ : ২ : ৩
∴ মোট অংশ = ৬ + ২ + ৩ = ১১ অংশ

∴ B এর লাভের পরিমাণ = (২/১১) × ৬৬০০
= ২ × ৬০০
= ১২০০ টাকা

সুতরাং, B এর লাভের পরিমাণ ১২০০ টাকা।

৩৭.
সরল করুন: b - [b - (a + b) - {b - (b - a + b)} + 2a]
  1. b
  2. 2(a - b)
  3. 0
  4. a + b
সঠিক উত্তর:
0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সরল করুন: b - [b - (a + b) - {b - (b - a + b)} + 2a]

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
 b - [b - (a + b) - {b - (b - a + b)} + 2a] 
= b - [b - a - b - {b - (2b - a)} + 2a]
= b - [- a - {b - 2b + a} + 2a]
= b - [- a - b + 2b - a + 2a]
= b - [- 2a + b + 2a]
= b - [b]
= b - b 
= 0

৩৮.
একটি রম্বসের কর্ণ দুইটির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 18 সে.মি. এবং 24 সে.মি. হলে, রম্বসের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. 15 সে.মি.
  2. 21 সে.মি.
  3. 13 সে.মি.
  4. 17 সে.মি.
সঠিক উত্তর:
15 সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15 সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণ দুইটির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 18 সে.মি. এবং 24 সে.মি. হলে, রম্বসের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
 
সমাধান: 

এখানে, রম্বসের কর্ণ দুটি পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে (৯০° কোণে)।
প্রথম কর্ণের অর্ধেক = 18/2 = 9
এবং দ্বিতীয় কর্ণের অর্ধেক = 24/2 = 12 
এই অর্ধেক অংশ দুটি একটি সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি ও লম্ব গঠন করে এবং রম্বসের বাহুটি হয় ত্রিভুজের অতিভুজ।

এখন, পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রয়োগ করে পাই, 
অতিভুজ2 = ভূমি2 + লম্ব2
অতিভুজ = √(ভূমি2 + লম্ব2)
= √(92 + 122)
= √(81 + 144)
= √(225)
∴ অতিভুজ = 15

সুতরাং, রম্বসের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য 15 সে.মি.।

৩৯.
[log10(5 log10100)]2 এর মান কত?
  1. 0
  2. 1
  3. 3
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: [log10(5 log10100)]2 এর মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
[log10 (5 log10100)]2
= [log10 (5 log10102)]2
= [log10 (5 × 2 log1010)]2
= [log1010]2
= [1]2
= 1

৪০.
2nCr = 2nCr + 2 হলে r এর মান কত?
  1. n
  2. n + 1
  3. 2n - 1
  4. n - 1
সঠিক উত্তর:
n - 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
n - 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 2nCr = 2nCr + 2 হলে r এর মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
2nCr = 2nCr + 2
2nC2n - r = 2nCr + 2
⇒ 2n - r = r + 2
⇒ 2n - 2 = 2r
⇒ 2r = 2(n - 1) 
∴ r = n - 1

৪১.
একটি চকলেটের দাম ০.৫০ টাকা। যদি একই সাথে ১০টি চকলেট কেনা হয়, তাহলে তার মোট দাম ৩.৪০ টাকা। আলাদাভাবে ১০টি চকলেট কিনলে যে মূল্য হবে, তার তুলনায় একসাথে ১০টি চকলেট কেনার ফলে কত শতাংশ সাশ্রয় হবে?
  1. ৩২%
  2. ৮.৬৭%
  3. ১৬%
  4. ২০%
সঠিক উত্তর:
৩২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি চকলেটের দাম ০.৫০ টাকা। যদি একই সাথে ১০টি চকলেট কেনা হয়, তাহলে তার মোট দাম ৩.৪০ টাকা। আলাদাভাবে ১০টি চকলেট কিনলে যে মূল্য হবে, তার তুলনায় একসাথে ১০টি চকলেট কেনার ফলে কত শতাংশ সাশ্রয় হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
একটি চকলেটের দাম = ০.৫০ টাকা
∴ ১০টি চকলেট মোট দাম হবে = ১০ × ০.৫০ = ৫.০০ টাকা

আবার, 
একসঙ্গে ১০টি চকলেট কিনলে দাম পড়ে = ৩.৪০ টাকা

∴ সাশ্রয় হওয়া টাকা = ৫.০০ - ৩.৪০ = ১.৬০ টাকা

∴ সাশ্রয়ের শতকরা হার = (সাশ্রয় হওয়া টাকা /আলাদা কেনার দাম) × ১০০%
= (১.৬০/৫.০০) × ১০০%
= (১৬০/৫)%
= ৩২%

সুতরাং, একসঙ্গে ১০টি চকলেট কিনলে ৩২% সাশ্রয় হয়।

৪২.
9x2 + 6x - 8 এর একটি উৎপাদক নিচের কোনটি?
  1. (x + 4) 
  2. (3x + 4)
  3. (9x - 2)
  4. (3x - 4)
সঠিক উত্তর:
(3x + 4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(3x + 4)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 9x2 + 6x - 8 এর একটি উৎপাদক নিচের কোনটি? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
9x2 + 6x - 8
= 9x2 + 12x - 6x - 8
= 3x(3x + 4) - 2(3x + 4)
= (3x + 4)(3x - 2) 

৪৩.
একটি অর্ধবৃত্তের ব্যাস 28 সে.মি. হলে অর্ধবৃত্তের ক্ষেত্রফল কত হবে?
  1. 264 বর্গ সে.মি.
  2. 352 বর্গ সে.মি.
  3. 616 বর্গ সে.মি.
  4. 308 বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
308 বর্গ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
308 বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি অর্ধবৃত্তের ব্যাস 28 সে.মি. হলে অর্ধবৃত্তের ক্ষেত্রফল কত হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
ব্যাস = 28 সে.মি.
∴ ব্যাসার্ধ, r = 28/2 = 14 সে.মি.

আমরা জানি, 
অর্ধবৃত্তের ক্ষেত্রফল  = (1/2)πr2
= (1/2) × (22/7) × 142
= (11/7) × 14 × 14
= 11 × 2 × 14
= 22 × 14
= 308 বর্গ সে.মি.

সুতরাং, অর্ধবৃত্তের ক্ষেত্রফল 308 বর্গ সে.মি.। 

৪৪.
একটি সমান্তর ধারার 12 তম পদ - 18 হলে, এর প্রথম 23 টি পদের সমষ্টি কত?
  1. - 414
  2. - 532
  3. - 396
  4. 400 
সঠিক উত্তর:
- 414
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 414
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার 12 তম পদ - 18 হলে, এর প্রথম 23 টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
মনে করি,
সমান্তর ধারাটির ১ম পদ = a
সাধারণ অন্তর = d 

আমরা জানি, 
n তম পদ = a + (n - 1)d
∴ 12 তম পদ = a + (12 - 1 )d = a + 11d

প্রশ্নমতে, a + 11d = - 18 ...... (i)

n পদের সমষ্টি , Sn = (n/2){2a + (n - 1)d}
S23 = (23/2){2a + (23 - 1)d}
=  (23/2) (2a + 22d)
= (23/2) × 2(a + 11d)
= 23(a + 11d)
= 23 × (- 18) [ (i) হতে]
= - 414

৪৫.
একটি ক্লাসে 40 জন ছাত্র আছে। 22 জন গণিত পছন্দ করে, 18 জন বিজ্ঞান পছন্দ করে এবং 8 জন দুইটা বিষয় পছন্দ করে। কতজন কোনোটিই পছন্দ করে না?
  1. 12 জন
  2. 10 জন
  3. 8 জন
  4. 6 জন
সঠিক উত্তর:
8 জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8 জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ক্লাসে 40 জন ছাত্র আছে। 22 জন গণিত পছন্দ করে, 18 জন বিজ্ঞান পছন্দ করে এবং 8 জন দুইটা বিষয় পছন্দ করে। কতজন কোনোটিই পছন্দ করে না?

সমাধান: 
গণিত পছন্দ করে (M) = 22 জন
বিজ্ঞান পছন্দ করে (S) = 18 জন
উভয়ই পছন্দ করে (M ∩ S) =  8 জন

অন্তত একটি বিষয় পছন্দ করে, n(M ∪ S) = n(M) + n(S) - n(M ∩ S)
= 22 + 18 - 8
= 32 

∴ কোনোটিই পছন্দ করে না = মোট ছাত্র সংখ্যা - (অন্তত একটি বিষয় পছন্দ করে এমন ছাত্র সংখ্যা)
= 40 - 32
= 8

সুতরাং, 8 জন কোনোটিই পছন্দ করে না।

৪৬.
বার্ষিক ১০% মুনাফায় ৮০০০ টাকার ৩ বছরে চক্রবৃদ্ধির মুনাফা কত হবে?  
  1. ১০৬৪৮ টাকা
  2. ২৮০০ টাকা
  3. ৩২০০ টাকা
  4. ২৬৪৮ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৬৪৮ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৪৮ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক ১০% মুনাফায় ৮০০০ টাকার ৩ বছরে চক্রবৃদ্ধির মুনাফা কত হবে?  

সমাধান: 
আসল, P = ৮০০০ টাকা
মুনাফার হার, r = ১০% = ১০/১০০ = ১/১০ 
সময়, n = ৩ বছর

আমরা জানি, 
চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = P × (১ + r)n - P
= ৮০০০ × (১ + ১/১০) - ৮০০০
= ৮০০০ × (১১/১০) - ৮০০০
= ৮০০০ × (১১/১০) × (১১/১০) × (১১/১০) - ৮০০০
= ৮ × ১৩৩১ - ৮০০০
= ১০৬৪৮ - ৮০০০
= ২৬৪৮

সুতরাং, ৩ বছর পর চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পরিমাণ হবে ২৬৪৮ টাকা।

৪৭.
|2x + 5| > 3 অসমতাটির সমাধান করুন-
  1. x < - 3 অথবা x > 0
  2. x < - 4 অথবা x > -1
  3. - 4 < x < - 1
  4. x < - 5 অথবা x > - 2
সঠিক উত্তর:
x < - 4 অথবা x > -1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
x < - 4 অথবা x > -1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: |2x + 5| > 3 অসমতাটির সমাধান করুন-

সমাধান:
প্রদত্ত, |2x + 5| > 3
অর্থাৎ,
2x + 5 > 3 অথবা 2x + 5 < - 3

প্রথম ক্ষেত্রে, 
2x + 5 > 3
⇒ 2x > 3 - 5
⇒ 2x > - 2
⇒ x > - 1

দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, 
2x + 5 < - 3
⇒ 2x < - 8
⇒ x < - 4

অতএব, অসমতা সত্য হবে যখন x < - 4 অথবা x > -1

৪৮.
একটি নোটবুকের দৈর্ঘ্য ২০ সে.মি., প্রস্থ ১৫ সে.মি. এবং মোট পুরুত্ব ১.৮ সে.মি.। প্রতি পাতার পুরুত্ব ০.০৯ মি.মি. হলে নোটবুকে কতগুলো পাতা আছে?
  1. ২০০টি
  2. ১৮০টি
  3. ২২০টি
  4. ১৬০টি
সঠিক উত্তর:
২০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি নোটবুকের দৈর্ঘ্য ২০ সে.মি., প্রস্থ ১৫ সে.মি. এবং মোট পুরুত্ব ১.৮ সে.মি.। প্রতি পাতার পুরুত্ব ০.০৯ মি.মি. হলে নোটবুকে কতগুলো পাতা আছে?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
নোটবুকের দৈর্ঘ্য = ২০ সে.মি.
প্রস্থ = ১৫ সে.মি.
মোট পুরুত্ব = ১.৮ সে.মি. = (১.৮ × ১০) মি.মি. ; [১ সে.মি. = ১০ মি.মি.] 
= ১৮ মি.মি.
এবং প্রতি পাতার পুরুত্ব = ০.০৯ মি.মি.

∴ পাতার সংখ্যা = মোট পুরুত্ব​/প্রতি পাতার পুরুত্ব 
= ১৮ মি.মি./০.০৯ মি.মি.
= (১৮ × ১০০)/৯ 
= ২ × ১০০
= ২০০ টি 

সুতরাং, নোটবুকে ২০০টি পাতা আছে।  

৪৯.
7 + 14 + 28 + 56 + …… + 448 ধারাটির সমষ্টি কত?
  1. 896
  2. 912
  3. 775
  4. 889
সঠিক উত্তর:
889
উত্তর
সঠিক উত্তর:
889
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 7 + 14 + 28 + 56 + …… + 448 ধারাটির সমষ্টি কত?

সমাধান: 
এটা একটি গুণোত্তর ধারা।
যার প্রথম পদ, a = 7
সাধারণ অনুপাত, r = 2  ; r > 1
শেষ পদ = 448

আমরা জানি, 
গুণোত্তর ধারার n তম পদ, an = ar(n - 1)
⇒ 7 × 2(n - 1) = 448
⇒ 2(n - 1) = 448/7
⇒ 2(n - 1) = 64
⇒ 2(n - 1) = 26
⇒ n - 1 = 6
∴ n = 7
অর্থাৎ ধারাটিতে মোট 7টি পদ আছে।

আবার, 
আমরা জানি, 
গুণোত্তর ধারার n তম পদ্যার সমষ্টি, Sn = a × (rn - 1)/(r - 1)   ; r > 1
S7 = 7 × (27 - 1)/(2 - 1)
= 7 × (128 - 1)
= 7 × 127
= 889

৫০.
নিচের উপাত্ত গুলোর প্রচুরক নির্ণয় করুন:
৩০, ১২, ২২, ১৭, ২৫, ২০, ২৩, ২৪, ১৯, ২, ২৩, ২৬, ২৯, ১৯, ৩৫, ২১, ১১, ২৮, এবং ১৯
  1. ২৯
  2. ১৯
  3. ২৫
  4. ২৩ 
সঠিক উত্তর:
১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের উপাত্ত গুলোর প্রচুরক নির্ণয় করুন:
৩০, ১২, ২২, ১৭, ২৫, ২০, ২৩, ২৪, ১৯, ২, ২৩, ২৬, ২৯, ১৯, ৩৫, ২১, ১১, ২৮, এবং ১৯

সমাধান: 
প্রচুরক (Mode): কোনো তথ্য-উপাত্তের সেটে যে সংখ্যাটি সবচেয়ে বেশিবার আসে, সেই সংখ্যাকে প্রচুরক (Mode) বলা হয়. 

এখানে, 
১৯ সংখ্যাটি তিনবার এসেছে। এবং অন্যান্য সংখ্যাগুলো মধ্যে ২৩ দুইবার আর বাকি গুলো একবার করে এসেছে।

যেহেতু ১৯ সংখ্যাটি অন্য সব সংখ্যার চেয়ে বেশিবার (তিনবার) এসেছে, তাই প্রচুরক হলো ১৯. 

৫১.
নিউটন/বর্গমিটার দ্বারা কী পরিমাপ করা হয়?
  1. শক্তি
  2. চাপ
  3. ভরবেগ
  4. বল
সঠিক উত্তর:
চাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপ
ব্যাখ্যা

• নিউটন প্রতি বর্গমিটার (N/m2) হলো চাপের একক। চাপ হলো কোনো পৃষ্ঠের প্রতি একক ক্ষেত্রফলে লেগে থাকা বলের পরিমাণ। অর্থাৎ, যদি একটি পৃষ্ঠে কোনো বল প্রয়োগ করা হয়, সেই বল যতটা বেশি এবং পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল যত ছোট, চাপ তত বেশি হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি একটি বড় বই টেবিলের ওপর রাখেন, চাপ কম থাকে, কিন্তু যদি সেই বইয়ের কোণ দিয়ে রাখেন, চাপ অনেক বেশি হয়। সুতরাং, N/m2 বা প্যাসকেল (Pa) মূলত চাপের পরিমাপের একক, বল, শক্তি বা ভরবেগের জন্য ব্যবহার করা হয় না। সঠিক উত্তর হলো খ) চাপ।
 
• চাপ (Pressure):
- চাপ হলো একক ক্ষেত্রফলের প্রতি প্রয়োগ করা বলের পরিমাণ।  
- এটি বলের অভ্যন্তরীণ বিক্রিয়া বা বাহ্যিক প্রভাবকে বোঝায় যা কোনো পৃষ্ঠের উপর লেগে থাকে।  
- SI এককে চাপকে নিউটন/বর্গমিটার (N/m2) বা প্যাসকেল (Pa) দিয়ে প্রকাশ করা হয়।  
- চাপ গণনার সূত্র: P = F / A, যেখানে F = বল, A = ক্ষেত্রফল।  
- উদাহরণ: বাতাসের চাপ, জলস্তরের চাপ, হাইড্রোলিক সিস্টেমের চাপ ইত্যাদি।  

- অপশন আলোচনা: 
- নিউটন (N) হলো বলের একক, শক্তি নয়।  
- শক্তি (Energy) জুল (J) দ্বারা পরিমাপ করা হয়, N/m2 দ্বারা নয়।  
- ভরবেগ (Momentum) কেজি·মিটার/সেকেন্ড (kg·m/s) দ্বারা পরিমাপ হয়।  
- তাই N/m2 শুধু চাপের জন্য প্রযোজ্য।  

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

৫২.
মুক্তি বেগের রাশিমালায় কোন উপাদানটি অনুপস্থিত?
  1. বস্তুর ঘনত্ব
  2. গ্রহের ভর
  3. অভিকর্ষজ ত্বরণ
  4. গ্রহের ব্যাসার্ধ
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ঘনত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ঘনত্ব
ব্যাখ্যা

• মুক্তি বেগের রাশিমালায় সাধারণত গ্রহ বা বস্তুর উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় যে কোনো বস্তুকে গ্রহের আকর্ষণীয় ক্ষেত্র থেকে মুক্ত করতে কত দ্রুত গতি প্রয়োজন। মুক্তি বেগের সূত্র হলো V = √(2GM/R)​​, যেখানে G হলো মহাজাগতিক ধ্রুবক, M হলো গ্রহের ভর, আর R হলো গ্রহের ব্যাসার্ধ। এখানে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, মুক্তি বেগ নির্ভর করে গ্রহের ভর এবং ব্যাসার্ধের উপর। অন্যদিকে, বস্তুর নিজস্ব ঘনত্ব বা ভরের কোন ভূমিকা নেই। তাছাড়া, অভিকর্ষজ ত্বরণও সরাসরি সূত্রে উল্লেখিত নয়, যদিও এটি ভরের ও ব্যাসার্ধের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়। সুতরাং, মুক্তি বেগের রাশিমালায় অনুপস্থিত উপাদান হলো বস্তুর ঘনত্ব।

• মুক্তি বেগ (Escape Velocity):
- মুক্তি বেগ হলো সেই সর্বনিম্ন গতি যার মাধ্যমে কোনো বস্তুকে একটি গ্রহ বা নক্ষত্রের আকর্ষণীয় ক্ষেত্র থেকে স্থায়ীভাবে মুক্ত করা যায়।
- এটি শুধুমাত্র গ্রহের ভর (M) এবং গ্রহের ব্যাসার্ধ (R) ও গুণিতক হিসেবে গ্র্যাভিটেশনাল স্থিরাঙ্ক (G) দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- বস্তুটির ঘনত্ব বা ভরের কোনো সরাসরি প্রভাব নেই; শুধুমাত্র গ্রহের ভর এবং ব্যাসার্ধ গুরুত্বপূর্ণ।
- অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) সাধারণত মুক্তি বেগ বের করতে ব্যবহৃত হয় না, তবে g থেকে R ও M সম্পর্কিত হিসাব নেওয়া যায়।
- সূত্র: v = √(2GM/R)

• উদাহরণ ১: পৃথিবী থেকে উৎক্ষেপণ :
- একটি রকেটকে পৃথিবীর আকর্ষণ থেকে মুক্ত করতে হলে তাকে একটি নির্দিষ্ট গতিতে প্রেরণ করতে হয়।  
- পৃথিবীর ভর M = 5.97 × 1024 kg এবং ব্যাসার্ধ R = 6371 km হলে মুক্তি বেগ v = √(2GM/R) সূত্রে হিসাব করা যায়।  
- এই ক্ষেত্রে, বস্তুর ঘনত্ব প্রয়োজন হয় না, শুধুমাত্র গ্রহের ভর এবং ব্যাসার্ধ প্রয়োজন।  

• উদাহরণ ২: চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে উৎক্ষেপণ:
- চন্দ্রের ভর M = 7.35 × 1022 kg এবং ব্যাসার্ধ R = 1737 km।  
- রকেটকে চন্দ্র থেকে মুক্ত করতে v = √(2GM/R) সূত্র ব্যবহার করা হয়।  
- চন্দ্রের ঘনত্ব বা রকেটের ঘনত্ব সরাসরি গণনায় প্রভাব ফেলে না।  

• উদাহরণ ৩: বৃহস্পতি গ্রহ থেকে উৎক্ষেপণ:
- বৃহস্পতি গ্রহের ভর M = 1.90 × 1027 kg এবং ব্যাসার্ধ R = 69911 km।  
- বৃহস্পতি থেকে মুক্তি বেগ খুব বড়, v ≈ 60 km/s।  
- এখানে আবারও, বস্তুর ঘনত্ব রাশিমালায় অনুপস্থিত।  

• সারসংক্ষেপ:  
- মুক্তি বেগ নির্ধারণের জন্য শুধুমাত্র গ্রহের ভর এবং ব্যাসার্ধ দরকার।  
- ঘনত্ব, বস্তুগত ভর বা অন্যান্য অনুপস্থিত উপাদান সরাসরি প্রয়োজন হয় না।  
- সুতরাং, রাশিমালায় কেবল বস্তুর ঘনত্ব অনুপস্থিত।  

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

৫৩.
1.0 মোল গ্যাসের তাপমাত্রা 1.0 K বাড়ালে যে সম্প্রসারণজনিত কাজ হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. আয়তনজনিত ভ্যান্ডারওয়াল ধ্রুবক (a)
  2. আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R)
  3. সংকোচনশীল ধ্রুবক (Z)
  4. গ্যাসের তাপ প্রসারাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R)
ব্যাখ্যা

• 1.0 মোল গ্যাসের তাপমাত্রা যদি 1.0 K বাড়ানো হয়, তখন গ্যাসটি যখন স্থির চাপে প্রসারিত হয়, তখন যা কাজ করে তাকে আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এটি মূলত তাপ এবং চাপের সম্পর্ককে বোঝায়। আদর্শ গ্যাস সূত্র PV = nRT অনুযায়ী, এক মোল গ্যাসের জন্য তাপমাত্রা 1 K বাড়ালে গ্যাসের চাপ বা আয়তনের পরিবর্তন ঘটালে যে কাজ হয়, তা W = nRΔT হিসাবে প্রকাশ করা যায়। এখানে R হল সেই ধ্রুবক যা তাপ এবং আয়তনের পরিবর্তনকে সম্পর্কিত করে। তাই এটি কোনো ভ্যান্ডারওয়াল ধ্রুবক বা সংকোচনশীল ধ্রুবক নয়, বরং আদর্শ গ্যাসের ধ্রুবক। R এর মান, R = 8.314Jmol-1K-1

- উত্তর: খ) আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R)। 

• 1.0 মোল গ্যাসের তাপমাত্রা 1.0 K বাড়ালে যে সম্প্রসারণজনিত কাজ হয় (Gas Constant):
- গ্যাসের তাপমাত্রা বাড়লে তার অণুগুলো দ্রুতগতিতে কম্পিত হয় এবং গ্যাসের আয়তন বৃদ্ধি পায়।
- এই সম্প্রসারণজনিত কাজকে আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R) দিয়ে পরিমাপ করা হয়।
- অর্থাৎ, 1.0 মোল গ্যাসের তাপমাত্রা 1.0 K বাড়ালে যে কাজ হয় তা মূলত আদর্শ গ্যাস ধ্রুবকের মানের সাথে সম্পর্কিত।
- এটি গ্যাসের তাপগতিবিদ্যা এবং থার্মোডাইনামিক্সে গুরুত্বপূর্ণ।
- সম্প্রসারণজনিত কাজকে নির্ণয় করতে মূলত R মান ব্যবহার করা হয়, না কোনো ভ্যান্ডারওয়াল ধ্রুবক বা সংকোচনশীল ধ্রুবক।  

সুতরাং, 1.0 মোল গ্যাসের তাপমাত্রা 1.0 K বাড়ালে যে সম্প্রসারণজনিত কাজ হয়, তা নির্দেশ করে - আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R)।  
- সঠিক উত্তর: খ) আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R)।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

৫৪.
কেপলারের ৩য় সূত্রটি কী নামে পরিচিত?
  1. পর্যায়কালের সূত্র
  2. উপবৃত্তের সূত্র
  3. ক্ষেত্রফলের সূত্র
  4. কক্ষপথের সূত্র
সঠিক উত্তর:
পর্যায়কালের সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যায়কালের সূত্র
ব্যাখ্যা

• কেপলারের তৃতীয় সূত্রকে সাধারণত পর্যায়কালের সূত্র বা লক্ষ্যকালের সূত্র (Law of Periods) বলা হয়। এটি গ্রহগুলোর কক্ষপথের আকার ও তাদের সূর্যের চারপাশে আবর্তনের সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। সূত্রটি অনুযায়ী, কোনো গ্রহের কক্ষপথের অর্ধ-প্রধান অক্ষের ঘনের মান (a3) এবং তার কক্ষপথ সম্পূর্ণ করতে লাগা সময়ের বর্গের মান (T2) এর মধ্যে একটি ধ্রুবক অনুপাত থাকে। সহজভাবে বলতে গেলে, বড় কক্ষপথের গ্রহের কক্ষকাল বেশি হয় এবং ছোট কক্ষপথের গ্রহের কক্ষকাল কম হয়। এই সূত্র সৌরজগতে গ্রহের গতিবিধি ও কক্ষপথ বিশ্লেষণে বিশেষ গুরুত্ব রাখে। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) পর্যায়কালের সূত্র।
 
কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের (Johann Kepler) গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়।
- সূত্র তিনটি:

প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।

দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):
- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।

তৃতীয় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র বা, পর্যায়কালের সূত্র):
- সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫.
যদি পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হঠাৎ করে দ্বিগুণ হয়ে যায় কিন্তু এর ভর অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে অভিকর্ষজ ত্বরণ কীভাবে পরিবর্তিত হবে? 
  1. চারগুণ হবে
  2. অর্ধেক হবে
  3. এক চতুর্থাংশ হবে
  4. দ্বিগুণ হবে
সঠিক উত্তর:
এক চতুর্থাংশ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক চতুর্থাংশ হবে
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ g তার ভর M এবং ব্যাসার্ধ R-এর উপর নির্ভর করে সূত্র g = GM/R2 দ্বারা, যেখানে G হলো অভিকর্ষ ধ্রুবক। যদি পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হঠাৎ দ্বিগুণ হয়ে যায়, অর্থাৎ R → 2R, কিন্তু ভর অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে নতুন অভিকর্ষজ ত্বরণ হবে gnew = GM/(2R)2 = GM/4R2 = g/4। অর্থাৎ অভিকর্ষজ ত্বরণ চার গুণ কমে যাবে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) এক চতুর্থাংশ হবে।

• অভিকর্ষজ ত্বরণ (Gravitational Acceleration):
- পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ g নির্ভর করে পৃথিবীর ভর (M) এবং ব্যাসার্ধ (R) এর উপর। সূত্র হলো: g = GM/R2, যেখানে G হলো মহাজাগতিক অভিকর্ষধ্রুবক।
- যদি পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হঠাৎ দ্বিগুণ হয়ে যায় (R → 2R) কিন্তু ভর অপরিবর্তিত থাকে (M অপরিবর্তিত), তাহলে g এর মান কিভাবে পরিবর্তিত হবে তা নির্ণয় করতে হবে।
- সূত্র অনুযায়ী নতুন অভিকর্ষজ ত্বরণ g' হবে: g' = GM/(2R)2 = GM/(4R2) = g/4।  
- অর্থাৎ, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ হলে অভিকর্ষজ ত্বরণ চারগুণ কমে যাবে, কারণ এটি ব্যাসার্ধের বর্গের বিপরীত আনুপাতিক।  
- এর ফলে, বস্তু পৃথিবীর পৃষ্ঠে আগের তুলনায় অনেক ধীরে পড়বে।  

