পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়55 minutes
মোট প্রশ্ন৬৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৭: Full Model Test - 1
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৬৮ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের মূলনীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়" এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৮
  2. অনুচ্ছেদ-১৬
  3. অনুচ্ছেদ-৪৫
  4. অনুচ্ছেদ-১৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৮
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধান: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।
------------------
The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-8. Fundamental principles
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.
.
Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times __________.
  1. to serve the country.
  2. to serve the government.
  3. to serve the people.
  4. to serve the citizens.
সঠিক উত্তর:
to serve the people.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to serve the people.
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধান নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
----------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-21: Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
.
রাষ্ট্রপতি নিচের কোন কাজটি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত করে থাকেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ
  2. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  3. স্পীকার নিয়োগ
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর বিধান রাষ্ট্রপতি:
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫ এর বিধান  বিচারক-নিয়োগ:
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।
⇒বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।

অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫(১) নং অনুচ্ছেদ অনুয়ায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন এবং বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৬(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুয়ায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। এই দুই ক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসরণ করেন না।

- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসারে কর্মসম্পাদন করেন না। অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুসারে কর্ম সম্পাদন করতে হয়।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফশিল অনুযায়ী নিম্নের কাকে শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা দেওয়া হয়নি?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পীকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ তৃতীয় তফসিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা ৩ জন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়ছে।
- যথা- স্পীকার , রাষ্ট্রপতি , প্রধান বিচারপতি।

⇒ স্পীকার কর্তৃক - রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;
⇒ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক - প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি; 
⇒ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক - সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফশিলে প্রধানমন্ত্রীকে শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা দেওয়া হয়নি।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে 'বাকশাল' গঠন করা হয়?
  1. দ্বিতীয় সংশোধনী
  2. তৃতীয় সংশোধনী
  3. চতুর্থ সংশোধনী
  4. পঞ্চম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী ও বাকশাল:
-চতুর্থ সংশোধনী বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- দেশে একটি জাতীয় রাজনৈতিক দল সৃষ্টি করা হয়।
- যার নাম ছিল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক লীগ (বাকশাল)।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাকশাল ব্যবস্থা ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা।
- ১৯৭৫ সালে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ' বা 'বাকশাল' গঠন করা হয়।
- বাকশাল গঠনের মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাকশাল কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
- এর সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।

উৎস: i) পৌরনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারা সাথে "Doctrine of Locus poenitentiae” নীতিটি সম্পর্কিত?
  1. ১৯ ধারা
  2. ২১ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারায় 'Doctrine of Locus poenitentiae' আলোচনা করা হয়েছে। এর অর্থ- কোন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা।
⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
--------------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
.
ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ 'Res nullius' অর্থ কী?
  1. A matter judged
  2. Nobody's thing
  3. The thing speaks for itself
  4. A matter not yet decided
সঠিক উত্তর:
Nobody's thing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nobody's thing
ব্যাখ্যা
⇒ Res nullius : শাব্দিক অর্থ- Nobody's thing.
- আইনি প্রসঙ্গে 'res nullius' শব্দটি ব্যবহৃত হয় যখন কোনো ভূখণ্ড, সম্পত্তি বা জিনিসের সুনিদিষ্ট মালিক নেই। এমন কিছু যা কেউ দখল করতে পারে বা মালিকানা করতে পারে।
- অর্থাৎ, 'res nullius' হল এমন কিছু যার কোনও নির্দিষ্ট মালিক নেই এবং যা যেকোনও ব্যক্তি বা সরকার দখল করতে পারে।

⇒"Res nullius" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ  "মালিকহীন সম্পত্তি"। আইনের পরিভাষায়, এটি এমন বস্তু বা সম্পত্তিকে বোঝায় যার উপর কোনো ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের মালিকানা নেই।
- সাধারণত প্রাকৃতিক সম্পদ, যেমন বন্যপ্রাণী, সমুদ্র, বাতাস, বা মহাকাশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
- যেমন, বন্য প্রাণীকে "res nullius" হিসাবে গণ্য করা হয় যতক্ষণ না কেউ তাদের আটক বা দখলে নিয়ে আসে। একবার দখল হয়ে গেলে সেটি ব্যক্তির মালিকানায় পরিণত হয়।

উদাহরণস্বরূপ:
- একটি বনভূমিতে থাকা হরিণ "res nullius" হিসাবে গণ্য হবে। তবে কেউ যদি সেটিকে ধরে ফেলে, তখন সেটির উপর তার মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হবে।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "Nemo est supra leges" নীতিটির প্রতিফলন হয়েছে?
  1. ২২ অনুচ্ছেদে
  2. ২৭ অনুচ্ছেদে
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদে
  4. ১৩৩ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৭ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ Nemo est supra leges: - 'No man is above the law' (কেহই আইনের ঊর্ধ্বে নয়)
 
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত এই নীতিটি এটাই প্রমাণ করে যে, কোন ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে নয়। 'No man is above the law.'
 
বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা:- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
---------------
- Article 27. Equality before law:
 All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.
.
যেকোনো ব্যক্তি কোন ধরনের রিটের আবেদন করতে পারে?
  1. Writ of Certiorari
  2. Writ of Quo Warranto
  3. Writ of Mandamus
  4. Writ of Prohibition
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
ব্যাখ্যা
⇒ রিট [Writ]:
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল। 
-রিটের প্রকারভেদ:
বাংলাদেশ সংবিধান প্রণেতারা বিশেষভাবে রাজকীয় রিট (prerogrative writs) সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং বাংলাদেশের আদালতের মাধ্যমে এটা ব্যাপক এবং যথাযথভাবে বিকাশিত হয়েছে। সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-

১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

⇒ কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]
- কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদ দাবী করতে পারে না যদি না উক্ত পদে তার কোন আইনগত দাবী থাকে। কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদে আসীন থাকলে বা আছে বলে মনে হলে, সেই ক্ষেত্রে কোন কর্তৃত্ববলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত পদ দাবী করছে তা জানের চেয়ে হাইকার্ট বিভাগ কারণ দর্শানোর রিট জারী করতে পারে।

অনুচ্ছেদ-১০২ (২): হাইেকার্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তা হলে-
(খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(আ) কোন সরকারী পদে আসীন বা আসীন বলে বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন কর্তৃত্ববলে অনুরুপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করছে, তা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করে উক্ত বিভাগ (হাইকার্ট বিভাগ) আদেশদান করতে পারবে।
এই রিটের মাধ্যমে উচ্চতর আদালত উক্ত পদের দাবীর বিষয়ে অনুসন্ধান করতে পারে এবং যদি উক্ত অনুসন্ধানে এটা প্রমাণিত হয় যে, উক্ত পদ গ্রহণে পদের দাবীদারের কোন বৈধ অধিকার নেই, তাহলে কারণ দর্শাও রিট তাকে উক্ত পদ থেকে পদচ্যুত করতে পারে।
১০.
কোন আইনকে "Law of all laws” বলা হয়ে থাকে?
  1. The Evidence Act, 1872
  2. The Special Powers Act, 1974
  3. The General Clauses Act, 1897
  4. The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 কে "Law of all laws" বলা হয়:
- আইনসভা থেকে পাশকৃত সকল আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য। তবে কোনো আইনে এ বিষয়ে পরিষ্কার বিধান থাকলে সেক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য হবে না।
- The General Clauses Act, 1897 এমন একটি আইন যা অন্যান্য যেকোনো আইন ব্যাখ্যার জন্য প্রযোজ্য তো বটেই বরং প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
- এ বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ এর (২) নং দফা উল্লেযোগ্য। 

