পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়35 minutes৪০ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৪১
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ২৬: বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. শব্দপ্রকরণ [সমাস; উপসর্গ ও অনুসর্গ] ২. পদ-প্রকরণ [পদ ও এর শ্রেণিবিভাগ] ৩. বাক্য প্রকরণ [বাক্য ও বাক্যের প্রকারভেদ; বাক্য ও উক্তির পরিবর্তন; কারক ও বিভক্তি; বাচ্য ও বাচ্যের পরিবর্তন।] এবং বিষয় - মানসিক দক্ষতা টপিকসমূহ: ১. বানান ও ভাষা (Spelling and Language) ২. যান্ত্রিক দক্ষতা (Mechanical Reasoning)"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪১ প্রশ্ন

.
‘ঠিকভাবে চললে কেউ কিছু বলবে না।’ - এখানে ‘ঠিকভাবে’ কোন পদের উদাহরণ?
  1. বিশেষ্য
  2. যোজক
  3. বিশেষণ
  4. ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়া বিশেষণ:
যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে। ক্রিয়া বিশেষণকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

• ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: কোনাে ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয়, ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ তা নির্দেশ করে।
যেমন:
- টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে।
- ঠিকভাবে চললে কেউ কিছু বলবে না।

• কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: এই ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে।
যেমন:
- যথাসময়ে সে হাজির হয়।
- ভোর না হতেই পাখির ডাক শোনা গেল।
- আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি।

• স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
যেমন:
- মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়।
- মেয়ে দুটি ছাদের ওপরে হাঁটছে।
- তুমি কবে লন্ডন যাচ্ছ?

• নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: না, নি ইত্যাদি দিয়ে ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা বোঝায়।
যেমন:
- তিনি আর এখন ক্রিকেট খেলেন না
- তিনি বেড়াতে যাননি
- এমন কথা আমার জানা নেই

• পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ: 'কি', 'যে', 'বা', 'না', 'ত' ইত্যাদি পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
যেমন:
- আমি কি যাব?
- খুব যে বলে ছিলেন আসবেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ।
.
‘গণতন্ত্র’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. কর্মধারয় সমাস
  3. তৎপুরুষ সমাস
  4. দ্বন্দ্ব সমাস
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

[অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

• ব্যাসবাক্য অনুসারে ‘গণতন্ত্র’ শব্দটি তৎপুরুষ ও কর্মধারয় উভয় সমাস হয়।

- গণ নিয়ন্ত্রিত তন্ত্র = গণতন্ত্র (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস)।
- গণের তন্ত্র = গণতন্ত্র (ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস)।

---------------------------
• তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।

• ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস:
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লােপ পায় তাকে বলা হয় ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলা হয়।
যেমন:
- চায়ের বাগান = চাবাগান,
- রাজার পুত্র = রাজপুত্র,
- গণের তন্ত্র = গণতন্ত্র,
- খেয়ার ঘাট= খেয়াঘাট,
- ছাত্রের সমাজ = ছাত্রসমাজ,
- দেশের সেবা = দেশসেবা,
- দিল্লীর ঈশ্বর = দিল্লীশ্বর,
- পাটের ক্ষেত = পাটক্ষেত,
- ছবির ঘর = ছবিঘর,
- বিড়ালের ছানা = বিড়ালছানা
- মৃগীর শিশু = মৃগশিশু ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
‘ফলে বৃক্ষের পরিচয়’- বাক্যে ‘ফলে’ কোন কারক?
  1. অধিকরণ কারক
  2. করণ কারক
  3. অপাদান কারক
  4. কর্ম কারক
ব্যাখ্যা
• করণ কারক:
যার দ্বারা বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে। ‘করণ' শব্দের অর্থ উপায় বা সহায়।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে 'কার দ্বারা বা কী উপায়ে জিজ্ঞাসা করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক।

যেমন:
- ফলে বৃক্ষের পরিচয়।
[বাক্যটিকে কার দ্বারা/ কী উপায়ে পরিচয়? প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় ফলে। সুতরাং ‘ফলে’ করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।]

• করণ কারকে বিভক্তির ব্যবহার:
করণ কারকে সাধারণত দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি তৃতীয়া - বিভক্তির (অনুসর্গের) ব্যবহার হয়।

• তবে অন্য বিভক্তিগুলোরও প্রয়োগ রয়েছে-
- করণ কারকে ‘দ্বারা বিভক্তি (অনুসর্গ) - তোমাদের দ্বারা দেশের ক্ষতি হবে।
- করণ কারকে ‘দিয়া বিভক্তি (অনুসর্গ) - তোমার লোক দিয়ে কাজটা করাবে।
- করণ কারকে শূন্য (০) বা অ-বিভক্তি - রফিক তাস খেলে।
- করণ কারকে এ-বিভক্তি - গ্যাসে গাড়ি চলে।
- করণ কারকে য়-বিভক্তি - টাকায় টাকা হয়।
- করণ কারকে তে-বিভক্তি - তার কথা যেন মধুতে মাখা।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘আনন্দ’ কোন পদের উদাহরণ?
  1. আবেগ
  2. ক্রিয়া বিশেষণ
  3. বিশেষ্য
  4. বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• ‘আনন্দ’ গুণবাচক বিশেষ্য পদের উদাহরণ।

--------------------------
• বিশেষ্য পদ:

যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য বলে। যেমন নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা ইত্যাদি। বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার:
১. নাম-বিশেষ্য,
২. জাতি-বিশেষ্য,
৩. বস্তু-বিশেষ্য,
৪. সমষ্টি-বিশেষ্য,
৫. গুণ-বিশেষ্য এবং
৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য।

• নাম-বিশেষ্য: ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নামকে নাম-বিশেষ্য বলা হয়।
যেমন:
ব্যক্তিনাম: হাবিব, সজল, লতা, শম্পা।
স্থাননাম: ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা।
কালনাম: সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।
সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।

• জাতি-বিশেষ্য: জাতি-বিশেষ্য সাধারণ-বিশেষ্য নামেও পরিচিত। এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী ও অপ্রাণীর সাধারণ নামকে বোঝায়। যেমন: মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল, নদী, সাগর, পর্বত ইত্যাদি।

• বস্তু-বিশেষ্য: কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে। যেমন: ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।