সুতরাং, অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন: গ) এক চতুর্থাংশ​।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

৫৬.
পাহাড়ের চূড়ায় বরফের মধ্যে কী ধরনের শক্তি সঞ্চিত থাকে?
  1. স্থিতিশক্তি
  2. আলোকশক্তি
  3. তাপশক্তি
  4. গতিশক্তি
সঠিক উত্তর:
স্থিতিশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থিতিশক্তি
ব্যাখ্যা

• পাহাড়ের চূড়ায় বরফের মধ্যে স্থিতিশক্তি (Potential Energy) সঞ্চিত থাকে। এটি মূলত ভর এবং উচ্চতার কারণে সঞ্চিত শক্তি। যেহেতু বরফ পাহাড়ের উচ্চ স্থানে অবস্থিত, তাই তার নিজস্ব ভরের কারণে ভূমিকর্ষণের বিপরীতে একটি সম্ভাব্য শক্তি তৈরি হয়। এই শক্তি তখন প্রকাশ পায় যখন বরফ নেমে আসে বা কোনাে বলের আঘাতে সরানো হয়, তখন তা গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। বরফের মধ্যে আলোকশক্তি বা তাপশক্তি অল্প পরিমাণে থাকতে পারে, কিন্তু প্রধানভাবে শক্তি হিসেবে এটি স্থিতিশক্তি হিসাবেই বিবেচিত হয়। তাই পাহাড়ের চূড়ার বরফে প্রধান শক্তি ধরণ হলো স্থিতিশক্তি।

- সঠিক উত্তর: ক) স্থিতিশক্তি।

• পাহাড়ের চূড়ায় বরফের মধ্যে শক্তি (Energy in Snow on Mountain Peak):
- পাহাড়ের চূড়ায় থাকা বরফকে উপরে তুলে রাখা অবস্থায় একটি বিশেষ ধরনের শক্তি সঞ্চিত থাকে।  
- এই শক্তি মূলত উচ্চতাজনিত শক্তি, অর্থাৎ স্থিতিশক্তি (Potential Energy)।  
- কারণ, যেকোনো বস্তুকে উচ্চ অবস্থানে রাখলে তার নিচে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।  
- এই সম্ভাব্য শক্তি স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে, যেমন বরফ নেমে আসার সময়।  
- বরফের মধ্যে আলোকশক্তি বা তাপশক্তি থাকলেও এটি মূলত তার উচ্চতা বা অবস্থানের কারণে সঞ্চিত হয়।  

বিভবশক্তি (Potential Energy):
- বিভবশক্তিকে স্থিতিশক্তিও বলা হয়।
- কোন বস্তু তার অবস্থা বা অবস্থানে স্থিতিশীল থাকার ফলে যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই বস্তুটির বিভশক্তির পরিমাপক।
- আবার বস্তুও বিভিন্ন অংশের পরিবর্তনের ফলে বস্তু যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই হচ্ছে বস্তুর বিভব শক্তি। যেমন পানির ট্যাংকে রক্ষিত পানি এবং দেয়ালে ঝুলানো ছবি যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই হচ্ছে এদের বিভবশক্তি।
- বিভবশক্তি যান্ত্রিক শক্তির একটি রূপ।
- গতি শক্তিও যান্ত্রিকশক্তির একটি রূপ।
- অর্থাৎ যান্ত্রিক শক্তি দু'প্রকার। যথা- একটি হচ্ছে গতি শক্তি এবং অপরটি হচ্ছে বিভবশক্তি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭.
হুইটস্টোন ব্রিজ কী পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. রোধ
  2. তড়িচ্চালক শক্তি
  3. বিভব পার্থক্য
  4. প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
রোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোধ
ব্যাখ্যা

• হুইটস্টোন ব্রিজ মূলত রোধ (resistance) পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি বৈদ্যুতিক সার্কিট যা চারটি রোধকে নির্দিষ্টভাবে সংযুক্ত করে গঠিত হয়, যাতে অজানা রোধের মান নির্ণয় করা যায়। যখন ব্রিজটি “সঠিকভাবে ভারসাম্য স্থিতিতে” থাকে, তখন কোন কারেন্ট বা বিভব পার্থক্য অনুভূত হয় না, এবং অজানা রোধকে সহজভাবে গণনা করা যায়। হুইটস্টোন ব্রিজের মূল ধারণা হলো, একটি পরিচিত রোধের সঙ্গে অজানা রোধকে তুলনা করা এবং ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় ব্রিজের গ্যাপ বা বিভব পার্থক্য শূন্য হয়। এটি বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ পরীক্ষায়, সঠিক রোধ নির্ধারণে এবং গবেষণায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, হুইটস্টোন ব্রিজ রোধ পরিমাপের উপকরণ।

- উত্তর: ক) রোধ।
 
• হুইটস্টোন ব্রিজ (Wheatstone Bridge):
- হুইটস্টোন ব্রিজ হলো একটি বৈদ্যুতিক সার্কিট যা বৈদ্যুতিক প্রতিরোধ (Resistance) নির্ণয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত অজানা রোধকে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে চারটি প্রতিরোধ একটি রোম্বাকৃতি (Diamond) আকারে সংযুক্ত থাকে।
- ব্রিজটি ভারসাম্য (Balance) হলে, কোন কারেন্ট ব্রাঞ্চে প্রবাহিত হয় না, এবং তখন অজানা রোধের মান সহজে নির্ণয় করা যায়।
- হুইটস্টোন ব্রিজ সরাসরি তড়িচ্চালক শক্তি, বিভব পার্থক্য বা প্রবাহ পরিমাপের জন্য নয়, বরং শুধুমাত্র রোধ নির্ণয়ের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি বৈদ্যুতিক পরিমাপ এবং পরীক্ষাগারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম।  

সুতরাং, হুইটস্টোন ব্রিজ ব্যবহার করা হয়: ক) রোধ।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

৫৮.
মস্তিষ্কের ডোপামিন উৎপাদনকারী কোষ ক্ষয়প্রাপ্ত হলে কোন রোগ হয়?
  1. পক্ষাঘাত
  2. এপিলেপ্‌সি
  3. কোয়াশিওরকর
  4. পারকিন্‌সন
সঠিক উত্তর:
পারকিন্‌সন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারকিন্‌সন
ব্যাখ্যা

• যে রোগে মস্তিষ্কের ডোপামিন উৎপাদনকারী কোষ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, তা হলো পারকিনসন রোগ। এই রোগে প্রধানত মধ্যমস্তিষ্কের substantia nigra অংশের ডোপামিন সৃষ্টিকারী সেলগুলো ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়। ডোপামিন একটি গুরুত্বপূর্ণ न्यরোট্রান্সমিটার, যা শরীরের স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ডোপামিনের অভাবে রোগীর হাতে ও পায়ে কাঁপুনি, চলাফেরায় ধীরগতি, পেশীর জড়তা, ভারসাম্যহীনতা এবং মুখের অভিব্যক্তি কমে যাওয়া লক্ষ্য করা যায়। পারকিনসন সাধারণত ধীরে ধীরে প্রকাশ পায় এবং বয়স্কদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এর নির্দিষ্ট কারণ এখনও পুরোপুরি বোঝা যায়নি, তবে জিনগত ও পরিবেশগত প্রভাব রয়েছে।

- উত্তর: ঘ) পারকিন্‌সন। 
 
• পারকিন্‌সন রোগ:
- এ রোগ মস্তিষ্কে এমন এক অবস্থা যাতে হাতে ও পায়ের কাঁপুনী হয় এবং আক্রান্ত রোগী নড়াচড়া, হাঁটাহাটি করতে অপারগ হয়।
- এ রোগ সাধারণত ৫০ বছর বয়সের পরে হয়।
- পারকিনসন রোগাক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
- ডোপামিন ছাড়া ঐ স্নায়ু কোষগুলা পেশি কোষগুলোতে সংবেদন পাঠাতে পারে না। ফলে মাংসপেশি তার কার্যকারিতা হারায়।
- এছাড়া মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণকে চলতি কথায় স্ট্রোক বলা হয়। এটি একটি মারাত্মক ব্যাধি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• পক্ষাঘাত:
- শরীরের কোনো অংশের মাংস পেশির কার্য ক্ষমতা নষ্ট হওয়াকে পক্ষাঘাত বলে।
- সাধারণত মস্তিষ্কের কোনো অংশের ক্ষতির কারণে ঐ অংশের সংবেদন গ্রহণকারী পেশিগুলো কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে।
- আংশিক বা সম্পূর্ণ প্যারালাইসিস হতে পারে, যাতে শরীরের এক পাশের কোনো অঙ্গ বা উভয় পাশের অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।
যেমন- দু'হাত ও পায়ের পক্ষাঘাত।

• এপিলেপ্‌সি:
- এটি মস্তিষ্কের একটি রোগ। এ রোগকে মৃগী রোগও বলা হয়।
- আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর খিঁচুনী বা কাঁপুনি দিতে থাকে। অনেক সময় রোগী অজ্ঞান হয়। অনেক সময় রোগী হঠাৎ সাময়িকভাবে কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং শরীরে কাঁপুনি দিতে দিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
- কোনো কারণে রোগী পানিতে পড়লে নিজ শক্তিতে উঠতে পারে না। ফলে ডুবে মারা যায়।
- এ রোগ যে কোনো বয়সে হতে পারে। তবে ৫ থেকে ২০ বছর বয়সে ব্যাপকতা বেশি দেখা যায়।

• কোয়াশিওরকর:
- প্রোটিন বা আমিষের অভাবে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়।
- কোয়াশিওরকর (Kwashiorkor) শিশুদের প্রোটিন ঘাটতিজনিত এক রোগ। বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করার পরে সাধারণত এ রোগ দেখা দেয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
অণুচক্রিকা (Platelet) মূল উৎপাদন কেন্দ্র কোনটি?
  1. হৃৎপিণ্ড
  2. অস্থিমজ্জা 
  3. লিভার 
  4. লোমকোষ 
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জা 
ব্যাখ্যা

• অণুচক্রিকা বা প্লেটলেট রক্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা রক্ত জমাট বাঁধা ও ক্ষত সারাতে সহায়তা করে। প্লেটলেট মূলত অস্থিমজ্জা থেকে উৎপন্ন হয়। অস্থিমজ্জায় বিশেষ ধরণের বৃহৎ কোষ থাকে, যাকে মেগাকারিওসাইট বলা হয়। মেগাকারিওসাইটের সাইটোপ্লাজমের ক্ষুদ্র অংশগুলো ছিঁড়ে ছিঁড়ে রক্তে প্রবেশ করলে এগুলোই প্লেটলেট হিসেবে পরিচিত হয়। সুতরাং, অণুচক্রিকার উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র হলো অস্থিমজ্জা। অন্য অপশনগুলো—হৃৎপিণ্ড, লিভার বা লোমকোষ—প্লেটলেট উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়। অস্থিমজ্জা ছাড়া শরীরের অন্যান্য অংশ প্লেটলেট তৈরি করতে পারে না, তাই এটি রক্তের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও ক্ষত নিরাময়ে অপরিহার্য।

- সঠিক উত্তর: খ) অস্থিমজ্জা।
 
অণুচক্রিকা: 
- ইংরেজিতে এদেরকে প্লাটিলেট (Platelet) বলে।
- অণুচিক্রকা আকারে ছোট, বর্তুলাকার ও বর্ণহীন, এরা গুচ্ছাকারে থাকে। 
- অস্থিমজ্জার মধ্যে অণুচক্রিকা উৎপন্ন হয়। 
- অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। 
- পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ। 
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- কোন রক্তবাহী নালির ক্ষতি হলে এরা অনতিবিলম্বে থ্রোম্বোপ্লাষ্টিন নামক এক প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য নিঃসরণ করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০.
আয়োডিনের প্রাপ্তির জন্য সবচেয়ে কার্যকর উৎস কোনটি?
  1. সামুদ্রিক উদ্ভিদ 
  2. বাদাম 
  3. শাকসবজি
  4. ডাল
সঠিক উত্তর:
সামুদ্রিক উদ্ভিদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামুদ্রিক উদ্ভিদ 
ব্যাখ্যা

• আয়োডিনের প্রাপ্তির জন্য সবচেয়ে কার্যকর উৎস হল সামুদ্রিক উদ্ভিদ। এটি কারণ, সমুদ্রের পানিতে আয়োডিন প্রচুর পরিমাণে থাকে, এবং সামুদ্রিক উদ্ভিদ যেমন শৈবাল, কেল্প ইত্যাদি এই আয়োডিন শোষণ করে। মানুষ যখন এই উদ্ভিদ খায়, তখন সহজেই প্রয়োজনীয় আয়োডিন শরীরে পৌঁছে যায়। অন্যদিকে, বাদাম, শাকসবজি বা ডালে আয়োডিনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে খুব কম থাকে, তাই এগুলি আয়োডিনের প্রধান উৎস হিসেবে যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলা এবং শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত আয়োডিন গ্রহণ জরুরি, কারণ এটি থাইরয়েড হরমোনের উৎপাদন ও মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশে সাহায্য করে। তাই স্বাস্থ্যকর ডায়েটের অংশ হিসেবে সামুদ্রিক উদ্ভিদকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
 
খনিজ লবণ (Mineral salts): 
- দেহকোষ ও দেহের তরল অংশের জন্য খনিজ লবণ অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- মানুষের শরীরে ক্যালসিয়াম, লৌহ, সালফার, দস্তা, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, আয়োডিন ইত্যাদি থাকে। 
- এ উপাদানগুলো কখনো মৌলিক উপাদানরূপে মানবদেহে অবস্থান করে না, এগুলো খাদ্য ও মানবদেহে বিভিন্ন পরিমাণে অন্য পদার্থের সাথে মিলিত হয়ে নানা জৈব এবং অজৈব যৌগের লবণ তৈরি করে। 
- খনিজ লবণ দেহ গঠন ও দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হাড়, দাঁত, পেশি, এনজাইম এবং হরমোন গঠনের জন্য খনিজ লবণ একটি অপরিহার্য উপাদান। 
- স্নায়ুর উদ্দীপনা, পেশি সংকোচন, দেহকোষে পানির সাম্যতা বজায় রাখা, অম্ল ও ক্ষারের সমতাবিধান, এসব কাজে খনিজ লবণের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। 

- দুধ, দই, ছানা, পনির, ছোট মাছ (মলা-ঢেলা), নানা রকম ডাল, সবুজ শাকসবজি, ঢেঁড়স, লাল শাক, কচু শাক ইত্যাদি ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস। 
- কলিজা, সবুজ শাকসবজি, মাংস, ডিমের কুসুম, কচু শাক ইত্যাদিতে লৌহ থাকে। 
- দুধ, মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল থেকে ফসফরাস পাওয়া যায়। 
- খাবার লবণ, চিপস, নোনতা খাবার, পনির, বাদাম, আচার ইত্যাদিতে সোডিয়াম থাকে। 
- মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল, কলা, আলু, আপেল ইত্যাদিতে পটাশিয়াম থাকে। 
- আয়োডিনের ভালো উৎস হলো সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ, মাংস এবং শেওলা। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬১.
নিম্নলিখিত ভাইরাসগুলোর মধ্যে কোনটি ফ্ল্যাভিভাইরাস গোত্রভুক্ত?
  1. ইবোলা ভাইরাস
  2. ডেঙ্গু ভাইরাস
  3. এইচআইভি
  4. ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু ভাইরাস
ব্যাখ্যা

• ফ্ল্যাভিভাইরাস গোত্রভুক্ত ভাইরাস হলো ডেঙ্গু ভাইরাস। ফ্ল্যাভিভাইরাস গোত্রের ভাইরাসগুলো সাধারণত RNA ভাইরাস এবং তারা মশা দ্বারা সংক্রমিত হয়। এই ভাইরাসগুলো মানুষের মধ্যে বিভিন্ন জ্বরজনিত রোগ সৃষ্টি করতে পারে, যেমন ডেঙ্গু, জিকা, হেপাটাইটিস সি এবং ইয়েলো ফিভার। অন্যদিকে, ইবোলা ভাইরাস হলো ফিলোভাইরাস গোত্রের, যা হেমোরাজিক জ্বর সৃষ্টি করে। এইচআইভি হলো রেট্রোভাইরাস গোত্রের, যা মানুষের ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাসের মাধ্যমে এডস সৃষ্টি করে। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস হলো অরথোমিক্সোভাইরাস গোত্রের, যা শ্বাসনালীতে সংক্রমণ ঘটায়। সুতরাং, প্রদত্ত অপশন চারটির মধ্যে শুধুমাত্র ডেঙ্গু ভাইরাস ফ্ল্যাভিভাইরাস।
 
ভাইরাস: 
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। 

ভাইরাসের অপকারিতা: 
- বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো- 
 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২.
হ্যালোনস বা BCF সাধারণত কোন রূপে কাজে লাগানো হয়?
  1. চেতনানাশক
  2. কীটনাশক
  3. জ্বালানী
  4. অগ্নিনির্বাপক
সঠিক উত্তর:
অগ্নিনির্বাপক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিনির্বাপক
ব্যাখ্যা

• হ্যালোনস বা BCF (Bromochlorodifluoromethane) প্রধানত অগ্নিনির্বাপক পদার্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এগুলো উচ্চ কার্যকারিতা সম্পন্ন ফায়ার এক্সটিংগুইশারগুলিতে ব্যবহৃত হয় এবং আগুন নিভানোর সময় দ্রুত তাপ শোষণ এবং জ্বলন প্রক্রিয়ার রাসায়নিক বাধা সৃষ্টি করে। হ্যালোনস বাতাসে তেমন ক্ষতি ছাড়াই আগুন দমন করতে সক্ষম এবং এটি ইলেকট্রনিক বা সংবেদনশীল সরঞ্জাম যেমন কম্পিউটার রুম, বিমান ইঞ্জিন, বা ল্যাবরেটরিতে ব্যবহারের জন্য নিরাপদ। এগুলো চেতনানাশক বা কীটনাশক নয় এবং সাধারণ জ্বালানীর বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা হয় না। তাই হ্যালোনসের প্রধান ব্যবহার হলো অগ্নিনির্বাপক হিসাবে।

- উত্তর: ঘ) অগ্নিনির্বাপক। 

• হ্যালোনস বা BCF (Halons or BCF):
- হ্যালোনস বা BCF হলো রসায়নিক যৌগ যা প্রধানত অগ্নিনির্বাপক পদার্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।  
- এগুলো আগুন নিভাতে খুব কার্যকর, বিশেষত ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বা সংবেদনশীল সরঞ্জামে।  
- হ্যালোনস আগুন নিভাতে ব্যবহার করার সময় জলে বা ধোঁয়ায় ক্ষতি করে না।  
- এগুলি চেতনানাশক, কীটনাশক বা জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার হয় না।  
- হ্যালোনস বাতাসে ছড়িয়ে গেলে পরিবেশে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলতে পারে, তাই এখন অনেক দেশ এগুলোর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে।  

- সুতরাং, হ্যালোনস বা BCF সাধারণত অগ্নিনির্বাপক পদার্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।  
- সঠিক উত্তর: ঘ) অগ্নিনির্বাপক।

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

৬৩.
ফসজিন গ্যাসের সংকেত কোনটি? 
  1. CH3-CO-CH3
  2. COCI2
  3. CCI3
  4. CH3OH
সঠিক উত্তর:
COCI2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COCI2
ব্যাখ্যা

• ফসজিন গ্যাসের রাসায়নিক নাম: কার্বনাইল ক্লোরাইড (Carbonyl Chloride). অর্থাৎ ফসজিন (Phosgene) একটি বিষাক্ত গ্যাস যা সাধারণত রাসায়নিক যুদ্ধের সময় ব্যবহৃত হতো। সঠিক উত্তর: ফসজিন গ্যাসের সংকেত  খ) COCl2

• ফসজিন গ্যাস (Phosgene Gas):
- ফসজিন একটি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ, যা প্রাথমিকভাবে ক্লোরিন এবং কার্বন মনোক্সাইড থেকে তৈরি হয়।
- এটি রঙহীন, গ্যাসাকৃত এবং শ্বাসকষ্টজনিত উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে।
- ফসজিন সাধারণত রাসায়নিক যুদ্ধ বা শিল্পের দুর্ঘটনায় উৎপন্ন হতে পারে।

• রাসায়নিক সংকেত:
- ফসজিনের রাসায়নিক সূত্র হলো COCl2
- এটি একটি ক্লোরিনযুক্ত কার্বোনাইল যৌগ।
- সাধারণ বৈশিষ্ট্য: শ্বাসনালীর দ্বারা প্রবেশ করলে ফুসফুসে ক্ষতি করে এবং বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- শিল্পে এটি মূলত রাসায়নিক সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন প্লাস্টিক বা পেস্টিসাইড উৎপাদন।

• অন্যান্য যৌগ:
- CH3-CO-CH3: এটি অ্যাসিটোন।
- CCl3: এটি ট্রাইক্লোরোমিথাইল গ্রুপযুক্ত যৌগ।
- CH3OH: এটি মিথানল।

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

৬৪.
ল্যাবরেটরির কাজে কোন পরিষ্কারকটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর?
  1. ডিটারজেন্ট
  2. সাবান
  3. ক্রোমিক এসিড মিশ্রণ
  4. সোডা
সঠিক উত্তর:
ক্রোমিক এসিড মিশ্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোমিক এসিড মিশ্রণ
ব্যাখ্যা

• ল্যাবরেটরির কাজের সময় কাঁচের যন্ত্রপাতি যেমন বিকার, ব্যুরেট, পিপেট, মেজারিং ফ্লাস্ক ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে অপরিষ্কার হয়ে যায়। বিশেষ করে কখনও কখনও এগুলিতে তৈলাক্ত পদার্থ বা জৈব অমল পদার্থ লেগে থাকে, যা সাধারণ সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে পুরোপুরি পরিষ্কার করা কঠিন। এই অবস্থায় ক্রোমিক এসিড মিশ্রণ সবচেয়ে কার্যকর। এটি মূলত K2Cr2O7 এবং ঘন H2SO4-এর সংমিশ্রণ, যা শক্তিশালী অক্সিডাইজার হিসেবে কাজ করে। ক্রোমিক এসিড যন্ত্রপাতির জৈব ও তৈলাক্ত দাগ দ্রুত ধ্বংস করে, ফলে কাচ সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার হয় এবং পরীক্ষার নির্ভুলতা বজায় থাকে। তাই ল্যাবরেটরিতে সবচেয়ে প্রভাবশালী পরিস্কারক হলো ক্রোমিক এসিড মিশ্রণ।

• ল্যাবরেটরির সর্বোত্তম পরিস্কারক (Best Laboratory Cleaner):
- ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন কাঁচের যন্ত্রপাতি যেমন- বিকার, ব্যুরেট, পিপেট, মেজারিং ফ্লাস্ক ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে অপরিষ্কার হয়ে যেতে পারে।
- অনেক সময় এসব যন্ত্রপাতিতে তৈলাক্ত পদার্থ লেগে থাকে যা সাধারণভাবে সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে পুরোপুরি পরিষ্কার হয় না।
- এই অবস্থায় সবচেয়ে কার্যকর পরিস্কারক হলো ক্রোমিক এসিড মিশ্রণ।
- ক্রোমিক এসিড মিশ্রণ হলো K2Cr2O7 + ঘন H2SO4 এর সংমিশ্রণ।
- এটি কাঁচের যন্ত্রপাতি থেকে কঠিন দাগ, তৈলাক্ত পদার্থ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় দূষক দ্রুত এবং কার্যকরভাবে সরাতে সক্ষম।  

• ক্রোমিক এসিড মিশ্রণ (Chromic Acid Mixture) এবং এর ব্যবহার:
- ল্যাবরেটরিতে কাঁচের যন্ত্রপাতি যেমন- বিকার, ব্যুরেট, পিপেট, মেজারিং ফ্লাস্ক ইত্যাদি পরিস্কার করতে ব্যবহৃত হয়।
- তৈলাক্ত পদার্থ এবং অন্যান্য জৈব দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
- কাচের উপরের লেবেল বা আঠালো দাগ পরিষ্কার করতে কার্যকর।
- ধাতব বা প্লাস্টিকের কোনো অংশে ব্যবহার না করে শুধুমাত্র কাঁচের জন্য নিরাপদ।
- পরিস্কার করার পরে যন্ত্রপাতি ধুয়ে ভালোভাবে শুকাতে হয় যাতে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক অবশিষ্ট না থাকে।
- এটি জৈব উপাদান অক্সিডাইজ করতে পারে, ফলে ক্ষতিকর জীবাণু বা ধ্বংসাবশেষও মুছে যায়।  

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

৬৫.
"আলো চিড় অতিক্রম করার সময় বেঁকে যাওয়ার ঘটনাটি" - নিচের কোন তত্ত্ব দ্বারা ব্যাখ্যা করে? 
  1. তরঙ্গ তত্ত্ব
  2. কণা তত্ত্ব
  3. দ্বৈতনীতি
  4. কোয়ান্টাম তত্ব
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গ তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গ তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• "আলো চিড় অতিক্রম করার সময় বেঁকে যাওয়ার ঘটনা" বা প্রকাশিত আলো যখন একটি সরু ছিদ্র বা ধারকের পাশ দিয়ে যায় এবং তার পথ থেকে বিচ্যুত হয়, এটিকে প্রকাশের বিচ্যুতি বা diffraction বলা হয়। এটি মূলত তরঙ্গের আচরণের ফলাফল, কারণ কণা হিসেবে আলো এমনভাবে বেঁকে যেতে পারে না। তরঙ্গ তত্ত্ব অনুযায়ী, যখন কোনো তরঙ্গ কোনো বাধা বা ছিদ্রের সংস্পর্শে আসে, তখন তরঙ্গের অংশ সীমানার চারপাশ দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং একটি  বিচ্যুত ধারা তৈরি করে। সুতরাং আলো চিড় অতিক্রমের সময় বেঁকে যাওয়ার ঘটনা তরঙ্গ তত্ত্ব (Wave Theory) দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়।

- সঠিক উত্তর: ক) তরঙ্গ তত্ত্ব। 

• আলো চিড় অতিক্রমের সময় বেঁকে যাওয়া (Light Diffraction):
- আলো চিড় অতিক্রম করার সময় যখন বাঁকানো বা বিকৃত হয়, সেটিকে আলো তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়।
- এই ঘটনা তরঙ্গ তত্ত্বের মাধ্যমে বোঝানো যায়, কারণ আলোকে তরঙ্গ হিসেবে ধরা হলে তা চিড় বা বাধার পাশ দিয়ে বেঁকে যেতে পারে।
- কণা তত্ত্বের মাধ্যমে এই ধরনের বেঁকানো ঘটনার ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়, কারণ কণার মতো আচরণ করলে আলো সরলরেখায় চলার প্রবণতা দেখায়।
- দ্বৈতনীতি বা কোয়ান্টাম তত্ত্ব আলোকে কণার ও তরঙ্গের দুই রূপে ব্যাখ্যা করে, তবে শুধুমাত্র চিড়ের প্রান্ত দিয়ে বেঁকে যাওয়া ঘটনা তরঙ্গ তত্ত্ব দ্বারা সবচেয়ে সরলভাবে বোঝা যায়।
- এটি ফ্রিঞ্জ প্যাটার্ন বা হালকা ও গাঢ় রেখার উদাহরণ তৈরি করতে পারে, যা তরঙ্গের হস্তক্ষেপ (interference) প্রমাণ করে।

আলােকের প্রকৃতি সম্মন্ধে যেসব তত্ত্ব উদ্ভাবিত হয়েছে সেগুলি হলাে
(i) নিউটনের কণিকা তত্ত্ব:
- এই তত্ত্বে সাহায্যে ঋজুগতি প্রতিফলন, প্রতিসরণ ব্যাখ্যা করা যায়; কিন্তু ব্যতিচার, সমবর্তন, অপবর্তন, বিচ্ছুরণ ব্যাখ্যা করা যায় না।

(ii) হাইগেনের তরঙ্গ তত্ত্ব:
- এই তত্ত্বের সাহায্যে প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন ব্যাখ্যা করা যায়; কিন্তু সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না।

(iii) ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্ব:
- এই তত্ত্বের সাহায্যে আলাের সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায়; কিন্তু ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায় না।

(iv) আইনস্টাইনের কোয়ান্টাম তত্ত্ব:
- এই তত্ত্বের সাহায্যে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ, ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায়; কিন্তু ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

৬৬.
VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তি কম্পিউটারের কোন প্রজন্মে প্রথম ব্যবহৃত হয়?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম 
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ প্রজন্ম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ প্রজন্ম 
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের চতুর্থ প্রজন্মে (১৯৭১ থেকে বর্তমান) মাইক্রোপ্রসেসর প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটে। এই সময়ে VLSI (Very Large Scale Integration) কৌশলের মাধ্যমে একটি ছোট চিপের মধ্যে হাজার হাজার ট্রানজিস্টর স্থাপন করা সম্ভব হয়। এর ফলে কম্পিউটারের আকার অনেক ছোট হয়ে আসে এবং কর্মক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

- VLSI (Very Large Scale Integration) ব্যবহার আশির দশকে (1980) শুরু হয়েছিল। 
- LSI এবং VLSI প্রযুক্তি ব্যবহার করে 1980 এবং 1990-এর দশকের digital computer গুলোকে প্রায়শই চতুর্থ প্রজন্মের system বলা হয়। 
- 1980-এর দশকে উৎপাদিত অনেক microcomputer-এ একটি single chip ছিল যার processor, memory এবং interface function এর circuit integrated ছিল।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১- বর্তমান):
- মাইক্রোপ্রসেসর ও বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার।
- আরও ছোট ও শক্তিশালী।
- মাইক্রো কম্পিউটারের উদ্ভব।
-সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম প্যাকেজের ব্যবহার।
- মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের আবির্ভাব।
- উদাহরণ: IBM PS/2, Apple Macintosh.

