উত্তর
ব্যাখ্যা
চর্যাপদ মূলত গানের সংকলন। এর বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্মমতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫৩ প্রশ্ন
চর্যাপদ মূলত গানের সংকলন। এর বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্মমতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম গ্রামীণ মানুষের ভাষাভঙ্গি, মনোভঙ্গি ও রুচিকে যথাযথভাবে সাহিত্যরুপে দানে সচেষ্ঠ হয়েছেন।
- তিনি গ্রামীণ মানুষের জীবনদর্শনের সারসত্যকে রূপায়ন করেছেন তার কথাসাহিত্যে।
- কাশবনের কন্যা উপন্যাসে গ্রাম ও গ্রামীন মানুষের চিত্র তুলে ধরেছেন।
- বিশেষ করে নিম্ন বর্গের শ্রমজীবী মানুষ (উপন্যাসঃ আলমগড়ের উপকথা) ও তাদের জীবন ছিল তার সাহিত্যের মূল উপজীব্য।
তার রচিত কয়েকটি গল্পগ্রন্থঃ
- শাহেরবানু,
- পথ জানা নেই,
- অনেক দিনের আশা। ইত্যাদি।
তার কয়েকটি উপন্যাসঃ
- কাশবনের কন্যা,
- কাঞ্চনমালা,
- সমুদ্রবাসর।
সুত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত সাহিত্যকর্মের চরিত্রঃ
- বড়দিদি -- মাধবী (বড়দিদি), প্রমীলা, ব্রজরাজ, সুরেন্দ্রনাথ।
- শ্রীকান্ত -- শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, রাজলক্ষী, অন্নদাদি, অভয়া, রোহিণী, গুরুদেব, কমললতা।
- চরিত্রহীন -- সতীশ, সাবিত্রী, দিবাকর, কিরণময়ী।
- গৃহদাহ -- অচলা, মহিম, সুরেশ।
- দত্তা -- বিজয়া, নরেন, রাসবিহারী, বনমালী।
- দেবদাস -- দেবদাস, পার্বতী, চন্দ্রমূখী, চুনিলাল, ধর্মদাস।
- নিষ্কৃতি -- গিরিশ, রমেশ, সিদ্দেশ্বরী, শৈলজা।
- পথের দাবী -- সব্যসাচী
- পল্লীসমাজ -- রমা, রমেশ, বেণী, বলরাম।
- বিপ্রদাস -- বিপ্রদাস, দ্বিজদাস, বন্দনা।
- শেষ প্রশ্ন -- কমল।
উৎস: ড. সৌমিত্র শেখর রচিত বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
- কবি সৈয়দ সুলতানের জীবন ষোড়শ এবং সপ্তদশ দু দশক বিস্তৃত ছিলো।
- তিনি বেঁচেছিলেন অনেকদিন আর লিখেছিলেন অনেক কাব্য।
- তার কয়েকটি কাব্য আকারে বিশাল।
তার কাব্যশক্তিও ছিলো গৌরব্জনক।
- কবি সৈয়দ সুলতান তার শবেমিরাজ কাব্য নিজের বিশদ পরিচয় দিয়েছেন।
- তার কাব্যগুলোঃ নবীবংশ, শবেমিরাজ, রসূলবিজয়, ওফাতে রসূল, জয়কুম রাজার লড়াই, ইবলিশনামা, জ্ঞানচৌতিশা।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।
তুমি যাবে ভাই – যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়,
গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়;
মায়া মমতায় জড়াজড়ি করি
মোর গেহখানি রহিয়াছে ভরি,
মায়ের বুকেতে, বোনের আদরে, ভাইয়ের স্নেহের ছায়,
তুমি যাবে ভাই – যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়,
ছোট গাঁওখানি- ছোট নদী চলে, তারি একপাশ দিয়া,
কালো জল তার মাজিয়াছে কেবা কাকের চক্ষু নিয়া;
ঘাটের কিনারে আছে বাঁধা তরী
পারের খবর টানাটানি করি;
বিনাসুতি মালা গাথিছে নিতুই এপার ওপার দিয়া;
বাঁকা ফাঁদ পেতে টানিয়া আনিছে দুইটি তটের হিয়া।
- নিমন্ত্রণ
– জসীম উদ্দীন।
উৎসঃ বাংলাকবিতা।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কল্লোলগোষ্ঠীর লেখকদের পর বাংলা সাহিত্যে বস্ত্ততান্ত্রিকতা ও মনোবিশ্লষণের সম্পূর্ণ নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাংলা উপন্যাস সাহিত্যে আবির্ভূত হন।
তাঁর বেশির ভাগ লেখায় ফ্রয়েডীয় মনস্তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।
তাঁর জনপ্রিয় উপন্যাস পদ্মা নদীর মাঝি-তে (১৯৩৬) যৌনাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে উদরপূর্তির সমস্যার এক বাস্তব চিত্র অঙ্কিত হয়েছে।
- এ ছাড়া তাঁর অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে জননী (১৯৩৫), শহরতলী (১৯৪০), অহিংসা (১৯৪১), শহরবাসের ইতিকথা (১৯৪৬), চিহ্ন (১৯৪৭) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- ১৯৪৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সাহিত্যের প্রাথমিক পর্বে ঔপন্যাসিকরা তাঁদের রচনা শুরু করেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মন্বন্তর, পাকিস্তান আন্দোলন, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং দেশভাগের প্রেক্ষাপটে। ক্রমশ গ্রামীণ ও শহুরে পটভূমি এবং ব্যক্তিজীবনের বহুবিধ জটিলতা এর উপজীব্যরূপে স্থান পেতে থাকে।
শওকত ওসমানের (১৯১৭-১৯৯৮) জননী (১৯৫৮) প্রভৃতি এ সময়কার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
গ্রামীণ জীবনের অভাব-বঞ্চনা-শোষণ ছিল তাঁদের উপন্যাসের বিষয়বস্ত্ত।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
সৈয়দ আলী আহসান (১৯২০-২০০২) শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক।
- কাব্যগ্রন্থঃ
অনেক আকাশ।
একক সন্ধ্যায় বসন্ত।
সহসা সচকিত।
উচ্চারণন
- প্রবন্ধ-গবেষণা।
নজরুল ইসলাম।
কবিতার কথা।
কবিতার কথা ও অন্যান্য বিবেচনা।
রবীন্দ্র কাব্যবিচারের ভূ্মিকা
কবি মধুসূদন।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস।
- অনুবাদঃ
হুইট্ম্যানের কবিতা।
ইডিপাস।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনাঃ
- প্রভাবতী সম্ভাষণ,
- স্বরচিত জীবনচরিত,
- ব্রজবিলাস,
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল ইত্যাদি।
অনুবাদ গ্রন্থঃ
- জীবনচরিত (ইংরেজি বই অবলম্বনে)
- বেতালপঞ্চবিংশতি (হিন্দী থেকে)
- বাঙ্গলার ইতিহাস (মার্শম্যানের বই অনুসারে)
- শকুন্তলা (কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলাম অনুসারে),
- সীতার বনবাস (রামায়ণ অনুসারে)
- ভ্রান্তিবিলাস (শেক্সপিয়রের কমেডি অব এররস অনুসারে) ইত্যাদি।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলী, হুমায়ুন আজাদ।
বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক মহাকাব্য মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য'।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে।
- মেঘনাদবধ কাব্যের বিরাট পটভূমির মধ্যে নানা ধরনের চরিত্র এবং কাব্যের নানা রসের সমাবেশ ঘটেছে।
- কবি কাব্যের প্রথমে বীররসের কথা বললেও শেষ পর্যন্ত করুনরসই প্রাধান্য পেয়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
বাংলা একাডেমিকে জাতির মননের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৫৫ সালের ৩রা ডিসেম্বর এটি প্রতিষ্ঠীত হয়।
- মওলানা আঁকরাম খাঁ প্রথম সভাপতি।
- বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান এর সম্পাদক হলেন আহমদ শরীফ।
- বাংলা একাডেমি বাংলা বানা অভিধানের সম্পাদক হলেন জামিল চৌধুরী।
- বাংলা একাডেমি বাংলা সাহিত্যকোষের সম্পাদক সেলিনা হোসেন ও নুরুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমি আঞ্চলিক ভাষার অভিধানের সম্পাদক হলে মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ও অন্যান্য।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
আলাউদ্দিন আল আজাদ শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক।
জন্ম ৬ মে ১৯৩২ সালে, নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে।
- কাবগ্রন্থগুলিঃ
মানচিত্র (১৯৬১),
ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ (১৯৬২),
লেলিহান পান্ডুলিপি (১৯৭৫),
নিখোঁজ সনেটগুচ্ছ (১৯৮৩)
সাজঘর (১৯৯০) ও
শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৮৭)
- গল্পগন্থঃ
জেগে আছি (১৯৫০),
ধানকন্যা (১৯৫১),
জীবন জমিন (১৯৮৮) প্রভৃতি।
- উপন্যাসঃ
তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০)
কর্ণফুলী (১৯৬২)
শীতের শেষরাত বসন্তের প্রথমদিন (১৯৬২),
ক্ষুধা ও আশা (১৯৬৪),
শ্যামল ছায়ার সংবাদ (১৯৮৬)