• সমষ্টি-বিশেষ্য: এ ধরনের বিশেষ্য দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। যেমন: জনতা, পরিবার, ঝাঁক, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।

• গুণ-বিশেষ্য: গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে। যেমন: সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।

• ক্রিয়া-বিশেষ্য: যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে। যেমন: পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
‘আন, ভর, সা’ কোন শ্রেণির উপসর্গ?
  1. সংস্কৃত উপসর্গ
  2. বিদেশী উপসর্গ
  3. খাঁটি বাংলা উপসর্গ
  4. আরবি উপসর্গ
ব্যাখ্যা
• আন, ভর, সা ইত্যাদি খাঁটি বাংলা উপসর্গ।

---------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যে সকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
‘সবাই জানেন যে, কালো টাকার মালিকগণ সুখী হন না।’ কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
  1. যৌগিক বাক্য
  2. খণ্ডিত বাক্য
  3. সরল বাক্য
  4. জটিল বাক্য
ব্যাখ্যা
• জটিল বাক্য:
একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল বাক্য তৈরি হয়।

যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবু, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে।

যেমন:
- সবাই জানেন যে, কালো টাকার মালিকগণ সুখী হন না।
- যে পরিশ্রম করে সেই সুখলাভ করে।
- লেখাপড়া করে যেই গাড়ি ঘোড়া চড়ে সেই।
- যখন রৌদ্রতাপ কমবে তখন পরামর্শ করা যাবে।
- যদি সে কাল আসে তাহলে আমি যাবো।
- যখন বিপদ আসে তখন দুঃখও আসে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. মৌমাছি
  2. সিংহাসন
  3. আত্মজীবনী
  4. বিশ্বমিত্র
ব্যাখ্যা
• মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ নয়- বিশ্বমিত্র।

• মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস:

যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা,
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ,
- মৌ সঞ্চয়কারী মাছি = মৌমাছি,
- পল (মাংশ) মিশ্রিত অন্ন = পলান্ন,
- আত্ম লিখিত জীবনী = আত্মজীবনী।

অন্যদিকে,
• বহুব্রীহি সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলাের কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে কোন নতুন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- দশ আনন যার = দশানন,
- চার পা বিশিষ্ট প্রাণী = চতুষ্পদ,
- পদ্ম নাভিতে যার = পদ্মনাভ,
- দিক অম্বর যার = দিগম্বর,
- বিশ্ব মিত্র যার = বিশ্বমিত্র,
- নীল অম্বর যার = নীলাম্বর। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
‘খেজুর রসে গুড় হয়।’- বাক্যে ‘রসে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. অপাদানে ৭মী
  2. কর্মে ৭মী
  3. করণে ৭মী
  4. কর্তায় ৭মী
ব্যাখ্যা
• অপাদান কারক:
যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
যেমন:
- বিচ্যুত: মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।
- গৃহীত: দুধ থেকে দই হয়। 
- বিরত: পাপে বিরত হও।
- জাত: খেজুর রসে গুড় হয়।
[বাক্যকে কী হইতে গুড় হয়? প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় রসে। সুতরাং রসে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।] 

[অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তি ছাড়াও হইতে, হতে, থেকে, দিয়া, দিয়ে ইত্যাদি অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়।]

অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ:
• প্রথমা বা শূন্য বা 'অ' বিভক্তি:
- বোঁটা-আলগা ফল গাছে থাকে না।
- 'মনে পড়ে সেই জ্যৈষ্ঠ দুপুরে পাঠশালা পলায়ন।'

• দ্বিতীয়া বা 'কে' বিভক্তি: বাবাকে বড্ড ভয় পাই।

• ষষ্ঠী বা 'এর' বিভক্তি: যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধে হয়।

• সপ্তমী বা 'এ' বিভক্তি:
- লোকমুখে শুনেছি।
- তিলে তৈল হয়।
- বিপদে মোরে করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা।
- জলে বাষ্প হয়।
- য় বিভক্তি: টাকায় টাকা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
সাম্যক অর্থে তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. অনুচর
  2. অবগত
  3. অধিপতি
  4. আবডাল
ব্যাখ্যা
• সাম্যক অর্থে ‘অব’ তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ - অবগত।

অন্যদিকে,
• পশ্চাৎ অর্থে ‘অনু’ তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ - অনুচর।
• অধিপত্য অর্থে ‘অধি’ তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ - অধিপতি।
• অস্পষ্টতা বোঝাতে ‘আব’ খাঁটি বাংলা উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ - আবডাল।

-------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যে সকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
কর্তৃবাচ্যের বাক্যকে কর্মবাচ্যে রূপান্তরের ক্ষেত্রে কর্মে কোন বিভক্তি হয়?
  1. দ্বিতীয়া
  2. শূন্য
  3. তৃতীয়া
  4. পঞ্চমী
ব্যাখ্যা
• কর্তৃবাচ্য থেকে কর্মবাচ্যে রূপান্তরের নিয়ম:
- কর্তৃবাচ্যের বাক্যকে কর্মবাচ্যে পরিবর্তিত করতে হলে- কর্তায় তৃতীয়া, কর্মে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং ক্রিয়া কর্মের অনুসারী হয়।

- জ্ঞাতব্য: কর্তৃবাচ্যের ক্রিয়া অকর্মক হলে সেই বাক্যের কর্মবাচ্য হয় না।

উদাহরণ:
• কর্তৃবাচ্য: বিদ্বানকে সকলেই আদর করে।
• কর্মবাচ্য: বিদ্বান সকলের দ্বারা আদৃত হন।

• কর্তৃবাচ্য: খোদাতায়ালা বিশ্বজগৎ সৃষ্টি করেছেন।
• কর্মবাচ্য: বিশ্বজগৎ খোদাতায়ালা কর্তৃক সৃষ্ট হয়েছে।

• কর্তৃবাচ্য: মুবারক পুস্তক পাঠ করছে।
• কর্মবাচ্য: মুবারক কর্তৃক পুস্তক পঠিত হচ্ছে।

[লক্ষণীয়: কর্তৃবাচ্যে ব্যবহৃত তৎসম মিশ্রক্রিয়াটি কর্মবাচ্যে যৌগিক ক্রিয়াজাত ক্রিয়াবিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হয়।]