উৎস:
১। কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা। 

৬৭.
ইমেইল গ্রহণ বা ডাউনলোড করার জন্য নিচের কোন প্রোটোকলটি ব্যবহৃত হয়?
  1. POP3
  2. FTP
  3. SMTP
  4. HTTP
সঠিক উত্তর:
POP3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
POP3
ব্যাখ্যা

• ইমেইল আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল ব্যবহারকারীর ডিভাইসে গ্রহণ বা ডাউনলোড করার জন্য POP3 (Post Office Protocol version 3) প্রোটোকলটি ব্যবহৃত হয়।
- অন্যদিকে, ইমেইল পাঠানোর জন্য SMTP ব্যবহৃত হয়।

• ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP প্রটোকল ব্যবহার করা হয়
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উল্লেখ্য:
- FTP: ইন্টারনেটে বা লোকাল নেটওয়ার্কে ফাইল আদান-প্রদান করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- HTTP: এটি মূলত ওয়েব ব্রাউজারে ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেজ প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল।

উৎস: মাইক্রোসফট। ব্রিটানিকা।

৬৮.
ALU এর গাণিতিক কাজের ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে কোথায় জমা থাকে?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Register
  4. Cache
সঠিক উত্তর:
Register
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Register
ব্যাখ্যা

• ALU যখন কোনো অপারেশন (যেমন যোগ বা তুলনা) সম্পন্ন করে, তখন সেই ফলাফলটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে প্রসেস করার জন্য মেমোরি হিসেবে সিপিইউ-এর ভেতরে থাকা 'অ্যাকিউমুলেটর' (Accumulator) নামক একটি বিশেষ রেজিস্টারে জমা রাখা হয়।
- এখান থেকেই কন্ট্রোল ইউনিট সিদ্ধান্ত নেয় ফলাফলটি পরবর্তী কোন ধাপে পাঠানো হবে।

• ALU (গাণিতিক যুক্তি অংশ):
- ALU এর পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- RAM: এটি একটি মেইন মেমোরি যা সিপিইউ-এর বাইরে থাকে এবং ALU সেখানে সরাসরি তাৎক্ষণিক আউটপুট জমা করে না।
- ROM: এটি একটি রিড-অনলি মেমোরি যেখানে স্থায়ী নির্দেশনা থাকে এবং এতে প্রসেসিংয়ের কাজ চলে না।
- Cache: এটি মূলত র‍্যাম ও প্রসেসরের মধ্যে গতির ভারসাম্য রক্ষা করে, সরাসরি ALU-এর আউটপুট রেজিস্টারের মতো গ্রহণ করে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯.
একটি ব্লুটুথ পিকোনেটে সর্বোচ্চ কতটি স্লেভ ডিভাইস সক্রিয় থাকতে পারে?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

• ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে একটি মাস্টার ডিভাইসের অধীনে সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভ বা অধীনস্থ ডিভাইস একই সময়ে সক্রিয়ভাবে (Active Mode) যুক্ত থাকতে পারে।
- মাস্টারসহ একটি পিকোনেটে মোট সক্রিয় ডিভাইসের সংখ্যা হয় ৮টি।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):

- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- বর্তমানে ল্যাপটপ, ট্যাব, পিডিএ, স্মার্ট ফোন ইত্যাদি ডিভাইসে ব্লুটুথ বিল্ট ইন আকারে থাকে।
- তাছাড়া ইউএসবি ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টারের সাহায্যে যেকোন কম্পিউটারে ব্লুটুথ সক্রিয় করা যায়। 
- ১৯৪৫ এরিকসন (Ericsson) এই প্রযুক্তির আবিষ্কার করেন এবং দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লু-টুথের নামানুসারে নামকরণ করেন।
- এটি IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত।

• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10-100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০.
(18F)16 -এর অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর কোনটি?
  1. (608)8
  2. (617)8
  3. (657)8
  4. (692)8
সঠিক উত্তর:
(617)8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(617)8
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর:
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে। অত:পর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে ৩ বিট করে এক একটি গ্রুপে সাজিয়ে সমতু অক্ট্যাল মান বসালে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্ট্যাল মান পাওয়া যাবে।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. On-demand self service
  2. Own hardware ownership
  3. Rapid Elasticity
  4. Pay-as-you-go
সঠিক উত্তর:
Own hardware ownership
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Own hardware ownership
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো— সেবা গ্রহণের জন্য অন-ডিম্যান্ড সেলফ সার্ভিস (On-demand self service), চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত রিসোর্স কমানো বা বাড়ানোর জন্য র‍্যাপিড ইলাস্টিসিটি (Rapid Elasticity) এবং শুধুমাত্র ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে বিল পরিশোধের জন্য পে-অ্যাজ-ইউ-গো (Pay-as-you-go) পদ্ধতি যা খরচ সাশ্রয় করে।
- তাই Own hardware ownership ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল।
- EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।
- এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন।
- Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়।
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)। ব্রিটানিকা।

৭২.
কম্পিউটার বুটিংয়ের সময় POST পরিচালনা করে কোনটি? 
  1. BIOS
  2. Hard Disk
  3. Boot Loader
  4. Kernel
সঠিক উত্তর:
BIOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIOS
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার পাওয়ার অন করার সাথে সাথে মাদারবোর্ডের ROM-এ থাকা BIOS (Basic Input/Output System) সক্রিয় হয়। এটি POST (Power On Self Test) পরিচালনার মাধ্যমে মাদারবোর্ড, র‍্যাম, কীবোর্ড এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে দেখে।
- সব ঠিক থাকলে এটি বুট লোডারকে পরবর্তী কাজ বুঝিয়ে দেয়।

• POST এবং BIOS-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- BIOS হলো একটি ফার্মওয়্যার যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে প্রাথমিক সংযোগ স্থাপন করে।
- POST নিশ্চিত করে যে মেমোরি, প্রসেসর এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলো কাজ করার জন্য প্রস্তুত।
- POST প্রক্রিয়ার সময় কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে কম্পিউটার বিভিন্ন ধরণের শব্দ বা 'Beep Code' প্রদান করে। এটি কম্পিউটারের পাওয়ার অন হওয়ার ঠিক পরের এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগের ধাপ।
- আধুনিক কম্পিউটারে BIOS-এর পরিবর্তে আরও উন্নত UEFI ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Hard Disk: এটি তথ্য জমা রাখার মাধ্যম, এটি বুটিং বা টেস্টিং প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করে না।
- Boot Loader: এর কাজ হলো হার্ড ডিস্ক থেকে অপারেটিং সিস্টেমকে খুঁজে বের করে র‍্যামে লোড করা।
- Kernel: এটি অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ যা বুটিং প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর সক্রিয় হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৩.
যখন একাধিক ফিল্ড একত্রে মিলে একটি রেকর্ডকে শনাক্ত করে, তখন তাকে কী বলা হয়?
  1. Super Key
  2. Alternate Key
  3. Foreign Key
  4. Composite Primary Key
সঠিক উত্তর:
Composite Primary Key
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Composite Primary Key
ব্যাখ্যা

• কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড প্রধানত ৩ ধরনের হতে পারে। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।
- এটি মূলত একটি প্রাইমারি কী, তাই এর সম্মিলিত মান কখনো 'Null' বা ফাঁকা হতে পারে না।
- রিলেশনাল ডাটাবেজে জটিল ডেটা স্ট্রাকচার (যেমন: Many-to-Many Relationship) হ্যান্ডেল করতে এটি ব্যবহৃত হয়।

৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।

৭৪.
নিচের কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড (Object Oriented) প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. Python
  2. C
  3. FORTRAN
  4. COBOL
সঠিক উত্তর:
Python
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Python
ব্যাখ্যা

• পাইথন (Python) একটি উচ্চস্তরের ইন্টারপ্রিটেড প্রোগ্রামিং ভাষা যা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের পাশাপাশি স্ট্রাকচারড এবং ফাংশনাল প্রোগ্রামিংও সমর্থন করে। তবে এর মূল কাঠামো অবজেক্ট এবং ক্লাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- অন্যদিকে C, FORTRAN এবং COBOL মূলত স্ট্রাকচারড বা প্রসিডিউরাল ভাষা হিসেবে পরিচিত।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation) I

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫.
LLM যখন ভুল বা কাল্পনিক তথ্য আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রদান করে, তখন সেই ঘটনাকে কী বলা হয়?
  1. Deepfake
  2. Data Leakage
  3. Overfitting
  4. Hallucination
সঠিক উত্তর:
Hallucination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hallucination
ব্যাখ্যা

• LLM (Large Language Model) যখন আত্মবিশ্বাসের সাথে এমন কিছু তথ্য দেয় যা ভুল, কাল্পনিক বা বাস্তবে অস্তিত্বহীন, তখন সেই ঘটনাকে Hallucination বলা হয়।

• LLM-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- Massive Scale: এগুলো বিলিয়ন বা ট্রিলিয়ন প্যারামিটারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা মডেলকে অত্যন্ত জটিল তথ্য প্রসেস করতে সাহায্য করে।
- Transformer Architecture: এটি 'Self-attention' মেকানিজম ব্যবহার করে বাক্যের দূরবর্তী শব্দের মধ্যেও সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
- Generative Ability: এটি কেবল তথ্য খুঁজে দেয় না, বরং নতুন কবিতা, কোড বা প্রবন্ধ তৈরি করতে পারে।
- Few-shot Learning: খুব সামান্য উদাহরণ বা নির্দেশ দেখেই এটি নতুন কোনো কাজ (যেমন- অনুবাদ বা সারসংক্ষেপ) আয়ত্ত করতে পারে।
- Context Window: এটি একবারে একটি নির্দিষ্ট সীমার তথ্য (Tokens) মনে রেখে উত্তর প্রদান করে।

• Al Hallucination:
- যখন LLM মডেলটি বাস্তব তথ্যের পরিবর্তে ভুল, কল্পিত বা বানানো তথ্য দেয়, তখন সেটি Al Hallucination বলে।
- এটি এমনভাবে উত্তর দেয় যেন সেটি সত্য, যদিও তথ্যটি ভিত্তিহীন বা সম্পূর্ণ ভুল।
- যখন মডেল বাস্তব ডাটাবেস বা ইন্টারনেট থেকে তথ্য যাচাই করতে পারে না, নিশ্চিত উত্তর না থাকলে মডেলটি শূন্য আউটপুট দেওয়ার চেয়ে একটি সম্ভাব্য অনুমান তৈরি করে, যা প্রায়শই ভুল হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Deepfake: এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা নকল ছবি, ভিডিও বা অডিও যা কাউকে বিভ্রান্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- Data Leakage: এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে মডেলের প্রশিক্ষণের সময় অজানা ডেটা বা উত্তর আগে থেকেই মডেলের কাছে ফাঁস হয়ে যায়।
- Overfitting: এটি মডেলের এমন একটি অবস্থা যেখানে এটি ট্রেনিং ডেটা অতিরিক্ত মাত্রায় মুখস্থ করে ফেলে এবং নতুন ডেটাতে ভুল করে।

উৎস: IBM website [link].

৭৬.
কোন ধরনের নেটওয়ার্কে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে না?
  1. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক
  2. রিং নেটওয়ার্ক
  3. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  4. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
সঠিক উত্তর:
পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

পিয়ার টু পিয়ার (P2P) নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার সমান ক্ষমতা সম্পন্ন এবং তারা সরাসরি একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে। এখানে কোনো কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা সার্ভার অন্য কম্পিউটারগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে না, বরং প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে ক্লায়েন্ট এবং সার্ভার হিসেবে কাজ করে।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৭৭.
নিচের কোনটি গুগলের (Google) সার্ভিস নয়?
  1. Android
  2. YouTube
  3. AdSense
  4. Siri
সঠিক উত্তর:
Siri
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Siri
ব্যাখ্যা

• Android (অপারেটিং সিস্টেম), YouTube (ভিডিও শেয়ারিং সাইট) এবং AdSense (বিজ্ঞাপন প্রোগ্রাম) এই তিনটিই গুগলের অত্যন্ত সুপরিচিত ও মালিকানাধীন সার্ভিস।
- অন্যদিকে, Siri হলো অ্যাপল (Apple Inc.)-এর তৈরি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ব্যক্তিগত ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট, যা মূলত আইফোন, আইপ্যাড এবং ম্যাক ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।
- গুগলের নিজস্ব ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের নাম হলো Google Assistant।

• Google: 
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন। 
- গুগলের পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)। 
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম। 
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স। 
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৭৮.
কিবোর্ডের F6 ফাংশন কী সাধারণত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. Help মেনু ওপেন করা
  2. ব্রাউজার বা ফোল্ডার ফুলস্ক্রিন করা
  3. ফাইল রিনেম করা
  4. ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বার সিলেক্ট করা
সঠিক উত্তর:
ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বার সিলেক্ট করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বার সিলেক্ট করা
ব্যাখ্যা

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।

৭৯.
ইন্টারনেটে অনাকাঙ্ক্ষিত, অপ্রাসঙ্গিক বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পাঠানো বিপুল পরিমাণ ইমেল বা বার্তাকে কী বলা হয়?
  1. Phishing
  2. Hacking
  3. Spamming
  4. Spoofing
সঠিক উত্তর:
Spamming
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Spamming
ব্যাখ্যা

স্প্যামিং (Spamming) হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোনো ব্যক্তির অনুমতি ছাড়াই তাকে বারবার অপ্রাসঙ্গিক বার্তা বা বিজ্ঞাপন পাঠানো হয়। এটি মূলত ইমেল, এসএমএস বা সোশ্যাল মিডিয়া মেসেজের মাধ্যমে করা হয়। অনেক সময় স্প্যাম বার্তার মাধ্যমে ক্ষতিকারক লিঙ্ক বা ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮০.
নিচের ধারাবাহিকতায় শূন্যস্থানে কোনটি বসবে?
ELFA, GLHA, ILJA, _____, MLNA
  1. OLPA
  2. KLMA
  3. LLMC
  4. KLLA
সঠিক উত্তর:
KLLA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
KLLA
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের ধারাবাহিকতায় শূন্যস্থানে কোনটি বসবে?
ELFA, GLHA, ILJA, _____, MLNA

সমাধান:
প্রতিটি শব্দে ২য় এবং ৪র্থ অক্ষর স্থির থাকে: L এবং A

প্রথম ও তৃতীয় অক্ষরগুলো নিচের ধারায় বাড়ছে (+2 করে):
১ম অক্ষর: E → G → I → K → M
৩য় অক্ষর: F → H → J → L → N
তাই শূন্যস্থানের শব্দ হবে: K L L A

৮১.
একটি ছবির দিকে তাকিয়ে ফয়সাল বললো, "তিনি হলেন আমার ভাইয়ের বাবার একমাত্র মেয়ের ছেলে।" ফয়সাল ছবির লোকটির সম্পর্কে কী হয়?
  1. ভাতিজা
  2. ভাই
  3. বাবা
  4. মামা
সঠিক উত্তর:
মামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ছবির দিকে তাকিয়ে ফয়সাল বললো, "তিনি হলেন আমার ভাইয়ের বাবার একমাত্র মেয়ের ছেলে।" ফয়সাল ছবির লোকটির সম্পর্কে কী হয়?

সমাধান:
- "আমার ভাইয়ের বাবা" বলতে ফয়সালের নিজের বাবাকে বোঝানো হয়েছে।
- "বাবার একমাত্র মেয়ে" অর্থাৎ, ফয়সালের নিজের বোনকে বোঝানো হয়েছে।
 - "একমাত্র মেয়ের ছেলে" অর্থাৎ, ফয়সালের বোনের ছেলে।
- যেহেতু ছবিতে থাকা ব্যক্তিটি ফয়সালের বোনের ছেলে, সুতরাং ফয়সাল ঐ ব্যক্তির মামা

৮২.
জামিল সাহেব উত্তর দিকে 10 কিমি হাঁটলেন। সেখান থেকে তিনি দক্ষিণ দিকে 6 কিমি হাঁটলেন। তারপর তিনি পূর্ব দিকে 3 কিমি হাঁটলেন। শুরুর অবস্থান থেকে তিনি এখন কত দূরে এবং কোন দিকে আছেন?
  1. 5 কিমি, পশ্চিম
  2. 5 কিমি, উত্তর-পূর্ব
  3. 7 কিমি, পূর্ব
  4. 8 কিমি, দক্ষিণ-পূর্ব
সঠিক উত্তর:
5 কিমি, উত্তর-পূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5 কিমি, উত্তর-পূর্ব
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: জামিল সাহেব উত্তর দিকে 10 কিমি হাঁটলেন। সেখান থেকে তিনি দক্ষিণ দিকে 6 কিমি হাঁটলেন। তারপর তিনি পূর্ব দিকে 3 কিমি হাঁটলেন। শুরুর অবস্থান থেকে তিনি এখন কত দূরে এবং কোন দিকে আছেন?

সমাধান: 

ধরি, জামিল সাহেব এর যাত্রার শুরুর বিন্দু 'O'।
- তিনি উত্তর দিকে 10 কিমি গিয়ে A বিন্দুতে পৌঁছালেন। 
- A বিন্দু থেকে বিপরীত দিকে (দক্ষিণ দিকে) 6 কিমি ফিরে এসে B বিন্দুতে থামলেন। 
- অর্থাৎ, শুরুর বিন্দু O থেকে তার বর্তমান উত্তর দিকের সরণ = (10 - 6) = 4 কিমি। 
- এরপর তিনি পূর্ব দিকে 3 কিমি গিয়ে C বিন্দুতে পৌঁছালেন।

এখন, সমকোণী ত্রিভুজ OBC তৈরি হয়েছে, যেখানে,
ভূমি (BC) = 3 কিমি
লম্ব (OB) = 4 কিমি

পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে,
OC = √(OB2 + BC2)
⇒ OC = √(42 + 32)
⇒ OC = √(16 + 9) 
⇒ OC = √25 
∴ OC = 5 কিমি

যেহেতু তিনি শুরুর বিন্দু থেকে উত্তর এবং পূর্ব দিকের মাঝামাঝি কোণাকুণি অবস্থানে আছেন, তাই তার বর্তমান দিক হলো উত্তর-পূর্ব।

∴ শুরুর অবস্থান থেকে তিনি 5 কিমি উত্তর-পূর্ব দিকে আছেন।

৮৩.
আমি দুর্ব্বার,
আমি ভেঙে করি সব চুরমার!
আমি অনিয়ম ———,
আমি দ'লে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃংখল!
  1. সুশৃঙ্খল
  2. বিশৃঙ্খল
  3. স্বেচ্ছাচারী
  4. উচ্ছৃঙ্খল
সঠিক উত্তর:
উচ্ছৃঙ্খল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্ছৃঙ্খল
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ঘ) উচ্ছৃঙ্খল

- কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতার এই চরণে কবি নিজেকে প্রকাশ করতে গিয়ে উচ্ছৃঙ্খল শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
- এখানে 'উচ্ছৃঙ্খল' শব্দটি নেতিবাচক কোনো অর্থ বহন করে না, বরং এটি প্রচলিত জরাজীর্ণ ও অন্যায্য নিয়ম ভাঙার প্রবল বিদ্রোহী শক্তিকে প্রকাশ করে।
- এখানে কবি নিজেকে প্রচলিত অন্যায্য সমাজব্যবস্থা এবং শোষকের শৃঙ্খল ভাঙার এক অপ্রতিরোধ্য শক্তি হিসেবে 'উচ্ছৃঙ্খল' রূপে কল্পনা করেছেন।

৮৪.
5 : 10 মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রি?
  1. 88.5°
  2. 95°
  3. 97.5°
  4. 101°
সঠিক উত্তর:
95°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
95°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 5 : 10 মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রি?

সমাধান:
আমরা জানি,
ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ = |(11M - 60H)/2| ডিগ্রি।

এখানে,
ঘণ্টার কাঁটা (H) = 5
মিনিটের কাঁটা (M) = 10

∴ মধ্যবর্তী কোণ = |{(11 × 10) - (60 × 5)}/2|
= |(110 - 300)/2|
= |- 190/2|
= |- 95|
= 95°

∴ 5 : 10 মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ 95°।

৮৫.
'X' শীটটি ডটেড লাইন বরাবর ভাঁজ করা হলে, কোনটির মত প্যাটার্ন তৈরি হবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'X' শীটটি ডটেড লাইন বরাবর ভাঁজ করা হলে, কোনটির মত প্যাটার্ন তৈরি হবে?


সমাধান: 
সঠিক উত্তর (খ): 2

৮৬.
২৪০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৭২ কি.মি. গতিবেগে চললে, ১৬০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু অতিক্রম করতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে?
  1. ২০ সেকেন্ড
  2. ৩০ সেকেন্ড
  3. ৪৫ সেকেন্ড
  4. ২৪ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
২০ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২৪০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৭২ কি.মি. গতিবেগে চললে, ১৬০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু অতিক্রম করতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে?

সমাধান:
ট্রেনটির অতিক্রান্ত দূরত্ব = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + সেতুর দৈর্ঘ্য
= (২৪০ + ১৬০) মিটার = ৪০০ মিটার

দেওয়া আছে,
ট্রেনের গতিবেগ = ৭২ কি.মি./ঘণ্টা
= (৭২ × ১০০০)/(৬০ × ৬০) মিটার/সেকেন্ড
= ৭২০০০/৩৬০০ মিটার/সেকেন্ড
= ২০ মিটার/সেকেন্ড

ট্রেনটি, ২০ মিটার অতিক্রম করে = ১ সেকেন্ডে
∴ ১ মিটার অতিক্রম করে = ১/২০ সেকেন্ডে
∴ ৪০০ মিটার অতিক্রম করে = (১ × ৪০০)/২০
= ২০ সেকেন্ডে

৮৭.
নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?
  1. 9
  2. 12
  3. 14
  4. 16
সঠিক উত্তর:
16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?


সমাধান:

- একটি ফাঁকা স্থান নিয়ে গঠিত ত্রিভুজগুলো হলো: AGE, EGC, GFC, BGF, DGB এবং ADG = 6টি
- দুটি ফাঁকা স্থান নিয়ে গঠিত ত্রিভুজগুলো হলো: AGC, BGC এবং ABG = 3টি
- তিনটি ফাঁকা স্থান নিয়ে গঠিত ত্রিভুজগুলো হলো: AFC, BEC, BDC, ABF, ABE এবং DAC = 6টি
- ছয়টি ফাঁকা স্থান নিয়ে গঠিত ত্রিভুজ হলো ABC = 1টি

অতএব, প্রদত্ত চিত্রে মোট ত্রিভুজের সংখ্যা = 6 + 3 + 6 + 1 = 16টি

৮৮.
একজন ছাত্র সকালে ইতিহাসের একটি অধ্যায় মুখস্থ করল। দুপুরে সে ভূগোলের একটি নতুন অধ্যায় শিখল। বিকেলে দেখা গেল, ভূগোলের নতুন তথ্যগুলো শেখার কারণে সে সকালের পড়া ইতিহাসের তথ্যগুলো ঠিকমতো মনে করতে পারছে না। এই ঘটনাটিকে কী বলা হয়?
  1. পূর্ব-শিক্ষণ প্রতিবন্ধকতা (Proactive Inhibition)
  2. অনুশিক্ষণ প্রতিবন্ধকতা (Retroactive Inhibition)
  3. অবদমন (Repression)
  4. অব্যবহার জনিত স্মৃতির অবক্ষয় (Passive Decay through disuse)
সঠিক উত্তর:
অনুশিক্ষণ প্রতিবন্ধকতা (Retroactive Inhibition)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুশিক্ষণ প্রতিবন্ধকতা (Retroactive Inhibition)
ব্যাখ্যা

• স্মৃতি ও বিস্মৃতির আলোচনায় যখন কোনো নতুন শিখন (Learning) পুরাতন তথ্যকে মনে করতে বাধা দেয়, তখন তাকে অনুশিক্ষণ প্রতিবন্ধকতা (Retroactive Inhibition) বলা হয়।
- এখানে ছাত্রটির ক্ষেত্রে দুপুরের 'ভূগোল' পড়াটি (নতুন শিক্ষা) সকালের 'ইতিহাস' পড়াটিকে (পুরাতন শিক্ষা) মনে করার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সঠিক উত্তর: খ) অনুশিক্ষণ প্রতিবন্ধকতা (Retroactive Inhibition)।

• ভুলে যাওয়ার কিছু কারণসমূহ:
১. অব্যবহার জনিত স্মৃতির অবক্ষয় (Passive decay through disuse):
- শিক্ষণকৃত বিষয় যদি ব্যবহার না করি যা অনুশীলন না করি তাহলে কালের স্রোতে তা হারিয়ে যায়। অর্থাৎ অব্যবহারজনিত কারণে কালের প্রবাহে স্মৃতি চিহ্নগুলো ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়। ফলে আমরা শিক্ষণকৃত বিষয়গুলো বিস্মৃত হই। এই অব্যবহারজনিত বিস্মৃতির কারণেই আমরা অনেক জানা গল্প বা ঘটনায় বিস্মত হই।

২. অনুশিক্ষণ প্রতিবন্ধকতা (Retroactive inhibition):
- এই মতবাদের মূল বিষয় হল, নতুন বিষয় শিক্ষা করার ফলে আমরা পূর্বে শিক্ষা করা বিষয় ভুলে যাই। শিক্ষণ ও পুনরুদ্রেকের মধ্যকার বিরতির সময়ে মানসিক কার্যের ফলে স্মৃতির যে ব্যাঘাত হয় তাকে অনুশিক্ষণ প্রতিবন্ধকতা বা পশ্চাদমুখী বাধা বলা হয়। কোন বিষয় শিক্ষণের সময় প্রথমটি শেখার পর কিছুটা সময় বিরতি দিয়ে তবে দ্বিতীয়টা শিক্ষা করতে হয়। কিন্তু কোন একটা বিষয় শেখার পরই কোন বিরতি না দিয়ে যদি সাথে সাথে আর একটি বিষয় শিখি, তাহলে দেখা যাবে যে প্রথম বিষয়টির অংশ বিশেষ ভুলে গেছি। এর কারণ দ্বিতীয় বিষয়টি প্রথম বিষয়টি মনে রাখার পক্ষে বাধার সৃষ্টি করেছে এবং পেছন দিক থেকে এসে প্রথম বিষয়টিকে ভুলিয়ে দিচ্ছে।

৩. পূর্ব-শিক্ষণ প্রতিবন্ধকতা (Proactive inhibition) :
অনেক সময় দেখা যায় যে, পূর্বে শিক্ষণ করা বিষয় পরের শিক্ষাকৃত বিষয়ের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। ফলে পরে শিক্ষণকৃত বিষয়টির কিছু অংশ বিস্মৃত হয়। পূর্বের শিক্ষণ এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেছে। এ ধরনের প্রতিবন্ধকতাই পূর্ব-শিক্ষণ প্রতিবন্ধকতা নামে পরিচিত।

৪. অবদমন (Repression):
- এটি মূলত কোনো কষ্টদায়ক বা অপ্রীতিকর স্মৃতিকে অবচেতন মনে ঠেলে দেওয়াকে বোঝায়।

উৎস: মনোবিজ্ঞান প্রথম পত্র, প্রফেসর যোগেন্দ্র কুমার মণ্ডল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮৯.
প্রদত্ত 'X' চিত্রটি কোন চিত্রে লুকায়িত আছে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রদত্ত 'X' চিত্রটি কোন চিত্রে লুকায়িত আছে?