- এজন্য, The General Clauses Act, 1897 আইনটিকে "Law of all laws” বলা হয়ে থাকে।
১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে কোন ক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগ দেয়া যায় না?
  1. স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
  2. স্থানীয় তদন্তের জন্য
  3. বাটোয়ারা করার জন্য
  4. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে-
(১) সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য;
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য;
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য;
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
অর্থাৎ স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য ৭৫ ধারায় কমিশন নিয়োগ দেয়ার বিধান নেই।
-------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75:- Power of Court to issue commissions:
-Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts; or
(d) to make a partition.
১২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় 'প্লিডিংস সংশোধন' সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ-৬ বিধি-৯
  2. আদেশ-৬ বিধি-১৫
  3. আদেশ-৬ বিধি-১৭
  4. আদেশ-৬ বিধি-১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির- আদেশ:-৬ বিধি-১৭: প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of Pleadings)-
- মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে আরজি বা জবাবের ন্যায়সঙ্গত পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন।
- বাদী বা বিবাদী উভয় পক্ষের বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় সংশোধন করা যাবে।
- আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর আরজি জবাব সংশোধনের আদেশ নির্ভর করে।
- প্লিডিংস সংশোধনের দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচারিক আদালতে।
- প্লিডিংস মামলার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করা যায়।
------------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 6 Rule 17: Amendment of pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings allow either party to alter or amend his pleadings in such manner and on such terms as may be just, and all such amendments shall
be made as may be necessary for the purpose of determining the real questions in controversy between the parties:
Provided that no application for amendment shall be allowed after the trial has commenced, unless the Court is of opinion that in spite of due diligence, the party could not have raised the matter before the commencement of trial:
Provided further that if an application for amendment is made after the trial has commenced and the Court is of opinion that the application is made to delay the proceedings, the Court shall make an order for the payment to the objector such cost by way of compensation as it thinks fit. 
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে বিকল্প প্রতিকার কী?
  1. দায়িকের সম্পত্তি ক্রোক
  2. দায়িকের সম্পত্তি বিক্রয়
  3. দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে।
---------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21: Rule-30- Decree for payment of money:
- Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
১৪.
দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে কোন আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. দেওয়ানি আইন
  2. সম্পত্তি সংক্রান্ত আইন
  3. বিশেষ অধিকার আইন
  4. ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
ব্যাখ্যা
⇒ The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

⇒ The Civil Courts Act,1887 এর ৩৭ ধারায় বলা হয়েছে-
"কোন মামলা বা কার্যধারায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার ও ওয়ারিশী, বিবাহ বা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচরণ বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বিষয়ে পক্ষগন হিন্দু হলে হিন্দু আইন এবং মুসলিম হলে মুসলিম আইন প্রযোজ্য হবে।"
----------------
⇒ The Civil Courts Act,1887, Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.
১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Rescission for mistake' এর বিধান আছে?
  1. ৩৫ ধারায়
  2. ৩৬ ধারায়
  3. ৩৭ ধারায়
  4. ৩৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
-------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
১৬.
'A' কর্তৃক 'B' তার বাড়ি থেকে জোরপূর্বক বেদখল হয়। 'B' কত দিনের মধ্যে 'A' এর বিরুদ্ধে স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ 'B' ১২ বছরের মধ্যে স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।

-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮ অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে। 

এক্ষেত্রে,
⇒ বাদীকে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে;
⇒ বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে;
⇒ সরকার বাদী হলে ৬০ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে। (অনুচ্ছেদ-১৪৯)

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮: অনুচ্ছেদ ১৪২-
যখন বাদী স্থাবর সম্পত্তির দখলে, তখন বাদী বেদখল হলে অথবা বাদী তার দখল ত্যাগ করলে, সেই সম্পত্তির দখল লাভের জন্য দখলের তারিখ হতে ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়।
১৭.
তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কার্যক্রমের জন্য তামাদির নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই?
  1. দরখাস্ত
  2. আপিল
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশনের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই।

- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

⇒ সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৩০ দিনের মধ্যে।
১৮.
ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিতের জন্য আদালত কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে?
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে;
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, 56:-Injunction when refused:
 -An injunction cannot be granted- 
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings; 
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought; 
(c) to restraint persons from applying to any legislative body; 
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government; 
(e) to stay proceedings in any criminal matter; 
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced; 
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance; 
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced; 
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust; 
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court; 
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তির বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৫ম
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

-দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
২০.
ফৌজদারি মামলায় গৃহীত সাক্ষ্য কোন পদ্ধতিতে লিপিবদ্ধ করা হবে?
  1. সংক্ষিপ্ত আকারে
  2. প্রশ্নোত্তর আকারে
  3. বিবরণ আকারে
  4. সারাংশ আকারে
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯: সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি-
(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।
 --------------------
The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 359: Mode of recording evidence-
(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative.
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
২১.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোন শাস্তিটি বৈধ নয়?
  1. নির্জন কারাবাস
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
  4. মৃত্যুদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
(v) অর্থদণ্ড (fine)
- ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

- অর্থাৎ দণ্ডবিধি অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম বৈধ শাস্তি নয়।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-53:Punishments: 
-The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,- 
Firstly,- Death; 
Secondly,- Imprisonment for life; 
Thirdly,-[Omitted]
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:- 
(1) Rigorous, that is, with hard labour; 
(2) Simple; 
Fifthly,- Forfeiture of property; 
Sixthly,- Fine. 

Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
২২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে একই বিচারে কোনো ব্যক্তি কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে, সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া যাবে?
  1. ১২ বছরের
  2. ১০ বছরের
  3. ১৪ বছরের
  4. ২০ বছরের
সঠিক উত্তর:
১৪ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছরের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান- একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না।
 
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
---------------
The Code of Criminal Procedure, 1898-Section:-35.Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:

Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate, the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.
২৩.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে আদালত কীভাবে ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে পারেন?
  1. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  2. নিয়ন্ত্রক বা সেই ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  3. অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ যাচাই করতে আদেশের প্রদানের মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
-------------------
⇒The Evidence Act, 1872: Section-73A. Proof as to verification of digital signature:
 -In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
২৪.
According to Section 60 of The Evidence Act, 1872, 'Oral evidence must be ______.'
  1. direct
  2. indirect
  3. proved
  4. disproved
সঠিক উত্তর:
direct
উত্তর
সঠিক উত্তর:
direct
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে-
মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে (oral evidence must be direct)।

অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
-------------
⇒The Evidence Act, 1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
-Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
২৫.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার অধীন প্রদত্ত বিবৃতি কয়টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী-
-কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
-When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
২৬.
হিন্দু আইনের দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে নারী সপিণ্ড কয়জন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৭ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

⇒ মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ— তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন।
-তাঁরা হলেন:
১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা ও
৫. পিতার পিতার মাতা।
২৭.
The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 অনুযায়ী বিবাহ নিবন্ধন না করালে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে?
  1. ১ হাজার টাকা
  2. ২ হাজার টাকা
  3. ৩ হাজার টাকা
  4. ৫ হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
৩ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ যে আইনি বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বামী ও স্ত্রীর আইনগত মর্যাদা সৃষ্টি এবং সে মর্যাদা হতে উদ্ভুত আইনগত বাধ্যবাধকতাসমূহ সৃষ্টি করে তাকে বিবাহ বলে।