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
‘তোমাকে দিয়ে এ কাজ সম্ভব!’- বাক্যে ‘দিয়ে’ কোন পদ?
  1. উপসর্গ
  2. যোজক
  3. অনুসর্গ
  4. আবেগ
ব্যাখ্যা
• ‘দিয়ে’ অনুসর্গ পদের উদাহরণ।

• অনুসর্গ:

যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।
যেমন:
- রুনা অপেক্ষা পুতুলের পরীক্ষা ভালো হয়েছে।
- কোন পর্যন্ত পড়েছ?
[উপরের বাক্যে ব্যবহৃত ‘অপেক্ষা’ ও ‘পর্যন্ত’ অনুসর্গের উদাহরণ।]

• এরূপ আরো কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ হলো:
অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, থেকে, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতিত, ভিতরে, মতো, মধ্যে, লেগে, সঙ্গে, সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি।

• যেসব শব্দের পরে অনুসর্গ বসে, সেসব শব্দের সঙ্গে ‘কে’ ‘রে’ ইত্যাদি বিভক্তিও যুক্ত হতে পারে।
যেমন:
- তোমাকে দিয়ে এ কাজ সম্ভব!

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
১২.
‘আজ’ এর পরােক্ষরূপ কোনটি?
  1. আগেরদিন
  2. পূর্বদিন
  3. সেদিন
  4. পরদিন
ব্যাখ্যা
• উক্তি:
বক্তার কথা উপস্থাপনের ধরনকে উক্তি বলে। উক্তি দুই প্রকার: প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরােক্ষ উক্তি। যেমন:

• প্রত্যক্ষ উক্তি:
যে উক্তিতে বক্তার কথা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়, তাকে বলে প্রত্যক্ষ উক্তি।
যেমন:
- ছেলেটি বলেছিল, “আজ আমি অনেক পড়েছি।”- এটি প্রত্যক্ষ উক্তি।

• পরােক্ষ উক্তি:
যে উক্তিতে বক্তার কথা অন্যের দ্বারা বর্ণিত হয়, তাকে বলে পরােক্ষ উক্তি।
যেমন:
ছেলেটি বলেছিল যে, সেদিন সে অনেক পড়েছে।- এটি পরােক্ষ উক্তি।

প্রত্যক্ষ উক্তির বাক্যের সর্বনাম এবং কালসূচক শব্দের পরােক্ষ উক্তিতে নিম্নলিখিত পরিবর্তন সংঘটিত হয়।
• উক্তির প্রত্যক্ষ ও পরােক্ষরূপ:
- এই - সেই।
- ইহা - তাহা।
- এ - সে
- এখন - তখন।
- আগামীকাল - পরদিন ।
- গতকাল - আগেরদিন।
- আজ - সেদিন।
- ওখানে - ঐখানে।
- গতকল্য - পূর্বদিন।
- এখানে - সেখানে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।
১৩.
‘পাগলে কি না বলে, ছাগলে কি না খায়।’- এখানে ‘পাগলে’ কোন কারক?
  1. করণ কারক
  2. কর্তৃ কারক
  3. কর্ম কারক
  4. সম্বন্ধ কারক
ব্যাখ্যা
• কর্তৃকারক:
- বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।
- ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
যেমন:
- খোকা বই পড়ে। (কে পড়ে? খোকা - কর্তৃকারক)
- মেয়েরা ফুল তোলে। (কে তোলে? মেয়েরা - কর্তৃকারক)
- পাগলে কি না বলে, ছাগলে কি না খায়। (কে বলে? পাগলে- কর্তায় সপ্তমী)

এরূপ-
- গরুতে গাড়ি টানে।- এই বাক্যে ‘গরুতে’ কর্তৃকারক।
[কারণ গাড়ি টানার কাজ গরু নিজেই করছে। সুতরাং এখানে ‘গরুতে’ কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি।]

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
‘শিমুল গাছটা বড় হলে চারদিকে তুলো ছড়িয়ে অস্থির করে দেবে।’- কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
  1. মিশ্র বাক্য
  2. সরল বাক্য
  3. জটিল বাক্য
  4. যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা
• সরল বাক্য:
বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন:
- পুকুরে পদ্মফুল জন্মে।
- তোমরা বাড়ি যাও।
- শিমুল গাছটা বড় হলে চারদিকে তুলো ছড়িয়ে অস্থির করে দেবে।
- পয়লা পয়লা কাজে নেমে সবাই ভিমরি ভায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
‘চালাক ছেলে’ এখানে ‘চালাক’ কোন পদের উদাহরণ?
  1. বিশেষ্য
  2. ক্রিয়া
  3. বিশেষণ
  4. ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• বিশেষণ পদ:
যে শব্দ দিয়ে সাধারণত বিশেষ্য ও সর্বনামের গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায়, তাকে বিশেষণ বলে। যেমন সুন্দর ফুল, বাজে কথা, পঞ্চাশ টাকা, হাজার সমস্যা, তাজা মাছ।

বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ
কোন কোন শ্রেণির শব্দকে বিশেষিত করে, সেই অনুযায়ী বিশেষণকে আলাদা করা যায়। বিশেষণ শব্দটি কীভাবে গঠিত হয়েছে, সেই বিবেচনায়ও বিশেষণকে ভাগ করা সম্ভব। এছাড়া বাক্যের মধ্যে বিশেষণটির অবস্থান কোথায় তা দিয়েও বিশেষণকে চিহ্নিত করা যায়। এসব বিবেচনায় বিশেষণকে নানা নামে উপস্থাপন করা যেতে পারে। যথা:

• বর্ণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে রং নির্দেশ করা হয়, তাকে বর্ণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: নীল আকাশ, সবুজ মাঠ, লাল ফিতা এখানে 'নীল', 'সবুজ' বা 'লাল' হলো বর্ণবাচক বিশেষণ।

• গুণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: চালাক ছেলে, ঠান্ডা পানি- এখানে 'চালাক' ও 'ঠান্ডা' হলো গুণবাচক বিশেষণ।

• অবস্থাবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে অবস্থা বোঝায়, তাকে অবস্থাবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: চলন্ত ট্রেন, তরল পদার্থ- এখানে 'চলন্ত' ও 'তরল' অবস্থাবাচক বিশেষণ।