- নাটকঃ
মরক্কোর যাদুকর (১৯৫৯),
মায়াবী প্রহর (১৯৬৩)
ধন্যবাদ (১৯৬৫)
নিঃশব্দ যাত্রা (১৯৭২),
নরকে লাল গোলাপ (১৯৭২)
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
শ, ষ, স - এ তিনটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
'হ' ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী।
কোন শব্দ বা শব্দ-সমষ্টি বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে অর্থের দিক দিয়ে যখন বৈশিষ্ট্যপূর্ণ হয়ে উঠে, তখন সে সকল শব্দ বা শব্দ - সমষ্টিকে বাগ্ধারা বা বাক্যরীতি বলে।
চিনির বলদ
বাগধারা টির অর্থঃ ভারবাহী তবে ফল লাভের অংশীদার নয়।
বাক্যের উদাহরণ- সংসারে চিনির বলদের মতো খেটে মরছি, কিছুই পাই নাই।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি
অর্থগত দিক থেকে শব্দ মুলত ৩ প্রকার।
যথাঃ
১. যৌগিক শব্দ - যে সকঅল শব্দের ব্যুৎপত্তি গত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
- যেমনঃ গায়ক = গৈ + নক (অক) অর্থ - গান করে যে।
২. রূঢ়ি শব্দ - যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোন বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি বলে।
- যেমনঃ হস্তী = হস্ত + ইন, অর্থ - হস্ত আচে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
৩. যোগরূঢ় শব্দ - সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পুর্ণ ভাবে সমস্যমান পদস্মূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে।
- জলধি = জল ধারণ করে এমন অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র সমুদ্র অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)
নদী শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দঃ
তরঙ্গিণী, শৈবালীনী, তটিনী, স্রোতস্বিনী, স্রোতস্বতী, প্রবাহিনী, গাঙ, ফল্গু (গয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত অন্তঃসলিলা নদীর নাম।)
অন্যদিকে,
পাটনি শব্দের অর্থঃ খেয়াঘাটের মাঝি; পাথরঘাটার ঠিকাদার মাঝি।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান ।
এখানে হাড়ে হাড়ে দ্বিরুক্তি টি আধিক্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।এটি একটি পদাত্মক দ্বিরুক্তির উদাহরণ।
(বিশিষ্টার্থক বাগধারায় দ্বিরুক্তি শব্দের প্রয়োগ)
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম-দশম শ্রেণী)
যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোন সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীন ভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
যেমনঃ
- মরি মরি! কী সুন্দর প্রভাতের রূপ! (উচ্ছ্বাস প্রকাশে)
- আজ আমি আলবত যাবো। (সম্মতি অর্থে)
- 'ওগো, আজ তোরা যাসনে ঘরের বাহিরে' (সম্বোধন অর্থে)
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণি)
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশঃ
- যে পুরুষ বিয়ে করেছে = কৃতদার
- যে মেয়ে নতুন বিয়ে করেছে = নবোঢ়া
- যে মেয়ের বিয়ে হয় নি = অনূঢ়া
- যে নারী নিজের বর বরণ করে নেয় = স্বয়ংবরা
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান ও মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই।
Imperialism - সাম্রাজ্যবাদ
Feudalism - সামন্তবাদ
Fascism - ফ্যাসিবাদ
Communism - সাম্যবাদ
উৎসঃ অক্সফোর্ড ডিকশনারি এবং বাংলা একাডেমী।
'টিপসই' ও 'নামসই' শব্দ দুটোর 'সই' প্রত্যয় নয়। এটি 'সহি' (অর্থ - স্বাক্ষর) শব্দ থেকে উৎপন্ন ।
'বাজ' ফারসি প্রত্যয়যোগে গঠিত কয়েকটি শব্দ হচ্ছে - গলাবাজ, কলমবাজ, ধড়িবাজ, ধোঁকাবাজ ইত্যাদি।
'দার' ফারসি প্রত্যয়যোগে গঠিত কয়েকটি শব্দ হচ্ছে - তাঁবেদার, খবরদার, বুটিদার, দেনাদার ইত্যাদি
'বন্দি/'বন্দ্'' ফারসি প্রত্যয়যোগে গঠিত কয়েকটি শব্দ হচ্ছে - জবানবন্দি, সারিবন্দি, নজরবন্দি ইত্যাদি
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাকরণের সাধারণ বা বিশেষ কোনো নিয়মানুসারেই যখন কোন কর্ম ব্যাখ্যা করা যায় না, অথচ তা সংঘটিত হয়, তখন সেই ব্যতিক্রমকে বৈধতা দেয়ার মানে নিপাতনে সিদ্ধ।
গো + পদ = গোষ্পদ।
ষট্ + দশ = ষোড়শ।
দিব্ + লোক = দ্যুলোক।
বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি।
মনষ্ + ঈষা = মনীষা।
আ + পদ = আস্পদ।
বাক্ + ঈশ্বরী = বাগেশ্বরী।
বিশ্ব + মিত্র = বিশ্বমিত্র।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
দৈন্য/দীনতা সবসময় ভালো নয়। এটি একটি শুদ্ধ বাক্য।
প্রশ্নের অন্যান্য অপশনগুলোর শুদ্ধরূপঃ
- তাহার লেখাপড়ায় মনোযোগ নাই।
- অপমানিত হবার ভয় নাই।
- শুধু/মাত্র এই কটা টাকা দিলে?
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
একটি সমাপিকা ক্রিয়া ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া পাশাপাশি বসে যদি কোন বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে, তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
অর্থাৎ, একটি সমাপিকা ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া মিলে যদি তাদের সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে কোন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে। যেমনঃ
- ঘটনাটা শুনে রাখ। (শোনার বদলে তাগিদ দেয়া অর্থ বুঝিয়েছে)
- তিনি বলতে লাগলেন। (বলার অর্থ সম্প্রসারণ করে নিরন্তর বলা বুঝিয়েছে)
- ছেলেমেয়েরা শুয়ে পড়ল। (শোওয়ার পাশাপাশি দিনের কার্যসমাপ্তিও বোঝাচ্ছে)
- সাইরেন বেজে উঠল। (আকস্মিক সাইরেন বাজার কথা বলা হচ্ছে)
- শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে। (অভ্যস্ততা অর্থে, ধীরে ধীরে সংস্কারমুক্ত হয় বোঝাচ্ছে)
- এখন যেতে পার। (যাওয়ার বদলে অনুমোদন অর্থে)
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
‘সচেষ্ট’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে নিশ্চেষ্ট।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীতার্থক শব্দঃ
শায়িত - উত্থিত।
রুষ্ট - তুষ্ট।
ভূত - ভবিষ্যত
বহুল - বিরল
প্রবনতা - উদাসীনতা।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
কর্মকর্তৃবাচ্য : এছাড়াও বাংলায় আরো এক ধরনের প্রকাশভঙ্গির বাক্য দেখা যায়।
এ ধরনের বাক্যের বাচ্যকে বলা হয় কর্মকর্তৃবাচ্য।
- এ ধরনের বাক্যে কর্তাপদ উহ্য থাকে, তবে কর্মপদ থাকে।
আর ওই কর্মপদই কর্তার কাজ করে।
- অর্থাৎ, যে বাক্যে কর্তা থাকে না, কর্মই কর্তার কাজ করে,
তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে। যেমনঃ
কাজটা ভাল দেখায় না।- এখানে কর্তা নেই।
কর্ম হল ‘কাজ’।
কিন্তু ‘কাজ’ নিজেই কর্তার মত বাক্যকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
- বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে।
- সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।<
Paradise Lost begins with a prologue in which Milton performs the traditional epic task of invoking the Muse and stating his purpose. He invokes the classical Muse, Urania, but also refers to her as the ''Heav'nly Muse,'' implying the Christian nature of this work.
He also says that the poem will deal with man's disobedience toward God and the results of that disobedience.
He concludes the prologue by saying he will attempt to justify God's ways to men.
Source: Cliffsnotes
Geoffrey Chaucer (1340-1400):
The outstanding English poet before Shakespeare.
His 'The Canterbury Tales' ranks as one of the greatest poetic works in English.