মুসলিম আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। Abdul Kadir Vs. Salima মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহকে দেওয়ানি চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছে। অপর পক্ষে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট Khurshid Bibi মামলায় বলেন- বিবাহ যদিও দেওয়ানি চুক্তির ন্যায় একটি চুক্তি, এটি পুরোপুরি দেওয়নি চুক্তি নয়। কিন্তু Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।

⇒ বিবাহ নিবন্ধন [Registration of Marriage]:
- মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের ব্যাপারে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, আইন অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন বা ৮ এখন বাধ্যতামূলক।
- The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক।
- বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি হলো- অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক ৩ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ড। (ধারা-৫)
- এ আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আমলযোগ্য। (ধারা-৫ক)
------------------------ 
⇒Section-5: Solemnization of a marriage to be reported and registered:
(1) Where a marriage is solemnized by the Nikah Registrar himself, he shall register the marriage at once. 
(2) Where a marriage is solemnized by a person other than the Nikah Registrar, the bridegroom of the marriage shall report it to the concerned Nikah Registrar within thirty days from the date of such solemnization. 
(3) Where solemnization of a marriage is reported to a Nikah Registrar under sub-section (2), he shall register the marriage at once. 
(4) A person who contravenes any provision of this section commits an offence and he shall be liable to be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years or with fine which may extend to three thousand taka, or with both.
২৮.
দেবোত্তর সম্পত্তি যে রক্ষণাবেক্ষণ করেন, তাকে কী বলা হয়?
  1. সেবক
  2. মাহাতো
  3. সেবায়েত
  4. দেব রক্ষক
সঠিক উত্তর:
সেবায়েত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবায়েত
ব্যাখ্যা
⇒ মন্দির নির্মাণ করে তাতে দেবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পূজা-অর্চনার ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্পত্তি দান করলে তা সাধারণত 'দেবোত্তর সম্পত্তি' বলে পরিচিতি পায়। আইনের দৃষ্টিতে এ রকম বিগ্রহ বা দেবতার মূর্তি একটি বৈধ আইনি সত্তা বা জুডিশিয়াল পারসন। এ রকম সম্পত্তির আইনি মালিক ওই বিগ্রহই। কারণ তার উদ্দেশে সেটি দান করা।

- মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত দেবতার নিত্য পূজা- অর্চনার কাজে যিনি নিয়োজিত থাকেন তিনিই সেবায়েত। একজন সেবায়েত দেবতা বা বিগ্রহের যাবতীয় বিষয়ের কার্যনির্বাহীও বটে। দেবতা সম্পত্তির মালিক হলেও কার্যত সম্পত্তি পরিচালনায় সম্পূর্ণ অক্ষম। সেজন্য দেবতার পক্ষে তদীয় সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একজন উপযুক্ত পরিচালকের প্রয়োজন। আর সে দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে সেবায়েতের উপর।

- দেবোত্তর সম্পত্তির সেবায়েত কে হবেন আর তার উত্তরাধিকার কারা হবেন, কোন নিয়মে হবেন তা সাধারণত অর্পণনামা বা উৎসর্গপত্রে লেখা থকে। সেবায়েত দেবতার বিরুদ্ধে কাজ করলে বা তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাকে প্রয়োজনে আদালত কর্তৃক অপসারণ করে অন্য সেবায়েত নিয়োগ করা যায়।
২৯.
যাজ্ঞবল্ক কর্তৃক সংকলিত 'যাজ্ঞবন্ধ্য সংহিতা' গ্রন্থ হিন্দু আইনের কোন উৎসের অন্তর্গত?
  1. প্রথা
  2. স্মৃতি
  3. শ্রুতি
  4. নিবন্ধ
সঠিক উত্তর:
স্মৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মৃতি
ব্যাখ্যা
স্মৃতি:
- স্মৃতি অর্থ যা স্মরণে রাখা হয়েছিল, প্রাচীনকালে মানুষের পালনীয় ঐশ্বরিক নির্দেশাবলি যা আর্য ঋষিগণ গুরুশিষ্য-পরম্পরায় স্মরণে রেখেছিলেন এবং পরবর্তীকালে যা মুনিগণ পুস্তক আকারে সংকলন করেছিলেন, তা-ই সংহিতা বা স্মৃতিশাস্ত্র নামে পরিচিত।
- স্মৃতি সম্বন্ধীয় প্রধানত তিনটি গ্রন্থ হচ্ছে- 
ক. মনু কর্তৃক সংকলিত মনু সংহিতা;
খ. যাজ্ঞবল্ক কর্তৃক সংকলিত যাজ্ঞবন্ধ্য সংহিতা;
গ. নারদ কর্তৃক সংকলিত নারদ সংহিতা।

অর্থাৎ স্মৃতি বলতে বোঝায় প্রাচীনকালে আর্য ঋষিদের স্মরণে রাখা এবং পরবর্তীতে মুনিদের দ্বারা সংকলিত ঐশ্বরিক নির্দেশাবলি। এ ধরনের নির্দেশাবলি সংহিতা বা স্মৃতিশাস্ত্র নামে পরিচিত। স্মৃতিশাস্ত্রের প্রধান তিনটি গ্রন্থ হলো:
১. মনু সংহিতা (মনু কর্তৃক সংকলিত),
২. যাজ্ঞবল্ক্য সংহিতা (যাজ্ঞবল্ক কর্তৃক সংকলিত),
৩. নারদ সংহিতা (নারদ কর্তৃক সংকলিত)।
৩০.
কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া স্বামী কত বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে একজন বিবাহিতা স্ত্রীলোক বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-

- চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
- দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
- স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
- স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
- বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
- স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

- বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া; 
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
৩১.
হানাফী আইন অনুযায়ী কত শ্রেণির ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পরেন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
হানাফী আইন অনুযায়ী ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে।
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
 
- শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik | হলো সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার। যেমন; 'ক' এবং 'খ' হলো 'ম' এর সন্তান। সুতরাং 'ম' এর সম্পত্তির যৌথ মালিক হলো 'ক' এবং 'খ'। যদি 'ক' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করে তাহলে 'খ' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আবার 'খ' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করলে, 'ক' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।
 
- শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit] অর্থ হলো সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী (Participator in immunities]। এটা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কোন সুখাধিকার যেমন পথে চলাচলের অধিকার ইত্যাদিতে অধিকারী।
 
- শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar) অর্থ হলো সংলগ্ন বা পার্শবর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক (owners of adjoining immovable property)। হানাফী আইন অনুযায়ী যে ভূমি বিক্রয় হবে তার সংলগ্ন জমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
৩২.
যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে সে মোট সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/২
  2. ২/৩
  3. ১/৪
  4. ১/৬
সঠিক উত্তর:
১/২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২
ব্যাখ্যা
⇒ ছেলে-কন্যা: স্বামী/স্ত্রী এবং বা-মার অংশ দেওয়ার পর যা থাকবে তা সম্পূর্ণ মৃত ব্যক্তির ছেলে বা ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে যত নিচেই হোক তারা অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবে।
- ছেলের সঙ্গে মেয়ে থাকলে প্রত্যেক কন্যা প্রত্যেক ছেলের (১/২) অর্ধেক হারে পাবে।
- যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির (১/২) অর্ধেক পাবে।
- আর যদি একাধিক কন্যা থাকে তবে সবাই মিলে (২/৩) দুই তৃতীয়াংশ পাবে। 