সমাধান: 

'X' চিত্রটি 3 নং চিত্রে লুকায়িত আছে।

৯০.
P, Q, R, S এবং T এর মধ্যে P, R থেকে ভারী। Q, S থেকে হালকা। T, P থেকে ভারী। R, S থেকে ভারী। সবচেয়ে হালকা কে?
  1. Q
  2. R
  3. S
  4. T
সঠিক উত্তর:
Q
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Q
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P, Q, R, S এবং T এর মধ্যে P, R থেকে ভারী। Q, S থেকে হালকা। T, P থেকে ভারী। R, S থেকে ভারী। সবচেয়ে হালকা কে?

সমাধান:
P > R (P, R থেকে ভারী)
S > Q (Q, S থেকে হালকা)
T > P (T, P থেকে ভারী)
R > S (R, S থেকে ভারী)

T > P থেকে ⇒ T সবচেয়ে ভারী
P > R এবং R > S থেকে ⇒ T > P > R > S
S > Q থেকে ⇒ T > P > R > S > Q

সুতরাং, সম্পূর্ণ ক্রমটি হলো:
T > P > R > S > Q

∴ সবচেয়ে হালকা হলো Q।

৯১.
ভারসাম্য রক্ষা করতে প্রশ্নবোধক স্থানে কত ওজনের বস্তু থাকতে হবে?
  1. 30 lb
  2. 35 lb
  3. 38.5 lb
  4. 40 lb
সঠিক উত্তর:
35 lb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
35 lb
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ভারসাম্য রক্ষা করতে প্রশ্নবোধক স্থানে কত ওজনের বস্তু থাকতে হবে?


সমাধান:
ডানপাশের ক্ষেত্রে,
20 × 12 + 30 × 6 
= 240 + 180
= 420

বামপাশের ক্ষেত্রে,
12 × ? = 420
⇒ ? = 420/12
∴ ? = 35

অতএব, প্রশ্নবোধক স্থানে 35 lb ওজনের বস্তু থাকতে হবে।

৯২.
What is antonym of 'Ambiguous'-
  1. Complex
  2. Clear
  3. Vague
  4. Obscure
সঠিক উত্তর:
Clear
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Clear
ব্যাখ্যা

Ambiguous = অস্পষ্ট/দ্ব্যর্থবোধক
Clear = স্পষ্ট/পরিষ্কার
- যা পুরোপুরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।

অন্য অপশনগুলো:
ক) Complex = জটিল 
গ) Vague = অস্পষ্ট 
ঘ) Obscure = অস্পষ্ট/অন্ধকারাচ্ছন্ন

৯৩.
যদি CRICKET = 3923564 এবং KETTLE = 564406 হয়, তবে LITTLE = কত?
  1. 027406
  2. 024406
  3. 092206
  4. 027706
সঠিক উত্তর:
024406
উত্তর
সঠিক উত্তর:
024406
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি CRICKET = 3923564 এবং KETTLE = 564406 হয়, তবে LITTLE = কত?

সমাধান:
CRICKET = 3923564
C = 3, R = 9, I = 2, C = 3, K = 5, E = 6, T = 4

KETTLE = 564406
K = 5, E = 6, T = 4, T = 4, L = 0, E = 6

∴ LITTLE এর জন্য:
L = 0, I = 2, T = 4, T = 4, L = 0, E = 6

∴ LITTLE = 024406

৯৪.
নিচের প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 13
  2. 15
  3. 19
  4. 22
সঠিক উত্তর:
13
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
• প্রতিটি বৃত্তের সংখ্যাগুলো একটি নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা যদি ঘড়ির কাঁটার দিকে (clockwise) সংখ্যাগুলো লক্ষ্য করি, তবে একটি নির্দিষ্ট পার্থক্য খুঁজে পাব।
১ম বৃত্তে:
7 (+2) = 9
9 (+2) = 11
...........
15 (+2) = 17 

২য় বৃত্তে:
4 (+3) = 7
7 (+3) = 10
............
16 (+3) = 19 

৩য় বৃত্তে:
6 (+5) = 11
11 (+5) = 16
..............
26 (+5) = 31

একইভাবে ৪র্থ বৃত্তে পার্থক্যটি হবে (9 - 5) = 4
অর্থাৎ: 1 (+4) = 5
5 (+4) = 9
9 (+4) = 13
13 (+4) = 17
17 (+4) = 21

সুতরাং, প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে হবে: 13

৯৫.
পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার কোন রাজবংশের সময়ে নির্মিত হয়েছিল?
  1. গুপ্ত
  2. কৈবর্ত
  3. চন্দ্র
  4. পাল
সঠিক উত্তর:
পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল
ব্যাখ্যা

⇒ পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার পাল রাজবংশের সময়ে নির্মিত হয়েছিল।

সোমপুর মহাবিহার:

- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত ।
- সোমপুর মহাবিহার প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- পাহাড়পুরএর উৎখননকৃত বিহার কমপ্লেক্সের সঙ্গে সোমপুর মহাবিহারকে অভিন্ন মনে করা হয়।
- পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল আনুমাণিক ৭৮১ - ৮২১ খ্রিস্টাব্দে এ বিহার স্থাপন করেন বলে অনুমান করা হয়।
- বিহারের ধ্বংসাবশেষ হতে কিছু মাটির সিল পাওয়া গেছে, যেখানে উৎকীর্ণ রয়েছে- .‘শ্রী-সোমপুরে-শ্রী-ধর্মপালদেব-মহাবিহারিয়ার্য- ভিক্ষু-সংঘস্য'।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।

⇒ উল্লেখ্য:
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলেন: অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন, নওগাঁ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৯৬.
সর্বশেষ প্রকাশিত কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ অনুসারে, মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
  1. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ১,৬৩,২৩,০০০ হেক্টর
  3. ১,৬৭,১৭,০০০ হেক্টর
  4. ১,৭২,৫৯,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- বনাঞ্চলের পরিমাণ: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

⇒ উল্লেখ্য:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৯৭.
মানি লন্ডারিং এর কারণ কোনটি?
  1. দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা
  2. ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা না থাকা
  3. অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

মানি লন্ডারিং:
- মানি লন্ডারিং হল এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে অপরাধীরা তাদের বেআইনি উপার্জনের উৎস ও মালিকানা লুকানোর চেষ্টা করে।
- এটি প্রত্যেক দেশের জন্যই একটি ক্ষরণ-জাতীয় জটিল সমস্যা হিসেবে বিবেচিত করা হয়।

⇒ মানি লন্ডারিং এর কারণসমূহ:
• দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা।
• ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার চাপের মধ্যে টিকে থাকতে না পারা।
• বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা না থাকা।
• অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা।

তথ্যসূত্র - বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট ও সিপিডি ওয়েবসাইট।

৯৮.
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য কে পাঠ করান?
  1. স্পিকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. ডেপুটি স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

♦ স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
• রাষ্ট্রপতি।
• সংসদ সদস্যবৃন্দ।

♦ রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
• প্রধানমন্ত্রী।
• প্রধান বিচারপতি।
• মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
• স্পিকার।
• ডেপুটি স্পিকার।

♦ প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
• আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
• পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
• মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

♦ স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
• রাষ্ট্রপতি।
• সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

৯৯.
জরুরি অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণের বিধান কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ১৪১(ক)
  2. ১৪১(খ)
  3. ১৪১(গ)
  4. ১৪২(ক)
সঠিক উত্তর:
১৪১(গ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১(গ)
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১৩৬ - কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন।
- অনুচ্ছেদ ১৩৭ - কমিশন-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১৩৮ - সদস্য-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ১৩৯ - পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ১৪০ - কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪১ - বার্ষিক রিপোর্ট।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) - জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(খ) - জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(গ) - জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪২ -  সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৩ - প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৪ - সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫ - চুক্তি ও দলিল।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) - আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৬ - বাংলাদেশের নামে মামলা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১০০.
সিপাহি বিদ্রোহের ফলে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে
  2. মুঘল সাম্রাজ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়
  3. ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে চলে যায়
  4. ফরাসিদের আগমন ঘটে
সঠিক উত্তর:
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে
ব্যাখ্যা

সিপাহি বিদ্রোহ:
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মধ্য দিয়ে এই বিদ্রোহের সূচনা হয়।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র।
- বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয় ।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
- ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

⇒ উল্লেখ্য:
- সিপাহি বিদ্রোহের কারণকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ এ দু শ্রেণীতে ভাগ করা যায়৷
• পরোক্ষ কারণ: রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক অসন্তোষ।
• প্রত্যক্ষ কারণ: ১৮৫৬ সালে সেনাবাহিনীতে ‘এনফিল্ড রাইফেল' প্রচলন করা হয়। এতে ব্যবহৃত কার্তুজ দাঁতে কেটে ভরতে হতো। গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে। এটি ধর্মনাশের একটি পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বলে ভারতের হিন্দু- মুসলমান সিপাহীদের মধ্যে দারুন বিক্ষোভের সূচনা করে ৷

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০১.
নিচের কোন জেলায় কন্দ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. বান্দরবান
  2. মৌলভীবাজার
  3. কক্সবাজার
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

কন্দ:
- কন্দ বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আদিনিবাস ভারতের উড়িষ্যা রাজ্য।
- আবাসস্থল: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন হরিণছড়া, উদনাছড়া, পুটিয়া ও লাখাউড়া এবং কমলগঞ্জ।
- অন্যান্য জনগোষ্ঠীর লোকেরা তাদেরকে স্থানীয়ভাবে কুই নামে অভিহিত করে।
- কোথাও কোথাও তারা উড়িয়া নামেও পরিচিত।
- কন্দ জনগোষ্ঠীর লোকেরা ৫টি দলে বিভক্ত। এ দলগুলি ভিন্ন ভিন্ন গোত্র বা বংশে বিভক্ত।
- কন্দ সমাজব্যবস্থা পুরুষতান্ত্রিক।
- পরিবারের পুত্রসন্তানেরাই পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
- কন্দরা হিন্দুদের মতই বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করে।
- তাদের নিজেদের ভাষায় এসব দেবদেবীর নামকরণ করা হয়েছে যেমন ময়মুরুবিব, ত্রিনাথ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১০২.
বর্তমানে অর্থনীতিতে কোন খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. শিল্প
  2. কৃষি
  3. শিক্ষা
  4. সেবা
সঠিক উত্তর:
কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৬২%।

⇒ উল্লেখ্য:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.৩৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১০৩.
বিরোধী দল সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি কোথায় তুলে ধরে?
  1. জনসাধারণের সামনে
  2. শুধুমাত্র সরকারের কাছে
  3. নির্বাচন কমিশনে
  4. আদালতে
সঠিক উত্তর:
জনসাধারণের সামনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসাধারণের সামনে
ব্যাখ্যা

বিরোধী দল:
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিরোধী দল অতি আবশ্যক।
- কোন রাষ্ট্রে যদি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকে তাহলে সে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা থাকে।
- সরকারকে সর্বদা বিরোধী দলের দাবির প্রতি সহনশীল হতে হবে।
- আবার বিরোধী দল অহেতুক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না করার ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।
- বস্তুতঃ বিরোধী দল ছাড়া রাজনৈতিক ব্যবস্থাই অচল হয়ে পড়ে।

♦ বিরোধী দলের কাজ:
⇒ গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

⇒ অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

⇒ গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

⇒ প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

⇒ রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

⇒ রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

⇒ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৪.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কত সালে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।

⇒ উল্লেখ্য:
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
- ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৭ সালে।

⇒ অন্যদিকে:
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইউনূস সেন্টার।

১০৫.
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক সুবাহদার
  2. সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা ফৌজদার
  3. পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা ওয়াজির
  4. রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস সম্রাট
সঠিক উত্তর:
পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা ওয়াজির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা ওয়াজির
ব্যাখ্যা

মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- মুঘল শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।

⇒ মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস: পাদশাহ বা সম্রাট।
• তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান,
• সামরিক প্রধান,
• প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।

⇒ সম্রাটের পরের স্থান: প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজির।
⇒ সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক: সুবাহদার।
⇒ সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা: ফৌজদার।
⇒ পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা: শিকদার।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৬.
বাংলাদেশে খরা সহনশীল ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫৫
  2. ব্রি ধান ৫২
  3. ব্রি ধান ৬৯
  4. ব্রি ধান ৫১
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:

⇒ জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত - 
• ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।

⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাত -
• ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।

⇒ এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত -
• বিআর ৫।

⇒ লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত -
- বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত -
- ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১০৭.
বর্তমানে চলমান অর্থ বছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ২.৯%
  2. ৩.৭%
  3. ৪.১%
  4. ৫.৬%
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

⇒ বর্তমানে চলমান অর্থ বছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) জিডিপির ৩.৩ শতাংশ।
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:

- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয়: ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৩%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

উল্লেখ্য,
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার সংশোধিত বাজেটে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।
- মূল বাজেটে এডিপির আকার ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল।
- ফলে উন্নয়ন ব্যয় মূল বাজেটের তুলনায় ৩০ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে।
- সংশোধিত এডিপিতে বৈদেশিক অর্থায়ন ধরা হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা এবং দেশীয় অর্থায়ন ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা। পরিচালনসহ বাজেটের অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।
- সংশোধিত বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। এই ঘাটতির মধ্যে বৈদেশিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে ৬৩ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - i) জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
ii) বাসস।

১০৮.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করা
  2. কোনো দলীয় সংগঠন না থাকা
  3. নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া
  4. দলীয় কর্মসূচি প্রণয়ন করা
সঠিক উত্তর:
কোনো দলীয় সংগঠন না থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো দলীয় সংগঠন না থাকা
ব্যাখ্যা

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।

♦ চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:

⇒ দলীয় সংগঠনবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই। এদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ নয়। সরকারের উপরে চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের স্বার্থ বা দাবি আদায় করা হচ্ছে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষণ।

⇒ দলীয় কর্মসূচিবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই। এটি নির্দলীয় সংগঠন। এরা শুধু গোষ্ঠীর স্বার্থ পূরণের জন্য চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে।

⇒ নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া: চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না। তবে অনেক সময় তাদের পছন্দের প্রার্থীকে অর্থ কিংবা জনবল দিয়ে সহযোগিতা করে থাকে। এছাড়াও কোন কোন দেশে চাপসৃষ্টিকারী কোন কোন গোষ্ঠীকে পছন্দের দলের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিতে দেখা যায়।

⇒ সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না। বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।

⇒ সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৯.
বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে কোন তারিখে গৃহীত হয়?
  1. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ১ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১১০.
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ১নং সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল কোন স্থানে?
  1. আগরতলা
  2. হরিণা
  3. কালিয়াচক
  4. শিলিগুড়ি
সঠিক উত্তর:
হরিণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিণা
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

⇒ ১নং সেক্টর:
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে।
- সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

⇒ ২ নং সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে।
- আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

⇒ ৩ নং সেক্টর:
- উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

⇒ ৪নং সেক্টর:
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।
- হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

⇒ ৫ নং সেক্টর:
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।
- হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

⇒ ৬ নং সেক্টর:
- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত।
- প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

⇒ ৭ নং সেক্টর:
- রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

⇒ ৮ নং সেক্টর:
- এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। 
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

⇒ ৯ নং সেক্টর:
- বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

⇒ ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।

⇒ ১১ নং সেক্টর:
- টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের।
- মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১১১.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ এর রিপোর্ট অনুসারে, গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত শতাংশ?
  1. ৪.২%
  2. ৬.৫%
  3. ৮.১%
  4. ১১.৭%
সঠিক উত্তর:
৬.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৫%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ: ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
⇒ খানাপ্রতি মাসিক গড় আয়: ৩২,৪২২ টাকা।
• শহর: ৪৫,৭৫৭ টাকা,
• গ্রাম: ২৬,১৬৩ টাকা)।

⇒ সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব): ৭৪%।
• পুরুষ: ৭৫.৮%,
• নারী ৭২.৬%।

⇒ দারিদ্র্যের হার:
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ২০.৫%।

⇒ উল্লেখ্য:
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

১১২.
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে: ২৮ জুলাই ১৯৭৩ সালে।
- বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- ট্যারিফ কমিশন এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।

⇒ কমিশন ৩টি শাখায় বিভক্ত। যথা:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।

- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত।
- এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১১৩.
সংবিধান অনুসারে অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ করেন -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. জাতীয় সংসদ
  3. আইনমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধান অনুসারে অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ করেন রাষ্ট্রপতি।

অ্যাটর্নি জেনারেল:

- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১১৪.
বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. হাবীবুল্লাহ সিরাজী
  2. রফিকুল ইসলাম
  3. আবুল কাসেম ফজলুল হক
  4. শামসুজ্জামান খান
সঠিক উত্তর:
আবুল কাসেম ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল কাসেম ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৭ অগ্রহায়ণ, ১৩৬২ বঙ্গাব্দে (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫ সাল) বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম বর্ধমান হাউস।
- বর্তমান মহাপরিচালক: অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
- বর্তমান সভাপতি: আবুল কাসেম ফজলুল হক।
- প্রথম মহাপরিচালক: প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- প্রথম সভাপতি: মাওলানা আঁকরাম খাঁ।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬০ সাল থেকে।

⇒ কার্যাবলি:
১. জাতীয় আশা আকাঙ্ক্ষার সাথে সঙ্গতি রেখে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নয়ন, লালন ও প্রসার।
২. বাংলা ভাষার প্রামাণ্য অভিধান, পরিভাষা ও ব্যাকরণ রচনা, রেফারেন্স গ্রন্থ, গ্রন্থপঞ্জি এবং বিশ্বকোষ প্রণয়ন, প্রকাশন ও সহজলভ্যকরণ।
৩. বাংলা শব্দের প্রমিত বানান ও উচ্চারণ নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার ব্যবহার ব্যাপকতর ও সমৃদ্ধতরকরণ।
৪. বাংলা ভাষায় উচ্চতর পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক রচনা করা এবং উক্ত উদ্দেশ্যে গবেষণা, অনুবাদ গ্রন্থ এবং ভাষা-আন্দোলন ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস সম্পর্কিত গবেষণা ও সংকলন গ্রন্থ প্রকাশকরণ।
৫. আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলা সাহিত্যের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় বাংলা সাহিত্যকর্মের অনুবাদ এবং অন্যান্য ভাষার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম বাংলায় অনুবাদের ব্যবস্থা করা।
৬. সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী তথা সকল পর্যায়ের গণকর্মচারীদের বাংলা ভাষায় দক্ষতা অর্জন, বাংলা বানানরীতি ও ব্যবহার সম্পর্কে বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা।
৭. সাহিত্য পুরস্কার প্রদান এবং বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন এবং ফেলো, জীবনসদস্য ও সদস্যপদ প্রদান।
৮. বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠক্রমে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চা বহির্বিশ্বে প্রচার ও পরিচিতকরণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

১১৫.
'জুলাই ঘোষণাপত্ৰ' আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠ করা হয় কবে?
  1. ১৬ জুলাই, ২০২৫
  2. ১ আগস্ট, ২০২৫
  3. ৫ আগস্ট, ২০২৫
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট, ২০২৫
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
- জুলাই ঘোষণাপত্র হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল।
- জুলাই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- 'জুলাই ঘোষণাপত্ৰ' আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠ করা হয়: ৫ই আগস্ট, ২০২৫ সালে।
- স্থান: মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, ঢাকা।
- 'জুলাই ঘোষণাপত্ৰ' পাঠ করেন: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ ঘোষণাপত্রের মূল বিষয়বস্তু: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের নিরন্তর সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা।
- ঘোষণাপত্রে মোট ২৮টি দফা রয়েছে, যার মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - জুলাই ঘোষণাপত্ৰ ৷

১১৬.
পৌষ সংক্রান্তির দিন সাঁওতালদের কোন উৎসব জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়?
  1. করম
  2. সরহুল
  3. সোহরাই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সোহরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোহরাই
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নৃগোষ্ঠী।
- আবাসস্থল: মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- প্রধান উপাস্য দেবতা: মারাং বুরু।
- এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে।
- প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সাঁওতালদের জাতীয় উৎসব: সোহরাই।
- সোহরাই পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১১৭.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানার নাম কী?
  1. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
  2. ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি
  3. শাহজালাল সার কারখানা
  4. চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানার নাম পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড।

♦ ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দেশের বৃহত্তম সার কারখানা ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে 'অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ' সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট ও পত্রিকার রিপোর্ট।

১১৮.
কোন ক্ষেত্রে স্পিকার কাস্টিং ভোট প্রয়োগ করেন?
  1. শুধুমাত্র বাজেট পাসের সময়
  2. যখন কোনো সদস্য অনুপস্থিত থাকে
  3. পক্ষে ও বিপক্ষে ভোটের সংখ্যা সমান হলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
পক্ষে ও বিপক্ষে ভোটের সংখ্যা সমান হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষে ও বিপক্ষে ভোটের সংখ্যা সমান হলে
ব্যাখ্যা

কাস্টিং ভোট:
- কাস্টিং ভোট (Casting Vote) হলো একটি নির্ণায়ক বা চূড়ান্ত ভোট।
- এই ভোটের মাধ্যমে অচলাবস্থা দূর করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।

⇒ উল্লেখ্য:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
• উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১১৯.
সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের কোন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল?
  1. হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ বিলুপ্তি
  2. আপিল বিভাগ বিলুপ্তি
  3. বিচার বিভাগীয় কেন্দ্রীকরণ
  4. ঢাকার বাইরে ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন
সঠিক উত্তর:
ঢাকার বাইরে ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকার বাইরে ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী:
- ৮ম সংশোধনী পাশ হয়: ১৯৮৮ সালে।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

♦ এই সংশোধনী আইনবলে-
• ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়। 
• ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
• সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়। 
• সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১২০.
আসিয়ানের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ কোনটি? 
  1. কম্বোডিয়া
  2. পূর্ব তিমুর
  3. সিঙ্গাপুর
  4. ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
সিঙ্গাপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা

- আসিয়ানের সর্বশেষ সদস্য দেশ পূর্ব তিমুর।
- প্রতিষ্ঠাকাল সদস্য দেশ: পাঁচটি সদস্য দেশ যথা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ফিলিপাইন।
- পরবর্তী সদস্য দেশ: ব্রুনাই, কম্বোডিয়া,  লাওস, মিয়ানমার,ভিয়েতনাম এবং পূর্ব তিমুর।

• আসিয়ান (ASEAN):

- আসিয়ান সম্মেলনটি আসিয়ান- এর সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী সংস্থা,
- যা আসিয়ান সদস্য রাষ্ট্রগুলির রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানদের দ্বারা গঠিত।
- প্রথম আসিয়ান সম্মেলন ১৯৭৬ সালের ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ২০২৫ সালে ASEAN-এর নেতৃত্বস্থ কুয়ালামপুর (মালয়েশিয়া) ২৬-২৮ অক্টোবর (৪৭তম) শীর্ষ সম্মেলন হয়েছে।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর একটি জোট।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে, ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- ব্যাংকক, ডিক্লারেশন স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- প্রতিষ্ঠাকাল সদস্য দেশ: পাঁচটি সদস্য দেশ যথা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ফিলিপাইন।
- সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- বর্তমান সদস্য দেশ ১১টি। [জানুয়ারি, ২০২৬]
- সর্বশেষ পূর্ব তিমুর।
- বর্তমান সভাপতি দেশ: মালয়েশিয়া।

উৎস: ASEAN ওযেবসাইট।

১২১.
যুক্তরাষ্ট্র 'অপারেশন ভাইপার' নামক অভিযান শুরু করে কোথায়? 
  1. ভেনেজুয়েলায়
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. ইরানে 
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্র 'অপারেশন ভাইপার' নামক অভিযান শুরু করে প্রশান্ত মহাসাগরে।

'অপারেশন ভাইপার':

- ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড 'অপারেশন ভাইপার' নামের একটি অভিযান শুরু করে,
- যার লক্ষ্য ছিল প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক আটকানো।
- ক্যারিবীয় অঞ্চলে এরই মধ্যে অন্তত সাতটি হামলা চালানো হয়েছে এবং অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন।
- কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত তারা ১ লাখ পাউন্ডেরও বেশি কোকেন জব্দ করেছে।

উৎস: বিবিসি নিউজ।

১২২.
ইনকা সভ্যতা নির্দিষ্ট কোন অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল?
  1. গ্রেট প্লেইনস
  2. অ্যামাজন বনাঞ্চলে
  3. প্যাম্পাস মেঘালয়
  4. আন্দিজ পর্বতমালা 
সঠিক উত্তর:
আন্দিজ পর্বতমালা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্দিজ পর্বতমালা 
ব্যাখ্যা

ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
- স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ভাষা: কেচুয়া

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২৩.
সানশাইন পলিসির মূল উদ্যোক্তা কে ছিলেন?
  1. কিম ডে-জুং 
  2. শি জিনপিং
  3. মুন জেয়ে-ইন
  4. লি মিয়াং-বাক
সঠিক উত্তর:
কিম ডে-জুং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিম ডে-জুং 
ব্যাখ্যা

সানশাইন পলিসি:
- উত্তর কোরিয়ার সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার বৈদেশিক নীতির তাত্ত্বিক ভিত্তি হলো সানশাইন পলিসি।
- ১৯৯৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম ডে-জুং  প্রথম এ নীতি ঘোষণা করেন।
- ২০০০ সালে এ নীতি বাস্তবায়নের কারণে কিম দায়ে জং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
- ২০০৮ সাল পর্যন্ত সানশাইন পলিসি টিকে ছিল।
- তবে ২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইনের প্রচেষ্টায় দুই কোরিয়ার শীর্ষ দুই নেতার মধ্যে কয়েক দফা সম্মেলনের মাধ্যমে এ নীতি পুন: জাগ্রত করার চেষ্টা চলছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা নিউজ।

১২৪.
গ্রিনপিস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? 
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা

গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস নেদারল্যান্ড ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- সদরদপ্তর: নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম।
- পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।

উৎস: Greenpeace এর ওয়েবসাইট।

১২৫.
জাতিসংঘের ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন কী নামে পরিচিত?
  1. SCWA
  2. ECLAC
  3. ECOSOC
  4. ESCAP
সঠিক উত্তর:
ECLAC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ECLAC
ব্যাখ্যা

- জাতিসংঘের ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন - ECLAC.