His other notable works-
- 'Troilus and Criseyde',
- 'The Parlement of Foules',
- 'The Pardoner’s Tale',
- 'The Miller’s Tale',
- 'The Friar’s Tale',
- 'The Nun’s Priest’s Tale',
- 'The Clerk’s Tale',
- 'The Man of Law’s Tale',
- 'The Franklin’s Tale'.
Source: Britannica.com
- Troilus and Cressida is a tragedy by William Shakespeare.
- Battle of the Books - is a satire of Jonathan Swift.
"I shall be telling this with a sigh
Somewhere ages and ages hence:
Two roads diverged in a wood, and I—
I took the one less traveled by,
And that has made all the difference."
The Road Not Taken
- By ROBERT FROST
Jules Verne, a 19th-century French author, is famed for such revolutionary science-fiction novels as 'Around the World in Eighty Days' and 'Twenty Thousand Leagues Under the Sea'.
His other famous literary works are:
- The Adventures of Captain Hatteras
- Journey to the Center of the Earth
- Paris in the Twentieth Century
- From the Earth to the Moon
- In Search of the Castaways
Source: Biography.com
Piers Plowman, in full The Vision of Piers Plowman, Middle English alliterative poem presumed to have been written by William Langland.
Three versions of Piers Plowman are extant:
A, the poem’s short early form, dating from the 1360s;
B, a major revision and extension of A made in the late 1370s; and
C, a less “literary” version of B dating from the 1380s and apparently intended to focus the work’s doctrinal issues. Some scholars think that version C may not be entirely attributable to Langland.
Source: Britannica
John Stuart Mill (1806-73) is one of the most important thinkers and writers of the Victorian era.
Works:
On Liberty (1859)
Utilitarianism (1863)
The Subjection of Women (1869)
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
Jane Austen (1775-1817):
She was an anti-romantic novelist in the Romantic Age. She is called so because of her stern attitude against youthful passion.
Famous works:
Pride and Prejudice (1797)
Sense and Sensibility (1797-98)
Mansfield Park (1814)
Emma (1816)
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
ব্যাখ্যা: সে অলস প্রকৃতির।
Prone to- (ঝোঁক আছে এমন)
Meaning: likely to suffer from something or to do something bad
Synonym: susceptible, inclined, liable
Antonym: resistant, immune
Source: Oxford Learners Dictionary
ব্যাখ্যা:
- রোগের নামের আগে the বসে না। তবে ব্যতিক্রম হল the measles, the mumps, the gout.
- আর এখানে a বা an এর মত অনির্দিষ্ট article বসালে অর্থ প্রকাশ পাবে না।
তাই, সঠিক উত্তর হবে - no article is needed।
ব্যাখ্যা:
- Incomplete sentence-এর শেষে provided/provided that/providing that থাকলে তার পর এমন একটি sentence যোগ করতে হয় যা প্রথম sentence-টির সাথে সংগতিপূর্ণ এবং তার যদি কথাটি প্রকাশ পায়। - এক্ষেত্রে সবচেয়ে যৌক্তিক অর্থটা হবে: কঠোর পরিশ্রম করলে লিমা উন্নতি করবে। তাই, ২য় অপশনটি সঠিক।
ব্যাখ্যা: memorandum (noun)
Meaning: a written message in business or diplomacy; a document recording the terms of a contract or other legal details.
Synonym: Communication, agreement, note, message, record
Source: Oxford languages
ব্যাখ্যা: Encroachment (noun)
Bengali Meaning: সীমালঙ্ঘন করা
Meaning: the act of gradually taking away someone else's rights, or taking control of someone's time, work, etc.
Synonym: attack, onslaught, intrusion
Antonym: retreat, surrender
Source: Oxford Learners Dictionary
ব্যাখ্যা:
Bengali Meaning: বিলুপ্তি
Meaning: the fact or process of a species, family, or other group of animals or plants becoming extinct.
Synonym: annihilation, destruction, abolition, extermination, eradication
Antonym: survival, restoration, regeneration,
Source: Oxford Languages
ব্যাখ্যা:
Singular - Plural
Memorandum - Memoranda
Appendix - Appendices
Syllabus - Syllabi
Basis - Bases
ব্যাখ্যা:
বাক্যের অর্থ: কোর্ট সকাল ১০টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।
adjourn (v):
Meaning: To suspend a session indefinitely or to another time
Source: Merriam-Webster Dictionary
১০% ক্ষতিতে, ক্রয়মূল্য ১০০ হলে বিক্রয়মূল্য = ১০০ - ১০ = ৯০ টাকা
আবার,
১৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০+১৫ = ১১৫ টাকা
বিক্রয়মূল্য বেশি হয় = ১১৫ - ৯০ = ২৫ টাকা
বিক্রয়মূল্য ২৫ টাকা বেশি হয় যখন ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৫০ টাকা বেশি হয় যখন ক্রয়মূল্য = (১০০×৫০)/২৫ টাকা = ২০০ টাকা
শর্টকার্ট ঃ ১০%+১৫% = ২৫%
২৫% = ৫০ টাকা
১০০% = (১০০×৫০)/২৫ = ২০০
ধরি,
প্রথমে তার কাছে ক সংখ্যক লিচু ছিল
মেয়েকে দেয়ার পর বাকি থাকে = ক - ক/২ = ক/২
ছেলেকে দেয় = ক/২ এর ১/৪ অংশ = ক/৮ অংশ
বাকি থাকে = ক/২ - ক/৮ = ৩ক/৮ অংশ
স্ত্রীকে দেয় = ৩ক/৮ এর ৩/৫ অংশ = ৯ক/৪০ অংশ
বাকি থাকে = ৩ক/৮ - ৯ক/৪০ = ৬ক/৪০ অংশ
শর্তমতে, ৬ক/৪০ = ৬
বা, ৬ক = ৬×৪০
বা, ক = ৪০
ধরি,
প্রস্থ ক মি.
সুতরাং দৈর্ঘ্য = ৩ক মি.
পরিসীমা = ২(৩ক+ক)
শর্তমতে, ২×৪ক = ৮০
বা, ক = ১০
দৈর্ঘ্য = ৩×১০ = ৩০ মি.