• ক্রমবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে ক্রমসংখ্যা বোঝায়, তাকে ক্রমবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: এক টাকা, আট দিন এখানে 'এক' ও 'আট' ক্রমবাচক বিশেষণ।

• পূরণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পূরণসংখ্যা বোঝায়, তাকে পূরণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: তৃতীয় প্রজন্ম, ৩৪তম অনুষ্ঠান এখানে 'তৃতীয়' ও '৩৪তম' পূরণবাচক বিশেষণ।

• পরিমাণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পরিমাণ বা আয়তন বোঝায়, তাকে পরিমাণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: আধা কেজি চাল, অনেক লোক এখানে 'আধা কেজি' ও 'অনেক' পরিমাণবাচক বিশেষণ।

• উপাদানবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে উপাদান নির্দেশ করে, তাকে উপাদানবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: বেলে মাটি, পাথুরে মূর্তি এখানে 'বেলে' ও 'পাথুরে' উপাদানবাচক বিশেষণ।

• প্রশ্নবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে প্রশ্নবাচকতা নির্দেশিত হয়, তাকে প্রশ্নবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: কেমন গান? কতক্ষণ সময়? এখানে 'কেমন' ও 'কতক্ষণ' প্রশ্নবাচক বিশেষণ।

• নির্দিষ্টতাবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে বিশেষিত শব্দকে নির্দিষ্ট করা হয়, তাকে নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: এই দিনে, সেই সময় এখানে 'এই' ও 'সেই' নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ।

• ভাববাচক বিশেষণ:
যেসব বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে, সেসব বিশেষণকে ভাববাচক বিশেষণ বলে। যেমন: 'খুব ভালো খবর' ও 'গাড়িটা বেশ জোরে চলছে' এসব বাক্যে 'খুব' এবং 'বেশ' ভাববাচক বিশেষণ।

• বিধেয় বিশেষণ:
বাক্যের বিধেয় অংশে যেসব বিশেষণ বসে, সেব বিশেষণকে বিধেয় বিশেষণ বলে।
যেমন: ‘লোকটা পাগল’ বা ‘এই পুকুরের পানি ঘোলা’- বাক্য দুটির ‘পাগল’ ও ‘ঘোলা’ বিধেয় বিশেষণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩-সংস্করণ)।
১৬.
কর্তাবাচ্যের বাক্যকে ভাববাচ্যে রূপান্তরিত করতে হলে কোন পদকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়?
  1. ক্রিয়া-বিশেষ্য
  2. বিশেষ্য
  3. বিশেষণ
  4. ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• কর্তৃবাচ্য থেকে ভাববাচ্যে রূপান্তরের নিয়ম:
কর্তাবাচ্যের বাক্যকে ভাববাচ্যে রূপান্তরিত করতে হলে একটি ক্রিয়া-বিশেষ্যকে নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় নিয়ে আসতে হয়।
যেমন:
• কর্তৃবাচ্য: আমি যাব না।
• ভাববাচ্য: আমার যাওয়া হবে না।

• কর্তৃবাচ্য: তুমিই ঢাকা যাবে।
• ভাববাচ্য: তোমাকেই ঢাকা যেতে হবে।

• কর্তৃবাচ্য: তোমরা কখন এলে?
• ভাববাচ্য: তোমাদের এখন আসা হলো?

• কর্তৃবাচ্য: তুমি এখন এলে?
• ভাববাচ্য: তোমার এখন আসা হলো?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।
১৭.
‘বসার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।’- এখানে ‘তাই’ কোন পদের উদাহরণ?
  1. অনুসর্গ
  2. যোজক
  3. আবেগ
  4. উপসর্গ
ব্যাখ্যা
• যোজক:
পদ, বর্গ বা বাক্যকে যেসব শব্দ যুক্ত করে, সেগুলোকে যোজক বলে। যেমন- এবং, ও, আর, অথবা, তবু, সুতরাং, কারণ, তবে ইত্যাদি। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী যোজককে ৫টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়:

• সাধারণ যোজক: এ ধরনের যোজক দুটি শব্দ বা বাক্যকে যোগ করে।
যেমন:
- রহিম ও করিম এই কাজটি করেছে।
- জলদি দোকানে যাও এবং পাউরুটি কিনে আনো।

• বিকল্প যোজক: এ ধরনের যোজক একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে।
যেমন:
- লাল বা নীল কলমটা আনো।
- চা না-হয় কফি খান।

• বিরোধ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের সংযোগ ঘটায় এবং প্রথম বাক্যের বক্তব্যের সঙ্গে বিরোধ তৈরি করে।
যেমন:
- এত পড়লাম, কিন্তু পরীক্ষায় ভালো করতে পারলাম না।
- তাকে আসতে বললাম, তবু এল না।

• কারণ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় যার একটি অন্যটির কারণ।
যেমন:
- জিনিসের দাম বেড়েছে, কারণ চাহিদা বেশি।
- বসার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।

• সাপেক্ষ যোজক: এ ধরনের যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- যদি রোদ ওঠে, তবে রওনা দেব।
- যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩-সংস্করণ)।
১৮.
নিচের কোনটি অনুসর্গের উদাহরণ?
  1. কারণ ও তবে
  2. জন্য ও ছাড়া
  3. সাব ও ফুল
  4.  অপর ও পর
ব্যাখ্যা
• অনুসর্গ:
যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।
যেমন:
- রুনা অপেক্ষা পুতুলের পরীক্ষা ভালো হয়েছে।
- কোন পর্যন্ত পড়েছ?
[উপরের বাক্যে ব্যবহৃত ‘অপেক্ষা’ ও ‘পর্যন্ত’ অনুসর্গের উদাহরণ।]

• এরূপ আরো কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ হলো:
অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, থেকে, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতিত, ভিতরে, মতো, মধ্যে, লেগে, সঙ্গে, সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি।

• যেসব শব্দের পরে অনুসর্গ বসে, সেসব শব্দের সঙ্গে ‘কে’ ‘রে’ ইত্যাদি বিভক্তিও যুক্ত হতে পারে।
যেমন:
- তোমাকে দিয়ে এ কাজ সম্ভব!