• জাতিসংঘ:

- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীন ৫টি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কমিশন রয়েছে।

• এগুলো হলো:
১. এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন - ESCAP২. পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন - ESCWA
৩.ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন - ECLAC
৪. ইউরোপিয়ান অর্থনৈতিক কমিশন - ECE
৫. আফ্রিকান অর্থনৈতিক কমিশন - ECA.
৬. The Economic and Social Commission for Asia and the Pacific (ESCAP) জাতিসংঘের বৃহত্তম আঞ্চলিক কমিশন।

• ECLAC:
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের রেজোলিউশন ১০৬(ভি)-এর মাধ্যমে "ইকোনমিক কমিশন ফর ল্যাটিন আমেরিকা" (ECLA) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রথম সভাপতি ছিলেন অর্জেন্টিনার অর্থমন্ত্রী ডি'য়ান হাভিয়ের।
- পরিবর্তন: ১৯৮৪ সালের ২৭ জুলাই রেজোলিউশন ১৯৮৪/৬৭-এর মাধ্যমে ক্যারিবিয়ান দেশসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে নাম পরিবর্তন করা হয় "ইকোনমিক কমিশন ফর ল্যাটিন আমেরিকা অ্যান্ড দ্য ক্যারিবিয়ান" (ECLAC) হিসেবে। স্প্যানিশ নাম CEPAL অপরিবর্তিত রাখা হয়।

উৎস:জাতিসংঘ এবং ECLAC ওয়েবসাইট।

১২৬.
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়-
  1. ৩০ সেপ্টেম্বর
  2. ৩০ আগস্ট
  3. ৩০ জুন
  4. ৩০ মার্চ
সঠিক উত্তর:
৩০ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ আগস্ট
ব্যাখ্যা

- আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস ৩০ আগস্ট।
- ২০১০ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘের 'ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর প্রটেকশন অব অল পারসনস অ্যাগেইনস্ট এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স' সম্মেলনে গৃহীত সনদের মাধ্যমে ৩০ আগস্টকে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশে পালিত হয়ে আসছে এই দিবসটি।
- ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ।

উৎস: বিবিসি নিউজ।

১২৭.
’ম্যাজিনো লাইন’ কোন দুটি দেশের সীমানা? 
  1. জার্মান ও ফ্রান্স
  2. ইতালি ও স্পেন
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  4. কানাডা ও ‍যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
জার্মান ও ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মান ও ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

ম্যাজিনো লাইন':
- প্রতিষ্ঠাতা ও নামকরণ: যুদ্ধ মন্ত্রী আন্দ্রে ম্যাজিনো (André Maginot)-এর নামে নামকরণ। 
- ১৯২৯ সালে প্রস্তাবিত, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত।
- নির্মাণকাল ১৯২৯ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত; ফ্রান্স-জার্মান সীমান্তে (আলসেস-লরেন অঞ্চল) নির্মিত।
- দৈর্ঘ্য ও বিস্তারপ্রায় ৪৫০ কিলোমিটার (লুক্সেমবার্গ থেকে সুইজারল্যান্ড পর্যন্ত);
- ১৮টি বড় দুর্গ (Gros Ouvrages), ৩৫টি ছোট বাঙ্কার এবং ১০০ কিমি গোপনীয় টানেল সহ।

সীমারেখা:

- 'লাইন অব কন্ট্রোল' - ভারত-পাকিস্তান।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল- ভারত ও চীন।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত-চীন।
- কার্জন লাইন - পোল্যান্ড-রাশিয়া।
- ওডারনিস লাইন - জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- 'ম্যাজিনো লাইন' - জার্মানি ও ফ্রান্স।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২৮.
’রোজ বিপ্লব’ সংঘটিত হয় কোন দেশে?
  1. রাশিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. কিরগিজস্তান
  4. জর্জিয়া
সঠিক উত্তর:
জর্জিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জিয়া
ব্যাখ্যা

রোজ বিপ্লব:
-
রোজ বিপ্লবের মূল কারণ ছিল দুর্নীতি এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের অভাব।
- এটি অহিংস প্রতিরোধের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হয়।
- জর্জিয়ায় ২০০৩ সালের ২ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচনে সরকার-সমর্থিত প্রার্থীর জয় দাবি করা হয়, কিন্তু বিরোধীরা কিন্তু বিরোধীরা এটিকে জালিয়াতি বলে প্রতিবাদ শুরু করে।
- ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে নতুন নির্বাচন হয়, যাতে সাকাশভিলির জয় হয়। এটি জর্জিয়ার ইউরোপীয়-আন্তর্জাতিক একীকরণের পথ খোলে।
- রোজ বিপ্লব সংঘটিত হয় জর্জিয়ায়।

• বিভিন্ন বিপ্লব:

- ১৯১৭ সালে রাশিয়ার রুশ/অক্টোবর/বলশেভিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনামে আগস্ট বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ২০০৫ সালে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয় কিরগিজস্তানে।
- ২০১১ সালে জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায়।
- ২০০৩ সালে রোজ বিপ্লব সংঘটিত হয় জর্জিয়ায়।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অরেঞ্জ বা কমলা বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিসিয়ায়।

উৎস: ব্রিটানিয়া।

১২৯.
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ কোন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. হার্ড রক স্টেডিয়াম
  2. মেটলাইফ স্টেডিয়াম 
  3. এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়াম 
  4. বিএমও স্টেডিয়াম
সঠিক উত্তর:
এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়াম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়াম 
ব্যাখ্যা

 • ফিফা বিশ্বকাপ:
- ২০২৬ সালে ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো (উত্তর আমেরিকা)।
- কানাডা, মেক্সিকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই তিনটি দেশ একসঙ্গে ফিফা বিশ্বকাপ এর ২৩ তম আসরটি আয়োজন করবে।
- ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ৪৮টি দল অংশগ্রহণ করবে ১২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে।
- উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে: এস্তাদিও আজতেকা (মেক্সিকো সিটি)।
- সময়: ১১ জুন ২০২৬।
- উদ্বোধনী ম্যাচ:  মেক্সিকো–দক্ষিণ আফ্রিকা।
- ফাইনাল হবে ১৯ জুলাই ২০২৬ যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে।

উৎস: FIFA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট

১৩০.
নিম্নের কোন দেশটি আরব লীগের সদস্য নয়?
  1. ফিলিস্তিন
  2. ইরাক
  3. তুরস্ক
  4. কাতার
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

- তুরস্ক আরবলীগের সদস্য দেশ নয়।

•আরবলীগ:

- আরবলীগ হলো মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার মুসলিম দেশগুলোর রাজনৈতিক জোট।
- এটি ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ গঠিত হয়।
- এটির সদর দপ্তর মিশরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত।
- সুদান, লেবানন ও ফিলিস্তিনসহ সংস্থাটির বর্তমান সদস্য ২২টি।
- তবে, সিরিয়ার সদস্যপদ বর্তমানে স্থগিত রয়েছে।
- বর্তমান মহাসচিব মিশরের আহমেদ আবুল ঘেইত।
- তুরস্ক আরবলীগের সদস্য নয়।
- আরব লীগের পর্যবেক্ষক দেশ: ব্রাজিল, ইরিত্রিয়া।
- সিরিয়া ২০১১-এ সাসপেন্ডেড, কিন্তু ২০২৩ সালে পুনর্বহাল হয়।

 উৎস: আরব লীগ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।

১৩১.
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের “ভেটো ক্ষমতা” (Veto Power) জাতিসংঘ সনদের কত নং আর্টিকেলে বর্নিত? 
  1. আর্টিকেল-৫
  2. আর্টিকেল-১২
  3. আর্টিকেল-২৭
  4. আর্টিকেল-৩০
সঠিক উত্তর:
আর্টিকেল-২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্টিকেল-২৭
ব্যাখ্যা

​- জাতিসংঘ সনদের (UN Charter) অনুচ্ছেদ ২৭ -এ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের  "ভেটো ক্ষমতা" (Veto Power) বর্ণিত হয়েছে। 
-  "ভেটো ক্ষমতা" ভূক্ত দেশ:  যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং চীন।

জাতিসংঘ:

- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা: ৬টি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। 
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। 
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৩২.
সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. জাপান-রাশিয়া
  2. চীন-জাপান
  3. দক্ষিণ কোরিয়া- উত্তর কোরিয়া
  4. রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
চীন-জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন-জাপান
ব্যাখ্যা

 সেনকাকু  দ্বীপ:
- চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ সেনকাকু। 
- দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যকার বিরোধ দীর্ঘদিনের।
- বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে 'সেনকাকু' ও চীনের কাছে 'দিয়াওয়ু' নামে পরিচিত।
সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ জাপানের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর, জাপানি নাগরিকরা দ্বীপগুলিতে বসতি স্থাপন করে।

• কয়েকটি বিরোধপূর্ণ দ্বীপ:
- স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত। চীন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান ফিলিপাইনস, মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত। চীন-ভিয়েতনাম  মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। রাশিয়া-জাপান মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- হ্যান্স দ্বীপ আর্কটিক মহাসাগরে অবস্থিত। কানাডা-ডেনমার্ক (গ্রিনল্যান্ড) মধ্যে বিরোধ রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৩৩.
আয়তনের দিক থেকে আফ্রিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র- 
  1. সিচেলিস
  2. মরিশাস
  3. গাম্বিয়া
  4. কমোরাস
সঠিক উত্তর:
সিচেলিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিচেলিস
ব্যাখ্যা

- আয়তনের দিক থেকে আফ্রিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র সিচেলিস।
- আয়তনের দিক থেকে এশিয়া মহাদেশের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র  মালদ্বীপ (Maldives)।
- আয়তনের দিক থেকে ইউরোপ মহাদেশের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র ভ্যাটিকান সিটি (Vatican City)।
- আয়তনের দিক থেকে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস।

• সিচেলিস:

- সিচেলিস আফ্রিকা মহাদেশের আয়তনে ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র।
- এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- মোট আয়তন ৪৫৭ বর্গকিলোমিটার।
- জনসংখ্যা প্রায় এক লক্ষ। রাজধানীর নাম ভিক্টোরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম : আলজেরিয়া
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ : নাইজেরিয়া
- জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম দেশ : সিচেলিস
- বৃহত্তম জিডিপির দেশ : নাইজেরিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং  ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

১৩৪.
নিম্নের কোন সংস্থার উদ্যোগে 'আন্তর্জাতিক কর চুক্তি' (Model Tax Convention) কাঠামো গৃহীত হয়?
  1. APEC
  2. OSCE
  3. OECD
  4. ESCAP
সঠিক উত্তর:
OECD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OECD
ব্যাখ্যা

OECD
- এর পূর্ণরূপ: Organization for Economic Co-operation and Development.
- ১৯৭৭ সালে 'Model Tax Convention on Income and on Capital' নামক আন্তর্জাতিক কর চুক্তির কাঠামো (ফ্রেমওয়ার্ক) গৃহীত করে,
- এটি কর নীতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মানদণ্ড নির্ধারণ করে।

• OECD:

- প্রতিষ্ঠা সময়: ১৯৬১ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত। 
- OECD এর উদ্যোগে ১৩৬টি দেশ কর্পোরেট কর চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, যা আন্তর্জাতিক কর চুক্তি নামে পরিচিত।
- চুক্তি অনুযায়ী বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে করের আওতায় আনতে এবং কর ফাঁকি বন্ধ করতে ১৫% কর্পোরেট কর নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উৎস: OECD Website. [লিঙ্ক]

১৩৫.
বর্তমানে কমনওয়েলথের সচিবালয় কোথায় অবস্থিত? 
  1. নটিংহ্যাম হাউজ, যুক্তরাজ্য
  2. প্যালেসিং হাউজ, যুক্তরাজ্য
  3. মার্লবোরো হাউজ, যুক্তরাজ্য
  4. রিয়াঞ্জো হাউজ, যুক্তরাজ্য 
সঠিক উত্তর:
মার্লবোরো হাউজ, যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্লবোরো হাউজ, যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• Commonwealth:
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথ এর ৩২-তম সদস্য রাষ্ট্র। 
- ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে আধুনিক কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়।
- লন্ডন ঘোষণার দিনটিকে অর্থাৎ মার্চের দ্বিতীয় সোমবারকে প্রতিবছর কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়।
- কমনওয়েলথের বর্তমান - প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস।
- কমনওয়েলথের সদর দপ্তর অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।

এছাড়াও
- কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ গ্যাবন ও টোগো।
- বাংলাদেশ‌ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হওয়ায় কমনওয়েলথ ত্যাগ করেছিল পাকিস্তান পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে পুনরায় যোগদান করে।
- কমনওয়েলথের বর্তমান মহাসচিব - শার্লি আয়োরকর বোচওয়েকে।

উৎস: কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৩৬.
বিশ্ব ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কোন সংগঠনটি পুঁজি বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহায়তা প্রদান করে?
  1. IDA
  2. ICSID
  3. MIGA
  4. IFC
সঠিক উত্তর:
ICSID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICSID
ব্যাখ্যা

• ICSID:
- ICSID (International Centre for Settlement of Investment Disputes) হলো বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগজনিত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।
- ICSID ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৫৫টি।
- ICSID সদরদপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি তে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- MIGA – বহুপাক্ষিক বিনিয়োগে গ্যারান্টি প্রদান
- IFC – বেসরকারি খাতের উন্নয়ন
- IMF – আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৩৭.
যুক্তরাষ্ট্র পানামার নিকট পানামা খালটি সম্পূর্ণরূপে হস্তান্তর করে কত সালে? 
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

• পানামা খাল:
 - পানামা খালটির নির্মাণ কাজ ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়ে ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল।
- ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে।
-  ১৯৯৯ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।
- খালটি উত্তর আমেরিকার দেশ পানামাতে অবস্থিত।
- আটালান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।

উৎস:- ব্রিটানিকা।

১৩৮.
’ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' (Fridays For Future) পরিবেশ আন্দোলন শুরু হয়েছিল কত সালে?
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

- ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' (Fridays For Future) পরিবেশ আন্দোলনটি ২০১৮ সালে।
- সুইডিশ স্কুলছাত্রী গ্রেটা থুনবার্গ (Greta Thunberg) এর নেতৃত্বে শুরু হয়েছিল।
-  সুইডেনের পার্লামেন্টের বাইরে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করেছিল।

ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:

- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' একটি জলবায়ু পরিবর্তন সচেতনতা বিষয়ক আন্দোলন।
- স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুল বর্জন করে জলবায়ু বিষয়ক বিক্ষোভে অংশ নেয়।
- এটি স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- আন্দোলনটি সংঘটিত হয়: ২০১৮ সালে।
- সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।

উৎস: ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।

১৩৯.
সম্প্রতি, ‘কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’ কোন দুটি দেশের মধ্যে হয়েছে?
  1. ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন এবং রাশিয়া
  3. পাকিস্তান এবং সৌদি আরব
  4. যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান এবং সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান এবং সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি':
- পাকিস্তান ও সৌদি আরব নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য একটি 'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে স্বাক্ষর করেছে।
এই চুক্তি অনুযায়ী, 'কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে'।
পাকিস্তান ও সৌদি আরবের নেতারা এই চুক্তিকে 'ঐতিহাসিক' বলে অভিহিত করছেন।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: বিবিসি নিউজ।

১৪০.
ন্যাটোর সর্বশেষ সম্মেলন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. তুরস্ক 
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. কানাডা 
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন-২০২৫:
- আসর: ৩৪ তম।
- সময়কাল: ২৪-২৫ জুন,২০২৫।
- আয়োজক দেশ: নেদারল্যান্ডস। 
- স্থান: হেগ শহর, নেদারল্যান্ডস। 
- নতুন মহাসচিব: মার্ক রুট (সাবেক প্রধানমন্ত্রী নেদারল্যান্ডস)।
-আলোচনার বিষয়বস্তু: সদস্য রাষ্ট্রগুলির জিডিপির পাঁচ শতাংশ প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ

নর্থ আটলান্টিক চুক্তি:

- নর্থ আটলান্টিক চুক্তি ন্যাটোর (NATO) ভিত্তি।
- এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে ১২ জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র স্বাক্ষর করে।
- চুক্তিটি মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত।
- এটি সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে।
- এই চুক্তি জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করে, যেখানে স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর স্ব-রক্ষা বা সম্মিলিত প্রতিরক্ষার অধিকার পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে।
- চুক্তির মূল ভিত্তি হলো সম্মিলিত প্রতিরক্ষা, যা অনুচ্ছেদ ৫-এ উল্লেখিত।
- বর্তমানে NATO-তে ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে (সর্বশেষ সুইডেন)।
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- ন্যাটোর সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল নেদারল্যান্ডে।

• ন্যাটোর পরবর্তী সম্মেলন হবে তুরস্কে, ২০২৬ সালে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১৪১.
ঐতিহাসিক ’ট্রাফালগার যুদ্ধ’ কোন দেশে সংঘটিত হয়েছিল? 
  1. ইংল্যান্ড
  2. ফ্রান্স
  3. স্পেন
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
স্পেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেন
ব্যাখ্যা

ট্রাফালগার যুদ্ধ:
- ট্রাফালগার যুদ্ধ ছিলো ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী নৌযুদ্ধ।
- ট্রাফালগারের যুদ্ধ স্পেনের, কেপ ট্রাফালগারের উপকূলে সংঘটিত হয়েছিল।
- ১৮০৫ সালের ২১ অক্টোবর স্পেন উপকূলে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়,
- ফ্রান্স ও স্পেনের মিলিত নৌশক্তির বিরুদ্ধে এডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটেন জয় লাভ করে।
- এই যুদ্ধে ব্রিটেনের বিজয় ও নেলসনের প্রতি সম্মান জানাতে, লন্ডনে নেলসনের সমাধির পাশে ট্রাফালগার স্কয়ার নির্মিত হয়।
- ট্রাফালগার স্কয়ার বর্তমানে ইংল্যান্ডের সেন্ট্রাল লন্ডনে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিলনস্থল।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম, হিস্টোরি ওয়েবসাইট।

১৪২.
ভূপৃষ্ঠের যেকোনো দুটি প্রতিপাদ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য কত হয়?
  1. ০°
  2. ৯০°
  3. ১৮০° 
  4. ৩৬০°
সঠিক উত্তর:
১৮০° 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০° 
ব্যাখ্যা

প্রতিপাদ স্থান (Antipode): 
- ভূপৃষ্ঠের ওপর অবস্থিত কোনো বিন্দুর বিপরীত বিন্দুকে সেই বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান বলে।
- যেমন- ঢাকার প্রতিপাদ স্থান দক্ষিণ আমেরিকার অন্তর্গত চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- প্রতিপাদ স্থান সম্পূর্ণরূপে একে অন্যের বিপরীতে অবস্থান করে।
- প্রতিপাদ স্থান নির্ণয়ের জন্য পৃথিবী পৃষ্ঠের কোনো বিন্দু থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে একটি কল্পিত রেখা পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকে টানলে ঐ কল্পিত রেখা যে বিন্দুতে পৃথিবী পৃষ্ঠের বিপরীত পাশে মিলিত হয় সেই স্থানই ঐ বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান। 

⇒ প্রতিপাদ স্থানদ্বয়ের অক্ষাংশ এক, তবে এরা পরস্পর বিপরীত গোলার্ধে অবস্থান করে।
- প্রতিপাদ স্থান দুইটির অক্ষাংশের মান এক হলেও এদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১৮০°।
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো দুটি প্রতিপাদ স্থানের সময়ের পার্থক্য ১২ ঘণ্টা। 
- কোনো স্থান ৪০° উত্তর অক্ষাংশে ও ৫০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত হলে এর প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশ হবে ৪০° দক্ষিণ এবং দ্রাঘিমাংশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৩.
ভারতের সেভেন সিস্টার্স কোন অঞ্চলকে বোঝায়?
  1. দক্ষিণ ভারত
  2. উত্তর-পূর্ব ভারত
  3. পশ্চিম ভারত
  4. মধ্য ভারত
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্ব ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্ব ভারত
ব্যাখ্যা

ভারতের সেভেন সিস্টার্স অঞ্চল:
- ভারতের সেভেন সিস্টার্স বলতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে বোঝানো হয়।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম। 
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- ভারতের মূল ভূখণ্ডের সাথে এদের সংযোগকারী সরু করিডোরটি আসামের গুয়াহাটিতে অবস্থিত যা চিকেন'স নেক নামে পরিচিত।

⇒ সেভেন সিস্টার্স অন্তর্ভুক্ত ৪টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা সংযোগ রয়েছে।
- এগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা।

উল্লেখ্য,
• ভারতের সেভেন সিস্টার্সের রাজ্যসমূহ ও রাজধানী:
- অরুণাচল প্রদেশ: ইটানগর,
- আসাম: দিসপুর,
- মেঘালয়: শিলং,
- মণিপুর: ইম্ফল,
- মিজোরাম: আইজল,
- নাগাল্যান্ড: কোহিমা,
- ত্রিপুরা: আগরতলা। 

উৎস: i) Britannica.
ii) Ministry of Home Affairs ওয়েবসাইট।

১৪৪.
রিং অব ফায়ারে অবস্থিত পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সমুদ্র খাত কোনটি?
  1. পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ
  2. মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
  3. জাভা ট্রেঞ্চ
  4. টোঙ্গা ট্রেঞ্চ
সঠিক উত্তর:
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা

রিং অফ ফায়ার (Ring of Fire):
- রিং অফ ফায়ার (Ring of Fire) প্রশান্ত মহাসাগরের চারপাশে অবস্থিত একটি বিশাল আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।
- এটি দেখতে বিশাল ঘোড়ার ক্ষুরের মতো আকৃতির।
- এটি দক্ষিণ চিলি থেকে শুরু করে আমেরিকার পশ্চিম উপকূল পর্যন্ত, আলাস্কার দ্বীপপুঞ্জ এবং জাপানের নিচে ফিলিপাইন পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এটি টেকটোনিক প্লেটগুলির সংঘর্ষের কারণে তৈরি।
- বিশ্বের বেশিরভাগ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি (৭৫%) এবং বেশিরভাগ ভূমিকম্প (৯০%) এখানেই ঘটে, যার ফলে গভীর সমুদ্র খাত ও আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- রিং অফ ফায়ারের মধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সমুদ্র খাত হলো মারিয়ানা ট্রেঞ্চ যার গভীরতম বিন্দুটি চ্যালেঞ্জার ডিপ (Challenger Deep) নামে পরিচিত। 

এছাড়াও,
- ১৮০০ সাল থেকে রিং অফ ফায়ারের মধ্যে যেসব প্রধান আগ্নেয়গিরির ঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে রয়েছে অগ্ন্যুৎপাত মাউন্ট টাম্বোরা (১৮১৫), ক্রাকাটোয়া (১৮৮৩), নোভারূপ্তা (১৯১২), মাউন্ট সেন্ট হেলেন্স (১৯৮০), মাউন্ট রুইজ (১৯৮৫), এবং মাউন্ট পিনাটুবো (১৯৯১)।
- রিং অফ ফায়ার ইতিহাসের বেশ কয়েকটি বৃহত্তম রেকর্ডকৃত ভূমিকম্পের জন্য পরিচিত যার মধ্যে রয়েছে ১৯৬০ সালের চিলির ভূমিকম্প , ১৯৬৪ সালের আলাস্কার ভূমিকম্প , ২০১০ সালের চিলির ভূমিকম্প এবং ২০১১ সালের জাপানের ভূমিকম্প এবং সেই সাথে ধ্বংসাত্মক ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি।

অন্যদিকে,
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত এবং এটি আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান, যা ক্যারিবিয়ান সাগর ও আটলান্টিকের সীমানায় পুয়ের্তো রিকো দ্বীপের উত্তরে অবস্থিত। 
- জাভা ট্রেঞ্চ বা সুন্দা খাত ভারত মহাসাগরে অবস্থিত এবং এটি ভারত মহাসাগরের গভীরতম স্থান, যা ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- টোঙ্গা ট্রেঞ্চ প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। এটি মারিয়ানা ট্রেঞ্চের পর পৃথিবীর দ্বিতীয় গভীরতম মহাসাগরীয় খাত হিসেবে পরিচিত।

উৎস: Britannica.

১৪৫.
বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড (BNBC ২০২০) অনুসারে, বাংলাদেশে কয়টি ভূমিকম্প জোন রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

BNBC 2020 অনুযায়ী বাংলাদেশকে মোট ৪টি Seismic Zone–এ ভাগ করা হয়েছে। জোন যত বাড়ে, ভূমিকম্পের ঝুঁকি তত বেশি—এবং সেই অনুযায়ী স্ট্রাকচারাল ডিজাইনও শক্ত হতে হয়।

BNBC রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের ভূ-কম্পন অঞ্চল:
- বাংলাদেশে অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (BNBC-2020) একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা।
- সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে। অঞ্চলগুলো হলো:

১. Zone-I (Low Seismic Risk Zone): কম ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা
- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12 

২. Zone-II (Moderate Seismic Risk Zone): মধ্যম ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা
- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2

৩. Zone-III (High Seismic Risk Zone): উচ্চ ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা
- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28

৪. Zone-IV (Very High Seismic Risk Zone): অত্যন্ত ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা
খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36

উল্লেখ্য, 
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বইয়ের সর্বশেষ সংস্করণে ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রির্পোর্ট অনুসারে, ভূমিকম্পের প্রবণতার ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশকে ৩টি অঞ্চলে ভাগ করে দেখানো হয়েছে।

উৎস: হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১৪৬.
আমাজন নদী নিম্নের কোন দেশে প্রবাহিত হয়েছে?
  1. ব্রাজিল
  2. পেরু
  3. কলম্বিয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

আমাজন নদী:
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকা ৬টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- এগুলো হলো: ব্রাজিল, পেরু, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া। 

উল্লেখ্য,
- আমাজন নদী দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের পরে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। 
- দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৪০০ কিমি।
- উৎপত্তিস্থান: পেরুর আন্দিজ পর্বতমালার নেভাদো মিস্মি পর্বত।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) Live Science.

১৪৭.
মৃত আগ্নেয়গিরি 'মাউন্ট পোপা' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. গুয়েতেমালা 
  2. মিয়ানমার 
  3. ইন্দোনেশিয়া 
  4. চিলি
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার 
ব্যাখ্যা

মৃত আগ্নেয়গিরি 'মাউন্ট পোপা':
- পোপা আগ্নেয়গিরি মিয়ানমারে অবস্থিত।
- এটি মধ্য মিয়ানমারের পেগু পর্বতমালার উত্তর প্রান্তে অবস্থিত।
- এটি একটি বিলুপ্ত বা মৃত আগ্নেয়গিরি।
- এটি প্রায় ৪,৯৮১ ফুট (১,৫১৮ মিটার) উঁচু।
- বিশ্বাস করা হয় এখানে ৩৭ জন আত্মার (Nats) বাস, যাদের জন্য অনেক মন্দির ও স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে।

উৎস: Britannica.