এখানে মোট ৬টি অংক আছে।
৬টি অংক থেকে প্রতিবার ৪টি ভিন্ন অংক নিয়ে সংখ্যা গঠন করা যাবে = ৬P৪ = ৩৬০টি
ফার্ন অপুষ্পক উক্তিদের মধ্যে সর্বোচ্চ উদ্ভিদ। ফার্নের দেহ মূল, কাণ্ড ও শাখায় বিভক্ত।
যেমন: টেকিশাক।
অন্যদিকে, সাইকাস ও পাইনাস সপুস্পক ও নগ্নবীজী উদ্ভিদ।
সুত্রঃ ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান।
নিয়াসিন বা ভিটামিন বি ৩
উৎসঃ মাংস, কলিজা, গম বা আটা, ডাল, বাদাম, তৈলবীজ, ছোলা ইত্যাদি নিয়াসিনের ভালো উৎস।
অভাবজনিত অবস্থাঃ এর অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়। ফলে, ত্বকে লালচে দাগ পড়ে ও খসখসে হয়ে যায়।
সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
কয়েকটি সাধারণ খনিজ পদার্থের ব্যবহারঃ
জিপসাম (CaSO4.2H20) - সিমেন্ট ও প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরির কাঁচামাল।
ম্যাগনেটাইট (Fe3O4) - লােহা তৈরিতে|
চুনাপাথর (CaCO3) - ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সােডা, গ্লাস, লােহা ও স্টিল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়।
কোয়ার্টজ (SiO2) - কাচ, সিরিচ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে।
সিলভার বা রুপা (Ag) - গহনা ও ধাতব মুদ্রা তৈরিতে।
মাইকা (Mica) - বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরােধক হিসেবে।
ধাতব পাইরাইটস - সালফার এবং নানা রকম ধাতু তৈরিতে।
সােনা ও হীরা - গহনা তৈরিতে।
গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল - জ্বালানি হিসেবে, রান্নার কাজে, গাড়ি ও শিল্পকারখানায়।
সুত্রঃ এসএসসি, বিজ্ঞান।
গুচ্ছ ফলঃ
একটি ফুলে যখন অনেকগুলো গর্ভাশয় থাকে এবং প্রতিটি গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়ে একটি বোঁটার ওপর গুচ্ছাকারে থাকে তখন তাকে গুচ্ছ ফল বলে।
যেমনঃ চম্পা, নয়নতারা, আকন্দ, আতা, শরীফা ইত্যাদি।
সুত্রঃ অষ্টম শ্রেণি, বিজ্ঞান।
এসআই একক পদ্ধতিতে ক্ষমতার একক - ওয়াট।
ক্ষমতা পরিমাপের আরেকটি প্রচলিত একক - হর্স পাওয়ার।
১ হর্সপাওয়ার/অশ্বশক্তি = ৭৪৬ ওয়াট।
মুদ্রা ধাতু:
পর্যায় সারণির গ্রপ-১১ এর মাত্র তিনটি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে। এরা হলো কপার বা তামা (Cu), রুপা (Ag) ও সোনা (Au)।
এ মৌল তিনটির ধাতব উজ্জ্বলতা এক কথায় অসাধারণ। যাদুঘরে গিয়ে দেখবে প্রাচীন কালের সোনার টাকা, রূপার টাকা, তামার টাকা। এগুলো ছিলো তখনকার দিনের বিনিময়ের মাধ্যম।
বর্তমানেও বাজারে ধাতব মুদ্রা প্রচলিত আছে। তবে এগুলো সংকর ধাতুর তৈরী।
সুত্রঃ রসায়ন, এসএসসি।
লিথিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, রুবিডিয়াম এগুলো ক্ষার ধাতু।
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সঠিক বিএমআই হওয়া উচিত ১৮.৫০ থেকে ২৪.৯০ এর মধ্যে।
১৮.৫ এর কম হলে ওজন কম এবং ২৫-২৯.৯ হলে ওজন বেশি ধরা হয়।
বিএমআই এর মান ৩০ এর বেশি হলে স্থুলাকায় বলা হবে সেই ব্যক্তিকে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
ব্যাকটেরিয়া হল আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী অণুবীক্ষণিক জীব। বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান।
ব্যাকটেরিয়া কোষ গোলাকার, দন্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি নানা ধরণের হতে পারে।
দেহের আকার আকৃতির ভিত্তিতে একে নিম্নরূপে শ্রেণীবদ্ধকরা হয়ঃ
কক্কাসঃ কোন কোন ব্যাকটেরিয়া কোষের আকৃতি গোলাকার। এরা কক্কাস ব্যাকটেরিয়া।
এরা এককভাবে অথবা দলবেঁধে থাকতে পারে, যেমন- নিউমোনিয়া রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া।
ব্যাসিলাসঃ এরা লম্বা দন্ডের ন্যায় দেখতে। ধনুষ্টংকার, রক্তামাশয় ইত্যাদি রোগ এরা সৃষ্টি করে।
কমাঃ এরা বাঁকা দন্ডের ন্যায় আকৃতির ব্যাকটেরিয়া। মানুষের কলেরা রোগের ব্যাকটেরিয়া এ ধরণের।
স্পাইরিলামঃ এ ধরণের ব্যাকটোরিয়ামের আকৃতি প্যাঁচানো।
সূত্রঃ পৃষ্ঠা নং-০৩, বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।
বেশ কয়েক ধরনের শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট রয়েছে এবং এদের উৎসও ভিন্ন। যেমন:
উদ্ভিজ্জ উৎসঃ
শ্বেতসার বা স্টার্চ: ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য দানা স্টার্চের প্রধান উৎস। এছাড়া আলু, রাঙা আলু বা কচুতেও শ্বেতসার বা স্টার্চ পাওয়া যায়।
গ্লুকোজ: এটি চিনির তুলনায় মিষ্টি কম। এই শর্করাটি আঙুর, আপেল, গাজর, খেজুর ইত্যাদিতে পাওয়া যায়।
ফ্রুকটোজ: আম, পেঁপে, কলা, কমলালেবু প্রভৃতি মিষ্টি ফলে এবং ফুলের মধুতে ফ্রুক্টোজ থাকে। একে ফল শর্করাও (Fruit Sugar) বলা হয়ে থাকে।
সুক্রোজ: আখের রস, চিনি, গুড়, মিছরি এর উৎস।
সেলুলোজ: বেল, আম, কলা, তরমুজ, বাদাম, শুকনো ফল এবং সব ধরনের শাক-সবজিতে সেলুলোজ থাকে।
প্রাণিজ উৎস
ল্যাকটোজ বা দুধ শর্করা: গরু, ছাগল এবং অন্যান্য প্রাণীর দুধে এই শর্করা থাকে।
গ্লাইকোজেন: পশু ও পাখি জাতীয় (যেমন: মুরগি, কবুতর প্রভৃতি) প্রাণীর যকৃত এবং মাংসে (পেশি) গ্লাইকোজেন শর্করাটি থাকে।
সূত্রঃ নবম দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান।
২০০৬ সালে প্লুটো গ্রহের মর্যাদা হারায়, বর্তমানে এটাকে বামন গ্রহ (Dwarf Planet) বলা হয়ে থাকে।
প্লুটো সহ সৌরজগতে এরিস, ম্যাকিম্যাকি ও সিরেস নামে আরো কয়েকটি বামন গ্রহ আছে৷
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।
তাপমন্ডলঃ
এই স্তরের বায়ু প্রায় নেই বললেই চলে। এই স্তরে বায়ুর তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ে তাই এই নাম তাপমন্ডল। এই স্তর থেকে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে।
সুত্রঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
Positron emission tomography (PET) is a type of nuclear medicine procedure that measures metabolic activity of the cells of body tissues.
PET is actually a combination of nuclear medicine and biochemical analysis.
Used mostly in patients with brain or heart conditions and cancer, PET helps to visualize the biochemical changes taking place in the body, such as the metabolism (the process by which cells change food into energy after food is digested and absorbed into the blood) of the heart muscle.
Source: Johns Hopkins Medicine.
নট গেইট (NOT Gate)
এ গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে। ইনপুটের বিপরীত হবে আউটপুট। সেজন্য এ গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়। এ গেইটে ইনপুট সত্য হলে আউটপুট মিথ্যা, আর যদি ইনপুট মিথ্যা হয় তাহলে আউটপুট সত্য হয়।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা LAN
সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে । একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন তলায়, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলির সংযোগের ফলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে তার নামই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক। ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসাবে সাধারণত ক্যাবল ব্যবহার হয়। সাধারণত সীমিত এলাকার মধ্যে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়। তবে ইন্টারনেটের সংযোগ থাকলে ভাল হয়।
সুত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি।
SMTP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল সেন্ড করা হয়।
ই-মেইল সার্ভার থেকে কোন ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP- Post Office Protocol ব্যবহৃত হয়।
IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাতে একক স্থানীয় সংখ্যা ৩ আছে এমন সংখ্যা হলো ১০টি, এগুলো হলো - ৩, ১৩, ২৩, ৩৩, ৪৩, ৫৩, ৬৩, ৭৩, ৮৩, ৯৩
এবং দশক স্থানীয় সংখ্যা ৩ আছে এগুলো হলো - ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯
তাহলে, মোট সংখ্যা = ১০ + ১০ = ২০ টি।
দুইটি সংখ্যার গড় = xy
সংখ্যা দুইটির সমষ্টি = 2xy
তাহলে, অপর সংখ্যা = 2xy - x = x(2y - 1)
ঘরটির ক্ষেত্রফল = (২০× ৮) + (১২×৮) = ২৫৬
দূরত্ব = √(42 + 32) = 5
5 + 9 = 14
17 + 11 = 28
একইভাবে,
19 + 26 = 45
ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল - 'সৈনিক' পত্রিকা। এটি সাপ্তাহিক আকারে প্রকাশিত হত।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমুদ্দিন মজলিশ' - এর উদ্যোক্তাগণ এই পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন। সেই অর্থে এটি তমুদ্দিন মজলিশেরও মুখপত্র।
- পত্রিকাটিতে তৎকালীন বাংলা ভাষার প্রতিযশা সকল লেখকগণই লিখে বাংলা সপক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সহায়তা করেন।
- সাপ্তাহিক সৈনিক - এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় - ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন - শাহেদ আলী। পরে এর সম্পাদক ছিলেন - আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী।
- উল্লেখ্য, তমুদ্দিন মজলিশের উদ্যোগে আরো একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হতো যার নাম - 'মাসিক দ্যুতি'।
- মাসিক দ্যুতি - ভাষা আন্দোলনের স্বপক্ষে কাজ করলেও সে অর্থে এটিকে ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র বলা যায় না।
- এছাড়াও, 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকাও ভাষা আন্দোলনে বাংলা ভাষার পক্ষে বিভিন্ন নিবন্ধ প্রকাশ করতো।
- বাংলা ভাষার পক্ষের আরো কয়েকটি পত্রিকা হচ্ছে - ইনসাফ, মিল্লাত, ইত্তেহাদ, ইত্তেফাক, ঢাকাপ্রকাশ, সীমান্ত ইত্যাদি।
- অন্যদিকে, 'মর্নিং নিউজ' উর্দুর পক্ষে নিউজ প্রকাশ করে বাংলা ভাষার তীব্র বিরোধিতা করতো।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- একই বছরের ২৭ অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে সড়িয়ে ক্ষমতা দখল করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।