অর্থাৎ যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবেন।
৩৩.
'মুশাহ' (Musha) হলো কোনো সম্পত্তির ________ অংশ।
  1. অর্ধেক
  2. বিভক্ত
  3. অবিভাজ্য
  4. পরিত্যক্ত
সঠিক উত্তর:
অবিভাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিভাজ্য
ব্যাখ্যা
⇒ 'মুশাহ' বা 'Musha' হলো কোনো সম্পত্তির অবিভাজ্য বা অবিভক্ত অংশ।
-হানাফি আইন অনুসারে অবিভক্ত যৌথ সম্পত্তি যা বিভক্ত করা যায় এমন সম্পত্তি দান করলে দানটি বৈধ হবে না।
-কিন্তু পরবর্তীতে এটি বিভক্ত করা হলে দানটি বৈধ হয়ে যাবে।

কিন্তু চারটি বিশেষ ক্ষেত্র আছে যেসব ক্ষেত্রে দানের বিষয়বস্তু বিভক্ত করা না হলেও দানটি বৈধ হবে।
- যদি সম্পত্তিটি অবিভাজ্য হয় অথবা যদি সম্পত্তিটি এমন হয় যে, অবিভক্ত অবস্থায় সম্পত্তিটি ব্যবহারের জন্য বেশি উপযোগী;
- যদি দুই বা ততোধিক অংশীদারদের যেকোনো একজন তার অংশটি অপর কোনো অংশীদারকে দান করে;
- কোনো অবিভক্ত ভূমির ভাড়ার কোনো নির্দিষ্ট অংশ আলাদাভাবে গ্রহণ এবং উত্তোলন করার অধিকার থাকলে সেটিকে অবিভক্ত জমি ধরা হবে না এবং এটি দান করলে দানটি অবৈধ হবে না;
- দানকারী যদি কোনো হোল্ডিংয়ে দান গ্রহীতাকে যৌথ মালকানার স্বীকৃতি দেয় এবং সেরকম দখলের 'স্বীকৃতি দিলে সেটি বৈধ দান হবে।
৩৪.
কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার আদেশের অধীন টাউটকে গ্রেফতার করা হলে, তাৎক্ষনিক তাকে কার নিকট উপস্থিত করা হবে?
  1. নিকটস্থ থানায়
  2. দেওয়ানি আদালতে
  3. নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার-
(১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।
(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে।
উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।
 ----------------
The Registration Act, 1908, Section 80F- Arrest and trial of touts:
(1) Any registering officer may, by an order in writing, direct any person named in the order to arrest any such tout found within the precincts of the registration office. Such tout may be arrested accordingly and shall be forthwith produced before the registering officer. 
(2) If the tout admits his offence the provisions of section 480 and 481 of the Code of Criminal Procedure, 1898, shall be applicable, so far as may be, to his detention, trial and punishment. 
If the tout does not admit his offence the provisions of section 480 of the said Code shall be similarly applicable to his detention, trial and punishment. 
(3) A registering officer shall be deemed to be a Civil Court for the purposes of sections 480, 481 and 482 of the said Code.
৩৫.
চুক্তি আইনের কত ধারায় "সাব-এজেন্ট "-এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ১৭২
  2. ১৮২
  3. ১৯১
  4. ২১০
সঠিক উত্তর:
১৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ১৯১ ধারা মতে "সাব-এজেন্ট "-এর সংজ্ঞা (Sub-agent defined) সাব-এজেন্ট হচ্ছে এমন কোন ব্যক্তি যিনি এজেন্সির কাজে- মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
----
- Section 191. "Sub-agent" defined:
 A "sub-agent" is a person employed by, and acting under the control of, the original agent in the business of the agency.
৩৬.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে কয় প্রকার রেহেনের উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৬ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণের নিশ্চয়তার উদ্দেশ্যে ভবিষ্যত দেনা সৃষ্টি করতে পারে, এমন সম্পত্তির স্বত্ব অপরের নিকট হস্তান্তর করাকে রেহেন বা বন্ধক বলে।
-সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে ৬ প্রকার রেহেনের উল্লেখ রয়েছে।
ক) সাধারণ রেহেন:
সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।
(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন:
যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।
(গ) খাই খালাসী রেহেন:
দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে ।
(ঘ) ইংলিশ রেহেন:
দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।
(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন:
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।
(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন:
যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে ।
৩৭.
What is the provision of Section 9 of The Transfer of Property Act?
  1. Oral transfer
  2. Operation of transfer
  3. Rule against perpetuity
  4. Condition restraining alienation
সঠিক উত্তর:
Oral transfer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oral transfer
ব্যাখ্যা
⇒  সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারার বিধান: মৌখিক হস্তান্তর:
যে সকল ক্ষেত্রে লিখিত হওয়ার আবশ্যকতা আইন দ্বারা প্রত্যক্ষ ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সে সকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে।
মৌখিক হস্তান্তর (Oral transfer) :
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে, যেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে। রেজিস্ট্রেশন আইন সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের পরিপূরক। সুতরাং যে সকল হস্তান্তরে রেজিস্ট্রেশনের বিধান রয়েছে, তা মৌখিক ভাবে হস্তান্তর করা যায় না। এক্ষেত্রে বলা যায়, যে সকল সম্পত্তির হস্তান্তর লিখিত দলিলের মাধ্যমে হওয়ার প্রয়োজন নেই এবং যে সকল হস্তান্তরের জন্য রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই সে সকল হস্তান্তর মৌখিক ভাবে করা যায়।
------------------------
- Section 9: Oral transfer:
-A transfer of property may be made without writing in every case in which a writing is not expressly required by law.
৩৮.
নিচের কোন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি আইন অনুসারে চুক্তির করার অযোগ্য?
  1. নাবালক
  2. নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি
  3. মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন।
- অতএব বলা যায় চুক্তি সম্পাদনে সে ব্যক্তি যোগ্য যিনি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী এবং যাকে কোনো আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি।
- এখানে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। প্রাকৃতিক ব্যক্তি বলতে মানুষকে বলা হয়েছে আর কৃত্রিম ব্যক্তি বলতে কোম্পানি, কর্পোরেশন, সংঘ যারা আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত।
- চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
----------------------
⇒ The Contract Act, 1872: Section-11: Who are competent to contract:
-Every person is competent to contract who is of the age of majority according to the law to which he is subject, and who is of sound mind, and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.
৩৯.
The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর কত ধারায় হোল্ডিং-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ২(১২) ধারায়
  2. ২(১৩) ধারায়
  3. ২(১৪) ধারায়
  4. ২(১৫) ধারায়
সঠিক উত্তর:
২(১৩) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(১৩) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(১৩) ধারায় হোল্ডিং-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- ধারা ২(১৩)- জোত [Holding]:
'হোল্ডিং বা জোত' অর্থ ভূমির একটি খণ্ড অথবা খণ্ডসমূহ বা তার একটি অবিভক্ত অংশ যা কোনো রায়ত বা অধীনস্থ রায়ত কর্তৃক অধিকৃত এবং যা কোনো পৃথক প্রজাস্বত্বের বিষয়বস্তু;
একটি খতিয়ানে একটি দাগ থাকতে পারে, আবার একাধিক দাগও থাকতে পারে। এ রকম একটি খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত ভূমিকে হোল্ডিং বা জোত-জমা বলা হয়।
-----------------------------
⇒The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-Section-2(13) “holding” means a parcel or parcels of land or an undivided share thereof, held by a raiyat or an under-raiyat and forming the subject of a separate tenancy;
৪০.
কমপক্ষে কয় জন সাক্ষী দ্বারা স্থাবর সম্পত্তির দান প্রত্যায়িত হতে হবে?
  1. এক জন
  2. দুই জন
  3. তিন জন
  4. নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই
সঠিক উত্তর:
দুই জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই জন
ব্যাখ্যা
⇒সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৩ ধারার বিধান: দান হস্তান্তর পদ্ধতি:
- স্থাবর সম্পত্তির দান অবশ্যই দাতা কর্তৃক বা তার পক্ষে স্বাক্ষরিত, কমপক্ষে দুই জন সাক্ষী দ্বারা প্রত্যায়িত এবং নিবন্ধন করতে হবে। মুসলিম আইনের অধীন হেবা স্থাবর সম্পত্তির দান বলে গণ্য হবে এবং নিবন্ধন করতে হবে। অস্থাবর সম্পত্তির দান নিবন্ধন অথবা শুধু দখল অর্পনের মাধ্যমে কার্যকর করা যায়।
------------------------------
⇒Transfer of Property Act, Section 123: Transfer how effected:
-For the purpose of making a gift of immoveable property, the transfer must be effected by a registered instrument signed by or on behalf of the donor, and attested by at least two witnesses.
- Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, a heba under Muhammadan law shall be deemed to be a gift of immoveable property for the aforesaid purpose.For the purpose of making a gift of moveable property, the transfer may be effected either by a registered instrument signed as aforesaid or by delivery. Such delivery may be made in the same way as goods sold may be delivered.
৪১.
What is the provision of Section 18 of the Registration Act?
  1. Registration of contract for sale
  2. Documents of which registration is optional
  3. Description of property and maps or plans
  4. Documents of which registration is compulsory
সঠিক উত্তর:
Documents of which registration is optional
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Documents of which registration is optional
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৮ ধারার বিধান: যে সকল দলিলের নিবন্ধন ঐচ্ছিক (Documents of which registration is optional): ১৭ ধারার অধীনে যে সকল দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয় সে সকল দলিলেরও নিবন্ধন করা যাবে।