অন্যদিকে,
• অপর, পর - অন্যবাচক সর্বনাম।
• সাব ও ফুল- ইংরেজি উপসর্গ।
• কারণ ও তবে- যোজকের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
১৯.
প্রত্যক্ষ উক্তির যেখান থেকে উদ্ধারচিহ্ন শুরু হয়, পরোক্ষ উক্তিতে সেখানে উদ্ধারচিহ্নের পরিবর্তে কোন পদ বসে?
  1. সর্বনাম
  2. উপসর্গ
  3. অনুসর্গ
  4. যোজক
ব্যাখ্যা
• উক্তি:
বক্তার কথা উপস্থাপনের ধরনকে উক্তি বলে। উক্তি দুই প্রকার: প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরােক্ষ উক্তি।

উক্তি পরিবর্তনের কিছু নিয়মসমূহ:
১. প্রত্যক্ষ উক্তির যেখান থেকে উদ্ধারচিহ্ন শুরু হয়, পরোক্ষ উক্তিতে সেখানে যোজক 'যে' বসে এবং উদ্ধারচিহ্ন উঠে যায়।
যেমন-
• প্রত্যক্ষ উক্তি: নেতা বললেন, "আমি জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে চাই।"
• পরোক্ষ উক্তি: নেতা বললেন যে, তিনি জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে চান।

২. অর্থের সংগতি রাখার জন্য বাক্যে ব্যবহৃত সর্বনামের পরিবর্তন প্রয়োজন হয়।
যেমন-
• প্রত্যক্ষ উক্তি: রাজীব বললো, "আমি বাগান করা পছন্দ করি।”
• পরোক্ষ উক্তি: রাজীব বললো যে, সে বাগান করা পছন্দ করে।

• প্রত্যক্ষ উক্তি: মিহির বললো, "আমার জানামতে সবুজ এ বাসায় থাকে।
• পরোক্ষ উক্তি: মিহির বললো যে, তার জানামতে সবুজ সে বাসায় থাকতো।

৩. পরোক্ষ উক্তিতে কর্তা অনুযায়ী ক্রিয়ারূপের পরিবর্তন করতে হয়।
যেমন-
• প্রত্যক্ষ উক্তি: লিপি বলল, "আমি এখনই বের হচ্ছি।"
• পরোক্ষ উক্তি: লিপি বলল যে, সে তখনই বের হচ্ছে।

৪. প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তন করার সময়ে কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন হয়।
যেমন:
• প্রত্যক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন, "আমি আগামীকাল এখানে আবার আসব।”
• পরোক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন যে, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
২০.
‘অসহায়কে সাহায্য করো।’- এখানে ‘অসহায়কে’ কোন কারক?
  1. কর্তৃ কারক
  2. অধিকরণ কারক
  3. কর্ম কারক
  4. করণ কারক
ব্যাখ্যা
• কর্ম কারক:
যাকে অবলম্বন করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে ক্রিয়ার কর্ম বা কর্ম কারক বলে। ক্রিয়াকে কি/কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই কর্ম কারক।
যেমন:
- শিক্ষককে জানাও।
- অসহায়কে সাহায্য করো।
[এখানে, 'কাকে সাহায্য করো?' প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'অসহায়কে'। সুতরাং, 'অসহায়কে' এখানে কর্ম কারক।]

কাব্যভাষায় কর্মকারকে 'রে' বিভক্তি হয়।
যেমন:
- আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ১৯ সংস্করণ)।
২১.
নিচের কোন বাক্যে আকাঙ্ক্ষা গুণের অভাব পরিলক্ষিত?
  1. সূর্য পশ্চিম দিকে উঠছে।
  2. কাজল নিয়মিত লেখাপড়া।
  3. নিয়মিত করে হাসান লেখাপড়া।
  4. বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে।
ব্যাখ্যা
কটি আদর্শ বাক্যের জন্যে তিনটি গুণ থাকা থাকা জরুরি। যথা:
• আকাঙ্ক্ষা:
বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণে এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা বা প্রয়াস তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে।
যেমন:
- ছেলেরা খেলে।
- কাজল নিয়মিত লেখাপড়া।

উপরের দু'টি বাক্যই অসম্পূর্ন অর্থাৎ বাক্যে আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হয়নি। বাক্যগুলো এভাবে পরিপূর্ণ করা যায়-
- ছেলেরা ফুটবল খেলে।
- কাজল নিয়মিত লেখাপড়া করে।

• আসত্তি:
বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষায় সুনির্দিষ্ট পদবিন্যাসই হল-আসত্তি।
- নিয়মিত করে হাসান লেখাপড়া।

উপরের বাক্যে পদ সন্নিবেশ ঠিকঠাক না হওয়ায় শব্দগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব প্রকাশ হয়নি। বাক্যটি এভাবে পরিপূর্ণ করা যায়-
- হাসান নিয়মিত লেখাপড়া করে। এখন বাক্যটি আসত্তিসম্পন্ন।

• যোগ্যতা:
বাক্যের অন্তর্গত পদসমূহের বিশ্বাসযোগ্য ভাবসম্মিলনের নাম হল যোগ্যতা।
- ‘বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে’।
- সূর্য পশ্চিম দিকে উঠছে।


উপরের বাক্যটি ভাব প্রকাশে যোগ্যতা হারিয়েছে। কেননা রোদ কখনো প্লাবন সৃষ্টি করতে পারে না এবং সূর্য পশ্চিম দিকে উঠেনা। তাই যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্যটি হবে-
- বর্ষার বৃষ্টি প্লাবনের সৃষ্টি করে।
- সূর্য পূর্ব দিকে উঠছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড.সৌমিত্র শেখর।
২২.
‘কুমারী ফুলের ন্যায়’ ব্যাসবাক্যটি কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. রূপক কর্মধারয়
  2. উপমান কর্মধারয়
  3. উপমিত কর্মধারয়
  4. উপপদ তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
• উপমিত কর্মধারয়:
যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমেয়। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয়। এগুলােকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- নয়ন পদ্মের ন্যায় = নয়নপদ্ম;
- আঁখি পদ্মের ন্যায় = পদ্মআঁখি;
- কুমারী ফুলের ন্যায় = ফুলকুমারী;
- পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ;
- মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ।