১৪৮.
Sendai Framework for Disaster Risk Reduction-এর সময়কাল কোনটি?
  1. ২০১৫-২০৩০ 
  2. ২০১৮-২০৩০ 
  3. ২০২১-২০৩০
  4. ২০২১-২০২৬
সঠিক উত্তর:
২০১৫-২০৩০ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫-২০৩০ 
ব্যাখ্যা

Sendai Framework for Disaster Risk Reduction:
- সেন্দাই কর্মকাঠামো হল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং অন্যান্য বিপর্যয়ের ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য একটি সমন্বিত পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
- Sendai Framework for Disaster Risk Reduction-এর সময়কাল হলো ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত।
- ২০১৫ সালের ১৪ মার্চ - ১৮ মার্চ জাপানের সেন্দাইতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলনে গৃহীত হয়েছিল।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

⇒ সাতটি লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাথে সরাসরি দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে গুরুতর অবকাঠামোর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধাগুলির মধ্যে মৌলিক পরিষেবাগুলির ব্যাঘাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কৌশলসহ দেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য তাদের জাতীয় কর্মের পরিপূরক করার জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বহু-বিপদ প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ঝুঁকির তথ্য এবং মূল্যায়নের প্রাপ্যতা এবং অ্যাক্সেস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।

উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট। 

১৪৯.
মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলের শীতলতম মাস কোনটি?
  1. জানুয়ারি
  2. জুন 
  3. জুলাই
  4. ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

মৌসুমি জলবায়ু:
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু।
- ক্যারিবিয়ান সাগর, পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপসমূহের দেশগুলো, পূর্ব আফ্রিকা, পূর্ব ব্রাজিল, উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ চীন ও জাপান, থাইল্যান্ড, কম্পুচিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার অর্থাৎ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও মেক্সিকো উপসাগরের উপকূলবর্তী দেশসমূহ, লাওস, মালাগাছি দ্বীপও এই জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
- মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অধিক গরম ও শীতকালে শীত পড়ে। জুলাই মাস সবচেয়ে বেশি গরম ও জানুয়ারি মাসে বেশি শীত পড়ে। গ্রীষ্মকাল আর্দ্র ও শীতকাল শুষ্ক এই জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য। গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা গড়ে ২৭° সে. এর বেশি থাকে এবং শীতকালীন গড় তাপমাত্রা ১০ সে. থেকে ২২° সে. এর মধ্যে থাকে। শীত ও গ্রীষ্মে তাপমাত্রার পার্থক্য ৫° সে. থেকে ১০° সে. হয়।

- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চচাপ বলয় থেকে আসা দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু এশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যায়। এই বায়ুকেই বলা হয় উত্তর গোলার্ধের মৌসুমি বায়ু। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলা হয়। কারণ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ডানদিকে বেঁকে দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে উত্তর পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

- আবার শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের মকরক্রান্তির নিকট অবস্থান করায় সেখানে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। উত্তর গোলার্ধের স্থলভাগ শীতল হওয়ার জন্য সেস্থানে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয়। উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে বায়ু দক্ষিণে নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই তাকে বলা হয় উত্তর পূর্ব মৌসুমি বায়ু এবং স্থলভাগে প্রবাহিত হয় বলে এই বায়ু জলীয়বাষ্পহীন।

- মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত বেশি হয় কিন্তু শীতকাল শুষ্ক থাকে। গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত ১২৫ সে.মি. থেকে ২০০ সে.মি.। তবে অতিবৃষ্টি, বন্যা, খরাও এই জলবায়ু অঞ্চলে দেখা যায়। কখনো কখনো পর্বতের ঢালে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে বায়ু উপরে উঠে যায় ফলে বৃষ্টিপাত হয়।

- এই জলবায়ু অঞ্চলে উর্বর ভূমি ও পলিমাটি কৃষিকাজের জন্য উপকারী। উর্বর মাটি ও বৃষ্টিপাত, পর্যাপ্ত সূর্যালোক মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে পর্ণমোচী ও চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমির বিস্তার ঘটায়। চিরহরিৎ বৃক্ষের বনাঞ্চলে ২০০ সে.মি এর বেশি বৃষ্টিপাত হয় এবং তৃণভূমি অঞ্চলে ৫° সে.মি থেকে ১০০ সে.মি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫০.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপে গন্ধক পাওয়া গেছে?
  1. কুতুবদিয়া
  2. ভোলা
  3. সোনাদিয়া
  4. নিঝুমদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
কুতুবদিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুতুবদিয়া
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ:
• চুনাপাথর (Limestone): বাংলাদেশ চুনাপাথরে সমৃদ্ধ। চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড, কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপ, নবাবগঞ্জ জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাট ও জামালগঞ্জ, সিলেট জেলার জাফলং, জকিগঞ্জ, ভাঙ্গারহাট ও চরগাঁ এবং সুনামগঞ্জ জেলার ঢাকেরঘাট, লালঘাট ও বাগলিবাজার চুনাপাথর পাওয়া যায়। রং ও ক্যালসিয়াম কার্বাইড, সিমেন্ট, গ্লাস, ইস্পাত, কাগজ, সাবান এবং ব্লিচিং পাউডার প্রভৃতি তৈরিতে চুনাপাথর ব্যবহৃত হয়।

• সিলিকা বালু বা কাঁচ বালু: সিলিকা বালু বা কাঁচ বালু প্রধানত কাচ প্রস্তুতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও রং, অগ্নিচুল্লির ইস্টক এবং বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য তৈরিতে সিলিকা বালু ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের যে সকল জেলায় সিলিকা বালু পাওয়া যায় সেগুলো হলো-
- কুমিল্লা: বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার বাতাসিয়া গ্রামে সিলিকা বালুর সন্ধান পাওয়া গেছে। এখানে সঞ্চিত বালুর পরিমাণ প্রায় ৪ লক্ষ টন।
- শেরপুর: শেরপুর জেলার গারো পাহাড়ের নিকটবর্তী বালিজুরিতে সিলিকা বালু পাওয়া যায়। এখানে সঞ্চিত সিলিকা বালুর পরিমাণ প্রায় ২ লক্ষ টন।
- হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জের শাহজীবাজার ও নয়াপাড়ায় সিলিকা বালুর সন্ধান পাওয়া গেছে। এখানে সঞ্চিত বালুর পরিমাণ প্রায় ৪ লক্ষ টন। এই বালিতে সিলিকার পরিমাণ প্রায় ৯৭.৯৯-৯৮.৬২% বলে কাঁচ শিল্পে এই অঞ্চলের বালু ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। হবিগঞ্জ ছাড়াও মৌলভীবাজার জেলার কুলাইড়া ও সুনামগঞ্জ জেলার টাকেরঘাট অঞ্চলে প্রচুর সিলিকাবালু পাওয়া যায়।
দিনাজপুর: দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানায় কয়লার উপরিভাগে কাঁচবালু পাওয়া গেছে।

• চীনামাটি (China Clay) বাংলাদেশের দিনাজপুর, নওগাঁ ও ময়মনসিংহ জেলায় চীনামটি পাওয়া গেছে। চুনামাটি প্রধানত কাগজ, বাসনপত্র, বৈদ্যুতিক ইনস্যুলেটর ও স্যানিটারি জিনিসপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

• কঠিন শিলা বা পাথর (Hard Rock or Stone): বাংলাদেশের রংপুর ও দিনাজপুর জেলার কঠিন শিলা পাওয়া যায়। কঠিন শিলা রেললাইন, রাস্তাঘাট, গৃহনির্মাণ ও নদীর বাঁধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

• নুড়ি পাথর (Gravel): বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম, পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড় ও তেঁতুলিয়া এবং সিলেট জেলার ভোলাগঞ্জ ও পিয়ানগঞ্জে নুড়ি পাথর পাওয়া যায়। নুড়িপাথর রাস্তাঘাট, পুল, কালভার্ট, রেলপথে ও গৃহনির্মাণে
ব্যবহৃত হয়।

• ইউরেনিয়াম আকরিক বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া হতে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলের মাটিতে তেজস্ক্রিয় বালু পাওয়া যায়। এছাড়াও মৌলভীবাজার জেলার হাড়গাছা পাহাড়ে ইউরেনিয়াম পাওয়া যায়। ইউরেনিয়াম আকরিক প্রধানত পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি ও পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে জন্য ইউরেনিয়াম আকরিক কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• গন্ধক (Sulphur) বাংলাদেশে শুধুমাত্র কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে গন্ধক পাওয়া গেছে। সালফিউরিক এসিড, বারুদ ও কীটনাশক তৈরিতে গন্ধক ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫১.
কোনটি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ?
  1. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
  2. টর্নেডো
  3. খরা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ (Climate Change-Induced Disasters):
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মুখ্য প্রভাব হলো জলবায়ু পরিবর্তন।
- আগামী দশকের যে সকল চ্যালেঞ্জ বিশ্ববাসীকে মোকাবেলা করতে হবে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর বিরূপ প্রভাব।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগগুলো হলো: সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, টর্নেডো, সুনামির প্রকোপ বৃদ্ধি, অস্বাভাবিকভাবে ঋতু বৈচিত্র্যের চক্র নষ্ট হওয়া, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হওয়া।

• জলবায়ু পরিবর্তন: 
- কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল বা এলাকায় দীর্ঘ মেয়াদে গড় আবহাওয়ার পরিবর্তনকে জলবায়ুর পরিবর্তন বলে। 
- পৃথিবীতে প্রতিদিন যে সূর্যকিরণ পতিত হয় ভূ-পৃষ্ঠ তা শোষণ করে নেয়। শোষিত সূর্যকিরণ আবার মহাশূন্যে বিকিরিত বা প্রতিফলিত হয়। প্রকৃতির এটিই স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু প্রাকৃতিক নিয়মের এই শোষণ বিকিরণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বাঁধা বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলেই জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটে।

⇒ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ: 
- জলবায়ু পরিবর্তন হয়ে থাকে মূলত পৃথিবীর গড় তাপমাত্রার বৃদ্ধির ফলে। আর তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো -
১. জীবাশ্ম জ্বালানির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার;
২. শিল্প-কারখানার ধোঁয়া ও বিষাক্ত বর্জ্য;
৩. যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া যেমন- কার্বন মনোঅক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড;
৪. ব্যাপকহারে বনাঞ্চল ধ্বংস;
৫. তেজষ্ক্রিয় দূষণ;
৬. বনভূমি এলাকায় দাবানল;
৭. ওজোন স্তর ক্ষয় এবং
৮. মানুষের বিলাসবহুল জীবযাপনের জন্য প্রস্তুত বিভিন্ন সামগ্রী (যেমন-এয়ারকন্ডিশনার) প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫২.
সুশাসন নিশ্চিত করতে ই-গভর্নেন্স কোন উপাদান বাস্তবায়ন করে?
  1. অংশগ্রহণ
  2. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
  3. আইনের শাসন 
  4. সমতা
সঠিক উত্তর:
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
ব্যাখ্যা

ই-গভর্নেন্স:
- E-Governance-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic governance।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠার আধুনিকতম একটি উদ্যোগ হল ই-গর্ভনেন্স।
- দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে ই-গভর্নেন্সের লক্ষ্য।
- ই-গর্ভনেন্স হল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবা সমাজের সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া।
- ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ ত্বরান্বিত হয়। 
- ই-গভর্নেন্সের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো শাসনব্যবস্থাকে সহজ ও উন্নত করা।

⇒ ই-গভর্নেন্সের উদ্দেশ্য:
- ই-গভর্নেন্সের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- সরকার পরিচালনা ও প্রশাসনে স্বচ্ছতা আনয়ন করা।
- প্রশাসনকে গতিশীল করা।
- জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
- তথ্যপ্রবাহে অবাধ স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা।
- নাগরিকদের মধ্যে সেবার মান উন্নীতকরণ।
- জনগণকে ঘরে বসেই সেবা ও সুযোগ লাভের সুযোগ করে দেওয়া।
- ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এবং জনগণের নিকট তথ্য প্রাপ্তিকে সহজলভ্য করা। 
- ই-কমার্সের উন্নয়ন সাধনের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন সাধন করা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৫৩.
ইমানুয়েল কান্ট কোন নৈতিক মানদণ্ডের প্রবক্তা?
  1. উপযোগবাদ
  2. প্রকৃতিবাদ
  3. কর্তব্যবাদ
  4. অস্তিত্ববাদ
সঠিক উত্তর:
কর্তব্যবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তব্যবাদ
ব্যাখ্যা

কর্তব্যমুখী নৈতিকতা:
- জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট ডিওন্টোলজিকাল নীতিশাস্ত্র (Deontological Ethics) এবং কর্তব্যমুখী নৈতিকতার প্রবক্তা।
- ইমানুয়েল কান্ট একজন জার্মান দার্শনিক, যিনি নৈতিকতা ও কর্তব্যবাদের উপর গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- তাঁর নীতি কর্তব্যবাদ (Deontological Ethics) মূলত নৈতিকতা নির্ধারণ করে কাজের স্বভাব ও কর্তব্যের উপর ভিত্তি করে, ফলাফলের উপর নয়।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।

⇒ নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বই:
- Groundwork for Metaphysics of Morals.
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.
- Perpetual Peace.

অন্যদিকে -
- উপযোগবাদ তত্ত্বের প্রবক্তা ইংরেজ দার্শনিক জেরেমি বেন্থাম। 
- অস্তিত্ববাদ তত্ত্বের প্রবক্তা ডেনিশ দার্শনিক সোরেন কিয়ের্কেগার্ড। 
- প্রকৃতিবাদ তত্ত্বের প্রবক্তা রুশো।

উৎস: Britannica.

১৫৪.
সুশাসন সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করে— উক্তিটি কার?
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী
  3. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
  4. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক 
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি ও সুশাসন:
- "সুশাসন সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করে" -এই উক্তিটি মূলত জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (UNDP)।
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ১৯৯৭ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শাসনতান্ত্রিক পলিসির উপর গুরুত্ব আরোপ করতে গিয়ে 'স্থায়ী মানব উন্নয়নের জন্য শাসন' (Governance for Sustainable Human Development) শিরোনামে এর নীতি নথিতে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে। 
- UNDP-এর মতে, 'একটি দেশের সার্বিক স্তরের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের চর্চার বা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো সুশাসন'।

উল্লেখ্য,
- সু-শাসন হচ্ছে এক ধরণের শাসন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ক্ষমতা সুষ্ঠুভাবে চর্চা করা হয়।
- সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে সরকার জনগণের সেবা করে, আইন সকলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হয় এবং দুর্নীতির কোনো স্থান থাকে না।
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP-এর মতে সুশাসনের উপাদান ৯টি। এগুলো হলো: স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, সকলের অংশগ্রহণ, সংবেদনশীলতা, সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের প্রাধান্য, সমতা, ন্যায্যতা, জবাবদিহিতা কৌশলগত লক্ষ্য।

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।

১৫৫.
'A System of Logic' গ্রন্থটি লিখেছেন -
  1. বার্ট্রান্ড রাসেল
  2. জেরেমি বেন্থাম
  3. জন স্টুয়ার্ট মিল
  4. হেগেল 
সঠিক উত্তর:
জন স্টুয়ার্ট মিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন স্টুয়ার্ট মিল
ব্যাখ্যা

জন স্টুয়ার্ট মিল:
- জন স্টুয়ার্ট মিল একজন ব্রিটিশ দার্শনিক, রাজনীতিক। 
- তিনি দর্শন, জ্ঞানতত্ত্ব, অর্থনীতি, সমাজ ও রাজনীতি, নৈতিকতা, ধর্ম, নারী অধিকার ইত্যাদি বিষয়ে লেখা লিখেছেন।

⇒ A System of Logic:
- A System of Logic গ্রন্থটি বিখ্যাত ইংরেজ দার্শনিক ও রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ জন স্টুয়ার্ট মিল-এর লেখা।
- এটি ১৮৪৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

• জে. এস. মিলের যুক্তিবিদ্যার ধারণা (J.S.Mill on Logic):
- দার্শনিক ও ইতিহাসবিদ জেমস মিল ও তাঁর স্ত্রী হ্যারিয়েট ব্যারোর ঘরে জন্মগ্রহণ করেন উনিশ শতকের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্রিটিশ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, নৈতিক ও রাজনৈতিক তাত্ত্বিক জন স্টুয়ার্ট মিল (১৮০৬-১৮৭৩)।
- জে. এস. মিল যুক্তিবিদ্যা ও নীতিবিদ্যার ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রাখেন।
- তিনি মনে করেন যে, অবরোহ ও আরোহ যুক্তিবিদ্যার এ দুটি শাখার নিয়মই হলো সত্য ও জ্ঞান অনুসন্ধান করা।
- তাঁর মতে, অবরোহ যুক্তিবিদ্যা প্রতিষ্ঠিত সত্যের আলোকে আমাদের সত্য অনুসন্ধানকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে এবং বিজ্ঞানের যুক্তিবিদ্যা বা আরোহ যুক্তিবিদ্যা সত্য আবিষ্কারের জন্য আমাদেরকে প্রয়োজনীয় নিয়ম সরবরাহ করে।
- মিল তাঁর A System of Logic গ্রন্থে যুক্তিবিদ্যার সংজ্ঞায় বলেন, যুক্তিবিদ্যা হলো আমাদের জ্ঞানগত প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য এমন বিজ্ঞান যা বিচার বা প্রমাণের মাধমে জ্ঞাত সত্য থেকে অজ্ঞাত সত্যে উপণীত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বুদ্ধিগত কাজ ও চিন্তাগত ক্রিয়ার মানসিক প্রক্রিয়াসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৬.
সুশাসনের ক্ষেত্রে ওয়াচডগ বা অতন্দ্র প্রহরীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে -
  1. সরকার
  2. রাজনৈতিক দল
  3. সুশীল সমাজ
  4. স্বাধীন গণমাধ্যম
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন গণমাধ্যম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন গণমাধ্যম
ব্যাখ্যা

সুশাসনের ক্ষেত্রে 'ওয়াচডগ বা অতন্দ্র প্রহরী':
- সুশাসনের ক্ষেত্রে ওয়াচডগ বা অতন্দ্র প্রহরীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে স্বাধীন গণমাধ্যম।

⇒ সংবাদক্ষেত্রকে বলা হয় দ্য ফোর্থ এস্টেট।
- ‘সুশাসন’ ও ‘গণমাধ্যম’ এ দুটি বিষয় পরস্পর গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
- বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা আর আইনের শাসনকে কেউ কেউ বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করছে। গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে তাদের সমুচিত জবাব দেয়ার অধিকার রাখে।
- কোনো কোনো গণমাধ্যমকর্মী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার অপব্যবহার করে ক্ষেত্রবিশেষে গ্রহণযোগ্যতা ও অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।
- কিছু কিছু সংবাদপত্র ব্যক্তিগত বিদ্বেষ, একপেশে খবর, অদূরদর্শী এবং পত্রিকার কাটতি বাড়ানোর জন্য নৈতিকতাবিবর্জিত সংবাদ প্রচার করে বিচার বিভাগ তথা জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
- অনেক সময় মিডিয়া ট্রায়ালের ফলে বিচারক এবং বিচারপ্রার্থী জনগণ বিব্রত হয়, যা অনভিপ্রেত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত।
- তবুও বলতে হয়, এদেশে সুশাসন যতটুকু প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে এজন্য গণমাধ্যমের ভূমিকা অন্যতম।
- মানুষের তথ্য জানার অধিকার এবং গণমাধ্যমের তথ্য জানানোর গভীর দায়বদ্ধতার প্রশ্নে সামাজিক অঙ্গীকার নিয়ে সংবাদপত্র প্রতিনিয়ত অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।

১৫৭.
সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধের উন্মেষ ঘটায় —
  1. নৈতিকতা
  2. মূল্যবোধ
  3. দক্ষ শাসন
  4. দুর্নীতি
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা

সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধের উন্মেষ:
- মূল্যবোধ সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধ-এর উন্মেষ ঘটায়।

উল্লেখ্য,
- সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও মূল্যবোধ রক্ষা পায়। 
- গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় সামাজিক ন্যায়বিচার ব্যক্তিস্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ।
- সমাজজীবনে অগ্রগতির প্রধান সোপান হলো শৃঙ্খলাবোধ।
- শৃঙ্খলাবোধ মানবিক মূল্যবোধগুলোকে সুদৃঢ় করে সমাজজীবনকে উন্নতি ও প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধ সুশাসনের ও বৈশিষ্ট্য এবং প্রয়োজনীয় উপাদান।
- যে সমাজ বা রাষ্ট্রে মূল্যবোধের এ উপাদান অনুপস্থিত সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৫৮.
রাজনৈতিক নেতৃত্বের কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে লালফিতার দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পায়?
  1. দক্ষতা
  2. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ
  3. শৈথিল্য
  4. জবাবদিহিতা
সঠিক উত্তর:
শৈথিল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈথিল্য
ব্যাখ্যা

আমলাতন্ত্রে লালফিতার দৌরাত্ম্য:
- 'লালফিতা' বলতে আমলাতন্ত্রের দীর্ঘসূত্রিতা ও সাবেকী আমলের নিয়ম-কানুনকে অন্ধভাবে অনুকরণ ও অনুসরণ করাকে বোঝায়।
- আমলাতন্ত্রের লালফিতার দৌরাত্ম্য শব্দটি আমলাতন্ত্রের অহেতুক বাড়াবাড়ি, কড়াকড়ি, বিলম্ব, আনুষ্ঠানিকতা, হয়রানি ও নেতিবাচক অর্থে প্রচলিত।
- রাজনৈতিক নেতৃত্বের শৈথিল্যের সুযোগে আমলারা এসব দেশে বিশেষভাবে লালফিতা নির্ভর হয়ে উঠে।
- প্রশাসনের প্রচলিত নিয়ম নীতি ও বিধি-বিধানের অজুহাতে আমলারা প্রায়শ জনগণকে সেবাদানে বিলম্ব ঘটান।

⇒ যে কোন সমস্যা বিধি-মোতাবেক সমাধান করতে গিয়ে প্রায়শ সময় নষ্ট হয়ে যায়। যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তারা পূর্ববর্তী নজিরের উপর বেশি গুরুত্বরোপ করেন। অফিসের দৈনন্দিন কর্ম পরিকল্পনা করেন সনাতন রীতি ও কর্মপদ্ধতির উপর ভিত্তি করে। এর ফলে আমলাতন্ত্রের মূল উদ্দেশ্য অর্থাৎ জনগণের সেবা প্রদান ব্যাহত হয়।

 ⇒ অতিবেশি নিয়ম কানুনের কারণে জনগণ সরকারি অফিসে এসে এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে ছোটাছুটিতে বাধ্য হন। আবার আইন কানুনের জটিলতার জন্য আমলারা সময়মত কাজ সম্পন্ন করতে পারেন না।

⇒ লালফিতার সুযোগে অনেক সময় আমলারা দুর্নীতিপরায়ণ হয়ে উঠতে পারেন। পদসোপান নীতির কারণেও আমলাতন্ত্রে কাজের বিলম্ব হয়ে থাকে। লালফিতার দৌরাত্ম্যে আমলাতন্ত্র জনবিচ্ছিন্ন ও অপ্রিয় হয়ে ওঠে। নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার আমলাতন্ত্রের উপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হলে, তাদের জনপ্রিয়তা হ্রাস পায়, এমনকি এ কারণে সরকারের পতন পর্যন্ত হতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেস উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৯.
আধুনিক রাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. জনকল্যাণ
  2. অর্থনৈতিক ক্ষমতা বৃদ্ধি
  3. ভূখণ্ড সম্প্রসারণ
  4. সামরিক শক্তি অর্জন
সঠিক উত্তর:
জনকল্যাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনকল্যাণ
ব্যাখ্যা

কল্যাণমূলক রাষ্ট্র:
- আধুনিক রাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো জনকল্যাণ।
- এজন্য আধুনিক অধিকাংশ রাষ্ট্রকেই 'জনকল্যাণমূকর রাষ্ট্র' বলা হয়।
- কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বলতে সেই রাষ্ট্রকে বুঝায় যার সমুদয় সম্পদ ও শক্তিকে নাগরিকের সার্বিক কল্যাণে নিয়োজিত করা হয়। যে রাষ্ট্রে ব্যক্তি ও সমাজের উন্নতি ও মঙ্গলের জন্য কর্মসূচী প্রণয়ণ ও বাস্তবায়ন করে তাঁকে কল্যাণ রাষ্ট্র বলা হয়।
- বর্তমান বিশ্বের সকল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কম-বেশী কল্যাণমূলক রাষ্ট্র।
- কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য শর্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- রাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিকের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন করাই এই রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য।
 
⇒ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র জনগণের মৌলিক চাহিদা যেমন খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।
 - মৌলিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে এই রাষ্ট্র অধিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, বেকারভাতা প্রদান, বিনা খরচে শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে।
- মূলত সামজতন্ত্রকে প্রতিরোধ করার জন্য পুঁজিবাদী বিশ্ব বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্ম পন্থা গ্রহণ করে। এই ভাবে চরম পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের মাঝামাঝি একটি মধ্যম ব্যবস্থা হিসেবে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে। 
- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র মধ্যপন্থা অবলম্বন করে। ব্যক্তিগত মালিকানা ও রাষ্ট্রীয় মালিকানার মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে মানুষের দুঃখ কষ্টের লাঘব করে থাকে। পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার সমন্বয় ঘটিয়ে সুফল লাভের ব্যবস্থা করে।
- কল্যাণমূলক রাষ্ট্র নাগরিকদের মধ্যে বিরাজমান অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে জীবনযাত্রার ন্যূনতম মান সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে। সমাজের ধনী দরিদ্রের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করে সামাজিক ভারসাম্য রক্ষা করে।

উৎস: i) রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাষ্ট্রতত্ত্ব, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
iii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬০.
Asian Development Bank (ADB) কোন রিপোর্টে সুশাসন নিয়ে আলোচনা করে?
  1. Good Governance and Development
  2. Public Sector Reform
  3. Anti-Corruption Strategy
  4. Governance: Sound Development Management
সঠিক উত্তর:
Governance: Sound Development Management
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Governance: Sound Development Management
ব্যাখ্যা

Asian Development Bank (ADB) ও সুশাসন:
- Asian Development Bank (ADB) ১৯৯৫ সালে 'Governance: Sound Development Management' শীর্ষক রিপোর্টে সুশাসন সম্পর্কে আলোচনা করে।
- ADB-এর মতে, সুশাসন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং সরকারি সম্পদ এমনভাবে ব্যবস্থাপনা করে যাতে শোষণ ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশে আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিশ্চিত হয়।

⇒ Asian Development Bank (এডিবি) এর মতে, সুশাসনের মূল উপাদান ৪টি। এগুলো হলো:
• জবাবদিহিতা (Accountability),
• স্বচ্ছতা (Transparency),
• অংশগ্রহণ (Participation),
• ভবিষ্যৎবাণী (Predictability)।

উৎস: i) ADB ওয়েবসাইট।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৬১.
আধুনিককালে আইনের প্রধানতম উৎস হলো -
  1. প্রথা
  2. সংবিধান 
  3. জনমত 
  4. আইন পরিষদ
সঠিক উত্তর:
আইন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন পরিষদ
ব্যাখ্যা

আইন পরিষদ:
- আধুনিককালে আইনের প্রধানতম উৎস হচ্ছে আইন পরিষদ।
- আইনসভা জনমতের সাথে সঙ্গতি রেখে আইন প্রণয়ন করে।
- আধুনিক রাষ্ট্রীয় আইনের এক বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে আইন পরিষদ কর্তৃক প্রণীত আইন।
- আইন পরিষদ শুধু নতুন আইন তৈরি করে না, পুরনো আইন সংশোধন করে তা যুগোপযোগী করে তোলে।