- ধারা ১৭(২) অনুযায়ী নিম্নলিখিত দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না (optional):
১. যে কোন প্রকার সোলেনামা;
২. জয়েন্ট স্টক কোম্পানির শেয়ার সংক্রান্ত দলিল;
৩. উক্ত কোম্পানি ইস্যুকৃত ডিবেঞ্চার যা অধিকার সৃষ্টি করে না;
৪. রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বাটোয়ারা দলিল;
৫. নিলামে বিক্রিত কোন সম্পত্তির ক্রেতার বরাবর মঞ্জুরকৃত নিলামের বিক্রয়নামা;
৬. সরকার কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তির কোন মঞ্জুরি;
৭. ১০০ টাকা বা তার অধিক মূল্যের স্থাবর সম্পত্তির দলিল যা কোন অধিকার সৃষ্টি করে না।
-------------------
⇒ The Registration Act, 1908-Section-18: Documents of which registration is optional:
-Any document not required to be registered under section 17 may also be registered under this Act.
৪২.
আইনগত সহায়তার কোন আবেদন জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হলে, তার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে-
  1. আপীল বিভাগে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. সুপ্রীম কোর্ট কমিটির নিকট
  4. জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট
সঠিক উত্তর:
জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ১৬ ধারাতে বলা আছে-
'আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটির নিকট পেশ করতে হবে।'

উল্লেখ্য, কোন আবেদন জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হলে তা মঞ্জুরের জন্য সংক্ষুদ্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরুপ সিদ্ধান্তের তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট আপীল পেশ করবে এবং এই ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
৪৩.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ১১ ধারা অনুসারে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের ক্ষেত্রে কত দিন সময় দিয়ে আদালত একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia): স্বাভাবিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা বেআইনী, অর্থাৎ আসামীর উপস্থিতিতে বিচার করতে হয়। কিন্তু কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়, যাকে 'Trial in absentia' বলে।

ধারা ১১: আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার-
যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই-

তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
৪৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে _____ বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১৩ ধারার বিধান লাইসেন্স, ইত্যাদি: 
 (১) লাইসেন্স, পারমিট ও পাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ফরমে, শর্তে এবং ফিস প্রদান সাপেক্ষে মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদান করা যাইবে। 
(২) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের মেয়াদ উহাতে উল্লিখিত শর্তে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অথবা উহার প্রদানের তারিখ হইতে সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে, কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।
৪৫.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে কয়টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারার বিধান: শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:
- এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :-
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ;
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা;
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত;
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা;
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা;
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি;
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতা তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি;
(জ) শিশুর অভিমত;
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।

-শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে এই ১০টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে।
৪৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪(১) ধারায় প্রদত্ত সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  2. সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. দশ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০ এর ৪(১) ধারায় 'দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার' শাস্তির বিধান রয়েছে। উক্ত ধারানুসারে,
- সর্বোচ্চ শাস্তি- মৃত্যুদণ্ড;
- সর্বনিম্ন শাস্তি- যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড;
- অর্থদণ্ড- অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা।

⇒ ধারা ৪- দহনকারী, ইত্যাদি পদার্থ দ্বারা সংঘটিত অপরাধের শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(২) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী বা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীকে এমনভাবে আহত করেন যাহার ফলে উক্ত শিশু বা নারীর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয় বা শরীরের কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হয় বা তাহার শরীরের অন্য কোন স্থান আহত হয়, তাহা হইলে উক্ত শিশুর বা নারীর-

(ক) দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট বা মুখমণ্ডল, স্তন বা যৌনাংগ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) শরীরের অন্য কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার বা শরীরের কোন স্থানে আঘাত পাওয়ার ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যক্তি অনধিক চৌদ্দ বৎসর কিন্তু অন্যূন সাত বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ কোন শিশু বা নারীর উপর নিক্ষেপ করেন বা করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি, তাহার উক্তরূপ কার্যের দরুণ সংশ্লিষ্ট শিশু বা নারীর শারীরিক, মানসিক বা অন্য কোনভাবে কোন ক্ষতি না হইলেও, অনধিক সাত বৎসর কিন্তু অন্যূন তিন বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৪) এই ধারার অধীন অর্থদণ্ডের অর্থ প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ, বা তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সময় রাখিয়া যাওয়া সম্পদ হইতে আদায় করিয়া অপরাধের দরুণ যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটিয়াছে তাহার উত্তরাধিকারীকে বা, ক্ষেত্রমত, যেই ব্যক্তি শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছেন, সেই ব্যক্তিকে বা সেই ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে, তাহার উত্তরাধিকারীকে প্রদান করা হইবে।
৪৭.
The Special Powers Act, 1974 এর কত ধারায় 'Double Jeopardy' এর প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ২৭
  2. ২৮
  3. ৩১
  4. ৩২
সঠিক উত্তর:
৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩১ ধারার বিধান: নতুন বিচারে বাধা: যার সাক্ষ্য একবার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল এমন কোন সাক্ষীকে পুনরায় ডাকতে বা তার বক্তব্য শ্রবণ করতে বাধ্য নয় অথবা যে কার্যক্রম একবার অনুষ্ঠিত হয়েছে তা পুনরায় আরম্ভ করতে বাধ্য নয়।
এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত বা লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে এবং মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেই পর্যায় হতে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে।
অর্থাৎ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩১ ধারায় principle of double jeopardy এর প্রতিফলন ঘটেছে।
-----------------------
⇒ The Special Powers Act, 1974,-Section 31: Bar on trial de-novo:
- A Special Tribunal, unless it otherwise decides, shall not be bound to recall or re-hear any witness whose evidence has already been recorded, or to re-open proceedings already held, but may act on the evidence already produced or recorded and continue the trial from the stage which the case has reached.
৪৮.
'The scattering of people from their original country to other places' can be termed as -
  1. Diaspora
  2. Diatribe
  3. Diastema
  4. Diatonic
সঠিক উত্তর:
Diaspora
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Diaspora
ব্যাখ্যা
• Diaspora:
English meaning: the scattering of people from their original country to other places/ a group of people who spread from one original country to other countries, or the act of spreading in this way.
Bangla meaning: আদিতে একই জাতিভুক্ত বা সংস্কৃতির বাহক কোনো সম্প্রদায়ের ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিশ্বের নানা প্রান্তে বসবাস; ডায়াসপোরা।