- ১৯৬২ সালের ৮ জুন তিনি সামরিক শাসন প্রত্যাহার করেন।
- ইয়াহিয়া খান ১৯৬৯ সালের ২৫শে মার্চ দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া
মহান মুক্তিযুদ্ধে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ার একটি বর্ণাঢ্য ইতিহাস রয়েছে। এখান থেকেই যেমন মুক্তিবাহিনী গঠন, মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা ও রাজনৈতিক সরকার গঠনের প্রস্তাব তথা মুক্তিযুদ্ধের প্রাথমিক প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রথম পাঠের অনুশীলন হয় তেমনি এখানে সংগঠিত হয়েছে বহু সম্মুখ সমর।
- ২৮ মার্চ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত সময়ে এখানে সংগঠিত নানা বিষয় যেমন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ইতিহাসের অমূল্য উপাদান; তেমনি সম্মুখ সমরক্ষেত্র হিসেবেও এ স্থানের রয়েছে অতুলনীয় গৌরব-গাঁথা।
২৫ মার্চ পাক বাহিনীর বর্বোরোচিত হামলার পর বাঙ্গালি অনেক সেনা অফিসার বিদ্রোহ করেন। বিদ্রোহী অফিসারদের অনেকেই (খালেদ মোশাররফ, শাফায়াত জামিল, জিয়াউর রহমান, এস এম রেজা, কে এম সফিউল্লাহ প্রমুখ এম.এ.জি ওসমানীর উপস্থিতি বৈঠক করেন। তেলিয়াপাড়া তখন ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গলের অস্থায়ী হেডকোয়ার্টার। সেখান থেকে পূর্ব যোগাযোগের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় তেলিয়াপাড়া বিওপি-এর কাছে ভারতীয় বিএসএফ-এর পূর্বাঞ্চলীয় মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার ভি সি পান্ডের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষের আলোচনায় ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোতে বিদ্রোহী সেনা কর্মকর্তাদের একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়।
৪ এপ্রিল সকালের মধ্যেই সেনা কর্মকর্তাদের সকলে তেলিয়াপাড়া বাংলোতে উপস্থিত হন। ১০টার দিকে ভারতীয় বিএসএফ-এর পূর্বাঞ্চলীয় মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার ভি সি পান্ডে ও আগরতলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ওমেস সায়গল বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানীকে সঙ্গে নিয়ে তেলিয়াপাড়াস্থ সেনা সদরে এসে উপস্থিত হন। ৭ সকাল ১১টায় সভার কার্যক্রম শুরু হয়।
এখানেই সিদ্ধান্ত হয় যে, বিদ্রোহী অফিসাররা যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন। এখানেই প্রথম বিদ্রোহী সকল ইউনিটের সমন্বয়ে 'মুক্তিফৌজ' গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এই বৈঠকের স্থানের নাম অনুসারে এখানে গৃহীত যুদ্ধকৌশলকে "তেলিয়াপাড়া রণকৌশল" নামে অভিহিত করা হয়। এটাই মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্যে গৃহীত প্রথম রণকৌশল হিসাবে পরিগণিত।
তেলিয়াপাড়া সেনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ সরকার গঠনের আগে। তাই নিকট অতীতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার উদাহরণ বিশ্লেষণ করে সভার লিখিতাকারে কোনো সিদ্ধান্ত সংরক্ষণ করা হয়নি।
- ‘মৌখিকভাবে বাহিনীর সংগঠন, নেতৃত্ব ও যুদ্ধ পরিচালনার যে সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা পরবর্তী সময়ে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন পায়।
- ১১ এপ্রিল নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বেতার ভাষণে এই সভার সিদ্ধান্তের কিছু অংশ উচ্চারিত হয়েছিল। উক্ত ভাষণে 'মুক্তিফৌজ' গঠনের কথাও বলা হয়।
পরে এই সভার সিদ্ধান্তগুলোকে পরিবর্ধন, পরিমার্জন, সংশোধন, সংযোজনের মাধ্যমে আরও সময়োপযোগী করে তোলা হয়’।
- সভা শেষে কর্নেল ওসমানী তাঁর রিভলভার থেকে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।’
- ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তানুযায়ী ১০ এপ্রিল তেলিয়াপাড়ায় ২য় সেনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ মূলধারা ৭১, বাংলাপিডিয়া ও তেলিয়াপাড়া উপজেলা ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের জন্য সারা বছরকে ২টি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. রবি মৌসুম ও
২. খরিপ মৌসুম।
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে,
- মোট জনসংখ্যা -- ১৬.৬৫ কোটি
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার -- ১.৩৭%
- পুরুষ-মহিলা অনুপাত -- ১০০.২ঃ১০০
- প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব -- ১১২৫ জন
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল -- ৭২.৬ বছর
- সুপেয় পানি গ্রহণকারী -- ৯৮.১
- স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারকারী -- ৮১.৫
- মহিলা (১৫-৪৯ বছর) প্রতি উর্বরতা হার -- ২.০৪
- শিশু মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০ জীবিত জন্মে) -- ২১ জন
- দারিদ্র্যের হার -- ২০.৫ শতাংশ
- চরম দারিদ্র্যের হার -- ১০.৫ শতাংশ
- রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদিনিবাস মায়ানমারের আরাকান রাজ্য। এরা নিজেদের ‘রাক্ষাইন’ নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- রাখাইনরা এক সময় ‘মগ’ নামে পরিচিত ছিলো।
- অনেক গবেষকের মতে রাখাইন এবং মারমারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত। রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারি।
সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে,
- মোট জনসংখ্যা -- ১৬.৬৫ কোটি
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার -- ১.৩৭%
- পুরুষ-মহিলা অনুপাত -- ১০০.২ঃ১০০
- প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব -- ১১২৫ জন
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল -- ৭২.৬ বছর
- সুপেয় পানি গ্রহণকারী -- ৯৮.১
- স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারকারী -- ৮১.৫
- মহিলা (১৫-৪৯ বছর) প্রতি উর্বরতা হার -- ২.০৪
- শিশু মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০ জীবিত জন্মে) -- ২১ জন
- দারিদ্র্যের হার -- ২০.৫ শতাংশ
- চরম দারিদ্র্যের হার -- ১০.৫ শতাংশ
- স্থূল জন্ম হার (প্রতি ১০০০ জনে) -- ১৮.১ জন
- স্থূল মৃত্যু হার (প্রতি ১০০০ জনে) -- ৪.৯ জন
- গর্ভ নিরোধক ব্যবহারের হার -- ৬৩.৪
- ডাক্তার ও জনসংখ্যার অনুপাত-২০১৮ -- ১ঃ১৭২৪
এক নজরে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে অনুমোদন পায় : ২৯ ডিসেম্বর ২০২০
- সময়কাল : জুলাই ২০২০ – জুন ২০২৫
- মোট ব্যয় : ৬৪ লক্ষ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা
- ২০২৫ সালে জিডিপির প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা : ৮.৫১ শতাংশ
- উচ্চ দারিদ্র্য হার : ১৫.৬ শতাংশ
- চরম দারিদ্র্য হার : ৭.৪ শতাংশ
- মোট বিনিয়োগ : জিডিপির ৩৬.৫৯ শতাংশ
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে : ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার।
সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৭ মার্চ ২০২০ প্রথমবারের মতো দুইশত টাকা মূল্যমানের নতুন নোট অবমুক্ত করে।
- এছাড়া ১০০ টাকার সোনা ও রুপার স্মারক মুদ্রা বাজারে ছাড়া হয়।
- মোট চার ধরনের নোট অবমুক্ত করা হয়।
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
২০১১ সালের ৩রা জুলাই সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়।
পঞ্চদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তুঃ
- পঞ্চম তফসিলে - বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৭ই মার্চের ভাষণ সংযোজন
- ষষ্ঠ তফসিলে - বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা সংযোজন
- সপ্তম তফসিলে - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংযোজন
- - বাহাত্তরের মূল সংবিধানের মূলনীতিসমূহ পুনঃস্থাপন
- ৪ক অনুচ্ছেদ (জাতির পিতার প্রতিকৃতি) সংযোজন
- ২ক অনুচ্ছেদে (রাষ্ট্রধর্ম) সংশোধন প্রভৃতি
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
২৮ নং অনুচ্ছেদ: ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য
(২) নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভের কথা বলা হয়েছে।
(৩) নং অনুচ্ছেদে বিনোদন, বিশ্রাম ও শিক্ষাক্ষেত্রে ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী ও লিঙ্গগত পার্থক্যের কারণে বৈষম্য না করার কথা বলা হয়েছে।
(৪) নং অনুচ্ছেদে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্যে বিশেষ অধিকার গ্রহণের বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
স্থানীয় প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধানঃ
- বিভাগীয় প্রশাসন -- Divisional Commissioner বা বিভাগীয় কমিশনার
- জেলা প্রশাসন -- Deputy Commissioner বা ডিসি বা জেলা প্রশাসক
- উপজেলা প্রশাসন -- UNO বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বই।
- বাংলা চলচ্চিত্রের জনক - হীরালাল সেন
- বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জনক - আব্দুল জব্বার খান
World Economic Forum (WEF) - এর বৈশ্বিক লিঙ্গবৈষম্য প্রতিবেদন, ২০২০ (Global Gender Gap Report - 2020) অনুসারে,
- বৈশ্বিক সূচকে ১৫৩টি দেশের মধ্যে, প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে যথাক্রমে - আইসল্যান্ড (০.৮৭৭) ও নরওয়ে (০.৮৪২)।
- বাংলাদেশের অবস্থান - ৫০ যা আগের বছর ছিলো ৪৮।
- এই সূচকে বাংলাদেশের স্কোর - ০.৭২৬।
- দক্ষিণ এশিয়ার আর কোন দেশ সূচকে ১০০ এর মধ্যে নেই।
- দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের পরের অবস্থান - নেপাল (১০১ তম) ও শ্রীলঙ্কা (১০২তম)।
উৎসঃ WEF website.
- দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে হলো ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে।
- গত ১৫ মার্চ, ২০২১ তারিখে প্রধানমন্ত্রী এটির উদ্বোধন করেন। এটির দৈর্ঘ্য ৫৫ কিলোমিটার।
- মহাসড়কটিতে চারটি লেন এবং দুটি সার্ভিস লেন রয়েছে।
- এই এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ঢাকা থেকে মাওয়া যেতে সময় লাগবে ২৭ মিনিট এবং ভাঙ্গা যেতে ৫৫ মিনিট।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
বাংলাদেশের কয়েকটি স্থানের পূর্বনামঃ
- মুন্সীগঞ্জের পূর্বনাম - বিক্রমপুর
- বগুড়ার পূর্বনাম - পুণ্ড্রনগর
- বাগেরহাটের পূর্বনাম - খলিফাবাদ
- খুলনার পূর্বনাম - জাহানাবাদ
- বরিশালের পূর্বনাম - চন্দ্রদ্বীপ/ ইসমাইলপুর
- চট্টগ্রামের পূর্বনাম - ইসলামাবাদ
- ময়মনসিংহের পূর্বনাম - নসিরাবাদ
বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি - অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান।
- তিনি ২৮ জুন ২০২০ পরবর্তী ০৩ (তিন) বছরের জন্য বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেছেন।
- তিনি ২৯ জুন ২০২০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
- এর আগে তিনি বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- উল্লেখ্য, তিনি প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।
বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক - হাবীবুল্লাহ সিরাজী।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী ওয়েবসাইট।
বিশ্বে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্রের সংখ্যা দুইটি।
এগুলো হলো-
১. দক্ষিণ আফ্রিকা ও
২. ইতালি।
- দক্ষিণ আফ্রিকার অভ্যন্তরে ‘লেসোথ’ নামের আরেকটি স্বাধীন রাষ্ট্র অবস্থিত।
- অন্যদিকে, ইতালির অভ্যন্তরে ‘ভ্যাটিকান সিটি’ ও ‘সানম্যারিনো’ রাষ্ট্রদ্বয় অবস্থিত।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে যা ‘সানসাইন পলিসি’ (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরীয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- সানশাইন পলিসির প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
অ্যাশেরীয় সভ্যতার অবদানঃ
বিজ্ঞান ও জ্যোতিশাস্ত্রে অ্যাশেরীয়রা অতুলনীয় অবদান রাখেন যা বর্তমান সময়েও কাজে লাগে।
⤇ অ্যাশেরীয়রা - বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রী কোণে ভাগ করে।
⤇ তারা সর্বপ্রথম পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন।
⤇ জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারের জন্য তারা মেসোপটেমিয়ায় সর্বপ্রথম লাইব্রেরি স্থাপন করেন যা বর্তমানে ইরাকের ‘নিনেভাহ’ -তে অবস্থিত। এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম লাইব্রেরী হিসাবে পরিচিত যা মিশরের আলেক্সান্দ্রিয়া লাইব্রেরী থেকেও কয়েকশ বছরের পুরনো।
⤇ অ্যাশেরীয়রা প্রথম লোহার তৈরি তলোয়ার, বর্শা, ধনুক, ড্যাগার ইত্যাদি অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করতো।
বোস্টন টী-পার্টি (Boston Tea Party):
- বোস্টন টী-পার্টি সংঘটিত হয়েছিল - ১৭৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- ১৭৬৭ সালে উত্তর আমেরিকা সহ ব্রিটিশদের উপনিবেশগুলোতে চা সহ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের উপর কর-আরোপ করা হয়। বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিবাদ হলেও ব্রিটিশরা সেটা আমলে নেয় নি।
- ১৭৭০ সালের ৫ মার্চ বোস্টন রাজস্ব বিভাগের সামনে আমেরিকানদের সাথে ব্রিটিশ সৈনিকরা কর আদায়ের ইস্যুকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে ব্রিটিশরা উত্তেজিত ব্যবসায়ীদের দিকে গুলিবর্ষণ করা শুরু করলে প্রায় ৫ জন নিহত হয়। আহত হয় ৬ জন। এই ঘটনাকে বোস্টন গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করা হয়। এর ফলে দ্রুত ব্যবসায়ীদের মাঝে ব্রিটিশ বিরোধী ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
- ১৭৭৩ সালে বোস্টন বন্দরে নোঙ্গর করা জাহাজ থেকে প্রায় ৪৬টন চা আটলান্টিক মহাসাগরে ফেলে দেওয়া হয়। পৃথিবীর ইতিহাসে সেদিনের এই ঘটনাকে 'বোস্টন টি পার্টি' হিসেবে অভিহিত করা হয়। আজ থেকে প্রায় ২৫০ বছর পূর্বের এই ঘটনার মাধ্যমে ঔপনিবেশিক আমেরিকানরা ব্রিটিশ ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির অর্থনীতিতে চরম আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছিলো।
- এই ঘটনা ১৭৭৬ সালে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধকে ত্বরান্বিত করে।
উৎসঃ হিস্টরি.কম।
জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাঃ ১৫টি
যথা -
১. খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)
২. আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন সংস্থা (ICAO)
৩. আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD)
৪. আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)
৫. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)
৬. আন্তর্জাতিক উপকূল সম্পর্কিত সংগঠন (IMO)
৭. আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (ITU)
৮. জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (UNESCO)
৯. জাতিসংঘ শিল্পোন্নয়ন সংস্থা (UNIDO)
১০. বিশ্ব পর্যটন সংস্থা (UNWTO)
১১. বিশ্ব ডাক ইউনিয়ন (UPU)
১২. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)
১৩. বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা (WIPO)
১৪. বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO)
১৫. বিশ্বব্যাংক (WB)
অন্যদিকে,
১৯৯৮ সালের ১৭ জুলাই স্বাক্ষরিত রোম চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে ২০০২ সালের ১ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
উৎসঃ জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওয়েবসাইট।
The Asian Development Bank (ADB) ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য : ৩১টি
- বর্তমান মোট সদস্য : ৬৮টি
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সদস্য : ৪৯টি
- অন্যান্য অঞ্চলের সদস্য : ১৯টি।
- ADB এর সদরদপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করে।
সূত্রঃ এডিবি ওয়েবসাইট।
বিমসটেক (BIMSTEC- Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-Operation) বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট।
- এটি ১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংকক ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর স্থায়ী সদরদপ্তর অবস্থিত ঢাকায়।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি এবং বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
- সদস্য দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড (প্রথম ৪টি প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য), মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান।
বিমস্টেকের পঞ্চম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে - শ্রীলঙ্কায় (২০২১ সালে)।
উৎসঃ বিমসটেক ওয়েবসাইট।
ওয়ার্ল্ড রিসোর্স ইনস্টিটিউট (WRI):
- ওয়ার্ল্ড রিসোর্স ইনস্টিটিউট (WRI) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনভিত্তিক অলাভজনক গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান।
- প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৮২ সাল
- প্রতিষ্ঠাতা - জেমস গোস্তাভ স্পেথ
- সদরদপ্তর - ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র
কাজের ক্ষেত্র:
- জলবায়ু (Climate)
- শক্তি (Energy)
- খাদ্য (Food)
- বন (Forest)
- পানি (Water)
- টেকসই নগর (Sustainable City) ও
- সমুদ্র (The Ocean)
উৎসঃ WRI ওয়েবসাইট।