[এই সমাসে উভয় পদই বিশেষ্য হয়।]

অন্যদিকে,
• উপমান কর্মধারয় সমাস:
যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়। এগুলােকে উপমান কর্মধারয় বলে।
যেমন:
- কাজলের মতাে কালাে = কাজলকালাে;
- শশের মতাে ব্যস্ত = শশব্যস্ত;
- কুসুমের ন্যায় কোমল = কুসুমকোমল।

[এই সমাসে পরপদ সাধারণত বিশেষণ হয়।]

• রূপক কর্মধারয় সমাস:
কিছু কর্মধারয় নমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয় । এগুলোকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু;
- মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।

• উপপদ তৎপুরুষ সমাস:
যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস।
যেমন:
- জলে চরে যা = জলচর।
- জল দেয় যে = জলদ।
- পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৩.
‘হতে, থেকে’ কোন পদের উদাহরণ?
  1. যোজক
  2. অনুসর্গ
  3. আবেগ
  4. উপসর্গ
ব্যাখ্যা
• হতে ও থেকে শব্দদুটি অনুসর্গ পদের উদাহরণ।

--------------------
• অনুসর্গ:
যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।
যেমন:
- রুনা অপেক্ষা পুতুলের পরীক্ষা ভালো হয়েছে।
- কোন পর্যন্ত পড়েছ?
[উপরের বাক্যে ব্যবহৃত ‘অপেক্ষা’ ও ‘পর্যন্ত’ অনুসর্গের উদাহরণ।]

• এরূপ আরো কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ হলো:
অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, থেকে, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতিত, ভিতরে, মতো, মধ্যে, লেগে, সঙ্গে, সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি।

• যেসব শব্দের পরে অনুসর্গ বসে, সেসব শব্দের সঙ্গে ‘কে’ ‘রে’ ইত্যাদি বিভক্তিও যুক্ত হতে পারে।
যেমন:
- তোমাকে দিয়ে এ কাজ সম্ভব!

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
২৪.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. অপ্রয়োজনিয়
  2. অন্থবিহিন
  3. অনুবর্তিতা
  4. প্রতীরূপিকরন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বানানটি শুদ্ধ?

সমাধান:
সঠিক বানানটি হলো অনুবর্তিতা।

অন্যান্য অপশন সমূহের সঠিক বানান:
অপ্রয়োজনিয় ⇒ অপ্রয়োজনীয়
অন্থবিহিন ⇒ অন্তবিহীন
প্রতীরূপিকরন ⇒ প্রতিরূপীকরণ

উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ। 
২৫.
রাস্তায় ব্যাংকিং করা হয় কেন?
  1. কেন্দ্র বিমুখি বল দেয়ার জন্য
  2. গাড়িতে জ্বালানির অপচয় রোধের জন্য
  3. কেন্দ্ৰ মুখি বল দেয়ার জন্য
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: রাস্তায় ব্যাংকিং করা হয় কেন?

সমাধান:
• রাস্তায় ব্যাংকিং সাধারণত কেন্দ্ৰ মুখি বল (centripetal force) দেয়ার জন্য করা হয়। ব্যাংকিং একটি রাস্তার বাঁকে রাস্তার বিপরীত অংশকে উঁচু করে দেয় যাতে গাড়ি বাঁক নেয়ার সময় কেন্দ্ৰ মুখি বল কম বেশি হওয়া যায়। এতে গাড়ির গ্রিপ ভাল থাকে এবং বিপরীত দিকে গাড়ির পিছলে যাবার সম্ভাবনা কমে।

[- রাস্তার বাঁকে গাড়ি চালনার জন্য কেন্দ্রমুখী বলের প্রয়োজন।
- প্রয়োজনীয় কেন্দ্রমুখী বল না পেলে গাড়ি গতিজড়তার দরুণ বাকাঁ পথের স্পর্শক বরাবর ছিটকে চলে যেতে পারে।
- কেন্দ্রমুখী বল পাবার জন্য গাড়িকে কেন্দ্রের দিকে কাত করানো প্রয়োজন।
- সাইকেল আরোহীর ক্ষেত্রে যেটি করা সম্ভব। কিন্তু গাড়ি বা ট্রেনের চালকের ক্ষেত্রে এটি অসম্ভব। যার ফলে কেন্দ্রের দিকে কাত করার জন্য গাড়ির গতি পথকেই কেন্দ্রের দিকে হেলানো রেখে তৈরী করা হয়।
- কেন্দ্রের দিকে ঢালু করে তৈরী করাকে বলা হয় রাস্তার ব্যাংকিং।]

২৬.
প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে কোনটি ইংরেজি অভিধানের প্রথমে আসবে?
  1. Mandarin
  2. Mango
  3. Magic
  4. Map
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে কোনটি ইংরেজি অভিধানের প্রথমে আসবে?

সমাধান:
অপশন সমূহের শব্দগুলোর অভিধান ক্রম হবে: Magic, Mandarin, Mango, Map.

[- প্রথমে 'Magic' আসবে কারণ 'Ma' এর পরবর্তী অক্ষর 'g', যা অন্য শব্দগুলির 'n' বা 'p' এর আগে আসে।
- এরপর 'Mandarin' আসবে কারণ 'Ma' এর পরবর্তী অক্ষর 'n', যা 'p' এর আগেই আসে।
- এরপর 'Mango' আসবে কারণ 'Ma' এর পরবর্তী অক্ষর 'n' হলেও 'Mandarin' এর পরে আসে।
- সবশেষে 'Map' আসবে কারণ 'Ma' এর পরবর্তী অক্ষর 'p', যা বাকি সব শব্দের পরে আসে।]
২৭.
বাহিরে প্রচন্ড ঠান্ডা এবং কক্ষের তাপমাত্রা অনেক উষ্ণ। যদি কক্ষের দরজাটি খোলা হয় তাহলে বাহির থেকে বাতাস কোন দৃশ্যের মত কক্ষে প্রবেশ করবে?
  1. শীতল বাতাস কক্ষে প্রবেশ করবে না।
  2. দৃশ্য B এর মত বাতাস ছাদের দিকে প্রবাহিত হবে।
  3. দৃশ্য A এর মত বাতাস মেঝের দিকে প্রবাহিত হবে।
  4. যেকোনোটিই হতে পারে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বাহিরে প্রচন্ড ঠান্ডা এবং কক্ষের তাপমাত্রা অনেক উষ্ণ। যদি কক্ষের দরজাটি খোলা হয় তাহলে বাহির থেকে বাতাস কোন দৃশ্যের মত কক্ষে প্রবেশ করবে?