Example:
- The Hmong diaspora evolved against the backdrop of terror that unfolded in their homeland.
- France's population of Arabic origin is the continent's largest, drawing on Francophone diasporas from North Africa and Lebanon.

Other options,
খ) Diatribe:
English meaning: an angry speech or piece of writing that severely criticizes something or someone.
Bangla meaning: তীব্র ও তীক্ষ্ণ ভাষায় ভর্ৎসনা; প্রচণ্ড নিন্দামূলক বক্তৃতা।

গ) Diastema:
English meaning: a space between two teeth in the mouth.
Bangla meaning: মুখের দুটি দাঁতের মধ্যে থাকা একটি ফাঁকা স্থান।

ঘ) Diatonic:
English meaning: belonging or relating to a major or minor musical scale consisting of five full tones and two semitones.
Bangla meaning: পাঁচটি পূর্ণ সুর এবং দুটি অর্ধসুর নিয়ে গঠিত একটি প্রধান বা গৌণ সঙ্গীত স্কেলের অন্তর্গত বা এর সাথে সম্পর্কিত।

Source: Cambridge Dictionary.
৪৯.
Judging ________ the opinion polls, he seems to be succeeding.
  1. by
  2. on
  3. to
  4. with
সঠিক উত্তর:
by
উত্তর
সঠিক উত্তর:
by
ব্যাখ্যা
• Judging by/from:
English meaning: used to express the reasons why you have a particular opinion.
Bangla meaning: মতামতের কারণ প্রকাশ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

Example: 
- Judging by what he said, I think it's very unlikely that he'll be able to support your application.

Complete sentence: Judging by the opinion polls, he seems to be succeeding.

Source: Cambridge Dictionary.
৫০.
Choose the correct spelling.
  1. Consengineous
  2. Consangineous
  3. Consanguineous
  4. Consenguineous
সঠিক উত্তর:
Consanguineous
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Consanguineous
ব্যাখ্যা
• Consanguineous: [adjective]
English meaning: connected with the fact of people being blood relations (= related to someone by birth, not marriage).
Bangla meaning: একবংশীয় (adjective) of the same blood; related by birth; consanguineous.

Example: 
Their parents are consanguineous, and the clinical course of their illness was similar.

Source: Cambridge Dictionary.
৫১.
Who wrote 'The Gift of the Magi'?
  1. William Somerset Maugham
  2. Ernest Hemingway
  3. William Sidney Porter
  4. Pearl S. Buck
সঠিক উত্তর:
William Sidney Porter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Sidney Porter
ব্যাখ্যা
• The Gift of the Magi:
- 'The Gift of the Magi' হচ্ছে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত ছোটগল্প, যার রচয়িতা William Sidney Porter.
- ১৯০৫ সালে গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- Jim and Della এই story এর প্রধান চরিত্র সমূহ।
- এর central theme হচ্ছে Love, where Jim and Della (Young married couple) who make sacrifices in order to buy each other meaningful Christmas gifts.

• Della এর ছিল ঈর্ষনীয় লম্বা চুল আর সে এই চুলগুলো বিক্রি করে এর বিনিময়ে Jim এর পকেটঘড়ির জন্য একটা চেইন কেনার সিদ্ধান্ত নেয়।
- এই পকেট ঘড়িটি ছিল জিম এর পারিবারিক সম্পত্তি যা সে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিল, কিন্তু টাকার অভাবে এর জন্য চেইন কিনতে পারছিল না তাই তাকে ঘড়িটি পকেটে নিয়ে ঘুরতে হতো।
- অপরদিকে Jim তার পকেটঘড়ি বিক্রি করে করে Della এর জন্য স্বর্ণখচিত চিরুনী কেনার সিদ্ধান্ত নেয়।
- এরপর তারা দুজনেই যখন একে অপরের জন্য কেনা উপহার নিয়ে উপস্থিত হয় তখন পরিস্থিতি অনুধাবন করে দুজনেই চমকে উঠে।
- ভালোবাসা, উৎসর্গ, ত্যাগ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে এই ছোটগল্পটি সারা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

• O’ Henry (1862-1910):
- O'Henry এর আসল নাম হচ্ছে William Sidney Porter.
- তিনি একজন আমেরিকান ছোটগল্প লেখক।

• তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম হচ্ছে:
- The Last Leaf,
- The Gift of the Magi,
- Cabbage Kings,
- Roads of Destiny,
- Sixes and Sevens.

Source: Encyclopedia Britannica, Live MCQ Lecture.
৫২.
অশুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. ইতঃপর
  2. ইতোমধ্যে
  3. ইতঃস্তত
  4. ইতঃপূর্বে
সঠিক উত্তর:
ইতঃস্তত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতঃস্তত
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান: ইতঃস্তত।

• শুদ্ধ বানান: ইতস্তত,
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- বিশেষ্য, অব্যয় ও ক্রিয়া বিশেষণ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অর্থ:
- কুণ্ঠাবোধ, সংশয়, দোটানা অবস্থা।
- নানাদিকে, সর্বত্র।

অন্যদিকে,
ইতঃপর, ইতোমধ্যে ও ইতঃপূর্বে শব্দের বানানগুলো শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫৩.
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর শতম শাখার অন্তর্ভুক্ত ভাষা কোনটি?
  1. ইতালিক
  2. গ্রিক
  3. হিওিক
  4. ইন্দো-ইরানিয়ান
সঠিক উত্তর:
ইন্দো-ইরানিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দো-ইরানিয়ান
ব্যাখ্যা
• ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর শ্রেণিবিভাগ:
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর প্রাচীন শাখা - ৯টি। আধুনিককালে অনেকে ১০টি বলেও উল্লেখ করেছেন।
আমরা যেহেতু আধুনিক যুগের মানুষ তাই সেহেতু আধুনিক মতকেই স্বীকার করবো।

ভাষাতাত্ত্বিক অধ্যাপক অ্যাসকোলি আদি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠী থেকে সৃষ্ট ভাষাগুলোকে দুটো প্রধান ভাগে ভাগ করেছেন।
- একটি শতম (Satam) ও অন্যটি কেন্তম (Centum)।
- কেন্তম ও শতম এ বিভাজন হয়েছিলো মূলত কণ্ঠবর্ণের উচ্চারণ বৈশিষ্ঠ্য লক্ষ্য করে।
- এ বিভাজনের ফলে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠির অন্তর্ভুক্ত ভাষাগুলোর ভেতর একটি ভৌগোলিক বিভাজনও হয়।
- অ্যাসকোলির ধারণা - কেন্তম গোষ্ঠীর ভাষাগুলো সব পশ্চিমের আর শতম গোষ্ঠির ভাষাগুলো সব পূর্বের।