রিও প্যাক্ট (Rio Pact):
Rio Pact - এর পূর্ণনাম Inter-American Treaty of Reciprocal Assistance।
- যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশ সমূহের মধ্যে সম্পাদিত এটি একটি প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।
- স্বাক্ষর - ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ ও কার্যকর - ৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সাল।
- এই চুক্তির আওতায় থাকা কোন দেশ বহিঃশত্রু দ্বারা আক্রান্ত হলে তা পুরো অঞ্চলের উপর আক্রমণ বলে অভিহিত করা হয় এবং তা প্রতিহত করার জন্য এই অঞ্চলের দেশগুলো একে অপরকে সহায়তা করবে।
- রিও প্যাক্টকে 'Hemispheric Defense' চুক্তি নামে অভিহিত করা হয়।
- ১৯৮২ সালে ফকল্যান্ড যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক যুক্তরাজ্যকে সমর্থন দিলে এই চুক্তি অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- কিন্তু আবার ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টু-ইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলার ফলে দেশটি আবার এই চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করে।
উৎসঃ ব্রিটানিকা ও OAS ওয়েবসাইট।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের অধীন Committee for Development Policy (CDP) বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশগুলো নিয়ে LDC তালিকা তৈরি করে।
- CDP - জাতিসংঘের কাছে কোনো অনুন্নত দেশকে উন্নয়নশীল/উন্নত দেশ হিসাবে ঘোষণার জন্য সুপারিশ করে থাকে।
- ১৯৭১ সালে প্রথম এ তালিকা তৈরি করা হয়।
- বর্তমানে ৪৬টি দেশ LDC তালিকার অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া ৫টি দেশ তালিকা থেকে উত্তরণ করেছে।
- CDP - এর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখের প্লেনারি বৈঠকের চূড়ান্ত সুপারিশক্রমে বাংলাদেশ ২০২৬ সালে LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করবে।
- সাধারণত সিডিপির চূড়ান্ত সুপারিশের তিন বছর পর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে চূড়ান্ত স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কিন্তু করোনার প্রভাব মোকাবিলা করে প্রস্তুতি নিতে বাড়তি দুই বছর সময় দেওয়া হয়েছে। সিডিপির সঙ্গে গত ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের বৈঠকে বাংলাদেশও বাড়তি দুই বছর সময় চেয়েছিল।
- বাংলাদেশের সাথে নেপাল ও লাওস - এলডিসি থেকে উত্তরণের সুপারিশ পেয়েছে।
- মিয়ানমারের সুপারিশ পাওয়ার কথা থাকলেও সাম্প্রতিক সেনা অভ্যুত্থানের কারণে দেশটিকে চড়ান্ত সুপারিশ করা হয় নি।
সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো রিপোর্ট।
- জাপানের কমিউনিস্ট উগ্রপন্থী সংগঠন হলো রেড আর্মি। এর প্রতিষ্ঠাতা ফুসেকা শিজেনবো নামে একজন নারী।
- ১৯৭১ সালে লেবাননে তিনি এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংগঠন বিশ্বব্যাপী অনেকগুলো আলোচিত অপারেশন পরিচালনা করে।
- এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের ঢাকায় জাপানের বিমান ছিনতাই করে নিয়ে আসা।
- ২০০০ সালে ফুসেকা জাপানে গ্রেফতার হলে রেড আর্মি এর কার্যক্রম স্তিমিত হয়ে পড়ে। ২০০১ সালে ফুসেকা রেড আর্মি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।
উৎসঃ জাপানের সরকারি ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা.কম
Union Solidarity and Development Party (USDP) মিয়ানমারের একটি রাজনৈতিক দল।
- ২০১০ সালের ৮ জুন সাবেক প্রধানমন্ত্রী থেইন সেইন এই দলটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- USDP সামরিক জান্তার সমর্থনপুষ্ট দল।
- ২০১০ - ১৫ সাল পর্যন্ত এটি মিয়ানমারের রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল। তারপরে থেকে এটি প্রধান বিরোধী দল।
উৎসঃ ব্রিটানিকা ও ইরাওয়াদী রিপোর্ট (মিয়ানমারের পত্রিকা)
২০২০ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিন বিজ্ঞানী। এরা হলেন:
- রজার পেনরোস (যুক্তরাজ্য)
- রাইনহার্ড গেঞ্জেল (জার্মানি)
- আন্দ্রেয়া ঘেজ (যুক্তরাষ্ট্র)৷
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রজার পেনরোস গবেষণা করেছেন কৃষ্ণ গহ্বর নিয়ে৷ তিনি নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্যের অর্ধেক পাবেন৷
অন্যদিকে,
জার্মানির মাক্স প্লাংক ইনস্টিটিউট ফর এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ফিজিক্স-এর গবেষক রাইনহার্ড গেঞ্জেল ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দ্রিয়া ঘেজ আমাদের গ্যালাক্সি নিয়ে গবেষণার জন্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তারা দুজন মিলে পুরস্কারের অর্থমূল্যের অর্ধেক পাবেন।
সূত্র: নোবেল প্রাইজ ওয়েবসাইট।
বৃষ্টিপাতের শ্রেণিবিভাগঃ
চারটি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে একে চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যায়।
যথা -
১. পরিচলন বৃষ্টিপাত (Convectional Rain)
২. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain)
৩. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি (Cyclonic Rain)
৪. সংঘর্ষ বৃষ্টি (Frontal Rain)
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিঃ
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আদ্র বায়ু ভূপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় গতিপথে পর্বতাদিতে বাধা পেলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে ওপরে উঠতে থাকে এবং প্রসারিত ও শীতল হয়।
- পর্বতের উচ্চ অংশের শীতল বায়ু তুষারের সংস্পর্শে এবং ঊর্ধ্বে ওঠার ফলে এ জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঘণীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত পার্শ্বে (Windward side) প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- ভূমির বন্ধুরতার (Relief) জন্য এরূপ বৃষ্টিপাত হয় বলে একে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে। পাহাড়ে বাধা পেয়ে এ জাতীয় বৃষ্টিপাত হয় বলে একে আবার পাহাড়িয়া বৃষ্টিও বলে।
- পর্বতের প্রতিবাত ঢালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় বলে পর্বতের অনুবাত ঢালে (Leeward side) বৃষ্টিপাত নেই বললেই চলে।
- বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, প্রভৃতি জেলার পর্বত, সিলেটে এর জৈন্তিয়া প্রভৃতি অঞ্চলে প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত হয়।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল ১ম পত্র বই।
জলবায়ুর নিয়ামক (Factors of Climate) হচ্ছে -
- অক্ষাংশ,
- উচ্চতা,
- সমুদ্রস্রোত,
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব,
- ভূমির ঢাল,
- পর্বতের অবস্থান প্রভৃতি।
আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলোঃ
- বায়ুর তাপ
- বায়ুর চাপ
- বায়ু প্রবাহ
- বায়ুর আর্দ্রতা এবং
- বারিপাত।
- দ্রাঘিমারেখার উপর জলবায়ু বা আবহাওয়া নির্ভর করে না।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫-এর ভিত্তিতে ২০০২ সালে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার, উৎপাদন, বিপণন ও পরিবহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
- আইনের ১৫ ধারায় বলা হয়, যদি কোনো ব্যক্তি নিষিদ্ধ পলিথিন সামগ্রী উৎপাদন করে তাহলে ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা, এমনকি উভয় দণ্ড হতে পারে।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ।
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড়সমূহ দেশের পূর্ব ও দক্ষিন-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এই পাহাড়সমূহ অবস্থিত। বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী রাজ্য - আরাকান বা রাখাইন।
- মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে অবস্থিত আরাকান ইয়োমা (Arakan Yoma) বা Rakhine Yoma বা Rakhine Mountains - অবস্থিত।
- আরাকান পর্বত রেঞ্জের দৈর্ঘ্য - প্রায় ৪০০ কি.মি। এটি ভারতের মিজোরাম পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ আরাকান পর্বত রেঞ্জের অন্তর্গত।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
বাংলাদেশে সাধারণত বৈশাখ থেকে জ্যৈষ্ঠ মাসে (মার্চ-এপ্রিল/এপ্রিল-মে) কালবৈশাখী ঝড় দেখা দেয়। তবে বৈশাখ মাসেই কালবৈশাখীর প্রকোপ বেশি থাকে।
- এই ঝড়ের গতিবেগ ৫৫ থেকে ৮০ কি. মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ু এবং দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর সংঘর্ষে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন প্রণীত হয় ২০১২ সালে। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১২ এটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
- এই আইনের অধীনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল গঠিত হয়।
- দুর্যোগ মোকাবেলায় সমন্বিত ও শক্তিশালী কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন তৈরি হয়।
- এই আইনের আলোকে ২০১৫ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জাতীয় নীতিমালা প্রণীত হয়।
উৎসঃ আইন মন্ত্রণালয় ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন - ২০১২
উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে এবং গাছকে সবুজ ও সতেজ করতে নাইট্রোজেন ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের কৃষিতে বহুল ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সার হচ্ছে - ইউরিয়া।
- সার ছাড়া বায়ু থেকে নাইট্রোজেন পাওয়া যায়। বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ - ৭৮.০২%।
- বায়ু থেকে নাইট্রোজেন মাটিতে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে নাইট্রোজেন চক্র বলে। নাইট্রোজেন চক্র এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে নাইট্রোজেন বিভিন্নভাবে রূপান্তরিত হয়।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল বই (উন্মুক্ত)।
মূল্যবোধ বা নৈতিকতা সম্পন্ন জাতিই সভ্য জাতি বলে বিবেচিত হয়।
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি। শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো মূল্যবোধ অর্জন।
- সুতরাং সভ্য সমাজ গঠনে শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- নৈতিক শিক্ষা মানুষের মূল্যবোধকে জাগ্রত করে।
- নৈতিক শিক্ষা মানুষকে সকল প্রকার অন্যায় ও পাপ থেকে বিরত রেখে পরিপূর্ণ মানুষে পরিণত করে।
- নৈতিক শিক্ষা ন্যায়বোধ ও বিবেককে জাগ্রত করে যা মানুষকে মন্দ পরিহার করে ভালোর দিকে ধাবিত করে।
সূত্রঃ নীতিবিদ্যা : স্নাতক শ্রেণী।
সংস্কৃতি বলতে মানুষের যাবতীয় কর্মকাণ্ড তথা জীবন প্রণালিকে বুঝায়।
- মানুষের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, বাদ্যযন্ত্র, পোশাক-পরিচ্ছদ থেকে শুরু করে চিন্তা-ভাবনা, ধ্যান ধারণা, বিশ্বাস, ধর্ম, নীতিবোধ প্রভৃতি সংস্কৃতির উপাদান হিসেবে চিহ্নিত।
- এগুলোর মধ্যে চিন্তা-ভাবনা, ধ্যান ধারণা, বিশ্বাস, ধর্ম, নীতিবোধ প্রভৃতি অবস্তুগত ধারনা। অন্যান্যগুলো বস্তুগত ধারণা।
- সংস্কৃতি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবাহিত হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক সমাজবিজ্ঞান : প্রথমপত্র
সুশাসনের অন্যতম প্রধান উপাদানসমূহ-
- আইনের শাসন,
- জবাবদিহিতা,
- ন্যায়পরায়ণতা,
- স্বচ্ছতা,
- সমতা ও ন্যায্যতা,
- সংবেদনশীলতা,
- জবাবদিহিতা ইত্যাদি।
অপরদিকে,
সততা - সুশাসনের উপাদান নয়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
- সুশীল সমাজ বা সিভিল সোসাইটি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার কাঠামোর অংশ নয়। এরা হলো বেসরকারি স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী।
- কিন্তু তা সত্ত্বেও এই গোষ্ঠী সরকারি সিদ্ধান্ত ও নীতি নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। এদের মূল উদ্দেশ্যে হলো নিজেদের অনুকূলে সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
বাংলাদেশের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সুশীল সমাজের উদাহরণ হলো -
- টিআইবি, সিপিডি, সুজন, বেলা, নিসচা ইত্যাদি।
বাসস = বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা; এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।
সমাজ, রাষ্ট্র এবং অর্থনৈতিক চিন্তার ক্ষেত্রে কার্ল মার্কসকে সমাজতন্ত্রবাদের মূল প্রবক্তা হিসেবে গণ্য করা হয়।
- পুঁজিবাদী শোষণ নির্ভর উনবিংশ শতাব্দীর ইউরোপীয় সমাজ-ব্যবস্থার বিপরীতে কার্লমার্কস দ্বান্দিক বস্তুবাদের ধারার উপর প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রমতবাদ উদ্ভাবন করেন।
- তাঁর এ মতাদর্শমার্কসবাদ (Marxism) নামে খ্যাত।
সংক্ষেপে মার্কসবাদকে মোটামুটি পাঁচটি স্তরে বিভক্ত করা যায়,
যথা:
● দ্বান্দিক বস্তুবাদ
● ইতিহাসের বস্তুবাদী ব্যাখ্যা বা ঐতিহাসিক বস্তুবাদ
● শ্রেণী সংগ্রাম তত্ত্ব
● উদ্বৃত্ত মূল্যতত্ত্ব
● সাম্যবাদ
শ্রেণী সংগ্রাম তত্ত্ব:
- জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ইত্যাদি আংগিকে না দেখে বরং ‘শ্রেণী' শব্দটিকে মার্কস অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা করেছেন।
- তাঁর মতে সমাজ বিকাশের প্রতিটি ধাপে ‘উৎপাদন সম্পর্কের' ভিত্তিতে শ্রেণী নির্ধারিত হয়ে থাকে।
- তিনি আরও বলেন যে, শ্রেণী যেখানে থাকবে সেখানে থাকবে শ্রেণী শোষণ। আর এজন্যই অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে শ্রেণী সচেতনতা, শ্রেণী সংগঠন ও শ্রেণী সংগ্রাম।
- মার্কস এবং এঙ্গেলস তাঁদের বিখ্যাত (১৮৪৮ সালে প্রকাশিত) কমিউনিষ্ট ম্যানিফেস্টুতে উল্লেখ করেন যে, ‘মানব জাতির জ্ঞাত ইতিহাস হচ্ছে শ্রেণী সংগ্রামের ইতিহাস।’
- কিভাবে শ্রেণীর সৃষ্টি হলো- এ প্রশ্নের উত্তরে মার্কস বলেন যে, আদিতে সমাজে যখন ব্যক্তিগত সম্পত্তির অস্তিত্বছিল না, তখন শ্রেণীরও অস্তিত্বছিল না।
- কিন্তু পরবর্তীতে ব্যক্তিগত সম্পত্তি উদ্ভবের ফলে সমাজ বিভক্ত হয়ে যায়। একদিকে থাকে সম্পত্তির মালিক শ্রেণী অন্যদিকে থাকে মালিকানা বিহীন শ্রেণী।
- বলাবাহুল্য, পরবর্তীতে বিকাশের প্রতিটি স্তরেই সম্পত্তির মালিকগণ (শোষক শ্রেণী) মালিকানা বিহীন (শোষিত) শ্রেণীকে শোষণ করেছে।
- প্রতিটি স্তরেই শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অনিবার্য হয়ে উঠেছে। এ প্রতিবাদী সংঘাতই হলো শ্রেণীর দ্বন্দ¡বা সংগ্রাম।
- শ্রেণী সংগ্রামের ফলেই সমাজ কাঠামোতে পরিবর্তন এসেছে বলে মার্কস দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন।
- মার্কস আরও মনে করতেন রাষ্ট্র, প্রশাসন, আইন-কানুন এ সবই স্বার্থরক্ষার হাতিয়ার স্বরূপ। তাই শ্রেণীর উত্থানের সাথে রাষ্ট্রের উত্থান অনিবার্যহয়ে উঠেছিল।
- বিকাশের এক পর্যায়ে (সাম্যবাদী) যখন আর শ্রেণীর অস্তিত্বথাকবে না তখন রাষ্ট্রনামক প্রতিষ্ঠানটি অপ্রয়োজনীয় হয়ে যাবে এবং বিলুপ্ত হবে।
উৎসঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান -২; পৃষ্ঠা নং - ১৬১ ও ১৬২ (উন্মুক্ত)।
সুশাসন একটি সামাজিক ধারণা। এর অর্থ হলো যথার্থরূপে শাসন বা ভালোভাবে শাসন। সুশাসনের পূর্বশর্ত হলো আইনের শাসন।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রাণ হচ্ছে - গণতন্ত্র।
আইনগত স্বাধীনতা (Legal liberty):
- রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত, সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত স্বাধীনতাকে আইনগত স্বাধীনতা বলা হয়।
- স্বাধীনতা নির্দিষ্ট, সুস্পষ্ট এক আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বই।