অন্যদিকে,
- সংবিধান আইনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
- আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন প্রকৃতপক্ষে জনমতের অভিব্যক্তি।
- প্রথা: প্রথা আইনের একটি সুপ্রাচীন উৎস।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৬২.
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় কে ছায়া সরকার গঠন করে?
  1. সরকারি দল
  2. বিরোধী দল 
  3. স্বতন্ত্র প্রার্থী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল 
ব্যাখ্যা

ছায়া সরকার:
- সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারী দল প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার গঠন করে এবং সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মন্ত্রীদের মধ্যে বন্টন করে দেয়।
- পাশাপাশি বিরোধীদলও তার সংসদীয় দলের নেতার নেতৃত্বে একটি ছায়া সরকার (Shadow Government) গঠন করে এবং সরকারের মতই বিভিন্ন দফতরের নীতিমালার পাশাপাশি নিজেদের নীতিমালা আইনসভায় তুলে ধরে এবং এসব ক্ষেত্রে সরকারের ভুলত্রুটি নির্দেশ করে।

• বিকল্প সরকার:
- সসংদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অনেক সময় সমমনা দল বা গ্রুপের সহায়তা ও সমর্থনে কোয়ালিশন সরকার গঠন করা হয়।
- বিরোধীদল এ অবস্থায় কোয়ালিশনের অংশীদার দলগুলোর মধ্যে অনৈক্য দৃষ্টির চেষ্টা করে এবং ক্ষমতাসীন দলের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করার জন্য এসব দলকে উদ্বুদ্ধ করে।
- তাদের সে প্রচেষ্টা সফল হয় যখন আইনসভায় সরকারী দল আস্থা ভোটে পরাজয় বরণ করে।
- এভাবে ক্ষমতাসীন সরকারের পতন ঘটলে বিরোধী দল তার ঘনিষ্ট সহযোগী দল ও অন্যান্য নতুন মিত্র দলের সমর্থনে বিকল্প সরকার গঠনে উদ্যোগী হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাজনৈতিক সংগঠন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৩.
'স্বাধীনতা ও সাম্য পরস্পর সম্পূরক' মতবাদে কে বিশ্বাসী?
  1. জি. ডি. এইচ. কোল
  2. লর্ড এ্যাকটন
  3. হেনরী মেইন
  4. কেউই নয়
সঠিক উত্তর:
জি. ডি. এইচ. কোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জি. ডি. এইচ. কোল
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা ও সাম্য পরস্পর সম্পূরক:
- অর্থাৎ সাম্য ও স্বধীনতা পরস্পর বিরোধী নয়।
- একটি অপরটির পথে অন্তরায় তো নয়ই বরং উভয়ে পরস্পর সহায়ক ও সম্পূরক।
- স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ অনুধাবন করলে দেখা যায় যে, অন্যের অনুরূপ স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করে স্বীয় ইচ্ছানুসারে সবকিছু করার যে ক্ষমতা সেটিই স্বাধীনতা।
- কাজেই এটি স্পষ্ট যে, সাম্য ব্যতীত স্বাধীনতা কার্যকর হতে পারে না।
- অসাম্য স্বাধীনতার অন্তরায় এবং এর বিনষ্টকারী।
- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাম্য প্রতিষ্ঠিত না হলে নাগরিক স্বাধীনতা বিনষ্ট হতে বাধ্য।
- জি, ডি, এইচ, কোল (G. D. H. Cole) এবং আর, এইচ টনী (R. H. Tawny) উভয়ে এ মতবাদে বিশ্বাসী।
- তাঁরা সাম্যের উপস্থিতিকে স্বাধীনতার জন্য প্রকান্ত অপরিহার্য বলে মনে করেন।
- হার্বার্ট এ, ডীন (Herbert A. Deane) যথার্থই বলেন, "স্বাধীনতা ও সাম্য একে অপরের বিরোধী নয়, এমনকি এ দুটো পরস্পর বিচ্ছিন্নও নয় বরং একই আদর্শের ভিন্ন বিষয় মাত্র।"
- আধুনিক গণতান্ত্রিক যুগে এটি এক অনন্য সত্য।

অন্যদিকে,
- স্বাধীনতা ও সাম্য পরস্পর বিরোধী এবং আপোসহীন। একটির উপস্থিতি অপরটির মৃত্যু ঘটায়। লর্ড এ্যাকটন (Lord Acton) এ মতবাদে বিশ্বাসী। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, সাম্য ব্যক্তি স্বাধীনতার উপর সামাজিক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাষ্ট্রতত্ত্ব, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৪.
কোন মূল্যবোধের ওপর একটি জাতির সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য গড়ে ওঠে?
  1. সামাজিক
  2. গণতান্ত্রিক
  3. রাজনৈতিক 
  4. নৈতিক 
সঠিক উত্তর:
গণতান্ত্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ (Democratic Values):
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেসব চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের গণতান্ত্রিক আচার-ব্যবহার ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তাকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বলে।
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নাগরিকদেরকে অন্যের মতামত ও মনোভাবকে শ্রদ্ধা জানাতে হয়। 
- কেননা সহনশীলতা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নাগরিকদের অন্যতম গুণ।
-  গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নাগরিককে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্র ব্যক্তিস্বার্থ, গোষ্ঠীস্বার্থ ও দলীয় স্বার্থকে বিসর্জন দিতে হয়। 
- গঠনমূলক সমালোচনা করার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতা ও সংযম গড়ে তুলতে হবে। 
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মানুষকে পারস্পরিক সুখে-দুঃখে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে।
- সবসময় ভাবতে হবে ‘সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’
- শৃঙ্খলাবোধে বিশ্বাসী হতে হবে।
- অধিকার ও কর্তব্য সচেতন হতে হবে।
- সরকারকে তাদের নীতি ও সিদ্ধান্তের জন্য দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক আচরণ বা মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। 
- নির্বাচনে জয়- পরাজয়কে মেনে নিতে হবে। 
- আইনসভাকে কার্যকর করতে হবে।
- হরতাল, জ্বালাও-পোড়াও নয়, বরং আইনসভায় বসে আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় সব সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে।

⇒ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব:
- সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব অপরিসীম।
- যে সমাজ ও রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ধারণা যত বেশি উন্নত, সে সমাজ ও রাষ্ট্র তত বেশি উন্নত ও প্রগতিশীল।
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ হলো একটি জাতির রাজনৈতিক সম্পদ।
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর একটি জাতির সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য গড়ে ওঠে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৬৫.
অধ্যাপক ই. এম. হোয়াইটের মতে কোন গুণগুলো থাকলে একজন নাগরিক সুনাগরিক হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. সাধারণ জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠা
  2. শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সম্পদ
  3. দেশপ্রেম, সততা ও দক্ষতা
  4. বুদ্ধি, বিবেক, আত্মসংযম
সঠিক উত্তর:
সাধারণ জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

সুনাগরিক:
- সু শব্দের অর্থ হলো ভালো বা আদর্শ। তাহলে সুনাগরিক মানে হলো আদর্শ নাগরিক।
- অধ্যাপক ই. এম. হোয়াইটের মতে 'সাধারণ জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠা- এ তিনটি গুণ যদি কোনো নাগরিকের থাকে তাহলে সে-ই সুনাগরিক'।


⇒ সুনাগরিকই রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করে।
- যেকোন রাষ্ট্রের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য সুনাগরিকের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।
- একটি সুন্দর রাষ্ট্র গঠনের জন্য প্রয়োজন সে দেশের জনগোষ্ঠীকে সুনাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। 

⇒ বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর বক্তব্যে নাগরিকের অনেকগুলো গুণের উল্লেখ রয়েছে।
- তবে লর্ড ব্রাইস প্রদত্ত উপাদানগুলোই এ পর্যন্ত সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।
- তিনি মনে করেন কোনো নাগরিক সুনাগরিক হিসেবে পরিগণিত হবে যদি তিনটি গুণ; যথা- ১) বুদ্ধি, ২) আত্মসংযম ও ৩) বিবেক থাকে।

উল্লেখ্য,
- দার্শনিক ম্যাক্স শেলার বলেন, মূল্যবোধ হলো 'বস্তুর অভ্যন্তরে থাকা গুণাবলি, যা আমাদের অনুভূতির মাধ্যমে উপলব্ধি করা যায় এবং এটি মানুষকে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নির্ধারণে প্রভাবিত করে।'

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬৬.
'Populous' এর বাংলা পরিভাষা-
  1. জনবহুল
  2. জনপ্রিয়
  3. জনসাধারণ
  4. জনসংখ্যা 
সঠিক উত্তর:
জনবহুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনবহুল
ব্যাখ্যা

• 'Populous' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ - জনবহুল।

অন্যদিকে,
"Popular" - জনপ্রিয়।
"Public" বা "General Public" - জনসাধারণ।
"Population" - জনসংখ্যা।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
- 'Attest' অর্থ - সত্যায়িত/প্রত্যায়িত। 
- 'Agenda' অর্থ - কার্যক্রম, আলোচ্যসূচি।
- 'Circular' অর্থ - পরিপত্র।
- 'Semantic' অর্থ - অর্থতত্ত্ব।
- 'Phonology' অর্থ - ধ্বনিতত্ত্ব।
- 'Syntax' অর্থ - বাক্যতত্ত্ব।
- 'Lexicography' অর্থ - অভিধানতত্ত্ব।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা এবং অভিগম্য অভিধান।

১৬৭.
'গন্তব্য'- এর সঠিক প্রকৃতি কোনটি?
  1. √ গন্ + তব্য
  2. গমন্ + তব্য
  3. √ গম্ + তব্য
  4. গম্
সঠিক উত্তর:
গম্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম্
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) গম্।

- √ গম্ + তব্য (গম্ + তব্য = গন্তব্য); এখানে √গম্ হলো প্রকৃতি, যা একটি ক্রিয়া প্রকৃতি (ধাতু) এবং তব্য হলো কৃৎ প্রত্যয়, যা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'গন্তব্য' (যাওয়া উচিত/যাবে) শব্দটি গঠন করেছে। 
------------
প্রকৃতি:
যে শব্দকে বা কোনো শব্দের যে অংশকে আর কোনো ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায় না, তাকে প্রকৃতি বলে।
- ধাতু যেমন কৃৎ-প্রত্যয়ের প্রকৃতি, তেমনি প্রাতিপদিকও তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি।
- প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি এবং প্রাতিপদিককে বলা হয় নাম প্রকৃতি।

সুতরাং, ক্রিয়া শব্দের মূল ও নামশব্দের মূল উভয়ই - প্রকৃতি।

• ক্রিয়া প্রকৃতি:
- ধাতুর সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি।
- ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ-প্রত্যয়।
- যেমন- চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি)+ অন (কৃৎ-প্রত্যয়)= চলন (বিশেষ্য পদ)।

‘গন্তব্য’ শব্দটি ব্যাখ্যা:
‘গন্তব্য’ শব্দটি এসেছে গম্ ধাতু (অর্থাৎ “যাওয়া”) থেকে। এখানে, 'গম' হলো- ধাতু/প্রকৃতি এবং 'তব্য' হলো - প্রত্যয়।
এখানে গম্ + তব্য = গন্তব্য, অর্থাৎ যেখানে যাওয়া উচিত বা যেখানে গমন করা কর্তব্য।

অর্থাৎ,
গন্তব্য = গম্ (যাওয়া) + তব্য (যোগ্য) → যেখানে যাওয়া উচিত।

উল্লেখ্য,
• 'গন্তব্য'- এর সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় - √ গম্ + তব্য।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১৬৮.
নিচের কোন শব্দে 'অনু' উপসর্গটি 'পশ্চাৎ' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? 
  1. অনুকার
  2. অনুশীলন
  3. অনুশোচনা
  4. অনুকূল
সঠিক উত্তর:
অনুশোচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুশোচনা
ব্যাখ্যা

• ‘পশ্চাৎ’ অর্থে - ‘অনু’ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ হলো:
- অনুশোচনা,
- অনুগামী,
- অনুজ,
- অনুকরণ ইত্যাদি।

অপরদিকে,
'অনু' উপসর্গের ব্যবহার:
• 'সাদৃশ্য' অর্থে 'অনু' - অনুবাদ, অনুকার
• 'পৌনঃপুনিকতা' অর্থে - অনুক্ষণ, অনুশীলন
• 'সঙ্গে' অর্থে - অনুকম্পা, অনুকূল

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ), উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৯.
‘রাষ্ট্রনীতি’ কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?
  1. বহুব্রীহি
  2. কর্মধারয়
  3. তৎপুরুষ
  4. দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয়
ব্যাখ্যা

• কর্মধারয় সমাস:
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।

• মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- আয়ের উপর কর = আয়কর।
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন;
- হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ;
- রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি = রাষ্ট্রনীতি;
- ঝাল মিশ্রিত মুড়ি = ঝালমুড়ি;
- প্রাণ যাওয়ার ভয় = প্রাণভয়;
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ।

এরূপ, সাহিত্যসভা, গোবরগণেশ, সংবাদপত্র, বৌভাত, ধর্মকার্য, মৌমাছি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৭০.
'তকলিফ' শব্দের অর্থ কী?
  1. ঘুষ
  2. উপঢৌকন
  3. বিপ্লব
  4. কষ্ট
সঠিক উত্তর:
কষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কষ্ট
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'তকলিফ' শব্দের অর্থ- কষ্ট, দুর্ভোগ।

অন্যদিকে,
- উৎকোচ শব্দের অর্থ - ঘুষ।
- ‘সওগাত’ শব্দের অর্থ - উপঢৌকন; উপহার।
- 'ইনকিলাব' শব্দের অর্থ - বিদ্রোহ; বিপ্লব; আন্দোলন।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭১.
নিচের কোন শব্দটি- ‘ভূত' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে?
  1. বর্তমান 
  2. অতীত 
  3. সমসাময়িক
  4. ভবিষ্যৎ
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ
ব্যাখ্যা

• 'ভূত' শব্দের অর্থ - অতীত।
সুতরাং, এর বিপরীত শব্দ - ভবিষ্যৎ।

আরও কিছু বিপরীত শব্দের উদাহরণ-
- রুষ্ট - তুষ্ট;
- উদ্ধত - বিনীত;
- লিপ্ত - নির্লিপ্ত;
- লগ্ন - চ্যুত;
- মরমি - নিষ্ঠুর;
- লেশ - যথেষ্ঠ;
- হৃদ্যতা - কপটতা।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২০ সংস্করণ)।

১৭২.
সময় নির্দেশ করতে জটিল বাক্যে যোজকের কোন জোড়টি ব্যবহার করা হয়?
  1. যত-তত
  2. যা-তা 
  3. যখন-তখন
  4. যেটুকু-সেটুকু
সঠিক উত্তর:
যখন-তখন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন-তখন
ব্যাখ্যা

• উত্তর: গ) যখন-তখন।

--------------------
• জটিল বাক্য:
যে বাক্যে প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একের বেশি অপ্রধান খণ্ডবাক্য থাকে বা একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হলে তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে।

যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবুও, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে।

যেমন:
- যে রক্ষক, সে ভক্ষক।
- যে ছেলেটি এখানে এসেছিল, সে আমার ভাই।
- যদি তুমি যাও, তবে তার দেখা পাবে।

• সময় বোঝাতে জটিল বাক্যে যোজকের ‘যখন-তখন’ জোড় ব্যবহার হয়।
যেমন:
- যখন বৃষ্টি নামল, তখন আমরা ছাতা খুঁজতে শুরু করলাম।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।

১৭৩.
সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. প্রাতঃ + রাশ
  2. প্রতি + রাশ
  3. প্রাত + আশ
  4. প্রাতঃ + আশ
সঠিক উত্তর:
প্রাতঃ + আশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাতঃ + আশ
ব্যাখ্যা

• 'প্রাতরাশ' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ : 'প্রাতঃ + আশ'। 
 
• কিছু বিসর্গ সন্ধির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো : 
- প্রাতঃ + আশ = প্রাতরাশ,
- পুনঃ + আয় = পুনরায়,
- অন্তঃ + ধান = অন্তর্ধান,
- অন্তঃ + গত = অন্তর্গত,
- পুনঃ + উক্ত = পুনরুক্ত,
- অহঃ + অহ = অহরহ ইত্যাদি।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 

১৭৪.
"বারীশ" দিয়ে কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. সূর্য
  2. চাঁদ
  3. পর্বত
  4. সমুদ্র
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র
ব্যাখ্যা

• "বারীশ" শব্দটি দিয়ে 'সমুদ্র' কে নির্দেশ করা হয়। কারণ, 'সমুদ্র' এর প্রতিশব্দ - 'বারীশ'।
---------------
• 'সমুদ্র' এর কিছু প্রতিশব্দ:
- সাগর, সিন্ধু, বারিধি, জলধি, অর্ণব, পারাবার, বারীশ, উদধি, পয়োনিধি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'সূর্য' এর প্রতিশব্দ -
- রবি, সবিতা, আদিত্য, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির,  দিনপতি ইত্যাদি।

• 'চাঁদ' এর প্রতিশব্দ-
- চন্দ্র, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, বিধু, সোম, নিশাকর, সুধাংশু, ইন্দু, সিতাংশু, হিমাংশু ইত্যাদি। 

• 'পর্বত' শব্দের প্রতিশব্দ:
- হল: পাহাড়, অচল, গিরি, ভূভৃৎ, ভূধর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (সর্বশেষ সংস্করণ)।

১৭৫.
"বাতাসা" - কোন ভাষার শব্দ?
  1. তৎসম 
  2. দেশি 
  3. তদ্ভব 
  4. হিন্দি
সঠিক উত্তর:
দেশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশি 
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
"বাতাসা" - দেশি ভাষার শব্দ।

• 'বাতাসা' শব্দের অর্থ:
- চিনি বা গুড় দিয়ে তৈরি মিষ্ট দ্রব্যবিশেষ।



• দেশি ভাষার কয়েকটি শব্দ হলো:
যথা: কুড়ি, পেট, চুলা, চালতা, কুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৭৬.
নিচের কোনটি 'গরীয়ান' এর স্ত্রীবাচক শব্দ হবে?
  1. গরীয়সী
  2. গরিয়ানী
  3. গরিয়াসী
  4. গরীয়াসী
সঠিক উত্তর:
গরীয়সী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গরীয়সী
ব্যাখ্যা

• 'গরীয়ান' শব্দটির স্ত্রীবাচক শব্দ- 'গরীয়সী'।

উল্লেখ্য, 
শুদ্ধ বানান হবে- 'গরীয়সী'। 

-----------------------
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'গরীয়ান' - এর অর্থ মর্যাদাপূর্ণ, মহান, গুরুতর, বৃহত্তর, বিত্তশালী, মহার্ঘ।
- এর স্ত্রী লিঙ্গ- গরীয়সী।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭৭.
'সনদ' না লিখে 'সনদপত্র' লিখলে কী হবে?
  1. গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটবে
  2. আকাঙ্ক্ষার অভাব হবে 
  3. বাক্য দুর্বোধ্য হবে 
  4. বাহুল্যদোষ ঘটবে
সঠিক উত্তর:
বাহুল্যদোষ ঘটবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাহুল্যদোষ ঘটবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) বাহুল্যদোষ ঘটবে।
--------------
• বাহুল্য দোষ:

প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে বাহুল্য দোষ ঘটে এবং বাক্য তার যোগ্যতা গুণ হারায়।
যেমন- 
"দেশের সকল শিক্ষকগণ এখানে উপস্থিত হয়েছেন।" - বাক্যটিতে বাহুল্য দোষ রয়েছে। এখানে, সকল এবং শিক্ষকগণ অতিরিক্ত শব্দ। বাক্যটি হবে দেশের সব শিক্ষক এখানে উপস্থিত হয়েছেন অথবা দেশের শিক্ষকগণ এখানে উপস্থিত হয়েছেন।

-----------------------
প্রশ্নের ব্যাখ্যা:
‘সনদ’ একটি তৎসম শব্দ, যার অর্থই হলো — প্রমাণপত্র, অনুমতিপত্র, সার্টিফিকেট বা দলিল।
অর্থাৎ ‘সনদ’ শব্দটির মধ্যেই পত্র/দলিলের অর্থ লুকিয়ে আছে।
তাই ‘সনদপত্র’ লিখলে একই অর্থ দু’বার বলা হয় → এটি অপ্রয়োজনীয় পুনরুক্তি বা বাহুল্যদোষ (redundancy)।

যখন 'সনদ' লিখলেই চলে, তখন 'সনদপত্র' লিখলে বাহুল্যদোষ ঘটে।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৭৮.
যে রীতিতে 'প্রীতি' শব্দটি পিরীতি শব্দে পরিণত হয়, তার নাম-
  1. সম্প্রকর্ষ
  2. বিপ্রকর্ষ
  3. অভিশ্রুতি
  4. অপিনিহিতি
সঠিক উত্তর:
বিপ্রকর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপ্রকর্ষ
ব্যাখ্যা

• 'প্রীতি > পিরীতি' হলো - বিপ্রকর্ষের উদাহরণ।

• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি: 
সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন -
• অ স্বরধ্বনির আগমন- রত্ন > রতন, ধর্ম > ধরম, স্বপ্ন > স্বপন, হর্ষ > হরষ ইত্যাদি।
• ই স্বরধ্বনির আগমন- প্রীতি > পিরীতি, স্নান > সিনান, ক্লিপ > কিলিপ, ফিল্ম > ফিলিম ইত্যাদি। 
• উ স্বরধ্বনির আগমন- মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক, ভ্রু > ভুরু ইত্যাদি।
• এ স্বরধ্বনির আগমন- গ্রাম > গেরাম, প্ৰেক > পেরেক, স্রেফ > সেরেফ ইত্যাদি।
• ও স্বরধ্বনির আগমন- শ্লোক > শােলােক, মুরগ > মুরােগ > মােরগ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

১৭৯.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. সরকার আভ্যন্তরীণ নীতি সংস্কারের পরিকল্পনা করছে।
  2. সরকার আভ্যন্তরীণ নীতি সংষ্কারের পরিকল্পনা করছে।
  3. সরকার অভ্যন্তরীণ নীতি সংস্কারের পরিকল্পনা করছে।
  4. সরকার অভ্যন্তরীন নীতি সংষ্কারের পরিকল্পনা করছে।
সঠিক উত্তর:
সরকার অভ্যন্তরীণ নীতি সংস্কারের পরিকল্পনা করছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার অভ্যন্তরীণ নীতি সংস্কারের পরিকল্পনা করছে।
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) সরকার অভ্যন্তরীণ নীতি সংস্কারের পরিকল্পনা করছে।
---------------
শুদ্ধ বাক্যটি: সরকার অভ্যন্তরীণ নীতি সংস্কারের পরিকল্পনা করছে।
কারণ,
শুদ্ধ বানান ও ব্যাকরণ এর নিয়ম অনুসারে,
অভ্যন্তরীণ → এটিই প্রমিত ও সঠিক বানান।

অন্যদিকে,
অন্য অপশনগুলোর  বানান ভুল।
কারণ, ব্যাকরণ অনুসারে, 'আভ্যন্তরীণ' অশুদ্ধ। 'অভ্যন্তর' শব্দের সঙ্গে 'ঈণ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'অভ্যন্তরীণ' হয়েছে। এখানে 'আভ্যন্তরীন' লিখলে ভুল হবে।
 
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

১৮০.
অযুগ্ম স্বরান্ত ধ্বনিকে কী বলে? 
  1. মুক্তাক্ষর
  2. একাক্ষর
  3. বদ্ধাক্ষর
  4. যুক্তাক্ষর
সঠিক উত্তর:
মুক্তাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তাক্ষর
ব্যাখ্যা

• অক্ষর (Syllable):
বাগযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা শব্দাংশের নাম অক্ষর (Syllable)। অক্ষর দু প্রকার।
যথা: মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর।

• মুক্তাক্ষর:
যখন একটি অক্ষরে একটিই বর্ণ থাকে, তখন তাকে মুক্তাক্ষর বলে। অযুগ্ম  বা মুক্ত স্বরান্ত ধ্বনিকে মুক্তাক্ষর বলে। একে স্বরান্ত অক্ষরও বলা হয়।
যেমন: 'ভালোবাসো যদি বলিবে না কেন?'
এখানে, (ভা) (লো) (বা) (সো) (য) (দি) (ব) (লি) (বে) (না) (কে) (ন) এই সবগুলোই (১২টি) মুক্তাক্ষর।
মুক্তাক্ষর U চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়।
- মুক্তাক্ষর উচ্চারণের শেষে মুখ খোলা থাকে, ফলে অক্ষর উচ্চারণ করে ও তাকে প্রয়োজন মতো প্রলম্বিত করা চলে।
যেমন: অপরিচিত।

• বদ্ধাক্ষর:
ব্যঞ্জনধ্বনি বা অর্ধস্বরধ্বনির মাধ্যমে যে সব অক্ষরের সমাপ্তি ঘটে তাকে বদ্ধাক্ষর বলে।
বদ্ধ অর্থ্যাৎ যুগ্মাস্বরান্ত বা ব্যঞ্জনান্ত ধ্বনিকে বদ্ধাক্ষর বলে।
যেমন: 'সোম বার দিনরাত হরতাল।
এখানে, (সোম) (বার) (দিন) (রাত) (হর) (তাল্) এই সবগুলোই (৬টি) বদ্ধাক্ষর।
বদ্ধাক্ষর (-) চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়।

উৎস: বাংলা কবিতার ছন্দ বিশ্লেষণ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৮১.
'দু'হাতে দুই আদিম পাথর' কাব্যগ্রন্থটি কে লিখেছেন?
  1. কায়কোবাদ
  2. ফররুখ আহমদ
  3. আহসান হাবীব
  4. সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
আহসান হাবীব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহসান হাবীব
ব্যাখ্যা

• আহসান হাবীব:
১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আধুনিক কাব্যধারার কবি ছিলেন। তাঁর কাব্যচর্চার শুরু বাল্যকাল থেকেই। সপ্তম শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে ১৯৩৩ সালে স্কুল ম্যাগাজিনে তাঁর প্রথম লেখা একটি প্রবন্ধ ‘ধর্ম’ প্রকাশিত হয়।
- ১৯৩৪ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘মায়ের কবর পাড়ে কিশোর’ ছাপা হয় পিরোজপুর গভর্নমেন্ট স্কুল ম্যাগাজিনে। তখন তিনি দশম শ্রেণীর ছাত্র।

• 'দু'হাতে দুই আদিম পাথর' আহসান হাবীব রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 
- গ্রন্থটি  ১৯৮০ সালে প্রকাশিত হয়। 

উল্লেখ্য,
• 'আমি কোন আগন্তুক নই' - 'দু'হাতে দুই আদিম পাথর' (১৯৮০) কাব্যগ্রন্থের শেষ কবিতা।
- কবিতাতে শহুরে মানুষের গ্রামে ফেরার কথা আছে।

• আহসান হাবীব রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- রাত্রিশেষ (প্রথম প্রকাশিত),
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
- দু'হাতে দুই আদিম পাথর,
- ছায়া হরিণ।

• আহসান হাবীব রচিত উপন্যাস:
- অরণ্য নীলিমা,
- রানী খালের সাঁকো।

• তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থ:
- জ্যোৎস্না রাতের গল্প,
- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,
- ছুটির দিন দুপুরে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৮২.
কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম' নাটক অবলম্বনে আখ্যান কাহিনি 'শকুন্তলা' রচনা করেন কে?
  1. রামরাম বসু
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. কালীপ্রসন্ন সিংহ
  4. চণ্ডীচরণ মুন্সি
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা

• প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাস রচিত 'অভিজ্ঞান শকুন্তলা' নাটক অবলম্বনে - ১৮৫৪ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান কাহিনি লিখেন - তার নাম দেন — শকুন্তলা। কালিদাসের ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ নাটকটি মূলত মহাভারতের বনপর্বের একটি অংশ থেকে অনুপ্রাণিত।
-----------------------
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
- তার আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।