উৎস: ইন্দো-ইউরোপীয় থেকে বাংলা (বাংলা ভাষার ইতিহাস), রেজাউল ইসলাম।
৫৪.
‘দক্ষিণ হস্ত’ বাগ্‌ধারাটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. সবকিছু
  2. নেতৃত্ব গ্রহণ
  3. গুরুভার
  4. প্রধান সহযোগী
সঠিক উত্তর:
প্রধান সহযোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান সহযোগী
ব্যাখ্যা
• ‘দক্ষিণ হস্ত’ বাগ্‌ধারার অর্থ - প্রধান সহযোগী।

অন্যদিকে
• ‘হাড়হদ্দ’ বাগ্‌ধারার অর্থ - সবকিছু।
• 'জগদ্দল পাথর' অর্থ - গুরুভার।
• ‘হাল ধরা’ অর্থ - নেতৃত্ব গ্রহণ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫৫.
মীর মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় কোন পত্রিকার সংবাদদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন?
  1. সংবাদ প্রভাকর
  2. আজিজননেহার
  3. হিতকরী
  4. সুধাকর
সঠিক উত্তর:
সংবাদ প্রভাকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মীর মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় ‘সংবাদ প্রভাকর’ ও ‘কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল’ সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
• নাটক:
- বসন্তকুমারী, 
- জমীদার দর্পণ, 
- বেহুলা গীতাভিনয়।

• প্রহসন:
- টালা অভিনয়,
- এর উপায় কি,
- ফাঁস কাগজ,
- ভাই ভাই এইতো চাই।

• উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা, 
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- শেখ আবদুর রহিম সম্পাদিত পত্রিকার নাম - সুধাকর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫৬.
'Buddhist Mystic Songs’ গ্রন্থে চর্যাপদের কয়টি পদ সংখ্যার কথা উল্লেখ আছে?
  1. ৫১টি
  2. ৫২টি
  3. সাড়ে ৪৬টি
  4. ৫০টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদের পদসংখ্যা বিষয়ক আলোচনা:
- চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগীতিকোষ বা চর্যাগীতি বা চর্যাপদ শুধু প্রাচীন বাংলা সাহিত্যেরই নিদর্শন নয়, প্রাচীন বাংলা গানেরও নিদর্শন।

• সুকুমার সেন রচিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম 'চর্যাগীতি পদাবলী'।
- যদিও সুকুমার সেন মনে করেন যে, চর্যাপদের পদসংখ্যা - ৫১টি; তবে তিনি তার 'চর্যাগীতি পদাবলী' গ্রন্থে ৫০টি পদের উল্লেখ করেছেন।
- টীকাকারের কাছে মূল চর্যার পুঁথিতে আরো অন্তত একটি বেশি চর্যা ছিল (১১ ও ১২ তম চর্যার মাঝখানে)। এই চর্যাটির ব্যাখ্যা না থাকায় লিপিকার উদ্ধৃত করেন নি, শুধু 'টীকা নাই' এই মন্তব্যটুকু করিয়াছেন।
- সংস্কৃত ভাষায় মুনিদত্ত চর্যাপদের ব্যাখ্যা করেন। তিনি ১১নং পদের ব্যাখ্যা করেননি। আলোচনা অংশে তার বক্তব্য মুনিদত্ত ৫০টি ব্যাখ্যা করেছিলেন।

• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs’ গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির কথা বলেছেন। এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি বলে মনে করেন।

• উল্লেখ্য, চর্যাপদের একটি পদ ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া গেছে, সেখান থেকেই এই মতবিরোধের সৃষ্টি।

- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।
৫৭.
‘শবনম’ শব্দটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. পবিত্র
  2. শিশির
  3. ললিত
  4. তুষার
সঠিক উত্তর:
শিশির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশির
ব্যাখ্যা
• শবনম (বিশেষ্য পদ),
- ফারসি ভাষার শব্দ।
অর্থ:
- শিশির;
- কুজ্‌ঝটিকা (ভোরের শবনাম তৃণদলে-ফররুখ আহমদ)। 
- সূক্ষ্ম মসলিন কাপড়।

অন্যদিকে,
• ‘রাতের শিশির’ এক কথায় বলে - শবনম।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫৮.
‘দুস্থ’ শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. দুর্ + স্ত
  2. দুর্ + স্থ
  3. দুঃ + অস্থ
  4. দুঃ + থ
সঠিক উত্তর:
দুঃ + থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুঃ + থ
ব্যাখ্যা

দুস্থ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ- দুঃ + থ।
- এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।

বিসর্গ সন্ধির নিয়ম:
- পূর্বপদের শেষে বিসর্গ ( ঃ) থাকলে এবং পরপদের প্রথমে চ বা ছ থাকলে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে শ, ট বা ঠ থাকলে ষ ; ত থাকলে স্ হয় এবং পরবর্তী ব্যঞ্জনে তা যুক্ত হয়।

যেমন-
- দুঃ + তর = দুস্তর।
- নিঃ + চয় = নিশ্চয়।
- শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ।
- ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টঙ্কার।
- নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৫৯.
কোনটি ফারসি ভাষার শব্দ?
  1. কামরা
  2. কার্নিশ
  3. কোফতা
  4. কার্পেট
সঠিক উত্তর:
কোফতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোফতা
ব্যাখ্যা
• ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো:
কুলফি, কুস্তি, কোফতা, গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• ফরাসি শব্দ:
কার্নিশ, কার্ট্রিজ, কার্পেট, কার্বুরেটর, কুপন, ডিপো, ফসিল, লিস্ট, রেস্টুরেন্ট, রেস্তোরাঁ  টারবাইন, টেলিগ্রাম, টেলিগ্রাফ, টেলিফোন, টয়লেট, টুর্নামেন্ট ইত্যাদি।

• পর্তুগিজ শব্দ:
আনারস, কামরা, গির্জা, গুদাম, চাবি, জানালা, তোয়ালে, পাউরুটি, পাদরি, পেয়ারা, বালতি, বোতল, বোতাম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৬০.
'বুলন্দ দরওয়াজা' কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের স্থাপনা?
  1. হুমায়ুন
  2. শাহজাহান
  3. আকবর
  4. বাবর
সঠিক উত্তর:
আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা
মুঘল স্থাপনা:
- মুঘল যুগে স্থাপত্য শিল্পের উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- প্রায় সব মুঘল সম্রাট স্থাপত্য শিল্পের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- আকর্ষণীয় সৌধ, ইমারত, মসজিদ, উদ্যান এমনকি ময়ূর সিংহাসন মুঘলদের কীর্তির অবিনশ্বর স্বাক্ষর বহন করে।
- মুঘল যুগে চিত্রশিল্পও বিশেষ উৎকর্ষ লাভ করে ছিল।

• বাবরের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- আগ্রায় পানিপথের কাবুলিবাগ নামক স্থানে মসজিদ নির্মিত হয়।

• হুমায়ুনের সময় স্থাপত্যসমূহ:
- হুমায়ুনের আমলে দিল্লিতে দীন-পানাহ ভবন, আগ্রায় ও ফতেহাবাদে নির্মিত মসজিদ তাঁর সময় কালের স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন।