সমাধান:
• শীতল বায়ু উষ্ণ বায়ু অপেক্ষা ভারী। উষ্ণ বায়ু হালকা বলে বায়ুমন্ডলে তা উপরের দিকে উঠে যায়।
• এখন কক্ষে শীতল বায়ু প্রবেশ করলে তা ভারী হওয়ায় এবং কক্ষের উষ্ণ বায়ু উপরের দিকে থাকায় দৃশ্য A এর মত মেঝের দিকে প্রবাহিত হবে।
২৮.
কোনটি প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন নয়?
  1. কোলন
  2. দাঁড়ি
  3. বিস্ময়চিহ্ন
  4. প্রশ্নচিহ্ন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনটি প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন নয়?

সমাধান:
• ‘কোলন’ প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন নয়।

- বাক্যের শেষে বসে ৪টি যতিচিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন।
- এগুলো হলো:
১. দাঁড়ি (।)
২. প্রশ্নচিহ্ন (?)
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!)
৪. দুই দাঁড়ি (।।)।
- এগুলোকে প্রান্তিক যতিচিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন বলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯.
অত্যাচার এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. দেদার
  2. উপদ্রব
  3. পীড়ন
  4. নিগ্রহ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: অত্যাচার এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?

সমাধান:
• অত্যাচার এর সমার্থক শব্দ: নির্যাতন, নিষ্পেষণ, লাঞ্ছনা, পীড়ন, উৎপীড়ন, নিপীড়ন, নিগ্রহ, জুলুম, জবরদস্তি, উৎপাত, উপদ্রব

• দেদার হলো 'অতিরিক্ত' এর সমার্থক শব্দ।
৩০.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ নয়?
  1. সূর্য উদিত হয়েছে।
  2. বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।
  3. অন্নাভাবে ঘরে ঘরে হাহাকার।
  4. অতিশয় দুঃখিত হলাম।
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

সমাধান:
অশুদ্ধ বাক্য: অতিশয় দুঃখিত হলাম।
শুদ্ধ বাক্য: খুব দুঃখ পেলাম/ অত্যন্ত দুঃখিত হলাম।
৩১.
পিস্টন ব্যবহার করা হয় কোন ইঞ্জিনে?
  1. জেট ইঞ্জিন
  2. ডিজেল ইঞ্জিন
  3. পেট্রোল ‍ইঞ্জিন
  4. খ ও গ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিস্টন ব্যবহার করা হয় কোন ইঞ্জিনে?

সমাধান:
যেকোনো ধরনের অন্তর্দহ তাপ ইঞ্জিনের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ হচ্ছে পিস্টন। পিস্টন একটি সিলিন্ডারের মধ্যে অবস্থান করে এবং কানেক্টিং রডের বিগ এন্ড বেয়ারিং এর সাহায্যে মেইন শ্যাফটের সাথে সংযুক্ত থাকে। যার ফলে পিস্টন এর মধ্যে উঠানামা করলেই মেইন শ্যাফট ও ফ্রাই হুইল ঘুরতে থাকে। পিস্টনের উঠানামা করার কার্যটি একটি চক্র আকারে সম্পাদিত হয়।
তাপ ইঞ্জিন যেমন ডিজেল ইঞ্জিন, পেট্রোল ‍ইঞ্জিনে পিস্টন ব্যবহার করা হয়।
৩২.
Which of the following words cannot be formed using the letters from the word "INTERNATIONAL"?
  1. TRAIN
  2. NATION
  3. RAIN
  4. TIGER
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Which of the following words cannot be formed using the letters from the word "INTERNATIONAL"?

সমাধান:
- RAIN: "INTERNATIONAL" শব্দ থেকে "R", "A", "I", এবং "N" ব্যবহার করে গঠন করা সম্ভব।
- TRAIN: "T", "R", "A", "I", এবং "N" ব্যবহার করে গঠন করা সম্ভব।
- NATION: "N", "A", "T", "I", "O", এবং "N" ব্যবহার করে গঠন করা সম্ভব।
- TIGER: গঠন করা সম্ভব নয়, কারণ "INTERNATIONAL" শব্দে "G" অক্ষর নেই।
৩৩.
‘বৃক্ষ’ শব্দের প্রতিশব্দ নয় -
  1. দ্রুম
  2. পৃথ্বী
  3. পাদপ
  4. মহীরুহ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ‘বৃক্ষ’ শব্দের প্রতিশব্দ নয় -

সমাধান:
• ’পৃথিবী' শব্দের প্রতিশব্দ:
- জগৎ, ভুবন, সংসার, বিশ্ব, ধরা, ধরণী, ধরিত্রী, বসুমতী, বসুন্ধরা, পৃথ্বী, দুনিয়া, ভূ, ভূমণ্ডল, মর্ত্য, বসুধা, অবনী, মহী, মেদিনী, ক্ষিতি।

• ‘বৃক্ষ’ শব্দের প্রতিশব্দ:
- গাছ, তরু, দ্রুম, শাখী, পাদপ, মহীরুহ, উদ্ভিদ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৩৪.
'ভণ্ড' অর্থে কোন বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. নির্বোধ
  2. বর্ণচোরা
  3. ননীর পুতুল
  4. কড়ায় গন্ডায়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'ভণ্ড' অর্থে কোন বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়েছে?

সমাধান:
- 'বর্ণচোরা' বাগধারাটি 'ভণ্ড' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• বাক্যগঠন: বর্ণচোরা লোকেরা খুব সহজেই অন্যদের বিপদে ফেলে।

• অন্যান্য অপশনগুলো:
- ননীর পুতুল ⇒ শ্রমবিমুখ
- নির্বোধ ⇒ বুদ্ধির ঢেঁকি
- কড়ায় গন্ডায় ⇒ চুলচেরা হিসাব
৩৫.
নিচের কোন বিপরীতার্থক শব্দযুগল সঠিক?
  1. অনুগ্রহ - বিগ্রহ
  2. আরক্ত - বিরক্ত
  3. প্রাচ্য - পাশ্চাত্য
  4. দর্শক - নির্দেশক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন বিপরীতার্থক শব্দযুগল সঠিক?