• 'শকুন্তলা' আখ্যান কাহিনি:
- প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম্‌' নাটক অবলম্বনে ১৮৫৪ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান বা উপন্যাসোপম কাহিনি লিখে নাম দেন 'শকুন্তলা'।
- 'শকুন্তলা'য় কাহিনি নির্মাণ ও ভাষাব্যবহারে বিদ্যাসাগর যথেষ্ট স্বাধীন্তা নিয়েছেন।
- চন্দ্রবংশীয় রাজা দুষ্মন্ত শিকারে এসে কম্ব মুনির তপোবনে উপস্থিত হয়।
- সেখানে শকুন্তলা, প্রিয়ংবদা, অনসূয়া নামের মুনির তিন রূপবতী পালিতা কন্যার মধ্যে শকুন্তলার সঙ্গে দুষ্মন্তের বিয়ে হয়।
- দৈববাণীতে দুষ্মন্ত সব অবগত হয় এবং শকুন্তলা- ভরতকে যোগ্য স্থান দেয়।
- বৃদ্ধ বয়সে দুষ্মন্ত ভরতকে নিজ রাজ্যের উত্তরাধিকারী করে।
- বাংলা সাহিত্যে 'শকুন্তলা' গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে, এ গ্রন্থের আগে গদ্যে রচিত এতো চমৎকার কাহিনি বা আখ্যান বর্ণনা পাওয়া যায় না।
- গদ্যসাহিত্য প্রতিষ্ঠার যুগে 'শকুন্তলা' একটি অসাধারণ সৃষ্টি।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
২) বাংলাপিডিয়া।
৩) লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।

১৮৩.
কোন উপন্যাসে ডোম সম্প্রদায়ের একজন যুবক কবি রূপে প্রতিষ্ঠা পায়?
  1. কবিতার কথা 
  2. কবি অথবা দণ্ডিত অপুরুষ
  3. কবি
  4. আধুনিক কবি ও কবিতা
সঠিক উত্তর:
কবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবি
ব্যাখ্যা

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, একজন কথাসাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ।
- তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।
- তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপন্যাস- ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম।

• 'কবি' উপন্যাস:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'কবি'।
- ডোম সম্প্রদায়ের একজন যুবকের কবি রূপে প্রতিষ্ঠা এবং দুটি নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক বিষয়ক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হচ্ছে নিতাই।
- উপন্যাসের ক্লাসিক সংলাপ- 'এই খেদ আমার মনে, ভালবেসে মিটলোনা সাধ, কুলালোনা এই জীবনে। হায়! জীবন এতো ছোট ক্যানে? এই ভুবনে।'

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- কবি,
- হাঁসুলী বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরগ্য নিকেতন,
- পঞ্চপুণ্ডলী,
- রাধা ইত্যাদি।

তাঁর প্রসিদ্ধ ছোটগল্প:
- রসকলি,
- বেদেনী,
- ডাকহরকরা।

অন্যদিকে,
• জীবনানন্দ দাশ ‘কবিতার কথা’ নামে প্রবন্ধ গ্রন্থ রচনা করেছেন।
• 'আধুনিক কবি ও কবিতা' প্রবন্ধটি লিখেছেন- হাসান হাফিজুর রহমান 
• "কবি অথবা দণ্ডিত অপুরুষ" - হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস। তবে, এখানে, ডোম সম্প্রদায়ের উল্লেখ নেই।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও বাংলাপিডিয়া; 'কবি' উপন্যাস।

১৮৪.
বাংলা সাহিত্যে "১২০১ থেকে ১৩৫০" সাল সম্পর্কে কোন উক্তিটি যথার্থ নয়?
  1. হলায়ূধ মিশ্র রচিত 'সেক শুভোদয়া' এ যুগের সাহিত্য নিদর্শন।
  2. অন্ধকার যুগ বা তামস যুগ বলে অভিহিত।
  3. 'জঙ্গনামা' কাব্য এ যুগের লিখিত নিদর্শন।
  4. এ যুগে প্রাকৃত ভাষার কাব্য নিদর্শন পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর:
'জঙ্গনামা' কাব্য এ যুগের লিখিত নিদর্শন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'জঙ্গনামা' কাব্য এ যুগের লিখিত নিদর্শন।
ব্যাখ্যা

• অন্ধকার যুগ:
- বাংলা সাহিত্যে ১২০১ থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত দেড়'শ বছরকে কেউ কেউ অন্ধকার যুগ বা তামস যুগ বলে অভিহিত করেছেন। 
- তথাকথিত অন্ধকার যুগের সাহিত্য সৃষ্টির কোন নিদর্শন পাওয়া যায়নি এ কথা ও সত্য নয়। 
- এ সময় যে সাহিত্য কর্ম পাওয়া গেছে তা মূলত সংস্কৃত।
- এ যুগে প্রাকৃত ভাষার কাব্য নিদর্শন পাওয়া যায়।
- বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের সাহিত্য নিদর্শন- শূণ্যপুরাণ।

• অন্ধকার যুগে প্রাপ্ত কিছু সাহিত্য নিদর্শন:
- প্রাকৃতপৈঙ্গল,
- রামাই পণ্ডিত রচিত 'শূণ্যপুরাণ' এবং এর অংশবিশেষ 'নিরঞ্জনের রুষ্মা'।
- হলায়ূধ মিশ্র রচিত 'সেক শুভোদয়া'।

অন্যদিকে,
• 'জঙ্গনামা' মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক যুদ্ধবিষয়ক কাব্য।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৮৫.
বাংলা সাহিত্যে জীবনীকাব্য রচনার জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত কবি কে?
  1. কৃষ্ণদাস সেন 
  2. বৃন্দাবন দাস
  3. লোচন দাস
  4. বিশ্বনাথ চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
বৃন্দাবন দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃন্দাবন দাস
ব্যাখ্যা

• শ্রীচৈতন্যদেব ও জীবনী সাহিত্য:
- শ্রীচৈতন্যদেব এর প্রকৃত নাম বিশ্বম্ভর মিশ্র। কৃষ্ণ চৈতন্য নামেও তিনি পরিচিত। তাঁর ডাক নাম রাখা হয় নিমাই।
- তিনি ১৪৮৬ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি শনিবার নবদ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ব্রাহ্মণ থেকে রূপান্তরিত এক ধর্মবেত্তা, যিনি তাঁর স্বকীয় ভক্তির মাধ্যমে বাংলা ও উড়িষ্যার বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মধ্যে দারুণ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিলেন।
শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনী রচনার মধ্য দিয়ে বাংলায় জীবনীসাহিত্য রচনা আরম্ভ হয়।

• বৃন্দাবন দাস ও বাংলা সাহিত্যের জীবনীকাব্য:
- বাংলা সাহিত্যে জীবনীকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন বৃন্দাবন দাস। 
- বাংলা ভাষায় রচিত শ্রী চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনীকাব্য বৃন্দাবন দাস রচিত 'চৈতন্যভাগবত'।
- তাঁর কাব্য প্রথমত 'চৈতন্যামঙ্গল' নামে পরিচিত ছিল।
- পরে এ কাব্যে ভাগবতের প্রভাব ও লীলা পর্যায় দেখে এর নাম চৈতন্যভাগবত রাখা হয়।
- কাব্যটির রচনাকাল সম্ভবত ১৫৪৮ সাল।

উল্লেখ্য,
- বাংলায় চৈত্যদেবের দ্বিতীয় জীবনীগ্রন্থ- লোচন দাস রচিত ''চৈতন্যমঙ্গল''।
- বাংলা ভাষায় অদ্বিতীয় ও সর্বাপেক্ষা তথ্যবহুল চৈতন্যজীবনী- কৃষ্ণদাস কবিরাজ রচিত- চৈতন্য-চরিতামৃত।

উৎস: বাংলা ভাষার ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

১৮৬.
মহাকাব্যোচিত উপন্যাস 'খোয়াবনামা' - কে লিখেছেন?
  1. শওকত ওসমান 
  2. শওকত আলী 
  3. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. আবুল মনসুর আহমদ 
সঠিক উত্তর:
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ব্যাখ্যা

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:
- ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার গোহাটি গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন মূলত কথাসাহিত্যিক।
- তাঁর পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস। তিনি বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- বাংলা ভাষা ও বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার’ (১৯৮২), 'খোয়াবনামা' উপন্যাসের জন্য ‘সাদত আলী আখন্দ পুরস্কার’ (১৯৯৫) ও কলকাতার ‘আনন্দ পুরস্কার’ (১৯৯৬) লাভ করেন।

'খোয়াবনামা' উপন্যাস:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত মহাকাব্যোচিত উপন্যাস খোয়াবনামা (১৯৯৬)।
- উপন্যাসটির বিষয়বস্তুতে বাংলার নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের জীবানালেখ্যসহ ফকির-সন্যাসী বিদ্রোহ, আসামের ভূমিকম্প, তেভাগা আন্দোলন, ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর, পাকিস্তান আন্দোলন ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ইত্যাদি ঐতিহাসিক উপাদান এই উপন্যাসে নিপুণভাবে উপস্থিত করা হয়েছে।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই,
- খােয়াবনামা।

তাঁর রচিত ছােটগল্প:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোঁয়ারি,
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৮৭.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটোগল্পটি কে লিখেছেন?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়  
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘ছোটগল্পকার’:
• প্রকৃত অর্থে বাংলা সাহিত্যে সার্থক ছোটগল্পকার হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
• তাঁর প্রথম গল্প ‘ভিখারিণী’ ১৮৭৪ সালে  ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও ‘দেনা-পাওনা’ (১৮৯০) গল্পটিই প্রথম সার্থক ছোটগল্প।
• ১৮৮৪-৮৫ সময়ের মধ্যে প্রকাশিত হয় তাঁর ‘ঘাটের কথা’, ‘রাজপথের কথা’ ও ‘মুকুট’।
• গল্পগুচ্ছ, সে, তিনসঙ্গী প্রভৃতি গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পের সংখ্যা ১১৯টি।
• রবীন্দ্রনাথই যথার্থ অর্থে বাংলা ছোটগল্পে জীবন দান করেন।
• বিষয়বস্ত্ত হিসেবে রবীন্দ্রনাথের গল্পে প্রেম, প্রকৃতি, মানুষ, অতিপ্রাকৃত ঘটনা, সামাজিক জীবন, নারী-পুরুষের মনস্তাত্ত্বিক দিক ইত্যাদি স্থান পেয়েছে।

⇒ প্রেমের গল্প হিসেবে- একরাত্রি, মহামায়া, সমাপ্তি, মাল্যদান, মধ্যবর্তিনী, শাস্তি, প্রায়শ্চিত্ত, দুরাশা, অধ্যাপক, নষ্টনীড়, স্ত্রীর পত্র, পাত্র ও পাত্রী, মানভঞ্জন, রবিবার, শেষকথা, ল্যাবরেটরি প্রভৃতি গল্পের নাম উল্লেখ করা যায়।

⇒ প্রকৃতিবিষয়ক গল্পের মধ্যে- শুভা, অতিথি, আপদ, বলাই ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এসব গল্পে প্রকৃতিপ্রেমিক নারী ও বালক চরিত্রগুলি হয়েছে যেন প্রকৃতির সন্তান।

⇒ সমাজজীবনের সম্পর্কবৈচিত্র্য নিয়ে রচিত গল্পের মধ্যে- উল্লেখযোগ্য হলো: ব্যবধান, মেঘ ও রৌদ্র, পণরক্ষা, পোস্টমাস্টার, কাবুলিওয়ালা, দিদি, হৈমন্তী, কর্মফল, দান-প্রতিদান, দেনা-পাওনা, ছুটি, পুত্রযজ্ঞ, খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন ইত্যাদি।

⇒ অতিপ্রাকৃত রসের স্পর্শ লেগেছে গুপ্তধন, জীবিত ও মৃত, নিশীথে, মণিহারা, ক্ষুধিত পাষাণ, মাস্টারমশাই ইত্যাদি গল্পে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই প্রথম সার্থকভাবে বাংলা ছোটগল্পকে বিশ্বসাহিত্যের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

১৮৮.
কবি কাজী নজরুল ইসলামের - 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কোন ছন্দে লিখিত হয়েছে?
  1. মাত্রাবৃত্ত
  2. অক্ষরবৃত্ত
  3. অমিত্রাক্ষর
  4. স্বরবৃত্ত 
সঠিক উত্তর:
মাত্রাবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাত্রাবৃত্ত
ব্যাখ্যা

• 'বিদ্রোহী' কবিতা:
- বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা। 
- ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় কবিতাটি প্রকাশিত হয়।
- এর মূলে রয়েছে - বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ।

- ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় “মাত্রাবৃত্ত ছন্দ” ব্যবহৃত হয়েছে। কবিতাটি ২ + ৬ + ৪ পূর্ণমাত্রাকারে সুবিন্যস্ত।
- নজরুল দ্রোহ-ভাবাপন্ন আরোও কবিতা লিখলেও শুধু এক 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই তিনি বাঙালির চিরকালের বিদ্রোহী কবি।এর মূলে রয়েছে বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ।

উল্লেখ্য,
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'।
- এই কাব্যগ্রন্থটি তিনি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।
- এতে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বিদ্রোহী কবিতা, বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো পত্রিকা।

১৮৯.
"চর্যাপদ বাংলা ভাষার সম্পদ"- ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার বিশ্লেষণ করে এটি কে প্রথম প্রমাণ করেন?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  2. ড. মুহম্মদ আব্দুল হাই 
  3. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  4. ড. সুকুমার সেন
সঠিক উত্তর:
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

• 'চর্যাপদ' সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
- চর্যাপদের ভাষাকে বলা হয় 'সন্ধ্যা' বা 'সান্ধ্য ভাষা'।
- এ ভাষা কোথাও স্পষ্ট, কোথাও অস্পষ্ট।
- তাই একে 'আলাে-আঁধারী' ভাষাও বলা হয়।
- চর্যাপদের পদগুলো প্রাচীন কোন ছন্দে রচিত তা আজ বলা সম্ভপর নয়৷ তবে আধুনিক ছন্দের বিচারে এগুলো মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অধীনে বিবেচ্য৷

"চর্যাপদের ভাষার বিশ্লেষণ সম্পর্কিত তথ্য:
⇒ বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন। 

⇒ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে ভাষা আলোচনা করে স্বীকৃতি দেন যে, চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত। 
- ১৯২৬ সালে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় 'অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলোপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ' গ্রন্থে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিস্তারিতভাবে চর্যাপদের ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন চর্যাপদ বাংলা ভাষার সম্পদ। অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী এ অভিমত সমর্থন করেন।

⇒ ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, ড. সুকুমার সেন, ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত চর্যাপদের ভাষা, বিষয়বস্তু, প্রভৃতি আলোচনা করে প্রমাণ করেন যে- চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত। 

⇒ ১৯২৭ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সর্বপ্রথম চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন।
⇒ ১৯৪৬ সালে ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত সহজযান প্রসঙ্গে চর্যাপদের অর্ন্তনিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা করেন।
⇒ বিহারের বিখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচর্য, বৈদ্ধ সহজান ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও লাল নীল দীপাবলি; বাংলাপিডিয়া।

১৯০.
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মহিলা কবি কে?
  1. রহিমুন্নেসা
  2. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  3. নুরুন্নেসা
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
রহিমুন্নেসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রহিমুন্নেসা
ব্যাখ্যা

• কবি রহিমুন্নেসা:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম মহিলা — কবি রহিমুন্নেসা।
- কবি রহিমুন্নেসা মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একমাত্র মুসলিম মহিলা কবি। ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক এই মহিলা কবির (আবির্ভাবকাল) ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ নির্ধারণ করেন। 
- তিনি (১৮শ শতক) বা অন্ত্যমধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কবি।
- তাঁর রচিত  লায়লী-মজনু কাব্যে সে সময়কার বাংলা ভাষার বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট পরিলক্ষিত হয়।

অন্যদিকে, 
• রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি।

• নুরুন্নেসা খাতুন (১৮৯৪-১৯৭৫) - প্রথম মুসলিম মহিলা ঔপন্যাসিক।

• সুফিয়া কামাল:
- 'জননী সাহসিকা' হিসেবে খ্যাত সুফিয়া কামাল মূলত একজন কবি।
- তিনি বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- সুফিয়া কামাল বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়।
- তিনি ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত বেগম পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর রচিত প্রথম গল্প সৈনিক বধূ ১৯২৩ সালে বরিশালের তরুণ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

১৯১.
নিচের কোন রচনাটি কাব্যগ্রন্থ?
  1. রায়নন্দিনী
  2. তারাবাঈ
  3. অনল প্রবাহ
  4. স্বজাতি প্রেম
সঠিক উত্তর:
অনল প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনল প্রবাহ
ব্যাখ্যা

• 'অনল প্রবাহ'- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত প্রথম 'কাব্যগ্রন্থ'।  

----------------
• সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী:

- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী লেখক, বাগ্মী এবং কৃষক নেতা।
- তিনি সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন (এ কারণেই তিনি তাঁর নামের সঙ্গে ‘সিরাজী’ উপাধি যুক্ত করেন)।
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দে সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।

- তিনি একই সাথে বেশ কিছু সংগঠন ও দলের সদস্য ছিলেন, যেমন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, মুসলিম লীগ, আঞ্জুমান-ই-উলামা-ই-বাঙ্গালা, জামিয়াত-ই-উলামা-ই-হিন্দ, স্বরাজ পার্টি ও কৃষক সমিতি।

'অনল প্রবাহ' কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কিত আলোচনা:
- এটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে ব্রিটিশ সরকার তা বাজেয়াপ্ত করেছিল।
- প্রথম সংস্করণে কবিতা ছিল মাত্র নয়টি।
- এগুলোর মধ্যে: অনল প্রবাহ, তুর্যধ্বনি, মূর্চ্ছনা, বীর-পূজা, অভিভাষণ, মরক্কো সংকটে উল্লেখযোগ্য।  

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ: 
- অনল প্রবাহ;
- আকাঙ্ক্ষা;
- উচ্ছ্বাস;
- উদ্বোধন;
- নব উদ্দীপনা;
- স্পেন বিজয় কাব্য;
- সঙ্গীত সঞ্জীবন।

তাঁর রচিত উপন্যাস 
- রায়নন্দিনী;
- তারাবাঈ;
- ফিরোজা বেগম;
- নূরুদ্দীন।

তাঁর রচিত  প্রবন্ধ 
- স্বজাতি প্রেম;
- তুর্কি নারী জীবন;
- স্পেনীয় মুসলান সভ্যতা।

ভ্রমণ কাহিনী: 
 -তুরস্ক ভ্রমণ।

অন্যদিকে,
তারা- বাঈ, রায়নন্দিনী- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত উপন্যাস।
স্বজাতি প্রেম-  সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত প্রবন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া; 'অনল প্রবাহ' কাব্যগ্রন্থ।

১৯২.
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় যৌবনের কোন গুণটি সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে?
  1. শান্তি ও স্থিরতা
  2. বিষাদ ও নৈরাশ্য
  3. প্রেম ও রোমান্টিকতা
  4. দুর্বার গতি ও সাহসিকতা 
সঠিক উত্তর:
দুর্বার গতি ও সাহসিকতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্বার গতি ও সাহসিকতা 
ব্যাখ্যা

• সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- ‘কিশোর কবি’ সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কিশোর কবি, মাকর্সবাদী কবি এবং মানবতার কবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর কাব্যে পৃথিবীর মানুষের, শোষিত মানুষের জীবন-যন্ত্রণা, বিক্ষোভ ও বিদ্রোহের কথা উচ্চারিত হয়েছে।
- কাজী নজরুল ইসলামের পরে সুকান্তের কবিতায় সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহের বাণী লক্ষ্য করা যায়।

ব্যাখ্যা:
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় সুকান্ত ভট্টাচার্য যৌবনের দুর্বার গতি, সাহসিকতা এবং উদ্দীপনাকে তুলে ধরেছেন।

কবিতাটির মূল বৈশিষ্ট্যই হলো:
- যৌবনের উদ্দীপনা;
- সাহসিকতা;
- দুর্বার গতি।

• আঠারো বছর বয়সকে কবি সকল বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করার শক্তি, দুঃসাহস ও প্রাণশক্তির প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। এই বয়সে থাকে অসীম সম্ভাবনা, বিদ্রোহ ও পরিবর্তনের স্পৃহা — যা কবিতার শেষ পঙক্তিতেও প্রকাশিত: 'এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'

সুতরাং, সঠিক উত্তর: ঘ) দুর্বার গতি ও সাহসিকতা।

অন্য অপশনগুলো (শান্তি-স্থিরতা, বিষাদ-নৈরাশ্য, প্রেম-রোমান্টিকতা) এই কবিতার মূল সুর নয়।

‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতা সম্পর্কিত আরো কিছু তথ্য:
- সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি তাঁর “ছাড়পত্র” কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- কবিতাটির স্তবক সংখ্যা আট। এবং কবিতাটি ৬ মাত্রায় মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
- ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার মূল বৈশিষ্ট্য- যৌবনের উদ্দীপনা, সাসিকতা এবং দুর্বার গতি।
- ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার শেষ পঙক্তি- ‘এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।’

সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো:
- পূর্বাভাস,
- ঘুম নেই,
- ছাড়পত্র,
- অভিযান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৯৩.
"হাড়ীত ভাত নাঁহি নিতি আবেশী।" - পদটি কে লিখেছেন?
  1. লুইপা
  2. ঢেণ্ডণপা
  3. কাহ্নপা
  4. ভুসুকুপা
সঠিক উত্তর:
ঢেণ্ডণপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢেণ্ডণপা
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদে ৬টি প্রবাদ বাক্য পাওয়া গেছে।
এগুলো হলো: 

• অপণা মাংসেঁ হরিণা বৈরী। (ভুসুকুপা, ৬ নম্বর পদ)
আধুনিক বাংলা : হরিণ তার নিজের মাংসের জন্যই সকলের শত্রু।

• হাথেরে কাঙ্কণ মা লোউ দাপণ। (সরহপা, ৩২ নম্বর পদ)
আধুনিক বাংলা : হাতের কঙ্কন দেখতে আয়নার দরকার নেই। নিজেই তুমি নিজের মন বোঝ।

• হাড়ীত ভাত নাঁহি নিতি আবেশী। (ঢেণ্ডণপা, ৩৩ নম্বর পদ)
আধুনিক বাংলা : হাঁড়িতে ভাত নেই কিন্তু নিত্য প্রেমিক আসে।

• দুহিল দুধু কি বেণ্টে ষামায়? (ঢেণ্ডণপা, ৩৩ নম্বর পদ)।
আধুনিক বাংলা : দোহন করা দুধ কি বাটে প্রবেশ করানো যায়?

• বর সুণ গোহালী কি মো দুঠ বলন্দে (সরহপা, ৩৯ নম্বর পদ)।
আধুনিক বাংলা : বরং শূন্য গোয়াল ভালো, কি করব আমি দুষ্ট বলদে।

• আণ চাহন্তে আণ বিনঠা (কঙ্কনপা, ৪৪ নম্বর পদ)।
আধুনিক  বাংলা : এক চাইতে অন্য বিনষ্ট হলো।

উৎস:
চর্যাপদ মূল বই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্যের কথা, ড, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, লাল নীল দীপাবলি, বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা, গোপাল হালদার।

১৯৪.
নিচের কোন পত্রিকাটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়নি?
  1. উত্তরাধিকার
  2. ধানশালিকের দেশ
  3. বার্তা
  4. ঢাকা নিউজ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা নিউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা নিউজ
ব্যাখ্যা

• 'ঢাকা নিউজ' পত্রিকা:
- ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা।
- এটি ছিলো ইংরেজি ভাষার একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৮৫৬ সালের ১৮ এপ্রিল আলেক্সান্ডার ফর্বেসের সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়। ১৮৬৯ সালে এর প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।
- এটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয়। 

• অন্যদিকে:
- বাংলা একাডেমি থেকে ছয়টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। 

• বাংলা একাডেমি পত্রিকা:
- গবেষণামূলক ত্রৈমাসিক।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উপর বিশেষ গুরুত্বসহ অন্যান্য বিষয়েও বাংলায় রচিত গবেষণামূলক প্রবন্ধ এতে প্রকাশিত হয়।

• উত্তরাধিকার:
- মাসিক পত্রিকা।
- এতে সৃজনশীল রচনা, যথা: গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, গ্রন্থ-সমালোচনা ইত্যাদি মুদ্রিত হয়।

• ধানশালিকের দেশ:
- ত্রৈমাসিক কিশোর পত্রিকা।
- কিশোরোপযোগী গল্প, কবিতা, ছড়া ইত্যাদি এই পত্রিকায় মুদ্রিত হয়।

• বাংলা একাডেমি বিজ্ঞান পত্রিকা:
- ষাণ্মাসিক এই পত্রিকাটি বিজ্ঞান বিষয়ক রচনার সমন্বয়ে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বাংলা একাডেমি জার্নাল:
- ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত ষাণ্মাসিক পত্রিকা।
- বাংলা সাহিত্যের নির্বাচিত রচনা ইংরেজির অনুবাদ এবং বাংলা সাহিত্য ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইংরেজি ভাষায় রচিত মৌলিক রচনা এতে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বার্তা:
- একাডেমির কার্যক্রম ও যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বিবরণ এতে উপস্থাপিত হয়ে থাকে।
- বর্তমানে এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

সূত্র: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১৯৫.
"সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি।
আদেশ করেন যাহা মোর গুরুজনে,
আমি যেন সেই কাজ করি ভালো মনে।" - কবিতাংশের লেখক কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম 
  2. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
  3. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
  4. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
মদনমোহন তর্কালঙ্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মদনমোহন তর্কালঙ্কার
ব্যাখ্যা

• "সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি।
আদেশ করেন যাহা মোর গুরুজনে,
আমি যেন সেই কাজ করি ভাল মনে।" - কবিতাংশটুকু মদনমোহন তর্কালঙ্কার এর 'আমার পণ' কবিতার অন্তর্গত।

---------------------
• মদনমোহন তর্কালঙ্কার:
- পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার বিল্বগ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পারিবারিক উপাধি ‘চট্টোপাধ্যায়’ হলেও প্রাপ্ত উপাধি ‘তর্কালঙ্কার’ হিসেবেই তিনি সুপরিচিত।
- তিন খণ্ডে প্রকাশিত তাঁর শিশু শিক্ষা (১৮৪৯ ও ১৮৫৩) শিশুদের উপযোগী একটি অনন্যসাধারণ গ্রন্থ।
- ‘পাখী সব করে রব রাতি পোহাইল’ শিশুপাঠ্য এই বিখ্যাত কবিতাটি তাঁরই রচনা।

মদনমোহনের মৌলিক কাব্যগ্রন্থ:
- রসতরঙ্গিণী (১৮৩৪) ও
- বাসবদত্তা (১৮৩৬)।

------------------------
আমার পণ-কবিতা,
- মদনমোহন তর্কালঙ্কার।

সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি।
আদেশ করেন যাহা মোর গুরুজনে,
আমি যেন সেই কাজ করি ভাল মনে।
ভাইবোন সকলেরে যেন ভালবাসি,
এক সাথে থাকি যেন সবে মিলেমিশি।
ভাল ছেলেদের সাথে মিশে করি খেলা,
পাঠের সময় যেন নাহি করি হেলা।
সুখী যেন নাহি হই আর কারো দুখে,
মিছে কথা কভু যেন নাহি আসে মুখে।
সাবধানে যেন লোভ সামলিয়ে থাকি,
কিছুতে কাহারে যেন নাহি দেই ফাঁকি।
ঝগড়া না করি যেন কভু কারো সনে
সকালে উঠিয়া এই বলি মনে মনে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।