• আকবরের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- আকবরের আমলে নির্মিত প্রাসাদ, দুর্গ, মসজিদ ও সৌধগুলোর মধ্যে ফতেহপুর সিক্রি, হুমায়ুনের সমাধি, ইবাদতখানা, বুলন্দ দরওয়াজা, পাঁচ মহল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

• জাহাঙ্গীরের ভূমিকা:
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে আকবরের সমাধি সৌধ, ইতমাতুদ্দৌলার সমাধি সৌধ এবং তাঁর নিজের জন্য নির্মিত সমাধি সৌধের নাম উল্লেখ করা যায়।

• শাহজাহানের সময় কালের স্থাপত্যসমূহ:
- তিনি তাঁর স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর অবিনশ্বর প্রেমের এক অনিন্দ্য সুন্দর সৌধ তাজমহল নির্মাণ করেন।
- তাঁর আমলে আগ্রার মতি মসজিদ, দিল্লির জামে মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস নির্মিত হয়। দিওয়ান-ই-খাসের অপূর্ব নির্মাণ শৈলী এবং শিল্পকর্মের চমৎকারিত্যের জন্য এটি 'দুনিয়ার বেহেস্ত' বলে অভিহিত।
- ভুবন বিখ্যাত ময়ূর সিংহাসন মনি-মুক্তা, হীরা ও মূল্যবান পাথর দিয়ে তৈরি। ময়ূর সিংহাসন সম্রাট শাহজাহানের শিল্পানুরাগের অন্যতম কীর্তি।
- তিনি 'শাহজাহানাবাদ' নামে একটি নতুন শহরও নির্মাণ করেন যা বর্তমানে নতুন দিল্লি নামে পরিচিত।

• আওরঙ্গজেবের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে নির্মিত লাহোরের বাদশাহী মসজিদ স্থাপত্য শিল্পের এক বিশেষ নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১.
Good Friday Agreement নামে পরিচিত -
  1. উই রিভার চুক্তি
  2. অসলো চুক্তি
  3. বেলফাস্ট চুক্তি
  4. অটোয়া চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর:- ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর:- ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান:- বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ:- ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬২.
নিচের কোনটি বিচার বিভাগের কাজ নয়?
  1. সংবিধান প্রণয়ন
  2. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা
  3. বিচার সংক্রান্ত কাজ
  4. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন
ব্যাখ্যা
• সংবিধান প্রণয়ন বিচার বিভাগের কাজ নয়।

বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ
৭. সংবিধান সংরক্ষণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
'লুসা' কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
  1. পর্তুগাল
  2. বেলজিয়াম
  3. সিরিয়া
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
পর্তুগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগাল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সংবাদ সংস্থা:
- বাংলাদেশ: বাসস, এনা, আইএসপিআর, ইউএনবি, আবাস, পিআইবি।
- যুক্তরাষ্ট্র: এপি, ভয়েস অব আমেরিকা (VOA), CNN.
- যুক্তরাজ্য: রয়টার্স, বিবিসি।
- পাকিস্তান: এপিপি, পিপিআই, ইউপিপি।
- চীন: সিনহুয়া।
- ফ্রান্স: এএফপি।
- অষ্ট্রেলিয়া: অষ্ট্রেলিয়ান ব্রডকাষ্টিং কর্পোরেশন (এবিসি)।
- কানাডা: কানাডিয়া প্রেস (সিপি)।
- সিরিয়া: সানা।
- লিবিয়া: জানা।
- মালয়েশিয়া: বারনামা।
- মিশর: মেনা (মিডিল ইস্ট নিউজ এজেন্সি)।
- পর্তুগাল: লুসা।
- বেলজিয়াম: বেলজা।
- ভারত: PTI, ইউএনআই।
- রাশিয়া: ITAR-TASS, Rossiya Segodnya, ইন্টারফ্যাক্স।
- ইন্দোনেশিয়া: আনতারা।
- ইরান: ইরনা, আইএনএ।
- ইরাক: নিউজ এজেন্সি (ইনা)।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
৬৪.
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক সিপাহী হামিদুর রহমান কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৩নং সেক্টর
  4. ৪নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৪নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৫.
x2 - 2ax + (a + b)(a - b) এর উৎপাদক বিশ্লেষণ কোনটি?
  1. (x - a - b)(x - a + b)
  2. (x + a + b)(x - a - b)
  3. (x - a + b)(x + a - b)
  4. (x + a - b)(x - a - b)
সঠিক উত্তর:
(x - a - b)(x - a + b)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(x - a - b)(x - a + b)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - 2ax + (a + b) (a - b) এর উৎপাদক বিশ্লেষণ কোনটি? 

সমাধান: 
x2 - 2ax + (a + b) (a - b) 
= x2 - 2ax + a2 - b2 
= (x - a)2 - b2 
= (x - a - b) (x - a + b) 

∴ নির্ণেয় উৎপাদক = (x - a - b) (x - a + b)।
৬৬.
২৫৩° কোণকে কী কোণ বলে?
  1. সূক্ষ্মকোণ
  2. স্থূলকোণ
  3. পূরক কোণ
  4. প্রবৃদ্ধ কোণ
সঠিক উত্তর:
প্রবৃদ্ধ কোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবৃদ্ধ কোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২৫৩° কোণকে কী কোণ বলে? 

সমাধান: 
- যে কোণের পরিমাণ ১৮০° থেকে বা দুই সমকোণের চেয়ে বড় কিন্তু ৩৬০° থেকে ছোট তাকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে। 
- তাই ২৫৩° কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে। 
৬৭.
(2x - 6, 5) = (4, 2y - 5) হলে, (x, y)- এর মান কোনটি? 
  1. (4, 5)
  2. (6, 5)
  3. (5, 5)
  4. (6, 4)
সঠিক উত্তর:
(5, 5)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(5, 5)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (2x - 6, 5) = (4, 2y - 5) হলে, (x, y)- এর মান কোনটি? 

সমাধান: 
2x - 6 = 4 
বা, 2x = 4 + 6 
বা, 2x = 10 
বা, x = 10/2 
∴ x = 5 

আবার, 
2y - 5 = 5 
বা, 2y = 5 + 5 
বা, 2y = 10 
বা, y = 10/2 
∴ y = 5 

∴ নির্ণেয় মান, (x, y) = (5, 5)।
৬৮.
একটি বই বিক্রয় করার সময় বিক্রেতা লিখিত মূল্যের উপর ১৫% কমিশন প্রদান করে। বইটির লিখিত বিক্রয়মূল্য ১২০ টাকা হলে, বইটি কত টাকায় ক্রয় করা যাবে?
  1. ৯৫ টাকা
  2. ১০২ টাকা
  3. ১০৫ টাকা
  4. ১০৭ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০২ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০২ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বই বিক্রয় করার সময় বিক্রেতা লিখিত মূল্যের উপর ১৫% কমিশন প্রদান করে। বইটির লিখিত বিক্রয়মূল্য ১২০ টাকা হলে, বইটি কত টাকায় ক্রয় করা যাবে? 

সমাধান: 
১৫% কমিশনে, 
লিখিত মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ৮৫ টাকা 
∴ লিখিত মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ৮৫/১০০ টাকা 
∴ লিখিত মূল্য ১২০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (৮৫ × ১২০)/১০০ টাকা 
= ১০২০০/১০০ টাকা 
= ১০২ টাকা 

∴ বইটি ক্রয় করা যাবে = ১০২ টাকা।