সমাধান:
- 'প্রাচ্য - পাশ্চাত্য' বিপরীতার্থক শব্দযুগল সঠিক। 

- অন্যান্য অপশনগুলোর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দযুগল হবে:
• অনুগ্রহ - নিগ্রহ
• আসক্ত - বিরক্ত
• দর্শক - প্রদর্শক
৩৬.
Find the error in the following sentence: The given excuse is utterly a idiotic reason.
  1. given
  2. utterly
  3. a idiotic
  4. excuse
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নটি করা হয়েছে article এর উপর ভিত্তি করে।
- বাক্যে article এর সঠিক ব্যবহার।

• Article:
- Articles মুলত Noun, Pronoun এর আগে বসে তাদের সংখ্যা এবং নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে।
- Articles কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করে যায়।
• Indefinite Articles: A, An-এরা Indefinite Article. (এরা নির্দিষ্টভাবে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা কোনো বিষয়কে নির্দেশ করে না)।
• Definite Articles: The হল Definite Article (এটি কোনো বিশেষ ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয়কে নির্দিষ্টভাবে বোঝাতে বা চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে)।

• Vowel sound (a,e, i,o,u) এর পূর্বে 'an' ব্যবহৃত হয়। যেমন: An elephant, An ice-cream, An ox, etc.
- তাই প্রদত্ত sentence এ 'an' বসবে।

উপরোক্ত নিয়মানুযায়ী Vowel এর আগে a এর ব্যবহার ভুল।
Correct Sentence: The given excuse is utterly an idiotic reason.

Source: Applied English Grammar & Composition by P.C. Das.
৩৭.
'র যা ব যা' ধ্বনি গুলোর সমন্বয়ে গঠিত শব্দটি কোন লেখকের ছদ্মনাম?
  1. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
  2. বিমল ঘোষ
  3. সমরেশ বসু
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'র যা ব যা' ধ্বনি গুলোর সমন্বয়ে গঠিত শব্দটি কোন লেখকের ছদ্মনাম?

সমাধান:
• 'র যা ব যা' ধ্বনি গুলোর সমন্বয়ে গঠিত শব্দ - যাযাবর।
• বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম - যাযাবর।

অন্যদিকে,
- বিমল ঘোষ এর ছদ্মনাম - মৌমাছি।
- সমরেশ বসুর ছদ্মনাম - কালকূট।
- সৈয়দ মুজতবা আলী প্রিয়দর্শী = প্রিয়দর্শী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৮.
What is the synonym of 'Synonym'?
  1. Dissimilar
  2. Divergent
  3. Corresponding
  4. Varied
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: What is the synonym of 'Synonym'?

সমাধান:
• The synonym of 'Synonym' is - Corresponding.

• Synonym (noun)
English Meaning: one of two or more words or expressions of the same language that have the same or nearly the same meaning in some or all senses.
Bangla Meaning: সমার্থক শব্দ; প্রতিশব্দ; সমনাম।

অন্যদিকে,
→ Varied - বিভিন্ন; বিবিধ।
→ Dissimilar - অসদৃশ; বিসদৃশ; ভিন্ন।
→ Divergent - বিপদগামী; বিচ্যুত; অপসরণশীল।
→ Corresponding - প্রাতিষঙ্গিক; অনুরূপ।

Example Sentence:
1. In the thesaurus, you can find a synonym for the word "happy," such as "joyful" or "content."
2. The teacher asked the students to provide a synonym for each word in their vocabulary list.

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৯.
নিচের বর্ণমালার তৃতীয় বর্ণ থেকে বেজোড় স্থানের অক্ষরগুলো কেটে বাদ দেয়া হলে বর্ণমালার প্রথম হতে কাটা হয়নি এমন দ্বাদশ বর্ণ কোনটি?
ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের বর্ণমালার তৃতীয় বর্ণ থেকে বেজোড় স্থানের অক্ষরগুলো কেটে বাদ দেয়া হলে বর্ণমালার প্রথম হতে কাটা হয়নি এমন দ্বাদশ বর্ণ কোনটি?
ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ

সমাধান:
ক খ

ক থেকে ধারাবাহিকভাবে কেটে দেওয়া বর্ণগুলো বাদ দিলে দ্বাদশ বর্ণটি হবে
৪০.
এলোমেলো শব্দগুল সাজিয়ে যে অর্থবোধক শব্দটি ব্যতিক্রম তা খুঁজে বের করুন।
  1. চ ক্র অ লা ত
  2. লা ঘ খে র
  3. ন জা হা সা
  4. গৃহদাহ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এলোমেলো শব্দগুল সাজিয়ে যে অর্থবোধক শব্দটি ব্যতিক্রম তা খুঁজে বের করুন।

সমাধান:
সাজাহান হলো দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের রচিত একটি নাটক। অপশনের বাকি সবগুলো উপন্যাসের নাম।

• মাহমুদুল হক রচিত উপন্যাস - খেলাঘর।
• আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস - অলাতচক্র।
• শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত উপনযাস - গৃহদাহ।
৪১.
নিচের এলোমেলো শব্দগুলো সঠিকভাবে সাজালে একটি অর্থপূর্ণ বাক্য গঠিত হবে। ‍উক্ত বাক্যের শেষ শব্দের শেষ বর্ণটি কী হবে?
a summer does not swallow one make.
  1. s
  2. r
  3. w
  4. e
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের এলোমেলো শব্দগুলো সঠিকভাবে সাজালে একটি অর্থপূর্ণ বাক্য গঠিত হবে। ‍উক্ত বাক্যের শেষ শব্দের শেষ বর্ণটি কী হবে?
a summer does not swallow one  make.

সমাধান:
সঠিকভাবে সাজালে একটি অর্থপূর্ণ বাক্য হলো:
- One swallow does not make a summer.
- বাংলা অর্থ - 'এক মাঘে শীত যায় না'।

• উক্ত বাক্যের শেষ শব্দের শেষ বর্ণটি হবে r.

Source: Bangla Academy Dictionary and Oxford Learner's Dictionary.